Blog

  • Shweta Bachchan: ৩,০০০ টাকা মাস মাইনের স্কুলের চাকরিও করেছেন, জানালেন অমিতাভ-কন্যা শ্বেতা

    Shweta Bachchan: ৩,০০০ টাকা মাস মাইনের স্কুলের চাকরিও করেছেন, জানালেন অমিতাভ-কন্যা শ্বেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বাবা-মা অমিতাভ বচ্চন- জয়া বচ্চন। কিন্তু স্বাবলম্বী না হওয়ার দুঃখ আজও বয়ে বেড়ান তিনি। তিনি শ্বেতা বচ্চন নন্দা। শিল্পপতি নিখিল নন্দার স্ত্রী। নিখিল নন্দা করিনা-রনবীরের তুতো ভাই। প্রাচুর্যের এই চূড়ায় থেকেও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকার বিষয়ে বরাবর অকপট তিনি। সম্প্রতি আরও একবার মেয়ে নভ্যা নভেলির পডকাস্ট শোতে সেই কথা স্বীকার করে নিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: কবে ভারতে আসবে ট্যুইটার ব্লু? প্রশ্নের জবাবে কী বললেন ইলন মাস্ক?  

    শ্বেতা জানান, তখন সবে বিয়ে হয়েছে তাঁর। মুম্বই ছেড়ে দিল্লিতে গিয়ে সংসার পেতেছেন। কিন্তু নিজের খরচ চালানোরও সামর্থ্য ছিল না তাঁর। আবার স্বামী নিখিল নন্দার কাছে হাত পাততেও পারতেন না। তাই সেই সময় শ্বেতা দিল্লির একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। মাসে ৩ হাজার টাকার বেতনের ওই চাকরিতেই সেই সময় আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন শ্বেতা।

    তাঁর স্বাবলম্বী না হওয়ার দোষ পুরোপুরিই মা জয়া বচ্চনকে দিয়েছেন শ্বেতা। তাঁর কথায়, বাব-মা-ই তাঁর সন্তানদের স্বাবলম্বী হওয়া শেখায়। কিন্তু জয়া তা হতে দেন নি। শ্বেতা জানান, তিনি স্কুল কলেজের সময় ভাই অভিষেকের কাছ থেকে টাকাও ধার নিতেন। পাশাপাশি এও বলেন, টাকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলা।

    আরও পড়ুন: ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার দানুশকা গুনাথিলাকা 

    তবে শ্বেতা এ-ও জানান যে, তাঁর বাড়ির টাকার সব দায়িত্ব এখন তাঁর মেয়ে নব্যার। তাঁর মেয়েই সবটা গুছিয়ে রাখেন। শ্বেতার মেয়ে নব্যা এবং ছেলে অগস্ত্য। অনেকেই আশা করেছিলেন, অভিনয়ে পা রাখবেন নব্যা নভেলি। কিন্তু এখনই তাঁর কোনও চিন্তাভাবনা নেই অভিনয়ে আসার। অন্য দিকে খুব তাড়াতাড়ি বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে অগস্ত্যের।

    মেয়ে নব্যা নন্দার (Navya Nanda) চ্যাট শো-তে একসঙ্গে এসেছিলেন জয়া এবং শ্বেতা। অর্থাৎ এক মঞ্চে বচ্চন পরিবারের তিন প্রজন্ম। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Birbhum: ফিরহাদের উপস্থিতিতেই সিউড়িতে বগটুই স্মৃতি! তৃণমূলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মৃত ১

    Birbhum: ফিরহাদের উপস্থিতিতেই সিউড়িতে বগটুই স্মৃতি! তৃণমূলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বগটুইয়ের স্মৃতি ফিরে এলো বীরভূমের সিউড়িতে (Birbhum Siuri)। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দে (Tmc inner clash) খুন হল এক জন। আগুন লাগানো হল একাধিক বাড়িতে। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) যখন খোদ সিউড়িতে হাজির, তখনই কাল মাঝরাত থেকে এই কাণ্ড চলল সেখানে । বালি খাদানের দখলদারি ঘিরে গোষ্ঠীকোন্দলের ফলে খুন হতে হল কাজল শেখের বিরোধী গোষ্ঠীর একজনকে। তার নাম ফাইজুল সেখ। এর পাল্টা আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল কাজল শেখের বাড়ি চত্বরে। পুলিশের সামনেই চলল লাগাতার বোমাবাজি। 

