Blog

  • Daily Horoscope 11 January 2026: অতিথি আগমনের ফলে আনন্দিত হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 11 January 2026: অতিথি আগমনের ফলে আনন্দিত হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাণী ও ব্যবহার দিয়ে সকলকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করবেন।

    ২) ভেবেচিন্তে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিন।

    ৩) জীবনসঙ্গীকে আশ্চর্যচকিত করবেন।

    বৃষ

    ১) বাণীতে বিনম্রতা বজায় রাখতে হবে।

    ২)  লগ্নির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

    ৩) কোনও সরকারি কাজে আধিকারিকদের সঙ্গে জটিলতায় জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি পদ ও প্রতিষ্ঠা বৃদ্ধি করবে।

    ২) লাভের কোনও সুযোগই হাতছাড়া করবেন না।

    ৩) আত্মবিশ্বাস বাড়বে। কর্মক্ষেত্রে পুরনো ভুল প্রকাশ্যে আসবে।

    কর্কট

    ১) নেতৃত্ব ক্ষমতার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ২) জীবনযাপন প্রণালীতে পরিবর্তন হলে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    ৩) আইনি মামলায় কোনও বিলম্ব করবেন না, তা না-হলে শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি ইতিবাচক থাকবে।

    ২) ভাগ্য সঙ্গে থাকবে।

    ৩) সহকর্মীদের সঙ্গে বিতর্ক হতে পারে।

    কন্যা

    ১) আজ কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) পরিশ্রম ও বিশ্বাসের সুফল পাবেন।

    ৩) সন্তানের সঙ্গে তর্ক করবেন না।

    তুলা

    ১) লেনদেনের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) ভুল কাজে মনোনিবেশ করলে লোকসান হতে পারে।

    ৩) কাউকে টাকা ধার দিয়ে থাকলে তা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

    বৃশ্চিক

    ১) উৎসাহের সঙ্গে কোনও কাজ করবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালো প্রদর্শন করে সুনাম অর্জন করবেন।

    ৩)  সহকর্মীদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ধনু

    ১) গোপন শত্রুর থেকে সতর্ক থাকুন।

    ২) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।

    ৩) ব্যবসায় সাফল্য।

    মকর

    ১) অতিথি আগমনের ফলে আনন্দিত হবেন।

    ২) বড়দের আদর ও সম্মান বজায় রাখুন, তা না-হলে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) গুরুত্বপূর্ণ কাজকর্মে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

    কুম্ভ

    ১) আর্থিকভাবে লোকসানে হবে আজ।

    ২) আগে থেকে কারও কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে থাকলে, তাঁরা সেটি ফেরৎ চাইতে পারেন।

    ৩) ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করবেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি আনন্দদায়ক থাকবে।

    ২) সম্পর্কে কোনও বিভেদ থাকলে তা সমাপ্ত হবে।

    ৩) সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 554: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    Ramakrishna 554: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অগস্ট
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে রাখাল, মাস্টার, পণ্ডিত শ্যামাপদ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    সমাধিমন্দিরে—পণ্ডিত শ্যামাপদের প্রতি কৃপা

    “শুধু শাস্ত্র পড়লে কি হবে? পণ্ডিতেরা কেবল বিচার করে।”

    পণ্ডিত — আমায় কেউ পণ্ডিত বললে ঘৃণা করে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওইটি তাঁর কৃপা! পণ্ডিতেরা কেবল বিচার করে। কিন্তু কেউ দুধ শুনেছে, কেউ দুধ দেখেছে। সাক্ষাৎকারের পর সব নারায়ণ দেখবে — নারায়ণই সব হয়েছেন।

    পণ্ডিত নারায়ণের স্তব শুনাইতেছেন। ঠাকুর আনন্দে বিভোর।

    পণ্ডিত—সর্বভূতস্থমাত্মানং সর্বভূতানি চাত্মনি।
    ঈক্ষতে যোগযুক্তাত্মা সর্বত্র সমদর্শনঃ ॥

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আপনার অধ্যাত্ম (রামায়ণ) দেখা আছে?

