Blog

  • Ravi Chaudhary: মার্কিন এয়ার ফোর্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে ভারতীয় বংশোদ্ভুত রবি চৌধুরী

    Ravi Chaudhary: মার্কিন এয়ার ফোর্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে ভারতীয় বংশোদ্ভুত রবি চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ফের এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগের এয়ার ফোর্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে নিযুক্ত হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত রবি চৌধুরী (Ravi Chaudhary)। বুধবার সেনেটে ৬৫-২৯ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন রবি চৌধুরী। পেন্টাগনে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ।

    কে এই রবি চৌধুরী

    রবি চৌধুরী (Ravi Chaudhary) এর আগে পরিবহন দফতরে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত ছিলেন। সেখানে অ্যাডভান্স প্রোগাম এবং ইনোভেশনের ডিরেক্টরের পদে ছিলেন তিনি। আমেরিকার বিমান বাহিনীতে ১৯৯৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করেছেন। C17 যুদ্ধ বিমানের পাইলট হিসেবে আফগানিস্তান এবং ইরাকে যুদ্ধও করেছেন রবি। সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নাসায় মহাকাশচারীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়েও কাজ করেছেন রবি চৌধুরী। ওবামা প্রশাসনে এশিয়ান আমেরিকান এবং উপসাগরীয় দ্বীপগুলির প্রেসিডেন্ট উপদেষ্টা কমিটিতেও ছিলেন রবি।

    ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত করতে ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়েই বাইডেন জানিয়েছিলেন, সেদেশে বসসবাসকারী ভারতীয়দের যোগ্য সম্মান দেওয়া হবে। সেই কথা মাথায় রেখেই ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি। মার্কিন প্রশাসন (USA Administration) সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাইডেন যদি কোনও প্রশাসনিক বৈঠক করেন, তাহলে সেই ঘরে ভারতীয় বংশোদ্ভূত একজন হলেও উপস্থিত থাকবেন।  

    আরও পড়ুন: ভারতে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন বাইডেন ঘনিষ্ট এরিক গারসেটি

    শুধু সরকারি ক্ষেত্রেই নয়, বেসরকারি সংস্থাগুলিতেও শীর্ষ পদে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিরা। সত্য নাদেলা থেকে শুরু করে সুন্দর পিচাই-মার্কিন সংস্থাগুলির শীর্ষপদেও জয়জয়কার ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের। এবার সেই তালিকায় নয়া সংযোজন রবি চৌধুরী (Ravi Chaudhary)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment scam: চাকরি বিক্রির ডিল হত কফি শপে বসে! তিনটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ চাইল ইডি

    Recruitment scam: চাকরি বিক্রির ডিল হত কফি শপে বসে! তিনটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ চাইল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Recruitment scam) আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, চাকরির ডিল করা হত কফি শপে বসে। ফলে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এবার কলকাতা ও লাগোয়া এলাকার তিনটি অভিজাত হোটেলের কফি শপের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চাইল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে খবর, ওই হোটেলের ক্যাফেটেরিয়ায় কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে নিয়োগ দুর্নীতির ব্লুপ্রিন্ট, টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বৈঠক হয়েছিল।

    ইডি আর কী কী জানাল?

    নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment scam) গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি সূত্রে খবর, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাঁরা জানতে পেরেছেন শহর কলকাতার তিনটি অভিজাত হোটেলের কফিশপে শান্তনু, কুন্তল, তাপস মণ্ডলরা বিভিন্ন সময় বৈঠক করেছেন। শান্তনুর বয়ানের উপর ভিত্তি করে এই তিনটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে পাঠানো হয়েছে। ইডি গোয়েন্দারা যাচাই করে দেখতে চাইছেন শান্তনুর বয়ানের সত্যতা কতটা। এমনকী এও দেখা হচ্ছে, শান্তনু, কুন্তল ছাড়া আর কারা উপস্থিত থাকতেন ওই বৈঠকে।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে পরবর্তী এসসিও-র বৈঠকের জন্য পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ মোদির, কী করবে ইসলামাবাদ?

