Blog

  • Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ের (Tawang) ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের। এর প্রধান কারণ, তাওয়াং জায়গাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। শুধু তাই নয়, ধর্মীয় গুরুত্বের জন্যও তাওয়াংয়ের বিশেষ কদর রয়েছে চিনে (China)। সেই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে তাওয়াংকেই পাখির চোখ করেছে ড্রাগনের দেশ।

    তাওয়াং…

    সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত তাওয়াং। জায়গাটি ১৯৬২ সালে ভারত-চিন সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণে ভারত এবং চিন দুই দেশের কাছেই তাওয়াংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ৬২-র যুদ্ধে তাওয়াং দখল করার পর ম্যাকমোহন লাইনের ভিতরে পড়ে যাওয়ায় চিন এটি খালি করেছিল। পরে চিন ম্যাকমোহন লাইন মানতে অস্বীকার করে। তাই ফের তাওয়াং দখল করতে চাইছে চিন। তাওয়াং নিজের কবজায় নিয়ে এসে ড্রাগনের দেশ চাইছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পাশাপাশি তিব্বতকে পর্যবেক্ষণ করতে। এই তাওয়াংয়ের সঙ্গে তিব্বতের ধর্মীয় নেতা বতর্মান দালাই লামার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৫৯ সালে তিব্বত ছেড়ে যাওয়ার পর এখানে কিছু দিন কাটিয়েছিলেন দালাই।

    চিন থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের জন্য দুটি পয়েন্ট সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একটি তাওয়াং (Tawang), অন্যটি চাম্বা উপত্যকা। তাওয়াং রয়েছে চিন-ভুটান সংযোগস্থলে। আর চাম্বার অবস্থান নেপাল-তিব্বত সীমান্তে। তাওয়াং দখল করতে পারলে চিন দাবি করবে, অরুণাচল প্রদেশ তাদেরই অংশ।  

    আরও পড়ুন: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    এদিকে, তাওয়াংয়ে ভারত-চিন সংঘর্ষ পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করছেন কেউ কেউ। কারণ উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, তাওয়াং সীমান্তের কাছে গ্রাম তৈরি করে ফেলেছে চিন। এর পাশাপাশি একটি রাস্তাও তৈরি করেছে চিনা সেনাবাহিনী। প্রসঙ্গত, ৯ ডিসেম্বর তাওয়াংয়ের (Tawang) ইয়াঙ্গাটসে অঞ্চলে সংঘর্ষ হয় ভারত ও চিন সেনার। ওই এলাকায় থাকা ভারতীয় সেনা বাহিনীর ছাউনি সরাতে আসে প্রায় ৩০০ চিনা সেনা। তাদের হাতে ছিল কাঁটাযুক্ত লোহার লাঠি। ভারত বাধা দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ। বেশ কিছুক্ষণ পরে পিছু হঠে চিনা সেনা। জানা গিয়েছে, পক্ষকাল ধরে এই হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল চিন সেনা। এ ব্যাপারে ভারত প্রথমেই সতর্ক হয়ে যাওয়ায় দ্রুত বদলে যায় পরিস্থিতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের দুই বাঙালি বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। তার পরেই বিচারপতি দত্ত বলেন, আমি আসায় কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তাই এই মামলা আমি শুনব না। বিচারপতি দত্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন বিচারপতি হৃষিকেশ রায়। জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে নতুন বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    বিচারপতি দত্ত…

    এদিন মামলাটি ডিভিশন বেঞ্চে ওঠা মাত্র বিচারপতি দত্ত জানিয়ে দেন, তিনি এই মামলা শুনবেন এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই সরকারি কর্মীদের একাংশ অতি উৎসাহিত হয়ে এই মামলার রায় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। সুপ্রিম কোর্টকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্যে রুষ্ট হন বিচারপতি দত্ত। সহমত পোষণ করেন বিচারপতি রায়ও। তার পরেই পিছিয়ে যায় শুনানি। সরকারি কর্মীদের কেউ কোনও বিরূপ মন্তব্য করে থাকলে তার জন্য দুই বিচারপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের দুই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং মীনাক্ষী অরোরা। তার পরেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন বিচারপতি দত্ত ও বিচারপতি রায়।  

