Blog

  • Rishra: রিষড়া নিয়েও হাইকোর্টে শুভেন্দু, রাজ্যের রিপোর্ট তলব আদালতের, শুনানি বুধবার

    Rishra: রিষড়া নিয়েও হাইকোর্টে শুভেন্দু, রাজ্যের রিপোর্ট তলব আদালতের, শুনানি বুধবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে ফের নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রিষড়া (Rishra)। যার জেরে ব্যাহত হয় হাওড়া-বর্ধমান ট্রেন চলাচলও। ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা। সোমবারের ওই ঘটনা নিয়ে পুনরায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বুধবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে

    জানা গেছে, হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। এদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মামলাকারীকে রিষড়ার অশান্তির ঘটনা উল্লেখ করে অতিরিক্ত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, রাজ্যকেও এই নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    হাওড়া, উত্তর দিনাজপুরের পর রিষড়াতেও (Rishra) রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, শিবপুর এবং ডালখোলার পরে রবিবার রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয় রিষড়া (Rishra)। সেই শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষও। সূত্রের খবর, তিনি শোভাযাত্রায় থাকাকালীনই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। আহত হন দুপক্ষের বেশ কয়েকজন। নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় ১৪৪ ধারা জারি হয়।
    এরপর সোমবার রাতে ফের অশান্তি শুরু হয়। রিষড়ার (Rishra) ৪ নম্বর রেলগেট এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামে। ট্রেন লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ারও অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশকে লক্ষ্য করেও পাথর বৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। তবে মঙ্গলবার সকালেও এলাকা থমথমে। প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা।

    সোমবার রিষড়া (Rishra) গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী

    সোমবার রিষড়ায় (Rishra) গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তাঁকে ওই এলাকা পরিদর্শনে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুভেন্দু অধিকারী রিষড়ায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “আমরা রিপোর্ট পেয়েছি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও উত্তরপাড়ার চেয়ারম্যান গিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আইনটা ওঁদের জন্য একরকম, বাকিদের জন্য অন্য রকম। কল্যাণবাবুরা তাঁদের নেত্রীর লাইনেই কথা বলেন। ১৪৪ ধারা যদি জারি থাকে, তাহলে সবার ক্ষেত্রেই আইনটা একইরকম হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Mahesh Jethmalani: ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি বিপজ্জনক তৃণমূল, বললেন জেঠমালানি

    Mahesh Jethmalani: ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি বিপজ্জনক তৃণমূল, বললেন জেঠমালানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি সাম্প্রদায়িক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। মঙ্গলবার এই ভাষায়ই তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন প্রবীণ আইনজীবী তথা বিজেপি (BJP) সাংসদ মহেশ জেঠমালানি (Mahesh Jethmalani)। রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। সেই প্রসঙ্গেই তৃণমূলকে নিশানা করেন জেঠমালানি।

    মহেশ জেঠমালানি (Mahesh Jethmalani) বলেন…

    ট্যুইট-বার্তায় প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, দেশের সব ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসই বিপজ্জনকভাবে সাম্প্রদায়িক। সাগরদিঘি উপনির্বাচনের ফল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিন্দুদের রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসায় অনুপ্রাণিত করেছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপি সমর্থকদের ওপর আক্রমণের ঘটনাও ঘটছে। রাজ্যসভার এই সাংসদের (Mahesh Jethmalani) মতে, বাংলায় হিংসার ঘটনার জন্য দায়ী মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে মুখ্যমন্ত্রীর মরিয়া প্রচেষ্টা। অন্য একটি ট্যুইট-বার্তায় এই বিজেপি নেতা বলেন, রামনবমীর শোভাযাত্রা থেকে প্ররোচনা দেয়নি বিজেপি। মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে মমতার মরিয়া চেষ্টার জেরে হিংসার ঘটনা ঘটেছে।

