Blog

  • PM Modi: ‘আমি প্রতিদিন ২-৩ কিলো গালি খাই, কিন্তু…’, তেলঙ্গানায় কাকে হুঁশিয়ারি দিলেন মোদি?

    PM Modi: ‘আমি প্রতিদিন ২-৩ কিলো গালি খাই, কিন্তু…’, তেলঙ্গানায় কাকে হুঁশিয়ারি দিলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি প্রতিদিন দু তিন কিলো করে গালি খাই। এটাই আমার শরীরে পুষ্টির কাজ করে। তেলঙ্গানার (Telangana) এক জনসভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর নাম না নিয়েও সরকারের প্রধান কাজ কী, তাও জানালেন মোদি। বললেন, রাজ্যের প্রয়োজন এমন এক সরকারের যাদের কাছে পরিবার নয়, রাজ্যই প্রথম গুরুত্ব পাবে।

    মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করেই…

    আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election) রয়েছে তেলঙ্গানায়। এদিনের সভায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করেই তাঁকে একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তাঁর বিরুদ্ধে এনেছেন দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ। সেই প্রসঙ্গেই আসে গালাগালির প্রসঙ্গও। মোদি বলেন, আমি ক্লান্ত হই না। কারণ প্রতিদিন ২-৩ কিলো গালি দেওয়া হয় আমাকে…ঈশ্বরের আশীর্বাদে সেটা আমার শরীরে গিয়ে পুষ্টির কাজ করে। এটাকে আমি সদর্থক দৃষ্টিতেই দেখি। তাঁকে গালি দিলেও, তাতে যে তাঁর কিছু এসে যায় না, এদিন তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তেলঙ্গানাবাসীকে যেন গালাগালি না দেওয়া হয়, সেই হুঁশিয়ারিও দেন মোদি। বলেন, মোদিকে গালাগালি দিন, বিজেপিকে গালাগালি দিন…কিন্তু তেলঙ্গানার মানুষকে গালাগালি দেবেন না। যদি দেন, তার জন্য চড়া মূল্য চোকাতে হবে।

    আরও পড়ুন: বালিতে গিয়ে সুনক, মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি, কেন জানেন?

    দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে মোদি (PM Modi) বলেন, আমি আপনাদের ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করছি। কিছু মানুষ বেপরোয়া হয়ে, ভয়ে এবং সন্দেহের বশে মোদিকে গালাগালি দেবেন। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, বিরোধীদের পাতা সেই ফাঁদে পা দেবেন না। তাঁকে যে দীর্ঘদিন ধরে গালাগালি শুনতে হচ্ছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, ২০-২২ বছরের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন রকমের গালাগালি আমাকে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, গালাগালির ডিক্সেনারি বানাতে গিয়ে দীর্ঘ সময় ব্যয় করেছেন তাঁরা। তাঁরা এটা করছেন, কারণ তাঁদের আর দেওয়ার কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের কাছে আবেদন করছি, গালাগালি দিলে হেসে উড়িয়ে দিন, রিলাক্স করুন, মনের সুখে চা খান। কারণ জেনে রাখুন, আগামী সকালে পদ্ম ফুটবেই।

    তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর কুসংস্কার নিয়েও কটাক্ষ করেন মোদি (PM Modi)। বলেন, তেলঙ্গানা হল দেশের তথ্য প্রযুক্তির কেন্দ্র। কিন্তু আধুনিক শহরে কুসংস্কারকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা দুঃখজনক। তিনি বলেন, তেলঙ্গানাকে যদি এগোতেই হয়, তাহলে আগে কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Fighter Plane Crash: এয়ার-শো চলাকালীন আমেরিকায় দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ! মৃত ৬

    Fighter Plane Crash: এয়ার-শো চলাকালীন আমেরিকায় দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ! মৃত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাঝ আকাশে দুর্ঘটনা। এয়ারশো চলাকালীন ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মুখোমুখি সংঘর্ষে টুকরো টুকরো হয়ে গেল দুটি যুদ্ধবিমান (Fighter Plane Crash)। ঘটনায় প্রায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার ডালাস শহরে। শনিবার, টেক্সাসের ডালাস এক্সিকিউটিভ এয়ারপোর্টে বোয়িং-১৭ এবং তার থেকে ছোট একটি বিমানের এয়ার শো চলাকালীন মাঝ আকাশে ধাক্কা লাগে। দুটি বিমান মিলিয়ে মোট ছয়জন ছিলেন এবং এই সংঘর্ষে প্রত্যেকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিমানগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার (Fighter Plane Crash)। শনিবার, ডালাস বিমানবন্দরে এয়ারশো চলাকালীন বোয়িং-১৭ যুদ্ধ বিমানটির সঙ্গে বেল পি ৬৩ কিংকোবরা (Bell P 63 Kingcobra) ধাক্কা লাগে। আর এর ফলে সঙ্গে সঙ্গে দু’টি বিমান মাঝ আকাশেই ভেঙে পড়ে, সেকেন্ডের মধ্যে তা মাটিতে এসে পড়ে ও আগুনও লেগে যায় বিমানগুলিতে। বেল পি-৬৩ টি বিমানটি বোয়িং-১৭-এর বাঁদিক থেকে এসে আঘাত করে ও দুটি সেই মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে।

    আরও পড়ুন: ওয়ালমার্ট ওড়ানোর হুমকি বিমান চালকের! আমেরিকায় ফিরল ৯/ ১১-র স্মৃতি

    এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার দৃশ্য ইতিমধ্যেই সোশ্যাল ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে (Fighter Plane Crash)। এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখলেই গা শিউরে উঠবে আপনারও!

