Blog

  • Mid Day Meal: গোল্লায় যাক শিশুদের মিড ডে মিল! মধুভাণ্ডের কাড়াকাড়িতেই মত্ত তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী

    Mid Day Meal: গোল্লায় যাক শিশুদের মিড ডে মিল! মধুভাণ্ডের কাড়াকাড়িতেই মত্ত তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের মাদার ও যুব সংগঠনের দুই নেতার বিবাদে সমস্যায় করণদিঘির আলতাপুর হাইস্কুল। অভিযোগ, মিড-ডে-মিল (Mid Day Meal) সহ স্কুল পরিচালন কমিটির হিসাবের টাকার ভাগ কে কতটা পাবে, তা নিয়েই এই বিবাদের সৃষ্টি। এই বিবাদ ধীরে ধীরে হাতাহাতি থেকে হানাহানি পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে৷ প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগও পৌঁছেছে থানা থেকে জেলাশাসক পর্যন্ত। 
    এইসব গোলমালে আলতাপুর স্কুলের উন্নয়ন, পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল সব গোল্লায় যেতে বসেছে বলে বিরোধী দলের স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ। স্কুল পরিচালন সমিতির সদস্যরা একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন প্রকাশ্যেই। তাদের এক পক্ষের দাবি, হিসেব চাইতেই পরিচালন সমিতির সদস্যকে মারধর করেছেন অন্যজন। 

    স্কুল চালাতে সমস্যা হচ্ছে, স্বীকার প্রধান শিক্ষকের

    প্রধান শিক্ষক অবশ্য দাবি করেছেন, স্কুলের সবকিছু চলছে নিয়ম মেনেই। তবে গোলমালের কথা স্বীকার করেছেন তিনি এবং সেই গোলমালে স্কুল চালাতে সমস্যার কথাও গোপন করেননি তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই মিটতে পারত। যেহেতু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পরিচালন সমিতির সদস্য লিখিত অভিযোগ করেছেন, তাই তিনিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সবটা লিখিত আকারে জানাবেন। সব মিলিয়ে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘি ব্লকের আলতাপুর হাইস্কুলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য বিভিন্ন মহলে। 

    অভিযোগ থানা এবং জেলাশাসককেও

    করণদিঘির আলতাপুর হাইস্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি ও অন্য দুই সদস্যর মধ্যে মারামারির ঘটনায় চলতি মাসের ২ তারিখ করণদিঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পরিচালন সমিতির সদস্য আবু তাহিরের স্ত্রী। অভিযোগ, স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি মহাঃ হানিফ তাঁর স্বামী আবু তাহিরকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। ওই ঘটনায় আহত আবু তাহির রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপরে চলতি মাসের ৫ তারিখ আবু তাহির ও স্কুল পরিচালন সমিতির আরও ২ সদস্য জেলাশাসক সহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, স্কুলে মিড-ডে-মিল ঠিকভাবে খাওয়ানো হয় না। পুষ্টির খাবারও সঠিকভাবে দেওয়া হয় না পড়ুয়াদের। পাশাপাশি স্কুলের পরিচালন সমিতির কোনও বৈঠক হয় না কোনওদিন। এই সমস্ত বেনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান তাঁরা। শুধু তাই নয়, পড়ুয়া ভর্তি বা মিড ডে মিল (Mid Day Meal)-সব ক্ষেত্রেই অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করে তাঁদের অন্ধকারে রেখেই পরিচালন সমিতির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের দুজনের যোগশাজশেই স্কুলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষত মিড-ডে-মিলে অবৈধ কারবার চলছে বলে অভিযোগ। 

    কী বলছেন পরিচালন কমিটির সভাপতি ? 

