Blog

  • Nitin Gadkari: ২০২৪- এর মধ্যে ভারতের রাস্তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো, দাবি সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর

    Nitin Gadkari: ২০২৪- এর মধ্যে ভারতের রাস্তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো, দাবি সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি, বৈদ্যুতিক যানবাহন সংক্রান্ত অগ্রগতিতেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায়, গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari) জানান যে, ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে ভারতের সড়ক পরিকাঠামো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হবে।

    কী বলেন নিতিন? 

    এফআইসিসিআই- এর ৯৫ তম বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে নিতিন গড়কড়ি বলেন, “আমরা দেশে বিশ্বমানের সড়ক পরিকাঠামো তৈরি করেছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে আমাদের সড়ক পরিকাঠামো আমেরিকার সমান মানের হবে।” পাশাপাশি, লজিস্টিকের খরচের বিষয়ে, নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari) জানান, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এটি ৯ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।” 

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী (Nitin Gadkari) বলেন, “আমাদের লজিস্টিক খরচ একটা বড় সমস্যা। বর্তমানে এই খরচ ১৬%। তবে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ আমরা সেই খরচ ৯ শতাংশে নামিয়ে আনব।” মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা অন্যান্য বিকল্পগুলি গ্রহণ করে নির্মাণ কাজে স্টিলের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করছি। আমরা জানি যে নির্মাণ শিল্প কেবল পরিবেশ দূষণই ঘটায় না বরং বিশ্বের ৪০ শতাংশেরও বেশি পণ্য ও সম্পদ ব্যবহার করে।”

    আরও পড়ুন: ভারতে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, মৃত্যু ৪০ জনের   

    নিতিন (Nitin Gadkari) বলেন, “আমরা সম্পদের ব্যয় কমানো এবং নির্মাণের মান উন্নত করার দিকে নজর দিচ্ছি। সিমেন্ট এবং ইস্পাত নির্মাণের প্রধান উপকরণ। তাই আমরা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করে নির্মাণ কাজে স্টিলের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করছি।”  

    তিনি (Nitin Gadkari) আরও বলেন, “বর্তমানে ভারত নিজেকে শক্তি রপ্তানিকারক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। সবুজ হাইড্রোজেন অদূর ভবিষ্যতে শক্তির একটি প্রধান উৎস হবে। এই সবুজ হাইড্রোজেন ভবিষ্যতে বিমান চলাচল, রেলপথ, সড়ক পরিবহণ, রাসায়নিক এবং সার শিল্পে শক্তির একটি প্রধান উৎস।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

       

  • FIFA World Cup: মেসি বনাম এমবাপে! কাপ কার দখলে? ফাইনালের আগে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল বিশ্ব

    FIFA World Cup: মেসি বনাম এমবাপে! কাপ কার দখলে? ফাইনালের আগে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল বিশ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ফুটবলে বিশ্বজয়ের শেষ লড়াইয়ে নামতে চলেছে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে আটটায় লুসাইল স্টেডিয়ামে একে অপরের মুখোমুখি হবেন মেসি এবং এমবাপে। বলাই বাহুল্য, একটি হাইভোল্টেজ ফাইনাল দেখতে চলেছে ফুটবল বিশ্ব। হতে চলেছে দুই মহাতারকার লড়াই। দুই ফুটবল প্রতিভার লড়াই। কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ (Qatar World Cup 2022)। কে জিতবেন গোল্ডেন বুট। কে টুর্নামেন্টের সেরা হবেন! ফাইনালের আগে সেই আলোচনায় উত্তাল ফুটবলবিশ্ব।

    কে পাবে গোল্ডেন বুট

    ২ ফুটবলারই এবারের বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট পাওয়ার অন্য়তম দাবিদার। চলতি টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত ২ জনই পাঁচটি করে গোল করেছেন। ফাইনালে যদি কোনও প্লেয়ারই গোল করতে না পারেন, তবে কীভাবে গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে? সেক্ষেত্রে পেনাল্টি থেকে যে বেশি গোল করেছেন, তাঁকেই গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত মেসি ৩টি গোল করেছেন পেনাল্টি থেকে। সেখানে এমবাপের পাঁচটি গোলের একটিও পেনাল্টি থেকে নয়। সেক্ষেত্রে মেসিই এগিয়ে এই অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে। কিন্তু যদি আউটফিল্ড গোল ও পেনাল্টি দুটোতেই সমান থাকেন দু জন। তবে অ্যাসিস্ট কার বেশি, সেই নিরিখে গোল্ডেন বুটের বিজয়ী বেছে নেওয়া হবে। অবশ্য ২ ফুটবলারই চাইবেন ফাইনালে গোল করে সংখ্যাটা বাড়িয়ে নিতে। 

