Blog

  • Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের (Delhi Crime Branch) জালে এক বড় আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্র। পুরনো দিল্লির ওয়ার্ল্ড সিটি এলাকা থেকে পরিচালিত এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২১টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২০০-রও বেশি কার্তুজ। ডিসিপি সঞ্জীব যাদবের নেতৃত্বে চালানো এই অভিযানে পাকিস্তান, নেপাল ও বাংলাদেশের (Pakistan-Bangladesh Arms Trail) সঙ্গে যুক্ত একটি সুসংগঠিত পাচার রুটের সন্ধান মিলেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি চেক প্রজাতন্ত্র-নির্মিত সাবমেশিন গান এবং বেরেটা, ওয়ালথার, টরাস ও সিজেড-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার তৈরি একাধিক সেমি-অটোমেটিক পিস্তল। এছাড়া একটি উচ্চমানের পিএক্স৫.৭ পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত এলিট ট্যাকটিক্যাল ইউনিটে ব্যবহৃত হয়।

    পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে দিল্লি

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে পাচার হয়ে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকত এবং সেখান থেকে দিল্লিতে আনা হত। পুরনো দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাকে গুদাম ও বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রের কাছে এত উন্নতমানের অস্ত্রের উপস্থিতি এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে। এই চক্রটি দিল্লি-এনসিআর সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধচক্রে অস্ত্র সরবরাহ করত। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী ও স্থানীয় অপরাধ জগতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছিল এই নেটওয়ার্ক। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পুরনো দিল্লির জটিল ও ঘিঞ্জি গলিপথকে কাজে লাগিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই নজর এড়িয়ে কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল।

    সংগঠিত অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা

    পুলিশের মতে, এই অভিযানে উত্তর ভারতের অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা লেগেছে। কারণ, বহু অপরাধচক্র এই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি কাদের কাছে যেত, তা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি, এই চক্রের আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনো স্লিপার সেল বা দেশবিরোধী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো চক্রের মূল পান্ডাদের খোঁজ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি বোঝার চেষ্টা চলছে। পাকিস্তান-নেপাল-বাংলাদেশ সংযুক্ত এই অস্ত্র পাচার চক্র ভাঙার ঘটনায় আবারও সামনে এল সীমান্ত পেরিয়ে চলা অপরাধের জাল।

  • Crude Oil: ‘‘জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই’’, গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    Crude Oil: ‘‘জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই’’, গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় আশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় সরকার (India Government)। বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) পর্যাপ্ত ভান্ডার মজুত রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো বিঘ্ন ঘটলেও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ভারতের সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে সুরক্ষিত।

    মজুত ভাণ্ডারের বিন্যাস (Crude Oil)

    কেন্দ্রীয় সরকারের (India Government) তরফে বলা হয়েছে, এই বিশাল পরিমাণ তেলের মজুত (Crude Oil) মূলত দুটি স্তরে ভাগ করা রয়েছে দেশের কৌশলগত তেল ভান্ডার (Strategic Reserves)। ওড়িশার চণ্ডীখোল এবং কর্নাটকের পদুর ও মাঙ্গালুরুতে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ ভান্ডারে প্রায় ৯.৫ দিনের তেলের ব্যাকআপ রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) কাছে নিজস্ব ট্যাঙ্কে আরও প্রায় ৫০.৫ দিনের ব্যবহারের উপযোগী তেল মজুত রয়েছে।

    সরকার কী বলছে?