    যদিও মিড-ডে-মিলের (Mid Day Meal) টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তে সায় না দেওয়াতেই এই চক্রান্ত বলে পাল্টা দাবি করেন অভিযুক্ত পরিচালন সমিতির সভাপতি মহাঃ হানিফ। তাঁর দাবি, মিড-ডে-মিলের টাকা হাতানোর ছক ছিল অভিযোগকারীদের।

    আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপির

    তবে সব মিলিয়ে পরিচালন সমিতির অন্দরে এই বচসা বা তীব্র দ্বন্দ্বে স্কুলের একটা বড় ক্ষতি হতে বসেছে এবং তার প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়ুয়াদের উপর পড়ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের মাদার এবং যুব সংগঠনের দুই নেতা মিড-ডে-মিলের টাকার বখরা নিয়ে গোলমাল পাকানোয় আলতাপুর হাইস্কুলের উন্নয়ন, পড়াশোনা ও মিড-ডে-মিল (Mid Day Meal) গোল্লায় যাচ্ছে। প্রশাসনকে সক্রিয় হয়ে সবটা সামাল দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। যদি প্রশাসন সঠিক ভুমিকা গ্রহণ না করে, তবে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    Amit Shah: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) আপাতত তিহাড় জেলের বাসিন্দা। শুক্রবার সেই জেলায়ই সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পরের দিন দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিণীর মন্দিরে পুজো দিয়ে ফিরবেন দিল্লি। শুক্রবার পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বঙ্গ বিজেপির সঙ্গে আলোচনায়ও বসতে পারেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে সাজ সাজ রব গেরুয়া শিবিরে। জানুয়ারি মাসে এ রাজ্যে আসার কথা ছিল অমিত শাহের। শেষমেশ বাতিল হয়ে যায় বঙ্গ সফর। তখনই জানিয়েছিলেন বাজেট অধিবেশনের পর আসবেন। সেই মতো চলতি সপ্তাহের শেষে দু দিনের সফরে বাংলায় আসছেন তিনি।

    অমিত শাহ (Amit Shah)…

    তাঁর এই সফরকে কাজে লাগাতে শুক্রবার বীরভূমের সিউড়িতে সভা করার কথা তাঁর (Amit Shah)। ওই দিন রাতে কলকাতায় ফিরে করবেন কোর কমিটির বৈঠক। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বকে। দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে শাহের এই বাংলা সফর যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। কেন সিউড়িতেই সভা হবে শাহের? বিজেপির একটি সূত্রের খবর, বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বীরভূম লোকসভা আসনটির দিকে নজর রয়েছে পদ্ম শিবিরের। তাই জেলায় সংগঠন চাঙা করাই লক্ষ্য বিজেপি নেতৃত্বের। জনসভার বদলে ওই দিন সিউড়িতে শাহ কর্মিসভাও করতে পারেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: কেষ্টর গড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল রাজ্য বিজেপির নেতাদের। প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে না পারায় সেই বৈঠক হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) সঙ্গে। সেই বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছিল সিএএ প্রসঙ্গ। রাজ্য বিজেপির কয়েকজন নেতা শাহের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বাংলায় সিএএ কবে চালু হবে? সেই সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ১০-১৫ দিন অপেক্ষা করতে। সেই সময়সীমাও পার হয়ে যাবে শুক্রবার। তাই ওই জনসভায় সিএএ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু বলেন কিনা, এখন তাই দেখার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগে রেড রোডে আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে দু দিনের ধর্নায়ও বসেন তৃণমূল নেত্রী। সিউড়ির জনসভায় সে সম্পর্কেও কিছু বলতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Special Team: আসছেন ৭ অভিজ্ঞ অফিসার! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গতি আনতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স সিবিআই-এর

    CBI Special Team: আসছেন ৭ অভিজ্ঞ অফিসার! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গতি আনতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গতি আনতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (Special Task Force) গড়তে চলেছে সিবিআই (CBI)। সেই সূত্রে দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে কলকাতার সিবিআই দফতরে পাঠানো হচ্ছে সাত জন সিবিআই আধিকারিককে। এর মধ্যে এক জন এসপি, তিন জন ডিএসপি, দু’জন ইন্সপেক্টর, এক জন সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক রয়েছেন। 

    কেন এই দল?

