Blog

  • Karnaprayag: ৫০টি বাড়িতে দেখা দিল ফাটল, জোশীমঠের মতো ‘ডুবছে’ কর্ণপ্রয়াগও?

    Karnaprayag: ৫০টি বাড়িতে দেখা দিল ফাটল, জোশীমঠের মতো ‘ডুবছে’ কর্ণপ্রয়াগও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে ডুবতে থাকা অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় দল আজকে তাদের রিপোর্ট জমা করেছে জোশীমঠের পর্যবেক্ষণের পরে। সেখানে উদ্ধার কার্যের জন্য সেনা মোতায়ন করা হয়েছে। এই সময়েই চামোলি জেলার জোশীমঠ থেকে কিছু দূরে কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag) বেশ কিছু বাড়িতে ফাটলের ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। সূত্র অনুযায়ী প্রায় ৫০টি বাড়িতে এমন ফাটল দেখা দিয়েছে। ছোটখাটো ধসও নেমেছে কোথাও কোথাও।

    কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag)  স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছেন

    মঙ্গলবার এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সেখানে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অনুযায়ী কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag)  বহুগুণা নগর এলাকায় এই ফাটল সব থেকে বেশি দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে কর্ণপ্রয়াগ (Karnaprayag)  পৌরসভা, মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির কাছে সাহায্য চেয়েছে বলে সূত্রের খবর।
     এমন ফাটলের জন্য বহুগুণা নগরের  অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে এবং অন্যত্র চলে গেছে আতঙ্কের কারণে। এখনও অবধি কোনও ক্যাম্প গড়ে ওঠেনি তাই বেশিরভাগ জনই আত্মীয় বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর। কর্ণপ্রয়াগের (Karnaprayag)  আপার বাজার এলাকা সবথেকে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    স্থানীয় বিধায়কের বিবৃতি

    সেখানকার সিতারগঞ্জের বিধায়ক সৌরভ বহুগুণা এদিন বলেন যে জোশীমঠের কাছাকাছি আরও একটি এলাকাতে বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। বিধায়ক আরও জানান যে তিনি অনেক ফোন কল পেয়েছেন যাঁরা আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন তাঁদের কাছ থেকে। তাঁরা জোশীমঠের পরিণতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

    জোশীমঠের বর্তমান অবস্থা

    অন্যদিকে জোশীমঠে ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে চামোলি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। অনেকেই ঘর ছেড়ে আতঙ্কে বেরিয়ে পড়েছেন। সেখানে ২২৭টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে যেখানে ১২৭৮ জনকে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রশাসন জানিয়েছে যে মোট তিনটি জোনে সমগ্র জোশীমঠকে ভাগ করা হয়েছে। ডেঞ্জার জোন, বাফার জন এবং সেফ জোন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Oscars 2023: ভারতীয় সিনেমার গর্বের দিন! অস্কার নমিশনে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-‘গাঙ্গুবাই’ সহ ১১টি ছবি

    Oscars 2023: ভারতীয় সিনেমার গর্বের দিন! অস্কার নমিশনে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-‘গাঙ্গুবাই’ সহ ১১টি ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ভারতীয় সিনেমার এক স্মরণীয় দিন। অস্কার নমিনেশনের তালিকায় স্থান পেল একাধিক ভারতীয় ছবি। ২০২৩ সালের অস্কারের রিমাইন্ডার লিস্টে জায়গা করে নিল ‘আরআরআর’, ‘কান্তারা’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘চেলো শো’, ‘রকেট্রি: দ্য নাম্বি এফেক্ট’ এবং ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’ সহ এগারোটি সিনেমা। ২০২৩ সালের অস্কারে মোট ৩০১ টি সিনেমা জায়গা করে নিয়েছে।

    অস্কার ২০২৩ নমিশনের তালিকা প্রকাশ

    মঙ্গলবার তালিকা প্রকাশ করল দ্য অ্যাকাডেমি অফ মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস। এই ছবিগুলিই অস্কারের নমিনেশনে যাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় নামতে পারবে। যদিও রিমাইন্ডার লিস্ট মানেই নমিনেশনের দরজা পুরোপুরি খুলে যাওয়া, এমনটা নয়। আগামী ১২ তারিখ থেকে নির্বাচনের পদ্ধতি শুরু হবে। মোট ৯,৫৭৯ জন সদস্য ব্যালটে ভোট দেবেন। প্রক্রিয়া শেষ হবে আগামী ১৭ জানুয়ারি। ২৪ জানুয়ারি প্রকাশ পাবে এর চূড়ান্ত তালিকা।

