Blog

  • PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশ সফর করবেন। এই সফরে তিনি দেরাদুন-দিল্লি ইকোনমিক করিডোর (Delhi-Dehradun Economic Corridor) জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। দুপুর নাগাদ দেরাদুনে একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের উদ্বোধন করবেন এবং উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।

    সাহারানপুরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের এলিভেটেড সেকশনে নির্মিত ‘ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর’ বা বন্যপ্রাণী করিডোরটি পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি দেরাদুনের নিকটবর্তী মা ডাট কালী মন্দিরে পূজা ও দর্শন সারবেন।

    প্রকল্পের সুবিধা

    খরচ ও দৈর্ঘ্য: ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ছয় লেনের ইকোনমিক করিডোরটি তৈরি করতে ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে।

    সময় সাশ্রয়: এই করিডোরটি দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। এর ফলে দিল্লি থেকে দেরাদুন যাওয়ার সময় বর্তমানের ৬ ঘণ্টা থেকে কমে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় নেমে আসবে।

    উন্নত পরিকাঠামো: এই প্রকল্পে ১০টি ইন্টারচেঞ্জ, ৩টি রেলওয়ে ওভার ব্রিজ (ROB), ৪টি বড় সেতু এবং যাত্রীদের সুবিধার জন্য ১২টি ‘ওয়েসাইড অ্যামেনিটি’ তৈরি করা হয়েছে। যাতায়াত আরও নিরাপদ করতে এখানে অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ATMS) ব্যবহার করা হয়েছে।

    ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর

    পরিবেশের ভারসাম্য ও বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই করিডোরে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলিভেটেড ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর তৈরি করা হয়েছে, যা এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ। এ ছাড়াও প্রাণীদের চলাচলের জন্য ৮টি অ্যানিম্যাল পাস, হাতির চলাচলের জন্য ২টি আন্ডারপাস এবং ডাট কালী মন্দিরের কাছে ৩৭০ মিটার দীর্ঘ একটি টানেল তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ইকোনমিক করিডোরটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে এবং পর্যটন ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

  • Charak Festival: “আমরা দুটি ভাই শিবের গাজন গাই…” বাংলায় উদযাপিত একটি সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব গাজন

    Charak Festival: “আমরা দুটি ভাই শিবের গাজন গাই…” বাংলায় উদযাপিত একটি সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব গাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা দুটি ভাই শিবের গাজন গাই…” গ্রাম বাংলায় এক বহুল প্রচলিত উৎসব গাজন। পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশেও সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষরা শিবের গাজনের মাধ্যমে নিজেদের ইষ্টের সঙ্গে মিলিত হওয়ার চেষ্টা করেন। তার জন্য অনেকে পুরো চৈত্র মাস ধরে পালন করেন সন্ন্যাস। যার অবসান হয় চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত গাজন উৎসবের মধ্যে দিয়ে। আর গাজনের পরিসমাপ্তি হয় চড়ক পুজোতে (charak puja)। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে পয়লা বৈশাখের আগের দিন বা চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়কের পুজো। চৈত্র সংক্রান্তি (Chaitra Sankranti Gajon) থেকে শুরু হয়ে নববর্ষের প্রথম দু-তিন দিন ধরে চড়ক পুজোর (Charak Festival)  উৎসব চলে। এই উৎসবের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল মেলা।