    সিবিআই সূত্রে খবর, নয়াদিল্লি, বিশাখাপত্তনম, রাঁচি, ধানবাদ, ভুবনেশ্বর এবং ভোপালের সিবিআই দফতর থেকে সাত জন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিককে (CBI Special Team) কলকাতায় পাঠানো হচ্ছে। শীঘ্রই এই সাত আধিকারিককে নিজাম প্যালেসের দুর্নীতি দমন শাখায় যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩০মে পর্যন্ত অর্থাৎ আগামী দু’মাসের জন্য এই সাত আধিকারিককে কলকাতার সিবিআই দফতরে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন সময় বিচারকের সামনে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় সিবিআইকে। তদন্ত কবে শেষ হবে? বার বার সিবিআইকে বিচারকের এই প্রশ্নর মুখে পড়তে হয়। তাই এবার তদন্তে গতি আনতে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করল।

    আরও পড়ুন: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    কারা আছেন দলে?

    সিবিআই সূত্রে খবর, নিজাম প্যালেস থেকে নয়াদিল্লিতে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তে আরও অনেক সাক্ষ্যপ্রমাণ উঠে আসছে। সামনে আসছে আরও নতুন নতুন নাম। আর সেই কারণেই তদন্তের সুবিধার্থে আরও আধিকারিকদের কলকাতায় পাঠানোর আবেদন জানানো হয়েছিল নিজাম প্যালেসের তরফে। এই সাতজনের মধ্যে রয়েছেন নিউ দিল্লি ইও-৩-এর এসপি কল্যাণ ভট্টাচাৰ্য, বিশাখাপত্তনম ডিএসপি সিবিআই এসিবি-এর সঞ্জয় কুমার সামল, ভুবেনশ্বর সিবিআই সিএসপি ইও -৭-এক গিরিশ কুমার প্রধান, রাঁচি ডিএসপি ইওবি সিবিআই কৃষ্ণ কুমার সিং, ভুপাল সিবিআই-এর এসিবি ইন্সপেক্টর প্রদীপ কুমার প্যাটেল, বিশাখাপত্তনমের এসিবি সিবিআই ইন্সপেক্টর অজয় কুমার তুম্মলা, ধানবাদ এসিবি সিবিআই সাব ইন্সপেক্টর অবিনাশ কুমার। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে (Recruitment Scam) সিবিআই ও ইডি সমান্তরাল ভাবে তদন্ত করছে। যা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেকটাই। সেসবকে এক সুতোয় বাঁধতে সিবিআই -এর (CBI Special Team) এই দল, বলে অনুমান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gajan: চৈত্র শেষে গাজন উৎসবে মেতে উঠেছে গ্রাম বাংলা, জানুন এর ঐতিহ্য ও তাৎপর্য

    Gajan: চৈত্র শেষে গাজন উৎসবে মেতে উঠেছে গ্রাম বাংলা, জানুন এর ঐতিহ্য ও তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের শেষবেলায় গ্রাম বাংলা মেতে উঠেছে গাজনে (Gajan)। বোলান গানের সুরে দেবাদিদেব মহাদেবের স্মরণ ও পুজো এই বাংলার বহু প্রাচীন রীতি। কত প্রচলিত ছড়া জুড়ে রয়েছে গাজনকে (Gajan) ঘিরে— 

    ‘আমরা দুটি ভাই, শিবের গাজন গাই
    ঠাকুমা গেছে গয়া কাশী 
    ডুগডুগি বাজাই…’

    গাজন (Gajan) শব্দের মানে কী ?

