Blog

  • US Mid-Term Polls: কম ভোটের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ দখল রিপাবলিকানদের

    US Mid-Term Polls: কম ভোটের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ দখল রিপাবলিকানদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কম মার্জিনে যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষে প্রতিনিধি পরিষদের দখল নিল রিপাবলিকান পার্টি। জো বাইডেনের ডেমোক্র্যাটকে ৯ আসনে হারিয়ে দেয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল। রিপাবলিকানদের ঝুলিতে আসে ২০১৮টি আসন এবং ডেমোক্র্যাটরা পায় ২০৯টি আসন। কংগ্রেসের ৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ২১৮টি আসন প্রয়োজন ছিল। আর কাঁটায়-কাঁটায় ঠিক সেই সংখ্যক আসনই পেয়েছে রিপাবলিকানরা। কার দখলে যাবে মার্কিন সেনেটের নিম্নকক্ষ, তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা ছিল। শেষ মুহূর্তে ২৭ তম কংগ্রেস জেলাতে জয়লাভ করে শেষ হাসি হাসলেন রিপাবলিকানরাই। যদিও সেনেটের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ডেমোক্র্যাটরাই।

    আরও পড়ুন: নিজের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়ল আফতাব! শ্রদ্ধা খুনে নয়া দিক

    গত সপ্তাহেই আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। তার দখল নিয়েছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের পার্টি। তবে বুধবার কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের ২১৮তম আসনের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে বাইডেন নয়, বরং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প্র দল রিপাবলিকানরাই জয়ী হয়েছে। যদিও খুন কম ভোটের মার্জিনেই জয় পেয়েছে রিপাবলিকানরা। তবে এতে ডেমোক্র্যাটদের মুশকিল যে বাড়ল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান কেভিন ম্যাককার্থি বলেন, “আমেরিকানরা নতুন একদিকে হাঁটতে শুরু করেছে। রিপাবলিকানরাও প্রস্তুত।”

     

     

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    নিম্নকক্ষের ফল প্রকাশের পর রিপাবলিকানদের অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। তিনি বলেন, “গত সপ্তাহের নির্বাচন আমেরিকার গণতন্ত্রের শক্তিকে প্রমাণিত করেছে। রাজনৈতিক হিংসা, ভোট দিতে অনিচ্ছা- এমন নানা প্রতিবন্ধকতা এসেছে। কিন্তু আমেরিকায় সাধারণ নাগরিকের সদিচ্ছারই জয় হল। ভবিষ্যত অত্য়ন্ত আশাব্যাঞ্জক, রাজনৈতিক লড়াইয়ের ফাঁদে আটকে পড়বেন না।”

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ২০২৪- এর হোয়াইট হাউজ দখলের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছে দুই দলই। কে কোন ইস্যু তুলে কাকে আক্রমণ করবে সে ছকও কষে ফেলা হয়েছে। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। বাইডেন প্রশাসন এই তদন্তের গতি বাড়ানোর জন্য চাপ দিতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা বাইডেন প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের চিন ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সহ একাধিক বিষয় নিয়ে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

       

     

     

     

     

  • TMC MLA on Bangladeshis: ‘‘তৃণমূলকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের নামই ভোটার লিস্টে রাখুন’’, বিতর্কে বিধায়ক

    TMC MLA on Bangladeshis: ‘‘তৃণমূলকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের নামই ভোটার লিস্টে রাখুন’’, বিতর্কে বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার লিস্টে কেবল তৃণমূল (TMC) সমর্থকদেরই নাম তুলুন! বিজেপির (BJP) লোকদের তুলবেন না! এই নিদান দিয়েছেন এ রাজ্যের এক এমএলএ (MLA)। বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA on Bangladeshis) খোকন দাসের এহেন মন্তব্যের জেরে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার লিস্টকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। বুধবার পূর্ব বর্ধমানের টাউন হলে তৃণমূলের তরফে আয়োজন করা হয়েছিল ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এক আলোচনা সভার। এই সভায় যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের নির্বাচনী এজেন্টরা। এই সভায়ই বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন খোকন। একজন বিধায়ক (TMC MLA on Bangladeshis) হয়ে একথা বলতে পারেন কিনা, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

    ঠিক কী বলেছেন বিধায়ক?

    এদিনের এই সভায় বিধায়ক (TMC MLA on Bangladeshis) বলেন, অনেক নতুন ভোটার। প্রতিদিন নতুন লোক তো আসছেই। নতুন লোক মানে বুঝতে পারছেন? সব বাংলাদেশের লোক আসছেন। তাঁদের ভোট বেশি তোলা মানে তো আরও ক্ষতি। তাঁরা তো সব ভোট বিজেপিকেই দিয়ে দেন। তাই ভোটার লিস্টে নাম যে তুলবেন, দেখবেন নতুন লোক এলেও, তাঁরা আমাদের দলের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন কিনা। যাঁরা সেটা করবেন, তাঁদেরই নাম ভোটার তালিকায় তোলার চেষ্টা করবেন। বিধায়ক বলেন, এখন সবাই আমাদের দলের সঙ্গে ভিড়ে গিয়েছেন। দু দিন পর আবার ২০১৯, ২০২১ সালের মতো হয়ে না যায়! নিজেদের জায়গা নিজেদের ছেলেদের করতে হবে। আমরাও দলকে বলেছি, যাঁরা উনিশ ও একুশের ভোটে বুক চিতিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, তাঁদেরই বিভিন্ন পদ দেওয়া হবে। অন্য কোনও লোককে আমরা কোনও পদ দেব না। তিনি বলেন, যাঁরা দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, তাঁদেরই জায়গা দেব।

    আরও পড়ুন: অভিষেকই ‘কয়লা ভাইপো’? মেনে নিচ্ছে তৃণমূল?

