Blog

  • India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2026) শেষ হতেই ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি ছেড়ে দেশের জার্সি পরতে দেখা যাবে কোহলি (Virat Kohli), গিলদের (Shubman Gill)। চলতি বছরে নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারতীয় দল (India Vs New Zealand)। যেখানে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বড় একটি সিরিজ খেলবে তারা। ৪০ দিনের সফরে মোট ১২ ম্যাচের এই সিরিজই হতে চলেছে কিউয়িদের মাটিতে ভারতের অন্যতম বৃহত্তম সফর। এর মধ্যে পাঁচ ম্যাচে মাঠে নামবেন তারকা ক্রিকেটাররা। সবার নজর বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার দিকে। বুধবার পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে সিরিজ

    নিউজিল্যান্ড বোর্ডের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ১ ডিসেম্বর হতে চলেছে এই সিরিজ। নিউজিল্যান্ডের প্রধান ৫ ভেন্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে ৫ টি-টোয়েন্টি, ৫ ওয়ান ডে ও ২ টেস্ট ম্যাচ খেলবেন স্যান্টনার, গ্লেন ফিলিপ্সরা। মোট ১২ ম্যাচের এই সফর আসলে কিউয়িদের ক্রিকেট ইতিহাসে সবথেকে বড় দ্বিপাক্ষিক সফর হতে চলেছে। অকল্যান্ডে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দুটি টেস্ট খেলা হবে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে। যেহেতু এই সিরিজের মধ্যে ওয়ান ডে ম্যাচও রয়েছে, তাই এই সিরিজে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে খেলতে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে সমর্থকদের কাছে। ওয়ান ডে ম্যাচগুলি শুরু হবে ৪ নভেম্বর থেকে। দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ সিরিজ আয়োজন করা হয়েছে। সফর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। তারপর ওয়ানডে সিরিজ এবং শেষে টেস্ট।

    ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময় আকর্ষণীয়

    নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখ্য বাণিজ্যিক কর্তা গ্লেন ক্রিচলি এই সিরিজ নিয়ে বলেন, “ক্রিকেটের দুনিয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের মতো বড় আকর্ষণ খুব কমই আছে। আমরা চাই সমর্থকদের এমন অভিজ্ঞতা দিতে, যা তারা আগে পায়নি। শুধু খেলা নয়, ভারত-নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বন্ধনও উদ্‌যাপন করা হবে। বিরাট কোহলি, জশপ্রীত বুমরাহদের মতো তারকাদের খেলা দেখার সুযোগ পাওয়া সত্যিই বিশেষ ব্যাপার।” অন্যদিকে, আইসিসি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘আয়োজকরা ভারতের মুখোমুখি হবে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি, পাঁচটি ওয়ানডে এবং দু’টি টেস্ট ম্যাচে। মোট ম্যাচের সংখ্যার দিক থেকে এই ১২ ম্যাচের সূচিটি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সফর হতে চলেছে।’ উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ মরশুমের পর এই প্রথম নিউজিল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে ভারত। যদিও কিউয়িরা সম্প্রতি দু’বার ভারত সফরে এসেছে। ২০২৪-২৫ মরশুমে ভারতকে হোয়াইটওয়াশও করেছে। নিউজিল্যান্ডের ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্পিনার ইশ সোধি বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময়ই উপভোগ করি। ওরা অসাধারণ দল। তারকা ও প্রতিভায় ভরপুর। সিরিজটা খুব কঠিন হতে চলেছে।”

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজের সূচি

    টি-টোয়েন্টি

    ২২ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৪ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৭ অক্টোবর, ওয়েলিংটন
    ৩০ অক্টোবর, অকল্যান্ড
    ১ নভেম্বর, হ্যামিল্টন

    ওয়ানডে

    ৪ নভেম্বর, অকল্যান্ড
    ৭ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ১০ নভেম্বর, হ্যামিল্টন
    ১৩ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই
    ১৫ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই

    টেস্ট

    ১৯-২৩ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ২৭ নভেম্বর-১ ডিসেম্বর, ক্রাইস্টচার্চ

  • S-400 Sudarshan Chakra: পাকিস্তান সীমান্তে বাড়ছে আকাশ-প্রতিরোধ শক্তি! ভারতের হাতে এল চতুর্থ এস-৪০০

    S-400 Sudarshan Chakra: পাকিস্তান সীমান্তে বাড়ছে আকাশ-প্রতিরোধ শক্তি! ভারতের হাতে এল চতুর্থ এস-৪০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় শক্তিবৃদ্ধি করে ভারতে পৌঁছল রাশিয়া-নির্মিত এস-৪০০ ‘সুদর্শন চক্র’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চতুর্থ স্কোয়াড্রন (প্রকারান্তরে রেজিমেন্ট)। প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর, চুক্তিবদ্ধ পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রনের মধ্যে চতুর্থটি ইতিমধ্যেই ভারতে পৌঁছে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল সেক্টরে মোতায়েন করা হবে। ২০১৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত ৫.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় ভারত মোট পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর মধ্যে তিনটি স্কোয়াড্রন ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কৌশলগত এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। এবার চতুর্থ স্কোয়াড্রনের আগমনের মাধ্যমে সেই প্রকল্প আরও এক ধাপ এগোল।

