Blog

  • PM Modi: বিশ্বের সেরা সমবায়ের শিরোপা পেল আমূল, তালিকায় দ্বিতীয় ইফকো, অভিনন্দন মোদির

    PM Modi: বিশ্বের সেরা সমবায়ের শিরোপা পেল আমূল, তালিকায় দ্বিতীয় ইফকো, অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সেরা ১০টি সমবায়ের মধ্যে প্রথম দুটি স্থান অর্জনের জন্য আমূল এবং ইফকোকে (Amul-IFFCO) অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আইসিএ ওয়ার্ল্ড কো-অপারেটিভ মনিটর ২০২৫ অনুসারে জানা গিয়েছে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সমবায়গুলির মধ্যে প্রথম দুটি স্থান অর্জন করেছে এই দুই সমবায়। একই ভাবে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সমবায় খাতে ভারতের যোগদান কতটা মহৎ এবং প্রভাবশালী হতে চলেছে সেই দিক থেকে এই খবর অত্যন্ত ইঙ্গিতবহ।

    সমবায় অত্যন্ত প্রাণবন্ত (PM Modi)

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, “ভারতের সমবায় অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং উদ্দীপ্ত। আমূল এবং ইন্ডিয়ান ফার্মার্স ফার্টিলাইজার কোঅপারেটিভ লিমিটেডকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানাই। সরকার এই ক্ষেত্রকে উৎসাহী করতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এই সমবায় মানুষের জীবনকে বদলে দিচ্ছে। সরকার সবসময় এই ধরনের উদ্যোগে উৎসাহ দেওয়ার কাজ করছে।”

    আইসিএ ওয়ার্ল্ড কোঅপারেটিভ মনিটর ২০২৫ অনুসারে, মাথাপিছু জিডিপি-র ভিত্তিতে গুজরাট কোঅপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন লিমিটেড আমূল (Amul-IFFCO) বিশ্বের ১ নম্বর সমবায় হিসেবে স্থান পেয়েছে। কাতারের দোহায় আইসিএ সিএম ৫০ সম্মলেনে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গুজরাটের জিসিএমএমএফ ভারতের বৃহত্তর খাদ্য পণ্য বিপণন সংস্থা, যার বার্ষিক টার্নওভার ২০২৩-২৪ সালে ৭.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৮ হাজার ৬০০টি গ্রামীণ দুগ্ধ সমবায় সমিতি, ৩৩টি জেলায় ১৮টি সদস্য ইউনিয়ন এবং ৩৬ লক্ষের বেশি দুধ উৎপাদনকারী সদস্য থেকে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন কোটি লিটার দুধ সংগ্রহ হয়।

    ধন্যবাদ অমিত শাহের

    তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্ডিয়ান ফার্মার্স ফার্টিলাইজার কোঅপারেটিভ (Amul-IFFCO)। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, নতুন দিল্লিতে প্রধান কার্যালয়। এখানে সদস্য ৩৫০০০ এবং ৫ কোটি কৃষকের কাছে পৌঁছে গিয়েছে ইতিমধ্যে। এই সমবায় সার তৈরি এবং তাকে বাজারজাত করে থাকে।

    কেন্দ্রীয় সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “ভারতের কাছে এই সময় অত্যন্ত গর্বের। বিশ্বের প্রথম ১০টি সমবায়ের মধ্যে ভারতের দুটি সমবায় জায়গা করে নিয়েছে। এই দুই সমবায়ে লক্ষ লক্ষ মহিলা এবং কৃষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাজ করছেন। এটাই দেশের আত্মনির্ভর ভারতের মহামন্ত্র।”

  • Ramakrishna 501: “পূর্ণ ও অংশ,—যেমন অগ্নি ও তার স্ফুলিঙ্গ, অবতার ভক্তের জন্য,—জ্ঞানীর জন্য নয়”

    Ramakrishna 501: “পূর্ণ ও অংশ,—যেমন অগ্নি ও তার স্ফুলিঙ্গ, অবতার ভক্তের জন্য,—জ্ঞানীর জন্য নয়”

    ৪৮ শ্রীরামকৃষ্ণ কাপ্তেন, নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)  ভাবে বিভোর হইতেছেন। ‘গোবিন্দ!’ ‘গোবিন্দ!’ ‘গোবিন্দ!’ এই কথা বলিতে বলিতে আবিষ্ট হইতেছেন! প্রায় বাহ্যশূন্য। কাপ্তেন সবিসময়ে বলিতেছেন, ‘ধন্য!’ ‘ধন্য!’

    কাপ্তেন ও সমবেত ভক্তগণ ঠাকুরের এই অদ্ভুত প্রেমাবস্থা দেখিতেছেন। যতক্ষণ না তিনি প্রকৃতিস্থ হন, ততক্ষণ তাঁহারা চুপ করিয়া একদৃষ্টে দেখিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তারপর?

    কাপ্তেন—তিনি যোগীদিগের অগম্য—‘যোগিভিরগম্যম্‌’—আপনার ন্যায় যোগীদের অগম্য; কিন্তু গোপীদিগের গম্য। যোগীরা কত বৎসর যোগ করে যাঁকে পায় নাই; কিন্তু গোপীরা অনায়াসে তাঁকে পেয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—গোপীদের কাছে খাওয়া, খেলা, কাঁদা, আব্দার করা, এ-সব হয়েছে।

    শ্রীযুক্ত বঙ্কিম ও শ্রীকৃষ্ণ-চরিত্র—অবতারবাদ 

    একজন ভক্ত বলিলেন, ‘শ্রীযুক্ত বঙ্কিম কৃষ্ণ-চরিত্র লিখেছেন।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ—বঙ্কিম শ্রীকৃষ্ণ মানে, শ্রীমতী মানে না।

    কাপ্তেন—বুঝি লীলা মানেন না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আবার বলে নাকি কামাদি—এ-সব দরকার।

    দমদম মাস্টার—নবজীবনে বঙ্কিম লিখেছেন ধর্মের প্রয়োজন এই যে, শারীরিক, মনাসিক, আধ্যাত্মিক প্রভৃতি সব বৃত্তির স্ফূর্তি হয়।

    কাপ্তেন—‘কামাদি দরকার’, তবে লীলা মানেন না। ঈশ্বর মানুষ হয়ে বৃন্দাবনে এসেছিলেন, রাধাকৃষ্ণলীলা (Ramakrishna), তা মানেন না?

