Blog

  • BBC: দিল্লি, মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে আয়কর হানা, কর্মীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

    BBC: দিল্লি, মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে আয়কর হানা, কর্মীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন বা বিবিসির দিল্লি এবং মুম্বই-এর  অফিসে হানা দিয়েছে আয়কর দফতর। সূত্র মারফত জানা গেছে, বিবিসি অফিসের কর্মীদের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। তবে এখনও অবধি কাউকে আটক করা হয়নি। বিবিসির কর্মচারীদের অফিস ছেড়ে তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা গেছে, বিবিসি অফিসে কর্মচারীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা করার পাশাপাশি বেশ কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত করেছে আয়কর দফতর।

    কী বলছে আয়কর দফতর

    আয়কর দফতর অবশ্য বলছে, এটা হানা নয়। বিবিসি দফতরের আকাউন্ট বইগুলি পরীক্ষা করতেই আমাদের অফিসাররা সারপ্রাইজ ভিসিট করে ওই অফিসে। আয়কর বিভাগ বলছে, সবার ফোন ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সূত্র অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, সকালের শিফটের সকল কর্মীদের ফোন বাজেয়াপ্ত করার পর তাঁদের বাড়ি চলে যেতে নির্দেশ দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। অন্যদিকে বিবিসির বিকালের শিফটের কর্মচারীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে বলা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী আরও জানা গেছে, দিল্লিতে বিবিসি অফিসে আয়কর দফতরের যে দলটি হানা দেয় তাতে ছিলেন ১৫ জন সদস্য।

    গুজরাট হিংসার ওপর তৈরি বিবিসির তথ্যচিত্রকে অতিরঞ্জিত বললেন ব্রিটিশ সাংসদ

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগে, দু’দশক আগে গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মোদীর জমানায় গোধরাকাণ্ড এবং তার পরবর্তী সাম্প্রদায়িক হিংসার কথা তুলে ধরা হয়েছে এক ঘণ্টার তথ্যচিত্র ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোয়েশ্চেন’-এ। অভিযোগ এখানে অনেক মিথ্যা এবং মনগড়া গল্প দেওয়া হয়েছে। বিবিসির এই তথ্যচিত্রকে এবার অতিরঞ্জিত বললেন ব্রিটিশ সাংসদ,  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশে দাঁড়ালেন ব্রিটেনের রাজনীতিবিদ বব ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, মোদীকে নিয়ে বিবিসি-র তৈরি তথ্যচিত্র ‘সম্পূর্ণ ভাবে অতিরঞ্জিত’। বিবিসি-র মতামত নিজস্ব। তা কোনও ভাবেই ব্রিটিশ সরকারের মতামতকে উপস্থাপন করে না। তথ্যচিত্রটি অনৈতিক ভাবে তৈরি করা হয়েছে। ভারত ব্রিটেনের বন্ধু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Earthquake: দলে দলে মানুষ মৃত্যুপুরী তুরস্ক ছেড়ে পালাচ্ছে, রাষ্ট্রসংঘ বলল নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াবে

    Earthquake: দলে দলে মানুষ মৃত্যুপুরী তুরস্ক ছেড়ে পালাচ্ছে, রাষ্ট্রসংঘ বলল নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পে (Earthquake) ধ্বংসপ্রায় তুরস্ক ও সিরিয়ার  মৃত্যুমিছিল চলছে। স্বাভাবিকভাবেই এই সময় দেশে খাদ্য, পানীয় ও ওষুধপত্রের আকালও দেখা দিয়েছে। মাথার ওপর কোনও ছাদও পাওয়া যাচ্ছেনা সেখানে। এই পরিস্থিতে মৃত্যুপুরী ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন ভিটেমাটি হারা মানুষগুলি। সংকটকালীন এই পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। ঠিক এই সময়ই এগিয়ে এল সেখানকার এয়ারলাইন্সগুলি। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল তুর্কি ও পেগাসাস এয়ারলাইন্স। ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকাগুলি থেকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য বাসিন্দাদের বিনামূল্যে উড়ানের টিকিট দিচ্ছে এই দুই বিমান সংস্থা।