    প্রসঙ্গত, রামনবমীর শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে হাওড়ায় ইটপাটকেল ছুড়েছে দুষ্কৃতীরা। কাজিপাড়ায় ঘটেছে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও। শুক্রবারের পর শনিবারও অশান্তি হয়েছে হাওড়ায়। রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে হাওড়ার শিবপুরেও। কেবল হাওড়া নয়, হুগলিতেও হয়েছে অশান্তি। রামনবমী উপলক্ষে রবিবার শোভাযাত্রা বের হয় হুগলির রিষড়ায়। শোভাযাত্রা সন্ধ্যাবাজার এলাকায় এলে অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এখানেও ঘটে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। রবিবারের পর সোমবারও অশান্তি হয়েছে রিষড়ায়। চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। তার জেরে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছেন। রিষড়ার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। তিনি বলেন, এটা চলতে দেওয়া যায় না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হবে। বাংলার মানুষ অনেক সহ্য করেছেন, আর নয়। বাংলার মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের অধিকার রয়েছে। যেকোনও মূল্যে শান্তি ফেরাতে হবে। দুষ্কৃতীদের কোনও মতেই ছাড় দেওয়া হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

  • Tribal People: ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে আদিবাসীরা, কেন জানেন?

    Tribal People: ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে আদিবাসীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দাবি এখনও পূরণ হয়নি। রাজ্যকে বিঁধে কুড়মিদের (Tribal People) নতুন করে আন্দোলন শুরু হল। মঙ্গলবার বেলা ১০টা নাগাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যার জেরে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। তবে, মঙ্গলবার তাদের আন্দোলন জাতীয় সড়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। গত বছর দাবি আদায়ে কুড়মিরা (Tribal People) লাগাতার রেল অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। যার জেরে হাজার হাজার যাত্রীদের চরম নাকাল হতে হয়েছিল। গতবারের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ৫ এপ্রিল দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুম্বই এবং আদ্রা শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। তাই, দাবি আদায়ে বুধবার থেকে জাতীয় সড়ক এবং রেল যোগাযোগ বন্ধ হ‌লে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    কী কারণে আন্দোলনে কুড়মি সমাজ? Tribal People

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফশিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে ১ এপ্রিল থেকে জঙ্গলমহলে শুরু হয়েছে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে অবরোধ কর্মসূচি। ‘কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গ’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত আগেই পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি-তে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া সহ বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এতদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ চলেছে। ৪ঠা এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পূর্ব ঘোষণা মত এদিন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People) জাতীয় সড়কে জমায়েত হয়। পরে, লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA News: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলনকারীদের, ধর্না দিল্লিতেও

    DA News: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলনকারীদের, ধর্না দিল্লিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএর (DA News) দাবিতে ফের কর্মবিরতির পথে হাঁটছেন এ রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। ৬ এপ্রিল হবে কর্মবিরতি। তার পরেই দিল্লির (Delhi) যন্তর মন্তরে হবে অবস্থান ধর্না। মঙ্গলবার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ১০ ও ১১ এপ্রিল দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান ধর্না হবে। তার পর দেশের রাষ্ট্রপতি (President), উপরাষ্ট্রপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের স্মারকলিপিও দেওয়া হবে। ৬ এপ্রিল পালন করা হবে একদিনের কর্মবিরতি।

    বকেয়া ডিএর (DA News) দাবি…

    প্রসঙ্গত, ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যজুড়ে দু দিনের কর্ম বিরতি পালন করেছেন সরকারি কর্মীরা। ১০ মার্চ পালন করেছেন প্রশাসনিক ধর্মঘট। শহিদ মিনারে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে চলছে ধর্না। তার আগে পালিত হয়েছে অনশন কর্মসূচিও। এদিকে, ডিএ (DA News) আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর চোর ডাকাত মন্তব্যের বিরোধিতা করে ও কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএর দাবিতে ৬ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট সহ রাজ্যের সব আদালতে পেন ডাউনের ডাক দিয়েছে কর্মী সংগঠনগুলি। এই মর্মে তারা চিঠি দিয়েছে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দফতরেও।

