Blog

  • Modi on Netaji: ‘নেতাজির আদর্শ অনুসরণ করলে আজ ভারত কোথায় পৌঁছে যেত…’, বললেন মোদি

    Modi on Netaji: ‘নেতাজির আদর্শ অনুসরণ করলে আজ ভারত কোথায় পৌঁছে যেত…’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পেরিয়ে গেল। কিন্তু স্বাধীন ভারতে সেইভাবে মর্যাদা পেলেন না নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু (Netaji Subhash Chandra Bose)। তাঁর আদর্শে চললে আজ ভারত হয়ত বা ‘জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন’ লাভ করত। দিল্লিতে ইন্ডিয়া গেটের কাছে ২৮ ফুট লম্বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি উদ্বোধন করে নিজের আক্ষেপ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।

    এদিন নেতাজির মূর্তি উদ্বোধনের পর ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন মোদি। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সরকার নেতাজিকে সম্মান দেয়নি। মোদি বলেন, ‘‘আজ, ইন্ডিয়া গেটে জাতীয় নেতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর এই সুবিশাল মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হল। এটি শক্তিশালী ভারতের প্রতীক। আগে এখানে ব্রিটিশ শাসকদের তৈরি বিভিন্ন মূর্তি ছিল।’’ এরপরই আক্ষেপের সুরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যদি স্বাধীনতার পর ভারত সুভাষবাবুর প্রদর্শিত পথে চলত, তাহলে দেশ আজ কোথায় পৌঁছে যেত। কিন্তু, দূর্ভাগ্যজনক ভাবে, স্বাধীনতার পরই আমরা আমাদের এই মহান নেতাকে ভুলে গেলাম! তাঁর দেখানো পথ, এমনকি তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত চিহ্নকেও উপেক্ষা করা হল।’’

    লালকেল্লায় তেরঙ্গা পতাকা উত্তোলনের কথা স্মরণ করে মোদি বলেন, ‘‘নেতাজি স্বপ্ন দেখেছিলেন লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সেই অভিজ্ঞতার অংশীদার। আমি ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে লালকেল্লায় তেরঙ্গা পতাকা উত্তোলনের সৌভাগ্য অর্জন করেছি। আমি ভাগ্যবান নেতাজির এই মূর্তি উন্মোচন করতে পেরেছি।’’

    আরও পড়ুন: “দারুণ কাজ করছেন”, মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প

    ২৮০ মেট্রিক টনের ওই মূর্তি একটি গ্রানাইট শিলাকেই কেটে তৈরি করা হয়েছে। যে শ্রমিকরা ওই মূর্তি তৈরিতে হাত লাগিয়েছেন তাদের সঙ্গে এদিন কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানান মোদি। ২০২৩ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রণ জানান।

    এদিন মোদি রাজপথ অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে কর্তব্য পথ নামকরণ করেন। এই নাম পরিবর্তনও যে ভারতের আত্মনির্ভরতার অঙ্গ বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Pet Attack: ডেলিভারি বয় থেকে ১১ বছরের শিশু, পোষ্যের হাতে আক্রমণের একাধিক ঘটনা, দায়ী কে? 

    Pet Attack: ডেলিভারি বয় থেকে ১১ বছরের শিশু, পোষ্যের হাতে আক্রমণের একাধিক ঘটনা, দায়ী কে? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে বাড়ছে একের পর এক গৃহপালিত কুকুরের (Pet Dog) হাতে আক্রান্ত (Pet Dog Attacks Zomato Delivery Boy) হওয়ার ঘটনা। গাজিয়াবাদ, নয়ডার পর এবার মুম্বই। এবার আক্রান্ত জোম্যাটো ডেলিভারি বয় (Zomato Delivery Boy)। লিফটের মধ্যে একটি জার্মান শেফার্ড আক্রমণ করে তাঁকে। সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় লিফটের সেই ভিডিও। লিফটে পোষ্য কুকুরকে নিয়ে ঢুকছিলেন এক ব্যক্তি। সেইসময় লিফট থেকে বেরোচ্ছিলেন জোম্যাটোর সেই ডেলিভারি বয়। আর তখনই আক্রমণ করে সেই কুকুর। ছিড়ে নেয় ওই ব্যক্তির গোপনাঙ্গ। ভিডিও- তে দেখা যায় প্যান্ট ভেসে যাচ্ছে রক্তে। ব্যাথায় ছটফট করছেন ওই ব্যক্তি। ভিডিওটি দেখে বিচলিত হয়েছে গোটা দেশ।  

