Blog

  • Vande Bharat Express: বৃহস্পতিবার চালু হচ্ছে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস! ভাড়া কত? জেনে নিন সময়সূচি

    Vande Bharat Express: বৃহস্পতিবার চালু হচ্ছে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস! ভাড়া কত? জেনে নিন সময়সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরী বাঙালির অতি প্রিয়। বহু বাঙালি পরিবার বছরে অন্তত একবার পুরী যাত্রা করেন। জগন্নাথ ধামের আকর্ষণে বাঙালি ছোটে বারবার। হাওড়া থেকে পুরী এবার আরও কম সময়ে যাওয়া যাবে। ১৮ মে, বৃহস্পতিবার থেকেই চালু হচ্ছে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। ওই দিন পুরী থেকে যাত্রা শুরু করবে এই ট্রেন। ২০ মে, শনিবার থেকে নিয়মিত চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। হাওড়া থেকে পুরী ৫০২ কিমি পথ অতিক্রম করতে সময় লাগবে সাড়ে ৬ ঘণ্টা। 

    ট্রেনের খুঁটিনাটি

    ভারতীয় রেল জানিয়েছে, হাওড়া থেকে সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ছাড়বে ২২৮৯৫ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। পুরী পৌঁছবে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে। পুরী থেকে ওই দিন দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে ছাড়বে বন্দে ভারত। হাওড়া পৌছবে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে। ১৬ কামরার এই ট্রেন হাওড়া থেকে পুরী যাওয়ার পথে থামবে খড়্গপুর, বালেশ্বর, ভদ্রক, জাজপুর, কেওনঝড়, কটক, ভুবনেশ্বর, খুরদা রোড স্টেশনে। বুধবার থেকে এই ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। শুধু বৃহস্পতিবার চলবে না এই ট্রেন। যদিও উদ্বোধনের পরেই রেলের তরফে অফিসিয়ালি বিষয়টি স্পষ্ট করা হবে। আইআরসিটিসি-র অ্যাপে এখনও ভাড়া নিয়ে কোনও আপডেট দেওয়া হয়নি। জল্পনা এই বন্দে ভারতের ভাড়াও হতে চলেছে হাওড়া-এনজেপি বন্দে ভারতের মতোই। যতদূর জানা গেছে, ভাড়া হবে এইরকম-চেয়ার কার ১২৬৫ টাকা, এগজিকিউটিভ ২৪২০ টাকা। এই ট্রেনে ৯২৬টি চেয়ার কার আসন এবং ৮৬টি এগজিকিউটিভ আসন থাকবে।

    আরও পড়ুন: ‘ওয়াই’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটেগরি! সৌরভের নিরাপত্তা বাড়াল নবান্ন, কেন?

    রেল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটির উদ্বোধন করবেন। এটি ওড়িশা রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত (Vande Bharat Express) হতে চলেছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য এটি হতে চলেছে দ্বিতীয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। ওড়িশার পাশাপাশি কলকাতার রেলপ্রেমীদের কাছেও এটি যে অন্যতম সেরা আকর্ষণ হতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব থাকছে হাওড়ার উপরেই। ইতিমধ্যেই রেলের তরফে হাওড়া-পুরী রুটে বন্দে ভারতের ট্রায়াল রান হয়ে গিয়েছে। ট্রায়াল রানের দিন হাওড়া স্টেশনের নিউ কমপ্লেক্স থেকে ট্রেনটি ছেড়েছিল পুরীর উদ্দেশে। এবার পুরী থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল যুবনেতা

