Blog

  • Russia: ইরান হয়ে রেলপথে ভারতকে জুড়ছে রাশিয়া! আমেরিকাকে ‘রামধাক্কা’ দিতেই কি ক্রেমলিনের হাতিয়ার ইস্পাত?

    Russia: ইরান হয়ে রেলপথে ভারতকে জুড়ছে রাশিয়া! আমেরিকাকে ‘রামধাক্কা’ দিতেই কি ক্রেমলিনের হাতিয়ার ইস্পাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন মেঘ না চাইতেই জল! আমেরিকার দাদাগিরি রুখতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার চেষ্টা করছে রাশিয়া (Russia)। সেই কারণেই ইন্টারন্যাশনাল নর্থ–সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর (INSTC)-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ রাশত–আস্তারা রেলপথের কাজ দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দিল ইরান ও রাশিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই এই খবর মিলেছে।

    ইরান-রাশিয়া বৈঠক (Russia)

    সম্প্রতি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি এবং রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ভিতালি সাভেলিয়েভের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বৈঠকে উভয়পক্ষই আইএনএসটিসি করিডরকে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন। ইরান স্পষ্টভাবেই জানিয়েছে, তারা করিডরটি সক্রিয় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আলি লারিজানি বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে থাকা সমস্ত বাধা দ্রুত দূর করা হবে।” তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ও পরিচালন সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি কার্যকর করা যায়।

    জমি অধিগ্রহণ

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সরকার চলতি (Russia) ইরানি অর্থবর্ষের শেষ নাগাদ রাশত–আস্তারা রেলপথের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েছে, যাতে প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে না যায়। এদিকে, রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ভিতালি সাভেলিয়েভ ইরানের এই দৃঢ় অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “রাশিয়া দ্রুত নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে এবং রেল প্রকল্প শুরু করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একই সঙ্গে, আইএনএসটিসি করিডরের আওতায় সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রাশিয়া, ইরান ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি চুক্তির মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ–সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের ভিত্তি স্থাপন হয়। বর্তমানে আজারবাইজান, ভারত, ইরান, রাশিয়া ও তুরস্ক-সহ মোট ১৩টি দেশ এই চুক্তি অনুমোদন করেছে (Russia)।

    করিডরের মূল লক্ষ্য

    এই করিডরের মূল লক্ষ্য হল, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে, পাশাপাশি উত্তর ও পশ্চিম ইউরোপে পণ্য পরিবহণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। বর্তমানে এই রুটে ভারতে পণ্য পৌঁছতে সময় লাগে ছ’সপ্তাহের মতো। তবে করিডরটি পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে এই সময়সীমা কমে মাত্র তিন সপ্তাহে দাঁড়াবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, নর্থ–সাউথ আন্তর্জাতিক পরিবহণ করিডরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজভিন–রাশত রেলপথ চালু হয় ২০১৯ সালের ৬ মার্চ। এই রেলপথের মাধ্যমে আজারবাইজানের রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে ইরানের রেল যোগাযোগ সুগম হয়েছে। করিডরের পরবর্তী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ইরানের ভূখণ্ডে রাশত–আস্তারা রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    নর্থ–সাউথ করিডর

    ইরানের ভেতরে নর্থ–সাউথ করিডরের তিনটি প্রধান দিক রয়েছে। পূর্ব দিকটি তুর্কমেনিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সংযুক্ত। মধ্য দিকটি কাস্পিয়ান সাগর অতিক্রম করে রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। আর পশ্চিম দিকটি আজারবাইজান, জর্জিয়া, রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে (Russia)। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৩ সালের ১৭ মে রাশিয়া ও ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় গিলান প্রদেশে রাশত–আস্তারা রেলপথ নির্মাণ করা হবে। প্রায় ১৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইনে মোট ৯টি স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। রাশত–আস্তারা রেলপথ সম্পন্ন হলে নর্থ–সাউথ আন্তর্জাতিক করিডরের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে ইরানের রেল নেটওয়ার্ক ককেশাস অঞ্চলের দেশ, রাশিয়া এবং উত্তর ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে।

    রেলপথ নির্মাণে রাশিয়ার লগ্নি

    চুক্তি অনুযায়ী, এই রেলপথ নির্মাণে রাশিয়া প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি ৪৮ মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ এবং ইউরেশীয় যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইরানের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমি দুনিয়ার চাপিয়ে দেওয়া নিষেধাজ্ঞায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে রাশিয়া এবং ইরান। এর জেরে দিন দিন পঙ্গু হচ্ছে মস্কো ও তেহরানের অর্থনীতি। এই পরিস্থিতিতে পাল্টা প্রত্যাঘাতে ওয়াশিংটনের যাবতীয় ছক ভেস্তে দিতে পূর্বতন পারস্য দেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ১৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণে নেমেছে পুতিন সরকার। এই রেলপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নয়া রূপ দিতে পারে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের (Russia)।

  • Somnath Swabhiman Parv: ১০০০ বছরের লড়াই, ভারতের মর্যাদার প্রতীক! ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’-এ আজ গুজরাটে মোদি

