Blog

  • Army Agniveer: ভারতীয় সেনা অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, জানুন বিস্তারিত

    Army Agniveer: ভারতীয় সেনা অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনা ২০২৩ বর্ষে অগ্নিবীর (Army Agniveer) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি উপলব্ধ। আগ্রহী প্রার্থীরা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। প্রার্থীদের অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে। এই নিয়োগের রেজিস্ট্রেশন শুরু হচ্ছে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে চলবে ১৫ মার্চ অবধি। শুধুমাত্র পুরুষরাই এই আবেদন করতে পারবেন। আশা করা যাচ্ছে, অগ্নিবীর নিয়োগের পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল। প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হলে ১৭ থেকে ২১ বছরের মধ্যে বয়স হতে হবে।
    এই নিয়োগের আবেদন ফি ২৫০ টাকা। জানা গেছে, আগ্রা, আইজওয়াল, মিজোরাম, আলমোড়া, আমেঠি, বেরেলি, ব্যারাকপুর, বহরমপুর, কটক, লক্ষ্ণৌ, মীরাট, পীঠোগড়, রঙ্গপাহাড়, মনিপুর, সম্বলপুর, শিলিগুড়ি, বারাণসী, গোপালপুর, হামিরপুর সহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে। 

    আবেদনের ধাপ

    প্রথমে ভারতীয় সেনার  অফিসিয়াল ওয়েবসাইট joinindianarmy.nic.in তে প্রবেশ করতে হবে। 

    এরপর হোমপেজে এসে ক্লিক করতে হবে Agnipath অপশনে।

     তারপর সেখান থেকে Rally Notification এ ঢুকতে হবে। তখন পুরো বিজ্ঞপ্তিটি দেখা যাবে।

    পরীক্ষার ধাপ 

    জানা গেছে নিয়োগের পরীক্ষা দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে হবে লিখিত পরীক্ষা। Computer Based Test. সারা দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হবে।

    পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপে হবে শারিরীক সক্ষমতার পরীক্ষা। কার কোথায় শারিরীক সক্ষমতার পরীক্ষা হবে তখন তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    অগ্নিবীর (Army Agniveer) (জেনারেল ডিউটি)

    মাধ্যমিকে ৪৫ শতাংশ নম্বর সহ পাশ করতে হবে। যেখানে প্রতিটি বিষয়ে ৩৩%  নম্বর পেতে হবে। বোর্ডের গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রত্যেক বিষয়ে নূন্যতম ‘ডি’ গ্রেড (৩৩%  থেকে ৪০%) অথবা প্রতিটি বিষয়ে ৩৩%  এবং সামগ্রিকভাবে “C2” গ্রেড অথবা সমতুল্য সর্বমোট ৪৫ শতাংশ পেতে হবে।

     

    অগ্নিবীর (Army Agniveer) (টেকনিক্যাল)

    পদার্থবিদ্যা, রয়ায়ন, অঙ্ক এবং ইংরেজি সহ বিজ্ঞান নিয়ে ১০+২ পরীক্ষা পাশ করতে হবে। সেক্ষেত্রে মোট৫০ শতাংশ নম্বর এবং প্রতিটি বিষয়ে ৪০ শতাংশ পেতে হবে।

     

    অগ্নিবীর (Army Agniveer) (ক্লার্ক/স্টোরকিপার টেকনিক্যাল)

    মোট ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে যে কোনও বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণী পাশ করতে হবে এবং প্রতিটি বিষয়ে ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

    অগ্নিবীর (Army Agniveer) ট্রেডসম্যান (দশম পাশ)– প্রার্থীদের দশম শ্রেণী পাশ করতে হবে। মোট নম্বরের কোনও বাধ্যবাধকতা নেই তবে প্রতিটি বিষয়ে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

    অগ্নিবীর (Army Agniveer) ট্রেডসম্যান (অষ্টম পাশ)– প্রার্থীদের অষ্টম শ্রেণী পাশ করতে হবে। মোট নম্বরের কোনও বাধ্যবাধকতা নেই তবে প্রতিটি বিষয়ে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Visva Bharati: বিশ্বভারতীর জমি বিন্যাস ও তার বিচিত্র সমীকরণ