    চড়কের ইতিহাস নিয়ে নানা কাহিনি

    এই চড়কের ইতিহাস নিয়ে নানা কাহিনি প্রচলিত আছে। লিঙ্গপুরাণ, বৃহদ্ধর্মপুরাণ এবং ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে চৈত্র মাসে মহাদেবের পুজো ও সেই উপলক্ষ্যে উৎসবের উল্লেখ থাকলেও চড়ক পুজোর কথা বলা নেই। তবে প্রাচীনকালে পাশুপত সম্প্রদায়ের মানুষেরা এই উৎসব পালন করতেন। প্রচলিত কাহিনি অনুসারে ১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে সুন্দরানন্দ ঠাকুর নামের এক রাজা প্রথম চড়ক পুজোর প্রচলন করেছিলেন। চড়ক পুজো উপলক্ষ্যে গাজনের মেলা বসে এই সময়। একটি লম্বা কাঠকে চড়ক গাছ হিসেবে পুজো করা হয়। এই চড়কগাছে একজন ভক্ত বা সন্ন্যাসীকে চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুতবেগে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর পিঠে, হাতে, পায়ে এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে জ্বলন্ত বাণ শলাকা ঢুকিয়ে দেওয়ার রীতিও প্রচলিত রয়েছে। তবে এখনকার দিনে এই প্রথা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে এসেছে। ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার আইন করে এই নিয়ম বন্ধ করে দেয়। তবে গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের মধ্যে কোথাও কোথাও এখনও তা প্রচলিত আছে।

    কীভাবে হয় চড়ক পুজো

    শিব পার্বতীর বিয়ের উত্‍সব হিসেবেও চড়ক পালন করেন অনেকে। চড়ক সংক্রান্তির আগের দিন দিন নীল পুজো থেকে সন্ন্যাসীরা উপোস থাকেন। পরদিন বিকেলে এই বিশেষ চড়ক পুজো শেষ করেই তারা নিজেদের উপোস ভাঙেন। এই পুজোর আর এক নাম গম্ভীরাপুজো বা শিবের গাজন। আগের দিন চড়ক গাছটিকে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে রাখা হয়। এতে জলভরা একটি পাত্রে শিবলিঙ্গ রাখা হয়, যা বুড়োশিব নামে পরিচিত। যেখানে চড়ক গাছ থাকে, সেই জায়গাটিকে গ্রামের দিকে বুড়ে শিবতলাও বলা হয়ে থাকে অনেক জায়গায়। কোনও পতিত ব্রাহ্মণ এই পুজোর পুরোহিতের দায়িত্ব পালন করেন।

    গাজন-গান, বহুরূপী

    গাজনের সন্ন্যাসী বা ভক্তরা নিজেদের শরীরকে বিভিন্ন উপায়ে যন্ত্রণা দিয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের মাধ্যমে ইষ্ট দেবতাকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেন। গাজন উপলক্ষ্যে তাঁরা শোভাযাত্রা সহকারে দেবতার মন্দিরে যান। শিবের গাজনে দু’জন সন্ন্যাসী শিব ও গৌরী সাজেন এবং অন্যান্যরা নন্দী, ভৃঙ্গী, ভূতপ্রেত ও দৈত্য-দানব প্রভৃতির সং সেজে নাচ করতে থাকেন। শিবের নানান লৌকিক ছড়া, আবৃত্তি ও গান করা হয়। চৈত্র সংক্রান্তির গাজনে কালীর নাচও একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান। অনেক জায়গায় শিব পার্বতী সেজেও গ্রামের রাস্তায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে নানা ভাবে মনোরঞ্জন করে থাকেন অনেকে। এই ভাবে বাড়ি বাড়ি ঘুরে দান সংগ্রহ করেন এঁরা। এঁদের বহুরূপী বলা হয়ে থাকে। আগেকার দিনের বাংলা সাহিত্যে বহুরূপীর উল্লেখ অনেক স্থানে পাওয়া যায়।

    সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব

    গাজন উৎসব (Chaitra Sankranti Gajon) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ও বাংলাদেশে উদযাপিত একটি সনাতন ধর্মীয় লোক উৎসব। এই উৎসব শিব, মনসা ও ধর্মরাজ ঠাকুরের পুজোকেন্দ্রিক উৎসব। মালদায় এই গাজনের নাম গম্ভীরা আর জলপাইগুড়িতে গমীরা। চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহজুড়ে সন্ন্যাসী বা ভক্তদের মাধ্যমে শিবের গাজন অনুষ্ঠিত হয়। আর চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক পুজোর সঙ্গে সঙ্গে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। প্রাচীনকাল থেকেই রাঢ়বঙ্গের শৈব-সংস্কৃতির একটি বিশেষ অঙ্গ হচ্ছে গাজন। গাজন কথাটির মানে হল, গাঁ বা গ্রাম এবং জন বা জনগণ। অর্থাৎ গাজন হল গ্রামের জনগণের নিজস্ব উৎসব। অন্য মতে, গাজন শব্দটি এসেছে ‘গর্জন’ থেকে। অনেকে বলেন, সন্ন্যাসীদের হুঙ্কারই শিবসাধনায় গাজন নামে প্রচলিত হয়।