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক জানিয়েছেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল (Crude Oil) আমদানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সরবরাহ ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনও অঞ্চলে অস্থিরতা দেখা দিলেও সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।” সরকার আরও স্পষ্ট করেছে যে, আপৎকালীন ব্যবহারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে আরও নতুন কিছু ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ তৈরির কাজ চলছে।

    বাজারের ওপর প্রভাব

    আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের (India Government) ওঠানামা সত্ত্বেও এই পর্যাপ্ত মজুত দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেট্রল ও ডিজেলের (Crude Oil) দাম স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যুদ্ধের প্রভাবে যখন বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল, তখন ভারতের এই ‘এনার্জি বাফার’ দেশের অর্থনীতির জন্য এক বিশেষ সুরক্ষা কবচ।

  • PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার নিরিখে আবারও এক নম্বর স্থান দখল করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক সমীক্ষা সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’ (Morning Consult)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনসমর্থনের নিরিখে শীর্ষস্থান (Most Popular Leader) ধরে রেখেছেন তিনি।

    মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (PM Modi)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের জনপ্রিয়তা নিয়ে নিয়মিত ট্র্যাকার পরিচালনা করে। তাদের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৬৮ শতাংশ ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ নিয়ে তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (Disapproval Rating) অত্যন্ত কম, যা তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার (Most Popular Leader) প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    অন্যান্য রাষ্ট্রনেতা

    তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন (৬২ শতাংশ রেটিং)। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিংবা ঋষি সুনাকের মতো নেতারা জনপ্রিয়তার দৌড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন।

    বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জি-২০ (G20) সম্মেলন পরবর্তী সময়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাব এবং দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডই মোদির (PM Modi) এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার (Most Popular Leader) মূল কারণ। ভারতের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    পূর্ববর্তী রেকর্ড

    তবে এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর সমীক্ষায় বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতার তকমা পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। অতিমারি পরবর্তী সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের শক্ত অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সংকটে মোদীর গঠনমূলক ভূমিকা তাঁকে এই বিশেষ সম্মানের অধিকারী করেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই সাফল্যকে ‘নতুন ভারতের’ জয় হিসেবে দেখছেন। তাঁদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বই ভারতকে বিশ্বমঞ্চে (Most Popular Leader)  এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

    কোন বিশ্ব নেতার জনপ্রিয়তা কেমন?

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারত- ৬৮%
    গাই পারমেলিন (সুইৎজারল্যান্ড) – ৬২%
    লি জে-মিউং (দক্ষিণ কোরিয়া) – ৬২%
    আন্দ্রেজ বাবিস (চেক প্রজাতন্ত্র) – ৫৭%
    হাভিয়ের মিলেই (আর্জেন্টিনা) – ৫৬%
    ​​সানায়ে তাকাইচি (জাপান) – ৫৬%
    ​​মার্ক কার্নি (কানাডা) – ৫৫%
    ক্লডিয়া শেইনবাম (মেক্সিকো) – ৪৭%
    বার্ট ডি ওয়েভার (বেলজিয়াম) – ৪২%
    লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (ব্রাজিল) – ৪২%
    জর্জিয়া মেলোনি (ইতালি) – ৪০%
    রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান (তুরস্ক) – ৪০%
    ডোনাল্ড টাস্ক (পোল্যান্ড) – ৪০%
    ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) – ৩৯%
    উলফ ক্রিস্টারসন (সুইডেন) – ৩৮%
    অ্যান্থনি অ্যালবানিজ (অস্ট্রেলিয়া) – ৩৭%
    জোনাস গার স্টোর (নরওয়ে) – ৩৬%
    পেদ্রো সানচেজ (স্পেন) – ৩৬%
    সিরিল রামাফোসা (দক্ষিণ আফ্রিকা) – ৩৩%
    ক্রিশ্চিয়ান স্টকার (অস্ট্রিয়া) – ৩৩%
    রব জেটেন (নেদারল্যান্ডস) – ৩২%
    কিয়ার স্টারমার (যুক্তরাজ্য) – ২৪%
    ফ্রিডরিখ মের্জ (জার্মানি) – ২০%
    এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (ফ্রান্স) – ১৭%

  • PM Narendra Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, শুক্র সন্ধ্যায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Narendra Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, শুক্র সন্ধ্যায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইজরায়েলের (Iran War) মধ্যে বাড়তে থাকা যুদ্ধের আবহে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজ, শুক্রবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সন্ধ্যেয় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রধানমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, দেশে কোভিড ১৯-এর সময় যেমন রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় হয়েছিল এইবারও তেমনি সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা (PM Narendra Modi)