    Visva Bharati: বিশ্বভারতীর জমি বিন্যাস ও তার বিচিত্র সমীকরণ

    সোমেশ্বর

    বিশ্বভারতীর অন্যতম প্রধান সমস্যা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক্যাম্পাস’ সীমায়িত বা ‘ডিমারকেটেড’ নয়। একটি ধর্মীয় আশ্রম হিসাবে যে প্রতিষ্ঠানের যাত্রা এবং একটি স্কুল যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল, সেখানে স্বাভাবিক কারণেই সীমাবদ্ধ ‘ক্যাম্পাস’ আরম্ভ থেকে ছিল না। কিন্তু ক্রমে ক্রমে এই না থাকার অসুবিধা অনুভূত থাকে। দেখা যায়, গুরুদেবের আশ্রমের বহু জমি তার ভক্তরা নিজের মনে করে দখল করে নিয়েছেন। ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতী অ্যাক্ট পাশ হওয়ার সময় বিশ্বভারতীর এলাকা হিসাবে ৩০০০ হেক্টরের একটি বিস্তীর্ণ ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হলেও বাস্তবে সেই জমির সবটার ওপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ণ অধিকার ছিলো না। বিশ্বভারতী সম্ভবত এদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যার এলাকায় আস্ত একটা গ্রাম আছে। এরপর ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘শ্রীনিকেতন শান্তিনিকেতন উন্নয়ন পর্ষদ’ গঠন করে বিশ্বভারতী এলাকাকেও তাদের ‘উন্নয়ন – এলাকার’ মধ্যে ধরে নিলো। বাইরে থেকে যে ভূমিখণ্ড বিশ্বভারতীর ‘ক্যাম্পাস’ বলে মনে হয় তার ভিতরের চরিত্র বিচিত্র। এই বিচিত্র ‘ক্যাম্পাসে’ তিন ধরণের জমি বা ঘরবাড়ি আছে – বিশ্বভারতীর মালিকানার এবং দখলে আছে, বিশ্বভারতীর মালিকানার কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী লিজে দেওয়া জমি বা তার ওপর বাড়ি এবং সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা বা বাড়ি। জমির এই জটিল চরিত্রের জন্যই সীমানা প্রাচীর দেওয়ার সমস্যা, সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাধাপ্রাপ্ত হওয়া এবং ‘ক্যাম্পাসে’র ভিতর দিয়েই ব্যক্তিগত জমি বা বাড়িতে যাতায়াতের আব্দার সহ্য করা।

    রবীন্দ্রনাথের পুত্র রথীন্দ্রনাথের সময়েই জমি দীর্ঘ মেয়াদী লিজ দেওয়া শুরু হয়। মূলত তৎকালীন বিশ্বভারতীর সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত মানুষ জনকেই এই লীজ দেওয়া শুরু হয়। বিশ্বভারতীর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিলেন না এমন মানুষদেরও সেসময় জমি লীজ দেওয়া হয়। মুলতঃ এই উদ্দেশেই ‘ফ্রেন্ডস অফ বিশ্বভারতী’ বা বিশ্বভারতী সুহৃদ সমিতি গঠন করা হয়েছিলো। অমর্ত্য সেন এর দাদু ক্ষিতিমোহন সেন জমির লীজ পেয়েছিলেন বিশ্বভারতীর শিক্ষক হিসাবে; অমর্ত্য সেন এর বাবা আশুতোষ সেন জমির লীজ পেয়েছিলেন বিশ্বভারতীর ‘সুহৃদ’ হিসাবে। আলাদা আলাদা সময়ে দুটি লিজ দেওয়া হয়েছিলো। ক্ষিতিমোহন সেনকে দেওয়া জমিতে নির্মিত বাড়ি এখনও ভোগ করছেন অমর্ত্য সেন এর মামাতো ভাই ও তাদের পরিবার। রথীন্দ্রনাথের সময়ে দেওয়া ৯৯ বছরের লীজ যাদের নামে দেওয়া হয়েছিলো তারা সবাই প্রয়াত হয়েছেন। লীজের শর্ত হিসাবে সেসব জমিতে বা বাড়িতে তাদের বংশধররা বসবাস করছেন। আবার এমন অনেকেই আছেন যারা লীজের সময়সীমা শেষ না হলেও সেইসব জমি বা বাড়ি বিশ্বভারতীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। আবার খুব কৌশলে কিছু জমি যে হাতবদল হয়নি – তাও নয়। বেশিরভাগ দীর্ঘমেয়াদী লীজ ২০৪১ / ৪২ সালে শেষ হয়ে যাবে। যদি বিশ্বভারতীর আগামীদের প্রশাসন লীজ না নবীকরণ করেন, তাহলে এই সমস্ত জমি বা বাড়িই বিশ্বভারতীর নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। কিন্তু সমস্যার এখানেই শেষ নয়। এরপরেও ব্যক্তি মালিকানার যেসব বাড়ি থেকে যাবে সেগুলোও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ বজায় রাখার পথে বাধা হতে পারে। একটা উদাহরণ দিই – ধরুন আপনি বাইরে থেকে বেড়াতে এসেছেন , সঙ্গীত ভবন সংলগ্ন মাঠে ঘুরছেন, হটাত আপনার চোখে পড়ছে মাঠের সীমানায় একটা আস্ত রেস্টুরেন্ট। আপনি বিস্মিত হবেন – ক্যাম্পাসের ভিতরে এটা কি করে হলো। আসলে ওটি ক্যাম্পাসের মধ্যে থাকা একটি প্রাইভেট বাড়িতে। যেহেতু ‘প্রাইভেট’ অতএব যা খুশী করা যায়। বিশ্বভারতীর মধ্যে দিয়ে যে দীর্ঘ রাস্তা – শ্রীনিকেতন থেকে ভূবন ডাঙ্গা অব্দি (অমর্ত্য সেনের বাড়ির সামনে দিয়ে) তা এক সময়ে রাজ্য সরকার বিশ্বভারতীকে হস্তান্তরিত করে। বিশ্বভারতীর নিয়ন্ত্রণে থাকার জন্য ওই রাস্তায় যান চলাচল ও মানুষ চলাচলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষে আইন – শৃঙ্খলা – পরিবেশ বজায় রাখা সুবিধা হয়। কিন্তু অসুবিধা বোধ করেন ক্যাম্পাসের কিছু বাসিন্দা। মুলতঃ তাদের দাবীতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেই রাস্তার অধিকার আবার ফিরিয়ে নেন। অর্থাৎ যে খানিকটা ক্যাম্পাসের ‘সীমাবদ্ধতা’ ছিলো তাও নষ্ট হয়ে যায়। বিশ্বভারতীর জমিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুলিশসহ অন্ততঃ তিনটে দফতর অবস্থিত। বিশ্বভারতীর জমির ওপর দিয়েই ওইসব জমিতে যাতায়াতের রাস্তা।

