Blog

  • Covid-19 in China: আগামী বছর চিনে কোভিডে মৃতের সংখ্যা হবে ১০ লক্ষের বেশি! চাঞ্চল্যকর দাবি বিশেষজ্ঞের

    Covid-19 in China: আগামী বছর চিনে কোভিডে মৃতের সংখ্যা হবে ১০ লক্ষের বেশি! চাঞ্চল্যকর দাবি বিশেষজ্ঞের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড ঘিরে ভয়াবহ পরিস্থিতি অব্যাহত চিনে (Covid-19 in China)। হু হু করে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফলে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা। চিনে সদ্য কোভিডের কঠোর বিধি তুলে নেওয়া হয়েছে। ‘জিরো কোভিড’ নীতি আরও কিছুটা শিথিল করা হচ্ছে। তারপর থেকেই এক লাফে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে চিনে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি চিন কঠোর কোভিড বিধি তুলে নেয়, তাহলে সম্ভবত ২০২৩ সালের শেষে গিয়ে ১০ লক্ষের বেশি কোভিডে মৃতের সংখ্যা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, মাত্র তিন মাসের মধ্যেই চিনের ৬০ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হবেন।

    চিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল, ১৯ ডিসেম্বর নতুন করে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৪,৬৬৬। যেখানে ১৮ ডিসেম্বরই এই সংখ্যা ছিল ১,৯৫৯। বর্তমানে চিনের মোট অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৩,৮৩,১৭৫। আক্রান্তের সংখ্যার পাশাপাশি বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। কোভিড নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ পর্যন্ত কোভিডে সেদেশে কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু এরপরেই গতকাল ৭ জনের মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেদেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫,২৪২ (Covid-19 in China)।

    চিনে করোনায় মৃতের সংখ্যা হতে পারে ১০ লক্ষ!

    মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভোলিউশন’ জানিয়েছে, চিনে জিরো কোভিড (COVID 19) পলিসি এবং লকডাউন শুরু না করলে আগামী বছরের মধ্যে মৃতের সংখ্যা হতে পারে ১০ লক্ষেরও বেশি। আরও জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ১ এপ্রিলের মধ্যে ৩,২২০০০ জনের মৃত্যু হতে পারে শুধু কোভিডে। পরিসংখ্যান বলছে, চিনে ওই সময়ে বেড়ে যেতে পারে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সময়ই কোভিডের ‘পিক’ হতে পারে। আইএইচএমই ডিরেক্টর ক্রিস্টোফার মারে বলছেন, কেউ ভাবতে পারেনি যে জিরো কোভিড নীতিতে এতদিন পর্যন্ত তাঁরা আটকে থাকবেন (Covid-19 in China)।

    আরও পড়ুন: কোভিড-১৯ ম্যান মেড! উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছিল ভাইরাস, দাবি বিজ্ঞানীর

    উল্লেখ্য, চিনের জিরো কোভিড পলিসি শুরু করার পরেই তীব্র প্রতিবাদ, আন্দোলনে নামে সেদেশের সাধারণ মানুষ। তাই শেষ পর্যন্ত চিনা প্রশাসনের তরফে লকডাউনের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। আর লকডাউন এবং জিরো কোভিড পলিসি শিথিল করার পরেই ফের নতুন করে কোভিড সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে বলে খবর।

    চিনের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশই কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা

    আরও এক বিশেষজ্ঞের মতে, চিনের মোট ১.৪ বিলিয়ন জনসংখ্যার ৬০ শতাংশই কোভিডে আক্রান্ত হবে। চিনের সবথেকে যা উদ্বেগের কারণ তা হল ভ্যাকসিন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিন সরকার কোভিড ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও সেদেশের মানুষরা তা নিতে অনিচ্ছুক। যার মধ্যে রয়েছে ৮০ বছর ও ৮০-র বেশি বয়সী বয়স্করা। ফলে এই আবহে চিনের বয়স্করা কোভিডে বেশি প্রভাবিত হবে বলে জানা গিয়েছে (Covid-19 in China)।

  • Project Vartak: চিনকে চাপে রাখতে অরুণাচল সীমান্তে পরিকাঠামো গড়ছে ভারত!

