Blog

  • Karnataka: কর্নাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, ডেপুটি শিবকুমার! ঘোষণা কংগ্রেস হাইকমান্ডের

    Karnataka: কর্নাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, ডেপুটি শিবকুমার! ঘোষণা কংগ্রেস হাইকমান্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচদিন পর কাটল জট। সব জল্পনার অবসান। কর্নাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী (Karnataka Chief Minister) হিসেবে শপথ নেবেন সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah)। টানা ৫ দিন দীর্ঘ আলোচনার পর বৃহস্পতিবার সকালে একথা ঘোষণা করল কংগ্রেসের হাই কমান্ড। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ডি কে শিবকুমার (DK Shivakumar Deputy)।

    কর্নাটকে শপথগ্রহণ 

    শনিবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বেঙ্গালুরুতে (Karnataka) কংগ্রেস বিধায়ক দলের বৈঠক ডেকেছেন শিবকুমার। অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা সেই বৈঠকে অংশ নেবেন। সেই বৈঠকে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    হাতে-হাত রেখে চলার বার্তা

    বৃহস্পতিবার এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কেসি বেনুগোপাল কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলেন, “উপমুখ্যমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদেও বহাল থাকবেন শিবকুমার।’’  তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটি গণতান্ত্রিক দল, আমরা ঐক্যমত্যে বিশ্বাস করি, স্বৈরাচারে নয়।” শিবকুমার এদিন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে তাঁর এবং সিদ্দারামাইয়ার ছবি ট্যুইট করেন। তিনি লেখেন, ‘‘কর্নাটকের (Karnataka) নিরাপদ ভবিষ্যৎ এবং আমাদের জনগণের কল্যাণই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আর এর নিশ্চয়তা দিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ।’’ আগামী শনিবার নয়া সরকার শপথ নিতে পারে বলে কংগ্রেসের একটি সূত্র জানাচ্ছে। ২২৪ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় এবার ১৩৫টি জিতে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে? দু’পক্ষই রাজি ‘আড়াই-আড়াই’ ফর্মুলায়! ঘোষণা বৃহস্পতি-সন্ধ্যায়

    সিদ্দারামাইয়া এবং ডিকে শিবকুমার দুজনেই একসঙ্গে কাজ করার জন্য কথা দিয়েছেন। ‘দুজনে একসঙ্গে কাজ করে কর্নাটকের ভবিষ্যৎ এবং কর্নাটকবাসীর (Karnataka) ভবিষ্যৎ উন্নত করবেন। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’, এমনটাই ট্যুইট করেছেন ডিকে শিবকুমার। সিদ্দারামাইয়া বলেছেন, ‘আমাদের হাত সবসময়ে একসঙ্গে থাকবে কন্নড়দের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Egra Incident: এগরা বিস্ফোরণের পর পুলিশি ‘সক্রিয়তা’! রাজ্যে উদ্ধার ২৫০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি 

    Egra Incident: এগরা বিস্ফোরণের পর পুলিশি ‘সক্রিয়তা’! রাজ্যে উদ্ধার ২৫০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় বোমা উদ্ধার বাংলায় নতুন কিছু নয়। বিরোধী মহলের কটাক্ষ, সন্ত্রাস করতেই শাসক দলের মদতে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠে বোমা তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এগুলো যে বাড়বে তাও দাবি করেছে বিরোধীরা। এগরায় (Egra Incident) বোমা বিস্ফোরণে পরে নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসনও। উদ্ধার হয়েছে ২৫০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি। মুখ্যমন্ত্রীও ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন যে এনআইএ তদন্ততে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। অভিজ্ঞ মহলের প্রশ্ন, ‘‘বাংলা কি ক্রমশ মুঙ্গেরের পথেই হাঁটছে?’’ সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে একের পর এক অস্ত্রকারখানা গজিয়ে উঠেছে রাজ্যে।

    সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র কারখানার হদিশ কোথায় কোথায় মিলেছে?