    ধাপে ধাপে পৌঁছচ্ছে চতুর্থ স্কোয়াড্রন

    প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, চতুর্থ এস-৪০০ স্কোয়াড্রনটি ধাপে ধাপে এসে পৌঁছচ্ছে। প্রথম ধাপ ৩ জুন ভারতে এসে পৌঁছেছে। তার আগে গত মাসে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) আধিকারিকরা রাশিয়ায় গিয়ে প্রি-ডিসপ্যাচ পরিদর্শন সম্পন্ন করেন। স্কোয়াড্রনের বাকি সরঞ্জাম ও উপাদানগুলি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে দেশে আসবে। চলতি মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ ডেলিভারি শেষ হওয়ার কথা।

    পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা

    সামরিক সূত্রের মতে, নতুন এস-৪০০ ইউনিটটি ভারতের পশ্চিম সীমান্তে, বিশেষত পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে মোতায়েন করা হতে পারে। এর ফলে ওই অঞ্চলে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আকাশপথে আসা হুমকি শনাক্ত ও ধ্বংস করার ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

    বিশ্বের অন্যতম আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

    ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘সুদর্শন চক্র’ নামে পরিচিত এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলির অন্যতম। এই ব্যবস্থা একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত, ট্র্যাক এবং ধ্বংস করতে সক্ষম।

    এস-৪০০-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

    • ● সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
    • ● যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং আকাশে থাকা নজরদারি প্ল্যাটফর্মকে ধ্বংস করতে পারে।
    • ● একই সঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম।
    • ● উন্নত রাডার ও কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

    একটি স্কোয়াড্রনে কী কী থাকে?

    প্রতিটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রনে মোট ১৬টি বিশেষায়িত যান থাকে, যার মধ্যে রয়েছে—

    • ● কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম
    • ● অত্যাধুনিক রাডার ইউনিট
    • ● মোবাইল মিসাইল লঞ্চার
    একটি স্কোয়াড্রন আবার দুটি ব্যাটারিতে বিভক্ত। প্রতিটি ব্যাটারিতে ছয়টি করে লঞ্চার থাকে। ফলে একটি সম্পূর্ণ স্কোয়াড্রন থেকে একযোগে ১২৮টি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা সম্ভব। চুক্তি অনুযায়ী ভারত মোট ৬০টি লঞ্চার এবং প্রায় ৬,০০০টি ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে, যেগুলি ১২০ কিলোমিটার থেকে ৩৮০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিলম্ব

    মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ সমস্ত এস-৪০০ রেজিমেন্ট সরবরাহ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটে এবং ডেলিভারিতে বিলম্ব হয়। তবে রাশিয়া ভারতকে আশ্বাস দিয়েছে যে বাকি সমস্ত সরঞ্জাম ও পঞ্চম তথা শেষ রেজিমেন্টের ডেলিভারি ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যেই সম্পূর্ণ করা হবে।

    ‘অপারেশন সিদুঁর’-এ কার্যকারিতার প্রমাণ

    ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর সময় এস-৪০০ ব্যবস্থা বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। ওই অভিযানে শত্রুপক্ষের একাধিক আকাশপথে আসা হুমকি সফলভাবে প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর ভারত সরকার আরও পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতের মোট এস-৪০০ বহর ১০টি ইউনিটে পৌঁছবে।

    ভারতের স্তরভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ

    এস-৪০০ বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার ‘ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (IACCS)-এর সঙ্গে সংযুক্ত। এটি ভারতের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামোর অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এস-৪০০-এর পাশাপাশি দেশীয়ভাবে নির্মিত ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং ভারত-ইজরায়েল যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘এমআরএসএএম’ (MRSAM)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলেছে, যা বিভিন্ন ধরনের আকাশপথে আসা হুমকির বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা প্রদান করতে সক্ষম।

    প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ

    চতুর্থ এস-৪০০ রেজিমেন্টের আগমনের ফলে ভারতের অন্যতম বৃহৎ আকাশ প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ প্রকল্প সমাপ্তির আরও কাছাকাছি পৌঁছল। পঞ্চম ও শেষ রেজিমেন্ট হাতে পাওয়ার পর দেশের পশ্চিম ও উত্তর সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, কৌশলগত অবকাঠামো এবং বেসামরিক সম্পদের সুরক্ষা আরও মজবুত হবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এস-৪০০ শুধু একটি অস্ত্র ব্যবস্থা নয়, বরং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আকাশযুদ্ধ মোকাবিলায় একটি কৌশলগত শক্তির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
  • Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের শিল্পখরা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গ কি ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে? রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল বিভিন্ন মহলে। এবার সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর শীর্ষ কর্তা করণ আদানির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

    নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

    বুধবার রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন করণ আদানি। তিনি ভারতের বৃহত্তম বন্দর ও লজিস্টিক্স সংস্থা ‘আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ (APSEZ)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং আদানি গোষ্ঠীর পরিকাঠামো ও বন্দর ব্যবসার অন্যতম প্রধান মুখ। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ক্ষেত্র, লজিস্টিক্স হাব নির্মাণ, গ্রিনফিল্ড সড়ক প্রকল্প এবং সম্ভাব্য বৃহৎ বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    শিল্পবান্ধব বার্তা দিতে চায় নতুন সরকার

    রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই নতুন প্রশাসন শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। দ্রুত অনুমোদন ব্যবস্থা, সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বচ্ছ নীতির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখাই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে সড়ক ও লজিস্টিক্স নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আদানি গোষ্ঠী আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গ?

    ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পশ্চিমবঙ্গের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। উত্তর-পূর্ব ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে রাজ্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বৃহৎ লজিস্টিক্স ও ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে আদানি গোষ্ঠী আগ্রহী বলে সূত্রের খবর। যদিও সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    তাজপুর বন্দরের তিক্ত অভিজ্ঞতা

    তবে এই সম্ভাবনার আলোচনার পাশাপাশি উঠে আসছে অতীতের কিছু ব্যর্থতার কথাও। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। সেই প্রকল্পকে ঘিরে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। মনে করা হয়েছিল, বন্দরটি চালু হলে বিপুল কর্মসংস্থান এবং শিল্পোন্নয়নের পথ খুলবে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ, প্রশাসনিক জটিলতা এবং নীতিগত সমস্যার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। শেষ পর্যন্ত টেন্ডার বাতিল হয়ে যায় এবং আদানি গোষ্ঠী তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই ঘটনা রাজ্যের শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তির উপরও প্রভাব ফেলেছিল।

    বদলেছে পরিস্থিতি?

    অর্থনৈতিক ও শিল্পমহলের একাংশের মতে, বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। নতুন সরকারের অধীনে শিল্প ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই কারণেই অতীতের তিক্ততা ভুলে আদানি গোষ্ঠী আবারও পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে মনে করা হচ্ছে। করণ আদানির এই সফর ও বৈঠক সেই বার্তাই দিচ্ছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

    কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাবের সম্ভাবনা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দর, বিদ্যুৎ, সড়ক এবং লজিস্টিক্সের মতো কোর সেক্টরে বৃহৎ বিনিয়োগ এলে রাজ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর ফলে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনীতিও গতি পেতে পারে। শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকেই বর্তমানে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে রাজ্য সরকার।

    অন্য শিল্পগোষ্ঠীর কাছেও ইতিবাচক বার্তা

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আদানি গোষ্ঠীর মতো বৃহৎ কর্পোরেট সংস্থা যদি পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায়, তবে তা দেশের অন্যান্য শিল্পপতিদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে। অতীতে বিভিন্ন কারণে বাংলায় বিনিয়োগ থেকে দূরে থাকা বহু সংস্থাও নতুন করে রাজ্যের দিকে নজর দিতে পারে। এর ফলে বৃহত্তর শিল্পায়নের পথ আরও প্রশস্ত হতে পারে।

    এখন নজর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে

    শুভেন্দু অধিকারী ও করণ আদানির বৈঠককে অনেকেই নতুন শিল্প-সম্ভাবনার সূচনা হিসেবে দেখছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রকল্প, বিনিয়োগের অঙ্ক বা সময়সীমা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তাই এখন শিল্পমহল ও সাধারণ মানুষের নজর আগামী দিনের দিকে। এই বৈঠক কি সত্যিই পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের সূচনা করবে, নাকি তা কেবল সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে— সেই উত্তরই সময় দেবে।

     

  • Cervical Cancer: ৪০ পেরোলেই বাড়ছে বিপদ! ভারতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে জরায়ুর ক্যান্সার, বাঁচার বড় অস্ত্র এই টিকা

    Cervical Cancer: ৪০ পেরোলেই বাড়ছে বিপদ! ভারতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে জরায়ুর ক্যান্সার, বাঁচার বড় অস্ত্র এই টিকা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স চল্লিশের চৌকাঠ পেরোলেই বাড়তে পারে বিপদ! দেশ জুড়ে ক্রমশ মহিলা স্বাস্থ্য নিয়ে তাই উদ্বেগ বাড়ছে। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই রুখতে না পারলে সমস্যা বাড়বে! ভারতে বাড়ছে জরায়ুর ক্যান্সারের দাপট। তাই ভারতীয় মহিলাদের এই জটিল রোগ থেকে বাঁচাতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার টিকাকরণ! দেশের অন্যান্য রাজ্যে এই টিকাকরণ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নার্স এবং স্বাস্থ্য কর্মীরাও সম্প্রতি টিকা দেওয়ার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এ রাজ্যের মহিলাদের জরায়ুর ক্যান্সার রুখতেও তাই ভরসা টিকাকরণে!

