Blog

  • EPFO: কেবল অগাস্টেই ইপিএফও-র সদস্য সংখ্যা বাড়ল ১১ শতাংশ!

    EPFO: কেবল অগাস্টেই ইপিএফও-র সদস্য সংখ্যা বাড়ল ১১ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মীদের কল্যাণে রয়েছে এমপ্লয়ি প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO)। এই স্কিমের প্রতি কর্মীদের আগ্রহ ছিল বরাবর। তবে কোনও এক অজানা কারণে এক লপ্তে বেড়ে গিয়েছে এর সদস্য সংখ্যা। চলতি বছরে কেবল অগাস্ট মাসেই ওই প্রকল্পে নতুন করে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১০ লক্ষ কর্মী।

    বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক সুরক্ষা সংগঠন হল পিএফও (PFO)। সদস্য ও টাকা লেনদেনের হিসেবেই এই সংগঠন বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক সুরক্ষা সংগঠন। বর্তমানে এই সংগঠন মেনটেন করে ২৪.৭৭ কোটি অ্যাকাউন্ট। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের হিসেবে মিলেছে এই তথ্য। গত অগাস্টে এই সংগঠনেরই সদস্য সংখ্যা বেড়েছে ৯ লক্ষ ৮৬ হাজার ৮৫০টি। গত মাসের তুলনায় যা ১১ শতাংশ বেশি। মিনিস্ট্র অফ স্ট্যাটিসটিকস অ্যান্ড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশনের তরফে মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে এই মন্ত্রক এমপ্লয়মেন্ট-সম্পর্কিত স্ট্যাটিসটিকস প্রকাশ করে। ২০১৭ সালের সেপ্টম্বর থেকে ফর্মাল সেক্টরে কত সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, সেই হিসেব তুলে ধরে। তিনটি প্রধান স্কিম- এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম, এমপ্লয়িজ স্টেট ইনস্যুরেন্স স্কিম এবং ন্যাশনাল পেনশন স্কিমে কত সাবস্ক্রাইবার রয়েছেন, তার ভিত্তিতে ওই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে এক সঙ্গে কাজ করব’, ঋষিকে বার্তা মোদির

    প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ এর অগাস্ট পর্যন্ত সব মিলিয়ে এমপ্লয়ি প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিমে যোগ দিয়েছেন ৫ কোটি ৮১ লক্ষ ৫৬ হাজার ৬৩০ জন। এদিকে, ইএসআই স্কিমে সব মিলিয়ে নতুন নথিভুক্তকরণের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ৬২ হাজার ১৪৫। এই প্রকল্পে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে এ পর্যন্ত যোগ দিয়েছেন ৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯২ হাজার ২৩২ জন। প্রাপ্ত তথ্য থেকে এও জানা যাচ্ছে, অগাস্ট মাসে ন্যাশনাল পেনশন স্কিমে যোগ দিয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৪৩ জন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এই স্কিমে সব মিলিয়ে যোগ দিয়েছেন ৩৭ লক্ষ ৮৫ হাজার ১০১ জন। এ সংক্রান্ত পরবর্তী রিপোর্ট বের হবে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kali Puja 2022: রাত বাড়তেই বাজির দাপট! শহরের রাস্তায় দেখা মিলল না পুলিশের

    Kali Puja 2022: রাত বাড়তেই বাজির দাপট! শহরের রাস্তায় দেখা মিলল না পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  নিম্নচাপ ভ্রূকুটি দেখালেও কালীপুজোর রাত বাড়তে বৃষ্টির আশঙ্কা কিছুটা কমে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে শব্দ বাজির দাপট। একাংশের অভিযোগ, দীপাবলির রাতে শব্দ দূষণের মাত্রা জানান দেয়,  এই রাতে পুলিশ প্রশাসন ‘ঘুমিয়ে’ ছিল।  রাত বাড়তেই কলকাতার বাগবাজার, শোভাবাজার, গিরিশ পার্কের মতো বসতি এলাকায় শব্দ বাজির দাপট শুরু হয়। রাত বারোটার পরে বেহালার একাধিক জায়গায় রীতিমত ‘বাজি প্রতিযোগিতায়’ নামে ক্লাবগুলো। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, সন্ধ্যা থেকে আতস বাজি পোড়ানো শুরু হয়। যার ধোঁয়ার তীব্রতায় বাইরে তাকানো কঠিন হয়ে যায়। আর রাতে একের পর এক তীব্র আওয়াজ। যা জানান দেয়, শব্দ বাজির দাপট।