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    প্রসঙ্গত, গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর মধ্যে এই মামলায় সব পক্ষকে নিজেদের সংক্ষিপ্ত যুক্তি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী আদালতে থাকছেন না। তাই সুপ্রিম কোর্টের সাত নম্বর কোর্টে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ বসবে না। এই বেঞ্চে যে মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা ছিল, তা হবে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই এই ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয়নি ওই মামলার।  

    এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেদিন রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি বলেছিলেন, কলকাতা হাইকোর্ট যে হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তা দেওয়ার সঙ্গতি নেই রাজ্যের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Lalan Sheikh: লালন শেখের মৃত্যুতে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর, হাইকোর্টের দ্বারস্থ কেন্দ্রীয় সংস্থা

    Lalan Sheikh: লালন শেখের মৃত্যুতে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর, হাইকোর্টের দ্বারস্থ কেন্দ্রীয় সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Skeikh) রহস্যমৃত্যুতে এফআইআর (FIR) দায়ের পুলিশের। তাতে সিবিআইয়ের (CBI) ডিআইজি এবং এএসপি সহ মোট সাত জনের নামে খুনের অভিযোগ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্ত এই সাতজনের মধ্যে রয়েছেন সিবিআইয়ের আধিকারিক সুশান্ত ভট্টাচার্যও। তিনি গরু পাচার মামলার তদন্তকারী আধিকারিক হিসেবে কাজ করছেন। এই গরু পাচারকাণ্ডে তিনি গ্রেফতার করেছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে।

    হাইকোর্টে সিবিআই…

    এদিকে, ঘটনার প্রেক্ষিতে এদিনই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই। রাজ্য পুলিশের এফআইআর চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিবিআই। এদিনই হবে শুনানি। সিবিআইয়ের দাবি, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। সিবিআইয়ের অভিযোগ, অন্যান্য মামলার তদন্তকারী আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও এফআইআর করা হয়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকরা আশঙ্কায় রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের এক গ্রামে ধরা পড়ার পর রামপুরহাটে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল লালনকে। সোমবার সিবিআইয়ের সেই অস্থায়ী ক্যাম্পের শৌচাগারে পাওয়া যায় বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালনের (Lalan Skeikh) ঝুলন্ত দেহ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সিবিআই আধিকারিকরা তাঁদের বলেছিলেন, শেষ দেখা দেখে নিন। আর দেখতে পাবেন না! তাঁদের দাবি, লালনের শারীরিক অবস্থা ভাল ছিল না। তাঁকে ঠিক মতো জল ও খাবারও দেওয়া হচ্ছিল না।

    জানা গিয়েছে, পুলিশের দায়ের করা এফআইআরে সিবিআইয়ের সাত অফিসারের বিরুদ্ধে যে কটি ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে, সবগুলিই জামিন অযোগ্য ধারা। তাঁদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হুমকি ইত্যাদি অভিযোগ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, মৃত লালনের স্ত্রী রেশমা বিবির অভিযোগের ভিত্তিতেই দায়ের হয়েছে এই এফআইআর।

    সিবিআইয়ের দাবি, লালন (Lalan Skeikh) আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর স্ত্রী অবশ্য খুনের অভিযোগ এনেছেন। এই ঘটনায় সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও হেফাজতে থাকা লালনের ওপর নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না কেন? গলায় ফাঁস দেওয়ার গামছাই বা তিনি পেলেন কোথায়? উঠছে এসব প্রশ্নও।

    সাধারণত লকআপে থাকা বন্দিদের বাথরুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করতে দেওয়া হয় না। কিন্তু রামপুরহাটে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে যে বাথরুম, তা ভিতরের ঘরের সঙ্গে অ্যাটাচড। প্রশ্ন উঠছে, সেখানে কি কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না?  সিবিআইয়ের দাবি, অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। কারও গাফিলতি আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Water Distribution: জল বণ্টন সমস্যার সমাধানে আন্তঃরাজ্য কমিটি গঠনের প্রস্তাব কেন্দ্রের