    ভারতে জরায়ুর ক্যান্সার কতখানি বিপজ্জনক?

    প্রত্যেক বছরেই জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সময় মতো রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে জরায়ুর ক্যান্সার সম্পূর্ণ সেরে ওঠা সম্ভব। কিন্তু তারপরেও দেশে যে হারে প্রতি বছর জরায়ুর ক্যান্সারে মৃত্যু বাড়ছে, তা যথেষ্ট উদ্বেগের। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৭৯ হাজার মহিলা নতুন করে জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতি বছর প্রায় ৭০ হাজার মহিলা জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এই মৃত্যুর সংখ্যা খুবই উদ্বেগজনক।‌ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জরায়ুর ক্যান্সার শরীরে তৈরি হতে সময় নেয় আনুমানিক ১০ বছর। অর্থাৎ তরুণীর শরীরে সেই রোগের সূচনা হলেও, আক্রান্ত টের পায় মধ্য বয়সে। ভারতে অধিকাংশ জরায়ুর ক্যান্সার আক্রান্তের বয়স ৪০-৪৫ বছর। এই রোগ রুখতে এবং মৃত্যু হার কমাতে মূল হাতিয়ার লাগাতার রোগ পরীক্ষা এবং টিকাকরণ। কারণ, সময় মতো রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করতে পারলে এই রোগের জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

    কেন ভারতে জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে?

    ভারতে জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধ্বমুখী হওয়ার অন্যতম কারণ, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতার অভাব। এমনটাই জানাচ্ছেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি জরুরি। কতখানি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন, সেই স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কোন ধরনের সংক্রমণ হতে পারে, কোন ধরনের বিপদ তৈরি হতে পারে, সে সম্পর্কে জানানো জরুরি। কিন্তু সেই সম্পর্কে আলোচনা হয় না। নানান সামাজিক ছুৎমার্গের জেরে খোলামেলা ভাবে স্কুল স্তর থেকে এই ধরনের আলোচনা হয় না। স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ সচেতন নয়। যার ফলে এ দেশে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। ভারতে জরায়ুর ক্যান্সারে মৃত্যু হওয়ার অন্যতম কারণ, টিকাকরণের হার কম এবং লাগাতার স্ক্রিনিং নিয়েও অসচেতনতা। ক্যান্সার প্রাথমিক পর্বেই চিহ্নিত হলে, জরায়ুর ক্যান্সারে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে। কিন্তু রোগ নির্ণয় ঠিক সময়ে না হওয়ায় মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায়। যদিও সম্প্রতি দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে লাগাতার স্ক্রিনিং এবং টিকাকরণে জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, টিকাকরণ কর্মসূচি লাগাতার চালালে আগামী কয়েক দশকে তার ফল পাওয়া যাবে! উল্লেখযোগ্য হারে মৃত্যু হার কমবে।

    কেন জরায়ুর ক্যান্সার রুখতে টিকাকরণ জরুরি?

    দেশ জুড়ে জরায়ুর ক্যান্সার মোকাবিলায় মূল হাতিয়ার হয়ে উঠছে টিকাকরণ। বাদ নেই পশ্চিমবঙ্গ! সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মীদের এই নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা জরায়ুর ক্যান্সার রুখতে টিকাকরণেই সবচেয়ে বেশি ভরসা করছেন।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, এইচপিভি (HPV) সংক্রমণের জেরেই মহিলাদের শরীরে জরায়ুর ক্যান্সার হয়। তাই এইচপিভি টিকাকরণ হলে এই ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমবে। এই টিকা নিলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। পাশপাশি শরীরে এই ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেও সক্ষম হবে। ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। পাশপাশি এই টিকরণে ভরসা রাখার আরেকটি কারণ হলো, প্রি-ক্যান্সার ক্ষত কমবে। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ক্যান্সার হওয়ার আগে অস্বাভাবিক হারে কোষের পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তন রুখতেও টিকা সাহায্য করবে। টিকাকরণ হলে দেশ জুড়ে জরায়ুর ক্যান্সারের বোঝা কমবে। মৃত্যু হার কমবে। ফলে দেশের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিপর্যয়ের আশঙ্কাও কমবে।