    চলতি বছরের মার্চ মাসেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং-এ অস্ত্র কারখানার হদিশ মিলেছিল, সেখানে অস্ত্রের কারবার চালানোর অভিযোগে ৮০ বছরের এক বৃদ্ধকে গ্রেফতারও করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ। তার কয়েক মাস আগে ওই জেলার কুলতলিতে অস্ত্র কারখানার সন্ধান মেলে। সুন্দরবনের মাটির দেওয়াল এবং টিনের ছাউনির একটি বাড়ি থেকে প্রচুর অস্ত্রসহ কারখানার মালিক মহিউদ্দিন সরকারকে গ্রেফতার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। ওই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলারই বারুইপুরের জীবনতলাতে অস্ত্র কারখানা চালানোর অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে। মালদায় সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেপ্তার করা হয় একজন ব্যক্তিকে, নিজের লিচু বাগানের আড়ালে  অস্ত্র কারখানা চালানোর অভিযোগ ছিল ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। হাওড়ার জেলার টিকিয়াপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকাতেও বড়সড় রকমের নিয়ে অস্ত্র কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। মালদার কালিয়াচকে, পুকুরের মধ্যে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা কিংবা হাড়োয়ায় খড়ের বস্তায় কারবাইন লুকিয়ে তা পাচার করা এসব ঘটনা গত এক বছরের মধ্যেই রাজ্যে ঘটেছে।

    বাজি কারখানাগুলোতে তল্লাশি চলছে জোর কদমে

    বারাসাতে ইতিমধ্যে আড়াইশো কেজির অবৈধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ‌। জানা যাচ্ছে জেলায় জেলায় চলছে এই তল্লাশি অভিযান। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারাসত ব্যারাকপুর রোড সংলগ্ন আরিফবাড়ি ও টালিখোলা এলাকায় বাজি কারখানায় হানা দেয়। সেখান থেকে ২৫০ কেজি অবৈধ বাজি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ আসার খবর পেয়েই পালিয়ে যায় মালিক। জানা গেছে, শুধু বারাসত নয়, দত্তপুকুর এলাকাজুড়েও বুধবার চলেছে তল্লাশি। একইভাবে তল্লাশির চিত্র দেখা গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে। মঙ্গলবারই হাবরা এলাকায় চলে তল্লাশি। সেখানেও পুলিশ উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বাজি। তারপরেই বুধবার বিকেলে বারাসত দত্তপুকুর এলাকায় শুরু হয় তল্লাশি। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমানে চলছে এই অভিযান। শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয় বাজি উদ্ধারে পুলিশি সক্রিয়তা নজরে পড়েছে উত্তরবঙ্গেও। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে বাজিকারখানার মালিকদের তালিকা তৈরি করে অভিযানে নামে পুলিশ। তল্লাশি চালানো হয় একাধিক গোডাউনে। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপিও। তাদের দাবি, যদি প্রথম থেকেই এভাবে উদ্ধারের কাজে নামত পুলিশ তাহলে হয়ত এতগুলো প্রাণ এক রাতে যেত না।

    কী বলছেন প্রাক্তন আমলা?

    রাজ্যের এক প্রাক্তন আমলা বলছেন, ‘‘একটা সময়ে বেআইনি অস্ত্রের জন্য বিহারের নাম ছিল এখন বাংলাতেও মুঙ্গের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলা মুঙ্গের হয়ে গেছে কিনা বলা না গেলেও পরিস্থিতি যথেষ্ট খারাপ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amazon: বিমান দুর্ঘটনার ২ সপ্তাহ পর! আমাজনের জঙ্গল থেকে জীবিত উদ্ধার চার শিশু

    Amazon: বিমান দুর্ঘটনার ২ সপ্তাহ পর! আমাজনের জঙ্গল থেকে জীবিত উদ্ধার চার শিশু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই ঘটনা কোনও চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। কথায় বলে, ‘রাখে হরি তো মারে কে!’ এই ঘটনা তারই নমুনা। আমাজনে প্লেন ভেঙে (Plane Crash) পড়ার দু সপ্তাহ পর চার শিশুকে জীবন্ত উদ্ধার করা হল। কলম্বিয়ায় আমাজনের (Amazon) ঘন জঙ্গল থেকে তাদের বার করে আনা হয়৷ এই ঘটনায় কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো জানিয়েছেন এ হল সারা দেশের কাছে এক আনন্দ মুহূর্ত৷ সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনা শেয়ার করেছেন প্রেসিডেন্ট পেত্রো (Gustavo Petro) ৷ তিনি জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর চিরুনি তল্লাশির পর বন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে শিশুদের৷