    অথচ দিন কয়েক আগে উল্টো সুর শোনা গিয়েছিল বিধায়কের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। ১০ নভেম্বর এক প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সবাই যাঁরা ভোটার লিস্টের কাজে আছেন, আমি রিকোয়েস্ট করব সবার নামটা তুলবেন। ১৮ বছর বয়স যাদের হচ্ছে বা হতে যাচ্ছে, তাদের নামগুলো তুলবেন ইলেকশন কমিশনের নিয়ম মেনে। কারও নাম দয়া করে অন্য ধর্মের লোক বলে বাদ দেবেন না।

    তৃণমূলের কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shraddha Walkar Murder: নিজের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়ল আফতাব! শ্রদ্ধা খুনে নয়া দিক

    Shraddha Walkar Murder: নিজের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়ল আফতাব! শ্রদ্ধা খুনে নয়া দিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রেমিকা শ্রদ্ধাকে খুনের পর নিজের পাতা পর পর ভুলের জালেই ধরা পড়ে যায় আফতাব। ছয় মাস আগে, গত ১৮ মে শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে খুন করে আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করে ছত্তরপুরের জঙ্গলে ছড়িয়ে দেয়। তবে শ্রদ্ধা যে খুন হয়েছে, এ কথা যাতে কেউ বুঝতে না পারে, তার জন্যই আফতাব শ্রদ্ধার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রেখেছিল। এমন কিছু কাজ করে সে, যাতে মনে হতে পারে যে শ্রদ্ধা তখনও জীবিত। আফতাব নিয়মিত লেনদেনও করত শ্রদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে। কিন্তু এই চালই যে পাল্টা বিপদ হয়ে ফিরে আসবে তাঁর কাছে, এ কথা কল্পনাও করতে পারেনি আফতাব। শ্রদ্ধাকে খুনের পর মাস ছয়েক ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিলেও ওই ভুলগুলির জন্যই আফতাবকে সন্দেহ করতে শুরু করেন তদন্তকারীরা।

    গত ২৬ অক্টোবর আফতাব আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে পুলিশ। সেই সময় আফতাব জানায়, গত ২২ মে ঝগড়ার পর শ্রদ্ধা দিল্লির ছত্তরপুরের মেহরৌলির ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে গিয়েছিল। জামাকাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী রেখে, শুধু মোবাইল ফোন নিয়েই শ্রদ্ধা বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল, এমনটাই জানায় আফতাব। তার বক্তব্যের উপর ভিত্তি করেই পুলিশ শ্রদ্ধার মোবাইলের গতিবিধি, কল ডিটেলস ও সিগন্যাল লোকেশন খতিয়ে দেখে।

    ২৬ অক্টোবর আফতাবের দাবি ছিল, ‘‘২২ মে-র পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখেননি শ্রদ্ধা।’’ অথচ, শ্রদ্ধার মোবাইলের তথ্য খতিয়ে দেখে জানা যায়, ২২ থেকে ২৬ মে-র মধ্যে শ্রদ্ধার মোবাইল ব্যবহার করে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আফতাবের ব্যাঙ্কে ৫৪ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে। লোকেশন ছিল— মেহরৌলির ছত্তরপুর এলাকা, যেখানে তারা একসঙ্গে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। শুধু তাই নয়। এরপরও, ৩১ মে এমনই একটি চ্যাটের সময় শ্রদ্ধার মোবাইলের লোকেশন ছিল ছত্তরপুর। এখানেই পুলিশের সন্দেহ হয়, প্রশ্ন ওঠে যদি ২২ মে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় শ্রদ্ধা, তবে বাড়ির পাশেই কীভাবে শ্রদ্ধার ফোনের লোকেশন পাওয়া গেল।

    আফতাবকে আটক করে লাগাতার জেরা করা হয়। পুলিশের দাবি, তখনই সে স্বীকার করে যে তার কাছেই শ্রদ্ধার ফোন ও ব্য়াঙ্কিং অ্যাপের পাসওয়ার্ড থাকায় সে আর্থিক লেনদেন করেছিল। এমনকী, শ্রদ্ধার ক্রেডিট কার্ডের বিলও মিটিয়ে দিয়েছিল আফতাব, যাতে ব্যাঙ্কের তরফে শ্রদ্ধার মুম্বইয়ের ঠিকানায় কাউকে পাঠানো না হয়।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে হিন্দু লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করল মুসলিম যুবক

    কীভাবে ধরা পড়ল আফতাব

    পুলিশকে আফতাব জানায় কীভাবে পরিকল্পনা করে শ্রদ্ধাকে খুন করে সে। তার দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে যে ঘটনাবলীর কথা জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে, তার সংক্ষিপ্ত তালিকা:

    ১৫ মে, ২০২২: দিল্লির নতুন ফ্ল্যাটে আসে তারা।

    ১৮ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার সঙ্গে বচসা বাধে আফতাবের। সেদিনই সে শ্রদ্ধাকে খুন করার কথা নিশ্চিত করে। বচসার মধ্যে শ্রদ্ধা কান্নায় ভেঙে পড়লে তখনই তাঁর শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করে আফতাব।

    ২১ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে আফতাব। নতুন  ফ্রিজ কিনে তাঁর দেহাংশ ফ্রিজে রাখে এবং প্রতিদিন রাত ২টোর পর শ্রদ্ধার দেহের টুকরো এক এক করে জঙ্গলে ফেলে আসতে থাকে আফতাব।

    ২২-২৬ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে ৫৪ হাজার টাকা নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে আফতাব।

    ২৬ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার ফোন থেকে শেষ ফোন করা হয়। কল রেকর্ড থেকে সেই তথ্যই মিলেছে।

    ৩১ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকে তাঁর বন্ধু লক্ষ্মণকে শেষ টেক্সট করে আফতাব। শ্রদ্ধার বয়ানেই সে লেখে। লক্ষ্মণ শ্রদ্ধাকে  এরপর থেকে ফোন করলে দেখে শ্রদ্ধার ফোন সুইচ অফ।

    ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২: শ্রদ্ধার বাবা ভাসি থানায় তাঁর মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি করে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসেই শ্রদ্ধার বন্ধু লক্ষ্ণণের সঙ্গে কথা হয় শ্রদ্ধার বাবার। লক্ষ্মণ তাঁকে জানায়, মে-এর শেষ থেকে শ্রদ্ধার ফোন বন্ধ। শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর দেখা বা কথা হয়নি।

    ২৬ অক্টোবর, ২০২২: আফতাব আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে পুলিশ। সেই সময় আফতাব জানায়, গত ২২ মে ঝগড়ার পর শ্রদ্ধা দিল্লির ছত্তরপুরের মেহরৌলির ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে গিয়েছিল। জামাকাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী রেখে, শুধু মোবাইল ফোন নিয়েই শ্রদ্ধা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।

    ৩ নভেম্বর, ২০২২: আফতাবকে দ্বিতীয়বার জেরা করে পুলিশ। তখনও একই কথা বলে সে। আফতাব জানায় সে নিজেও নাকি শ্রদ্ধার খোঁজ করছে। 

    ৮ নভেম্বর, ২০২২: আফতাব এই দাবি করলেও দিল্লি পুলিশ দেখে শ্রদ্ধার ফোন ২২-২৬ মে পর্যন্ত দিল্লির লোকেশনেই ছিল।

    ১১ নভেম্বর, ২০২২: আফতাবকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জানতে চায়, ২২ থেকে ২৬ মে-র মধ্যে শ্রদ্ধার মোবাইল ব্যবহার করে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আফতাবের ব্যাঙ্কে ৫৪ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে। লোকেশন ছিল— মেহরৌলির ছত্তরপুর এলাকা, যেখানে তারা একসঙ্গে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। কী করে এটা সম্ভব? 