    Project Vartak: চিনকে চাপে রাখতে অরুণাচল সীমান্তে পরিকাঠামো গড়ছে ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে চোখ রাঙাচ্ছে লাল ফৌজ। মাঝে মধ্যেই চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ার। অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছেই চিন(China) পরিকাঠামোও গড়ে তুলেছে বলে খবর। এসবেরই জবাব দিতে ফের একবার আস্তিন গোটাচ্ছে ভারতীয় সেনা। লাল ফৌজকে যোগ্য জবাব দিতে অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পরিকাঠামো গড়ছে ভারতও (India)। তাওয়াংয়ের ঘটনার পর এবার এ ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে প্রজেক্ট ভারটক (Project Vartak)। এই প্রজেক্টের চিফ ইঞ্জিনিয়র ব্রিগেডিয়ার রামন কুমার সংবাদ মাধ্যমকে জানান বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন রাস্তার উন্নয়ন করছে, সংস্কার করা হচ্ছে রাস্তাঘাট। পশ্চিম অসম এবং পশ্চিম অরুণাচল প্রদেশে ইতিমধ্যেই এ কাজ শুরু হয়েছে।

    রামন কুমার বলেন…

    প্রজেক্টের চিফ ইঞ্জিনিয়র ব্রিগেডিয়ার রামন কুমার বলেন, আমাদের ন্যাশনাল হাইওয়ে রয়েছে, সিঙ্গল লেন রোডস, ডাবল লেন রোডস এবং অন্যান্য ধরনের রাস্তা আছে। আমরা তাওয়াং জেলার প্রত্যন্ত এলাকার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে চাই। এলাকার আর্থ-সামাজিক পরিকাঠামোর উন্নয়নও করতে চাই আমরা। তিনি জানান, দুটি টানেলের কাজও চলছে। একটি হল সেলা টানেল, অন্যটি নেচিপু টানেল। শীতকালে বরফ পড়ে। তখন যাতায়াতে সমস্যা হয়। সেই সমস্যার সমাধান করতেই তৈরি করা হচ্ছে দুটি টানেল। তিনি বলেন, সেলা টানেলের কাজ চলছে। এটি সেলা পাসের চারশো মিটার নীচে। টানেলের কাজ শেষ হয়ে গেলে এই এলাকার লোকজন শীতকালে বরফ পড়ার সময়ও অনায়াসে একস্থান থেকে অন্যত্র যাতায়াত করতে পারবেন টানেলের মাধ্যমে।

    আরও পড়ুন: ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে পারেন মমতা, কেন জানেন?

    চিফ ইঞ্জিনিয়র ব্রিগেডিয়ার রামন কুমার বলেন, আমরা নেচিপু টানেলেও কাজ করছি। এটা নেচিপু পাসের কাছেই। টানেল দুটির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে সেনার পাশাপাশি সাধারণ যানবাহনও চলাচল করতে পারবে। টানেলের মাধ্যমে যাতায়াত হবে অনায়াস। তিন বলেন, এটা যে কেবল সেনা এবং এলাকাবাসীর উপকারে লাগবে তা নয়, উন্নত হবে এলাকার পর্যটন শিল্পও। রাস্তার পরিকাঠোমা উন্নয়নের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকায়ও যাতে মোবাইল কানেকটিভিটি মেলে, সেজন্য তাওয়াং এবং সীমান্তের অন্যত্র বসানো হচ্ছে মোবাইল টাওয়ারও। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের ৯ তারিখে তাওয়াংয়ে হাতাহাতি হয় ভারতীয় সেনা ও লাল ফৌজের।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Calcutta High Court: ১০০ দিনের কাজে মৃত ব্যক্তির নামে জব কার্ড-টাকা, মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    Calcutta High Court: ১০০ দিনের কাজে মৃত ব্যক্তির নামে জব কার্ড-টাকা, মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জবকার্ডে কারচুপির অভিযোগে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। প্রকাশ্যে এসেছে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ। মামলায় উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। মৃত ব্যক্তিদের নামেও তৈরি করা হয়েছে জব কার্ড। এমনই আভিযোগ করা হয়েছে। কল্যাণী ব্লকে একশো দিনের কাজের তালিকায় এমন কিছু ব্যক্তির নাম রয়েছে, যাঁদের মধ্যে কেউ ২০১১ সালেই মারা গিয়েছেন, তো কেউ ২০১৪ সালে। ২০১৫ সালে মারা গিয়েছেন এমন কারো নামও রয়েছে তালিকায়। এমন অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়। এরই মধ্যে একটি ঘটনা, ২০১৯ সালে পুকুর খোঁড়ার কাজ করে টাকা তোলা হয়েছে অমল আচার্যর নামে। অথচ তিনি নাকি ২০১৫ সালেই মারা গিয়েছেন।      

