Blog

  • Hamid Ansari Contro: সত্য গোপন করছেন হামিদ আনসারি, দাবি প্রধানমন্ত্রীর সহ-জীবনীকারের

    Hamid Ansari Contro: সত্য গোপন করছেন হামিদ আনসারি, দাবি প্রধানমন্ত্রীর সহ-জীবনীকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির ডাকে ভারতে এসেছিলেন পাক সাংবাদিক নুসরত মির্জা। সংগ্রহ করেছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে সেই তথ্য তুলে দিয়েছেন সে দেশের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স বা আইএসআইকে। খোদ পাক সাংবাদিকের এই বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় গোটা দেশ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি। তবে হামিদ যে মিথ্যে বলছেন, তা দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনীকার আদিস সি আগরওয়াল।

    ট্যুইটবার্তায় আদিস বলেন, জঙ্গিবাদের ওপর এক আলোচনাসভায় হামিদ ওই পাক সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ওই আলোচনা সভায় যে হামিদ গিয়েছিলেন, তা স্বীকার করেছেন জাতীয় কংগ্রেসের সচিব জয়রাম রমেশ। তবে নুসরতকে যে হামিদই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, তা অস্বীকার করেছেন তিনি। অথচ নুসরত মির্জাকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন হামিদ আনসারি। জিজ্ঞাসাবাদ এড়াতেই এখন তিনি অভিযোগ অস্বীকার করছেন। হামিদ যে মিথ্যে বলছেন, নানা তথ্য দিয়ে তা প্রমাণ করে দিয়েছেন ইন্টারন্যাশনেল কাউন্সিল অফ জুরিস্টের সভাপতি আদিস। তিনি আবার অল ইন্ডিয়া বার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যানও। আদিস জানান, তথ্যের ভিত্তিতে তিনি সত্য উদ্ঘাটন করতে চান।

    আরও পড়ুন : প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি পাক চরকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি

    আদিস বলেন, ২০১০ সালের ১১ ও ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অফ জুরিস্টস অন ইন্টারন্যাশনাল টেররিজম অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস। নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে হয়েছিল ওই আলোচনা সভা। সভায় ছিলেন হামিদ। যদিও নুসরত ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন না। ছিলেন না অনুষ্ঠানেও। এমনকী, এই অনুষ্ঠানের উল্লেখ পরবর্তীকালে কেরননি মির্জা।

    আদিস বলেন, আমি ওই আলোচনাসভার আহ্বায়ক ছিলাম। যখন আলোচনাসভা আয়োজিত হচ্ছিল, তখন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল হামিদ আনসারিকে। হামিদের সচিবালয় থেকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। আদিস আরও বলেন, উপরাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের তৎকালীন ডিরেক্টর ছিলেন অশোক দেওয়ান। তিনি আমাকে জানান নুসরতকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন উপরাষ্ট্রপতি স্বয়ং। যাই হোক, আমরা উপরাষ্ট্রপতির সেই অনুরোধ রাখতে পারিনি। কারণ ওই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের কোনও মিডিয়া কিংবা বিচারক এবং আইনজীবীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

    আদিস বলেন, এরপর যখন দেওয়ান বিষয়টি জানতে পারলেন, তখন তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন। সেটি ছিল সভার আগের দিন। দেওয়ান আমাকে জানান, মির্জাকে আমন্ত্রণ না পাঠানোয় উপরাষ্ট্রপতি খুশি হননি, অপমানিত বোধ করেছেন। আগে তিনি ঘণ্টাখানেক সভায় থাকবেন বললেও, এখন তিনি জানিয়েছেন, কুড়ি মিনিট থাকবেন।

    আরও পড়ুন :কে হবেন উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী? শনিবার বৈঠকে বিজেপি

    আদিস বলেন, অনুষ্ঠানের দিন ঘড়ির কাঁটায় কুড়ি মিনিট হতেই সভাস্থল ছাড়েন হামিদ। যদিও কংগ্রেসের কিছু নেতা এনিয়ে সত্য গোপন করতে চাইছেন। তাঁরা এটা প্রমাণ করতে চাইছেন আমি প্রধানমন্ত্রীর সহ জীবনীকার বলেই এসব বলছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁরা বলছেন, মোদি ভক্ত হওয়ায় আদিস এসব বলছেন। ওঁদের দাবি, আসলে আমিই না কি নুসরতকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। এখন দায় চাপাচ্ছি হামিদের ওপর।