    ১২ নভেম্বর, ২০২২: আফতাবের বয়ানে অসঙ্গতি পায় পুলিশ। আফতাবও নানান ধরনের তথ্য দিতে থাকে। পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। 

  • Indian Students in US: চিনকেও ছাড়িয়ে গেল আমেরিকায় ভারতীয় পড়ুয়াদের সংখ্যা

    Indian Students in US: চিনকেও ছাড়িয়ে গেল আমেরিকায় ভারতীয় পড়ুয়াদের সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সব জায়গাতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা (Indian Students in US)। কিন্তু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ভারতীয়দের প্রথম পছন্দ আমেরিকা। গত দশ বছরে আমেরিকায় ভারত থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই সংখ্যা ১১.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২১ শতাংশ হয়েছে। সোমবার সমীক্ষক সংস্থা ‘ওপেন ডোরস’-এর প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকেই পাওয়া গিয়েছে এই পরিসংখ্যান। 

    এর আগের পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে সব থেকে বেশি আমেরিকায় পড়াশোনা করতে যেতেন চিনের পড়ুয়ারা। কিন্তু গত দশ বছরে চিনকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারতীয় পড়ুয়াদের সংখ্যা। সম্প্রতি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক অধিবেশনে আমেরিকার এক প্রতিনিধি জানান, ২০২১-’২২ সালে ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য মোট ৬২ হাজার স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরে স্টুডেন্ট ভিসার সংখ্যা বেড়ে ৮২ হাজারে পৌঁছেছে। 

    আরও পড়ুন: ধর্ম পরিবর্তনে রাজি না হওয়াতেই কি খুন শ্রদ্ধা? দিল্লির নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড় 

    সেই অধিবেশনে আরও এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভারত থেকে আসা বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী অঙ্ক, কম্পিউটার সায়েন্স, প্রযুক্তিবিদ্যা এবং বাণিজ্য এইসব বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেন যুক্তরাষ্ট্রে। শুধু আমেরিকাতেই নয়, চলতি বছরে ব্রিটেনেও ভারত থেকে আসা পড়ুয়াদের সংখ্যা বেড়েছে। 

    প্রসঙ্গ ভিসা 

    সম্প্রতি মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের (Antony Blinken) সঙ্গে এক বৈঠকে ভিসা প্রসঙ্গ তোলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।  যেখানে পাকিস্তান বা চিন ১-২ দিনেই মার্কিন ভিসা (US Visa) পেয়ে যাচ্ছে, সেখানে ভারতীয়দের ৮০০- রও বেশি দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে কেন? এই প্রশ্ন করেন জয়শঙ্কর। এর উত্তরে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে আশ্বস্ত করে বলেন এই সমস্যার দ্রুত সমাধান পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর তারপরেই মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত সামনে এল। 

    নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ছাত্র ভিসার ইন্টারভিউ শুরু করতে চলেছে মার্কিন প্রশাসন। এছাড়াও এবছরই যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১০০০০০ ভিসা স্লটও খুলেছে। মূলত যারা প্রথমবার ভিসার আবেদন করবেন এই ভিসাগুলি তাদের জন্য। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, যারা কোভিডের সময় থেকে এই দেশে পড়ে রয়েছেন নিজের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখেই এই সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Sania Mirza Divorce:  সানিয়া-শোয়েব বিবাহ বিচ্ছেদ নিছকই জনপ্রিয়তার জন্য! গুঞ্জন নেট দুনিয়ায়

    Sania Mirza Divorce: সানিয়া-শোয়েব বিবাহ বিচ্ছেদ নিছকই জনপ্রিয়তার জন্য! গুঞ্জন নেট দুনিয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সানিয়া-শোয়েব বিবাহ-বিচ্ছেদে প্রসঙ্গ নিছকই জনপ্রিয়তা বজায় রাখার জন্য পাবলিটি স্টান্স নয় তো? সম্প্রতি এমনই জল্পনা চলছে নেটদুনিয়ায়। গত কয়েক সপ্তাহ থেকেই ভারতীয় টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জা আর পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের বিবাহ বিচ্ছেদের কথা শোনা যাচ্ছে। কিছু আইনি কাজ সেরে অফিসিয়াল অ্যানাউন্সমেন্ট করে ফেলবেন তাঁরা এমনই খবর।

    জন্মদিনে শুভেচ্ছা

    এরই মধ্যে মঙ্গলবার ছিল ভারতীয় টেনিস তারকার জন্মদিন। দুবাইয়ে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বাবা,মা এবং বোনের সঙ্গে জন্মদিন পালন করতে দেখা গেল তাঁকে। সানিয়ার ৩৬তম জন্মদিনে সোমবার মধ্যরাতেই শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইটারে পোস্ট করেন শোয়েব। একটি ছবিতে সানিয়ার সঙ্গে তাঁকে হাসিমুখে দেখা গিয়েছে। শোয়েব লিখেছেন, “শুভ জন্মদিন। সুস্থ ভাবে এবং খুশি মনে জীবন কাটাও। দিনটা খুব ভাল ভাবে উপভোগ করো।” তিনটি মাত্র লাইনে সানিয়াকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শোয়েব। তাঁদের বিচ্ছেদের জল্পনা এর ফলে আরও বেড়েছে। বিচ্ছেদ কি তবে হয়েই গিয়েছে? আবার অনেকে বলছেন, বিচ্ছেদ হলে আবেগঘন শুভেচ্ছা বার্তা কেন? সব কিছুই স্বাভাবিক! কোনও সমস্যা নেই বলেই এ ভাবে শুভেচ্ছা জানালেন স্ত্রীকে, দাবি সানিয়া-শোয়েব অনুরাগীদের।

    আরও পড়ুন: শোয়েব-সানিয়া বিচ্ছেদ! কী বলছেন তারকা দম্পতি?