    আমাজন থেকে উদ্ধার

    গত ১ মে কলম্বিয়ার আমাজনে (Amazon) ভেঙে পড়ে একটি চার্টার্ড বিমান। তাতে পাইলট-সহ তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না ১১ মাস থেকে ১৩ বছরের চারটি শিশুর। তাদের খুঁজতে ১০০ সেনাকর্মী এবং গোয়েন্দা কুকুর নামানো হয়। তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর চারটি শিশুর খোঁজ মিলেছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো। যদিও এ নিয়ে সংশয় দানা বেঁধেছে। কারণ, কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক দাবি করেছে, শিশু উদ্ধারের কোনও খবর তাদের জানা নেই। ফলে প্রেসিডেন্ট যা বললেন, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘বাংলা সরকার অসহিষ্ণু’’! ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র উপর নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    আমাজন জঙ্গলে অনুসন্ধান

    উদ্ধারকারীদের বিশ্বাস ছিল, দুর্ঘটনার পর আমাজন (Amazon) জঙ্গলের দক্ষিণে ক্যাকেটা অঞ্চল দিয়ে হাঁটতে থাকে শিশুরা৷ তাদের কোলেই ছিল ১১ মাসের শিশু৷ বুধবার তাদের তৈরি ডালপালার অস্থায়ী আস্তানা ধরা পড়ে সন্ধানকারীদের চোখে৷ তাছাড়া জঙ্গলের গাছপালার ডালে এবং অন্যত্র উদ্ধার হয় কাঁচি এবং চুলের ফিতে৷ তখনই সেনাবাহিনী নিশ্চিত হয় ঘন জঙ্গলেই আছে মানুষের উপস্থিতি৷ সন্ধানপর্বে খুঁজে পাওয়া যায় বাচ্চাদের বোতল এবং আধখাওয়া ফলও৷ সেই সূত্র ধরেই শিশুদের উদ্ধার করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: অভিষেক-কুন্তলকে কেন ৫০ লক্ষ টাকার জরিমানা করল হাইকোর্ট? এই হল আসল কারণ

    Calcutta High Court: অভিষেক-কুন্তলকে কেন ৫০ লক্ষ টাকার জরিমানা করল হাইকোর্ট? এই হল আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় জুড়ে গিয়েছে তৃণমূল (TMC) নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে অভিষেক এবং প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের মোট ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। দুজনকেই দিতে হবে ২৫ লক্ষ করে টাকা। অভিষেকদের ওই টাকা জমা দিতে হবে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে।

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জরিমানা কেন?

    প্রশ্ন হল, কী কারণে জরিমানা গুণতে হবে অভিষেক এবং কুন্তলকে? কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্যই গুণাগার দিতে হবে অভিষেক ও কুন্তলকে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়ে বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশ পুনর্বিবেচনা বা প্রত্যাহারের যে আবেদন অভিষেক করেছিলেন, তার কোনও সারপত্তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই জরিমানা। 

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। পরে তিনি দাবি করেন, তদন্তকারীরা তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেকের নাম বলানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতের পাশাপাশি হেস্টিংস থানায়ও চিঠি দিয়েছিলেন কুন্তল। ওই চিঠি প্রসঙ্গে বিচারপতি (Calcutta High Court) অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি কিংবা সিবিআই প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করতে পারে। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। পরে অন্য একটি ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এ সংক্রান্ত মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় বিচারপতি সিনহার বেঞ্চে। বিচারপতি সিনহাও জানিয়ে দেন, ইডি-সিবিআই চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেককে।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেকের! জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই-ইডি, সঙ্গে বিপুল জরিমানা

    মামলার সারবত্তা না থাকলে জরিমানা করা হয় আদালতে। জরিমানা দিতে হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। নন্দীগ্রাম বিধানসভার রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা। মামলাটি উঠেছিল বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে। মুখ্যমন্ত্রী এজলাস বদলের আর্জি জানান। তাঁর সেই অনুরোধ রাখেন বিচারপতি চন্দ। তবে এজলাসে আস্থা না রাখার জন্য ৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়।

    সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন অভিষেক?