    আদিসের মতে, সত্য ধামাচাপা দিতেই এসব করা হচ্ছে। নিজেকে বাঁচাতেই এসব বর্ম ব্যবহার করছেন হামিদ। আদিস বলেন, আসল ঘটনা হল আমি যে আলোচনাসভার আয়োজন করেছিলাম, তাতে হামিদ এবং মির্জা একসঙ্গে ছিলেন না। কিন্তু, এই দুজন যে কনফারেন্সে একসঙ্গে ছিলেন, তা ছিল ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স এগেইনস্ট টেররিজম।

    আদিস জানান, এই সভার আয়োজক ছিল জামা মসজিদ ইউনাইটেড ফোরাম। আলোচনা সভা হয়েছিল নয়াদিল্লির ওবেরয় হোটেলে। হামিদের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন জামা মসজিদের শাহি ইমাম আহমেদ বুখারি, ফারুক আবদুল্লা সহ বেশ কয়েকজন মুসলিম নেতা। এর থেকে এটা স্পষ্ট যে, হামিদ এবং রমেশ সত্য গোপন করতে চাইছেন। আনসারিকে ক্লিনচিট দিতেই এটা করা হয়েছে। তাঁরা ইচ্ছে করেই জুরিস্ট কনফারেন্সের নাম নিচ্ছেন।

    আদিস জানান, ওই অনুষ্ঠানে মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন হামিদ ও নুসরত। ওই অনুষ্ঠান রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী সবাই ছিলেন। তা থেকে স্পষ্ট মঞ্চে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অনুমোদন করেছিলেন হামিদ। এ থেকেও প্রমাণ হয় এক মঞ্চে ছিলেন হামিদ এবং মির্জা। তাই নুসরত যা বলছেন, তা ঠিকই বলছেন।

  • Bangladesh Load Shedding: চরম বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশ! নিয়মিত লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত

    Bangladesh Load Shedding: চরম বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশ! নিয়মিত লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থের অভাবে সঠিক মতো উৎপাদন করা যাচ্ছে না বিদ্যুৎ। ফলে দেশে চরম আকার নিয়েছে ঘাটতি। মোকাবিলা করতে এবার নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। আর এতেই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন, পদ্মা সেতু তৈরি করতে গিয়ে কি দেউলিয়ার পথে হাসিনা প্রশাসন!

    কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ পদ্মা সেতুর (Padma Setu) উদ্বোধনে উদ্বেলিত হয়েছিল দু’পার বাংলার বাসিন্দারা। বাংলাদেশ তো বটেই, এপারেও কিছু মানুষজনও পদ্মা সেতুর উদ্বোধন পালন করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে অজস্র পোস্ট। এমন নয় যে পদ্মা সেতু ভারত-সংযোগকারী কোনও সেতু, বা এটি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কোনও স্থাপত্যের নিদর্শন। তা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের পদ্মা সেতু নিয়ে মাতামাতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    মুক্তিযুদ্ধের (Mukti Juddho) গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে সেতু নির্মাণকে তুলনা করতে দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশে। কোনও বিদেশি সাহায্য ছাড়াই নিজের দমে তারা এই সেতু বানিয়েছে বলেও বার বার দাবি করেছে বাংলাদেশ। যদিও, এত বিপুল অর্থ বরাদ্দ কোথা থেকে হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার খানিকটা উত্তর পাওয়া গেল সোমবার। দেখা যাচ্ছে, বিগ বাজেট সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে কার্যত ভাঁড়ার শূন্য হয়েছে বাংলাদেশের। ফলে, চরম বিদ্যুৎ সংকটে ডুবেছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশ। বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমাতে দেশে নিয়মিত এলাকা ভিত্তিক লোডশেডিংয়ের (Power Cut) ঘোষণা করল শেখ হাসিনার সরকার।

    সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, লোডশেডিং (Load Shedding) হতে পারে দিনে ২ ঘণ্টা পর্যন্ত। আর এখন থেকে সপ্তাহে এক দিন বন্ধ থাকবে পেট্রল পাম্প। খরচ সাশ্রয়ের জন্য ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। বিষয়টি জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী। 

    তৌফিক ই এলাহি চৌধুরী বলেন, “খরচ কমাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন আজ থেকে সাময়িক বন্ধ থাকবে। এ সিদ্ধান্ত সাময়িক। বিশ্বের পরিস্থিতির  উত্তরণ হলে আগের অবস্থানে ফিরে আসা হবে।”

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের উপর নির্যাতন বাংলাদেশে! ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক      