    নয়া টক-শো

    পার্টনার হিসেবে খুব জলদি একটি ওয়েব শো অ্যাটেন্ড করতে চলেছেন সানিয়া আর শোয়েব, এটাই হয়তো আলাদা হওয়ার আগে তাঁদের শেষ একসঙ্গে পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স।পাকিস্তানের একটি ওটিটি-র পক্ষ থেকে রবিবারই ঘোষণা করা হয়েছে ‘The Mirza Malik Show’-এর। এটা একটা টক শো, যেখানে নানা প্রান্ত ও কর্মজগত থেকে তারকারা আসবেন আর তাঁদের হোস্টিংয়ের দায়িত্ব থাকবে শোয়েব আর সানিয়ার উপরে। এই শো-এর কথা শুনে কেউ কেউ যেমন স্বস্তি পেয়েছেন এটা ভেবে যে, ‘যাক তাহলে ডিভোর্সটা হচ্ছে না’। আরেক দলের আবার মন্তব্য, ‘এসবই তাহলে পাবলিসিটি স্টান্ট ছিল নিজেদের শো-কে বিখ্যাত করার জন্য?’তবে বলে রাখা ভালো এই শো-এর প্রোমো শ্যুট হয়েছিল প্রায় ৮ মাস আগে। তখন দুজনের মধ্যে তো কোনও সমস্যাই ছিল না। এখন শোয়েব বা সানিয়া কেউ এই ‘দ্য মির্জা মালিক শো-এর কথা নিজেদের সোশ্যাল প্রোফাইলে শেয়ার করেননি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Artemis 1 Mission: জোড়া ব্যর্থতার পর অবশেষে সফল হল নাসার ‘আর্টেমিস ১’-এর উৎক্ষেপণ

    Artemis 1 Mission: জোড়া ব্যর্থতার পর অবশেষে সফল হল নাসার ‘আর্টেমিস ১’-এর উৎক্ষেপণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক বাধা কাটিয়ে শেষপর্যন্ত চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়ে সফল হল নাসার ‘আর্টেমিস ১ মিশন’ (Artemis 1 Mission)। চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল যাত্রীবিহীন মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’। চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে আমেরিকার এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আর আজ তার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হল। ভারতীয় সময় দুপুর ১২টা ১৭ নাগাদ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে লঞ্চ হল নাসার ‘আর্টেমিস ১’।

    বাধা কাটিয়ে সফল উৎক্ষেপণ

    আর্টেমিস-১-এর সফল উৎক্ষেপণের উপর নির্ভর করেই আগামী দিনে নাসা চন্দ্রাভিযান নিয়ে আরও বড় আকারের পরিকল্পনা করবে (Artemis 1 Mission)। এর আগে যান্ত্রিক কারণে দুবারের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। পরপর দুবার বাতিল করা হয়েছে উৎক্ষেপণ। একবার ইঞ্জিনে ত্রুটি, একবার হাইড্রোজেন গ্যাসের লিকের কারণে উৎক্ষেপণ করা হয়নি। কিন্তু এবার এই যানটি চাঁদের কক্ষপথে গিয়ে যানটিকে কক্ষপথে ছেড়ে দেবে। ক্যাপসুলের মতো খুলে যাবে ঢাকনা। বেরিয়ে আসবে যানটি। চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে অবতরণের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে আসবে ওরিয়ন। মহাকাশচারীদের জন্য লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম ঠিকঠাক ভাবে কাজ করছে কি না তা খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে আসবে স্পেস রকেট।

    আরও পড়ুন: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    আর্টেমিস মিশনের তিনটি ধাপ

    দীর্ঘ ৫০ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তাই এর তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে। এরই মধ্যে এক ধাপ সফল হয়েছে। নাসার চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশন সম্পন্ন হবে মোট ৩টি ধাপে। যার প্রথম ধাপ ‘আর্টেমিস ১’। এটি যাত্রীবিহীন অভিযান। যার মূল লক্ষ্য, চাঁদের মাটিতে নামার জন্য সম্ভাব্য ‘ল্যান্ডিং সাইট’গুলি চিহ্নিত করা। অর্থাৎ কোথায় মহাকাশচারীরা অবতরণ করবেন তা চিহ্নিত করা। এরপর একই পরীক্ষা হবে মিশনের দ্বিতীয় ধাপেও। তা সফল হলে তৃতীয় ধাপের অভিযানে চাঁদে পাড়ি দেবে মানুষ (Artemis 1 Mission)।

    উল্লেখ্য, নাসার তরফে জানানো হয়েছে, এটি আবার পৃথিবীর দিকে ফিরে আসবে একটি নির্দিষ্ট সময় পর। প্রশান্ত মহাসাগরে ল্যান্ড করার আগে ওরিয়ন চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবে। অনুমান করা হয়েছে, এটি ২৫ থেকে ২৬ দিনের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরে ল্যান্ড করবে।  

  • Amitabh Bachchan: প্রিয় বন্ধু্র মৃত্যুতে শোকার্ত অমিতাভ বচ্চন

    Amitabh Bachchan: প্রিয় বন্ধু্র মৃত্যুতে শোকার্ত অমিতাভ বচ্চন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নিজের প্রিয় বন্ধুকে হারিয়েছেন বলিউডের ‘ডন’ অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)। প্রিয় বন্ধুটি তাঁর নিজের পোষ্য। তার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে অমিতাভ করলেন স্মৃতিচারণা। লিখলেন, “আমাদের এই ছোট্ট বন্ধু। এক সময় এই বন্ধু ছোট ছিল। তারপর আমাদের চোখের সামনেই সে বড় হয়। তারপর একদিন এমন আসে, যেদিন সব মায়া কাটিয়ে তারা চলে যায়। রেখে যায় অজস্র স্মৃতি। যা হৃদয়বিদারক।”

     



      

    অমিতাভের পশুপ্রেমের কথা কারও অজানা নয়। যখনই সময় পান, পোষ্যর সঙ্গেই সময় কাটান। অমিতাভ এর আগেও ব্লগে পশুপ্রেম নিয়ে লিখেছেন। কীভাবে তাঁর অবসর সময় অবলা জীবদের সঙ্গে কেটে যায় জানিয়েছিলেন সে কথা। কোভিডকালে লক ডাউনের সময় এই ছোট্ট পোষ্য কীভাবে ঘর মাতিয়ে রেখেছিল তাও স্পষ্ট জানিয়ে ছিলেন বিগ বি।

    কী বললেন ভক্তরা?

