Blog

  • Changu Lake: সিকিমে তুষার ধসে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ২ বাঙালিও, সমবেদনা মোদির

    Changu Lake: সিকিমে তুষার ধসে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ২ বাঙালিও, সমবেদনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমে (Changu Lake) তুষার ধসে দুই বাঙালি সহ সাতজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩ জন। মঙ্গলবার দিনভর উদ্ধারকাজ চালানোর পর রাতে এনডিআরএফের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর কোনও পর্যটক বরফের নিচে চাপা পড়ে নেই। তাই বন্ধ করা হচ্ছে উদ্ধার কাজ। এদিনের তুষার ধসে যে দুই বাঙালির মৃত্যু হয়েছে তাঁরা হলেন কলকাতার বাসিন্দা বছর আটত্রিশের প্রীতম মাইতি এবং শিলিগুড়ির বাসিন্দা বছর সাতাশের সৌরভ চৌধুরী। আর বাকি পাঁচ পর্যটকের মধ্যে তিনজন নেপালের বাসিন্দা, দুজন উত্তর প্রদেশের।

    সিকিমের ছাঙ্গু (Changu Lake) রোডে ধসে ক্ষতি…

    মঙ্গলবার পর পর দু বার ধস নামে সিকিমের ছাঙ্গু (Changu Lake) রোডে ১৭ মাইল এলাকায়। পাহাড়ের ওপর থেকে হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে বরফের স্রোত। সেই সময় পাহাড়ের ঢালে দাঁড়িয়ে যাঁরা প্রকৃতির শোভা উপভোগ করছিলেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই চাপা পড়ে যান তুষারের নিচে। পরে সেনা নামিয়ে সামাল দেওয়া হয় পরিস্থিতি। তুষারধসের জেরে কেবল পর্যটকরাই নন, বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। যে অঞ্চলে ধস নেমেছে, তার আশপাশের বহু বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বরাত জোরে যাঁরা প্রাণে বেঁচেছেন, তাঁরা জানাচ্ছেন, তুষারের নিচে চাপা পড়ে যাওয়ায় হাত-পা নাড়ানোর সুযোগটুকুও পাচ্ছিলেন না তাঁরা। পরে অন্যান্য পর্যটক, সেনাবাহিনী ও এনডিআরএফের সাহায্যে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।

    মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, সিকিমে (Changu Lake) তুষার ধসে চাপা পড়ে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। উদ্ধারকার্য চলছে। ধসের জেরে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সম্ভাব্য সব রকম সাহায্য করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, সেনাবাহিনী মোট ২২ জন পর্যটককে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে খোঁজ নেওয়া হয়েছে সিকিমের পরিস্থিতি নিয়ে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে সিকিম সরকার উত্তর ও পূর্ব সিকিমের পারমিট দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রেরণা দিচ্ছেন, অভিযোগ সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।   

     

  • Veer Savarkar: সাভারকার ইস্যুতে রাহুলকে নিশানা গডকড়ির, একহাত নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশও

    Veer Savarkar: সাভারকার ইস্যুতে রাহুলকে নিশানা গডকড়ির, একহাত নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাভারকার (Veer Savarkar) ইস্যুতে কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি ও মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। বিজেপিকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য রাহুলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নীতিন। তিনি বলেন, আমাদের উচিত রাহুল গান্ধীকে ধন্যবাদ জানানো। কারণ তিনি আমাদের সুযোগ করে দিয়েছেন সাভারকারকে প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে দিতে। রাহুল গান্ধীর এরকম করে যাওয়া উচিত। সাভারকার গৌরব যাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত এক জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন নীতিন। সেখানেই তিনি নিশানা করেন রাহুলকে।