    অস্কারের তালিকায় ১১ টি ভারতীয় সিনেমা

    ‘আরআরআর’, ‘কান্তারা’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘চেলো শো’, ‘রকেট্রি: দ্য নাম্বি এফেক্ট’ এবং ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি ছাড়াও মারাঠি ছবি ‘মে ভাসানট্রাও’ এবং ‘তুজ্যা সাথি কহি হি’, গুজরাটি ছবি ‘দ্য চেলো শো’, তামিল ছবি ‘ইরাভিন নিজাল’ এবং কন্নড় ছবি ‘বিক্রান্ত রোনা’ও রয়েছে সেই তালিকায়। এছাড়া বাঙালি পরিচালক শৌনক সেনের ডকুমেন্টারি ‘অল দ্যাট ব্রিদস’ এবং কার্তিকী গনজালভেসের ‘দ্য এলিফ্যান্ট হুইসপারার্স’ও জায়গা করে নিয়েছে লিস্টে।

    ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবির পরিচালকের ট্যুইট

    একাধিক বিতর্কের পরেও বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি অস্কারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। নানা মহলের সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন বিবেক। তবে এবার সেই সমালোচনার যেন জবাব দিলেন বিবেক। ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবির মুকুটে উঠল নতুন পালক। ২০২৩ সালের অস্কারের শর্ট লিস্টে উঠে এল ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’। মঙ্গলবার ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-এর পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী ট্যুইট করেন, “আমাদের ছবিটি অস্কার ২০২৩-এর দ্য অ্যাকাডেমির প্রথম লিস্টে শর্টলিস্টেড হল। ভারতের তরফে যে ৫টি ছবি এই লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে তার মধ্যে এটি অন্যতম। আমি বাকি সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ভারতীয় ছবির জন্য এটা একটি দারুণ বছর।”

    জানা গিয়েছে, সেরা অভিনেতা বিভাগে এই ছবির তিন অভিনেতা এবং এক অভিনেত্রী নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে আছেন মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের, দর্শন কুমার, পল্লবী যোশী। পরিচালকের কথায়, “সেরা পরিচালক বিভাগে মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের এবং দর্শন কুমার শর্টলিস্টেড হয়েছেন। আর সেরা অভিনেত্রী বিভাগে পল্লবী যোশী। এটা কেবল শুরু। সামনে এখন লম্বা পথ। ওঁদের সবাইকে আশীর্বাদ করুন।”

  • Pathaan: মুক্তি পেল ‘পাঠান’- এর ট্রেলার, উন্মাদনা নেট পাড়ায়

    Pathaan: মুক্তি পেল ‘পাঠান’- এর ট্রেলার, উন্মাদনা নেট পাড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। এ মাসেই মুক্তি পেতে চলেছে বলিউডের কিং খানের কামব্যাক ছবি ‘পাঠান’ (Pathaan)। আজই মুক্তি পেল অ্যাকশন থ্রিলারের ট্রেলার। এর আগেই মুক্তি পেয়েছে এই ছবির গান। তা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আগে থেকেই জানানো হয়েছিল যে, ১০ জানুয়ারি সকাল ১১টায় মুক্তি পাবে ট্রেলার। ছবির জমজমাট ট্রেলার ইতিমধ্যেই নেট মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। ছবিটি মুক্তি পেতে চলেছে ২৫ জানুয়ারি।  

    দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সিলিভার স্ক্রিনে ফিরছেন শাহরুখ খান। ‘জিরো’ বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ার পরে এক লম্বা বিরতিতে যান শাহরুখ। আর এবার ‘পাঠান’ (Pathaan) দিয়ে তিনি কামব্যাক করতে চলেছেন। পাঁচ বছর পরে প্রিয় তারকাকে বড় পর্দায় দেখার উন্মামনা ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে ভক্তকুলের মধ্যে। তাই ট্রেলারের ভিউ নজর কাড়ার মতো। ছবিটি পরিচালনা করছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। যশরাজ ফিল্মসের ছবি ‘পাঠান’-এ শাহরুখ খান, দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে জন আব্রাহামকে।

    আরও পড়ুন: ‘কেউ এজলাসে ঢুকতে চাইলে যেন বাধা দেওয়া না হয়’, কড়া নির্দেশ বিচারপতি মান্থার

    ‘পাঠান’ (Pathaan) মুক্তি পাওয়ার আগেই জড়িয়েছে একাধিক বিতর্কে। ছবির গান ‘বেশরম রং’ নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা হয়েছে। এই গানে দীপিকার পোশাক এবং কিছু দৃশ্যকে আপত্তিকর বলা হয়েছে। আর তাই কোপ পড়েছে সেন্সর বোর্ডেরও। ছবির বেশ কিছু ডায়লগ এবং দৃশ্যও বাদ দেওয়া হয়েছে।

    কী দেখা গেল ট্রেলারে?