    সূত্রের খবর, ২০১৭ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে এইসব অভিজাত হোটেলগুলির কফি শপে শান্তনু, কুন্তলদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল বলে খবর। জানা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে আলিপুরের একটি নামী হোটেলও। ওই কফি শপগুলিতে হয়েছে একাধিক বৈঠক। কোন কোন চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হবে। তা সমস্ত কিছুই ঠিক করা হত এই বৈঠকে। শান্তনু ও কুন্তল ঘোষ ছাড়া বৈঠকে কারা থাকতেন, তা জানতেই শহরের তিন অভিজাত হোটেলের কফি শপের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ চাওয়া হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা গেছে।

    সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তল এবং শান্তনুর যোগাযোগ সম্পর্কে আরও তথ্য ইডির হাতে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কফি শপে গিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনও টাকার লেনদেন হয়েছে কি না, তা-ও ফুটেজ দেখে বোঝার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা। এর ফলে তদন্তে সুবিধা হতে পারে। তবে কোন তিন কফি শপে কুন্তল আর শান্তনু দেখা করতেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত তা গোপন রাখতে চাইছে ইডি। তবে এখন এটাই দেখার যে, ফুটেজে কী পায় ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Eric Garcetti: ভারতে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন বাইডেন ঘনিষ্ট এরিক গারসেটি

    Eric Garcetti: ভারতে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন বাইডেন ঘনিষ্ট এরিক গারসেটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে পরবর্তী মার্কিন (America) রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রথম সারির নেতা এরিক গারসেটি (Eric Garcetti)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এরিক এক সময় লস অ্যাঞ্জেলেসের (Los Angeles) মেয়র ছিলেন। বুধবার ৫২-৪২ ভোটে অনুমোদিত হয় বাইডেন সরকারের প্রস্তাব। ২০২১ সালের জুনেই ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে এরিককে পাঠাতে মনোনয়ন দেন জো বাইডেন। তখন থেকেই আনুষ্ঠানিকতা ও মার্কিন রাজনীতির দর কষাকষির জালে আটকে ছিল তাঁর নিযুক্তির বিষয়টি। শেষমেশ একটি ক্লোচার মোশনের মাধ্যমে এরিকের পথের কাঁটা দূর হয়। পরে তাঁর নিয়োগেও শিলমোহর দেওয়া হয়।

    ক্লোচার মোশন…

    ক্লোচার মোশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে কোনও একটি বিষয়ে বিতর্ক থামাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ভোটাভুটির আহ্বান করে থাকে। এদিন এরিকের নিয়োগ সংক্রান্ত ক্লোচার মোশনটি সেনেটে ৫২-৪২ ভোটে পাশ হয়। এর পরেই মার্কিন সেনেটে তাঁর নিয়োগ নিয়ে ভোটাভুটি হয়। সেখানেও জয়ী হন ডোমোক্র্যাটরা। এরিকের (Eric Garcetti) নিয়োগের বিপক্ষে ভোট দেন তিন ডেমোক্র্যাট সেনেটর। আর দলের বিপক্ষে গিয়ে এরিকের নিয়োগের পক্ষে ভোট দেন ৭ রিপাবলিকান সেনেটর। এরিক আমেরিকায় তৃতীয় প্রজন্মের অভিবাসী। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অন্দরে তিনি বাইডেনের ঘনিষ্ট বলেই পরিচিত। তবে বিরোধী রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গেও সখ্য রয়েছে তাঁর। তার জেরেই এদিন এরিকের জয় হয় অনায়াস।

    বছর বাহান্নর এরিক ইহুদি ধর্মাবলম্বী। তাঁর মনোনয়নে খুশি আমেরিকার ভারতীয় বংশোদ্ভূতরাও। মার্কিন কংগ্রেসের ভারতীয় বংশোদ্ভূত সদস্য রাজা কৃষ্ণমূর্তি বলেন, আমেরিকা-ভারত সম্পর্ক এবং বিশেষত অতিমারি আবহে পারস্পরিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক অংশীদারিকে আরও মজবুত করার ক্ষেত্রে এরিকের মনোনয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    আরও পড়ুুন: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র পদে টানা ১০ বছর ছিলেন এরিক। ওই সময় শহরে তাঁর নানা উন্নয়নমূলক কাজ উচ্চ প্রশংসিত হয়েছিল। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে সহযোগিতার বন্ধন তৈরির কাজেও সাফল্য পেয়েছিলেন তিনি। যদিও ওই সময়ই তাঁর গায়ে লেগেছিল কলঙ্কের কালির ছিটে। নিজের দফতরের এক কর্মীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই রিপাবলিকানরা এরিকের নিয়োগের বিপক্ষে মত প্রকাশ করেছিল। এদিন অবশ্য তাঁদেরও ৭ জনের সমর্থন পান এরিক (Eric Garcetti)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • SCO: দিল্লিতে পরবর্তী এসসিও-র বৈঠকের জন্য পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ মোদির, কী করবে ইসলামাবাদ?