    [tw]


    [/tw]

    ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড এবং এফএএ-র তরফে দুর্ঘটনা (Fighter Plane Crash) খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। একটি ট্যুইট বার্তায় ডালাসের মেয়র এরিক জনসন বলেছেন যে, “এখনও কিছু তথ্য রয়েছে যা “অজানা বা অনিশ্চিত”। আপনারা অনেকেই এখন দেখেছেন, একটি এয়ার শো চলাকালীন আমাদের শহরে আজ একটি ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ে এই দুর্ঘটনার পুরো বিবরণ জানা যায়নি ও নিশ্চিত করা হয়নি। ডালাস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ও দমকল বাহিনীর সহযোগিতায় ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড গোটা ঘটনার তদন্ত করছে।”

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার যুদ্ধবিমান

    উল্লেখ্য, বোয়িং-১৭ বোয়িং সংস্থার তৈরি, চার ইঞ্জিন যুক্ত একটি বোমারু বিমান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধে জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল এই বিমান। অন্যদিকে, যে বিমানটির সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে তার নাম বেল-পি ৬৩। এটি ফাইটার জেট। একই যুদ্ধের সময় বেল এয়ারক্রাফ্ট এটি তৈরি করেছিল। কিন্তু শুধুমাত্র সোভিয়েত বিমান বাহিনী এটি যুদ্ধে ব্যবহৃত করেছিল। এর পোশাকি নাম কিং কোবরা (Fighter Plane Crash)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue: জেনে নিন ‘ডেঙ্গি’- র অ আ ক খ…

    Dengue: জেনে নিন ‘ডেঙ্গি’- র অ আ ক খ…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি মশার (Dengue mosquito)আতঙ্কে ভুগছে সারা রাজ্য। ডেঙ্গি রোগের বাহক মশার নাম এডিস ইজিপ্টাই (Dengue mosquito) । বলা হয়ে থাকে এডিস মশার (Dengue Mosquito) প্রথম উৎপত্তি স্থান ছিল আফ্রিকায়। বর্ষাকাল এবং অতিরিক্ত আর্দ্র পরিবেশে এডিস মশার(Dengue Mosquito) দ্রুত বংশ বিস্তার হয়।  একসময় আফ্রিকা থেকে জাহাজের মাধ্যমে সমুদ্রপথে আমেরিকা এবং এশিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এই মশা। 

    কীভাবে চিনবেন এডিস মশা (Dengue mosquito)? 

    এডিস ইজিপ্টাই (Dengue mosquito) মশা খালি চোখে দেখে শনাক্ত করা সম্ভব। কিভাবে শনাক্ত করবেন আসুন জানা যাক।

    ১) ডেঙ্গি রোগ বহনকারী এই মশার (Dengue mosquito) দেহে সাদা কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে, তাই এটিকে অনেক সময়  টাইগার মশাও বলা হয়ে থাকে। খালি চোখে দেখলেই বুঝতে পারবেন।

    ২) এডিস মশা (Dengue mosquito) মাঝারি আকারের হয়ে থাকে। অর্থাৎ খুব বড়ো বা খুব ছোট হয়না। 

    ৩) এডিশ মশার (Dengue Mosquito) অ্যান্টেনা বা শুঙ্গটি কিছুটা লোমশ দেখতে হয়।

    ৪) এডিস মশার(Dengue mosquito) অ্যান্টেনায় অনেকটা দাড়ির মত থাকে। পুরুষ মশার অ্যান্টেনা স্ত্রী মশার চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি লোমশ দেখতে হয়।

    ৫) পুরনো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম বা ব্যারেল, অন্যান্য জলাধার, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনের ব্লক, ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, গাছের ফোকর ও বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, অঙ্কুরোদগম উদ্ভিদ, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা (Dengue Mosquito) জন্ম নেয়।

    এডিস মশা (Dengue Mosquito) কখন কামড়ায়?

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) দিনের বেলায় সব চেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে বলেই বিশেষজ্ঞ দের মত রয়েছে। বলা হয় যে সকাল ও বিকেলে ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কামড়ানোর সম্ভাবনা সব চেয়ে বেশি। গবেষণা অনুসারে, মশা দিনের বেলায় সব চেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে, সূর্যোদয়ের প্রায় ২ ঘন্টা পরে এবং সূর্যাস্তের কয়েক ঘন্টা আগে। যদিও, এডিস ইজিপ্টাই (Dengue Mosquito) মশা সূর্যাস্তের পরেও মানুষকে কামড়াতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এডিস মশা (Dengue Mosquito) একাধিক বার কামড়াতে পারে, যখন তাদের ডিম পাড়ার সময় হয়। ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) শরীরের বিভিন্ন অংশ, যেমন পায়ের গোড়ালি, কনুইয়ের চারপাশে কামড়ায়। ডেঙ্গি মশার(Dengue Mosquito) একটি কামড়ই একজন ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে পারে।

    আরও পড়ুন: আসামে নাবালিকা পরিচারিকা খুন মামলায় নয়া মোড়, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার জেলাশাসক

    ‘ডেঙ্গি’ শব্দটি এলো কোথা থেকে 

    আফ্রিকার সোয়াহিলি ভাষায় একটি  প্রবাদ আছে ‘কান্ডডিঙ্গা পেপো’। এখান থেকেই থেকে ‘ডেঙ্গি’ নামটি এসেছে বলে মনে করা হয়। এই শব্দের অর্থ- শয়তানের শক্তির কাছে আটকে যাওয়ার মতো ব্যথা। ডেঙ্গি হলে শরীরে ব্যাথা যন্ত্রণা হয় যে। কারও কারও ধারণা স্প্যানিশ ডেঙ্গি শব্দ থেকে এ রোগের নামকরণ করা হয়, যার অর্থ ‘হাড়ভাঙা জ্বর’। ‘দুষ্ট আত্মার সংস্পর্শে এলে মানুষের হাড়গোড় ভাঙার ব্যাথার যন্ত্রণা সমেত জ্বর হয়। অনেকের ধারণা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের গোলাম বা দাসরা এ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অনেকটা এঁকে বেঁকে হাঁটতো, তখন তাদের হাঁটার ভঙ্গিমা ডান্ডি নৌকার মতো হতো বলে, এই জ্বরকে বলা হতো ‘ডান্ডি ফিভার’, সেখান থেকে ডেঙ্গি নাম। 

