Blog

  • CV Ananda Bose: সুকান্ত বেরনোর পরেই রাজভবনে তলব রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে, এড়িয়ে গেলেন রাজীব!

    CV Ananda Bose: সুকান্ত বেরনোর পরেই রাজভবনে তলব রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে, এড়িয়ে গেলেন রাজীব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রে অগ্নিগর্ভ ভাঙড় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। শনিবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ করেন বালুরঘাটের সাংসদ। সুকান্ত রাজভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর পরই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তলব করেন রাজ্যপাল। পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করতেই রাজভবনে তলব করা হয়েছে রাজীবকে। ভাঙড়ের সংঘর্ষের পর বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্য নির্বাচন কমিশন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এহেন আবহে হওয়ার কথা ছিল রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠক। যদিও এদিন বেলার দিকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের তরফে রাজ্যপালকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্ক্রুটিনিতে ব্যস্ত থাকায় শনিবার তিনি দেখা করতে যেতে পারছেন না রাজ্যপালের সঙ্গে। তবে অন্য কোনও দিন ডেকে পাঠানো হলে, তিনি যেতে পারবেন।

    সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য

    এদিকে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে বলে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শনিবারই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এদিন সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকায় আবেদন করা হয়েছে ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে।

    ভাঙড়ে রাজ্যপাল

    দিন কয়েক ধরে মাঝেমধ্যেই অশান্ত হয়েছে ভাঙড়। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিজয়গঞ্জ বাজারে। শুক্রবার ওই বাজার ঘুরে দেখেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। পরে যান ভাঙড় ১ ও ২ নম্বর বিডিও অফিসে। স্থানীয়দের পাশাপাশি কথা বলেন বিডিও অফিসের আধিকারিকদের সঙ্গেও। পরে রাজ্যপাল বলেন, “গণতন্ত্রের স্বার্থে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে হিংসাকে নির্মূল করতে হবে। কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক মার, আক্রান্ত মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শনিবার দুপুরে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুকান্ত। পরে তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যপাল বদ্ধপরিকর। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, যেভাবে সন্ত্রাস আটকানো সম্ভব, তা তিনি করবেন। রাজ্যপাল নিজে কাল ভাঙড়ে গিয়ে সন্ত্রাসের পরিস্থিতি দেখে এসেছেন। বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “রাজ্যপাল তো আর সরাসরি মাঠে নেমে যুদ্ধ করতে পারেন না। তাঁকে যেভাবে কাজ করতে হয়, তিনি সেভাবেই করবেন। প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তিনি ডেকে পাঠাতে পারেন। এখন যেহেতু নির্বাচন চলছে, তাই তিনি নির্বাচন কমিশনকে ডেকে পদক্ষেপ করবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: তৃণমূল উপ-প্রধানের বাড়ি সংলগ্ন পাটক্ষেত থেকে  ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার

    Hooghly: তৃণমূল উপ-প্রধানের বাড়ি সংলগ্ন পাটক্ষেত থেকে ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বাড়ির পাশে পাট ক্ষেত থেকে সাত সকালেই ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য। ৮ই জুলাই রাজ্যে একদফা পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যে মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে মুড়ি-মুড়কির মতন বোমা উদ্ধার হয়েছে। এবার বোমা পাওয়া গেল খানাকুলে (Hooghly)। কার্যত এই বোমা, নির্বাচনে ব্যবহার করা হতো এমন টা নয় তো! আরও কি গচ্ছিত রয়েছে বোমা! এই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিরোধী দলের নেতারা।

    খানাকুলে (Hooghly) কীভাবে বোমা উদ্ধার?

