Blog

  • Suvendu Adhikari: আলিপুরে কারা দফতরের জমি বিক্রিতেও দুর্নীতি! রাজ্যপালকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: আলিপুরে কারা দফতরের জমি বিক্রিতেও দুর্নীতি! রাজ্যপালকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি, গরু পাচার কাণ্ডে নাজেহাল অবস্থা রাজ্যের। এই আবহেই আরও এক দুর্নীতির কথা প্রকাশ্যে আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আলিপুরে কারা দফতরের জমি বিক্রি নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অভিযোগের তদন্ত চেয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি দিলেন তিনি। রাজ্যপাল যাতে বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখেন, সেই অনুরোধ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বুধবার পাঁচ পাতার চিঠিটি রাজভবনে পাঠিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন নন্দীগ্রাম বিধায়ক।

    কী দাবি শুভেন্দুর?

    শুভেন্দু লিখেছেন, “আমি মাননীয় রাজ্যপালকে একটি বড় কেলেঙ্কারির তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করেছি যেখানে আলিপুরের সংশোধনাগারের ৫.৬ একর জমি ‘আলিপুর গ্রিন সিটি ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের অধীনে অত্যধিক কম দামে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে ৮৭৬ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।” চিঠিতে শুভেন্দু আরও দাবি করেছেন, আলিপুরের জমিটি মুম্বইয়ের একটি সংস্থাকে নূন্যতম দামে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিয়েছে। ৮৭৬ কোটি টাকার জমি মাত্র ৪১৪ কোটি টাকা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

    শুভেন্দুর দাবি, আলিপুরে ৫.৬ একর জমি যেখানে ১০ লাখ স্কোয়ার ফুট বিক্রয়যোগ্য জায়গা রয়েছে, তা এক সংস্থাকে ৪১৪ কোটি টাকায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে মোট বিক্রয়যোগ্য জমির দাম ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। আলট্রা প্রিমিয়াম ওই অ্যাপার্টমেন্টগুলির দাম আনুমানিক সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা স্কোয়ার ফুট হতে পারে। সেক্ষেত্রে ওই আলিপুরের ওই জমি জলের দরে দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। এই দুর্নীতিতে রাজ্যের এক মন্ত্রীর পাশাপাশি কয়েকজন আমলার নামে এই গোটা প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছেন তিনি। এমন সব অভিযোগ এনে জমি বিক্রি ও ওই আবাসন প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ এনে রাজ্যপালের কাছে তদন্তের দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা।

    উল্লেখ্য, আলিপুর সংশোধনাগার বারুইপুরে স্থানান্তরিত হয়ে যাওয়ার পরেই ওই জমিটির একাংশে স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একটি মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে। জমির বাকি অংশটি আবাসন প্রকল্পের জন্য দেওয়া হয়েছে। সেই আবাসন প্রকল্পটি তৈরি করছে একটি বেসরকারি সংস্থা। আর এটি নিয়েই অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। 

    কারামন্ত্রীর কী বক্তব্য?

    অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর এই অভিযোগের বিষয়ে রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলছেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের সব নিয়ম মেনেই ওখানে আবাসন প্রকল্প তৈরি হচ্ছে। কোথাও কোনও দুর্নীতি নেই। অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই বলে মনে করি। তবে যে কেউ অভিযোগ করতেই পারেন।” এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর লেখা চিঠিতে কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, তারই অপেক্ষায় রাজ্যবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    Anubrata Mondal: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তিন মহারথীকে তলব করল ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কৃপাময় ঘোষ, মলয় পীঠ ও রাজীব ভট্টাচার্যকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। রবিবারের মধ্যে এদের দিল্লিতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। 

