Blog

  • Annapurna Puja 2026: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, বাংলার ঘরে ঘরে অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    Annapurna Puja 2026: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, বাংলার ঘরে ঘরে অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী (Chaitra Navratri Ashtami) তিথিতে পূজিতা হন দেবী অন্নপূর্ণা (Annapurna Puja 2026)। তবে এর পাশাপাশি গ্রাম বাংলাতে নবান্ন উৎসবের সময়ও অন্নপূর্ণা পুজোর রীতি দেখা যায়। সেটা অগ্রহায়ণ মাসে সম্পন্ন হয়। মনে করা হয় বাংলায় অন্নপূর্ণা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারিত হয়েছে কাশী থেকেই। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে গেলে পুজো দিতে হয় মা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2026)। হিন্দুদের বিশ্বাস, বাবা বিশ্বনাথ কাশীধামের নির্মাণকর্তা এবং মা অন্নপূর্ণা সমগ্র কাশী ধামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। চলতি বছরে অন্নপূর্ণা পুজো আজ, বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, বাসন্তী পুজোর চলার অষ্টমীতেই পূজিতা হন মা অন্নপূর্ণা। চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমীতে (Chaitra Navratri Ashtami) অন্নপূর্ণা পুজো। পরের দিন অনুষ্ঠিত হয় রামনবমী।

    এদিন কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব

    অন্নপূর্ণা পুজোর দিনে কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব। আমিষ ভোজন, মাদক পান, ধূমপান প্রভৃতি থেকে দূরে থাকেন এই দিন ভক্তরা। কাউকে কোনওরকম কটু কথাও বলেন না ভক্তরা। যাতে তাদের ব্যবহারে কেউ অন্য কেউ কষ্ট পায়। এদিন ভক্তরা ব্রত পালন করেন এবং মিথ্যা কথা বলেন না। সাদা পোশাকে পুজোয় (Annapurna Puja 2026) দিতে দেখা যায় ভক্তদের। হিন্দুদের বিশ্বাস অন্নকূট উৎসবে কোনও ভিক্ষুককে পিতলের পাত্রে আতপ চাল দান করলে অত্যন্ত শুভ ফল পাওয়া যায়।

    ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন

    দেবী অন্নপূর্ণার (Annapurna Puja 2026) যে কোনও বিগ্রহ দেখলেই বোঝা যায়, তাঁর হাত থেকে অন্ন গ্রহণ করছেন দেবাদিদেব মহাদেব। বাংলাতে ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে মা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যও বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ন শব্দের অর্থ হল ধান আর পূর্ণা শব্দের অর্থ পূর্ণ। প্রচলিত অনেক কাহিনী রয়েছে মা অন্নপূর্ণাকে নিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কাশীর পৌরাণিক আখ্যান।

    পৌরাণিক কাহিনী জানুন…

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, শিব পার্বতী বিবাহের পরে দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু শিবের সঙ্গে মা পার্বতীর মতবিরোধ শুরু হয় মাতা পার্বতী কৈলাস ত্যাগ করেন। মাতা পার্বতীর এই সিদ্ধান্তের পরেই দেখা যায় মহামারি এবং নানা সংকট ভক্তরা তখন আকুল হয়ে পড়েন। তাঁরা দেবাদিদেব মহাদেবকে ডাকতে থাকেন। সেই সময়ই ভিক্ষার ঝুলিকে কাঁধে তুলে নেন মহাদেব। কিন্তু দেবীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা জোটে না। মহাদেব তখন জানতে পারেন কাশীতে এক নারী সকলকে অন্ন দান করছেন। তখন ভোলেনাথ সেখানে উপস্থিত হন। চিনতে পারেন তিনি মাতা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2026)। মহাদেব মায়ের কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করেন এবং সেই ভিক্ষা গ্রহণ করেই মহামারি এবং খাদ্যাভাব থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন বলে মনে করা হয়। চৈত্র মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সেখানে মানে কাশী ধামে মায়ের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মানা হয়। তাই তখন থেকেই সেখানে মায়ের পুজো প্রচলন। অন্য আরেকটি পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। সেই পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা পাননি দেবাদিদেব মহাদেব। তবে তা বুঝতে পারেন শিব। কৈলাসে ফিরে পায়েস পিঠে খেয়ে তৃপ্ত হন দেবাদিদেব। তখন থেকেই নাকি অন্নপূর্ণা পুজোর প্রচলন।