    ঘটনা খানাকুলের (Hooghly) নতিবপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। পঞ্চায়েতের উপ-প্রধানের বাড়ির সংলগ্ন এলাকা পাটক্ষেত থেকে ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। জানা গেছে, ঐ ড্রামে ১৬ টির মতো তাজা বোমা ভর্তি ছিল। কে বা কারা, এই ড্রামে করে বোমা গুলি পাটক্ষেতে রেখে গেছে, তার তদন্ত করছে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, খানাকুল থানার পুলিশ হানা দিয়ে এই বোমা গুলি উদ্ধার করেছে। এরপর পুলিশ তড়িঘড়ি বোমা গুলিকে একটি নিরাপদ জায়গায় নিয়ে গিয়ে নিষ্ক্রিয় করে বলে জানা গেছে। এদিকে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক ভাবে চাপান-উতর শুরু হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ (Hooghly) বলেন, ভোটের আগে তৃণমূল এই ভাবে বোমা রেখে যদি ভয় দেখানোর চেষ্টা করে তাতে কোনও লাভ হবে না। কারণ বিজেপির এক একটা কর্মীই এক একজন বোমা! তাই বোমা দিয়ে নির্বাচন জিততে পারবেনা তৃণমূল, বলে মন্তব্য করেন এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    আবার পালটা তৃণমূলের পক্ষ থেকে আরামবাগ (Hooghly) সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি স্বপন নন্দীর জবাব, আমরা চাইলেই মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময়েই বিজেপিকে আটকে দিতে পারতাম! কিন্তু তা তো করিনি। সব আসনেই বিজেপি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে। আসলে বিজেপি জিতবে না জানে! আর তাই বিজেপি, এই ভাবে গোপনে বোমা মজুত করেছে।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বাইকে করে আক্রমণ, এরপরেই সিপিএম প্রার্থী নিখোঁজ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Nadia: বাইকে করে আক্রমণ, এরপরেই সিপিএম প্রার্থী নিখোঁজ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত সিপিএম কর্মী সমর্থক। গতকাল গভীর রাতে চাপড়া (Nadia) থানার বাঙালঝি এলাকায় একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বাইকে করে সিপিএমের প্রার্থী শাহাজুদ্দিন শেখ এবং তাঁর কর্মী সমর্থকদের প্রথমে ব্যাপক মারধর করে। এরপর তাঁদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। শুধু তাই নয়, দুষ্কৃতীরা বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় মেরে তাঁদের অনেকের মাথা ফাটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। আর এরপর থেকেই নিখোঁজ সিপিএমের প্রার্থী। 

    চাপড়া (Nadia) অভিযোগ কী?

    মনোনয়নের দিনেই উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় মনোনয়ন করতে গিয়ে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত হন দুই জন। অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এবার মনোনয়নের পর নদিয়ায় আবার আক্রান্ত হলেন বিরোধী দলের কর্মীরা। চাপড়া (Nadia) থানার বাঙালঝি এলাকায় বিরোধীদের লক্ষ করে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করছে বলে বিশেষ অভিযোগ উঠছে। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত হলেন এই এলাকার তৃণমূল নেতা জান আলি মোল্লা। আক্রান্ত সিপিএমের প্রার্থী শাহাজুদ্দিন শেখ, প্রথমে ঘটনা স্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন। আর তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ বলে জানা গেছে। পরিবারের লোকজন ফোন করে পুলিশকে জানালেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অবশেষে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঘটনা স্থলে আহত আরও তিন সিপিএম কর্মীদের চাপড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। কিন্তু আশঙ্কাজনক অবস্থা হওয়ায় এই তিনজনকে আবার শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক। আহতদের মধ্যে ছিলেন গাইন শেখ, তাপাজুল শেখ, আনছুর শেখ।

    পরিবারের বক্তব্য

    স্ত্রী পারভিনা শেখ বলেন, আমার স্বামী চাপড়া (Nadia) ২ নম্বর ব্লকে সিপিএমের প্রার্থী ছিলেন। ঘটনার দিন রাতে ১০টার সময়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হাতে বন্দুক নিয়ে বাড়িতে হামলা করে। বাড়িতে এসে আমার স্বামীর নাম ধরে ডাকে, তারপর বাড়ির দরজা, জানালা ভাঙচুর করে। এরপর তিনি বলেন, গতকাল থেকেই আমি স্বামীর কোনও খোঁজ পাচ্ছিনা। তাঁর মোবাইল বন্ধ বলে জানতে পারছি। তিনি আরও বলেন, যারা বাড়িতে হামলা করেছে, তারাই আমার স্বামীকে নিখোঁজ করেছে। এদিকে আমার দলের কর্মীরা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, অপর দিকে স্বামী নিখোঁজ! কী করব বুঝতেই পারছি না! 