    তিনি আরও বলেন, “পৃথিবীতে একটা যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে। ইউক্রেনে যে যুদ্ধ চলছে, তা ইউক্রেনের একার নয়। ওই যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে আমাদের ওপর।” তিনি আরও বলেন, “যাদের অর্থের অভাব নেই, তারাও কিন্তু লোডশেডিং করছে। যুক্তরাজ্যে হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ায় হচ্ছে। ডিজেলের বিদ্যুৎ উৎপাদন আপাতত স্থগিত করলাম, তাতে খরচ অনেকটা কমবে। ডিজেলের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে।” 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে পিটিয়ে খুন হিন্দু শিক্ষককে, জুতোর মালা অন্যকে         

    তৌফিক-ই-এলাহি চৌধুরী বলেন, “আমাদের ধারণা, এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি হবে। এতে দিনে এক থেকে দেড় ঘণ্টা এবং কোনও কোনও জায়গায় দু’ঘণ্টাও লোডশেডিং হতে পারে। কিন্তু  দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং পৃথিবীর এই খারাপ সময়ে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”  

    বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, “কোন এলাকায় বিদ্যুতের লোডশেডিং হবে, তা আগে থেকে গ্রাহককে জানিয়ে দেওয়া হবে। আমরা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি শিল্পক্ষেত্রকে।” তিনি আরও বলেন, আগামী এক সপ্তাহে এক থেকে দু’ঘণ্টা লোডশেডিং করা হবে। পরে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    প্রতিমন্ত্রী এদিন বলেন, এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সারা দেশে এক দিন পেট্রল পাম্প বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে বন্ধ রাখা হবে, সেটা পরে জানানো হবে।বন্দর এলাকায় সপ্তাহে দু’দিন পেট্রল পাম্প বন্ধ রাখার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলেও জানান নসরুল হামিদ। এমনকি সরকারি অফিসগুলোয় কীভাবে সময় কমিয়ে আনা যায়, সেকথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

    পদ্মা সেতু যে বাংলাদেশকে কপর্দকশূন্য করে ছেড়েছে তা এক প্রকার স্পষ্ট। সেতু উদ্বোধনের খুশির রেশ কাটতে না কাটতেই পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিপুল টোল চাপিয়েছে বাংলাদেশ প্রশাসন।এবার সেখানে ঝুপ করে নেমে এল নিকষ কালো অন্ধকার। পদ্মা সেতু আলোকিত রাখতে গিয়ে এখন সাময়িকভাবে অন্ধকারে থাকতে হবে সেদেশের বাসিন্দাদের।
     

  • Sikkim Police: স্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, রাগে তিন সহকর্মীকে গুলি করে খুন পুলিশকর্মীর

    Sikkim Police: স্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, রাগে তিন সহকর্মীকে গুলি করে খুন পুলিশকর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সহকর্মীর গুলিতে মৃত্য়ু হল তিন পুলিশকর্মীর। সোমবার এই ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লিতে। ঘটনার পর আত্মসমর্পণ করেন প্রবীণ রাই (Prabin Rai) নামে ওই অভিযুক্ত জওয়ান। তাঁর দাবি, স্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করার জেরে তিনি রেগে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। যদিও, সবদিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে মাকে অপহৃত হওয়ার ফোন মার্কিন যুবতীর, পরে বেরোল আসল সত্য!

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশকর্মী ও তাঁর সহকর্মীরা সকলেই ইন্ডিয়ান রিজার্ভ ব্যাটেলিয়নের জওয়ান। চারজনই মোতায়েন ছিলেন উত্তর-পশ্চিম দিল্লির রোহিনী এলাকায় হায়দারপুর ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে। 

    জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কোয়ার্টারে প্রবেশ করেন অভিযুক্ত প্রবীণ রাই। আচমকা, নিজের ইনস্যাস রাইফেল থেকে তিনজনকে লক্ষ্য করে সাত থেকে আটটি গুলি চালান প্রবীণ। দিল্লি পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। পরে, হাসপাতালে মৃত্যু হয় তৃতীয়জনের। গুলি চালানোর পর অভিযুক্ত পুলিশকর্মী নিজেই আত্মসমর্পণ করেন। এরপর দিল্লি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

    স্পেশ্যাল কমিশনার পুলিশ দীপেন্দ্র পাঠক (Dependra Pathak) জানিয়েছেন,  তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অভিযুক্ত দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীর নামে অশালীন কথা বলেছিলেন সহকর্মীরা। ফলে তাঁর ওপর মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়েছিল। আর তখনই মেজাজ হারিয়ে প্রবীণ তিন সহকর্মীর দিকে উদ্দেশ্য করে গুলি চালিয়ে দেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, চতুর্থ এক সহকর্মীকেও গুলি করার চেষ্টা করেছিলেন প্রবীণ। কিন্তু, তিনি কোনওক্রমে পেছনের জানলা দিয়ে পালিয়ে প্রাণ বাঁচান।