    এদিকে, কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের (Calcutta High Court) প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন অভিষেক। এদিন বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দেন, কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় তৃণমূল নেতা অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি এবং সিবিআই। তার প্রেক্ষিতেই দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন অভিষেক। বর্তমানে দলীয় কর্মসূচি উপলক্ষে আসানসোলে রয়েছেন অভিষেক। সেখান থেকেই কথা বলেন আইনজীবীদের সঙ্গে। ঠিক হয়, রায়ের প্রতিলিপি হাতে পাওয়ার পর তা খতিয়ে দেখা হবে। তার পরেই আবেদন জানানো হবে সুপ্রিম কোর্টে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Kali Mandir: বাংলাদেশে ফের কালী মন্দিরে আগুন, পুড়ে ছাই প্রতিমা, দুষ্কৃতীরা অধরা

    Kali Mandir: বাংলাদেশে ফের কালী মন্দিরে আগুন, পুড়ে ছাই প্রতিমা, দুষ্কৃতীরা অধরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুষ্কৃতীদের রোষের আগুন হিন্দু (Hindu) মন্দিরে (Kali Mandir)। পুড়ে ছাই কালীপ্রতিমা। ঘটনাস্থল এবারও সেই বাংলাদেশ (Bangladesh)। নওগাঁর ঘটনায় চাঞ্চল্য। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন চলছেই। যার জেরে দেশটিতে ক্রমেই কমছে হিন্দুদের সংখ্যা। নওগাঁ এলাকার বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা দেখেন রাতের অন্ধকারে কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে মন্দিরে। মন্দিরের গর্ভগৃহে থাকা প্রতিমাও পুড়ে ছাই। এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কোনও কট্টরপন্থী মুসলিম সংগঠন।

    কালী মন্দিরে (Kali Mandir) আগুন দুষ্কৃতীদের

    নওদার সরকারপাড়ার ন’হাটা মোড়ে রয়েছে ওই কালী মন্দির। এলাকাটি মহাদেবপুর থানার অধীন। মন্দিরে আগুন লাগানোর ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত যান পুলিশ আধিকারিকরা। শুরু হয়েছে তদন্ত। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন স্থানীয়রা। দিন দশেক আগেও একবার হিন্দু মন্দিরে (Kali Mandir) ভাঙচুর চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। রংপুরের মিঠাপুকুর এলাকার ওই মন্দিরে ছিল মা কালী, শীতলা এবং মহাদেবের মূর্তি। ওই ঘটনায় জনৈক আমিনুর রহমানের স্ত্রী কোহিনুর বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মিঠাপুকুর থানার ওসি মুস্তাফিজুর রহমানের দাবি, ঘটনার কথা কবুল করেছেন কোহিনুর বেগম। 

    আগেও কালী মন্দিরে ভাঙচুর হয়েছে

    গত বছর কালীপুজোর দিনও দিনাজপুরের একটি কালী মন্দিরে ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। এর ঠিক আগের দিনই সিরাজগঞ্জ জেলার কালাচাঁদ মন্দিরে হামলা চালায় মৌলবাদীরা। মন্দিরে থাকা সরস্বতীর প্রতিমা ভেঙে দেওয়া হয়। কালী মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল রাশেদ, বেলাল, রকি এবং তুষারকে। ঘটনার প্রতিবাদে দিনাজপুর-রংপুর সড়ক অবরোধ করে দেশের বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন।