     তুরস্কের বিভিন্ন শহরে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল খুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও আশ্রয় নিচ্ছেন বহু মানুষ। হাতায়, নুরদাগি, মারাশের মতো এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ ইস্তাম্বুলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে চলে এসেছেন।

    প্রসঙ্গত, ৮৪ বছর পরে ফের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের (Earthquake)  সাক্ষী থাকল এই দুই দেশ। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে বাড়িঘর। ইউরোপিয়ান মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্য তুরস্কে ৫.৬ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মাটি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার গভীরে। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে বিপর্যয় যেন থামতেই চাইছে না। মূল কম্পনের পর আফটার শকে অন্তত ১০০ বার কেঁপেছে দুই দেশের মাটি। ভূমিকম্পে (Earthquake)  মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৩৩ হাজারের গণ্ডি। উদ্ধারকাজ চলছে এখনও। বিভিন্ন দেশ থেকে এসে পৌঁছেছে উদ্ধারকারী দল। ভারত থেকে খাদ্য, পানীয়, ওষুধ, ভেন্টিলেটর নিয়ে সপ্তম গ্লোবমাস্টার বিমানও পৌঁছেছে তুরস্কে।

    তুরস্কে মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার পেরিয়ে যাবে, বলল রাষ্ট্রসংঘ

    রাষ্ট্রসংঘের পক্ষ থেকে এদিন মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে (Earthquake)  মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার পেরোতে পারে। গত শনিবার থেকেই রাষ্ট্রসংঘের এই মুখপাত্র  রয়েছেন তুরস্কের শহর কাহরামানমারাসে, এটাই ছিল তুরস্কের ভূমিকম্পের (Earthquake)  কেন্দ্র।

    একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে মার্টিম গ্রিফিথস আরও বলেন, আমি মনে করি মৃতের সংখ্যা এখনই বলা যাবেনা।  সমস্ত ধ্বংসস্তূপ সরালে দেখা যাবে এই সংখ্যা ৫০ হাজার বা তার বেশি হয়ে যাবে।

    আজ অবধি প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, তুরস্কে ২৪,৬১৭ জন এবং সিরিয়ায় ৩,৫৭৪ জন নিহত হয়েছেন। মোট ২৮,১৯১ জন।

    রাষ্ট্র সংঘের মতে, তুরস্ক এবং সিরিয়া জুড়ে কমপক্ষে ৮,৭০,০০০ জন মানুষ বর্তমানে খাদ্য এবং বাসস্থান সংকটে ভুগছে। প্রায় তিন কোটি মানুষ ভূমিকম্পে (Earthquake)  ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রেলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের, বাজেট বরাদ্দ করা সত্ত্বেও শুধুমাত্র জমি জটের কারণেই নাকি প্রকল্পগুলি আটকে থাকছে। কয়েকদিন আগেও রেল (Indian Railway) রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের বিরুদ্ধে এই অসহযোগিতার অভিযোগ তোলে। এমন প্রকল্পও রয়েছে রাজ্যে যেগুলো গত ৫০ বছর ধরে আটকে রয়েছে। কোনও সুরাহা হয়নি। এরমধ্যে কতগুলি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন। সেগুলিও আপাতত বিশ বাঁও জলে। রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকরা বলছেন, রাজ্যের ঘোষিত নীতিই হল কোনও প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা যাবেনা। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নাকি ছাড়ও রয়েছে বলছেন ভূমি দফতরের আধিকারিকরা। সেই বিশেষ ক্ষেত্র রেল কেন নয়? এমন প্রশ্নও উঠছে কোনও কোনও মহল থেকে।

    দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেল প্রকল্প

    ২০১০-২০১১ সালে অনুমোদন পেয়েছিল হাসনাবাদ থেকে হিঙ্গলগঞ্জ পর্যন্ত রেল প্রকল্প। এলাকার বাসিন্দারাও যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন নতুন এই রেল প্রকল্পের কথা ভেবে। কিন্তু এক যুগ অতিক্রান্ত হলেও এখনও শুরু করা যায়নি হিঙ্গলগঞ্জ থেকে হাসনাবাদ পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার রেলপথ। রেলের Indian Railway)  বাজেট প্রস্তুত, রেলের পরিকল্পনা প্রস্তুত কিন্তু সমস্যা জমি অধিগ্রহন।

    প্রকল্পের জন্য সে সময় ২৬০ কোটি টাকা বাজেটও বরাদ্দ করে রেল। মনে করা হয় যে হিঙ্গলগঞ্জের সঙ্গে হাসনাবাদকে জুড়ে দিলে সুন্দরবনের সঙ্গে কলকাতা বা শহরতলির যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে, এবং সেখানকার কৃষক থেকে আরম্ভ করে মাছ ব্যবসায়ীরা খুব সহজেই মাছ এবং সবজির ব্যবসা করতে পারবেন। এলাকার আর্থিক মানচিত্রে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু এই প্রকল্প এখন বিশ বাঁও জলে।

    কী বলছেন এলাকার মানুষ

    হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দা সুব্রত মাইতি বলেন, অনেকদিন ধরেই শুনছি এই প্রকল্প হবে কিন্তু জমি-জটের কারণেই তা আটকে রয়েছে। হিঙ্গলগঞ্জ থেকে হাসনাবাদ পর্যন্ত রেলপথ (Indian Railway)  চালু হলে এখানকার স্থানীয় কৃষক এবং মাছ ব্যবসায়ীরা খুবই উপকৃত হবেন এবং সুন্দরবনের মানুষের কলকাতায় যাতায়ত আরও সুগম হবে।

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bullet Train: বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে, বলল বম্বে হাইকোর্ট       

    Bullet Train: বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে, বলল বম্বে হাইকোর্ট      

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে বলে জানাল বম্বে হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, গোদরেজ অ্যান্ড বয়েস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল, সংস্থার অভিযোগ ছিল যে বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের জন্য ভিক্রোলিতে তাদের জমি অধিগ্রহণ করেছে সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যায় সংস্থা।

    কী বলল বম্বে হাইকোর্ট?

    গোদরেজ অ্যান্ড বয়েস ম্যানুফ্যাকচারিং সংস্থার এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বম্বে হাইকোর্ট বলে “জাতীয় ক্ষেত্রে বিচার করলে এই বুলেট ট্রেনের (Bullet Train) অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। জনস্বার্থের কথা ভাবনাচিন্তা করেই সরকার এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে, আদালতের কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। ক্ষতিপূরণে কোনও বেনিয়ম পাওয়া যায়নি।” এদিন বিচারপতি আরডি ধানুকা এবং বিচারপতি এমএম এর ডিভিশন বেঞ্চ আরও জানায়, বুলেট ট্রেন জাতীয় স্বার্থেই চলছে।

    আরও পড়ুন: জাপানের সঙ্গে যৌথ অনুশীলনে ভারতীয় বায়ু সেনা, দেখুন ‘বীর গার্ডিয়ান ২০২৩’-এর কিছু ছবি
     

    বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের ২১ কিলোমিটার রেলপথ হবে ভূগর্ভস্থ

    মহারাষ্ট্রের বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স এবং শিলফাটার মধ্যবর্তী ভূগর্ভস্থ রেলপথ নির্মানের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। মহারাষ্ট্রের থানে জেলার এই বিকেসি প্লাটফর্ম হবে একমাত্র ভূগর্ভস্থ স্টেশন। জানা গিয়েছে, মাটির ২৪ মিটার নীচে হবে প্লাটফর্ম এবং এটি তিনতলা বিশিষ্ট হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল প্রকল্পে মোট ৫০৮.১৭ কিলোমিটার রেল ট্র্যাক থাকবে, যার মধ্যে ২১ কিলোমিটার হবে ভূগর্ভস্থ। জানা যাচ্ছে এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হতে সময় লাগতে পারে প্রায় ৬০ মাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হল এইধরনের ভূগর্ভস্থ রেলপথ নির্মাণ।   প্রসঙ্গত, বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি জাপানের প্রযুক্তিগত সাহায্যে গড়ে উঠছে। দাদরা ও নগর হাভেলির মধ্যে দিয়েও যাবে এই প্রকল্প।