    আরও পড়ুন: শ্রীনগরে হামলার দায় নিল আইএস! জঙ্গিদের নিশানায় নিরাপত্তারক্ষীরা

    নিহতরা হলেন পিন্টো নামগ্যাল ভুটিয়া (Pinto Namgyal Bhutia), ইন্দ্রলাল ছেত্রী (Indra Lal Chhetri) এবং ধানহাং সুব্বা (Dhanhang Subba)। ডেপুটি কমিশনার প্রণব তায়াল (Pranab Tayal) জানিয়েছেন, গুলি চালানোর খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে দেখেন দুজন পড়ে রয়েছেন ঘরে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে। আরেকজন পড়েছিল বাথরুমে।  

    পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত প্রবীণ জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রীকে প্রায়ই কটূক্তি করতেন সহকর্মীরা। তাঁর সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক খারাপ ছিল। কয়েকদিন আগেই তিনি বাড়ি থেকে এসেছেন। ঘরে ফিরে সেদিন ফোন করেন স্ত্রীকে। কিন্তু, স্ত্রী ফোন তোলেননি। এই নিয়ে সহকর্মীরা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করলে রেগে গিয়ে তিনি গুলি চালিয়ে দেন।

    এই পুরো ঘটনাটিই চমকে দিয়েছে পুলিশ সহ সাধারণ মানুষকে। প্রবীণকে হেফাজতে নিয়ে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করছে দিল্লি পুলিশ।

     

     

     

     

  • Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন,  সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন, সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি চলছে দেশজুড়ে। ভোটের লোভে নানান প্রস্তাব দিচ্ছেন রাজনৈতিক নেতারা। বিনামূল্যে পরিষেবার ঢালাও প্রতিশ্রুতির দিচ্ছেন রাজনীতিবিদরা। এই সংস্কৃতি মারাত্মক। দেশের উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকারক। ভোটের মুখে মিষ্টি মিষ্টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং পরে তার থেকে সরে আসার সংস্কৃতি সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। এই বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে (Bundelkhand Expressway) উদ্বোধনের গিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।

    উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) জালাউনে ২৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন মোদি। যা নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। মোদি বলেন, “ যাঁরা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেন, তাঁরা কখনওই দেশবাসীর জন্য নতুন এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন বিমানবন্দর, নতুন প্রতিরক্ষা করিডর নির্মাণ করেন না। যৌথভাবে এই ক্ষতিকর সংস্কৃতিকে হারাতে হবে আমাদের। ভারতীয় রাজনীতি থেকে এই সংস্কৃতিকে নির্মূল করুন।” মোদি বিশেষভাবে সতর্ক করেন দেশের তরুণদের। তরুণ প্রজন্মের প্রতি মোদির বার্তা, সরকার যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয়, কোনও পরিকল্পনা করে, তবে তা অবশ্যই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে। যা কিছু দেশের জন্য ক্ষতি করে, উন্নয়নের পথ রুখে দেয়, তা থেকে সরে আসতে হবে আমাদের।

    আরও পড়ুন: হিন্দু হওয়া কি অপরাধ! বায়োপিক- বিতর্কে মুখ খুললেন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন

    উত্তরপ্রদেশে বিজেপির (BJP) ডাবল-ইঞ্জিন সরকার শর্টকাট না নেওয়ার পরিবর্তে রাজ্যের ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য কাজ করছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটা সময় সাধারণ মানুষ মনে করতেন, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করবে শুধু বড় শহরগুলো। এখন সেই ধারণা আমূল বদলে গিয়েছে। বিজেপি তার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে সকলের সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করার অধিকার রয়েছে। এই নতুন এক্সপ্রেসওয়ে দিল্লি এবং চিত্রকূটের দূরত্ব তিন থেকে চার ঘণ্টা কমিয়ে দেবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এই রাস্তা শুধু যে ভ্রমণের গতি বাড়াবে তাই নয়, বরং পুরো বুন্দেলখণ্ডে শিল্পের অগ্রগতি ঘটাতেও সাহায্য করবে, অভিমত মোদির। প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়েকে পর্যটন সার্কিটের স্নায়ুকেন্দ্রে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • India China Talks:  সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ১৬তম বৈঠকে ভারত, চিনের কমান্ডাররা