    SCO: দিল্লিতে পরবর্তী এসসিও-র বৈঠকের জন্য পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ মোদির, কী করবে ইসলামাবাদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্তরের বৈঠকে পাকিস্তানকে (Pakistan) আমান্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে আমান্ত্রণ জানানো হয়েছে। ২৯ মার্চ নয়াদিল্লিতে হবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা স্তরের বৈঠক। আর ২৭ এপ্রিল হবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনা। দুই বৈঠকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পাকিস্তানকে। সূত্রের খবর, ভারতের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এই দুই বৈঠকে যোগ দিতে পারেন চিন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরাও।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO)…

    শান্তি ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্য বাড়াতে ১৯৯৬ সালে চিন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান ও তাজিকিস্তান যৌথভাবে গড়ে তোলে সাংহাই ফাইভ। ২০০১ সালে এতে যোগ দেয় উজবেকিস্তান। সংস্থার নাম বদলে হয় সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO)। ২০১৫ সালে এই সংস্থার সদস্য হয় ভারত। পরে পাকিস্তানকে এর সদস্য করে চিন।

    চলতি বছর জি-২০ সম্মেলনের পাশাপাশি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সভাপতিত্বের দায়িত্বও পেয়েছে ভারত। ওই বৈঠকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে। এর পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিকেও। সাংহাই কো-অপারেশনের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাঁকে। মে মাসে ওই বৈঠক হওয়ার কথা।

    সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) সদস্য দেশগুলির প্রধান বিচারপতিদের বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে যোগ দেননি পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি উমর অটা বন্দিয়াল। সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বন্দিয়াল অংশ নিয়েছিলেন ভার্চুয়াল বৈঠকে। তাই পাকিস্তানের কোনও প্রতিনিধি আসবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    আরও পড়ুুন: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    যেমন স্পষ্ট নয় পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টোর ভারতে আগমনও। কারণ মাস কয়েক আগে রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে একাধিকবার কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন ভুট্টো। গুজরাট দাঙ্গার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কেও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এহেন পরিস্থিতিতে ভুট্টো ভারতে আসেন কি না, তাও দেখার। প্রসঙ্গত, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) আটটি সদস্য রাষ্ট্রে পৃথিবীর মোট ৪০ শতাংশ মানুষ বাস করেন। পৃথিবীর মোট ৩০ শতাংশ জিডিপি এই দেশগুলির নিয়ন্ত্রণে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shoaib Akhtar: ভারত ছাড়া এশিয়া কাপ হয় না! শোয়েব আখতারের কথায় সমালোচনার ঝড় পাকিস্তানে

    Shoaib Akhtar: ভারত ছাড়া এশিয়া কাপ হয় না! শোয়েব আখতারের কথায় সমালোচনার ঝড় পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত না খেললে এশিয়া কাপ জৌলুস হারাবে,অভিমত পাকিস্তানের প্রাক্তন জোরে বোলার শোয়েব আখতারের (Shoaib Akhtar)। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানে এশিয়া কাপ খেলতে দল পাঠানো হবে না। নাছোড়বান্দা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড-ও। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়ে গিয়েছিল চলতি বছর ৫০ ওভারের এশিয়া কাপ হবে পাকিস্তানে। কিন্তু ভারত পাক-ভূমে দল পাঠাতে নারাজ। এই প্রেক্ষিতে শোয়েবের (Shoaib Akhtar) এই মন্তব্য আগুনে ঘি ঢালল। এ হেন মন্তব্যের জেরে  শোয়েবের কপালে  জুটতে পারে দেশদ্রোহী তকমাও।