    একটি প্রতিষ্ঠান তার দখল হয়ে যাওয়া জমি দখলমুক্ত করবে এবং ভবিষ্যতে যাতে আবার বেআইনিভাবে দখল না হয় তার জন্য প্রাচীর দিয়ে ঘিরবে – এর মধ্যে অন্যায় কোথায়? কিন্তু বিশ্বভারতীতে কর্তৃপক্ষের এই স্বাভাবিক উদ্যোগকেই অস্বাভাবিক বলে মনে করেন তথাকথিত আশ্রমিক, বুদ্ধিজীবী ও গুরুদেবের কিছু ভক্ত। মেলার মাঠে সীমানা নির্মাণের সময় যা যা ঘটেছে তা এযাবৎ দেশের অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে বলে জানা নেই; সম্ভবত কাশ্মীরেও ‘বুলডোজার’ দিয়ে একটি প্রাচীন তোরণ ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি! বেআইনি পারকিং করে তোলা আদায় সহ নানা বেআইনি কাজের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছিলো মেলার মাঠ, ধীরে ধীরে বেআইনি দখলদাররা মাঠ গ্রাস করতে শুরু করে। কারণ এরা সবাই মনে করে – ‘আমাদের শান্তিনিকেতন’ – অতএব যা খুশী করা যাবে। বিশ্বভারতীর জমি উদ্ধারের কাজ বা সীমানা প্রাচীর যে বিদ্যুৎ চক্রবর্তী প্রথম শুরু করলেন তা নয়। ২০০৪ সাল থেকেই এই উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এমনটা নয় যে – তৎকালীন উপাচার্যরা নিজেদের উদ্যোগে এবং ইচ্ছায় এই কাজ শুরু করেছিলেন। ২০০৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে জমি পুনুরুদ্ধারে উদ্যোগী হতে বলা হয় । ২০০৬ এ গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নেতৃত্বে গঠিত ‘হাই লেভেল কমিটি’ তাদের সুপারিশে পরিস্কার ইংরাজিতে লিখেছিলো – ‘The campus boundary will be demarcated and boundary walls and fencing will be constructed to improve and protect the property from encroachment.’ যে দ্রুততার সঙ্গে বিশ্বভারতীর জমি উদ্ধারের কাজ হওয়া উচিত ছিল তা হচ্ছে না – এখনো দখলে থাকা বিশ্বভারতীর সিংহভাগ জমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সীমানা প্রাচীর বা বেড়া দেওয়ার কাজ অনেকটা করা সম্ভব হলেও রাজ্য সরকার পি ডবলু ডি র রাস্তা ফেরত নিয়ে নেওয়ায় ক্যাম্পাস ঘেরার এই উদ্যোগ অনেকাংশে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে ।