    গবেষকদের মতে, গা শব্দের অর্থ হল গ্রাম। এবং জন মানে জনগণ। বিশ্বাস মতে, এই সময় হর কালীর বিবাহ হয়েছিল। শিব হলেন জনগণের দেবতা। গ্রামের জনগণ সবাই দেবতার বিয়েতে বরযাত্রী যাওয়ার উদ্দেশে সমবেত হন। আবার অন্য একটি মত হল, গাজন (Gajan) শব্দটি এসেছে ‘গর্জন’ থেকে। অনেকে বলেন, সন্ন্যাসীদের হুঙ্কারই শিবসাধনায় গাজন নামে প্রচলিত হয়। বাংলার মঙ্গলকাব্যেও গাজনের উল্লেখ মেলে। ধর্মমঙ্গল কাব্যে রাণী রঞ্জাবতী ধর্মকে তুষ্ট করতে গাজন (Gajan) পালন করেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। গাজন বা চরক শুধুই শিবের আরাধনা হলেও এই উৎসব পালিত হয় ধর্মরাজকে ঘিরেও। আর দুই দেবতার পুজোতেই জাতপাতের ভেদাভেদ ভেঙে যে কেউ অংশ নিতে পারে। এটাই বাংলার সংস্কৃতি। নানা ধরণের প্রচলিত লোককথা রয়েছে গাজন (Gajan) নিয়ে। শোনা যায়, শিবভক্ত বান রাজা ইষ্ট দেবতাকে তুষ্ট করতে কঠিন কৃচ্ছ্বসাধনের মধ্য দিয়ে তপস্যা করেন। সেই সূত্র ধরেই চড়কের শিবভক্ত সন্ন্যাসীরা আজও বান ফোঁড়ান, নানা ধরনের ঝাঁপ দেন। যা বেশির ভাগই অত্যন্ত কষ্টের। থাকে নানা অদ্ভূত আচার। জীবনের ঝুঁকিও নেন সন্ন্যাসীরা। বাংলার কোথাও কোথাও গাজনে (Gajan) নরমুণ্ড নিয়ে নাচও দেখা যায়।

    পুরাণেও উল্লেখ রয়েছে গাজনের (Gajan)

    পুরাণেও রয়েছে গাজনের উল্লেখ। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে রয়েছে– ‘‘চৈত্র মাস্যথ মাঘেবা যোহর্চ্চয়েৎ শঙ্করব্রতী। করোতি নর্ত্তনং ভক্ত্যা বেত্রবানি দিবাশিনম্।। মাসং বাপ্যর্দ্ধমাসং বা দশ সপ্তদিনানি বা। দিনমানং যুগং সোহপি শিবলোক মহীয়তে।।’’ অর্থাৎ, চৈত্র মাসে কিংবা কোনও শিবভক্ত যদি মাঘ মাসে এক, সাত, দশ, পনেরো কিংবা তিরিশ দিন বেতের লাঠি হাতে নিয়ে নৃত্য করেন তবে তাঁর শিবলোক প্রাপ্ত হয়।

    গাজন (Gajan) উৎসব

    গ্রামবাংলার পাশাপাশি শহরাঞ্চলেও এখন গাজনের ছবি দেখা যায়। চৈত্র মাসের শুরু থেকেই ধ্বনিত হয় ‘ভোলে বাবা বুড়ো শিব…’। গৃহীরাই সন্ন্যাস নেন। সারাদিন সন্ন্যাসীরা পথে পথে ঘুরে ভিক্ষা করেন। দিনভর উপবাসের পরে ভিক্ষায় মেলা চাল, সবজি রান্না করে খান।

    বিভিন্ন প্রান্তে গাজনের আঞ্চলিক বৈচিত্র দেখা যায়। কোথাও মুখোশ নৃত্য, কোথাও প্রতীকী শিবলিঙ্গ মাথায় নিয়ে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে পথ পরিক্রমা করেন ব্রতধারী সন্ন্যাসীরা। অনেক জেলায় আবার এই সময়ে কালীনাচ দেখা যায়।

