Blog

  • Cow Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় ফেরার আব্দুল লতিফ! তার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে সিবিআই

    Cow Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় ফেরার আব্দুল লতিফ! তার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) আব্দুল লতিফকে ফেরার ঘোষণা করতে পারে সিবিআই (CBI)। গরু পাচার মামলায় আসানসোলের (Asansol) সিবিআই স্পেশাল কোর্টে (cbi Special Court) চার্জশিট জমা দেওয়ার কয়েকদিন পরেই জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল আব্দুল লফিতের বিরুদ্ধে। কিন্তু, তারপরে এত দিন কেটে গেলেও লতিফ সেই সমনে সাড়া দেননি। আদালতে আত্মসমর্পণও করেননি। তাই লতিফের বিরুদ্ধে এবার প্রক্লেম অফেন্ডার (সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া) প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে সিবিআই। এ বিষয়ে আইনি পরামর্শও নিচ্ছেন সিবিআই তদন্তকারীরা।

    গরুপাচার মামলার কিংপিন

    গরুপাচার মামলার (Cow Smuggling Case) কিংপিন, শেখ আবদুল লতিফের খোঁজ করছে সিবিআই। সূত্রের খবর শনিবার, শক্তিগড় শ্য়ুটআউটের সময় কয়লা মাফিয়া রাজু ঝার সঙ্গে গাড়ির ভিতরেই ছিলেন আবদুল লতিফ! শ্য়ুটআউটে খুন হন কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা। সেসময় আব্দুল লতিফের গাড়িতে আব্দুল লতিফ, রাজু ঝা, আব্দুল লতিফের চালক ও ব্রতীন মুখোপাধ্যায় আসছিলেন। শক্তিগড়ে অন্য একটি নীল গাড়ি করে এসে দুষ্কৃতীরা গুলি করে লতিফের গাড়িতে সওয়ার রাজুকে। তাতেই মৃত্যু হয় কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের। ভাইরাল ভিডিওয় ধরা পড়ে আব্দুল লতিফের ছবিও।  এরপরই ওঠে প্রশ্ন। যিনি পলাতক তিনি রাজু ঝা সঙ্গে কি করছিলেন?প্রশ্ন ওঠে কয়লা মাফিয়া রাজু এবং গরু কাণ্ডে অভিযুক্ত লতিফ কী ভাবে পরস্পরকে চিনলেন, কী ভাবেই বা পরস্পরের কাছাকাছি এলেন? তবে কি সবটাই একে অপরের সঙ্গে যুক্ত? ওই ঘটনার পরপরই আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করে সিবিআই।

    আরও পড়ুুন: ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে বিরোধীদের করা আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    গরুপাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) গত বুধবার লতিফকে দিল্লিতে তলব করেছিল ইডি। সেইসময় কেমোথেরাপি চলছে বলে জানিয়ে হাজিরা এড়ান গরুপাচারে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী। দিল্লিতে ইডি দফতরে না গেলেও, তলবের দু’দিন পরে, শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা-কে খুনের সময় উপস্থিত ছিলেন আবদুল লতিফ। কীভাবে একজন অভিযুক্ত খোলা হাওয়ায় জনসমক্ষে ঘুরে বেড়াচ্ছেন , তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে’, রাজ্যপালকে চিঠি বুদ্ধিজীবী সেলের

    BJP: ‘রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে’, রাজ্যপালকে চিঠি বুদ্ধিজীবী সেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায় হামলা প্রসঙ্গে এই মর্মে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখল বিজেপির (BJP) বুদ্ধিজীবী সেল (Intellectual Cell)। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ২৬ জন বুদ্ধিজীবী। বিজেপির বুদ্ধিজীবী সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক পুলক নারায়ণ ধর বলেন, রাজ্যে যে অশান্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, সে ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ নিন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচ্ছন্ন মদত ছাড়া পুলিশ এতটা নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে না। পুলিশ দুর্নীতি ইস্যুতে চোখ বন্ধ করে রয়েছে। রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে সময় চেয়েছেন তাঁরা।