    তবে, শুধু কলকাতা নয়। উত্তর চব্বিশ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া সহ একাধিক জেলাতেও কালীপুজোর রাতে বাজির দাপটে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো, কালীপুজোতে সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত পরিবেশ বান্ধব বাজি পোড়ানো যাবে। পরিবেশের দূষণ করে এমন ধোঁয়া ও শব্দ বাজি ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আদালতের নির্দেশকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনের। কিন্তু কলকাতাবাসীদের একাংশ মনে করছেন, এই দায়িত্ব পালনে কার্যত ব্যর্থ প্রশাসন।

    পরিবেশ বান্ধব নয়, এমন বাজি বিক্রি রুখতেই পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। দীপাবলির কয়েক দিন আগে থেকেই প্রকাশ্য রাস্তায় আতস বাজি, শব্দ বাজি দেদার বিক্রি হয়েছে। টালা থেকে টালিগঞ্জ, উত্তর থেকে দক্ষিণ, কলকাতার একাধিক ফুটপাত দখল করেছিলেন বাজি বিক্রেতারা। আর সেই সব অস্থায়ী দোকানে অধিকাংশ বাজি পরিবেশ বান্ধব ছিল না। কিন্তু সেই বাজি বিক্রিতে পুলিশের নজরদারি ও ছিল না। 
    একাংশের মত, পরিবেশ বান্ধব বাজি বিক্রি নিশ্চিত করতে না পারলে, বারবার এই রকম পরিস্থিতিই তৈরি হবে।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফুসফুস ও হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য এই পরিবেশ একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। যেভাবে কালীপুজোর রাতে আকাশে সাদা ধোঁয়া দেখা গিয়েছে, তাতে স্পষ্ট অধিকাংশ আতস বাজি পরিবেশ বান্ধব ছিলো না। ফলে, এতে বায়ু দূষণ মারাত্মক ভাবে বেড়েছে। এর জেরে ক্রনিক পালমোনারি অবস্ট্রাক্টিভ ডিজিজ কিংবা হাপানি রোগীদের আরও সমস্যা বাড়তে পারে। পাশপাশি শব্দ বাজির জন্য শ্রবণশক্তি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। বিশেষত শিশুদের শ্রবণ ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা ও থাকছে বলে মনে করছেন ইএনটি চিকিৎসকেরা। হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য ও এই পরিবেশ বেশ বিপজ্জনক বলে মত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের। হঠাৎ তীব্র আওয়াজে হৃদরোগীদের সমস্যা বাড়ে। তাই বড় বিপদ ঘটার ঝুঁকি ও থাকে। বিশেষত যাদের পেসমেকার রয়েছে, এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এই তীব্র আওয়াজ, সমস্যার সৃষ্টি করে।

    তবে, শুধু মানুষ নয়। অন্যান্য প্রাণীদের জন্য ও এই পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর। বিশেষত, যাদের বাড়িতে পোষ্য রয়েছে, তাদের অধিকাংশ জানাচ্ছেন, কালীপুজোর রাতে বাজির দাপটে, পোষ্যদের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, বছরের পর বছর এমন পরিস্থিতি চললেও এর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। দীপাবলির রাতে পরিস্থিতি খারাপ হলেও অভিযোগ করে বিশেষ লাভ হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই বাজির অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না বলেও ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষকে সচেতন করার দায়িত্ব প্রশাসনের। বেআইনি বাজি বিক্রি রুখবে পুলিশ। কিন্তু সেই ভূমিকা ঠিকমতো পালন না হলে সুস্থ পরিবেশ পাওয়া কার্যত অসম্ভব। কিন্তু এই সব ক্ষেত্রে পুলিশের সক্রিয়তা চোখে পড়ে না।

  • Sleeping Tips: দৈনিক ৫ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমোচ্ছেন? নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো!

