Blog

  • Republic Day 2026: অপরাধী শনাক্ত করতে স্মার্ট চশমা! প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তায় পুলিশের চোখে এআই-হাতিয়ার

    Republic Day 2026: অপরাধী শনাক্ত করতে স্মার্ট চশমা! প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তায় পুলিশের চোখে এআই-হাতিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) উপলক্ষে রাজধানী দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ করা হচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উৎসবকে (Republic Day Parade Security) সুরক্ষিত রাখতে দিল্লিজুড়ে মোতায়েন করা হবে ৩০ হাজারের বেশি পুলিশকর্মী এবং আধাসামরিক বাহিনীর ৭০টিরও বেশি কোম্পানি।

    ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত স্মার্ট চশমা

    এই প্রথমবার নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্বলিত স্মার্ট চশমা (AI Smart Glasses), যাতে ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম (Facial Recognition System) ও থার্মাল ইমেজিং (Thermal Imaging) প্রযুক্তি সংযুক্ত থাকবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই স্মার্ট চশমাগুলি সরাসরি পুলিশি অপরাধী ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে ভিড়ের মধ্যেই সন্দেহভাজন বা ঘোষিত অপরাধীদের তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। নয়াদিল্লির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবেশ কুমার মহলা জানান, এই ‘ওয়্যারেবল ডিভাইস’গুলি পুলিশকর্মীদের মোবাইল ফোনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং অপরাধ সংক্রান্ত ডেটাবেসে সরাসরি প্রবেশাধিকার দেবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকলে ডিভাইসের পর্দায় সবুজ বক্স দেখা যাবে, আর অপরাধের ইতিহাস থাকলে লাল বক্স ভেসে উঠবে।

    ১০ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন

    নিরাপত্তা বলয়ে থাকছে বহুস্তরীয় ব্যারিকেডিং এবং ছয় স্তরের তল্লাশি ও দেহ তল্লাশি ব্যবস্থা। হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যার মধ্যে বহু ক্যামেরায় এফআরএস প্রযুক্তি রয়েছে। ফেসিয়াল রিকগনিশন সুবিধাসহ মোবাইল নজরদারি গাড়িও বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হবে। মহলা বলেন, “যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।” একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে মক ড্রিলও চালানো হচ্ছে। মোট মোতায়েন বাহিনীর মধ্যে প্রায় ১০ হাজার পুলিশকর্মী বিশেষভাবে নয়া দিল্লি এলাকায় থাকবেন। সমস্ত জেলার ডিসিপিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনও কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকর্মীদের।

    বিভিন্ন পয়েন্টে উচ্চক্ষমতার এআই ক্যামেরা

    এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি, উত্তর ও মধ্য দিল্লি জুড়ে প্রায় ৪,০০০টি ছাদভিত্তিক নিরাপত্তা পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। কুচকাওয়াজের রুট ও সংলগ্ন এলাকায় বসানো হচ্ছে প্রায় ৫০০টি উচ্চক্ষমতার এআই ক্যামেরা। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক দর্শনার্থীকে নিরাপত্তা স্টিকার প্রদান করা হবে। ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসিপি)রা ইতিমধ্যেই রুট সার্ভে এবং অ্যান্টি-সাবোতাজ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এবং জনপ্রিয় বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

    ভাড়াটে ও গৃহকর্মী যাচাই অভিযান

    প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শহর জুড়ে ভাড়াটে ও গৃহকর্মী যাচাই অভিযান চলছে। পাশাপাশি অটোচালক, ট্যাক্সিচালক, দোকানদার ও স্থানীয় পরিষেবা প্রদানকারীদের নিয়ে ‘চোখ ও কান’ সচেতনতা বৈঠক করা হচ্ছে, যাতে তাঁরা কোনও সন্দেহজনক গতিবিধি দ্রুত পুলিশের নজরে আনতে পারেন। এছাড়াও প্রতিবেশী রাজ্যগুলির পুলিশের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যাতে তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ প্রস্তুতি আরও জোরদার করা যায়।

  • Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) কড়া বার্তা দিল দিল্লির নির্বাচন সদন (Election Commission of India)। পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) সামনে রেখেই এই হুঁশিয়ারি বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ সিইও-দের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। বিধি মেনেই সব রাজ্যের সিইও-দের সেই এক্তিয়ার দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের সিইও-দের কাছে চিঠি করেছেন। কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইন অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিএলও-দের গাফিলতিতেই ভুল