    সূত্রের খবর, এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল ‘টিম ইন্ডিয়া’র ভাবাবেগ বজায় রেখে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। বিশেষ করে ইরানের (Iran War) পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) অবরোধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট ও তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে আলোচনা হবে।

    বৈঠকের প্রধান বিষয় জ্বালানি নিরাপত্তা। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ভারতের ওপর তার প্রভাব এবং বিকল্প পথ নিয়ে আলোচনা। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi) রাজ্য সরকারগুলিকে আশ্বস্ত করেছেন যে, কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করলে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি কোভিড-১৯ অতিমারির সময়কার লড়াইয়ের উদাহরণ টেনে সকলকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    গুজব রোখা

    জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানিয়েছেন, ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে দেশে পেট্রল বা এলপিজি-র কোনও ঘাটতি নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজবে কান দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে পাম্পে ভিড় না করেন, সেই বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন।

    দেশবাসীকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

    এর আগে, বুধবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে একটি সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) এর আগে রাজ্যসভায় জানিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, তাই দেশবাসীকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Black Seed: হাঁপানি থেকে ডায়াবেটিস— ছয় রোগকে কাবু করবে কালোজিরা! জেনে নিন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    Black Seed: হাঁপানি থেকে ডায়াবেটিস— ছয় রোগকে কাবু করবে কালোজিরা! জেনে নিন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জীবন যাপনের ধরন বদলের সঙ্গে শক্তি বাড়াচ্ছে একাধিক রোগ।‌ সুস্থ জীবন যাপনে এবং রোগের দাপট কমাতে সাহায্য করতে পারে বাঙালির অতি পরিচিত মশলা। তেমনি একটি মশলা হলো কালোজিরা। একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে কালোজিরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় নিয়মিত কালোজিরা ব্যবহার করলে নানান অসুখের ঝুঁকি কমবে!

    কালোজিরা খেলে কী উপকার পাওয়া যায়?

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালোজিরায় থাইমোকুইনোন নামে এক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই উপাদান রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশু থেকে বয়স্ক, সর্দি-কাশিতে সকলেই ভুক্তভোগী। বিশেষত ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভোগেন। কালোজিরা খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। ফলে এই ধরনের বছরভর ভোগান্তি কমে।

    হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    কালোজিরা অন্ত্র এবং পাকস্থলীর জন্য বিশেষ উপকারি। তাই এই মশলা রান্নায় ব্যবহার করলে হজম ভালো হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স বাড়লে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। লাগাতার হজমের সমস্যা গ্যাস্ট্রিকের মতো জটিল রোগ তৈরি করে। তাই বয়স বাড়লে রান্নায় নিয়মিত কালোজিরা ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে হজম শক্তি বাড়ে। বদহজমের ভোগান্তি কমে।

    খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়!

    নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা সহজেই নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় খারাপ কোলেস্টেরল (LDL)। কালোজিরা এই খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে‌।

    রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তে অতিরিক্ত শর্করা এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, সব বয়সেই দাপট বাড়াচ্ছে ডায়াবেটিস। এই সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। কিডনি ভালো থাকে।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    স্কুল বয়স থেকেই অতিরিক্ত ওজন এখন দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এই অতিরিক্ত ওজনের নেপথ্যে রয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক রোগের কারণ শরীরের বাড়তি ওজন। কালোজিরা এই ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কালোজিরা খেলে হজম ঠিক মতো হয়। শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমে না। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    কোন ছয় রোগকে কাবু করতে সাহায্য করে কালোজিরা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য কম বয়স থেকেই নানান রোগের দাপট বাড়ছে। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যেমন হাঁপানির সমস্যা বাড়ছে, তেমনি স্কুল পড়ুয়ারাও ডায়াবেটিস আক্রান্ত হচ্ছে। বয়স কুড়ির চৌকাঠ পেরনোর পরেই উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে, কালোজিরার মতো ঘরোয়া উপাদানেও একাধিক রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব।

    • বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস রুখতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে। কারণ কালোজিরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
    • হাঁপানির ঝুঁকি কমায় কালোজিরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর সংক্রামণের ঝুঁকিও কমায়। তাই কালোজিরা নিয়মিত খেলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমার পাশাপাশি হাঁপানির ঝুঁকিও কমে। অর্থাৎ সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমাতে এবং হাঁপানির ঝুঁকি এড়াতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে।
    • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কালোজিরা নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতাও স্বাভাবিক থাকে।
    • এছাড়াও ত্বকের জন্য কালোজিরা বিশেষ উপকারি। দূষণ ও একাধিক অন্যান্য কারণের জন্য ত্বকের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত কম বয়সিদের ব্রণ সহ একাধিক ত্বকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কালোজিরা খেলে এই ধরনের সমস্যা কমানো যায়।

    কীভাবে কালোজিরা খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনও ভাবেই কালোজিরা খেলে শরীরে উপকার হয়‌—

    • সকালে গরম জলের সঙ্গে এক চামচ কালোজিরা মিশিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। মধুর সঙ্গে কালোজিরার গুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও উপকার হয়।
    • তবে, ডায়াবেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খেলে, এই ধরনের উপকরণ খাওয়ায় আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। না হলে, দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে আবার রক্তচাপও কমে যেতে পারে। এর ফলে মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
    • আবার, রান্নার মশলা হিসাবে কালোজিরা ব্যবহার করা যেতে পারে। যে কোনও তরকারি, মাছের ঝোলে উপকরণ হিসাবে কালোজিরা ব্যবহার করলেও শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
    • চুল ও ত্বকের সমস্যায় উপকার পেতে কালোজিরার তেল ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরম তেলে কালোজিরা মিশিয়ে, সেটা চুল কিংবা ত্বকে ব্যবহার করলে ব্রণ কমে, চুল পড়ার ঝুঁকিও কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

  • Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহের মধ্যেই রামনবমী (Ram Navami 2026) পালনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। একদিকে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পুজো ও ধর্মীয় স্লোগান, অন্যদিকে বাম-নকশাল ছাত্র সংগঠনগুলোর পাল্টা স্লোগান ও বিক্ষোভ। সব মিলিয়ে দিনভর টানটান উত্তেজনা বজায় ছিল দুই ক্যাম্পাসেই। গেরুয়া শিবিরের বড় শক্তি প্রদর্শন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরেই চলল আরাধনা (Jadavpur University)

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য গত ২৪ মার্চ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়েছিল এবিভিপি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর না পাওয়ায়, বুধবার গেটের বাইরেই পুজোর আয়োজন করে এবিভিপি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছিল। ফটকের বাইরে শ্রীরামের ছোট মূর্তি স্থাপন করে চলে উপাসনা। তবে এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়: অনুমতিহীন পুজো ও ছাত্র বিক্ষোভ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও (Jadavpur University) পরিস্থিতি ছিল বেশ সংবেদনশীল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেছেন, “ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়নি।” তাসত্ত্বেও একদল পড়ুয়া এবং বাইরের কিছু সদস্য ক্যাম্পাসের ভেতরে জমায়েত হয়ে পুজো শুরু করেন।

    স্লোগান যুদ্ধ

    একদিকে যখন এবিভির ‘জয় শ্রীরাম’ (Jadavpur University) ধ্বনি উঠছিল, তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপাচার্য নিজে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে ক্যাম্পাসের বাইরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। নির্বাচনের ঠিক আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই ধরনের ধর্মীয় আয়োজন এবং তাকে কেন্দ্র করে ছাত্র সংঘাতের ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পঠনপাঠনের পরিবেশ বজায় রাখাই এখন তাঁদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