    অভিযোগে এমন অনেক ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। আরও একটি ঘটনা, একশো দিনের কাজে মদনপুর পুকুর খুঁড়েছেন মনোরঞ্জন বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি। অথচ তিনি ২০১৪ সালে মারা গিয়েছেন। তাঁর নামের অ্যাকাউন্টেও টাকা জমা পড়েছে। এমনকী পুলিশে কর্মরত এক ব্যক্তি এই প্রকল্পে টাকা তুলছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। মামলাকারীর বক্তব্য সব তথ্য রাজ্যকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সেই বিষয়ে কান দেয়নি বলে অভিযোগ। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে।

    হাইকোর্টের নির্দেশ?

    হাইকোর্ট জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন, তিন মাসের মধ্যে এই সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখতে। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) আরও নির্দেশ দিয়েছে, এই মামলা নিস্পত্তি করা হলেও, আগামী দিনে জেলাশাসকের সেই রিপোর্ট নিয়ে মামলাকারীর কোনও অসন্তোষ থাকলে, ফের তিনি আদালতের কাছে আবেদন করতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: নিজাম প্যালেসে এসএসসির ২ প্রাক্তন চেয়ারম্যান-সহ ৬ জনকে তলব সিবিআই- এর

    প্রসঙ্গত, একশো দিনের কাজে বেনিয়মের অভিযোগ তুলে দীর্ঘদিন ধরেই সরব হচ্ছিল রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। একশো দিনের কাজে বেনিয়মের অভিযোগে আগেই হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরপরেও আদালতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • FIFA World Cup: নাটকীয় ফাইনাল! টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার

    FIFA World Cup: নাটকীয় ফাইনাল! টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফাইনাল এরকমই হওয়া উচিত! ভবানীপুর থেকে চন্দননগর, টালা থেকে টালিগঞ্জ, চায়ের দোকান থেকে পাড়ার ক্লাব রবিবার রাতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছিল একটাই কথা। সোমবার সকালে অফিস-স্কুল! একদিনের জন্য থাক না সেই চিন্তা। আবার তো চার বছর! মেসির স্কিল, এমবাপের দৌড় ভুলিয়ে দিল সব কথা। কলকাতার অলিগলি আর্জেন্টিনার দখলে থাকলেও কোথাও কোথাও এমবাপের জন্য আফসোসও শোনা গেল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা ফাইনাল দেখে তৃপ্ত ফুটবল অনুরাগীরা। গোটা ম্যাচ জুড়ে বার বার বদলাল খেলার রং। প্রথমার্ধে মেসি  (Lionel Messi) ও আঞ্জেল ডি মারিয়ার (Angel Di Maria) গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে জোড়া গোল করলেন এমবাপে (Kylian Mbappe)। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করলেন মেসি। খেলা শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করলেন এমবাপে। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে হল খেলার ফয়সালা। সেখানে ফ্রান্সকে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতল আর্জেন্টিনা। নায়ক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (Emiliano Martinez)। 

    ম্যাচের হালচাল

    ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল আর্জেন্টিনার। ফ্রান্স গোলের তেকাঠির মধ্যে একটি শট পর্যন্ত রাখতে পারেনি। ২৩ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি বক্স থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। উসমান দেম্বেলে পেনাল্টি বক্সে ডি মারিয়াকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করেন মেসি। প্রথম গোলটি পেনাল্টি থেকে আসলেও, দ্বিতীয় গোলে আর্জেন্টিনার দুরন্ত ফুটবলের পরিচয় মেলে। এই গোলেও মেসির অবদান ছিল। তাঁর রক্ষণভেদী পাস থেকে ফ্রান্সের পেনাল্টি বক্সের বাইরে বল পেয়ে যান অ্যালেক্সিস ম্য়াক অ্যালিস্টার। তাঁর পাস থেকে অনবদ্য এক গোল করে দলকে ২-০ এগিয়ে দিলেন ডি মারিয়া।