    অমর্ত্য সেনের জমি সম্পর্কে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে একটি প্রশ্ন অনেকের মধ্যে এসেছে – ‘আচ্ছা ওনার মতো একজন বিশ্বখ্যাত মানুষ, ভারতরত্ন কে ওই জমিটা উপহার হিসাবে দিয়ে দেওয়া যেত না?’ অধ্যাপক সেন অর্থনীতিতে তার অবদানের জন্য সুইডেনের পুরষ্কারটি পাওয়ার পর ‘প্রতীচী ট্রাস্ট’ গঠন করেন। শোনা যায়, বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের মধ্যে ‘প্রতীচী ট্রাস্ট’ এর অফিস করার জন্য একটি জায়গা চাওয়া হয়েছিলো। অধ্যাপক সেন নিজে চেয়েছিলেন নাকি তার হয়ে কোনো ব্যক্তি এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু তৎকালীন উপাচার্য বা কর্মসমিতি এই প্রস্তাবে রাজী হয়নি, অর্থাৎ তাঁকে ক্যাম্পাসে জায়গা দেওয়া হয়নি। সেই উপাচার্য প্রয়াত হয়েছেন, কিন্তু সেসময়ের দু একজন আধিকারিক এখনো আছেন। তারা হয়তো বলতে পারবেন কেন তাঁকে ক্যাম্পাসে জমি দেওয়া হয়নি। একই ভাবে তার পৈত্রিক বাড়ির জমি নিয়ে এই যে বিতর্ক তা যে শুধুমাত্র বর্তমান উপাচার্যের মস্তিস্কপ্রসুত, তাও নয়। এই জমি নিয়ে মাঝে মাঝেই কথা উঠেছে। শোনা যায়, একজন প্রাক্তন উপাচার্য, যিনি এখনো জীবিত – এই জমি সংক্রান্ত বিবাদের সমাধান করার জন্য ওনার কাছে, ওনার বাড়িতে গিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি সেভাবে সাড়া পাননি। অনেকেই বলবেন এসব ‘শোনা যায়’, ‘জানা যায়’ – কথার প্রমাণ নেই। সত্যিই নেই, কারণ এসবের কোনো লিখিত প্রমাণ থাকে না। যদি এই তথ্যগুলো ঠিক না হয়, তাহলে অধ্যাপক সেনের পরিচিত জন অবশ্যই প্রতিবাদ করতে পারেন। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে অমর্ত্য সেনের মতো এত উচ্চাসনে থাকা ব্যক্তি যেভাবে অপ্রীতিকর একটি বিতর্কে জড়িয়ে গেছেন তার নিরসন হওয়া উচিত। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বা ভারত সরকার কি চাইলেই ওই জমি উপহার হিসাবে তাঁকে দিতে পারেন? খানিকটা নিয়ম কানুন বদলে হয়তো সেটা পারেন, তবে সেক্ষেত্রে আরও নতুন নতুন বিতর্কের জন্ম হবে, বিশ্বভারতীর জমি সমস্যা জটিলতর হবে। নোবেল প্রাইজ প্রাপক বা ভারতরত্ন না পেলেও সেসময় জমির লীজ প্রাপকরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে অনেকেই বিখ্যাত। এখন তাদের স্বল্পখ্যাত বংশধররা সবাই যদি উপহার পাবার দাবী তোলেন তখন কি হবে? বামফ্রন্ট সরকার লবনহ্রদে যে জমি দিয়েছিলো সেখানেই এখন ‘প্রতীচী-ট্রাস্টের’ একটি অফিস; শান্তিনিকেতনে ক্যাম্পাসের বাইরে তারা নিজেদের উদ্যোগে একটি অফিস করেছেন। বর্তমান সরকার শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের বাইরে আর একটি জমি দিয়ে, ‘প্রতীচী’ বাড়ির আদলে আর একটি বাড়ি তৈরী করে ওনাকে উপহার দিলে কারো কোন আপত্তি থাকার কথা নয়।

    চাহিদার তুলনায় বিশ্বভারতীর জমির পরিমাণ কম। বিশ্বভারতীকে একটি সম্পূর্ণ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলতে আরও হোস্টেল ভবন নির্মাণ করতে হবে। এই মুহূর্তে সেখানে হস্টেল সংখ্যা অত্যন্ত কম। ভবিষ্যতে আরও শ্রেণীকক্ষ, খেলার মাঠ, গবেষণাগার ইত্যাদি নির্মাণের জন্য আরও জমির প্রয়োজন হবে। এজন্য একদিকে বেআইনিভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করতে হবে অন্যদিকে নিজেদের জমি রক্ষা করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Strawberries: পুষ্টিবিদরা দৈনন্দিন ডায়েটে স্ট্রবেরি রাখতে বলছেন, এর ৭টি পুষ্টিগুণ জানুন

    Strawberries: পুষ্টিবিদরা দৈনন্দিন ডায়েটে স্ট্রবেরি রাখতে বলছেন, এর ৭টি পুষ্টিগুণ জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন স্ট্রবেরি (Strawberries) হল অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পাওয়ার হাউস। ফাইবার, মিনারেলেও ভরপুর থাকে স্ট্রবেরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন হার্ট এবং মস্তিষ্কের জন্যও স্ট্রবেরি (Strawberries) খুব উপযোগি।

    আজ আমরা স্ট্রবেরির  (Strawberries) ৭টি উপকারিতা জানব

    ১. স্ট্রবেরি  (Strawberries) হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাল উৎস, যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করতে পারে

     গবেষকরা বলছেন স্ট্রবেরিতে (Strawberries) ব্যাপক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণসমৃদ্ধ স্ট্রবেরি স্ট্রেস সম্পর্কিত রোগের ঝুঁকি কমায়।
    আমেরিকান ইনস্টিটিউট ফর ক্যান্সারের রিসার্চ অনুসারে, স্ট্রবেরিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের মতো রোগকেও প্রতিরোধ করতে পারে।

    ২. ব্যাপক পরিমানে ভিটামিন-সি থাকে স্ট্রবেরিতে  (Strawberries)

    গবেষকরা বলছেন, ভিটামিন সি স্বাস্থ্যের জন্য একটি অপরিহার্য পুষ্টি, বিশেষ করে এটা ইমিউন সিস্টেমকে বুস্ট করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে,  ভিটামিন সি বা ভিটামিন ই গ্রহণ করলে বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে তাই স্ট্রবেরি (Strawberries) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