    শোয়েবের ভারত-প্রীতি

    ভারতঘেঁষা হিসেবে খ্যাতি রয়েছে শোয়েবের (Shoaib Akhtar)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারতীয়দের থেকে প্রচুর ভালবাসা পেয়েছি। এশিয়া কাপে ভারত না খেললে ওদের অভাব অনুভব করব। এশিয়া কাপ পাকিস্তানে হোক কিংবা শ্রীলঙ্কায়, ভারতের খেলা দেখতে চাই।” প্রাক্তন জোরে বোলারের মতে, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা না খেললে প্রতিযোগিতা আকর্ষণ হারাবে। বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখার জন্যও মুখিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন জোরে বোলার। তিনি বলেছেন, ‘‘কোহলিকে আবার আগের মতো ব্যাট করতে দেখলে আমি এক দমই অবাক হব না। ও যথেষ্ট অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।’’

    দুই বোর্ডের লড়াই

    সম্প্রতি, দুই ক্রিকেট বোর্ডের লড়াইয়ের ফলে এশিয়া কাপ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রতিযোগিতা কোথায়, কীভাবে হবে— তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। ভারতীয় বোর্ডের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের একাংশ। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে সহমত নন শোয়েব (Shoaib Akhtar)।

    আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের! আইপিএলের আগে ছন্দে লিটন

    দু’দিন আগেই ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান নাজম শেঠি। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভারত ছাড়া কোনও দেশ-ই পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে না। যত উদ্বেগ ভারতের। মার্চ মাসেই সমস্যা সমাধানে বৈঠকে বসার কথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির। এর মধ্যে শোয়েবের (Shoaib Akhtar) মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে গোটা পাকিস্তানে। শোয়েবের কথায়, খেলা কোথায় হবে তা নিয়ে ভাবতে চান না তিনি শুধু এশিয়া কাপে ভারতীয় দলকে খেলতে দেখতে চান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • STF: ছাগল ব্যবসার আড়ালে মাদকের কারবার! শহরে উদ্ধার কোটি কোটি টাকার মাদক, গ্রেফতার দম্পতি

    STF: ছাগল ব্যবসার আড়ালে মাদকের কারবার! শহরে উদ্ধার কোটি কোটি টাকার মাদক, গ্রেফতার দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শহরে উদ্ধার টাকা ও প্রায় ৫ কোটি টাকার মাদক। জানা গিয়েছে, ছাগলের ব্যবসার আড়ালে চলছিল মাদকের কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে সল্টলেকের সুকান্তনগরের নওভাঙা এলাকার একটি পাঁচ তলার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে ৫ কেজি ব্রাউন সুগার ও লক্ষাধিক টাকা। এরপর এক মহিলা-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা মোমিন খান। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি ও তাঁর স্ত্রী এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, মাদক চক্রের পাণ্ডা মহম্মদ মোমিন খান ও তাঁর স্ত্রী মেহতাব। বিশেষ করে মোমিনের স্ত্রী মেহতাবই এই মাদকচক্রের কিংপিন। এর আগেও মাদককাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন মেহতাব। ওই দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ(STF)।

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় সুকান্তনগরে মোমিনের ৫ তলার ফ্ল্যাটে হানা দেয় এসটিএফ। ফ্ল্যাটের বিভিন্ন জায়গা থেকে লুকনো মাদক ও টাকা উদ্ধার করে। এই মাদক কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সূত্রের খবর, ১৫ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফ্ল্যাটটিতে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন গোয়েন্দারা। এসটিএফ সূত্রে খবর, প্রায় সাড়ে ৩ কিলোগ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মিলেছে হেরোইন এবং ব্রাউন সুগারের মত মাদক তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় দেড় কিলোগ্রাম রাসায়নিক। এছাড়াও প্রায় নগদ ৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকাগুলিকে গোয়েন্দারা ট্রাঙ্কে করে নিয়ে গিয়েছেন। বাজেয়াপ্ত হয়েছে বেশ কিছু নথি (STF)।

    কীভাবে খোঁজ পেল এসটিএফ?

