Blog

  • UK Visa: যুক্তরাজ্যে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার নিরিখে চিনকে টপকে প্রথম ভারত, জানাল ব্রিটিশ হাই কমিশন

    UK Visa: যুক্তরাজ্যে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার নিরিখে চিনকে টপকে প্রথম ভারত, জানাল ব্রিটিশ হাই কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার অভিবাসনের পরিসখ্যান (Immigration Statistics) প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ হাই কমিশন (British High Commission)। সেখানে দেখা গিয়েছে চলতি বছরে ১,১৮,০০০ ভারতীয় পড়ুয়াকে ভিসা দিয়েছে যুক্তরাজ্য (UK)। আগের বছরের তুলনায় যা ৮৯% বেশি। 

    আরও পড়ুন: বাহিনীর সংখ্যায় টান, ইউক্রেনে ‘ভাড়াটে সেনা’ পাঠাচ্ছে রাশিয়া?

    চিনকেও টপকে এবার যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে বেশি ভিসা (Student Visa) পেল ভারতীয় পড়ুয়ারাই। এমনটাই জানা গিয়েছে ব্রিটিশ হাই কমিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে।

     

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য সবসময় ভ্রমণ প্রিয় মানুষদের অন্যতম পছন্দের জায়গা। ২০২২ সালে যুক্তরাজ্য যত ভিসা  দিয়েছে তাদের মধ্যে ২৮%- ই ভারতীয়। 

    ২৫৮,০০০ ভারতীয়কে এই বছর জুন মাস অবধি ভিজিটর ভিসা (Visitor Visa) দেওয়া হয়েছে। যা আগের বছরের তুলনায় ৬৩০% বেশি। আগের বছর কোভিডের কারণে ভিসা দেওয়ায় কড়াকড়ি করেছিল ব্রিটেন।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি  

    এমনকি ওয়ার্ক ভিসার (Work Visa) ক্ষেত্রেও সবার ওপরে রয়েছে ভারত। এই বছর ইউকে সরকারের পক্ষ থেকে যতগুলি ওয়ার্কার ভিসায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৪৬%- ই ভারতীয়। 

    ব্রিটিশ হাই কমিশনার অ্যালেক্স এলিস (Alex Ellis) এই বিষয়ে বলেন, “আবার প্রথম স্থানাধিকারী ভারত। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি ২০২২ সালে ভারতীয়রাই যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে সবথেকে বেশি স্টাডি, ভিজিটর এবং ওয়ার্ক ভিসা পেয়েছেন। এতে আমাদের দুই দেশের মানুষ আরও কাছাকাছি আসবেন।”

    ভারতীয়দের আরও বেশি ভিসার জন্যে আবেদন করার পরামর্শও দিয়েছেন এলিস। তিনি বলেন, “আমরা প্রচুর ভিসার অনুরোধ পাচ্ছি। আপনারা আরও বেশি করে ভিসার জন্যে আবেদন করুন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।” 

    এই মাসের শুরুতেই যুক্তরাজ্যের এই প্রতিনিধি ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত ভারতীয় পড়ুয়াদের প্লেনের টিকিট না কাটার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রচুর ভিসার অনুরোধ পাচ্ছি। আমাদের তরফ থেকে যতটা সম্ভব আমরা করব। ভিসা সময়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। আপনাদের বিধি মেনে চলার অনুরোধ করছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Uddhav vs Shinde: শিন্ডে বনাম উদ্ধবের লড়াই পৌঁছল সাংবিধানিক বেঞ্চে

    Uddhav vs Shinde: শিন্ডে বনাম উদ্ধবের লড়াই পৌঁছল সাংবিধানিক বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কার্যকলাপ, বহিষ্কার, একত্রীকরণ এবং আসল শিবসেনা (Shiv Sena) কে — নানা সাংবিধানিক প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। সেই মামলাই এদিন পাঠানো হল পাঁচ বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সাংবিধানিক বেঞ্চে। বৃহস্পতিবার ওই বেঞ্চেই হবে এই মামলার শুনানি।   
    আসল শিবসেনার রাশ কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে বিবাদ গড়িয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত অবধি। মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের দাবি, তাঁরাই আসল শিবসেনা। আর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) দাবি তাঁরাই আসল।

    বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার চালাতে আগ্রহী ছিলেন শিন্ডে। সেকথা তিনি জানিয়েওছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে। তবে তাতে রাজি হননি উদ্ধব। এর পরেই অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে যান বিজেপি শাসিত গুজরাটে। পরে সেখান থেকে রাতের অন্ধকারে তাঁদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে যান বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য  অসমে। পরে বিজেপির সঙ্গে শিন্ডে হাত মেলানোয় পতন হয় উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের। মহারাষ্ট্রের তখতে বসেন একনাথ। পরে নিজেদের আসল শিবসেনা দাবি করে শিন্ডে শিবির দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের। পরে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় উদ্ধব ঠাকরে শিবিরও।  

    আরও পড়ুন : আসল শিবসেনা প্রমাণ করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন শিন্ডে?
    প্রধান বিচারপতি এনভি রামানার বেঞ্চের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার সাংবিধানিক বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হবে। তার আগে পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন যেন শিন্ডে শিবিরের আবেদনের ওপর ভিত্তি করে তাদের আসল শিবসেনা ঘোষণা না করে। প্রতীকও যেন না দেওয়া হয়।  বৃহত্তর বেঞ্চে বিষয়টি পাঠানোর ব্যাপারে বলতে গিয়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ উল্লেখ করেন, ডিসকোয়ালিফিকেশন সংক্রান্ত বিষয়ে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারের ক্ষমতা কী হবে, তা আগে স্থির করতে হবে। সেই কারণেই মামলাটি পাঠানো হয়েছে বৃহত্তর বেঞ্চে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • SSC Scam: সোনার ‘সংসার’! গয়না থেকে সোনার বাট কী নেই অর্পিতার আলমারিতে

    SSC Scam: সোনার ‘সংসার’! গয়না থেকে সোনার বাট কী নেই অর্পিতার আলমারিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী নেই অর্পিতার আলমারিতে? হালকা থেকে ভারি সবরকম গয়নাই মিলবে সেখানে। এ যেন কোনও ছোটখাটো গয়নার দোকান! চোকার থেকে সীতাহার। মান্তাসা থেকে বাজুবন্ধ সবই রয়েছে। আছে সোনার কাঁকন থেকে কানের ঝোলা দুল। চাইলে মিলবে সোনার ঘড়ি, আংটি, পেনও।

    বুধবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) অভিযানে নেমে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বেলঘরিয়ার (Belgharia) রথতলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছে প্রায় পাঁচ কেজি সোনা। যার মূল্য আনুমানিক ৪ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা। কেন্দ্রীয় আর্থিক তদন্তকারী সংস্থার হাতে এসেছে নগদ ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা।  ইডি সূত্রে খবর,উদ্ধার হওয়া সোনার মধ্যে বেশির ভাগই ছিল সোনার বাট। ১ কেজি করে তিনটি সোনার বাট উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি সোনার আংটি। এ ছাড়াও অর্পিতার বাড়ি থেকে সোনার মোটা হার,রকমারি সোনার গয়নাও উদ্ধার করা হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বাজেয়াপ্ত করা সোনার মধ্যে রয়েছে দু’টি সোনার ঘড়িও। এ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে, ছ’টি মোটা মোটা সোনার কাঁকন (বালা)। যার প্রত্যেকটির ওজন ৫০০ গ্রাম। মিলেছে কানের ঝোলা দুল। উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি ছোট কানের দুল, কাঁকন এবং একটি সোনার পেন। এর আগে অর্পিতার ডায়মন্ড সিটির ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৫৪ লাখ টাকার সোনার গয়না।

    আরও পড়ুন: যকের ধন! অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ২৮ কোটি নগদ, ৪ কোটি মূল্যের সোনা