    Water Distribution: জল বণ্টন সমস্যার সমাধানে আন্তঃরাজ্য কমিটি গঠনের প্রস্তাব কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বাঞ্চলের প্রতিবেশি রাজ্য গুলোর মধ্যে বিভিন্ন নদ নদীর জল বণ্টন (Water Distribution) সমস্যার সমাধানে আন্তঃরাজ্য কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় সরকার। জল বন্টনে নিজেদের মধ্যে বিরোধ রুখতে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খন্ড ও বিহারকে নিয়ে তিনি একটি যৌথ কমিটি গঠন করার কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পৌরহিত্যে শনিবার নবান্ন লাগোয়া সভাঘরে এ  রাজ্য সহ পূর্বের মোট চার রাজ্যকে নিয় পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠক বসে। সেখানে রাজ্যগুলির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা জল বিবাদ নিয়ে আলোচনা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রের তরফে এই প্রস্তাব বলে জানা গেচে।বৈঠক নিয়ে সরকারি ভাবে কোনও তরফেই কিছু জানানো হয়নি।তবে সূত্রের খবর গঙ্গা পদ্মার ভাঙ্গন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত একটি মাস্টার প্ল্যান গ্রহণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে দাবি জানান।

    সীমান্ত এলাকার সুরক্ষা, বিএসএফ ও রাজ্য প্রশাসনের (Water Distribution) সমন্বয়ের বিষয়টিও বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা মজবুত করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএসএফের সঙ্গে রাজ্য পুলিশের সম্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। প্রশাসনিক সূত্রের খবর অমিত শাহ বৈঠকে বসলেন সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেবল মাত্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নয়। দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্য সরকারকেও। সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিভিন্ন রাজ্যের সীমান্তে ফেন্সিং ও সেক্টর অফিস তৈরি করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত জমি চাইছে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে অভিযোগ করেন।

    আরও পড়ুন: “প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে দেশ এক থাকবে”, বিলাবল ভুট্টের মন্তব্যে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি শশী থারুর

    শাহ বিএসএফকে বিষয়টি নিয়ে নমনীয় হওয়ার নির্দেশ দেন বলে খবর। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে (Water Distribution) রেলের অনেক জমি জবরদখল হয়ে যাওয়ায় প্রকল্প তৈরিতে সমস্যা হচ্ছে বলে বৈঠকে উপস্থিত রেল বোর্ডের সদস্য বৃজেশ কুমার অভিযোগ জানান। রাজ্য গুলোর তরফে পাল্টা জানানো হয় উপযুক্ত পুনর্বাসন ছাড়া কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না।রেলের অব্যবহৃত জমি কিভাবে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করা যায় রাজ্যগুলিকে সেই বিষয়েও ভেবে দেখার কথা বলা হয়। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ও সমন্বয় বৃদ্ধির উপরে জোর দেন।শনিবার নবান্নের বৈঠকে শাহ ও মমতার পাশাপাশি ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।

    বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব এবং ওড়িশার নবীন পট্টনায়কের মন্ত্রিসভার প্রবীণ মুখ প্রদীপ আমাত উপস্থিত ছিলেন। শাহের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয়, নিরাপত্তা, সমস্যা সমাধানের কৌশল ইত্যাদি বিষয় সামনে (Water Distribution) রেখে গত ৫ নভেম্বর নবান্ন সভাঘরে পূর্বাঞ্চল পরিষদের ওই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে যায়। বৈঠকের শুরুতে আয়োজক রাজ্য হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ অন্যান্য রাজ্য থেকে আসা অতিথিদের হাতে ডোকরার দুর্গা প্রতিমা , বাঁকুড়ার ঘোড়া, কাঁথা স্টিচের উত্তরীয় ও হলুদ গোলাপের স্তবক তুলে দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kolkata Christmas Festival 2022: দুবছর পরে ফের চেনা ছন্দে কলকাতা, বড়দিনে আলোর মেলা

    Kolkata Christmas Festival 2022: দুবছর পরে ফের চেনা ছন্দে কলকাতা, বড়দিনে আলোর মেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবছরের মহামারী শেষে এবার নিজের স্বমহিমায় ফিরছে কলকাতার বড় দিনের উৎসব (Kolkata Christmas Festival 2022)। গত দু বছর শহর শীতের উৎসবের জাঁক জমক হারিয়েছিল। কিন্তু আলোর রঙে সাজবে শহর। ২১ ডিসেম্বর অ্যালেনপার্কে ১২ তম কার্নিভালের উদ্বোধন হবে। 