    বাংলা সাহিত্যে চড়ক

    বাংলার মঙ্গলকাব্যেও গাজনের উল্লেখ মেলে। ধর্মমঙ্গল কাব্যে রানি রঞ্জাবতী ধর্মকে তুষ্ট করতে গাজন পালন করেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। সাহিত্যেও গাজনের উল্লেখ মেলে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’তে গ্রামবাংলায় গাজন উৎসবের উল্লেখ রয়েছে। তিনি লিখেছেন– ‘চড়কের আর বেশি দেরি নাই। বাড়ি বাড়ি গাজনের সন্ন্যাসী নাচিতে বাহির হইয়াছে। দুর্গা ও অপু আহার নিদ্রা ত্যাগ করিয়া সন্ন্যাসীদের পিছনে পিছনে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরিয়া বেড়াইল।’ শিবের আরাধনায় গাজনের সাড়ম্বর রূপের বিস্তার বাংলায় কমবেশি সর্বব্যাপী। আঞ্চলিক বিভিন্নতায় রীতিনীতিতে প্রভেদ থাকলেও, শিবগাজন একান্ত ভাবে সাধারণ মানুষের। গাজন-সংশ্লিষ্ট নাচ, গান, নাটক, মেলা নিয়ে যে সার্বিক আবহ তা গ্রাম-সংস্কৃতির এক অনন্য ছন্দোবদ্ধ প্রকাশ। ছো, সঙ, গম্ভীরা, গমীরা, বোলান ইত্যাদি কত বঙ্গীয় সংগীত-নৃত্য-নাট্যধারা মিশে থাকে গাজনের সঙ্গে।
    কলকাতার দুজায়গায় চড়ক-গাজন খুব ভালো ভাবে হয়– একটি হল উত্তরে ছাতুবাবু-লাটুবাবুর বাজারে, অন্যটি দক্ষিণে কালীঘাট অঞ্চলে। কলকাতার এ দুটি জায়গা ছাড়াও হাওড়ার বাইনান, নদিয়ার শান্তিপুরে এবং বর্ধমানের অম্বিকা কালনাতেও গাজন খুব বর্ণময়। কলকাতার গাজন-চড়ক নিয়ে হুতোম প্যাঁচার নকশায় উল্লেখ হয়েছে। তারও আগে এর উল্লেখ রয়েছে দেওয়ান রামকমল সেনের লেখায়। এশিয়াটিক সোসাইটির সচিব রামকমল সেন লিখেছেন চড়ক (Charak Festival)  শব্দটি এসেছে চক্র থেকে, যা চক্রাকারে ঘোরে। চড়কগাছে কিন্ত এই বৃত্তকার ঘোরার বিষয়টি রয়েছে।

     

  • I-PAC Director Arrested: গ্রেফতার আই-প্যাকের ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল, ১০ দিনের ইডি হেফাজত

    I-PAC Director Arrested: গ্রেফতার আই-প্যাকের ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল, ১০ দিনের ইডি হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (coal scam case) গ্রেফতার হলেন আই-প্যাকের (I-PAC) অন্যতম ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল (Vinesh Chandel Arrested)। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ১০দিন আগে এই গ্রেফতারি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার ভিনেশ চান্ডেল। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে দাবি।