    ৭ কিমি টানেল থাকবে সমুদ্রের তলদেশে, ভারতে এ ধরনের প্রকল্প প্রথম

    জানা গিয়েছে, টানেল বোরিং মেশিন এবং নিউ অস্ট্রিয়ান টানেলিং মেথড ব্যবহার করে সমুদ্রের তলদেশে এই টানেল তৈরি করা হচ্ছে। ডাবল লাইনের এই ধরনের টানেল দেশে এর আগে নির্মাণ হয়নি। আরও জানা যাচ্ছে, টানেলটি সবথেকে গভীর হবে মহারাষ্ট্রের শিলফাটার কাছে পারসিক পাহাড়ের নীচে, প্রায় ১১৪ মিটার। পরিবেশের কোনও ক্ষতি করতে চায়নি রেল মন্ত্রক। তাই থানে ক্রিকের কাছে অভয়ারণ্য এবং ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদগুলিকে নিরাপদ রাখার লক্ষ্যেই সমুদ্রতলদেশে ৭কিমি এই টানেলটি তৈরি করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বুলেট ট্রেন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত থাকবে মহারাষ্ট্রের চারটি স্টেশন এগুলি হল বিকেসি, থানে, বিরার এবং বোইসার। গুজরাটের আটটি স্টেশন এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এগুলো হল ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভরুচ, ভাদোদরা, আনন্দ/নদিয়াদ, আহমেদাবাদ এবং সবরমতি। মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ৩২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং এতে মোট সময় লাগবে ৩ ঘণ্টা। 

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জাপানের শিনজো আবে ২০১৭ সালে আহমেদাবাদ এবং মুম্বইয়ের মধ্যে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন:‘ট্রিপল ট্রাবল থেকে উদ্ধার পেতে চাইলে বিজেপিকে ভোট দিন’, ত্রিপুরায় জানালেন শাহ

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Aditya L-1: সৌর অভিযানে প্রস্তুত হচ্ছে ইসরোর আদিত্য এল-১ , জানুন বিস্তারিত

    Aditya L-1: সৌর অভিযানে প্রস্তুত হচ্ছে ইসরোর আদিত্য এল-১ , জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সূর্য নিয়ে গবেষণা চালাবে ইসরো। ভারতীয় এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সৌর ক্ষেত্রে পাঠাচ্ছে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) কে। ইসরো সূত্রে জানা গেছে, আধুনিক মানের এই সৌরযান থেকে পাওয়া যাবে অজস্র খুঁটিনাটি তথ্য। রহস্য উন্মোচিত হবে সূয্যি মামার।

    নাসা এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির পরে  ভারতই প্রথম যাচ্ছে সূর্যের বাড়িতে

    ইসরোর ‘সোলার মিশন’ আগ্রহ এবং আলোচনা সর্বত্র চলছে। জানা গেছে, নাসা আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির পর ভারতই প্রথম পাড়ি দিচ্ছে সূর্যের ঘরে।  ইসরো সূত্রে জানা গেছে, পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে সূর্য ও পৃথিবীর মাঝের এক কক্ষপথ যার নাম ‘ল্যাগরাঞ্জিয়ান পয়েন্ট’ বা ‘ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্ট’ সেখানেই অবস্থান করবে স্যাটেলাইট আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)। সূর্যের বাইরের সবচেয়ে উত্তপ্ত স্তরের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য তুলে দেবে এই সোলার যান। এই সোলার-মিশন তাইখুব গুরুত্বপূর্ণ। 

    আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) এর খুঁটিনাটি

    জ্বালানি-সহ প্রায় ১৫০০ কিলোগ্রাম ওজনের এই উপগ্রহ সাতটা সায়েন্স পে-লোড নিয়ে যাবে বলে ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে। পৃথিবী ও সূর্যের মাঝের একটি  কক্ষপথ হল এই ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্ট। পৃথিবী থেকে যার দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার। এই পথটাই পাড়ি দেবে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)। আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) কে তাই সে ভাবেই বানানো হচ্ছে। 

    সূর্যের স্তর ‘সোলার করোনা’ নিয়েই গবেষণা করবে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) । সূর্যের বহিস্তরের তাপমাত্রা প্রায় ১ কোটি কেলভিন, নিম্নস্তরের প্রায় ৬০০০ কেলভিন। সূর্যের পৃষ্ঠদেশে ও করোনার তাপমাত্রার ফারাক এবং করোনা থেকে ছিটকে আসা আগুনে রশ্মি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কী ভাবে প্রভাব ফেলে সেটাই খুঁজে বার করবে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)। ইসরোর বিজ্ঞানীরা বলছেন, সূর্যের করোনার তাপমাত্রা গড়ে ১০ লক্ষ বা তার কিছু বেশি ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা সব সময় একরকমের থাকে না। কখনও বৃদ্ধি হয় কখনও কমে। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Neem: জানেন বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন নিমপাতা খেতে বলছেন কেন?

    Neem: জানেন বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন নিমপাতা খেতে বলছেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিমপাতা (Neem) পাতার চচ্চড়ি অনেকেই খেয়েছেন। প্রথমপাতে ভাজা নিমপাতা (Neem)  সহযোগে ভাত নিয়ে বাঙলায় একটি প্রচলিত লাইন হল, নিম খেয়ে যেমন জল মিষ্টি, তেমনি ভাইয়ের বোন মিষ্টি।  এমনকী প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসাশাস্ত্রে বেশিরভাগ জায়গায় উল্লেখ রয়েছে, নিমে (Neem)  ব্যবহার। নিমপাতার অজস্র গুণাবলী রয়েছে। যা নিয়ে সচেতন হওয়া অবশ্যই দরকার আমাদের।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম(Neem)  হল এমন একটি গাছ যার ফল, পাতা, ছাল সব কিছুই কাজে লাগে। নিমের ঔষধি গুণ যে কোনও গাছের থেকে অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, নিমের পাতা বহু রোগে ধন্বন্তরি। অসংখ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে নিমপাতার। এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি গুণ। তেমনই বহু ক্রনিক সমস্যা কাছে আসতে পারে না এই পাতার জন্য। তাই নিম নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    নিমপাতার (Neem)  ৫টি উপকারিতা 

    ১. ডায়াবেটিস রোগে ব্যাপক কার্যকরী নিমপাতা (Neem) 

    ডায়াবেটিস রোগ এখন ঘরে ঘরে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিমপাতা নিয়মিত খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রনে থাকে।

    ২. ক্ষত সারায়

    নিমপাতার(Neem)  পেস্ট তৈরি তা ক্ষত স্থানে লাগালে রক্ত দ্রুত জমাট বাঁধতে থাকে। পরবর্তীতে ক্ষত স্থানে  দিনে কয়েকবার লাগাতে পারলে ক্ষত সারে দ্রুত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন নিমে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ। তাই সহজে ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে বাঁচায় এই পাতার পেস্ট।

    ৩. খুসকি দূর করে

    মাথার খুশকি কমাতেও নাকি অব্যর্থ কাজ করে নিমপাতা (Neem) । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিমপাতা গরম জলে ফুটিয়ে। তারপর সেই জল দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন। এতে খুশকি হবে দূর।