    TMC: পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল যুবনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে (নির্বাহী সহায়ক) মারধরের অভিযোগ উঠল প্রধানের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোণা-২ নম্বর ব্লকের বান্দিপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতে। সুবিচারের আশায় মঙ্গলবার নির্বাহী সহায়করা একত্রিত হয়ে নিরাপত্তার দাবিতে বিডিও র দ্বারস্থ হয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে বেশ কয়েকজনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    গ্রাম পঞ্চায়েতে বেশ কয়েকদিন ধরেই কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটা ঝামেলা চলছিল। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ১৩ মে টাকা জমা নেওয়ার শেষদিন ছিল। আর সেই দিন প্রধান গ্রাম পঞ্চায়েতে উপস্থিত ছিলেন না। তাই বিডিওর নির্দেশেই টাকা জমা নিতে গিয়েছিলেন এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট জিয়ারুল রহমান। এতেই প্রধানের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এই নিয়ে ১৫ মে গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে প্রধান অনুগামীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন জিয়ারুলসাহেব। এমনকী সেই ঘটনার কথা জানতে পেরে বিডিওর উদ্যোগে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে পুলিশ পর্যন্ত পাঠাতে হয়। সেই রাগেই জিয়ারুলসাহেব বাড়ি ফেরার সময় বান্দিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কদমতলা গ্রামে তাঁকে একা পেয়ে প্রধান অনুগামী তথা ব্লক তৃণমূলের (TMC) যুবনেতা তাপস দোলই তাঁর ওপর চড়াও হয়। প্রকাশ্যেই তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও অভিযুক্ত ব্লক তৃণমূলের (TMC) যুবনেতা তাপস দোলই হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেন। অন্যদিকে, বিডিওর নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তৃণমূলীদের এই হামলার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তার দাবিতে জিয়ারুলের পাশে দাঁড়ান ব্লকের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়কেরা। মঙ্গলবার বিকেলে বিডিওর কাছে গিয়ে সকলেই স্মারকলিপি জমা দেন।

    কী বললেন আক্রান্ত পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ক?

    নির্বাহী সহায়ক জিয়ারুল রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই আমি কাজ করেছি। সেটা হামলাকারীদের পছন্দ হয়নি। তাই কাজ শেষে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে আমাকে মারধর করেছে ওরা। তৃণমূল (TMC) নেতা তাপস দোলুইয়ের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। আমরা বিডিও-র কাছে সমস্ত বিষয়টি লিখিতভাবে জমা দিয়েছি।

    কী বললেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং পঞ্চায়েত প্রধান?

    চন্দ্রকোণা-২ পঞ্চাশ সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ বলেন, হামলা চালানোর ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। প্রধানই চরম দুর্নীতিগ্রস্ত। হামলার বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এই বিষয়ে বান্দিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নমিতা কোটাল বলেন, নির্বাহী সহায়ক বিডিও-র নির্দেশে টেন্ডার প্রক্রিয়া জমা নিয়ে ভুল করেছে। তবে, মারধরের ঘটনা নিয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিডিও?

    চন্দ্রকোণা- ২ নম্বর ব্লকের বিডিও অমিত ঘোষ বলেন, টেন্ডারের টাকা জমা দেওয়া নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। আমি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এদিন নির্বাহী সহায়করা ডেপুটেশন দিয়েছেন। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর জি২০ (G20) বৈঠকের আয়োজক দেশ ভারত। গত সেপ্টেম্বরে এই দায়িত্ব পাওয়ার পরে পরেই ভারতের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, দেশের নানা প্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে জি২০-র বৈঠক হবে জম্মু-কাশ্মীরেও। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) যে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই গোটা দেশের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরেও আয়োজন করা হয়েছে জি২০ বৈঠকের। চিন এবং পাকিস্তানের পর এবার এনিয়ে সমালোচনা করলেন রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিভাগের বিশেষ প্রতিবেদক কানাডার ফার্নান্ড ডি ভারেনেস। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ভারত সরকার যা করে চলেছে, তা আন্তর্জাতিক অনুমোদনের জন্যই সেখানে জি২০ বৈঠক করতে চাইছে।

    জি২০ (G20) নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য…

    কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ওই বিশেষ প্রতিবেদক। তার পরেই জেনেভার ভারতীয় মিশনের তরফে তাঁর ওই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন। ২২-২৪ মে শ্রীনগরে হওয়ার কথা জি২০-র (G20) পর্যটন সংক্রান্ত কার্যকরী গোষ্ঠীর বৈঠক। তার প্রস্তুতিও শেষের পথে। বৈঠক চলাকালীন ভূস্বর্গে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে বা নিরাপত্তা লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় চলছে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযান। ২৭০ কিলোমিটার ব্যাপী জম্মু-কাশ্মীরের জাতীয় সড়কে নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখেছে সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    জম্মুর সেনার হোয়াইট নাইট কর্পসের তরফে এক ট্যুইট-বার্তায় জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি যৌথভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে। জি২০ বৈঠকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, “সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। শ্রীনগর ও গুলমার্গের চারপাশে বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কারণ প্রতিনিধিরা এই জায়গাগুলি (G20) দিয়েই যাবেন।“ যৌথবাহিনীর পাশাপাশি তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ-ও। জাতীয় তদন্তকারী এই সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে কাশ্মীর উপত্যকায় যেসব সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠন ও তাদের শাখা সংগঠন রয়েছে, তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।“ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মার্চে কাশ্মীরে হয়েছিল আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন। তাতে অংশ নিয়েছিলেন বিশ্বের ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sourav Ganguly: ‘ওয়াই’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটেগরি! সৌরভের নিরাপত্তা বাড়াল নবান্ন, কেন?