    ৩. স্ট্রবেরি (Strawberries) হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

    স্ট্রবেরি (Strawberries) হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। অন্তত এমনটাই বলছেন গবেষকরা। শুধু তাই নয় স্ট্রবেরি ডায়াবেটিসেরও ঝুঁকি কমায়। অর্থাৎ যেকোনও ধরনের ক্রনিক রোগকে শরীরে সহজে বাসা বাঁধতে দেয়না স্ট্রবেরি।

    ৪. স্ট্রবেরি  (Strawberries) স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করে

    গবেষকার বলছেন, স্ট্রবেরি ভিটামিন সি, অ্যান্থোসায়ানিডিনস এবং ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ। এই উপাদান গুলি স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করে। 

    ৫. স্ট্রবেরি (Strawberries) কোলেস্টেরলের মাত্রাকে ঠিক রাখে

    গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে, স্ট্রবেরি  (Strawberries) শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে ঠিক রাখে।

    ৬. স্ট্রবেরি শরীরকে শান্ত রাখে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্ট্রবেরিতে (Strawberries) থাকা অ্যান্থোসায়ানিন যৌগ শরীরকে শান্ত রাখে। দুপুরে এবং রাতের ডিশে স্ট্রবেরি রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    ৭. স্ট্রবেরি (Strawberries) অন্ত্রের জন্য উপকারী

    গবেষকরা বলছেন স্ট্রবেরি  (Strawberries) অন্ত্রের জন্য খুবই ভাল এবং উপকারী।

     

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৮): থমকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৮): থমকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি জটের কারণেই আটকে রয়েছে রাজ্যের ৪৪টি প্রকল্প। রাজ্য সরকার জমি দিতে পারছেনা তাই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে না, এমনই অভিযোগ রেলের (Indian Railways)। এনিয়ে চলছে দুপক্ষের টানাপোড়েন। রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর বলছে, রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি হল কোনও প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না। অবশ্য বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র এক চিত্র। বাজেট প্রস্তুত। পরিকল্পনা তো অনেক আগেই হয়ে গেছে। শুধুমাত্র জমি জটের কারণে আটকে রয়েছে রেলের প্রকল্পগুলি। এরমধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন।

    একদশকেরও বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ থেকে বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    ২০১০ সালে অনুমোদন পায় কালিয়াগঞ্জ থেকে বুনিয়াদপুর অবধি ৩৩ কিমি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ। জানা গেছে, রেলমন্ত্রক এই প্রকল্পের জন্য মোট বাজেট ধরে ৩৮০ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৭৬ কোটি টাকার কাজও শুরু করে রেল। কিন্তু এখন অথৈ জলে সমগ্র প্রকল্প। রেল বলছে রাজ্য সরকারের জমি নীতির কারণেই এমনটা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,  ‘১২ বছর থেকে বুনিয়াদপুর কালিয়াগঞ্জ রেল প্রকল্পটি থমকে রয়েছে। ওই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে হিলি ও রধিকাপুরে দ্বিপাক্ষিক স্তরে বাণিজ্যিক লাভ হবে। দক্ষিণ দিনাজপুরের সঙ্গে শিলিগুড়ির দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার হ্রাস পাবে। উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। রেল যোগাযোগ সুগম হবে। অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৭): তেরো বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি বালুরঘাট-হিলি রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Meteorite: গুজরাটে পাওয়া গেল উল্কাপিণ্ড, এর আগে এমন ঘটনা ভারতে ঘটেছিল ১৮৫২ সালে

    Meteorite: গুজরাটে পাওয়া গেল উল্কাপিণ্ড, এর আগে এমন ঘটনা ভারতে ঘটেছিল ১৮৫২ সালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ১৭ অগাস্টের ঘটনা।  গুজরাটে রাভেল নামের ছোট্ট গ্রামে একজন মহিলা তাঁর বারান্দা পরিষ্কার করছিলেন, তখন হঠাৎই  একটি পাথরের টুকরো তাঁর পাশে ভেঙে পড়ে। পাশের গ্রাম রান্টিলার বাসিন্দারা সেদিন দেখলেন, একই রকম পাথরের টুকরো একটি নিম গাছের ডালের ওপর পড়ল। পাথর খণ্ডের (Meteorite) বেশ কিছু টুকরো রান্টিলা গ্রামের চাষের ক্ষেতেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে পাওয়া যায়, গ্রামবাসীরা সেগুলো কুড়োতেও যায়। 
    ঘটনায় চারিদিকে হইচই শুরু হলে, ছুটে আসে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি (পিআরএল)। 

    আরও পড়ুন: শনিকে টপকে সবথেকে বেশি উপগ্রহের মালিক এখন বৃহস্পতি

    পাথর (Meteorite)  দুটি পর্যবেক্ষণ করে কী বললেন গবেষকরা

    পাথর(Meteorite)  খণ্ডগুলি গবেষকরা সংগ্রহ করেন। বৃহত্তম টুকরোটির ওজন ছিল প্রায় ২০০গ্রাম এবং আকারে ১২ সেমি × ৬ সেমি  × ৪ সেমি।

