Blog

  • Dumka School Contro: রবিবার নয় ছুটি শুক্রবার! ঝাড়খণ্ডের দুমকায় ৩৩টি সরকারি স্কুলে আজব নিয়ম

    Dumka School Contro: রবিবার নয় ছুটি শুক্রবার! ঝাড়খণ্ডের দুমকায় ৩৩টি সরকারি স্কুলে আজব নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব সরকারি স্কুলেই ছুটি থাকে রবিবার। কিন্তু ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) দুমকা (Dumka) জেলায় এমন ৩৩টি স্কুল রয়েছে যেখানে রবিবার ক্লাস হয়। ছুটি থাকে শুক্রবার। এই স্কুলগুলির নামের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে উর্দু কথাটি। এই ৩৩টি স্কুলের প্রায় সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ই মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় অবস্থিত। ঝাড়খণ্ডের জামতারা জেলার উর্দু স্কুলে রবিবারের বদলে শুক্রবার ছুটি দেওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করে একদল সাংবাদিক। দেখা যায় শুধু ওই স্কুল নয় দুমকা জেলায় উর্দু নামধারী ৩৩টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়  রয়েছে, যাদের সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার। তবে জেলার বাকি আর সব সরকারি বিদ্যালয়ে রবিবারই সাপ্তাহিক ছুটি।

    জেলা শিক্ষা সুপার (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় কুমার দাস (Sanjay Kumar Das) জানিয়েছেন, এ বিষয়ে জেলার সমস্ত ব্লকের বিইইওদের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কী পরিস্থিতিতে স্কুলগুলির নাম পরিবর্তন করে উর্দু করা হয়েছে এবং কার নির্দেশে শুক্রবার স্কুলগুলিতে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রতিটি ব্লক থেকে শিক্ষা আধিকারিকদের রিপোর্ট পেশ করতেও বলা হয়। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্ত করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির জালে এনএসই প্রধান চিত্রা রামকৃষ্ণা , তলব প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকেও

    সূত্রের খবর, কর্তৃপক্ষের কোনও নির্দেশ ছাড়াই ছুটি বদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কোনও স্কুল। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের জেলা দুমকা। এখানকার সরকারি স্কুলেই এরকম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দুমকার শিখরীপাড়া ব্লকের একটি, রানিশ্বর ব্লকের আটটি, শরিয়ৎ ব্লকের সাতটি, জামা এবং জারমুন্ডি ব্লকের কটি করে স্কুল রয়েছে। সবকটি স্কুলের নামের শেষে উর্দু স্কুল কথাটি যোগ করা হয়েছে। সঞ্জয় জানান, শিক্ষা দফতরে স্কুলের ছুটির দিন পরিবর্তন বা নাম বদলের কোনও কথা জানায়নি স্কুলগুলি। এরকম কোনও নির্দেশো দেওয়া হয়নি। তাহলে কী করে, কার অনুমতিতে এই বদল তা খতিয়ে দেখবে সরকার।

    চলতি সপ্তাহের শুরুতে ঝাড়খণ্ডের শিক্ষামন্ত্রী জগরনাথ মাহাতো জানান তাঁর কাছে খবর রয়েছে, রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্কুলে সাপ্তাহিক ছুটি রবিবারের বদলে শুক্রবার। এই খবর শুনেই তিনি শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন। তিনি জানান, শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। 

  • Eye Drop: রিডিং গ্লাসের আর দরকার নেই, আই ড্রপেই সব সমস্যার সমাধান!

    Eye Drop: রিডিং গ্লাসের আর দরকার নেই, আই ড্রপেই সব সমস্যার সমাধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেককেই ছোটবেলা থেকে চশমা পরতে হয়। বিশেষ করে কোনও কিছু পড়ার সময় চশমা তো লাগেই।  তাছাড়াও বয়স বাড়লেও চোখে পাওয়ার আসে অনেকেরই। তখন এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য তিনটি উপায় পড়ে থাকে তা হল চশমা পরা, লেন্স পরা, নয়তো চোখের অপারেশন করা। কিন্তু এই তিনটির কোনওটিরই আর প্রয়োজন নাও হতে পারে। কারণ তেমনই আশা দেখাচ্ছে নতুন এক আই ড্রপ।

    এই আই ড্রপটিকে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (Food and Drug Administration) স্বীকৃতি দিয়েছে। চশমার পরিবর্তে বিশ্বে এটাই প্রথম কোনও আই ড্রপ তৈরি করা হয়েছে। ‘ভিউটি’ (Vuity) নামক আই ড্রপটি বিশেষ করে যাঁদের কোনও কিছু পড়ার সময়ে চশমার দরকার হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এই আই ড্রপ খুবই কাজের বলে দাবি করা হয়েছে নির্মাতাদের তরফে। এটি ৪০ বয়স থেকে ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তিদের জন্যে বেশি উপকারী বলে মনে করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    কীভাবে কাজ করে এই আইড্রপ?