     

    কিন্তু একই ঘটনা এই প্রথম নয়। গত সপ্তাহেই গাজিয়াবাদে এক এগারো বছরের শিশু পার্কে খেলার সময় পিটবুলের হাতে আক্রান্ত (Pet Dog Attacks 11YO) হয়। বাচ্চার ক্ষতবিক্ষত মুখে ২০০টি সেলাই পড়ে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় হঠাতই কুকুরটি ছুটে এসে বাচ্চাটির মুখ খুবলে নেয়। এরপরেই ওই বাচ্চার পরিবার এবং প্রতিবেশীরা এই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হন। কুকুরের মালিকদের এই বেপরোয়া আচরণের বিরুদ্ধ অনেকেই আওয়াজ তোলেন।

    আরও পড়ুন: শনিবাসরীয় সকালে কলকাতার তিন জায়গায় হানা ইডি-র, কী উঠে এল?

    সোমবার উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে লিফটে এক বালককে উরুতে কামড়ে দেয় এক কুকুর। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে ছেলেটি। কিন্তু কুকুরের মালকিন তখনও নির্বিকার। শুধু তাই নয়, লিফটের দরজা খুলে যাওয়ার পর ছেলেটিকে কোনরকম সাহায্য না করেই পোষ্যকে নিয়ে বেরিয়ে যায় সেই মহিলা। আক্রান্ত বালকের বাবা স্থানীয় থানায় মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আরও এক ঘটনা ঘটে নয়ডার সেক্টর ৭৫-এ। সেখানেও লিফটে দুজন ছিলেন। একজনের সাথে ছিল পোষ্য জার্মান শেফার্ড কুকুর। লিফটে কুকুরটি শান্তই ছিল, কিন্তু যখনই অপর ব্যক্তি নামতে যান তখনই তাঁর ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে কুকুরটি। আদেও ওই ব্যক্তিকে কুকুরে কামড়েছে কিনা সেই বিষয়ে জানা যায়নি।  

     

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত মঙ্গল পাণ্ডে, জানেন কে তিনি?

    যখন দেশ জুড়ে নানা জায়গায় ঘটছে, স্বাভাবিক ভাবেই নানা প্রশ্ন উঠে আসছে। নেটিজেনরা প্রশ্ন করছেন, লিফটের মধ্যে কুকুরকে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ কেন দেওয়া হচ্ছে? অনেকের বক্তব্য, কুকুরের মালিকরা তাদের পোষ্যকে ঠিক করে পালন করছে না বলেই এরকম ঘটনা বার বার ঘটছে! গাফিলতি কুকুরদের না, তাদের মালিকদের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Dengue: পুজোর আগে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৪০১ জন

    Dengue: পুজোর আগে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৪০১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রোগী এই রোগের শিকার হয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) তরফে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪০১ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩১৫ জনের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। যে সব জেলায় ডেঙ্গির প্রকোপ সবথেকে বেশি, সেগুলি হল, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ, দার্জিলিং। 

    আরও পড়ুন: বর্ষাকালে রোগমুক্ত থাকবেন কীভাবে? রইল কিছু উপায়
     
    জেলা প্রশাসনকে বিষয়টিতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ডেঙ্গির বলি হয়েছেন কলকাতার এক বাসিন্দা। কালীঘাট, হরিদেবপুরের পর হালতু। ফের কলকাতায় ডেঙ্গিতে মৃত্যু। ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমের উল্লেখ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর আগে কালীঘাটের বাসিন্দা এক বালক ও হরিদেবপুরের বাসিন্দা এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গিতে। এবার ডেঙ্গির শিকার হালতুর এক মহিলা। হালতুর কায়স্থপাড়া মেন রোডের বাসিন্দা ৪০ বছরের মৌমিতা মুখোপাধ্যায়। পরিবার সূত্রে খবর, ৫ সেপ্টেম্বর যাদবপুর এলাকার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন। তার আগে তাঁর তিন-চারদিন জ্বর ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকা শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে আইসিইউ- তে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তীতে মৃত্যু হয় তাঁর। মহিলার ৮ বছরের ছেলেও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত এবং হাসপাতালে ভর্তি।       

    ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হাওড়ার বালিতে ডেঙ্গিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার। রাতে বালির ভোটবাগানের বাসিন্দা এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ডেথ সার্টিফিকেটে সিভিয়ার ডেঙ্গি সিনড্রোমের উল্লেখ করা হয়। 

    আরও পড়ুন: মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে নয়া পদ্ধতি আবিষ্কার আইসিএমআর-এর

    প্রতি বছরই বর্ষার আগে পরে ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেয় বাংলায়। পুজো পর্যন্ত প্রকোপ চলে। পাশাপাশি অন্যান্য ভাইরাল রোগও যাতে না হয় তা নিয়ে চিন্তা ব্যক্ত রয়েছে প্রশাসনে। গত মাসেই ডেঙ্গি নিয়ে নবান্নতে বৈঠক হয়। সেখান থেকেই জেলা প্রশাসন এবং জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যসচিব। ডেঙ্গি যে চিন্তা বাড়াচ্ছে, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক হতে বলেন তিনি। বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, জলপাইগুড়ির মতো জেলাগুলিকে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari Detained: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    Suvendu Adhikari Detained: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কাই সত্যি হল। গণতান্ত্রিক মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিকে রুখতে বলপ্রয়োগ করল মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। বিজেপির নবান্ন অভিযানের (BJP Nabanna Abhijan) শুরুতেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করল পুলিশ (Suvendu Adhikari Detained)। একইসঙ্গে আটক করা হল বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee) ও নেতা রাহুল সিনহাকেও (Rahul Sinha)। 

    এদিন, আলিপুর পুলিশ ট্রেনিং স্কুল বা পিটিএস (Alipore PTS) থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু (Vidyasagar Setu) হয়ে নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন শুভেন্দু, লকেট এবং রাহুলরা। কিন্ত শুরুতেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর সামনে পুলিশ ব্যারিকেডের কাছেই বাধা দেওয়া হয় শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu)। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন শুভেন্দু, লকেটরা। শুরু হয় ধস্তাধস্তি।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    শুভেন্দুর অভিযোগ, মহিলা পুলিশরা তাঁর গায়ে হাত দিয়েছেন। এদিন পুলিশকর্মী শুভেন্দুকে ভ্যানে তুলতে এগোলে শুভেন্দু মহিলা পুলিশকর্মীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি মহিলা। আমার গায়ে হাত দেবেন না।’ নন্দীগ্রামের বিধায়কের রাস্তা আটকে পুলিশ মস্করা করছে বলেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। এর পরই তাঁকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। একইসঙ্গে আটক করা হয় লকেট ও রাহুল সিনহাকেও। এই প্রেক্ষিতে পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁদের লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

    তবে শুভেন্দুকে তুললেও, তাঁর নেতৃত্বাধীনে থাকা মিছিল থেমে থাকেনি। শুভেন্দুকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যাওয়ায় সাঁতরাগাছি থেকে শুরু হওয়া বিজেপির মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ()Saumitra Khan)। মিছিলে পা মেলাচ্ছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিজেপি বিধায়ক অশোক ডিন্ডা (Ashok Dinda)। অন্যদিকে, হাওড়া স্টেশন থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে নবান্নমুখী মিছিল শুরু হয়েছে। দক্ষিণ আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালও (Agnimitra Pal) রয়েছেন এই মিছিলে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষও (Former IPS Bharati Ghosh) এই মিছিলে পা মেলাচ্ছেন। কলেজ স্ট্রিট থেকে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • RSS Slams Congress: ‘ওদের বাপ-দাদারাও চেষ্টা করেছিল…’, ট্যুইট-বিতর্কে কংগ্রেসকে একহাত আরএসএসের

    RSS Slams Congress: ‘ওদের বাপ-দাদারাও চেষ্টা করেছিল…’, ট্যুইট-বিতর্কে কংগ্রেসকে একহাত আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিনাশকালে বিপরীত বুদ্ধি’। কথাটির যথার্থতা প্রমাণ করার দায়িত্ব যেন একাই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (Congress)। দলের ভাঙনে গান্ধী পরিবারের যে মনোবল ভেঙেছে, তা আগেই বার বার স্পষ্ট হয়েছে। কিন্তু সেই ভাঙন মানতে না পেরে ন্যক্করজনক কাণ্ড করে বসল সোনিয়া গান্ধীর দল। বিরোধী সংস্কৃতির সমস্ত পাঠ ভুলে সরাসরি ‘বিলো দ্য বেল্ট’ আক্রমণ। তাও আবার কোনও রাজনৈতিক দলকে নয়। অরাজনৈতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় সয়ংসেবক সংঘকে (Rashtriya Swayamsewak Sangh) কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: এবার আরএসএসের দিল্লির দফতরের নিরাপত্তায় সিআইএসএফ 