    বুধবার বেলা ১২টার কিছু ক্ষণ আগে অর্পিতার বেলঘরিয়ায় ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির আধিকারিকরা। এর পর ১৯ ঘণ্টার তল্লাশি অভিযান শেষে টাকা ও গয়না উদ্ধার করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। দুপুর থেক টাকা গোনা শুরু হলেও তা শেষ হতে হতে ভোর হয়ে যায়। এর আগে শুক্রবার অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকেও ২১ কোটি ৯০ লক্ষ নগদ এবং বহুমূল্যের গয়না ও বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করেন ইডি আধিকারিকেরা। এর পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

  • Draupadi Murmu: স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    Draupadi Murmu: স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি (President) হিসেবে শপথ নিলেন দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সংসদের সেন্ট্রাল হলে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা (NV Ramana)। শপথ নেওয়ার আগে এদিন সকালে রাজঘাটে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান দ্রৌপদী। বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। পরে কোবিন্দের সঙ্গেই সংসদ ভবনে পৌঁছান দ্রৌপদী। তাঁকে স্বাগত জানান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তেরঙ্গা শাড়ি পরে শপথ নেন দ্রৌপদী। শপথ গ্রহণের পর প্রথা মেনে তাঁকে একুশবার তোপধ্বনি দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

    দ্রৌপদী দেশের সর্ব কনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতি। শপথ নেওয়ার পর সংসদের সেন্ট্রাল হলে ভাষণ দেন তিনি। বলেন, সকলের আশীর্বাদে আমি দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছি। একটি প্রগতিশীল দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছি। নিজেকে খুব সৌভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। ভারতের নয়া রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল। আর স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরে আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেয়েছি। দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়া আমার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়। এটি ভারতের প্রতিটি দরিদ্র মানুষের প্রাপ্তি। আমার রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রমাণ করে যে ভারতের দরিদ্র মানুষরা শুধু স্বপ্নই দেখেন না, সেই স্বপ্ন পূরণও করতে পারেন।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন সেনাবাহিনীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দ্রৌপদী বলেন, ২৬ জুলাই দিনটি কার্গিল বিজয় দিবস। দিনটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্বের প্রতীক। কার্গিল বিজয় দিবস উপলক্ষে আমি দেশের সশস্ত্র বাহিনী ও দেশবাসীকে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এদিকে, রবিবার রাত থেকেই উৎসব শুরু হয়েছে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের উপরবেদা গ্রামে। সোমবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন দ্রৌপদীর প্রায় ৬০ জন নিকট আত্মীয়।

    আরও পড়ুন : নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল উদাহরণ দ্রৌপদী, বলছে ওড়িশার রায়রংপুর

    পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএর প্রার্থী ছিলেন বিজেপির দ্রৌপদী। বিজেপি বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা। যশবন্তকে বিপুল ভোটে পরাস্ত করে রাইসিনা হিলসের বাসিন্দা হলেন দ্রৌপদী।

     

  • Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয়ের আনন্দে মাতল বাংলাদেশও

    Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয়ের আনন্দে মাতল বাংলাদেশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি (President) পদে শপথ নিয়েছেন ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। প্রত্যাশিতভাবেই উৎসবে মেতেছেন উত্তর ও দক্ষিণের আদিবাসী অধ্যুষিত জেলাগুলির মানুষ। গঙ্গার এপারে যেমন চলছে উৎসব, তেমনি উৎসব হয়েছে পদ্মার ওপারেও। এদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের সামনে ধামসা মাদল নিয়ে নাচে গানে মেতে ওঠেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ।

    সোমবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে দ্রৌপদীকে শপথবাক্য পাঠ করান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা (NV Ramana)। শপথ নেওয়ার আগে রাজঘাটে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান দ্রৌপদী। বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। পরে কোবিন্দের সঙ্গেই সংসদ ভবনে পৌঁছান দ্রৌপদী। তার পরেই নেন শপথ।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএর প্রার্থী ছিলেন বিজেপির দ্রৌপদী। বিজেপি বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা। যশবন্তকে বিপুল ভোটে পরাস্ত করে আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাইসিনা হিলসের বাসিন্দা হলেন ময়ূরভঞ্জের প্রত্যন্ত এক গ্রামের দ্রৌপদী। দ্রৌপদী রাইসিনা হিলসে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হল আরও একটি ইতিহাস। তিনিই ভারতের প্রথম জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা, যিনি হলেন দেশের এক নম্বর নাগরিক।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিঞা অ্যাভেনিউতে জড়ো হন আদিবাসী ও জনজাতি সম্প্রদায়ের প্রচুর মানুষ। জয়েনশাহি আদিবাসী ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল, ঢাকা ওয়াংলা সেলিব্রেশন কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি জনজাতি সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরাও যোগ দেন এদিনের উৎসবে।  বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব ড্রং বলেন, জনজাতি সম্প্রদায়ের কোনও মহিলার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করা ভারতের পক্ষে ভালো খবর। কেবল ভারত নয়, বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের পক্ষেও এটি একটি সুখবর। এটি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পক্ষেও গর্বের বিষয়। দ্রৌপদীকে সে দেশে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারকেও অনুরোধ করেন তিনি।

    এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মেসবাহ কামাল। তিনি বলেন, দ্রৌপদী মুর্মুর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নিপীড়িত, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের জন্য এটি একটি আনন্দের দিন। এটি নিঃসন্দেহে সমাজের দুর্বল শ্রেণির মানুষের প্রতি রাষ্ট্রের আইন প্রণেতা ও পরিচালকদের দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টাতে ভূমিকা পালন করবে।

     

  • Draupadi Murmu: ভারতের রাষ্ট্রপতির বেতন কত জানেন? সুযোগ সুবিধাই বা পান কী কী?

    Draupadi Murmu: ভারতের রাষ্ট্রপতির বেতন কত জানেন? সুযোগ সুবিধাই বা পান কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন এনডিএ প্রার্থী বিজেপি-র দ্রৌপদী মুর্মু। বিজেপি বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে হারিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি ভবনের বাসিন্দা হতে চলেছেন তিনি। এবার দেখে নেওয়া যাক রাষ্ট্রপতি হিসেবে কী কী সুবিধা পেতে চলেছেন রাইসিনা হিলসের নয়া বাসিন্দা।

    ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন বিশ্বের সব চেয়ে বড় রাষ্ট্রপতি ভবন। ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মাণ করা হয়েছিল এই ভবন। ৩২০ একর জমির ওপর তৈরি হয়েছিল দিল্লির রাইসিনা হিলসের এই রাষ্ট্রপতি ভবন। রাইসিনা হিলসের মূল ভবনে ঘর রয়েছে ৩৪০টি। রাষ্ট্রপতি ছাড়াও রাইসিনা হিলসে রয়েছে তাঁর আধিকারিকনিবাস, স্বাগত কক্ষ, অতিথিশালা এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়। ভবনের বাইরে রয়েছে বিশাল আকারের বাগান, কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা। রয়েছে আস্তাবলও। রাষ্ট্রপতি ভবনের মধ্যেই রয়েছে মুঘল গার্ডেন, মিউজিয়াম। মুঘল গার্ডেনে রয়েছে ময়ূরও। টিকিট কেটে এগুলি ঘুরে দেখতে পারেন সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন : জয়ী দ্রৌপদী, মমতা ব্যর্থ, তৃণমূলনেত্রীকে কটাক্ষ বিজেপির