    আরও একটি আখ্যান অনুযায়ী, এমন একটি সময় এসেছিল, যখন পৃথিবীতে খাদ্য এবং জল ফুরিয়ে যায়। চারিদিকে অভাব দেখা যায়, হইচই পড়ে যায়। সেসময় মানুষ ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের পূজা করত। তাঁর ভক্তদের ডাক শুনে শ্রী হরি বিষ্ণু ভগবান শিবকে তাঁর যোগ নিদ্রা থেকে জাগিয়ে পুরো ঘটনা বললেন। তখন ভগবান শিব মা পার্বতীর কাছ থেকে সন্ন্যাসী রূপে এসে ভিক্ষা চেয়েছিলেন। মা পার্বতী তখন দেবী অন্নপূর্ণা রূপে ভগবান শিবকে ভিক্ষা দিয়ে জীবকুলকে রক্ষা করেছিলেন।

    বাংলায় এই পুজোর প্রচলন

    অনেক গবেষকের মতে, বাংলাতে অন্নপূর্ণা পুজো (Annapurna Puja 2026) প্রচলন করেছিলেন মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বসূরী ভবানন্দ মজুমদার। দেবী অন্নদার কৃপা পেয়ে সম্রাট জাহাঙ্গীরের থেকে তিনি রাজা উপাধি লাভ করেন। তবে এনিয়ে অনেক গবেষকের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

    জানেন, মায়ের প্রিয় ভোগ কী?

    মা অন্নপূর্ণাকে মা দুর্গার আরেক রূপ মানা হয়। বাংলার অন্নদামঙ্গল কাব্যে প্রথম মেলে এই দেবীর উল্লেখ। শক্তির অপর রূপ মানা হয় মা অন্নপূর্ণাকে তিনি সকলের অন্ন যোগান। মা অন্নপূর্ণার প্রিয় ভোগ হল- মুগের ডাল, ভাত, শাক, ভাজা, মোচার ঘন্ট, আর ছানার ডালনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এইভাবে সাজিয়ে মাকে ভোগ নিবেদন করলে তিনি (Annapurna Puja 2026) খুশি হন এবং বছরভর সুখ ও শান্তি সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে ভক্তের জীবন।

  • Daily Horoscope 26 March 2026: সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 March 2026: সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) ধর্মালোচনায় মন দিতে পারলে শান্তি পাবেন।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

     

     

    মিথুন

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যার সম্ভাবনা।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     

     

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    বিজয়াদি ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    ঝিঁঝিট—খয়রা কীর্তন 

                     চিদানন্দ সিন্ধুনীরে প্রেমানন্দের লহরী।
    মহাভাব রসলীলা কি মাধুরী মরি মরি
    বিবিধ বিলাস রসপ্রসঙ্গ,                 কত অভিনব ভাবতরঙ্গ,
    ডুবিছে উঠিছে করিছে রঙ্গ,              নবীন নবীন রূপ ধরি,
    (হরি হরি বলে)
    মহাযোগে সমুদয় একাকার হইল,
    দেশ-কাল ব্যবধান ভেদাভেদ ঘুচিল,
    (আশা পুরিল রে, আমার সকল সাধ মিটে গেল!)
    এখন আনন্দে মাতিয়া দুবাহু তুলিয়া, বলরে মন হরি হরি (Kathamrita)।

    ঝাঁপতাল 

    টুটল ভরম ভীতি            ধরম করম নীতি
    দূর ভেল জাতি কুল মান;
    কাঁহা হাম, কাঁহা হরি,     প্রাণমন চুরি করি,
    বঁধূয়া করিলা পয়ান;
    (আমি কেনই বা এলাম গো, প্রেমসিন্ধুতটে),
    ভাবেতে হল ভোর,         অবহিঁ হৃদয় মোর
    নাহি যাত আপনা পসান,
    প্রেমদার কহে হাসি,       শুন সাধু জগবাসী,
    এয়সাহি নূতন বিধান।
    (কিছু ভয় নাই! ভয় নাই!)

    অনেকক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রকৃতিস্থ হইলেন (Ramakrishna)।

    ব্রহ্মজ্ঞান ও ‘আশ্চর্য গণিত’—অবতারের প্রয়োজন 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি— কি একটা হয় আবেশে; এখন লজ্জা হচ্ছে। যেন ভূতে পায়, আমি আর আমি থাকি না।

    “এ-অবস্থার পর গণনা হয় না। গণতে গেলে ১-৭-৮ এইরকম গণনা হয়।”

    নরেন্দ্র — সব এক কিনা!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — না, এক দুয়ের পার!

