Blog

  • DA Protest: যন্তর-মন্তরে ধর্না, রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জি! ডিএ-র দাবিতে দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা

    DA Protest: যন্তর-মন্তরে ধর্না, রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জি! ডিএ-র দাবিতে দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায়ে ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে এবার দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। দিল্লির যন্তরমন্তরে কয়েকশো আন্দোলনকারী ১০ এবং ১১ এপ্রিল বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ধর্না দেবেন। কলকাতায় শহিদ মিনারের নীচেও কর্মসূচি চলবে। যন্তর মন্তরে ধর্না কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, প্রায় ৫০০ জন সরকারি কর্মচারী হাওড়া রাজধানী আর শিয়ালদহ রাজধানী ধরে দিল্লি যাবেন। হাওড়া দিয়ে ২০০ জনের মতো যেতে পারেন। আন্দোলনের মূল নেতা ভাস্কর ঘোষও সম্ভবত হাওড়া দিয়েই যাবেন৷ যাত্রা চলবে আগামিকালও। রাজধানীতে ধর্না কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তাঁরা। একই সঙ্গে কেন্দ্রের নিয়ম মেনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা। রাষ্ট্রপতির কাছে নিজেদের ন্যায্য দাবির (DA Protest) কথা তুলে ধরবেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, দিল্লি গিয়ে রাষ্ট্রপতি ছাড়াও উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাছে ডেপুটেশন দেবেন সরকারি কর্মচারীরা।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমতি

    শহিদ মিনার চত্বরে টানা ৪৪ দিন ধর্নার পরেও সরকারের কাছ থেকে বকেয়া ডিএ (DA Protest) নিয়ে আশার আলো দেখতে পায়নি রাজ্য সরকারি কর্মীরা। অন্যান্য রাজ্যের মহার্ঘ্য ভাতার অঙ্ক তুলনায় বেশি হলেও এ রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তা কেন্দ্রীয় হারের তুলনায় অনেকটাই কম। এই অভিযোগে শহিদ মিনারের নীচে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবি সহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে এক ছাতার তলায় আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মচারীরা। এবার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নার অনুমতি দিল অমিত শাহের মন্ত্রক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সেই অনুমতি মেলার পরেই আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে এবার রাজধানী সফরের তোড়জোড় তুঙ্গে এরাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের একাংশের।  

    আরও পড়ুন: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    সম্প্রতি ডিএ (DA Protest) ইস্যু নিয়ে রাজ্যকে বিশেষ নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে যৌথ মঞ্চের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে রাজ্য সরকারকে। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, “ডিএ আবেদন নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। সরকারের সঙ্গে ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা শুরু হওয়া উচিত। আন্দোলনকারীদের তরফে ৩ জন থাকতে পারেন। সরকারের তরফে মুখ্যসচিব বা এই স্তরের আধিকারিক আলোচনায় থাকুন।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, রাজ্যে আরও বাড়বে তাপমাত্রা  

    Weather Update: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, রাজ্যে আরও বাড়বে তাপমাত্রা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭২ ঘণ্টায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়বে রাজ্যের তাপমাত্রা (Weather Update)। পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় এই বৃদ্ধির হার আরও সামান্য বাড়তে পারে। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত কলকাতার তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে ৩৯ ডিগ্রির কোঠায় পৌঁছাবে। ১৪ তারিখের পর তা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলতে পারে। শুক্রবার বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি। রাতের দিকে তাপমাত্র ছিল ২৩ ডিগ্রির আশেপাশে।

    তাপমাত্রা (Weather Update)…

    কেবল দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও আপাতত বৃষ্টির সম্ভবনা নেই। রবিবার শুধু দার্জিলিং জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি রাজ্যে শুষ্ক গরম। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তপ্ত বাতাস বইতে পারে। চৈত্রের শেষ তো বটেই, বাংলা নববর্ষেও তাপপ্রবাহের আশঙ্কা গোটা রাজ্যে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানান আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের বিজ্ঞানী দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী বুধবার থেকে শনিবার কলকাতায়ও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘরে।