    গাজন অংশ হিসেবেই পরের দিন পালিত হয় নীল পুজো। সনাতন সংস্কৃতি মেনে সন্তানের মঙ্গল কামনায় গাজন সন্ন্যাসীদের ফল, আতপচাল, ও অর্থ দান করেন মায়েরা। অনেকে গোটা দিন উপবাস করে শিবের পুজো দেন। কেউ দিনের শেষে সাবু মাখা খান, কেউ রুটি, লুচি। আর চৈত্রের একেবারে শেষ দিনে উদ্‌যাপিত হয় চড়ক। গাজনতলায় হয় চড়কগাছের পুজো। চড়কগাছ মানে একটি লম্বা কাঠের দণ্ড। তার উপরে অনেকটা উঁচুতে আংটায় ঝুলে থাকা জনা সন্ন্যাসীরা ক্রমাগত ঘুরপাক খান। এ দৃশ্য খোদ কলকাতাতেও দেখা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: নববর্ষে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি! কিছুদিন চলবে পোড়া গরম, বৃষ্টি নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    Weather Report: নববর্ষে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি! কিছুদিন চলবে পোড়া গরম, বৃষ্টি নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কে বলবে তিনমাস আগেও শীতকাল ছিল! লেপ কম্বল মুড়ি দিয়ে থাকতে হতো। শেষ চৈত্রের তাপপ্রবাহ সেসব ভুলিয়ে দিয়েছে। আর ক’দিন পরে বাঙালি মেতে উঠবে নতুন বছরকে বরণ করতে। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রার পারদ চড়বে বলছেন আবহাওয়াবিদরা। সপ্তাহের প্রথম দিনেই চল্লিশ ছুঁয়ে ফেলতে পারে পশ্চিমাঞ্চলের পারদ। সপ্তাহের মাঝামাঝি চল্লিশের ঘরে ঢুকতে পারে কলকাতার তাপমাত্রাও। সংক্রান্তি, নববর্ষ– দু’দিনই ৪০-৪১ এমনকী ৪২ ডিগ্রির গরমও সইতে হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকাকে। জলীয় বাষ্প তলানিতে। তাই তপ্ত মাটি ভেজার কোনও সম্ভাবনা আপাতত নেই। শুকনো গরমের একচ্ছত্র দাপট চলবে।

    কী বলছেন আবহাওয়াবিদরা (Weather Report)

    আবহাওয়াবিদরা জানিয়ে দিয়েছেন, সোমবার থেকেই রাজ্যে বাড়বে গরম। ৬-৭ জেলায় স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি থাকতে পারে তাপমাত্রা। কলকাতার পারদ ছুঁতে পারে ৪০ ডিগ্রি। ১০ থেকে ১৫ এপ্রিল গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরে হতে পারে তাপপ্রবাহ। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা বীরভূম, বাঁকু়ডা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামের মতো জেলাগুলিতে। এছাড়াও দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের তাপমাত্রাও বাড়তে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির দেখা না মিললেও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে, এমনটাই বলছে হাওয়া অফিস। রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবারও কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। 

    আপাতত নেই বৃষ্টির সম্ভাবনাও

    আবহাওয়াবিদরা জানিয়ে দিয়েছেন, আগানী পাঁচ দিন বাংলায় বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। উল্টে বাড়বে তাপপ্রবাহ। চলতি সপ্তাহে পশ্চিমাঞ্চল, উপকূল সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও তাপপ্রবাহের আশঙ্কা থাকছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, ১২ ও ১৩ তারিখ কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছবে ৩৯ ডিগ্রিতে। তারপরে তা ছুঁতে পারে ৪০ ডিগ্রির ঘরও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Accident: ফের বেপরোয়া গতি! দমদম পার্ক মোড়ে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত ৫

    Kolkata Accident: ফের বেপরোয়া গতি! দমদম পার্ক মোড়ে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের কলকাতায় (Kolkata Accident) ফের বেপরোয়া গতির বলি পাঁচ জন। রবিবার মধ্যরাতে লেকটাউন থানা এলাকার দমদম পার্ক (Dumdum Park) মোড়ে ভয়াবহ একটি পথ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক মহিলা সহ তিন জনের। সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির পিছনে দ্রুত গতিতে আসা একটি প্রাইভেট গাড়ি ধাক্কা মারে। একই সঙ্গে ধাক্কা মারে একটি বাইকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই প্রাইভেট গাড়িটিতে এক মহিলা সহ চার জন ছিল। বাইকে ছিল দুজন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি একজন। 

    পরিচয় অজানা

    জানা গিয়েছে, রবিবার রাত দেড়টা নাগাদ দমদম পার্ক (Kolkata Accident) মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যালের লাল আলো দেখে থামে একটি লরি। সেই সময়ই পিছন থেকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে আসছিল একটি এসইউভি গাড়ি। বেপরোয়া গতিতে থাকা ওই চারচাকাটি প্রথমে একটি বাইকে ধাক্কা মারে। রাস্তায় ছিটকে পড়েন বাইক চালক। তারপরই এসইউভি গাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকা ওই লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। যার জেরে চারচাকার সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। সামনের কাচ ভেঙে ছড়িয়ে পড়ে। বনেটের উপর ছিটকে পড়েন সামনের আসনে বসা মহিলা ও গাড়ির চালক। দুর্ঘটনার পর থেকে লরিটির আর কোনও খোঁজ মেলেনি। এখনও পর্যন্ত মৃত বা আহত কারোরই পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    তদন্তে লেকটাউন থানার পুলিশ

