Blog

  • Karnataka Hijab Row: বাধ্য হয়ে কোরানের প্রসঙ্গ আনতে হয়েছে কর্নাটক হাইকোর্টকে, হিজাব মামলায় সুপ্রিম কোর্ট 

    Karnataka Hijab Row: বাধ্য হয়ে কোরানের প্রসঙ্গ আনতে হয়েছে কর্নাটক হাইকোর্টকে, হিজাব মামলায় সুপ্রিম কোর্ট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের কোরানের ব্যাখ্যা করার অধিকার নেই। হিজাব মামলায় সুপ্রিম কোর্টে এমনটাই দাবি করল মুসলিম পক্ষ। এর উত্তরে সুপ্রিম কোর্ট কর্নাটক হাইকোর্টের (Karnataka High Court) পাশে দাঁড়িয়ে (Supreme Court on Hijab ban case) বলে, “বাধ্য হয়ে কোরানের প্রসঙ্গ তুলে ধরতে হয়েছে কর্নাটক হাইকোর্টকে। মামলাকারীরাই মামলায় হিজাবের পক্ষে সওয়াল করার সময় কোরানের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।” মুসলিম তরফে বলা হয়েছে, কোরান অনুযায়ী হিজাবের (Hijab Row) আবশ্যকতা বিচার করেছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু নিজের সম্মান এবং পরিচয় বজায় রাখতে কেউ যদি হিজাব পরতে চায়, তাহলে তার অধিকারে বাধা দেওয়া উচিত কিনা, তা বিবেচনা করে দেখা উচিত। কিছুদিন আগেই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইউনিফর্ম ছাড়া অন্য পোশাক পরা যাবে না। ব্যক্তি স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে অন্য কোনও পোশাক পরতে দেওয়া যায় না।  

    আরও পড়ুন: ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন’-এর মাধ্যমে ইরানে চিহ্নিত করা হবে হিজাব উপেক্ষা করা মহিলাদের

    মুসলিম পক্ষের আইনজীবী ইউসুফ মুছালা সওয়াল করতে গিয়ে বলেন, “অমৃতধারী শিখ মহিলারা পাগড়ি পরেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও পাগড়ি পরা থেকে তাঁদের আটকানো হয় না। সেই কথা মাথায় রেখেই মুসলিম পড়ুয়াদের হিজাব পরার অধিকার দেওয়া উচিত।” একই সঙ্গে কোরানের অর্থ বিবেচনা করে হিজাবের গুরুত্ব বুঝতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হিজাব পরার গুরুত্ব রয়েছে কিনা, সেই নিয়ে বিচার করার অর্থ ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা।” তার উত্তরেই সুপ্রিম কোর্ট জানায়, “নেহাত বাধ্য হয়েই কোরান প্রসঙ্গ টেনে আনতে হয়েছে কর্নাটক হাইকোর্টকে।”

    বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও সুধাংশু ধুলিয়ার ডিভিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, “আপনাদের ধর্মাচরণের অধিকার থাকতেই পারে। কিন্তু তা কি স্কুলে দেখানো যায়, যেখানে একটি নির্দিষ্ট পোশাকই সকলকে পরতে হয়?” এমনকি বিচারপতিদের ডিভিশন বেঞ্চ এই প্রশ্নও তোলে, “তাহলে কি পড়ুয়ারা স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে মিনি, মিডি যা খুশি পরে আসতে পারে? রাজ্য কারোর পোশাক পরার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে না। শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইউনিফর্ম বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    এই প্রসঙ্গে মুসলিম পক্ষের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ইউসুফ এইচ মুছালা এবং সলমন খুরশিদ বলেন, “আদালত আরবি ভাষায় দক্ষ নয়। যে কারণে হিজাব নিয়ে কোরানের ব্যাখ্যা বুঝতে অসুবিধে হয়েছে। কোরানেও কিন্তু হিজাবকে মহিলার অধিকার রক্ষার পোশাক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।”

    এর আগে মুসলিম পক্ষ হিজাবকে ইসলামে অপরিহার্য বলে দাবি করেছিল। সোমবার বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত ও বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি করেন। বুধবারও চলবে হিজাব মামলার শুনানি।

    ভারত ছাড়াও ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে হিজাব নিয়ে বিতর্ক চলছে। ফ্রান্স এই পোশাকে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে সেখানে নারীবাদী সংগঠনগুলি নারীর অধিকারের লড়াই চালাচ্ছে। 