    বিজেপির (BJP) বুদ্ধিজীবী সেল…

    রাজ্যপালকে লেখা ওই চিঠিতে (BJP) যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী রুবি মুখোপাধ্যায়, ডঃ গোপালচন্দ্র মিশ্র, প্রাক্তন আইএএস দীপক ঘোষ, লেখক দীপ্তিমান বসু, চলচ্চিত্র নির্মাতা কৌশিক অধিকারী, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষও। চিঠিতে আহ্বায়ক হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক পুলকনারায়ণ ধরের। চিঠির প্রথমেই বলা হয়েছে, হাওড়া ও পরে রিষড়ায় একটি ধার্মিক বিশ্বাসের মানুষের রামনবমীর শোভাযাত্রায় আক্রমণের তীব্র নিন্দা করছি আমরা। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আপনার (রাজ্যপাল) আশ্বাসবাণী ছিল যে অপরাধীদের লৌহমুষ্ঠিতে দমন করা হবে, তা সত্ত্বেও এই ঘটনা ঘটে চলেছে। আইন ভঙ্গকারীরা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর রাজ্যের পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে চোখ বন্ধ করে রয়েছে। এই জন্যই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দুষ্কৃতীরা।

    আরও পড়ুুন: ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে বিরোধীদের করা আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    এ থেকেই বোঝা যায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার। নির্দ্বিধায় বলা যায়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই চোখ বন্ধ করে রয়েছে পুলিশ। বুদ্ধিজীবী (BJP) সেলের মতে, পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। অন্যত্রও অশান্তি ছড়াতে পারে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আমাদের ধারণা, দুর্নীতিতে জর্জরিত রাজ্য সরকার নজর ঘোরাতেই রাজ্যজুড়ে সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি। সব ধর্মের মানুষের ধর্মাচরণের স্বাধীনতার রক্ষার পক্ষে দাবি জানাচ্ছি। পুলক নারায়ণ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দিষ্ট কোনও সম্প্রদায়ের দোষ ত্রুটি ঢেকে রাখছেন। রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত হতাশাজনক ও নেতিবাচক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে বিরোধীদের করা আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে বিরোধীদের করা আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মুখ পুড়ল বিরোধীদের। ইডি (ED) ও সিবিআইকে (CBI) হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই দুই সংস্থার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করেছিল দেশের ১৪টি বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল। বুধবার বিরোধীদের সেই পিটিশন খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। এদিন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বলেছে, কোনও নির্দিষ্ট উদাহরণ নিয়ে শুনানি চলতে পারে। কিন্তু সার্বিকভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অপব্যবহার নিয়ে মামলার শুনানি ও রায়দান সম্ভব নয়। আবেদনকারী (Supreme Court) পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভিকে প্রধান বিচারপতি বলেন, যখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অপব্যবহার নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনতে পারবেন, তখন আবার আসবেন।

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন…

    প্রসঙ্গত, ২৪ মার্চ দেশের শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছিল দেশের ১৪টি বিরোধী দল। কংগ্রেসের পাশাপাশি তাতে ছিল তৃণমূল, আপ, বাম, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি এবং বিআরএস-ও। এদিন আদালতে (Supreme Court) বিরোধীদের তরফে আইনজীবী মনু সিংভি জানান, বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে ইডি তদন্ত শুরু করেছে, তাদের মধ্যে মাত্র ২৩ শতাংশ ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ইডি তদন্তাধীন ৯৩ শতাংশ রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছিল। ২০১৪ সালের পর থেকে সিবিআই ও ইডি যে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে, তাঁদের ৯৫ শতাংশই বিরোধী দলের নেতা। অথচ ইউপিএ সরকারের সময় যে ৭২ জন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত করছিল সিবিআই, তাদের মধ্যে ৪৩ জন বিরোধী দলের।