    গত বছর অক্টোবরেও ব্রিটিশ আমলের একটি কালী মন্দিরেও (Kali Mandir) হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। মন্দিরটি পশ্চিম বাংলাদেশের ঝিনাইদহ এলাকায়। সেখানে প্রতিমার মাথা ভেঙে রাস্তার ধারে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালে দুর্গোৎসবের সময় বাংলাদেশেরই কুমিল্লায় একটি পুজো মণ্ডপে হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। প্যান্ডেল ভাঙচুরের পাশাপাশি ভাঙা হয় প্রতিমা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় মণ্ডপে। ঘটনার জেরে ফিকে হয়ে গিয়েছিল উৎসবের আমেজ। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষতক বিজিবি মোতায়েন করতে হয় হাসিনা সরকারকে।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেকের! জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই-ইডি, সঙ্গে বিপুল জরিমানা

    চলতি বছরের মার্চ মাসেও বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের একটি মন্দিরে (Kali Mandir) হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ভেঙে দেওয়া হয় মন্দিরে থাকা কালী প্রতিমার মূর্তি। শবেবরাতের রাতে মৌলবাদীরা ওই কাণ্ড ঘটিয়েছিল বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Piyali Basak: পিয়ালির মাকালু শৃঙ্গ জয়ে উচ্ছ্বাস চন্দননগরে, অভিনন্দনে ভাসছে পরিবার

    Piyali Basak: পিয়ালির মাকালু শৃঙ্গ জয়ে উচ্ছ্বাস চন্দননগরে, অভিনন্দনে ভাসছে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার হুগলি জেলার মুখ উজ্জ্বল করলেন বিশিষ্ট পর্বতারোহী পিয়ালি বসাক (Piyali Basak)। চন্দননগরের এই পাহাড়ি কন্যা পিয়ালি বসাকের মাথায় উঠল আরেকটি মুকুট। বুধবার সকালে তিনি বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম শৃঙ্গ মাকালু জয় করলেন। নেপালের সংস্থা পাইওনিয়ার অ্যাডভেঞ্চার সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, মাকালুকে বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং পর্বত আরোহণ বলে মনে করা হয়। এই নিয়ে ৬ টি আটহাজারী শৃঙ্গ জয় করলেন পিয়ালি। এর আগে এভারেস্ট, লোৎসে, মানাসুলু, ধৌলাগিরি এবং অন্নপূর্ণা জয় করেছেন তিনি। এর আগেও একবার মাকালু অভিযানে যেতে গিয়ে অসুস্থ বাবার জন্য তা স্থগিত রেখে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন পিয়ালি।

    রওনা হয়েছিলেন ৯ মার্চ

    এবারে গত ৯ মার্চ অন্নপূর্ণা এবং মাকালু শৃঙ্গ জয় করার লক্ষ্যে চন্দননগরের বাড়ি থেকে রওনা হন পিয়ালি (Piyali Basak)। ১৭ এপ্রিল বিশ্বের দশম উচ্চতম শৃঙ্গ অন্নপূর্ণা জয় করেছিলেন। নেপালের সংস্থা পাইওনিয়ার অ্যাডভেঞ্চার সূত্রে জানা যায়, এই মাকালু শৃঙ্গ জয় মোটেই সহজ ব্যাপার নয়। এই পর্বতের চার ধারালো জায়গা উলম্বভাবে প্রায় ২৭৭৬৫ ফুট শিখরের দিকে দাঁড়িয়ে, যা অভিজ্ঞ পর্বতারোহী ছাড়া আরোহণ করা অসম্ভব। বিশ্বের পঞ্চম সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এই মাকালু পর্বতচূড়ায় উঠতে পর্বতারোহীদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দক্ষতা, দৃঢ়তা ও অধ্যাবশায়ের প্রয়োজন হয় বলে জানা গেছে।