    সাভারকার (Veer Savarkar) ইস্যুতে নীতিন বলেন…

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, সাভারকারকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় রাহুল গান্ধীর উচিত ক্ষমা চাওয়া। তিনি বলেন, রাহুল জানেন না তাঁর ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধী এবং দাদু ফিরোজ গান্ধী কী বলেছিলেন সাভারকার (Veer Savarkar) সম্পর্কে। গডকড়ি বলেন, সাভারকারই বলেছিলেন যে হিন্দুত্ব একটা জীবনযাপনের পন্থা। সাভারকার জাতিগত বাধার প্রাচীর ভেঙে দিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, মোদি পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দু বছরের কারাদণ্ড হয় রাহুলের। গুজরাটের সুরাটের একটি আদালত রাহুলকে ওই শাস্তি দেয়। তার জেরে সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যায় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতির। এর পরেই রাহুল বলেছিলেন, তিনি ক্ষমা চাইবেন না, কারণ তিনি সাভারকার নন।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, রাজ্যের রিপোর্ট তলব অমিত শাহের

    সাভারকার (Veer Savarkar) গৌরব যাত্রা উপলক্ষে নাগপুরে আয়োজিত এক জনসভায় ওই একই ইস্যুতে রাহুলকে আক্রমণ করেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশও। তিনি বলেন, ভারতে কিছু মানুষ জন্মান যাঁরা দেশের ইতিহাস জানেন না, জানেন না সমসাময়িক কালের ইতিহাসও। ফড়নবিশ বলেন, যাঁর কোনও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই, এমন একজন ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সাভারকারকে আক্রমণ করেন। এই জাতীয় মানুষদের যোগ্য জবাব দিতে মহারাষ্ট্রবাসী সাভারকার গৌরব যাত্রায় যোগ দিয়েছেন। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, আপনি সাভারকারও নন, গান্ধীও নন। সাভারকার হতে গেলে অনেক ত্যাগ করতে হয়।

    তিনি বলেন, কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট একদিনও জেলে থাকতে পারবেন না। অথচ দেশের কঠিনতম পরিস্থিতিতে সাভারকার বছরের পর বছর বন্দি ছিলেন আন্দামান-নিকোবরের সেলুলার জেলে। তিনি বলেন, রাহুলের মতো মানুষ সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মেছেন। তাই তিনি জানেন না, সাভারকার (Veer Savarkar) কতটা আত্মবলিদান করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার আগে ব্রিটিশরা আমাদের কষ্ট দিত, স্বাধীনতার পরে দিচ্ছে ব্রিটিশদের এজেন্টরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Toilet: পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপির হওয়ায় গ্রামে কারও বাড়িতে নেই শৌচালয়! কোথায় জানেন?

    Toilet: পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপির হওয়ায় গ্রামে কারও বাড়িতে নেই শৌচালয়! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত সদস্যা বিজেপির। তাই, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কলাইবাড়ি গ্রামে “নির্মল বাংলা মিশন” এর প্রভাব এখনও পড়েনি। এই অঞ্চলের আদিবাসী পাড়ার সমস্ত মানুষকে মাঠে ঘাটে খোলা আকাশের নীচেই শৌচকর্ম করতে হয়। বছর তিনেক আগে এই জেলাকে নির্মল ঘোষণা করা হয়েছিল। দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা প্রশাসন যাতে মানুষকে মাঠে ঘাটে শৌচকর্ম করতে না যেতে হয় তারজন্য প্রচারও করেছিল। খোলা জায়গায় শৌচকর্ম করার জন্য জরিমানাও করতে দেখা যায় প্রশাসনকে। প্রতিটি পঞ্চায়েতে এই সচেতনতা মূলক অভিযান চালানো হয়। কিন্তু, এই এলাকায় বাড়ি বাড়ি শৌচালয় (Toilet) করে দেওয়ার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা? Toilet