    অনুব্রত-মণীশ-সুকন্যাকে মুখোমুখি জেরা

    ইতিমধ্যেই গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি (ED arrests Manish Kothari)। হাজিরা দিতে বলা হয়েছে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে (Anubrata Mondal daughter Sukanya Mondal। অনুব্রত, মণীশের সঙ্গে সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ইডির অফিসাররা। উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলার গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিপুল সম্পত্তির উৎস খোঁজার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত টাকা আরও কোনও প্রভাবশালীর কাছে গিয়েছে কি না, সেই সব তথ্যও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এমন অবস্থায় কেষ্ট, মণীশ ও সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তাঁদের আগের বয়ানের সঙ্গে এখনকার বয়ান মিলিয়ে দেখতে পারবেন তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা। এদিকে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ইডির ডাক পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার থেকে আরও কিছুটা সময় চেয়েছেন সুকন্যা। তাঁকে ২০ মার্চের মধ্যে ইডি অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    আজই দিল্লিতে তলব কৃপাময়কে

    এই সময়ে ইডি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই তিনজনকে ডেকে পাঠানোয় নিঃসন্দেহে চাপে পড়লেন কেষ্ট। সম্প্রতি আসানসোল থেকে যাওয়ার পথে বর্ধমানের শক্তিগড়ের একটি হোটেলে দাঁড়ায় অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি। সূত্রের খবর, প্রাতঃরাশ করার জন্য অনুব্রত নেমেছিলেন সেখানে। কিন্তু সেখানে পুলিশি প্রহরায় তৃণমূল ছাত্রপরিষদ নেতা কৃপাময় ঘোষ, সুকন্যা মণ্ডলের গাড়ি চালক তুফান মৃধা ও আরও এক অজানা বক্তির সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় অনুব্রতকে। এরইমধ্যে কৃপাময়দের তলব করায় নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবারই কৃপাময়কে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, কৃপাময় বোলপুরের নিচু বাঁধগোড়ার বাসিন্দা। পেশায় মৎস্য বিভাগের কর্মীও। বোলপুরের তৃণমূলের পার্টি অফিস দেখাশোনার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের সূত্রেরও আরও দাবি, কৃপাময় অনুব্রতের নানান সম্পত্তির দেখাভালও করতেন। অন্য দিকে, মাসখানেক আগেই তুফানকে তলব করেছিল সিবিআই। সূত্রের দাবি, কিছু দিন আগে তাঁর নামে বিপুল সম্পত্তির হদিসও মিলেছে। অনুব্রতর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই তিনজনই অনেক কিছু জানেন বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বাংলার লজ্জা’! প্রাথমিকে পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা? ‘সরকারি শিক্ষা বন্ধের চক্রান্ত’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাংলার লজ্জা’! প্রাথমিকে পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা? ‘সরকারি শিক্ষা বন্ধের চক্রান্ত’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে যখন উত্তাল রাজ্য, সেই আবহেই বাঁকুড়ায় বিতর্কিত পদক্ষেপ নিল পুলিশ। সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বাঁকুড়া পুলিশের তরফে ‘অঙ্কুর’ প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। তার আওতায় প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ক্লাস নেবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এরপরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি অভিযোগ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী স্কুল শিক্ষাকে বেসরকারি করার জন্য ফন্দি এঁটেছেন। আর এ নিয়ে ট্যুইটও করেছেন শুভেন্দু।

    ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই চার লক্ষ কমেছে। রাজ্যের ৮,২০৭টি সরকার পরিচালিত স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩০-এর কম। প্রাথমিকস্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিপূরক ক্লাস করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের। যার অর্থ, রাজ্য সরকার সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা একেবারে বন্ধ করার পরিকল্পনা করে ফেলেছে। এর পাশাপাশি ট্যুইটে একটি চিঠিও শেয়ার করেছেন। দেখা গিয়েছে, এই সরকারি চিঠিটি বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার জেলাশাসককে লিখেছেন। যাতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিভিক পুলিশরা ‘অঙ্কুর’ নামে এক প্রকল্পের আওতায় বাঁকুড়ার ৪৬টি স্কুল বা কমিউনিটি সেন্টারে শিশু পড়ুয়াদের পরিপূরক ক্লাস করাবে। জেলাশাসককে এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে অনুরোধ করেছেন পুলিশ সুপার।