    কলকাতায়, পার্ক স্ট্রিট, অ্যালেন পার্ক এবং ক্যাথিড্রাল রোড যথারীতি আলোর মালায় সেজে উঠবে। ঐতিহ্যশালী বোব্যারাকও সাজবে নতুন সাজে। পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, “দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, চন্দননগর, ব্যান্ডেল, কৃষ্ণনগর এবং বারুইপুরের গির্জা এবং আলিপুরদুয়ার, আসানসোল, হাওড়া, বিধাননগর এবং ঝাড়গ্রামের পুলিশ কমিশনারেটগুলিকেও ২১ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি আলো দিয়ে সাজানো হবে।” 

    আরও পড়ুন: মেসি বনাম এমবাপে! কাপ কার দখলে? ফাইনালের আগে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল বিশ্ব    

    পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন বিভাগ এবং কলকাতার পার্ক হোটেল একটি বিশেষ আলোক সজ্জার (Kolkata Christmas Festival 2022) আয়োজন করবে, যেখানে ঘোড়ার গাড়ির ওপর বসে থাকবে সান্তাক্লজ। 

    প্রাক্তন বিধায়ক এবং পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান শেন ক্যালভার্ট এ বিষয়ে বলেন, “বো ব্যারাকের আলোগুলি রিমোট কন্ট্রোল-চালিত হবে এই বছর৷ আমরা অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জীবন যাত্রার আসল সৌন্দর্য তুলে ধরতে চাই।”  

    পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন বিভাগের এনকুয়্যারি কিয়স্ক এবং অ্যালেন পার্কে একটি প্রাথমিক চিকিৎসা স্টল রাখা হবে। আগের বছর মহামারী থাকা সত্ত্বেও, পার্ক স্ট্রিট কার্নিভালে দর্শকদের উপস্থিতি প্রত্যাশার থেকে অনেক বেশি ছিল। তাই এই বছর আয়োজকরা আরও মানুষের উপস্থিতির আশা রাখছেন।

    মহামারীর জন্যে যে দু বছর খাবার স্টলগুলির অনুমতি দেয়নি প্রশাসন, এ বছর সেগুলিও ফিরবে। এক সংগঠক বলেন, “এখানে প্রায় ৩০টি খাবারের স্টল থাকবে এবং সবগুলি বুক করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের স্টলের জন্য কোনো টাকা দিতে হবে না। দর্শকরা শুধু ক্রিসমাস কেক এবং চকলেটই নয়, চাইনিজ, গোয়ান এবং অ্যাংলো ইন্ডিয়ান সহ বিভিন্ন ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারবেন।”

    খাবারের স্টলগুলি খ্রিস্টান, অ্যাংলো ইন্ডিয়ান, নেপালি এবং গোয়ান সম্প্রদায়ের মহিলারা পরিচালনা করবেন। প্রতি বছরের মতো এবারও অ্যালেনপার্কে অনুষ্ঠিত হবে সংগীতানুষ্ঠান। শীঘ্রই সঙ্গীতশিল্পীদের নাম ঘোষণা করা হবে। ২১ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ এবং ২৫ ডিসেম্বর ছাড়া যখন অ্যালেনপার্ক বন্ধ থাকবে। বাসকারস মিউজিক্যাল প্রোগ্রামটি ক্যামাক স্ট্রিটে ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর, সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।   

    কলকাতা পুলিশ ২৬ ডিসেম্বর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান করবে। চার্চের গায়করা ইংরেজি হিন্দি এবং বাংলা গান পরিবেশন করবেন সেদিন। পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন বিভাগের তথ্য কিয়স্ক এবং অ্যালেন পার্কে একটি প্রাথমিক চিকিৎসা স্টল স্থাপন করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • FIFA World Cup: ১৭ কেজি ক্ষীর দিয়ে মেসির মূর্তি! হাওড়ার এক মিষ্টির দোকানে এক টুকরো আর্জেন্টিনা