    স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় মার্ডি বলেন, যা রোজগার করি তা দিয়ে কোনওরকমে সংসার চালাই। বাড়িতে শৌচালয় (Toilet) তৈরি করার মতো আর্থিক অবস্থা আমাদের নেই। এক গৃহবধূ বলেন, “খোলা আকাশের নীচে শৌচকর্ম করা ঠিক নয় তা জানি, কিন্তু, নিজের পয়সা দিয়ে শৌচালয় (Toilet) তৈরি করার মত সামর্থ্য আমাদের নেই। শুধু বাড়িতে নয়, স্থানীয় বিদ্যালয়েও নেই শৌচাগার। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা কল্পনা মণ্ডল বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে শৌচাগারটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ হয়ে রয়েছে। পড়ুয়াদের চরম সমস্যা হয়।

    কী বললেন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা? Toilet

    বিজেপি-র পঞ্চায়েত সদস্যা মীরা মণ্ডল বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েতটি তৃণমূলের দখলে রয়েছে। আর আমি বিজেপির সদস্য বলে এলাকায় কোনও উন্নয়ন ওরা করছে না। আমরা শৌচালয় (Toilet) তৈরি করার জন্য বহুবার বলেছি। কিন্তু, ওরা কোনও কর্ণপাত করেনি। ফলে, আমার বুথে সেভাবে কোনও উন্নয়ন নেই।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব? Toilet

     বিজেপির তোলা এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর সুভাষ চাকি। তিনি বলেন, বিজেপি সদস্য রয়েছে বলে ওই এলাকায় শৌচালয় (Toilet)  তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি তা ঠিক নয়। এটা বিক্ষিপ্ত ঘটনা। ইতিমধ্যে প্রশাসনকে এ ব্যাপারে জানানো হয়েছে। খুব দ্রুতই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Human Sacrifice: হুগলির ষাটোর্ধ্ব মহিলাকে কামাখ্যায় নরবলি! চারবছর পরে পুলিশের জালে ৫ আততায়ী 

    Human Sacrifice: হুগলির ষাটোর্ধ্ব মহিলাকে কামাখ্যায় নরবলি! চারবছর পরে পুলিশের জালে ৫ আততায়ী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর আগে অসমের কামাখ্যায় নরবলি (Human Sacrifice) দেওয়া হয়েছিল হুগলির তাঁতিপাড়ার এক ষাটোর্ধ্ব মহিলাকে। ঘটনার চারবছর পরে রহস্যভেদ করতে সক্ষম হল পুলিশ। গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার দিগন্ত বরা জানিয়েছেন, নিহতের নাম শান্তি সাউ (৬৪)। পুলিশ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতরা হল সুরেশ পাসওয়ান (৫৬), প্রদীপ পাঠক ওরফে দীনেশ বা রাজু (৫২) এবং আরও দুই ব্যক্তি, কানু আচার্য্য ওরফে কানু তান্ত্রিক (৬২), এবং রাজু বাবা (৬০) কে গ্রেফতার করে। ঘটনায় জড়িত বাকিদের খোঁজ চলছে।

    ঘটনাটি কী ?

    অসমের কামাখ্যা মন্দিরের ফাঁড়িতে ২০১৯ সালের ১৯ জুন সন্ধ্যায় খবর এসেছিল, জয় দুর্গা মন্দিরে নামার রাস্তায় এক মহিলার মুণ্ডহীন দেহ পড়ে আছে। পাশে রয়েছে পুজোর সামগ্রী। প্রথম থেকেই পুলিশ সন্দেহ করছিল, নরবলি (Human Sacrifice) দেওয়া হয়েছে ওই মহিলাকে। এই ঘটনায় সেসময় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়লেও মহিলার পরিচয় কিছুতেই জানতে পারছিল না পুলিশ। হত্যাকারীদেরও ধরা যাচ্ছিল না। অবশেষে হত্যা রহস্যের কিনারা করতে পারল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অম্বুবাচীর সময়ে কামাখ্যায় নরবলি (Human Sacrifice) দিলে বিশেষ ক্ষমতা মিলবে, এমন অন্ধবিশ্বাসের বশবর্তী হয়েই মথুরার এক ব্যক্তি ও এক সাধু মিলে ছক কষে হত্যা করে শান্তিকে।

    মৃতের ছেলে কীভাবে শনাক্ত করলেন দেহ ?

    গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার এক প্রেস বিবৃতিতে জানান, মৃত শান্তি শাউয়ের ছেলে মিডিয়া রিপোর্টের মাধ্যমে ঘটনার কথা জানতে পেরে জামাকাপড় এবং শরীরে থাকা ট্যাটু থেকে মৃতদেহটিকে তার মায়ের বলে শনাক্ত করেন এবং পুলিশকে জানান যে তিনি ২০১৯ সালের জুনের শুরুতে তার মা অম্বুবাচী মেলার উপলক্ষে কামাখ্যা মন্দিরে আসেন এবং তারপর থেকে মা নিখোঁজ ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, এক তান্ত্রিক এবং আরও দুই মহিলার সঙ্গে ওই মহিলা বাংলা থেকে কামাখ্যা মন্দিরে আসেন।

    কীভাবে মিলল তদন্তে সাফল্য ?

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে একটি বিশেষ দল সম্প্রতি অতীতের প্রমাণ এবং সূত্রগুলি বিশ্লেষণ করে কোচবিহারে পৌঁছায় এবং ১৮ মার্চ, ২০২৩-এ কৈলাশ বর্মন নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় মহিলার মোবাইল ফোন, জামাকাপড় এবং আধার কার্ড। ওই ব্যক্তি তদন্তে পুলিশকে জানায় এই জিনিসগুলি ২০১৯ সালের জুন মাসে এক ‘সাধুবাবা’, তার বাড়িতে রেখে যান। সেই সূত্র ধরে পুলিশ ২৫শে মার্চ মধ্যপ্রদেশের জবলপুর থেকে মাতা প্রসাদ পান্ডে ওরফে মাতেশ্বরী গিরিকে গ্রেফতার করে।

    নরবলির (Human Sacrifice) দিন ঘটনাক্রম

    তদন্তে পুলিশ জেনেছে ওই মহিলাকে নরবলি (Human Sacrifice) দেওয়ার পরিকল্পনা অনেক আগেই করা হয়। সেই মত ২০১৯ সালের ১৮ এবং ১৯ জুন বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। সেখানে মহিলা ছাড়াও আরও ১২ জন ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, দলের প্রত্যেকে প্রথমে ভূতনাথ মন্দিরে একটি পুজোর আয়োজন করে, যেখানে সবাই মদ্যপান পান করেন এবং মহিলাকে জোর করে আকন্ঠ মদ্যপান করানো হয়। এরপর কামাখ্যা শ্মশানে গিয়ে আরেকটি পুজো করা হয় এবং তৃতীয় পুজোটি হয় জয় দুর্গা মন্দিরে। মহিলার কাটা মুণ্ডু এরপর ব্রহ্মপুত্র নদীতে ফেলে দেয় তারা। এই মামলার বাকি আসামীদের খোঁজে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rishra Violence: অশান্তির জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন? রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    Rishra Violence: অশান্তির জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন? রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে দুপুর ১২ টার মধ্যে রাজ্যের মতামত চাইল হাইকোর্ট। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এসে জানাবেন আদালতে। নির্দেশ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। 

    রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব

    এর আগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম শিবপুর-ডালখোলায় অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেন। বিচারপতি জানতে চেয়েছেন, এই ধরনের মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেন? গত বছর এই ধরনের মিছিলের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়েছিল কিনা! আদালতের মন্তব্য, “চিকিৎসার থেকে প্রতিষেধক ভালো। গতবার গণেশ চতুর্থীর শোভাযাত্রা নিয়ে আমি শুনানি করেছি। গত ৮-৯ বছর ধরে কোনো ঘটনা ঘটেনি। সামনে হনুমান জয়ন্তী আসছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। রাজ্য পুলিশ না পারলে প্যারা মিলিটারির সাহায্য নিন।”