    এসটিএফ সূ্ত্রে খবর, এই ঘটনার আগে পার্কসার্কাস এলাকার একটি বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় গোয়েন্দারা। সেই জায়গা থেকেই প্রথমে বেনিয়াপুকুর থানা এবং তারপরে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর (STF) নার্কোটিক শাখার কাছে বিধাননগর দক্ষিণ থানা এলাকার, সল্টলেক সেক্টর চারের, ৫বি, নওভাঙার এই বাড়ির দিকে নজর পরে। এরপরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে করতে এই বিষয়ে ক্রমশ এসটিএফ নিশ্চিত হয় যে, এই ফ্ল্যাটে এমন কিছু লোকের যাতায়াত আছে যাদের গতিবিধি অত্যন্ত সন্দেহজনক। তখনই জানতে পারে, ছাগলের ব্যবসার আড়ালেই মাদকের ব্যবসা চালাত ওই ব্যক্তি। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের রবিবার আদালতে তোলা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Lalla: জানুয়ারিতেই খুলে যাবে অযোধ্যার রামমন্দির, শুরু হবে দর্শন, পুজোও

    Ram Lalla: জানুয়ারিতেই খুলে যাবে অযোধ্যার রামমন্দির, শুরু হবে দর্শন, পুজোও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহেই খুলে যাবে অযোধ্যার (Ayodhya) রামমন্দির (Ram Temple)। দ্রুত গতিতে চলছে নির্মাণ কাজ। মন্দিরের ৭০ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরি মহারাজ জানান, মন্দিরের ৭০ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই ভগবান রামের মূর্তি (Ram Lalla) স্থাপন করা হবে। একই দিন থেকে ভক্তদের দর্শন ও পুজোর ব্যবস্থাও করা হবে।

    ভগবান রামের মূর্তি (Ram Lalla) স্থাপন…

    সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গিরি মহারাজ বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি পদ্ম দিয়ে রাম লালার মূর্তি স্থাপন করবেন। তিনি বলেন, মন্দিরে স্থাপিত হওয়ার আগে রাম লালার মূর্তি দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী প্যান্ডেলে রাখা হয়েছে। শীঘ্রই মূর্তিকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হবে। গিরি মহারাজ বলেন, মূর্তি স্থাপনের পরেও রাম মন্দির নির্মাণের কাজ চলবে।

    মন্দির নির্মাণের জন্য ভক্তদের অনুদানের পরিমাণ আগের থেকে বেড়েছে বলেও জানান গিরি মহারাজ। তিনি বলেন, অনুদানের পরিমাণ গত কয়েক দিনে তিনগুণ বেড়েছে। প্রতিদিন এক কোটি টাকার বেশি নগদ অনুদান আসছে। চলতি বছর ৩০ মার্চ রামনবমী। জানা গিয়েছে, এবারও ঘটা করে পালিত হবে উৎসব। রাম নবমীর দিন রাম মন্দিরে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এ বছর রামকোট প্রদক্ষিণ করা হবে। রাম নবমীর দিন রাম লালার পূজা করা হবে। রাম কথা পার্কে রাম নবমীর (Ram Lalla) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

    আরও পড়ুুন: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    অযোধ্যায় নির্মীয়মাণ রাম মন্দিরে যে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে, তাতে লেখা রয়েছে রাম নাম। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রাম লালার মন্দিরের গর্ভগৃহ সহ নীচেরতলার নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। রাম লালার মন্দিরে ব্যবহার করা হচ্ছে বংশী পাহাড়পুরের পাথর। পাথরের নকশার ফাঁকে ফাঁকে চণ্ডীগড় থেকে আনা বৈজ্ঞানিকভাবে তৈরি ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের ক্যাম্প অফিস ইনচার্জ প্রকাশ গুপ্ত বলেন, যেখানে পাথর বসানো হচ্ছে না, সেখানে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিটি ইটে ভগবান রামের (Ram Lalla) নাম লেখা রয়েছে। তিনি বলেন, মন্দির নির্মাণে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে মন্দিরটি হাজার বছর ধরে সুরক্ষিত থাকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manish Kothari: গরু পাচারের টাকা-পয়সা কোথায়, সব জানেন মণীশ! দাবি ইডির