    কেন গ্রেফতার

    ইডি সূত্রে খবর, ভোটের সঙ্গে এই গ্রেফতারির কোনও যোগ নেই। কয়লা পাচার মামলায় আগে থেকেই তদন্ত চলছিল। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। ইডি সূত্রে খবর, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের অধীনে ভিনেশ চান্ডেলকে দিল্লিতে গ্রেফতার (I-PAC Director Arrested) করা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল দিল্লিতে চান্ডেলের বাড়ি ছাড়াও, বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ঋষি রাজ সিংয়ের বাসভবনে তল্লাশি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এর আগেই আইপ্য়াকের ২ কর্তা প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লির অফিসে তলব করে নোটিস দেওয়া হয়। ৩০ এপ্রিলের পরে হাজিরা দিতে চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে যান তাঁরা। ১৭ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি রয়েছে। ডির তরফে দাবি, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশির পরও তাঁদের তদন্ত চলছিল। তদন্তকারীদের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই গ্রেফতারি বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। ইডি সূত্রে খবর, আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টরের উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কে এই ভিনেশ চান্ডেল

    ভিনেশ চান্ডেল ভোটকুশলী হিসেবে কর্মরত। তিনি ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আই-প্যাক, এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। প্রশান্ত কিশোর, প্রতীক জৈন এবং ঋষিরাজ সিং এক সঙ্গে আই-প্যাক তৈরি করেন। এই মুহূর্তে চান্ডেল আইপ্যাকের স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকেন। ইডি কর্তারা জানিয়েছেন, ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (PMLA)-এর বিধান অনুযায়ী দিল্লিতে চান্ডেলকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার গভীর রাতেই তাঁকে দিল্লির পাটিয়ালা কোর্টের বিচারকের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলে শুনানি। ভোর পর্যন্ত শুনানি হয়। ভিনেশকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দাবি, বাংলায় কয়লা পাচারের প্রায় ২০ কোটি টাকা ‘হাওয়ালা’র মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে।

  • US Iran War: হরমুজ অবরোধ আমেরিকার! কাদের জাহাজ আটকাবে মার্কিন সেনা? কারা ছাড় পাবে?

    US Iran War: হরমুজ অবরোধ আমেরিকার! কাদের জাহাজ আটকাবে মার্কিন সেনা? কারা ছাড় পাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবরুদ্ধ হরমুজ। সোমবার ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকেই হরমুজ প্রণালীতে ‘অবরোধ’ শুরু করল আমেরিকা। তবে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে সায় দেয়নি ব্রিটেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিলেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার ইরান যুদ্ধের শুরুতেই নিঃশর্ত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। কিন্তু স্টার্মার তাঁর আশা পূরণ করেননি। এবার ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালী অবরোধের সিদ্ধান্তেরও বিরোধিতা করল লন্ডন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল থেকে হরমুজ অবরোধের যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছেন, তাতে তাঁর সায় নেই, পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন ব্রিটিশ বাহিনী ইরানের বন্দর অবরোধের অভিযানে শামিল হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

    কাদের আটাকানো হবে, কারা ছাড় পাবে

    ট্রাম্পের নির্দেশের পর আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হরমুজে অবরোধ নিরপেক্ষ ভাবে সকল দেশের উপরেই প্রয়োগ করা হবে। যে সমস্ত জাহাজ ইরানের কোনও না কোনও বন্দরে প্রবেশ করার চেষ্টা করবে বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করবে, সেগুলিকেই আটকানো হবে। আরব উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের ইরানি বন্দরগুলির ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে। তবে ইরানের বন্দরের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না-রেখে যে জাহাজগুলি হরমুজ দিয়ে যাতায়াত করবে, তাদের বাধা দেবে না মার্কিন সেনা। তাদের জলপথে যাতায়াতের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হবে না।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিক একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাবিকদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে দেওয়া হয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানকে শুল্ক দিয়ে যে সমস্ত দেশ হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি পদক্ষেপ করবেন। সেই ভাবনা থেকেই অবরোধ শুরু করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণের জন্য ইরানকে শুল্ক দেওয়া ‘বেআইনি’ বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকা-ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরুর পর হরমুজের জলে যে মাইন পেতেছিল ইরানের সেনা, সেগুলিও ধ্বংস করার কাজ আমেরিকা শুরু করবে। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘যারা বেআইনি শুল্ক দেয়, তাদের কেউ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে না। আর আমাদের উপর ইরান থেকে কেউ যদি কোনও হামলা করে বা গুলি চালায়, শান্তিপূর্ণ ভাবে যাতায়াতকারী কোনও জাহাজের উপর যদি হামলা হয়, আমরা তাদের নরকে পাঠাব।’’