    গত ৫ ফেব্রুয়ারি কর্ণাটক (Karnataka) সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তারপর থেকেই সেই রাজ্যে এই ইস্যুতে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশেষ করে উদুপ্পি জেলায় বিক্ষোভের জেরে স্কুল-কলেজগুলি রীতিমতো রণক্ষেত্রের রূপ ধারণ করেছিল। বেশ কয়েকদিন স্কুল-কলেজ বন্ধও রাখতে হয় কর্ণাটক সরকারকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Hyderabad Fire: হায়দ্রাবাদে শো-রুমে বিধ্বংসী আগুন, শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত ৮, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    Hyderabad Fire: হায়দ্রাবাদে শো-রুমে বিধ্বংসী আগুন, শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত ৮, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দ্রাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে হায়দ্রাবাদের সেকেন্দ্রাবাদের মার্কেট থানা এলাকার একটি ইলেকট্রিক বাইকের শো-রুমে প্রথমে আগুন লাগে এবং ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়ে শো রুমের উপরে থাকা হোটেলেও। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।

    পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লিডিংটির নিচতলায় ইলেকট্রিক স্কুটারের শোরুমে প্রথমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং শীঘ্রই প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় রুবি নামক হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে। আর সেই ওপরের হোটেলে অন্তত ২৫ জন ছিলেন। আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোমবার রাত নটার পর আগুন লাগে হোটেলের একতলায় থাকা ই-স্কুটারের শোরুমে। এরপরেই একে আশেপাশের জায়গাতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। 

    ডেপুটি কমিশনার চন্দনা দিপ্তি জানিয়েছেন, যেখানে ইলেকট্রনিক স্কুটারগুলো পার্ক করা ছিল, সেখান থেকেই আগুন লেগে যায়। ফলে অনুমান করা হয়েছে, বেশ কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারে ওভার-চার্জিং-এর ফলেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আরও জানা গিয়েছে, এই বিল্ডিং-এর ওয়াটার স্প্রিঙ্কলার সিস্টেমও কাজ করছিল না। তবে এই অগ্নিকাণ্ডের আসল কারণ কী, তা নিয়ে খতিয়ে  দেখছেন তাঁরা।

    [tw]


    [/tw]

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডের পর ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকল। তারপর দমকল কর্মীরা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে আটকে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধার করেছেন। জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়ে সাহায্য করেছিলেন। আহত ব্যক্তিদের তড়িঘড়ি নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ধোঁয়ার ফলেই শ্বাসরোধ হয়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    রাতেই ঘটনাস্থলে যান তেলেঙ্গনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহম্মদ মাহমুদ আলি (Home Minister Mohammad Mehmood Ali)। এই অগ্নিকাণ্ডকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “খুবই দুঃখজনক ঘটনা। দমকলকর্মীরা হোটেল থেকে লোকজনকে উদ্ধারের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে কিছু লোকের মৃত্যু হয়েছে। কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা আমরা তদন্ত করে দেখছি।”

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। নিহতদের পরিবারের জন্য ২ লাখ এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন তিনি।

  • WhatsApp Scam: হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণার শিকার! মুহূর্তে গায়েব কোটি কোটি টাকা? কী করবেন, জানুন…

    WhatsApp Scam: হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণার শিকার! মুহূর্তে গায়েব কোটি কোটি টাকা? কী করবেন, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে যেবাবে প্রতারণা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে নিজেদের এই জাল থেকে দূরে রাখা খুবই মুশকিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) মাধ্যমে প্রতারকরা এই জাল পেতে চলেছে। প্রায়ই হোয়াটসঅ্যাপে ব্ল্যাকমেল করে, কোনও লিঙ্কে ক্লিক করতে বলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা শোনা যায়। সাধারণ মানুষ তো এই প্রতারণার কথা বুঝতে না পেরে অনেক সময় প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়েই দেয়, তবে এবারে এরকম ঘটনা ঘটল এক বড় সংস্থার সঙ্গেও, আর এদিকে হুশ নেই সংস্থার মালিকের।

    ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক ‘সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া’ (এসআইআই) থেকে এক কোটি টাকারও বেশি প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার জানা যায় যে, কিছু অজানা ব্যক্তি সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার থেকে এক কোটি টাকার প্রতারণা করেছে, পরে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা আদর পুনাওয়ালা সেজে ভুয়ো মেসেজ পাঠায় এসআইআই-এর অর্থ বিভাগের পরিচালক সতীশ দেশপান্ডের হোয়াটসঅ্যাপে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দ্রুত ট্রান্সফারের জন্য বলে। দেশপাণ্ডে ওই মেসেজ সত্যিই আদর পুনাওয়ালা পাঠিয়েছেন এই ভেবে তিনি ১,০১,০১,৫৫৪ কোটির বেশি টাকা প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন। পরে তাঁরা বুঝতে পারেন যে এসআইআই প্রতারিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    তবে আদর পুনাওয়ালার সঙ্গে ঘটা ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সরকারী সংস্থার কর্মচারীদের সঙ্গেও এমন প্রতারণা করা হয়েছে ও বিগত কয়েক মাস ধরে একাধিক সরকারী বিভাগ এই প্রতারণার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এমন অনেক সময়ে দেখা গিয়েছে প্রতারকরা যাকে টার্গেট করছে তাদের পরিচিত কারোর ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চাওয়া হয়।

    তবে এমন অবস্থার শিকার হলে আপনাদের কী করা উচিত, জানেন?

    প্রথমত, হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইলে আপনার পরিচিত কারোর ছবি থাকুক না কেন, টাকা চাইলেই প্রথমে সেই ব্যক্তির নম্বর চেক করুন। আর যদি দেখতে পান যে নম্বরটি অন্য, তখনই সেই নম্বরে রিপ্লাই করা বন্ধ করুন। আর এই রকম সাইবার ক্রাইমের ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে http://cybercrime.gov.in- পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করুন।

  • Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়। শনিবার সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা জানালেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। সম্প্রতি দিল্লি (Delhi) গিয়ে বিজেপি (BJP) বিরোধী কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এদিন তাঁকেই কটাক্ষ করেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি বলেন, কেবল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলাম আর চারজন নেতার সঙ্গে চা খেলাম, এতে আম জনতার কিছু আসে যায় না। তাই নির্বাচনেও এর কোনও প্রভাব পড়ে না।

    এক সময় নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ছিলেন পিকে (PK)। পরে নীতীশের সঙ্গে মনান্তরের জেরে দল ছাড়েন তিনি। এদিন নীতীশকে নিশানা করে প্রশান্ত কিশোর বলেন, ভোটে লড়ার ক্ষমতা কিংবা বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকলে শুধু বৈঠক করে কী হবে? বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েছেন নীতীশ। ঘটনাটি, প্রশান্ত কিশোরের মতে, রাজ্যের ঘটনা। অন্য কোনও রাজ্যে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও মহারাষ্ট্রে মহাজোট সরকার ছিল। এখন সেখানে এনডিএ সরকার চলছে। বিহারে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। জেডিইউ দলের প্রাক্তনী প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি যাওয়ার কোনও প্রভাব জাতীয় রাজনীতিতে পড়েনি।

    আরও পড়ুন :আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর বলেন, ২০১৫ সালে মানুষ ভোট দিয়েছিলেন মহাজোটের পক্ষে। কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচনে মানুষ তাদের জেতায়নি। বিহার রাজনীতির এই ধাক্কা এবং দুই ভোটের ফল দেশের সাধারণ নির্বাচনে কোনও প্রভাব ফেলেনি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে দিল্লি গিয়ে বিজেপি বিরোধী দশ দলের নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তাতে আদৌ কোনও লাভ হবে না বলেই মনে করেন ভোট কুশলী। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চাইছেন নীতীশ। তাই শুরু করেছেন সলতে পাকানোর কাজ। তবে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন যে অধরাই থেকে যাবে, এদিন সেদিকেই ইঙ্গিত করেন প্রশান্ত কিশোর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • ED Unearths Huge Cash: যোগ রাজ্যের এক মন্ত্রীরও? এবার পরিবহণ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার বিপুল নগদ

    ED Unearths Huge Cash: যোগ রাজ্যের এক মন্ত্রীরও? এবার পরিবহণ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার বিপুল নগদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা লোন-অ্যাপ (Chinese Loan App) সংক্রান্ত প্রতারণার একটি মামলার তদন্তে নেমে এবার কলকাতার (Kolkata) পরিবহণ ব্যবসায়ীর (Transport Businessman) বাড়িতে খাটের তলা থেকে উদ্ধার হল কোটি কোটি টাকা। এবারও সন্ধানকারী সংস্থার নাম এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। 