    FIFA World Cup: ১৭ কেজি ক্ষীর দিয়ে মেসির মূর্তি! হাওড়ার এক মিষ্টির দোকানে এক টুকরো আর্জেন্টিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্টেডিয়াম অনেক দূর, তাতে কি! মেসিকে দেখতে এবার হাওড়ায় মিষ্টির দোকানেই ভীড় জমাচ্ছেন হুজুগে বাঙালিরা। না, মেসি বাংলায় আসেননি, বানানো হয়েছে ‘মেসি মিষ্টি’, আর সেটি দেখতেই মানুষ যাচ্ছে সেই মিষ্টির দোকানে। অবাক হচ্ছেন? তবে এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। আসলে আর্জেন্টিনা-মেসি জ্বরে কাবু বাংলার ছোট থেকে বুড়ো। তেমনই এক মেসি পাগল মিষ্টিওয়ালা দেখা গেল হাওড়ায়। মিষ্টির দোকানের নাম মা গন্ধেশ্বরী সুইটস। দোকানের মালিকের নাম কেষ্ট হালদার। তিনি মেসির এমনই ভক্ত যে, ক্ষীর দিয়ে বানিয়ে ফেললেন মেসি (FIFA World Cup)।

    ক্ষীর দিয়ে তৈরি মেসি

    হাওড়ার নেতাজী সুভাষ রোডের “মা গন্ধেশ্বরী সুইটস” বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বানিয়ে ফেলেছেন ১৭ কেজি ক্ষীর দিয়ে ৩ ফুটের মেসির মূর্তি। বানানো হয়েছে আস্ত বিশ্বকাপ ট্রফিও। এরই সঙ্গে বানানো হয়েছে আর্জেন্টিনার জার্সির রঙে রসগোল্লা, সন্দেশ। তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আদলে সন্দেশ, আর্জেন্টিনার জার্সির আদলে সন্দেশ, ফুটবলের আকারে সন্দেশ সহ নানা স্বাদের মিষ্টি। তা দেখতে দোকানে ভীড় জমাচ্ছেন এলাকার বহু মানুষ এবং সকলেই ছবি তুলছেন সেখানে।

    ফুটবল ঘিরে বাঙালির উত্তেজনা বরাবরই তুঙ্গে। তার উপর এখন চলছে ফিফা বিশ্বকাপ। আরব দেশই হোক না কেন, তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বে না. তা কখনও সম্ভন নয়। তাই বরাবরের মত ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে এবারও চরম উৎসাহ-উদ্দীপনা চলছে পশ্চিমবঙ্গে। আর এই উত্তেজনাতেই মিষ্টির দোকানের মালিকের এমন উদ্যোগ।

    আরও পড়ুন: মেসি বনাম এমবাপে! কাপ কার দখলে? ফাইনালের আগে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল বিশ্ব

    মিষ্টির দোকানের মালিক মেসির জয় নিয়ে দৃঢ়বিশ্বাসী

    মালিক কেষ্ট হালদার আর্জেন্টিনার অন্ধভক্ত, তিনি বলেন,  “এবার মেসির হাত ধরে বিশ্বকাপ আসবে। সেমিফাইনালে মেসি যেভাবে খেলেছেন, পায়ের জাদু দেখিয়ে দিয়েছেন। আর্জেন্টিনার সাপোর্টার হয়ে আমি গর্বিত।” তিনি দৃঢ়বিশ্বাসী যে, আজ মেসি তাঁর পায়ের জাদু দেখাবেই। তাঁর হাতেই উঠবে বিশ্বকাপের ট্রফি। মেসি প্রথমার্ধেই দুটি গোল করবেন বলে তিনি আশাবাদী। সেই আশা নিয়েই মেসি ভক্তদের জন্য এই মেসির ক্ষীরের মূর্তি উৎসর্গ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই এলাকার আর্জেন্টিনার সমর্থকরা জানিয়েছেন, তাঁরা চান যে, মেসি যেন ফাইনালে সেরা ফর্ম নিয়ে জ্বলে ওঠেন (FIFA World Cup)।

    আর কিছুক্ষণ পরেই বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ

    বিশ্বকাপে আজ কঠিন প্রতিপক্ষ ফ্রান্সের মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা (FIFA World Cup)। হাই ভোল্টেজ ফাইনাল ম্যাচের ফলাফল কী হবে তা এখনও জানা নেই। কিন্তু হাওড়ায় আর্জেন্টিনার সমর্থকরা চান, মেসির হাত ধরেই যেন তাঁদের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতে। ব্রাজিল, পর্তুগাল, জার্মানি, স্পেন, ক্রোয়েশিয়া একে একে অনেক প্রিয় দল এবার বিশ্বকাপের আসর থেকে বিদায় নিয়েছে। ফলে এখন একমাত্র মেসি ম্যাজিকের দিকেই তাকিয়ে বাংলার মানুষ সহ পুরো বিশ্ববাসী।