    পণ্ডিত—আজ্ঞে হাঁ, একটু দেখা আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওতে জ্ঞান-ভক্তি পরিপূর্ণ। শবরীর উপাখ্যান, অহল্যার স্তব, সব ভক্তিতে পরিপূর্ণ।

    “তবে একটি কথা আছে। তিনি বিষয়বুদ্ধি থেকে অনেক দূর।”

    পণ্ডিত—যেখানে বিষয়বুদ্ধি, তিনি ‘সুদূরম্‌’,—আর যেখানে তা নাই, সেখানে তিনি ‘অদূরম্‌’। উত্তরপাড়ার এক জমিদার মুখুজ্জেকে দেখে এলাম বয়স হয়েছে—কেবল নভেলের গল্প শুনছেন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অধ্যাত্মে আর একটি বলেছে যে, তিনিই জীবজগৎ!

    পণ্ডিত আনন্দিত হইয়া যমলার্জ্জুনের এই ভাবের স্তব শ্রীমদ্‌ভাগবত দশম স্কন্ধ হইতে আবৃত্তি করিতেছেন —

    কৃষ্ণ কৃষ্ণ মহাযোগিংস্ত্বমাদ্যঃ পুরুষঃ পরঃ।
    ব্যক্তাব্যক্তমিদং বিশ্বং রূপং তে ব্রাহ্মণা বিদুঃ  ॥
    ত্বমেকঃ সর্বভূতানাং দেহস্বাত্মেনিদ্রয়েশ্বরঃ।
    ত্বমেব কালো ভগবান্‌ বিষ্ণুরব্যয় ঈশ্বরঃ ॥
    ত্বং মহান্‌ প্রকৃতিঃ সূক্ষ্মা রজঃসত্ত্বতমোময়ী।
    ত্বমেব পুরুষোঽধ্যক্ষঃ সর্বক্ষেত্রবিকারবিৎ  ॥

    শ্রীরামকৃষ্ণ সমাধিস্থ — ‘আন্তরিক ধ্যান-জপ করলে আসতেই হবে’ 

    ঠাকুর স্তব শুনিয়া সমাধিস্থ! দাঁড়াইয়াছেন। পণ্ডিত বসিয়া। পণ্ডিতের কোলে ও বক্ষে একটি চরণ রাখিয়া ঠাকুর (Kathamrita) হাসিতেছেন।

    পণ্ডিত চরণ ধারণ করিয়া বলিতেছেন, ‘গুরো চৈতন্যং দেহি।’ ঠাকুর ছোট তক্তার কাছে পূর্বাস্য হইয়া দাঁড়াইয়াছেন।

    পণ্ডিত ঘর হইতে চলিয়া গেলে ঠাকুর মাস্টারকে বলিতেছেন, আমি যা বলি মিলছে? যারা আন্তরিক ধ্যান-জপ করেছে তাদের এখানে আসতেই হবে।

    রাত দশটা হইল। ঠাকুর একটু সামান্য সুজির পায়স খাইয়া শয়ন করিয়াছেন।

    মণিকে বলিতেছেন, “পায়ে হাতটা বুলিয়ে দাও তো।”

    কিয়ৎক্ষণ পরে গায়ে ও বক্ষঃস্থলে হাত বুলাইয়া দিতে বলিতেছেন।

    সামান্য নিদ্রার পর মণিকে বলিতেছেন, “তুমি শোওগে; — দেখি একলা থাকলে যদি ঘুম হয়।” ঠাকুর রামলালকে বলিতেছেন (Kathamrita), “ঘরের ভিতরে ইনি (মণি) আর রাখাল শুলে হয়।”

  • I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক (I-Pac) অভিযানে বিস্তারিত রিপোর্ট দিল্লির সদর দফতরে পাঠাল ইডি (Enforcement Directorate)। তাতে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই তদন্তের নথি, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিক্স ছিনতাই করে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা ঠিক কেমন ছিল বিশদে জানতে চেয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে। আর তার ভিত্তিতেই প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, বিবরণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে ইডি।

    কপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে (I-Pac)

    রাজ্যে কয়লা পাচার এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের তদন্ত করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের (I-Pac) কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। এই ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর দিল্লির ইডির (Enforcement Directorate) সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরেও রিপোর্ট পাঠানো হতে পারে।