    এদিন সকাল থেকেই ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় হানা দেয় ইডি (ED)। মূল তিনটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। একটি পার্ক স্ট্রিট অঞ্চলে, বাকি দুটির একটি মোমিনপুর ও গার্ডেনরিচে। এর মধ্যে, এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, শেষোক্ত জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে রাশি রাশি টাকা। এখনও পর্যন্ত তার বাড়িতে ৭ কোটি টাকা উদ্ধার। ব্যাংক থেকে লোক ডাকা হচ্ছে। প্লাস্টিকের থলিতে মোড়া ৫০০ টাকার অসংখ্য নোটের বান্ডিল পাওয়া গিয়েছে। মিলেছে ২০০০ টাকার নোটের বান্ডিলও।

    আরও পড়ুন: শনিবাসরীয় সকালে কলকাতার তিন জায়গায় হানা ইডি-র, কী উঠে এল?

    শনিবার সকালে গার্ডেনরিচের শাহি আস্তাবল গলিতে নিসার খান নামে এক পরিবহণ ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশিতে নামে ইডি। এই পরিবহণ ব্যবসায়ীর বাড়ির খাটের নীচ থেকে কয়েকটি প্লাস্টিকে মোড়ানো ব্যাগে বিপুল টাকা পাওয়া গেছে। গোনার জন্য মেশিন আনা হচ্ছে। বাড়ির আনাচেকানাচে আরও টাকা রয়েছে কিনা তা দেখতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি কর্তারা। বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকার ঢোকা ও বেরোনোর মুখও পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।  

    কে এই নিসার খান? 

    জানা গিয়েছে, নিসার আগে কলকাতা বন্দরে (Kolkata Port) কন্টেনার কাটাইয়ের ব্যবসা করতেন। এখন পরিবহণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। বেশ কয়েক জন নেতা-মন্ত্রীর  টাকা গচ্ছিত থাকে তাঁর কাছে। সেই টাকা ব্যবসায় খাটাতেন তিনি। 

    কী করে নিসারের সন্ধান পেল তদন্তকারীরা?

    মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে সারা দেশে প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে যে তল্লাশি চলছে সেই সূত্রেই কলকাতার আমির খানের যোগাযোগ পেয়েছে ইডি। আমিরের যোগসূত্রে আসে নিসার খানের সন্ধান। এদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে ওখানে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন ইডি আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে ইডি-সিবিআই! জেলে যেতে পারেন? নেতাদের জন্য রইল শরীর ঠিক রাখার টোটকা

    রাজ্যের এক মন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ নিসারের?

    সূত্রের খবর, ওই টাকার উৎস কী সেই সংক্রান্ত কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি ওই ব্যবসায়ী। এমনকি, ওই টাকার কোনও বৈধ নথিপত্রও তিনি দেখাতে পারেননি বলে সূত্রের দাবি। সূত্র মারফৎ এও জানা যাচ্ছে, রাজ্য মন্ত্রিসভার এক হেভিওয়েটের সঙ্গে নিসারের ঘনিষ্ঠতার খবর পেয়েছে ইডি। কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। সবদিক খতিয়ে দেখছে ইডি। 

  • Supreme Court: পথ-কুকুর কাউকে কামড়ালে চিকিৎসার দায়িত্ব তাঁদের যাঁরা খেতে দেন, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: পথ-কুকুর কাউকে কামড়ালে চিকিৎসার দায়িত্ব তাঁদের যাঁরা খেতে দেন, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসতি এলাকায় রাস্তায় কুকুরদের (Stray Dogs) যাঁরা খেতে দেন বা যাঁরা পথ-কুকুরদের ভালবাসেন, তাঁরাই পথ-কুকুরদের দায়িত্ব নিক। তাঁদের নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করুক। ওই কুকুর কোনও সাধারণ ব্যক্তিকে কামড়ালে বা আঁচড়ালে তাঁদের চিকিৎসার দায়ভার নিক। এমনই অভিমত শীর্ষ আদালতের (Supreme Court)। কেরলে (Kerala) কুকুরের কামড়ে এক ১২ বছরের ছেলে মৃত্যু নিয়ে একটি মামলার শুনানি চলাকালীন এই অভিমত ব্যক্ত করে সুপ্রিম কোর্ট