    India China Talks: সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ১৬তম বৈঠকে ভারত, চিনের কমান্ডাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার হল ভারত (India) চিন (China) কমান্ডার স্তরের (Commander Level) ১৬তম বৈঠক। বৈঠক হয়েছে চুশুল (Chushul) সীমান্তে। সূত্রের খবর, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সংঘাত এড়াতেই চলছে আলোচনা। ভারতের তরফে বৈঠকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি’ কোর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেরই ১১ মার্চ ভারত-চিন কোর কমান্ডার স্তরের ১৫তম বৈঠকটি হয়েছিল।

    ১৭ জুলাইয়ের এই বৈঠকের আগে আরও ১৫ বার বৈঠকে বসেছে দুই দেশের সেনারা। সেনা পর্যায়ের ওই বৈঠকগুলির পরেও পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের বিবাদ সম্পূর্ণ মেটেনি। এবার স্থায়ী সমাধান খোঁজার লক্ষ্যেই দীর্ঘ বিরতির পর এদিন ফের মুখোমুখি হয়েছে প্রতিবেশী এই দুই দেশ। ২০২০ সালের মে মাসে দুই দেশের বিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের বৈঠক হয়েছে একাধিকবার। তার পরেও সমস্যা মেটেনি পুরোপুরি। এই আবহেই এদিন হয়েছে ফের বৈঠক। সূত্রের খবর, বৈঠকে দুই দেশই সীমান্ত এলাকায় দেশের অভ্যন্তরে স্থায়ী নিরাপত্তা বজায় রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। সমস্যা এড়াতে সেনার পাশাপাশি কূটনৈতিক স্তরেও চলবে আলাপ আলোচনা।   

    আরও পড়ুন : মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত  

    ২০২০ সালে গালওয়ানে ভারত এবং চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর পর থেকেই দুই দেশের সীমান্ত বরাবর প্রচুর সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সম্প্রতি চিনা সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ভারতীয় আকাশসীমার খুব কাছে চলে এসেছিল। এরপরই দুই দেশের এই সেনা কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ভূরাজনৈতিক মহল। তামাম বিশ্বে ভূরাজনৈতিক চিত্র বদলে যাওয়ায় ভারতের পাশে দাঁড়াতে চিন যে আগ্রহী, সাম্প্রতিক অতীতে একাধিকবার তার ইঙ্গিত দিয়েছে বেজিং। ভারত যখন গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তখনও ভারতের সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছিল ড্রাগনের দেশ। এই আবহে দুই দেশের সেনা পর্যায়ের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

     

  • Covid Vaccine: কোভিড টিকাকরণে ২০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল ভারত, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর    

    Covid Vaccine: কোভিড টিকাকরণে ২০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল ভারত, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর    

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড টিকাকরণে (Covid-19 Vaccine) রেকর্ড গড়ল ভারত (India)। মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে ২০০ কোটি ডোজ টিকাকরণের মাইল ফলক (Milestone) ছুঁল দেশ। রবিবার এই মাইলস্টোন ছুঁয়েছে দেশ। তাই এদিনই চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী সহ দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    টিকাকরণ মাইলফলক ছোঁয়ায় এদিন ট্যুইট বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ভারত আবার ইতিহাস গড়ল। ২০০ কোটি ডোজ টিকাকরণ সম্পূর্ণ করায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা। যারা দেশের টিকাকরণকে অতুলনীয় গতিতে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের অভিনন্দন। কোভিডের বিরুদ্ধে বিশ্বের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে আছড়ে পড়ে করোনা ঢেউ।

    [tw]


    [/tw]

    প্রাণঘাতী ভাইরাসের শিকার হন বহু মানুষ। করোনা রুখতে ওই বছরেরই মার্চ মাস থেকে দেশে জারি হয় লকডাউন। ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হয় টিকাকরণ। প্রথমে টিকা দেওয়া হয় স্বাস্থ্যকর্মী সহ প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের। পয়লা মার্চ থেকে শুরু হয় ষাটোর্ধ্বদের টিকাকরণ। ৪৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে, শুরু হয় তাঁদের টিকাকরণও।