    বীরভূমে বালি খাদানের দখল নিয়ে তৃণমূলে গোষ্ঠী কোন্দল বহু পুরনো। ইদানিং তা চরম আকার নিয়েছিল কাজল সেখ ও আতাউর সেখ গোষ্ঠীর মধ্যে। পুলিশি হস্তক্ষেপে তা মেটানোর চেষ্টা চললেও, এবার তা চরম আকার নিল। আতাউরের অভিযোগ, কাজলের লোকজন তার দল ভাঙানোর চেষ্টা করছিল। খুনের হুমকিও দিয়েছিল। গতকাল রাতে বাঁশজোড় এলাকায় তারা ফাইজুল সেখকে ভোজালির কোপ মারে। দেহের বিভিন্ন অংশে ভোজালির আঘাতে লুটিয়ে পড়ে ফাইজুল। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। 

    আরও পড়ুন: মামলা করে টাকা ও সময় নষ্ট করছে দেউলিয়া সরকার! বকেয়া ডিএ নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    হাসপাতাল চত্বরে হাজির মৃতের ঘনিষ্ঠদের স্পষ্টই বলতে শোনা যায়, ‘কেন পার্টি করছিস!মুখ খুললে একজনের পর এবার অনেককে খুন হতে হবে।’ এই স্বগতোক্তিই বুঝিয়ে দেয়, বীরভূম তৃণমূলের প্রকৃত চেহারা। অনেকদিন ধরেই বালি খাদান দখল নিয়ে শাসক দলের মধ্যে কাজিয়া তুঙ্গে। আর এই কাজিয়াকে ঘিরে প্রায়শই সেখানে চলে বোমাবাজি। খুনের ঘটনাও ঘটে আকছার। বহুদিন ধরেই এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে নাম উঠে এসেছে কাজল সেখের। গতকাল সেই কাজল সেখের সঙ্গেই এক ছবিতে দেখা যায় ফিরহাদ হাকিমকে।

    অনুব্রতর গ্রেফতারির পর বীরভূমে যখন ছন্নছাড়া অবস্থা তৃণমূলের, পঞ্চায়েত ভোটের আগে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টায় সেখানে ছুটে যান ফিরহাদ হাকিম। অনুব্রতকে সেখানে তিনি বাঘের সঙ্গে তুলনা করেন। কয়লা পাচার, গরু পাচারে অভিযুক্ত হয়ে যখন নিজের এলাকাতেই নিন্দিত অনুব্রত, তখন তাঁকে বাঘের সঙ্গে তুলনা করে একটা শ্রেণীকে চাঙ্গা করতে চান রাজ্যের মন্ত্রী। কথা বলেন কাজল সেখের সঙ্গেও। আর তারপরই এই খুনের ঘটনা। খুন, আগুন, বোমাবাজি। বীরভূমে তৃণমূল আছে একই মেজাজে। আর তার ফলে কখনও জ্বলছে বগটুই, কখনও বাঁশজো়ড়।

  • Twitter Blue: কবে ভারতে আসবে ট্যুইটার ব্লু? প্রশ্নের জবাবে কী বললেন ইলন মাস্ক?

    Twitter Blue: কবে ভারতে আসবে ট্যুইটার ব্লু? প্রশ্নের জবাবে কী বললেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবে ট্যুইটার ব্লু (Twitter Blue) আসবে ভারতে? এমনই এক প্রশ্ন সম্প্রতি মাইক্রো ব্লগিং সাইটের নয়া মালিককে করেছিলেন এক ভারতীয়। উত্তর দিলেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। পাল্টা ট্যুইটে লেখেন, এক মাসের কম সময়েই ভারতে চলে আসবে ট্যুইটারের এই বিশেষ ভার্সান।   

    কিছু কিছু জায়গায় ট্যুইটারের ৮ মার্কিন ডলারের এই বিশেষ ফিচার এসেছে। এই ফিচার মূলত আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্যে। নতুন ভেরিফিকেশন সিস্টেমের ট্যুইটার ব্লু্র সুবিধা আপাতত ইউএস, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে- এর আইফোন ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন।