  • Jharkhand Crime: ঝাড়খণ্ডে যুবতীকে খুন করে ৫০ টুকরো, গ্রেফতার তাঁর স্বামী

    Jharkhand Crime: ঝাড়খণ্ডে যুবতীকে খুন করে ৫০ টুকরো, গ্রেফতার তাঁর স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) ৩৫ টুকরো করা হয়েছিল শ্রদ্ধা ওয়ালকারের দেহ। রাজস্থানের জয়পুরে কাকিমাকে খুন করে দেহ ১০ টুকরো করেছেন এক শিক্ষিত যুবক! এবার প্রায় সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand)। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জে স্ত্রীকে খুন করে ৫০ টুকরো করল জনৈক যুবক। জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম রুবিকা পাহাদিন। তাঁর স্বামী দিলদার আনসারিই তাঁকে খুন করেছে বলে অভিযোগ। দিলদারকে আটক করেছে পুলিশ।

    রুবিকা-দিলদার…

    পুলিশ সূত্রে খবর, রুবিকা দিলদারের দ্বিতীয় স্ত্রী। বছর দুয়েক ধরে তাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। সম্প্রতি বিয়ে করেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ সাহেবগঞ্জের সান্থালি মোমিন তোলা এলাকা থেকে এক মহিলার টুকরো টুকরো দেহাংশ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করেছিল, বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ওই মহিলাকে ফাঁকা, শুনশান জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে খুন করা হয় তাঁকে। টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয় দেহ। ওই যুবতীর পরিবার থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গেলে দেহাংশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। দেহ শনাক্ত করেন মৃতের পরিবারের লোকজন।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া! কাকিমাকে খুন করে ১০ টুকরো করলেন যুবক

    সাহেবগঞ্জের পুলিশ সুপার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বছর বাইশের এক যুবতীর দেহের ১২টি টুকরো পাওয়া গিয়েছে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে। ওই যুবতী আদিবাসী সম্প্রদায়ের। এখনও শরীরের বেশ কিছু অংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেগুলির খোঁজে তল্লাশি চলছে। পুলিশ ওই যুবতীর স্বামী দিলদার আনসারিকে আটক করেছে। যাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তিনি দিলদারের দ্বিতীয় স্ত্রী। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের।

    ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন বিজেপির ঝাড়খণ্ড মুখপাত্র প্রতুল সহদেব। তিনি বলেন, হেমন্ত সরকারে আমলে কন্যা সন্তানদের ওপর নৃশংসতার ঘটনা বাড়ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু ফ্রাসট্রেটেড মানুষ এই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। তার পরেও সরকার ঠুঁটো হয়ে বসে রয়েছে। কিছুই করছে না। তিনি বলেন, যদি সরকার দৃঢ় কোনও পদক্ষেপ না করে, তাহলে আমরা পথে নামব। সরকারকে যোগ্য জবাবও দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা উন্নয়নের পক্ষে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে, তাদের লালকার্ড (Red Card) দেখানো উচিত আমাদের। পূবে তাকাও (Look East) এবং পূবে কাজ কর (Act East)-এর বদলে নয়া নীতি হল পূবে কাজ কর এবং প্রথমে কর উত্তর পূর্বে। রবিবার মেঘালয়ের শিলংয়ে (Shillong) এই কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নর্থ-ইস্টার্ন কাউন্সিলের একটি বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ভাষণ দেন। সেই সময়ই তিনি উত্তর পূর্ব ভারতের দিকে বেশি করে নজর দেওয়ার ওপর জোর দেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে উদ্বোধন হয়েছিল নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের। এই কাউন্সিলের এবার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব। সেই উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি এবং নর্থ-ইস্টার্ন রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা।

    মোদি উবাচ…

    এদিন ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের যখন সুবর্ণ জয়ন্তী চলছে, তখন দেশে চলছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। নর্থ ইস্টার্ন অঞ্চলের আটটি রাজ্যকে প্রধানমন্ত্রী অষ্টলক্ষ্মী বলে উল্লেখ করেন প্রায়ই। এদিন তিনি বলেন, সরকারের উচিত এই অঞ্চলে আটটি ফাউন্ডেশন পিলার তৈরি করা। এই আটটি পিলার কী, তা নিজেই ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এই আটটি পিলার হল শান্তি, ক্ষমতা, পর্যটন, ৫ জি কানেক্টিভিটি, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক আবাদ, স্পোর্টস ও পোটেনসিয়াল।