    আগামী পাঁচ বছরের জন্য এখানকারই বাসিন্দা হতে চলেছেন ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের এক প্রত্যন্ত গ্রামে বেড়ে ওঠা দ্রৌপদী। রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রতি মাসে বেতন বাবদ তিনি পাবেন ৫ লক্ষ করে টাকা। জানা গিয়েছে, ১৯৫১ সালের আইন মোতাবেক নির্ধারিত হয় রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ও পেনশনের পরিমাণ। রাষ্ট্রপতির জন্য দুটি ভ্যাকেশন রিট্রিটের ব্যবস্থাও রয়েছে। বছরে দু বার ছুটি কাটাতে যেতে পারেন তিনি। তাঁর জন্য ব্যবস্থা থাকে সিমলার দ্য রিট্রিট বিল্ডিং ও হায়দরাবাদের রাষ্ট্রপতি নিলয়মে। সফরের যাবতীয় খরচ বহন করে ভারত সরকার।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    এ তো গেল রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন সুযোগ সুবিধা। অবসরের পরেও বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা পান ভারতীয় রাষ্ট্রপতি। ফি মাসে রাষ্ট্রপতি পেনশন পান দেড় লক্ষ টাকা। রাইসিনা হিলস ছেড়ে গেলেও, রাষ্ট্রপতির থাকার জন্য ব্যবস্থা করা হয় সুসজ্জিত বাংলোর। এজন্য কোনও টাকা দিতে হয় না তাঁকে। পাঁচজন কর্মচারীও রাখতে পারেন রাষ্ট্রপতি। এই কর্মচারীদের বেতন দেয় ভারত সরকার। জীবনভর বিনা মূল্যে ট্রেন এবং বিমানে ভ্রমণের সুযোগও পান অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।

     

  • World Hepatitis Day: বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে জানুন এই রোগ সম্পর্কে বিশেষ কিছু তথ্য

    World Hepatitis Day: বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে জানুন এই রোগ সম্পর্কে বিশেষ কিছু তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস (World Hepatitis Day)। সারা বিশ্বে আজ অর্থাৎ ২৮ জুলাই এই দিনটিকে হেপাটাইটিস দিবস হিসেবে পালন করা হয়। হেপাটাইটিস রোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতেই এই দিনটিকে পালন করা হয়। কারণ এখনও পৃথিবীর অনেক জায়াগায় মানুষ এই রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না। তাই আজ জেনে নিন, হেপাটাইটিস রোগ সম্পর্কে কিছু বিশেষ তথ্য।

    হেপাটাইটিস হল লিভারের রোগ, যাতে লিভার দুর্বল হয়ে পড়ে। হেপাটাইটিস সাধারণত এ, বি, সি প্রকৃতির হয়ে থাকে। লিভার দুর্বল হয়ে গেলে হজমও ঠিকমত হয় না। আর সেখান থেকে শুরু হয় একাধিক সমস্যা। তাই হেপাটাইটিস হলে খাাদ্যতালিকাতে বিশেষ নজর রাখা উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩৩ কোটিরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয় হেপাটাইটিস বি আর সি-এ। তবুও মানুষ বিষয়টি নিয়ে সেভাবে সতর্ক নন। আর তাই হেপাটাইটিস দিবসের উদ্দেশ্য হল মানুষকে এ বিষয়ে আরও বেশি সচেতন করা।

    হেপাটাইটিস এ: এই ভাইরাস সাধারণত খাবার ও জল থেকেই হয়। দূষিত জল ,অপরিচ্ছন্ন খাবার থেকেই এই রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। হেপাটাইটিস এ (Hepatitis A) তে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে অন্যদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এই রোগে আক্রান্ত হলে সংক্রমিত ব্যক্তির যেসব উপসর্গগুলো দেখা যায়, সেগুলো হল জ্বর, ক্লান্তি, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া, জয়েন্টে ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, জন্ডিস ইত্যাদি। তবে এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য টিকা রয়েছে।

    হেপাটাইটিস বি: এই ভাইরাস সাধারণত শরীরের রক্ত, দেহের কোনও তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়াও যৌন মিলনের ফলে এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়। তবে সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলালে, খাবার একসঙ্গে খেলে, চুম্বন, কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায় না। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে বেশ কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন-জন্ডিস (ত্বক ও চোখের হলুদ হওয়া),গাঢ় রঙের প্রস্রাব, ক্লান্তি, পেটে ব্যথা ইত্যাদি। হেপাটাইটিস বি থাকলে বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত, নয়তো এটি পরে বিপজ্জনক হতে পারে।

    হেপাটাইটিস সি: বি -এর মত এই ভাইরাসও রক্ত, যৌন মিলন, গর্ভবতী অবস্থায় মায়ের থেকে শিশুর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। এটি হেপাটাইটিস এ ও বি এর চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ফলে লিভারের ক্ষত ও বেশ কয়েক বছর পর সিরোসিস সৃষ্টি করে। এছাড়াও হেপাটাইটিস ডি ও ই রয়েছে, যা আগের তিন রকমের তুলনায় কম বিপজ্জনক।