    বিএলও-দের বিরুদ্ধে আরও কড়া কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণ, পশ্চিমবঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রে বিএলওদের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে কমিশনকে দোষী হতে হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিভ্রান্তি, অভিযোগ আর অসন্তোষ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আর নরম মনোভাব নয়, স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হল দিল্লি থেকে। নির্দেশিকায় পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1950) অনুযায়ী বিএলওরা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ কর্মচারী। তাঁদের দায়বদ্ধতা একমাত্র কমিশনের প্রতিই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক জায়গায় কমিশনের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে কাজ করছেন তাঁরা। এই প্রবণতা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

    কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ

    যদি কোনও বিএলও কোনও ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতিতে যুক্ত থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইও (District Election Officer), যিনি পদাধিকার বলে জেলাশাসক (District Magistrate), তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে ওই বিএলওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল কাজে কোনও ঢিলেমি নয়। নিয়ম ভাঙলে তার দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককেই। এবার থেকে সিইও-রা নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করতে পারেন। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা বা এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিতে পারেন সিইও। এত দিন সিইও-কে বাদ রেখে জাতীয় কমিশন সিদ্ধান্ত নিত৷ এবার সেই স্বাধীনতা দেওয়া হল সিওকে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, গাফিলতি, অসদাচরণ, কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা, কিংবা ভোটার নিবন্ধন বিধি অমান্য করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারেন সিইও। পাশাপাশি, কোনও এসআইআর-এর কাজে বিএলও-দের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলেও তৎক্ষণাৎ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • S-400 Air Defence System: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এস-৪০০! কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে তিন সেনার যৌথ শক্তি

    S-400 Air Defence System: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এস-৪০০! কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে তিন সেনার যৌথ শক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষের সময় ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (S-400 Air Defence System) প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade 2026) প্রদর্শিত হতে চলেছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি কার্তব্য পথের (Kartavya Path) কুচকাওয়াজে এটি প্রদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছে সেনা। ডিপার্টমেন্ট অব মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের ট্যাবলোতে এস-৪০০ সিস্টেমটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন এয়ার কমোডোর মনীশ সভরওয়াল।

    ‘ট্রাই-সার্ভিসেস ট্যাবলো – অপারেশন সিঁদুর’

    ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সন্ত্রাসী পরিকাঠামো লক্ষ্য করে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) অভিযানে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল। গত বছরের অগাস্ট মাসে বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং নিশ্চিত করেছিলেন যে, ওই অভিযানের সময় ভারতের এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাকিস্তানের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। এ বছরের ডিপার্টমেন্ট অব মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের ট্যাবলোর (Tri-Services tableau) থিম রাখা হয়েছে ‘ট্রাই-সার্ভিসেস ট্যাবলো – অপারেশন সিঁদুর’, যার মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার যৌথ অপারেশনাল সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সমন্বয় তুলে ধরা হবে। মেজর জেনারেল নভরাজ ধিল্লোঁ জানিয়েছেন, টানা চতুর্থবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেবেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভবনিশ কুমার।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ ট্যাবলোর থিম

    এয়ার কমোডোর মনীশ সভরওয়াল জানান, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ট্যাবলোতে একটি প্রতীকী দৃশ্যের মাধ্যমে দেখানো হবে কীভাবে একটি সু-৩০ যুদ্ধবিমান থেকে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে পাকিস্তানের একটি বিমানঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছিল। এই ট্যাবলোতে এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স উপাদানও প্রদর্শিত হবে, যা বিশ্বের সর্বাধিক দূরত্ব থেকে পাকিস্তান বায়ুসেনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো (নজরদারি অ্যাওয়াক্স বিমান) ধ্বংস করেছিল। এয়ার কমোডোর বলেন, “এর মাধ্যমে আবারও দেশের সংকল্পকে তুলে ধরা হবে—যদি আমরা সবাই একসঙ্গে লড়াই করি, তবে বিজয় অনিবার্য।”

    কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন মোট ৬,০৫০ জন সামরিক কর্মী

