Blog

  • Rishra: রিষড়ায় অশান্তি, পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি বিচারকের পরিবার!

    Rishra: রিষড়ায় অশান্তি, পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি বিচারকের পরিবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে সোমবার সন্ধ্যায় ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল রিষড়ায় (Rishra)। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি অশান্তির ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী ডায়মন্ড হারবারের নিম্ন আদালতের এক বিচারকের পরিবারও। রিষড়াকাণ্ডের প্রেক্ষিতে এদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন, ডায়মন্ড হারবারের একজন বিচারক রেজিস্ট্রার জেনারেলকে চিঠি দিয়েছেন। দুই ছেলে এবং মেয়েকে নিয়ে তাঁর পরিবার শ্রীরামপুরে থাকেন। তিনি থানা ও পুলিশ কর্তাদের কাছ থেকে সাহায্য চেয়েও পাননি। হাইকোর্টের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন তিনি।

    রিষড়ায় (Rishra) অশান্তি…

    রিষড়ায় (Rishra) জিটি রোড সংলগ্ন পিকে দাস লেনের খটিরবাজার এলাকায় বাড়ি ডায়মন্ড হারবার আদালতের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ জয়প্রকাশ সিংহের। কর্মসূত্রে তিনি থাকেন ডায়মন্ড হারবারে। রিষড়ার বাড়িতে তিন সন্তানকে নিয়ে থাকেন তাঁর স্ত্রী। বিচারকের পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ির সামনে অশান্তির খবর পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন বিচারক। তিনি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি জানান ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিওকেও। কিন্তু কোনওরকম পুলিশি সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছে, সমস্ত বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

    রামনবমীর (Rishra) শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার অশান্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়ার কাজিপাড়া এলাকা। শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। শুক্রবারের পর অশান্তির আঁচ ছিল শনিবারেও। রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি হয়েছে হাওড়ার শিবপুরেও। শিবপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কনভয়। পরে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটির পর অবশ্য যেতে দেওয়া হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি, শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    হাওড়ার অশান্তি থিতু হওয়ার আগেই রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয় হুগলির রিষড়ায়। এখানেও শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। রাতের বেলা রেললাইনে করা হয় বোমাবাজিও। চলন্ত ট্রেন লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। ঘটনার জেরে বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য ওই রুটে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। মধ্যরাত পেরিয়ে নেভে অশান্তির আঁচ। স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Anil Antony: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    Anil Antony: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের হাত ছাড়ার তিনমাসের মধ্যে বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে অ্যান্টনির (A K Antony) ছেলে অনিল অ্য়ান্টনি (Anil Antony)। কেরলের কংগ্রেস নেতা অনিল অ্যান্টনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই দল ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi) উপর বিবিসির তথ্য়চিত্রে নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে মতবিরোধের সৃষ্টি হয় অনিলের।

    অনিল  অ্যান্টনিকে স্বাগত 

    ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবসেই বিজেপি নেতা পীযূষ গোয়েল, ভি মুরলিধরন এবং দলের কেরালা ইউনিটের প্রধান কে সুরেন্দ্রন আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে অনিলকে (Anil Antony) দলে স্বাগত জানিয়েছেন। অনিল বলেন, “প্রত্যেক কংগ্রেস নেতাই ভাবেন তাঁরা কোন একটি পরিবারের জন্য কাজ করছেন। আমি ভাবি, আমি দলের জন্য কাজ করি।” বিজেপিতে আনুষ্ঠানিক যোগদান শেষে কার্যত দলের নেতা মন্ত্রীদের আনুগত্যের প্রতি প্রশ্ন তুলে দিলেন অনিল।  প্রাক্তন কংগ্রেস মন্ত্রীর ছেলের কথায়, “বহু মেরুকরণের যুগে ভারতকে সামনে এগিয়ে আনাই প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য।”