    প্রিয় অভিনেতার এই শোকের দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে তাঁর ভক্তকুল। কেউ লিখেছেন, ‘‘মন শক্ত করুন। মানুষের জীবনের কঠিন সময়ে পোষ্যরা পাশে থাকে।’’ আবার কেউ, অমিতাভের এই পোষ্য প্রেমের প্রশংসা করেছেন। নিজের ব্লগেও অমিতাভ তাঁর পোষ্যের স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, ‘‘কাজের ফাঁকে আমার ছোট্ট বন্ধুর সৌন্দর্য দেখুন। ওরা যখন আমাদের সঙ্গে থাকে, তখন ওরাই হয়ে ওঠে আমাদের জীবনের প্রাণকেন্দ্র।’’ 

    গ্রুপ-ডি মামলায় সিবিআই তদন্তে অখুশি হাইকোর্ট, সিট পুনর্গঠন বিচারপতির 

    বিগ বি জানাননি এই পোষ্যটির নাম। তবে, প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে অমিতাভের প্রিয় সারেময় ‘শানুক’ প্রয়াত হয়। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই মুক্তি পেয়েছে অমিতাভ অভিনীত ছবি ‘উঁচাই’। সুরজ বরজাতিয়া পরিচালিত ছবিটি দর্শকদের যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। দেশে পাঁচশোটিরও কম স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Exercise Caution: আপনি কি ‘ফিটনেস ফ্রিক’? অতিরিক্ত শারীরিক কসরত ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!

    Exercise Caution: আপনি কি ‘ফিটনেস ফ্রিক’? অতিরিক্ত শারীরিক কসরত ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালে ঘুম ভাঙার পরই হাতে এক গ্লাস প্রোটিন সেক (Protein Shake)! সঙ্গে বাড়ির ট্রেডমিলে (Trademill) আধ ঘণ্টা সময় কাটানো। কিংবা সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে নিয়ম করে জিমে (Gym) যাওয়া। জিম ইনস্ট্রাক্টরের পরামর্শ মতো চলছে স্টেরয়েড! পেশিবহুল শরীরে ক্রমশ মারণ রোগ বাসা বাঁধছে না তো?

    ফিটনেস ফ্রিক…

    সিদ্ধার্থ শুল্কা, সিদ্ধান্ত সূরিয়াবংশীর মতো অভিনেতারা নিয়মিত জিম করতেন। প্রোটিন পাউডার, স্টেরয়েডে অভ্যস্ত ছিলেন। দেখে আপাদমস্তক ‘ফিট’। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁদের বয়স পঞ্চাশের চৌকাঠও পেরোয়নি। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ‘ফিটনেস ফ্রিক’ (Fitness frick) এখন ট্রেন্ড। নিয়ম মতো জিমে যাওয়াতেই বিষয়টি আটকে নেই। অনেকেই প্রোটিন পাউডার খান। সঙ্গে চলে স্টেরয়েড। সব মিলিয়ে কতখানি স্বাস্থ্য সম্মত এই ‘ফিটনেস ফ্রিক’ জীবন?

    চিকিৎসকদের একাংশ কিন্তু জানাচ্ছেন, এতে বিপদ বাড়ছে। হৃদরোগ চিকিৎসক রবীন চক্রবর্তী বলেন, “নিজের শারীরিক ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা থাকা সবচেয়ে বেশি জরুরি। কোনও বন্ধু জিমে ভর্তি হয়েছে বলেই নিজেকে হতে হবে, এই মানসিকতা থেকে বেরতে হবে। আমি কতখানি কসরত করতে সক্ষম। কতখানি ওজন তুলতে পারবে আমার শরীর, এইগুলো জানা দরকার।” তবে, সবচেয়ে বেশি জরুরি নিজেকে সময় দেওয়া। চিকিৎসক চক্রবর্তীর কথায়, “কোনও কিছু চটজলদি করতে গেলেই বিপদ। আজকে জিমে ভর্তি হয়ে, কালকেই দারুণ পেশিবহুল হয়ে উঠবো, এই ভাবনাই বিপদ ডাকছে। অতিরিক্ত শারীরিক কসরত হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ধীরে ধীরে ওজন তোলার ক্ষমতা বাড়ানো কিংবা ট্রেডমিলে হাঁটার সময় বাড়ানোর অভ্যাস রপ্ত করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অনেকেই অতিরিক্ত শারীরিক কসরত করতে শুরু করেন। ফলে, তখনই শরীর নিতে পারে না। শরীরে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা তৈরি হয়।”

    আরও পড়ুন: বাড়িতেই করা যাবে ডেঙ্গির চিকিৎসা? ট্রিটমেন্ট সম্ভব কীভাবে?

    অতিরিক্ত প্রোটিন পাউডার, স্টেরয়েডে লুকিয়ে বিপদ!

    অতিরিক্ত জিমের পাশাপাশি প্রোটিন পাউডার আর স্টেরয়েড আরও বিপদ বাড়িয়ে তুলছে বলেই মনে করছেন মেডিসিনের চিকিৎসক রাজা ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “শরীরে অতিরিক্ত প্রোটিন ক্ষতিকারক। বিশেষত সেই প্রোটিন যদি কৃত্রিম হয়, তাহলে তো আরও সমস্যা তৈরি করতে পারে। টাটকা ফল, সবজি, মাছ, মাংস থেকে শরীর যেভাবে তার প্রয়োজনীয় উপাদান নেয়, সেটা এই কৃত্রিম পাউডার পূরণ করতে পারে না। বরং এই কৃত্রিম পাউডার লিভার, কিডনির জন্য ক্ষতিকর। তাই দ্রুত শক্তিশালী শরীর তৈরির জন্য নিয়মিত প্রোটিন পাউডারে অভ্যস্ত হলে নানান ক্রনিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকছে।”

    তাছাড়া, অনেকেই নিয়মিত স্টেরয়েড নেন। জিমে অতিরিক্ত কসরতের ফলে পেশিতে টান ধরা কিংবা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়। সেই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতেই তাঁরা এমন পেন কিলার খান, যাতে স্টেরয়েড আছে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ধরণের স্টেরয়েডে নিয়মিত অভ্যস্ত হয়ে পড়ার জেরেই কিন্তু আরও সমস্যা বাড়ছে।

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যাকে দেখে সম্পূর্ণ সুস্থ ও শারীরিক ভাবে ভীষণ শক্তিশালী মনে হচ্ছে, সেও হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। তার অন্যতম কারণ এই ধরণের স্টেরয়েড দীর্ঘদিন ব্যবহার করা। এতে একদিকে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়। তেমনি চোখ, কিডনি, লিভারের সমস্যা ডেকে আনে।

    চক্ষু রোগ চিকিৎসক দেবাশিস ভট্টাচার্য বলেন, “চিকিৎসক একজন রোগীর অনেক দিক পরীক্ষা করে, তারপরে স্টেরয়েড দেন। কিন্তু অনেক সময়েই জিম ইনস্ট্রাক্টরের সেই সব দিক বিবেচনা করার মতো অভিজ্ঞতা থাকে না। ফলে বিপদ কিন্তু সুদুর প্রসারি। দিনের পর দিন স্টেরয়েডের ব্যবহার অন্ধত্ব পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।”

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিজের শরীর কতখানি পরিশ্রম করতে পারছে, সেটা বিবেচনা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। তারপরে শারীরিক কসরতের সঙ্গে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। তবে, শরীর সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তারা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস কিন্তু শরীরকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখে। শুধু শরীর নয়। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও যোগ অত্যন্ত ভালো বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কৃত্রিম উপাদানের বাইরে নিয়মিত রাস্তায় হাঁটা, মাঠে দৌড়নো আর যোগাভ্যাসও সুস্থ এবং ‘ফিট’ শরীর গড়তে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal Politics: ডিসেম্বরেই কি ফের ভাঙাগড়ার খেলা হবে বঙ্গ রাজনীতিতে?