    Manish Kothari: গরু পাচারের টাকা-পয়সা কোথায়, সব জানেন মণীশ! দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় আবার অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারিকে (Manish Kothari) মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারে ইডি। মণীশকে আরও ৫ দিন ইডির হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ফলে আগামী সোমবার পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হেফাজতেই থাকবেন মণীশ। 

    সব জানেন মণীশ

    ইডি সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন গরু পাচারকাণ্ডের টাকা-পয়সার যাবতীয় তথ্য জানেন তাঁর হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারি (Manish Kothari)। রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে এমনটাই দাবি করেছেন ED-র আইনজীবী। মঙ্গলবারই গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারিকে গ্রেফতার করে ইডি।  তাঁকে জেরা করে গরু পাচারকাণ্ডের টাকা কোথায় যায়, সেই সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

    কে এই মণীশ

    জানা গিয়েছে, মণীশ(Manish Kothari) বোলপুরের এক ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয়ে তাঁর ছোট থেকেই আগ্রহ ছিল। কিন্তু, মণীশ ব্যবসায়ী হতে চাননি। হিসাব রক্ষক হিসেবে তাঁর কেরিয়ার তৈরি করেন মণীশ। বীরভূমের ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের কথায় ২০১১ সালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবের কাজে হাত লাগান মণীশ। ধীরে ধীরে বীরভূমের এই নেতার অন্যতম বিশ্বাসভাজন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। শুধু অনুব্রত নয়, তাঁর মেয়ের একাধিক সংস্থার হিসাব দেখার দায়িত্ব ছিল মণীশের উপরেই।

    আরও পড়ুন: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    কেঁদে ফেলেন মণীশ

    এদিন এই মামলা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে কেঁদে ফেলেন মণীশ (Manish Kothari)। তিনি বলেন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হয়ে কাজ করাটাই তাঁর ভুল! এদিন ইডির আইনজীবী মণীশ কোঠারিকে হেফাজতে চেয়ে বলেন, তিনি অনুব্রত মণ্ডলের হিসাব রক্ষক। অনুব্রতর হয়ে তিনি এই অপরাধকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন! অনুব্রতর হয়ে একাধিক শেল কোম্পানি তৈরির পাশাপাশি কর্মীও নিয়োগ করতেন তিনি। মণীশ সব জানেন। শুধু অনুব্রতই নন, সায়গল হোসেনের হয়েও তিনি আর্থিক দুর্নীতি করেছেন! এরপর মণীশের (Manish Kothari) আইনজীবী বলেন, তিনি কোনও অপরাধী নন। তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন মাত্র। তাঁকে ইডি যখনই ডেকেছে, হাজিরা দিয়েছেন। পরবর্তীকালেও সহযোগিতা করবেন। তিনি অসুস্থ। গ্রেফতার করার প্রয়োজন ছিল না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    PM Modi: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মতো শক্তিশালী নেতাদের মধ্যেই শান্তি স্থাপনের ক্ষমতা থাকে। কথাগুলো যিনি বললেন তিনি আর কেউ নন, তিনি নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি আসলে তোজে (Asle Toje)। সম্প্রতি ভারতে (India) এসেছেন নোবেল প্রাইজ কমিটির সদস্যরা। এই দলে রয়েছেন ওই কমিটির ডেপুটিও। শান্তি স্থাপনে তিনিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Nobel Peace Prize) পক্ষে সওয়াল করেছেন। তোজের কথায় আশায় ভারতবাসী।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ…

    নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া, আমেরিকা ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর এই উদ্যোগ যুদ্ধ থামাতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি কেবল ভারতের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন এমনটা নয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। তোজে বলেন, মোদি ও ভারতের এক পদক্ষেপ বিশ্বের বাকি দেশগুলির অনুসরণ করা উচিত। আগামিদিনে ভারত সুপার পাওয়ার হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি।

    তোজে বলেন, ভারত থেকে নোবেল পিস প্রাইজের জন্য অনেক মনোনয়ন রয়েছে। আমি মনে করি, বিশ্বের সব নেতাই নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যা প্রয়োজন, তা করবেন। তিনি বলেন, আমি মোদির (PM Modi) প্রচেষ্টা লক্ষ্য করেছি। মোদির মতো শক্তিশালী নেতার শান্তি প্রতিষ্ঠার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এমন একটি শক্তিশালী দেশ থেকে এসেছেন, যাকে বিশ্বের দরবারে খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। নোবেল প্রাইজ কমিটির ডেপুটি বলেন, ভারতীয়দের মধ্যে এক অপরিসীম ক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রয়েছে। আশা করি, ভয়ানক যুদ্ধ থামাতে এই বিশ্বাসযোগ্যতা ও শক্তি ব্যবহার করবে ভারতীয়রা।

    আরও পড়ুুন: শিল্প বৈঠকে বিপুল কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, বাস্তবে হবে কি?