    অনিলের রাজনীতিতে যোগ

    ২০১৭ সালে, গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের সময়, অনিল অ্যান্টনি (Anil Antony) রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়, তাকে কেরালায় কংগ্রেসের ডিজিটাল মিডিয়া সমন্বয়কারী করা হয়েছিল। ২০০০ সালে, তিরুবনন্তপুরমের কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বি টেক করার পরে, অনিল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। অনিলকে তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুরের খুব ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়।

    আরও পড়ুন:’এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    কেন কংগ্রেস ত্যাগ

    এদিন অনিল অ্যান্টনিকে (Anil Antony) বিজেপি সদর দফতরে নিয়ে যান কেরালার রাজ্য সভাপতি কে সুরেন্দ্রন। ইতিমধ্যেই অনিল অ্যান্টনি কেরালা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (KPCC) সোশ্যাল মিডিয়া সমন্বয়কের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে তৈরি বিতর্কিত বিবিসি ডকুমেন্টারি নিয়ে একটি টুইট করেছিলেন, যার পরে দলে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দল ছাড়ার আগে অনিল অ্যান্টনি (Anil Antony) কেরালায় কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া সেল চালাতেন। দল ছাড়ার আগে তিনি বিবিসির তথ্যচিত্রকে ‘ভারতের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ঘটনাচক্রে অনিল অ্যান্টনির বাবা এখনও কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতা। স্বাভাবিকভাবেই অনিলের গেরুয়া যোগ কংগ্রেসের জন্য অস্বস্তি তৈরি করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ শুভেন্দুর আর্জি, পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ শুভেন্দুর আর্জি, পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) খারিজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আর্জি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Election) সংরক্ষণ তালিকার প্রক্রিয়াগত ত্রুটি নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর সেই আবেদনই খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। যার জেরে কলকাতা হাইকোর্ট যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রেখেছিল, সুপ্রিম কোর্টও তাই বহাল রাখল।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আর্জি…

    পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত এই মামলা দ্রুততার সঙ্গে শোনা হোক বলে বুধবার শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেই মতো ঠিক হয় প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে ৪৪ নম্বর আইটেম হিসেবে এই মামলা শোনা হবে। বৃহস্পতিবার আদালতে যখন লাঞ্চের বিরতি হয়, তখন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ৪৪ নম্বর আইটেমে যে মামলা ছিল, তা খারিজ করে দেওয়া হল। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, নির্বাচন কমিশনকে আমরা আটকাতে পারি না।

    আরও পড়ুুন: ‘কেস ডায়েরিতে রয়েছে প্রভাবশালীর নাম’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দাবি ইডির

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে হস্তক্ষেপ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। দায়ের করেছিলেন জনস্বার্থ মামলা। তাঁর দাবি, রাজ্যের ওবিসি আসন সংরক্ষণের কাজ ঠিকভাবে হয়নি। সংরক্ষণের কাজে সমীক্ষা ঠিকভাবে হয়নি বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এসব ব্যাপারেই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, আইনে ওবিসি আসন সংরক্ষণের কাজ হয়েছে নিয়ম মেনেই। তার পরেই হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, এ বিষয়ে কোনও হস্তক্ষেপ তারা করবে না। আদালত এও জানিয়েছিল, নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় সমস্ত কাজ করা হয়ে গিয়েছে। তাই আদালত ভোটে কোনও বাধা দেবে না। কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। সেখানে খারিজ হয়ে গেল তাঁর আর্জি।

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্ট আগেই জানিয়েছিল, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে। হাইকোর্ট এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুভেন্দুর মামলার বিষয়টি এই মুহূর্তে কমিশনের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কোনও বক্তব্য থাকলে তা কমিশনে জানাতে পারেন। কমিশন আইন অনুযায়ী সে বিষয়ে পদক্ষেপ করবে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে জট কাটল পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি,  শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি, শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসীর মধ্যে পৌঁছে দিতে দুয়ারে সরকার (Duare Sarkar) প্রকল্প নিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হল উপভোক্তাদের। ফলে শিবিরে ভাঙচুর চালালেন ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা। গোটা ঘটনায় বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের আগডিমটিখন্তি অঞ্চলের দিঘলবস্তি এলাকায়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল এদিন ?