    ১২ টা ০৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যান মমতা

    ঘটনার দিনের বিবরণ ইতিমধ্যেই একটি প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করা হয়েছে তা মামলার নথিতে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে। তবে ইডির দাবি, তল্লাশি চলাকালীন জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেআইনি আর্থিক মামলায় পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির ১০টি জায়গায় তদন্তে বাধার অভিযোগ তুলেছে। সাংবিধানিক ক্ষমতাকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে তাল্লাশি অভিযান চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিনতাই করে নিয়ে যান তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইতিমধ্যেই তারা আদালতে জানিয়েছে, প্রতীকের (I-Pac) বাড়িতে তল্লাশির সময় একাধিক ডিজিটাল নথি উদ্ধার করা হয়েছে। বেলা ১১ টা নাগাদ কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিসি প্রিয়ব্রত রায় লাউডন ষ্ট্রিটের ওই বাড়িতে যান। পুলিশ কর্তার অবশ্য দাবি, ওই বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। পরে অবশ্য ইডির অফিসাররা সকলের পরিচয় এবং তল্লাশির কাগজপত্র দেখান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মনোজ বর্মাও। দুপুর ১২ টা ৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। নিজের অধিকার প্রয়োগ করে তদন্তের কাজে বাধা দেন। জোর করে ডিজিটাল নথি তুলে নিয়ে যান। ১২ টা ১৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই মামলা করা হয়। পৃথকভাবে মামলা করা হয়েছে ইডির (Enforcement Directorate) তরফেও। আগামী ১৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন ইডির

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্টে ইডির কাছে জানতে চেয়েছে, তল্লাশির (I-Pac) সময় কোন কোন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল তদন্তকারীদের। রাজ্য পুলিশের ভূমিকাই কি ছিল? পুলিশ কতটা সক্রিয় ছিল? কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই সময় কোন দায়িত্ব পালন করেছে। তাল্লাশির পর রাজ্যের শাসকদল কি ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে? এই সব বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আইপ্যাক অভিযানের পরের দিনই আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এই তল্লাশি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশল জানার লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় সংস্থা অভিযান চালিয়েছে এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।” অন্য দিকে, তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। ইডি জানিয়েছে, “বেআইনি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও যোগ নেই।”

    দুর্নীতির তদন্ত চান না মুখ্যমন্ত্রী?

    তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Enforcement Directorate) পক্ষ থেকে বলা হয়, “সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।” ফলে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এবার পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য আগেও তৃণমূলের নেতাদের দুর্নীতি ঢাকতে বিভিন্ন সময়ে ইডি-সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, কাজে বাধা দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি তদন্তে বাধা দেন তাহলে এই রাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্থদের পাশে সরকার এই কথা বলতেই হয়। অন্তত এমনই অভিমত বিজেপির।

  • IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জানুয়ারি কোর্টরুমে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার জেরে ভেস্তে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক (IPAC) অভিযান হানা নিয়ে ইডির দায়ের করা মামলার শুনানি। হট্টগোল না থামায় এজলাস থেকে বেরিয়ে যান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এই মমলার পরবর্তী শুনানি হবে দিন সাতেক পরে। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলকেই নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তৃণমূলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাটের স্ক্রিনশট তুলে ধরে এই দাবি করা হয়েছে। যদিও সেই স্ক্রিনশটের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। শুভেন্দুর দাবি, এটা পরিকল্পনা করেই করেছে তৃণমূল। এই পরিপ্রেক্ষিতে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাট ভাইরাল হয়েছে। তাতে লেখা, কোর্ট নম্বর ৫-এ সবাই চলে আসবেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কক্ষে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তৃণমূলপন্থী আইনজীবীরা।

    বিচারপতির বক্তব্য (IPAC)

    বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, আদালতের পরিবেশ শুনানির (Suvendu Adhikari) উপযোগী ছিল না। বিচারপতির বক্তব্য (IPAC), “এজলাসে আইনজীবী থেকে শুরু করে উপস্থিত অন্যরা গোলযোগ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁদের বারবার অনুরোধ করা হয় আদালতের মর্যাদা ও শিষ্টাচার রক্ষা করার জন্য। কিন্তু সেই অনুরোধ কারও কানে পৌঁছয়নি। তাই বাধ্য হয়েই আদালত মুলতুবি করা হল। আগামী ১৪ জানুয়ারি নতুন করে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হল।” কথাগুলি বলেই এজলাস ছেড়ে চলে যান বিচারপতি।