    আরও পড়ুুন: সাত রাজ্যে টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র, কর্মসংস্থান হবে ২০ লক্ষ তরুণের

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দুই পর্যায়ে বাড়বে তাপমাত্রা। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। তিন-চার দিনে তা বাড়তে পারে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১০ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলা সহ উপকূল সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গের মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বাড়বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বাংলার ছয় থেকে সাতটি জেলায় স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বা তারও বেশি বাড়তে পারে তাপমাত্রা। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। জানা গিয়েছে, রাজ্যে থাকবে গরম ও শুকনো আবহাওয়া।

    উধাও হবে এ রাজ্যে যে ধরনের আর্দ্রতাজনিত (Weather Update) অস্বস্তি থাকে, তা। আগামী সপ্তাহে কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে গরমের জেরে ত্বকে জ্বালা ভাব আসতে পারে। সূতির জামা ও বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত যতটা কম সম্ভব বাইরে বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Droupadi Murmu: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানে চেপে ‘সর্টি’তে গেলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu)। পরনে জলপাই রঙের ‘ফ্লাইট স্যুট’। মাথায় ব্যালিস্টিক হেলমেট। শনিবার এই অচেনা সাজেই দেখা গেল রাষ্ট্রপতিকে। ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে সুখোই ওড়ালেন তিনি। এর আগে এপিজে আবদুল কালাম এবং প্রতিভা পাতিল রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন এই কাজ করেছিলেন। 

    ৩০ মিনিট সুখোই সফর

    রাষ্ট্রপতির পদাধিকার বলে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক দ্রৌপদী (President Droupadi Murmu) শনিবার অসমের তেজপুরে ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানেই সুখোই-৩০ এমকেআই-এর দু’আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান ওড়ান তিনি। জলপাই রঙের পোশাক এবং সঙ্গে ব্যালিস্টিক হেলমেট পরে ৩০ মিনিট ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার ওপর সুখোইতে চেপেয় ওড়েন রাষ্ট্রপতি। বিমান থেকে সুদূর হিমালয়ের শৃঙ্গমালাও দর্শন করেন রাষ্ট্রপতি। সহকারী পাইলটের আসনে ছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান চালক। তেজপুর ঘাঁটির পরিদর্শক খাতায় রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘‘এমন উড়ানের ব্যবস্থা করার জন্য আমি তেজপুরের বিমান ঘাঁটির সমস্ত সেনাদের অভিনন্দন জানাই।’’

    আরও পড়ুন: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    অসাধারণ অভিজ্ঞতা

    সুখোই সফরের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি (President Droupadi Murmu) ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‘ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিশালী সুখোই-৩০-এমকেআই যুদ্ধবিমানে ওড়া আমার কাছে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। এটা গর্বের বিষয় যে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষমতা আজ জল, স্থল এবং অন্তরীক্ষে সুদৃঢ় ভাবে প্রসারিত।’’

    জানা গিয়েছে, সুখোই-৩০ এমকেআই-এর দু’আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমানে চেপেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu)। এর আগে ২০০৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল মহারাষ্ট্রের পুণে বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে সুখোই যুদ্ধবিমানে চেপেছিলেন। তাঁরপর দেশের দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে আজ সুখোইতে চাপলেন দ্রৌপদী মুর্মু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM MITRA Scheme: সাত রাজ্যে টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র, কর্মসংস্থান হবে ২০ লক্ষ তরুণের

    PM MITRA Scheme: সাত রাজ্যে টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র, কর্মসংস্থান হবে ২০ লক্ষ তরুণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সাতটি মেগা টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র। পিএম মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল রিজিয়নস ও অ্যাপারেল স্কিমে (PM MITRA Scheme) ওই মেগা টেক্সটাইল পার্কগুলি হবে। সেগুলি হবে দেশের সাতটি রাজ্যে। যে সাতটি রাজ্যে এই পার্কগুলি হবে, সেগুলি হল তামিলনাড়ু, তেলঙ্গনা, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তর প্রদেশ। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, এই পার্কগুলি রাজ্যের টেক্সটাইল ক্ষেত্রে পরিকাঠামো সরবরাহ করবে। কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ টানবে। কর্মসংস্থান হবে লক্ষ লক্ষ তরুণের।