    পূর্ণব্রহ্মের অবতার—শুধু পাণ্ডিত্য ও প্রত্যক্ষের প্রভেদ—
    Mere booklearning and Realisation

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—ও-সব কথা যে খবরের কাগজে নাই (Kathamrita), কেমন করে মানা যায়!

    “একজন তার বন্ধুকে এসে বললে, ‘ওহে! কাল ও-পাড়া দিয়ে যাচ্ছি, এমন সময় দেখলাম, সে-বাড়িটা হুড়মুড় করে পড়ে গেল।’ বন্ধু বললে, দাঁড়াও হে, একবার খবরের কাগজখানা দেখি। এখন বাড়ি হুড়মুড় করে পড়ার কথা খবরের কাগজে কিছুই নাই। তখন সে ব্যক্তি বললে, ‘কই খবরের কাগজে তো কিছুই নাই।— ও-সব কাজের কথা নয়।’ সে লোকটা বললে, ‘আমি যে দেখে এলাম।’ ও বললে, ‘তা হোক্‌ যেকালে খবরের কাগজে নাই, সেকালে ও-কথা বিশ্বাস করলুম না।’ ঈশ্বর মানুষ হয়ে লীলা করেন, এ-কথা কেমন করে বিশ্বাস করবে? এ-কথা যে ওদের ইংরাজী লেখাপড়ার ভিতর নাই! পূর্ণ অবতার বোঝানো বড় শক্ত, কি বল? চৌদ্দ পোয়ার ভিতর অনন্ত আসা!”

    কাপ্তেন—‘কৃষ্ণ ভগবান্‌ স্বয়ম্‌।’ বলবার সময় পূর্ণ ও অংশ বলতে হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—পূর্ণ ও অংশ,—যেমন অগ্নি ও তার স্ফুলিঙ্গ। অবতার ভক্তের জন্য,—জ্ঞানীর জন্য নয়। অধ্যাত্মরামায়ণে আছে — হে রাম! তুমিই ব্যাপ্য, তুমিই ব্যাপক, ‘বাচ্যবাচকভেদেন ত্বমেব পরমেশ্বর।’

    কাপ্তেন—‘বাচ্যবাচক’ অর্থাৎ ব্যাপ্য-ব্যাপক (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—‘ব্যাপক’ অর্থাৎ যেমন ছোট একটি রূপ, যেমন অবতার মানুষরূপ হয়েছেন।

  • Himanta Biswa Sarma: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়”, বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়”, বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়” অর্থাৎ রাহুল গান্ধী পাগল। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে পাগল বলে ঘোষণা করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ইতিমধ্যেই অসম মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। উল্লেখ্য, রাহুল (Rahul Gandhi) দেশে এবং দেশের বাইরে একাধিকবার ভারত সম্পর্কে বেফাঁস মন্তব্য করে সব মহলেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এক একবার তো মামলা গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত।

    সেনা বাহিনীতে সংরক্ষণ (Himanta Biswa Sarma)!

    বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) রাহুলের করা মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। দেশের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে রাহুল পরিণত নন। তাঁর বাস্তব জ্ঞানের অভাব বলে মন্তব্য করেন হিমন্ত। সেনাবাহিনীতে শক্তিশালী এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিদের কাজ করা উচিত। রাহুল কথিত শতাংশের হারে ব্যক্তি নিয়োগের সিদ্ধান্ত কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    হিমন্ত সাংবাদিকদের বলেন, “রাহুল (Rahul Gandhi) পাগল। তাঁর সম্পর্কে কথা বলাই উচিত নয়। তিনি মুখে যা আসে তা-ই বলেন। এখন যদি ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা হয় তাহলে কি সেনাবাহিনীতে ১০-২০ শতাংশ ডিভিশন করবেন। সেনাবাহিনীতে কে থাকা উচিত? যে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী যে সেই তো পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই করতে পারেবেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী আলাদা কথা বলছেন। সেনাবাহিনীতে যদি ১০-২০ শতাংশ বিভাজন হয় তাহলে তো সেনাবাহিনীকে দুর্বলই করা হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে রাহুলকে পাগল ঘোষণা করা উচিত।”

    সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচারবিভাগকে টার্গেট

    ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছেন রাহুল (Rahul Gandhi)। তাঁর দাবি ভারতীয় সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচারবিভাগ এবং একাধিক প্রতিষ্ঠানে দলিত, মহাদলিত, অনগ্রসর, মুসলিম এবং নানা প্রকারের সংরক্ষণ রাখা উচিত। তবে লোকসভার বিরোধী দলনেতা হয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারের নানা সমালোচনা করতে করতে বিভিন্ন সময়ে সাংবিধানিক নানা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছেন। আর তাতেই শাসকদলের নেতারা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে পিছিয়ে থাকেননি। বিশেষ করে প্রতিরক্ষায় সংরক্ষণ করে পুনর্মূল্যায়ণ করা উচিত-এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই তোপ দাগেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)।