    পুলিশের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বাঁকুড়ার সাংসদ তথা কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক সুভাষ সরকার বলেন, “সিভিক ভলান্টিয়াররা শিশুদের ইংরাজি আর অঙ্ক শেখাবে এটা একবিংশ শতকে পশ্চিমবাংলার লজ্জা। এখানে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না। সরকার শিক্ষাব্যবস্থা চালাতে না পারলে দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করুক।”

    শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর প্রতিক্রিয়া

    রাতে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “বিষয়টি নিয়ে বাঁকুড়ার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমাদের মতামত নেওয়া হয়নি। সেই কারণে আমাদের কাছে মতামত চাওয়ার জন্য ওঁদের বলা হয়েছে। তার পর দেখা যাবে এটা চালু হবে কি না। এখন চালু করা যাবে না।”

  • SSC Scam: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    SSC Scam: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) ধৃত, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষকে (Jayashree Ghosh) জিজ্ঞাসাবাদ করলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলল প্রশ্নোত্তর পর্ব। জয়শ্রীর নামে বেশ কিছু সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে জয়শ্রী মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    জয়শ্রীকে জেরা

    ইডি বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অভিযোগ,দেশের পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যবসায় বঙ্গের চাকরি বিক্রির (SSC Scam) দেদার টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাঁকা পথে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দু’হাতে যে-টাকা পকেটে ভরেছিলেন, তা বিনিয়োগ করেছিলেন পূর্বে ত্রিপুরার চা-বাগানে এবং পশ্চিমে গোয়ার হোটেল ব্যবসায়। এমনকি নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) কালো টাকা কুন্তলের মাধ্যমে বাংলাদেশের কয়েকটি সম্পত্তিতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে ইডি।  ট্রাস্টের অধীনে থাকা কুন্তলের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের বোর্ডের সদস্য ছিলেন তাঁর স্ত্রী জয়শ্রী। কুন্তলের স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা ঢুকেছে কিনা, সেই স্কুলের অ্যাকাউন্ট, জয়শ্রীর নামে থাকা সম্পত্তি এবং ব্য়াঙ্কের লেনদেন সংক্রান্ত নথি নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। 

    আরও পড়ুুন: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    তদন্তে অসহযোগিতা জয়শ্রীর

    তদন্তকারীদের দাবি, জয়শ্রীর বয়ানে নানান অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। জয়শ্রীর নামে থাকা সম্পত্তি এবং তাঁর আয়করের নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। ফের তাঁকে তলব করবে ইডি।  ২০১৭ সালের পরে কুন্তলের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে জয়শ্রীর অ্যাকাউন্টে দফায় দফায় মোটা অঙ্কের টাকা জমা পড়েছিল। ২০১৭ সালের পর থেকে জয়শ্রীর নামে একাধিক সম্পত্তিও কেনা হয়েছে। বেসরকারি বিএড ও ডিএলএড কলেজ ছাড়াও কয়েকটি বেসরকারি স্কুল আছে কুন্তলের। ট্রাস্ট গঠন করে বেসরকারি কলেজ ও স্কুল কেনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, জয়শ্রী ওই ট্রাস্টের অন্যতম সদস্যা। ট্রাস্টের মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করে নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) কালো টাকা সাদা করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রের অভিযোগ। রাজারহাট-নিউটাউনের যে ফ্ল্যাট থেকে কুন্তলকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেখানে মাঝে মাঝেই বৈঠকে বসতেন কুন্তল ও তাঁর সহযোগীরা। সেখানে উপস্থিত থাকতেন কারা কারা? কোনও প্রভাবশালীর উপস্থিতি থাকত কি না-তাও জানতে চাওয়া হয় জয়শ্রী ঘোষের কাছে। তদন্তকারীদের দাবি, সব প্রশ্নই এড়িয়ে গিয়েছেন জয়শ্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • New Zealand Earthquake: সকাল সকাল ভূমিকম্প নিউজিল্যান্ডে, কম্পনের মাত্রা ৭.১, জারি সুনামি সতর্কতা