    ঘটনার তদন্তে নেমেছে লেকটাউন থানার পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে দুর্ঘটনার সময়ে দমদম পার্ক (Kolkata Accident) মোড়ের সিসিটিভি ফুটেজ। রাস্তায় বসানো স্পিড মিটারগুলি পরীক্ষা করে এই গাড়ির গতিবেগ কত ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সোমবার গাড়ির ফরেন্সিক পরীক্ষা হওয়ার কথা। পুলিশ সূত্রে খবর ও স্থানীয়দের দাবি ওই চারচাকা প্রাইভেট গাড়িতে থাকা প্রত্যেকে মদ্যপ অবস্থায় ছিল। অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল তারা। আর তার জেরে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরেই সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা লরির পেছনে ধাক্কা মারে গাড়িটি। চারচাকা গাড়ি এবং বাইকটিকে লেকটাউন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রত্যেকের পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    গত কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতায় একাধিক দুর্ঘটনা (Kolkata Accident) ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাতের দিকে বা ভোরের আলো ফোটার ঠিক আগে ঘটেছে দুর্ঘটনা। দিনকয়েক আগেই ঠাকুরপুকুর থানার এক পুলিশকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন। ভোরে ডিউটি আসার পথে থানার সামনে তাঁর বাইকে ধাক্কা মারে একটি লরি। কয়েকদিন আগেই চিংড়িঘাটার মোড়েও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল একটি বাস। তার ঠিক আগেই দক্ষিণ কলকাতার সুকান্ত সেতুতে মত্ত অবস্থায় বাইক দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছিল এক তরুণের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    DA Protest: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায়ে বকেয়া ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে আজ, সোমবার থেকে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দু’দিনের অবস্থানে বসছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। একইসঙ্গে কলকাতাতেও আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল, দিল্লিতে ধর্নায় বসবেন ১২০০ ডিএ আন্দোলনকারী। তবে অমিত শাহের মন্ত্রকের শর্তে সেই সংখ্যা কমিয়ে ৫০০ করতে হয়েছে আন্দোলনকারীদের।

    রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিতে অফিসে ছুটি নিয়ে রবিবার সকালেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রায় আড়াইশো জন রাজ্য সরকারি কর্মচারী। আরও শ’তিনেক কর্মী এদিন সকালে পৌঁছেছেন। বকেয়া (DA Protest) আদায়ে আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। মঞ্চ নেতৃত্বের দাবি, সকলেই তাঁদের দেখা করার সময় দিয়েছেন। এ দিকে দিল্লিতে এই অবস্থান চলাকালীনই কাল, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা। সেদিকেও নজর থাকবে ডিএ ধর্নায় অংশ নেওয়া সরকারি কর্মীদের। 

    কড়া পদক্ষেপ নবান্নের!

    এদিকে জানা গিয়েছে, মহার্ঘ ভাতার দাবিতে দিল্লিতে দু’দিনের ধর্নায় অংশ নিতে যাওয়া সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে নবান্ন। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার চিন্তা ভাবনা চলছে উচ্চ পর্যায়ে। তবে তাতে দিল্লি ধর্না কর্মসূচি বাতিল হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্টর গড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে উত্খাতের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য, ‘সরকারি কর্মীরা দিল্লির অবস্থানে গিয়েছেন ছুটি নিয়ে। কলকাতা ময়দানেও তাঁরা ছুটি নিয়েই অবস্থান চালাচ্ছেন।’ কিন্তু নবান্নর কর্তাদের প্রশ্ন, সকলে মিলে এ ভাবে ছুটি নিয়ে সরকার-বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া যায়? সরকারের মত, কর্মচারীদের ধর্নার ফলে সরকারি পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে আমজনতার। তাই ধর্নায় যোগ দেওয়া সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। অপরদিকে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারকে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আন্দোলনকারীদের তরফে ৩ প্রতিনিধি এবং সরকারের তরফে মুখ্যসচিব ও অর্থসচিব সেই বৈঠকে থাকবেন। আগামী ১৭ এপ্রিল সেই বৈঠক হওয়ার কথা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নিকোবর দ্বীপ