    Sourav Ganguly: ‘ওয়াই’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটেগরি! সৌরভের নিরাপত্তা বাড়াল নবান্ন, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা প্রাক্তন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) নিরাপত্তা (Sourav Ganguly Security) আরও বাড়ানো হল। আগে ‘ওয়াই’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন তিনি। এখন থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দেওয়া হবে তাঁকে। 

    সবসময় নিরাপত্তা

    ব্যক্তিগত কারণে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে সৌরভের (Sourav Ganguly) ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে। রাজ্য সরকারের থেকেই ‘জেড’ ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দেওয়া হবে সৌরভকে। ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি থেকে অর্ডার এসেছে লালবাজারে। তাঁকে ‘জেড’ ক্যাটাগরি সিকিউরিটি দেওয়া হবে। রাউন্ড দ্য ক্লক সিকিউরিটি। ‘জেড’ ক্যাটাগরি নিরাপত্তার কারণে সৌরভের সঙ্গে সব সময় দু’জন বিশেষ নিরাপত্তা আধিকারিক থাকবেন। সৌরভের বাড়ি এবং তিনি যেখানে যাবেন সেখানেই এই দুই নিরাপত্তা আধিকারিক যাবেন। সব সময় একটি বিশেষ গাড়ি থাকবে তাঁর সঙ্গে। ২১ মে থেকে এই বাড়তি নিরাপত্তা পাবেন সৌরভ। তাঁর বাড়ির নিরাপত্তাও ২৪ ঘণ্টার জন্য বাড়ানো হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: এগরায় বিস্ফোরণ হওয়া সেই বাজি কারখানার মালিক তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য

    কী কারণে হঠাৎ তড়িঘড়ি বাড়ানো হল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) সেই বিষয়ে সঠিকভাবে কোনও কিছু জানা যায়নি। পরিবারের তরফ থেকেও কেও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে সূত্রের খবর, ব্যক্তিগত কারণে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নিজেই চেয়েছিলেন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে। দেড় দশক আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন সৌরভ। তারপর কয়েক বছর আইপিএলে খেললেও ক্রিকেট প্রশাসনের দিকেই তাঁর মন ছিল। প্রথমে সিএবি প্রেসিডেন্ট ও পরে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হন তিনি। বর্তমানে দিল্লি ক্যাপিটালসের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট হিসেবে যুক্ত রয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই অর্থে এখন তিনি দেশ বা রাজ্য ক্রিকেটের বড় পদে নেই। তারপরেও কেন এই নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও বাড়ানো হল সে ব্যাপারে নবান্নের তরফে কিছু স্পষ্ট করা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Case: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    Primary Recruitment Case: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একক বেঞ্চ তো আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কাউকে তো নেকড়ের সামনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়নি। তাহলে সমস্যা কোথায়?” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি সুব্রত তালুকদার। এদিন প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলার (Primary Recruitment Case) শুনানি শুরু হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই বিচারপতি তালুকদার বলেন, “একক বেঞ্চ তো আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কাউকে তো নেকড়ের সামনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়নি। তাহলে সমস্যা কোথায়?”

