Blog

  • Nadia: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    Nadia: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত সরকার। বিরোধীরাও তেমন শক্তিশালী নন। এহেন আবহে ভরা বাজারে গুলি করে খুন করা হল তৃণমূলেরই এক নেতাকে। মৃতের নাম আমোদ আলি বিশ্বাস। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটে নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালির ছোট চুপড়ি বাজারের কাছে। প্রকাশ্য দিবালোকে তৃণমূল নেতা খুন হওয়ায় এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার বেহাল দশা নিয়েও।

    নদিয়ায় (Nadia) খুন…

    স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রতিদিনের মতো এদিন সকালেও বাজারে যান বড় চুপড়ির (Nadia) বাসিন্দা আমোদ। বাজার করার সময় সেখানে বাইকে চড়ে আসে দুই ব্যক্তি। আমোদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলে তারা। পরে হয় কথা কাটাকাটি। আচমকাই আমোদকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আমোদকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাঁকে। খবর পেয়ে দ্রুত অকুস্থলে পৌঁছায় হাঁসখালি থানার পুলিশ। কী কারণে আমোদকে খুন করা হল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তৃণমূলের হাঁসখালি ব্লক সভাপতি শিশির রায় বলেন, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে খুন বলে মনে হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করলে সত্যিটা প্রকাশ্যে আসবে।

    আরও পড়ুুন: ফের বিতর্কে প্রেসিডেন্সি! সরস্বতী পুজোয় না, অথচ ইফতারের আয়োজন জাঁকজমকপূর্ণ

    রানাঘাট পুলিশ জেলার সুপার কে কান্নান বলেন, আমোদ আলি বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে সমাজবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক খুন ও খুনের চেষ্টার মামলা রয়েছে। কয়েক দিন আগে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র। দুটি গোষ্ঠীর লড়াইয়ের জেরে খুন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। এদিনই ভোরে খুন হয়েছেন কোচবিহারের শীতলকুচির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলের নীলিমা বর্মণ। খুন হয়েছেন তাঁর স্বামী বিমলচন্দ্র বর্মণ এবং এক মেয়েও। গুরুতর জখম অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন নীলিমার আরও এক মেয়ে। রাজ্যের দু প্রান্তে একই দিনে দুই তৃণমূল নেতার খুনে উদ্বেগ শাসক শিবিরেও। 

    কেবল এই দুই খুন নয়, দিন তিনেক আগে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচা দোকানের (Nadia) সামনে খুন হন কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝা। সাত সকালে তাঁকেও খুন করে পালিয়ে যায় খুনিরা। রাজুর খুনের আততায়ীরা এখনও অধরা। এরই মধ্যে একই দিনে পর পর দুটি খুনের ঘটনা এ রাজ্যেই। দিন দিন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে বলে অভিযোগ। রাজ্যের ওপর কী ক্রমেই শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাশ? উঠছে প্রশ্ন।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistan: ‘আমরা ভারতকে ভালবাসি, ভালবাসি পঞ্জাবকে’, বললেন শিখ নেতা  

    Khalistan: ‘আমরা ভারতকে ভালবাসি, ভালবাসি পঞ্জাবকে’, বললেন শিখ নেতা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মিলিয়নেরও বেশি শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করেন উত্তর আমেরিকায়। তার মধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ দেখিয়েছে জনা পঞ্চাশেক। ভারতের (India) বাইরে খালিস্থানপন্থীদের (Khalistan) হামলা নিয়ে এই ভাষায়ই প্রতিক্রিয়া জানালেন যশদীপ সিং নামে আমেরিকার এক শিখ (Sikh) নেতা।

    খালিস্থানপন্থীদের (Khalistan) হামলা…

    সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইংল্যান্ড এবং আমেরিকায় শুরু হয়েছে খালিস্তানপন্থীদের দাপাদাপি। কোথাও ভাঙা হচ্ছে মন্দির, কোথাও আবার মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে লিখে দেওয়া হচ্ছে ভারত বিরোধী স্লোগান। আবার কোথাও পুজো করতে গিয়ে খালিস্তানপন্থীদের হুমকির মুখে পড়ছেন ভক্তরা। ভারতীয় দূতাবাসের সামনেও তাণ্ডব চালিয়েছে তারা। কোথাও দূতাবাসের সামনে থাকা ভারতের জাতীয় পতাকা টেনে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার ওড়ানো হয়েছে কল্পিত খালিস্তানের (Khalistan) ঝান্ডা। তবে এ সবই যে হাতে গোণা কয়েকজনের কাজ, তা জানিয়ে দিলেন আমেরিকার শিখ নেতা যশদীপ।