    দ্বিতীয়ার্ধে ভেলকির শুরু। ম্যাচের ৮০ মিনিট পর্যন্ত গ্যালারি ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। ক্রিকেটের মতো ফুটবলও যে ঘোর অনিশ্চয়তায় মোড়া তা বোঝা গেল ৮০ মিনিটের মাথায়।  মাত্র ৯০ সেকেন্ডে দুটি গোল করে এমবাপে শুধু ম্যাচই ঘুরিয়ে দিলেন না, মনে হচ্ছিল মেসির বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নকেও চুরমার করে দেবেন!নির্ধারিত সময় খেলার ফল ছিল ২-২।  অতিরিক্ত সময়ে আবার ১০৮ মিনিটের মাথায় গোল করে মেসি বুঝিয়ে দিলেন তিনিই রাজা। বৃদ্ধ হলেও যাদুকর তিনি। তবে নাটক বাকি ছিল। অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে এমবাপের শট আটকাতে গিয়ে বক্সের মধ্যেই বল হাতে লাগালেন মন্তিয়েল। সেখান থেকে হ্যাটট্রিক করে ফের ফ্রান্সকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনলেন ২৩ বছরের তারকা। ফলে অতিরিক্ত সময় খেলার ফলাফল ছিল ৩-৩। তবে শেষরক্ষা হল না। টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতে তৃতীয়বারের জন্য বিশ্বজয়ী হল আর্জেন্টিনা। ৩৬ বছর পর কাপ পেল দিয়েগোর দেশ। স্বপ্নপূরণ হল লিওনেল মেসির। এদিন চারটে গোল করায় গোল্ডেন বুট পেলেন এমবাপে। গোল্ডেন গ্লাভস মার্টিনেজ আর গোল্ডেন বল মেসির হাতে।

    আরও পড়ুন:মেসি বনাম এমবাপে! কাপ কার দখলে? ফাইনালের আগে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল বিশ্ব

  • Dalai Lama: ‘চিনে ফেরার কোনও কারণ নেই, ভারতই সেরা জায়গা’, বললেন দলাই লামা

    Dalai Lama: ‘চিনে ফেরার কোনও কারণ নেই, ভারতই সেরা জায়গা’, বললেন দলাই লামা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে ফিরে যাওয়ার কোনও মানে নেই, ভারতই সর্বোত্তম জায়গা, এমনটাই জানালেন বৌদ্ধ ধর্মগুরু দলাই লামা (Dalai Lama)। ফের তাঁর মুখে চিন প্রত্যাখ্যানের কথা শোনা গেল। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, ভারতই তাঁর পছন্দের জায়গা। বাকি জীবন তিনি ভারতেই থাকতে চান। আর তিনি হিমাচল প্রদেশের কাঙরা জেলাতেই থাকতে চান।

    দলাই লামার ভারত পছন্দ…

    সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভারত-চিন সীমান্ত তাওয়াং-এ সংঘর্ষের প্রসঙ্গ এনে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে, দলাই লামা (Dalai Lama) বলেন, “পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়াতে – চিন আরও নমনীয় হচ্ছে। কিন্তু, চিনে ফিরে যাওয়ার কোনও কারণ নেই।” এই সংঘর্ষ নিয়ে তিনি চিনকে কিছু বার্তা দিতে চান কিনা, সেই নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “চিনে ফিরে যাওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতই সেরা ও আমার পছন্দের জায়গা। পণ্ডিত নেহরুর পছন্দের জায়গা কাঙরাই আমার স্থায়ী ঠিকানা।”

    প্রসঙ্গত, ৯ ও ১০ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এলাকায় ভারত ও চিন সেনার মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ভারতীয় জমিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। তারপর থেকে ফের ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তাওয়াং সেক্টরে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে চিনা বাহিনীকে কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের থেকে চিনা জওয়ানদের জখম হওয়ার সংখ্যা বেশি। ভারতে কোনও প্রাণহানি বা তেমন কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের উপর আস্থা! ভারতীয় সেনার পাশে তাওয়াং মঠ

    এই ঘটনা নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নিশ্চিত করেছিলেন যে, ৯ ডিসেম্বর ভারত-চিনের সেনা জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আর এই সংঘর্ষে কয়েকজনই সামান্য আহত হয়েছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছিলেন যে, এই ঘটনার পর চিনকে সীমান্তে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

    আর এসব নিয়েই দলাই লামাকে এদিন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি পরোক্ষভাবে চিন প্রত্যাখ্যানের কথাই বলেন। আর বলেন যে, ভারতই শ্রেষ্ঠ। আর তিনি চিনে কখনওই ফেরত যাবেন না। উল্লেখ্য, দলাই লামা ২-৩ দিন দিল্লিতেই থাকবেন। কারণ তাঁর কিছু সভা আছে। এর পর তিনি কিছু অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিহারের বোধগয়া যাবেন।