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ত্রুটির কথা উল্লেখ করে শুক্রবার ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই মামলার শুনানিতেই ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি তালুকদার।

    চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় (Primary Recruitment Case) সওয়াল…

    এদিন আদালতে পর্ষদের তরফে হাজির ছিলেন আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত। তিনি বলেন, “চাকরিহারা ওই প্রাথমিক শিক্ষকদের (Primary Recruitment Case) অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট যে হয়নি তা বিচারপতি কীভাবে বুঝলেন? আমাদের বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে ১০০ জনেরও বেশি পরীক্ষক বা ইন্টারভিউয়ার ছিলেন। বিচারপতি মাত্র কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। কেবল তার ভিত্তিতে তিনি কীভাবে বলে দিলেন, অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট সঠিক পদ্ধতিতে না নিয়েই নম্বর দেওয়া হয়েছে?”

    আদালতের নির্দেশে চাকরি খোয়ানো ব্যক্তিদের তরফে আদালতে সওয়াল করেন তৃণমূল নেতা তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “অপ্রশিক্ষিত হওয়ার জন্যই যদি চাকরি বাতিল হয়, তবে যাঁরা মামলা করেছেন, তাঁরাও তো অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী। তাছাড়া নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি যখন দেওয়া হয়েছিল, তাতে স্পষ্ট বলা ছিল, অপ্রশিক্ষিত হলেও, চাকরি পাবেন। কিন্তু দু বছরে প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে হবে। তার পরেও কীভাবে অপ্রশিক্ষিত হওয়ার জন্য চাকরি বাতিল হতে পারে”?

    আরও পড়ুুন: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    আদালতে সওয়াল করেন মূল মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারিও। তিনি বলেন, “অনিয়ম (Primary Recruitment Case) যে হয়েছে, কে কত নম্বর পেয়েছেন, তা তো পর্ষদের প্রকাশিত প্যানেলের তথ্য থেকেই জানা যাচ্ছে। ৩২ হাজারের চাকরি যাওয়া নিয়ে এত কথা বলা হচ্ছে। অথচ চাকরির অপেক্ষায় যে হাজার হাজার প্রার্থী বসে রয়েছেন, তাঁদের কী হবে?”

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ৪২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষককে নিয়োগ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রাথমিক স্কুলে। তাঁদের মধ্যে ৩২ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি বলে অভিযোগ বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের। তার পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ওই ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ওই শিক্ষকরা চার মাস স্কুলে পড়াবেন, বেতন পাবেন পার্শ্বশিক্ষকের মতো। এই সময়ের মধ্যেই পর্ষদকে শেষ করতে হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: এগরায় বিস্ফোরণ হওয়া সেই বাজি কারখানার মালিক তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য

    Egra: এগরায় বিস্ফোরণ হওয়া সেই বাজি কারখানার মালিক তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরায় (Egra) বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তভার গ্রহণ করল সিআইডি। সোমবার রাত ৯ টা নাগাদ সিআইডি-র একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। বোম্ব স্কোয়াডের টিমও রাতেই ঘটনাস্থলে যায়। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেন। গোটা এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়।

    বাজি বিস্ফোরণে মৃতদের বেশিরভাগই মহিলা

    এগরায় (Egra) খাদিকুল গ্রামে বাজি বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। যার মধ্যে বেশিরভাগই মহিলা। প্রত্যেকেই বাজি কারখানার শ্রমিক ছিলেন। ইতিমধ্যে প্রত্যেকের পরিচয় জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন অম্বিকা মাইতি, মাধবী বাগ, শ্যামাশ্রী মাইতি, কবিতা বাগ, মিনতি মাইতি, শক্তিপদ বাগ, জয়ন্ত জানা, বাপন মাইতি। তবে একজনের নাম এখনও জানা যায়নি। মৃত ও আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের পরিবার পিছু আড়াই লক্ষ টাকা, আর আহতদের চিকিৎসার জন্য পরিবার পিছু এক লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকে বাজির মালিক কৃষ্ণপদ বাগ পলাতক।

    কে এই কৃষ্ণপদ বাগ?