    আরও পড়ুন: চিতা বাঁচাতে কুনো ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় হাজার কুকুরকে অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক

    বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও জে কে মাহেশ্বরীর বেঞ্চে কেরলে পথকুকুরের হামলা নিয়ে মামলার পিটিশন চলাকালীন এই কথা উল্লেখ করা হয়। বিচারপতি খান্না জানান, তিনি নিজে পশু প্রেমী, তাই তার মনে হয়, পথ কুকুরদের সমস্যা দূর করতে একটি বিশেষ পদক্ষেপ করা উচিত। তিনি বলেন, যাঁরা রাস্তায় কুকুরদের খেতে দেন তাঁরাই নিজেদের অঞ্চলে কুকুরদের চিহ্নিত করে ভাগ করে নিন। এক এক জন কয়েকটি কুকুরের দায়িত্ব নিক। সেই নির্দিষ্ট কুকুরদের শুধু খেতে দেওয়াই নয় উপযুক্ত টিকাকরণের ব্যবস্থাও করতে হবে ওই ব্যক্তিকেই। সেই কুকুরের দ্বারা কেউ আহত হলে তাঁর চিকিৎসাও করাতে হবে। 

    আরও পড়ুন: পেয়ারা পাতার চা কমাবে ওজন! এর গুণাগুণ জানলে চমকে যাবেন আপনিও

    আদালতের তরফে বলা হয়, দায়িত্ব নিলে পথ-কুকুরদের (Street Dogs) নিয়ে সমস্যা অনেকটা কমানো যাবে। বেঞ্চ জানায়, শুধু পশুদের ভালবাসলেই হবে না, দায়িত্বও নিতে হবে। নইলে সাধারণ মানুষ বা নিরীহ পথচারীরাও বিপদে পড়তে পারেন। এর ফলে অসহায় পশুদের উপরও ক্ষুব্ধ হতে পারেন বাসিন্দারা। তাই যাঁরা পশু ভালবাসেন তাঁরাই উদ্যোগী হন। অনেক সময়ই দেখা যায়, কুকুররা হিংস্র হয়ে ওঠে। খাবারের অভাবে বা কোনও অসুখের কারণে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। এর ফলে ছোট বাচ্চা, নিরীহ পথচারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। যা কখনওই কাম্য নয়। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ সেপ্টেম্বর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-কন্যার কোটি টাকার এফডি ফ্রিজ়, সিবিআই নজরে মা কালীর গয়নার উৎসও

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-কন্যার কোটি টাকার এফডি ফ্রিজ়, সিবিআই নজরে মা কালীর গয়নার উৎসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের (Sukanya Mondal) নামে কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের হদিশ পেল সিবিআই (CBI)। পিতা-পুত্রীর নথিভুক্ত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মিলেছিল আগেই। বৃহস্পতিবার মিলল নগদ টাকার হদিশ। এদিকে, ফি বছর কালীপুজোর সময় তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) যে মা কালীর বিগ্রহকে প্রচুর পরিমাণ সোনার গয়না পরাতেন, তার উৎস জানতে বোলপুরের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে জেরা করেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।

    গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। তাঁর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। কেবল তিনি নন, তাঁর প্রয়াত স্ত্রী এবং কন্যা সুকন্যার নামেও পাওয়া গিয়েছে সম্পত্তির হদিশ। তবে এতদিন যা পাওয়া যাচ্ছিল না, তা হল নগদ টাকা। এবার মিলল তার খোঁজও। তবে অনুব্রতর নামে নয়, এক কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের খোঁজ মিলেছে সুকন্যার নামে। বৃহস্পতিবার বোলপুরের ইন্ডিয়ান ব্যাংকের শাখায় যান কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখেন ব্যাংকের বিভিন্ন নথিপত্র। তখনই নজরে আসে সুকন্যার নামে কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের। তার পরেই ফ্রিজ করে দেওয়া হয় অ্যাকাউন্টটি।

    এদিকে, বোলপুরের নিচুপট্টি এলাকায় রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখা। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি গ্রেফতার হওয়ার পরেই ওই শাখার ওপর নজর ছিল সিবিআইয়ের। কারণ এই ব্যাংকেই অ্যাকাউন্ট রয়েছে অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের। ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে বছরে কত টাকা লেনদেন হয়েছে, তার খোঁজও এদিন নেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।  

    আরও পড়ুন : কয়লাপাচার কাণ্ডে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা, এবার কি গ্রেফতার রাজ্যের আইনমন্ত্রী? 