    Somnath Swabhiman Parv: ১০০০ বছরের লড়াই, ভারতের মর্যাদার প্রতীক! ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’-এ আজ গুজরাটে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমনাথ মন্দিরে শুরু হয়েছে ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ (Somnath Swabhiman Parv)। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে শনিবার যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে গুজরাটে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপরে মন্দিরে মন্ত্রোচ্চারণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এর পরে রবিবার মন্দিরের তরফে আয়োজন করা ‘শৌর্য যাত্রা’ নামের এক শোভাযাত্রায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরে মন্দিরে পুজো দিয়ে জনসভায় বক্তৃতা দেবেন তিনি। গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের এই অনুষ্ঠান পালনের পিছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক কাহিনি। ১০২৬ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে গজনির সুলতান মামুদ এই সোমনাথ মন্দিরে আক্রমণ করেছিলেন। মূল্যবান মণিমানিক্য হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভেঙে দেওয়া হয় মন্দিরটি। পরে ১৯৫১ সালে পুনরায় তৈরি করা হয়। সেই দুই ঘটনাকে স্মরণ করেই ঠিক ১০০০ বছর পরে ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব-এর ইতিহাস

    সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব (Somnath Swabhiman Parv) প্রসঙ্গে আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন, ‘সোমনাথ… এই নামটি শুনলেই আমাদের হৃদয় ও মনে এক গভীর গর্বের অনুভূতি জাগে। এটি ভারতের (India) আত্মার এক শাশ্বত ঘোষণা। এই মহিমান্বিত মন্দিরটি (Somnath Temple) ভারতের পশ্চিম উপকূলে গুজরাটের প্রভাস পত্তন নামক স্থানে অবস্থিত। দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ স্তোত্রে (Dwadasha Jyothirlinga Stotram) ভারতের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের (12 Jyotirlingas) কথা উল্লেখ আছে। স্তোত্রটি শুরু হয়েছে “সৌরাষ্ট্রে সোমনাথং চ…” দিয়ে, যা প্রথম জ্যোতির্লিঙ্গ হিসেবে সোমনাথের সভ্যতাগত ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে প্রতীকায়িত করে। এর অর্থ: শুধুমাত্র সোমনাথ শিবলিঙ্গের (Somnath Shivling) দর্শন করলেই মানুষ পাপমুক্ত হয়, তাঁর সৎ মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয় এবং মৃত্যুর পর স্বর্গ লাভ করে। দুর্ভাগ্যবশত, এই সেই সোমনাথ, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা আকর্ষণ করত, তা বিদেশি আক্রমণকারীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল, যাদের উদ্দেশ্য ছিল ধ্বংস, ভক্তি নয়।’

    সোমনাথ মন্দির-এর ইতিহাস

    সোমনাথ মন্দির (Somnath Temple) ভারতের প্রথম জ্যোতির্লিঙ্গ (first Jyotirlinga)। শাস্ত্র বলে, এই মন্দির কেউ প্রতিষ্ঠা করেনি। তা স্বয়ংম্ভূ। ভগবান শিবের অলৌকিক দ্যুতি প্রথম দেখা যায় সোমনাথেই। তাই এটি প্রথম দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ। হাজার বছরের মিথ, অলৌকিকতা, ভক্তি, বিশ্বাস, ঘটনাক্রম– সব মিলিয়ে অনন্য সোমনাথ মন্দির। এটা কোনও দিনই নিছক ধর্মীয় স্থান হিসেবে থেকে যায়নি। তা ভারতের জনজীবনকে নানা ভাবে ছুঁয়ে থেকেছে। স্কন্দপুরাণে এই মন্দিরের বিবরণ আছে। এ এক এমন জায়গা যেখানে ছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। সঙ্গে নিয়ে তাঁর ৫৬ কোটি যদুবংশী।

    সোমনাথ মন্দির আক্রমণ

    এখন থেকে ঠিক এক হাজার বছর আগে, ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথমবার আক্রান্ত হয়েছিল এই পবিত্র মন্দির। তারপর আরও অনেক বার তা আক্রান্ত হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার জেগে উঠেছে সোমনাথ মন্দির। ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে সোমনাথ মন্দির বারবার ধ্বংস ও পুনর্নির্মিত হয়েছিল। সমসাময়িক বিবরণ অনুসারে, মন্দির রক্ষা করতে গিয়ে প্রায় ৫০,০০০ রক্ষক প্রাণ হারিয়েছিলেন। মামুদ পরবর্তীকালে মন্দিরটি লুণ্ঠন করেন এবং গর্ভগৃহ অপবিত্র করেন, লিঙ্গটিকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলেন। ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন খিলজির সেনাপতি, ১৩৯৪ খ্রিস্টাব্দে মুজাফফর খান এবং ১৪৫৯ খ্রিস্টাব্দে মাহমুদ বেগদা এটি আক্রমণ করেন। এত কিছুর পরেও, এটি একটি হিন্দু মন্দির হিসেবেই ছিল, যতক্ষণ না ঔরঙ্গজেব ১৬৬৯ খ্রিস্টাব্দে এটি ভেঙে ফেলার, ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে মেরামতের অযোগ্য করে ধ্বংস করার এবং ১৭০৬ খ্রিস্টাব্দে এটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করার আদেশ দেন। রানি অহল্যাবাঈ হোলকার, এই পবিত্র ধারাবাহিকতাকে স্বীকৃতি দিয়ে, ১৭৮৩ সালে কাছেই একটি নতুন মন্দির তৈরি করেন। সোমনাথ মন্দির ভারতের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শক্তির প্রতীক। বিদেশি আক্রমণকারীদের পাশ কাটিয়ে, তাদের সকলকে একপাশে সরিয়ে, সেখানে আছেন ভগবান সোমনাথ, ভগবান শিব, যাঁর পুজো করে গুজরাট উপকূলের সমুদ্রের ঢেউও।