    অন্যদিকে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৪২ শতাংশ ডিএ পাবেন। সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছর ৩ অক্টোবর অর্থমন্ত্রক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার সম্মতি দিয়েছেন। তাই চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৩৮ শতাংশের বদলে ৪২ শতাংশ ডিএ পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এহেন ঘোষণার পরে এ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দুর্বৃত্তদের রেয়াত নয়’’! উত্তরবঙ্গে জি-২০ বৈঠক বাতিল করে রিষড়ায় রাজ্যপাল

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম এবং রাজস্থান সরকারও। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে তাপস চক্রবর্তী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৪২ শতাংশ ডিএ (DA News) দেওয়ার কথা ঘোষণা করল। একই সঙ্গে রাজস্থান ও অসম সরকারও ৪২ শতাংশ ডিএ দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের জন্য ডিয়ারনেস রিলিফও দেওয়া হচ্ছে। কেবল পশ্চিমবঙ্গ সরকারই রাজ্য সরকারি কর্মীদের দাবি মেটাতে অক্ষম। তিনি বলেন, তাই আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

  • CV Ananda Bose: ‘‘দুর্বৃত্তদের রেয়াত নয়’’! উত্তরবঙ্গে জি-২০ বৈঠক বাতিল করে রিষড়ায় রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: ‘‘দুর্বৃত্তদের রেয়াত নয়’’! উত্তরবঙ্গে জি-২০ বৈঠক বাতিল করে রিষড়ায় রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিষড়ায় পৌঁছলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কথা বলছেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগির সঙ্গে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজ্যপালের সফর ঘিরে রিষড়ায় পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। 

    রাজ্যপালের কড়া বার্তা

    রামনবমীর শোভাযাত্রা ঘিরে হিংসার জেরে উত্তরবঙ্গ সফর কাটছাঁট করে শহরে ফিরলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। জি ২০ আলোচনা সংক্রান্ত সফর বাতিল করে মঙ্গলবারই উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতায় ফেরেন তিনি। সূত্রের খবর রিষড়ার ঘটনার জেরেই সফরে কাটছাঁট রাজ্যপালের। কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছেই শান্তি বজায় রাখতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যপাল। বলেছেন, ‘ভয়ঙ্কয় প্রবণতা। এটা চলতে দেওয়া যায় না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হবে। বাংলার মানুষ অনেক সহ্য করেছেন, আর নয়। বাংলার মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের অধিকারী রয়েছে। যেকোনও মূল্যে শান্তি ফেরাতে হবে। দুষ্কৃতীদের কোনও মতেই ছাড় দেওয়া হবে না। ঐক্যবদ্ধভাবেই আমাদের সকলকে শান্তি বজায় রাখতে হবে।’

    ঘটনাস্থলে রাজ্যপাল

    মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ রাজ্যপাল পৌঁছে যান রিষড়ায়। যেখানে সোমবার রাতে নতুন করে অশান্তি ছড়িয়েছিল, সেই ৪ নং রেলগেটের কাছে যান। সেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি। কোথায় কী ঘটেছে, কেমন পরিস্থিতি – এই সমস্ত খুঁটিনাটি রাজ্যপাল জানতে চান। পুলিশ কমিশনারও তাঁকে রিপোর্টের আকারে বিস্তারিত জানান। পুলিশ আধিকারিকদের পর রাজ্যপাল রেলের অফিসারদের সঙ্গে দেখা করেন। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “আমরা সকলেই জানি, গত কয়েক দিন ধরে এখানে কী চলছে। এই কালো শক্তিকে আমরা কখনওই সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা খর্ব করতে দেব না, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেব না। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আমরা কড়া পদক্ষেপ করব।” 

    আরও পড়ুন: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    যথাযথ পদক্ষেপের নির্দেশ

    সূত্রের খবর, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। প্রশাসনকে যথাযথ পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল। রিষড়ায় রবিবার থেকেই অশান্তির আবহ। ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়। এরইমধ্যে সোমবার রাতে হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখার রিষড়া রেল স্টেশনের কাছে ৪ নম্বর রেল গেট এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় বোমাবাজি হয় বলেও অভিযোগ। অশান্তির আঁচ এসে লাগে রেল পরিষেবায়। প্রায় তিন ঘণ্টা হাওড়া-ব্যান্ডেল মেইন লাইনে লোকাল, দূরপাল্লার ট্রেন সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে পড়ে। চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন যাত্রীরা। এদিন সরকারি সম্পত্তি নষ্টের তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্যপাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

  • Arunachal Pradesh: ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ১১ জায়গার নাম বদলে দিল চিন!