    এবারের কুচকাওয়াজে মোট ৬,০৫০ জন সামরিক কর্মী অংশ নেবেন। পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্ল্যাটফর্ম যেমন ‘ভৈরব’, ‘শক্তিবাণ’, আনম্যানড গ্রাউন্ড ভেহিকল (UGV) এবং অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম (ATAGS) প্রদর্শিত হবে। এর পাশাপাশি, লাদাখ স্কাউটস, কাইটস, জান্সকার পোনি এবং ব্যাকট্রিয়ান উটও প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। সব মিলিয়ে ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে কার্তব্য পথে মোট ৩০টি ট্যাবলো চলবে। এর মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এবং ১৩টি বিভিন্ন মন্ত্রক, দফতর ও পরিষেবার ট্যাবলো থাকবে।

    এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের মূল থিম

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের মূল থিম হবে — “স্বাধীনতার মন্ত্র: বন্দে মাতরম” এবং “সমৃদ্ধির মন্ত্র: আত্মনির্ভর ভারত”। এই ট্যাবলোগুলির মাধ্যমে জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি স্মরণ করা হবে এবং একই সঙ্গে আত্মনির্ভরতার পথে ভারতের অগ্রগতি ও দেশের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রের মন্ত্রকগুলির ট্যাবলোতে সংস্কৃতি, উন্নয়ন, পর্যটন ও আত্মনির্ভরতার নানা দিক প্রদর্শিত হবে, যা প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনকে আরও বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে।

  • Daily Horoscope 24 January 2026: দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 24 January 2026: দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রেম জীবনে কিছু অবসাদ থাকবে।

    ২) দান-পুণ্যের কাজে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষককে নিজের কথা বোঝানোর সুযোগ পাবেন।

    বৃষ

    ১) পরিজনদের সঙ্গে হইহুল্লোড় করবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) সন্তান বা ভাই-বোনের ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত সংবাদ হতে পারে এটি।

    মিথুন

    ১) ছাত্রছাত্রীরা কেরিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করলে সফল হবেন।

    ২) অনাবশ্যক ব্যয় বাড়বে।

    ৩) ব্যস্ততা সত্ত্বেও দাম্পত্য জীবনের জন্য সময় বের করবেন।

    কর্কট

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) অসহায়দের যথাসম্ভব সাহায্য করবেন।

    ৩) মানসিক শান্তি পাবেন।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    ২) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে, আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    কন্যা

    ১) পারিবারিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা সমস্যা সমাপ্ত হবে।

    ২) সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করবেন।

    ৩) সপরিস্থিতির কারণে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে আয়ের নতুন উৎস তৈরি হবে।

    ২) সমাজে বিশেষ সম্মান পাবেন।

    ৩) বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ধন, সম্মান ও যশ বৃদ্ধি হবে।

    ২) সন্তানের ভবিষ্যতের কারণে অর্থ ব্যয় করতে পারেন।

    ৩) বিদেশ যাত্রার সুযোগ পাবেন।

    ধনু

    ১) পারিবারিক কারণে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ২) আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    ৩) আদালতে আনাগোনা বাড়তে পারে।

    মকর

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) ধর্মীয় কাজে সময় কাটাবেন।

    ৩) ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি কষ্টজনক।

    ২) শরীরের কোনও অংশে ব্যথা হবে।

    ৩) অর্থ ব্যয় হবে।

    মীন

    ১) দাম্পত্য জীবন আনন্দে কাটবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা কোনও সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।..

  • Ramakrishna 563: “শোনো! শিষ্যের মাথাটা গুরুর জিনিস, আর গুরুর পা শিষ্যের জিনিস”

    Ramakrishna 563: “শোনো! শিষ্যের মাথাটা গুরুর জিনিস, আর গুরুর পা শিষ্যের জিনিস”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

     দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

                         জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে গিরিশ ঘোষ—গুরুই ইষ্ট—দ্বিবিধ ভক্ত 

    গিরিশ— হ্যাঁ গা, গুরু আর ইষ্ট; — গুরু-রূপটি বেশ লাগে — ভয় হয় না — কেন গা? ভাব দেখলে দশহাত তফাতে যাই। ভয় হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যিনি ইষ্ট, তিনিই গুরুরূপ হয়ে আসেন। শবসাধনের পর যখন ইষ্টদর্শন হয়, গুরুই এসে শিষ্যকে বলেন — এ (শিষ্য) ওই (তোর ইষ্ট)। এই কথা বলেই ইষ্টরূপেতে লীন হয়ে যান। শিষ্য আর গুরুকে দেখতে পায় না। যখন পূর্ণজ্ঞান হয়, তখন কে বা গুরু, কে বা শিষ্য। ‘সে বড় কঠিন ঠাঁই। গুরুশিষ্যে দেখা নাই।’

    একজন ভক্ত — গুরুর মাথা শিষ্যের পা।

    গিরিশ — (আনন্দে) হাঁ।

    নবগোপাল — শোনো মানে! শিষ্যের মাথাটা গুরুর জিনিস, আর গুরুর পা শিষ্যের জিনিস। শুনলে?