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কামড়ের লক্ষণ 

    সাধারণ ডেঙ্গি মশা কামড় দিলে (Dengue Mosquito)  চোখে পড়ে মূলত নিম্নলিখিত এই লক্ষণগুলি-

    ১.  তীব্র জ্বর এবং এই জ্বর সাধারণত দুই থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়।
    ২. মাথায় তীব্র যন্ত্রণা
    ৩. চোখের পেছনের অংশে যন্ত্রণা।
    ৪. জ্বরের পাশাপাশি সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
    ৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা সঙ্গে কোমরে ব্যথা।
    ৬. গা বমি দেওয়া।
    ৭. ত্বকে র‌্যাশ কিংবা লাল লাল দানা  দেখা দেয়া।

    রক্তপাতসহ ডেঙ্গিজ্বরের ক্ষেত্রে :

    ১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ কিংবা বমির সঙ্গে রক্তপাত।
    ২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে কিংবা পেটে জল জমে যাওয়া।

    ডেঙ্গি প্রতিরোধে করণীয়:

    একথা মনে রাখতে হবে যে ডেঙ্গি ভাইরাসের কোন স্বীকৃত টিকা বা ভ্যাকসিন নেই। সুতরাং জীবাণুবাহী ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণ করা এবং তার কামড় থেকে নিজে সুরক্ষিত রাখতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণ করতে কয়েকটি কর্মসূচীর সুপারিশ করেছে: (১) ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণে প্রচার, সামাজিক সক্রিয়তা, এবং জনস্বাস্থ্য সংগঠন গুলিকে শক্তিশালী করতে আইন প্রণয়ন করতে হবে প্রতিটি দেশকে। (২) স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিটি বেসরকারি সংস্থার সাথে সরকার কে সমন্বয় রেখে চলতে হবে। (৩) প্রতিটি দেশের সম্পদের সর্বাধিক ব্যবহার করতে হবে ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণের জন্য। (৪) ডেঙ্গি প্রাদুর্ভাব এর সময় সরকার কে প্রমাণ ভিত্তিক সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কে নিয়ন্ত্রণ করার প্রাথমিক পদ্ধতি হ’ল এর বৃদ্ধির পরিবেশকে ধ্বংস করে ফেলা। জল জমার জায়গা খালি করে অথবা কীটনাশক প্রয়োগ করে অথবা এইসব জায়গায় বায়োলজিক্যাল কন্ট্রোল এজেন্টপ্রয়োগ করে, ডেঙ্গি মশাকে (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মানব স্বাস্থ্যের উপর কীটনাশকের কুপ্রভাব ব্যাপক। তাই এই কথাকে মাথায় রেখে পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি তে  জমা জল কম করাটাই ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে ভাল উপায়। বিশ্রামের সময় মশারি ব্যবহার  করে ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) কামড় এড়ানো যেতে পারে।

    আমরা কী কী করতে পারিে? 

    ১. বাড়ির আশপাশ যতটা সম্ভব পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করতে হবে।

    ২.  ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে এবং জল জমার পাত্র থেকে দ্রুত জল বের করতে হবে।

    ৩. ডেঙ্গু মশা (Dengue Mosquito) নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত তিন বার স্প্রে বা ফগিং করতে হবে‌।

    ৪. পাড়ার আশপাশে কোথাও জল জমে থাকলে, সকলে মিলে পরিষ্কার করতে হবে‌।

    ৫. রাত্রি বা দিনে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে।

    ৬. বৃষ্টির জল দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে কোথাও জমতে দেওয়া যাবেনা । কারণ , এডিস মশা (Dengue Mosquito) এই জায়গাতেই ডিম পাড়ে।

    ৭. ডেঙ্গু মশার(Dengue Mosquito) প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির পাশাপাশি ম্যাট ব্যবহার করতে হবে।

    ৮. এডিস মশা(Dengue Mosquito) যেহেতু দিনের বেলাতে কামড়ায় তাই , দিনের বেলায় সাবধানতা বেশী অবলম্বন করতে হবে।

    কী কী সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে?

    মশা তাহলে আমাদের জন্য শুধু বিরক্তির কারণই নয় বরং ক্ষুদ্র এই পতঙ্গ থেকে যেকোনো মানুষের জীবন নাশের ঝুঁকিও থাকছে। এটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। তাই সাবধানতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মশা, মশাবাহিত রোগ, মশার দমনে এখন আর উদাসীন থাকলে চলবে না। যেভাবে ডেঙ্গি বাড়ছে। মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ডেঙ্গি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়না। ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) কামড় খেয়ে হাসপাতাল যাওয়ার থেকে ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) থেকে সাবধানতা অবলম্বন করাটা বেশি জরুরী। ডেঙ্গি প্রতিকারের চেয়ে মশার প্রতিরোধই হবে যুক্তিযুক্ত। মশা নিয়ন্ত্রণ সফল করতে পারলে নিশ্চিত ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা কমবে এবং ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। তাই এ বছর ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মশা দমনে আমাদেরকে বেশী মনোযোগী হতে হবে। আর এ জন্যে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতার বিকল্প নাই।