    সোমবার রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রার (Bharat Jodo Yatra) ষষ্ট দিনে সকালে কংগ্রেসের তরফে একটি ট্যুইট করে লেখা হয়, “দেশকে ঘৃণার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে এবং বিজেপি-আরএসএস- এর করা ক্ষতি মুছতে ধাপে ধাপে আমরা লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছি।” এর সঙ্গেই ট্যুইটে একটি জ্বলতে থাকা খাকি হাফ প্যান্টের ছবি পোস্ট করেছে কংগ্রেস। সঙ্গে লেখা আরও ১৪৫ দিন। 

     

    প্রসঙ্গত, খাকি হাফপ্যান্টের সঙ্গে আরএসএস-একটা দীর্ঘ যোগসূত্র রয়েছে। ফলত, এই ধরনের পোস্টের মাধ্যমে যে সরাসরি আরএসএসকেই আক্রমণ করা হয়েছে তা স্পষ্ট। জবাবে, কংগ্রেসকে একহাত নিয়েছে সংঘ। ট্যুইট বিতর্কে চাঁচাছোলা ভাষায় কংগ্রেসকে আক্রমণ করল আরএসএস। আরএসএস-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বা সহসরকার্যবাহ মনমোহন বৈদ্য (RSS Joint General Secretary Manmohan Vaidya) সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “ঘৃণা দিয়ে ভারতের জনগণকে জুড়তে চাইছে কংগ্রেস। ওদের বাপ-দাদারাও আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেছিল। পারেনি। হিন্দুত্বর পক্ষে দেশবাসীর সমর্থন বাড়ছে।” 

    আরও পড়ুন: আদর্শ সমাজের লক্ষ্যে রায়পুরে বসতে চলেছে আরএসএস-এর বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক

     

    কংগ্রেসের সোশ্যাল পোস্টকে উস্কানিমূলক বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি। এই ট্যুইটের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির সাংসদ তেজস্বী সূর্য (BJP MP Tejasvi Surya)। তিনি পাল্টা ট্যুইটে লেখেন, “এই ছবি কংগ্রেসের আগুন জ্বালানোর রাজনীতির প্রতীক। ১৯৮৪ সালের দিল্লি, ২০০২ সালের গোধরাতেও তাই করেছিল ওরা। কংগ্রেস ফের হিংসার রাজনীতির ডাক দিয়েছে। রাহুল গান্ধীর দেশের বিরুদ্ধে লড়ছেন, আর সেই সঙ্গেই সাংবিধানিক পথে চলা বন্ধ করে দিয়েছে কংগ্রেস।” 

     

    কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্রও ( Sambit Patra)। তাঁর কটাক্ষ, “ভারত জোড়ো যাত্রা নয় , ভারত ভাঙো এবং আগুন লাগাও যাত্রা করছে কংগ্রেস। এর আগেও কংগ্রেস এরকম করেছে।” রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “আপনি কি দেশে হিংসার পরিবেশ তৈরি করতে চাইছেন?” কংগ্রেসের ট্যুইটার থেকে ছবি প্রত্যাহারের দাবি তুলেছেন সম্বিত পাত্র।

    ৭ সেপ্টেম্বর কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীরের শ্রীনগর পর্যন্ত ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সোমবার কংগ্রেসের গন্তব্য কেরলের তিরুঅনন্তপুরম। প্রায় ১৫০ দিনের যাত্রায় প্রথম থেকেই একের পর এক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

  • JEE Advanced Result 2022: প্রকাশিত হয়েছে জেইই অ্যাডভান্সডের ফল, জয়জয়কার বাংলার 