    গিরিশ — না, ও মানে নয়। বাপের ঘাড়ে ছেলে কি চড়ে না? তাই শিষ্যের পা।

    নবগোপাল — সে তেমনি কচি ছেলে থাকলে তো হয়।

    পূর্বকথা—শিখভক্ত—দুই থাক ভক্ত—বানরের ছা ও বিল্লির ছা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— দুরকম ভক্ত আছে। একথাকের বিল্লির ছার স্বভাব। সব নির্ভর — মা যা করে। বিল্লির ছা কেবল মিউ মিউ করে। কোথায় যাবে, কি করবে — কিছুই জানে না। মা কখন হেঁশালে রাখছে — কখন বা বিছানার উপরে রাখছে। এরূপ ভক্ত ঈশ্বরকে আমমোক্তারি (বকলমা) দেয়। আমমোক্তারি দিয়ে নিশ্চিন্ত।

    “শিখরা বলেছিল (Kathamrita)— ঈশ্বর দয়ালু। আমি বললাম, তিনি আমাদের মা-বাপ, তিনি আবার দয়ালু কি? ছেলেদের জন্ম দিয়ে বাপ-মা লালন-পালন করবে না, তো কি বামুনপাড়ার লোকেরা এসে করবে? এ-ভক্তদের ঠিক বিশ্বাস—তিনি আপনার মা, আপনার বাপ।

    “আর-এক থাক ভক্ত আছে, তাদের বানরের ছার স্বভাব। বানরের ছা নিজে জো-সো করে মাকে আঁকড়ে ধরে। এদের একটু কর্তৃত্ব বোধ আছে। আমায় তীর্থ করতে হবে, জপতপ করতে হবে, ষোড়শোপচারে পূজা করতে হবে, তবে আমি ঈশ্বরকে ধরতে পারব,—এদের এই ভাব।

    “দুজনেই ভক্ত (ভক্তদের প্রতি)—যত এগোবে, ততই দেখবে তিনিই সব হয়েছেন (Kathamrita)— তিনিই সব করছেন। তিনিই গুরু, তিনিই ইষ্ট। তিনিই জ্ঞান, ভক্তি সব দিচ্ছেন।”

  • Donald Trump: “ইরান যদি ভুল কিছু করার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকা আবারও শক্ত হাতে জবাব দেবে”, আয়াতুল্লাকে ফের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    Donald Trump: “ইরান যদি ভুল কিছু করার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকা আবারও শক্ত হাতে জবাব দেবে”, আয়াতুল্লাকে ফের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ইরানকে ঘিরে ফের কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, ইরান (Iran) যদি আবার পরমাণু পরীক্ষার কর্মসূচিকে সক্রিয় করার চেষ্টা করে অথবা দেশজুড়ে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আরও রক্তাক্ত আকার নেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নেবে। এদিন ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণেই ইরান সরকার শত শত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান যদি ভুল কিছু করার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকা আবারও শক্ত হাতে জবাব দেবে।

    মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি মোতায়েন (Donald Trump)

    ইরানের (Iran) ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র (Donald Trump) ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বিরাট পরিমাণে সামরিক শক্তি মোতায়েন শুরু করেছে। পারস্য উপসাগর ও আরব সাগর অঞ্চলে একাধিক এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ, গাইডেড মিসাইলবাহী যুদ্ধজাহাজ এবং আধুনিক যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে। ফলে ইরান সরকারের প্রধান আয়াতুল্লা খামেনিকে ভাবতেই হচ্ছে।

    পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্র দেশগুলিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেমন প্যাট্রিয়ট ও থাড মোতায়েন করছে, যাতে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা প্রতিহত করা যায়। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার চেয়ে বেশি শক্তি প্রদর্শন এবং কৌশলগত চাপ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা ছাড়া আর কিছুই না।

    ইরানের ভেতরে বিক্ষোভ ও দমন অভিযান

    ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্বকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন শুরু হলেও পরে তা সরাসরি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের রূপ নেয়। ইসলাম ধর্মগুরু খোমেনির ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