    টিকাকরণ হলেই কি সব বিপদ মুক্ত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জরায়ুর ক্যান্সার রুখতে টিকাকরণ জরুরি। টিকাকরণ হলে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষাও পাওয়া যাবে। কিন্তু টিকাকরণ হলেই যে সব বিপদ ঠেকানো যাবে এমনটা নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, রোগ ঠেকাতে টিকা সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। কিন্তু জরায়ুর ক্যান্সারের বিপদ কমাতে অন্যতম বড় অস্ত্র হলো, লাগাতার শারীরিক পরীক্ষা। শরীরে রোগ বাসা বাঁধছে কিনা, সে সম্পর্কে প্রাথমিক পর্বেই নিশ্চিত হওয়া জরুরি। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে অধিকাংশ জরায়ুর ক্যান্সার আক্রান্তের চিকিৎসা অনেক দেরিতে শুরু হয়। এর ফলে, রোগ আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাই জরায়ুর ক্যান্সারে মৃত্যু হার কমাতে লাগাতার স্ক্রিনিং নিয়ে সচেতনতা জরুরি। তিরিশ উর্ধ্ব মহিলাদের বছরে অন্তত একবার শারীরিক পরীক্ষা করানো জরুরি। যাতে তাঁদের ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে কিনা, কোষে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কিনা, সেটা খতিয়ে দেখা জরুরি। তাহলেই এই জটিল রোগ মোকাবিলা সহজ হবে।

  • Daily Horoscope 04 June 2026: কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যার সম্ভাবনা এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 June 2026: কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যার সম্ভাবনা এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ধর্মালোচনায় মন দিতে পারলে শান্তি পাবেন।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

     মিথুন

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যার সম্ভাবনা।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (Teacher Recruitment Scam) তদন্তে ফের বড়সড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বুধবার বিকেলে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দক্ষিণ কলকাতার বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ হাজির হন ইডি আধিকারিকরা। তবে সে সময় অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না; তিনি কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তদন্তকারীরা কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সুরক্ষাকর্মীদের মাধ্যমে সমনের নোটিসটি দিয়ে আসেন।

    রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে কেন্দ্রীয় তৎপরতা (Abhishek Banerjee)

    বুধবার দিনভর রাজ্য রাজনীতি উত্তাল ছিল বিধানসভার অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষর সহ চিঠি এবং নতুন বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বর সরগরম হয়ে ওঠে। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) মিলে দলের সমস্ত রাজ্য কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সাংগঠনিক রদবদলের পর্যালোচনার জন্য বিকেল গড়াতেই কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছান অভিষেক। ঠিক তার পরপরই বিকেল ৫টা নাগাদ ইডির দু’জন উচ্চপদস্থ আধিকারিক একটি ফাইল হাতে অভিষেকের বাসভবনে পৌঁছান এবং সেখানে তাঁকে না পেয়ে কালীঘাটের ঠিকানায় গিয়ে সমন (Teacher Recruitment Scam) দিয়ে আসেন।

    সিআইডি বনাম অভিষেক স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলা ও আইনি লড়াই

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Teacher Recruitment Scam) ইডির এই নতুন সমনের সমান্তরালে, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র সঙ্গেও অভিষেকের একটি মামলা পিছু ছাড়ছে না। তবে মনে করা হচ্ছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংক্রান্ত নথিপত্র এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই ইডি ফের নতুন করে এই সমন পাঠিয়েছে। তবে এই কেন্দ্রীয় তৎপরতা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা অভিষেকের শিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও রকম প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

    সিআইডি-র তলব ও হাজিরা এড়ানো

    বিধানসভায় জমা পড়া একটি চিঠিতে বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগে গত সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনের সিআইডি সদর দফতর সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে তিনি সেই হাজিরা এড়িয়ে যান এবং পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৫ দিনের সময় চেয়ে লিখিত আবেদন করেন।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

    সিআইডি-র এই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হয়। আইনজীবীর দাবি, সিআইডি-র এই নোটিস আইনত বৈধ নয়, তাই এটি খারিজ করা হোক। আদালত মামলা দায়েরের (Teacher Recruitment Scam) অনুমতি দিয়েছে এবং আগামী ৫ জুন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচন সংক্রান্ত একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। স্বাক্ষর জালিয়াতির এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিধানসভার পক্ষ থেকে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যার তদন্তভার বর্তমানে সিআইডি-র হাতে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তের আতসকাচে অভিষেক

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর পরিবারকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিক মামলায় (Teacher Recruitment Scam) তাঁকে ও তাঁর সংস্থাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

  • DK Shivakumar: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ কংগ্রেসের শিবকুমারের, মন্ত্রিসভায় ব্যালেন্সের চেষ্টা রাহুলের

    DK Shivakumar: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ কংগ্রেসের শিবকুমারের, মন্ত্রিসভায় ব্যালেন্সের চেষ্টা রাহুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কর্নাটকের লোকভবনে শপথ নিলেন কানাকাপুরার বছর চৌষট্টির ভোক্কালিগা নেতা ডিকে শিবকুমার। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। ৩০ মে তিনি কংগ্রেস বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত হন। এদিন শপথ নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে।

    শিবকুমারের উত্থান (DK Shivakumar)