    আরও পড়ুন: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি যে তাঁর কাছে অবহেলিত নয়, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমার সরকারের কাছে উত্তর-পূর্ব ও তার সীমান্ত এলাকা দেশের শেষ এলাকা নয়। এটা প্রতিরক্ষা ও সমৃদ্ধির গেটওয়ে। এই রাজ্যগুলি থেকে যে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের ব্যবসা হয় এবং নিরাপত্তা বজায় থাকে, তাও এদিন মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নর্থ-ইস্টে উন্নয়নের করিডর বানানোর ওপর জোর দিচ্ছি আমরা, সীমান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বের জন্য নয়। মোদি বলেন, চলতি বছর উত্তর-পূর্বে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে কেন্দ্র ৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করছে। আট বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকারও কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anti Hijab Protest: হিজাব বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে শাস্তি! গ্রেফতার অস্কারজয়ী সিনেমার অভিনেত্রী

    Anti Hijab Protest: হিজাব বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে শাস্তি! গ্রেফতার অস্কারজয়ী সিনেমার অভিনেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন ও বিক্ষোভে (Anti Hijab Protest) সামিল হওয়ার শাস্তি! ইরান পুলিশের হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হিজাব বিরোধী বিক্ষোভের জেরে এবার অস্কারজয়ী অভিনেত্রী তারনেহ আলিদোস্তিকে গ্রেফতার করল ইরান সরকার। গতকাল শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। গত ৮ ডিসেম্বর, সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের হিজাব বিরোধী আন্দোলনের (Anti Hijab Protest) সমর্থনের পোস্ট করেছিলেন তিনি। এরপরেই জানা গিয়েছে, তারানেহকে দেশজুড়ে আন্দোলন সম্পর্কে ‘মিথ্যা ছড়ানোর’ অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

    হিজাব বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে গ্রেফতার ইরান অভিনেত্রী

    এর আগেও সরকার বিরোধী (Anti Hijab Protest) আন্দোলনকে সমর্থন করায় ইরানে এক ব্যক্তি মহসেন শেখারিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ও তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এবার সরকারের হাতে আটক অভিনেত্রীও। ইরানের সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ৩৮ বছর বয়সি অভিনেত্রী তারনেহ আলিদোস্তিকে আটক করা হয়েছে। ২০১৬ সালের অস্কারজয়ী সিনেমা ‘দ্য সেলসম্যান’ -এ অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হয়েছিলেন তারনেহ। ২০১৬ সালে ছবিটি অস্কারও পায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ও বিকৃত তথ্য প্রকাশ করে অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুন: প্রতিবাদী মহিলাদের বুক-যৌনাঙ্গ লক্ষ্য করে গুলি! প্রকাশ্যে ইরান সরকারের বর্বরতা

    অভিনেত্রী তারনেহর পোস্ট

    আলিদোস্তি গত ৮ ডিসেম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে লিখেছিলেন, “আপনাদের নীরবতা মানে অত্যাচার ও অত্যাচারীর সমর্থন করা।” উল্লেখ্য, যে দিন আলিদোস্তি এই পোস্ট করেন, সে দিনই ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলনে (Anti Hijab Protest) মহসেন শেখারিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও লেখেন, “এই নৃশংসতা যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি দেখেও মুখ বুজে রয়েছে, তারা প্রত্যেকে মানবতার নামে লজ্জা।” এই পোস্টের কারণেই আলিদোস্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের নীতি পুলিশের কবলে মাহশা আমিনির মৃত্যুর ঘটনার পরেই প্রতিবাদে গর্জে ওঠে ইরানের জনগণ (Anti Hijab Protest) । মহসেন শেখারিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে ১২ ডিসেম্বর, ২৩ বছর বয়সী প্রতিবাদকারী মাজিদ্রেজা রাহনাভার্ডকেও প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়। এই সরকার বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত আরও নয়জনকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে হাজার হাজার লোককে আটক করা হয়েছে এবং আন্দোলনে থাকার জন্য ৪০০ জনকে ১০বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিয়েছে ইরান সরকার। অভিনেত্রী আলিদোস্তিও মাহশা-মৃত্যুর পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে সরব, ফলে তাঁকেও রেহাই দিল না ইরান সরকার।