    আরও পড়ুন : প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে কোভিড বুস্টার ডোজ! বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    করোনার দাপট বাড়তেই পয়লা এপ্রিল থেকে ৪৫ ঊর্ধ্ব সকলকে করোনা টিকা দেওয়া শুরু হয়। পয়লা মে থেকে আঠারো-ঊর্ধ্ব সকলের টিকাকরণ শুরু হয়। ২০২২ সাল থেকে ১৮ বছরের নীচে থাকা লোকজনকেও টিকা দিতে শুরু করে মোদি সরকার। পরে আঠারো-ঊর্ধ্ব বয়সী সবাইকেই নিখরচায় বুস্টার ডোজের অনুমতি দেয় কেন্দ্র। প্রথম বুস্টার ডোজ নিতে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। কিন্তু করোনার চতুর্থ ঢেউ চোখ রাঙাতেই ভিড় বাড়তে থাকে টিকাকরণ কেন্দ্রগুলিতে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, টিকাকরণ শুরুর ন’ মাসের মধ্যেই একশো কোটির গন্ডি পার করেছিল ভারত। পরের ন’ মাসে সম্পূর্ণ হল আরও একশো কোটি ডোজ।

    আরও পড়ুন : ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

     

  • Jagdeep Dhankhar: বাংলার ভোটার ধনখড় শ্রাবণের সোমবার উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেশ করবেন

    Jagdeep Dhankhar: বাংলার ভোটার ধনখড় শ্রাবণের সোমবার উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেশ করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের দিনই শুভ কাজটি সেরে ফেলতে চাইছেন এনডিএ’র উপরাষ্ট্রপতি পদ প্রার্থী জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামীকাল সোমবারেই উপরাষ্ট্রপতি পদে নিজের মনোনয়ন দাখিল করবেন তিনি। সকাল সাড়ে এগারোটার সময় পেশ করবেন মনোনয়ন পত্র। আজ রাতভর তাঁর মনোনয়ন পত্র তৈরি করা হচ্ছে। নেতৃত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব।

    আরও পড়ুন : দ্রৌপদী মুর্মুকে কেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করল এনডিএ, জানেন কি?

    ধনখড়ের মনোনয়নের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিকটি হল তিনি বাংলার প্রতিনিধি হিসাবে উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবেন। কারণ, গত জানুয়ারি মাসের ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রাজভবনের ঠিকানায় তাঁর ও স্ত্রী সুদেশ ধনখড়ের নাম তুলিয়েছিলেন তিনি। বিশেষ দূত মারফৎ রবিবারই সেই ভোটার তালিকার নামের প্রত্যয়িত কপি দিল্লি পাঠিয়েছে রাজভবন। উপরাষ্ট্রপতির মনোনয়ন বলে কথা, তাই ছুটির দিনেও রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিক অফিস খুলে দ্রুততার সঙ্গে কাগজপত্র তৈরি করে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    তিন বছর কলকাতা রাজভবনের বাসিন্দা হয়ে বর্তমান রাজ্যপাল বারবার বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে মেশাতে চেয়েছিলেন। সেই সূত্রেই কলকাতার ভোটার তালিকায় নামও তুলেছিলেন। ফলে সরকারিভাবে রাজস্থানের জাঠ পরিবারে জন্ম নেওয়া, দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসাবে কাজ করা ধনখড় বাংলার ভোটার হিসাবেই উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন জমা দেবেন।

    আরও পড়ুন : রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষার্থে গর্জে উঠুন বুদ্ধিজীবীরা, আহ্বান রাজ্যপালের 

    রাজভবন সূত্রের খবর, মনোনয়নের পর কলকাতা ফিরে আসবেন তিনি। বাংলার জন্য নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ পাকা হলেই তিনি পদত্যাগ করবেন। দেশের প্রথম জনজাতি মহিলা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতেই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপালের নিয়োগ হবে। দ্রৌপদীদেবীর সম্ভবত সেটিই হবে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ। তখন আরও একটি চমক বাংলার জন্য অপেক্ষা করছে।

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়  

     

     

     

  • Eknath shinde: মহারাষ্ট্রের দুই শহরের নাম বদলের সিদ্ধান্ত শিন্ডের, কী হল নয়া নাম?

    Eknath shinde: মহারাষ্ট্রের দুই শহরের নাম বদলের সিদ্ধান্ত শিন্ডের, কী হল নয়া নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) দুই শহর ঔরঙ্গাবাদ (Aurangabad) এবং ওসমানাবাদের (Osmanabad) নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিল শিবসেনার  (Shiv Sena) একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) সরকার। ঔরঙ্গাবাদের নয়া নাম হবে ছত্রপতি শম্ভাজিনগর এবং ওসমানাবাদের নতুন নাম হবে ধারাশিব।

    বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়া নিয়ে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত একনাথ শিন্ডের। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ৩০ জুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই ঠাকরে সরকারের নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিয়েছিল শিন্ডের সরকার। ঘটনার প্রতিবাদে ঔরঙ্গাবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে শিবসেনার ঠাকরে শিবির। ঔরঙ্গাবাদ এবং ওসমানাবাদের নাম পরিবর্তন নিয়ে শিবসেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপির মহা বিকাশ আগাড়ি জোট সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