    চাপড়া বিধায়ক তৃণমূলের নেতার রুক বানুর রহমান বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও বিরোধী প্রার্থীদের কোনও সমস্যা হয়নি। এখানে বিরোধীরা ঘটনাকে সাজিয়ে উপস্থাপন করছেন কেউ কেউ। জান আলি মোল্লা এমন কোনও ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। বিরোধীদের সব চক্রান্ত। 

       

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: হিংসার আগুনে ফের জ্বলল মণিপুর, চলল গুলি, অস্ত্র লুঠের চেষ্টাও

    Manipur: হিংসার আগুনে ফের জ্বলল মণিপুর, চলল গুলি, অস্ত্র লুঠের চেষ্টাও

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur)। শুক্রবার রাত থেকে আবারও অশান্তির আগুন জ্বলেছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। দফায় দফায় হয়েছে সংঘর্ষ। লাগানো হয়েছে আগুন। গুলি চালানোর খবরও মিলেছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে কাওয়াকতা ও কাঙ্গভাইয়ে গুলি চলে। আজ, শনিবার ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় গুলি চলেছে বলে পুলিশ ও সেনা সূত্রে খবর। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চালানো হয়েছে ভাঙচুর, লাগানো হয়েছে আগুন।

    প্যালেস চত্বরে আগুন

    বৃহস্পতিবার রাতে ইম্ফলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিংহের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। তার পরে পরেই পূর্ব ইম্ফলের দখল নেয় সেনা, অসম রাইফেলস সহ বিভিন্ন বাহিনী। তা সত্ত্বেও জ্বলেছে অশান্তির আগুন। ইম্ফলের অ্যাডভান্স হাসপাতালের কাছে প্যালেস চত্বরে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। শুক্রবার বিকেল থেকে হাজারেরও বেশি জনতা ভিড় করেছিল ওই চত্বরে। ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় তারাই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামে বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল, রাবার বুলেট। এই বুলেটের ঘায়ে জখম হয়েছেন দুই বিক্ষোভকারী।

    বিজেপির অফিসে আগুন লাগানোর চেষ্টা

    জানা গিয়েছে, এদিন মধ্য রাতে প্রায় ৩০০ বিক্ষুব্ধ জনতা সিনজেমাইয়ে (Manipur) বিজেপির অফিসে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে। সেনা বাহিনী গিয়ে দ্রুত সামাল দেয় পরিস্থিতি। বিজেপির রাজ্য সভাপতির বাড়িতেও ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এদিকে, মণিপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেও জড়ো হয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা স্থানীয় বিধায়কের বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ। বাহিনী গিয়ে তাঁদের সরিয়ে নিয়ে যায়। পশ্চিম ইম্ফলের ইরিঙ্গবাম থানায়ও হামলা চালানো হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা অস্ত্রভাণ্ডার লুঠ করার চেষ্টা করে।

    আরও পড়ুুন: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    প্রসঙ্গত, গত ৩ মে থেকেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে (Manipur) হিন্দু মেইতেই এবং খ্রিস্টান কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। শান্তি ফেরাতে রাজ্য এবং কেন্দ্রের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হলেও এখনও ফেরেনি কাঙ্খিত শান্তি। মণিপুরের উপত্যকা অঞ্চলে বাস করা মেইতেই জনগোষ্ঠী জনজাতি মর্যাদার দাবি জানানোর পরেই তার বিরুদ্ধে সরব হয় কুকিরা। জনজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত কুকিদের অভিযোগ, রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেইদের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা মেইতেইদের দাবি, কুকিদের জন্য তাদের অধিকার খর্ব হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাড়ে চলা অতিভারী বৃষ্টির জেরে ধস (Landslide) নামল উত্তর সিকিমের (Sikkim) রাস্তায়। বৃহস্পতিবার রাতে চুংথাংয়ের কাছে পেগংয়ে ওই ধস নেমেছে। রাস্তার ওপর দিয়েই প্রবল বেগে বইছে ঝর্নার জল। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে লাচুং, লাচেন এবং ইয়ুমথাংয়ের সঙ্গে। ঘটনার জেরে উত্তর সিকিমে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন। জাতীয় সড়ক থেকে ধস সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এমতাবস্থায় শুক্রবার উত্তর সিকিমে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস 

    সিকিম আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা (Landslide) গোপীনাথ রাহা বলেন, “উত্তর সিকিমের বিভিন্ন এলাকা ধসে বিপর্যন্ত। এমন বৃষ্টি হচ্ছে যে, আগামী পাঁচ দিন পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক হবে না। বিশেষ করে উত্তর সিকিমে অতিভারী বর্ষণ হবে। উত্তরবঙ্গেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গ ও সংলগ্ন সিকিম জুড়ে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক, কেন জানেন?

    হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্টের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ। বিভিন্ন এলাকা ধসের কবলে। আমরা খোঁজ নিচ্ছি পর্যটকদের কী পরিস্থিতি বা কোথায় কতজন পর্যটক আটকে রয়েছেন।” নাগাড়ে বৃষ্টির (Landslide) জেরে ফুঁসছে পূর্ব ও পশ্চিম সিকিমের একাধিক নদী। পশ্চিম সিকিমের রিম্বি নদীতে ভেসে গিয়েছেন এক বৃদ্ধ। নর্থ সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে নেমেছে সেনাবাহিনী।

    এদিকে, রাতভর বৃষ্টির জেরে জলস্তর বেড়েছে তিস্তা ও রংফু নদীর। ওই নদীগুলিতে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, “তিস্তা সহ বেশ কয়েকটি পাহাড়ি নদীর জলস্তর কাল রাত থেকে বেড়েছে। ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে স্থানীয়দের। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নদিয়ায় ‘জমি দুর্নীতি’তে সিবিআই তদন্ত! নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: নদিয়ায় ‘জমি দুর্নীতি’তে সিবিআই তদন্ত! নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ায় (Nadia) একটি জমি অধিগ্রহণের ঘটনায় সিবিআই (CBI) তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। পাশাপাশি একই রকম জমিতে দামের আকাশ-পাতাল হেরফের কেন তা সিবিআই-কে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী। 

    দুর্নীতির অভিযোগ

    অভিযোগ, জল সরবরাহের কাজের জন্য নদিয়ার এক ব্যক্তির জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। ওই ব্যক্তির দাবি, তাঁকে জমির জন্য অনেক কম দাম দেওয়া হয়েছে। বিতর্কের সূত্রপাত নদিয়ার বীরেন্দ্র নাথ ঘোষের জমি ঘিরে। ২০০৯ সালে জল সরবরাহের কাজের জন্য বীরেন্দ্র ঘোষের ৪৪ শতক জমি অধিগ্রহণ করে জনস্বাস্থ্য করিগরি দফতর। বীরেন্দ্রনাথের অভিযোগ, জমি অধিগ্রহণ করা হলেও প্রথমে টাকা পাননি তিনি। তারপরই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ওই জমির দাম ঠিক করা হয় ৩৬ লক্ষ ৪৭ হাজার ৬৩১ টাকা। জেলা পরিষদ জানায় ২০২৩ এপ্রিলের বর্তমান মূল্য অনুযায়ী ওই দাম ধার্য করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    সিবিআইকে নির্দেশ

    এরপরই হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন বীরেন্দ্রনাথ ঘোষ। তাঁর মূল অভিযোগ, জমির (land corruption) সঠিক মূল্যায়ণ করেনি নদিয়া জেলা পরিষদ। মামলাকারীর আইনজীবী তুলসী দাস আদালতে জানিয়েছেন, ওই জমি থেকে মাত্র এক মাইল দূরে ৩৯ শতকে একটি জমির মূল্য পাঁচ কোটির উপরে ধার্য করেছে সরকার। প্রতি শতকে ১৫ লক্ষ টাকার বেশি ধার্য করা হয়েছে বলে দাবি আইনজীবীর। বীরেন্দ্রর দাবি, তাঁর জমি বানিজ্যিক জমি। সেক্ষেত্রে জমির দাম প্রতি শতক এক লাখের কম কেন হবে? এরপরই বিচারপতি বিবেক চৌধুরী বলেন, এটি বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্ত। অথবা কোনও দুর্নীতির অঙ্গ। কোনওভাবেই ব্যবসায়িক জমির দাম কম হতে পারে না। নদিয়া জেলা পরিষদের অসৎ উদ্দেশ্য আছে বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vladimir Putin: “বেলারুশে প্রথম দফায় পরমাণু অস্ত্রসম্ভার পাঠানো হয়েছে”, নেটোর উদ্বেগ বাড়িয়ে বললেন পুতিন