    তবে ইরানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অপর দিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। হাজার হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বহু ক্ষেত্রে কঠোর সাজা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump) এই কঠোর দমন নীতির অভিযানকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে ইরান সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    ইরানের পাল্টা বার্তা

    যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাবে ইরানও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইরান (Iran) সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, আমাদের দেশ সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত। যে কোনও আগ্রাসনের জবাব দিতে আমরা ট্রিগারে আঙুল রেখে দিয়েছি। একই ভাবে ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশটির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা উস্কে দিচ্ছে এবং সরকারকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। বাইরের শক্তির প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে।

    কেন এখন ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের (Donald Trump) চাপ বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—

    • ইরানের ভেতরে চলমান বিক্ষোভ ও মানবাধিকার পরিস্থিতি
    • ইরানের (Iran) সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরুজ্জীবনের আশঙ্কা
    • মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশেরদের নিরাপত্তা উদ্বেগ

    ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান যদি পারমাণবিক পথে ফেরে, তাহলে তা গোটা বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে। তাই আরও কড়া মনোভাব ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প।

    হামলা হলে কী হতে পারে?

    যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে, তাহলে তা ধাপে ধাপে হতে পারে। প্রথমে সীমিত আকারে সতর্কতামূলক হামলা, এরপর ইরানের সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র বা ড্রোন পরিকাঠামো লক্ষ্য করা হতে পারে। চরম পরিস্থিতিতে পারমাণবিক স্থাপনাগুলিও নিশানায় আসতে পারে।

    ইজরায়েলের সম্ভাব্য ভূমিকা

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ শুরু হলে ইজরায়েলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকতে পারে। ইজরায়েল ইরানকে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করে। ফলে সংঘাত বাড়লে ইজরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক সক্ষমতা পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ইরান যদি পরমাণু শক্তিধর দেশ হয়ে যায় তাহলে ইহুদীয়ের ধর্মীয় অস্তিত্বে সবথেকে বড় সঙ্কটে নেমে আসবে।

    সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র (Donald Trump) ও ইরানের  (Iran) মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে। এখনও পর্যন্ত সরাসরি যুদ্ধ শুরু না হলেও সামরিক প্রস্তুতি, কড়া হুঁশিয়ারি ও পাল্টা বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে নজর রাখছে গোটা বিশ্ব।

  • Census of India: ২০২৭ সালের আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ে ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, কী কী রয়েছে তাতে?

    Census of India: ২০২৭ সালের আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ে ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, কী কী রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ২০২৭ সালের আদমশুমারির (Census of India) প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্নের (33 Questions) একটি তালিকা ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। এই প্রশ্নের ভিত্তিতেই আগামী এপ্রিল মাস থেকে কাজ শুরু হবে। প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়কালকে বেছে নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে হবে । এই সময় হবে গৃহ ভিত্তিক তালিকা তৈরি কর্মসূচির প্রথম পর্ব। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ একটি গেজেট নোটিসের মাধ্যমে এই প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করেছেন। গৃহ বা আবাসনের আকার-প্রকৃতি-বিবরণ এবং পরিবারের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে শুরু করে বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা এবং পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ পর্যন্ত প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রশ্নের তালিকায়।

    আদমশুমারি বাড়ির নম্বর (Census of India) 

    যে যে বিষয়ের ওপর সমীক্ষা করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে তার মধ্যে হল, ভবন বা বাড়ি নম্বর (পুরসভা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা আদমশুমারি নম্বর), আদমশুমারি বাড়ির নম্বর, আদমশুমারি বাড়ির মেঝের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির দেয়ালের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির ছাদের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, আদমশুমারি বাড়ির অবস্থা এবং পরিবারের সংখ্যা নিশ্চিত করে প্রশ্নে (33 Questions) উল্লেখ করতে হবে।

    পরিবারে ব্যক্তি সংখ্যা

    পরের ধাপে পরিবারে সাধারণত বসবাসকারী মোট ব্যক্তির সংখ্যা, পরিবারের প্রধানের নাম, পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ, পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি/অন্যান্য কিনা, আদমশুমারি বাড়ির মালিকানার অবস্থা, পরিবারের মালিকানাধীন বাসস্থানের সংখ্যা এবং পরিবারে বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা (Census of India) করতে হবে।