  • Lionel Messi: প্রায় ৩০ বছরের ফুটবল জীবনযাত্রা! ভিডিও শেয়ার মেসির, শ্রদ্ধা জানালেন মারাদোনাকে

    Lionel Messi: প্রায় ৩০ বছরের ফুটবল জীবনযাত্রা! ভিডিও শেয়ার মেসির, শ্রদ্ধা জানালেন মারাদোনাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৩৬ বছরের বাধা পার করে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2022) এল মারাদোনার (Diego Maradona) দেশে। আর এর পরেই দেশ জুড়ে উৎসবের পরিবেশ। গতকাল দেশের মাটিতে ফিরে আসলে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠেছিলেন মেসি। জয় আসার পর থেকেই তিনি একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশ্বকাপের ট্রফি নিয়ে তাঁর শান্তির ঘুম, এমন একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন, যা ইতিমধ্যেই ঝড়ের বেগে ভাইরাল। আর এরপরেই তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। তাঁর ফুটবল জীবনের ৩০ বছরের যাত্রা সেই ভিডিও-র মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। এর পাশাপাশি ক্যাপশনে তিনি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দিয়েগো মারাদোনাকে।  

    ৩০ বছরের ফুটবল জীবনযাত্রার স্মৃতিচারণা

    ১৯৮৬-এ মারাদোনার হাত ধরে শেষ বার বিশ্বকাপ এসেছিল আর্জেন্টিনায়। তারপর কেটে গিয়েছে ৩৬ বছর। বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে শুধু ছুটে গিয়েছে লা আলবিসেলেস্তেরা। কিন্তু সাফল্য আসেনি। টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ড নিয়ে কাতার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিলেন মেসিরা (Lionel Messi)। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেই সৌদির কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয় আর্জেন্টিনার। কিন্তু শেষ হাসি মেসিরাই হাসেন। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস জয় দিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের শিরোপা জিতে নিয়েছে আর্জেন্টিনা।

    আর এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ দেখা যায় লিওনেল মেসিকে (Lionel Messi)। সেখানে তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করে তাঁর ভক্তদের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ ৩০ বছরের ফুটবল জীবনের কিছু মুহূর্ত তুলে ধরেছেন। ভি়ডিওতে শৈশব জীবনের কিছু মুহূর্তও দেখা যায়। তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, “গ্র্যান্ডোলি থেকে কাতার। প্রায় ৩০ বছর। বিশ্বকাপ জিততে তিন দশকের কাছাকাছি সময় লাগল। ফুটবল আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে। কিছু দুঃখও দিয়েছে। আমি সব সময় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। কখনও চেষ্টা বন্ধ করিনি। বিশ্বাস ছিল কখনও হাল ছাড়ব না।” 

    [insta]https://www.instagram.com/reel/CmZLBkMDZi5/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    মারাদোনাকে জানালেন শ্রদ্ধা

    আবার মেসির লেখায় উঠে এসেছে প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনার কথাও। তিনি শেষে মারাদোনাকে স্মরণ করে লিখেছেন, “এই বিশ্বকাপটা দিয়েগোর জন্যও। তিনি আমাদের স্বর্গ থেকে উৎসাহিত করেছিলেন। এই বিশ্বকাপ তাঁদের সকলের জন্য যাঁরা ফলাফলের দিকে না তাকিয়ে সব সময় জাতীয় দলকে উৎসাহিত করেছেন। তাঁদের জন্য যাঁরা বেঞ্চে বসে থেকেছেন খেলার সুযোগ না পেয়ে। ২০১৪ সালে যাঁরা কাছে পৌঁছেও জিততে পারেননি, এই বিশ্বকাপ তাঁদেরও। সকলের একটাই আকাঙ্ক্ষা ছিল। সব কিছু আমাদের ইচ্ছা মতোহয় না।  আমার হৃদয় থেকে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ! লেটস গো আর্জেন্টিনা!!!”