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কিন্তু আমাদের ঘরের ভেতরেও বংশবৃদ্ধি করতে পারে যেমন- আমাদের  ঘরের ভিতরে ফুলদানি, রান্নাঘরে বা বাথরুমে জমে থাকাজল, কলসি বা বালতিতে রেখে দেওয়া পানি প্রভৃতিতে। তাই ঘরের ভিতরের এসব স্থানগুলো আমাদেরকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে যাতে মশারা বংশবৃদ্ধি করতে না পারে। বাড়ির মহিলারা এ কাজে বেশি সচেতন হতে পারেন। ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়াতে মশা সর্ম্পকে আমাদেরকে কিছু সাধারণ জ্ঞান রাখতে হবে যেমন- কোন প্রজাতির মশা আমাদের জন্য ক্ষতিকর বা কোন মশা কখন কামড়ায়, মশাদের জীবনচক্র কেমন, কোথায় কিভাবে বংশবৃদ্ধি করে ইত্যাদি। মশা সম্পর্কে ধারণা থাকলে মশা দমন কিছুটা সহজ হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • FIFA World Cup: বিশ্ব ফুটবল যুদ্ধে দল ঘোষণা আর্জেন্টিনা, স্পেন, পর্তুগালের

    FIFA World Cup: বিশ্ব ফুটবল যুদ্ধে দল ঘোষণা আর্জেন্টিনা, স্পেন, পর্তুগালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিশ্বকাপের (FIFA world cup) জন্য দল (team) ঘোষণা করে দিল আর্জেন্টিনা (Argentina)। শুধু মেসির দেশ নয় পর্তুগাল ও স্পেন কাতার বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল শুক্রবার।
    প্রত্যাশিত খেলোয়াড়দের দিয়েই এবারের বিশ্বকাপের দল সাজালেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। আগেই দল ঘোষণা করেছিল ব্রাজিল, জার্মানি, ইংল্যান্ড। শুক্রবার ২৬ জনের স্কোয়াড জানিয়ে দিলেন স্কালোনি। দলে তেমন কোনও চমক নেই। কোপা আমেরিকা জয়ী সদস্যদের ওপরে তিনি ভরসা রেখেছেন। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল আনফিট পাওলো ডিবালা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে জায়গা পান কিনা! যাবতীয় আশঙ্কা উড়িয়ে কাতারের মাটিতে মেসির পাশে কাপ যুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে দেখা যাবে ডিবালাকে। তার ওপর ভরসা রেখেছেন কোচ স্কালোনি।

    ফেভারিট আর্জেন্টিনা

    এবারে ফুটবল বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট আর্জেন্টিনা। মনে করা হচ্ছে এটাই মেসির শেষ বিশ্বকাপ। বিশ্ব ফুটবলের মহা তারকার বাড়ির ক্যাবিনেটে প্রায় সব ট্রফি মজুত রয়েছে। নেই শুধু ফিফার ট্রফি। তাই অধরা মাধুরী ছোঁয়ার জন্য মরিয়া মেসি। আর্জেন্টিনার কোচ ও কয়েকজন সাপোর্ট স্টাফ ইতিমধ্যেই কাতারে পৌঁছে গিয়েছেন। মূলত পরিবেশ ও পরিস্থিতি যাচাই করতে তাদের আগেভাগে মরুভূমির দেশে পৌঁছে যাওয়া বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যে আর্জেন্টিনা দলের সদস্যরাও কাতারে পৌঁছবেন।

    গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ফ্রাঙ্কো আর্মানি, জেরোনিমো রুলি

    ডিফেন্ডার : নহেল মোলিনা, গঞ্জালো মন্তিয়েল, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, জেরমান পেজেলা, নিকোলাস ওটামেন্ডি, লিজান্দ্রো মার্তিনেজ, মার্কোস আকুনা, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, হুয়ান ফয়েত

    মিডফিল্ডার: রড্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্তার, গুইদো রদ্রিগেজ, আলেজান্দ্রো পাপু গোমেজ, এনজো ফার্নান্ডেজ, এজেকুয়েল পালাসিও

    ফরোয়ার্ড : অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, লাওতারো মার্তিনেজ, জুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেজ, জোয়াকিন করেয়া, পাওলো ডিবালা, লিওনেল মেসি

    আরও পড়ুন: ভারতীয় দলকে চোকার্স তকমা! জানেন কী বললেন কপিল দেব?

    স্পেনের দল

    দল ঘোষণা করেছে স্পেনও। স্প্যানিশ কোচ লুইস এনরিকেও বিশ্বকাপের জন্য ২৬ জন সদস্যের নাম জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি তারুণ্যের উপর জোড় দিয়েছেন।

    গোলরক্ষক: রবার্ত স্যাঞ্চেস, ডেভিড রায়া, উনাই সিমন।

    ডিফেন্ডার: সেজার আথপিলিকুয়েতা, দানি কার্বাখাল, এরিক গার্সিয়া, হুগো গুইয়ামন, পাউ তোরেস, আয়মেরিক লাপোর্তে, জর্ডি আলবা, হোসে গায়া।

    মিড ফিল্ডার: কার্লোস সোলার, মার্কোস লোরেন্তে, রদ্রি, গাভি, সের্খিয়ো বুস্কেৎস, পেদ্রি, কোকে।

    ফরওয়ার্ড: ইয়েরেমি পিনো, আলভারো মোরাতা, মার্কো আসেনসিয়ো, পাবলো সারাবিয়া, দানি অলমো, আনসু ফাতি, নিকো উইলিয়ামসন, ফেরেন তোরেস।

    টিম পর্তুগাল

    কাতারের মাঠে নিজের পাঁচ নম্বর বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন ৩৭ বছরের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলেন রোনাল্ডো। তারপর কেটে গেছে ১৬ বছর। পেরিয়ে গেছে তিনটি বিশ্বকাপ। তবু বিশ্বকাপের সোনার ট্রফি জেতা হয়নি তাঁর। অনেকের মতে এটাই হয়ত তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে। তাই এবার ট্রফি চাই রোনাল্ডোর।