    পিএম মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল রিজিয়নস ও অ্যাপারেল স্কিমে (PM MITRA Scheme)…

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে এই স্কিমের (PM MITRA Scheme) কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে পার্কগুলি। এই প্রজেক্টগুলির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা। যদিও ২০২৩-২৪ সালের বাজেটে এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিএম মিত্র মেগা টেক্সটাইল পার্কগুলি টেক্সটাইল সেক্টরগুলিকে এক সারিতে নিয়ে আসবে। ফার্ম থেকে ফাইবার থেকে ফ্যক্টরি থেকে ফ্যাশন থেকে ফরেন ভিশনে এই প্রকল্প হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, কেন্দ্রের আসা সাত রাজ্যের এই সাতটি পার্কে বিনিয়োগ হতে পারে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের। পার্কগুলিতে একই সঙ্গে মিলবে ইন্টগ্রেটেড টেক্সটাইল ভ্যালু চেইন, স্পিনিং, বুনন, প্রসেসিং, পোশাক রাঙানো এবং পোশাক প্রিন্টিং।

    আরও পড়ুুন: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    গোয়েল বলেন, দেশে টেক্সটাইল (PM MITRA Scheme) ইন্ডাস্ট্রি অসংগঠিত। যার ফলে দেশের টেক্সটাইল সেক্টরের ক্ষতি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই যে স্কিম, তাতে সমাধান হবে অনেক সমস্যার। টেক্সটাইল সেক্রেটারি রচনা শাহ বলেন, স্বচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের সাতটি জায়গায় সাতটি টেক্সটাইল পার্ক গড়ে উঠবে। ১৩টি রাজ্য থেকে ১৮টি প্রস্তাব এসেছিল। তার মধ্যে বেছে নেওয়া হয়েছে সাতটি রাজ্যকে। গোয়েল বলেন, পার্কগুলি গড়তে রাজ্য সরকার কম পক্ষে ১০০০ একর জমি বিনামূল্যে সরবরাহ করবে। জল এবং বিদ্যুৎও সরবরাহ করা হবে। তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে ওই স্কিমের জন্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারে যুবরাজের সভার জন্য টেন্ডার ডেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল সরকার! এ কোন রাজত্ব?

    Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারে যুবরাজের সভার জন্য টেন্ডার ডেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল সরকার! এ কোন রাজত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর ঘাসফুলের ব্যাটন এখন তাঁর হাতে। তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকও (Abhishek Banerjee), পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতিও তিনিই। দলে বর্ষীয়ান সাংসদরা থাকলেও যুবরাজ থাকলে কারও নাকি কথা বলারই সাহস থাকে না, এমনটাই জনশ্রুতি। অভিষেক (Abhishek Banerjee) কোনও জেলা সফরে গেলে পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাদের থরহরিকম্প অবস্থা হয়। সভায় যাওয়ার রাস্তা খারাপ থাকলে প্রশাসন সঙ্গে সঙ্গে সেই রাস্তা মেরামত করে দেয়। 

    ২৯ মার্চ কী  ছিল শহিদ মিনারে?

    এবার ২৯ মার্চ কলকাতার শহিদ মিনারে যুব তৃণমূলের সভার আয়োজন ছিল। রাজ্যের সমস্ত জেলার ছাত্র, যুব এবং মাদারের কর্মীরা সেই সভায় হাজির হয়েছিলেন। আর সভার প্রধান বক্তা ছিলেন তৃণমূলের এই যুবরাজ (Abhishek Banerjee)। ফল যা হওয়ার, তাই-ই হয়েছে। পার্টির প্রোগ্রাম, ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সরকার। তাঁর সভার ব্যারিকেড, এমনকী অস্থায়ী প্যান্ডেল তৈরির জন্য টেন্ডার ডেকে দেয় খোদ পূর্ত দফতর। পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে যেভাবে টেন্ডার ডেকে যুবরাজের (Abhishek Banerjee) সভার পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, সেই বিষয়টি সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সভার আয়োজন প্রশাসন কী করে করতে পারে, তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। যদিও প্রশাসনের সাফাই, নিরাপত্তার স্বার্থেই যা করার করা হয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের মিটিংয়ের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেখা যাক, টেন্ডারে কী রয়েছে?