    JEE Advanced Result 2022: প্রকাশিত হয়েছে জেইই অ্যাডভান্সডের ফল, জয়জয়কার বাংলার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষার ফল (JEE Advanced Result 2022) প্রকাশ করেছে আইআইটি বম্বে (IIT Bombay) । দেশজুড়ে মোট ১,৫৫,৫৩৮ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় বসেছিলেন। র‍্যাঙ্ক করেছেন ৪০,৭১২ জন। এদের দেশের ২৩টি আইআইটিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন ১৬,৫৯৮ জন। আইআইটি বম্বে জোন থেকে দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছেন আরকে শিশির। সারা দেশে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন আইআইটি দিল্লি জোনের তনিষ্কা কাবরা। 

    জেইই অ্যাডভান্সডের তালিকায় এবার জয়জয়কার বাংলার পড়ুয়াদের (Bengali Students Shine in JEE Advanced)। এ রাজ্যের একাধিক পড়ুয়া সারা দেশের নিরিখে দুরন্ত ফলাফল করেছে। 

    আরও পড়ুন: আজই প্রকাশিত হতে চলেছে জেইই অ্যাডভান্সড- এর ফল, দেখবেন কী করে?

    আইআইটি ভুবনেশ্বর জোনে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুলের প্রাক্তন পড়ুয়া জাহ্নবী সাউ। ৩৬০ নম্বরের মধ্যে ২২৮ নম্বর পেয়ে তাঁর সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ২৫৮। আইআইটিতে পড়ার ইচ্ছে জাহ্নবীর ছেলেবেলা থেকেই। জাহ্নবী বলেন, “নবম শ্রেণি থেকে ফিটজিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছি। এত বছর যে কঠোর পরিশ্রম করেছি, তারই ফল পেলাম।” আইআইটি দিল্লি অথবা বম্বেতে পড়তে চান জাহ্নবী। পছন্দের বিষয় কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং।  

    এছাড়াও রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করেছেন বার্নপুরের হরশিৎ সিং। দেশের মধ্যে তাঁর র‍্যাঙ্ক ১১২। আগামী দিনে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে  চান হরশিৎ। দেশের সেরা পাঁচটি আইআইটির মধ্যে যে কোনও একটিতে পড়তে চান তিনি। 

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

    উত্তরবঙ্গের আর এক পড়ুয়া হিমাংশু শেখর দেশে ১৯৩তম স্থানে রয়েছেন। হিমাংশু, আইআইটি দিল্লি বা কানপুরে ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড কম্পিউটিং নিয়ে পড়াশোনা করতে চান। এছাড়াও ডিপিএস রুবিপার্ক স্কুলে ৪১ জন ছাত্রছাত্রী অ্যাডভান্সডে র‍্যাঙ্ক করেছেন। এঁদের মধ্যে ১৯ জন প্রথম ১০ হাজারে রয়েছেন। সাউথ পয়েন্ট, লা মার্টিনিয়ার স্কুলও জানিয়েছে, তারাও পড়ুয়াদের ফলে খুশি। স্কুলের মুখ উজ্জ্বল করেছেন পড়ুয়ারা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

      

  • Bengal Pending DA Case: কর্মচারীদের কোনও ডিএ পাওনা নেই, হাইকোর্টে জানাল রাজ্য সরকার

    Bengal Pending DA Case: কর্মচারীদের কোনও ডিএ পাওনা নেই, হাইকোর্টে জানাল রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহার্ঘ ভাতা (DA Case) বাকি রাজ্য সরকারের কর্মীদের। এই দাবি আজকের নয়। যদিও রাজ্য সরকার একই সঙ্গে দাবি করে আসছে কোনও ডিএ পাওয়া নেই কর্মচারীদের। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে (State Government) সেই দাবিই আরও একবার করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালিত তৃণমূল সরকার। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর বেঞ্চে বকেয়া ডিএ মামলার শুনানিতে, রাজ্য সরকারের হয়ে সে কথাই বললেন অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। 

    আরও পড়ুন: বকেয়া নেই সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা! পুজো অনুদান মামলায় দাবি রাজ্যের

    ডিএ নিয়ে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলার শুনানির ছিল আজ। শুনানিতে রাজ্যের এজি বলেন, “সরকারি কর্মীদের কোনও ডিএ বকেয়া নেই। পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনেই ধাপে ধাপে বকেয়া সব ডিএ মিটিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।”   

    মামলাকারীদের দাবি, কেন্দ্রের হারে ডিএ দেয়নি রাজ্য সরকার। আর তাতেই বকেয়া রয়েছে ডিএ। তবে এদিন এজি বলেন, “রাজ্য সরকার ২০০৯ সালের পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনেই ডিএ দিয়েছে। পরে ২০১৮-১৯ সালে ডিএ নিয়ে ষষ্ঠ, সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ করা হয়েছিল তা রাজ্য সরকার মানেনি। তাহলে কেন সেই হারে ডিএ দেওয়া হবে?”