    রাজনৈতিক মহলের মতে, শিবকুমারের এই উত্থান দলীয় রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ কয়েক দশকের পথচলার ফল। শিবকুমার ‘ডিকে শি’ নামেই পরিচিত রাজনৈতিক মহলে। তিনি একজন দক্ষ সংগঠক। দলত্যাগের প্রবণতা, রাজনৈতিক সঙ্কট এবং ভোটের সময় কংগ্রেসকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। গত সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সিদ্ধারামাইয়া। সেদিনই জানা গিয়েছিল, ওই কুর্সিতে বসতে চলেছেন ডিকে শি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নির্দেশেই তিনি ইস্তফা দিয়েছিলেন। সিদ্ধারামাইয়াকে রাজ্যসভা পাঠানো হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তিনি যেদিন মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন, সেদিনই তাঁকে প্রণাম করে আশীর্বাদ চেয়ে নিয়েছিলেন ডিকে শি। এদিন বসলেন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে।

    মন্ত্রিসভায় কারা

    নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ডিকে শির কাছে কর্নাটকবাসীর প্রত্যাশা অনেক। তিনি দক্ষিণ ভারতে কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। সঙ্কটের দিনে কর্নাটক কংগ্রেসকে অক্সিজেন জুগিয়ে পুনর্জীবন দিয়েছিলেন তিনিই। গত এক দশকে কর্নাটকে দলের নির্বাচনী সাফল্যের পেছনে তাঁর অবদান অপরিসীম। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এদিন তারই প্রতিদান পেলেন ডিকে শি। এদিন ডিকে শির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি কংগ্রেসের ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রচেষ্টাকেও তুলে ধরেছে। এদিনই উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন প্রবীণ নেতা জি পরমেশ্বর। মন্ত্রিসভার প্রথম দফায় শপথ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন কেএইচ মুনিয়াপ্পা, কেজে জর্জ, এমবি পাটিল, রামালিঙ্গা রেড্ডি, সতীশ জারকিহোলি, কৃষ্ণা বাইরে গৌড়া, প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, ইউটি খাদার, ঈশ্বর খান্দ্রে, ইয়াথীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া, বাইরাথি সুরেশ এবং শরণ প্রকাশ পাটিল। এই তালিকায় অভিজ্ঞ প্রশাসক ও উদীয়মান নেতাদের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে, যাতে কর্নাটকের বিভিন্ন অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।

    অনুষ্ঠান চলার সময়ও ৩৪ সদস্যের পূর্ণ মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত ছিল কংগ্রেসে। সম্ভাব্য মন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে জল্পনাকে গুরুত্ব না দিয়ে শিবকুমার বলেন, “দিল্লিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করবেন।”

     

  • Firhad Hakim: বুধেই ব্যতিব্যস্ত তৃণমূল, মেয়র পদে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ, ‘ভাতিজা’র বাড়িতে ইডির নোটিশ

    Firhad Hakim: বুধেই ব্যতিব্যস্ত তৃণমূল, মেয়র পদে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ, ‘ভাতিজা’র বাড়িতে ইডির নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধ-দুপুরেই ছত্রখান হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল (TMC)। তার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে এল আরও একটি দুঃসংবাদ – কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। মিউনিসিপ্যাল আইন অনুযায়ী ফিরহাদকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরসভার চেয়ারপার্সন বা কমিশনারের কাছে গিয়ে জমা দিতে হবে পদত্যাগপত্র। সূত্রের খবর, ফিরহাদের ইস্তফায় সম্মতি দিয়েছেন মমতা।

    কুণালের বক্তব্য (Firhad Hakim)

    বিধায়ক তথা তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “ফিরহাদ হাকিম আমাদের দলনেত্রীর কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। শেষের দিন আমিও ছিলাম। কথা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, যা পরিস্থিতি তাতে কাজ করা যাচ্ছে না।” তিনি বলেন, “ফিরহাদ হাকিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গত কয়েকদিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করেছেন। জানিয়েছিলেন পদত্যাগের ইচ্ছের কথা। নেত্রী ওঁকে বারণ করেছিলেন। কিন্তু ফিরহাদ জানান, সম্মানের সঙ্গে নিষ্কৃতি চান তিনি। এর পরে মমতা সম্মতি দিয়েছেন।’’ কুণাল এমন মন্তব্য করলেও, এ নিয়ে ফিরহাদ এখনও কিছু বলেননি।