  • Daily Horoscope 27 March 2026: সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 27 March 2026: সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মক্ষেত্রে আপনাদের ভাবমূর্তি উন্নত হবে।

    ২) নিজের কাজের চেয়ে বেশি অন্যের কাজের বিষয়ে চিন্তা করবেন না।

    ৩) ব্যবসায় লোকসান হবে।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি ঠিকঠাক থাকবে।

    ২) অপ্রত্যাশিত লাভ অর্জনের ফলে আনন্দিত হবেন।

    ৩) পরিবারের সদস্যদের পরামর্শ মেনে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    মিথুন

    ১) সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে বড়সড় অভিজ্ঞতা অর্জনের ফলে আনন্দিত হবেন।

    ৩) ব্যবসায়ীরা বড়সড় মুনাফা অর্জন করবেন।

    কর্কট

    ১) কঠিন পরিশ্রম করতে হবে আজ।

    ২) চাকরিজীবী জাতকরা ভালো প্রদর্শন করে আধিকারিকদের মন জয় করতে পারবেন।

    ৩) বাণী ও ব্যবহারের দ্বারা সকলকে একসূত্রে বেঁধে রাখতে পারবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অন্যান্য দিনের তুলনায় ভালো থাকবে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সাবধান ও সতর্ক থাকতে হবে।

    ৩) জুনিয়রের হাতে কোনও কাজ ছাড়লে বড় ভুল হতে পারে।

    কন্যা

    ১) বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার সাহায্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।

    ২) কারও কাছে শোনা কথায় বিশ্বাস করবেন না।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সতর্কভাবে কথা বলুন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল থাকবে।

    ২) সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) চাকরিজীবীদের পদোন্নতি হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) জাতকদের উন্নতি হবে আজ।

    ২) পরিজনদের পরামর্শ উপযোগী প্রমাণিত হবে।

    ৩) ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মেলামেশা করতে সফল হবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি আনন্দে পরিপূর্ণ থাকবে।

    ২) নতুন যোগাযোগের দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ৩) পারিবারিক সম্পর্ক মজবুত হবে।

    মকর

    ১) সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করুন।

    ২) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ৩) তাড়াহুড়োয় কোনও কাজ করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) বড় অভিজ্ঞতা অর্জনের ফলে মনে আনন্দ থাকবে।

    ৩) আয়ের নতুন উৎস পাবেন।

    মীন

    ১) আজ ইতিবাচক পরিণাম লাভ করবেন।

    ২) ব্যবসায়ে মন্দার কারণে লাভ কমবে।

    ৩) পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা চললে তাতে জয় লাভ করতে পারেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 610: “যদি টাকা না লয়ে পরের দুঃখ দেখে দয়া করে কেউ চিকিৎসা করে তবে সে মহৎ, কাজটিও মহৎ”

    Ramakrishna 610: “যদি টাকা না লয়ে পরের দুঃখ দেখে দয়া করে কেউ চিকিৎসা করে তবে সে মহৎ, কাজটিও মহৎ”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর

    ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    এই সকল কথা হইতেছে, এমন সময়ে ডাক্তার তঁহাকে দেখিবার জন্য আসিয়া উপস্থিত হইলেন ও আসন গ্রহণ করিলেন। তিনি বলিতেছেন, “কাল রাত তিনটে থেকে আমার ঘুম ভেঙেছে। কেবল তোমার জন্য ভাবছিলাম, পাছে ঠাণ্ডা লেগে থাকে। আরও কত কি ভাবছিলাম (Kathamrita)।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — কাশি হয়েছে, টাটিয়েছে; শেষ রাত্রে একমুখ জল, আর যেন কাঁটা বিঁধছে।

    ডাক্তার — সকালে সব খবর পেয়েছি।

    মহিমাচরণ তাঁহার ভারতবর্ষ ভ্রমণের কথা বলিতেছেন। বলিলেন যে, লঙ্কাদ্বীপে ‘ল্যাফিং ম্যান্‌’ নাই। ডাক্তার সরকার বলিলেন, তা হবে, ওটা এন্‌কোয়ার করতে হবে। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তারের ব্যবসা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ 