    অনুষ্ঠানের আগেই শহিদ মিনার ও রেড রোড চত্বরে অস্থায়ী প্যান্ডেল, ব্যারিকেড, বাফার ব্যারিকেড এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার তৈরির জন্য টেন্ডার ডাকা হয়। ২৫ মার্চ এই টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। নোটিশে শুধু ২৯ মার্চ শহিদ মিনারে অস্থায়ী প্যান্ডেলসহ পরিকাঠামো তৈরির কথা বলা হয়। কোনও দলের উল্লেখ নেই। তবে, ওইদিন যুবরাজের সভা ছাড়া শহিদ মিনারে আর কোনও কর্মসূচি ছিল না। ফলে, নোটিশে উল্লেখ না থাকলেও অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভার জন্যই যে এই আয়োজন করা হয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। এই ধরনের সভার জন্য দলীয় ফান্ড থেকেই খরচ করে প্যান্ডেল তৈরি করার কথা। তাহলে সরকারি টাকা খরচ করে দলীয় সভার আয়োজন করা হল কেন? উত্তর নেই। স্বাভাবিকভাবেই দলীয় সভার জন্য টেন্ডার ডাকায় পূর্ত দফতরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    রাস্তার জন্য মাথা খুঁড়ে মরছেন বাসিন্দারা। আর….!!

    সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগেই রাজ্যের একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় বেহাল রাস্তার জন্য গ্রামবাসীরা ভোট বয়কটের ডাক দিচ্ছেন। শুক্রবারই মালদহের গাজোলে রাস্তা না হওয়ায় বহু বাসিন্দা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজ্য জুড়ে অনুন্নয়নের ছবি সামনে আসছে। সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে দলীয় সভার প্যান্ডেল করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, দলীয় সভার জন্য পূর্ত দফতর এই ধরনের উদ্যোগ কি নিতে পারে? সরকারি টাকা জনগনের কাজে ব্যবহার হবে। তা না করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতাকে তুষ্ট করতে আসরে নেমেছে সরকার। এই রাজ্যে এতদিন দলদাস ছিল পুলিশ। এখন প্রশাসনও দলদাসে পরিণত হয়েছে। বাংলার মানুষ এই ধরনের ঘটনার সাক্ষী আগে কখনও হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    Anubrata Mondal: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় তিহাড় জেলে রয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর সঙ্গে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকে (Sukanya Mondal) মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চাইছে ইডি। তবে ইডির নাগাল এড়িয়ে চলছেন সুকন্যা। মার্চ মাসে প্রথমে তলব করা হয় অনুব্রতকে। সেবার হাজিরা এড়ান তিনি। প্রথমবার আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে আরও কিছু দিন সময় চেয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার ফের ইডি তলব করে সুকন্যাকে। নোটিশ পেয়েও ইডি দফতরে হাজিরা দেননি তিনি। তারপর আবার এবার তলব করা হল কেষ্ট-কন্যাকে। সোমবার তাঁকে দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গ্রেফতার হওয়া অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট মণীশ কোঠারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। নতুন কিছু সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে। এর সবেই নাম রয়েছে সুকন্যার। সেসব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ফের তলব করা হয়েছে সুকন্যাকে। জানা গিয়েছে, সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলিকে দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁকে আপাতত দিল্লির বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তাঁকে যে কোনও সময় তলব করা হতে পারে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    ইডির আগে সুকন্যাকে দিল্লিতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেটা ছিল গত বছরের অগাস্ট মাস। সিবিআইয়ের দাবি, সেবার বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল সুকন্যার কাছে। সিবিআই সূত্রে খবর, সুকন্যা কোনও সদুত্তর দেননি। তিনি জানিয়েছিলেন, সম্পত্তি সংক্রান্ত সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন তাঁর বাবা (Anubrata Mondal) ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি সূত্রে খবর, সেই কারণেই কেষ্ট ও তাঁর মেয়ে সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। তদন্তকারীদের ধারণা, তাতেই জানা যাবে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির উৎস কী। তবে সোমবারও যদি ইডির নাগাল এড়ান সুকন্যা, তাহলে বিলম্বিত হতে পারে পিতা-পুত্রীকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনা। এখন দেখার, এবারও সুকন্যা ইডির নাগাল এড়ান কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেকেন্দ্রাবাদ রেলওয়ে স্টেশন থেকে সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার সকালে তেলঙ্গানায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। এদিন তেলঙ্গানায় মোট ১১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকার বড় প্রজেক্টের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    থাকছেন না কে সি রাও