    আরও পড়ুন: বিদ্যুৎকর্মীদের বকেয়া ডিএ-র টাকা তুলতে বিদ্যুতের দাম বাড়াল রাজ্য? 

    মামলাকারীরা আরও দাবি করেন, দিল্লির বঙ্গ ভবন ও চেন্নাইতে রাজ্য সরকারের কর্মীরা কেন্দ্রীয় হারে বেতন পান। তাহলে এ রাজ্যের কর্মীরা কেন সেই হারে বেতন পাবেন না? এর উত্তরে এজি বলেন, “দিল্লি এবং চেন্নাইতে রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স ১৯৮১ অনুযায়ী ডিএ পেয়ে থাকেন। তাই তাঁরা কেন্দ্রীয় হারে পান। রাজ্যের কর্মীদের পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হয়েছে।” 

    এর আগেও পুজোর অনুদান দেওয়া নিয়ে মামলার শুনানিতেও রাজ্যের তরফের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকারের কর্মীদের কোনও ডিএ পাওনা নেই। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন, “ডিএ-র নাম শুনলেই সরকারি কর্মচারীরা তৎপর হয়ে ওঠেন। ফাইল না চাইতেই হাতে পেয়ে যাচ্ছি। তাই মামলার শুনানি দ্রুত শেষ করতে চাই। যাতে অন্য মামলার ক্ষেত্রেও কর্মীদের মধ্যে এই উন্মাদনা বজায় থাকে।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামীকাল, শুক্রবার।  

    গত ২০ মে ডিএ মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, তিন মাসের মধ্যে স্যাট (স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল)-এর রায় কার্যকর করতে হবে। অর্থাৎ বকেয়া মহার্ঘভাতা মিটিয়ে দিতে হবে তিন মাসের মধ্যে। বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত ও বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন তাঁদের রায় জানিয়েছিলেন, মহার্ঘ ভাতা পাওয়া রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মৌলিক অধিকার। তাঁরা সরকারের মেরুদণ্ড। তাই আইনি অধিকার হিসাবেই তাঁদের প্রাপ্য ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • WBJEE Seat Allotment List: প্রকাশিত হয়েছে রাজ্য জয়েন্টের কাউন্সেলিংয়ের প্রথম তালিকা, কী করে দেখবেন?

    WBJEE Seat Allotment List: প্রকাশিত হয়েছে রাজ্য জয়েন্টের কাউন্সেলিংয়ের প্রথম তালিকা, কী করে দেখবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে রাজ্য জয়েন্টের কাউন্সেলিংয়ের প্রথম তালিকা (WBJEE 2022 Seat Allotment First List)। প্রার্থীরা রাজ্য জয়েন্ট বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbjeeb.nic.in-তে গিয়ে তালিকায় নিজের নাম দেখতে পারবেন। যাদের নাম তালিকায় আছে তাঁরা ভর্তির সুযোগ পাবেন। ভর্তির শেষ তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যে ৬টা। 

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত

    কী করে দেখবেন তালিকায় আপনার নাম আছে কী না?

    ১) রাজ্য জয়েন্ট বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbjeeb.nic.in- এ যান। 

    ২) হোমপেজে ‘WBJEE’-এ ক্লিক করুন। নয়া একটি পেজ খুলে যাবে। 

    ৩) পেজের নিচের দিকে ‘Seat Allotment Result of Round 1 For WBJEE 2022 Counselling (Till 12.09.2022, 6:00 PM)’ আছে। তাতে ক্লিক করুন। নয়া একটি পেজ খুলে যাবে।  

    ৪) ‘Registered Candidates Sign-In’-র নিচে ‘WBJEE Roll Number’, ‘Password’, ‘Security Pin (case sensitive)’ এবং ‘Security Pin’ দিয়ে ‘Sign in’ করুন।

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হয়েছে নিট-ইউজি- র ফল, এমবিবিএস ছাড়া আর কোন কোর্সে পড়ার সুযোগ রয়েছে? জেনে নিন  