  • Bihar Assembly Election 2025: বিহারে পড়ল ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে এনডিএ, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    Bihar Assembly Election 2025: বিহারে পড়ল ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে এনডিএ, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শেষ হল বিহার বিধানসভার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (Bihar Assembly Election 2025) পর্ব। ২৪৩টি আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভার ১২১টিতে ভোট গ্রহণ হয়েছে বৃহস্পতিবার। দুপুর ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল (First Phase) ৬০.১৩ শতাংশ।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে হামলা (Bihar Assembly Election 2025)

    এদিন মোটের ওপর শান্তিতেই নির্বাচন হলেও, তাল কাটল দুপুরের দিকে। বিহারের বিদায়ী উপমুখ্যমন্ত্রী তথা লখীসরাই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিজয়কুমার সিনহার কনভয়ে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। তিনি যখন নিজের নির্বাচনী এলাকায় একটি বুথে যাচ্ছিলেন, সেই সময় তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িগুলি লক্ষ্য করে পাথর, গোবর এবং হাওয়াই চপ্পল ছোড়া হয়। যদিও নিরাপদ এবং সুস্থই রয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে আরজেডির দিকে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে লালু প্রসাদ যাদবের দল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওয় দেখা যায়, কয়েকজন উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়কে ঘিরে ধরে ‘মুর্দাবাদ’ স্লোগান দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এরা সব আরজেডির গুন্ডা। ওরা জানে এনডিএ ক্ষমতায় আসছে। তাই গুন্ডামি করছে।”

    পুলিশকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ কমিশনের

    কনভয়ে হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার অ্যাকশন’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বিজয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করা না হলে ধর্নায় বসবেন বলে জানিয়ে দেন তিনি। পরে অবশ্য পুলিশ গিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরস্ত করে।উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে হামলার খবর পেয়েই সক্রিয় হয়ে ওঠে নির্বাচন কমিশন। দেশের (Bihar Assembly Election 2025) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিহার পুলিশের ডিজিকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেন। কমিশন সাফ জানিয়ে দেয়, কাউকে আইন হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

    এদিকে প্রথম দফার নির্বাচনের পর যারপরনাই উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “বিহারে গণতন্ত্রের বৃহৎ উৎসবে মানুষের মধ্যে দারুণ উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনা ইঙ্গিত করছে যে, বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ অভূতপূর্ব সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে।” প্রসঙ্গত, বিহার বিধানসভার নির্বাচন হবে দু’দফায়। এদিন হয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন (First Phase)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে আগামী মঙ্গলবার। ফল গণনা হবে ১৪ নভেম্বর (Bihar Assembly Election 2025)।

  • Aadhaar Card: এসআইআর শুরুর হতেই ঝোপে মিলল ভোটার কার্ডের পাহাড়, জলে ভাসছে শয়ে শয়ে আধার! কোথা থেকে এল?

    Aadhaar Card: এসআইআর শুরুর হতেই ঝোপে মিলল ভোটার কার্ডের পাহাড়, জলে ভাসছে শয়ে শয়ে আধার! কোথা থেকে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) জন্য মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছে। আর পরদিন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে জলাশয় থেকে পাওয়া গেল কয়েকশো আধার কার্ড। তিনটি বস্তায় ভরে আধার কার্ড-সহ অন্যান্য কাগজপত্র রাতের অন্ধকারে কেউ ফেলে গিয়েছে বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, রাজগঞ্জ বিডিও বিতর্কের মধ্যে ওই অফিসের পিছনের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর ভোটার কার্ড। কে বা কারা এই ভোটার কার্ডগুলি সেখানে ফেলে দিয়েছে তা এখনও রহস্য। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াতকারীরা প্রথমে ভোটার কার্ডগুলো পড়ে থাকতে দেখে খবর দেন। তবে সাফাই কর্মীরা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। বিজেপির দাবি, এসআইআর-র ভয়ে এই ভুয়ো আধার কার্ড, ভোটার কার্ড ফেলে দেওয়া হয়েছে।

    কোথা থেকে এল এত আধার কার্ড

    পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের বরডাঙা এলাকার একটি বিলে বুধবার সকালে আধার কার্ডগুলি ভেসে থাকতে দেখে এলাকার মানুষজন। খোঁজ করতে গিয়ে তিনটি বস্তা দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পূর্বস্থলী থানার পুলিশ। উদ্ধার করা হয় জলে ভেসে থাকা আধার কার্ড ও একটি বস্তা। জলের নিচে থাকা আরও দুটি বস্তা ভর্তি আধার কার্ডগুলি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশের তরফ থেকে এলাকাবাসীর উদ্দেশে মাইকিং করে জানানো হচ্ছে, কেউ আধার কার্ড পেলে, তা যেন প্রশাসন কিংবা থানায় জমা দেয়। কে বা কারা আধার কার্ডগুলি রাতের অন্ধকারে জলে ফেলে রেখে গিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসীরা জানান, আধার কার্ডে যে ছবি রয়েছে তা অপরিচিত। তাদের কেউ চেনে না। লক্ষ্মণ মণ্ডল নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমার এখানে জমি রয়েছে। আজ সকালে কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। তারা তিনটে বস্তা দেখতে পান। একটি বস্তা বিল থেকে বের করে আনেন। বাকি দুটি বের করতে পারেননি। কার্ডগুলো দেখেছি। কার্ডে আমাদের এখানকার কারও নাম লেখা নেই।”