    ছবিটি সন্ত্রাস দমনের একটি গল্প। দেশকে ধ্বংস করতে ছক কষছে একটি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী। এবং সেই সন্ত্রাসবাদীদের অন্যতম মাথা জন আব্রাহামের চরিত্রটি। তাদের পরিকল্পনাকে ধুলিস্যাৎ করতে ডাক পড়ে ‘পাঠান’-এর (Pathaan)। শাহরুখ খানের। ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোন সন্ত্রাস দমনকারী গোষ্ঠীর কর্মী। ট্রেলার মুক্তির পরই হইচই পড়ে গিয়েছে নেট পাড়ায়। শাহরুখ খান নিজের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শেয়ার করেছেন ‘পাঠান’-এর ট্রেলার।

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Shah Rukh Khan (@iamsrk)

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ganga Arati: বিজেপির গঙ্গা আরতি কর্মসূচি নিয়ে ধুন্ধুমার বাবুঘাট, গ্রেফতার সজল ঘোষ

    Ganga Arati: বিজেপির গঙ্গা আরতি কর্মসূচি নিয়ে ধুন্ধুমার বাবুঘাট, গ্রেফতার সজল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় গঙ্গা আরতি নিয়ে এবারে বিজেপি ও পুলিশের সংঘাত। গঙ্গা আরতির কর্মসূচি নিয়েই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি বাবুঘাট চত্বরে। মঙ্গলবার বাবুঘাটে বিজেপির গঙ্গা আরতির কর্মসূচি আটকে দিল পুলিশ। এই নিয়েই বিজেপি নেতা সজল ঘোষ ও পুলিশের বচসা বাঁধে ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ, ঘটনাস্থল থেকে টেনে সরানো হয় বিজেপি কর্মীদের। খুলে ফেলা হয়েছে গেরুয়া পতাকাও। শেষপর্যন্ত গ্রেফতার করা হয় বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষকে। তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ।

    সজল ঘোষকে টেনে-হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    এদিন সন্ধ্যায় বাজা কদমতলা ঘাটে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে আরতির আয়োজন করা হয়। কিন্তু সোমবারই তা বাতিল ঘোষণা করে কলকাতা পুলিশ। পুলিশের অনুমতি না থাকলেও এদিন ওই জায়গায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা যান। তখনই তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ ওই মঞ্চ খুলে দেয়। এর পর বিজেপি কাউন্সিলর তথা নেতা সজল ঘোষ দাবি করেন, সেনাবাহিনীর থেকে অনুমতি পেলেও গঙ্গা আরতি করতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। যা নিয়ে পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বচসা বাধে তাঁর।

    পুলিশের অনুমতি নেই জানানো হলেই বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সজল ঘোষ। ধস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও। তারপরই তৈরি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। সজল ঘোষকে টেনে-হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। টেনে-হিঁচড়ে যখন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তখন কেন তাঁকে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে বলে বারবার জানতে চান সজল ঘোষ। পাশাপাশি তিনি লালবাজারে যাবেন না বলেও বারবার বলতে থাকেন। যদিও তাঁর কোনও কথাই শোনেনি পুলিশ। কলকাতা পুলিশ তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কিছুটা আগেই বিজেপি নেতা সজল ঘোষ অভিযোগ করেন, পুলিশকে কাজে লাগিয়ে এ রাজ্যের সরকার মানুষের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। কেড়ে নেওয়া হচ্ছে ধর্মীয়, রাজনৈতিক অধিকার।