    ৪. চোখের সমস্যা কমায়

    চোখে চুলকানি, জল কাটা, লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা অনেকেরই থাকে। এই রোগে দারুণ কার্যকরী নিমপাতা (Neem) । প্রথমে গরম জলে নিমপাতা ফুটিয়ে এর ঝাপটা আলতো করে চোখে দিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। দিনে ২ থেকে ৩ বার করতে হবে এটা।

    ৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় নিম (Neem) 

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও নিমের জুড়ি নেই। যেকোনও সংক্রমণকে নিম দূরে রাখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,  নিয়মিত নিমপাতা খেলে ইমিউনিটি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। তবে তেল নুন বেশি দেবেন না, এতে নিমের অনেক গুনাবলী নষ্ট হয়ে যায়।

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প      

    Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প      

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি জটের কারণেই আটকে রয়েছে রাজ্যের ৪৪টি প্রকল্প। রাজ্য সরকার জমি দিতে পারছেনা তাই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে না, এমনই অভিযোগ রেলের (Indian Railways)। এনিয়ে চলছে দুপক্ষের টানাপোড়েন। রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর বলছে, রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি হল কোনও প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না। অবশ্য বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র এক চিত্র। বাজেট প্রস্তুত। পরিকল্পনা তো অনেক আগেই হয়ে গেছে। শুধুমাত্র জমি জটের কারণে আটকে রয়েছে রেলের প্রকল্পগুলি। এরমধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন। তারপর থেকে এক দশকের বেশি অতিক্রান্ত হয়েছে, কাজ এগোয়নি।

     থমকে রয়েছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ৩ রেল (Indian Railways) প্রকল্প

    ১৯৮৭ সালে প্রস্তাবিত হয়েছিল লক্ষীকান্তপুর-নামখানা (৪৭ কিমি) প্রকল্প। এই প্রকল্পটি বর্তমানে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি মোট ৩৬ কিমি রেলপথ নির্মাণের আরও ৩টি প্রকল্প অনুমোদন পায় ২০০৯-২০১০ এবং ২০১১-২০১২ অর্থবর্ষে। এরমধ্যে রয়েছে নামখানা-চন্দ্রনগর (১৩.৫ কিমি), কাকদ্বীপ-বুধাখালি (৫কিমি), চন্দ্রনগর-বকখালি (১৭ কিমি)। কিন্তু জমিজটের কারণে এই তিন প্রকল্পই আপাতত বিশ বাঁও জলে। সুন্দরবনের বিভিন্ন দুর্গম অঞ্চলগুলিকে রেলপথ দিয়ে জোড়ার পরিকল্পনার জন্যই এই প্রকল্পগুলির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।

    কী বলছেন এলাকার মানুষজন

    বকখালি অঞ্চলের বাসিন্দা তুহিন ভুঁইয়া বলেন, আমাদের কলকাতা যেতে প্রথমে আসতে হয় নামখানা। সেখান থেকে শিয়ালদহগামী ট্রেন ধরতে হয় আমাদের। নামখানা থেকে বকখালির দুরত্ব প্রায় ৩০ কিমি। বকখালি থেকে চন্দ্রনগর এবং সেখান থেকে নামখানা অবধি রেলপথের কথা অনেকদিন ধরেই শুনছি। কিন্তু হচ্ছে কই! রেল সব বাজেট বরাদ্দ করেছে, শুনছি জমি জটের কারণেই নাকি আটকে রয়েছে প্রকল্পগুলি। বকখালি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। এরসঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলগুলি জুড়লে পর্যটকদের আসতে সুবিধা হবে, আর্থিকভাবে উন্নতি হবে এই অঞ্চলের।

     

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

          

  • Ranji Trophy: মধ্যপ্রদেশকে হারিয়ে রনজি ফাইনালে বাংলা! প্রতিপক্ষ সৌরাষ্ট্র 

    Ranji Trophy: মধ্যপ্রদেশকে হারিয়ে রনজি ফাইনালে বাংলা! প্রতিপক্ষ সৌরাষ্ট্র 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবছরের রনজি (Ranji Trophy) সেমিফাইনালে মধ্যপ্রদেশের কাছে হেরেছিল বাংলা। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ঠিক যেন মধুর প্রতিশোধ। গত বছর ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে বাংলাকে হারিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ, উঠেছিল ফাইনালে। এবার সেই ইন্দোরেই গতবারের রনজি (Ranji Trophy) চ্যাম্পিয়ন মধ্যপ্রদেশকে ৩০৬ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠল বাংলা।