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় দিঘলবস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এদিন এই ক্যাম্প (Duare Sarkar) অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি সুবিধা পেতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই গ্রামবাসীরা হাজির হয়েছিলেন শিবিরে। কিন্তু সকাল সাড়ে দশটায় ক্যাম্প চালু হওয়ার কথা থাকলেও, বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ কর্মীরা ক্যাম্পে উপস্থিত হতে শুরু করেন। একেই সময়ের অনেক পরে কাজ চালু হয়, তার ওপর সরকারি প্রকল্পের আবেদনপত্র অপ্রতুল হওয়ায়, ফর্ম না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন দূরদূরান্ত থেকে আসা গ্রামবাসীরা। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    দিঘলবস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই বাড়ি তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি আকবর আলির। সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতেই সকাল সকাল তিনি ক্যাম্পে হাজির হয়েছিলেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও ক্যাম্প চালু না হওয়ায় সরকারি কর্মী ও স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। অন্যদিকে এদিন দেরি করে ক্যাম্প চালু ও ফর্ম না পেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। এমনকী ক্যাম্পের আসবাবপত্রে ভাঙচুরও চালানো হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় শিবির চত্বরে। খবর পেয়ে ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শুরু হয় শিবিরের কাজকর্ম।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিনিধি ?

    যদিও কর্মীদের দেরীতে আসার কথা মেনে নিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম। তবে পর্যাপ্ত ফর্ম শিবিরে (Duare Sarkar) রয়েছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে ক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক অফিসের কর্মী সাগরাম সোরেন জানিয়েছেন, ক্যাম্পে পর্যাপ্ত ফর্ম আছে। বিভাগের নাম দেওয়া হয়নি বলে সমস্যায় পড়েছিলেন গ্রামবাসীরা। দ্রুত  বিভাগের নাম লিখে চিহ্নিতকরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতের মনুয়াকাণ্ডের ছায়া ধরা পড়ল পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরে। ২০১৭ সালে বারাসতের মনুয়া (Monua) মজুমদার তার প্রেমিক অজিত রায়কে দিয়ে স্বামী অনুপম সিংকে খুন করিয়েছিল। আর সমস্ত ঘটনাটি বাপের বাড়িতে বসে সে ফোনে লাইভ শুনেছিল। পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরের রাঙ্গুনিটাড় গ্রামের ঘটনাটি অনেকটাই সেরকম। গ্রামের বাড়িতে বসে প্রেমিককে ফোন করে স্বামীকে খুন করে দেহ লোপাট করার লাইভ আপডেট দেয় স্ত্রী। পরে, প্রেমিকের পরামর্শে নিজের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে দেহ পুঁতে দেয়। মৃতদেহে পচন ধরাতে সেখানে লবনও ঢেলে দেয় সে। গোয়ায় বসেই প্রেমিক ফোনে তার প্রেমিকাকে সমস্ত কিছু নির্দেশ দিয়েছিল। ২০ মার্চ রহস্যজনকভাবে জুড়ন মাহাত নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের সামনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে আসে। ইতিমধ্যে পুলিশ জুড়নের স্ত্রী উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করেছে। আর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

    প্রেমিকের সঙ্গে কীভাবে আলাপ হয়েছিল বধূর?

    উত্তরার দুই সন্তান রয়েছে। আর প্রেমিক ক্ষেত্রপালও চার সন্তানের বাবা। সে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করে। বছর পাঁচেক আগে উত্তরাদের বাড়িতে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করার সময় তার সঙ্গে ক্ষেত্রপালের আলাপ হয়। পরে, ফোন দেওয়া-নেওয়া হয় দুজনের মধ্যে। সময় সুযোগ পেলেই ফোনেই তাদের দুজনের মধ্যে কথাবার্তা চলত। পরে, দুজনের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে। পাঁচ বছর ধরে তাদের মধ্যে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক রয়েছে। বছর দুয়েক আগে উত্তরার স্বামী সমস্ত বিষয়টি জেনে যান। আর এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকত। তাই, প্রেমের মধুর এই সম্পর্কের মাঝে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় স্বামী। প্রেমিকের সঙ্গে ছক কষেই স্বামীকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরা।

    কী করে খুন করা হল?