    বৃহস্পতিতেও বিজেপির কর্মসূচিতে বাধার আশঙ্কা

    মঙ্গলবারে গঙ্গা আরতির কর্মসূচিতে কলকাতা পুলিশের অনুমতি পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবারের বিজেপির কর্মসূচিতেও এখনও পর্যন্ত অনুমতি পাওয়া যায়নি। ফলে আগামী দিনে অনুমতি পাবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর কলকাতার সিমলা থেকে মধ্য কলকাতার কার্জন পার্ক পর্যন্ত পদযাত্রার ডাক দিয়েছে বিজেপির যুব শাখা। বিজেপি যা ঠিক করেছে তাতে সিমলা থেকে শুরু হয়ে কলেজ স্ট্রিট, ওয়েলিংটন স্কোয়্যার হয়ে পদযাত্রা আসবে ধর্মতলায়। এর পরে রানি রাসমণি রোড হয়ে যাবে কার্জন পার্কে। বিজেপি সূত্রে খবর, লালবাজারে আবেদন করা হলেও মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অনুমতি মেলেনি। বৃহস্পতিবার স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে ম্যারাথন করতে চায় বিজেপি যুব মোর্চা। স্বামীজির মূর্তিতে মালা দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায়। তবে তার এক ঘণ্টা আগে থেকেই জমায়েতের ডাক দিয়েছে যুব মোর্চা। আজকের গঙ্গা আরতি নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হল, এর পর বৃহস্পতিবারের কর্মসূচির জন্য অনুমতি পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে গেরুয়া শিবিরে।

     

  • Moscow-Goa Flight: বিমানে ‘ভুয়ো’ বোমাতঙ্ক! চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে মিলল না কিছুই, ফের গোয়ার উদ্দেশে রওনা

    Moscow-Goa Flight: বিমানে ‘ভুয়ো’ বোমাতঙ্ক! চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে মিলল না কিছুই, ফের গোয়ার উদ্দেশে রওনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্কো-গোয়া বিমানে বোমাতঙ্ক। ২৪৪ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয় গুজরাটের জামনগরে। জানা গিয়েছে, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে প্রথমে এই বিমানে বোমা রাখার ফোন আসে। তারপরেই বিমানটিকে গুজরাটের জামনগরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। ইতিমধ্যেই এনএসজি-র দুটি দল চার্টার্ড বিমানটিতে তল্লাশি চালায়। চিরুনি তল্লাশি চালিয়েও কোন বোমের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে খবর। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বিমানটির গোয়া যাওয়ার কথা ঠিক থাকলেও, দুপুর ১টার দিকে এটি গোয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    গত কয়েকদিন ধরে একাধিক বিমানের ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। মঙ্গলবার ফের বিমানের কাণ্ড খবরের শিরোনামে। মস্কো-গোয়া বিমানে হঠাৎ করে বোমা রাখার খবর পান এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের আধিকারীকরা। এতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। তড়িঘড়ি বিমানটিকে গুজরাটের জামনগরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে অবতরণ করানো হয়। বিমানটিতে ২৩৬ জন যাত্রী ও ৮ জন কেবিন ক্রু ছিলেন। প্রত্যেক যাত্রীকে নামিয়ে তাঁদের জিনিসপত্র তন্নতন্ন করে পরীক্ষা করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। নামে এনএসজিও। বিমানটিও ভালভাবে পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পরও কিছুই মেলেনি বলে খবর নিশ্চিত করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    জামনগর জেলা কালেক্টরের বক্তব্য

    জামনগরের জেলাশাসক সৌরভ পারঘি সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, “রাত ৯ টা ৫০ মিনিট (সোমবার) থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলি তল্লাশি চালিয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যাত্রীদের বিবরণও যাচাই করেছে। যাত্রীদের রুটিন স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে চেক করা হয়। নয় ঘণ্টা ধরে এই কাজ চলেছে। লাগেজ চেক করা হয়েছে এবং বিস্তারিত যাচাই করা হয়েছে।”

    জামনগর বিমানবন্দর ডিরেক্টরের বক্তব্য

    জামনগর বিমানবন্দরের ডিরেক্টর জানিয়েছেন, “আমরা খুব ভালভাবে ব্যাগ এবং বিমানের লাগেজ বক্স পরীক্ষা করেছি। এনএসজি সন্দেহজনক কিছু খুঁজে পায়নি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে ১১টার মধ্যে বিমানটি গোয়ার উদ্দেশে উড়ে যাবে।”