    আরও পড়ুুন: রাত পোহালেই হনুমান জয়ন্তী, অশান্তি রুখতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    শীর্ষ আদালত জানায়, মামলার আবেদনে লেখা হয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে কাজে লাগিয়ে সামগ্রিক রাজনৈতিক বিরোধিতা ও অন্যান্য সরব কণ্ঠস্বরকে ধ্বংস করা, দীর্ঘ দিনের জন্য তাদের জেলে বন্দি করার একটি স্পষ্ট নকশা দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি, মাঝেমধ্যেই ভয়াবহ আইন তৈরি করা হচ্ছে যাতে জামিন পাওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে যায়। প্রসঙ্গত, সিবিআই এবং ইডির অতিসক্রিয়তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী সহ ৮টি বিরোধী দলের ৯ জন  নেতা। ওই চিঠিতে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিআরএস প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের মতো নেতারা স্বাক্ষর করলেও, কংগ্রেসের কারও সই ছিল না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rishra: ছন্দে ফিরছে রিষড়া, পুলিশ কমিশনারেটে ডেপুটেশন দিলেন লকেট

    Rishra: ছন্দে ফিরছে রিষড়া, পুলিশ কমিশনারেটে ডেপুটেশন দিলেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বুধবার থেকে কিছুটা হলেও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে রিষড়া (Rishra)। রিষড়ার ৪ নম্বর রেলগেটের কাছে হাতেগোনা দু-একটি মুদিখানা, সব্জির দোকান খুলেছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্ক কাটিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে কেনাকাটাও করেছেন। তবে, রাস্তায় এদিন কোনও জটলা করতে দেয়নি পুলিশ। গোটা রিষড়া (Rishra) জুড়ে প্রায় ৭০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন রয়েছে। এদিন এলাকায় দিনভর পুলিশি টহল রয়েছে। রিষড়া, শ্রীরামপুর দুজায়গায় এদিনও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। চন্দননগর ও হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে পাঠানো হয়েছে হাওড়া সিটি পুলিশ। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। রিষড়ার (Rishra) ৪ নম্বর রেল গেট এলাকায় অশান্তির জেরে সোমবার রাতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মঙ্গলবারও আতঙ্কে বিস্তীর্ণ এলাকা একেবারে থমথমে ছিল। এমনকী ব্যান্ডেল-হাওড়া লাইনে মঙ্গলবার লোকাল ট্রেনও খাঁ খাঁ করেছিল। তবে, বুধবার ট্রেনে যাত্রীদের ভিড় ছিল।

    পুলিশ কমিশনারেটে ডেপুটেশন দিয়ে কী বললেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়?

    মঙ্গলবার বালি থেকে ট্রেন রুটে রিষড়ায় (Rishra) গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। ট্রেন থেকে নামার পর ব্যাপক পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তিনি। পূর্ব ঘোষণা মতো রিষড়াকাণ্ড ইস্যুতে  বুধবার হুগলির চুঁচুড়ার ঘড়ি মোড়ে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত হন। বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ সেখানে হাজির হন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি পুলিশ কমিশনারেট অফিসের দিকে যান। বিজেপি-র ডেপুটেশন কর্মসূচির জন্য আগে থেকেই পুলিশ কমিশনারেটের অফিসের সামনে গার্ডরেল দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সেখানে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল। ফলে, বিজেপি কর্মীরা কমিশনারেটের অফিসের সামনে আসতেই পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। পরে, লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পুলিশ কমিশনারের অফিসে যান। তবে, পুলিশ কমিশনার না থাকায় ডিসি (সদর) মিসেস নিধিরানির কাছে তাঁরা ডেপুটেশন জমা দেন। ডেপুটেশন দিয়ে বেরিয়ে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, খেলনা পিস্তল নিয়ে একজনকে রিষড়া থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আর যারা ট্রেনে পাথর ছুঁড়ল, এলাকায় হামলা চালাল পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিল না। সাগরদিঘিতে ভরাডুবি হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী পরিকল্পিতভাবে এসব করছে। যারজন্য হনুমান জয়ন্তীতে গন্ডগোল হবে তা তিনি আগাম বলে দিচ্ছেন। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে রিষড়া (Rishra) নিয়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য বলেছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mobile Phone: মোবাইলে আড়াই লাখের অর্ডার দিয়ে ফেলেছে মেয়ে! একরত্তিকে কী শাস্তি দিলেন মহিলা?