    আইড্রপটি দুচোখে একবার একবার করে দিতে হবে এবং এটি দেওয়ার ১৫ মিনিট পর এটি কার্যকরী হয়। তারপর এর প্রভাব ৬ থেকে ১০ ঘন্টা ধরে থাকে। এর পরে ড্রপ না নিলে আবার চশমা ব্যবহার করতে হতে পারে। এই আইড্রপটি পাইলোকার্পিন নামক উপাদান দিয়ে তৈরি। এটি চোখে ph- এর মাত্রাকে ঠিক রাখে ও   চোখের মণিকে আকারে আগের চেয়ে ছোট করে দেয়। ফলে কাছের জিনিস দেখতে সুবিধা হয় ও কাছের বস্তুতে ফোকাস করতেও সুবিধা হয়।

    কারা এটি ব্যবহার করতে পারবেন?

    এই আইড্রপটির প্রভাব ৬৫ বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কম কার্যকরী ও যাদের ‘প্রেসবায়োপিয়া’-র সমস্যা অতটাও গুরুতর নয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বেশি কাজে লাগে। দৃষ্টিশক্তি কাছের জিনিস দেখা বা কোনও কিছু পড়ার ক্ষেত্রে ঝাপসা হয়ে যায়। একেই চিকিৎসার ভাষায় প্রেসবায়োপিয়া (presbyopia) বলা হয়।

    আরও পড়ুন: উজ্জ্বল ত্বক চান? রোজ খান এই জুসটি, পরিবর্তন দেখুন এক সপ্তাহে

     

     

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ধামি! রূপরেখা তৈরিতে গঠিত বিশেষ কমিটি

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ধামি! রূপরেখা তৈরিতে গঠিত বিশেষ কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) কার্যকরের আইনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme court) অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের (Ranjana Prakash Desai) নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি (Five member Committee) গড়ল সে রাজ্যের সরকার।

    উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand) সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সব ধর্মের মানুষের জন্য বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, জমি-সম্পত্তি এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত একই আইন প্রচলনের রূপরেখা তৈরি করবে ওই কমিটি। কমিটিতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রমোদ কোহলি, সমাজকর্মী মনু গৌড়, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার শত্রুঘ্ন সিংহ এবং দুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরেখা ডাঙ্গওয়াল রয়েছেন।

    উত্তরাখণ্ডের বিধানসভা ভোটে বিজেপি (BJP) জিতলেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি (Pushkar Dhami)। ভোটে জিতে ক্ষমতায় ফেরার পরে এ বার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় তৎপর তিনি। কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ধামী জানান, ‘এই সিদ্ধান্ত দেবভূমির (উত্তরাখণ্ড) সংস্কৃতি রক্ষা করবে এবং সমস্ত ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্য আনবে।’ 

    বিজেপির একটি সূত্র জানাচ্ছে, দেশের নাগরিকদের জন্য অভিন্ন দেওয়ানি আইন আনার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই আইন সংক্রান্ত বিলটি আগামী যেকোনও সময়ে সংসদে উত্থাপন করা হতে পারে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। সূত্রের খবর, তার আগে পরীক্ষামূলক ভাবে উত্তরাখণ্ডে এই আইন তৈরির মহড়া শুরু হয়েছে।  এ ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে সেই প্রক্রিয়া শুরু করতে চাইছে কেন্দ্র।

    ইতিমধ্যে বিজেপি শাসিত রাজ্য গোয়াতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বহুদিন ধরেই কেন্দ্র অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সচেষ্ট। এই আইন অনুযায়ী, রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জন্য একটি নির্দিষ্ট আইন কার্যকর করা হয়। এক্ষেত্রে আইন সকলের জন্য সমান আর সেই উদ্দেশ্যেই রাজ্য সরকারের দ্বারা গঠন করা হয় বিশেষ কমিটি, যাঁরা এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • Minorities Certificate In Assam: দেশে প্রথম! আসামে সংখ্যালঘু পরিচয়পত্র পেতে চলেছে এই ৬ সম্প্রদায়?