    এগড়ায় (Egra) দাপটের সঙ্গে বেআইনি বাজি কারখানা চালাত বছর পঞ্চাশের কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু। প্রায় ৩০ বছর ধরে তার এই কারবার। বিভিন্ন জায়গায় বাজি প্রতিযোগিতায় সেরার তালিকায় ভানুর বাজি বিচরণ করত। গোটা বছর এলাকার সব থেকে জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলিতে বাজি প্রদর্শনী ছিল ভানুর নেশা। একসময় সে সিপিএম করলেও পরে শাসক দলে সে নাম লেখায়। একসময় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ছিল সে। স্বাভাবিকভাবে সে স্থানীয় তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিল। আর শাসক দলের নেতাদের মাথায় হাত থাকায় তার এই বেআইনি কারবারে পুলিশও তাকে ছুঁতে পারত না। তবে, এভাবে বেআইনি বাজি কারখানা চালাতে গিয়ে আগেও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে ভানু। সোমবারও অল্পের জন্য ভানু বেঁচে গিয়েছে বলেই প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। ঘটনার সময় বাজি কারখানার পাশের রান্নাঘরে ভানু ছিল। বাজি বিস্ফোরণে তার হাত ঝলসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরেই জমি টপকে স্বপরিবারে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় সে।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অমরনাথ কে বলেন, এটি একটি বেআইনি বাজি কারখানা। আগেও ৩ থেকে ৪টি কেস হয়েছে এই কারখানার বিরুদ্ধে। একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছিল। তারপরেও অভিযুক্ত ব্যক্তি নতুন করে কারখানা তৈরি করেছে। অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগকে গ্রেফতার করার জন্য যাবতীয় প্রক্রিয়া চলছে। এরপর তদন্ত যত এগোবে সেই অনুযায়ী আমরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব”।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য অনুপ চক্রবর্তী বলেন, ওই বাজি কারখানায় বোমা তৈরি হচ্ছিল। বাজি কারখানার মালিক তৃণমূল নেতা। স্বাভাবিকভাবে পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস করতেই বোমা তৈরি করা হচ্ছিল। এলাকার মানুষদের সচেতন থাকার কথা বলছি।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তরুণ মাইতি বলেন, বাজি কারখানার মালিক আগে সিপিএম করত। তবে, এখন তৃণমূল করলেও আমার মিটিং, মিছিলে তাকে দেখিনি। তাকে আমি চিনি না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digital Payments: একটু ভুলে খোয়াতে পারেন অনেক কিছু! অ্যাপের মাধ্যমে টাকা লেনদেনে সতর্ক থাকুন

    Digital Payments: একটু ভুলে খোয়াতে পারেন অনেক কিছু! অ্যাপের মাধ্যমে টাকা লেনদেনে সতর্ক থাকুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্মার্টফোনে মাত্র কয়েকটি অ্যাপের মাধ্যমেই বিশ্বের যে কোনও প্রান্ত থেকে টাকাপয়সা আদানপ্রদান করে ফেলা সম্ভব। অনলাইন লেনদেনে যেমন মানুষের অনেক সুবিধা হয়েছে, তেমনই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে জালিয়াতিও। তাই ‘ইউপিআই’ পেমেন্ট (Digital Payments) মেথডে যাওয়ার আগে সতর্ক থাকুন। অনলাইনে টাকা পয়সা লেনদেন করার আগে মেনে চলুন বেশ কিছু নিয়ম। 

    নির্ভরযোগ্য অ্যাপ

    ‘প্লে স্টোর’এ নানা ধরনের ‘ইউপিআই’ অ্যাপ রয়েছে। তবে কোনটি সব দিক থেকে বিশ্বস্ত, তা বুঝে নিতে হবে আপনাকেই। গুগল পে, ফোন পে, পেটিএম-এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলি বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত থাকায় আপাত ভাবে নিরাপদ বলেই মনে হয়।

    পিন শেয়ার নয়

    ‘এটিএম’ হোক বা ইউপিআই অ্যাপ, তার ‘পিন’ (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) যেন সুরক্ষিত থাকে। কারণ, ‘পিন’ হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই জালিয়াতরা ওঁত পেতে বসে থাকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু দিন অন্তর ‘পিন’ বদলে ফেলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    ফোন বা মেসেজ এড়িয়ে চলুন

    কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই ব্যক্তির নাম এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে নিন। একই নামে দু’জন ব্যক্তি থাকতেই পারেন। কিন্তু তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সাধারণত এক হয় না। তাই ‘ভেরিফাই পেমেন্ট অ্যাড্রেস’ এ গিয়ে তা যাচাই করে, তবেই টাকা (Digital Payments) পাঠাবেন। ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চেয়ে অনেক সময়ই ফোন বা মেসেজ আসে গ্রাহকদের ফোনে। যা আপাত ভাবে দেখে ভুয়ো বলে মনেই হয় না। সেই সব ফোন বা মেসেজ এড়িয়ে চলাই ভাল।