    ২০২৬ সাল তাৎপর্যপূর্ণ

    ২০২৬ সালটি সোমনাথ মন্দিরের (Somnath Temple) জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই মহান তীর্থস্থানে প্রথম আক্রমণের এক হাজার বছর পূর্ণ হচ্ছে। ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে গজনীর মামুদ এই মন্দির আক্রমণ করেছিলেন, একটি হিংস্র ও বর্বর আক্রমণের মাধ্যমে বিশ্বাস ও সভ্যতার এক মহান প্রতীককে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু শতাব্দী প্রাচীন সেই আঘাত ভারতের বিশ্বাসকে টলাতে পারেনি। ১৯৫১ সালে সর্দার প্যাটেল এবং কেএম মুন্সীর উদ্যোগে যখন মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয়, তা ছিল আধুনিক ভারতের সাংস্কৃতিক বিজয়ের শুরু। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ। ১০২৬ সালে প্রথমবার আক্রান্ত হয় সোমনাথ মন্দির। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানি। আর চলতি ২০২৬ সালের ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ৭৫ বছর পূর্ণ হবে।

    শৌর্য-যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী

    ১১ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি শৌর্য যাত্রায় অংশ নেবেন। সোমনাথ মন্দির রক্ষায় যাঁরা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের সম্মানে এই আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। শৌর্য যাত্রায় বীরত্ব ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে ১০৮টি ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা থাকবে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনা করবেন এবং ১১টায় সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই পর্বের মাধ্যমে সোমনাথ মন্দির রক্ষায় আত্মত্যাগকারী অসংখ্য ভারতীয় নাগরিককে স্মরণ করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাংস্কৃতিক চেতনাকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

  • Tariff Threat: ‘সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের অগ্রাধিকার’, ট্রাম্প-হুমকি উপেক্ষা করে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    Tariff Threat: ‘সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের অগ্রাধিকার’, ট্রাম্প-হুমকি উপেক্ষা করে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহে এখনও যারা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে চলেছে, সেই সব দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব সংবলিত একটি বিল মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপনের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত (Tariff Threat)। শুক্রবার ভারতের বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দেয়, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও ১৪০ কোটি মানুষের জন্য সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার (US)।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Tariff Threat)

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “আমরা প্রস্তাবিত বিলটির বিষয়ে অবগত। বিষয়টি আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।” তিনি জানান, জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হয় জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাজারের বাস্তবতার ভিত্তিতে। জয়সওয়াল বলেন, “জ্বালানি উৎস সংক্রান্ত বৃহত্তর প্রশ্নে ভারতের অবস্থান সুপরিচিত। বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনশীল গতিপ্রকৃতি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে সাশ্রয়ী জ্বালানি সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তাই আমাদের পথনির্দেশ করে, যাতে ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় (Tariff Threat)।”

    মার্কিন সেনেটরের প্রতিক্রিয়া

    বিদেশমন্ত্রকের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন সেনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই। গ্রাহামের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলে’ সবুজ সংকেত দিয়েছেন। এই বিল কার্যকর হলে ভারত, চিন ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলির ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে, যাতে তারা রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে (US)। এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে গ্রাহাম বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার পর তিনি রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলটি অনুমোদন করেন। ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, অথচ পুতিন শুধু কথার ফুলঝুরি ছোটাচ্ছেন এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেই দেশগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেবে, যারা সস্তায় রুশ তেল কিনে পুতিনের যুদ্ধাস্ত্রকে জ্বালানি জোগাচ্ছে (Tariff Threat)।” গ্রাহামের ইঙ্গিত, আগামী সপ্তাহেই বিলটি দ্বিদলীয় ভোটাভুটির জন্য তোলা হতে পারে।

    ‘স্যাঙ্কসানিং অফ রাশিয়া অ্যাক্ট ২০২৫’

    এ প্রসঙ্গে এক মার্কিন সেনেটর বলেন, “এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিন, ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলির ওপর বিপুল প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেবে, যাতে তারা রাশিয়ার সস্তা তেল কেনা বন্ধ করে। ওই তেল থেকেই পুতিন ইউক্রেনে গণহত্যার অর্থ জোগাচ্ছেন। আমি আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই বিলের পক্ষে শক্তিশালী দ্বিদলীয় সমর্থন মিলবে (US)।” মার্কিন কংগ্রেসের সরকারি ওয়েবসাইট অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই বিলটির নাম ‘স্যাঙ্কসানিং অফ রাশিয়া অ্যাক্ট ২০২৫’। এই আইনের আওতায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিল অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সমস্ত পণ্য ও পরিষেবার ওপর শুল্কের হার কমপক্ষে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলির বিরুদ্ধেও আর্থিক জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এই বিল কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে বলেই অনুমান কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের (Tariff Threat)।

  • West Bengal Assembly Elections 2026: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন কি এবার এক দফায়? জোর জল্পনা

    West Bengal Assembly Elections 2026: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন কি এবার এক দফায়? জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভার নির্বাচন এবং সেই নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জরুরি পর্যায়ের বৈঠক সারতে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। দুদিনের বৈঠক শেষে রাজ্যে ফিরে যে ইঙ্গিত দিলেন তাতে সম্ভবত এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে এক দফাতেই।