    আরও পড়ুন: সৌর অভিযানে প্রস্তুত হচ্ছে ইসরোর আদিত্য এল-১ , জানুন বিস্তারিত

    গবেষকরা পাথর দুটি পরীক্ষা করে জানতে পারলেন যে সেটি একধরনের উল্কা খণ্ড। পাথর (Meteorite)  দুটি থেকে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধও পাওয়া যাচ্ছিল। গবেষকরা বলেন এটি হল অউব্রিটের নমুনা, গত মাসে কারেন্ট সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, খণ্ডগুলিতে প্রধানত এনস্টাটাইট নামের উপাদান রয়েছে, যা পাওয়া যায় বুধগ্রহের পৃষ্ঠে।

    আরও পড়ুন: মহাকাশ গবেষণায় নয়া দিশা! ৮৮০ কোটি বছর পুরনো রেডিও-সংকেত ধরলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা

    অউব্রিট কী 

    অউব্রিট  হল একধরনের উল্কা। এগুলির নামকরণ করা হয়েছে আউব্রেস উল্কাপিণ্ডের নামে। এই ধরনের উল্কাপাত ১৮৩৬ সালে ফ্রান্সে দেখা গিয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: চলতি বছরের ডিসেম্বরে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৩

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতীয় উপমহাদেশে উল্কাপাত অতীতেও দেখা গিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে ১৮৫২ সালে উল্কাপাত হয়েছিল। তারপর গত বছরে তা দেখা গেল গুজরাটে।

     

    আরও পড়ুন: উল্টোদিকে ঘুরতে শুরু করেছে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল! এর প্রভাব কী হতে পারে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Canada: কানাডায় রামমন্দিরের দেওয়ালে মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান লিখল দুষ্কৃতীরা

    Canada: কানাডায় রামমন্দিরের দেওয়ালে মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান লিখল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার কানাডার (Canada) মিসিসাগায় একটি রাম মন্দিরের দেওয়ালে  ভারত-বিরোধী স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠল অজ্ঞাত পরিচিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি বিবিসি-র তথ্যচিত্র অনুযায়ী দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সন্ত্রাসী ঘোষণা করার কথাও লেখা হয়েছে সেখানে। যে তিনটি স্লোগান রামমন্দিরের দেওয়ালে নজরে পড়ছে, সেগুলি হল ‘মোদিকে সন্ত্রাসী ঘোষণা কর’, ‘সন্ত ভিন্দ্রাওয়ালা হলেন শহীদ’ এবং ‘হিন্দুস্তান মুর্দাবাদ’।

    প্রতিবাদে সরব সব মহল

    ব্রাম্পটনের মেয়র এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেছেন

    <

    এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ট্যুইট করা হয়েছে ভারতের কনস্যুলেট জেনারেলের পক্ষ থেকে। ট্যুইটে লেখা হয়েছে,  মিসিসাগায় রাম মন্দিরের দেওয়ালে ভারত-বিরোধী স্লোগান লেখার ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। আমরা এখানকার কর্তৃপক্ষকে ঘটনার তদন্ত করতে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

    তবে জানা যাচ্ছে, কানাডায় (Canada)  মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে সেদেশে। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে, ব্র্যাম্পটনে শ্রী গৌরী শঙ্কর মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটে। কানাডার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্য চন্দ্র আর্য, ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সেখানকার পার্লামেন্টে বিষয়টি উত্থাপন করেন।

    <My statement in Canadian parliament today on the recent hate crime on Gouri Shankar Hindu Mandir in Brampton pic.twitter.com/8RX92dYjxQ

    — Chandra Arya (@AryaCanada) February 1, 2023

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Turkey: বিগত ১০০ বছরেও এমন ভূমিকম্প দেখেনি তুরস্ক, বললেন সেদেশের প্রেসিডেন্ট

    Turkey: বিগত ১০০ বছরেও এমন ভূমিকম্প দেখেনি তুরস্ক, বললেন সেদেশের প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুরস্ক (Turkey) এবং সিরিয়ার ভয়াবহ বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকদিন। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ধ্বংসাবশেষের তলা থেকে এখনও উদ্ধার হচ্ছে মৃতদেহ।

    কী বললেন তুরস্কের (Turkey) প্রেসিডেন্ট

     তুরস্কের (Turkey) প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এর্ডোগান এদিন বলেন, বিগত ১০০ বছরে এমন ভূমিকম্প দেখেননি তুরস্কবাসী। তুরস্কের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর প্রধান দফতরে টানা ৫ ঘণ্টা ধরে ক্যাবিনেট বৈঠক চলেছিল সেসময় প্রতিদিন। 

    আজ থেকে ৮৪ বছর আগে ১৯৩৯ সালে তুরস্ক (Turkey) এমন ভয়াবহ ভাবে কেঁপে উঠেছিল বলে জানা গেছে। এর ফলে সেসময় ৩৩ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের মৃত্যুর রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে ১৯৩৯ সালের ভূমিকম্পকেও। মৃতের সংখ্যা ৩৬ হাজার ছাড়িয়েছে। এর্ডোগান আরও জানান, ভূমিকম্পের ফলে তুরস্কে ৪৭ হাজার ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। প্রায় ২ লক্ষ ১১ হাজার বাসিন্দা আজ গৃহহারা।