    বিমানে থাকা সকল যাত্রীই নিরাপদ

    গতকাল রাশিয়ান দূতাবাস বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে যে, মস্কো থেকে গোয়া যাওয়ার আজুর এয়ারের বিমানে বোমাতঙ্কের খবর পেয়ে ভারতীয় বিমান কর্তৃপক্ষ রাশিয়ান দূতাবাসকে সতর্ক করেছিল। এর পর বিমানটির জরুরি অবতরণ করতে হয়েছে। এর পর বিমানে থাকা যাত্রীরাই যে নিরাপদে রয়েছেন ও বিমানের তল্লাশি চালানো হয়েছে। এসবই  জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, জামনগর বিমানবন্দরটি নিরাপত্তা বাহিনীর তরফ থেকে ৯ ঘন্টা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল। তবে সন্দেহজনক কিছু না মেলায় আপাতত স্বস্তিতে বিমান যাত্রীরা। আজ ১১ টার দিকে রওনা দেওয়ার কথা থাকলেও বিমানটি দুপুর ১ টার দিকে গোয়ার উদ্দেশে ফের রওনা দিয়েছে। 

     

  • Dawood Ibrahim: যে হাতে গর্জে উঠত বন্দুক, সেই হাতেই লাঠি দাউদের, ডনের দশা করুণ!

    Dawood Ibrahim: যে হাতে গর্জে উঠত বন্দুক, সেই হাতেই লাঠি দাউদের, ডনের দশা করুণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গতির সীমা নেই গ্যাস্টার দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim)! এক সময় যে হাতে গর্জে উঠত একে সাতচল্লিশ, এখন সেই হাতেই উঠেছে লাঠি। না, লাঠি চালানো শিখছেন না তিনি। আসলে লাঠির সাহায্য ছাড়া চলতেই পারছেন না গ্যাংস্টার। তার কারণ, পায়ে গ্যাংগ্রিন হওয়ায় বাদ দিতে হয়েছে পায়ের দুটি আঙুল। তার জেরে আপাতত লাঠিই ভরসা এই ডনের।

    মুম্বইয়ে সিরিজ বোমা বিস্ফোরণ…

    এক সময় মুম্বইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ডের ওপর একছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন দাউদ। ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে সিরিজ বোমা বিস্ফোরণের পরিকল্পনাও তাঁর। ওই বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। পরে গ্যাংগ্রিনে আক্রান্ত হন তিনি। কড়া প্রহরায় করাচির একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে বাদ দেওয়া হয় তাঁর পায়ের দুটি আঙুল। বছর দুই আগে দাউদের প্রাক্তন সহযোগী এজাজ লাকদাওয়ালাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনিই পুলিশকে জানিয়েছিলেন, গ্যাংগ্রিন হয়েছে দাউদের পায়ে। যদিও দাউদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছোটা শাকিল ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছিলেন এই দাবি। ছোটা শাকিলের দাবি অবশ্য পরে মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের তত্ত্বাবধানে করাচির একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয় দাউদের (Dawood Ibrahim)। তখনই গ্যাংগ্রিন আটকাতে বাদ দেওয়া হয় পায়ের আঙুল। তার পরেই দাউদ কার্যত হয়ে পড়েন অথর্ব। যদিও মানসিকভাবে তিনি এখনও সক্রিয় রয়েছেন বলেই সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: দলের লোক ভুল করলেও সেটা ভুল! আবাস দুর্নীতি প্রসঙ্গে সরব দেব

    ডন যে বিষম বেকায়দায়, তা জানা গিয়েছে আরও একটি খবরে। ফি বার ঘটা করে ডনের জন্মদিন পালন করা হলেও, এবার তা হয়েছে নিতান্তই নিয়মরক্ষার। ২৬ ডিসেম্বর ডনের জন্মদিন। এক সময় তাঁর জন্মদিনে উপস্থিত থাকতেন পাকিস্তানের পদস্থ কর্তারা। উপস্থিত থাকতেন বলিউডের অনেক তারকাও। করাচির পশ ক্লিফটন এলাকায় ডিফেন্স কলোনিতে তাঁর প্রাসাদোপম বাড়িতে হত এই অনুষ্ঠানের আয়োজন। অনুষ্ঠানে ডাক পাওয়ার আশায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন করাচি, লাহোর এবং পাকিস্তানের অন্যান্য শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অথচ এবার? জানা গিয়েছে, এবার তেমন অনুষ্ঠান হয়নি। পাকিস্তানে থাকা তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। চলচ্ছক্তিহীন হয়ে পড়ায় দাউদ (Dawood Ibrahim) তাঁর অনেক ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন ভাই আনিস ইব্রাহিম ও ছোটা শাকিলের হাতে। শাকিল রয়েছেন অপারেশনাল বিষয়গুলির দায়িত্বে। আর আনিস দেখাশোনা করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • IND vs SL 1st ODI: বিশ্বকাপই পাখির চোখ! আজ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে নামছে টিম ইন্ডিয়া