    ২০ মার্চ রাতে জুড়নকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে তার স্ত্রী উত্তরা। সেদিন রাতে স্বামীকে ডিমের তরকারি দিয়ে ভাত খেতে দেয়। আর তরকারির মধ্যে সে ২৫টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই জুড়ন বেহুঁশ হয়ে পড়েন। এরপরই উত্তরা আসল খেলা শুরু করে। প্রথমে নিজেদের দোকানের বাটখারা করে স্বামীর মাথায় আঘাত করে। পরে, ঘরে তরকারি কাটার ছুরি দিয়ে তাঁর গোপনাঙ্গ কেটে নেয়। আর এই কাজ করার সময় মোবাইলের অন্যপ্রান্তে গোয়ায় বসেই শুনছিল ক্ষেত্রপাল। পরে, স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত জানার পর উত্তরা একাই তাকে টানতে টানতে সেপটিক ট্যাঙ্কে নিয়ে গিয়ে পুঁতে দেয়।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুরুলিয়া (Purulia) জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় বলেন, “২০ ই মার্চ বছর ৪৫ এর জুড়ন মাহাত নিখোঁজ হন। ২২ ই মার্চ তার স্ত্রী উত্তরা মাহাত ও বড় ছেলে অপূর্ব মাহাত থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ২৫ তারিখ জুড়নের ছেলে জানায়, তাদের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছে। এরপরই তদন্তে নেমে জুড়ন মাহাতোর বাড়ির বাইরে থাকা সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরের দিন উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: বিভিন্ন দাবিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে এবিভিপি! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ

    ABVP: বিভিন্ন দাবিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে এবিভিপি! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখাল এবিভিপি (ABVP)। পুলিশ এসে বিক্ষোভ সরাতে গেলে শুরু হয় দুপক্ষের ধস্তাধস্তি। পুলিশের বিরুদ্ধে এদিন লাঠিচার্জেরও অভিযোগ তুলেছে এবিভিপি (ABVP)। তাদের আরও দাবি, ধস্তাধস্তির সময় রাজ্যনেত্রী শিল্পা মণ্ডলের পোশাক ছিঁড়ে দেয় পুলিশ। সম্প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এমন সময় সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠনও এই ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। আজকের বিক্ষোভ সেই কর্মসূচিরই একটা অংশ, এমনটাই জানা গেছে এবিভিপি (ABVP) সূত্রে।

    আরও পড়ুন: অবাককাণ্ড! কাঠের তৈরি খাটে বা চৌকিতে ঘুমোন না এই গ্রামের বাসিন্দারা, কেন জানেন?

    কেন এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ?

    এবিভিপি (ABVP) সূত্রে খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ, ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালু, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস গড়া সহ একাধিক দাবিতে এদিন তারা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অভিযানের ডাক দেয়। কলকাতা সমেত শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৫০০ অধিক এবিভিপি কর্মী এদিনের বিক্ষোভে হাজির ছিলেন বলে দাবি এবিভিপির। মিছিল শুরু হয় স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি থেকে। সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক বিরাজ বিশ্বাস এবং রাজ্য সম্পাদক সঙ্গীত ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মিছিল চলতে শুরু করে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই মিছিলের পথ আটকায় পুলিশ। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এবিভিপি(ABVP) কর্মীরা জোর করে এগিয়ে যেতে চাইলে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ।

    কী বলছেন এবিভিপির নেতৃত্ব ?

    সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক বিরাজ বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকার দেওলিয়া হয়ে গিয়েছে। পুরো শিক্ষা দফতর রয়েছে জেলের ভিতরে। শিক্ষাক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে প্রতিদিন। পুলিশ এদিনের মিছিলে অন্যায়ভাবে লাঠিচার্জ করেছে, এমনটাই অভিযোগ এবিভিপির (ABVP) রাজ্য নেতা মৃদাঙ্ক সাহার। তিনি বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ আজকে লাঠিচার্জ করেছে। অন্যায়ভাবে ৫০ জনেরও বেশি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। শুধু তাই নয় ধস্তাধস্তির সময় রাজ্য সহ সম্পাদিকা শিল্পা মন্ডলের পোশাক পর্যন্ত ছিঁড়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Canceled: যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা! ফের শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন বন্ধ

    Train Canceled: যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা! ফের শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহশেষে ভোগান্তির শিকার হতে পারেন রেল যাত্রীরা। রক্ষণাবেক্ষণের জরুরি কাজের জন্য আগামী শনিবার রাত ১০টা ২০ মিনিট থেকে পরদিন সকাল ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। প্রায় ১০ ঘণ্টা শিয়ালদহ শাখায় (Sealdah branch) ট্রেন চলাচল ব্যহত হবে।

    দুঃখপ্রকাশ পূর্ব রেলের

    পূর্ব রেল সূত্রে খবর, শিয়ালদহ স্টেশনে লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য বেশকিছু লোকাল ট্রেন (Local train) বাতিল করা হয়েছে। তার পাশাপাশি কয়েকটি দূরপাল্লা ট্রেনের রুট (long distance) পরিবর্তনও করা হয়েছে। যার জেরে ফের যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রীদের হয়রানির জন্য রেলের পক্ষ থেকে আগাম দুঃখপ্রকাশ করেছেন পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র।

    লোকাল ট্রেনে প্রভাব

    শনিবার রাতে শিয়ালদহ থেকে একটি করে নৈহাটি, বনগাঁ, হাবড়া, ডানকুনি, কল্যাণী সীমান্ত এবং বারাকপুর লোকাল বাতিল করা হচ্ছে। পরদিন, রবিবার সকালে শিয়ালদহ থেকে তিন জোড়া রানাঘাট লোকাল ছাড়াও বনগাঁ, হাবড়া, ডানকুনি, কল্যাণী সীমান্ত এবং ব্যারাকপুরের মধ্যে দু’জোড়া করে লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে। এ ছাড়াও, শিয়ালদহ থেকে দত্তপুকুর, হাসনাবাদ, নৈহাটি, শান্তিপুর ও গেদের মধ্যে এক জোড়া করে লোকাল ট্রেন এবং একটি কৃষ্ণনগর লোকাল বন্ধ থাকবে। 

    আরও পড়ুন: আপাতত বৃষ্টি নেই, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই গরমে নাজেহাল শহরবাসী

    দূরপাল্লার ট্রেনে প্রভাব

    লোকাল ট্রেন ছাড়াও প্রভাব পড়বে দূরপাল্লা ট্রেনের সূচিতেও। পূর্ব রেল সূত্রে খবর, শনিবার পদাতিক ও আজমের এক্সপ্রেস শিয়ালদহে আসবে না। দূরপাল্লার ট্রেনের ক্ষেত্রে শিয়ালদহমুখী পদাতিক এবং অজমের এক্সপ্রেস শনিবার কলকাতা স্টেশনে আসবে। ওই দু’টি ট্রেন শনিবার কলকাতা টার্মিনাল থেকেই ছাড়বে। এ ছাড়া, ওই দু’দিনের মধ্যে শিয়ালদহ অভিমুখে আসা গৌড়, দার্জিলিং মেল, পদাতিক, কাঞ্চনজঙ্ঘা, বালুরঘাট-মালদহ টাউন প্যাসেঞ্জার-সহ একাধিক ট্রেন তাদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক ঘণ্টা পরে শিয়ালদহ অভিমুখে রওনা হবে। যাত্রীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, তাই আগে থেকেই ট্রেন বন্ধের বিষয়টি জানিয়ে দিল রেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Space Economy: মহাকাশ অর্থনীতিতে চিনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত, জানেন কীভাবে?