    ডাক্তারী কর্মের কথা পড়িল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি) — ডাক্তারী কর্ম খুব উঁচু কর্ম বলে অনেকের বোধ আছে। যদি টাকা না লয়ে পরের দুঃখ দেখে দয়া করে কেউ চিকিৎসা করে তবে সে মহৎ, কাজটিও মহৎ। কিন্তু টাকা লয়ে এ-সব কাজ করতে করতে মানুষ নির্দয় হয়ে যায়। ব্যবসার ভাবে টাকার জন্য হাগা, বাহ্যের রঙ এই সব দেখা — নীচের কাজ।

    ডাক্তার — তা যদি শুধু করে, কাজ খারাপ বটে। তোমার কাছে বলা গৌরব করা —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— হাঁ, ডাক্তারী কাজে নিঃস্বার্থভাবে যদি পরের উপকার করা হয়, তাহলে খুব ভাল।

    “তা যে কর্মই লোকে করুক না কেন, সংসারী ব্যক্তির মাঝে মাঝে সাধুসঙ্গ বড় দরকার। ঈশ্বরে ভক্তি থাকলে লোকে সাধুসঙ্গ আপনি খুঁজে লয়। আমি উপমা দিই — গাঁজাখোর গাঁজাখোরের সঙ্গে থাকে, অন্য লোক দেখলে মুখ নিচু করে চলে যায়, বা লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু আর-একজন গাঁজাখোর দেখলে মহা আনন্দ। হয়তো কোলাকুলি করে। (সকলের হাস্য) আবার শকুনি শকুনির সঙ্গে থাকে।”

    সাধুর সর্বজীবে দয়া 

    ডাক্তার — আবার কাকের ভয়ে শকুনি পালায়। আমি বলি শুধু মানুষ কেন, সব জীবেরই সেবা করা উচিত। আমি প্রায়ই চড়ুই পাখিকে ময়দা দিই। ছোট ছোট ময়দার গুলি করে ছুঁড়ে ফেলি, আর ছাদে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি এসে খায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বাঃ, এটা খুব কথা। জীবকে খাওয়ানো সাধুর কাজ; সাধুরা পিঁপড়েদের চিনি দেয়।

    ডাক্তার — আজ গান হবে না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি) — একটু গান কর না।

    নরেন্দ্র গাহিতেছেন (Kathamrita), তানপুরা সঙ্গে। অন্য বাজনাও হইতে লাগিল —

    সুন্দর তোমার নাম দীন-শরণ হে,
    বরিষে অমৃতধার, জুড়ায় শ্রবণ ও প্রাণরমণ হে।
    এক তব নাম ধন, অমৃত-ভবন হে,
    অমর হয় সেইজন, যে করে কীর্তন হে।
    গভীর বিষাদরাশি নিমেষে বিনাশে,
    যখনি তব নামসুধা শ্রবণে পরশে;
    হৃদয় মধুময় তব নাম গানে,
    হয় হে হৃদয়নাথ, চিদানন্দ ঘন হ।।

  • IPL 2026: আসন্ন আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল, কারণ ব্যাখ্যা করল বিসিসিআই

    IPL 2026: আসন্ন আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল, কারণ ব্যাখ্যা করল বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL 2026) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। গত বছর ৪ জুন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উৎসব চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।

    কেন বাতিল অনুষ্ঠান

    বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেন, “গত ৪ জুনের মর্মান্তিক ঘটনার কারণে আইপিএলের শুরুর দিন কোনও অনুষ্ঠান হবে না। দুর্ঘটনায় প্রয়াতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিসিসিআই এ বার উদ্বোধনের দিন কোনও সাংস্কৃতিক বা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে না। তবে, ফাইনালের দিন একটি বড় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে।” তবে, বিসিসিআই এবং আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ঠিক করেছে, ফাইনালের দিন, অর্থাৎ ৩১ মে জমকালো সমাপ্তি অনুষ্ঠান হবে।