    ভোটকর্মীর অভাব নেই

    বিধানসভা নির্বাচন করতে গেলে প্রধান যে দরকার তা হল ভোটার তালিকা, আর সেই ভোটার তালিকার কাজ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে চলছে এখন রাজ্য জুড়ে। এই সংশোধনের কাজ শেষ হলেই নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করেন জানিয়ে দেবে আদপে এই রাজ্যে ভোট প্রক্রিয়া তারা কিভাবে পরিচালনা করতে চায়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ভোটকর্মীর কোনও অভাব নেই এই রাজ্যে। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীত থেকে শুরু করে বিগত ১৫ বছরে নির্বাচনের সময়ে রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা সব দিক খতিয়ে দেখতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রায় একপ্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে যে, এবার এক দফাতেই এই রাজ্যে নির্বাচন করানোর।

    পুরো দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশন চাইছে, পুলিশের ভূমিকা থাকবে কেবলমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে বাকি সবকিছুই এবার সামলাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশনের যে ইঙ্গিত দিয়েছে তাতে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী এই মুহূর্তে তাদের কাছে রয়েছে যা এই রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করতে গেলে একেবারেই অপরিহার্য। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এক হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই সংখ্যাই প্রায় দ্বিগুণ হতে চলেছে। যার ফলে কমিশনের এক উচ্চপদস্থ কর্তা জানাচ্ছেন, নির্বাচনে কমিশনের এক দফায় এই রাজ্যে নির্বাচন করতে কোনও অসুবিধা নেই।

    লক্ষ্য সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন

    পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার আনন্দ কুমার নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন মোট কত সংখ্যক পুলিশ বাহিনী পাওয়া যাবে নির্বাচনের সময়। যেহেতু সেই সংখ্যা অত্যন্ত কম, তাই এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন নিজেদের সিদ্ধান্ত এক প্রকার নিয়েই ফেলেছে। সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করে শূন্য থেকে শুরু করে সবকিছুকে শেষ করতে অর্থাৎ সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন এবার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে চলেছে বলে খবর সূত্রের। সম্প্রতি, রাজ্যে কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের ক্ষেত্রে যে যে পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন সেই সব পদক্ষেপই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময় একই রকম ভাবেই প্রয়োগ করা হবে। যা করতে গেলে এতদিন পর্যন্ত অনেক ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হত নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং রাজ্য প্রশাসনকে।

    নজর ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশে

    কিন্তু বিগত দিনের ইতিহাস পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশন এবার এই জায়গাতেই উপনীত হয়েছে যে, সম্ভবত এক দফাতেই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন করাতে চায় নির্বাচন কমিশন। যত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কাছে আছে তাতে করে পর্যাপ্ত পরিমাণের বেশি মোতায়েন থাকবে এবং রীতিমতো এক নজির সৃষ্টি করবে। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষ হওয়ার পর কত দিনে নির্বাচন কমিশন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে, সকলে তারই অপেক্ষায়। তবে নির্বাচন যে এবার রাজ্যে এক দফাতেই হতে চলেছে তা এক প্রকার পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে খোদ নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের ইঙ্গিতেই।

  • Suvendu Adhikari: “৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ দিন, নইলে…” মমতাকে মানহানির চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ দিন, নইলে…” মমতাকে মানহানির চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানহানির চিঠি পাঠালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কয়লা কেলেঙ্কারিতে এবার রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নাম জড়িয়েছেন মমতা। শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যে অভিযোগ প্রকাশ্যে করেছেন, তার স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হবে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে আইনি পথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী সূর্যনীল দাসের মাধ্য়মে চিঠি পাঠিয়েছেন শুভেন্দু।

    কী বলা হয়েছে আইনি নোটিসে

    মমতাকে পাঠানো শুভেন্দুর আইনি নোটিসে দাবি করা হয়েছে যে ৮ এবং ৯ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যার কোনও ভিত্তি নেই। এই সব মন্তব্য অসত্য এবং মানহানির কারণ। তাই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই নোটিসে আরও দাবি করা হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়লা কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নামও তোলেন। এমনকী এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নামও জড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, কয়লা পাচারের টাকা শুভেন্দুর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে যায়। কিন্তু তিনি যে এ সব অভিযোগ করেছেন, তার স্বপক্ষে কোনও তথ্য বা প্রমাণ সামনে আনা হয়নি। তাই মানহানির নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই নোটিসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা দিয়েছেন শুভেন্দুর আইনজীবী। নইলে দেওয়ানির পাশাপাশি ফৌজদারি মানহানির মামলাও করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে এই চিঠিতে।

    অশালীন ইঙ্গিত মমতার

    এই নোটিসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া নিন্দা করা হয়। আইনজীবীর পক্ষ থেকে জানান হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধরনের বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে করেছেন, সেগুলি অত্যন্ত অশালীন এবং অসম্মানজনক। শুভেন্দু অধিকারীকে যে ‘দত্তক সন্তান’ বলা হয়েছে, এই মন্তব্যেরও কড়া নিন্দা করা হয় এই নোটিসে। এই মন্তব্যের জন্য শুভেন্দুর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে দাবি। পাশাপাশি পারিবারিক সম্মানও কমেছে বলে জানান তাঁর আইনজীবী। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এই তল্লাশি প্রসঙ্গেই সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বেলাগাম আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার প্রমাণ চেয়ে চিঠি পাঠালেন শুভেন্দু।

  • Thyroid Problem: থাইরয়েড সমস্যা মোকাবিলার চাবিকাঠি লুকিয়ে ‘চেক ইয়োর নেক’ মন্ত্রে! কীভাবে সমাধান?