    তিনি বলেন, ভারতের বাইরে কানাডা, আমেরিকায় যা দেখানো হচ্ছে, তা মিডিয়ার অতিরঞ্জিত করা খবর। তিনি বলেন, উত্তর আমেরিকায় এক মিলিয়নেরও বেশি শিখ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেবলমাত্র ৫০ জন ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। যশদীপ বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে ২৫০-র মতো মানুষ এদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তার জেরে ভারতে এবং বিদেশে বিপদে পড়ছেন শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ। অথচ তাঁরা ভারতকে ভালবাসেন, ভালবাসেন পঞ্জাবকে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    প্রসঙ্গত, পঞ্জাব প্রদেশ নিয়ে পৃথক খালিস্তান (Khalistan) রাষ্ট্রের দাবি করে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। প্রথমে ভারতের পঞ্জাব ও পাক পঞ্জাব নিয়ে পৃথক খালিস্তান রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হলেও, আটের দশকে দাবি করা হয় হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও রাজস্থানের কিছু অংশ। সম্প্রতি এই আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়েছে। কারণ স্বঘোষিত ধর্মগুরু অমৃতপাল সিং পৃথক খালিস্তানের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ভারতীয়দের ওপর হামলা চালাচ্ছে খালিস্তানপন্থীরা। অমৃতপালকে পাকিস্তান মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই বাড়বাড়ন্ত খালিস্তানি আন্দোলনের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Natural Gas: সস্তা হচ্ছে জ্বালানি, কমবে রান্নার গ্যাসের দাম! নতুন ফর্মুলা আনছে কেন্দ্র

    Natural Gas: সস্তা হচ্ছে জ্বালানি, কমবে রান্নার গ্যাসের দাম! নতুন ফর্মুলা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণে নতুন ফর্মুলা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার ফলে এক ধাক্কায় সিএনজি (পরিবহণ জ্বালানি) এবং পিএনজি’র (পাইপবাহিত রান্নার গ্যাস) দাম অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

    প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে জোর

    কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর ভারত। এবার দেশকে দূষণহীন জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি হিসেবে গড়তে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার। দেশে দূষণ কমানোর উপর বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। নেওয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ। পরিবহণ ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত তথা ইলেকট্রিক যানবাহনের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি ব্যবহারের উপরও। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের ফর্মুলায় আনা হল বড়সড় বদল।

    প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের নতুন সীমকরণ

    প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের নতুন সীমকরণ ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। এতদিন দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণ হত আমেরিকা, কানাডা, রাশিয়ার মতো গ্যাস উদ্বৃত্ত দেশের দাম অনুযায়ী। তাও বছরে দু’বার। সেক্ষেত্রে অনেকটাই বেশি অর্থ ব্যয় হত গ্রাহকদের। এখন থেকে প্রত্যেক মাসে ঠিক হবে গ্যাসের দাম। পুরনো ক্ষেত্রগুলি থেকে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারিত হবে আমদানিকৃত অশোধিত তেলের দামের নিরিখে। অর্থাৎ বিশ্ব বাজারে তেলের দামের ওঠা-নামার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যও।

    দাম কমবে জ্বালানির

    বিভিন্ন সূত্র থেকে ভারত যে তেল আমদানি করে, তার দামের দশ শতাংশ হতে পারবে প্র্যাকৃতিক গ্যাসের বিক্রয় মূল্য। সেক্ষেত্রে সর্বাধিক ৬.৫ ডলার ও সর্বনিম্ন ৪ ডলার করা যাবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার যে ফর্মুলা প্রয়োগ করছে, তাতে খুশি সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন যে পদ্ধতিতে প্রাতৃতিক গ্যাসের দাম ঠিক হয়, তাতে ৮.৫৭ ডলার হওয়ার কথা। কিন্তু নতুন শর্তে সেই দাম হবে ৬.৫ ডলার। যা অনেকটাই স্বস্তি দেবে দেশবাসীকে। বাড়বে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারও।

    আরও পড়ুন: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    কী রকম  হবে দাম