    কবুল কল্যাণের

    এদিন তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনিও বলেন, “খুব হইচই হচ্ছিল। বিচারপতি বলেছেন, ওই পরিবেশে তিনি শুনানি করেন না।” যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এজলাসে ভিড় করে রাখা হয়েছিল। আর সেটা করেছিল তৃণমূল। শাসক দল অবশ্য সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে যে অর্ডার কপি সামনে এসেছে, তাতে বিচারপতি নিজে জানিয়েছেন শুক্রবার কোর্টরুমের ভেতরে ঠিক কী হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় (Suvendu Adhikari) শনিবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদন করেছে ইডি। যদিও তার আগেই রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে (IPAC)।

  • Pakistan: “অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানে সাংবিধানিক বদল, ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি”, বললেন অনিল চৌহান

    Pakistan: “অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানে সাংবিধানিক বদল, ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি”, বললেন অনিল চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানে (Pakistan) সম্প্রতি যে পরিবর্তনগুলি আনা হয়েছে, বিশেষ করে তড়িঘড়ি করে করা সংবিধান সংশোধন, তা আসলে অপারেশন সিঁদুরে (Operatin Sindoor) তাদের ব্যর্থতারই স্বীকারোক্তি।” কথাগুলি বললেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। পুনে পাবলিক পলিসি ফেস্টিভ্যালে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “পাকিস্তানে যে পরিবর্তনগুলি হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে তড়িঘড়ি করে সংবিধান সংশোধন। এসবই স্পষ্ট করে দেয় যে এই অভিযানে তাদের সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। তারা বহু ঘাটতি ও ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে।”

    কী বললেন সিডিএস? (Pakistan)

    সিডিএস আরও বলেন, “‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়নি, আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।” পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৩ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সে দেশের উচ্চস্তরের প্রতিরক্ষা কাঠামোয় এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও জানান জেনারেল চৌহান। তিনি বলেন, “এই পরিবর্তন ভারতের জন্য, বিশেষ করে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি পরিবর্তনগুলিকে সংক্ষেপে বলা যায়, তবে প্রথম এবং সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল, ‘চেয়ারম্যান, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি’ পদটি তুলে দেওয়া হয়েছে।” এই পদটি মূলত তৈরি করা হয়েছিল তিনটি সেনা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে (Pakistan)। কিন্তু এখন (Operatin Sindoor) সেই পদটি বাতিল করে তার পরিবর্তে ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (CDF)’ নামে একটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে সিডিএস বলেন, “এই পরিবর্তনগুলি আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।”

    অপারেশন সিঁদুর

    অপারেশন সিঁদুরের অভিজ্ঞতা থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সিডিএস। বিশেষ করে হায়ার ডিফেন্স অর্গানাইজেশনের ক্ষেত্রে এই শিক্ষাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি (Operatin Sindoor)। সম্প্রতি হওয়া একাধিক সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সিডিএস বলেন, “উরি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ডোকলাম ও গালওয়ান সংঘর্ষ, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক এবং অপারেশন সিঁদুর, এই সব ক্ষেত্রেই ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন ও উদ্ভাবনী কমান্ড কাঠামোর মাধ্যমে কাজ করেছে।” সংবাদ মাধ্যমে (Pakistan) দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিডিএস বলেন, “এখন আমাদের লক্ষ্য হল এমন একটি মান্যতাপ্রাপ্ত ও মানসম্মত ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা সব ধরনের পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যাবে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক যে সংশোধনীগুলি আনা হয়েছে, তার মূল লক্ষ্য হল ফেডারেল কাস্টমস কোর্ট গঠন, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।

    আর্মি রকেট ফোর্সেস কমান্ড

    পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে সিডিএস বলেন, “এর আগেও তারা একটি আর্মি রকেট ফোর্সেস কমান্ড গঠন করেছে। প্রচলিত ও কৌশলগত—দু’দিক থেকেই এটি তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে (Operatin Sindoor)। মূলত নতুন এই কাঠামোগুলির মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে পাকিস্তানে সেনাপ্রধান স্থলভিত্তিক অভিযান, নৌ ও বায়ুসেনার সঙ্গে যৌথ অভিযানের পাশাপাশি কৌশলগত ও পরমাণু সংক্রান্ত বিষয়গুলির দায়িত্বে থাকবেন। তার সঙ্গে রকেট ফোর্সেস কমান্ড গঠনের ফলে (Operatin Sindoor) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর যুক্ত হয়েছে। এটি অনেকাংশে স্থলভিত্তিক চিন্তাধারার প্রতিফলন (Pakistan)।”