    Thyroid Problem: থাইরয়েড সমস্যা মোকাবিলার চাবিকাঠি লুকিয়ে ‘চেক ইয়োর নেক’ মন্ত্রে! কীভাবে সমাধান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ সম্পর্কে অজ্ঞতা বিপজ্জনক। সচেতনতা আর সতর্কতা থাকলে একাধিক বিপদ কাটানো সহজ হয়ে যায়। থাইরয়েডের সমস্যার ক্ষেত্রেও এই পথেই হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে থাইরয়েডের সমস্যা বাড়ছে। বহু মানুষের থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকছে না।‌ এমনকি শিশুদের শরীরেও এই ভারসাম্যের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তাই এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। জানুয়ারি মাস থাইরয়েড অ্যাওয়ারনেস মান্থ! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, সে সম্পর্কে রোগী অনেক সময়েই জানতে পারেন না। রোগ দেরিতে নির্ণয় হয়। এর ফলে পরিস্থিতি আর নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এই হরমোনের ভারসাম্যহীনতার জেরে অনেক সময়েই ক্যান্সারের মতো জটিল রোগেও আক্রান্ত হয়। তাই নিজের শরীর সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। তাই এই বছরে প্রথম থেকেই সচেতনতায় বাড়তি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ‘চেক ইয়োর নেক’ মন্ত্রেই থাইরয়েডের বিপদ কমানো যাবে। নিজের শরীর সম্পর্কে জানা এবং সে সম্পর্কে সচেতন হলে রোগের জটিলতা আটকানো সহজ।

    কীভাবে মোকাবিলা হবে থাইরয়েড?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, থাইরয়েডের উপসর্গ সম্পর্কে নানান ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তাই এই রোগের উপসর্গ সম্পর্কে সতর্কতা বাড়লে মানুষের রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে। গলা বা ঘাড় ফুলে গেলে, গলায় লাগাতার অসুবিধা হলে, ঘাড়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা অনুভব হলে, মাংস পিন্ড উঁচু হয়ে যাচ্ছে এমন অনুভূতি হলে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে গিলতে অসুবিধা হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই ঘাড় বা গলার সমস্যা হলে তাকে ঠান্ডা লাগার সমস্যা বলে অবহেলা করেন। কিন্তু বেশ কিছু দিন লাগাতার ঘাড় বা গলায় সমস্যা হলে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নির্দিষ্ট শারীরিক পরীক্ষা করা জরুরি। তবেই দ্রুত রোগ নির্ণয় সম্ভব। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে ঘাড় ও গলায় কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা সে নিয়ে নজরদারি করার পরামর্শ দিচ্ছে।

    কেন থাইরয়েড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে?

    শরীর সুস্থ রাখতে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকা জরুরি। থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় না থাকলে শরীরে একাধিক জটিলতা তৈরি হবে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে শরীরের অন্যান্য হরমোনের ক্ষরণেও গভীর সমস্যা তৈরি হয়। তাই মহিলাদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয়। থাইরয়েড বন্ধ্যাত্বের কারণও তৈরি করতে পারে। আবার থাইরয়েড মানসিক অবসাদ, উদ্বেগের কারণ। যেহেতু এই হরমোন অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট করে, তাই এই থাইরয়েড গ্রন্থিতে সমস্যা থাকলে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি অনিদ্রার সমস্যাও বাড়ে।

    এছাড়া, থাইরয়েডের সমস্যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কারণ থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে পেশির দূর্বলতা বাড়ে। পেশির শক্তি কমলে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে। থাইরয়েড ত্বকের সমস্যা তৈরি করে। ওজন হ্রাস করে। ফলে শরীর দূর্বল হয়ে যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। কার্যশক্তি কমে। ফলে একাধিক জটিলতা তৈরি হয়। তাই দ্রুত রোগ নির্ণয় করে সমস্যা মোকাবিলা জরুরি। দীর্ঘদিন থাইরয়েড অনিয়ন্ত্রিত থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

    ভারতে থাইরয়েড কতখানি বিপজ্জনক?

    ভারতে থাইরয়েডের সমস্যা প্রবল ভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় সাড়ে চার কোটি মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত। পুরুষদের তুলনায় মহিলারা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতি ১০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ১ জন থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের এই থাইরয়েড সমস্যা কার্যত জনস্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের পাশপাশি শিশুরাও এই সমস্যার শিকার হচ্ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাই থাইরয়েড নিয়ে সচেনতা জরুরি। রোগ নির্ণয় ও দ্রুত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন। তবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • India-US Trade Deal: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে প্রত্যাখান ভারতের, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবিচল ভারত

    India-US Trade Deal: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে প্রত্যাখান ভারতের, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবিচল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে ভারত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, দুই দেশের (India-US Trade Deal) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিটি চূড়ান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেননি। আর এই ফোন করার তথ্য ভিত্তিহীন। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আলোচনার বিষয়ে লুটনিকের বর্ণনাকে সঠিক নয় বলে বর্ণনা করেছেন। তবে জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও আমেরিকা একাধিক দফায় আলোচনা চালিয়ে আসছে এবং বেশ কয়েকবার একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছে। সবটাই একটা আলোচনার স্তরে রয়েছে। ভারত পারস্পরিক দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।

    আলোচনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল ভারত (India-US Trade Deal)

    সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে, বিদেশ মুখপাত্র রণধীর জসওয়াল বলেন, “গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার (India-US Trade Deal) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির জন্য আলোচনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। তখন থেকেই উভয় পক্ষ দেশের একটি ভারসাম্যপূর্ণ, পারস্পরিক উপকারী বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একাধিক দফা আলোচনাও হয়েছে। বেশ কয়েকবার, আমরা একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছি। তবে আমেরিকার এক পক্ষের দাবি ঠিক নয়।”