    ফি বার দ্বীপান্বিতা অমাবস্যায় ঘটা করে কালী পুজো করেন অনুব্রত। প্রতিবার বিগ্রহকে সাজানো হয় ৫৭০ ভরি সোনার গয়নায়। এই পরিমাণ সোনার গয়নার বর্তমান বাজারমূল্য তিন কোটি টাকার কাছাকাছি। মা কালীর এই গয়না যিনি গড়িয়েছিলেন, সেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকেও জেরা করেছে সিবিআই। দেখতে চাওয়া হয় এই বিপুল পরিমাণ সোনার গয়নার রসিদও। সব গয়নাই তাঁর কাছে গড়ানো হয়েছিল কিনা, নাকি অন্য আরও কোনও স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও বিগ্রহের গয়না কেনা হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Durga Puja 2022: দুর্গাপুজোয় বোধনের অনুষ্ঠান হয় কেন জানেন?

    Durga Puja 2022: দুর্গাপুজোয় বোধনের অনুষ্ঠান হয় কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ষষ্ঠী (Durga Shasthi)। এই সময়টা দেবতাদের রাত্রি। তাই তাঁরা ঘুমোন। সেই কারণেই  এই সময়ে দেবীকে জাগ্রত করতে হয়। হিন্দু রীতি অনুযায়ী সেই উৎসবকে বলে বোধন। যেহেতু এই সময়টা স্বয়ং মহামায়ারও (Goddess Durga) বিশ্রামের সময়, তাই তাঁকে জাগিয়ে তোলা প্রয়োজন। সেই কারণে একে বলা হয় অকাল বোধন (Akal Bodhon)।

    রাবণের সঙ্গে যুদ্ধে জয়লাভের জন্য এই সময় দুর্গাপুজো করেছিলেন দশরথ পুত্র রামচন্দ্র স্বয়ং। তিনি পুজো করেছিলেন অকালে। তাই একে অকাল বোধন বলা হয়। রামচন্দ্রের আগে দুর্গাপুজো করার চল ছিল চৈত্র মাসে। যাকে আমরা বাসন্তী পুজো বলেই জানি। এজন্য বাসন্তী পুজোয় দেবীকে জাগিয়ে তোলার প্রয়োজন নেই। তাই ওই পুজোয় আমন্ত্রণ এবং অধিবাস থাকলেও বোধন থাকে না। কারণ তখন দেবতারা জেগেই থাকেন। রামচন্দ্র যে দুর্গার পুজো করেছিলেন, তিনি ছিলেন মহিষমর্দিনী। সিংহারূঢ়া দেবী দশভুজা ত্রিশূল দিয়ে বধ করছেন মহিষাসুরকে। পরবর্তীকালে সিংহবাহিনী দুর্গার সঙ্গে পুজো শুরু হল লক্ষ্মী-সরস্বতী-কার্তিক ও গণেশের। কারণ এই চার দেবদেবী হলেন চতুবর্গের প্রতীক। চতুবর্গ হল ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ। প্রতিটি মানুষ এই চারটি বর্গই কামনা করেন। তবে এই চতুবর্গ কামনা করেন গৃহীরা, সন্ন্যাসীরা নন।

    আমরা জানি, মা লক্ষ্মী দেন অর্থ। সিদ্ধিদাতা গণেশ দেন ধর্ম। কার্তিক দেন কাম। তাই সন্তান কামনায় এদেশে কার্তিক পুজো এবং কার্তিক ব্রত পালন করেন গৃহী মানুষ। আর সরস্বতী বিদ্যার দেবী। তিনি দেন মোক্ষ। বিদ্যালাভ হলে জ্ঞান অর্জন হয়। জ্ঞান লাভ হলে বহুতে অভেদ দর্শন হয়। এই অভেদ জ্ঞান লাভ হলে ব্রহ্মজ্ঞান লাভ হয়। কারণ শঙ্করাচার্য স্বয়ং বলেছিলেন, ব্রহ্ম সত্য জগন্মিথ্যা, জীব ব্রহ্মৈব না পর। ব্রহ্মই এক মাত্র সত্য, এ জগৎ মিথ্যা। জীবই ব্রহ্ম স্বরূপ। এই জ্ঞান লাভের জন্য সরস্বতী পুজোর প্রয়োজন। সেই কারণেই এখন মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গার সঙ্গে এঁদেরও পুজো হয়। তবে এঁদের পুজো হয় সপ্তমীর দিন। ষষ্ঠীতে কেবলই পুজো হয় জগন্মাতার। তিনি যে মহামায়া স্বরূপ।   