    মোদি (Narendra Modi) তেলঙ্গানায় থাকলেও তাঁর কোনও অনুষ্ঠানেই অংশ নিচ্ছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (K. Chandrashekar Rao)। প্রধানমন্ত্রী হায়দরাবাদের বেগুমপেত বিমানবন্দরে এলেও তাঁকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন  না মুখ্যমন্ত্রী কেসি রাও। মোদির অনুষ্ঠান কার্যত বয়কট করেছে তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ে কবিতাকে ইডি জেরার পর থেকে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। 

    আজ প্রধানমন্ত্রী কখন কোথায়

    এদিন সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনার পর হায়দ্রাবাদের প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে তিনি পাঁচটি জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা মোদির। সেকেন্দ্রাবাদ রেলওয়ে স্টেশনের পুনর্নির্মাণ এবং রেলের আরও কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সূচনাও করার কথা প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi)। বিকেল ৩টেয় চেন্নাই বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করার কথা তাঁর। এরপর এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন থেকে চেন্নাই-কোয়ম্বাটোর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, একই অনুষ্ঠান থেকে তিনি আরও বেশ কয়েকটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এরপর, চেন্নাইয়ে শ্রী রামকৃষ্ণ মঠের ১২৫তম বার্ষিকী উদযাপনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। চেন্নাইয়ের অ্যালস্ট্রম ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আরেকটি সরকারি অনুষ্ঠানে কয়েকটি সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন ও আরও কয়েকটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে তাঁর।

    আরও পড়ুন: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    কর্নাটকের বন্দিপুর টাইগার রিজার্ভ ফরেস্টে মোদি

    আাগামী কাল, রবিবার ৯ এপ্রিল সকালে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) যাবেন কর্নাটকের বন্দিপুর টাইগার রিজার্ভ ফরেস্টে। মুদুমালাই টাইগার রিজার্ভের থেপ্পাকাদু হস্তি শিবিরও পরিদর্শন করবেন। সেখানে, ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাটস অ্যালায়েন্স বা আইবিসিএ-র সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ‘প্রজেক্ট টাইগারের ৫০ বছর স্মরণ’ অনুষ্ঠানেরও উদ্বোধন করবেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি ব্যাঘ্র সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার পঞ্চম চক্রের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ করবেন। প্রজেক্ট টাইগারের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক মুদ্রাও প্রকাশ করার কথা প্রধানমন্ত্রীর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Doctor Sudhir Kumar: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    Doctor Sudhir Kumar: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমবিবিএস পাশ করার পরে তাঁর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি একজন প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট। এখন তিনি একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। প্রথম জীবনে তাকে কীভাবে দিন কাটিয়েছেন তাই জানিয়ে সম্প্রতি একটি ট্যুইট করেন তিনি। তা রীতিমতো ভাইরাল। তাঁর এই পোস্টটির ভিউ ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। 

    মিতব্যয়ী হওয়া উচিত

    ট্যুইটে একজন চিকিৎসকের জীবনে মিতব্যয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন সুধীর কুমার। ট্যুইট বার্তায় সুধীর বলেন, ‘২০ বছর আগে তিনি একজন তরুণ চিকিৎসক। ২০০৪-এ নিউরোলজিতে ডিএম করার পরে তাঁর বেতন ছিল মাসে নয় হাজার টাকা। এই ঘটনাটি এমবিবিএস পাশ করার পরের। সিএমসি ভেলোরে নিজের অধ্যাপকদের দেখার পরে তাঁর মনে হয়েছিল চিকিৎসকদের জীবন মিতব্যায়ী হওয়া উচিত, ন্যূনতম জিনিস নিয়ে জীবনযাপন করা উচিত।’