     

    আইফোনের ট্যুইটার অ্যাপের বিষয়ে একটি নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, ট্যুইটার ব্লুতে আরও নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হবে। এখন সাবস্ক্রাইব করলে প্রতিমাসে ৭.৯৯ মার্কিন ডলারেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।  

    ট্যুইটার আরও জানায়, ট্যুইটার ব্লু ব্যবহারকারীদের হ্যান্ডেলে তারকাদের মতোই ব্লু টিক থাকবে। নতুন ফিচারগুলি সম্পর্কেও জানিয়েছে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়েছে, বিজ্ঞাপনের পরিমাণ অর্ধেক করা হবে, আরও দীর্ঘ ভিডিও পোস্ট করা যাবে, কন্টেন্ট- এর প্রায়োরিটি র‍্যাঙ্কিং করা হবে। এতে স্প্যাম, বটের পরিমাণ কমে আসবে। 

    আরও পড়ুন: জাতীয় গেমসে অংশ নিচ্ছেন না নীরজ! সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ, চোটমুক্ত থাকাই লক্ষ্য

    সম্প্রতি ব্লু টিকের জন্যে ট্যুইটার মাসিক চার্জ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এতে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে নেট পাড়া। অনেকেরই বক্তব্য, সাংবাদিক, লেখকরা প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট শেয়ার করেন ট্যুইটারে। তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া অনৈতিক। অনেকে আবার ইলন মাস্কের এই নতুন সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই ভেরিফিকেশন সিস্টেমের ফলে, অনেক নতুন ফিচারের সুবিধাও উপভোগ করা যাবে। 

    ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, ট্যুইটার ব্লু- র মাসিক ভাড়া দেশের চাহিদা বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • China Spy Ship: ভারত মহাসাগরে ফের চিনা গুপ্তচর জাহাজ, কারণ জানেন?  

    China Spy Ship: ভারত মহাসাগরে ফের চিনা গুপ্তচর জাহাজ, কারণ জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও গুপ্তচর (China Spy Ship) জাহাজ পাঠাল শি জিন পিংয়ের দেশ। বর্তমানে ভারত মহাসাগরে রয়েছে চিনের ওই গুপ্তচর জাহাজ। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে ভারত (India)। ভারতীয় নৌবাহিনী এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে। নজর রাখছে জাহাজটির ওপরও।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) সূত্রে খবর, ভারত মহাসাগরে চিন যে গুপ্তচর জাহাজটি (China Spy Ship) মোতায়েন করেছে, সেটি ভারতের জলসীমার অনেক দূরে। তবুও নিরাপত্তার খাতিরে ড্রাগনের দেশের ওই গুপ্তচর জাহাজটির ওপর কড়া নজর রাখছে ভারত। মানববিহীন এরিয়াল ভেহিক্যাল দিয়েই চালানো হচ্ছে নজরদারি।

    অগাস্ট মাসেই একটি চিনা গুপ্তচর (China Spy Ship) জাহাজ নোঙর করেছিল শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে। এরই কিছু দিন আগে চিনের ওই জাহাজটি রওনা দিয়েছিল শ্রীলঙ্কার দিকে। তখনই আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আমেরিকাও। জাহাজটি যাতে হাম্বানটোটা বন্দরে নোঙর না করে, সেজন্য শি জিন পিংয়ের দেশকে আবেদন করেছিল শ্রীলঙ্কাও। সেসব কানে না তুলেই শ্রীলঙ্কা অভিমুখে যাত্রা করতে শুরু করে ইউয়ান ওয়াং-৫ নামের ওই জাহাজটি।

    জানা গিয়েছে, ওই গুপ্তচর জাহাজটি (China Spy Ship) চিনের মহাকাশ ও উপগ্রহ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু জাহাজটি শি জিন পিংয়ের দেশের মহাকাশ ও উপগ্রহ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। নয়াদিল্লির আশঙ্কা, অত্যাধুনিক এই জাহাজের মাধ্যমে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর নজরদারি চালাতে পারে ড্রাগনের দেশ। ভারতের এই আপত্তির পরে পরেই শ্রীলঙ্কার তরফেও চিনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাদের বন্দরে ওই জাহাজ যেন নোঙর না করে। তার পরেও জাহাজ আসে হাম্বানটোটায়। কয়েকদিন পরে শ্রীলঙ্কার বন্দর ছাড়ে জাহাজটি।