    Vladimir Putin: “বেলারুশে প্রথম দফায় পরমাণু অস্ত্রসম্ভার পাঠানো হয়েছে”, নেটোর উদ্বেগ বাড়িয়ে বললেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বেলারুশে (Belarus)  প্রথম দফায় পরমাণু অস্ত্রসম্ভার পাঠানো হয়েছে।” শুক্রবার পিটার্সবার্গে আয়োজিত অর্থনীতি বিষয়ক এক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে কথাগুলি বলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। তিনি বলেন, “তবে ইউক্রেনের পড়শি দেশ বেলারুশে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন করলেও, তা ব্যবহারের কোনও পরিকল্পনা রাশিয়ার নেই। রুশ ভূখণ্ড বা রাষ্ট্র হুমকির মুখে পড়লেই এগুলো ব্যবহার করা হবে।”

    সমর্থনের ‘পুরস্কার’

    আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনের পাশেই দাঁড়িয়েছেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। সেই সমর্থনের ‘পুরস্কার’ই পেয়েছে বেলারুশ। বেলারুশ যে এমন অস্ত্র পেতে চলেছে, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকেই। সে দেশের প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “যাদের কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকে, তাদের সঙ্গে কেউ লড়তে যায় না।”

    রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম

    গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধে ইতি টানতে সচেষ্ট হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে (Vladimir Putin) বলেওছেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়।” তার পরেও চলছে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। নিত্য খবর আসছে প্রাণহানির। এমতাবস্থায় বেলারুশে রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্র মজুতের ঘটনায় স্তম্ভিত বিশ্বনেতাদের একাংশ।

    আরও পড়ুুন: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    বেলারুশের সীমান্ত বরাবর রয়েছে পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, ইউক্রেন এবং লাটভিয়ার মতো দেশ। বেলারুশ বাদে এই দেশগুলি নেটোভুক্ত। তাই বেলারুশকে রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্র দেওয়ার ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে নেটোর পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলিও। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে রাশিয়া। একই সঙ্গে জন্ম নেয় ইউক্রেন, বেলারুশ সহ কয়েকটি দেশ। এই বেলারুশেই যে রাশিয়া অস্ত্র মজুতের পরিকল্পনা করেছে, চলতি বছরের প্রথম দিকেই তা জানিয়েছিলেন পুতিন (Vladimir Putin)। পুতিনের এই পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ করেছিল আমেরিকার পাশাপাশি নেটোর সদস্য দেশগুলি। তখনও পুতিন জানিয়েছিলেন, বেলারুশের মাটিতে পরমাণু অস্ত্র মজুত করা হলেও, তার নিয়ন্ত্রণ থাকবে মস্কোর হাতেই। সেই মতো বেলারুশে মোতায়েন করা হল পরমাণু অস্ত্রসম্ভার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার-সহ ২১ বিএসএনএল (BSNL Corruption Case) আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL)-এর আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শুক্রবার এই মামলা সংক্রান্ত ২৫টি জায়গায় তল্লাশিও চালান সিবিআই আধিকারিকরা।

    বিএসএনএলের ক্ষতি

    তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, এক ঠিকাদারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে একটি কাজের জন্য বরাদ্দ টাকায় কারচুপি করেন অভিযুক্ত আধিকারিকরা। যার ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সিবিআই-এর এফআইআরে মূলত বিএসএনএলের অসম সার্কেলের অফিসারদের নাম রয়েছে। প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার ছাড়াও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার, জোড়হাট, শিবসাগর, গুয়াহাটি শাখার চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসারদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। এফআইআরে অভিযুক্ত আধিকারিকরা বাদে এক ঠিকাদারের নাম উল্লেখ রয়েছে যিনি বিসিএনএলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি

    সিবিআই মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘এক জন ঠিকাদারকে অপটিক্যাল ফাইবারের কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই ঠিকাদার নিজের কাজ ঠিক ভাবে করেননি। উপরন্তু তিনি বিভিন্ন অছিলায় সংস্থার কাছে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছেন। এই ঘটনায় ওই ২১ আধিকারিক যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এর ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।” কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ওই কনট্রাক্টর টেন্ডারের অনেক নিয়ম লঙ্ঘন করেছিলেন। এফআইআর দায়েরের পরে শুক্রবার অসম, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং হরিয়ানায় অভিযুক্তদের অফিস এবং বাসস্থান-সহ ২৫টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। এই তল্লাশির ফলে বিভিন্ন নথি সিবিআই-এর হাতে এসেছে। এই সমস্ত তথ্য তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে দাবি, সিবিআই-এর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote 2023: পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নির্দেশ! সুপ্রিম দুয়ারে যাচ্ছে রাজ্য, কমিশন