    মহিমাচরণ — আজ্ঞা হাঁ, দ্বৈতাদ্বৈতবিবর্জিতম্‌।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হিসাব পচে যায়! পাণ্ডিত্যের দ্বারা তাঁকে পাওয়া যায় না। তিনি শাস্ত্র, — বেদ, পুরাণ, তন্ত্রের — পার। হাতে একখানা বই যদি দেখি, জ্ঞানী হলেও তাঁকে রাজর্ষি বলে কই। ব্রহ্মর্ষির কোন চিহ্ন থাকে না। শাস্ত্রের কি ব্যবহার জানো? একজন চিঠি লিখেছিল, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড় পাঠাইবে (Kathamrita)। যে চিঠি পেলে সে চিঠি পড়ে, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড়, এই কথা মনে রেখে চিঠিখানা ফেলে দিলে! আর চিঠির কি দরকার?

    বিজয় — সন্দেশ পাঠানো হয়েছে, বোঝা গেছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— মানুষদেহ ধারণ করে ঈশ্বর অবতীর্ণ হন। তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না। কিরকম জানো? গরুর যেখানটা ছোঁবে, গরুকে ছোঁয়াই হয় বটে। শিঙটা ছুঁলেও গাইটাকে ছোঁয়া হল, কিন্তু গাইটার বাঁট থেকেই দুধ হয়। (সকলের হাস্য)

    মহিমা — দুধ যদি দরকার হয়, গাইটার শিঙে মুখ দিলে কি হবে? বাঁটে মুখ দিতে হবে। (সকলের হাস্য)

    বিজয় — কিন্তু বাছুর প্রথম প্রথম এদিক-ওদিক ঢুঁ মারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিতে হাসিতে) — আবার কেউ হয়তো বাছুরকে ওইরকম করতে দেখে বাঁটটা ধরিয়ে দেয়। (সকলের হাস্য)

  • US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তিনি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই ভারত (India) থেকে তিনি তড়িঘড়ি চলে যেতে বাধ্য হন। অন্তত, এমনই দাবি করেছেন মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক শন ফয়েখ্ট (US Evangelist Sean Feucht)। তাঁর অভিযোগ, ভারতে তাঁর কার্যকলাপ নজরদারির আওতায় ছিল এবং ধর্মীয় রূপান্তর সংক্রান্ত ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে। ফয়েখ্ট সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় “জায়ন সেন্টার” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে অংশ নিতে। অনুষ্ঠানটির ছবি ও পোস্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই কেন্দ্রটি একটি সামাজিক ও ধর্মীয় মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। এখানে বড় আকারে প্রার্থনা ও ধর্মপ্রচারমূলক কার্যকলাপ চলছিল বলে খবর।

    পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার (US Evangelist Sean Feucht)

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়েখ্ট পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। যদিও তিনি প্রচার, ধর্মীয় বক্তব্য দান এবং ধর্মান্তর কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। ভারতীয় ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, পর্যটক ভিসায় বিদেশি নাগরিকদের ধর্মান্তর, উপদেশ প্রদান বা মিশনারি কার্যকলাপ চালানোর অনুমতি নেই। কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করেননি যে, তিনি কোন ধরনের ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। আইনজ্ঞরা জানান, মিশনারি ভিসায়ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকে এবং সংগঠিত ধর্মান্তর অভিযান বা প্রচার কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হয় না।

    মার্কিন ধর্মপ্রচারকের দাবি

    বিতর্ক বাড়তে থাকায় ফয়েখ্ট দ্রুত ভারত ছেড়ে চলে যান। তবে যাওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিপীড়নের শিকার হিসেবে তুলে ধরেন। কয়েকদিন পরেও তিনি সেই একই দাবি জানান। স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি দাবি করেন, ভারতে খ্রিস্টানরা নিরাপদ নন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে খ্রিস্টানদের (US Evangelist Sean Feucht) ওপর ‘নিপীড়ন’ চলছে। এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইন কঠিন শাস্তির কারণ হতে পারে, যার মধ্যে দীর্ঘ কারাদণ্ডও রয়েছে। তিনি আরও জানান, আমেরিকার সরকার ভারতকে নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নয়। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন আইনপ্রণেতারা তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। অবশ্য এই ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই। অনলাইনে শেয়ার করা কিছু স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, তিনি ভারতে অবস্থানরত ‘পাস্টরদের’ মতামত তুলে ধরে দাবি করেন, খ্রিস্টানরা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রকাশ্যে শেয়ার করা ব্যক্তিগত বার্তায় তিনি পরিস্থিতিকে “ব্যাপক নিপীড়ন” বলে বর্ণনা করেছেন এবং জনগণের সমর্থন চেয়েছেন।