    ইরানের পাল্টা

    ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা দিয়েছে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী। বলা হয়েছে, হরমুজের দিকে কোনও সামরিক জাহাজ যদি এগিয়ে আসে, তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসাবে ধরা হবে এবং কঠোর ভাবে তার জবাব দেওয়া হবে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ আমেরিকার উদ্দেশে বলেছেন, ‘‘তোমরা যদি যুদ্ধ করো, আমরাও করব। তোমরা যদি যুক্তি নিয়ে এগিয়ে আসো, আমরাও যুক্তি দিয়ে বিবেচনা করব।

  • Daily Horoscope 14 April 2026: ভ্রমণের যোগ আছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 14 April 2026: ভ্রমণের যোগ আছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ৩) আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা

    বৃষ
    ১) অর্থনৈতিক দিক মজবুত থাকবে
    ২) পরিবারে শান্তি বজায় থাকবে
    ৩) খরচ একটু নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার

    মিথুন
    ১) নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে
    ২) কাজের জায়গায় সাফল্য
    ৩) ভ্রমণের সম্ভাবনা

    কর্কট
    ১) মানসিক চাপ বাড়তে পারে
    ২) পরিবারের দিকে নজর দিন
    ৩) বিশ্রাম প্রয়োজন

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন
    ২) নেতৃত্বের সুযোগ আসবে
    ৩) আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি

    কন্যা
    ১) পরিকল্পনা সফল হবে
    ২) ছোট সমস্যার সমাধান
    ৩) কাজের গতি বাড়বে

    তুলা
    ১) সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন
    ২) ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে
    ৩) ধৈর্য ধরলে সমস্যা মিটবে

    বৃশ্চিক
    ১) নতুন কাজের সুযোগ
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ৩) আর্থিক লাভ হতে পারে

    ধনু
    ১) ভ্রমণের যোগ আছে
    ২) কাজের চাপ বাড়বে
    ৩) নতুন অভিজ্ঞতা হবে

    মকর
    ১) আর্থিক উন্নতি
    ২) পুরনো সমস্যার সমাধান
    ৩) পরিবারের সমর্থন পাবেন

    কুম্ভ
    ১) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন
    ২) নতুন পরিকল্পনা সফল
    ৩) মানসিক শান্তি থাকবে

    মীন
    ১) সৃজনশীল কাজে সাফল্য
    ২) নতুন সুযোগ আসবে
    ৩) প্রশংসা পাওয়ার সম্ভাবনা

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 622: “অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর, মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়”

    Ramakrishna 622: “অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর, মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর

    অহৈতুকী ভক্তি—পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের দাসভাব

    “এঁর তাই। যেমন ঈশ্বরকে (Ramakrishna) শুধু দেখতে চায়, আর কিছু ধন মান দেহসুখ — কিছুই চায় না। এরই নাম শুদ্ধাভক্তি।

    “আনন্দ একটু হয় বটে, কিন্তু বিষয়ের আনন্দ নয়। ভক্তির, প্রেমের আনন্দ। শম্ভু (মল্লিক) বলেছিল — যখন আমি তার বাড়িতে প্রায় যেতুম – ‘তুমি এখানে এস; অবশ্য আমার সঙ্গে আলাপ করে আনন্দ পাও তাই এস’ — ওইটুকু আনন্দ আছে।

    “তবে ওর উপর আর-একটি অবস্থা আছে (Kathamrita)! বালকের মতো যাচ্ছে — কোনও ঠিক নাই; হয়তো একটা ফড়িং ধরছে।

    (ভক্তদের প্রতি) — “এঁর (ডাক্তারের) মনের ভাব কি বুঝেছ? ঈশ্বরকে প্রার্থনা করা হয়, হে ঈশ্বর, আমায় সৎ ইচ্ছা দাও যেন অসৎ কাজে মতি না হয়।