    রনজি (Ranji Trophy) সেমিফাইনালের সারকথা

    জয়ের জন্য ৫৪৮ রানের লক্ষ্য ছিল, অথচ মধ্যপ্রদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হল ২৪১ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ৬০ রান করার পাশাপাশি ৫ উইকেট তুলে নেন বাংলার প্রদীপ্ত প্রামানিক।
     চতুর্থ দিনের শেষে বাংলা এগিয়ে গিয়েছিল ৫৪৭ রানে। একদিনে মধ্যপ্রদেশের পক্ষে ৫৪৮ রান তোলা সহজ ছিলনা। মধ্যপ্রদেশ দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করে। কিন্তু এত বিশাল টার্গেটের অনেকটা আগে নিঃশেষ হয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ব্যাটিং।

    আরও পড়ুন: রবিবার মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান, কখন ও কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    প্রথম ইনিংসে বাংলা তুলেছিল ৪৩৮ রান। জবাবে মধ্যপ্রদেশ প্রথম ইনিংসে তুলেছিল মাত্র ১৭০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে বাংলা রান ছিল ১১৯ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৯। 

    জয়ের জন্য মধ্যপ্রদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৪৮। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন মধ্যপ্রদেশের ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু ৩৯.৫ ওভারে ২৪১ রানে গুটিয়ে যায় তাদের দ্বিতীয় ইনিংস। সর্বোচ্চ রান করেন রজত পতিদার। তিনি ৫৮ বলে করেন ৫২। অধিনায়ক আদিত্য শ্রীবাস্তব করেন ২৯, যশ দুবে ৩০ বেঙ্কটেশ আয়ার করেন ১৯, শুভম শর্মা ২৪। শেষ দিকে ১২ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন অনুভব আগরওয়াল। 

    অন্য সেমিফাইনালটিতে কর্ণাটককে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠল সৌরাষ্ট্র। প্রথম ইনিংসে কর্ণাটক তুলেছিল ৪০৭। জবাবে সৌরাষ্ট্র তোলে ৫২৭।
    ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলা এবং সৌরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Supreme Court: সংবিধানের মূল কাঠামো হল ধ্রুবতারার মতোই: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি

    Supreme Court: সংবিধানের মূল কাঠামো হল ধ্রুবতারার মতোই: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংবিধানের মূল কাঠামো নিয়ে অনেকদিন ধরেই চর্চা চলছে। 

    এনিয়ে কী বললেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

    শনিবার মুম্বইয়ে আইনজীবী ননী পালকিওয়ালা স্মারক বক্তৃতায় বক্তব্য রাখেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সেখানে তিনি বলেন, “সংবিধানের মূল কাঠামো হল ঠিক ধ্রুবতারার মতোই। আমাদের সমস্ত ধরনের পথ যখন অন্ধকারে ভরে যায়, তখন সংবিধানের এই মূল কাঠামোই আমাদের অন্ধকারকে সরিয়ে আলোর সন্ধান দেয়। আমাদের সঠিক দিশা দেখায়।” প্রধান বিচারপতি এদিন আরও বলেন, তাই আমাদের উচিত সংবিধানের মূল পরিকাঠামোকে সর্বদা রক্ষা করা। মূল কাঠামো নিয়ে তাঁর মত, সংবিধানের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, স্বতন্ত্র ক্ষমতা ও নানা আদর্শ আবর্তিত হচ্ছে। ফলে এই ধারণাকে কখনই পরিবর্তন করা যাবে না। তাকে লালন করতে হবে আমাদেরকেই। তাঁর আরও সংযোজন, দেশের সংবিধানকে কখনই বদলানো যায় না। তাকে মান্যতা দিতে হয়।