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কা ছেড়ে গেল চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, হাঁফ ছাড়ল ভারতও

    সূত্রের খবর, বর্তমানে বালি উপকূলের কাছাকাছি রয়েছে চিনের এই নয়া গুপ্তচর জাহাজটি (China Spy Ship)। এটি এমন এক সময় ভারত মহাসাগরে পৌঁছেছে, যখন ভারত একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নোটিশ জারি করেছে। প্রসঙ্গত, ভারত ১০-১১ নভেম্বরের মধ্যে ওড়িশা উপকূলে আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে নিক্ষেপ করতে পারে ক্ষেপণাস্ত্রটি। ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ২২০০ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mukhtar Ansari: আর্থিক তছরুপ মামলায় উত্তর প্রদেশে ইডির হাতে গ্রেফতার মুখতার আনসারির ছেলে   

    Mukhtar Ansari: আর্থিক তছরুপ মামলায় উত্তর প্রদেশে ইডির হাতে গ্রেফতার মুখতার আনসারির ছেলে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার উত্তর প্রদেশের আব্বাস আনসারি (Abbas Ansari)। তিনি সুহেলদেব ভারতীয় সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক। মউ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। সেটি হল, তিনি গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া মুখতার আনসারির (Mukhtar Ansari) ছেলে। শনিবার আব্বাসকে গ্রেফতারির খবর জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই সংস্থার আধিকারিকরা জানান, আর্থিক তছরুপের মামলায় (Money Laundering Case) গ্রেফতার করা হয়েছে মুখতারের ছেলেকে।

    ইডির আধিকারিকরা জানান, বছর তিরিশের আব্বাসকে গ্রেফতার করার আগে দীর্ঘক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের ফেডারেল এজেন্সির অফিসে জেরা করা হয় তাঁকে। পরে গ্রেফতার করা হয় মউয়ের বিধায়ককে। তাঁরা জানান, আর্থিক তছরুপের মামলায় তাঁর বাবা (Mukhtar Ansari) এবং পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল। সেই সূত্রেই গ্রেফতার করা হয়েছে আব্বাসকে। জানা গিয়েছে, মুখতার আনসারির সাতটি স্থাবর সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে ইডি। যার মূল্য ১.৪৮ কোটি টাকা।

    মুখতার আনসারি (Mukhtar Ansari) বর্তমানে উত্তর প্রদেশেরই বান্দা জেলে বন্দি। তিনি পাঁচ বারের বিধায়ক ছিলেন। গতবছর এই মামলায় তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। কেবল তাঁকেই জেরা নয়, চলতি বছরের অগাস্ট মাসে ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা তাঁর দাদা এবং বহুজন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আফজল আনসারির দিল্লির বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন। গাজিপুর, মোহম্মদাবাদ, মউ এবং লখনউতেও হানা দিয়েছিল ইডির তদন্তকারী দল। মুখতারের (Mukhtar Ansari) বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের একাধিক অভিযোগ দায়ের হয় উত্তর প্রদেশ পুলিশের কাছে। এছাড়াও দুটি অভিযোগ দায়ের হয় বিকাশ কনসট্রাকশান নামে একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে। এই কোম্পানিটি চালান মুখতারের স্ত্রী, দুই শ্যালক এবং অন্যরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সব বলে এসেছি…’’, ইডি-র সামনে কোন কোন সত্যের খোলসা করলেন কেষ্ট-কন্যা?