    Bengal Politics: ডিসেম্বরেই কি ফের ভাঙাগড়ার খেলা হবে বঙ্গ রাজনীতিতে?

    কালাম সিহায়ি

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে আসন্ন মরশুমের জন্য দল বদলের “ট্রেড উইন্ডো” বন্ধ হয়ে গেল। কলকাতা নাইট রাইডার্স লকি ফার্গুসন, শার্দুল ঠাকুর এবং রহমানুল্লাহ গুরবাজকে ট্রেড করে দলে নিয়েছে৷ অর্থাৎ অন্য দলের সঙ্গে খেলোয়াড় অদলা বদলি করে এদের নিয়েছে। বদলে আবার কোনও খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়েছে।

    খেলোয়াড় আদান-প্রদানের এই নিয়ম ফুটবল থেকে আমদানি করা। ক্লাব ফুটবলের মরশুম শুরু হওয়ার আগে অথবা মরশুম চলাকালীনও কিছু সীমিত সময়ের জন্য এই “ট্রেড উইন্ডো” বা লেনদেনের সুযোগ পায় ক্লাবগুলি। এই ভাবে নতুন খেলোয়াড় দলে নিয়ে অথবা পুরনো কাউকে বাদ দিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা করে ক্লাবগুলি।

    সাতের দশকে কলকাতার ফুটবলের কত রোমহর্ষক নাটক ঘটত এই ফুটবলারদের দলবদলকে কেন্দ্র করে। কত রক্তারক্তি, বোতল ছোড়াছুড়ি, বোমার লড়াই হতো সমর্থকদের মধ্যে। দলবদলের ১৫টি দিন, ১ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ ফুটবল উত্তেজনার পারদ আকাশছোঁয়া হয়ে যেত।

    এবার মূল বিষয়ে আসা যাক। খেলার মাঠে দলবদল তো আকছার হয়ে থাকে, কিন্তু রাজনীতির ময়দানে যখন “খেলা হবে” স্লোগান দেওয়া রেওয়াজে পরিণত হয়েছে তখন খেলার মাঠের এই দলবদলের রীতি রাজনৈতিক ব্যক্তিরা গ্রহণ করলে দোষ কি!

    বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে কমিউনিস্টদের মধ্যে দল ভাঙানোর প্রচলন কোনওদিনই তেমনভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। বিশেষ করে যখন বাংলায় দুই দল কেন্দ্রিক রাজনীতির প্রচলন অর্থাৎ কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের মধ্যে দড়ি টানাটানি, তখন এই প্রথা লক্ষ্য করা যায়নি তেমনভাবে।

    তৃণমূল কংগ্রেস জন্ম হওয়ার পরে এই ‘কনসেপ্ট’ প্রয়োগ হয় বাংলায়। প্রথমে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মত বড় মাপের কংগ্রেস নেতা তৃণমূলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করতে গিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। মুকুল রায়ের হাত ধরে নদিয়া জেলা সহ একের পর এক পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর ভাঙিয়ে নিয়ে বোর্ড দখল করে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে প্রায় একই চিত্র দেখা যায় মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। এক সময় রাজ্য রাজনীতিতে এই দল ভাঙানো বিষয়টি চমক থেকে একেবারে সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষত ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ সমাবেশের মঞ্চে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পেতে থাকে যে এবার কোন কোন বিরোধী দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মঞ্চে যোগদান করতে দেখা যাবে। ২০১১ ও ২০১৬ সালে কংগ্রেসের প্রতীকে জেতা বিধায়কদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে এসে ঠেকে। কেউ কেউ আবার বিধানসভার ভেতরে কংগ্রেস আর বাইরে তৃণমূল। এমনকি প্রবীণ বাম নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লাও যোগ দেন তৃণমূলে! ছোট বড় বহু বাম নেতা যেমন উদয়ন গুহ, পরেশ অধিকারী, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে তৃণমূলে নাম লেখান।

    তবে একটা উল্টো স্রোত বইতে শুরু করে ২০২০ সালে এসে, অর্থাৎ ২০২১-এর নির্বাচনের এক বছর আগে থেকে। এবারে শাসক তৃণমূল দলের বিধায়করা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির দিকে ভিড়তে শুরু করেন। প্রতিনিয়ত বিধায়ক, মন্ত্রী ও এমনকী শাসক দলের সাংসদও বিজেপির মঞ্চে উঠে পতাকা হাতে তুলে নেন।

    একুশের নির্বাচনের আগে যে যোগদান মেলা বিজেপি শুরু করেছিল তা একুশের নির্বাচনের ফলাফলের পরে ব্যুমেরাং হয়ে যায়। একাধিক বিধায়ক–সাংসদ, যাঁরা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি দলে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা নির্বাচনে পরাজয়ের পরে বিজেপির সংস্রব ছেড়ে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। শুভেন্দু অধিকারীর মত ব্যতিক্রমী অবশ্যই আছেন, কিন্তু তা হাতে গোনা যায়। তাই হয়তো দলবদল নিয়ে এবার বিজেপি একটু বেশি সাবধানী। বেনোজল আটকাতে কার্যকরী ফিল্টার বসাতে মরিয়া বিজেপি, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

    শুভেন্দু অধিকারীর স্পষ্ট বক্তব্য যে, “পিছন দরজা দিয়ে নয়, গণতান্ত্রিকভাবে সামনের দরজা দিয়েই ক্ষমতা দখল করবে বিজেপি। বাংলায় ডবল ইঞ্জিন সরকার স্থাপন হবে। তৃণমূলের ৮০ শতাংশ বিধায়কই অসৎ। এরা সকলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মিডলম্যানের ভূমিকা পালন করে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে অযোগ্যদের চাকরি বিক্রি করেছে। তাই এদের নিয়ে সরকার গঠন নয়। দলে আর বেনোজল ঢোকানো হবে না।”