    IND vs SL 1st ODI: বিশ্বকাপই পাখির চোখ! আজ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে নামছে টিম ইন্ডিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হচ্ছে ভারতের একদিনের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। টি-২০ বিশ্বকাপের ব্যর্থতা কাটিয়ে চলতি বছরে ঘরের মাটিতে একদিনের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াই লক্ষ্য রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের। সেই লক্ষ্যে চলতি বছরে সবথেকে বেশি ওডিআই সিরিজ খেলবে টিম ইন্ডিয়া। আর তার প্রথম ধাপ শুরু হতে চলছে আজ, মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। সিংহলিদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচে নামছে ভারত। শীতের মরশুমে গুয়াহাটির আবহাওয়া মনোরম। বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই রোদ ঝলমলে পরিবেশেই দুপুর ১টার সময় টস করতে নামবেন দুই দলের অধিনায়ক।

    থাকছে না বুমরাহ

    শ্রীলঙ্কা সিরিজেও দলের এক নম্বর পেসার যশপ্রীত বুমরাহ-কে পাচ্ছে না টিম ইন্ডিয়া। সোমবারই বিসিসিআই-এর তরফে ট্যুইট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, দাসুন শানাকাদের বিরুদ্ধে আর মাঠে নামা হচ্ছে না যশপ্রীতের৷ কারণ, তিনি এখনও পুরোপুরি ফিট নন। সামনে বিশ্বকাপ তাই বুমরাহকে নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না বোর্ড। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গেই বোর্ডের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টি-২০ সিরিজে দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের ছাড়াই জয় পেয়েছে ভারতীয় দল। তবে একদিনের সিরিজে দলে ফিরেছেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, কেএল রাহুল, মহম্মদ শামিরা। ফলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই একদিনের বিশ্বকাপের মহড়া শুরু করছে রাহুল দ্রাবিড়ের দল। ধারে-ভারে শ্রীলঙ্কার থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকলেও তরুণ শ্রীলঙ্কা দলকে যথেষ্ট সমীহ করছে টিম ইন্ডিয়া। টি-২০ সিরিজে দুরন্তে ফর্মে ছিলেন ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ছন্দে ছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেলরা। 

    সেজে উঠেছে ইডেনও

    অপরদিকে, টি-২০ সিরিজের হার থেকে শিক্ষা নিয়ে একদিনের সিরিজে ঘুড়ে দাঁড়াতে মরিয়া শ্রীলঙ্কা। তবে প্রথম দুটি ম্যাচে যে লড়াকু ক্রিকেট খেলেছিল লঙ্কান লায়ন্সরা তা আত্মবিশ্বাস কিছুটা বাড়িয়েছে দাসুন শানাকার দলের। ভারত-শ্রীলঙ্কা একদিনের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে কলকাতায়। তার জন্য ইতিমধ্যেই সেজে উঠছে ক্রিকেটের নন্দনকানন। অফলাইনে কিছু টিকিট কেনার সুযোগ রয়েছে শহরের ক্রিকেটপ্রেমীদের। তার জন্য ইডেনের চার নম্বর গেটে বিশেষ কাউন্টার করা হয়েছে। আর অন-লাইনে বুক করা টিকিট সংগ্রহ করার জন্য খোলা থাকবে তিন নম্বর গেট সংলগ্ন কাউন্টার।  উল্লেখ্য, সিরিজের শেষ ম্যচটি হবে তিরুবনন্তপুরমে, ১৫ জানুয়ারি।

    আরও পড়ুন: ‘এই ঘটনা আমার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে তুলবে’, শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগে অর্শদীপ

    শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুবমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়র, কেএল রাহুল (উইকেটকিপার), হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, মহম্মদ শামি, উমরান মালিক / অর্শদীপ সিং , মহম্মদ সিরাজ।

    কখন কীভাবে দেখবেন ম্যাচ

    ম্যাচ শুরু হবে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায়।
    টস হবে দুপুর একটার সময়।
    স্টার স্পোর্টসে দেখা যাবে এই সিরিজের প্রতিটি ম্যাচ। 
    মোবাইলে লাইভ স্ট্রিমিং দেখান হবে ডিজনি প্লাস হটস্টারে। তবে সে ক্ষেত্রে সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে। 
    বিনামূল্যেও এই সিরিজ দেখতে পাওয়া যাবে। ডিডি স্পোর্টসে

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • West Bengal DA: সুপ্রিম কোর্টের নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ মামলা, শুনানি কবে জানেন?