    উল্লেখ্য, এই ভিডিওটিতে ইতিমধ্যেই ১২৪ মিলিয়ন ভিউ ও ১৮.৭ মিলিয়ন লাইক এসেছে। কমেন্টে প্রায় প্রত্যেকেই লিখে চলেছেন ‘সর্বকালের সেরা’ (GOAT) (Greatest of All Time)।

  • Elon Musk: তাঁর মতো ‘বোকা’ পেলে ছেড়ে দেবেন ট্যুইটারের সিইও পদ, জানালেন ইলন মাস্ক

    Elon Musk: তাঁর মতো ‘বোকা’ পেলে ছেড়ে দেবেন ট্যুইটারের সিইও পদ, জানালেন ইলন মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের সিইও পদ ছেড়ে দেবেন। একথা নিজেই জানালেন টেসলার কর্নধার ইলন মাস্ক (Elon Musk)। রবিবার নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডলে একটি গণভোটের আয়োজন করেছিলেন তিনি। সেই গণভোটে দ্বিধাহীনভাবে ট্যুইটারবাসীরা তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। রায় দিয়েছেন, ইলনের ট্যুইটারের সিইও পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত। তার পরেই পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। তিনি জানিয়েছেন, তিনি তাঁর মতো বোকা এক জনের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁকে পেলেই, পদ ছেড়ে দেবেন ইলন।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?   

    এই প্রথম ট্যুইটারের পদ ছাড়ার বিষয়ে এত খোলামেলা করলেন ইলন (Elon Musk)। রবিবারের ভোটে বেশির ভাগ ট্যুইটার ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, পদ ছাড়াই উচিত ইলনের। প্রসঙ্গত, ভোটের পোস্টটিতে ইলন লিখেছিলেন, এই ভোটের রায় মাথা পেতে নিতে তিনি বাধ্য।

    আরও পড়ুন: বড়দিনের আগেই শীত কমার সম্ভাবনা, কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে আকাশ  
     
    বেশ কিছু দিন ধরেই ইলনের (Elon Musk) ট্যুইটারের সিইও পদ ছাড়ার দাবি তুলেছে বিভিন্ন মহল। প্রশ্ন উঠছে, ট্যুইটারে অতিরিক্ত সময় দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ইলনের টেসলার ব্যবসা। তিনিই টেসলার ডিজ়াইন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাটির দায়িত্বে রয়েছেন। প্রভাবশালী বিভিন্ন মহল থেকে বেশ কিছুদিন ধরেই ইলনকে ট্যুইটারের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্যে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। রবিবার সেই কারণেই এই গণভোটের আয়োজন। মানুষের রায় নিজে পরখ করে দেখে নিতে চেয়েছিলেন ইলন। বেশ কিছুদিন ধরেই এই চিন্তা ভাবাচ্ছে ইলন মাস্ককে। কিছুদিন বলছিলেন, তাঁর উপর কাজের চাপ অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। তাতে বেজায় সমস্যায় পড়ছেন তিনি। এবার প্রশ্ন উঠছে তাহলে ইলনের পরিবর্তে কার কাঁধে উঠবে মাইক্রো ব্লগিং সাইটের গুরুভার? সে বিষয়ে এখনও কিছু জানাননি ইলন। ইলন রসিকতা করে জানিয়েছেন, তিনি এমন এক জনকে খুঁজছেন যিনি তাঁর মতোই ‘বোকা’! সেই ‘বোকা’ মানুষের সন্ধান চালাচ্ছেন তিনি।       

    তবে এই গণভোট থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, তিনি ট্যুইটার নিয়ে আশাহত। ট্যুইটারের দায়িত্ব থেকে নিষ্কৃতি চাইছেন তিনিও। তাই এখন সিলিকন ভ্যালিতে খুঁজে বেড়াচ্ছেন তাঁর মতো ‘বোকা’ কাউকে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Lionel Messi: ইনস্টাগ্রামেও রোনাল্ডোকে পিছনে ফেললেন মেসি! জানেন কী সেই পোস্ট?