    Minorities Certificate In Assam: দেশে প্রথম! আসামে সংখ্যালঘু পরিচয়পত্র পেতে চলেছে এই ৬ সম্প্রদায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের পরিচয়পত্র (Minorities Certificate) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আসাম ক্যাবিনেট। মুসলিম, খ্রিস্টান, জৈন, শিখ, বৌদ্ধ ও পার্সিদের সংখ্যালঘু পরিচয়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আসাম সরকার (Assam government)। রবিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himanta Biswa Sarma) উপস্থিতিতে গৃহীত মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত। আসাম মন্ত্রিসভার দাবি, সংখ্যালঘুরা (minorities) যাতে সরকারি সুবিধাগুলি আরও বেশি করে পান সেকারণেই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    আসামের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত (Keshab Mahanta) জানিয়েছেন, ৬টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে এই ছাড়পত্র দেওয়া হবে। তবে কীভাবে এই শংসাপত্র দেওয়া হবে তা নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমে তা স্থির করা হবে। তিনি বলেন, এবারই প্রথম এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতদিন আমরা তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিকে শংসাপত্র দিতাম। তিনি জানিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন ও তাদের বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণের জন্য আমাদের পৃথক বোর্ড রয়েছে। কিন্তু কারা সংখ্যালঘু সেটা বোঝা যায় না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে যাঁদের শংসাপত্র থাকবে তারা সহজেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যার পর জেগে উঠছে কাশী, মথুরা, বিন্ধ্যবাসিনী ধাম দাবি যোগীর

    ২০১১-র জনগণনা অনুসারে, আসামের ৬১.৪৭ শতাংশ হল হিন্দু। মুসলিম ৩৪.২২ শতাংশ, খ্রিস্টান ৩.৭৪ শতাংশ। আসাম মাইনরিটি ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান হাবিব মহম্মদ চৌধুরী জানিয়েছেন, হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকারের এটি একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। তবে আসাম কংগ্রেসের সভাপতি ভূপেন কুমার বোরাহের অভিযোগ, এটা বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির নজির। বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় বিভাজনের পথ তৈরি করবে এই শংসাপত্র। যদিও আসাম সরকারের তরফে মন্ত্রী কেশব মহন্ত জানান, এমন শংসাপত্র ইস্যু করতে অসম সংখ্যালঘু উন্নয়ন পর্ষদ সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। সেই প্রস্তাবই সরকার কার্যকর করতে চলেছে। সংখ্যালঘুদের জন্য সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে বারবারই সমস্যা দেখা দিয়েছে। রাজ্যে কারা ধর্মীয় সংখ্যালঘু সেই প্রশ্ন সব সময় ওঠে। ফলে পরিষেবা প্রদান থমকে যায়। তাই  সংখ্যালঘুদের পরিচয়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এর সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই। বিরোধীরা অযথা বিতর্ক তৈরি করছেন।

  • Gyanvapi Mosque: অশান্তির আশঙ্কা! জ্ঞানবাপী সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে না আনার আবেদন আদালতে

    Gyanvapi Mosque: অশান্তির আশঙ্কা! জ্ঞানবাপী সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে না আনার আবেদন আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সুরক্ষা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (communal harmony) বজায় রাখা প্রয়োজন। তাই জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার (Gyanvapi Mosque survey) ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ্যে না আনার দাবি জানালেন বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের (VVSS) প্রধান জিতেন্দ্র সিং বিষেণ। শুক্রবার এই মর্মে বারাণসীর (Varanasi) ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে আবেদনও জানান তিনি।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath Temple) লাগোয়া জমিতেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque)। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Mughal emperor Aurangzeb) শাসনকালে বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়। সম্রাটের নির্দেশেই ধ্বংস করা হয়েছিল মসজিদ। পরে রানি অহল্যবাই নতুন করে তৈরি করেন বিশ্বেশ্বরের মন্দির।

    বিশ্বনাথ মন্দির এবং জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে এই বিবাদ গড়ায় আদালত পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফির কাজও হয়। আদালত নিযুক্ত একজন অ্যাডভোকেট কমিশনারের উপস্থিতিতে হয় ৬ থেকে ১৬ মে-র মধ্যে হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ।