    West Bengal DA: সুপ্রিম কোর্টের নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ মামলা, শুনানি কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ (West Bengal DA) মামলা। বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই লড়ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের সংগঠন। গত বছর ডিসেম্বরে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। তার প্রায় এক মাস পর নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ মামলা। মামলাটি গিয়েছে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর ডিভিশন বেঞ্চে। আগামী ১৬ জানুয়ারি, সোমবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    কলকাতা হাইকোর্ট…

    গত বছর মে মাসে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। তাদের যুক্তি, হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ডিএ দিতে গেলে খরচ হবে প্রায় ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। যা তাদের পক্ষে বহন করা দুঃসাধ্য। এর পরেই দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্যের কর্মচারী সংগঠন।

    আরও পড়ুুন: মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল! ঠাঁই পেতে পারেন কারা, জানেন?

    বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের যে বেঞ্চে গিয়েছে রাজ্যের এই ডিএ মামলা (West bengal DA), প্রথমে সেটি সেখানেই ছিল। এই বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর বেঞ্চেই ছিল এই মামলা। পরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে বেঞ্চ বদলের কথা জানানো হয়েছিল। পরে নয়া বেঞ্চ গঠন নিয়ে অভিযোগ তোলে আইনজীবীদের একটি পক্ষ। আইনজীবীদের এই অভিযোগে অসন্তুষ্ট হয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই শুনানি বাতিল করা হয়।

    প্রসঙ্গত, বকেয়া ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার ফারাক ক্রমশ বেড়েছে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের তরফে ২০১৯ সালের ২৬ জুলাই একটি রায় দেওয়া হয়েছিল। পরে হাইকোর্টে সেই মামলা হলে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের রায়ই বহাল রাখে কলকাতা হাইকোর্ট। তিন মাসের মধ্যে ডিএ (West bengal DA) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। এদিকে, তিন মাসের মধ্যে ডিএ না দেওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে হাইকোর্টে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mamata Banerjee: ‘‘আমি না জিতলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নবান্নে বসতে পারবেন না’’! বেফাঁস হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক

    Mamata Banerjee: ‘‘আমি না জিতলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নবান্নে বসতে পারবেন না’’! বেফাঁস হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি যদি পাঁচলায় জিততে না পারি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) নবান্নে বসতে পারবেন না !” দলীয় সভায় এমনই বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন হাওড়ার পাঁচলার বিধায়ক গুলশন মল্লিক৷ শাসক দলের বিধায়কের এহেন মন্তব্যের পরই শুরু হয়েছে জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, পাঁচলার বিধায়কের জনপ্রিয়তা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেও বেশি? নইলে কেন এমন দাবি করছেন তিনি? শাসক দলের উত্তর, এর থেকে বিধায়কের আত্মবিশ্বাসের পরিচয় পাওয়া যায়।

    ঠিক কী বলেছেন বিধায়ক? 

    বুধবার পাঁচলায় একটি কর্মসূচির আয়োজন করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ সেখানেই বক্তব্য রাখেন গুলশন মল্লিক৷ সেই কর্মসূচিতে মঞ্চে দাঁড়িয়ে গুলশন বলেন, “বিধানসভা ভোটের আগে একমাস পুলিশের সঙ্গে কথা বলিনি৷ তবু, ৩০ হাজার ভোটে জিতেছি! কেন্দ্রীয় বাহিনী আমাদের কর্মীদের মেরে পিঠের ছাল তুলে দিয়েছে৷ তারপরও আমি জিতেছি৷ আমি যদি পাঁচতলার ক্ষমতায় না থাকি, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) নবান্নে বসতে পারবেন না!”

    এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন উঠছে, ভোটে জেতার (Mamata Banerjee) সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে কথা না বলার কী সম্পর্ক? সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সেই ভিডিও। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল৷ 

    বিধায়কের মন্তব্যের জেরে তৃণমূলকে একহাত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির রাজ্য সম্পাদক উমেশ রাই এ প্রসঙ্গে বলেন, “হাওড়া জেলার সবথেকে বিশৃঙ্খল এলাকা হল পাঁচলা৷ আর এই বিশৃঙ্খলার জন্য তৃণমূল (Mamata Banerjee) বিধায়ক গুলশন মল্লিকই দায়ী৷ ধুলাগড়ে যে অশান্তি হয়েছিল, তার জন্যও তিনিই দায়ী ছিলেন৷ সম্প্রতি এনআরসি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর যে হাঙ্গামা হয়েছিল, তারও মাথা ছিলেন গুলশন৷ কতটা ক্ষমতা থাকলে গুলশন মল্লিকের মতো নেতারা প্রকাশ্যে এই ধরনের মন্তব্য করেন!”