    “আমারও ওই অবস্থা ছিল (Kathamrita)। একে দাস্য বলে। আমি ‘মা, মা’ বলে এমন কাঁদতুম যে, লোক দাঁড়িয়ে যেত। আমার এই অবস্থার পর আমাকে বীড়বার জন্য আর আমার পাগলামি সারাবার জন্য, তারা একজন রাঁড় এনে ঘরে বসিয়ে দিয়ে গেল — সুন্দর, চোখ ভাল। আমি মা! মা! বলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলুম, আর হলধারীকে ডেকে দিয়ে বললুম, ‘দাদা দেখবে এসো ঘরে কে এসেছে।’ হলধারীকে, আর সব লোককে বলে দিলুম। এই অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর। মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়।’ (ডাক্তারের প্রতি) তোমার এ-ভাব বেশ — ঠিক ভক্তিভাব, দাসভাব।”

    জগতের উপকার ও সামান্য জীব—নিষ্কামকর্ম ও শুদ্ধসত্ত্ব

    “যদি কারো শুদ্ধসত্ত্ব (গুণ) আসে, সে কেবল ঈশ্বরচিন্তা (Ramakrishna) করে, আর আর কিছুই ভাল লাগে না। কেউ কেউ প্ররব্ধের গুণে জন্ম থেকে শুদ্ধসত্ত্বগুণ পায়। কামনাশূন্য হয়ে কর্ম করতে চেষ্টা করলে, শেষে শুদ্ধসত্ত্বলাভ হয়। রজমিশানো সত্ত্বগুণ থাকলে ক্রমে নানাদিকে মন হয়, তখন জগতের উপকার করব এই সব অভিমান এসে জোটে। জগতের উপকার এই সামান্য জীবের পক্ষে করতে যাওয়া বড় কঠিন। তবে যদি কেউ জীবের সেবার জন্য কামনাশূণ্য হয়ে কর্ম করে, তাতে দোষ নাই; একে নিষ্কাম কর্ম বলে। এরূপ কর্ম করতে চেষ্টা করা খুব ভাল। কিন্তু সকলে পারে না। বড় কঠিন। সকলেরই কর্ম করতে হবে; দু-একটি লোক কর্ম ত্যাগ করতে পারে। দু-একজন লোকের শুদ্ধসত্ত্ব দেখতে পাওয়া যায়। এই নিষ্কাম কর্ম করতে করতে রজমিশানো সত্ত্বগুণ ক্রমে শুদ্ধসত্ত্ব হয়ে দাঁড়ায়।

    “শুদ্ধসত্ত্ব হলেই ঈশ্বরলাভ তাঁর কৃপায় হয়।

    “সাধারণ লোকে এই শুদ্ধসত্ত্বের অবস্থা বুঝতে পারে না; হেম আমায় বলেছিল, কেমন ভট্টাচার্য মহাশয় (Ramakrishna)! জগতে মানলাভ করা মানুষ জীবনের উদ্দেশ্য, কেমন?

  • SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২টি রাজ্য এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের কাজ শেষ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত বছর বিহার থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া, যা বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছিল, এখন একটি বৃহৎ পরিসরের ভোটার তালিকা পরিশোধন অভিযানে পরিণত হয়েছে।

    ইলেকশন কমিশনের তথ্য (SIR)

    ইলেকশন কমিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট বা যাচাইযোগ্য নয় এমন ভোটারদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫১ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪৫.৮ কোটির কাছাকাছি। যাচাইকরণের সময় ৭.২ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দাবি, আপত্তি এবং নতুন নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ভোটার যুক্ত হন, ফলে মোট ৫.২ কোটি বা প্রায় ১০ শতাংশ ভোটার কমে যায়।

    উত্তরপ্রদেশ
    জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের বৃহত্তম রাজ্য উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। এসআইআরের আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি, পরে কমে এটাই গিয়ে দাঁড়ায় ১৩.৩৯ কোটিতে। অর্থাৎ প্রায় ২.০৫ কোটি নাম বাদ পড়েছে। দাবি ও আপত্তির পর প্রায় ১৩.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে পড়ুয়ার সংখ্যাও।