     

  • Bengaluru Flood: জলমগ্ন বেঙ্গালুরুর অভিজাত ‘এপসিলন’ এলাকা, নৌকা করে উদ্ধার কোটিপতিদের

    Bengaluru Flood: জলমগ্ন বেঙ্গালুরুর অভিজাত ‘এপসিলন’ এলাকা, নৌকা করে উদ্ধার কোটিপতিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক টানা প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন বেঙ্গালুরু। অট্টালিকা থেকে সাধারণ বাড়ি, মার্সিডিজ থেকে অ্যাপ ক্যাব জলের তলায় সবকিছু। বৃষ্টিতে বানভাসি বেঙ্গালুরু। এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া দফতরের যা পূর্বাভাস তাতে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে। নতুন করে ভাসতে পারে কর্ণাটকের রাজধানী-সহ  রাজ্যের অন্যান্য অংশ। 

    শহরের বিলাসবহুল অঞ্চল এপসিলন জলের তলায়। শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে এই অঞ্চলেই বাস করেন উইপ্রো চেয়ারম্যান রিশাদ প্রেমজি। থাকেন ব্রিটানিয়ার সিইও বরুন বেরি। এখানেই বাড়ি রয়েছে বিগ বাস্কেটের সহ প্রতিষ্ঠাতা অভিনয় চৌধুরি। শহরের ১৫০ জন বিত্তশালী ব্যক্তির বাস এই অঞ্চলে। পুরো এলাকাই জলে ডুবে রয়েছে। আশপাশের অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স এবং বাড়িঘরেও জমেছে এক কোমর পর্যন্ত জল। বিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের লাইন। সৃষ্টি হয়েছে যানজটেরও। জলমগ্ন এলাকাগুলিতে রীতিমতো আটকা পড়েছেন বাসিন্দারা। তাদের উদ্ধার করতে সরকার থেকে মোতায়েন করা হয়েছে ছোট ছোট নৌকা, রবার বোট ও ট্রাক্টর।

    আরও পড়ুন: ‘সিআইডি রাজ্যের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন…’, বাগুইআটিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত দাবি শুভেন্দুর

    দেশের আইটি হাব বেঙ্গালুরু। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই জানিয়েছেন, বেঙ্গালুরুর বেশ কিছু এলাকায় ১ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর স্বাভাবিকের চেয়ে ১৫০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বেঙ্গালুরুতে বন্যা পরিস্থিতির জন্য এই রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিকেই দায়ী করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে জল জমার জন্য পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বোম্মাই। তাঁর অভিযোগ, অপরিকল্পিত নির্মাণ ও প্রশাসনিক গাফিলতির ফলে বেঙ্গালুরুতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেঙ্গালুরু শহরের তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাগুলি জানিয়েছে, এই বন্যার কারণে তাঁদের প্রচুর কাজের ক্ষতি হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বন্যা পরিস্থিতিতে আইটি কোম্পানিগুলিকে তাঁদের কর্মীদের অফিসে নিয়ে আসার জন্য ট্রাক্টরের ব্যবস্থা করতে দেখা যায়। অনেকে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে বলেছেন।

    শেষ ৫০ বছরের ইতিহাসেও বেঙ্গালুরুতে এমন ভারী বর্ষণ বিরল। অত্যধিক বৃষ্টিতে ফুঁসছে কর্ণাটকের ১৬২টি হ্রদ। বেলান্দুর এবং ভার্থুর হ্রদের জল উপচে পড়েছে। এই দুই হ্রদের আশেপাশের আবাসিক এলাকা প্লাবিত। এই সব এলাকা থেকে বাসিন্দাদের বের করে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে ট্রাক্টর ও নৌকা ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amazon: অ্যামাজনকে সিট বেল্ট অ্যালার্ম বন্ধ করার ক্লিপ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ কেন্দ্রের 