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদাদের বার্তা হল— ‘‘তৃণমূলের নেতাদের জন্য নয়, কর্মীদের জন্য আমাদের দরজা খোলা। এই মুহূর্তে তৃণমূলের কোনও নেতা বিজেপিতে আসতে চাইলে তাঁদের দলে নেওয়া হবে না। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। তৃণমূলের সব নেতাই দুর্নীতিগ্রস্ত। তাই নেতা নয়, কর্মীদের আমরা দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে দরজা খোলা রাখছি। শুধু তৃণমূলই নয়, কোনও রাজনৈতিক দলের নেতাদের নেওয়ার ক্ষেত্রেই আমাদের আগ্রহ নেই। আমরা সব দলের কর্মীদের জন্য দরজা খোলা রাখছি৷’’

    তৃণমূলের কৌশল আবার একটু ভিন্ন। বিজেপিকে ভাঙাতে কোনও চেষ্টাই বাকি রাখেনি তারা। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায়শই বলে থাকেন যে, ‘‘অনেকেই বিজেপি ছেড়ে আমাদের দলে আসতে চাইছেন। তৃণমূল দরজা খুললে বিজেপি দলটাই উঠে যাবে।’’

    মঙ্গলবার আবার ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বলেন, ‘‘আমরা চাইলে ডিসেম্বরের মধ্যে ওদের ৩০টা বিধায়কও থাকবে না।’’ সেই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘‘দল ভাঙানোর খেলা খেলি না।’’ প্রসঙ্গত, আগেও হলদিয়ার জনসভায় তিনি দাবি করেন যে দরজা খুললে বিজেপি দলটাই উঠে যাবে কিন্তু উনি দরজা বন্ধ করে রেখেছেন।

    কিন্তু বিষয়টি হল যে, ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে অনেকেই যোগদান করবেন বলে শোনা গিয়েছিল। প্রচুর বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদের নাম নিয়ে জল্পনা সৃষ্টি হলেও আদতে কেউই মঞ্চে আসেননি। আর ২২ জুলাই থেকে যেভাবে একে একে তৃণমূলের মহাসচিব, মন্ত্রী, বিধায়ক, জেলা সভাপতি জেলবন্দি হয়েছেন আর এজেন্সির জেরায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন, তাই আর কেউ ওই পথ মাড়াবেন এটা খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। যদি কেউ এখনও সেই সম্ভাবনার লাভ ক্ষতি বিশ্লেষণ করে থাকেন তাহলে ওনার রাজনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচয় নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হবে।

    দলবদলের রীতি যে একেবারে বন্ধ রয়েছে তা নয়। আসন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলবদলের কিছু টুকরো খবর প্রকাশিত হচ্ছে প্রায়শই, তবে তা একেবারে স্থানীয় স্তরে।

    ▪️মালদহের চাঁচলের অলিহণ্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজনগর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য ফুলমণি দাস তৃণমূল দল ছেড়ে শতাধিক তৃণমূলের মহিলা কর্মীদের নিয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন।

    ▪️আবার অলিহন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতেরই শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্য নজরুল ইসলাম ওরফে মুকুল তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। তাঁর সঙ্গে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন প্রায় ৫০ তৃণমূল কর্মী।

    এক মাসের ব্যবধানে শাসকদলের দু’জন পঞ্চায়েত সদস্যের দলত্যাগ করা পঞ্চায়েত ভোটের আগে যথেষ্ট ‘তাৎপর্যপূর্ণ’।

    ▪️আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায় ধাক্কা খেল তৃণমূল। শালকুমার গ্রাম পঞ্চায়েতে শাসকদলের দুই পঞ্চায়েত সদস্য— গণেশ দাস ও যমুনা সুব্বা আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করায় সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে শাসকদল।

    ▪️‘অনুব্রতহীন’ বীরভূমের মুরারই দু’নম্বর ব্লকের পাইকরে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বাবুল আখতারের নেতৃত্বে কংগ্রেসে যোগ দিলেন এলাকার অন্তত দেড়শো কর্মী-সমর্থক।

    ▪️মুর্শিদাবাদের লালগোলা ব্লকের দেওয়ানসরাই পঞ্চায়েতের দখল নিল বাম কংগ্রেসের জোট। তৃণমূলের সদস্যরাই অনাস্থা নিয়ে আসে প্রধান আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে।

    ▪️নির্দল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে আসা ঝালদা পুরসভার কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করলেন৷ যার ফলে পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভায় অনাস্থা চেয়েছে কংগ্রেস। আস্থা ভোটেকে বোর্ডের দখল নিতে পারে সেটাই দেখার।

    এদিকে আবার ডিসেম্বর মাসের দিকে তাকিয়ে রাজ্যবাসী। না শীতকালের আমেজ, বড়দিনের কেক অথবা চড়ুইভাতির আয়োজনের কথা ভেবে নয়। কনকনে ঠান্ডায় রাজ্যবাসী রাজনীতির উত্তাপ নেওয়ার অপেক্ষায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর পারদ নামার ইঙ্গিত দিলেও রাজনৈতিক সচেতন বাঙালি বুঝে গেছেন যে রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ বাড়ছে। বিগত কয়েক মাস ধরে দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার থেকে শুভেন্দু অধিকারী সহ মাঝারি এমনকী ছোট স্তরের সব বিজপি নেতার মুখেই শোনা গিয়েছে, ‘‘তৃণমূল সরকার ডিসেম্বরে পড়ে যাবে অথবা কার্যত থাকবে না।’’ সরকার চালাতে ব্যর্থ হবেন মুখ্যমন্ত্রী, এমনকি ২০২৩ জানুয়ারি মাসের বেতন দিতে পারবে না সরকার। আর্থিক ভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়বে রাজ্য সরকার।

    এমনকী মুখ্যমন্ত্রীও নাকি ক্যাবিনেট বৈঠকে মন্ত্রীদের সচেতন করেছেন ডিসেম্বরে বাড়তি সতর্ক থাকতে। এবার প্রশাসনিক বৈঠকে পুলিশ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের সাবধান করেছেন “ডিসেম্বর ধামাকার” সম্বন্ধে। এবার ডিসেম্বর নিয়ে বিজেপিকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    তাই ডিসেম্বর মাস নিয়ে অপার কৌতূহল তৈরি হলেও  রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা যেমন আইপিএলের “ট্রেড উইন্ডো” আগামী মরশুমের জন্য বন্ধ হয়ে গেল, ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলি যেমন আর সরাসরি নিজেদের মধ্যে ক্রিকেটার অদল বদল করতে পারবে না, ঠিক তেমনি আপাতত বঙ্গ রাজনীতিতে কোনও দলই অন্য দলের রাজ্যস্তরের কোনও বড় খেলোয়াড়কে “সই” করাবে না। আপাতত “ট্রেড উইন্ডো” বন্ধ।