    আরও পড়ুন : বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার সময় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে শহর দুটির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঠাকরে। তবে শিন্ডে এবং ফড়নবিশের দাবি, নাম পরিবর্তন নিয়ে ঠাকরে সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা ছিল বেআইনি। কারণ সেই সময় উদ্ধবকে বিধানসভায় সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঠাকরে। উদ্ধবের সরকার ঔরঙ্গাবাদের নাম পরিবর্তন করে শম্ভাজিনগর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। শিন্ডে সরকার তার আগে বসিয়ে দিয়েছেন ছত্রপতি শব্দটি। এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে মহারাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নাম পরিবর্তনের নয়া প্রস্তাব ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। পরে বিভাগীয় জেলা, তালুক, কর্পোরেশন এবং কাউন্সিল স্তরে দুই শহরেরই নাম পরিবর্তন করা হবে। শনিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবি মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে কৃষক নেতা ডিবি পাতিলের নামে করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে মহারাষ্ট্রের নয়া সরকার। প্রসঙ্গত, বর্তমান শিন্ডে  মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা দুই। একজন মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডে, আর অন্যজন উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। মন্ত্রিসভা শীঘ্রই সম্প্রসারিত হবে বলেও জানা গিয়েছে শিবসেনা সূত্রে।

    আরও পড়ুন : শিবসেনায় ভাঙন ঠেকাতেই দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন উদ্ধব ঠাকরের, বলছে সমীক্ষা

     

  • Covid 19: ভাবাচ্ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা, সতর্ক করলেন হু প্রধান

    Covid 19: ভাবাচ্ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা, সতর্ক করলেন হু প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করলেন হু (WHO) প্রধান ডাঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus)। মার্চ মাসের দিকে গোটা বিশ্বজুড়ে কমতে শুরু করেছিল করোনা (Covid 19) সংক্রমণ। অতিমারীর হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়ে আশার আলো দেখেছিলেন অনেকেই। কিন্তু এখনই নিষ্কৃতি দিচ্ছে না করোনা। এমনটাই জানিয়েছেন হু প্রধান। উল্টে বিশ্বের একাধিক জায়গায় সংক্রমণ বাড়বে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়া নয়, জানাল হু

    ডাঃ ঘেব্রেইসাস মঙ্গলবার বিশ্ববাসীকে আরও একবার সাবধান করে বলেছেন যে, দুবছর অতিক্রান্ত হলেও করোনা ভাইরাসের একের পর এক নয়া স্ট্রেনের দাপটে সারা বিশ্বেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে যা নতুন করে এই ভাইরাসকে নিয়ে ভাবাতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে তৈরি প্রথম এমআরএনএ ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র ডিসিজিআইয়ের  

    হু প্রধান বলেন, “ভারত সহ একাধিক দেশে করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন! কোভিডের সংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের যে ভাবেই হোক আটকাতে হবে তা না হলে স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর ফের চাপ আসতে শুরু করবে। গত কয়েক সপ্তাহে সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃত্যুও যা নিয়ে নতুন করে সারা বিশ্বের মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে”।

    তিনি আরও বলেন, “যে সকল দেশে সংক্রমণ নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে সেই সকল দেশের সরকারের উচিত পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি কোভিড আক্রান্তদের খুঁজে বের করা। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি টিকাহীনদের টিকার আওতায় নিয়ে আসা। আমরা আগের থেকে বর্তমানে অনেক ভাল আছি আমাদের প্রত্যেকের টিকা নেওয়া এবং কোভিড বিধি মেনে চলা উচিৎ।” 

    BA.4 এবং BA.5 ভ্যারিয়েন্টের প্রসঙ্গে হু প্রধান এদিন বলেন, “এই দুই ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তেমনই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও। টিকা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। টিকাহীনদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে তাদের টিকার আওতায় আনা উচিত।”    

    গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। বাংলা সহ বিভিন্ন রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। প্রত্যেকদিনই কার্যত দেশজুড়ে সংক্রমণের সংখ্যা ১৫ হাজারের উপরে। যা দেখে উদ্বিগ্ন দেশের চিকিৎসকরা। যদিও এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফে চতুর্থ ঢেউয়ের কথা বলা হয়নি। 

     

     

  • Partha Chatterjee: মন্ত্রিত্ব থেকে দলীয় পদ, সবকিছু থেকেই পার্থকে ছেঁটে ফেললেন মমতা