    ফি বছর নরওয়ের নোবেল কমিটি আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরস্কারের সঙ্গে সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়। তামাম বিশ্ব থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হয় প্রতি বছর। ২০০২ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। পেয়েছিলেন আর এক প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ২০০১ সালে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব কোফি আন্নান পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। ১৯৯৭ সালে পেয়েছিলেন মাদার টেরেসা। ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী। এবার বিবেচনায় চলে এল মোদির নাম।

    গত বছরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে মোদি (PM Modi) বলেছিলেন, এটা যুদ্ধের যুগ নয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে আপ্লুত হয়েছিল তামাম বিশ্ব। সেই কারণেই তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতে পারেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তোজেও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া, আমেরিকা ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, এখন যুদ্ধের সময় নয়, শান্তির সময়। নোবেল কমিটির ডেপুটি বলেন, বিশ্বের উচিত ভারতের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার বাড়ির সামনে পোস্টার কাণ্ডে অভিযুক্ত ৬ জনকে তলব আদালতের

    Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার বাড়ির সামনে পোস্টার কাণ্ডে অভিযুক্ত ৬ জনকে তলব আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাসে বিক্ষোভ, বাড়ির সামনে পোস্টার মামলায় পুলিশ কমিশনারের রিপোর্টে নাম থাকা ৬ ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর পাশাপাশি সিসি ফুটেজ দেখে এজলাসের বাইরে বিক্ষোভে যুক্ত থাকা আইনজীবীদের শনাক্ত করে, তাঁদের নাম মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল বার অ্যাসোসিয়েশনকে। আবার হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনাও করেছে পুলিশকে। আদালতের তরফে বলা হয়েছে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বাড়ির সামনে পোস্টার লাগানোর ঘটনায় পুলিশ মোটেও ঠিকমত তদন্ত করছে না। এমনই অভিযোগে রীতিমত বিরক্তি প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

    আদালতের তরফে কী বলা হল?

    গত ৯ জানুয়ারি বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বেঞ্চ বয়কট ও এজলাসে ঢোকার দরজা আটকে বিক্ষোভের ঘটনায় আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল৷ সেই ঘটনায় গতকাল অভিযুক্ত আইনজীবীদের নাম গোপন খামে হাইকোর্টের তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ আবার পোস্টার লাগানোর ঘটনায় ৬ জনকে আগামী শুনানির দিন আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি টিএস শিবাগননম, বিচারপতি আইপি মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাসের বিশেষ বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    বিচারপতি আরও নির্দেশ দেন, ৯ জানুয়ারি বিচারপতি মান্থার এজলাসের বাইরে বিক্ষোভে যুক্ত থাকা আইনজীবীদের, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করতে হবে।

    পুলিশকে ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি টিএস শিবাগননম

    বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালত বলে, “তদন্তের নামে আদালতের সঙ্গে লুকোচুরি খেলবেন না। তদন্ত শামুকের গতিতে হচ্ছে না ঘোড়ার গতিতে, সেটা আমরা দেখব। পুলিশকে সঠিক নাম দিন। একজনের পরিবর্তে আর একজনের নাম দেওয়া ঠিক হবে না।” আবার পুলিশকে ভর্ৎসনা করেছেন বৃহত্তর বেঞ্চের বিচারপতি টি এস শিবাগননম। শুধু তাই নয়, পুলিশ কমিশনারের তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্টও খুলে দেখলেন না বিচারপতি। ২৭ মার্চ, বিচারপতি টিএস শিবাগননম, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাসের বৃহত্তর বেঞ্চে হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share