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মন্ত্রিসভায় জানিয়েছেন, পুরানো খনি থেকে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যা এপিএম গ্যাস নামে পরিচিত, তা থেকে উৎপাদিত যাবতীয় জ্বালানির দাম ঠিক হবে আমদানিকৃত অশোধিত তেলের দামের নিরিখে। এই সিদ্ধান্তের পর, দিল্লিতে সিএনজির দাম প্রতি কেজি ৭৯.৫৬ টাকা থেকে ৭৩.৫৯ টাকা এবং পিএনজির দাম ৫৩.৫৯ টাকা প্রতি হাজার ঘনমিটার থেকে কমিয়ে ৪৭.৫৯ টাকা করা হবে। মুম্বাইয়ে, সিএনজি প্রতি কেজি ৮৭ টাকার পরিবর্তে ৭৯ টাকা এবং পিএনজি প্রতি ৫৪ টাকার পরিবর্তে ৪৯ টাকা প্রতি কেজি হবে।

    জ্বালানিমন্ত্রী হরদীপ পুরী ট্যুইটে দাবি করেছেন, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার্থেই সরকারের এই পদক্ষেপ করেছে। মন্ত্রী ট্যুইট বার্তায় লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংশোধিত গার্হস্থ্য গ্যাস মূল্য নির্দেশিকা অনুমোদন করেছে। এর ফলে ভারতে গ্যাসের দামের উপরে আন্তর্জাতিক গ্যাসের দামের প্রভাব কমেছে। তাতে উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা হবে।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Environment: ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে জঙ্গল ধ্বংস করে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স? প্রতিবাদে সরব বিজেপি বিধায়ক

    Environment: ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে জঙ্গল ধ্বংস করে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স? প্রতিবাদে সরব বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে পরিবেশ (Environment) বাঁচাতে কজনই বা এগিয়ে আসেন? কিন্তু উত্তরবঙ্গে বন ও নদী বাঁচাতে আন্দোলনে নেমেছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক, বিজেপির (BJP) শঙ্কর ঘোষ। উত্তরবঙ্গের মূল সৌন্দর্য হল ওই নদী আর বনজঙ্গল। কিন্তু সম্প্রতি একটি খবরের কাগজের বিজ্ঞাপন থেকে তিনি জানতে পারেন, ডুয়ার্সের লাটাগুড়ি জঙ্গলে একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নির্মাণ হচ্ছে, যা পরিবেশবান্ধব নয়।  বনজঙ্গল ধ্বংস করেই সেটি নির্মাণ করা হচ্ছে। যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। 

    শঙ্করবাবুর মূল অভিযোগ কী ? 

    অভিযোগ, কোনওরকম নিয়মের তোয়াক্কা না করে এবং বনজঙ্গল (Forest) ধ্বংস করে চলছে এই নির্মাণকার্য। এর ফলে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পের (Tourism) ওপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। লাটাগুড়ির এই বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স (Commercial Complex) বানানো নিয়ে তাই প্রতিবাদে সরব হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গের বন আইন, পরিবেশ (Environment) আইন ইত্যাদি কিছুই মানা হচ্ছে না এই নির্মাণকার্যে। শুধু এটি নয়, আরও অনেক হোটেল, রিসর্ট নির্মাণ হচ্ছে এইভাবেই, আইনকে তোয়াক্কা না করেই। অপরদিকে তিস্তা নদীতে ক্রাসার নামিয়ে প্রকাশ্যে পাথর তোলার কাজ চলছে। এতে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এরপর এর থেকে বড় কোনও বিপর্যয় ঘটতে পারে। আর এর প্রতিবাদেই আমি উত্তরবঙ্গে নদী ও বন বাঁচাতে আন্দোলন করছি। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী বনভূমির এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও কংক্রিটের নির্মাণ করা যাবে না। কোর এলাকায় পিচরাস্তা নির্মাণ হবে না। এক্ষেত্রে কিছুই মানা হয়নি। এছাড়া বন্যপ্রাণ আইনও ভাঙা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

    বিধানসভাতে পর্যন্ত জানানো হয় ব্যাপারটি, কিন্তু তারপর ?

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি শঙ্করবাবু নিজে বিধানসভাতে মুখ্যমন্ত্রী, পর্যটনমন্ত্রী ও বনমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জানান। তিনি চিঠি দিয়ে জানতে চান, এই নির্মাণকার্যের ক্ষেত্রে পরিবেশ (Environment) দফতরের ছাড়পত্র আছে কিনা। কিন্তু আজও তার সদুত্তর মেলেনি। এরপর আবার তিনি জেলাশাসককে চিঠি দেন। তিনি কোনও উত্তর না দিয়ে সেটি বনদফতরের কাছে রেফার করে দেন। সেখান থেকেও কোনও উত্তর আসেনি বলে তিনি জানিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি পরিবেশপ্রেমীদের একজোট করে এর প্রতিবাদে সরব হবেন বলেই জানিয়েছেন। পাশাপাশি গ্রিন বেঞ্চে মামলা করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    তাঁর এই অভিযোগের ব্যাপারে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কী জানিয়েছেন ?