  • Bangladesh Hindu Attack: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক! ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা ভারতের

    Bangladesh Hindu Attack: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক! ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনা থামছেই না। ফের খুন এক হিন্দু যুবক (Another Hindu man killed in Bangladesh)। ক্রমাগত এই ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং নির্বাচনের আগে বাড়তে থাকা উগ্রতার জেরে পরিস্থিতি আরও অশান্ত হতে পারে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে (Bangladesh Violence) হিন্দুসহ সংখ্যালঘু (Minority Safety) সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমবর্ধমান নৃশংসতা ও বেলাগাম হিংসার ঘটনায় এবার মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে চরম বার্তা দিল ভারত। দিল্লির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মৌলবাদে লাগাম টেনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউনূস প্রশাসনকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

    বিষ খাইয়ে মারা হল হিন্দু যুবককে

    বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ জেলায় জয় মহাপাত্র (Joy Mahapatra killed in Bangladesh) নামে এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিবার সূত্রে দাবি, স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয় এবং বিষ খাইয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে সিলেটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তরিত করা হয় আইসিইউ-তে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন। এদিকে, বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের (Dipu Chandra Das Murder Case) মামলায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ (Main accused arrested)। ইয়াসিন আরাফাত নামে অভিযুক্তকে স্থানীয়রা ‘শিক্ষক’ হিসেবে চিনত। পুলিশ জানিয়েছে, দীপুর ওপর ‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগ’ তুলে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে ফাঁসানো হয়। প্রথমে জনতাকে উস্কানি এরপর সুযোগ বুঝে দীপুকে টেনে বের করে ক্ষুব্ধ জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়, আর এর ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন ইয়াসিন আরাফাত।

    বাংলাদেশকে কড়া বার্তা ভারতের

    সংখ্যালঘুদের ওপর বাড়তে থাকা এই পরিকল্পিত হামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠকে সুর চড়ান মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal)। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর উগ্রপন্থীদের হামলার এক উদ্বেগজনক প্রবণতা বারবার লক্ষ্য করছি। তাঁদের বাড়িঘর, উপাসনালয় ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে। এই ধরনের সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।” তাঁর মতে, এই ধরনের নৃশংস ঘটনাগুলোকে অনেক সময় ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা’ বা ‘রাজনৈতিক বিরোধ’ হিসেবে তকমা দিয়ে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। ভারতের দাবি, এই ধরনের প্রবণতা অপরাধীদের আড়াল করে এবং তাঁদের আরও সাহসী করে তোলে। এর ফলে সাধারণ সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। ভারত চায়, বাংলাদেশ সরকার কোনও অজুহাত না দিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃঢ় আইনি ব্যবস্থা নিক।

     

     

     

  • ISRO: ২০২৬-এর প্রথম উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি ইসরোর, ১২ জানুয়ারি মহাকাশে পাড়ি দেবে পিএসএলভি-সি৬২

    ISRO: ২০২৬-এর প্রথম উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি ইসরোর, ১২ জানুয়ারি মহাকাশে পাড়ি দেবে পিএসএলভি-সি৬২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ১২ জানুয়ারি পিএসএলভি-সি৬২ (PSLV-C62)  মিশনের মাধ্যমে নতুন বছরের প্রথম উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো (ISRO)। ইসরোর এক্স হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে কৃত্রিম উপগ্রহটির উৎক্ষেপণ করা হবে। পাশাপাশি, এই বছর ইসরোর প্রধান মিশন হবে চালকবিহীন গগনযান পাঠানো। এই অভিযানে ব্যোমমিত্র নামের একটি হিউম্যানয়েড রোবটকে মহাকাশে পাঠানো হবে। এটি ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ অভিযানের আগে একটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ২০২৭ সালে তিনজন মহাকাশচারীকে কক্ষপথে পাঠানোর লক্ষ্যে ইসরো প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    কী কাজ করবে এই নয়া স্যাটেলাইট