    ভোটার কার্ডের পাহাড়

    অন্যদিকে, সরকারি অফিসের এত কাছেই এত সংখ্যক ভোটার কার্ড ঝোপ থেকে উদ্ধার হওয়াও প্রশ্ন তৈরি করেছে। প্রশ্ন উঠছে, এল কোথা থেকে? এগুলো কি ভুলবশত ফেলা হয়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনও অন্য রহস্য রয়েছে এর পিছনে।সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বিডিও অফিস চত্বরের ঝোপের মধ্যে যে সকল ভোটার কার্ড উদ্ধার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা যাচ্ছে, এপিক নম্বর একেবারেই বৈধ। এপিক কার্ডে থাকা নাম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও পাওয়া যাচ্ছে। এই রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনের মামলাও। এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই রাজগঞ্জেই এই ঘটনা, স্বাভাবিকভাবেই একাধিক প্রশ্ন জাগাচ্ছে। কী উদ্দেশ্যে এত শয়ে শয়ে বৈধ ভোটার কার্ড ফেলে দেওয়া হল, তা সবথেকে বড় প্রশ্ন। ব্লকের এক কর্মী বললেন, “আসলে অফিস পরিস্কার করা হয়েছে। অনেক পুরনোকাগজপত্র ফেলা হয়েছে।” অর্থাৎ এই ভোটারকার্ডগুলোকে পুরনো কাগজপত্র বলেই উড়িয়ে দিলেন তিনি।

    এসআইআর শুরু হতেই অবৈধ কার্ড

    বিজেপি তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, আধার কার্ডগুলি অবৈধ। আর এসআইআর শুরু হতেই এই অবৈধ আধার কার্ড নষ্ট করতেই ফেলে যাওয়া হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা পরিমল মিস্ত্রি বলেন, “হয়তো এগুলো ভুয়ো আধার কার্ড। কী জন্য বস্তাভর্তি আধার কার্ড ফেলে দেওয়া হয়েছে, তা তদন্তে করে দেখা দরকার। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।” রাজগঞ্জের ঘটনা নিয়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “রাজগঞ্জের ওই বিডিও হয়েছেন চুরির নম্বরে। যেখানে গিয়েছেন, সেখানেই সমস্যা তৈরি করেছেন। ক্ষমতা দেখাতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন।”

  • PM Modi Meets Indian Cricketers: প্রধানমন্ত্রীই অনুপ্রেরণা! জানালেন হরমনরা,ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টে এগিয়ে আসার আহ্বান মোদির

    PM Modi Meets Indian Cricketers: প্রধানমন্ত্রীই অনুপ্রেরণা! জানালেন হরমনরা,ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টে এগিয়ে আসার আহ্বান মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীশক্তির দাপটে বিশ্বমঞ্চে গর্বিত হয়েছে ভারত। প্রথমবার মহিলাদের বিশ্বকাপ এসেছে দেশে। ইতিহাস গড়া হরমনপ্রীত কৌরের ব্রিগেডকে এবার সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, ভারকীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্য দেশের প্রতিটি মেয়েকে উজ্জবীতি করবে। নতুন প্রেরণা জোগাবে। ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টে মেয়েদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি। বুধবার লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাসভবনে ভারতের মহিলা বিশ্বকাপ জয়ী দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁদের আপ্যায়ন করেন।

    স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়েন হরমনপ্রীত

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দলকে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের লাগাতার তিনটি পরাজয় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিংয়ের শিকার হওয়ার পরে টুর্নামেন্টে তাদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের প্রশংসা করেন। উল্লেখ্য, ভারতীয় দল লিগ পর্যায়ে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে অধিনায়ক হরমনপ্রীত জিজ্ঞেস করেন যে, তিনি কীভাবে সবসময় বর্তমানে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান যে, এটি তাঁর জীবনের একটি অংশ হয়ে গিয়েছে, অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারলিন দেওলের ক্যাচটির কথাও স্মরণ করেন, যা নিয়ে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎপর্বে স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়েন হরমনপ্রীত। তাঁর মনে পড়ে গিয়েছিল আট বছর আগের কথা। ২০১৭ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে মাত্র ৯ রানে হারের পরও তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তবে সেবার ট্রফি ছাড়াই। এবার যেন সব আক্ষেপ মেটালেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁদের অনুপ্রেরণা

    স্মৃতি মন্ধানা বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁদের অনুপ্রাণিত করেছেন এবং তিনি সকলের জন্য অনুপ্রেরণা ছিলেন। তিনি জানান যে, কীভাবে আজ মেয়েরা প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কারণে ভাল পারফর্ম করছে। দীপ্তি শর্মা বলেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। দীপ্তি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি হাসিমুখে দীপ্তির ইনস্টাগ্রামে লেখা ‘জয় শ্রী রাম’ এবং তাঁর হাতে থাকা ভগবান হনুমানের উল্কির কথাও উল্লেখ করেন। দীপ্তি বলেন, “ওই উল্কি ও বিশ্বাসই আমাকে শক্তি জোগায়।”

    ‘ফিট ইন্ডিয়া’ আন্দোলনের বার্তা

    গত বছর ভারতের পুরুষদের দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তাঁদের পরনে ছিল ভারতের জার্সি। তবে হরমনপ্রীতেরা জার্সির বদলে ফরম্যাল পোশাকে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বেশ কিছু ক্ষণ ছিলেন হরমনপ্রীতেরা। মোদির হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি তুলে দেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবিও তোলেন। সকল ক্রিকেটারের সই করা একটি জার্সিও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন হরমনপ্রীত। সেই জার্সির নম্বর ‘১’। তাতে লেখা রয়েছে ‘নমো’। সব শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদি খেলোয়াড়দের ‘ফিট ইন্ডিয়া’ আন্দোলনের বার্তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আজকের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্থূলতা বাড়ছে। তাই শরীরচর্চা ও সুস্থ থাকার বার্তা প্রতিটি স্কুলে, প্রতিটি মেয়ের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।”