    Space Economy: মহাকাশ অর্থনীতিতে চিনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত, জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ অর্থনীতিতে (Space Economy) চিনকে (China) টেক্কা দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)। মহাকাশের ক্রমবর্ধমান লাভজনক ব্যবসার দিকে ঝুঁকছে নয়াদিল্লি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন নিউস্পেশ ইন্ডিয়া লিমিটেড গত মাসে ওয়ানওয়েব লিমিটেডের জন্য দেশের পূর্ব উপকূলের দ্বীপ থেকে তিন ডজন কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করছে। মহাকাশ থেকে সরবরাহ করা উচ্চ গতির ইন্টারনেটের চাহিদা কক্ষপথে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকে সমৃদ্ধ ব্যবসায় পরিণত করেছে। আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াংয়ের মতে, ২০২৫ সালের মধ্যে মহাকাশ অর্থনীতি ২০২০ সালে ৪৪৭ বিলিয়ন থেকে ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে চলেছে।

    মহাকাশ অর্থনীতি (Space Economy)…

    এতদিন রাশিয়া ও চিন সব চেয়ে বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ (Space Economy) করত। ইউক্রেন যুদ্ধ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেজিংয়ের সম্পর্কের অবনতির জেরে তারা এখন বহু গ্রাহকের থেকে দূরে সরে গিয়েছে। গত বছর রাশিয়া তার ৩৬টি মহাকাশযান বন্ধ করে দেয়। যার জেরে এই অর্ডার ভারতকে দেয় ওয়ানওয়েব। একই সঙ্গে নানা সমস্যার কারণে ফ্রান্সের এরিয়ান স্পেস আপাতত নয়া রকেট লঞ্চ করতে পারছে না। ব্রিটিশ বিলিয়নিয়ার রিচার্ড ব্র্যানসনের সঙ্গে যুক্ত স্যাটেলাইট লঞ্চ কোম্পানি ভার্জিন অরবিট হোল্ডিংস ইনক গত সপ্তাহেই জানিয়েছিল, জানুয়ারিতে ব্যর্থতার পরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিচ্ছে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কার্যক্রম।

    আরও পড়ুুন: ‘কেস ডায়েরিতে রয়েছে প্রভাবশালীর নাম’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দাবি ইডির

    হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এবং সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট জোনাথন ম্যাকডওয়েলের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দেশটির (ভারতের) সাফল্যের হার প্রায় ৭০ শতাংশ। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, রাশিয়া বা চিনের ৯০ এর দশকের রকেটের সাফল্যের হারের তুলনায় খারাপ। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতেও ভারত ভাল করছে। দেশটি সাশ্রয়ী উৎক্ষেপণের জন্য একটি জনপ্রিয় পছন্দে পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালে ভারত (Space Economy) একই বছর নাসা প্রোবের মূল্যের দশ ভাগের এক ভাগে মঙ্গলে অরবিটার পাঠিয়েছিল। সব মিলিয়ে বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতের উন্নতির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Weather Update: আপাতত বৃষ্টি নেই, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই গরমে নাজেহাল শহরবাসী

    Weather Update: আপাতত বৃষ্টি নেই, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই গরমে নাজেহাল শহরবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্রের শেষ থেকেই গরমে নাজেহাল (Weather Update) বঙ্গবাসী। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রার পারদ চড়েছে হু হু করে। বেলা যত বাড়ছে সূর্যের গনগনে তেজে চাঁদিফাটা দশা হওয়ার জোগাড় বঙ্গে। এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দক্ষিণবঙ্গের পারদ ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী। গরম আরো বাড়বে, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই।

    দক্ষিণবঙ্গে গরম

    এপ্রিলের শুরু থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে অস্বস্তিকর গরমে নাজেহাল পরিস্থিতি হওয়ার উপক্রম। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আপাতত চার থেকে পাঁচদিন দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আগামী তিন-চারদিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা চার ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে অস্বস্তিকর গরম বেশি থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জলীয় বাষ্প থাকায় বেলা বাড়লে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। তবে আগামী কয়েকদিন শুকনো গরম থাকবে। আগামী সপ্তাহেই ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে কলকাতার তাপমাত্রা। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। শহরে সকালের দিকে আকাশে হালকা মেঘের দেখা মিললেও, বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। ঝাঁ ঝাঁ রোদে জ্বালাপোড়া গরম বাড়তে থাকে। তবে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    উত্তরে হালকা বৃষ্টি