    Arunachal Pradesh: ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ১১ জায়গার নাম বদলে দিল চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতারাতি অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ১১টি জায়গার নাম বদলে দিল চিন (China)। ভারত (India) বরাবরই জানিয়ে আসছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ। অথচ কয়েক দশক ধরেই অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বত বলে দাবি করে আসছে ড্রাগনের দেশ। চিনের এহেন পদক্ষেপের জেরে ভারত-চিন সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকল বলে দাবি আন্তর্জাতিক মহলের। চিনের এই পদক্ষেপের জেরে অবশ্য মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ভারত।

    অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) নিয়ে চিনের দাবি…

    এক বিবৃতিতে চিনের অসামরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, দক্ষিণ তিব্বতের কিছু ভৌগোলিক এলাকার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃত করে চিনের সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, রবিবার অসামরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আনুষ্ঠানিকভাবে ১১টি এলাকার নাম পরিবর্তন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে দুটি বিস্তীর্ণ ভূমি এলাকা, দুটি আবাসিক এলাকা, দুটি নদী ও পাঁচটি পর্বতশৃঙ্গ। কেবল নাম বদলই নয়, রবিবার চিনের তরফে একটি মানচিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে। ওই মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের কিছু অংশকে চিনের বলে দাবি করা হয়েছে।

    রবিবার চিনা ও তিব্বতি সহ মোট তিনটি ভাষায় সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে বেজিংয়ের তরফে। জানা গিয়েছে, এবার থেকে চিনের মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ওই জায়গাগুলির নাম মান্দারিন হরফে লেখা থাকবে। গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সস, ইনস্টিটিউট অফ চাইনিজ বর্ডারল্যান্ড স্টাডিজের ঝ্যাং ইয়ংপ্যান দাবি করেছেন, যে এলাকাগুলির নামকরণ করা হয়েছে, সেগুলি চিনের সার্বভৌমত্বের মধ্যে পড়ে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও দুবার অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) বিভিন্ন জায়গার নাম বদলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল চিন। একবার ২০১৭ সালের এপ্রিলে ও অন্যটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। চিনের কমিউনিস্ট সরকারের তরফে এও দাবি করা হয়েছিল, ওই এলাকাগুলি চিনের বলে দাবি করার যথেষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক ভিত্তি রয়েছে। দুবারই চিনের ওই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছিল ভারত। দুবারই ভারতের তরফে বেজিংকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ।

    প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে গলওয়ানে সংঘর্ষ হয় ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে। ঘটনায় শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। চিনেরও বেশ কয়েকজন সেনার মৃত্যু হয়। পরে দু দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ের বৈঠকের পর কয়েকটি এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নেয় চিন। এহেন আবহে ফের অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ১১টি জায়গার নাম বদল করেছে ড্রাগনের দেশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

     
     
  • Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল ইডি, জানেন কার কার নাম রয়েছে তাতে?

    Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল ইডি, জানেন কার কার নাম রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি সূত্রে খবর, গোটা রাজ্য থেকে এজেন্টদের মাধ্যমে কুন্তল ঘোষ ১০০ কোটি টাকার বেশি তুলেছিলেন চাকরি দেওয়ার নামে। চাকরি ছাড়াও মানিক ভট্টাচার্যের মাধ্যমে বিএড কলেজের অনুমোদন বাবদও টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তল ঘোষের মামলায় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল ইডি। সেই চার্জশিটে নাম রয়েছে শিক্ষাসচিব মণীশ জৈনের। শুধু মণীশ নয়, সেখানে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তৎকালীন ওএসডি সুকান্ত আচার্যেরও নাম রয়েছে বলে জানা গেছে। চার্জশিটে বলা হয়েছে, পার্থ-ঘনিষ্ঠ দীপক সরকারের কাছে পার্থর বেহালা অফিসে দেড় কোটি টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন কুন্তল। সূত্রের খবর, মণীশ জৈন, ডাব্লুবিসিএস অফিসার সুকান্ত আচার্য এবং এক সময় পার্থর পরিষদীয় দফতরের ওএসডি প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটের একটি অংশে। তাঁরা নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় তদারকি করেছিলেন বলে ইডি সূত্রে খবর। যাঁরা টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের নির্ধারিত সময়ের আগেই হয়েছিল ইন্টারভিউ, এমনও সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