    Panchayat Vote 2023: পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নির্দেশ! সুপ্রিম দুয়ারে যাচ্ছে রাজ্য, কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (High Court) কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Vote 2023) করানোর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে চলেছে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন। উচ্চ আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম দুয়ারে (Supreme Court) দায়ের হতে চলেছে মামলা। শনি এবং রবিবার সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকবে। তাই ‘ই-ফাইলিং’ করার ভাবনাচিন্তা চলছে বলে নবান্নর একটি সূত্রের খবর। আগামী সোমবার এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    নবান্নর ভাবনা

    হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চাইতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে (State Election)। সেই নির্দেশের পর ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত। হাতে রয়েছে কেবলমাত্র শনিবার। তার মধ্যেই কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। নবান্ন সূত্রে খবর, আইন অনুযায়ী পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Vote 2023) নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্যের উপর। দস্তুর হল, কোথায় কত পুলিশ লাগবে, নির্বিঘ্নে ভোট করাতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কী কী পদক্ষেপ করা দরকার, তা রাজ্যের কাছে জানতে চাইবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে নির্বাচনী নিরাপত্তার কাজ সম্পন্ন করবে কমিশন। অর্থাৎ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত খুঁটিনাটি রাজ্য সরকারই কমিশনকে অবহিত করবে। এক্ষেত্রে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে রাজ্যকে এড়িয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছে। তাকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ভাবনা রয়েছে নবান্নের।

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    আদালতের নির্দেশ

    মনোনয়ন পর্বে লাগামছাড়া হিংসা ও গুলিতে চার জনের মৃত্যু নিয়ে বিরোধীরা দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর বৃহস্পতিবার রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote 2023) করার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টসে সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ মেনে চলার কথাই বলেছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি কমিশন। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার যে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে তা আঁচ করে আগেই শীর্ষ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বেড ভাড়া, ওষুধের খরচ বেঁধে দিতে পারে না কমিশন, রায় হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বেড ভাড়া, ওষুধের খরচ বেঁধে দিতে পারে না কমিশন, রায় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে অস্বাভাবিক খরচ নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকারের গঠিত স্বাস্থ্য কমিশনের(Health Commission) মোট ২৬টি নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। উচ্চ আদালতের বক্তব্য, এমন নির্দেশ জারির অধিকার ওই কমিশনের নেই। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের বিরোধিতা করে ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজনে এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টেও যাবে রাজ্য সরকার।

    আদালতের নির্দেশ

    হাইকোর্টে (Calcutta High Court)কমিশনের নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল কলকাতার একটি প্রথম সারির হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা ২০২০-র ২৭ জুলাই থেকে পরের বছরের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কমিশনের জারি করা ২৬টি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়। সেই মামলার শুনানি শেষ হয় ১৬ মে। বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য তাঁর নির্দেশে বলেন, রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশ এক্তিয়ার বহির্ভূত। নির্দেশগুলি অসাংবিধানিক ও অপ্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করে বিচারপতি ভট্টাচার্য সেগুলি প্রত্যাহার করে নিতে কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: শুক্রতেও মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থী

    আদালতের (Calcutta High Court) বক্তব্য, এই ধরনের পদক্ষেপের কোনও সংস্থান নেই ২০১৭-র ক্লিনিক্যাল এস্ট্যাবলিশমেন্ট আইনে, যার বলে কমিশন গঠিত হয়েছে। সরকারি কৌঁসুলিরা অবশ্য সওয়াল করেছিলেন যে, জনস্বার্থে এবং রোগীস্বার্থেই এই ধরনের নির্দেশিকা কমিশন জারি করেছে। কিন্তু আইনি প্রশ্নে তাকে আদালত মান্যতা দেয়নি। এই প্রসঙ্গে অতীতের বিভিন্ন মামলার দৃষ্টান্তও তুলে ধরা হয়েছে। আগামী দিনে এমন পদক্ষেপ কমিশন যেন আর না করে, সেই নির্দেশও দিয়েছে আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরিষেবার রেট বেঁধে দেওয়াও কমিশনের এক্তিয়ার বহির্ভূত। এই রায় সম্পর্কে রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনের চেয়ারপার্সন অসীমকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, “রায়ের কপি হাতে পেয়েছি। আমরা ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share