    গোলরক্ষক: রুই প্যাট্রিসিওই, ডিওগো কোস্টা, জোসে সা

    ডিফেন্ডার: পেপে, রুবেন ডিয়াজ, জ্যাও কানস্যালো, নুনো মেন্ডেজ, ডিওগো ড্যালট, অ্যান্টোনীয় সিলভা, রাফ্যাল গুরেরো।

    মিড ফিল্ডার: ভিটিনহা, বার্নান্ডো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, রুবেন নেভারস, ড্যানিলো পেরেইরা, পালহিনহা, জ্যাও মারিও, ওটাভিও, ম্যাথিউ নুনেজ, উইলিয়াম

    ফরওয়ার্ড: জ্যাও ফেলিক্স, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, রাফ্যাল লিও, আন্দ্রে সিলভা, গোনক্যালো রামোজ, রিকার্ডো হোর্তা

     

  • Indian Railways: এবার ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে অরুণাচলের চিন সীমান্তে, কবে থেকে জানেন?

    Indian Railways: এবার ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে অরুণাচলের চিন সীমান্তে, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেড়াতে ভালবাসেন? ট্রেনে চড়ে যেতে চান অরুণাচল প্রদেশে চিনের সীমান্ত পর্যন্ত? কিংবা প্রতিবেশী দেশ ভুটানে (Bhutan)? তাহলে অপেক্ষা করুন। ভারতীয় রেলের (Indian Railways) উদ্যোগে আর কিছুদিন পরেই পূরণ হয়ে যাবে এই সব স্বপ্ন। আজ্ঞে, হ্যাঁ। ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রক উত্তর পূর্ব ভারতে (India) রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, ট্রেন ছুটবে অরুণাচল প্রদেশের চিন সীমান্ত পর্যন্ত। রেললাইন পাতা হবে ভুটান পর্যন্তও। রেল ব্যবস্থা চালু হলে ট্রেনে করেই যাওয়া যাবে তাওয়াং। 

    ভারত চিন সীমান্তে রয়েছে…

    ভারত চিন সীমান্তে রয়েছে তাওয়াং। এলাকার সৌন্দর্য অপার। নীল দিগন্তে শুধুই সবুজের মেলা। তারই মাঝে রয়েছে বৌদ্ধ মনাস্ট্রি। ভারতীয় রেল (Indian railways) সূত্রে খবর, অরুণাচল প্রদেশের ভালুকপং থেকে তাওয়াং পর্যন্ত রেললাইন পাতা হবে। অন্য একটি লাইন চলে যাবে শিলাপাথা থেকে বেম হয়ে অ্যালং পর্যন্ত। এই দুই লাইনের কাজ শেষ হয়ে গেলেই অত্যন্ত কম সময়ে পৌঁছে যাওয়া যাবে ভারত চিন সীমান্তে। রেলমন্ত্রকের মতে, এই যে লাইন পাতা হচ্ছে, এর একটা স্ট্র্যাটেজিক গুরুত্ব রয়েছে।

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানান, অরুণাচল প্রদেশ সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে কয়েকটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ভালুকপং থেকে তাওয়াং পর্যন্ত রেললাইন পাতা ছাড়াও মুরকঙ্গসেলেক থেকে পাশিঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারিত করা হবে। লঙ্কা থেকে আসামের চন্দ্রনাথপুর পর্যন্ত দ্বিতীয় রেললাইনটি পাতা হবে। ডিমা হাসাও এলাকার পাহাড়ি এলাকা এড়িয়ে এই লাইন পাতা হবে।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, ভুটানের সঙ্গেও রেলপথ যোগাযোগ থাকবে। সেই কাজও চলছে। আসামের কোকরাঝাড় থেকে ভুটানের গেলেফু পর্যন্ত যাবে নয়া এই রেললাইন। এই রেলপথের মোট দূরত্ব ৫৮ কিলোমিটার। তিনি জানান, বৈদ্যুতিকরণ সহ নানা কাজ চলছে। সব মিলিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে রেলের ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সব্যসাচী বলেন, রাজধানী সংযোগ প্রকল্পের কাজ চলছে পুরোদমে। আমরা মিজোরাম ও মণিপুরকে রেলের সুতোয় বাঁধব। আগামী এক বছরের মধ্যেই আমরা নাগাল্যান্ড ও সিকিমকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলত পারব।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Congress: পাখির চোখ ২০২৪, সোমবার বৈঠকে বসছে কংগ্রেস টাস্কফোর্স!

    Congress: পাখির চোখ ২০২৪, সোমবার বৈঠকে বসছে কংগ্রেস টাস্কফোর্স!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ মহারণ। দেশজুড়ে সাধারণ নির্বাচন। বিজেপিকে (BJP) দিল্লির মসনদ থেকে সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে কংগ্রেস (Congress)। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে কংগ্রেস টাস্কফোর্স (Task Force) গঠন করেছে। দীর্ঘ ২৪ বছর পর কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছেন গান্ধী পরিবারের বাইরের একজন। তিনি মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)।

    খাড়গে গান্ধী পরিবারের বাইরের…

    খাড়গে গান্ধী পরিবারের বাইরের হলে কী হবে, গান্ধী পরিবারের একান্ত অনুগত তিনি। এই টাস্কফোর্সের প্রথম বৈঠক বসতে চলেছে সোমবার। খাড়গে নয়া কংগ্রেস (Congress) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই টাস্কফোর্সের প্রথম সভা। এই বৈঠকে নির্বাচন স্ট্র্যাটেজি গ্রুপের সদস্যরা নয়া প্রেসিডেন্টকে টাস্কফোর্সের কাজ এবং ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে জিততে কী পরিকল্পনা করা হয়েছে, সে সম্পর্কে অবহিত করবেন।