    খবর মিলতেই বাড়িতে ভিড়

    এদিন এই খবর পাওয়ার পর চন্দননগর পুরনিগমের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁটাপুকুরে পুরনো জীর্ণ দোতলা বাড়িটায় ভিড় লেগে যায়। পিয়ালির (Piyali Basak) বাড়ি এটাই। পাড়াপড়শি থেকে বিভিন্ন মাধ্যম ভিড় করে অভিনন্দন জানিয়ে যায় পিয়ালির পরিবারকে। চন্দননগরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বছর বত্রিশের পিয়ালির ছোট থেকেই উৎসাহ পাহাড় নিয়ে। বাবা তপন বসাক বর্তমানে অসুস্থ। কোনও কিছুই মনে করতে পারেন না। তবে একসময় দুই মেয়েকে প্রচুর উৎসাহ দিয়েছেন। তাদের ছোটবেলায় পাহাড়ে পাহাড়ে বেড়াতে নিয়ে গেছেন। সেখান থেকেই শুরু। কথা হচ্ছিল এদিন পিয়ালির মা স্বপ্না বসাকের সঙ্গে। বলেন, খুব গর্বিত হয়েছি খবরটা শুনে। এমনিতেই খুব উৎকণ্ঠায় ছিলাম। কারণ, শুনেছি ওই শৃঙ্গজয় মোটেই সহজ নয়। আমি তৃপ্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • National Education Policy: রাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হল মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি!

    National Education Policy: রাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হল মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy) নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে সেই পথে হেঁটে চার বছরের স্নাতক কোর্স চালু করল কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্সের মতো বিশ্ববিদ্যালয়। সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটিও জানিয়ে দিয়েছে তাদের এই ঘোষণার কথা। দেশের অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদদের রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরি এই জাতীয় শিক্ষানীতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে গ্রহণ করেনি উপরন্তু এই নীতির বিরোধিতাও শোনা গেছে শাসকদলের বেশ কিছু কর্তা ব্যক্তির মুখে। শিক্ষা মহলের একাংশ বলছে, ‘‘শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।’’ যাদবপুর কলকাতা, প্রেসিডেন্সি বা রবীন্দ্রভারতীর মতো রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এখনও পর্যন্ত কিছু জানায়নি। যদিও সূত্রের খবর, শিক্ষা দফতরের কর্তারা জানাচ্ছেন, উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল এখনও বের হয়নি তাই হাতে খানিকটা সময় আছে। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেই পথে না হেঁটে গ্রহণ করে নিল জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy)। ইতিমধ্যে তারা বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ২৫ বৈশাখ কবিগুরুর স্মরণে কলকাতায় পা রেখেছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সে দিনই তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই জাতীয় শিক্ষানীতি তৈরি করেছেন।’’ জাতীয় শিক্ষানীতিকে ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছে বেশ কিছু রাজ্য তার মধ্যে এমন অনেক রাজ্য রয়েছে যেগুলিতে বিজেপি সরকার নেই।

    রাজ্যে ইতিমধ্যে জমা পড়েছে কমিটি রিপোর্ট

    ইতিমধ্যে, উচ্চশিক্ষা দফতর একটি নির্দেশিকা জারি করেছে, যেখানে বলা হয় যে চলতি বছরেই চালু করতে হবে চার বছরের অনার্স কোর্স। এই নির্দেশিকার পরেই রাজ্য উচ্চ শিক্ষার সংসদ, উপাচার্যদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করে এবং সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মতামত চেয়ে পাঠায়। সূত্রের খবর তাতে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ই মত দিয়েছে যে জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy) যেহেতু বেশিরভাগ রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে, তাই চলতি বছরেই এ রাজ্যেও শুরু করা হোক। ইতিমধ্যে সেই রিপোর্ট নাকি উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে জমাও পড়ে গিয়েছে কিন্তু তা কার্যকর হচ্ছে কিনা বা কবে থেকে হবে, এবিষয়ে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। আইএসসি, সিবিএসই-র পরীক্ষার ফল ইতিমধ্যে ঘোষণা হয়েছে তাই ইংরেজি মাধ্যম বিশ্ববিদ্যালয়গুলি জাতীয় শিক্ষানীতিকে গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে যতক্ষণ না উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফ থেকে কিছু জানানো হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কিছু বলা যাবেনা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশ হলেই সমস্ত কিছু পরিষ্কার হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেকের! জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই-ইডি, সঙ্গে বিপুল জরিমানা