    Lionel Messi: ইনস্টাগ্রামেও রোনাল্ডোকে পিছনে ফেললেন মেসি! জানেন কী সেই পোস্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু মাঠে নয় সোশ্যাল সাইটেও বন্ধু থেকে প্রতিপক্ষ সকলকেই কয়েক ডজন গোল দিলেন লিওনেল মেসি। ফুটবলের রাজপুত্র তিনি। তাই তাঁর স্থান সবার আগে। দেশকে বিশ্বকাপ দিয়ে শুধু খেলার মাঠে নয় সমাজমাধ্যমের লড়াইয়েও পর্তুগিজ প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্চিয়ানো রোনাল্ডোকে হারিয়ে দিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে রোনাল্ডোর একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট সবচেয়ে বেশি লাইক ও শেয়ার হয়েছিল। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মেসি যে ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন, তা ছাপিয়ে গিয়েছে রোনাল্ডোর ছবিকেও।

    মেসির পোস্ট

    বিশ্বকাপ জেতার পর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে মেসি লিখেছিলেন, “বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন”। মেসির এই পোস্ট ৪৩ মিলিয়ন লাইক পেয়েছে। ইনস্টাগ্রামে কোনও স্পোর্টস পার্সনের করা পোস্টে এটাই সর্বাধিক লাইক। মেসির এই পোস্ট ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসির সঙ্গে দাবা খেলার একটি ছবি নিজের প্রোফাইলে পোস্ট করেছিলেন রোনাল্ডো, যেটি সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪১.৯ মিলিয়ান লাইক পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: দেশের মাটিতে পা রাখল মেসি ব্রিগেড! আর্জেন্টিনায় আজ সরকারি ছুটি

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার দোহায় বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ট্রফি জেতে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে উড়িয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় ভাগে খেলা থেকেই হারিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ফলস্বরূপ, পর পর দু’টি গোল করে সমতা ফেরায় এমবাপের দেশ। তার পর অতিরিক্ত সময়ের খেলাও শেষ হয়। অতঃপর শুরু হয় পেনাল্টি শুটআউট। তাতেই বাজিমাত করে মেসির আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে পেয়ে উল্লসিত হয়ে ওঠেন মেসি। ট্রফি হাতে মেসি সতীর্থদের কাঁধে চেপে মাঠে ঘোরেন। সেই ছবিই দেন নিজের ইনস্টার পাতায়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ হাতে পোস্টে লিখেছেন, “বহু বার এর স্বপ্ন আমি দেখেছি, বিরাট ভাবে আমি এটাকে চেয়েছি, আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না… অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আমার পরিবারকে, তাদের সকলকে যাঁরা আমায় সমর্থন করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে যাঁরা আমাদের প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন। ব্যক্তিগত মেরিটের থেকেও বেশি এই দলের মেরিট। প্রত্যেকেই একটা স্বপ্নকে সফল করার জন্য লড়াই করেছে। আমরা এটা করতে পেরেছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Subiresh Bhattacharya: জামিন না-মঞ্জুর সুবীরেশের! ‘‘সমাজের সঙ্গে বেইমানি’’, অভিমত হাইকোর্টের

    Subiresh Bhattacharya: জামিন না-মঞ্জুর সুবীরেশের! ‘‘সমাজের সঙ্গে বেইমানি’’, অভিমত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের যুক্তি, “শিক্ষক সমাজের মেরুদণ্ড। তাই শিক্ষক নিয়োগে যদি দুর্নীতি হয়, তা হবে সমাজের সঙ্গে বেইমানি।” 

    আদালতে সওয়াল জবাব

    বুধবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে সুবীরেশের জামিনের মামলার শুনানি ছিল। সুবীরেশের আইনজীবী আদলতকে জানান, ‘‘তাঁর মক্কেল এসএসসির চেয়ারম্যান থাকাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি হয়নি। ২১ অক্টোবরের চার্জশিট মোতাবেক আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁর মৌখিক নির্দেশেই প্রোগ্রামিং অফিসার উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) পরিবর্তন করেছেন। কম নম্বর পেয়েছেন এমন প্রার্থীদের বেশি নম্বর দেওয়া হয়েছে। এমনকী, এসএসসির ওয়েবসাইটেও নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছে। অথচ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য তৈরি কমিটির মাথায় ছিলেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা। আমার মক্কেলকে প্রথমে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হয়েছিল। তার পরে গ্রেফতার করা হয়।’’এরপরই বিচারপতি বলেন, ‘‘একটি সংস্থার সর্বোচ্চ পদে ছিলেন। সেই জায়গায় কী ভাবে আপনাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এড়িয়ে যেতে পারেন? যিনিই অভিযোগ আনুন, আপনি এত দিন কেন সচেতন হননি?’’