    এই যে টাস্কফোর্স গঠিত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের (Congress) হেভিওয়েট কয়েকজন নেতা। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, পি চিদম্বরম, মুকুল ওয়াসনিক, জয়রাম রমেশ, কেসি বেণুগোপাল, অজয় মাকেন, রণদীপ সুরজেওয়ালা, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং সুনীল কানুগোলু। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হয়েছিলেন শশী থারুর। গান্ধী পরিবারের অনুগত মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে পরাস্ত হন তিনি। সেই শশী থারুর এই টাস্কফোর্সে নেই বলেই অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর।

    এপ্রিল মাসে রাজস্থানের উদয়পুরে বসেছিল কংগ্রেসের (Congress) চিন্তন শিবির। সেখানে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও আলোচনা হয়। সেখানেই বলা হয়েছিল অ্যাকশন গ্রুপের ক্ষমতায়ণের কথা। কংগ্রেস সূত্রে খবর, সেটা নিয়েও আলোচনা হতে পারে সোমবারের বৈঠকে। প্রসঙ্গত, এই যে টাস্কফোর্সের বৈঠক হতে চলেছে, তা গঠন করেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। তিনি এই কমিটি গঠন করেছিলেন আট সদস্যের একটি কমিটির দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে।

    আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

    ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই নির্বাচনে দিল্লির মসনদ ফের দখল করবে বিজেপি। কারণ গত দশ বছরে দেশে যে উন্নয়নের জোয়ার এসেছে, তা এসেছে বিজেপির হাত ধরেই। তাই বিজেপি তো বটেই, রাজনৈতিক মহলের মতেও, দিল্লির কুর্সিতে ফের আসছে পদ্ম। যদিও বিজেপিকে বিনা যুদ্ধে সূচ্যগ্র মেদিনী ছাড়তে রাজি নয় কংগ্রেস (Congress)। সেই কারণেই গঠিত হয়েছে টাস্কফোর্স। তবে সে ফোর্সের শক্তি কতটা, তা বলবে সময়।

     

       দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nitin Gadkari: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্যে ১.৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রের

    Nitin Gadkari: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্যে ১.৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্যে ১.৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করলে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। এই মুহূর্তে তিন দিনের আসাম সফরে রয়েছেন তিনি। আর গুয়াহাটি থেকেই শুক্রবার করেন এই ঘোষণা। এছাড়াও এদিন এই রাজ্যগুলিতে আগে ঘোষণা করা ৩ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলেও এদিন বলেন তিনি।

    কোন রাজ্যে কত বরাদ্দ?  

    সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, আসামে নতুন প্রকল্পের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে ৪৬,২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১,০২০ কিমি রাস্তা এবং ব্রিজ, ৫টি রোপওয়ে, ১০টি ওভারব্রিজের কাজ হবে। ইতিমধ্যেই ৫,৮৯০ কোটি টাকা খরচ করে ১,১১৩ কিমি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। এছাড়াও জানান, ৬৩২ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ চলছে।

    এছাড়া নিতিন গড়করি ত্রিপুরার জন্য নতুন ৭টি প্রকল্পের অনুমোদনের কথা ঘোষণা করেন ৷  এই জন্য রাজ্যকে ১৩,৩৫৩ কোটি টাকা অনুমোদনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। অনুমোদিত নতুন সাতটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে –  চুরাইবাড়ি-আগরতলা এন‌এইচ-০৮ (১৭১ কিমি) চার লেন (৩,২৩৩ কোটি টাকা), আগরতলা বাইপাসের পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলীয় অংশ (৩৫ কিমি) (৩,১৬১ কোটি টাকা), খোয়াই-  তেলিয়ামুড়া-অমরপুর-হরিনা এনএইচ ২০৮ (২,৪২১ কোটি টাকা), উদয়পুর-শ্রীমন্তপুর সড়কের চার লেনিং (৩৪ কিমি) (৪৮০ কোটি টাকা)৷ চারটি রোপওয়ে প্রকল্প (মহারানি- ছবিমুড়া, উদয়পুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির, জম্পুই  হিলস, কমলপুরের সুরমাছড়া) (৬৯২ কোটি টাকা), তিনটি রেলওয়ে ওভারহেড ব্রিজ (৩৫ কোটি টাকা) এবং শহরাঞ্চলে সিমেন্ট কংক্রিট রাস্তা নির্মানে (২০০ কোটি টাকা)।

    আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহেই পারদ পতন! শীতের প্রবেশ রাজ্যে

    ত্রিপুরা রাজ্যে জাতীয় সড়কে কাজের অগ্ৰগতি নিয়ে পর্যালোচনা সভায় কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী ন্যাশনাল হাইওয়ে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল)- কে রাজ্যে চলমান ২৮০ কিলোমিটার জাতীয় সড়কের কাজগুলি ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেন।  এক‌ই সঙ্গে তিনি রাজ্য সরকারকে প্রকল্পের অগ্রগতির স্বার্থে জমি অধিগ্রহণ, বনভূমির ছাড়পত্র, বিদ্যুৎ, জলের লাইনের স্থানান্তর ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    এছাড়াও মেঘালয়ের জন্যে ১২,৫৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প, নাগাল্যান্ডের জন্যে ৪,৯২১ কোটি টাকার প্রকল্প, অরুণাচল প্রদেশের জন্যে ৪৫,৮৩৯ কোটি টাকার প্রকল্প, মণিপুরের জন্যে ১৬,৬৩৯ কোটি টাকার প্রকল্প, মিজোরামের জন্যে ৮,৬১৪ কোটি টাকার প্রকল্প এবং সিকিমের জন্যে ৫,০৭০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • TET: ২০১৪ টেটের মেধা তালিকায় বিভ্রান্তি, কী সাফাই দিলেন পর্ষদ সভাপতি, জানেন?