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) ২০২৬ সালের মহাকাশ উৎক্ষেপণ কর্মসূচির সূচনা করতে চলেছে পিএসএলভি-সি৬২ (PSLV-C62) মিশনের মাধ্যমে। আগামী ১২ জানুয়ারি, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে এই উৎক্ষেপণ করা হবে। এই রকেটের প্রধান পেলোড হল ইওএস এন-ওয়ান (EOS-N1)। এটি একটি উন্নত পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী (Earth Observation) স্যাটেলাইট। এটি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও দ্বারা নির্মিত। কৌশলগত উদ্দেশ্যে তৈরি এই স্যাটেলাইট ভারতের নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে বলে জানা গেছে। নির্ভরযোগ্য পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (PSLV)-এর মাধ্যমে ইওএস এন-ওয়ান-কে নির্ধারিত কক্ষপথে স্থাপন করা হবে।

    উৎক্ষেপণের সময়সূচি ও স্থান

    ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, ১২ জানুয়ারি সকাল ১০টা ১৭ মিনিট (IST)-এ উৎক্ষেপণ করা হবে। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের ফার্স্ট লঞ্চ প্যাড থেকে এই মিশন শুরু হবে। এই মিশনটি প্রায় ১ ঘন্টা ৪৮ মিনিট স্থায়ী হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাউন্টডাউনের আগে সব প্রস্তুতি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে। এই মিশনে ইওএস এন-ওয়ান ছাড়াও একাধিক আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্যিক পেলোড থাকার কথা রয়েছে, যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। ইসরো জানিয়েছে, সাধারণ মানুষ চাইলে শ্রীহরিকোটার লঞ্চ ভিউ গ্যালারি থেকে সরাসরি উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। প্রবেশের সময় আধার কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো বৈধ সরকারি পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি সঙ্গে রাখতে হবে। ইসরো-র মতে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল দেশের মহাকাশ কর্মসূচির সঙ্গে সাধারণ মানুষের আরও বেশি সম্পৃক্ততা বাড়ানো।

  • Afghanistan: তালিবান ক্ষমতা দখলের পর প্রথম কূটনৈতিক নিয়োগ, ভারতে নয়া আফগান রাষ্ট্রদূত নূর আহমেদ নূর

    Afghanistan: তালিবান ক্ষমতা দখলের পর প্রথম কূটনৈতিক নিয়োগ, ভারতে নয়া আফগান রাষ্ট্রদূত নূর আহমেদ নূর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালিবান ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম ভারতে কূটনৈতিক প্রতিনিধি নিয়োগ করল আফগানিস্তান (Afghanistan)। নয়াদিল্লিতে আফগান দূতাবাসে কূটনীতিক নূর আহমেদ নূরকে নিয়োগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তিনি নয়াদিল্লিতে পৌঁছে গিয়ে গ্রহণ করেছেন নয়া দায়িত্ব (Taliban)। নূর আহমেদ নূর এর আগে আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রকে প্রথম রাজনৈতিক পরিচালক পদে ছিলেন।

    ভারত – আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক (Afghanistan)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নিয়োগের মাধ্যমে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করার ইঙ্গিত মিলছে, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা ও স্বাস্থ্য খাতে। গত ২০ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী মাওলভি নূর জালাল জালালি বলেছিলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটায় আফগানিস্তান এখন ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যাল চাহিদা পূরণে ভারতের দিকে বিকল্প অংশীদার হিসেবে তাকাচ্ছে।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত ক্রমশ আফগানিস্তানের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে উঠে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লিতে কূটনৈতিক নিয়োগকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল (Afghanistan)।

    জালালির বক্তব্য

    আফগানিস্তান ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার একটি নয়া অধ্যায়ের সূচনা করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ প্রতিনিধি জালালি। তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতে ভারত আফগানিস্তানের একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে অবদান রেখে চলেছে (Taliban)। জালালির কথায়, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়। আমরা সহযোগিতা ও পারস্পরিক কাজের ভিত্তিতে একটি নয়া অধ্যায় খুলতে এখানে এসেছি। তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণে ভারত ও আফগানিস্তানের ঘনিষ্ঠতা আরও জোরদার হতে চলেছে, পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে কাবুলের সম্পর্ক এখনও রয়েছে টানাপোড়েনের মধ্যেই (Afghanistan)।