    দুদিন উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শিলিগুড়ির বিধায়কের অভিযোগের ব্যাপারে প্রশ উঠতে তিনি বলেন, “শঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় বিষয়টি তোলেননি। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক ঠিক কথা বলছেন না। লাটাগুড়ির যে নির্মাণকার্য নিয়ে তিনি অভিযোগ করছেন, সেটি কোর এরিয়ার মধ্যে নয়। তার আগে থেকেই সেখানে অনেক বাড়ি রয়েছে। আর গরুমারা হল অভয়ারণ্য। তাই সেখানে নির্মাণের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। নির্মাণ হচ্ছে লাটাগুড়িতে। ওই নির্মাণ আমাদের এলাকায় হচ্ছে না, তাই এই নির্মাণকার্যে আমরা বাধা দিতে পারি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    CV Ananda Bose: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নির্দেশিকা পাঠালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। বৃহস্পতিবার রাজভবনের ওই নির্দেশিকা নজিরবিহীন, বলে দাবি  শিক্ষা মহলের। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরগরম বাংলা। তাই সরাসরি উচ্চশিক্ষায় নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যপাল। পূর্বসূরি জগদীপ ধনখড়ের পর এবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আর্থিক লেনদেনেও কড়া নজর রাখতে চান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    নয়া নির্দেশিকায় কী বলা হল

    রাজ্যপালের (CV Anand Bose) পাঠানো নির্দেশিকায় মূলত তিনটি কথা বলা হয়েছে। এক, বিশ্ববিদ্যালয় যদি কোনও আর্থিক লেনদেন করে তার আগে আচার্য হিসাবে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে। অর্থাৎ আর্থিক লেনদেনের যে কোনও বিষয়ে রাজভবনের আগাম অনুমোদন লাগবে। নইলে তা করা যাবে না। দ্বিতীয়ত বলা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহের শেষে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে ইমেল করে রাজ্যপালকে জানাতে হবে কী কাজ হল গোটা সপ্তাহে। তৃতীয়, উপাচার্যদের ভায়া হয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে না। সরাসরি তাঁরা যোগাযোগ করতে পারবেন। একইভাবে রাজ্যপালও (CV Anand Bose) আচার্য হিসাবে উপাচার্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখবেন। এমনকী চাইলে সরাসরি রাজভবনের সঙ্গে টেলিফোনেও যোগাযোগ রাখতে পারেন উপাচার্যরা। 

    আরও পড়ুন: মাত্র চার বছর বয়সেই বই প্রকাশ করে কব্জায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

    শিক্ষামহলের অভিমত

    এতদিন রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যরা শিক্ষা দফতরে রিপোর্ট পাঠাতেন। তাঁদের নিয়োগ থেকে বদলি সবটাই রাজ্যের সুপারিশ মেনে সই করতেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)। সেখানে এই নয়া নির্দেশিকার অর্থ, উপাচার্যদের কাজকর্মের নিয়ন্ত্রণ রাজভবনের হাতে নিয়ন্ত্রণ হওয়ার সামিল বলে মনে করছেন অনেকে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে পাশে বসিয়ে কিছুদিন আগে, রাজ্যপালের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, “শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনও দ্বন্দ্ব নয়। বাংলা নিজের শিক্ষা, সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। আমাদের সকলকে সেই জায়গা ধরে রাখতে হবে।” কিন্তু নিয়োগ দুর্নীতির জেরে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা যে লাটে উঠেছে, তা বুঝেই হয়ত উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কড়া হাতে সবকিছু খতিয়ে দেখতে চাইছেন রাজ্যপাল, অভিমত শিক্ষাবিদদের। রাজভবনের নয়া নির্দেশিকা সম্পর্কে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক এক্তিয়ার মেনেই এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। আমার মনে হয় এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আর্থিক লেনদেন আরও স্বচ্ছ হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: ইডেন মাতালেন নাইটদের মিস্ট্রি স্পিনার সুয়েশ শর্মা! চলতি আইপিএলে প্রথম জয় কেকেআর-এর

    IPL 2023: ইডেন মাতালেন নাইটদের মিস্ট্রি স্পিনার সুয়েশ শর্মা! চলতি আইপিএলে প্রথম জয় কেকেআর-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল-এ প্রথম জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শার্দুল গর্জন, বরুণ বর্ষণ আর আবিষ্কার সুয়েশ শর্মা নাইটদের এই জয়কে তিনটে দিয়েই ব্যাখ্যা করা যায়। বৃহস্পতিবার, ইডেনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৮১ রানে হারানোর পর কলকাতা নাইট রাইডার্স পয়েন্ট টেবিলে আপাতত ৪ নম্বরে। এদিন কলকাতার হয়ে একদিকে দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরি করেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং শার্দূল ঠাকুর। অন্যদিকে বল হাতে কামাল দেখালেন বরুণ চক্রবর্তী। তিনি একাই ৪ উইকেট শিকার করেছেন। 