    Mobile Phone: মোবাইলে আড়াই লাখের অর্ডার দিয়ে ফেলেছে মেয়ে! একরত্তিকে কী শাস্তি দিলেন মহিলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র পাঁচ বছর। নাম লীলা ভ্যারিস্কো। আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস-এর বাসিন্দা সে। মায়ের সঙ্গে গাড়িতে চেপে ফিরছিল বাড়ি। চালকের আসনে বসে আছেন মা। আর মেয়ে পিছনে সিটে বসে মায়ের মোবাইল (Mobile Phone) নিয়ে খেলতে ব্যস্ত।

    কিন্তু কে জানত, মোবাইল (Mobile Phone) নিয়ে খেলতে খেলতেই মেয়ে এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড বাধিয়ে ফেলবে! ঘটনাটা তখনই জানতে পারেননি মা। পরে বাড়ি ফিরে যখন মোবাইলের নানা জিনিস ঘাঁটাঘুঁটি করে দেখছেন, তখনই তাঁর নজর আটকে গেল একটি নামী অনলাইন কেনাবেচা সংস্থার অ্যাপে।  এ কী কাণ্ড! তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার চলে গেছে ওই সংস্থায়। তাও আবার এক-দু টাকার অর্ডার নয়। ডলারে যার অঙ্ক চার হাজারের কাছাকাছি। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। কিন্তু তিনি তো অর্ডার দেননি। তাহলে কী করে এমনটা হল। না, ধাঁধার মধ্যে তাঁকে বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যই তিনি বুঝে যান, কী করে এমনটা ঘটেছে। ‘বাই নাউ’ বাটনে ক্লিক করে দিয়েছে তাঁর আদরের কন্যাসন্তানই। ব্যস, এবার হ্যাপা সামলাও।

    মোবাইল (Mobile Phone) কী অর্ডার দিয়েছে শুনবেন?

    বাচ্চাদের খেলনা ১০টি মোটরসাইকেল, একটি জিপ এবং মেয়েদের সাত নম্বর সাইজের কাউগার্ল জুতো। এসব দেখে তো মাথায় হাত মহিলার। রাতেই ফোন করে ফেললেন সংস্থার কাস্টমার কেয়ারে। কিন্তু তখন অনেকটা সময় দেরি হয়ে গিয়েছে। হলে অর্ডার করার সব জিনিস তখনই ক্যানসেল করা যায়নি। কারণ বেশ কিছু জিনিস ওই সংস্থা যখন ডেসপ্যাচ করে দিয়েছে। ভাবছেন, ওই মহিলা আদরের মেয়েকে দু’ঘা কষিয়ে দিয়েছেন, দিয়েছেন চরম শিক্ষা। কিন্তু না তেমনটা ঘটেনি। তিনি মেয়েকে কিছুই বলেননি। তাঁর মতে, তিনি তাঁকে শাস্তি দিতে চান না। এই ঘটনার পর ভবিষ্যতের জন্য সে চরম শিক্ষা পাক, সেটাই তিনি চেয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hanuman Jayanti: হনুমান জয়ন্তীতে অশান্তি রুখতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা কেন্দ্রের  

    Hanuman Jayanti: হনুমান জয়ন্তীতে অশান্তি রুখতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা কেন্দ্রের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে রাজ্যের একাধিক জায়গায়। সামনেই হনুমান জয়ন্তী (Hanuman Jayanti)। ফের যাতে অশান্তি না হয়, সেজন্য আগেভাগেই রাজ্যগুলিকে একটি অ্যাডভাইসারি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। হনুমান জয়ন্তীর প্রস্তুতি ও সেই অনুষ্ঠানের সময় যাতে কোনও অশান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করতে সতর্ক করা হয়েছে রাজ্যগুলিকে।