    Sleeping Tips: দৈনিক ৫ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমোচ্ছেন? নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স ৫০ বা তার বেশি হলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ, এই বয়সটা ঝুকিপূর্ণ। যদি ঘুমের (Sleeping Tips) পরিমাণ । পাঁচ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমোন তাহলে ঝুঁকি আরও বেশি। কারণ, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ব্যক্তিদের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকী ক্যানসারের মতো রোগের আশঙ্কা অনেক বেশি।     

    ৫০, ৬০ এবং ৭০ বছর বয়সি ৭,৮৬৪ জন ব্রিটিশ সরকারিদের কর্মীদের নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছে। গবেষকরা PLOS মেডিসিন জার্নালে তাদের গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে। ১৮ অক্টোবরের সংখ্যায় গবেষণার এই ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। যাঁদের ওপর পরীক্ষা চালিয়েছেন, গবেষকরা তাদের ২৫ বছরের ঘুমের সময়কাল জেনে নিয়েছেন।  

    বিভিন্ন রোগের সঙ্গে এই ঘুমের সম্পর্ক কমা বা বাড়ার বিষয়টিকে তুলনা করে দেখেছেন। মোট ১৩টি ক্রনিক রোগকে গবেষকরা তাঁদের তালিকায় রেখেছিলেন। তার মধ্যে দুটি বা তার বেশি দীর্ঘস্থায়ী রোগের সঙ্গে ঘুম কমে যাওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে। গবেষকরা আরও দেখতে চেয়েছিলেন, ৫০ বছর বয়সে ঘুমের পরিমাণ কীভাবে একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগের স্বাভাবিক গতিপথকে প্রভাবিত করে।

    ‘উদ্বেগজনক’, কেনিয়ায় দুই ভারতীয় খুন নিয়ে প্রতিক্রিয়া ভারতের

    স্বাস্থ্যকর অবস্থা থেকে ক্রনিক রোগ, মাল্টিমরবিডিটি এবং মৃত্যু এই বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে ঘুমের কতটা সম্পর্ক আছে, এই গবেষণার মাধ্যমে তা নির্ণয় করা অন্যতম লক্ষ্য ছিল গবেষকদের। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সিদের মধ্যে যাঁরা পাঁচ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমিয়েছিলেন, তাদের ক্রনিক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।  

    আর, ২৫ বছরের মধ্যে দুই বা ততোধিক ক্রনিক রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। তুলনায় যাঁরা সাত ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোন, তাঁদের ক্রনিক রোগের পরিমাণ কম। গবেষণায় ৫০, ৬০ এবং ৭০ বছর বয়সিদের মধ্যে যাঁরা দৈনিক পাঁচ ঘণ্টার কম ঘুমোন, তাঁদের মাল্টিমরবিডিটির ঝুঁকি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়ে যায়। 

    মোট ১৩টি ক্রনিক রোগকে গবেষকরা তাদের তালিকায় রেখেছিলেন। তার মধ্যে দুটি বা তার বেশি দীর্ঘস্থায়ী রোগের সঙ্গে ঘুম কমে যাওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DCI: ‘উদ্বেগজনক’, কেনিয়ায় দুই ভারতীয় খুন নিয়ে প্রতিক্রিয়া ভারতের

    DCI: ‘উদ্বেগজনক’, কেনিয়ায় দুই ভারতীয় খুন নিয়ে প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেনিয়ার (Kenya) নির্বাচনে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করার কারণে খুন করা হয়েছে দুই ভারতীয় যুবককে। এবার বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল দেশের বিদেশমন্ত্রক। সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি (Arindam Bagchi) বলেন, “গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভারত। ইতিমধ্যেই কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেছেন সেদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার। কেনিয়া সরকারের কাছে এই হত্যার ঘটনা নিয়ে বিশদ তদন্তের দাবিও জানিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেনিয়ায় দুই ভারতীয় যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি সামনে এসেছে। যদিও, কেনিয়া সরকারের তরফে এই বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি।

    আরও পড়ুন: কমল সিত্রাংয়ের দাপট! আজ সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ

    সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে অরিন্দম বাগচি বলেন, “কেনিয়া সরকারের সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা হয়েছে। দুই ভারতীয় যুবক আদৌ খুন হয়েছেন কিনা, সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে কেনিয়া সরকারকে। ভারতে নিযুক্ত কেনিয়ার হাই কমিশনারকেও ডেকে পাঠিয়ে এই বিষয়ে কথা বলা হয়েছে। জুলাই মাস থেকে দুই ভারতীয় যুবক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে কেনিয়া সরকারের কাছে।” 

    বিষয়টিতে কেনিয়া সরকারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র। তিনি বলেন, “দুই যুবক এখন কোথায় রয়েছেন, আদৌ তাঁরা বেঁচে আছেন কিনা, সেই বিষয়ে কোনও তথ্য নেই কেনিয়া প্রশাসনের কাছে। কেনিয়া সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। ইতিমধ্যেই আমরা প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটোর কাছে আমাদের আশঙ্কার কথা জানিয়েছি। ঘটনাটির তদন্ত করছে পুলিশ।”