    মুখতার আনসারির (Mukhtar Ansari) বিচার চলছে সাতটি মামলায়। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর প্রদেশে খুন এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগও। অগাস্ট মাসেই গাজিপুর জেলা প্রশাসন তাঁর দুটি জমি বাজেয়াপ্ত করেছে। এর আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকারও বেশি। পুলিশের দাবি, অবৈধভাবে রোজগারের টাকায় কেনা হয়েছিল ওই দুটি জমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • 100 Days Work: বন্ধ ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা, নেই বিকল্প কাজ, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে বিপাকে রাজ্য সরকার

    100 Days Work: বন্ধ ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা, নেই বিকল্প কাজ, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে বিপাকে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের দেওয়া টাকায় হয়েছে খয়রাতি। টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একশো দিনের কাজ (100 Days Work) প্রকল্প। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে চাপ। বিভিন্ন সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করছেন, বিকল্প কাজ দেওয়া হচ্ছে। তবে তা যে নিছকই ফাঁকা আওয়াজ মাত্র, সরকারি নির্দেশেই তা স্পষ্ট।

    সম্প্রতি একটি সার্কুলার জারি করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দফতরের তরফে জবকার্ড (Job Card) হোল্ডারদের যে কাজ দেওয়া হচ্ছে, তা সন্তোষজনক নয়। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সার্কুলারের নীচেই কী কী করতে হবে, তা বলে দেওয়া হয়েছে।

    প্রথম করণীয় কর্তব্য হিসেবে বলা হয়েছে, যে সব অদক্ষ শ্রমিকের জবকার্ড রয়েছে, একশো দিনের কাজ প্রকল্পে কেবল তাঁদেরই নিযুক্ত করতে হবে। দ্বিতীয় কর্তব্য হল, যাঁরা কোনওভাবে কাজে নিযুক্ত হয়েছেন, অথচ জবকার্ড নেই, জেলা প্রশাসনের উচিত তাঁদের তা অবিলম্বে দিয়ে দেওয়া। মুখ্য সচিবের জারি করা ওই নির্দেশিকায় হইচই রাজ্যজুড়ে। 

    একশো দিনের কাজ প্রকল্পে জবকার্ড হোল্ডাররা যাতে কাজ পান, তার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। গরিব মানুষ যাতে উপকৃত হন, সেজন্য একাধিক প্রকল্পও চালু করেছে মোদি সরকার। অভিযোগ, সেই সব কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যের প্রকল্প বলে চালানো হচ্ছিল। একশো দিনের কাজেও বিস্তর দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। কেন্দ্রের দেওয়া টাকায় হয়েছে খয়রাতি। শেয়ালকে কুমির ছানা দেখানোর মতো একই কাজকে বিভিন্নভাবে দেখানো হয়েছে। সেই ‘চুরি’র পর্দা ফাঁস হয়ে যেতেই টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। 

    পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় প্রকল্প খরচে অনিয়মের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বকেয়া টাকা দিতে দিল্লি যে নারাজ, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় গ্রামান্নোয়ন মন্ত্রকের মহাত্মা গান্ধী গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের অধিকর্তা ধরমবীর ঝা রাজ্যের পঞ্চয়েত সচিব পি উল্গানাথনকে চিঠি দিয়ে এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। রাজ্যে গ্রামান্নোয়ন প্রকল্পে খরচের অনিয়ম নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল যে সব প্রশ্ন তুলেছিল তা কার্যকর করা নিয়ে রাজ্য সরকারের অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টে দিল্লি যে সন্তুষ্ট নয়, তাও পরিষ্কার করে দিয়েছে এই চিঠিতে।

    প্রায় ২ কোটি টাকা ভুয়ো খরচ হয়েছে বলে কেন্দ্রকে পাঠানো অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টে উল্লেখ করেছে রাজ্য সরকার। পরের চিঠিতে কেন্দ্রীয় অধিকর্তা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল বাংলায় এসে মাটি ফেলার কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। সেই সব কাজে খরচ হওয়া সমস্ত টাকা উদ্ধার করতে হবে। এই কাজে যে সব সরকারি কর্মচারি বা পঞ্চায়েত কর্মী টাকা আত্মসাৎ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কেন্দ্রের মতে, চালু রাস্তার ওপর মাটি ফেলার নাম করে তহবিল তছরুপ করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে জব কার্ড হোল্ডারের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। এঁরা সবই অদক্ষ শ্রমিক। রাজ্য সরকার দাবি করেছিল, ১৬টি সরকারি দফতর থেকে জবকার্ড হোল্ডার এই অদক্ষ শ্রমিকদের বিকল্প কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে। কিন্তু, গত মে মাস থেকে এই দফতরগুলি মাত্র ২৮ লক্ষ ৪৪ হাজার জবকার্ড হোল্ডারকে গড়ে ১৮ দিন কাজ দিতে পেরেছে। ফলে, কাজ না থাকায় জব কার্ড হোল্ডারদের একটা বড় অংশ কাজ পাচ্ছেন না। তাই এখন জবকার্ড বিলিতে কাটছাঁট করতে চাইছে রাজ্য।