  • Sukanta Majumdar: “হিন্দুর নাম বাদ গেলে আমরা সরকারেই থাকতে পারব না”, অভয় বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “হিন্দুর নাম বাদ গেলে আমরা সরকারেই থাকতে পারব না”, অভয় বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার সিএএ ক্যাম্পে গিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে হিন্দু বিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি মমতাকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, “নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ নিয়ে চক্রান্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।” প্রসঙ্গত এই রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR) বিরোধিতা করতে গিয়ে বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, সিএএ-তে কেউ যেন আবেদন না করে। তৃণমূলের দাবি, যদি আবেদন করেন তাহলে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে বিজেপি। বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন সিএএ। কোনও ভাবেই নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। তাই তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভাবে খারিজ করে দেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ।

    শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব: সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    নদিয়ার তাহেরপুরে অনুষ্ঠিত সিএএ ক্যাম্প পরিদর্শনের জন্য যান কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “এসআইআরকে (SIR) ইস্যু করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বড় ধরনের চক্রান্ত করছেন। নির্বাচন কমিশন রাজ্যের প্রশাসনের মাধ্যমে এসআইআরকে বাস্তবায়নের কাজ করছে। কমিশন সরাসরি নিয়ন্ত্রণ না করলেও রাজ্য সরকারের কর্মচারী, বিডিওরাই কাজ করছেন। কেউ কেউ আবার ইআরও হিসেবে কাজ করছেন।”

    একই ভাবে সুকান্ত সিএএ-এর বিভ্রান্তি নিয়ে বলেন, “ভয় পাওয়ার কিছু নেই, বিজেপি আপনাদের সঙ্গে আছে। আমরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব। আপনাদের যাতে ভোটার লিস্টে নাম থাকে তার জন্য যা যা করার বিজেপি তা তা করবে। নরেন্দ্র মোদি সরকারও তাই তাই করবেন। অনেকে আপানাদের উল্টো পাল্টা বোঝাবে। বিজেপি ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে বলে উসকাবে। বিজেপি কালিদাস নাকি? বিজেপিকে কারা ভোট দেয় সকলে জানে। যাদের গলায় কাঠের মালা, মাথায় সিঁদুর। যারা ভোট দেয় তাঁদের কি বিজেপি ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে? যদি তাই হয় আমরাই তো সরকারে থাকতে পারব না। আমি তো বগুড়া থেকে এসেছি। আমাদের জমি ওপারে কম ছিল না। আমার ঠাকুদা এসছিলেন যাতে ঠাকুমা রাতের বেলায় তুলসীতলায় প্রদীপ জ্বালাতে পারেন। তাই ভয়ের কিছু নেই।”

    প্রতি বুথে ১০-১৫ জন হিন্দুর নাম কেটে বাদ

    এদিন তৃণমূলের আইপ্যাকের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “তৃণমূলের আই-প্যাক টিমের মাধ্যমে ভোটার তালিকা তৈরি হচ্ছে, যেখানে বেছে বেছে প্রতিটি বুথ থেকে প্রায় দশজন করে হিন্দু ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। যাদের নাম এসআইআরে নেই, তারা যেন সিএএ-র আওতায় আবেদন করেন। আজকের অনুষ্ঠান ক্যাম্পে সকলে সিএএ-র আওতায় আবেদন করুণ। তাদের রীতিমতো টার্গেট দেওয়া হয়েছে প্রতিবুথে যেন ১০-১৫ জন হিন্দুর নাম কেটে বাদ দেওয়া হয়। এমনিই বাদ দিয়ে দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন যেহেতু এদের দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাই সুযোগকে ব্যবহার করবে। ফলে বিজেপির কর্মীদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। একজন হিন্দুর যেন নাম বাদ না যায়। ভারতে যদি হিন্দুদের নাম বাদ যায় তাহলে কাদের নাম থাকবে। ভারতবর্ষ আর ভারতবর্ষ থাকবে না। হিন্দুদের মহাপুণ্যভূমি এই ভারতবর্ষ তাই হিন্দু রক্ষার নামই হল ভারতবর্ষ রক্ষা। তাই ভারতকে রক্ষা করতে হিন্দুদের এক থাকতে হবে।”

    নাগরিকত্ব তুলে দেন সুকান্ত

    এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি আগে সিএএ আবেদন করেছিলেন এমন ব্যক্তিদের হাতে সার্টিফিকেটও তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বিজেপি মণ্ডলস্তর পর্যন্ত সকল জায়গায় হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্যাম্প শুরু করেছে। আবেদনও পড়ছে ব্যাপক পরিমাণে। উল্লেখ্য নবদ্বীপ রাস পূর্ণিমার অনুষ্ঠানে যোগদান করতে গিয়ে গিয়ে একদল দুষ্কৃতীরা তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়। ঘটনার কথা সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে গত কয়েকমাসের মধ্যে সাংসদ খগেন মুর্মু, বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, সাংসদ রাজ্য বিস্তা-সহ একাধিক নেতাদের উপর আক্রমণের ঘটনা রাজ্য রাজনীতির পারদ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছে। বিরোধীদের যদি ভোটের আগেই এতো টার্গেট করা হয় ভোটের সময় কি হবে? তা নিয়েই চিন্তিত রাজনীতির একাংশ।

  • Kerala HC: প্রথম স্ত্রীর কথা না শুনে দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন না মুসলিম পুরুষ, রায় কেরল হাইকোর্টের