    উল্লেখ্য, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় একটি সংস্থাকে প্রচারের দায়িত্ব দিয়েছিলেন কেনিয়ার রাষ্ট্রপতি রুটো। ওই সংস্থায় কাজ করতেন জুলফিকার এবং মহম্মদ জইদ নামের দুই ভারতীয়। রাষ্ট্রপতির সহায়ক ইতুম্বি  জানিয়েছেন, গত জুলাইতে রোড এলাকা থেকে ট্যাক্সিচালক নিকোদেমাস মাওয়ানির সঙ্গে নিখোঁজ হয়ে যান তাঁরা। সেই ঘটনার চার মাস পর ওই দুই ভারতীয় খুন হয়েছেন জানিয়েছে রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ মহল। 

    যদিও এখনও ওই দুই ভারতীয়র খুনের ব্যাপারে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি কেনিয়া সরকার। তবে এই খুনের বিষয়ে কেনিয়ার তদন্তকারী সংস্থা ডিসিআই-র একটি শাখা স্পেশাল সার্ভিস ইউনিট বা এসএসইউ-র দিকে আঙুল তুলেছেন রুটো সমর্থকরা। এসএসইউ-র বিরুদ্ধে এর আগেও বার বার বিনা বিচারে আটকে রাখা, অপহরণ এবং খুনের অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, গত নির্বাচনে রুটোর জয় আটকানোর সবরকম চেষ্টা চালিয়েছিল তাঁরা। সম্প্রতি এসএসইউ-র ২১ জন গোয়েন্দাকে রাজধানী নাইরোবিতে তলব করা হয়। এর পরই তদন্তকারী সংস্থা ডিসিআই-র ওই শাখাটিকে ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। সেই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই এই খুন করা হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UK Prime Minister: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    UK Prime Minister: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (UK) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। চলতি মাসের ২৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। তার পর তিনি বাসিন্দা হবেন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের। এই বাড়িতেই থাকেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীরা।  ব্রিটেনের রাজা-রানি থাকেন বাকিংহাম প্যালেসে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) এবং তাঁর স্ত্রী অক্ষত মূর্তির সম্মিলিত সম্পত্তির পরিমাণ ছাড়িয়ে যাবে বাকিংহাম প্যালেসের বাসিন্দাদের সম্পত্তির বহরকে।

    একটি সংবাদ মাধ্যমের তরফে করা সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ব্রিটেনের ভাবী প্রধানমন্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ ১.৩ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার। ব্রিটেনের ২২২তম ধনীতম বাসিন্দার তালিকায় রয়েছেন সুনক দম্পতিও। সেই তুলনায় প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সম্পত্তির পরিমাণ কম। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৬৬৬ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রয়ানের পর রাজা হন তৃতীয় চার্লস। রানি হন ক্যামেলিয়া। এই রাজা ও রানির সম্পত্তির পরিমাণ যথাক্রমে ৫৩৬ ও ৩৫০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার। দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায়ই প্রকাশিত হয়েছে এই তথ্য।

    আরও পড়ুন: ইতিহাস তৈরি করলেন ঋষি সুনক! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) ঋষি সুনক প্রাক্তন হেজ ফান্ড ম্যানেজার ছিলেন। তাঁর স্ত্রী অক্ষত ভারতের অন্যতম ধনীতম ব্যক্তির এনআর নারায়ণ মূর্তির কন্যা। টেক জায়েন্ট ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এই নারায়ণ। জুলাই মাসে যে রিচ লিস্ট প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে নারায়ণ কন্যা অক্ষতর অংশীদারিত্বের পরিমাণ ১.২ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর (UK Prime Minister) স্ত্রী অক্ষত একজন ফ্যাশন ডিজাইনারও। ব্রিটেনে রয়েছে তাঁর প্রাইভেট ইনভেস্ট ফার্ম। সেখানেও বিনিয়োগ করেছেন তিনি। ঋষি এবং অক্ষত দু জনেরই বয়স ৪২। স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়ার সময় দু জনের আলাপ। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। গার্ডিয়ান পত্রিকার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের চারটি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি আবার লস এঞ্জেলেসে, পেন্টহাউস। এই বাড়িতেই শুট্যিং হয়েছে বিখ্যাত ছবি বে ওয়াচ-এর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cyclone Sitrang: কমল সিত্রাংয়ের দাপট! আজ সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ

    Cyclone Sitrang: কমল সিত্রাংয়ের দাপট! আজ সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর রাতে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া আর ঝিড়ঝিড়ে বৃষ্টির পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের (Cyclone Sitrang) বিপদ কেটে গিয়েছে, বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। এদিন আবহাওয়ার ক্রমশ উন্নতি হয়েছে। ভোর রাত থেকেই বৃষ্টি কমে যায়। কমেছে ঝোড়ো হাওয়ার বেগ। তবে এপার বাংলা রক্ষা পেলেও ওপার বাংলা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিধ্বস্ত। পূর্বাভাস মতো সোমবার রাতে বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে সিত্রাং। স্থলভাগ ছুঁয়ে সিত্রাংয়ের  গতিপথ এখন ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির দিকে। ভারতীয় মৌসম ভবনের (IMD) তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, ‘গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এদিন ভোর থেকেই তা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে এবং তারপর পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় আরও দুর্বল হবে।’বাংলাদেশে আঘাত হানলেও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় তেমন কোনও ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, নিম্নচাপ কাটলেও আজও এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে।

    আরও পড়ুন: আজ বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ, কখন শুরু হবে ও কোথায় দেখা যাবে?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সময় রাত সাড়ে নটা থেকে সাড়ে এগারোটার মধ্যে সিতরাং বাংলাদেশের বরিশালের কাছে তিনকোনা ও সন্দীপের মধ্যবর্তী জায়গায় ল্যান্ডফল করে। সেই সময় তার বেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ৯০ কিমি। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ সিতরাং-এর অবস্থান ছিল ঢাকা থেকে ৪০ কিমি পূর্বে, আগরতলা থেকে ৫০ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং বাংলাদেশের বরিশাল থেকে ১২০ কিমি উত্তর-উত্তর-পূর্বে।

    আরও পড়ুন: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    দক্ষিণ বাংলাদেশের খেপুপাড়ার কাছে স্থলভাগে আঘাত হানার পর থেকে সেখানে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে। বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাড়িঘর এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে। গাছ পড়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত দেওয়াল চাপা পড়ে এবং বাড়ি ধসে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে কুমিল্লায় ৩, ভোলায় ২, সিরাজগঞ্জে ২ এবং নড়াইল এবং বরগুনায় ১ জন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘন্টা তাণ্ডব চালানোর পরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং রাতেই বাংলাদেশের সীমা অতিক্রম করেছে। অন্ততপক্ষে ২৮,১৫৫ জন মানুষ ও ২,৭৩৬ গবাদি পশুকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে আনা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রামে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • Diwali 2022: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    Diwali 2022: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালী পুজোর (Kali puja) এই বিশেষ দিনে তারাপীঠে (Tarapith) মা তারাকে কালী রূপে পুজো করা হয়। তারাপীঠে অন্য কোনও দেবীমূর্তি পুজোর চল নেই। কারণ মা তারা এখানে অধিষ্ঠাত্রী দেবী। তাই মা তারাই এখানে মা কালী রূপে পুজিত হন। তারাপীঠে কোনও দেবী মূর্তির পুজোর চল নেই। মা তারাকে সামনে রেখেই সমস্ত দেবী মূর্তির পুজো করা হয় তারাপীঠে। দীপান্বিতা কালী পুজোর তিথিতে সেখানে মা তারাকে শ্যামা রূপে পুজো করা হয়। এ দিন মায়ের নিত্য পুজার্চনার পাশাপাশি শ্যামা রূপে মা তারাকে বিশেষ পুজো করা হবে। 