    আরও পড়ুন : শাহি ইদগাহ মসজিদ চত্বরে স্থিতাবস্থা চেয়ে আবেদন মথুরা আদালতে

    এই সমীক্ষার কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে বলে দাবি স্থানীয় হিন্দুদের একাংশের। মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গের (Shivling) ছবি রয়েছে বলেও দাবি করেন কেউ কেউ। এর পরেই মসজিদ চত্বরে করা  ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ্যে আনার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানান বিষেণ। জ্ঞানবাপী নিয়ে যাঁরা মামলা করেছেন, সেই আবেদনকারীদের একজন সমর্থক বিষেণও। তবুও তিনি চান না এখনই প্রকাশ্যে আসুক ভিডিও এবং ছবি। বিষেণ বলেন, এই ছবি নিয়ে দেশবিরোধী শক্তি অশান্তি পাকাবে। যার জেরে বিঘ্নিত হতে পারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। তিনি বলেন, কেউ যদি ওই ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করে তাহলে জাতীয় সুরক্ষা আইনে তার সাজা হওয়া প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন : এবার নমাজ বন্ধের দাবি আগরা ফোর্টের ভিতরের বেগম কি মসজিদে

    এদিকে, নির্বিঘ্নেই জুম্মাবারের নমাজ পাঠ করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ১৬ মে আদালতের নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয় মসজিদ চত্বরে থাকা ওজুখানার জলাধার। তার পর এদিন উত্তর প্রদেশ পুলিশ এবং সিআরপিএফের (CRPF) কড়া প্রহরায় নমাজ পাঠ করেন মুসলিমরা।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ পরিচালনা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কর্তৃপক্ষ (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। সেই কমিটিও জনসাধারণের কাছে অনুরোধ জানায় শান্তি বজায় রাখতে। এক সঙ্গে অনেকের নমাজ পাঠও নিয়ন্ত্রণ করে তারা। যার জেরে শান্তিপূর্ণভাবেই এদিন শেষ হয়েছে জুম্মার নমাজ।

     

  • Asia Cup Hockey 2022: ১৬-০! ইন্দোনেশিয়াকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ হকির ‘সুপার ৪’-এ ভারত

    Asia Cup Hockey 2022: ১৬-০! ইন্দোনেশিয়াকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ হকির ‘সুপার ৪’-এ ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপ হকিতে (Asia Cup Hockey 2022) ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে বিশাল জয়লাভ করল ভারত (India)। অবিশ্বাস্য ১৬ গোল করে সুপার ফোরে জায়গা করে নিল ভারতীয় হকি দল (Indian Hockey Team)।

    শুধু ইন্দোনেশিয়াকে হারানোই নয়, বরং ১৬-০ গোল ব্যবধানে হারিয়ে একটি বড় লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছে ভারত। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা শুধু তাদের লক্ষ্য অর্জনই করেনি বরং ইন্দোনেশিয়াকে ১৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করে মহাদেশীয় প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রবেশ করেছে। 

    গ্রুপ পর্যায়ের প্রথম ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে এশিয়ান গেমসের চ্যাম্পিয়ন জাপানের কাছে ২-৫ হারার পর ভারতীয় দলের কাছে পরের পর্বে যাওয়ার রাস্তা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

    ভারতের সামনে একমাত্র এই একটিই সুযোগ ছিল নিজেদের প্রমাণ করার জন্য। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়া জাপানের কাছে ০-৯ এবং পাকিস্তানের কাছে ০-১৩ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। ভারতীয় দল অনভিজ্ঞ এবং চাপের মধ্যে থাকলেও বীরেন্দ্র লাকরার নেতৃত্বে দলটি ভারতীয় দল রেকর্ড জয় হাসিল করেছে।

    ভারতীয় হকি দলের কোচ সর্দার সিং বলেন, “সমস্ত কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের। তারা বুঝতে পেরেছিল যে আমাদের কী করা দরকার এবং তাই করেছে। সকলেই তরুণ, তাই তাঁদের পারফরম্যান্স দুর্দান্ত ছিল। আমাদের নিজেদের সেরাটা খেলতে হয়েছিল এবং প্রত্যেকেই তাদের ১০০ শতাংশ দিয়ে তাই করেছে।”

    ভারতের জয়ের ফলে, প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের ২০২৩ বিশ্বকাপে যাওয়ার আশাও শেষ করে দিয়েছে ভারত। জাপান ৯ পয়েন্ট নিয়ে পুলে শীর্ষে রয়েছে। এশিয়া কাপ একটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব হওয়ার কারণে শীর্ষ- তিন দল, আগামী বছর ওড়িশায় হকি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে চলেছে।