    Kerala HC: প্রথম স্ত্রীর কথা না শুনে দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন না মুসলিম পুরুষ, রায় কেরল হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম স্ত্রীকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দিয়ে কোনও মুসলিম পুরুষের (Muslim Man) দ্বিতীয় বিয়ে কেরল রেজিস্ট্রেশন অফ ম্যারেজ (কমন) রুলস, ২০০৮ এর অধীনে রেজিস্ট্রি করা যাবে না। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবরের রায়ে বিচারপতি (Kerala HC) পিভি কুনহিকৃষ্ণন বলেন, “মুসলিম পুরুষের প্রথম স্ত্রী যদি তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের বিরোধিতা করেন, তবে রেজিস্ট্রারকে সেই বিয়ে রেজিস্ট্রি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সব পক্ষকে আদালতে পাঠাতে হবে।” হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, “যদি কোনও মুসলিম পুরুষের প্রথম স্ত্রী তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের বিরুদ্ধে আপত্তি জানান এবং দাবি করেন যে দ্বিতীয় বিয়েটি অবৈধ, তাহলে রেজিস্ট্রার সেই দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করবেন না। সব পক্ষকে তাঁদের ধর্মীয় প্রথাগত আইনের আলোকে দ্বিতীয় বিয়ের বৈধতা প্রমাণ করার জন্য উপযুক্ত আদালতে পাঠাতে হবে।”

    সাংবিধানিক অধিকার সর্বোচ্চ (Muslim Man)

    হাইকোর্ট বলেছে, “মুসলিম পার্সোনাল ল-এর অধীনে একজন মুসলিম পুরুষের অধিকার সংবিধানের সমতা ও ন্যায্য শুনানির নীতিগুলির ওপরে যেতে পারে না। তবে, যদি প্রথম আবেদনকারী (স্বামী) দ্বিতীয় আবেদনকারীর (দ্বিতীয় স্ত্রী) সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে চান, তাহলে দেশের আইনই প্রাধান্য পাবে, এবং সে ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীকে শুনানির সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে ধর্ম দ্বিতীয় অবস্থানে, আর সাংবিধানিক অধিকার সর্বোচ্চ। অন্যভাবে বলতে গেলে, এটি প্রকৃতপক্ষে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি।” স্বামীর প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে যুক্ত ছিলেন, এ তথ্য উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেছে, এ ধরনের পরকীয়ার সম্পর্ক পবিত্র কোরানে বৈধতা পায় না। আদালত বলেছে, “আমি মনে করি না যে পবিত্র কোরান বা মুসলিম আইন কোনও মুসলিম পুরুষকে তাঁর প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এবং তাঁর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও অন্য কোনও নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের অনুমতি দেয়, তাও আবার প্রথম স্ত্রীর অগোচরে। পবিত্র কোরান ও হাদিস থেকে প্রাপ্ত নীতিগুলি সম্মিলিতভাবে বিবাহ-সম্পর্কিত সব আচরণে ন্যায়, ন্যায্যতা এবং স্বচ্ছতার নির্দেশ দেয়।”

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, কোরানে (Muslim Man) দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীর সম্মতি নেওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। তবে দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রির আগে তাঁর সম্মতি নেওয়া, অথবা অন্তত তাঁকে অবহিত করা, এগুলি ন্যায়, সুবিচার এবং স্বচ্ছতার মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা সংবিধান ও ধর্মীয় নীতির কেন্দ্রবিন্দু। আদালত আরও জানিয়েছে, “মুসলিম পার্সোনাল ল’ বিশেষ পরিস্থিতিতে পুরুষকে দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি দিলেও, প্রথম স্ত্রী তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের রেজিস্ট্রির সময় স্রেফ দর্শক হয়ে থাকতে পারেন না (Kerala HC)।”

    প্রথম স্ত্রীর শুনানি বাধ্যতামূলক

    তবে আদালত এও স্পষ্ট করে দিয়েছে, প্রথম স্ত্রীর এই শুনানি বাধ্যতামূলক নয়, যদি প্রথম বৈবাহিক সম্পর্ক তালাকের মাধ্যমে শেষ হয়ে যায়। আদালত জানিয়েছে, “যখন প্রথম বিয়ে কার্যকর রয়েছে, তখন ২০০৮ সালের আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীকে অবহিত না করে একজন মুসলিম পুরুষ তাঁর প্রথম স্ত্রীর ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে পারেন না। কিন্তু যদি দ্বিতীয় বিয়েটি প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ঘটে, তখন প্রথম স্ত্রীকে নোটিশ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।”

    লিঙ্গ সমতা

    হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, লিঙ্গ সমতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। এটি শুধু নারীদের বিষয় নয়, সমগ্র মানবজাতির বিষয়। আদালতের ভাষায়, “লিঙ্গসমতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। পুরুষ নারীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়। লিঙ্গ সমতা কোনও নারীর সমস্যা নয়, এটি মানুষের সমস্যা (Muslim Man)। তাই আমি মনে করি, একজন মুসলিম পুরুষ যদি ২০০৮ সালের আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে চান, যখন তাঁর প্রথম স্ত্রী রয়েছেন, তাহলে প্রথম স্ত্রীকে অবশ্যই শুনানির সুযোগ দিতে হবে (Kerala HC)।”

    দ্বিতীয় বিয়েতে সম্মতি!