    আরও পড়ুন: নবান্নে এখনই বৈঠক হচ্ছে না অমিত শাহ- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, বাতিল হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা সফর

    স্বাভাবিকভাবেই নবান্নের এখন জোড়া চিন্তা। এক, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া টাকা পাওয়া এবং দুই, গ্রামবাংলার কর্মহীন মানুষকে বিকল্প কর্মসংস্থান দেওয়া। আপাতত তারই পন্থা হাতড়াচ্ছে নবান্ন। সেই কারণেই সরকারি সার্কুলার বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষকই ভক্ষক! চুরি-ডাকাতি সহ নানা অপরাধে দুষ্কৃতীদের ধরাই যাঁদের কাজ, সেই পুলিশই কী না গ্রেফতার পুলিশের (Police) হাতে! আজ্ঞে হ্যাঁ। গত পাঁচ মাসে কলকাতায় (Kolkata) অন্তত ১১ জন পুলিশ (Kolkata Police) কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে। ধৃত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর সব অভিযোগ। এই সব সমস্যায় পড়লে বিপদগ্রস্ত মানুষ যেখানে পুলিশের ভরসায় থাকেন, সেখানে পুলিশই অভিযুক্ত হওয়ায় রাজ্যজুড়ে হাসির ছররা!

    অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর অভিযোগে যেসব পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা সবাই যে সাধারণ পুলিশ কর্মী, তা নন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে যেমন ন জন কনস্টেবল রয়েছেন, রয়েছেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, তেমনি রয়েছেন একজন অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইনসপেক্টরও।  

    ধৃত পুলিশ কর্মীদের অপরাধের ধরনও আলাদা। জনবহুল বাজার থেকে কাউকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে কোনও এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। অপহৃত ব্যক্তিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার আগে সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। যাঁরা সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র দিতে চাননি, তাঁদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: “মাঝরাতে মহিলাদের আটক করা যায়?” প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

    কিছুদিন আগেই রাজ্যে ইনসপেক্টর জেনারেল পদ থেকে অবসর নিয়েছেন প্রবীণ এক আইপিএস আধিকারিক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আধিকারিক বলেন, এত কম সময়ে এক সঙ্গে এতজন পুলিশ কর্মীর, যাঁদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল চার্জ রয়েছে, গ্রেফতারি আমি চাকরি জীবনে দেখিনি। তিনি বলেন, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এই দফতরটা দেখেন।

    জানা গিয়েছে, সাদা পোশাক পরে অপরাধ (Crime by Police) করেননি গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীরা। অপরাধ করার সময় তাঁরা পরেছিলেন পুলিশের উর্দিই। যার অর্থ, পুলিশের পরিচয়েই অপরাধ করেছেন তাঁরা। পুলিশের পরিচয়ে তাঁরা প্রথমে শিকারের বিশ্বাস অর্জন করেছেন, পরে সব কেড়ে নিয়ে নিঃস্ব করে ছেড়েছেন। এক পুলিশ কর্মীর সরস মন্তব্য, অপরাধ করলে পুলিশও যে পার পাবে না, এটা একটা ভাল লক্ষণ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tripura Murder: হাড়হিম করা কাণ্ড! মা-বোন-দাদু সহ চারজনকে কুপিয়ে খুন নবম শ্রেণির ছাত্রের, কারণটা কী?