    ইঙ্গিত মিলেছিল মঙ্গলবারই

    ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী ফিরহাদকে বসানো হয় মেয়র পদে। বিরোধীদের মতে, নিজেকে মুসলমান দরদি প্রমাণ করতেই এমনটা করেছিলেন নেত্রী। ২০২১ সালে দ্বিতীয় বার মেয়রের কুর্সিতে বসেন ফিরহাদ। কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের বিধায়ক তথা ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফিরহাদ প্রায় আট বছর মন্ত্রিত্ব এবং মেয়র পদ সমানতালে সামলানোর পর বুধবার আচমকা করেন পদত্যাগ। মঙ্গলবারই (Firhad Hakim) কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (নিকাশি) পদে ইস্তফা দেন তৃণমূলেরই তারক সিং। তিনি ফের নিশানা করেন ফিরহাদকে। তৃণমূলের প্রতীকে আর ভোটে না দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তারক। বলেন, ‘‘কর্মী এবং সমর্থকদের কোনওভাবে সুরক্ষা দিচ্ছেন না দলীয় নেতৃত্ব। তাই ওই ঠান্ডা ঘরে বসে জ্ঞানের বাণী শোনার কোনও ইচ্ছে আমার নেই।” তারকের ইস্তফার পর ফিরহাদ বলেছিলেন, ‘‘আমরা একটা টিম হিসাবে কাজ করি। যা করব একসঙ্গেই করব।’’ তারপর (TMC) এদিন পদত্যাগ করেন ফিরহাদ।

    এদিকে, সিআইডির পর এবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে নোটিশ পাঠাল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় ওই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে খবর। সব মিলিয়ে বুধেই ব্যতিব্যস্ত তৃণমূল (Firhad Hakim)!

     

  • Ritabrata Banerjee: দু’টুকরো হয়ে গেল মমতার সাধের তৃণমূল! বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত

    Ritabrata Banerjee: দু’টুকরো হয়ে গেল মমতার সাধের তৃণমূল! বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর এক মাসও কাটেনি, ভেঙে দু’টুকরো হয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া সাধের তৃণমূল। একদিকে রয়েছেন মমতা এবং হাতে গোণা কয়েকজন বিধায়ক, আর অন্যদিকে রয়েছেন সদ্য তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত প্রাক্তন সিপিএম নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন তিনিই (Opposition Leader)। নয়া বিরোধী দলনেতার জন্য বুধবারই খুলে দেওয়া হল বিধানসভার ঘর। তাঁর হাতে চাবি তুলে দেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু।

    ঋতব্রতর দাবি (Ritabrata Banerjee)

    ঋতব্রতর দাবি, তৃণমূলের টিকিটে জয়ী দুই-তৃতীয়াংশই ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তাঁরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। বিধানসভায় শাসক বিজেপির চোখে চোখ রেখে লড়াই করবেন তাঁরা। তিনি বলেন, ‘‘আপাতত ৫৮ জন। আরও দু’জন আছেন। তাঁরা এখন রাজ্যের বাইরে। তাঁদের সম্মতি রয়েছে। তাঁদের সমর্থন এলে এই সংখ্যা ৬০ হবে।’’ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হওয়ার আবেদনও জানান ঋতব্রত। তিনি জানান, বিধানসভায় মুখ্যসচেতক করা হয়েছে আখরুজ্জামানকে। ডেপুটি লিডার করা হয়েছে চার জনকে— জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহাকে। তাঁদের সমর্থনের চিঠি বিধানসভার স্পিকারকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ঋতব্রতর

    ঋতব্রত বলেন, ‘‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছিলেন। তাঁকে ধন্যবাদ যে, বিরোধীদের নিয়ে তিনি বৈঠক করেছেন। আমরা কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার বিরোধী বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। আমরা দায়িত্বশীল, সদর্থক বিরোধীর ভূমিকা পালন করব। সরকারের চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। তাদের সদর্থক পদক্ষেপের প্রশংসাও করব।’’ তিনি (Ritabrata Banerjee) বলেন, ‘‘বাংলার মাটিতে মানুষ রায় দিয়েছেন আমাদের বিরোধী আসনের জন্য। সেটা মেনে নিতে হবে। আমি ‘বস্’ নই। আমি বসিংয়ে বিশ্বাসী নই। আমি আমরায় বিশ্বাস করি। সব সিদ্ধান্ত আমরা আলোচনা করে নেব।’’

    বিরোধী দলনেতার ঘর বরাদ্দ ঋতব্রতকে

    প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূল গোহারা হারতেই প্রকাশ্যে চলে আসে দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। ‘আইপ্যাক এবং ভাইপো কালচারে’র কারণেই যে পদ্মফুলের কাছে ঘাসফুল ধরাশায়ী হয়েছে, তা নিয়েও সোচ্চার হন অনেকে। বিজেপি সরকার গঠনের দিন কয়েক পর কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করেছিলেন মমতা। সেখানেও বিধায়কদের সিংহভাগকেই দেখা যায়নি। পরে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার কান্ডারি মমতা। সেই বৈঠকে ৮০ জনের মধ্যে হাজির ছিলেন মাত্রই ১৯ জন। ক্ষোভে বৈঠক বাতিল করে দেন মমতা। পরে সইকাণ্ডের জেরে আরও চওড়া হয় তৃণমূলের ফাটল। যার জেরে বহিষ্কার করা হয় ঋতব্রতকে। ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিরোধী দলনেতার পদ দাবি করেন তিনি। ঋতব্রতর দাবিকে (Opposition Leader) মান্যতা দিয়ে এদিন বিধানসভায় খুলে দেওয়া হয় বিরোধী দলনেতার ঘর (Ritabrata Banerjee)।