  • Sports Psychology: স্পোর্টস সাইকোলজি কোর্সের চাহিদা বাড়ছে ভারতজুড়ে, মিলবে মোটা অঙ্কের বেতন

    Sports Psychology: স্পোর্টস সাইকোলজি কোর্সের চাহিদা বাড়ছে ভারতজুড়ে, মিলবে মোটা অঙ্কের বেতন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল কলেজের বিদ্যালাভ এখন শুধু মাত্র কতোগুলো প্রথাগত ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গ্লোবালাইজেশনের যুগে বিদ্যালাভের ক্ষেত্র বেড়েই চলেছে। নিত্য নতুন কর্মমুখী কোর্স চালু হচ্ছে। কোনও কোর্স স্বল্পমেয়াদি তো কোনওটা আবার ডিগ্রি। এই কোর্স গুলির বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো পেশাদার কর্মী তৈরি করতে পারে নিজ নিজ ক্ষেত্রে। কর্মমুখী এই কোর্সগুলো ছাত্র ছাত্রীদের স্বনির্ভর করতেও সক্ষম। জোর দেওয়া হয় ব্যবহারিক জ্ঞানের উপর। দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয় ছাত্র ছাত্রীদের। দেশ ও সমাজের বিভিন্ন সেক্টরের দ্রুত বৃদ্ধি হচ্ছে। তাই প্রতি মুহূর্তে দরকার পড়ছে দক্ষ কর্মীর।

    আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরুতে আইফোনের উৎপাদক ইউনিটে ৬০,০০০ কর্মী নিয়োগ, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর 

    স্পোর্টস হল একটি বৃহৎ ক্ষেত্র। দেশের তরুণ সমাজ এবং শিক্ষানবিশ খেলোয়াড়দের সার্বিক উন্নতির কাজ করে এই ক্ষেত্র। অজস্র রকমের ইনডোর এবং আউডডোর গেম রয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন স্পোর্টস ক্লাব এবং সংস্থা। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার গুলির আলাদা মন্ত্রণালয় রয়েছে স্পোর্টসের। বিভিন্ন স্পোর্টসের বিভিন্ন ইভেন্ট আমরা দেখতে পাই। জাতীয় স্তরে আন্তর্জাতিক স্তরে তো দেখি তার সাথে সাথে জেলা ও ব্লক স্তরের ইভেন্ট গুলি আমাদের চোখ এড়ায় না। দৈহিক সক্ষমতা এবং দৈহিক অনুশীলন যে কোন স্পোর্টস এর জন্য অপরিহার্য তবে স্পোর্টস শুধু এটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। খেলোয়াড়দের মনোজগৎও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয় সংক্রান্ত একটি কোর্সের নাম হল ‘স্পোর্টস সাইকোলজি’। এই কোর্সটির বিষয় হলো, খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স কে প্রভাবিত করবে কোন কোন সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্টর সেটা নিয়ে পড়াশোনা। খেলোয়াড়দের মনোজগতে স্থির করে দেয় যে তাদের দল কেমন পারফরম্যান্স করবে। মাঠের জয়ের আগে খেলোয়াড়দের আগে মনের জগতে জিততে হয়। তাহলেই স্বাভাবিক ছন্দে এবং নিজস্ব দক্ষতায় আত্মবিশ্বাসের সাথে খেলোয়াড়রা খেলতে পারে। বিভিন্ন স্পোর্টস সংস্থা স্পোর্টস এর ক্লাব সরকারি এবং বেসরকারি আরও অনেক সংগঠন রয়েছে যেখানে স্পোর্টস সাইকোলজিস্টদের প্রয়োজন পড়ে। 

    স্পোর্টস সাইকোলজিস্টদের কেরিয়ার

    সাইকোলজি বিষয়ে সম্পর্কে তো আমরা জানি। স্কুলে কলেজে এই বিষয় পড়ানো হয়। স্নাতক, স্নাতকোত্তর, থেকে পিএইচডি এবং অনেক সময় ডিপ্লোমা কোর্সও করানো হয় সাইকোলজি বিষয়ে। সাইকোলজি ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্র বা ছাত্রীরা Association of Applied Sports Psychology (AASP)  নামক এই সংস্থায় রেজিস্ট্রেশন করিয়ে রাখতে পারেন। এই সংস্থার দেওয়া সার্টিফিকেট, স্পোর্টস সাইকোলজিস্টদের ক্যারিয়ার তৈরি করতে কাজে লাগে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, স্পোর্টস সাইকোলজিস্ট এর ক্যারিয়ার শুরু হয়, মাসে ৬,০০০ টাকা থেকে ১৫,০০০ টাকা বেতনের মধ্যে। পরবর্তীকালে এই বেতন মাসে ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাহলে আর দেরি কেন! সাইকোলজি বিষয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলে করা যেতেই পারে এই কোর্স। 

    ভারতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় যেখান থেকে স্পোর্টস সাইকোলজি কোর্স করা যেতে পারে

    ১) দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, এখানে সাইকোলজি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি দেওয়া হয়।
    ২) রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয়, এখানে সাইকোলজি বিষয়ে বিএসসি ডিগ্রি দেওয়া হয়।
    ৩) মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়, এখানে স্পোর্টস সাইকোলজি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্স করানো হয়।
    ৪) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, এখানেও সাইকোলজি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী দেওয়া হয়।
    ৫) গুরু নানক দেব বিশ্ববিদ্যালয়,  স্পোর্টস সাইকোলজি বিষয়ে এখানে স্নাতক এবং মাস্টার্স ডিগ্রি করা যায়।
    ৬) ন্যাশনাল স্কুল অফ লিডারশিপ, স্পোর্টস সাইকোলজি বিষয়ে এখানে সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়।
    ৭) ইনস্টিটিউট অফ হোলিস্টিক মেন্টাল হেলথ, এখানে স্পোর্টস সাইকোলজি বিষয়ে পিজি ডিপ্লোমা কোর্স করানো হয়।
    ৮) রয়্যাল স্কুল অফ বিজনেস, এখানে স্পোর্টস সাইকোলজি বিষয়ে বিভিন্ন কোর্স করানো হয়। 
    ৯) ইনস্টিটিউট অফ স্পোর্টস সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, স্পোর্টস সাইকোলজি বিষয়ে সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা সহ বিভিন্ন কোর্স এখান থেকে করা যেতে পারে।
    ১০) নেতাজি সুভাষ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্পোর্টস, এখান থেকেও স্পোর্টস সাইকোলজি বিষয়ে অনেক কোর্স করানো হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share