    আরও পড়ুন: কোর্টের অর্ডারে রয়েছে গ্রেফতারির পরোয়ানা, তবুও কেন জেলের বাইরে মানিকের স্ত্রী-পুত্র? বিতর্ক

    গুলশনের মন্তব্যের ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে স্থানীয় তৃণমূল। হাওড়া গ্রামীণের তৃণমূল সভাপতি অরুণাভ সেন বলেন, “তিনি (গুলশন) তাঁর নিজের এলাকা ভালোভাবে চেনেন বলেই এমন কথা বলেছেন৷ এটা তো তাঁর আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন! তিনি আসলে বলতে চেয়েছেন, তিনি যদি পাঁচলায় না যেতেন, তাহলে সারা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল (Mamata Banerjee) জিতবে না!” 

    রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী তথা হাওড়া অরূপ রায় গুলশনের মন্তব্যের বিরোধীতা করে বলেন, “বিধায়ক গুলশন যে মন্তব্য করেছেন তা আমি  সমর্থন করি না। এ ব্যাপারে গুলশনের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি দলীয় স্তরে আলোচনাও করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যে উন্নয়নের কাজ করেছেন তাতে তিনি যত দিন চাইবেন বা যত দিন মনে করবেন তত দিনই জিতবেন। ক্ষমতাতেও থাকবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Prithvi II Missile: অগ্নি-৫-এর পর সফল পৃথ্বী-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ

    Prithvi II Missile: অগ্নি-৫-এর পর সফল পৃথ্বী-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার মুকুটে জুড়ল আরও একটি পালক। সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে পৃথ্বী-২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের। অগ্নি-৫-এর পর সফলভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পৃথ্বী-২-এর পরীক্ষা করল ভারত। মঙ্গলবার ওড়িশার চাঁদিপুরের উপকূল থেকে পৃথ্বী-২-এর পরীক্ষাটি সম্পন্ন করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, পৃথ্বী-২ ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ভুল ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। কয়েকদিন আগেই চিন ও পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে রাতের অন্ধকারে অগ্নি-৫-এর (Agni 5) পরীক্ষামূলক সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। আর এর পর পৃথ্বী-২।

    পৃথ্বী-২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র…

    এই পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতির মাধ্যমে বলা হয়েছে যে, “পৃথ্বী-২ হল একটি স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ১০ জানুয়ারি, মঙ্গলবার ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূল থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল ভাবে উৎক্ষেপণ হয়েছে।” মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়, “পৃথ্বী-২ ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের পারমাণবিক শক্তির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এমতাবস্থায়, পরীক্ষায় এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় নির্ভুল ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে।” জানা গিয়েছে, এই পৃথ্বী-২ দেশীয় উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে ও এটি প্রায় ৫০০ কেজি পর্যন্ত পেলোড বহন করতে সক্ষম। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এই উন্নতমানের ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। এটি ভারতের পৃথ্বী মিসাইল সিরিজের অংশ, যার মধ্যে রয়েছে পৃথ্বী-১, পৃথ্বী-২, পৃথ্বী-৩, ধানুশ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে থাকা শত্রুর ওপরে হামলা করতে পারদর্শী পৃথ্বী-২ ক্ষেপণাস্ত্র।

    আরও পড়ুন: অগ্নি-৫ এর পাল্লা বাড়িয়ে করা যেতে পারে ৭ হাজার কিমি!

    চিন ও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা

    প্রসঙ্গত, গত বছরের জুন মাস নাগাদ ওড়িশার চাঁদিপুর থেকে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পৃথ্বী-২-র পরীক্ষা করা হয়েছিল। এই ক্ষেপণাস্ত্রটিও নির্ভুলতার সঙ্গে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এছাড়াও ১৫ ডিসেম্বর ওড়িশা উপকূল থেকে ভারী পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫-এরও পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাও সফল হয়েছিল। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে অগ্নি-৫। ৫০০০ কিমি দূরে লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্র পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বেজিং সহ চিনের মূল ভূখণ্ডের বেশিরভাগ শহরে পৌঁছে হামলা করতে সক্ষম। চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে চলমান অচলাবস্থার মধ্যে ভারত ক্রমাগত তার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা জোরদার করছে। ভারত চিন ও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিতে চাইছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

LinkedIn
Share