    হনুমান জয়ন্তী (Hanuman Jayanti)…

    ৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে পালিত হবে হনুমান জয়ন্তী। ওই দিন দেশের কোথাও যাতে অশান্তির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে বার্তা দিয়ে এই অ্যাডভাইসারি জারি করেছে কেন্দ্র। যে অ্যাডভাইসারি জারি হয়েছে, তা নিয়ে ট্যুইটে লেখা রয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে হনুমান জয়ন্তীর (Hanuman Jayanti) প্রস্তুতি নিয়ে অ্যাডভাইসারি জারি করছে। সরকারগুলিকে বলা হচ্ছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে উৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে পালন করা হয়। এবং সেই সমস্ত ফ্যাক্টরে যাতে নজর দেওয়া হয়, যা সাম্প্রদায়িক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হনুমান জয়ন্তী প্রসঙ্গে সমস্ত রাজ্যকে অ্যাডভাইসারি দেওয়া হয়েছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা, শান্তিপূর্ণভাবে এই অনুষ্ঠান পালন করা, সমস্ত বিষয় যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে, তা যাতে না ঘটে, সেদিকে নজর রাখার বিষয়ে রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: হনুমান জয়ন্তীতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী! শান্তি বজায় রাখতে কী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট?

    প্রসঙ্গত, বুধবার হনুমান জয়ন্তীর (Hanuman Jayanti) অনুমতি সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বাংলায় যেসব এলাকায় অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এদিকে, হনুমান জয়ন্তীর প্রাক্কালে দিল্লির জাহাঙ্গীরপুরীতে ফ্ল্যাগ মার্চ করেছে পুলিশ। ওই এলাকায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও অন্যান্য সংগঠনের তরফে কোনও শোভাযাত্রা বের করার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত বছর দিল্লির ওই এলাকায়ই হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে হিংসা ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ৮ জন পুলিশ কর্মী ও কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জখম হয়েছিলেন।

    প্রসঙ্গত, রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে ব্যাপক অশান্তি হয় হাওড়ার কাজিপাড়া ও শিবপুরে। অশান্তি হয়েছে হুগলির রিষড়াও। উত্তেজনার আঁচ ছড়িয়েছে কোন্নগরেও। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই চলে এসেছে হনুমান জয়ন্তী। এদিন কোনও অশান্তি হয় কিনা, তাই দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: আদিবাসীদের সড়ক ও রেল অবরোধে স্তব্ধ জঙ্গলমহল, ব্যাপক ভোগান্তি

    Tribal People: আদিবাসীদের সড়ক ও রেল অবরোধে স্তব্ধ জঙ্গলমহল, ব্যাপক ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব ঘোষণা মতো বুধবার পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে রেল অবরোধে সামিল হলেন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People)। এদিন সকাল থেকেই তীর, ধনুক, ধামসা-মাদল নিয়ে সংগঠনের সদস্যরা স্টেশনে এসে জমায়েত হন। পরে, বিভিন্ন দাবিদাওয়ার স্লোগান তুলে রেল লাইনে নেমে অবরোধ শুরু করেন। সকাল পাঁচটা থেকে রেল অবরোধ শুরু করে। পাশাপাশি সড়ক অবরোধ করা হয়। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামেও সংগঠনের পক্ষ থেকে রেল অবরোধ করা হয়। ফলে, এদিন সাধারণ মানুষ চরম নাকাল হন। হাজার হাজার যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

    আন্দোলনের জেরে কত ট্রেন বাতিল হল?

    সকাল থেকে রেল অবরোধ করার জন্য খড়গপুর-আদ্রা শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একাধিক ট্রেন বাতিল হয়ে যায়। আগাম রেল অবরোধের কথা ঘোষণা করায় দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুম্বই এবং আদ্রা শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়। জানা গিয়েছে, টাটা-হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া -হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া-বরবিল জনশতাব্দী, হাওড়া-রাঁচি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু মেমু স্পেশাল বাতিল করা হয়েছে। এমনিতেই মঙ্গলবার বেলা ১০টা নাগাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এদিন জাতীয় সড়কের পাশাপাশি রেলপথও অবরোধ করা হয়। ফলে, জাতীয় সড়কে লাইন দিয়ে ট্রাক দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর নতুন করে রেল অবরোধ শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

    আন্দোলন নিয়ে কী বললেন কুড়মি সমাজের নেতা?