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেকের! জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই-ইডি, সঙ্গে বিপুল জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু চেষ্টা করেও ইডি-সিবিআইয়ের নাগাল এড়াতে পারলেন না তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)! কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার নির্দেশ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি-সিবিআই। বস্তত, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পূর্ববর্তী নির্দেশই বহাল রইল বিচারপতি সিন্‌হার এজলাসে। যার জেরে খারিজ হয়ে গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের আবেদন। একই সঙ্গে দুজনকে অবিলম্বে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই এবার আর অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও বাধা রইল না ইডি-সিবিআইয়ের।

    বিচারপতি (Calcutta High Court) অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ কী?

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। পরে তিনি দাবি করেন, তদন্তকারীরা তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেকের নাম বলানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতের পাশাপাশি হেস্টিংস থানায়ও চিঠি দিয়েছিলেন কুন্তল। ওই চিঠি প্রসঙ্গে বিচারপতি (Calcutta High Court) অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি কিংবা সিবিআই প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করতে পারে। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেখান থেকে আবার হাইকোর্টে ফেরে মামলাটি। পরে অন্য একটি ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এ সংক্রান্ত মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় বিচারপতি সিন্‌হার বেঞ্চে। বিচারপতি সিন্‌হাও জানিয়ে দেন, ইডি-সিবিআই চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেককে।

    অভিষেককে কেন রক্ষাকবচ দেয়নি আদালত?

    গত শুক্রবারও কুন্তলের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) রক্ষাকবচ দেয়নি অভিষেককে। অবশ্য ওই দিন শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী হাইকোর্টের পুরানো নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানান। অভিষেককে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়। এই সময়ের মধ্যে ইডি কিংবা সিবিআই যাতে চরম পদক্ষেপ নিতে না পারে, সেই আবেদনও করেছিলেন অভিষেকের আইনজীবী। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি সিন্‌হা বলেন, আদালতের দরজা ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। প্রয়োজন মনে করলে যখন খুশি আসবেন। কিন্তু কোনও রক্ষাকবচ নয়। বিচারপতি সিন্‌হার নির্দেশ, কুন্তল ও অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি-সিবিআই। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরএসএস দ্বেষ নয়, দেশপ্রেম শেখায়’’, মত সুনীল আম্বেকরের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cabinet Reshuffle: মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল, কিরেন রিজিজুর জায়গায় নতুন আইনমন্ত্রী হলেন কে?

    Cabinet Reshuffle: মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল, কিরেন রিজিজুর জায়গায় নতুন আইনমন্ত্রী হলেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় বদল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় (Cabinet Reshuffle)। মন্ত্রক বদল হল আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজুর। তাঁর (Kiren Rijiju) জায়গায় নতুন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অর্জুন রাম মেঘওয়াল (Arjun Ram Meghwal)। কিরেন রিজিজুকে পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের (Earth Science Ministry) দায়িত্ব।

    প্রোফাইলে বায়ো বদলালেন রিজিজু

    রিজিজু ৮ জুলাই, ২০২১ সালে আইন ও বিচারমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এর আগে, তিনি ২০১৯ সালের মে মাস থেকে ২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্ব) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে নির্দেশিকা প্রকাশ করে রদ বদলের (Cabinet Reshuffle) কথা জানানো হয়।  

    আরও পড়ুন: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে? দু’পক্ষই রাজি ‘আড়াই-আড়াই’ ফর্মুলায়! ঘোষণা বৃহস্পতি-সন্ধ্যায়

    কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শ অনুসারে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বদলের (Cabinet Reshuffle) ঘোষণা করছেন। আগে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী ছিলেন কিরেন রিজিজু। সেই জায়গায় এবার নতুন আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অর্জুন রাম মেঘওয়াল। কেন্দ্রের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই দেখা যায়, কিরেন রিজিজু তাঁর ট্যুইটারের প্রোফাইলে বায়ো বদলে ফেলেছেন।

    কে অর্জুন রাম মেঘওয়াল?