    New Zealand Earthquake: সকাল সকাল ভূমিকম্প নিউজিল্যান্ডে, কম্পনের মাত্রা ৭.১, জারি সুনামি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভয়াবহ ভূমিকম্প! এবারে কেঁপে উঠল নিউজিল্যান্ড (New Zealand Earthquake)। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১। বৃহস্পতিবার সকালে নিউজিল্যান্ডের কার্মাডেক দ্বীপে এই ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্ক সেন্টারের (CENC) তথ্য অনুসারে, চিনের সময় ৮টা ৫৬ মিনিটে নিউজিল্যান্ডে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু প্রবল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভূমিকম্পের পর জারি করা হয়েছে সুনামির সতর্কতা।

    তুরস্কের পর ফের ভূমিকম্প

    মার্কিন সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) জানিয়েছে, আজ, বৃহস্পতিবার সকালে নিউজিল্যান্ডের কার্মাডেক দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় প্রবল কম্পন অনুভূত হয়। ভূগর্ভের অন্তত ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎসস্থল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১। এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পের জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। ভূমিকম্পের উৎসস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের। যদিও নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) ন্যাশনাল ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের জনবহুল মূল দ্বীপগুলিতে সুনামির কোনও ভয় আপাতত নেই (New Zealand Earthquake)।


    [/tw]

    আরও পড়ুন: কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ান জেট ও মার্কিন ড্রোনের সংঘর্ষ, ‘বেপরোয়া’ বলে তোপ আমেরিকার

    প্রসঙ্গত, বিশ্বের দুটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সীমানাবর্তী এলাকায় অবস্থিত নিউজিল্যান্ড। সেই প্লেট দুটি হল প্যাসিফিক প্লেট এবং অস্ট্রেলিয়ান প্লেট। এছাড়াও নিউজিল্যান্ড রিং অফ ফায়ার নামে পরিচিত তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার সংলগ্ন। তাই প্রতি বছরই হাজার হাজার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নিউজিল্যান্ড (New Zealand Earthquake)।

    উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসেই ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছে সিরিয়া ও তুরস্কে (Turkey)। আর তারই সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। ওই দুই দেশে ভূমিকম্পে প্রাণ হারান প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ভূমিকম্পের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু সময়। তবে এখনও হাহাকার থামেনি। আর এবারে এই তীব্র মাত্রায় কেঁপে উঠল নিউজিল্যান্ড (New Zealand Earthquake)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Bangladesh Cricket: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের! আইপিএলের আগে ছন্দে লিটন

    Bangladesh Cricket: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের! আইপিএলের আগে ছন্দে লিটন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে  টি-টোয়েন্টি সিরিজের তিনটি ম্যাচই জিতলেন শাকিব আল হাসানরা। আইপিএলের আগে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন লিটন দাস। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলে নামার আগে ছন্দে দেখা গেল লিটনকে। আজ মীরপুরে বাংলাদেশ ১৬ রানে হারিয়ে দেয় টি ২০ বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। 

    ম্যাচের হাল-হাকিকত

    তৃতীয় ম্যাচে ঢাকার শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জেতে ইংল্যান্ড। প্রথমে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। বাংলাদেশের হয়ে শুরুটা ভাল করেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও রনি তালুকদার। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ তুলেছিল ২ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান। ১০টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ওপেনার লিটন দাস ৫৭ বলে ৭৩ রান করেন। অপর ওপেনার রনি তালুকদার করেন ২২ বলে ২৪। তিনে নেমে ১টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৩৬ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শাকিব ৬ বলে চার রানে অপরাজিত থাকেন। আদিল রশিদ ও ক্রিস জর্ডন ১টি করে উইকেট নেন। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ড্র