    ১০৪ পাতার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে কী অভিযোগ করল ইডি

    সম্প্রতি পিএমএলএ বিশেষ আদালতে কুন্তল ঘোষের নামে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। ১০৪ পাতার সেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে ইডি সোজাসুজি অভিযোগ করেছে, চাকরির আশ্বাস দিয়ে কীভাবে ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা হতো। তার বদলে তোলা হতো টাকাও। ইডির দাবি, সেই ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করা হতো পার্থ, মণীশ, প্রবীরদের মাধ্যমে। এই ইন্টারভিউয়ে পার্থর ভূমিকা নিয়েও চার্জশিটে উল্লেখ করেছে ইডি। এর আগেই বলা হয়েছিল, নিউটাউনের পাঁচতারা হোটেলের নগদে হত টাকার লেনদেন। গোপাল দলপতির মাধ্যমে বেশ কয়েকবার সেই টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল ঘোষ। যদিও গোপাল তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    ইডি-র কাছে কুন্তলের আরও দাবি, ৩২৫ জন অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি বাবদ বেসরকারি কলেজ সংগঠনের তৎকালীন সভাপতি তাপস মণ্ডলের কাছ থেকে নেওয়া তিন কোটি ২৫ লক্ষ টাকার মধ্যে কমিশন বাবদ ২৫ লক্ষ টাকা নিজের কাছে রেখেছিলেন কুন্তল। বাকি তিন কোটি টাকা তাপস-ঘনিষ্ঠ গোপাল দলপতি মারফত মন্ত্রী পার্থের কাছে পৌঁছে দেন তিনি। গোপাল তাঁকে জানিয়েছিলেন সুকান্ত, ভজা ও মানিক সরকার নামে পার্থের নাকতলার অফিসের এক ব্যক্তির মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কুন্তলের চার্জশিটে কলকাতা পুরসভার এক কাউন্সিলরেরও নাম রয়েছে। সূত্রের দাবি, শহরের পাঁচতারা হোটেলে সুকান্ত আচার্য এবং ওই কাউন্সিলরের মাধ্যমে পার্থর কাছে জমা পড়েছিল নিয়োগ দুর্নীতির টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Mother-in-law: পাত্রী দেখতে এসে হবু শাশুড়িকে নিয়ে পালাল  যুবক! কোথায় জানেন?

    Mother-in-law: পাত্রী দেখতে এসে হবু শাশুড়িকে নিয়ে পালাল যুবক! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পাত্রী দেখতে এসে পাত্রীর মা’‌কে পছন্দ হয়ে যায় পাত্রের। এক দেখাতেই তাঁকে বিয়ে করার মনস্থ করেন হবু পাত্র। বাড়ির সকলের মধ্যেই হবু শাশুড়ির (Mother-in-law) সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া হয়ে যায় তাঁর। আর সুযোগ বুঝে পাত্রীর মাকে নিয়ে চম্পট দেয় হবু পাত্র। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে গাজোল থানার করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিপ্লবী পাড়ায়। ইতিমধ্যেই স্ত্রীর খোঁজে তাঁর ছবি হাতে নিয়ে গাজোল থানার দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর স্বামী অমল সাউরিয়া। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? Mother-in-law