    হাইকোর্ট রিট পিটিশনটি খারিজ করে দিয়ে জানিয়ে দেয়, প্রথম স্ত্রীকে আদৌ এই মামলায় পক্ষ করা হয়নি। আদালত আবেদনকারীদের ফের রেজিস্ট্রির জন্য আবেদন করার অনুমতি দেয় এবং নির্দেশ দেয় যে প্রথম স্ত্রীকে নোটিশ দিতে হবে। কেরল হাইকোর্টের বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, মুসলিম পার্সোনাল ল হয়তো মুসলিম পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি দেয়। কিন্তু সেটা অবশ্যই প্রথম স্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত ৯৯.৯৯ শতাংশ স্ত্রী তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েতে সম্মতি দেবেন না (Kerala HC)।”

  • India Israel Defence Deal: ১ লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকা! ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের সঙ্গে বিরাট প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারতের

    India Israel Defence Deal: ১ লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকা! ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের সঙ্গে বিরাট প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-সৌদির মধ্যে সামরিক সমঝোতার মাস খানেকের মধ্যেই ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের (India Israel Friendship) সঙ্গে বিশাল বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি সেরে ফেলল ভারত (India Israel Defence Deal)। মঙ্গলবার তেল আভিভে অনুষ্ঠিত ১৭তম জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। তাতে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, যৌথ গবেষণা, সাইবার সুরক্ষা এবং সামরিক উৎপাদনের ক্ষেত্রকে আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। চুক্তির মূল্য প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি)। ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের কাছ থেকে উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবং ড্রোন সংক্রান্ত সহায়তা পেয়েছে। এবার সেই সহযোগিতা আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল।

    ৫ হাজার কোটি টাকার ‘র‍্যাম্পেজ’ চুক্তি!

    নতুন চুক্তির আওতায়, ভারত ইজরায়েল থেকে উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা আমদানি করার পাশাপাশি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় এর প্রায় ৭০ শতাংশ যৌথভাবে তৈরি করবে। এই চুক্তিতে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার রকেট, ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং উন্নত ট্যাঙ্ক সুরক্ষা প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই চুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান হল ৫ হাজার কোটি টাকার ‘র‍্যাম্পেজ’ ক্ষেপণাস্ত্রের (Rampage Missile) চুক্তি, যা অপারেশন সিঁদুর-এর (Operation Sindoor) সময় পাকিস্তানের সুক্কুর বিমানঘাঁটি এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জইশ-ই-মহম্মদের সন্ত্রাসী শিবির ধ্বংস করার সময় নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছিল। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি (India Israel Defence Deal) ভারত-ইজরায়েল প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি নতুন পর্যায় চিহ্নিত করল, যা সরাসরি ভারতের আক্রমণ এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

    ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত বোঝাপড়া

    তেল আভিভের বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের যৌথ সচিব (প্রতিরক্ষা উৎপাদন), আর ইজরায়েলের তরফে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের প্রধান। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই নতুন চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি ভাগাভাগি এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছে (India Israel Defence Deal)। এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, আধুনিক অস্ত্র প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে বিদ্যমান অংশীদারিত্ব ইতিমধ্যেই “গভীর বিশ্বাস ও কৌশলগত বোঝাপড়া”-র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। উভয় দেশ সন্ত্রাসবাদ, সীমান্ত সুরক্ষা ও তথ্য নিরাপত্তার মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, ফলে এই সহযোগিতা দুই দেশের প্রতিরক্ষা নীতিকে আরও দৃঢ় করবে।

    কী বললেন ভারতের সেনাপ্রধান?

    ইজরায়েলের সঙ্গে এই চুক্তির প্রেক্ষিতে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জোর দিয়ে বলেছেন যে, বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক গতিশীলতা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে বলে একই মনোভাবসম্পন্ন দেশগুলির মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, যে কোনও জাতি বিচ্ছিন্নভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারে না, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক বিপদের মুখে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ থেকে কার্গিল যুদ্ধ পর্যন্ত, ইজরায়েল ঐতিহাসিকভাবে কঠিন সময়ে ভারতকে সমর্থন করেছে (India Israel Friendship), পারস্পরিক বিশ্বাস এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের উপর ভিত্তি করে সম্পর্ককে দৃঢ় করেছে।

    পাক-সৌদি বনাম ভারত-ইজরায়েল

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েলের প্রযুক্তিগত সুবিধা ভারতকে সত্যিকারের কৌশলগত সুবিধা প্রদান করতে সক্ষম হবে (India Israel Defence Deal)। অন্যদিকে, যেখানে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের চুক্তিটি মূলত আর্থিক-সহায়তা কেন্দ্রিক। ইজরায়েল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ভরকেন্দ্র। সেখানে সৌদি আরব নিজে তার বেশিরভাগ অস্ত্র আমদানি করে থাকে। ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-ইজরায়েলের এই সম্পর্ক ‘‘কৌশলগত নোঙ্গর’’, যা কঠিন সময়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রদান করেছে। তাঁরা জানান, এই চুক্তি শুধু প্রতিরক্ষা ক্রয় বা বিক্রির সীমায় সীমাবদ্ধ নয় — বরং এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও স্বনির্ভর সামরিক উৎপাদনের পথ খুলে দেবে।

  • SIR: আসলে এসআইআর সমর্থনই করছেন রাহুল গান্ধী! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

    SIR: আসলে এসআইআর সমর্থনই করছেন রাহুল গান্ধী! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) নিয়ে ঘুম ছুটেছে বিরোধীদের। প্রকাশ্যে চলে এসেছে তাঁদের দ্বিচারিতার রাজনীতিও। এক সময় এসআইআরের দাবি জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই তিনিই এখন এসআইআরের বিরোধিতায় নেমে পড়েছেন পথে। এই দ্বিচারিতার রাজনীতি করে চলেছে কংগ্রেসও (Rahul Gandhi)। নির্বাচন কমিশনের দাবি, একদিকে রাহুল গান্ধী এসআইআরের বিরোধিতা করছেন। অথচ এটি ভোটার তালিকা শুদ্ধ করার প্রক্রিয়া। অন্যদিকে তিনিই অতীতের ভোটার তালিকার অশুদ্ধির কথা তুলে ধরে ভাষণ দিয়ে যাচ্ছেন। কমিশনের সাফ কথা, “এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, শুরুতে তিনি বিরোধিতা করলেও, এখন তিনি এসআইআরকে সমর্থনই করছেন।”