    অর্জুন রাম মেঘওয়াল আগে সংসদীয় বিষয়ক ও সংস্কৃতি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর পাশাপাশি তিনি এই মন্ত্রকগুলির দায়িত্বও পালন করবেন (Cabinet Reshuffle)। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই প্রথমবার কোনও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর হাতে আইন মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হল। অর্জুন রাম মেঘওয়াল রাজস্থানের বিকানের থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি বিজেপির অন্যতম বড় দলিত মুখ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘‘আরএসএস দ্বেষ নয়, দেশপ্রেম শেখায়’’, মত সুনীল আম্বেকরের

    RSS: ‘‘আরএসএস দ্বেষ নয়, দেশপ্রেম শেখায়’’, মত সুনীল আম্বেকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সঙ্ঘ দ্বেষ নয়, দেশপ্রেম শেখায়।’’ মঙ্গলবার দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর এমনই মন্তব্য করলেন একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় কলা কেন্দ্রে এদিন উদ্বোধন হয় ‘হামারা জীবন, হামারি ইয়াদেঁ’ নামের বই। জানা গেছে, সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের চার কার্যকর্তার জীবন সংগ্রাম এবং সমাজ তথা দেশের কাজে তাঁদের অবদান নিয়েই বইটি লেখা হয়েছে। বিশিষ্ট লেখক রামানন্দের সম্পাদনায় বইতে রয়েছে জনজাতি কার্যকর্তা আশা লকড়া, স্বর্গীয় অনিকেত, কলীরাম এবং ধনরাজের কথা। দেশ তথা সমাজের কাজে নিজেদের সম্পূর্ণভাবে সমর্পণ করে কীভাবে লোকজনের মধ্যে এঁরা প্রেরণার স্রোত হয়ে উঠেছিলেন, তাই-ই এই বইয়ের মূল বিষয় বলে জানা গেছে।

    কী বললেন সুনীল আম্বেকর?

    নিজের ভাষণে সুনীল আম্বেকর বলেন, ‘‘বিদ্যার্থী পরিষদ বা সঙ্ঘের আদর্শ ব্যক্তির মধ্যে দ্বেষ নয়, দেশপ্রেমকে ভরে দেয়।’’ সঙ্ঘ (RSS) বা বিদ্যার্থী পরিষদের কাজের প্রসার উল্লেখ করে শ্রী আম্বেকর আরও বলেন, ‘‘শুধুমাত্র নিজেদের ব্যবস্থাতেই সঙ্ঘ বা বিদ্যার্থী পরিষদ, তাদের কার্যকর্তাদের আটকে রাখেনা। সমাজ তথা দেশের কাজেও তাঁদের প্রেরণা দেওয়া হয়। সঙ্ঘ বা বিদ্যার্থী পরিষদের এই ব্যবস্থা কার্যকর্তাদের এতটাই মজবুত করে যে তাঁরা যেকোনও সংকট মোকাবিলায় সর্বদাই প্রস্তুত থাকেন।’’

    কারা হাজির ছিলেন এই অনুষ্ঠানে?

    সঙ্ঘের (RSS) প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মোদি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব, তফশিলি উপজাতি কমিশনের চেয়ারম্যান হর্ষ চৌহ্বান সমেত অন্যান্যরা। তফশিলি উপজাতি কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘এই বই শুধুমাত্র কার্যকর্তা নির্মাণ করবে তাই নয়, বরং সাধারণ মানুষ কীভাবে অসাধারণ কাজ সম্পন্ন করেন, তার দলিলও বটে।’’ অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বলেন, ‘‘শুধু ভাষণ দিয়ে সামাজিক সদ্ভাব তৈরি করা যায় না, এটা আসে সমস্ত ধরণের মানুষকে হৃদয়ে জায়গা দেওয়ার মাধ্যমে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share