    শার্দুল গর্জন

    এদিন টসে জিতে নাইটদের ব্যাট করতে পাঠায় আরসিবি। ইডেনের রহস্যে মোড়া পিচে যার ফল ভুগতে হয় ব্যাঙ্গালোরকে। শুরুটা ভাল ছিল না নাইটদের। ১১ ওভারে ৮৯ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায়। বক্সের এক কোণে তখন  গালে হাত দিয়ে বসে আছেন কেকেআর অধিপতি কিং খান। গ্যালারিতে বিরাট-বিরাট ধ্বনি। তবে বেশিক্ষণ নয় শুরু হল শার্দুল গর্জন। কেকেআর-এর জন্য উঠল মেক্সিকান ওয়েভ। এই ম্যাচে ৭ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শার্দূল ঠাকুর ৯টি চার এবং ৩টি ছয়ের সাহায্যে করলেন ২৯ বলে ৬৮ রান। রিঙ্কু সিংয়ের সঙ্গে তিনি ৪৭ বলে ১০৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। রিঙ্কু এই ম্যাচে ৩৩ বলে ৪৬ রান করেন। রহমানুল্লা গুরবাজ (৪৪ বলে ৫৭ রান), শার্দুল ও রিঙ্কু তিন ব্যাটারে দাপটে ইডেনে বেঙ্গালুরু বিরুদ্ধে ২০৪ রান করল কলকাতা।

    মিস্ট্রি স্পিনার সুয়েশ শর্মা

    জয়ের জন্য ২০৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক ফ্যাফ ডুপ্লেসিকে নিয়ে শুরুটা আগ্রাসী মেজাজেই করেছিলেন কোহলি। কিন্তু প্রথম ম্যাচের মতো বড় জুটি তৈরি করতে পারলেন না তাঁরা কেকেআরের বিরুদ্ধে। দু’জনেই দ্রুত সাজঘরে ফিরলেন। সুনীল নারাইনের বলে আউট হওয়ার আগে কোহলি করলেন ৩টি চারের সাহায্যে ১৮ বলে ২১ রান। বরুণ চক্রবর্তী আউট করলেন ডুপ্লেসিকে। আরসিবি অধিনায়ক করলেন ১২ বলে ২৩ রান। এখানেই শেষ। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। মাত্র ১৭.৪ ওভারে ১২৩ রানেই তারা অলআউট হয়ে যায়। কলকাতার তিন স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইন এবং সূয়শ শর্মা মোট ৮ উইকেট শিকার করেছেন। ইডেন মেতে ওঠে নাইট রাইডার্সের মিস্ট্রি স্পিনার সুয়েশ শর্মাকে নিয়ে।

    কে এই সুয়েশ 

    আদতে লেগ স্পিনার হলেও সুয়েশ কোন বলটা লেগ স্পিন করাবেন আর কোনটা গুগলি, সেটা বুঝতে না বুঝতেই নাকানিচোবানি খেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। গত বছর ডিসেম্বর মাসে আয়োজিত আইপিএল মিনি নিলামে দিল্লির এই ক্রিকেটারকে মাত্র ২০ লাখ টাকায় দলে নিয়েছিল কেকেআর ব্রিগেড। বৃহস্পতিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের প্রথম একাদশেও সুযোগ পাননি তিনি। এরপর ম্য়াচের দ্বিতীয়ার্ধে ভেঙ্কটেশ আইয়ারের পরিবর্তে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। তারপর ইতিহাস।

    আরও পড়ুন: ১৪৬ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এরকম দেখা যায়নি! জানেন কী সেই রেকর্ড?

    রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালেরকে আইপিএলে হারিয়ে চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত বলেন, “সুয়েশ ট্রায়ালে এসেছিল। সেখানেই দেখি যে ও দু’দিকেই বল ঘোরাতে পারে। সেই দেখেই ওকে নেওয়া। অভিজ্ঞতা কম, কিন্তু প্রতিভা রয়েছে সুয়েশের মধ্যে।” কলকাতা বল করার সময় নামানো হয় তাঁকে। তিনি কোথা থেকে এসেছেন তা জানেন না দলের অধিনায়কও। ম্যাচ শেষে নীতীশ বলেন, “আমি নিজেও জানি না ও কোথা থেকে এসেছে। দিল্লির ছেলে ও, কিন্তু আমি কখনও ওকে দেখিনি। তবে খুব মজার ছেলে। সব সময় মাতিয়ে রাখে।”

    পা মেলালেন কোহলি-শাহরুখ 

    নাইটরা এমন অনামি অনেক ক্রিকেটারকেই কিনে থাকে। বড় উদাহরণ বরুণ চক্রবর্তী। তাঁর নামও আগে সে ভাবে শোনা যায়নি। তেমন ভাবেই এলেন সুয়েশ। প্রথম বার খেলতে নামলেন এবং মাতিয়ে দিলেন। ইডেনের মাটিতে অভিষেক হল তাঁর। সে যতই ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে নামুন না কেন। আইপিএলে একটি ম্যাচ তো খেলা হয়ে গেল তাঁর। দীনেশ কার্তিকের মতো ক্রিকেটারের উইকেট নিলেন। ফেরালেন অনুজ রাওয়াত এবং করণ শর্মাকেও। সুয়শের উপর ভরসা করে রিভিউও নিলেন নীতীশ। সেখানেও অধিনায়ককে হতাশ করেননি তরুণ স্পিনার।

    নাইট রাইডার্সের এই ম্যাচ দেখতে ইডেন গার্ডেন্সে হাজির ছিলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। বক্সে ‘ঝুমে যো পাঠান’ গানের তালে নেচে ওঠেন কিং খান। সঙ্গে নাচতে থাকে ইডেনও। আর ম্যাচ শেষে বাদশার সঙ্গে পা মেলালেন বিরাট কোহলিও। হাসি মুখে মাঠ ঘুরলেন জুঁহি চাওলা। নাইটদের ঘরে ফেরাটা ভালই হল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে নির্বাচিত ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে নির্বাচিত ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিরাট জয় ভারতের (India)! রাষ্ট্রসংঘের (UN) সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হল ভারত। বুধবার একথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ট্যুইট-বার্তায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ওই মেয়াদ শুরু হবে। নিউইয়র্কে নিরাপত্তা পরিষদের ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন জয়শঙ্কর।

    এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানান…

    বিদেশমন্ত্রী জানান, স্ট্যাটিসটিক্স এবং ডেমোগ্রাফির ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতার জেরে রাষ্ট্রসংঘের স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশনে জায়গা হয়েছে ভারতের। সব মিলিয়ে ৫৩টি ভোটের মধ্যে ভারত পেয়েছে ৪৬টি। ভারতের ঢের পিছনে রয়েছে চিন, আরব আমিরাত। সূত্রের খবর, মাত্র দুটি আসনের জন্য লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন চারজন প্রার্থী। তবে শেষ হাসি হেসেছে ভারত (S Jaishankar)। ১৯৪৭ সালে গঠিত হয় ইউনাইটেড নেশনস স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশন। তামাম বিশ্বের স্ট্যাটিসটিক্যাল সিস্টেমের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলির মধ্যে থেকে নির্বাচিত হন এই কমিশনের সদস্যরা। আন্তর্জাতিক স্ট্যাটিসটিক্যাল কাজকর্মের ক্ষেত্রে এরাই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিষ্ঠান। স্ট্যাটিসটিক্যাল স্ট্যান্ডার্ডও তৈরি করে এই প্রতিষ্ঠান।

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এগুলিকে কার্যকরও করে এই সংস্থা। রাষ্ট্রসংঘের এই স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশনের সদস্য সংখ্যা ২৪। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলির মধ্যে থেকে এই সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত করে ইউনাইটেড নেশনস ইকনোমিক ও সোশ্যাল কাউন্সিল। এই কমিশনে (S Jaishankar) পাঁচজন সদস্য আফ্রিকান দেশগুলি থেকে, চারজন এশিয়া পেসিফিক দেশগুলি থেকে, ইস্টার্ন ইউরোপের দেশগুলি থেকে চারজন, লাতিন আমেরিকার দেশগুলি থেকে চারজন এবং ক্যারিবিয়ান দেশগুলি থেকে চারজন, ওয়েস্টার্ন ইউরোপীয়ান এবং অন্য দেশগুলি থেকে সাতজন সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলির মধ্যে রয়েছে জাপান, সামোয়া, কুয়েত এবং সাউথ কোরিয়া। এই দেশগুলির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে চলতি বছরই।

    আরও পড়ুুন: মহাকাশ অর্থনীতিতে চিনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত, জানেন কীভাবে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Taijul Islam: ১৪৬ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এরকম দেখা যায়নি! জানেন কী সেই রেকর্ড?