    জাপান, মালয়েশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া সুপার ৪-এ পৌঁছেছে এবং ভারত ইতিমধ্যে আয়োজক হিসাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে। ইতিহাসে এটি দ্বিতীয়বার যে পাকিস্তান বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে, ২০১৪ তেও ব্যর্থ হয়েছিল তারা। রিও ২০১৬ এবং টোকিও ২০২০-এর শেষ দুটি অলিম্পিকে যেতেও ব্যর্থ হয়েছিল তারা।

    মঙ্গলবার জাপানের বিরুদ্ধে ভারত পেনাল্টি কর্নার পাওয়ার জন্য লড়াই করেছিল, মাত্র দুটি অর্জন করেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিনটি অন্যরকম ছিল, কারণ লাকরা নেতৃত্বাধীন দল ২১টি শর্ট কর্নার অর্জন করেছিল। গোলকিপার জুলিয়াস রুমারোপেন এবং আলম ফাজার ছিলেন টার্ফের সবচেয়ে শক্ত খেলোয়াড়, নিয়মিত ভারতের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারত জয়লাভ করতে পেরেছে।

    ডিপসান টিরকে হ্যাটট্রিক সহ পাঁচটি গোল করেন। হ্যাটট্রিক করেন সুদেব বেলিমাজ্ঞা। একটি গোল করেন সেলভাম কার্থি। এস ভি সুনীলও দু’টি গোল করেন। নীলম সঞ্জীপ একটি গোল পেয়েছেন। উত্তম সিংও করেছেন একটি গোল। গোল পেয়েছেন পবন রাজভার। হ্যাটট্রিক করেছেন তিনিও। ভারতের হয়ে প্রথম গোল তাঁরই। তিনি প্রথম কোয়ার্টারে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুটি গোল করেছেন। ম্যাচের পর রাজভার বলেন, “জিততে পেরে খুব ভালো লাগছে। এটি আমাদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ জয় ছিল।”

    আগামী শনিবার সুপার ৪-এর প্রথম ম্যাচে জাপানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। সর্দার বলেন, “বড় ম্যাচ হতে চলেছে এবং অনেক জায়গায় আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।”

  • Abhishek Banerjee: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাইয়ে অভিষেক, নজর রাখছে ইডি?

    Abhishek Banerjee: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাইয়ে অভিষেক, নজর রাখছে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাই (Dubai) গেলেন তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। চোখের চিকিৎসার জন্য মানবিক কারণে তাঁকে এই সফরের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। কিন্তু, পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। মধ্য প্রাচ্যে গিয়ে কোন হোটেলে উঠবেন, সেখানকার ফোন নম্বর থেকে শুরু করে বিমানের টিকিট, সবকিছুই জানাতে হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (Enforcement Directorate)।
       
    ইডির (ED) আশঙ্কা, দুবাই গিয়ে কয়লা পাচার (Coal smuggling case) চক্রের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের (Vinay Mishra) সঙ্গে দেখা করতে পারেন অভিষেক। তাই এই সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল তারা। যদিও শর্তসাপেক্ষে তাতে ছাড়পত্র দিয়েছে উচ্চ আদালত।

    আরও পড়ুন: শর্ত সাপেক্ষে অভিষেককে দুবাই যাওয়ার অনুমতি হাইকোর্টের

    ১ জুনই দুবাই যাওয়ার কথা ছিল অভিষেকের। সস্ত্রীক যাওয়ার জন্য বিমানের দুটি টিকিটও কাটা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাতে আপত্তি জানায় ইডি। তাদের আশঙ্কা ছিল, দেশ থেকে গা ঢাকা দেওয়ার মতলবেই দুবাই যেতে চাইছেন তৃণমূল সাংসদ। তাই সেই সফরে নিষেধাজ্ঞাও জারি হয়। বেআইনি কয়লা পাচার মামলার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের যুক্তি ছিল, কেলেঙ্কারির মূল পাণ্ডা বিনয় মিশ্র যেভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, সেভাবেই গা ঢাকা দিতে পারেন সস্ত্রীক অভিষেক। 

    এব্যাপারে ২০২০ সালের কথা আদালতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে ইডি। সেবছর ২০ নভেম্বর জেরার জন্য বিনয় মিশ্রকে ডেকে পাঠিয়ে ছিল ইডি। কিন্তু তার আগের দিন ১৯ নভেম্বর দুবাই পালায় বেআইনি কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বিনয়। ইডির আশঙ্কা, এবারও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। কারণ, সূত্র অনুযায়ী তাদের কাছে খবর আছে যে, বিনয় মিশ্র এখন দুবাইয়ে আছে। তার সঙ্গে দেখা করে কয়লা পাচার মামলার সমস্ত নথি নষ্ট করতে পারেন অভিষেক। আর সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্টের জন্যই এই সফর। 