    Partha Chatterjee: মন্ত্রিত্ব থেকে দলীয় পদ, সবকিছু থেকেই পার্থকে ছেঁটে ফেললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে মন্ত্রিত্ব, তারপর পদ। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সবকিছু হারালেন একদা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বলা ভালো, এসএসসি কেলেঙ্কারির দায় মাথায় চাপিয়ে পার্থকে দল থেকেই ছেঁটে ফেলল তৃণমূল। বিকেল পাঁচটার বৈঠকের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, যতদিন না তদন্ত শেষ হচ্ছে, দল থেকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। অর্থাৎ, পার্থ আর তৃণমূলের মহাসচিব থাকছেন না। থাকছেন না তৃণমূল মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদকের পদেও। পাঁচটি পদ থেকেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। 

    ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মা মাটি মানুষের সরকারে কার্যত দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দলেও ছিলেন মহাসচিব পদে। কিন্তু টালিগঞ্জের পর বেলঘরিয়াতেও মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের পর আর ঝুঁকি নিতে পারল না দল। আজ বিকেলেই তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক বসে। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, তদন্ত যতদিন না শেষ হবে, ততদিন দল থেকে সাসপেন্ড থাকবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নিজেকে যেদিন নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবেন , সেদিনই দল তাঁর ওপর শাস্তি অপসারণ নিয়ে ফের চিন্তাভাবনা করবে। 

    বিকেলের এই সিদ্ধান্তের আগে আজ দুপুরেই মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর হাতে থাকা তিনটি দফতরই আপাতত থাকছে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। তবে শিল্প দফতর নিজের হাতে রেখে বাকি দুটি দফতর বন্টন করে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে, তথ্য প্রযুক্তি পেতে পারেন ব্রাত্য বসু। পরিষদীয় মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তাপস রায়ের। নবান্ন সূত্রে অবশ্য নির্মল ঘোষের নামও পরিষদীয় মন্ত্রী হিসেবে ভেসে উঠছে। পার্থকে মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সরকারি নোটিফিকেশন আজই জারি হয়।  ২৮জুলাই থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। তবে সরকারি নোটিফিকেশনে বরখাস্ত শব্দটি ব্যবহার না করে অব্যাহতি শব্দটি লেখায় সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

    শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কেলেঙ্কারির ঘটনায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যেভাবে কামিনীকাঞ্চন যোগ সামনে এসেছে, তাতে তৃণমূল কংগ্রেস যে দায় এড়াতে পারে না, বিরোধীরা বারবার সেই প্রসঙ্গ সামনে এনেছে। রাজ্যের সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্ন উঠেছে, একা পার্থ চট্টোপাধ্যায় কি এই কোটি কোটি টাকা তুলতে পারেন? নাকি সঙ্গে আছে দলের আরও অনেকে? খোদ অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ও ইডির জেরার মুখে জানিয়েছেন, এই টাকা তোলার সঙ্গে অনেকেই যুক্ত আছে। এই অভিযোগ আর মানুষের মনে ওঠা প্রশ্ন , ভাবাতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। তাই যে মুখ্যমন্ত্রী দুদিন আগে বলেছিলেন, এটা ষড়যন্ত্র কিনা দেখতে হবে, এখন তিনিও বুঝতে পারছেন, শিয়রে সমন। তাই আপাতত পার্থকে বলি দিতে পিছু হঠলেন না তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, যে সমস্ত ছবি সামনে আসছে, তার প্রেক্ষিতেই দল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

    দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান দলের সমস্ত পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে  সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব ছাড়াও দলীয় মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদক, জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য এবং শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ইডি তল্লাশির ৪৮ ঘণ্টা পর প্রথমবার মুখ খুলেছিল তৃণমূল। তখনও এই দ্বন্দ্ব ছিল। ৭২ ঘণ্টা পর মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও তখন মন্ত্রী পার্থ নয়, নিজেকে বাঁচাতেই ব্যস্ত ছিলেন দলনেত্রী। বলেন আমার হাতেও আলকাতরা আছে, আমাকে বদনাম করলে আমিও আলকাতরা লাগাতে পারি। কোন ওয়াশিং মেশিন তা ধুতে পারবে না।

    সময়ই বলবে, এসএসসি কেলেঙ্কারিতে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধারে কারা কারা জড়িত। তবে শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যে মানুষের বিশ্বাস একেবারেই হারিয়েছে, তা দোকানে-বাজারে কান পাতলেই বোঝা যাচ্ছে। 

     

LinkedIn
Share