    Tripura Murder: হাড়হিম করা কাণ্ড! মা-বোন-দাদু সহ চারজনকে কুপিয়ে খুন নবম শ্রেণির ছাত্রের, কারণটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গা শিউরে ওঠার মত ঘটনা (Tripura Murder)। মা, বোন, দাদু সহ চারজনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল এক নাবালকের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, নাবালকটি নবম শ্রেণির ছাত্র। গতকাল, রবিবার ঘটনাটি ত্রিপুরার ধলাই জেলায় ঘটেছে। খুন করার সময় আশেপাশের যাতে কেউ টের না পায় তাই তারস্বরে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে রেখে দিয়েছিল। শুধুমাত্র খুন নয়, খুনের পর মৃতদেহ লুকিয়ে রাখার জন্য বাড়ির পাশে গর্তও খুঁড়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    এক নবম শ্রেণির ছাত্র কীভাবে এমন নৃশংস খুন (Tripura Murder) করতে পারে তা শুনেই সবাই শিউরে উঠছেন। এরপরেই তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, ছেলেটি মোবাইল গেমে এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে, নিজের মা, বোন কে খুন করতে একবারও হাত কাঁপেনি। মোবাইল গেম খেলার জন্য চাহিদা মতো টাকা দিতে রাজি ছিল না তার বাবা-মা৷ আর তারই ক্ষোভে এমন হাড় হিম করা কাণ্ড ঘটিয়েছে ছেলেটি। 

    আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে আর্থিক অনগ্রসরদের ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছিল অভিযুক্ত নাবালক৷ মাঝে মধ্যেই বাবা-মায়ের থেকে গেম খেলার জন্য টাকা চাইত সে৷ তা নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে অশান্তিও বাঁধত তার৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রথমে মাথার পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে তারপর তিনজনকে কুপিয়ে খুন করে সে৷ ওই কিশোর যখন এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে তখনই জল খাওয়ার জন্য তাদের বাড়িতে আসেন এক প্রতিবেশী৷ তখন তাঁকেও একই ভাবে ওই কিশোর খুন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের পর বাড়ির পাশেই মৃতদেহ লোপাট করতে বিশাল গর্তও খুঁড়েছিল। আর এই খবর জানাজানি হতেই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। পরে তার চেষ্টা সফল হয়নি ও গতকাল গভীর রাতেই গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ এসে বাড়ির মধ্যে থেকে একজনের দেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে এসে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক দল। পুলিশ সূত্রে খবর, আজই অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করবে পুলিশ৷

  • Sukanta Majumdar: ‘দুধ দিলে ক্ষীর পাবে, কিন্তু…’, কাকে এমন হুঁশিয়ারি দিলেন সুকান্ত, জানেন?

    Sukanta Majumdar: ‘দুধ দিলে ক্ষীর পাবে, কিন্তু…’, কাকে এমন হুঁশিয়ারি দিলেন সুকান্ত, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুধ দিলে ক্ষীর পাবে। কিন্তু অন্য কিছু দিতে এলে উপযুক্ত পরিণাম পাবে। শিলিগুড়ির সেবক রোডে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Poll) বিজেপি যে তৃণমূলকে (TMC) এমনি এমনি মাঠ ছেড়ে দেবে না, এদিন সুকান্তের কথায়ই তা স্পষ্ট। ওই ভোটে প্রয়োজন পড়লে তৃণমূলকে ‘কোচবিহার দাওয়াই’ দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বালুরঘাটের অধ্যাপক-সাংসদ।

    নতুন বছরের এপ্রিলের দিকে পঞ্চায়েত ভোট হওয়ার কথা। এর আগের পঞ্চায়েত ভোট হয়েছিল ২০১৮ সালে। সেই ভোটে পঞ্চায়েতের সিংহভাগ আসনে বিরোধীদের প্রার্থীই দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। যে কটি আসনে বিজেপি প্রার্থী দিতে পেরেছিল, সেখানেই জয়জয়কার হয়েছে পদ্ম-প্রার্থীদের।