    আরও পড়ুন: দেশে বর্ষা ঢুকছে ৪ জুন! রাজ্যে কবে? কী জানাল আবহাওয়া দফতর

    ব্যক্তিগত তথ্য সেভ নয়

    ফোন বা কম্পিউটা্রের মাধ্যমে কিছু কেনাকাটা করতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট বা অ্যাপ অনেক সময়ই কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য সেখানে ‘সেভ’ করে রাখতে চায়। এই ফাঁদে পা দেওয়ারও কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ, ফোন বা ল্যাপটপটি ব্যক্তিগত হলেও অন্তর্জাল ব্যবস্থাটি ব্যক্তিগত নয়। অনলাইনে কেনাকাটা করার সময় নিজেদের ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডের সমস্ত তথ্য কখনও সেভ করা উচিত নয়। এক্ষেত্রে অনেকেই আছেন যাঁরা ভবিষ্যতে সেখান থেকে কেনাকাটা করার সময় দ্রুত অনলাইন পেমেন্ট (Digital Payments) করার জন্য নিজেদের কার্ডের সমস্ত ডিটেলস সেভ করে রাখেন। কিন্তু এটি করলে নিজেদের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

    নিজের ডিভাইস ব্যবহার করুন

    ডিজিটাল পেমেন্ট করার সময় যে কোনও ডিভাইস অথবা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ সাইবার হ্যাকারদের নজর সবসময় এই ধরনের ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এবং ডিভাইসের ওপরেই থাকে। সেখান থেকে একবার ডিজিটাল পেমেন্ট (Digital Payments) করলে সেই গ্রাহকের সমস্ত তথ্য হ্যাক হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। অন্যের ডিভাইস ও পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডিজিটাল ট্রানজাকশন কখনওই করবেন না। সবসময় নিজেদের ডিভাইস অথবা মোবাইল থেকেই এই ধরনের ডিজিটাল পেমেন্ট করা উচিত।

    কিউ আর কোড

    কিউ আর কোড ব্যবহারে সতর্ক থাকুন- কোনও প্রাইজ বা অর্থ পুরস্কার পাবেন এরকম মেসেজ পাঠিয়ে কিউ আর কোড স্ক্যান করতে বললে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, টাকা-পয়সা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিউ আর কোড ব্যবহার হয়, এরকমভাবে কাউকে কিউ আর কোড স্ক্যান করতে পাঠানো হয় না।

    স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ

    স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ ডাউনলোড এড়িয়ে চলুন- সাইবার ক্রিমিনালরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতারণা করে থাকে। ব্যাঙ্কের লোক বা ভরসার পাত্র হওয়ার ভান দেখিয়ে প্রতারকরা এই ধরণের অ্যাপ ডাউনলোড করতে প্রভাবিত করতে পারে। এই ধরণের প্রতারণার ফাঁদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: খাড়্গের বাসভবনে শিবকুমার, সিদ্দারামাইয়া, মুখ্যমন্ত্রিত্বের শিকে ছিঁড়বে কার কপালে?

    Congress: খাড়্গের বাসভবনে শিবকুমার, সিদ্দারামাইয়া, মুখ্যমন্ত্রিত্বের শিকে ছিঁড়বে কার কপালে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফল বেরিয়েছে শনিবার। তার পর এ পর্যন্তও কংগ্রেস (Congress) ঠিক করতে পারেনি কর্নাটকের কুর্সিতে কাকে বসানো ঠিক হবে। ২২৪টি আসন বিশিষ্ট কর্নাটক (Karnataka) বিধানসভার ১৩৫টির রাশ গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। তার পর থেকেই শোনা যাচ্ছে নানা গুঞ্জন। কংগ্রেসেরই একটি সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন সিদ্দারামাইয়া। অন্য একটি সূত্রের খবর, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর মুকুট উঠতে চলেছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারের মাথায়।