    আরও পড়ুন: অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন! মুখ্যসচিবকে সময় বেঁধে দিলেন রাজ্যপাল

    ইডির যুক্তি, চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাইয়ের খুব একটা সুনাম নেই। এমন জায়গায় চক্ষু পরীক্ষা করাতে যাওয়ার পিছনে আসলে কোন মতলব আছে। ইডির তরফে জানানো হয়, ভারতেই চোখের বহু নামকরা হাসপাতাল আছে। চক্ষু বিশেষজ্ঞরাও আছেন। কিন্তু অভিষেক হঠাৎ দুবাই ছুটছেন কেন? তিনি ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারও দাখিল করেননি। তাই এর পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি কাজ করছে বলে মনে করছে ইডি। 

    যদিও অভিষেকের তরফে আইজীবীরা আদালতে জানান, দুবাইয়ে মুরফিল্ডস আই হসপিটালে (Moorfields Eye Hospital) চিকিৎসা করাবেন তৃণমূল সাংসদ। ২৬ মে তিনি জানতে পারেন, ৩ জুন চেক আপ আছে। তাই ১ জুন বিমানের টিকিট কাটেন। ফেরার টিকিট কাটা হয় ১০ জুন। এনিয়েও অবশ্য বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। ১০ দিন ধরে দুবাইয়ে চিকিত্সা, নাকি নেপথ্যে অন্য কিছু, তা নিয়েই চলছে জল্পনা। 

  • Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহভাগ টাকা খরচ করেছে রেল (railways)। অথচ হুগলির (Hooghly) কামারকুণ্ডুর ফ্লাইওভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তি। রেলের কোনও প্রতিনিধি ছাড়াই এদিন সিঙ্গুর (singur) থেকে ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। একাধিক ট্যুইট করে মমতাকে (Mamata) আক্রমণ শানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী।

    কামারকুণ্ডুর এই ফ্লাইওভারটির দাবি দীর্ঘদিনের। ফ্লাইওভার চালু হয়ে গেলে কমবেশি উপকৃত হবেন গোটা হুগলি জেলার মানুষ। দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পবিত্র তীর্থ তারকেশ্বর যাওয়াও হবে সুগম। শুক্রবার দূরনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে এই প্রকল্পেরই উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : দু’বছর পর ফের চালু হল ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা

    এদিন ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু (suvendu) বলেন, এই বিজ্ঞাপনে যে ফ্লাইওভারটি দেখতে পাচ্ছেন, তা মোটা টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। খরচের পরিমাণ ৪৪.৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে রেল দিয়েছে ১৩.৩৫ কোটি টাকা। সম পরিমাণ টাকা দিয়েছে ভারত (India) সরকারের সংস্থা ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডও। আর রাজ্য দিয়েছে ১৮.১৬ কোটি টাকা। সিংহভাগ টাকা খরচ করেও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তিকে।

    [tw]


    [/tw]

    শুভেন্দু বলেন, “আজ সিঙ্গুর থেকে একতরফা ও অনৈতিকভাবে সেতুর উদ্বোধন করছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য একা লাইমলাইট হগ করার লোভে তিনি সুবিধাজনকভাবে ফেডেরাল কাঠামো উপেক্ষা করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “মাননীয় রেলমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর সৌজন্যটুকুও দেখাননি মমতা। আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কেন্দ্রীয় সরকারের অন্য কোনও প্রতিনিধিকেও।”

    আরও পড়ুন : শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    স্থানীয় জনগণের দাবির প্রতি রেল যে উদাসীন নয়, তাও জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “পূর্ব রেল ইতিমধ্যেই স্থানীয় জনসাধারণের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাঁদের সুবিধার জন্য একই জায়গায় একটি সাবওয়ে নির্মাণ করছে। এই সাবওয়েটি মানুষের নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং কামারকুন্ডু স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশাধিকারও দেবে।”

    এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন শুভেন্দু। ট্যুইট বার্তায় বলেন, “যিনি সর্বদা আপনার চেয়ে পবিত্র দেখানোর চেষ্টা করেন এবং দেশের ‘ফেডেরাল স্ট্রাকচার’ সমুন্নত রাখার বিষয়ে প্রচার করেন, তিনি সেই একই ব্যক্তি যিনি ফেডারেল কো-অপারেটিভনেসকে শ্বাসরোধ করতে পিছপা হন না, যখন এটি তাঁর উপকারে আসে।আপনাকে ধিক! আপনি সিএম-চিফ ম্যানিপুলেটর।”