    এদিন অন্য দিনের মতোই মা তারাকে ভোরবেলা স্নান করানো হয়। এরপর দেবীকে অষ্টধাতুর মুখাভরন, মুণ্ডমালা, মুকুট, সোনার অলঙ্কার, ডাকের সাজ ও ফুল মালা দিয়ে শ্যামা রুপে সাজানো হয়। এরপর শুরু হয় আরতি। মা তারাকে প্রথমে শীতল ভোগ দেওয়া হয়। এদিন মাকে নিত্যভোগও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    এরপর মাকে রাত্রি বেলা দেবীকে সোনার অলঙ্কারে ও ডাকের সাজে শ্যামা রুপে সাজানো হয়। আজ গোটা রাত মন্দির খোলা থাকবে। কালীপুজোর দিন তারা মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয় ৷ ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্ব পোড়া শোলমাছ মাখা। দীপান্বিতা অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি৷ এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। মন্দিরের এক পুরোহিত বলেন, “তারাপীঠ হল তন্ত্রপীঠ। এটা সাধনপীঠ। কোনও ৫১ পীঠের সতীপীঠ নয়। তাই এখানে তন্ত্রমতে পুজো অর্চনা করা হবে। দেবীকে ভোরবেলায় পঞ্চামৃত দিয়ে তন্ত্রমতে স্নান করানো হয়েছে। এরপর আরতি করা হয়েছে। তারপর গর্ভগৃহ খুলে দেওয়া হয়েছে ভক্তদের জন্য। আজ এখানে বহু তান্ত্রিক আসবেন সাধনার জন্য।”

    এদিকে কালীপুজো উপলক্ষে ভক্ত সমাগম হয়েছে দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়ি, ঠনঠনিয়া কালী বাড়ি, কামাখ্যায়। ৫১ সতীপীঠের শেষ দুটি পীঠ রয়েছে বীরভূমে। একটি, বোলপুরের কঙ্কালীতলা, আরেকটি নলহাটি। দীপান্বিতা অমাবস্যায় এই দুই মন্দিরে মহা ধূমধামের সঙ্গে কালীপুজো হয়। তারাপিঠের পাশাপাশি কালীপুজোর বিশেষ আয়োজনে সেজে উঠেছে কঙ্কালীতলা।

    দক্ষিণেশ্বরে দেবী পূজিতা হন মা ভবতারিণী রূপে। ভোরে দেবী ভবতারিণীর বিশেষ আরতি পুজোর অন্যতম আকর্ষণ। ঘট স্নানের পর মায়ের পুরনো ঘটেই নতুন করে গঙ্গার জল ভরে প্রতিষ্ঠা করা হয় কালীপুজোর দিন। শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের দেখানো পথেই পুজো পান এখানে মা ভবতারিণী। ভোগও অতি সাধারণ। ভোগে নিবেদন করা হয় সাদাভাত, ঘি, পাঁচরকমের ভাজা, শুক্তো, তরকারি, পাঁচরকমের মাছের পদ, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টি। দক্ষিণেশ্বর কিছুটা দূরেই আদ্যাপীঠ মন্দিরে রয়েছে। সেখানেও কালীপুজোর রাতে আদ্যা মায়ের বিশেষ পুজো হয়। অন্যান্য দিনের মতো সন্ধ্যারতিও হয়। সেই সন্ধ্যারতি দেখতে অসংখ্য ভক্ত সমাগম করেন। 

    ৫১ সতীপীঠের অন্যতম পীঠ হল কালীঘাট। ভোগে দেওয়া হয়, বেগুনভাজা, পটলভাজা, কপি, আলু ও কাঁচকলা ভাজা, ঘিয়ের পোলাও, ঘি ডাল, শুক্তো, শাকভাজা, মাছের কালিয়া, পাঁঠার মাংস ও চালের পায়েস। তবে রাতে মাকে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয় কালীঘাটে। লুচি, বেগুনভাজা, আলু ভাজা, দুধ, ছানার সন্দেশ আর রাজভোগ থাকে কালীঘাটের ভোগে।

    উত্তর কলকাতার ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে সিদ্ধেশ্বরী কালী রূপে পূজিতা হন মা। কথিত আছে যে অতীতে ডাকাতদের আক্রমণ থেকে সতর্ক করার জন্য এই মন্দিরের ঘণ্টা বাজিয়ে ঠনঠন শব্দ করা হত। তাই নাম ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি। কালীপুজোর রাতে ভোগ দেওয়া হয়, লুচি, পটলভাজা, ধোঁকা বা আলুভাজা, আলুর দম ও মিষ্টি। 

    শ্যামাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বড়মা। মূর্তির উচ্চতা ২১ ফুট। মা এখানে দক্ষিণাকালী রূপে পূজিত হন। বড়মার পুজো উপলক্ষে সকাল থেকেই সাজো সাজো রব নৈহাটিতে। 

    জনপ্রিয়তার নিরিখে পিছিয়ে নেই কলকাতার লেক কালীবাড়িও। ভোররাত থেকেই সেখানে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • T20 World Cup: গাভাসকর নাচলেন, জড়িয়ে ধরলেন দ্রাবিড়! কোহলিয়ানায় ভাসলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা

    T20 World Cup: গাভাসকর নাচলেন, জড়িয়ে ধরলেন দ্রাবিড়! কোহলিয়ানায় ভাসলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেলালেন, তিনি মেলালেন। সমালোচক থেকে প্রশংসক, সকলেই আবেগে ভাসলেন তাঁর সাফল্যের ঢেউয়ে। মেলবোর্নের বাইশগজে টি-২০ বিশ্বকাপে (T-20 World Cup) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের নায়ক বিরাট Virat Kohli)। কোহলিয়ানায় মজেছে গোটা ক্রিকেট মহল। ভারতকে জেতানোর পর কোহলিকে মাঠেই জড়িয়ে ধরেন সতীর্থরা। তাঁকে কোলে তুলে নেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। এখানেই থামেনি বিরাট-উৎসব। কোহলি যখন মাঠ থেকে ফিরছিলেন এমসিজি’র ড্রেসিংরুমে, তখন তাঁকে টানেলে দেখে জড়িয়ে ধরেন কোচ রাহুল দ্রাবিড়। নায়কের পিঠ চাপড়ে দেন তিনি। দ্রাবিড় কখনওই সেভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন না। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধ ভারতের রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর আবেগ চেপে রাখতে পারেননি ‘দ্য ওয়াল’।

    তবে সেরা দৃশ্য ধরা পড়েছে টিভি’র ক্যামেরায়। যা দ্রুত ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। খেলা তখন শেষ পর্যায়ে। কমেন্ট্রি ছেড়ে বাউন্ডারির লাইনের ধারে ভিড় জমিয়েছেন ইরফান পাঠান, কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত, সুনীল গাভাসকররা। ক্রিজে তখন একের পর এক হুঙ্কার ছাড়ছেন বিরাট। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উন্মাদনার পারদ। পেন্ডুলামের মতো দুলছে ম্যাচের ভাগ্য। এমসিজি’র গ্যালারিতে হাজির ৯০ হাজার দর্শকের হাত-পা ঠান্ডা হওয়ার উপক্রম। নওয়াজের শেষ ডেলিভারিতে মিড অফ দিয়ে অশ্বিন পুল করতেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নেয় টিম ইন্ডিয়া। জয়ের আনন্দে আত্মহারা তখন সুনীল গাভাসকরও। দু’হাত ছুড়ে শিশুর মতো নাচতে শুরু করে দেন তিনি। সেই ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন ইরফান পাঠান। যা মন ছুঁয়ে গিয়েছে ক্রিকেট জনতার।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Irfan Pathan (@irfanpathan_official)

    আরও পড়ুন: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি 

    ধারাভাষ্যকার হিসেবে গত তিন বছরে বিরাট কোহলিকে নিয়ে অনেক তির্যক মন্তব্য করেছেন গাভাসকর। কঠিন সময়ে তিনি ভিকের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ক্রিকেট দুনিয়া জানেন, কোহলির সঙ্গে সানির সম্পর্ক অম্ল-মধুর। তাই কিংবদন্তির ডাকে সেদিন সাড়া দেননি কোহলি। তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধ মহারণে দেশকে জেতানোর পর এক ঝটকায় তাঁদের সম্পর্কের বরফ অনেকটাই যে গলবে, সেটা এই ভিডিও দেখার পর আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Darul Uloom Deoband: দারুল উলুম দেওবন্দ সহ উত্তর প্রদেশের ৩০৬টি মাদ্রাসার রেজিস্ট্রেশন নেই!

    Darul Uloom Deoband: দারুল উলুম দেওবন্দ সহ উত্তর প্রদেশের ৩০৬টি মাদ্রাসার রেজিস্ট্রেশন নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাহারানপুর জেলার ইসলামিক সেমিনারি দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) এবং ৩০৫টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তর প্রদেশ মাদ্রাসা (Madrasa) এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়। উত্তর প্রদেশ (UP) সরকারের সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, যেসব মাদ্রাসা মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়, তারা স্কলারশিপ, শিক্ষকদের বেতন সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার ভরতলাল গৌর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সাহারানপুরে সব মিলিয়ে ৭৫৪টি নথিভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে।