    আরও পড়ুন: একমাসের আলোর ঝলকানি অতীত! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেই ভাঙা হাটে পরিণত কাতার

    দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিওনেল মেসি। এবার মেসির শরীরী ভাষা বুঝিয়ে দিয়েছে, তিনিই কেন সেরা। প্রথম একাদশে নিয়মিত সুযোগ পাননি ডি মারিয়া ও ডিবালা। ফর্মে ছিলেন না লাউতারো মার্টিনেজের মতো ফুটবলার। তিন সেরা ফুটবলার রিজার্ভ বেঞ্চে। কিন্তু মেসি একাই খেলা তৈরি করেছেন। নিজে গোল করেছেন, করিয়েওছেন। মেসির হাত ধরে তৈরি হয়েছে আর্জেন্টিনার নতুন তারকা আলভারেজ, এঞ্জো ফার্নান্ডেজরা।অন্যদিকে এমবাপের কাছেও লড়াইটা সোজা ছিল না। গ্রিজম্য়ান ও তাঁর উপরেই অধিকাংশ ম্যাচে গোলের দায়িত্ব ছিল। ফরাসি সমর্থকরা চেয়েছেন, এমবাপে গোল করুন। ফাইনালে মেসির ফুটবল স্কিলের সঙ্গেই মূলত লড়াই তাঁর। ফুটবল বিশ্বের তাবড় তাবড় বিশেষজ্ঞরা এমবাপের উপরেই বাজি ধরছেন। মেসির শেষ ম্যাচে যদি এমবাপে গোল করে ফ্রান্সকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেন, সেটাই হবে ফরাসি ফুটবলারের সবথেকে বড় প্রাপ্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Avatar 2: মুক্তি পেয়েছে অবতার ২, প্রযুক্তির ব্যবহার তাক লাগিয়েছে দর্শকদের

    Avatar 2: মুক্তি পেয়েছে অবতার ২, প্রযুক্তির ব্যবহার তাক লাগিয়েছে দর্শকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্তি পেয়েছে অবতারের দ্বিতীয় পার্ট (Avatar 2)। বহু প্রতীক্ষিত এই ছবির নাম অবতার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার। ছবিটি পরিচালনা করেছেন কিংবদন্তী পরিচালক জেমস ক্যামেরুন। ছবিটিতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার তাক লাগিয়েছে দর্শকদের। ছবিটির দুর্দান্ত সিনেমাটোগ্রাফিও প্রশংসা কুড়িয়েছে দর্শকদের। ছবির গ্রাফিক্স ও ভিজুয়াল রিপ্রেজেন্টেশনও অসাধারণ। ৩ডি ফুটেজের সঙ্গে রয়েছে কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজারি গ্রাফিক্স। 

    কী কী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে ছবিটিতে?

    ছবিটিতে (Avatar 2) অনেক কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজারি ব্যবহার করা হয়েছে। এর আগে এই প্রযুক্তি একমাত্র দেখা গিয়েছিল রবার্ট জেমেকিস পরিচালিত ছবি বেউলফ-এ। শুটিংয়ের সময় জেমস ক্যামেরুন যখনই কোনও অভিনেতার দিকে ক্যামেরা তাক করেছেন তাঁকে সেই একই সময়ে মনিটরে অবতার হিসাবেই দেখা গিয়েছে।

    অবতারদের জগতকে আরও সুন্দর দেখাতে রিয়েল টাইম মোশন ক্যাপচার ব্যবহার হয়েছে এই ছবিতে (Avatar 2)। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে ছবির শুটিংয়ের সময় পরিচালক রিয়েল টাইমে অবতারের দুনিয়া দেখতে পেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ঐশর্য রাইয়ের জাল পাসপোর্ট! উত্তরপ্রদেশের গ্রেফতার তিন

    জেমস ক্যামেরুন-সহ এই ছবির (Avatar 2) অন্যান্য কলা কুশলীরা ছবিটি তৈরির জন্যে ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। প্রতিটি শটকে নিখুঁত করতে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল। ছবিতে গ্রাফিক্সে আলো ও ছায়ার ব্যবহারও অসাধারণ। এই কাজে ব্যবহার হয়েছে ১০০০ টিবি হার্ড ড্রাইভ স্টোরেজ।