    কষ্ট করে পড়াশোনা

    ট্যুইটেই তিনি জানান, যখন সংগ্রাম করছেন, সেই সময় সমাজসেবা করা একজন তরুণ চিকিৎসকের পক্ষে কঠিন কাজ। সুধীরের কথায়, তাঁর মা কম বেতন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। তিনি নিজে বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেও মা সরকারি অফিসের করণিকের সমান বেতনে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। বর্তমানে বিখ্যাত এই নিউরোলজিস্ট বলেছেন, প্রথমে ১২ বছর স্কুলে পড়াশোনা, তারপরে ১২ বছর ধরে এমবিবিএস, এমডি এবং ডিএম। সেই সময় জুড়ে মায়ের ভালবাসা এবং যন্ত্রণা সবই দেখেছেন তিনি। পড়াশোনা যখন করেছেন, তখন দীর্ঘদিন কারও সঙ্গে দেখা হয়নি। ১৭ বছর বয়সে বিহার থেকে তামিলনাড়ুর ভেলোরে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলেন ট্রেনের দ্বিতীয় শ্রেণিতে। যখন এমবিবিএস পড়েছেন ৫ বছর, কেউ তাঁকে দেখতে আসেনি। বাড়ির আর্থিক পরিস্থিতি ভাল ছিল না। এমবিবিএস-এ ভর্তির পর পাঁচ বছরের বেশি সময় নিজের সব কিছু নিজেই জোগাড় করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ১৮ মাসে ১০৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফের আগের চেহারায় মুকেশ-পুত্র, রহস্যটা কী ?

    নিজের পড়ুয়া জীবনের কথা বলতে গিয়ে সুধীর কুমার বলেছেন, পুরো এমবিবিএস-এর সময় দু-সেট জামা-কাপড় ছিল। সিনিয়রদের থেকে পুরনো সংস্করণের বই ধার করে পড়তেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে নতুন সংস্করণের বইয়ের সাহায্য নিতেন। রেস্টুরেন্ট কিংবা সিনেমা হল কোথাও যেতেন না। কোনও দিন ধূমপান কিংবা মদ খাননি। তাঁর জীবনের নানান গল্প ট্যুইট করে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন সুধীর। তাঁর কাহিনী সকলের নজর কেড়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan:  চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    Pakistan: চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার পর পাকিস্তান (Pakistan)। চিনা ঋণের ফাঁদে হাবুডুবু খাচ্ছে ইসলামাবাদ। সাম্প্রতিক সময় দক্ষিণ এশিয় দেশ পাকিস্তান, বিশ্বের অন্যতম অস্থির একটি দেশ। দেশের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির অস্তিত্ব, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য সংকট এবং অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে পাকিস্তান। ‘ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউট অফ পিস’(USIP) সম্প্রতি এক রিপোর্টে দাবি করেছে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ৭৭.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাকিস্তানকে পরিশোধ করতে হবে চিন এবং সৌদি আরবকে।

    তলানিতে পাকিস্তানি রুপির দর

    ডলারের সাপেক্ষে তলানিতে ঠেকেছে পাকিস্তানি (Pakistan) রুপির দর। এরই মধ্যে তাদের জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পাকিস্তানি রুপিতে প্রায় দু’হাজার ২০০ কোটির ঋণ শোধ করতে হবে ইসলামাবাদকে। চিন এবং সৌদি আরবের থেকে ক্রমাগত ঋণ নিয়েছে পাক সরকার। বৃহস্পতিবার মার্কিন একটি সংস্থার প্রকাশিত ওই রিপোর্টে পাকিস্তানকে সতর্ক করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি, রাজনৈতিক সংঘাত এবং ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবাদের কারণে পাকিস্তান আর্থিক ভাবে জর্জরিত।