    পানীয় জলের উৎস

    পানীয় জলের প্রধান উৎস, পানীয় জলের উৎসের প্রাপ্যতা, আলোর প্রধান উৎস, শৌচালয় দরজা, শৌচালয় ধরণ, বর্জ্য জলের নির্গমন, রেডিও/ট্রানজিস্টর, স্নানের সুবিধার প্রাপ্যতা, রান্নাঘর এবং রান্নার গ্যাস (এলপিজি) বা পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) সংযোগের প্রাপ্যতা এবং রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি আছে কিনা এই সংক্রান্ত বিষয়েও প্রশ্ন করা হবে।

    কোন কোন ইলেকট্রিক জিনিসের ব্যবহার

    টেলিভিশন, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার, টেলিফোন বা মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন, সাইকেল বা স্কুটার বা মোটরসাইকেল বা মোপেড, গাড়ি বা জিপ বা ভ্যান এবং পরিবারে ব্যবহৃত প্রধান খাদ্যশস্য সম্পর্কেও প্রশ্ন (Census of India)  করতে হবে। তথ্য গ্রহণের পর আদমশুমারি সংক্রান্ত চিঠিপত্রের জন্য মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতে হবে।

    একনজরে ৩৩টি প্রশ্ন

    • ১>ভবন নম্বর (পৌরসভা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা আদমশুমারি নম্বর)
    • ২>আদমশুমারির ঘর নম্বর
    • ৩>আদমশুমারি ঘরের মেঝের প্রধান উপাদান।
    • ৪>আদমশুমারি গৃহের প্রাচীরের প্রধান উপাদান
    • ৫>আদমশুমারি ঘরের ছাদের প্রধান উপাদান।
    • ৬>আদমশুমারি (Census of India) গৃহের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ
    • ৭>আদমশুমারি ঘরের অবস্থা
    • ৮>পরিবারের নম্বর
    • ৯>সাধারণত পরিবারে বসবাসকারী মোট ব্যক্তির সংখ্যা
    • ১০>পরিবারের প্রধানের নাম
    • ১১>পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ।
    • ১২>পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি/অন্যান্য কিনা
    • ১৩>আদমশুমারি বাড়ির মালিকানার অবস্থা
    • ১৪>পরিবারের একচেটিয়া দখলে থাকা বাসস্থানের সংখ্যা।
    • ১৫>পরিবারে বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা
    • ১৬>পানীয় জলের প্রধান উৎস।
    • ১৭>পানীয় জলের উৎসের প্রাপ্যতা
    • ১৮>আলোর প্রধান উৎস
    • ১৯>ল্যাট্রিনের অ্যাক্সেস
    • ২০>ল্যাট্রিনের ধরণ
    • ২১>বর্জ্য জলের নিষ্কাশন
    • ২২>স্নানের সুবিধার প্রাপ্যতা।
    • ২৩>রান্নাঘর এবং এলপিজি/পিএনজি সংযোগের প্রাপ্যতা
    • ২৪>রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি
    • ২৫>রেডিও/ট্রানজিস্টর
    • ২৬>টেলিভিশন
    • ২৭>ইন্টারনেট অ্যাক্সেস।
    • ২৮>ল্যাপটপ/কম্পিউটার
    • ২৯>টেলিফোন/মোবাইল ফোন/স্মার্টফোন
    • ৩০>সাইকেল/স্কুটার/মোটরসাইকেল মোপেড
    • ৩১>গাড়ি/জীপ/ভ্যান
    • ৩২>বাড়িতে খাওয়া প্রধান শস্যদানা
    • ৩৩>মোবাইল নম্বর (শুধুমাত্র আদমশুমারি সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য)

    দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে আদমশুমারি

    ভারতীয় জনগণনার ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকার বিশাল এই আদমশুমারি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনসংখ্যা গণনা এবং এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গৃহ-তালিকাকরণ এবং আবাসন গণনা হবে। মূল বিজ্ঞপ্তিতে লেখা ছিল, “কেন্দ্রীয় সরকার এতদ্বারা নির্দেশ দিচ্ছে যে, সমস্ত আদমশুমারি (Census of India) কর্মকর্তা, স্থানীয় এলাকার সীমানার মধ্যে, যেখানে তাদের যথাক্রমে নিযুক্ত করা হয়েছে, ভারতের ২০২৭ সালের আদমশুমারির সাথে সম্পর্কিত পরিবারের তালিকা এবং আবাসনে আদমশুমারির সময়সূচীর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য নীচে তালিকাভুক্ত বিষয়গুলির উপর সমস্ত ব্যক্তির কাছ থেকে এই জাতীয় সমস্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।”