    এই ছবির শুটিং- এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই ছবিতে (Avatar 2) শুটিংয়ের সময় অভিনেতারা নিজেদের মাথায় একটি ক্যামেরা অ্যাটাচ করেছিলেন। এই জন্য ব্যবহার হয়েছে বিশেষ ক্যামেরা রিগ। মুখের ডিজিটাল শট ক্যাপচার করার জন্য এই রিগ ব্যবহার হয়েছিল। এই রিগ মুখের সূক্ষ্ম নড়াচড়াও ক্যাপচার করতে সক্ষম হয়েছে।

    এই ছবিতে (Avatar 2) কোথাও নতুন সংলাপ ঢোকানোর প্রয়োজনে অথবা সংলাপ স্বচ্ছ করার জন্য অ্যাডিশনাল ডায়ালগ রিপ্লেসমেন্ট প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে। ছবিটিতে ৩ ডি ফিউশন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি এই ছবিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) খারিজ হয়ে গেল বিলকিস বানোর (Bilkis Bano) আর্জি। সাজার মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তি দেওয়া হয় বিলকিসের ধর্ষকদের। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন বিলকিস। তাঁর তরফে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের কাছে বিলকিসের আইনজীবী শোভার দাবি ছিল, ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হোক। আজ, শনিবার বিলকিস বানোর সেই আর্জি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    বিলকিস ধর্ষণ মামলা…

    ১৫ অগাস্ট বিলকিস ধর্ষণ মামলায় ১১ জন সাজাপ্রাপ্তকে ছেড়ে দেয় গুজরাট সরকার। যাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই ১৫ বছরেরও বেশি সময় জেলে ছিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন দেশের বিরোধী দলগুলির নেতারা। এরই মধ্যে দেশের শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন বিলকিস। আর্জিতে তাঁর দাবি, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করে ওই ১১ জন ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে গুজরাট সরকার। যা সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গোধরাকাণ্ডের পর গুজরাটে (Gujarat) শুরু হয় হিংসা। ৩ মে দাহোড় জেলার দেবগড়ে ভয়াবহ হামলা হয়। গ্রামের বাসিন্দা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে (Bilkis Bano) গণধর্ষণ করা হয়। আছড়ে মেরে ফেলা হয় তাঁর তিন বছরের মেয়েকে। তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকে হত্যা করা হয়। এই অপরাধকে বিরল থেকে বিরলতম আখ্যা দিয়ে কঠোর সাজার পক্ষে সওয়াল করেছিল সিবিআই (CBI)। ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয় সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। মামলা চলাকালীন একজনের মৃত্যু হয়। মুক্তি দেওয়া হয় ১১ জনকে।

    বিলকিসের (Bilkis Bano) পিটিশনে বলা হয়েছে, দেশ যখন ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছিল, তখন সব সাজাপ্রাপ্তকে আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে তাদের মালা পরানো হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছিল। তা থেকেই বর্তমান মামলাকারী (বিলকিস), পুরো দেশ ও দুনিয়া জানতে পারে যে দেশের অন্যতম জঘণ্য অপরাধে দণ্ডিতদের আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যে ঘটনায় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Amit Shah: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Amit Shah: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার রাতে শহরে এসে মুরলী ধর সেন লেনে দলের রাজ্য় সদর দফতরে পা দিয়েই বাংলায় দলের নেতাদের এই লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন তিনি।

    শাহী পরামর্শ

    শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। সেখান থেকে রওনা দেয় অমিত শাহের কনভয়। গাড়ির সামনের সিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ঠিক তাঁর পিছনের সিটে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি চলে যান বিজেপির রাজ্য দফতরে। সেখানে দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অগ্নিমিত্রা পল, মঙ্গল পাণ্ডে, সুনীল বনসল, অমিত মালব্য, আশা লাকড়া, খগেন মুর্মু, সুভাষ সরকার, স্বপন দাশগুপ্ত, নিশীথ প্রামাণিক, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, দীপক বর্মন, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অমিতাভ চক্রবর্তী ও সতীশ ধন্দ। 

    আরও পড়ুন: শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক হবে কি?