    রাজ্য জয়েন্ট বোর্ড জানিয়েছে, কাউন্সেলিংয়ের প্রথম তালিকায় যে প্রার্থীরা আছেন, তাঁরা ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ‘সিট অ্যাকসেপমেন্ট ফি’ জমা দিতে পারবেন। সেইসঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে যে কলেজের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে গিয়ে প্রার্থীদের নথি যাচাই করতে হবে। ভর্তি প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ করতে হবে প্রার্থীদের। কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির কী প্রক্রিয়া তা জানতে ওই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  

    চলতি বছর ১৭ জুন রাজ্য জয়েন্টের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল। ফল প্রকাশের বেশ কিছুদিন পরে শুরু হয়েছিল কাউন্সেলিং। সেইসময় জয়েন্ট বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছিল, উচ্চশিক্ষা দফতরের অধীনে থাকা সিট ম্যাট্রিক্স তৈরি করে ডাইরেক্টরেট অফ টেকনিকাল এডুকেশন। কোনও কলেজ যদি নতুন কোনও বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে চায়, তাহলে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিকাল এডুকেশনের  কাছে আবেদন করতে হয়। সেই অনুমোদন পাওয়ার শেষদিন ছিল ৩০ জুলাই। তারপর সেই সংক্রান্ত তথ্য পাবে সংশ্লিষ্ট কলেজ। তারপরে তা  ডাইরেক্টরেট অফ টেকনিকাল এডুকেশনের কাছে জমা পড়বে। সে কারণেই এই দেরি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Yakub Memon: ইয়াকুব মেমনের কবর সৌন্দর্যায়ন, তদন্তের নির্দেশ মহারাষ্ট্র সরকারের

    Yakub Memon: ইয়াকুব মেমনের কবর সৌন্দর্যায়ন, তদন্তের নির্দেশ মহারাষ্ট্র সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই বোমা হামলার দায়ে ফাঁসি হয়েছে ডি কোম্পানির (D Company) অন্যতম মাথা ইয়াকুব মেমনের (Yakub Memon)। পরে কবরস্থ করা হয় দেহ। অভিযোগ, সেই ইয়াকুবের কবরের সৌন্দর্যায়ন (Beautification) করা হয়েছিল মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) উদ্ধব ঠাকরের আমলে। এবার সেই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রেরই একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) সরকার।

    ১৯৯৩ সালে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণে নিহত হন ২৫৭ জন। ওই ঘটনায় অন্যতম চক্রী ছিল ইয়াকুব। ঘটনার পরে পরেই গ্রেফতার করা হয় তাকে। দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ফাঁসির আদেশ দেয় আদালত। নাগপুর সেন্ট্রাল জেলে কার্যকর করা হয় তার প্রাণদণ্ডের আদেশ। তার আগে দু দুবার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিল সে। দুবারই খারিজ হয়ে যায় তার প্রাণভিক্ষার আবেদন। এহেন কুখ্যাত ইয়াকুবের কবর সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। জানা গিয়েছে, এজন্য একটি কমিটি গড়া হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্তও।

    দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারেই ঢাকা ছিল ইয়াকুবের কবর। মাস কয়েক আগে কবরস্থান সাজানো হয় এলইডি লাইট দিয়ে। বিজেপির অভিযোগ, মহারাষ্ট্রের মহাবিকাশ আগাড়ি জোট সরকারের আমলেই করবের সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই খুলে ফেলা হয়েছে আলো। মহারাষ্ট্র বিধানসভার বিধায়ক রাম কদম বলেন, উদ্ধব ঠাকরে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর আমলেই ইয়াকুবের কবর স্থানকে স্মৃতিসৌধে পরিণত করা হয়েছে। এই ইয়াকুব মেমনই পাকিস্তানের হয়ে ১৯৯৩ সালে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, এটাই কি তাঁদের (ঠাকরে সরকারের) মুম্বইয়ের প্রতি ভালবাসা? এটাই কী তাঁদের দেশপ্রেম? তাঁর দাবি, উদ্ধব ঠাকরের পাশাপাশি রাহুল গান্ধী এবং শরদ পাওয়ারেরও মুম্বইবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