    [tw]


    [/tw]

    রেলকে বাদ দিয়ে রেলের প্রকল্পের উদ্বোধনের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই প্রথম নয়। অধীর চৌধুরী যখন রেল প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, তখনও একবার আগেভাগে মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে ফের রেলের সেই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অধীর।

     

  • ISIS Terrorist Musa: আইএস জঙ্গি মুসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা এনআইএ আদালতের

    ISIS Terrorist Musa: আইএস জঙ্গি মুসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা এনআইএ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুখ্যাত আইএস (ISIS) জঙ্গি আবু মুসাকে (Abu Musa) গ্রেফতারের ছ’বছর পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Imprisonment) সাজা শোনালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA) বিশেষ আদালত। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে সিআইডির (CID) হাতে গ্রেফতার হয়েছিল বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Burdwan blast case) অভিযুক্ত মহম্মদ মসিউদ্দিন ওরফে মুসা। দেশদ্রোহিতা (Treason) ও সন্ত্রাসবাদের (Terrorism) একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।  

    ২০১৩ সালের অক্টোবরে বর্ধমানের খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের (Khagragarh blast) সঙ্গে যুক্ত ছিল এই জঙ্গি। ২০১৩ সাল থেকেই তাকে ধরতে ওৎ পেতে ছিল তদন্তকারী সংস্থা। অবশেষে ২০১৬ সালে হাওড়া-বিশ্বভারতী প্যাসেঞ্জার ট্রেন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং ধারালো অস্ত্র। পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে বীরভূমে নাশকতার ছক কষেছিল সে।  

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বসেই ভাইবোনদের প্রতিমাসে ১০ লক্ষ টাকা পাঠায় দাউদ! দাবি ইডি-র

    ২০১৪ সালে এই জঙ্গি আইএসের খাতায় নাম লেখায়। আইএসের এক জঙ্গির সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ হয় তার। সেও বেশ কয়েকজনকে ওই জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত করে। পরবর্তীতে ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় এনআইএ।

    তদন্ত এগোলে গোয়েন্দারা জানতে পারেন রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল মুসার। দেশদ্রোহিতা ও  সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে আগেই দোষী সাব্যস্ত হয় মুসা। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ (বি), ১২১(এ), ১২২, ১২৩ ধারায়, ইউএপিএ আইনের ১৮, ২০ ও ৩৮ ধারায় এবং অস্ত্র আইনের মামলা চলে। তার জেরেই শুক্রবার কলকাতায় এনআইএ-র বিশেষ আদালতে মুসার সাজা ঘোষণা করা হল।    

    আরও পড়ুন: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    এই প্রথম এই রাজ্যে কোনও আইএস জঙ্গির সাজা ঘোষণা করা হল। গ্রেফতার হওয়ার ছ’বছর পর যাবজ্জীবনের সাজা দেওয়া হল মুসাকে। জেলবন্দি এই ছ’বছরেও একটুও বদলায়নি মুসা। ভাটা পড়েনি তেজে। জেলেও একাধিকবার  খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে এই জঙ্গির বিরুদ্ধে। এমনকি ২০১৮ সালে শুনানি চলাকালীন আদালত কক্ষের মধ্যে ক্ষেপে ওঠে মুসা। বিচারক প্রসেনজিৎ বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়ে সে। যদিও লক্ষ্য ব্যর্থ হয় এবং তা এক আইনজীবীর গা ঘেঁষে চলে যায়। এই ঘটনার জেরে ভিডিও কনফারেন্সে তার শুনানির আবেদন জানানো হয়।   

    এছাড়াও জেলের ভিতরে অন্য বন্দিদের আক্রমণ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে মুসার বিরুদ্ধে। জানুয়ারিতে মুসা পিভিসি পাইপ নিয়ে আক্রমণ করেছিল হেড ওয়ার্ডেন অমল কর্মকারকে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন ওয়ার্ডেন। ২০১৭ সালে গ্রেফতার হওয়ার পরেও মুসা আলিপুর সংশোধনাগারের এক ওয়ার্ডেনকে আক্রমণ করেছিল। 

    আন্তর্জাতি জঙ্গিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত মুসা। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, হায়দ্রাবাদ, এমনকি জম্মু-কাশ্মীরের আইএস জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল মুসার৷ খাগড়াগড় বিস্ফোরণে ধৃত বীরভূমের আবদুল্লার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার ৷ মুসা ও আবদুল্লা একসঙ্গে তামিলনাড়ুতে থাকত বলে পরবর্তীতে জানতে পারেন গোয়েন্দারা৷ গোটা দেশের আইএস জঙ্গিদের লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করত সে।