    বিপাকে কংগ্রেস (Congress)…

    সোমবার দিল্লিতে যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন জন্মদিনের কথা বলে দিল্লি যাননি শিবকুমার। তবে মঙ্গলবার গিয়েছেন। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে গিয়ে প্রথমে দেখা করেন শিবকুমার। তার পরে পরেই সেখানে পৌঁছান সিদ্দারামাইয়া। এই সিদ্দারামাইয়া-ই দলের ওবিসি মুখ। এদিন শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে দেখা করার আগে খাড়্গে কথা বলে নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। ঘণ্টা দেড়েক ধরে করেন রুদ্ধদ্বার বৈঠক। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের (Congress) সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সুরজওয়ালা এবং এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কেসি বেণুগোপাল। খাড়্গের বাসভবনে ঢোকার আগে শিবকুমার কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। তখনই জানতে চাওয়া হয়, মুখ্যমন্ত্রিত্ব না পেলে পদত্যাগ করবেন কি না। শিবকুমার বলেন, মা বলতে আমি দলকেই বুঝি। দলই আমার কাছে মা। দলকে দাঁড় করিয়েছি আমরা। তাই পদত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না।

    আরও পড়ুুন: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    সিদ্দারামাইয়া ওবিসি জনগোষ্ঠীর নেতা। পুরনো মাইসুরু অঞ্চলের বরুণা কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। জিতেছেনও। জয়ী হয়েছেন শিবকুমারও। তিনি নিজের পুরানো কেন্দ্র বেঙ্গালুরু গ্রামীণ এলাকার কনকপুরায় হারিয়েছেন প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী আর অশোককে। তাই মুখ্যমন্ত্রীত্বের দৌড়ে রয়েছেন দুই নেতাই। কংগ্রেসের (Congress) একটি সূত্রের খবর, কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার দায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে দলের হাইকমান্ডের হাতে। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন যদি কার পাশে কতজন বিধায়ক রয়েছেন, সেই নিক্তিতে হয়, তাহলে কর্নাটকে সরকারি বাসভবন ‘অনুগ্রহে’র শিকে ছিঁড়তে চলেছে সিদ্দারামাইয়ার কপালেই। আর মুখ্যমন্ত্রিত্বের মানদণ্ড যদি আনুগত্য হয়, তাহলে কর্নাটকের রশি যেতে পারে শিবকুমারের হাতে। শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে অন্য একটি কাঁটাও রয়েছে। সেটি হল দুর্নীতির অভিযোগ। উল্টো দিকে সিদ্দারামাইয়ার ইমেজ ক্লিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: দুই মামলায় মিলল জামিন, স্বস্তিতে ইমরান খান

    Imran Khan: দুই মামলায় মিলল জামিন, স্বস্তিতে ইমরান খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ১২০টি মামলা। পাকিস্তানের (Pakistan) বিভিন্ন আদালতে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে রয়েছে এই মামলাগুলি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের হয়েছিল ইসলামাবাদ হাইকোর্টে। মঙ্গলবার আদালতের তরফে জানানো হয় দুটি মামলায় আট জুন পর্যন্ত জামিন দেওয়া হল পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। ইসলামাবাদ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। আদালত সাফ জানিয়েছে, কোনও মামলায়ই আটক করা যাবে না ইমরানকে।

    ইমরান খানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    এদিন সন্ত্রাস বিরোধী আদালতেও স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। জার্মান পার্ক হিংসা ও জিলা শাহ খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯ মে পর্যন্ত তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। মামলার শুনানিতে ইমরানের হাজিরা বাধ্যতা নয় বলেই জানিয়েছে আদালত। প্রধান বিচারপতি আমের ফারুক আইনজীবীদের সওয়াল জবাব শেষে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ প্রধানের জামিন মঞ্জুর করেন ৮ জুন পর্যন্ত।

    সোমবারই লাহোর হাইকোর্টে আগাম জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী (Imran Khan)। পঞ্জাব প্রদেশে তাঁর বিরুদ্ধে যে মামলাগুলি রয়েছে, তাতে গ্রেফতারির আশঙ্কা এড়াতে বিচারবিভাগের দ্বারস্থ হন তিনি। তবে শুনানির পরে আপাতত রায়দান স্থগিত রেখেছে লাহোর হাইকোর্ট। কবে এই মামলার রায় বের হবে, তা জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েই পাক রেঞ্জার্সদের হাতে গ্রেফতার হন ইমরান। পরে অবশ্য পাক সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, ইমরানের গ্রেফতারি বেআইনি।