  • Russia-Ukraine War: ৭০টিরও বেশি মিসাইল হামলা রাশিয়ার! মৃত ৪, ইউক্রেন জুড়ে ‘ব্ল্যাকআউট’

    Russia-Ukraine War: ৭০টিরও বেশি মিসাইল হামলা রাশিয়ার! মৃত ৪, ইউক্রেন জুড়ে ‘ব্ল্যাকআউট’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যু্দ্ধ (Russia-Ukraine War) যেন শেষ হওয়ার নাম নিচ্ছে না। ইউক্রেনে আক্রমণ আরও জোরদার করেছে রাশিয়া। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমের শহরগুলোতে রুশ বাহিনী ৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। সেইসঙ্গে চলেছে মস্কোর ড্রোন আক্রমণও। আর এই আক্রমণের জেরে রাজধানী কিয়েভ সহ সমগ্র ইউক্রেন জুড়ে ‘ব্ল্যাকআউটের’ প্রভাব পড়েছে জল সরবরাহ এবং অন্যান্য পরিষেবায়। এই হামলাকে রাশিয়ার সব থেকে বড় হামলার মধ্যে একটি ধরা হয়েছে। ইউক্রেনের দাবি, এই মিসাইল হামলার ফলে মোট ৪জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন।

    ইউক্রেনে মিসাইল হামলা

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা নাগাদ বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। এরপরেই প্রায় ৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে হামলা করে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের তরফে দাবি করা হয়েছে, মধ্য ক্রিভি রিহ-তে একটি অ্যাপার্টমেন্টে মিসাইল হানায় তিনজন মারা গিয়েছেন। এছাড়াও খেরসনের দক্ষিণেও রাশিয়ার হামলায় আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে। রুশ হামলায় সবগুলো তাপ ও জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে ব্যাপক ব্ল্যাকআউট হয়েছে এবং বিদ্যুৎ, জল সরবরাহও মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

    জেলেনস্কির বার্তা

    এর আগে বৃহস্পতিবার কিয়েভকে সতর্ক করে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, নতুন বছরের শুরুর দিকে মস্কো সর্বাত্মক আক্রমণের পরিকল্পনা করেছে। আবার শুক্রবার ইউক্রেনের তরফে দাবি করা হয়, শীতের মধ্যেই কিভ দখলের লক্ষ্যে নতুন প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রায় ২ লক্ষ রুশ ফৌজ। ফলে জেলেনস্কি ইউক্রেনবাসীদের সতর্কে থাকতে বলেছেন। অন্যদিকে মস্কো থেকে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে (Russia-Ukraine War)।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল, কেন হল জানেন?

    জেলেনস্কির সাহায্যের আবেদন

    রাশিয়ার (Russia-Ukraine War) হামলা তীব্র করার পরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার কাছে আরও ব্যাপক হামলার জন্য পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে। ইউক্রেনের পরিকাঠামোর ওপরে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করতে শুরু করেছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার সঙ্গে মোকাবিলা করতে তিনি পশ্চিমী দেশগুলির কাছে আরও সাহায্য, উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

    হার মানতে নারাজ ইউক্রেন

    প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, ইউক্রেন শক্তিশালী। তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, মস্কো যতই মিসাইল হামলা চালাক না কেন, শক্তির ভারসাম্যে তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। তাঁর দাবি, ২৪ ফেব্রুয়ারি হামলার এক বছর হতে চললেও এতদিনে ইউক্রেনের সামান্য অংশই দখল করতে পেরেছে রাশিয়া। অন্যদিকে কিয়েভের এক বাসিন্দা বলেন, “তারা আমাদের ধ্বংস করতে চায়, এবং আমাদের দাস বানাতে চায়। কিন্তু আমরা আত্মসমর্পণ করব না। আমরা সহ্য করব।” আবার ইউক্রেনবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বিদ্যুৎ ব্যবহারে দেশবাসীকে আরও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি (Russia-Ukraine War) ।

LinkedIn
Share