    মুসাকে জেরা করে আইএস সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য আদায় করেন গোয়েন্দারা। যেমন মুসা জানিয়েছিল আইএস মডিউলে সবাইকে কোড নামে ডাকা হয়৷ জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার পর মুসার নাম হয়েছিল আবু আল মুসা আল বাঙালি৷ সিরিয়া ও আফগানিস্তান থেকে নিয়মিত ফোন আসত মুসার কাছে। নাশকতা নিয়ে চলত দীর্ঘ শলা পরামর্শ। ২০১৫ সালে বেশ কয়েক মাস দিল্লি ও কাশ্মীরে কাটিয়েছিল মুসা৷ এহেন জঙ্গিকে এদিন সাজা দিল আদালত। 

     

     

     

     

  • Gyanvapi Mosque: “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    Gyanvapi Mosque: “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক :জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) চত্বরে রয়েছে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) মন্দির। সেখানেই পুজোর অধিকার চেয়ে বারাণসী জেলা আদালতের (Varanasi district court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন পাঁচ মহিলা। সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়ার আবেদন জানালেন আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ (anjuman intezamia masjid committee) কমিটি। এই কমিটিই পরিচালনা করে জ্ঞানবাপী মসজিদ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    পাঁচ হিন্দু মহিলার দায়ের করা মামলার রক্ষণাবেক্ষণের বিরোধিতা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির কৌঁসুলি অভয় নাথ যাদব বলেন, “আবেদনকারীরা তাঁদের ব্যক্তিগত ক্ষমতায় মামলাটি দায়ের করেছেন। কিন্তু তাঁদের পুরো আবেদনপত্র পড়ার পরে এটা স্পষ্ট যে তাঁরা সমস্ত হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের অনুসারীদের পক্ষে প্রার্থনা করেছেন। ব্যক্তিগত ক্ষমতায় এই ধরনের মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধরনের মামলা একটি সরকারি মামলা হিসাবে দায়ের করা হয়। তাছাড়া কোনও পাবলিক মামলা দায়ের করার আগে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। তাই আমার যুক্তি, ওই পাঁচ মহিলার মামলা খারিজ করা উচিত।”

    মসজিদ কমিটির কৌঁসুলি আরও বলেন, “মামলায় ওই পাঁচ মহিলা দীন মহম্মদের ১৯৩৬ সালের দেওয়ানি মামলার উল্লেখ করেছিলেন। তাঁরা জানিয়েছিলেন, সেই মামলায় ১২ জন সাক্ষী প্রমাণ করেছিলেন যে, সেখানে শৃঙ্গার গৌরী ও অন্য দেবতাদের পুজোর করা হয়েছিল। এবং বলেছিলেন, এটি একটি মন্দির।” 

    যাদব বলেন, “তাঁরা তাঁদের মামলাকে শক্তিশালী করতে সাক্ষীদের বক্তব্যের উল্লেখ করেছে। কিন্তু তাঁরা দীন মহম্মদের মামলায় আদালতের দেওয়া রায়ের কথা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেননি। ওই মামলার রায় ছিল, মসজিদ, তার আঙ্গিনা এবং তার জমি হানাফি মুসলমানদের ওয়াকফ সম্পত্তি। মুসলমানদের উরস অনুশীলন করার এবং সেখানে নামাজ পড়ার মতো ধর্মীয় কার্যকলাপ করার অধিকারও রয়েছে। কিন্তু আবেদনকারীরা এই গুরুত্বপূর্ণ সত্যটি লুকিয়ে রাখেন। তিনি বলেন, আমাদের যুক্তি দেওয়া শেষ হয়নি।” এই মামলায় শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে ৪ জুলাই।

    আরও পড়ুন : অশান্তির আশঙ্কা! জ্ঞানবাপী সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে না আনার আবেদন আদালতে

    এদিকে, ৮ জুলাই পর্যন্ত জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলার শুনানি স্থগিত করেছে বারাণসীর ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত। মসজিদের ওজুখানার জলাধারে একটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর ছড়ায়। সেই শিবলিঙ্গের পুজো করার অনুমতি চেয়ে জমা পড়ে পিটিশন। তারই মামলারই শুনানি হবে ৮ জুলাই।  

     

LinkedIn
Share