  • Primary TET Scam: ইডি দফতরে হাজির মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

    Primary TET Scam: ইডি দফতরে হাজির মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Teacher Recruitment scam) পাশাপাশি প্রাথমিক টেট নিয়োগ দুর্নীতিতেও (primary teacher recruitment scam) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নাম উঠে আসায় এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। 

    আজ, বুধবার, মানিককে বেলা ১২ টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি (ED) দফতরে হাজির হতে বলা হলেও তিনি সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ পৌঁছে যান সিজিও কমপ্লেক্সে। এর আগে গত শুক্রবার, পার্থর বাড়িতে যে সময় তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা, সেই একই সময় মানিকের বাড়িতেও চলেছিল তল্লাশি। ইডি হানার তালিকায় ছিল মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িও। 

    সেদিন মানিককে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথি ও সিডি উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেই সূত্রেই মানিক ভট্টাচার্যকে তলব করা হয়েছে বুধবার। 

    আরও পড়ুন: বিধানসভায় ফিরল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি, ছাড়তে চলেছেন মন্ত্রিত্ব? জল্পনা

    সূত্রের খবর, পার্থর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে মানিক ভট্টাচার্যের নোট ছিল। এদিন, মানিককে বেশ কিছু নির্দিষ্ট নথি, ব্যাঙ্কের নথিও আনতে বলা হয়েছে ইডি-র তরফে। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ইডি সূত্রে খবর। 

    কিন্তু, কেন এখন তলব করা হল মানিককে? সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সেই তথ্য যাচাই করার জন্য মানিক ভট্টাচার্যকে তলব করেছেন তদন্তকারী। এমনকী, প্রয়োজনে পার্থ ও মানিককে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করতে হতে পারে। 

    এখানে বলে দেওয়া দরকার, মানিক ভট্টাচার্য হলেন নদিয়া জেলার পলাসীপাড়ার বিধায়ক। তিনি পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের (West Bengal Primary Education Board)  প্রাক্তন সভাপতি। আদালতের নির্দেশেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সভাপতির পদ থেকে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সূত্রের খবর তিনিও মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। একটা সময় হাজরা ল কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

  • Partha-Arpita: সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হল মন্ত্রীকে, আজই মুখোমুখি জেরা পার্থ-অর্পিতাকে?

    Partha-Arpita: সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হল মন্ত্রীকে, আজই মুখোমুখি জেরা পার্থ-অর্পিতাকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোরেই ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপর কোনও সময় নষ্ট না করে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে সোজা সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান ইডি তদন্তকারীরা। ফলে, এখন শিল্পমন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় দুজনেরই বর্তমান ঠিকানা সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি লক-আপ। পার্থ-অর্পিতাকে গতকাল রাতে ১০ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেন ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ ইডি বিচারক। তখনই, অর্পিতাকে হেফাজতে নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সের লক-আপে চালান করে ইডি। আজ সকালে ভুবনেশ্বর থেকে ফিরলে পার্থকেও সোজা সেখানেই নিয়ে যান ইডি আধিকারিকরা। 

    সূত্রের খবর, সময় নষ্ট একেবারেই করতে চাইছে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। তাই, আজ থেকেই পার্থ ও অর্পিতার জেরা-পর্ব শুরু হচ্ছে বলে খবর। সেক্ষেত্রে পৃথক জেরার পাশাপাশি, দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করারও একটা সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে, সেটা নির্ভর করছে তদন্তকারীদের ওপর। এদিকে, পার্থ-অর্পিতা জেরা ঘিরে এখন সিজিও কমপ্লেক্স চত্বর জুড়ে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী। চারদিকে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, ভবনের সাত তলায় রাখা হয়েছে পার্থকে। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: ৩ অগাস্ট পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরলেন মন্ত্রী