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি  ইংল্যান্ডের।  প্রথম ওভারেই শূন্য রানে আউট হন ফিল সল্ট। তার পরে অবশ্য বড় জুটি হয় দাউইদ মালান ও অধিনায়ক বাটলারের মধ্যে। দু’জনে মিলে দলের রানকে ১০০ পার করান। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ১৬ রানে ম্যাচ হারেন বাটলাররা। চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে ঢাকায় ৪ উইকেটে জেতেন শাকিবরা। এ বার তৃতীয় ম্যাচেও জিতলেন তাঁরা। সেই সঙ্গে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চুনকাম করল বাংলাদেশ।

    জাফরের পোস্ট

    বাংলাদেশ জেতার পরেই ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফরকে দেখা যায় মাইকেল ভনকে মজার ছলে খোঁচা দিতে। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ভনকে ব্যঙ্গ করেন তিনি। জাফর বাংলাদেশের জার্সি পরে একটি ছবি পোস্ট করেন। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটিং পরামর্শদাতা জাফর। শাকিব আল হাসানদের দলের সঙ্গে সরাসরি যোগ নেই। কিন্তু বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যুক্ত জাফর সুযোগ ছাড়েননি ভনকে কটাক্ষ করার।

    ভন এবং জাফরের মধ্যে কথার লড়াই চলতেই থাকে। কেউ কাউকে ছাড়েন না। বাংলাদেশ জিততেই তাই সে দেশের জার্সি পরে জাফর লেখেন, “হ্যালো মাইকেল ভন, অনেক দিন দেখা হয় না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Actor Dev: ‘শাহরুখ ব্যস্ত, সময় দিতে পারছেন না’! বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন ‘প্রজাপতি’ দেব

    Actor Dev: ‘শাহরুখ ব্যস্ত, সময় দিতে পারছেন না’! বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন ‘প্রজাপতি’ দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর (Brand Ambassador) হচ্ছেন অভিনেতা দেব (Actor Dev)। এতদিন বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান ছিলেন রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। তিনি থাকছেন। তবে তিনি বিশেষ সময় দিতে না পারায় দেবও হচ্ছেন বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। বুধবার নবান্নের সভাঘরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন বোর্ডের বৈঠক ছিল। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ছিলেন অন্য মন্ত্রীরাও। আর ছিলেন শিল্পপতিরা। এখানেই মমতা জানান, আগামিদিনে ৪১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। বৈঠক শেষে তিনি জানান নয়া ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরের কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শাহরুখ ব্যস্ত। বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর দেব। তিনি বলেন, দেব, তুমি বেঙ্গল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে কাজ করো তো। শাহরুখ তো আছে। ও খুব ব্যস্ত। তাই সময় পায় না। তাই দেব তুমি এটা করো। মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রস্তাব পেয়ে রাজি হয়ে যান তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব।

    ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে দেবের (Actor Dev) নাম ঘোষণা…

    বর্তমানে বাংলার পর্যটন বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন দলবদলু বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর সামনেই দেবকে (Actor Dev) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করার কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, এই দেবকে বাংলার পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করো তো তোমরা। আগে একটা ভাল করে পর্যটন নিয়ে ভিডিও বানিয়ে নাও। তার পর দেবরা মিলে করুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শাহরুখ ব্যস্ত হলেও, আমাদের একটি বিজ্ঞাপন শ্যুট করে দিয়েছিল। এর পরেই দেবের নাম ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ব্যাপারে বিজ্ঞাপন বানানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব দেন চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষকে।  

    আরও পড়ুুন: ‘‘আসল চোর কালীঘাটে বসে হাসছে’’! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত

    গত অক্টোবরে বিসিসিআই সভাপতি পদ থেকে বাদ পড়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করতে জোরালো সওয়াল করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন, সৌরভকে রাজনীতির বাইরে রাখা হোক। শাহরুখ খানকে সরিয়ে সৌরভকে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করা উচিত। তিনি বলেন, ওঁর পাশে থাকতে এই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত মমতা সরকারের। তবে বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবে কান দেননি মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সৌরভ নন, দেবকেই (Actor Dev) করলেন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। রাজনৈতিক মহলের মতে, অরাজনৈতিক সৌরভকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর না করে স্ব-দলের নেতা দেবের ওপরই যে মুখ্যমন্ত্রী বেশি ভরসা করছেন, এদিনের ঘোষণাই তার প্রমাণ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Meeting: পুরসভার বোর্ড মিটিং ওয়াকআউট ভাইস চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন সিআইসি সদস্যের, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    Meeting: পুরসভার বোর্ড মিটিং ওয়াকআউট ভাইস চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন সিআইসি সদস্যের, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ টিটাগড়ের পর এবার ভাটপাড়া পুরসভা। বোর্ড মিটিংয়ে (Meeting) ভাটপাড়ার পুরসভার চেয়ারপার্সন রেবা রাহার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে পুরসভার বোর্ড মিটিং (Meeting)  ওয়াক আউট করলেন ভাইস চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন সিআইসি সদস্য। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ৩ মার্চ টিটাগড় পুরসভার চেয়ারম্যান কমলেশ সাউয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান মহম্মদ জলিলের নেতৃত্ব ১৩ জন কাউন্সিলর বোর্ড মিটিং (Meeting)  ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। দলীয় কোন্দলের বিষয়টি জানতে পেরে জেলা নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ করে। চেয়ারম্যানের ডানা ছেঁটে ৯ জনের স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। টিটাগড় পুরসভার মতো এবার বিদ্রোহ আছড়ে পড়ল ভাটপাড়ায়। কিছুদিন আগেই জিলিবি মাঠে ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে জঞ্জাল সরানোকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলর পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। এমনকী দাবি আদায়ে তাঁরা রাস্তা অবরোধ পর্যন্ত করেছিলেন। কিন্তু, এখনও সেই দাবি পূরণ হয়নি।  ফলে, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাউন্সিলারদের একাংশ ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। বুধবারের ঘটনা সব কিছুকে ছাপিয়ে গেল। প্রতি মাসের মতো এদিন পুরসভায় বোর্ড মিটিং (Meeting)  ডাকা হয়। সেখানে চেয়ারপার্সন রেবা রাহা, ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ এবং অমিত গুপ্তা, অরুণ ব্রহ্ম, নুরেজামাল, হিমাংশু সরকারসহ পাঁচজন সিআইসি সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মিটিং (Meeting)  শুরু হওয়ার পর পরই পাঁচজন সিআইসি সদস্য এবং ভাইস চেয়ারম্যান বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান।