    Earthquake: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নিকোবর দ্বীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্র কয়েক ঘণ্টার। তার মধ্যেই পর পর তিনবার ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল নিকোবর (Nicobar) দ্বীপ। রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫.৩। নিকোবর দ্বীপ থেকে ১০ কিমি গভীরে কম্পন অনুভূত হয়েছে। এদিন দুপুর ২টো ৫৯ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয় কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.১। প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয়েছিল দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে।

    ভূমিকম্প (Earthquake)…

    রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৯। শেষবারের মতো কম্পন অনুভূত হয় বিকেল ৪টে নাগাদ। এদিন সন্ধে পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। মার্চ মাসের শুরুতেও একবার কেঁপে উঠেছিল নিকোবর দ্বীপ। রিখটার স্কেলে সেবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৫।

    এদিন ঘণ্টা কয়েকের ব্যবধানে পর পর তিন বার ভূমিকম্প (Earthquake) হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাড়ি ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন অনেকেই। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভূমিকম্প প্রবণ এলাকার মধ্যেই পড়ে। ২০২২ সালের জুলাইয়ের শুরুতে ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ২২ বার কম্পন অনুভূত হয়েছিল। ৬ এপ্রিলও একবার কেঁপে উঠেছিল আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। রাজধানী পোর্টব্লেয়ার থেকে ১৪০ কিমি উত্তর পূর্বে ছিল সেই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল।

    আরও পড়ুুন: ফের প্রকাশ্যে কংগ্রেসের কোন্দল, গেহলটের বিরুদ্ধে অনশনে বসবেন পাইলট

    ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ৪.৯ মাত্রার কম্পনের (Earthquake) উৎস ছিল ক্যাম্পবেল বে-র ২২৮ কিলোমিটার উত্তরে, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। পরের কম্পনটির উৎস ছিল নিকোবর দ্বীপে। এটিরও সূচনা হয় মাটির ১০ কিলোমিটার নিচে। আর বিকেল ৪টের সময় যে ৫.৩ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়, সেটিরও উৎস ছিল নিকোবর দ্বীপে, মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather: উষ্ণতম এপ্রিল! আগামী সপ্তাহে রাজ্যে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা

    Weather: উষ্ণতম এপ্রিল! আগামী সপ্তাহে রাজ্যে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬-র পরে ২০২৩। আবহাওয়াবিদদের মতে, গত সাত বছরে এটাই উষ্ণতম (Weather) এপ্রিল (April) মাস। আগামী রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) সম্ভাবনা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার থেকেই রাজ্যে বাড়বে গরম। ৬ থেকে ৭ জেলায় স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ ডিগ্রি বেশি থাকতে পারে পারদ। কলকাতার পারদ ছুঁতে পারে ৪০ ডিগ্রি। ১০ থেকে ১৫ এপ্রিল গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরে হতে পারে তাপপ্রবাহ।

    আবহাওয়া (Weather)…

    আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার কলকাতার আকাশ ছিল পরিষ্কার। তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে। জলীয় বাষ্প থাকায় বেলা বাড়লে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। আগামী কয়েকদিন শুকনো গরম থাকবে। আগামী সপ্তাহে (Weather) কলকাতাও ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে তাপপ্রবাহের কবলে পড়তে পারে। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, আসানসোল, বোলপুর, মুর্শিদাবাদের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির আশপাশে পৌঁছে গিয়েছে। প্রচণ্ড গরমে গুচ্ছ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুুন: চাকরির নামে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, এবার গ্রেফতার কাঁথির এক শিক্ষক