    Amazon: অ্যামাজনকে সিট বেল্ট অ্যালার্ম বন্ধ করার ক্লিপ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ কেন্দ্রের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিটেল জায়ান্ট অ্যামাজনকে সিট বেল্ট অ্যালার্ম (Seat Belt Alarm) অচল করার ডিজাইস বন্ধ করার নির্দেশ দিল কেন্দ্র সরকার। সম্প্রতি একথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari)। তিনি বলেন, “লোকেরা সিটবেল্ট পরা এড়াতে অ্যামাজন থেকে ক্লিপ কিনে নেয়। আমরা অ্যামাজনকে একটি নোটিশ পাঠিয়েছি এগুলি বিক্রি বন্ধ করার জন্য।”

    এখন অবধি এই ধাতব ক্লিপগুলি বিক্রি করা বেআইনি নয়। কিন্তু সম্প্রতি টাটা গ্রুপের প্রাক্তন চেয়্যারম্যান সাইরাস মিস্ত্রির (Cyrus Mistry) মৃত্যুর এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বদল আসতে পারে আইনে। পিছনের সিটে বসে থাকা সাইরাস মিস্ত্রি এবং জাহাঙ্গির পান্ডোলে গাড়ির সিট বেল্ট পরেছিলেন না। দ্রুত গতিতে চলছিল গাড়িটি। ডিভাইডারে ধাক্কা লাগায় অত্যন্ত ঝাঁকুনিতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুজনের। বিজনেস টাইকুনের দুর্ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ট্রাফিক রুলে আসতে চলছে আরও কড়াকড়ি। 

    আরও পড়ুন: গাড়ির পিছনের সিটে বসা যাত্রীদেরও সিট বেল্ট লাগাতে হবে, নইলে জরিমানা, কড়াকড়ি কেন্দ্রের  

    নিতিন গড়কড়ি এদিন আরও বলেন, “গাড়ি নির্মাতাদের জন্যে সিট বেল্ট অ্যালার্ম গাড়িতে তৈরি করা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা চলছে।” এখন শুধুমাত্র সামনের সিটে বসা যাত্রীদের জন্যেই সিট বেল্ট পরা বাধ্যতামূলক। যদিও পিছনের সিটের যাত্রীরা সিট বেল্ট না পরেন তাদের সেন্ট্রাল মোটর ভেইকেলস রুলস (CMVR)- এর নিয়মে ১৩৮ (৩) এর অধীনে ১০০০ জরিমানা করা যেতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই সেই নিয়ম জানেন না। বা জানলেও তা উপেক্ষা করে যান। এমনকি ট্রাফিক পুলিশরাও পিছনের সিটে বসা যাত্রীরা সিট বেল্ট না পরলে জরিমানা করেন না। 

    প্রসঙ্গত, গাড়িতে সামনের সিট বেল্টের সঙ্গে একটি সেন্সর যুক্ত থাকে। যতক্ষণ না সিটবেল্ট পরা হচ্ছে, গাড়িতে একটি অ্যালার্ট বাজে। তাতেই বিরক্ত হন চালক ও যাত্রীরা। তাই সিটবেল্ট পরা এড়াতে বাজারে বিশেষ ধরণের ক্লিপ পাওয়া যায়। সেটা অনেকেই লাগিয়ে নেন। যাতে সেন্সর বন্ধ থাকে। পরিসংখ্যান বলছে, শুধুমাত্র সিট বেল্ট না বাঁধার কারণে ২০২০ সালে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৫ হাজার ১৪৬ জনের। আহত হন ৩৯ হাজার ১০২ জন। 

    আরও পড়ুন: ত্রুটিপূর্ণ সেতু সাইরাসের মৃত্যুর অন্যতম কারণ, বলছে ফরেন্সিক রিপোর্ট

    নিতিন গড়কড়ি এবিষয়ে বলেন, “২০২৪ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা এবং এর সাথে সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেক করার লক্ষ্য রাখছে কেন্দ্র। এছাড়াও সরকার এই বছর সমস্ত গাড়িতে ছয়টি এয়ারব্যাগ বাধ্যতামূলক করে একটি নির্দেশিকা জারি করবে।” 
     
    কিছুদিন আগেই নিজের ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে মন্ত্রী বলেছিলেন, “সাধারণ মানুষের কথা ছেড়েই দিন। আমি চারজন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে চড়েছি, নাম জিজ্ঞেস করবেন না। আমি গিয়ে সামনের সিটে বসলাম। দেখলাম, একটি ক্লিপ এমনভাবে লাগানো, যাতে বেল্ট না পরলেও কোনও শব্দ না হয়। আমি তবুও চালককে বেল্ট কোথায় তা জিজ্ঞেস করে পরে নিয়েছিলাম।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share