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফশিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আমরা রাজ্য সরকারকে বহুদিন ধরে সময় দিয়েছি। কিন্তু, আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয়ে রাজ্য সরকারের কোনও হেলদোল নেই। তাই, আমরা এর আগেই এই কর্মসূচি নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলাম। রাজ্য সরকার আমাদের দাবির বিষয়ে বিবেচনা না করলে আমরা এই আন্দোলন আরও জোরদার করব। প্রয়োজনে জঙ্গলমহল স্তব্ধ করে দেব। এর আগে ‘কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গ’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত বলেন, ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া সহ বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া হয়। দাবিদাওয়া আদায়ে এবার সেই আন্দোলন আরও জোরদার করা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নজিরবিহীন! ৩০ মিনিট ধরে মানিককে হাইকোর্টে জেরা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    SSC Scam: নজিরবিহীন! ৩০ মিনিট ধরে মানিককে হাইকোর্টে জেরা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপ্টিটিউট টেস্ট না নিয়েই প্রাথমিকে নিয়োগ করার অভিযোগে বুধবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টে তলব করা হয় মানিককে। তাঁর কথায়, ‘আমি সত্যিটাই বলতে চাই। সত্য সহজ, সত্য সুন্দর। আমার বিরুদ্ধে যা পদক্ষেপ করা হোক। আমি মেনে নেব।’ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হঠাতই নরম সুর মানিক ভট্টাচার্যের।

    হাইকোর্টে হাজির মানিক

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের তলব পেয়ে বুধবার দুপুরেই কলকাতা হাইকোর্টে হাজির করানো হল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে দুপুর সোয়া ৩টে নাগাদ আদালতে নিয়ে আসা হয়। পুলিশি ঘেরাটোপে মাথা নীচু করেই আদালতের ভিতরে ঢুকে যান মানিক। মুখে মাস্ক, পরনে সাদা শার্ট এবং কালো ট্রাউজার পরে আদালতে ঢোকেন মানিক। জেলবন্দি আসামিদের সাধারণত হাইকোর্টে হাজির করানো হয় না। তাঁদের শুনানি হয় নিম্ন আদালতে। নিয়োগ মামলায় মানিক জেলে যাওয়ার পর তাঁর নানা আবেদনের শুনানি নিম্ন আদালতেই হয়েছে। কিন্তু বুধবার সেই প্রচলিত ধারা ভেঙেই মানিককে হাইকোর্টে হাজির করানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    আধ ঘণ্টা ধরে বিচারপতির সঙ্গে কথোপকথন

    নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে মানিক এজলাসে পৌঁছলে তাঁকে একের পর এক প্রশ্ন করেন বিচারপতি। আদালতে মানিকের হাজিরা দেখতে এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস ছিল ভিড়ে ঠাসা। বেলা ৩টে ১৬ মিনিটে মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন বিচারপতি। জেরা পর্ব চলে বেলা ৩টে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। আধ ঘণ্টা ধরে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মানিককে নানা প্রশ্ন করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিশেষ করে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফলপ্রকাশের দায়িত্বে কারা ছিল। কী ভাবে তাদের নির্বাচন করা হয়েছিল এই সংক্রান্ত প্রশ্ন করেন বিচারপতি। বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিলেও, কয়েকটি প্রশ্নে উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চাই বলে জানান মানিক। 

    প্রশ্নবানে বিদ্ধ মানিক

    ‘২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে কী জানেন?’ বিচারপতির এই প্রশ্নের উত্তরে মানিক বলেন, ‘আদালত ডেকেছে তাই এসেছি। আমি জেলে রয়েছি। আমার কাছে কোনও তথ্য বা নথি নেই। তাই স্মরণে যা আছে, তাই বলতে পারি।’ ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফল কে প্রকাশ করেছিল? সেটাও এদিন জানতে চান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। মানিক বলেন, ‘এটা আমি বলতে পারি না। বিশেষ করে এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে বোধগম্য নয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ার মোট নম্বর তৈরি করে বিভিন্ন বিভাগ মিলে।’

    আরও পড়ুন: হনুমান জয়ন্তীতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী! শান্তি বজায় রাখতে কী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট?