    গতকাল পার্থর মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরই, মন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করে ইডি। আদালতে তদন্তকারী দল দাবি করে, পার্থ ও অর্পিতার যৌথ সম্পত্তি রয়েছে। মন্ত্রীর বাড়ি থেকেও অর্পিতার নামে বিভিন্ন সংস্থার নথি ও সম্পত্তির দলিল উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্ত রিপোর্টে জানিয়েছে ইডি। তাদের মতে, এই দুজন বেআইনি আর্থিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন যে, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া ২২ কোটি টাকা কিছুই নয়, বরং এর থেকেও বিপুল পরিমাণ টাকার হদিশ পাওয়া সম্ভব। 

    সেকারণে, দুজনকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। তদন্তের সুবিধার্থে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের তাদের হেফাজতে পাঠানো হোক। একইসঙ্গে, অর্পিতার জন্য ১৩ দিনের হেফাজতের আর্জি জানানো হয়। অন্যদিকে, জামিনের আবেদন করেছিলেন পার্থর আইনজীবী। এরপর মন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠকে ১০ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেয় আদালত। 

    আরও পড়ুন: ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই, জানিয়ে দিল এইমস

  • MQ-9B drones: ভারতের হাতে আসছে আমেরিকার হানাদার ড্রোন ‘এমকিউ-৯ রিপার’! জানেন এর ক্ষমতা?

    MQ-9B drones: ভারতের হাতে আসছে আমেরিকার হানাদার ড্রোন ‘এমকিউ-৯ রিপার’! জানেন এর ক্ষমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই ভারতের হাতে চলে আসবে আমেরিকার হানাদার ড্রোন ‘এমকিউ-৯ রিপার’। তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মহম্মদ ওমর থেকে সিরিয়ার আল কায়দা প্রধান সেলিম আবু আহমেদ— গত দু’দশকে আমেরিকার প্রিডেটর ড্রোনের ‘শিকার’ হয়েছেন অনেকে। শত্রু খতম করতে এর জুড়ি মেলা ভার। সেই ড্রোনই এ বার ভারতের হাতে আসতে চলেছে। ভারত ও আমেরিকার মধ্যে এ নিয়ে চুক্তি প্রায় পাকা। ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় করে আমেরিকা থেকে ড্রোন কিনবে ভারত। 

    মাঝেমধ্যেই সীমান্ত পেড়িয়ে ভারতের আকাশে চলে আসছে পাক ড্রোন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিনের সঙ্গেও ভারতের বিবাদ লেগে রয়েছে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই আমেরিকা থেকে অতি উন্নতমানের ড্রোন আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। ভারতীয় স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনার জন্য প্রিডেটরের ‘এমকিউ-৯বি’-র ‘সি গার্ডিয়ান’ এবং ‘স্কাই গার্ডিয়ান’ সংস্করণ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জেনারেল অ্যাটোমিক্স গ্লোবাল কর্পোরেশনের মুখ্য আধিকারিক বিবেক লাল জানান, এই ড্রোন নিয়ে ভারত ও আমেরিকার সরকারের মধ্যে কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তবে তিনি বলেন, ‘‘কী কথাবার্তা হয়েছে, তা দুই সরকারের প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসা করা উচিত। তবে জেনারেল অ্যাটোমিক্স ভারতকে সাহায্য করতে প্রস্তুত।’’

    আরও পড়ুন: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে প্রবেশের অধিকার পেল ভারত, কেন জানেন?

    গত বছর আমেরিকা সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে গিয়ে বিবেকের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তিনি। ওই সময়েই তাঁদের মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রিডেটর ড্রোন কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, আমেরিকার তৈরি এই ড্রোন ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় টানা ২৭ ঘণ্টা উড়তে পারে। এর সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা রয়েছে এক হাজার ৭৪৬ কিলোগ্রাম। এই ড্রোন ব্যবহার করে সাত হাজার ৫০০ কিলোমিটার উপকূল রেখা বরাবর নজরদারি চালানো যাবে। আমেরিকা ছাড়া সম্প্রতি এই ড্রোন ব্যবহার করছে ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেনের বিমানবাহিনী। এবার সেই তালিকায় ঢুকতে চলেছে ভারতও।

LinkedIn
Share