    হিট স্ট্রোকের মতো সমস্যা এড়াতে কড়া রোদে বাইরে বার হতে গেলে সাদা বা হালকা কোনও রংয়ের পোশাক পরতে হবে। প্রচুর পরিমাণে জলপান করতে হবে। বাইরে বের হলে ছাতা অবশ্যই নিতে হবে। ফার্স্ট ফুড এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। কম তেলমশলাযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। আবহাওয়াবিদদের মতে, গত কয়েক (Weather) বছরের মধ্যে এ বছর মার্চ ছিল শীতলতম। গোটা কয়েক কালবৈশাখীর জেরে অনুভূত হচ্ছিল ঠান্ডা। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় কম। তার জেরে চলতি বছর মার্চ মাসটা স্বস্তিতেই কাটিয়েছেন বঙ্গবাসী। তবে আক্ষরিক অর্থেই মাথার ঘাম পায়ে পড়ছে এপ্রিলে। তার ওপর আগামী সপ্তাহে হতে পারে তাপপ্রবাহ। এমতাবস্থায় দুপুরে ঘরবন্দি থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সকাল সকাল কাজ সেরে ফেলাই ভাল। যাঁদের সে উপায় নেই, তাঁদের প্রিকোশান নিয়েই বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sachin Pilot: ফের প্রকাশ্যে কংগ্রেসের কোন্দল, গেহলটের বিরুদ্ধে অনশনে বসবেন পাইলট

    Sachin Pilot: ফের প্রকাশ্যে কংগ্রেসের কোন্দল, গেহলটের বিরুদ্ধে অনশনে বসবেন পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানে (Rajasthan) ফের প্রকাশ্যে কংগ্রেসের (Congress) ঘরোয়া কোন্দল। চলতি বছরই হবে রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই সচিন পাইলট (Sachin Pilot) ও অশোক গেহলটের দ্বন্দ্বে জেরবার সোনিয়া গান্ধীর দল। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদল হয় রাজস্থানে। এহেন পরিস্থিতিতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেহলট নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে অনশনে বসছেন দলেরই নেতা সচিন পাইলট। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে সচিন বলেন, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়ার দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেনি বর্তমান সরকার। এরই প্রতিবাদে ১১ এপ্রিল প্রতীকী অনশনে বসবেন সচিন।

    সচিন পাইলট (Sachin Pilot) বলেন…

    কংগ্রেসের এই তরুণ নেতা বলেন, আমি যখন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি ছিলাম, তখন থেকেই বসুন্ধরা রাজে সরকারের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলাম। আমি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তবে বিরোধী হিসেবে আমাদের ওপর মানুষ নিশ্চয়ই (Sachin Pilot) বিশ্বাস করেছিলেন। তাই আমরা সরকার গঠন করেছিলাম। এই কারণেই আমি দেড় বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে চিঠি লিখে এই দুর্নীতির তদন্তের দাবি করেছিলাম। তিনি বলেন, কংগ্রেসকে দেখাতে হবে আমাদের কথা ও কাজে কোনও ফারাক নেই।

    সচিন বলেন, ২০২২ সালের ২২ মার্চ আমি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে একটি চিঠি লিখেছিলাম। ওই বছরেরই ২ নভেম্বর আরও একটি চিঠি লিখেছিলাম মুখ্যমন্ত্রীকে। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম যে মানুষ আমাদের বিশ্বাস করেছিল বলেই ২১ থেকে ১০০টি আসন দিয়েছিল। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার সিবিআই এবং ইডির অপব্যবহার করছে। সেখানে আমাদের সরকার কোনও এজেন্সিকেই কাজে লাগাচ্ছে না দুর্নীতির তদন্ত করার জন্য।

    আরও পড়ুুন: পুঞ্চে ফের অনুপ্রবেশের চেষ্টা, সেনার গুলিতে খতম জঙ্গি, বাকিদের খোঁজে তল্লাশি

    সচিনের অভিযোগ, বিরোধী আসনে থাকাকালীন গেহলট নিজেও বসুন্ধরা রাজে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। ক্ষমতায় আসার আগে ওই সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা নিয়ে কোনও কথা বলেননি তিনি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই সচিনকে (Sachin Pilot) গদ্দার বলে কটাক্ষ করেছিলেন গেহলট। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনের সময়ও রাজস্থান কংগ্রেসের অন্দরে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল বিভাজন। গেহলটকে প্রথমে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। পরে অবশ্য তাঁকে বাদ দেওয়া হয় প্রার্থীর তালিকা থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share