    বাইরের কোন সংস্থাকে রেজাল্ট প্রস্তুত করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল? বিচারপতির এই প্রশ্নের উত্তরে মানিক জানান, একটি সংস্থাকে নিয়োগ করা হয়েছিল, তবে তার নাম এখন আর মনে নেই। বিচারপতি এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির নাম উল্লেখ করাতে, মানিক বলেন, ‘হ্যাঁ ওই ধরনের নাম শুনেছি।’এর পর মানিককে হাইকোর্টে কলকাতার শেরিফের দফতরে অপেক্ষা করার নির্দেশ দেন বিচারপতি। জানান, মানিকের সমস্ত বক্তব্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। সেই কাগজে সই করে তবে তিনি আদালত ছাড়তে পারবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অদম্য ইচ্ছাশক্তি। সঙ্গে সাহসও। এমনই দুই বৈশিষ্ট্যের যেন মেলবন্ধন বছর ৬৫ এর মোস্তাক আলি। ছোটবেলা থেকেই সংসারের জন্য লড়াই আর লড়াই। টমটম অর্থাৎ ঘোড়ার গাড়িই (Horse Carriage) তাঁর বন্ধু, জীবনসঙ্গী। তাই এলাকায় টমটম চালক হিসাবেই সুপরিচিত মোস্তাক।

    কলিয়াচকের (Kaliachak) ২ নম্বর ব্লকের পীরুটোলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।  এই এলাকায় ৪টি ঘোড়ার গাড়ি দৌড়ায়। তার মধ্যে মোস্তাকেরটিই বেশি পরিচিত। কারণ এই বয়সেও (Old Age) তিনি অবিরাম একই কাজ করে চলেছেন উৎসাহের সঙ্গে। মুখে মৃদু হাসি, চোখেমুখে বয়সের ছাপ। তবুও যেন হার না মানা চরিত্র।

    এই মানুষটি তাঁর পেশা সম্পর্কে কী বলছেন?

    মোস্তাক আলি বলেন,  “ছোট থেকেই আমি এই কাজ করছি। অন্য কাজ আর কীই বা করব? তাই সাতপাঁচ না ভেবে এই কাজটিই আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত করতে চাই।” জানা গেল, তাঁর দৈনিক আয় ২০০ থেকে ৪০০ টাকা, যা আজকের বাজারে অনেক কম হলেও সাহস আর মনের জোরে টমটম চালক হিসাবেই রয়েছেন কলিয়াচকে। বললেন, এক সময় অনেক যাত্রী হত। কিন্তু আজকাল কমে গেছে। তাই দোকানহাটে মাল বহন করে যা আয় হয়, তাতেই সংসার (Family) চলে। তিনি জানান, এক সময় এই অঞ্চলে পাঁচশোর বেশি ঘোড়ার গাড়ি (Horse Carriage) ছিল। সেসব গাড়ি বৈষ্ণবনগর, মোথাবাড়ি, সাহাবাজপুর, গোলাপগঞ্জ, কালিয়াচক প্রভৃতি রুটে ছুটে বেড়াত। তিনি এখন মোথাবাড়ি, অচিনতলা সিলামপুর ও কালিয়াচক রুটে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়েই জীবিকার নির্বাহ করেন।

    এই বয়সেও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা মোস্তাক

    এক সময় এই এলাকা সহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক জায়গাতেই যোগাযোগের (Communication) মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হত এই টমটম। কিন্তু কালের নিয়মে তা আজ শেষের পথে। আজ এই এলাকায় ঘোড়ার গাড়ির সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪টিতে। তবুও এই বয়সে মনের জোর নিয়েই মোস্তাক তাঁর ঘোড়ার গাড়িকে (Horse Carriage) ছুটিয়ে নিয়ে চলেছেন কলিয়াচক জুড়ে। আজ ৬৫ বছর বয়সেও তিনি নিজে অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। কখনও নিজের মনে মনে গান করে ছুটিয়ে নিয়ে চলেন তাঁর টমটম। আর এইসবই তাঁকে আরও উৎসাহ আর মনের জোর দেয় বলে দাবি মোস্তাকের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: রাজু খুনে দুই সাক্ষীকে ‘অরক্ষিত’ অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হল কেন? প্রশ্ন বিজেপির