    তামিলনাড়ু
    তামিলনাড়ুতে ভোটার সংখ্যা ৬.৪১ কোটি থেকে কমে ৫.৬৭ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বাদ গিয়েছে প্রায় ৯৭.৩৭ লাখ নাম।

    পশ্চিমবঙ্গ
    পশ্চিমবঙ্গে বাদ পড়েছেন প্রায় ৯০.৯৩ লাখ ভোটার। এ রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭.৬৬ কোটি থেকে কমে ৬.৭৫ কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়। বিচার প্রক্রিয়ায় ৬০ লাখের বেশি মামলা খতিয়ে দেখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করেন নির্বাচন কমিশনের। পরে চ্যালেঞ্জ করেন সুপ্রিম কোর্টে।

    গুজরাট
    গুজরাটে ভোটার সংখ্যা ৫.০৮ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪.৪০ কোটি।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশে বেড়া দিতে গিয়ে এসআইআরে বাদ পড়েছে প্রায় ৩৪.২৫ লাখ ভোটারের নাম। মোট ভোটার সংখ্যা ৫.৭৪ কোটি থেকে কমে হয় ৫.৩৯ কোটি।

    মরু রাজ্যে বাদ পড়লেন কত

    রাজস্থান

    মরুরাজ্যে প্রায় ৩১.৩৬ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। ছত্তিশগড়
    ২৪.৯৯ লাখ নাম বাদ পড়ায় ভোটার সংখ্যা ২.১২ কোটি থেকে কমে হয়েছে ১.৮৭ কোটি। কেরল
    ৮.৯৭ লাখ নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২.৭১ কোটি।

    ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ

    গোয়া
    ১.২৭ লাখ ভোটার কমে গিয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে
    ৫২,৩৬৪ ভোটার কমেছে। পুদুচেরিতে
    ভোটার সংখ্যা ১০.২১ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৯.৪৪ লাখ।

    লাক্ষাদ্বীপ
    মাত্র ২০৬ ভোটার কমে মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭,৬০৭। প্রসঙ্গত, এই আপডেট করা ভোটার তালিকার উদ্দেশ্যই হল ভুয়ো ভোটার কমানো এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা।

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

  • West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে দুটি বিষয় উঠে এল সুপ্রিম কোর্টে। ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের প্রসঙ্গ (West Bengal SIR) এবং মালদাকাণ্ড। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রাজ্যে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    প্রধান বিচারপতির বক্তব্য (West Bengal SIR)

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে পারি না, যাতে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারপতিদের ওপর আরও বাড়তি চাপ পড়ে। আমাদের সামনে আর একটি আবেদনও রয়েছে, যেখানে আপিল প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি তোলা হয়েছে।” এদিনের শুনানিতে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ১৬ লাখ আবেদন করা হয়েছে। তাঁদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন জানান তিনি। কল্যাণের সওয়াল প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত বলে, “সেই প্রশ্নই ওঠে না। যদি আমরা এটা অনুমতি দিই, তা হলে যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকারও স্থগিত করতে হবে।”

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দিতে হবে। প্রধান বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিচারকদের নিরাপত্তা কোনওভাবেই প্রত্যাহার করা যাবে না। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, মোট ৬০ লাখ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এখনও প্রায় ২,০০০ মুলতবি রয়েছে।” মালদার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আমরা জানতে চাই, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র ছিল কি না। আমরা চাই না, বিষয়টি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকুক।”

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শ

    এদিকে, মালদাকাণ্ডে তদন্তের অন্তর্বতী রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। তদন্তের কত দূর অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়েও রিপোর্ট জমা দিয়েছে তারা। এজলাসে এনআইএ জানায়, মালদহকাণ্ডে মূল চক্রান্তকারীকে রবিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে (West Bengal SIR)। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মূল মামলা শুরুর আগে এক আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, ট্রাইবুনালে আবেদন শোনা হচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমায় জানিয়েছেন আজ সকাল থেকে ট্রাইবুনালে শুনানি শুরু হয়েছে। ট্রাইবুনালকে এ ভাবে ব্ল্যাকমেল করা যাবে না। আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নেব না, যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ট্রাইবুনালই নেবে।” মামলাকারীকে ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শও দেয় শীর্ষ আদালত।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী

    এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বলেন, “এক্ষেত্রে কোনও দায় ঠেলাঠেলি চলবে না। দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে ভুগতে হচ্ছে ভোটারদের।” কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই দেশে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধু সাংবিধানিকই নয়, এটি আবেগের বিষয়ও বটে (West Bengal SIR)।” তথ্যগত অসঙ্গতির মতো একটি বিষয় যে শুধু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই রয়েছে, অন্য কোনও রাজ্যে নেই, সে বিষয়ের উপরেও আলোকপাত করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি বলেন, “যত ক্ষণ না বিপুল সংখ্যক ভোটার বাদ পড়ছেন বা ভোটের ফলের ওপর তার বাস্তবিক কোনও প্রভাব পড়ছে, ততক্ষণ নির্বাচন বাতিল করা সম্ভব নয়।” বিচারপতি বাগচী বলেন, “এসআইআরের বিচারকাজে নিয়োজিত আধিকারিকদের ওপর অত্যধিক চাপ রয়েছে। তাই তাঁদের কাছ থেকে ১০০ শতাংশ নির্ভুলতা আশা করা যায় না। প্রতিদিন ১০০০টিরও বেশি নথি যাচাই করতে হলে ৭০ শতাংশ নির্ভুলতাকেও ‘চমৎকার’ বলা যেতে পারে।”

     

  • Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে (Afghanistan-Pakistan) সংখ্যালঘু হাজারা শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর ফের রক্তক্ষয়ী হামলা চালাল উগ্রপন্থী সুন্নি ইসলামপন্থী জঙ্গিরা (Sunni Islamist Radical)। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দেশে পৃথক দুটি হামলায় মোট ১৬ জন হাজারা শিয়া নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের কোয়েটায় ৪ জন এবং আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে ১২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে কট্টর ইসলামী মৌলবাদের শিকার দুই দেশের মুসলিম সমাজ।

    হেরাত প্রদেশে গণহত্যা (Afghanistan-Pakistan)

    আফগানিস্তানের (Afghanistan-Pakistan) হেরাত প্রদেশে শিয়া অধ্যুষিত এলাকায় একটি ভয়াবহ হামলায় ১২ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দুকধারীরা অতর্কিতে সাধারণ নাগরিকদের ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে হাজারা সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই আইএস (ISIS-K) সহ বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর (Sunni Islamist Radical) লক্ষ্যবস্তু হয়ে আসছে। এই ঘটনায় মৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    কোয়েটায় হামলা জঙ্গিদের

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের বালুচিস্তান (Afghanistan-Pakistan) প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীদের গুলিতে ৪ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। কোয়েটার হাজারা টাউন এলাকায় এই হামলাটি চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মোটরসাইকেলে করে আসা বন্দুকধারীরা লক্ষ্য স্থির করে গুলি চালায়, যার ফলে ঘটনাস্থলেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। লস্কর-ই-জাংভি বা আইএস-এর মতো গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) এই এলাকায় নিয়মিত শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ চালিয়ে থাকে।

    বিপজ্জনক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

    পরপর দুই দিনে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে ফের গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে যে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান—উভয় দেশেই হাজারা শিয়ারা পদ্ধতিগতভাবে জাতিগত নির্মূলকরণ ও ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন।

    নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাগুলো মূলত সুন্নি উগ্রবাদী মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত। আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর শিয়াদের ওপর হামলার মাত্রা কয়েকগুণ বেড়েছে। একইভাবে পাকিস্তানেও উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সরকারগুলো নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে হাজারা সম্প্রদায়ের ওপর এই নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই ঘটনার প্রতিবাদে কোয়েটা ও হেরাতের স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

LinkedIn
Share