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গে গরম বাড়লেও কিছুটা স্বস্তিতে থাকবে উত্তরের পাহাড়ি জেলাগুলো। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে বৃষ্টি বেশি হবে। মালদহ ও দুই দিনাজপুরে আবার তাপমাত্রা বাড়বে।

    আরও পড়ুন: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    দেশের আবহাওয়া

    দেশের আবহাওয়ায় গত কয়েকদিন যাবৎ পরিবর্তন অব্যাহত রয়েছে। কখনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উচ্চ তাপ ও আর্দ্রতা অনুভূত হচ্ছে আবার কখনও পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে চলছে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের মতে, আজ ও আগামিকাল প্রায় ১৫টি রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, পাহাড়েও তুষারপাত হতে পারে। হিমালয় অঞ্চলে ৬ এবং ৭ এপ্রিল, বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রঝড়ের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। পূর্ব ভারতের কিছু অংশে হালকা বৃষ্টি, বিদর্ভ এবং ছত্তিশগড়ে আগামী ৫ দিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ আইএমডি-র সতর্কতা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের উত্তরভাগে এবং সিকিমে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Humanity:  যাত্রীদের বিনামূল্যে জল ও বিস্কুট বিলোচ্ছেন অটোচালক

    Humanity: যাত্রীদের বিনামূল্যে জল ও বিস্কুট বিলোচ্ছেন অটোচালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার রাস্তায় অটোচালকদের একাংশের তথাকথিত দাদাগিরি নিয়ে অতিষ্ঠ বহু যাত্রী। এ নিয়ে কতই না অভাব-অভিযোগ! যাত্রী নিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে অস্বীকার করা, বেপরোয়া ড্রাইভিং, যাত্রীকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে অজস্র ঘটনার খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আমরা অহরহ পেয়ে থাকি। কিন্তু সবার চোখ খুলে দিল মুম্বইয়ের একটি ঘটনা। 
    বিষয়টি প্রকাশ্যে আসত না, যদি না এক মহিলা তাঁর ট্যুইটারে ওই অটোচালকের অনন্য মানবিক (Humanity) মুখটি তুলে ধরতেন।

    কীভাবে জানা গেল ?

    ওই মহিলা ট্যুইটারে লিখেছেন, মুম্বইয়ের এই অটোচালকের অটোতে তিনি দেখেছেন বেশ কিছু পানীয় জলের বোতল এবং বিস্কুটের প্যাকেট, যা ওই অটোচালক যাত্রীদের বিনামূল্যে বিতরণ করে থাকেন। সামান্য দু পয়সা ভাড়া নিয়ে যেখানে কলকাতার মতো মহানগরীতে অটোচালকদের সঙ্গে যাত্রীদের নিয়মিত বচসা লেগেই থাকে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে মুম্বইয়ের এই ঘটনা ইন্টারনেট জগতকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দিয়েছে। বহু মানুষ কমেন্ট বক্সে গিয়ে অটোচালকের এই মহানুভবতাকে (Humanity) সাধুবাদ জানিয়েছেন।

    কী বলছেন সাধারণ মানুষ ?

    ট্যুইটারে ওই ছবি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে রাত পর্যন্ত ৫৫ হাজারের বেশি মানুষ তা দেখেছেন এবং লাইক পড়েছে ১১০০ টি। ওই অটোচালকের প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত কমবেশি সকলেই। কেউ লিখেছেন, মানবতার (Humanity) এই মূর্ত প্রতীককে দেখে মনটা আনন্দে ভরে উঠলো। কেউ বলেছেন, মুম্বইয়ের উষ্ণ আবহাওয়ায় এ যেন শীতল হাওয়ার স্পর্শ। আবার অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করে লিখেছেন, ছোট্ট ঘটনাও যে কীভাবে সমাজকে নাড়িয়ে দেয়, তার জলজ্যান্ত উদাহরণ ওই অটোচালক। একজন সোজাসুজি লিখে জানিয়ে দিয়েছেন, এরপর তিনি ওই অটোচালকের বড় ফ্যান হয়ে উঠেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share