    বিজেপি সূত্রে খবর, এ দিন আধ ঘণ্টার বৈঠকে অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, ২০১৯-এর থেকেও ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বেশি আসনে বিজেপি-র জয় চান তিনি। আর সেই লক্ষ্য়মাত্রা পূরণ করতে বুথ স্তর থেকে সংগঠন মজবুত করার জন্য় দলের রাজ্য় নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট, সেই ভোটের রণকৌশল নিয়েও এদিন কথা বলেন অমিত। সূত্রের খবর, বৈঠকে রাজ্য় নেতাদের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, ‘বাংলায় আগের থেকে বিজেপির শক্তি বেড়েছে। সেই শক্তি আরও বাড়াতে হবে। সেই জন্য় বুথস্তর থেকে সংগঠন মজবুত করতে হবে। আমার আশা গত লোকসভা ভোটে যত আসন পেয়েছিলাম, এবার তার থেকে বেশি আসন পাবো। সেই লক্ষ্য়ে কাজ করতে হবে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে তৃণমূলের দুর্নীতি এবং রাজ্য়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন রাজ্য় নেতারা। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁদের সংগঠন শক্তিশালী করার উপরেই বেশি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সংগঠন মজবুত করতে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করারও নির্দেশ দেন তিনি। বাকি বিষয় কেন্দ্র দেখবে বলে রাজ্য় নেতাদের আশ্বাস দেন অমিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolar: কর্নাটকের কোলার সোনার খনি থেকে সোনা উত্তোলনের জন্যে দরপত্রের আহ্বান জানাতে চলেছে সরকার

    Kolar: কর্নাটকের কোলার সোনার খনি থেকে সোনা উত্তোলনের জন্যে দরপত্রের আহ্বান জানাতে চলেছে সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকে ঔপনিবেশিক যুগের খনিগুলির (Kolar) একটি ক্লাস্টারে ৫০০ লক্ষ টন প্রক্রিয়াজাত আকরিক থেকে সোনা উত্তোলনের জন্য দরপত্রের আহ্বান জানানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। বৃহস্পতিবার এক সরকারি আধিকারিক এ কথা ঘোষণা করেন।

    কী পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার?

    বেঙ্গালুরুর প্রযুক্তি কেন্দ্রের প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কোলার সোনা ক্ষেত্র দেশের প্রাচীনতম সোনার খনিগুলির (Kolar) মধ্যে অন্যতম। ২০ বছরেরও বেশি আগে বন্ধ হওয়া কোলার খনিগুলিতে প্রায় ২১০ কোটি টাকা মূল্যের সোনা রয়েছে। ভারত নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে অতীতে প্রক্রিয়াজাত করা আকরিকের অবশিষ্টাংশ থেকেও সোনা বের করতে আগ্রহী।   

    ওই সরকারি আধিকারিক বলেন, “সোনা ছাড়াও, সরকার প্রক্রিয়াজাত আকরিক বা ডাম্প থেকে প্যালাডিয়াম নিষ্কাশনেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রক্রিয়াজাত আকরিকে আটকে থাকা সোনা কীভাবে নিষ্কাশন (Kolar) করা যায়, তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।” 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে দোতলার বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দিলেন শিক্ষিকা

    তিনি আরও বলেন, “সরকার আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আমাদের একমাত্র সীমাবদ্ধতা হল শুধুমাত্র বিদেশি কোম্পানিগুলির প্রক্রিয়াজাত আকরিক থেকে সোনা নিস্কাশন (Kolar) করার প্রযুক্তি এবং অভিজ্ঞতা আছে। আমাদের তা নেই। তবে বিদেশি কোম্পানিগুলি স্থানীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে। এমনকি একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করতে পারে।” 

    প্রসঙ্গত, জুলাই মাসে ভারত বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা মেটাতে সোনা আমদানির উপর শুল্ক ৭.৫% থেকে বাড়িয়ে ১২.৫% করেছে। কোলার (Kolar) মুলত সোনার খনির জন্য খ্যাত। ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান সোনার খনি কোলারে অবস্থিত। পরাধীন ভারতে সোনার খনিকে কেন্দ্র করে কোলারে জনপদ গড়ে উঠেছিল। ২০০১ সালে খনি বন্ধ হওয়ার আগে দেড়শো বছর ধরে সোনা তোলা হয়েছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

     

  • Amit Shah: শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক হবে কি?