    গত ২৫ মার্চ অতুল বর্মন নামে এক যুবক গাজোল থেকে করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিপ্লবী পাড়ায় পাত্রী দেখতে আসেন। দেখাশোনার সময় মেয়ের পাশে বসেছিলেন মা। হবু শাশুড়িকে (Mother-in-law) দেখেই মন মজে যায় অতুলের। হবু পাত্রের চোখের ইশারাও বুঝতে অসুবিধা হয়নি পাত্রীর মা সরলা সাউরিয়ার। এক ঘর লোকজনের মাঝে হবু শাশুড়ির (Mother-in-law) সঙ্গে অতুল বেশ কিছুক্ষণ কথাও বলেন। পাত্রীর মায়ের সঙ্গে হবু বর কথা বলাতে দুই বাড়ির কেউ তেমন সন্দেহ করেনি। দেখাশোনা শেষ হওয়ার পর পাত্রের বাড়ির লোকজন ফিরে যান। কিছুক্ষণ পর বাজারে যাচ্ছি বলে সরলাদেবী বাড়ি থেকে বের হন। আর তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। প্রথমে বাড়ির লোকজন চারিদিকে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু, কোথাও তাঁর হদিশ পাননি। পরে, হবু পাত্র তাঁকে নিয়ে গিয়েছে বলে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন।

    কী বললেন নিখোঁজ হওয়া স্ত্রীর স্বামী? Mother-in-law

    ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসনের কাছে স্ত্রীর ছবি দেখিয়ে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তাঁর স্বামী অমল সাউরিয়া। অমলবাবু বলেন, আমাদের তিন সন্তান রয়েছে। মেয়ে বিবাহযোগ্য। মেয়ের বিয়ের জন্যই আমরা চারিদিকে পাত্রের খোঁজ করছিলাম। মেয়ের দেখাশোনা পর্ব অনেকটাই এগিয়েছিল। পাত্রপক্ষ বাড়ি ফিরে যায়। পরে, স্ত্রী বাজারে যাওয়ার পর আর না ফেরায় চারিদিকে খোঁজ করি। কয়েকদিন পর জানতে পারি, হবু পাত্র আমার স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে। জানা গিয়েছে, তাঁরা ভিন রাজ্যে রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে একই দিনে শান্তনু ও তাঁর স্ত্রীকে জেরা ইডির, কী তথ্য উঠে এল?

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে একই দিনে শান্তনু ও তাঁর স্ত্রীকে জেরা ইডির, কী তথ্য উঠে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগেই তলব করেছিল ইডি। সোমবার সল্টলেকের সিজিও কম্পলেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন প্রিয়াঙ্কা। অন্যদিকে এদিনই প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি থাকা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করেন ইডি আধিকারিকরা। সম্প্রতি শান্তনুর ‘ছায়াসঙ্গী’ বলে পরিচিত রাকেশ মণ্ডল, নিলয় মল্লিক এবং সুপ্রতিম ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তাঁদের কাছ থেকে শান্তনু সম্পর্কে বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এর পর পরই শান্তনুকে জেরা করল ইডি। জানা গেছে, আগামী ৫ এপ্রিল শান্তনুকে আবার আদালতে হাজির করানো হবে।

    চার ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয় শান্তনুর স্ত্রীকে

    ইডি সূত্রে খবর, তদন্তকারী সংস্থার তলব পেয়ে আজ সেখানে আসেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁকে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। প্রিয়াঙ্কাকে ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। এদিন ইডি দফতরে তিনি ব্যাঙ্ক লেনদেনের নথি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, প্রিয়াঙ্কাকে আবার ডাকা হতে পারে।

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) তদন্তের ঘটনাক্রম

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) ধৃত প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের বয়ানের উপর ভিত্তি করেই শান্তনুকে গ্রেফতার করে ইডি। শান্তনু গ্রেফতার হতেই গোটা হুগলি জেলায় তাঁর ছড়িয়ে থাকা বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পায় ইডি। শান্তনুর সম্পত্তি সিল করে ইডি আধিকারিকরা। 

    ১৮ মার্চ শান্তনু ঘনিষ্ঠ প্রমোটার অয়ন শীলের ফ্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। শান্তনুকে গ্রেফতারের পর প্রোমোটার অয়ন শীলকে গ্রেফতার করে ইডি। আধিকারিকদের দাবি, শান্তনু ও অয়ন নিয়োগে দুর্নীতির অন্যতম মূল মাথা অয়নের অফিস থেকে প্রচুর পরিমাণ নিয়োগ সংক্রান্ত নথিও উদ্ধার করা হয়। এমনকী অয়নের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের লেনদেন একাধিক বেনিয়মের কথা দাবি করেন তদন্তকারীরা।