    আরও পড়ুন : শিন্ডেতেই ‘আস্থা’ মহারাষ্ট্রের! শিবসেনার পরিষদীয় নেতাও একনাথ

    বিজেপি নেতারা ইয়াকুবের কবর সৌন্দর্যায়নের কাজ নিয়ে হইচই করতেই পুলিশ দ্রুত এলইডি লাইট খুলে নেয়। ডিসিপি স্তরের অফিসার তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, কবর সৌন্দর্যায়নের বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে চিঠি দিয়েছেন শিবসেনা বিধায়করাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Durga Puja: কৈলাস থেকে এবার দেবী দুর্গা মর্ত্যে আসছেন কীসে? গমনই বা হচ্ছে কীভাবে? জানুন

    Durga Puja: কৈলাস থেকে এবার দেবী দুর্গা মর্ত্যে আসছেন কীসে? গমনই বা হচ্ছে কীভাবে? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন”, এই মন্ত্র নিয়েই  আশ্বিনের শারদ প্রাতে মা দুর্গা (Durga Puja) মর্ত্যে আসেন। বছরে এই চারটে দিন ঘরের মেয়ে উমা হয়ে বাঙালির জীবনে থাকেন দেবী মহিষাসুরমর্দিনী। তবে কৈলাস থেকে কীসে করে দেবী এবার মর্ত্যে আসছেন? এ প্রশ্ন কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে করা হয়, দেবী কীসে চড়ে আসবেন আর কীসে চড়ে মহাদেবের কাছে ফিরে যাবেন তার উপর বছরের ভাল-মন্দ নির্ভর করে। পঞ্জিকা মতে, মনে করা হয়, দেবী কীসে আসছেন, আর কীসে যাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে বাংলার পরিবেশ, প্রকৃতি, সময়কাল।

    আরও পড়ুন: এই রাজাই বাংলাতে প্রথম দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন! জানেন তিনি কে?

    দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের বাহন ও তার ফলাফল নিয়ে বাঙালি সমাজে বহু কথা প্রচলিত রয়েছে। দেবী দুর্গা ও তাঁর পুত্র-কন্যার নিজস্ব বাহন থাকলেও আগমন ও প্রস্থানের বাহনের কথা আলাদা করে পঞ্জিকায় উল্লেখ করা থাকে। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, সপ্তমীতে দেবীর আগমন হয়, আর গমন দশমীতে। এই দুই দিন সপ্তাহের কোন কোন বারে পড়ছে, তার উপরেই নির্ভর করে দেবীর কীসে আগমন ও কীসে গমন। শাস্ত্রে বলা আছে অর্থাত্‍ সপ্তমী রবি বা সোমবার হলে দেবীর বাহন হবে গজ বা হাতি। সপ্তমী শনি বা মঙ্গলবার হলে দেবীর বাহন ঘোটক বা ঘোড়া। সপ্তমী বৃহস্পতি বা শুক্রবার হলে দেবীর বাহন দোলা বা পালকি। সপ্তমী বুধবার হলে দেবীর বাহন নৌকা। একই ভাবে, দশমী রবি বা সোমবার হলে দেবীর বাহন গজ। দশমী শনি বা মঙ্গলবার হলে দেবী বিদায় নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। দশমী বৃহস্পতি বা শুক্রবার হলে দেবীর গমন হবে দোলা বা পালকিতে। আর দশমী বুধবার হলে দেবীর নৌকায় করে কৈলাসে ফিরবেন দেবী। 

    আরও পড়ুন: মহা ষষ্ঠীতে পূজিতা হন দেবী কাত্যায়নী! জানেন ঋষি কাত্যায়ন কন্যার ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ হয়ে ওঠার কাহিনী?

    এবছর সপ্তমী পড়েছে ২ অক্টোবর অর্থাৎ রবিবার। তাই দুর্গার আগমন গজ অর্থাত্‍ হাতিতে। শাস্ত্রমতে গজ দেবীর উৎকৃষ্টতম বাহন। এতে ভালই হবে। শস্যপূর্ণ হবে এই বসুন্ধরা। এবছর বিজয়া দশমী পড়েছে বুধবার, ৫ অক্টোবর। মা দুর্গা পুত্র-কন্যা সহ স্বামীর কাছে ফিরবেন নৌকায় চেপে। দেবী দুর্গার নৌকায় ফেরার অর্থ প্লাবনের আশঙ্কা। অর্থাৎ প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হতে পারে এবং বন্যা হতে পারে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share