  • Jharkhand: বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ঝাড়খণ্ডে শীর্ষ কমান্ডার সহ ১৬ মাওবাদী খতম

    Jharkhand: বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ঝাড়খণ্ডে শীর্ষ কমান্ডার সহ ১৬ মাওবাদী খতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) পশ্চিম সিংভূম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ১৬ জন মাওবাদী (Maoists) নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। তাদের মধ্যে শীর্ষ মাওবাদী নেতা পতিরাম মাঝি ওরফে আনাল দা-ও ছিল। এই সংবাদ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    মাথার দামছিল ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা (Jharkhand)

    মাওবাদী নেতা আনালের মাথার দাম ছিল ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। যার মধ্যে ঝাড়খণ্ডে রয়েছে ১ কোটি টাকা, ওড়িশা ১ কোটি ২ লক্ষ এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ঘোষণা করেছিল ১৫ লক্ষ টাকা। কিরিবুরু থানার সীমানার মধ্যে সারান্দা বনের কুমদি এলাকায় সিআররপিএফের কোবরা ইউনিটের প্রায় ১৫০০ সেনা এই অভিযানে নিযুক্ত ছিলেন। টানা সাত ঘণ্টা লড়াই চলে দুই পক্ষের মধ্যে। এরপর সন্ধ্যে নেমে আসলে থেমে থেমে গুলির লড়াই চলতে থাকে। এক এক করে খতম হয় ১৬ মাওবাদী। নিহত মাওবাদীদের (Maoists)  মধ্যে ৫ জন মহিলাও ছিল।

    এলাকাটিকে নকশাল মুক্ত করা হয়েছে

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “সিআরপিএফ এবং ঝাড়খণ্ড পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে এলাকাটিকে নকশাল মুক্ত করা হয়েছে।” একই ভাবে সিআরপিএফের ইন্সপেক্টর জেনারেল সাকেত কুমার সিং বলেন, ঝাড়খণ্ডে সংঘর্ষে এই প্রথম ১৫ জন মাওবাদী (Maoists) মৃতদেহ একসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে।

    আনাল ছাড়াও এই এনকাউন্টারে নিহত আরও এক শীর্ষ মাওবাদী নেতা হল বিহার-ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)  স্পেশাল এরিয়া কমিটির সদস্য আনমোল ওরফে সুশান্ত, যে ১৪৯ টি মামলায় ওয়ান্টেড ছিল। তার জন্য ৯০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩ মার্চ ঝাড়খণ্ডের বোকারোতে সিআইএফ-এর ক্যাম্পে হামলা চালানোর ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল আনমোল। একই ভাবে ২০১৯ সালের জুন মাসে সেরাইকেলা খারসোয়ান জেলার কুকরু হাটে পাঁচ নিরাপত্তা কর্মীর হত্যাকাণ্ড মামলায়ও জড়িত ছিল অভিযুক্ত হিসেবে।

  • Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে রেলমন্ত্রকের অর্থ বরাদ্দ বাড়তে চলেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রেল মন্ত্রকের জন্য প্রায় ২.৭–২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি আধিকারিকরা। এটি গত বাজেটের আনুমানিক ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ২–৪ শতাংশ বেশি। প্রস্তাবিত এই বরাদ্দের মাধ্যমে সরকার রেল খাতে মূলধনী ব্যয়ের গতি বজায় রাখতে চায়। এর পাশাপাশি কেন্দ্র রেল নেটওয়ার্ক জুড়ে গুণগত মান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি

    সরকারি সূত্র অনুযায়ী, মহামারির পরবর্তী সময়েও ভারতীয় রেলে বিনিয়োগ স্থিতিশীল রয়েছে এবং নীতিনির্ধারকদের মতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য নিয়মিত সরকারি অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। একজন শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “প্রতি বছর ন্যূনতম ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার মূলধনী ব্যয় প্রয়োজন—এ বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরেও স্বীকৃত। বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াগত আমূল পরিবর্তন, ক্রয় ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নত করা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগই প্রধান লক্ষ্য।” রেল মন্ত্রকের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে, তবে গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকার করেন। আধিকারিকরা আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ভারতীয় রেলকে ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