    শান্তি ফেরাবার জন্য কিছু করুন

    ডায়মন্ড হারবারের একজন বিচারকের পরিবার শ্রীরামপুরে থাকে। তিনি নিজে থানা এবং পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের কাছ থেকে সাহায্য চেয়ে পাননি। তিনি হাইকোর্টের কাছে নিরাপত্তা চাইছেন, বলে জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “মানুষের মনে আস্থা ফেরাবার জন্য রুটমার্চ প্রয়োজন। শান্তি ফেরাবার জন্য কিছু করা দরকার। প্রাকৃতিক দূর্যোগ হলেও কেন্দ্রীয় টিম আসে। সেরকম কিছু দরকার হলে প্রয়োজনীয় সাহায্য নিন। এই ধরনের মিছিল কোন যানবাহন নিয়ে করতে দেওয়া ঠিক নয়। নির্দিষ্ট রুট ঠিক করে মিছিলের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। মুম্বইতে গণেশ চতুর্থীর সময় ব্যারিকেড করে মিছিল নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: ‘‘যা কখনও বলিনি, তা আমার মুখে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে’’! বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    আদালতের নির্দেশ, যে সব এলাকায় অশান্তি হয়েছে, সেখানকার সব সিসিটিভি-ভিডিও ফুটেজ আগামী ৫ তারিখের মধ্যে জমা করতে হবে রাজ্যকে। শিবপুরের রেশ কাটার আগেই রিষড়ায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় এই বিষয়েরও কারণ জানতে চায় হাইকোর্ট। কেন্দ্রীয় সরকারি আইনজীবীর মতে, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে যেকোনও সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যেতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: ‘‘যা কখনও বলিনি, তা আমার মুখে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে’’! বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Gangopadhyay: ‘‘যা কখনও বলিনি, তা আমার মুখে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে’’! বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে যা যা বলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। ‘কিছু মানুষ আমার নামে বদনাম করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তা সফল হবে না।’ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলা চলছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। সেই প্রসঙ্গেই এভাবে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কলকাতা উচ্চ আদালতের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি আরও বলেছেন, ‘শুধু দুর্নীতি নয়, অনেকের সঙ্গে আমাকে লড়াই করতে হচ্ছে। তাতে আমি ভীত নই। এই লড়াইয়ের শেষ দেখে ছাড়ব। যে কথা আমি কখনও বলিনি, তা আমার মুখে বসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিছু মানুষ আমার নামে কুৎসা-অপপ্রচারও শুরু করে দিয়েছে। তাঁরা যদি ভাবেন আমি ভয় পেয়ে যাব, তাহলে মুর্খের স্বর্গে বাস করছে। কয়েকজন রক্তপিপাসু দালাল আমার পিছনে পড়েছে। তাঁরা আমার পিছনে ছুটছে। তাঁদের বিরুদ্ধেও লড়তে হবে আমাকে।’

    সুপ্রিম-রায়ে আস্থা

    প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলার সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকায় আপাতত শুনানি বন্ধ রেখেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এজলাসের মধ্যে এক বিচারপ্রার্থী জানতে চান, কবে তাঁরা বিচার পাবেন? জবাবে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। কিছুটা সময় লাগছে ঠিকই, তবে সঠিক বিচার পাবেন।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হাইকোর্ট করতে পারে কি না, মামলকারীদের আইনজীবীকে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তা জেনে আসতে বলেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    শীর্ষ আদালতের উপর পূর্ণ আস্থা রেখে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট এবং বিচারপতিদের ওপর আমার বিশ্বাস, আস্থা এবং শ্রদ্ধা আছে। সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা নিয়ে আমি কোনও বক্তব্য পেশ করিনি। যে কথা আমি বলিনি সেগুলো আমার নামে প্রচার করা হচ্ছে। আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা হচ্ছে। ভারতের আইন সভ্য আইন, কিছুটা সময় হয়তো লাগছে, কিন্তু বিচার হবে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SBI Recruitment: স্টেট ব্যাঙ্কে শূন্যপদ ১০২২, বেতন কত জানেন?