    আরও পড়ুন: শাহী সাক্ষাতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ, তুলে ধরলের তাঁর বিরুদ্ধে মামলার তালিকা

    সুবীরেশের ভাগ্নেকে তলব

    অন্যদিকে, নম্বরে গড়মিল করে নিজের ভাগ্নেকেও চাকরি করিয়ে দিয়েছেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য,দাবি সিবিআইয়ের। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাই এবার সুবীরেশের ভাগ্নেকে নিজাম প্যালেসে তলব করল সিবিআই। কয়েকদিন আগে সুবীরেশ ভট্টাচার্যের অধীনে কাজ করা চারজন কর্মীকে তলব করেছিল সিবিআই। একইসঙ্গে ডাকা হয়েছিল দুই প্রাক্তন আধিকারিককে। তাঁদের কাছ থেকে যে তথ্য মিলেছে তা নিয়ে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে সুবীরেশ। সূত্রের খবর, এঁদের মাধ্যমেই সিবিআই জানতে পেরেছে সুবীরেশ ভট্টাচার্যের ভাগ্নের চাকরি পাওয়ার কাহিনী। সেটাই এবার যাচাই করতে চান সিবিআই অফিসাররা। সুতরাং মামা–ভাগ্নেকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter 

  • Taliban: উচ্চশিক্ষার দরজা বন্ধ! মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি তালিবানের

    Taliban: উচ্চশিক্ষার দরজা বন্ধ! মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি তালিবানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীশিক্ষায় ফতোয়া জারি করল তালিবান। মহিলাদের উচ্চশিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া হল। অনির্দিষ্ট কালের জন্য মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা বন্ধের কথা ঘোষণা করেছে আফগানিস্তানের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রক। দেশের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের প্রবেশে নিষেদ্ধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পড়ুয়া, শিক্ষিকা বা শিক্ষাকর্মী, কোনও মহিলাই আর ঢুকতে পারবেন না বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। রাজ্যে রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে চিঠি দিয়ে এই ফরমান জারি করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নেদা মহম্মদ নাদিমের বক্তব্য , ‘‘যত দিন পর্যন্ত দেশে ইসলামি আবহ তৈরি না-হচ্ছে, তত দিন আমি মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দিতে পারি না। আগে ইসলাম, পরে অন্য সব কিছু।’’

    তালিবান আছে তালিবানেই

    আফগানিস্তানে ফের ক্ষমতায় আসার পর তালিবান মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, সময় পাল্টেছে। ২০ বছর আগে যেমন নিয়ম ছিল, তেমন না-ও থাকতে পারে। তবে যা-ই হোক না কেন, হবে শরিয়তি আইন মেনে। ক্ষমতায় আসার পরে, মেয়েদের উচ্চশিক্ষার অনুমতি দিলেও নানা বিধিনিষেধ বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। যেমন–ক্লাসঘরে একসঙ্গে বসে পড়াশোনা করতে পারবে না ছেলেমেয়েরা, স্কুল, কলেজে মেয়েদের পড়াবেন শুধু শিক্ষিকারাই।  তবে শিক্ষার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়নি। কিন্তু এবার তাই হল। পার্ক, জিমের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজাও বন্ধ হয়ে গেল মেয়েদের জন্য। 

    আরও পড়ুন: হিজাব বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে শাস্তি! গ্রেফতার অস্কারজয়ী সিনেমার অভিনেত্রী

    আফগানিস্তানে (Afghanistan) মহিলাদের অধিকার এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে নিন্দায় সরব আন্তর্জাতিক মহল। কিন্তু তাতে যে তালিব (Taliban) শাসকদের কিছু যায় আসে না, তা স্পষ্ট করে দিল তারা। মেয়েদের জন্য শিক্ষার দরজা বন্ধ হওয়ার পর আমেরিকা সাফ জানিয়েছে, আফগানিস্তানে মহিলাদের শিক্ষা নিয়ে নীতি পরিবর্তন প্রয়োজন। তাহলেই তালিবান শাসিত সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব। নাহলে তালিবান প্রশাসনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তালিবান প্রশাসনের এই ঘোষণায় পর রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট উড জানিয়েছেন, “তালিবান কখনও আশা করতে পারে না আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্য হব অথচ আফগানদের অধিকার হরণ করব। বিশেষ করে, মহিলা এবং শিশুদের মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকার হরণ করা অনুচিত।” তালিবান এই নীতি আত্মনির্ভর এবং সমৃদ্ধ আফগানিস্তান তৈরির পথে আরও একটা বাধা সৃষ্টি করল বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share