    TET: ২০১৪ টেটের মেধা তালিকায় বিভ্রান্তি, কী সাফাই দিলেন পর্ষদ সভাপতি, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালের টেট (TET) প্রার্থীদের মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল আগেই। এবার প্রকাশিত হল ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের মেধা তালিকা। মেধা তালিকা প্রকাশ করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ওই তালিকায় টেট উত্তীর্ণদের নাম এবং প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে প্রাথমিকের সংরক্ষিত বিভাগে ৮২ নম্বর প্রাপ্তদের তালিকাও প্রকাশ করেছে পর্ষদ। যদিও ওই তালিকা নিয়ে দেখা দিয়েছে সমস্যা। ওই তালিকার (Merit List) বেশ কয়েকজন প্রার্থীর নামের জায়গা ফাঁকা রয়েছে। সংরক্ষিত তালিকায়ও একজনের নাম নেই। জানা গিয়েছে, এক লক্ষ ২৪ হাজার ৯৫২ জনের তালিকায় বহু পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ও প্রাপ্ত নম্বরের উল্লেখ থাকলেও, নাম নেই। এর পরেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি এই অসম্পূর্ণতার নেপথ্যেও কোনও রহস্য রয়েছে?

    পর্ষদ সভাপতি বলেন…

    এ ব্যাপারে সাফাই গেয়েছেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। তিনি বলেন, আমাদের হাতে এখনও সব তথ্য আসেনি। তবে সব তথ্য হাতে পেলেই ঠিক করে দেওয়া হবে। শুক্রবার বিকেলে ২০১৪ সালের টেটের (TET) মেধা তালিকা প্রকাশ করেন গৌতম পাল। ওই সময় তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশের পরেই আমরা এই তালিকা প্রকাশ করতে উদ্যোগী হই। তিনি বলেন, এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

    এ প্রসঙ্গে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, যেগুলো নেই, দু একদিনের মধ্যে আমরা তা ক্ল্যারিফাই করে দেব। অনেক ক্ষেত্রে রোল নম্বর রয়েছে। তিনি বলেন, রোল নম্বর তো ইউনিক আইডি। একই নামে একাধিক ব্যক্তি থাকেন। এক লক্ষ ২৫ হাজার কিন্তু অনেকটা। এটা মহামান্য আদালতের নির্দেশ ছিল। আমরা তাকে মান্যতা দিয়ে প্রকাশ করেছি। পর্ষদ সভাপতি বলেন, এটা কিন্তু খুব একটা সরল কাজ নয়। যদি দু একটি ক্ষেত্রে ত্রুটি থাকে, সেটা আমরা সংশোধন করে নেব।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানেও ছিলেন টেট-চাকরিপ্রার্থীকে কামড় দেওয়া পুলিশকর্মী! কী বললেন শুভেন্দু?

    এদিকে, টেটের (TET) ওএমআর শিট পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গৌতম বলেন, এটা ভুল ধারণা। কোথাও কি পর্ষদ বলেছে ওএমআর শিট পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে? ওএমআর শিট রিসাইক্লিং হয়। তিনি বলেন, আমাদের ওএমআর শিট রিসাইক্লিং হয়েছে, পোড়ানো হয়নি। তাঁর দাবি, প্রার্থীদের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে ডিজিটাল ফর্মেটে। প্রত্যেকের ডেটা আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue in West Bengal: পুর কর্মীর অভাবেই বাড়ছে ডেঙ্গি, জানাল স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট

    Dengue in West Bengal: পুর কর্মীর অভাবেই বাড়ছে ডেঙ্গি, জানাল স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue In West Bengal) সংক্রমণ উর্ধ্বমুখী। আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। আর ডেঙ্গি সংক্রমণের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে কলকাতা। শহরে লাগামহীন এই সংক্রমণের জন্য দায়ী নজরদারির অভাব। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে এমনি উল্লেখ করা হয়েছে। 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে কী জানা গিয়েছে?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার নজরদারি কর্মীর অভাব রয়েছে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় (Dengue In West Bengal) ওয়ার্ড ভিত্তিক কর্মী নিয়োগ হয়নি। আর তার জেরেই বিপত্তি। সম্প্রতি স্বাস্থ্য দফতরের একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতার সব ওয়ার্ডে জনসংখ্যা এক নয়। কিন্তু ডেঙ্গি মোকাবিলায় কর্মী সংখ্যা এক। অর্থাৎ, যেখানে নজরদারি বেশি প্রয়োজন, সেখানে পর্যাপ্ত কর্মীর অভাব রয়েছে। আর তার জেরেই বাড়ছে বিপদ। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর কলকাতার তুলনায় দক্ষিণ কলকাতার ওয়ার্ডগুলোতে জনসংখ্যা বেশি। কিন্তু সেখানে অতিরিক্ত পুর কর্মী নেই। যেমন কোনও ওয়ার্ডে বাসিন্দা সংখ্যা ১০ হাজার, আবার কোথাও বাসিন্দা ২৫ হাজার। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ১০ হাজার মানুষের নজরদারির জন্য যত সংখ্যক পুর কর্মী নিযুক্ত হয়েছেন, ২৫ হাজারেও সংখ্যাটা এক। ফলে, কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না। 

    সূত্রের খবর, রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী পুরসভার এই ঢিলেঢালা মনোভাবে অত্যন্ত বিরক্ত। তিনি বৈঠকে জানিয়েছেন, একাধিকবার ঠিক করা হয়েছে, দিনে দু’বার পুর কর্মীরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নজরদারি করবেন। জল জমা থেকে জ্বরের খবর, সবটাই পুরসভার কাছে থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকতেই রোগ মোকাবিলা সহজ। কিন্তু বাস্তবে কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় এই নজরদারি হয়নি (Dengue In West Bengal)। একটি বাড়িতে দু’বেলা যাওয়া তো দূর অস্ত। অনেক ওয়ার্ডে প্রত্যেক বাড়িতে দিনে একবার ও পুর কর্মী যাননি, এমন ঘটনাও ঘটেছে। ফলে, নজরদারির গাফিলতি স্পষ্ট। 