    নয়াদিল্লিতে হু

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) গ্লোবাল সামিট অন ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন উপলক্ষে ভারতে এসে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন আফগানিস্তানের এক শীর্ষ প্রতিনিধি। এই সফরের সময় ভারত আফগানিস্তানের প্রতি তাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় (Taliban)। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ সরবরাহ এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে ভারত-আফগানিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম ভারত সফরে আসেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। সেই সময় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত সফরটি অত্যন্ত ভালো হয়েছে। শুধু দারুল উলুমের মানুষই নন, গোটা এলাকার মানুষ এখানে উপস্থিত হয়েছেন। আমাকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ (Afghanistan)।”

    আলহাজ নূরউদ্দিন আজিজির ঘোষণা

    গত ২৪ নভেম্বর আফগানিস্তানের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আলহাজ নূরউদ্দিন আজিজি ঘোষণা করেন যে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে (Taliban) দীর্ঘদিনের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার অবসান হয়েছে। এর ফলে আফগান নাগরিকরা চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভারতীয় ভিসা পেতে পারবেন। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে আজিজি জানান, এই পরিষেবা সহজ করতে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আফগান দূতাবাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, কাবুলে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও আফগান নাগরিকদের সহায়তায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে (Afghanistan)। এই প্রেক্ষাপটে, নয়াদিল্লিতে আফগান দূতাবাসে নূর আহমেদ নূরের নিয়োগ দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি আনতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। মানবিক সহায়তা ও সরকারি স্তরের যোগাযোগের মধ্যে (Taliban) দিয়েই ভারত ও আফগানিস্তান তাদের সম্পর্ক আরও মজবুত করার পথে এগোচ্ছে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞমহলের (Afghanistan)।

  • Iran Protest: ইসলামিক শাসনের প্রতিবাদকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি! দেশজুড়ে বাড়ছে সংঘর্ষ, ইরানে মৃত ২১৭

    Iran Protest: ইসলামিক শাসনের প্রতিবাদকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি! দেশজুড়ে বাড়ছে সংঘর্ষ, ইরানে মৃত ২১৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে (Iran Protest) রাজনৈতিক সঙ্কট ক্রমশ গভীর হচ্ছে। দেশজুড়ে ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তীব্র আকার নিয়েছে। শুক্রবার রাতভর বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সূত্রের খবর, ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মোকাবিলায় বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে ইরানের সরকার। যার ফলে অন্তত ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে টাইম ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন স্থানীয় এক চিকিৎসক। তেহরানের ৬টি হাসপাতালেই এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বিক্ষোভ শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়

    প্রথমে ইরানে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং ইরানি রিয়ালের দ্রুত পতনের প্রতিবাদে। তবে ধীরে ধীরে তা সরকার ও ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি আন্দোলনে রূপ নেয়। এখন এই বিক্ষোভ আর শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেহরানের এক চিকিৎসক ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, শুধু রাজধানীর ৬ হাসপাতালেই অন্তত ২১৭ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। খবর যাতে ছড়াতে না পারে, তাই সরকার সারা দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকী ফোনের কানেকশনও স্তব্ধ করা হয়েছে।

    বিক্ষোভে অংশ নেন ৫ লক্ষের বেশি মানুষ

    সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ দিনের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ২,০০০-এরও বেশি মানুষ। বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৫ লক্ষের বেশি মানুষ। সারা দেশে প্রায় ৪০০টি স্থানে আন্দোলন চলছে। শুধু তেহরানেই সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। পুলিশ অন্তত ২,৩০০ জনকে আটক করেছে। বিদ্রোহের আগুন ইরানের ২০টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ১১০টিরও বেশি শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তেহরানে অন্তত ২৬টি ব্যাঙ্ক লুট করা হয়েছে, ২৫টি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং ১০টি সরকারি ভবন সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও ২৪টি অ্যাপার্টমেন্ট, ৪৮টি দমকলের গাড়ি ও ৪২টি বাসে আগুন লাগানো হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে।