    আগেও বাতিল হয় অনুষ্ঠান

    উল্লেখ্য, গত বছর ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। উপস্থিত ছিলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান, সঙ্গীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল, করণ আউজলা। পাশাপাশি নৃত্য পরিবেশন করেন অভিনেত্রী দিশা পাটানি। তবে এ বছর কোনও অনুষ্ঠান হচ্ছে না। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা কাণ্ডের পরেও আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করেছিল বিসিসিআই। সেবার উদ্বোধনের জন্য বরাদ্দ অর্থ শহিদ জওয়ানদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    শোক ও শ্রদ্ধার আবহ

    আগামী শনিবার আইপিএল শুরু হচ্ছে। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।  ২০২৫ সালে IPL জয়ের পরে RCB-র সেলিব্রেশনে ঘটে গিয়েছিল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ট্রফি জয়ের প্যারেডে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান ১১ জন, আহত হয়েছিলেন অনেকে। প্রাক্তন ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদের সভাপতিত্বে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্টেডিয়ামের ভিতরে একটা স্মৃতিফলক বসানো হবে। এর মাধ্যমে প্রয়াত ভক্তদের শ্রদ্ধা জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের স্মৃতিতে স্টেডিয়ামের ভিতর ১১টি আসন ফাঁকা রাখা হবে। আইপিএল হোক বা আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কোনও ম্যাচেই ওই আসনগুলোর টিকিট বিক্রি করা হবে না। সব মিলিয়ে শোক ও শ্রদ্ধার আবহেই শুরু হতে চলেছে আইপিএল।

  • West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল করতে একগুচ্ছ নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। এবারের নির্বাচনে প্রথাগত ভোটকর্মীদের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদেরও বিশেষ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার পথে হাঁটছে কমিশন। একইসঙ্গে, আইনি জটিলতায় কর্মচ্যুত শিক্ষকদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ; এক নতুন উদ্যোগ (West Bengal Elections 2026)

    সাধারণত নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সময় ভোটকর্মীদের (Election Commission India) স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিকিৎসকরা ‘রিজার্ভ’ থাকেন। তবে এবার বুথ স্তরে এবং আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক মহলে ‘নজিরবিহীন’ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ভোট চলাকালীন কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ভোটকর্মীদের অসুস্থতায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। সোমবার আরামবাগের প্রফুল্ল চন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের কাজে যোগদানের জন্য চিঠি পাঠায় কমিশন। ইতিমধ্যে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর-সহ বিভিন্ন বিভাগেরই চিকিৎসকদের ভোটের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    চাকরিহারা শিক্ষকদের নিয়ে কমিশনের স্পষ্ট বার্তা

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার জেরে রাজ্যে প্রচুর শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী কর্মচ্যুত হয়েছেন। তাঁদের ভোটের (West Bengal Elections 2026) ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। এই বিষয়ে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে। তবে আইনি জটিলতায় যাঁদের চাকরি গিয়েছে বা যাঁরা বর্তমানে চাকরিতে বহাল নেই, তাঁদের ভোটের কাজে নেওয়ার কোনও দায়িত্ব কমিশন নেবে না। এবার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন (Election Commission India) প্রক্রিয়া বজায় রাখতে শুধুমাত্র বর্তমানে কর্মরত এবং যাদের নথিপত্র বৈধ, তাঁদেরই ভোটকর্মী হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রশাসনিক তৎপরতা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) এই কড়া অবস্থান আদতে ভোটের ময়দানে কোনও ধরনের বিতর্ক এড়ানোরই কৌশল। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বুথগুলোতে অভিজ্ঞ এবং বিতর্কমুক্ত কর্মীদের মোতায়েন করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। চিকিৎসক ও আধিকারিকদের নিয়ে দফায় দফায় প্রশিক্ষণ শিবিরও শুরু হতে চলেছে বলে কমিশন জানিয়েছে।

LinkedIn
Share