    সাহারানপুরে প্রচুর মাদ্রাসা রয়েছে। এগুলির মধ্যে মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড স্বীকৃত মাদ্রাসা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্বীকৃত নয় এমন মাদ্রাসাও। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার জানান, জেলায় এডুকেশন বোর্ড স্বীকৃত নয় এমন মাদ্রাসার সংখ্যা ৩০৬। জেলায় মাদ্রাসার প্রকৃত সংখ্যা কত, তা জানতে হয়েছিল সমীক্ষা। সেই সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য, জানান তিনি। সরকারি ওই আধিকারিক জানান, দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার জানান, সরকার ১২টি পয়েন্ট বেঁধে দিয়েছিল। সেই পয়েন্টগুলির ভিত্তিতেই চালানো হয়েছে সমীক্ষা।

    আরও পড়ুন: অবৈধ নির্মাণ না জঙ্গি-যোগ! অসমে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মাদ্রাসা

    দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সোসাইটি অ্যাক্টে দারুল উলুমের সুরা সোসাইটিতে নথিভুক্ত রয়েছে এই মাদ্রাসা। সংবিধানের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার বলে চলে এই মাদ্রাসা। তাঁরা জানান, দারুল উলুম দেওবন্দ শিক্ষামূলক কাজকর্ম করে আসছে। দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশকে সেবা করে আসছে। তা সত্ত্বেও এই মাদ্রাসা কোনও সরকারের কাছ থেকেই কোনওরকম সাহায্য কিংবা অনুদান নেয়নি। প্রসঙ্গত, সাহারানপুরের দেওবন্দের এই ইসলামিক প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছিল ১৮৬৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ইসলাম পণ্ডিত এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এঁদের প্রধান ছিলেন মহম্মদ কাসেম নানুতুবি। এখান থেকেই দেওবন্দি আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Modi in Kargil: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি

    Modi in Kargil: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর (Modi in Kargil) পদে বসার পর থেকে চলে আসছে এই প্রথা। কখনও বদল হয়নি এই নিয়মের। দীপাবলির এই বিশেষ তিনি উজ্জাপন করেন দেশের অতন্দ্র প্রহরীদের সঙ্গে, যাদের জন্যে আমরা প্রতিটা উৎসবে নিশ্চিন্তে মেতে যেতে পারি। আর সেই ধারাকে অব্যহত রাখতে, এবছরও সেনা জওয়ানদের সঙ্গে আলোর উৎসব পালন করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পৌঁছে গিয়েছেন কার্গিলে। 

    আজ সকালেই ট্যুইটারে দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান নরেন্দ্র মোদী। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “সকলকে দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আলোর সঙ্গে জড়িয়ে দিওয়ালি। এই শুভ উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ ও মঙ্গলের চেতনাকে আরও বাড়িয়ে তুলুক। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে দিওয়াবলি কাটান, এই কামনা করি।” অন্য একটি ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে জানানো হয়, “প্রধানমন্ত্রী কার্গিল পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি আমাদের বীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন।” 

     

     

    গতকাল অযোধ্যায় পোৎসবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অস্থায়ী রামমন্দিরে মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করেন তিনি। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য্য সত্যেন্দ্র দাস তাঁর কপালে সিঁদুরের টিকা দিয়ে দেন। মন্দিরের দান বাক্সে প্রণামীও দেন তিনি।  

    বিগত আটবছর ধরেই দীপাবলির দিনটি দেশের বিভিন্ন সীমান্তের প্রহরীদের সঙ্গে কাটিয়ে আসছেন মোদি। ২০১৪ সালে গিয়েছিলেন সিয়াচেনে। এরপর ২০১৫ সালে পাঞ্জাবের সীমান্তে গিয়ে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের তিনটি সৌধে সম্মান জ্ঞাপন  করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালে হিমাচলের চিন সীমান্তে যান। সেখানে আইটিবিপি জওয়ানদের সঙ্গে দিওয়ালি উদযাপন করেন। এরপর ২০১৭ সালে উত্তর কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টরে গিয়েছিলেন মোদি। ২০১৮ সালে মোদী যান উত্তরাখণ্ডের হরসিল সীমান্তে। ২০১৯ সালে কাশ্মীরের রাজৌরি এবং ২০২০ সালে গিয়েছিলেন রাজস্থানের লঙ্গেওয়ালা সীমান্তে। গতবছর প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন কাশ্মীরের নৌশেরায়। এবারেও কাশ্মীর।   

LinkedIn
Share