    তবে ২০১৮ সালের ওই নির্বাচনের সঙ্গে ২০২২ এর ফারাক যে বিস্তর, এদিন তা বুঝিয়ে দিয়েছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। সেটা বোঝাতে গিয়েই কোচবিহার দাওয়াইয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এদিন শিলিগুড়ির ওই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সুকান্ত বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস হলে বর্তমান বিজেপি তা চুপ করে বসে দেখবে না। পুরসভার নির্বাচনের সময়ের বিজেপির সঙ্গে বর্তমান বিজেপিরও অনেক ফারাক। কিছুদিন আগেই তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কোচবিহারে। এর পরেই হুঁশিয়ারির সুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, দুধ দিলে ক্ষীর পাবে। কিন্তু অন্য কিছু দিতে এলে উপযুক্ত পরিণাম পাবে। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন এভাবে চোখে চোখ রেখে হবে।

    আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

    প্রসঙ্গত, নভেম্বরের তিন তারিখ, বৃহস্পতিবার কোচবিহারে হামলা হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে। ঘটনাটি ঘটে কোচবিহারের সিতাইয়ে। নিশীথের কনভয় যখন এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন একদল লোককে আচমকাই লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই এলাকায় জড়ো হতে দেখা যায়। তারা মন্ত্রীর গাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। সেদিন নিশীথও বলেছিলেন, ওই জনতার হাতে লাঠির পাশাপাশি পাথরও ছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা এসব নিয়ে জমায়েত করেছিল। তিনি বলেছিলেন, কোনও মন্ত্রী তাঁদের সামনে আক্রান্ত হবেন, আর বিজেপির কর্মীরা তা বসে বসে দেখবেন, তা হবে না। নিশীথের সেই সুরই এবার শোনা গেল সুকান্তের (Sukanta Majumdar) গলায়ও!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Facebook: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    Facebook: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের পর এবার ফেসবুক। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের  (Wall Street Journal) প্রতিবেদন অনুযায়ী,  খুব তাড়াতাড়ি তারা সংস্থার বহু কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা। ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বুধবার থেকেই। সংস্থার তরফে এ সপ্তাহের শুরুতে কর্মীদের কোথাও অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণে যেতে বারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি ট্যুইটার (Twitter) থেকে কর্মী ছাঁটাই করেছেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। একই পথে হাঁটতে চলেছে ফেসবুকের (Facebook) প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গও (Mark Zuckerberg)।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভুল হয়েছে, ফিরে আসুন…’’! বহু সদ্যপ্রাক্তন কর্মীকে পুনরায় কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন ট্যুইটারের

    অক্টোবর মাসে মেটার তরফে  বলা হয়েছিল, আগামী বছর স্টক মার্কেট ভ্যালু ৬৭ বিলিয়ন ডলার কমে যেতে পারে। এ বছর ইতিমধ্যেই এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্ধেক ভ্যালু নষ্ট হয়েছে। এই দুর্দশার কারণ দুনিয়াজুড়ে অর্থনীতি মন্থর হয়ে পড়ছে।  জুনে, মেটার প্রধান পণ্য কর্মকর্তা ক্রিস কক্স কর্মীদের ‘গুরুতর সময়ের’ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। সেই সময়ে তিনি জানান যে কর্মীদেরকে অবশ্যই ‘ধীরগতির বৃদ্ধির পরিবেশে নির্ভুলভাবে কর্মসম্পাদনা করতে হবে’। মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গ একই সময়ে কর্মীদের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে ‘সম্ভবত কোম্পানিতে এমন এক গুচ্ছ লোক রয়েছেন যাদের এখানে থাকা উচিত নয়’। জুকারবার্গ পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরে নিয়োগ স্থগিত করে এবং সতর্ক করে দেন যে অদূর ভবিষ্যতে কোম্পানির আকার কমতে পারে। 

    আরও পড়ুন: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেই ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরিতে নিয়োগ ৩০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছিল মেটা। বর্তমানে  ৮৭,০০০ এরও বেশি কর্মচারী রয়েছে মেটায়। কিন্তু এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হলে কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এই ছাঁটাই ট্যুইটারে ব্যাপক ছাঁটাইয়ের তুলনায় মেটাকে আরও বেশি প্রভাবিত করতে পারে। ট্যুইটারের ছাঁটাই কোম্পানির ৭,৫০০ কর্মচারীর মধ্যে প্রায় অর্ধেককে প্রভাবিত করেছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share