    SBI Recruitment: স্টেট ব্যাঙ্কে শূন্যপদ ১০২২, বেতন কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (No.CRPD/RS/2023-24/02) প্রকাশ করেছে। আর সেই বিজ্ঞপ্তিতেই বিপুল শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীরা নির্ধারিত ফরম্যাটে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট sbi.co.in-তে গিয়ে আবেদন করতে পারেন।

    নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে মোট ১০২২টি শূন্যপদে এই নিয়োগ করা হবে। শুরু হয়ে গিয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া। প্রার্থীরা আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারবেন।

    জেনে নেওয়া যাক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি

    গুরুত্বপূর্ণ তারিখ

    আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়েছে- ১ এপ্রিল
    আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ- ৩০ এপ্রিল

    কোন কোন পদে এই নিয়োগ করা হবে ?

    মোট ১০২২ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। চ্যানেল ম্যানেজার, চ্যানেল ম্যানেজার ফ্যাসিলিটেটর, চ্যানেল ম্যানেজার সুপারভাইজার এবং সাপোর্ট অফিসার পদে এই নিয়োগ করা হবে বলে জানা গেছে।

    বয়সসীমা কত ?

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তিনটি পদের জন্যই প্রার্থীদের ৬৩ বছরের মধ্যে বয়স হতে হবে। নির্দিষ্ট বয়সসীমার পরে আবেদন জমা দিলে তা গ্রাহ্য করা হবে না।

    কারা আবেদন করতে পারবেন ?

    স্টেট ব্যাঙ্ক অথবা যে কোনও অন্য সরকারি ব্যাঙ্ক থেকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা সংশ্লিষ্ট পদগুলিতে আবেদন জানাতে পারবেন।

    কীভাবে হবে এই নিয়োগ ?

    প্রথমে প্রাপ্ত আবেদনগুলি স্ক্রিন করার পরে প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করা হবে। সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। ১০০ নম্বরের জন্য ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে চূড়ান্ত বাছাই তালিকা তৈরি করা হবে।

    কীভাবে আবেদন করবেন ?

    নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীরা শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট sbi.co.in-তে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে। চুক্তির ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগ করবে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

     

    আরও পড়ুন: উপার্জনের টাকা হাতে থাকছে না? জানুন আর্থিক পরিকল্পনার ৬ সহজ উপায়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Donald Trump: ‘‘আমার অপরাধ এটাই যে…’’! আদালত থেকে বেরিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে তুলোধনা ট্রাম্পের

    Donald Trump: ‘‘আমার অপরাধ এটাই যে…’’! আদালত থেকে বেরিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে তুলোধনা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তার আগেই গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন মার্কিন প্রেসি়ডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump)। টাকা দিয়ে এক পর্ন তারকার মুখ বন্ধ রাখার মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা মোট ৩৪টি অভিযোগে তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে ম্যানহাটন আদালতে দাবি করেন। আদালত থেকে বেরিয়েই জনগণের উদ্দেশে ট্রাম্প চিৎকার করে বলেন, “দেশকে শত্রুদের থেকে বাঁচিয়েছি এটাই আমার অপরাধ। বরাবর অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছি, আর আজ গোটা বিশ্বই এই ঘটনা দেখে হাসছে।” ট্রাম্পের দাবি, বর্তমানে দেশ ক্রমাগত নরকের দিকে যাচ্ছে।

    আদালতে ট্রাম্পের দাবি

    মঙ্গলবারই পর্নতারকাকে ঘুষ দেওয়ার (Hush Money Case) অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump)। আমেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম কোনও প্রেসিডেন্টকে ফৌজদারি মামলায় (Criminal Charges) গ্রেফতার করা হল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মোট ৩৪টি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে আদালত কক্ষে বসে একটিও অপরাধ স্বীকার করেননি প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নিউ ইয়র্কের ম্যানহ্যাটন কোর্টরুমে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে কথা বলেন ট্রাম্প। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি তুলে ধরা হলে তিনি দৃঢ় গলায় বলেন, “নট গিল্টি” (আমি অপরাধী নই)। মামলা চলাকালীন তাঁর চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ ছিল স্পষ্ট। 

    ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Donald Trump) বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৬ সালের আগে তিনি পর্নতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার আগে তিনি নির্বাচনী তহবিল থেকে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন যাতে ওই পর্ন তারকা তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে মুখ বন্ধ রাখেন। ম্যানহ্যাটনের ডিস্ট্রিক অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্রাগসের অভিযোগ, ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারকে শক্তি জোগাতে তার আগের দুই বছর ধরে একটি প্রচার চালাচ্ছিলেন ট্রাম্প। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সমস্ত নেতিবাচক খবরকে ধামাচাপা দিয়েছেন ট্রাম্প। তথ্য লুকোতে নিজের ব্যবসার নথিতে কারচুপি করেছেন।

    আরও পড়ুন: পর্নস্টারের সঙ্গে যৌন কেচ্ছার কথা গোপন! এবার কি জেলে যেতে হবে ট্রাম্পকে?

    ছাড়া পেলেন ট্রাম্প

    মঙ্গলবার গ্রেফতারের কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য ছাড়া পেয়ে যান ট্রাম্প (Donald Trump)। শুনানির পর আদালত থেকে বেরিয়ে নিজের বোয়িং ৫৭৫ জেটে ফ্লোরিডায় ফিরে যান প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে ট্রাম্প এদিন বলেন, “জীবনে কখনও ভাবিনি আমেরিকায় এ জিনিস হবে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশটাকে নরকে নিয়ে যাচ্ছেন। যা হয়েছে তা গোটা দেশের জন্য অপমান। আমরা আমেরিকার অন্ধকারতম সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আমি এইটুকু বলতে পারি, নরকে যাচ্ছে আমাদের দেশ। গোটা বিশ্ব আমাদের উপরে হাসছে সীমান্ত খুলে দেওয়া ও আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের জন্য। ”   

    ট্রাম্পের দাবি মিথ্যা মামলা

    রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দাবি করেন, ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট দৌড়ে নাম লিখিয়েছেন তিনি। তাই তাঁর বিরোধী দলের আইনজীবী ও বিচারকরা যেন তেন প্রকারে তাঁকে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরানোর জন্য ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা ঘুষের অভিযোগ ও গ্রেফতারি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন ট্রাম্পের আইনজীবীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manik Saha: কলকাতায় আসছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, সংবর্ধনা দেবে বঙ্গ বিজেপি

    Manik Saha: কলকাতায় আসছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, সংবর্ধনা দেবে বঙ্গ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আসছেন ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির (BJP) মানিক সাহা (Manik Saha)। চলতি মাসের ৮ তারিখে আসবেন তিনি। সেদিনই রাজ্য বিজেপির তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হবে তাঁকে। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় অবসান ঘটে বাম জমানার। ক্ষমতায় আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন বিপ্লব দেব। পরে বিপ্লবকে দলের কাজে লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় মানিক সাহাকে। মানিকের নেতৃত্বেই বাম নেতা মানিক সরকার ও তিপ্রা মোথার প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মার চ্যালেঞ্জ সামলে জয় পায় বিজেপি। ফের সরকার গড়ে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন মানিক। তবে দ্বিতীয়বার বিজেপি জয় পাওয়ার পর জল্পনা ছড়ায় মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হবে প্রতিমা ভৌমিককে।

    মানিক সাহা (Manik Saha)…

    বর্তমানে প্রতিমা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিপিএমের মানিক সরকারের আগের কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। ১৯৯১ সাল থেকে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রতিমা। তবে শেষমেশ মানিককেই বসানো হয় মুখ্যমন্ত্রী পদে। মানিক (Manik Saha) পেশায় দাঁতের ডাক্তার। পাটনার সরকারি ডেন্টাল কলেজ ও লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডেন্টাল সার্জারিতে মাস্টার ডিগ্রি পেয়েছিলেন তিনি। ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজে ডেন্টাল সার্জারির প্রফেসর হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। আগরতলায় ডাঃ বিআরএএম টিচিং হাসপাতালেও শিক্ষকতা করতেন তিনি। ২০১৬ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। দলের রাজ্য সভাপতি পদেও ছিলেন বেশ কয়েকদিন। ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিও ছিলেন মানিক। এহেন মানিককে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসায় বিজেপি।