    সরকারি দমন-নীতি

    ইরানের সেই চিকিৎসক টাইম ম্যাগাজিনকে জানান, বিক্ষোভকারীরা একত্রিত হলে সিকিউরিটি ফোর্স সরাসরি গুলি চালাতে শুরু করে। যার ফলে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু জনের বডি হাসপাতাল থেকে শুক্রবার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই অল্প বয়সি। এছাড়া উত্তর তেহরানের পুলিশ স্টেশনের বাইরে মেশিন গান থেকে গুলি চালিয়েও বেশ কিছু বিক্ষোভকারীকে মেরে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি। যতদূর খবর, ইরানে সরকার বিরোধী মিছিল মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল। তবে কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীরা অশান্ত হয়ে ওঠে। তারা তেহরানের আল রাসুল মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    ইরান ঝুঁকবে না কোনও শক্তির কাছে

    যদিও এই চিকিৎসক যতটা দাবি করেছেন, মৃতের সংখ্যা এতটাও বেশি নয় বলে দাবি করেছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন। ওয়াশিংটনের মানবাধিকার সংগঠন এবং সংবাদ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মোটামুটি ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। মৃত্যের মধ্যে ৪৯ জন সাধারণ মানুষ। একইসঙ্গে চাপের কাছে নতিস্বীকার করতে নারাজ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। তিনি জানান, এই ইসলামিক দেশ কারও কাছে মাথা নত করবে না। যারা বিক্ষোভ করছে তাদের কাছে হার মানার প্রশ্নই নেই।

  • German Chancellor Visit India: ভারত সফরে জার্মান চ্যান্সেলর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকে উঠবে কোন কোন বিষয়?

    German Chancellor Visit India: ভারত সফরে জার্মান চ্যান্সেলর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকে উঠবে কোন কোন বিষয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আসছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ (German Chancellor Visit India)। বার্লিনের মসনদে বসার পর এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর। দু’দিনের ভারত সফরে ১২ জানুয়ারি আমেদাবাদে পা রাখবেন তিনি। সেখানেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তির পাশাপাশি আলোচনা হবে দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে মার্জের এই সফর। তিনি বেঙ্গালুরুতেও যাবেন ।

    আমেদাবাদে স্বাগত

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, জার্মান চ্যান্সেলরের (German Chancellor Visit India) এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। শুধু তাই নয়, একে অপরকে সাহায্যের জন্য দু’দেশের যে অভিন্ন অঙ্গীকার তা-ও আরও দৃঢ় হবে। ভারত-জার্মানির দূরদর্শী অংশীদারিত্ব বৃহত্তর আন্তর্জাতিক স্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে বিদেশমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ১২ জানুয়ারি জার্মান চ্যান্সেলরকে আমেদাবাদে স্বাগত জানাবেন মোদি। সফরের অংশ হিসেবে দুই নেতা সবরমতি আশ্রম পরিদর্শন করবেন এবং সবরমতি রিভারফ্রন্টে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ঘুড়ি উৎসবে অংশ নেবেন। এরপর গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রেডরিখের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে? সূত্রের খবর, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে দু’দেশের সহযোগিতা কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, তা নিয়ে আলোকপাত করা হবে বৈঠকে। এছড়াও নিরাপত্তা, বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবেন মোদি-ফ্রেডরিখ। অন্যদিকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে যে পূর্ব চুক্তিগুলি হয়েছে, সেগুলির অগ্রগতিও এই বৈঠকে পরিমাপ করা হবে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    প্রতিরক্ষা সহায়তা

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এই সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে। সূত্রের খবর, প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি সাবমেরিন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে। এই চুক্তিকে ভারতের সামরিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করাকে উভয় দেশই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। চ্যান্সেলর মার্জের এই সফর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা এবং ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক জোরদার করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ বলেও মনে করা হচ্ছে। এই বৈঠক শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও যৌথ আগ্রহের প্রতিফলন।

    ভারতের বাজারে নজর

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জার্মানি ভারতের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি এবং উৎপাদন খাতে জার্মান বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে ভারতের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উভয় দেশই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

    ভারত সফর বিশেষ অর্থবহ

    সফরকে ঘিরে প্রস্তুতি চলাকালীন, দুই দেশের সরকারই আশাবাদী যে এই বৈঠকের ফলাফল বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। এই সফর আধুনিক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত–জার্মানি সম্পর্কের গুরুত্ব আরও একবার তুলে ধরছে। ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে আসার কথা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর। তার আগে জার্মান চ্যান্সেলরের ভারত সফর বিশেষ অর্থবহ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

LinkedIn
Share