    জুলাই মাস থেকেই ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ছিল (Dengue In West Bengal)। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুরসভাকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। এলাকা পরিষ্কার, জ্বর হলে দ্রুত রিপোর্ট পাওয়া, কোনও ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর পেলে, সেখানে বিশেষ সক্রিয় থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজ ঠিকমতো হয়নি। আর তার জেরেই কলকাতায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়ানক আকার নিয়েছে। দিনে দু’হাজারের কাছাকাছি মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৭০ জনের বেশি ডেঙ্গিতে মারা গিয়েছেন। যদিও স্বাস্থ্য দফতরের এই রিপোর্ট প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভা জানিয়েছে, কর্মীরা সক্রিয় আছেন। এলাকা পরিদর্শনের কাজ চলছে। যেখানে বাড়তি কর্মী প্রয়োজন, সেখানে অন্য জায়গা থেকে কর্মী পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টাও হচ্ছে। 

    তবে পুরসভার এই যুক্তিতে খুশি নয় স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, পুরসভাকে পাঠানো রিপোর্টে স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, নজরদারির জন্য আলাদা কর্মী নিয়োগ না করলে ডেঙ্গি মোকাবিলা করা যাবে না। পরিস্থিতির ও উন্নতি হবে না (Dengue In West Bengal)। 

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, নজরদারিতে গাফিলতি অবশ্য শুধু কলকাতা নয়, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, হাওড়া, হুগলি সহ একাধিক জায়গার পুরসভাতেই রয়েছে। বিশেষত দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ওয়ার্ড ভিত্তিক নজরদারির বিশেষ অভাব রয়েছে। ফলে, সেখানে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে গিয়েছে (Dengue In West Bengal)। 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বছরের অর্ধেক সময় প্রশাসন, ডেঙ্গি হয়েছে, এটা মানতেই চায় না। আর তাতেই সমস্যা বাড়ে। পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন প্রশাসনের হুঁশ ফেরে। প্রত্যেক বছর ডেঙ্গিতে কয়েক’শ মানুষ মারা যাচ্ছেন (Dengue In West Bengal)। তারপরেও কেন রাজ্য সরকারের পরিকল্পনায় গাফিলতি থাকছে? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে পুর দফতর কোথাও পাওয়া যায়নি।

  • SC on Lottery Tax: লটারির ওপর প্রাক জিএসটি যুগের কর চাপাতে পারবে না কোনও রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    SC on Lottery Tax: লটারির ওপর প্রাক জিএসটি যুগের কর চাপাতে পারবে না কোনও রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্য রাজ্যের লটারির ওপর প্রাক জিএসটি (GST) যুগের কর চাপাতে পারবে না কোনও রাজ্য (State)। এ মর্মে দায়ের হওয়া একটি রিভিউ পিটিশন (Review Petition) খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে দেশের শীর্ষ আদালত (SC on Lottery Tax) কেরল এবং কর্নাটক হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে খারিজ করে জানিয়ে দিয়েছিল সিকিমের মতো যেসব রাজ্য লটারি রয়েছে, সেগুলির ওপর অন্য রাজ্য কোনও ট্যাক্স বসাতে পারে না।

    সংবিধানে বেটিং এবং জুয়াখেলা…

    এদিন সেই রায়ের ওপর দায়ের হওয়া রিভিউ পিটিশনও খারিজ করল শীর্ষ আদালত। কেরল এবং কর্নাটক দুই রাজ্যের হাইকোর্টই জানিয়ে দিয়েছিল, যে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের আইনসভার এটা করার কোনও অধিকারই নেই। এতে বলা হয়েছিল, সংবিধানে বেটিং এবং জুয়াখেলা সংক্রান্ত যে আইনের সংস্থান রয়েছে, তাতে লটারিকেও অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই রায়ের ফলে কর্নাটক ট্যাক্স অন লটারিজ অ্যাক্ট ২০০৪ এবং কেরল ট্যাক্স অন পেপার লটারিজ অ্যাক্ট, ২০০৫ বৈধ বলে গণ্য হল। এখন দেশের শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, এর আগের রায়ে কোনও ভুল ত্রুটি লক্ষ্য করা যায়নি। সেই কারণেই খারিজ করে দেওয়া হয়েছে রিভিউ পিটিশন। সিকিম সহ বেশ কিছু রাজ্য লটারি চালায়। এই রাজ্যগুলির লটারির ওপর প্রাক জিএসটি যুগের কর চাপাতে পারবে না কোনও রাজ্য। এই মর্মে দায়ের হওযা রিভিউ পিটিশনই এদিন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: নোটবন্দির সিদ্ধান্ত সুবিবেচনা প্রসূত, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    প্রসঙ্গত, দ্য লটারিজ (রেগুলেশন) আইন ১৯৯৮ অনুযায়ী লটারি ব্যবসার পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ হয় ভারতে। এই আইনে লটারি ব্যবসায় রাজ্যগুলিকেও প্রায় সমান ক্ষমতা দেওয়া আছে। সারা দেশে এখন একটি সংস্থাই লটারির ডিস্টিবিউটর। যদিও আইন অনুযায়ী একাধিক ডিস্ট্রিবিউটর থাকার কথা। সহজ কথায় সারা দেশে একটি ব্র্যান্ড নেমেই বিভিন্ন রাজ্যের লটারি বিক্রি হয়। বাংলায় সব থেকে বেশি বিক্রি হয় নাগাল্যান্ড রাজ্য লটারি। পাঞ্জাব ও সিকিম রাজ্য লটারিও বিক্রি হয় প্রচলিত ব্র্যান্ড নেমে। ২০২০ সালের পর থেকে নিজস্ব লটারি খেলা বন্ধ করে দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share