    ১৬ ফেব্রুয়ারি হয় ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন। ভোট পড়ে ৮৭.৬ শতাংশ। ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের ত্রিপুরার রাশ হাতে নেয় বিজেপি। ৩২টি আসনে জয় পায় পদ্ম শিবির। যদিও ৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভায় ম্যাজিক সংখ্যা ৩১। বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে এ রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তৃণমূল সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উঠছে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। প্রত্যাশিতভাবেই জনসমর্থন সরতে শুরু করেছে তৃণমূলের পাশ থেকে। ক্রমেই পায়ের নিচে মাটি খুঁজে পাচ্ছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এমতাবস্থায় মানিককে (Manik Saha) সংবর্ধনা দিয়ে এ রাজ্যেও তৃণমূল জমানার অবসানের শঙ্খনাদ বাজিয়ে দিতে চাইছে পদ্ম শিবির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, রাজ্যের রিপোর্ট তলব অমিত শাহের

    Amit Shah: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, রাজ্যের রিপোর্ট তলব অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায় হামলার জেরে অশান্ত বাংলা। হাওড়া, হুগলি সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হয়েছে অশান্তি। অশান্তি থামাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিজেপি (BJP)। রাজ্য পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) চিঠি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তার পরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে চেয়ে পাঠানো হয়েছে রিপোর্ট। জানা গিয়েছে, আগামী তিনদিনের মধ্যেই বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, সব কিছুই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।

    হামলার সাতকাহন…

    ৩০ মার্চ রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার অভিযোগ ওঠে হাওড়ার কাজিপাড়া এলাকায়। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। কাজিপাড়ার এই ঘটনার পরে পরেই রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি হয় হাওড়ার শিবপুরে। অশান্তি রুখতে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা হয়েছে হুগলির রিষড়াও। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে এখানেও ছোড়া হয় ইটপাটকেল। রাতের ট্রেন লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। বোমাবাজিও হয় বলে অভিযোগ।

    উত্তেজনার আঁচ লাগে কোন্নগরেও (Amit Shah)। আহতদের দেখতে যাওয়ার পথে মঙ্গলবার ডানকুনির জগন্নাথপুরে দিল্লি রোডে আটকে দেওয়া হয় সুকান্তর কনভয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্ত কথা কাটাকাটি হয় সুকান্তর। রাজ্যের এহেন অস্থির পরিস্থিতিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে দ্রুত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানায় বিজেপির বঙ্গ শাখা। দাবি জানানো হয় এনআইএ তদন্তেরও।

    আরও পড়ুুন: যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রেরণা দিচ্ছেন, অভিযোগ সুকান্তর

    এদিকে, শিবপুর ও রিষড়া থানায় ৩৫৫ ধারা প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজ্যের কাছে রিপোর্ট নয়, কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করুন রাজ্যপাল। রাষ্ট্রবাদীদের বাঁচাতে কিছু করে দেখান রাজ্যপাল, তাহলেই বোঝা যাবে। প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী, জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বর্তমান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের তুলনা টেনে শুভেন্দু বলেন, এখনও পর্যন্ত রাজ্যপালের কাছ থেকে পূর্বসুরীদের ভূমিকা দেখতে পাইনি। রাজ্যের রিপোর্ট না চেয়ে, সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেন্দ্রের পদক্ষেপ চান। শিবপুর, রিষড়া থানার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তোলার সুপারিশ করুন। তাহলেই বুঝব, শুধু বিবৃতি নয়, কিছু করে দেখাতে চাইছেন সিভি আনন্দ বোস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share