    বিস্তৃত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে

    জয়সওয়াল উল্লেখ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)  এবং ট্রাম্প (India-US Trade Deal) ২০২৫ সালেই আটবার ফোনে কথা বলেছেন। দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধান। তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন, “দুই নেতা কূটনৈতিক রীতিনীতি মেনে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রসঙ্গক্রমে, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ২০২৫ ফোনে কথা বলার সময় আমাদের বিস্তৃত কাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। ভারত তার নিজের বিস্তৃত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মত স্পষ্ট জানিয়েছে।” বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, “আমরা দুটি পরিপূরক অর্থনীতির মধ্যে পারস্পরিকভাবে উপকারী বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী। তাই এই বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।”

    গত ৮ জানুয়ারী অল-ইন পডকাস্টে উপস্থিত থাকার সময় লুটনিকের (India-US Trade Deal) মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। যেখানে তিনি দাবি করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তরাজ্যের সঙ্গে প্রথম বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর আমেরিকা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)  রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে ফোন করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তা করা হয়নি। সেই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, মোদি ট্রাম্পকে সরাসরি ফোন করে চুক্তিটি সম্পন্ন করার জন্য নিজে থেকেই অনুরোধ করেছিলেন। তবে ভারত এই অনুরোধের এই কলটি অস্বস্তিকর ছিল।

    ভারত নিজের অবস্থান নিয়ে এখনও অনড়

    লুটনিকের মতে, আমেরিকা ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং ভিয়েতনাম সহ অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য এগিয়ে এসেছে। তবে এই আলোচনা হল বাণিজ্যিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ আব সিঁড়ি। পদ্ধতিগত ভাবে দেশের প্রগতির জন্য এই কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেছিলেন ভারত যাতে আরও ভালো সুযোগ হাতছাড়া করেছে। তাই চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। অর্থনীতিকে ভেঙে পড়েতে দেওয়া উচিত নয়।

    তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মতামত ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, আমেরিকা (India-US Trade Deal) সারা বিশ্বে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ করতে পরোক্ষ চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। ভারতকে নানা ভাবে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাপ দেওয়ার কৌশল করছে। তবে ভারত নিজের অবস্থান নিয়ে এখনও অনড়। নিজেদের সার্বভৌমকে রক্ষার ক্ষেত্রে কোনও শক্তির সামনে যে মাথানত করবে না তাও সকলের কাছে স্পষ্ট।

    আমেরিকার হুমকি

    কিছুদিন আগে ভারতের ওপর চাপ বাড়িয়ে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রকাশ্যে দাবি করেছেন যে তিনি এমন একটি আইন খসড়া করেছেন যেখানে রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এই ধরনের প্রস্তাবকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসাত্মক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এটি ওয়াশিংটনের বাণিজ্য নীতিকে ভূ-রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের আর একটি উদাহরণ।

  • Daily Horoscope 10 January 2026: সন্তানের কেরিয়ারের কারণে চিন্তিত থাকবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 10 January 2026: সন্তানের কেরিয়ারের কারণে চিন্তিত থাকবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পরিবারের বন্ধু ও সদস্যদের সঙ্গে পার্টি করতে পারেন।

    ২) প্রেম জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে রোম্যান্টিক ডিনারে যেতে পারেন।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    বৃষ

    ১) কোনও কাজ করতে নিজের শক্তি ব্যবহার করতে পারেন, তা না-হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ২) রেগে গিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) চাকরিতে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে এবার স্বস্তি পাবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি অবসাদপূর্ণ থাকবে।

    ২) সন্তানের কেরিয়ারের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    কর্কট

    ১) শারীরিক সমস্যা থাকলে তাতে উন্নতি হবে।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজের কারণে দৌড়ঝাপ করতে হবে।

    ৩) তখনই ভালো অর্থ উপার্জনে সফল হবেন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

    ২) সব পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকুন।

    ৩) নিজের কাজের চেয়ে বেশি অন্যের কাজে মনোনিবেশ করবেন, যার ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    তুলা

    ১) পারিবারিক জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে একা কিছু সময় কাটাবেন, তাঁর চিন্তাভাবনা বুঝবেন।

    ২) সাবধানে গাড়ি চালান, তা না-হলে দুর্ঘটনা সম্ভব।

    ৩) বাবার স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন থাকতে হবে, শারীরিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজ কোনও নতুন কাজ শুরু করতে পারেন।

    ২) অংশীদারীর কাজ করবেন না।

    ৩) জীবনসঙ্গীর পরামর্শের দ্বারা লাভ হবে।

    ধনু

    ১) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।

    ২) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সমস্ত বিবাদের সমাধান হবে।

    ৩) কোনও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে, যার জন্য বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে রয়েছেন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে ভালো কিছু করার জন্য কেউ আপনাকে উৎসাহিত করতে পারে।

    ২) ছোটখাটো বিষয়ের কারণে অবসাদগ্রস্ত থাকবেন।

    ৩) আপনার কোনও ভুল পরিবারের সদস্যদের সামনে আসতে পারে।

    কুম্ভ

    ১)  সহকর্মীরা কাজে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, এর ফলে চিন্তিত হবেন।

    ২) পরিবারে নতুন অতিথি আগমনের সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ৩) ভাই-বোনের মধ্যে বিবাদ সমাপ্ত হবে।