    অপারেশন দোস্তের জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানাল তুরস্ক (Turkey)

    ভারত থেকে মোট ৭টি বিমান উড়ে গেছে এখনও অবধি তুরস্কে (Turkey)। উদ্ধারকর্মী, চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত কুকুর, ত্রাণ সমস্ত কিছুই পৌঁছানো হয়েছে অপারেশন দোস্তের মাধ্যমে। সেখানে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৬ এবং ৮ বছর বয়সী দুটি শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করার মুহুর্তগুলি বিশ্বজুড়ে সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে। জানা গিয়েছে , এজন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে তুরস্ক। ২৩ টন ত্রাণ নিয়ে তুরস্কের (Turkey) উদ্দেশে সপ্তম বিমান রওনা হতেই সেদেশের রাষ্ট্রদূত ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ভারতের জনগণ আরও একটি বিমানের মাধ্যমে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল।

    প্রসঙ্গত সেখানে ভ্রাম্যমান হাসপাতালও তৈরি করছে ভারতীয় সেনা। লাগাতার সাফল্যের সঙ্গে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা। এনিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রত্যেকেই ট্যুইট করেছেন বিভিন্ন সময়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • CBSE: আজ থেকে শুরু সিবিএসই দশম-দ্বাদশ পরীক্ষা, ‘চ্যাটজিপিটি’ ব্যবহারে কড়া নিষেধাজ্ঞা 

    CBSE: আজ থেকে শুরু সিবিএসই দশম-দ্বাদশ পরীক্ষা, ‘চ্যাটজিপিটি’ ব্যবহারে কড়া নিষেধাজ্ঞা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে শুরু হল সিবিএসই (CBSE) দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণি মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৮ লক্ষ ৮৩ হাজার ৭১০। দশম শ্রেণির পরীক্ষা চলবে ২১ মার্চ পর্যন্ত। অন্যদিকে, ৩৬ দিন ধরে চলবে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা। শেষ হবে ৫ এপ্রিল। জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে ৭ হাজার ২৫০ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

    কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে চ্যাটজিপিটি-র ব্যবহার

      
    বোর্ডের (CBSE) নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরীক্ষা হলে মোবাইল ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সম্প্রতি প্রযুক্তি বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে চ্যাটজিপিটি প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে কঠিন পরীক্ষার উত্তরও পাওয়া যাচ্ছে সামান্য কয়েক সেকেন্ডে। এর আগে গুগলের ব্রাউজার সার্চ করে লিঙ্ক পাওয়া যেত, সেই লিঙ্কে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট সাইট থেকে উত্তর খুঁজতে হত। কিন্তু চ্যাটজিপিটির সৌজন্যে এখন সবটাই হাতের মুঠোয়। তাই পরীক্ষা হলে অ্য়াপের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে বোর্ড।

    অ্যাডমিড কার্ডে কী নির্দেশ দিল বোর্ড (CBSE)

    পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডে বলা হয়েছে, “আপনি পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনও অবৈধ কাজ করবেন না।  কোনও পরীক্ষার্থীকে অবৈধ উপায় অবলম্বন করে পরীক্ষা দিতে দেখা যায়, তাহলে তাকে Unfair Means (UFM) কার্যকলাপের অধীনে আটক করা হবে। এখানেই শেষ নয়, পরে বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। “

    বিশ্বের তাবড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ চ্যাটজিপিটি

     মার্কিন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, নিউ ইয়র্ক সিটি ও সিয়াটেলের কিছু পাবলিক স্কুলে ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে চ্যাটজিপিটি-কে। ইতিমধ্য়েই বেশ কয়েকটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় টেক-হোম  অ্য়াসেসমেন্ট ও হাতে লেখা প্রবন্ধ ও মৌখিক পরীক্ষা বন্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। 

    মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা আজ থেকে পাবেন অ্যাডমিড কার্ড                                                                   

    এই মাসে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। জানা গিয়েছে, West Bengal Board of Secondary Education এর অফিস থেকে  গতকালই অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করে স্কুলগুলি। ছাত্র-ছাত্রীরা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল থেকে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবে বলে জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৭): তেরো বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি বালুরঘাট-হিলি রেলপ্রকল্প

    Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৭): তেরো বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি বালুরঘাট-হিলি রেলপ্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি জটের কারণেই আটকে রয়েছে রাজ্যের ৪৪টি প্রকল্প। রাজ্য সরকার জমি দিতে পারছেনা তাই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে না, এমনই অভিযোগ রেলের (Indian Railways)। এনিয়ে চলছে দুপক্ষের টানাপোড়েন। রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর বলছে, রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি হল কোনও প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না। অবশ্য বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র এক চিত্র। বাজেট প্রস্তুত। পরিকল্পনা তো অনেক আগেই হয়ে গেছে। শুধুমাত্র জমি জটের কারণে আটকে রয়েছে রেলের (Indian Railways) প্রকল্পগুলি। স্বাভাবিকভাবেই রেলের (Indian Railways) উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই অঞ্চলের মানুষজন। দিন কয়েক আগেই রাজ্যের বিরুদ্ধে এমন অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিক অরুণ অরোরা।