    রেলে আরও গতি বাড়াতে চায় সরকার

    গত বছরের অক্টোবরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিল্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে, ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানদণ্ড আরও কঠোর করা হবে। তিনি বলেন, “এখন আর ধাপে ধাপে সামান্য উন্নতি যথেষ্ট নয়। প্রস্তুত থাকুন—যাঁরা মানোন্নয়ন করবেন না, তাঁরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন।” শিল্প মহলের মতে, সরকার উন্নতমানের যন্ত্রপাতিতে বেশি ব্যয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্র্যাক বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে রেলের মূল নজর থাকবে জট কমানো। রেল চলাচলে গতি বাড়ানোর দিকে। এর মধ্যে নতুন রুট নির্মাণ, গেজ পরিবর্তন, ডাবল লাইন সম্প্রসারণ এবং ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়াও, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা সীতারামন। আগে রেল বাজের আলাদা করে পেশ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বাজেটের সঙ্গেই রেলের বাজেট পেশ করা হয়। আলাদা করে রেল বাজেট পেশ করেন না রেলমন্ত্রী। রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে। কারণ, বাজেটের মাধ্যমেই জানা যায়, নতুন কোনও ট্রেন চালু হবে কি না, রেলের ভাড়া বাড়ছে কি কমছে? ইত্যাদি।

  • Tesla: ট্রাম্পের শুল্ক-চাপের মধ্যেই ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ সংগ্রহ দ্বিগুণ করল টেসলা

    Tesla: ট্রাম্পের শুল্ক-চাপের মধ্যেই ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ সংগ্রহ দ্বিগুণ করল টেসলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত থেকে অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ সংগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াল মার্কিন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা (Tesla)। ২০২৫ সালে টেসলা ভারতীয় অটো কম্পোনেন্ট নির্মাতাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৪ থেকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করেছে ইলন মাস্কের সংস্থা, যা এক বছর আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই বৃদ্ধি ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করেছেন।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী

    সূত্রের খবর, চলতি বছরে ভারত থেকে যন্ত্রাংশ কেনায় টেসলার মোট ব্যয় ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারে পৌঁছতে পারে। তুলনায় ২০২৩ সালে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। চিন ও তাইওয়ানের মতো প্রচলিত উৎপাদন কেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করার কৌশলের সঙ্গে এই পদক্ষেপ সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন শিল্প বিশেষজ্ঞরা। শিল্প মহলের মতে, উত্তর আমেরিকার বাইরে টেসলার দ্রুততম বর্ধনশীল সোর্সিং হাবগুলোর একটি হয়ে উঠেছে ভারত। একাধিক ভারতীয় টিয়ার-১ কম্পোনেন্ট সরবরাহকারী ইতিমধ্যেই ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন সংস্থাটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। গত এক বছরে টেসলা ভারত থেকে যে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করেছে, তার পরিমাণ বহুগুণে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই বৃদ্ধি টেসলার অভ্যন্তরীণ কোডনেমযুক্ত প্রকল্প “রেডউড”-এর সঙ্গে যুক্ত। এটি একটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ি, যা একটি কমপ্যাক্ট ক্রসওভার হিসেবে বিশ্ববাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে। এই এন্ট্রি-লেভেল মডেলের সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কারণেই বহু বিলিয়ন ইউরোর কম্পোনেন্ট অর্ডার তৈরি হয়েছে, যার বড় অংশ পূরণ করছে ভারতীয় সরবরাহকারীরা।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক শুল্কজনিত চাপের তুলনায় টেসলার (Tesla) সোর্সিং সিদ্ধান্তে বেশি প্রভাব ফেলছে খরচে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা, প্রকৌশল দক্ষতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মোবিলিটির ডিরেক্টর পুনীত গুপ্ত বলেন, “ভারতীয় সরবরাহকারীদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব টেসলার জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে খরচ কমে, দ্রুত লোকালাইজেশন সম্ভব হয় এবং চিনের ওপর নির্ভরতা কমে। অন্যদিকে, ভারতীয় সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রেও এটি লাভজনক। টেসলার সঙ্গে কাজ করা বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে টেসলার সঙ্গে কাজ করা ভারতীয় সংস্থাগুলোর গুরুত্ব বাড়ে।” ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক বাড়ানোর ফলে নতুন করে বাণিজ্য উত্তেজনা তৈরি হলেও, ভারতীয় সরবরাহকারীদের সঙ্গে টেসলার সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

LinkedIn
Share