    আরও পড়ুন: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    এনিয়ে কী বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) কেরল সরকার বনাম কেশবানন্দ ভারতীর একটি মামলার রায়ে বলেছিল সংবিধানের মূল কাঠামো বদল করা যাবে না। ১৯৭৩ সালে কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরল সরকারের এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পর্যবেক্ষন ছিল, সংসদ বা সরকার আইন তৈরি করে দেশের সংবিধানের সংশোধন বা নতুন কোনও ধারা সংযোজন করতেই পারে। কিন্তু কোনওভাবেই সংবিধানের মূল কাঠামো বা বেসিক স্ট্রাকচার বদলাতে পারে না। শীর্ষ আদালতের সেই রায়কে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ‘ল্যান্ডমার্ক জাজমেন্ট’ বা ঐতিহাসিক রায়গুলির মধ্যে একটি ধরা হয়। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরেই কলেজিয়াম ব্যবস্থায় সংস্কার দাবি করছে।

    আরও পড়ুন: ১২৮ ঘণ্টার লড়াইয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তুরস্কের ২ মাসের ‘বিস্ময় শিশু’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Lithium Discovery: দেশে পাওয়া গেল লিথিয়ামের বিপুল ভাণ্ডার! কোথায় জানেন?      

    Lithium Discovery: দেশে পাওয়া গেল লিথিয়ামের বিপুল ভাণ্ডার! কোথায় জানেন?     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতে এই প্রথমবার লিথিয়াম খনির হদিশ পাওয়া গেল জম্মু-কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায়। জানা গিয়েছে, ওই খনি থেকে মোট ৫৯ লক্ষ টন লিথিয়ামের সন্ধান (Lithium Discovery) দিয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার কর্মীরা। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় খনি মন্ত্রক এক বিবৃতি জারি করে এই বিষয়ে জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগবে মাত্র ১২ ঘণ্টা! রবিবারে মোদির হাতে উদ্বোধন দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের 

    কেন্দ্রীয় সরকার কী বলল 

    এদিন কেন্দ্রীয় খনি মন্ত্রক এক বিবৃতি জারি করে জানায়, ‘জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া এই প্রথম দেশে লিথিয়াম সম্পদের সন্ধান পেয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার সালাল-হাইমানা অঞ্চলের খনিতে মজুত রয়েছে ৫৯ লক্ষ টন লিথিয়াম। লিথিয়াম ও সোনা মিশ্রিত ৫১ টি মিনারেল ব্লক সংশ্লিষ্ট রাজ্য প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫ টি ব্লকে রয়েছে সোনা’।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বাকি ব্লকগুলিতে পটাশ, মলিবডেনাম, বেস মেটাল ইত্যাদি পাওয়া গিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর, অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তীশগড়, গুজরাট, ঝাড়খন্ড, কর্নাটক, মধ্য প্রদেশ, ওড়িশা, রাজস্থান, তামিলনাড়ু ও তেলঙ্গানা মিলিয়ে মোট ১১ টি রাজ্যে মিনারেল ব্লকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ২০১৮-১৯ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত জিএসআই খনন করে এই ব্লকগুলি চিহ্নিত করেছে’।

    আরও পড়ুন: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারির দাম কী কমবে তাহলে!
     
    পাশাপাশি কয়লা, লিগনাইট মিলিয়ে মোট ৭৮৯৭ মিলিয়ন টন খনিজ সম্পদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যা তুলে দেওয়া হয়েছে কয়লা মন্ত্রকের হাতে। বৈদ্যুতিক গাড়ি বা মোবাইল ফোনের ব্যাটারি তৈরি করতে লিথিয়াম লাগে। বর্তমানে লিথিয়াম বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন দেশেই পাওয়া যাবে লিথিয়াম। তাহলে এবার হয়তো বৈদ্যুতিক গাড়ি বা মোবাইল ফোনের ব্যাটারির দাম কমবে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share