    Amit Shah: শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার রাতেই শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামিকাল, শনিবার নবান্নে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেবেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, ঝাড়খণ্ডের হিমন্ত সোরেন ও ওড়িশার নবীন পট্টনায়েকও। 

    রাতের কর্মসূচি

    জানা গিয়েছে, রাত ৯.২০ মিনিটে বিএসএফের বিশেষ বিমানে কলকাতায় আসবেন শাহ। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাবেন রাজ্য দলীয় নেতৃত্ব। বাইপাসের ধারে পাঁচতারা হোটেলে থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, রাতে শহরে পৌঁছে বিজেপির রাজ্য দফতরে বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার-সহ দলের ৫ সাধারণ সম্পাদককে। 

    আরও পড়ুন: সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! অনুব্রতর হয়ে মামলার খরচ চালাচ্ছে কে? তদন্তে ইডি

    কালকের কাজ

    শনিবার, পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে মূলত ৪ রাজ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক পারস্পরিক সম্পর্ক ও সমস্যা নিয়ে কথা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রয়োজনীয় সমাধান ও সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ৪ রাজ্যের সীমানা এবং সীমান্ত বিষয়ক সমস্যা প্রসঙ্গেও আলোচনা হতে পারে। আলোচ্যসূচিতে রয়েছে সীমান্ত সংক্রান্ত ৪০টি সমস্যা। হাইভোল্টেজ এই বৈঠকের নিরাপত্তা নিয়ে তাই সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। তবে মূল বৈঠকের পরে অমিত শাহ ও মমতার আলাদা বৈঠকও হতে পারে বলেও খবর। সূত্রের খবর, বৈঠকে গোরুপাচার ও বিএসএফ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। রাজ্যের নাম বদলের প্রস্তাবে কেন এখনও অনুমোদন মিলল না? সেই প্রসঙ্গও তুলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অমিত শাহ-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একান্ত বৈঠক হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। নবান্ন সভাঘরের পাশে সচিবালয়ে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রস্তুতিও রাখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ছাড়াও তিনি বিএসএফ ক্যাম্পে যেতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। সেক্টর ফাইভে অ্যানথ্রোপলজি ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। শনিবার বিকেলেই দিল্লি ফিরে যাবেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “টাইম হো গ্যায়া”, শাহী সাক্ষাতের পরই রহস্যময় ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “টাইম হো গ্যায়া”, শাহী সাক্ষাতের পরই রহস্যময় ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। এর মধ্যে বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) ‘ডিসেম্বর’ সংকেত দলের অন্দরেই সমালোচনার ঝড় তুলেছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ফের একই সুর শুভেন্দু অধিকারীর মুখে। 

    শুক্রবার ঝটিকা সফরে রাজ্যে আসেন অমিত শাহ। বিমান বন্দর থেকেই সোজা চলে যান বিজেপির রাজ্য দফতরে। সেখানে দেখা হয় শুভেন্দু-সুকান্তর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে। সেখানেই চলে বৈঠক।

    কী বললেন শুভেন্দু? 

    বৈঠকের পরই ফের ‘চার্জড আপ’ গেরুয়া শিবির। আজ শনিবার দমদম বিমানবন্দরে শাহের সঙ্গে দেখা হয় সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারীদের (Suvendu Adhikari)। মিনিট খানেক কথা হয়। আর এরপরেই সাংবাদিক বৈঠক করেন দুজনে। শুভেন্দু-সুকান্তদের দাবি, আলোচনা বেশ সদর্থক হয়েছে। এতে উচ্ছ্বসিত দলের সবাই। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, ‘আচ্ছে দিন’ আসতে চলেছে বাংলাতেও। আলোচনার পর এমনই আশা নাকি দেখতে পাচ্ছেন নেতারা। তবে কি নিয়ে আলোচনা কিংবা কথা হয়েছে তা স্পষ্ট করেননি তাঁরা।  

    আগামী মঙ্গলবার সংসদ ভবনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন দিল্লি ফিরে যাওয়ার সময়ে কলকাতা বিমানবন্দরে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন অমিত শাহ। সূত্রের খবর, সেই সময়ে আগামী মঙ্গলবার শুভেন্দুকে দিল্লি আসতে বলেন অমিত শাহ। 

    এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আগামী মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অমিত শাহজী আমাকে ডেকেছেন। আমার সঙ্গে ৩০ মিনিট তিনি বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন।” প্রসঙ্গত, আগামীকালই দিল্লিতে যাবেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে তাঁর এবং সুকান্ত মজুমদারের বৈঠক রয়েছে।

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “অল্প সময় হলেও অমিত শাহ রাজ্য এসেছেন এবং আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছন। তবে সেই বৈঠকে একটি বাক্য চর্চিত হয়েছে বলে দাবি বিরোধী দলনেতার। আর সেই প্রসঙ্গ টেনেই তাঁর দাবি, টাইম হো গ্যায়া…!”

    আরও পড়ুন: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ একান্তে বৈঠক, কী আলোচনা হল?