     

  • Tollywood Federation: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ জমানার অবসান, বাতিল ফেডারেশন-গিল্ড, এখন থেকে দিল্লির কনফেডারেশনের আওতায় টলিপাড়া

    Tollywood Federation: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ জমানার অবসান, বাতিল ফেডারেশন-গিল্ড, এখন থেকে দিল্লির কনফেডারেশনের আওতায় টলিপাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তৃণমূলের বিসর্জনের পর এবার টলিউড ফেডারেশনের (Tollywood Federation) ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠল বড়সড় প্রশ্ন। মমতা জমানায় ফেডারেশনের রাশ ছিল বিশ্বাস ব্রাদার্সের হাতে। এই বিশ্বাস ব্রাদার্সের একজন অরূপকে ছাব্বিশের ভোটে পরাস্ত করেন পদ্ম-প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। অরূপ-বিদেয় হওয়ার পর বাকি ছিলেন স্বরূপ। বুধবার টলিউডে স্বরূপের কর্তৃত্বে দাঁড়ি টেনে দিলেন পাপিয়া। টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় দাঁড়িয়ে বললেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সাহায্যে দিল্লির ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স কনফেডারেশনের আওতাভুক্ত হবেন (Tollywood Restructured) টলিউডের সমস্ত কলাকুশলী। লক্ষ্য, দুর্নীতিমুক্ত ইন্ডাস্ট্রি।” বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্যেই স্পষ্ট, টলিউডে আর ফেডারেশনের অস্তিত্ব রইল না। থাকবে না ২৬টি গিল্ডও।

    আট ঘণ্টা কাজের নীতি (Tollywood Federation)

    পাপিয়া জানান, তিন থেকে চারটি কমিটি থাকবে –  পরিচালক, ক্যামেরা, প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং শিল্প নির্দেশনা বিভাগ। বলিউডের মতো এবার টলিউডেও চালু হতে পারে আট ঘণ্টা কাজের নীতি। ফেডারেশনকে তার করে যাওয়া কাজের জন্য জবাবদিহিও করতে হবে। পদ্ম-বিধায়ক কথা বলবেন ওয়েব প্ল্যাটফর্ম এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষগুলির সঙ্গে। তাঁরা সিরিজ কিংবা ধারাবাহিক দেখানোর জন্য কোথা থেকে টাকা পাচ্ছেন, খতিয়ে দেখবেন তিনি। ধারাবাহিক, সিরিজের গল্প এবং বিষয়বস্তু নিয়েও হবে আলোচনা।

    সবাই কাজ পাবেন

    পাপিয়ার আশ্বাস, “সবাই কাজ পাবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ দেওয়া হবে। মতবিরোধ থাকলেও, কাউকে নিষিদ্ধ করা যাবে না। শুটিং বন্ধ করা যাবে না। কলাকুশলীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের স্বাস্থ্য পরিষেবার দায়িত্বও নেবে কনফেডারেশন।” নানা অছিলায় কেউ যাতে আর কাটমানি নিতে না পারে, সে দিকেও কড়া নজর রাখা হবে বলে জানান বিধায়ক। পাপিয়া বলেন, “ফেডারেশন এবং গিল্ডের বেশ কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছু অভিযোগ প্রশাসনের কাছেও (Tollywood Federation) পৌঁছেছে। তবে আমি প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে চাই না। বদলে ‘ডি কিউব’- ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট- ব্যবহার করতে চাই।”

    কাজ হারালেন যাঁরা

    তিনি বলেন, “ম্যানেজার গিল্ডের সম্পাদক এবং সহ-সম্পাদক মহম্মদ হাসান, নিরুপম দে, মেকআপ আর্টিস্ট গিল্ডের বাপি মালাকার, ক্যামেরা গিল্ডের স্বপন মজুমদার এবং সুজিত হাজরা – এই ক’জনের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ। এঁদের আর টলিউডে কাজ করতে দেওয়া হবে না। চাইলে ভিন্‌রাজ্যে, অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে অবশ্যই এঁরা কাজ করতে পারবেন, কিন্তু বাংলায় আর (West Bengal) নয়।” পাপিয়া বলেন, “আমাদের সময় পরিচালক ছিলেন ক্যাপ্টেন অফ দ্য শিপ। পরে তাঁরাই যেন হয়ে গেলেন ‘চাকর’! আমি সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনব। ফিরিয়ে আনা হবে সেই সব প্রযোজক, পরিচালক, অভিনেতা, কলাকুশলীকে, যাঁরা এত দিন (Tollywood Federation) ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্বাস ব্রাদার্সে দৌলতে ব্রাত্য ছিলেন।”

LinkedIn
Share