    বলাগড়ে গঙ্গার পারে রিসর্ট থেকে শুরু করে ধাবা, বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে স্ত্রীর নামে কেনা দোতলা বাড়ির হদিশ পায় তদন্তকারীরা। এমনকী শান্তনুর বিরুদ্ধে বালি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকারও অভিযোগ ওঠে।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিষড়ায় অশান্তির জন্য রাজ্য প্রশাসনকে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা ট্যুইটে লেখেন, রিষড়া জ্বলছে, আর গোটা রাজ্য প্রশাসন দিঘার সমুদ্র সৈকতে ছুটি কাটাচ্ছে। ট্যুইটে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘আজ কেন বোমাবাজি, তাণ্ডব? আজ তো কেউ মিছিল বের করেনি। রাজ্য সরকার দাবি করছে, সব ঠিক আছে। এই সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। বাংলার শান্তিকামী মানুষের রক্ষায় কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীই একমাত্র উপায়। উল্লেখ্য, রামনবমীর পর থেকে বার বার দফায় দফায় অশান্তি ছড়িয়েছে রিষড়ায়। তারই মধ্যে ঘটনাস্থলে না গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দিঘায় রয়েছেন। এ নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। 

    নো ভোট টু মমতা

    আগেই ‘নো ভোট টু মমতা’ টি শার্ট পরে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু। সোমবার চন্দ্রকোনায় সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “একমাত্র এই রাজ্যের বিজেপি সরকারই এই রাজ্যের উন্নয়ন করতে পারে। কারণ বিজেপি যদি এই রাজ্যে সরকার গঠন করে তাহলে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় গঠন করে কাজ করবে।” তাতেই রাজ্যের দ্রুত উন্নতি সম্ভব বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমি রাজ্যের জনগণকে এই দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল কংগ্রেসকে একটিও ভোট না দেওয়ার অনুরোধ করব। আপনারা পছন্দের কোনও দল বা প্রার্থীকে ভোট দিন। কিন্তু দয়া করে এই চোরের দলকে আপনার মূল্যবান ভোট দেবেন না।’ 

    ভোটের রাজনীতি

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “তৃণমূলকে (TMC) একদম তুলে ফেলতে হবে, একদম ভয় পাবেন না। উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটে রামনবমীর এত মিছিল হয়েছে, কোথাও এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। তৃণমূলের পাশ থেকে সংখ্যালঘুরা সরে যাচ্ছেন। বগটুই, আনিস খান ও সাগরদিঘির উপনির্বাচনের পর সংখ্যালঘুরা ভুল বুঝতে পেরেছেন। এনআরসির নামে তাঁদের ব্যবহার করেছে এটা সংখ্যালঘুরা বুঝতে পেরেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন। হাওড়া ও রিষড়ার হিংসার ঘটনায় তৃণমূলের গুন্ডারা যুক্ত। হাত থেকে ভোট বেরিয়ে যাচ্ছে তাই এই কাজ করানো হচ্ছে”।

    আক্রমণাত্মক সুরে এদিন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, ‘জোঁকের মুখে নুন কেমন করে দিতে হয় তা আমরা মেদিনীপুরের পান্তাখাওয়া লোকেরা জানি। এনেছিও আমরা, সরাবও আমরা। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে লড়ে আমরা এই সভা করছি আজ৷ গত বছর ও এ বছর চার জন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন।’

    আরও পড়ুন: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন! সুকান্তকে ফোন জেপি নাড্ডার

    কৃষকদের হয়ে সওয়াল

    এদিন কৃষকদের হয়ে সওয়াল করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘আমাদের এই কর্মসূচি কৃষকদের জন্য। এই এলাকায় আলু চাষ সবচেয়ে বেশি হয়। কিন্তু নিম্নমানের আলু বীজ, ব্ল্যাক করে সার কেনা। আলু চাষিরা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বিধানসভায় আমি এই বিষয়ে সরব হয়েছিলাম।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

LinkedIn
Share