    ভোট চুরির অভিযোগ রাহুলের (SIR)

    ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। এদিন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের দাবি করেন, দেশে ব্যাপকভাবে ভোট চুরি হচ্ছে। এদিন তিনি তাক করেছিলেন হরিয়ানাকে, যেখান ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গড়েছে বিজেপি। দুপুরে হরিয়ানার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, “প্রিয় ভোটারবৃন্দ, বিরোধী দলনেতা শ্রী রাহুল গান্ধীর প্রেস কনফারেন্সের বিস্তারিত জবাব শীঘ্রই জানানো হবে।” হরিয়ানা সিইওর এক্স হ্যান্ডেলে ‘হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ শিরোনামে একটি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখ, মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা, পোলিং এজেন্ট, প্রাপ্ত অভিযোগ এসবেরই বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে (Rahul Gandhi)।

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    সংবাদ সংস্থা এএনআই নির্বাচন কমিশনের সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচনী তালিকা নিয়ে কোনও আপিল দাখিল হয়নি। রাজ্যের ৯০টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য হাইকোর্টে মাত্র ২২টি পিটিশন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে (SIR)। সূত্রের প্রশ্ন, কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টরা যদি সত্যিই মনে করে থাকেন যে ডুপ্লিকেট ভোট হয়েছে, তবে তাঁরা ভোটকেন্দ্রেই আপত্তি জানালেন না কেন? গান্ধী কি এসআইআর প্রক্রিয়া সমর্থন করেন নাকি বিরোধিতা করেন? এই প্রক্রিয়াটি তৈরি হয়েছে ডুপ্লিকেট, মৃত এবং স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য। এর পাশাপাশি যাচাই করে নেওয়া হচ্ছে নাগরিকত্বও। সূত্রের আরও প্রশ্ন, কংগ্রেসের বুথ লেভেল এজেন্টরা কেন তালিকা সংশোধনের সময় কোনও দাবি বা আপিল দায়ের করেননি? নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন, রাহুল গান্ধীর ওই দাবিতে, যেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে নকল বা দ্বৈত ভোট বিজেপির দিকে গিয়েছে। আর বিজেপির দাবি ছিল, সেই ভোট পড়েছে কংগ্রেসের ঝুলিতে। কমিশন আরও জানিয়েছে যে, ‘হাউস নম্বর জিরো’ সেই সব এলাকাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যেখানে পুরসভা বা পঞ্চায়েত এখনও বাড়ির নম্বর বরাদ্দ করেনি (Rahul Gandhi)।

    রাহুলের বিস্ফোরক দাবি

    রাহুল গান্ধীর দাবি, হরিয়ানার প্রতি আটজন ভোটারের একজন নকল। তিনি বুথে পড়া ভোট ও পোস্টাল ব্যালটে পড়া ভোটের মধ্যে অকারণ ফারাক সম্পর্কেও প্রশ্ন তোলেন। প্রেস কনফারেন্সে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে যে হরিয়ানায় ২৫ লাখ ভোটার নকল, এরা হয় নেই, অথবা এদের নাম দ্বৈতভাবে রয়েছে, অথবা এমনভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যাতে যে কেউ তাদের নামে ভোট দিতে পারে। হরিয়ানায় প্রতি ৮ জনের ১ জন ভোটার নকল, শতাংশের বিচারে তারা ১২.৫ (SIR)।” তিনি বলেন, “আমাদের কাছে ‘এইচ’ ফাইলস নামে একটি নথি আছে এবং এটি দেখায় কীভাবে পুরো একটি রাজ্যকে চুরি করে নেওয়া হয়েছে। আমরা সন্দেহ করছিলাম যে এটি কেবল আলাদা আলাদা আসনে হচ্ছে না, বরং রাজ্য এবং জাতীয় স্তরেও ঘটছে। হরিয়ানা থেকে আমাদের প্রার্থীদের কাছ থেকে বহু অভিযোগ পেয়েছিলাম যে কিছু একটা ঠিকমতো কাজ করছে না। তাদের সমস্ত পূর্বাভাস উল্টে গিয়েছিল। আমরা এ ধরনের অভিজ্ঞতা মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রেও পেয়েছি, কিন্তু আমরা হরিয়ানায় জুম করে সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল সেটা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।” তাঁর অভিযোগ, হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে জেতাতে ২৫ লাখ ভোট চুরি হয়েছে।

    হরিয়ানা বিধানসভার নির্বাচন

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে নির্বাচন হয় ৯০ আসন বিশিষ্ট হরিয়ানা বিধানসভার। সেই নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয় ৪৭টি আসনে।  কংগ্রেস পায় ৩৭টি আসন। সেই নির্বাচনের এক বছর পর এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে সরব হলেন রাহুল। বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে বিহার বিধানসভার নির্বাচন। তার ঠিক আগের দিনই দিল্লিতে রাহুল অভিযোগ করেন, গত বছর হরিয়ানায় ৫.২১ শতাংশ ডুপ্লিকেট ভোটার ভোট দিয়েছিলেন (Rahul Gandhi)।  ৯৩ হাজার ১৭৪ জন অবৈধ ভোটার ভোট দেন। আর ১৯ লাখ ২৬ হাজার বাল্ক ভোটার ভোট দেন। সব মিলিয়ে চুরি হয়েছে ২৫ লাখ ভোট (SIR)।

LinkedIn
Share