    আটকে রয়েছে বালুরঘাট হিলি রেল প্রকল্প

    ২০১০ সালে রেলমন্ত্রক (Indian Railways) বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিমি রেলপথ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকল্পের মোট বাজেট ধরা হয় ৪৭১ কোটি টাকা। যার মধ্যে বরাদ্দ করা হয় ১৪৪ কোটি টাকা। বালুরঘাট থেকে ডাঙি, কামারপাড়া হয়ে হিলি পর্যন্ত মোট ৪১০ একর জমিও চিহ্নিত করা হয়। আত্রেয়ী নদী ও বেশ কয়েকটি ছোট জলাশয়ের মাঝে রেলব্রিজের পিলারও নজরে পড়ে। কিন্তু অভিযোগ একযুগের বেশি অতিক্রান্ত হলেও শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের জমি নীতির কারণেই বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে প্রকল্পের কাজ। অবশেষে চলতি বছরে পুনরায় ১৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এই প্রকল্পে।
     
    রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করতে না পারায় প্রকল্পের টাকা ফেরত চলে যায় বলে অভিযোগ করছে বিজেপি। এবিষয়ে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের তৎপরতায় এবারের বাজেটে এই বরাদ্দ ,সম্ভব হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। সুকান্ত মজুমদার বলেন, “জমি অধিগ্রহণ না করায় বালুরঘাট – হিলি রেল প্রকল্পের টাকা ফেরত চলে যায়। আমি ও বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ী উদ্যোগ নিয়ে সে টাকা ফেরত এনেছি।

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Eoin Morgan: সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান 

    Eoin Morgan: সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন ইংল্যান্ডের একদিনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান (Eoin Morgan)। ২০১৯ সালে ইয়ন মর্গ্যানের নেতৃত্বে একদিনের বিশ্বকাপে প্রথমবারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল টিম ইংল্যান্ড। গত বছরেই আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের দাঁড়ি দিয়েছিলেন। এরপর তিনি শুধুমাত্র ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছিলেন। এবার সব ধরনের ক্রিকেট থেকেই অবসর নিলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মর্গ্যান (Eoin Morgan)। প্রায় দু-দশকের ক্রিকেট কেরিয়ার থেকে অবসর নিলেন তিনি।

    কী বললেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক

    সোমবার এক বিবৃতিতে ৩৬ বছর বয়সি মর্গ্যান (Eoin Morgan) বলেন, ‘অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করছি আমি। অনেক চিন্তা-ভাবনার পর, মনে হয়েছে খেলার জগৎ থেকে সরে আসার এটাই সঠিক সময় আমার জন্য। ক্রিকেট আমাকে বছরের পর বছর অনেক কিছু দিয়েছে। মিডলসেক্সে যোগ দেওয়ার জন্য ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডে চলে আসি। শেষে এসএ২০-তে পার্ল রয়্যালসের হয়ে খেলা, প্রতিটা মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি।’ প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট এসএ ২০-তে পার্ল রয়্যালসের হয়ে প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের বিপক্ষে টি-২০ ম্যাচই মর্গ্যানের কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ বলে জানা গেছে। এখানে ৭ ম্যাচে ২১.৩৩ গড়ে ১২৮ রান করেছেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে একটি অর্ধশতরান। মর্গ্যান (Eoin Morgan) আরও বলেন, ‘যদিও আমি আমার খেলোয়াড় জীবনের ইতি টানছি, তবুও আমি এই খেলার সঙ্গেই যুক্ত থাকব। একজন ধারাভাষ্যকার ও বিশ্লেষক হিসেবে আন্তর্জাতিক ও ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে কাজ করব।’ 

    একঝলকে তাঁর ক্রিকেট জীবন

    ২০২২ সালের জুন মাসেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন মর্গ্যান (Eoin Morgan)। ২০১০ টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ড দলের সদস্য ছিলেন তিনি। পরে বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বে ফাইনাল খেলেছিল ইংল্যান্ড। যদিও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি তাঁরা।
    ২০০৩ সালে মর্গানের (Eoin Morgan) কেরিয়ার শুরু হয়েছিল আয়ারল্যান্ডে। ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আইরিশদের হয়ে অভিষেক হয় তার। পরে ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা শুরু করেন তিনি। ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পান। একদিনের ম্যাচ খেলেছেন ২৪৮টি , টেস্ট খেলেছেন ১৬টি  এবং ১১৫টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে খেলেছেন মর্গ্যান (Eoin Morgan)। ওয়ানডেও টেস্ট ক্রিকেটে সব মিলিয়ে মোট ১৬টি শতরান রয়েছে তাঁর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share