    আরও পড়ুুন: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    ইউএসআইপি রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী তিন বছরে পাকিস্তান (Pakistan) নির্দিষ্ট টাকার অঙ্কটি চিন এবং সৌদিকে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করা হবে। পাকিস্তান যদিও আশাবাদী, চিন পুনরায় ঋণ পরিশোধের সময় বাড়াবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (IMF)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, দুর্নীতি ও আর্থিক ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ এবং দায় ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা তার জিডিপির ৯৫ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৪৮ বছরের সর্বোচ্চ ২৭.৬ শতাংশতে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে খাদ্যের দাম ৪২.৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। যা গত বছর ১২.8 শতাংশ ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pasmanda Muslims: পসমন্দা মুসলিম থেকে খ্রিস্টান! সবকা সাথ সবকা বিকাশ; নীতিতেই বাজিমাত বিজেপির! কী বলছে রিপোর্ট

    Pasmanda Muslims: পসমন্দা মুসলিম থেকে খ্রিস্টান! সবকা সাথ সবকা বিকাশ; নীতিতেই বাজিমাত বিজেপির! কী বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিপোর্ট বলছে ২০২২ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে পসমন্দা মুসলিম (Pasmanda Muslims) সমাজের ৮ শতাংশ ভোট বিজেপি (BJP) পেয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদিজীর ‘সবকা সবকা বিকাশ’ এই স্লোগানেই বাজিমাত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। উত্তর-পূর্ব ভারতের দখল বর্তমানে বিজেপির হাতেই রয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে এখানে বিজেপি (BJP)। উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ খ্রিস্টান তাঁদেরও আস্থা মোদি সরকার অর্জন করতে পেরেছেন বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল। প্রসঙ্গত আজকেই কেরলের কংগ্রেসের নেতা এ.কে. অ্যান্টনির ছেলে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করেছেন। তিনিও একজন খ্রিশ্চান ধর্মাবলম্বী মানুষ। কেরলের খ্রিস্টানদের সমর্থন বিজেপির পক্ষেই আসতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মিটিং হয়েছে ভ্যাটিকানের পোপের সঙ্গেও। এতে ভারতের খ্রীশ্চানরা খুশি বলে মনে করছে কোনও কোনও মহল।

    কী বলছেন পসমন্দা মুসলিম (Pasmanda Muslims) সমাজের বিশেষজ্ঞ

    পসমন্দা সম্প্রদায়ের বিশেষজ্ঞ ফায়াজ আহমেদ ফইজি বলছেন, ‘উত্তর প্রদেশে আশরফ মুসলিম সমাজের সংখ্যা ১০ শতাংশ, আর পসমন্দা মুসলিমরা ৯০ শতাংশ।’ এই অঙ্কের নিরিখে বিজেপির (BJP) লোকসভা ভোটের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ যখন বড় ফ্যাক্টর তখন, পসমন্দা ভোটব্যাঙ্ক নিঃসন্দেহে বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মোরাদাবাদ, আলিগড়, মেরঠ এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ক্ষেত্র বারাণসীতেও এই মুসলিমদের ভোটব্যাঙ্ক অনেকটাই।

    উত্তরপ্রদেশে জমি পোক্ত করার লড়াই

    উল্লেখ্য, সদ্য উত্তরপ্রদেশে রামপুর ও আজমগড়ে লোকসভা ভোটের উপনির্বাচনে সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে বিজেপি জিতলেও বিশাল সংখ্যক মুসলিম ভোট আসেনি। তবে বিরোধী সমাজবাদী পার্টিও সেই মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে পারেনি। সেই জায়গা থেকে বিজেপির সম্ভাবনা রয়েছে, সমাজবাদী পার্টির মুসলিম ভোটব্যঙ্কে থাবা বসানো, বলছেন বহু বিশেষজ্ঞ।

    কারা পসমন্দা মুসলিম (Pasmanda Muslims)

    জানা গেছে, যাঁরা অতীতে হিন্দু ছিলেন আর পরবর্তীকালে মুসলিম হয়েছেন তাঁরাই পসমন্দা মুসলিম। ফায়াজ আহমেদ ফৈজি বলছেন, অশরফ মুসলিমরা উচ্চ বর্গীয় বলে বিবেচিত হন, সেখানে পসমন্দারা সেই স্থান পাননা। আর এই জায়গা থেকে বিজেপি জনভিত্তি বাড়িয়ে নিতে এই পসমন্দা মুসলিমদেরই পাখির চোখ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share