    Taijul Islam: ১৪৬ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এরকম দেখা যায়নি! জানেন কী সেই রেকর্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড টেস্টে (Bangladesh vs Ireland Test) স্পিনার তাইজুল ইসলাম এমন এক রেকর্ড করে বসলেন, যা টেস্টের ১৪৬ বছরের ইতিহাসে কখনও হয়নি। আয়ারল্যান্ডের ব্যাটার পিটার জোসেফ মুরকে আউট করে এই রেকর্ড গড়লেন তাইজুল। মুর আগে জিম্বাবোয়ের হয়ে খেলতেন। তখনও তাঁর উইকেট নিয়েছিলেন তাইজুল। 

    দুই দেশের হয়ে খেলেছেন এমন ক্রিকেটার

    আন্তর্জাতিক ফুটবলে দুটো দেশের হয়ে খেলা ফুটবলারের সংখ্যা কিছু কম নয়। কিন্তু ক্রিকেটে এমন উদাহরণ খুব বেশি নয়। বিলি মিডউইন্টার ছিলেন প্রথম ক্রিকেটার, যিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৮টা টেস্ট খেলার পর ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন ৪টে টেস্ট। মহম্মদ ইফতিকার আলি খান ইংল্যান্ডের হয়ে ৩টে টেস্ট খেলেছিলেন। ১টা সেঞ্চুরিও ছিল। পতৌদির নবাব ইফতিকার আবার ভারতের হয়ে খেলেছিলেন ৩টে টেস্ট। তিনি একমাত্র ভারতীয় ক্রিকেটার, যাঁর এমন কৃতিত্ব রয়েছে। ভারতের হয়ে টেস্ট খেলা তিন ক্রিকেটার আবার পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের হয়েও খেলেছেন। গুল মহম্মদ, আব্দুল হাফিজ কার্দার, আমির ইলাহিরা ভারতের হয়ে ক্রিকেট কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। দেশ ভাগের পর পাকিস্তানে চলে যান।

    আরও পড়ুন: ৮৮ বছরে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সেলিম দুরানি

    তাইজুলের রেকর্ড

    পিটার জোসেফ মুর ২০১৪-২০১৯ সাল পর্যন্ত খেলেছিলেন জিম্বাবোয়ের হয়ে। সেখান থেকে আয়ারল্যান্ড চলে যান। এ বার আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলছেন তিনি। যদিও তেমন পারফর্ম করতে পারেননি অলরাউন্ডার। দুই ইনিংসে ১ ও ১৬ করেছেন। তিনি টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার যিনি দুই দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সময় একই বোলারের শিকার হলেন। ২০১৮ সালে জিম্বাবোয়ের হয়ে খেলার সময় তাইজুলের বলেই আউট হয়েছিলেন তিনি। এ বারও তাই হলেন। ঘটনাচক্রে, ৫ বছর আগে মীরপুরেই উইকেট দিয়েছিলেন তাইজুলকে। এ বারও তাই দিলেন। এরকম ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না। তাইজুলের এই রেকর্ড কবে ভাঙবে তা-ও কেউ বলতে পারে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: টেটে নম্বর বাড়ানোর জন্যও ছিল আলাদা আলাদা দর, দাবি সিবিআইয়ের

    Recruitment Scam: টেটে নম্বর বাড়ানোর জন্যও ছিল আলাদা আলাদা দর, দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল চাকরি বা পছন্দ মতো জায়গায় পোস্টিং নয়, টেটে (Recruitment Scam) প্রাপ্ত নম্বর বাড়ানোর জন্যও ছিল আলাদা আলাদা দর। বৃহস্পতিবার আদালতে এমনই দাবি করেছে সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টাকা তোলার ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা দর ছিল। কার নম্বর কত শতাংশ বাড়াতে হবে, সেই অনুযায়ী ঠিক হত দর। সিবিআইয়ের দাবি, কেউ যদি ৭০ শতাংশ নম্বর পেয়ে থাকেন, তবে সেই নম্বরকে ৭২ শতাংশ করার জন্য আলাদা দর।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam)… 

    আবার ৬৫ শতাংশকে ৭২ শতাংশ করার আলাদা দাম এবং অপেক্ষাকৃত বেশি দাম দিতে হত। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এভাবেই প্রার্থীদের প্রাপ্য নম্বরের শতাংশের বিচারে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। দালাল (Recruitment Scam) মারফত সেই টাকা যেত অন্যত্র। এদিন কেস ডায়েরি দেখে বিচারক প্রশ্ন করেন, সময় সময় অভিযোগগুলো বদলে যাচ্ছে…আপনার কেসের মূল অভিযোগগুলো কী।এরই উত্তর দিতে গিয়ে সিবিআই আলাদা আলাদা দরের কথা বলে।

    আরও পড়ুুন: রিষড়ায় অশান্তি, পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি বিচারকের পরিবার!