    আরও পড়ুুন: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    গত বছর এপ্রিল মাসে আস্থা ভোটে হেরে গিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান। তাঁর অভিযোগ, মার্কিন ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়ায়ই মেয়াদ শেষের আগে গদি হারাতে হয়েছে তাঁকে। রাশিয়া, চিন এবং আফগানিস্তানে তাঁর স্বাধীন বিদেশ নীতির কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয় বলে অভিযোগ। এদিকে, ইমরান (Imran Khan) মুক্তি পাওয়ায় পাক বিচারবিভাগকে তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তাঁর দাবি, পিটিআইয়ের হয়েই কাজ করেছে পাক সুপ্রিম কোর্ট। ইমরানের গ্রেফতারি বেআইনি ঘোষণা হতেই সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ জানান, খুব তাড়াতাড়িই ফের গ্রেফতার করা হতে পারে ইমরানকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দেশে বর্ষা ঢুকছে ৪ জুন! রাজ্যে কবে? কী জানাল আবহাওয়া দফতর

    Weather Update: দেশে বর্ষা ঢুকছে ৪ জুন! রাজ্যে কবে? কী জানাল আবহাওয়া দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দুদিন ধরে বিকালে কালবৈশাখীর ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টিতে ভিজল পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জেলা। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহে হাঁসফাস অবস্থা হয়েছিল রাজ্যবাসীর। তারপরের কয়েকদিনের বারিধারায় স্বস্তি মিলেছিল বটে কিন্তু পরে আবার বেড়েছিল গরম। একটি আবহাওয়া রিপোর্টে (Weather Update) তো বলা হয়েছিল যে মে মাসেও গরমের অস্বস্তি বাড়তেই থাকবে। ঠিক এই সময়টাতে চাতক পাখির মতো পশ্চিমবঙ্গবাসীও বসে রয়েছে বর্ষার আগমনের অপেক্ষায়। আবহবিদরা ক্যালকুলেশন করে মাপকাঠি স্থির করেছেন, বর্ষা দেশে ঢোকে প্রতি বছরে ১ জুন। এ কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে দেশের মধ্যে প্রথম বর্ষা ঢোকে ভারতের কেরল রাজ্যে‌। কিন্তু মৌসম ভবন (Weather Update)  জানাচ্ছে চলতি বছরে বর্ষা ১ জুন নয় দেশে ঢুকবে ৪ জুন অর্থাৎ চার দিন দেরি করছে বর্ষা আসতে। প্রতিবছর জুন মাসে বর্ষা আসার কথা থাকলেও কোন কোন বছর তার হেরফের ঘটে। দেখা যাচ্ছে, বিগত কয়েকবছরে নিয়ম মেনে বর্ষা দেশে ঢুকেছিল ২০২০ সালেই একমাত্র। সে বছর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আগমন ঘটে ১ জুন। ২০২১ সালে মৌসুমি বায়ু এসেছিল ৩ জুন। হাওয়া অফিসের রিপোর্ট (Weather Update)  অনুযায়ী ২০১৮ সালে নির্ধারিত সময়ের আগে এসেছিল বর্ষা, ২৯ মে। আবার গত বছরেও বর্ষা ঢুকে ছিল দেশে ২৯ মে। ২০১৯ সালে বর্ষা আট দিন দেরিতে ঢুকেছিল, ৮ জুন।

     

    পশ্চিমবঙ্গে কবে ঢুকছে বর্ষা?

    আবহবিদরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা ঢোকার স্বাভাবিক সময় হচ্ছে ১০ জুন। হাওয়া অফিস (Weather Update)  জানাচ্ছে, কেরলে বর্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে বলেই যে পশ্চিমবঙ্গে বিলম্ব হবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া দফতরের যে পূর্বাভাস তাতে দেখা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে বর্ষা ঢুকছে ৭ জুন, শিলিগুড়িতে ৮ জুন। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের সুন্দরবনে বর্ষা ঢোকার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছে হাওয়া অফিস ১০ জুন এবং কলকাতায় বর্ষার ঢুকবে ১১ জুন। যদিও এর পুরোটা নির্ভর করছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share