    আবার জল্পনা শুরু হয়েছে তাহলে কী জানুয়ারিতেই রাজ্যে কিছু ঘটতে চলেছে? শাহী সাক্ষাৎ নিয়ে উচ্ছসিত শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বড়সড় ডাকাত, অত্যাচারী, চোরেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আইন এবং সংবিধান মেনে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Amit Shah: শুধু বিএসএফ নয়! সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: শুধু বিএসএফ নয়! সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বিএসএফ নয়, সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, বিহাররে উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাবদ এবং ওড়িশার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে আন্তর্দেশীয় সীমান্ত ছাড়াও আন্তর্রাজ্য সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    কী বললেন অমিত

    বিশেষ সূত্রে খবর, এদিন অমিত শাহ বৈঠকে বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব যতটা বিএসএফের, ঠিক ততটা রাজ্যেরও রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। আগের সরকারের খামতি ছিল। আমরা তা অনেকটা পূরণ করেছি। আরও উন্নয়নের জন্য এগোচ্ছি।” পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের চার রাজ্য বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড এই কাউন্সিলের সদস্য। মূলত প্রতিবেশী রাজ্যগুলির মধ্যে আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ আলোচনা ও সমাধানের পথ খুঁজতেই সদস্য রাজ্যগুলিতে ঘুরে ঘুরে এই কাউন্সিলের বৈঠক বসে প্রতি বছর। 

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে সীমান্ত নিরপত্তায় পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অর্থ দাবির পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের পাওনা টাকার কথাও মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এর সঙ্গে সীমান্ত রক্ষার নামে বিএসএফের অতিসক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল ১১টা থেকে বিকাল তিনটে পর্যন্ত চলে এই বৈঠক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রধানরা এই বৈঠকে ছিলেন। সদস্য রাজ্যগুলির সচিব পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছিলেন। নবান্নে শনিবার ইস্টার্ন জোনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর শহরে আরও কয়েকটি কাজ সেরে বিকেলেই দিল্লি উড়ে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Haridevpur: নাবালিকাকে মাদক খাইয়ে লাগাতার ধর্ষণ, হরিদেবপুরে গ্রেফতার মা-ছেলে

    Haridevpur: নাবালিকাকে মাদক খাইয়ে লাগাতার ধর্ষণ, হরিদেবপুরে গ্রেফতার মা-ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবালিকাকে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার এক যুবক ও তার মা। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার হরিদেবপুর (Haridevpur) থানা এলাকায়। মা যে পার্লারে কাজ করতেন, সেই পার্লারের কাজ করত সেই নাবালিকা। ‘কাকিমা’ বলে ডাকত তাঁকে। কালীপুজোর রাতে সেই কাকিমার সঙ্গেই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল সে। অভিযোগ, সেখানেই খাবারের সঙ্গে কিছু খাইয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে সেই কাকিমার ১৮ বছরের ছেলে। গত ১৬ তারিখ হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে ওই নাবালিকা। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত যুবক ও তার মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত যুবকের নাম কুনাল কোঠারি, তার মায়ের নাম অনুশ্রী কোঠারি।

    কী ঘটেছিল?

    নির্যাতিতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার সঙ্গে একটি পার্লারে বিউটিশিয়ান কোর্স করতেন অভিযুক্তের মা। কালীপুজোর দিন সেই অভিযুক্ত মহিলা নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। তাকে সেখানে কিছু খেতে দিলে খাবারের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে দেন বলে অভিযোগ। এরপর নাবালিকা অচেতন হয়ে পড়লে ওই যুবক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ একান্তে বৈঠক, কী আলোচনা হল?

    পুলিশ সূত্রের খবর, তিন দিন ধরে চলে নির্যাতন। তিন দিন পর কোনও মতে পালিয়ে যায় সে। প্রথমে বাড়িতে কাউকে বলতে পারেনি নির্যাতিতা। এরপর এক আত্মীয়কে সব কথা জানায় ও এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যায় সে। সামাজিক লজ্জার কারণে ধর্ষণের অভিযোগও করতে চায়নি পরিবার। কিন্তু পরে শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার মাকেও গ্রেফতার করা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ বি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র,  ৩২৮ খাবারে নেশার দ্রব্য মেশানো, পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    অন্যদিকে এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত মা ও ছেলে। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের ফাঁসানো হয়েছে। আসলে ওই মেয়ে আমার ছেলেকে প্রোপোজ করেছিল। তাতে রাজি হয়নি আমার ছেলে। তাই আমাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হল।” 

LinkedIn
Share