    BJP: রাজু খুনে দুই সাক্ষীকে ‘অরক্ষিত’ অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হল কেন? প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা (Coal) ব্যবসায়ী রাজু ঝা (Raju Jha)-র খুনের মামলায় প্রধান দুই সাক্ষী ব্রতীন মুখোপাধ্যায় ও আব্দুল লতিফের গাড়িচালক নুর হোসেনকে অরক্ষিত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, এই মামলার মূল দুই সাক্ষীকে কোনও নিরাপত্তা দেয়নি পুলিশ। জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ন’টা নাগাদ পুলিশ সুপারের অফিস থেকে বেরিয়ে যান ব্রতীন ও নুর। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের প্রশ্ন, ব্রতীন ও নুরকে কীভাবে ছেড়ে দিল পুলিশ? জেরা শেষে কেন তাঁদের হেফাজতে নিল না পুলিশ?

    দুই সাক্ষীর বয়ান…

    তিনি বলেন, দুই সাক্ষী আলাদা আলাদা বয়ান দিয়েছেন। এই অবস্থায় তাঁদের অরক্ষিত অবস্থায় ছাড়া হল কেন? পুলিশ কী করে জানল ওঁদের ওপর আক্রমণ হবে না? মৃত্যুঞ্জয় (BJP) বলেন, বাহাত্তর ঘণ্টা হতে চলল। এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি দলদাস পুলিশ। রাজ্য সরকারকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে জেলা পুলিশ। নাহলে খুন করে গাড়ি ফেলে খুনিরা পালিয়ে গেল কীভাবে? তাঁর প্রশ্ন, ধামাচাপা দিতেই কি সিট গঠন? প্রসঙ্গত, সোমবারই পুলিশ সুপারের দফতরে ব্রতীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিটের সদস্যরা। নুরকেও সেখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। নুরের দাবি, গাড়িতে ছিলেন আব্দুল লতিফ। এফআইআরেও তিনি একই দাবি করেছেন। যদিও লতিফকে তিনি চেনেন না বলেই দাবি করেছেন ব্রতীন।

    আরও পড়ুুন: সাভারকার ইস্যুতে রাহুলকে নিশানা গডকড়ির, একহাত নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশও

    এদিকে, রাজু খুনে আততায়ীদের ব্যবহৃত নীল রংয়ের গাড়িটি দিল্লি থেকে চুরি করা হয়েছিল। গাড়িটির ফরেন্সিক পরীক্ষা করে একথা জানান বিশেষজ্ঞরা। গাড়িটির ইঞ্জিন ও চ্যাসি নম্বর জানতে গিয়ে তদন্তকারীরা দেখেন, সেগুলি উঘা দিয়ে ঘসে তুলে দেওয়া হয়েছে। পরে রাসায়নিক ব্যবহার করে ইঞ্জিন ও চ্যাসি নম্বর উদ্ধার করা হয়। তখনই জানা যায়, গাড়িটি গুরুগ্রাম থেকে চুরি গিয়েছিল জানুয়ারি মাসে। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে জাল নম্বর প্লেট ব্যবহার করেছিল আততায়ীরা। তদন্তকারীরা জেনেছেন, রাজু যেদিন খুন হন, সেদিন ভোরে গাড়িটি যায় ঝাড়খণ্ডে। পরে সুপারি কিলারদের নিয়ে যায় শক্তিগড়ে। ঝাড়খণ্ডের টোল প্লাজার সিসিটিভির সেই ফুটেজ এসেছে পুলিশের হাতে। ওই গাড়িতে উদ্ধার হয়েছে ২টি সেভেন এমএম পিস্তল, ১২ রাউন্ড গুলি ও বেশ কয়েকটি নম্বর প্লেট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share