    বোর্ড মিটিংয়ে কী নিয়ে এত বিদ্রোহ? Meeting

    কিছুদিন আগেই আবাস যোজনা প্রকল্পে উপভোক্তাদের তালিকা নিয়ে পুরসভার এক ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে সিআইসি সদস্য অরুণ ব্রহ্মের বাগবিতন্ডা হয়। তাঁকে ওই ইঞ্জিনিয়র হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে তিনি দরবার করেন। অভিযুক্ত আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তিনি আর্জি জানান। কিন্তু, বেশ কিছুদিন হয়ে যাওয়ার পরও ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে, সিআইসি অরুণ ব্রহ্ম ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। এদিন বোর্ড মিটিং (Meeting) শুরু হতেই পুরসভার সিআইসি সদস্য অরুণ ব্রহ্ম বলেন, পুরসভার এক আধিকারিক আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। সেই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না হলে আমি এই মিটিংয়ে (Meeting)  থাকব না। তিনি বক্তব্য রাখার সঙ্গে সঙ্গে অন্য সিআইসিরা তাঁকে সমর্থন করেন। এমনকী ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ তাঁকে সমর্থন জানিয়ে পাঁচজন সিআইসি সদস্যের সঙ্গে মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। তৃণমূলের এক বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলর সত্যেন রায় বলেন, পুরসভায় চেয়ারপার্সন রেবা রাহার অনেক বয়স। তিনি পুরসভা ঠিকমতো করে চালাতে পারেন না। তাঁর ছেলে জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম ও তাঁর ভাই পুরসভা চালান। পুরসভায় আমাদের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। সিআইসি সদস্যদের কোনও মান সন্মান নেই। তাই, বোর্ড মিটিং (Meeting) থেকে সবাই বেরিয়ে যান। অন্যদিকে, জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, পুরসভার একজন কর্মীকে নিয়ে গন্ডগোল হয়েছিল। সামান্য বিষয়। সমস্ত বিষয়টি মিটে যাবে। দলের মধ্যে কোনও কোন্দল নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: শিল্প বৈঠকে বিপুল কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, বাস্তবে হবে কি?

    Mamata Banerjee: শিল্প বৈঠকে বিপুল কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, বাস্তবে হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Polls)। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এমতাবস্থায় নিয়োগ দুর্নীতিতে কার্যত ল্যাজেগোবরে দশা রাজ্যের তৃণমূল (TMC) সরকারের। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে কর্মসংস্থানকেই হাতিয়ার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার নবান্নের সভাঘরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন বোর্ডের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন অন্য মন্ত্রীরাও। আর ছিলেন শিল্পপতিরা। এখানেই মমতা জানান, আগামিদিনে ৪১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অবাক হয়ে যাবেন, এমএসএমই সেক্টরে ১ লক্ষ ১৪ হাজার লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এর পরেই তিনি জানান, আগামিদিনে এই ক্ষেত্রে চাকরি হবে ৪১ লক্ষ মানুষের। তিনি বলেন, রাজ্যে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত এই তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ১ কোটি মানুষের চাকরি হয়েছে। কলকাতায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নিজেদের দফতর করছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখানে ৩০ হাজার মানুষের কাজ হবে। মমতা বলেন, শুধু সরকারি নয়, বেসরকারি ক্ষেত্রেও চাকরি হয়।

    কর্মসংস্থানই হাতিয়ার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)…

    এদিনের বৈঠকেই ঘোষণা করে দেওয়া হয় বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলেনর নির্ঘণ্ট। ২১-২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ওই সম্মেলন। রাজ্যের শিল্প ও ইকোনমিক করিডর নিয়ে প্রচারের জন্য মন্ত্রী শশী পাঁজা ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। শিল্পে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান তুলে ধরতে রাজ্যে মেট্রো কোচ নির্মাণ শিল্প, ওয়াগন শিল্প, খড়্গপুরে হতে চলা টাটা-হিটাচির কারখানার কথাও এদিনের বৈঠকে উল্লেখ করেন মমতা। তিনি বলেন, টাটা ও হিটাচি জামশেদপুর থেকে চলে আসছে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরে। এদিনের বৈঠকে দেউচা পাঁচামি প্রসঙ্গও ওঠে। দিন কয়েক আগে রাজ্যে পোস্ত চাষের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন ফের সেই প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, এখানকার কৃষকরা পোস্ত চাষ করলে লাভবান হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আসল চোর কালীঘাটে বসে হাসছে’’! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত

    তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেই বিনিয়োগের নিরিখে বাংলাকে দেশের শীর্ষ স্থানে নিয়ে যাওয়াই তাঁর সরকারের লক্ষ্য বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। বিনিয়োগ টানতে এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা দূর করতে কেন্দ্রীয়ভাবে শিল্পোন্নয়ন বোর্ডও তৈরি করে রাজ্য। এর দায়িত্বে রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। বিনিয়োগ টানতে ফি বছর ঘটা করে শিল্প সম্মেলন হয়। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে হওয়া ওই সম্মেলন শেষে শোনা যায় এত হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে, তত হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, তার পরেও যে কাজের কাজ কিছু হয় না, রাজ্যের বেকারত্বের লেখচিত্র দেখলেই তা স্পষ্ট হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ‘‘তদন্তকারীদের যা বলার বলেছি, আপনাদের কিছু বলব না’’! মেজাজ হারালেন ‘কালীঘাটের কাকু’

    SSC Scam: ‘‘তদন্তকারীদের যা বলার বলেছি, আপনাদের কিছু বলব না’’! মেজাজ হারালেন ‘কালীঘাটের কাকু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও কুন্তল তো কখনও তাপস, নিয়োগ দুর্নীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই এর ওর মুখে উঠে আসছে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের নাম। বুধবার অবশেষে নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছিল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। এদিন তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। সূত্রের দাবি, গোটা ছয়েক কোম্পানি রয়েছে তাঁর নামে। আরও নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দফতর থেকে বেরোন ‘কালীঘাটের কাকু’।

    টানা ৩ ঘন্টা জেরা

    এদিন সকাল ১১ টায়  সিবিআই দফতরে হাজির হন সুজয়কৃষ্ণ।  টানা ৩ ঘন্টা জেরা চলার পর তিনি বাইরে বেরিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি পড়েন এবং তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে মেজাজ হারান সুজয়কৃষ্ণ। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে তিনি দাবি করেন যে, তাঁর কাছে সিবিআইয়ের তরফে কোনও নোটিস যায়নি। তাঁকে আবার তদন্তকারীরা ডেকে পাঠিয়েছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমাকে আবার ডাকা হয়নি।”  তিনি কয়লা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত আছেন কিনা? প্রোমোটিংয়ের টাকা কোথা থেকে আসে? এইসব প্রশ্ন শুনে বিরক্ত হন সুজয়। তিনি বলেন,“হ্যাঁ, আমি সবকিছুর সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারীদের যা বলার বলেছি। আপনাদের কিছু বলব না।”

    কুন্তল, শান্তনুকে চিনি

    উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অনেকেই দাবি করেন, কুন্তল ঘোষের সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের যোগ ছিল। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের মুখে শোনা গিয়েছিল ‘কালীঘাটের কাকু’র কথা। সেই কুন্তল এবং বলাগড়ের আর এক যুবনেতা শান্তনুকে তিনি চেনেন বলে জানান সুজয়।  তাঁর কথায়, “আমি অন্তত ৪০ বার বলেছি কুন্তল, শান্তনুকে চিনি। রাজনৈতিক যোগসূত্রে চিনি।” নিয়োগ দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে গিয়েছে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে সুজয় বলেন, ‘‘টাকা নিয়েছি কি না ওঁরা (তদন্তকারী) আমায় জিজ্ঞাসা করেছে। নিলে ওঁদের বলতাম।”

    আরও পড়ুন: ইডি-র ডাকে সিজিও-তে কুন্তল-পত্নী, নিজামে সিবিআইয়ের জেরা ‘কালীঘাটের কাকু’-কে

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নোটিস পাঠানো হয়। তিনি বলেন, ‘‘কাল সন্ধ্যাবেলা নোটিস পেয়েছি। বাড়িতে স্ত্রী অসুস্থ। তা-ও এসেছি। তার পরেও বলবে সহযোগিতা করছি না, আর কী বলব!’’ প্রথম বার গোপাল দলপতি সুজয়ের নাম করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কুন্তল ঘোষ বার বার কালীঘাটের কাকুর কাছে টাকা পাঠানোর কথা বলেছিলেন। সিবিআই সূত্রে খবর, তদন্তে বার বার সুজয়ের নাম উঠে এসেছে। তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে তলব করা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share