    এদিকে, বিস্ফোরক দাবি করলেন নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। আদালত চত্বরে তাঁর দাবি, তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে আদালতে চিঠিও দিয়েছেন তিনি। এদিন আলিপুরের নগর দায়রা আদালতে শুনানি ছিল প্রাথমিকের নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার। আদালত চত্বরে নিয়ে আসা হয়েছিল দুই অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ ও তাপস মণ্ডলকে।

    অন্যদিকে, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Scam) নাম জড়িয়েছে জনৈক পার্থ সরকারের। সিবিআইয়ের দাবি, মন্ত্রী থাকাকালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে কেলেঙ্কারির টাকা পৌঁছে দিতেন এই পার্থ। জানা গিয়েছে, জেরায় প্রাক্তন তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ দাবি করেন, দুর্নীতির কালো টাকা প্রথমে সংগ্রহ করতেন পার্থ। পরে তা পৌঁছে দেওয়া হত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে পার্থ সরকার দাবি করেছেন, কুন্তল ঘোষকে চেনেন না তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: অবরোধের জেরে ৮৪টি ট্রেন বাতিল, যাত্রী ভোগান্তি অব্যাহত, আন্দোলন জোরদার করার পথে আদিবাসীরা

    Tribal People: অবরোধের জেরে ৮৪টি ট্রেন বাতিল, যাত্রী ভোগান্তি অব্যাহত, আন্দোলন জোরদার করার পথে আদিবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকাল থেকে রেল অবরোধের ডাক দিয়েছিল কুড়মি সমাজ। পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু করা হয়। বৃহস্পতিবারও কুস্তাউর রেল স্টেশন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People) ঘিরে রাখেন। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামেও সংগঠনের পক্ষ থেকে রেল অবরোধ করা হয়। ফলে, এদিন সাধারণ মানুষ চরম নাকাল হন। হাজার হাজার যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ফলে, বুধবারের মতো এদিনও দক্ষিণ পূর্ব রেলে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। অনেক ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রেলে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, হাওড়া-পুনে, হাওড়া-জগদ্দলপুর, হাওড়া-আহমেদাবাদ, লোকমান্য তিলক-শালিমার, ভুবনেশ্বর-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসসহ ৮৪টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছে। ৭টি ট্রেনের যাত্রাপথ আদ্রা পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ঘুর পথে ট্রেন চললেও যাত্রী দুর্ভোগ রয়েছে। অনেকেই না জেনে ভিন রাজ্যে কাজে যাবেন বলে বেরিয়ে ট্রেন বাতিলের কথা জানতে পেরে ফিরে আসছেন।

    জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কুড়মি নেতাদের (Tribal People) বৈঠক, কী হল?

    ঝাড়গ্রামের খেমাশুলিতে সড়ক এবং রেল অবরোধে জনজীবন বিপর্যস্ত। বুধবার দিনভর নজরদারি করার পর বৃহস্পতিবার প্রশাসনের কর্তারা বিড়ম্বনায় পড়েন। খেমাশুলির কাছে কলাইকুণ্ডা পুলিশ ফাঁড়িতে বৈঠক হয়। বৈঠকে জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি, জেলা পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার যান এবং কুড়মি সংগঠনের রাজ্য নেতা (Tribal People) রাজেশ মাহাত, সংগঠনের জেলা সভাপতি কমলেশ মাহাতরা ছিলেন। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য বার বার আবেদন করা হয়। কিন্তু, সংগঠনের নেতারা জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত রাজ্য পরিমার্জিত সিআরআই রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত অবরোধ চলবে। অন্যদিকে, পুরুলিয়ার আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত এদিন ঝাড়গ্রামে সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করতে যান। সেখানে আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে কী বললেন কুড়মি সমাজের নেতা?

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আমাদের আন্দোলনকে রাজ্য সরকার কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমরা এবার নতুন করে কোটশিলা স্টেশনে অবরোধ করব। আর সড়ক পথে লালপুর-হুড়া এবং শিমুলিয়ায় রাস্তা অবরোধ করব। আমরা এই আন্দোলন আরও জোরদার করব। প্রয়োজনে জঙ্গলমহল স্তব্ধ করে দেব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share