    মীন

    ১) সরকারি চাকরিজীবীরা লাভান্বিত হবেন।

    ২) ভালো কাজে নিজের শক্তি ব্যবহার করুন।

    ৩) এদিক-ওদিক বসে সময় নষ্ট করবেন না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 553: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    Ramakrishna 553: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অগস্ট
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে রাখাল, মাস্টার, পণ্ডিত শ্যামাপদ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    সমাধিমন্দিরে—পণ্ডিত শ্যামাপদের প্রতি কৃপা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দু-একটি ভক্তসঙ্গে ঘরে বসিয়া আছেন। অপরাহ্ন, পাঁচটা; বৃসস্পতিবার, ২৭শে অগস্ট ১৮৮৫; ১২ই ভাদ্র, শ্রাবণ কৃষ্ণা দ্বিতীয়া।

    ঠাকুরের অসুখের সূত্রপাত হইয়াছে। তথাপি ভক্তেরা কেহ আসিলে শরীরকে শরীর জ্ঞান করেন না। হয়তো সমস্ত দিন তাঁহাদের লইয়া কথা কহিতেছেন—কখনও বা গান করিতেছেন।

    শ্রীযুক্ত মধু ডাক্তার প্রায় নৌকা করিয়া আসেন—ঠাকুরের চিকিৎসার জন্য ভক্তেরা বড়ই চিন্তিত হইয়াছেন। মধু ডাক্তার যাহাতে প্রত্যহ আসিয়া দেখেন (Kathamrita), এই তাঁহাদের ইচ্ছা। মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়।’

    পণ্ডিত শ্যামাপদ ভট্টাচার্য আসিয়া ঠাকুরকে দর্শন করিলেন। ইঁহার নিবাস আঁটপুর গ্রামে। সন্ধ্যা আগতপ্রায় দেখিয়া পণ্ডিত ‘সন্ধ্যা করিতে যাই’, বলিয়া গঙ্গাতীরে চাঁদনীর ঘাটে গমন করিলেন।

    সন্ধ্যা করিতে করিতে পণ্ডিত কি আশ্চর্য দর্শন করিলেন। সন্ধ্যা সমাপ্ত হইলে ঠাকুরের ঘরে আসিয়া মেঝেতে বসিলেন। ঠাকুর মার নাম ও চিন্তার পর নিজের আসনেই বসিয়া আছেন। পাপোশের উপর মাস্টার। রাখাল, লাটু প্রভৃতি ঘরে যাতায়াত করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি, পণ্ডিতকে দেখাইয়া— ইনি একজন বেশ লোক। (পণ্ডিতের প্রতি) ‘নেতি’ ‘নেতি’ করে যেখানে মনের শান্তি হয়, সেইখানেই তিনি।

    ঈশ্বরদর্শনের লক্ষণ ও পণ্ডিত শ্যামাপদ—‘সমাধিমন্দিরে’

    “সাত দেউড়ির পর রাজা আছেন (Kathamrita)। প্রথম দেউড়িতে গিয়ে দেখে যে একজন ঐশ্বর্যবান পুরুষ অনেক লোকজন নিয়ে বসে আছেন; খুব জাঁকজমক। রাজাকে যে দেখতে গিয়েছে, সে সঙ্গীকে জিজ্ঞাসা করলে, ‘এই কি রাজা?’ সঙ্গী ঈষৎ হেসে বললে, ‘না’।

    “দ্বিতীয় দেউড়ি আর অন্যান্য দেউড়িতেও ওইরূপ বললে। দেখে, যত এগিয়ে যায়, ততই ঐশ্বর্য! আর জাঁকজমক! সাত দেউড়ি পার হয়ে যখন দেখলে তখন আর সঙ্গীকে জিজ্ঞাসা করলে না! রাজার অতুল ঐশ্বর্য দর্শন করে অবাক্‌ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।—বুঝলে এই রাজা। — এ-বিষয়ে আর কোন সন্দেহ নাই।”

    ঈশ্বর, মায়া, জীবজগৎ—অধ্যাত্ম রামায়ণ—যমলার্জ্জুনের স্তব

    পণ্ডিত—মায়ার রাজ্য ছাড়িয়ে গেলে তাঁকে দেখা যায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাঁর সাক্ষাৎকারের পর আবার দেখে, এই মায়া-জীবজগৎ তিনিই হয়েছেন। এই সংসার ধোকার টাটি—স্বপ্নবৎ,—এই বোধ হয়, যখন ‘নেতি’, ‘নেতি’ বিচার করে। তাঁর দর্শনের পর আবার ‘এই সংসার মজার কুটি।’

  • I PAC Ed Hearing: এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা, বন্ধ দরবার! ১৪ তারিখেই হবে ইডি-মমতা সংঘাত মামলার শুনানি

    I PAC Ed Hearing: এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা, বন্ধ দরবার! ১৪ তারিখেই হবে ইডি-মমতা সংঘাত মামলার শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এজলাসে তুমুল বাকবিতণ্ডা। আই প্যাকের (I PAC Ed Hearing) ঘটনায় ইডির দায়ের করা মামলা গিয়েছে পিছিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানি করবেন আগামী ১৪ জানুয়ারি। তবে সূত্রের খবর, শুক্রবারই মামলার শুনানি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে জরুরী বেঞ্চে আবেদন করছে ইডি। লিখিত ভাবে আবেদন করতে চলেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গোয়েন্দারা চাইছেন, দ্রুত এই মামলার শুনানি হোক। না হলে নথি নষ্ট করার ভয় রয়েছে। প্রয়োজনে এজলাস বদলাতেও আপত্তি নেই গোয়েন্দাদের। তবে, ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করলে আরও অনেক প্রমাণ লোপাট হওয়ার আশঙ্কা করছে তারা। যদিও প্রধান বিচারপতি টি শিবজ্ঞানম জানিয়ে দেন, যেহেতু জুডিশিয়াল অর্ডার হয়েছে, তাই বদল করা সম্ভব নয়। সেই কারণে ১৪ই জানুয়ারিতেই হবে শুনানি।

    এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা

    শুনানির আগেই কলকাতা হাইকোর্টের এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। তার জেরে শুক্রবার জোড়া আইপ্যাক মামলার শুনানিই হল না হাইকোর্টে। প্রাথমিকভাবে যা খবর, আগামী ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সেই মামলার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেই পরিস্থিতিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) যে সিবিআই তদন্ত, নথি ফেরতের মতো একগুচ্ছ আর্জি জানিয়েছিল, সেগুলি পূরণ হল না। ফলে বৃহস্পতিবার কলকাতা লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বের করে আনা ‘সবুজ ফাইল’ এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস থেকে বের করে আনা একগুচ্ছ নথি আরও বেশি সময়ের জন্য নিজের কাছে বা তৃণমূলের কাছে রাখার সুযোগ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে ফাইল বা নথির মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা, কৌশলের মতো বিভিন্ন বিষয় আছে,বলে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি। কিন্তু ইডির দাবি, এর ফলে সুকৌশলে নথি নষ্ট করা হতে পারে।

    নথি ও ডিভাইস ফেরতের উপরে জোর দেয় ইডি

    এমনিতে হাইকোর্টে যে পিটিশন দাখিল করেছে ইডি, তাতে নথি ফেরতের বিষয়ের উপরে জোর দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে তল্লাশি চলছে বলা সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী ঢুকে পড়েন। জোর করে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে থাকা একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং ডিজিটাল ডিভাইস ছিনিয়ে নেওয়া হয়। জোর করে নিয়ে যাওয়া সেইসব নথি যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয় ইডিকে। যতক্ষণ না ইডির হাতে সেই নথি বা ডিভাইস আসছে, ততক্ষণ কোনওরকম তথ্য বিকৃত যাতে না করা হয়, সেই নির্দেশ দেওয়া হোক।

    সিবিআই তদন্তের আর্জি জানায় ইডি

    পাশাপাশি পুরো ঘটনায় সিবিআই তদন্তের আর্জি জানায় ইডি। হাইকোর্টে ইডির তরফে আর্জি জানানো হয় যে দ্রুত সিবিআই এফআইআর দায়ের করুক। দ্রুত তদন্ত শুরু করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় যে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা গিয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্ত করা হোক। যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনেই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছিল বলে ইডির তরফে দাবি করা হয়।

    সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের দাবি তোলে ইডি

    সেইসঙ্গে ইডির তরফে দাবি করা হয়, সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়িতে যে সিসিটিভি ফুটেজ আছে, তা সংরক্ষণ করে রাখা হোক। রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হোক যে ইডির তদন্তে যেন বাধা না দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, আইপ্যাক কাণ্ডে মামলা ও পালটা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছে ইডি। আবার পালটা মামলা করেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চে একসঙ্গে দুটি মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইনজীবীদের প্রবল ভিড়, বিশৃঙ্খলার জেরে শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে।

    ইডি অফিসারদের হুমকি

    ইডি সূত্রে খবর, নথি রাজ্য সরকারের হাতে থাকলে তা বিকৃত করতে সময় লাগবে না। কারণ, ইডির দাবি, আইপ্যাকের থেকে কোনও জিনিস বাজেয়াপ্ত করলে তদন্তকারী অফিসারদের গ্রেফতার করা হবে, বলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার হুঁশিয়ারি দেন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সূত্রে জানানো হয়েছে, তল্লাশির সময় ঘটনাস্থলে রাজ্য পুলিশের ডিজি উপস্থিত ছিলেন। তিনি নাকি ইডি আধিকারিকদের বলেন যে পঞ্চনামায় যেন কোনও কিছুর উল্লেখ না করা হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার তিন আধিকারিককে বলেন যে ইডি যেন দেখায় যে তল্লাশি অভিযান থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। সেই কাজটা না করলে তাঁদের গ্রেফতার করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশ বা রাজ্য সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

    এজলাসে কেন এমন অচলাবস্থা

    শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এই মামলার শুনানি নির্ধারিত ছিল। সকাল থেকেই হাইকোর্ট চত্বরে নিরাপত্তা এবং আইনজীবীদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু শুনানি শুরুর ঠিক পূর্বমুহূর্তে এজলাসের ভেতর আইনজীবীদের একাংশ এবং সাধারণ মানুষের ভিড় এতটাই বেড়ে যায় যে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ক্রমশ বাড়তে থাকা হট্টগোল এবং ভিড়ের চাপে আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ স্পষ্ট জানান, এমন বিশৃঙ্খল পরিবেশে আইনি শুনানি চালানো সম্ভব নয়। এরপরই তিনি আসন ছেড়ে উঠে যান। বিরোধীদের দাবি, রাজ্যের শাসকদলের তরফে পরিকল্পনা করে আদালত চত্বরে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছিল। এর ফলে নথিগুলি আরও কিছুদিন নিজের কাছে রাখার সুযোগ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের শাসকদল।

LinkedIn
Share