    ভারতীয় আইন

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর নিষিদ্ধ করে না, তবে জোরপূর্বক, প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে ধর্মান্তরবিরোধী আইন রয়েছে, যেখানে “গণধর্মান্তর” বা দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ফয়েখ্ট “নিপীড়ন” হিসেবে ঘটনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছেন এবং আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে চাইছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের বর্ণনা প্রশাসনিক নিয়ম প্রয়োগকে মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে, যার (India) ফলে নজরদারি ছাড়াই মিশনারি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (US Evangelist Sean Feucht)।

     

  • Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহে রাজ্যে এসে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে আশীর্বাদ প্রার্থনা করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। বুধবার সকালে তিনি সস্ত্রীক দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত হয়ে মা ভবতারিণীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) এবং বিজেপির ক্ষমতা আসার জন্য মা কালীর কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তি ও প্রার্থনা করতে দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মাঝেও এদিন সকালে মন্দিরে যান নিতিন নবীন। নিষ্ঠার সাথে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মন্দির চত্বর ঘুরে দেখেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    পুজো শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলার মানুষের সুখ, সমৃদ্ধি এবং রাজ্যের মঙ্গল কামনায় আমি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি। রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক। পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা ও বিকশিত বাংলা তৈরি করার জন্য আশীর্বাদ মায়ের কাছে চেয়েছি। যে বাংলাকে তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য প্রসিদ্ধ, যে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিকভাবে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেই সংস্কৃতি এখন আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে আদালতের অনুমতি ছাড়া পুজো করা সম্ভব হয় না।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে তাঁর এই সফর রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    একাধিক বৈঠক ও কর্মসূচি

    দক্ষিণেশ্বরে পুজো দেওয়ার পর নিতিন নবীন (Nitin Nabin) দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণ এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনাই তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য। ভোটমুখী বাংলায় কেন্দ্রীয় নেতাদের এই মন্দির দর্শন এবং জনসংযোগের প্রচেষ্টা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ভক্তি আর রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) এই মেলবন্ধন কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিতিন নবীনের সঙ্গে দেখা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে।

  • West Bengal Assembly Election: আধিকারিক বদলি মামলায় নিজেদের অবস্থানেই অনড় রইল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Assembly Election: আধিকারিক বদলি মামলায় নিজেদের অবস্থানেই অনড় রইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধিকারিক বদলি মামলায় নিজেদের অবস্থানেই অনড় রইল নির্বাচন কমিশন (West Bengal Assembly Election)। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, ‘কমিশন যদি মনে করে যে কোনও আধিকারিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকলে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করার ক্ষেত্রে অসুবিধা হতে পারে, তাহলে কমিশন সেই আধিকারিককে বদলি করতেই পারে। অথবা তাঁকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখতে পারে (Calcutta High Court)।’

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই বদলি (West Bengal Assembly Election)

    রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই বদলি করা হয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, পুলিশ কমিশনার-সহ রাজ্য প্রশাসনের একধিক আইএএস-আইপিএসকে। রাত ১২টায় চিঠি দিয়ে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবকে। ভিন রাজ্যে ভোট-পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হয়েছে একাধিক আধিকারিককে। কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

    ‘এই মামলা একটা ছদ্মবেশ’

    এদিন শুনানি চলাকালে নির্বাচন কমিশন জানায়, ‘এই মামলা একটা ছদ্মবেশ। কেউ অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে চালাচ্ছে।’ জনস্বর্থের ওই মামলায় আইনজীবী তথা তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আইনসভা যে আইন তৈরি করে তার বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারে না নির্বাচন কমিশন (West Bengal Assembly Election)।” তাঁর প্রশ্ন, “যদি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, মর্জিমাফিক বদলি করা হয়, তাহলে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কীভাবে?” কল্যাণ বলেন, “নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক সেই রাজ্য থেকেই নিতে হবে। অন্য রাজ্য থেকে নিতে হলে রাজ্যের সম্মতি লাগে। ২০২৬-এ আমাদের রাজ্যে কোনও নিয়মই মানছে না কমিশন।” তাঁর প্রশ্ন, “রাজ্য থেকে সব আমলা নিয়ে চলে গেলে, রাজ্যটা চলবে কীভাবে?” লোকসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবদের বদলি করা হয় কিনা, এদিন তাও জানতে চান তৃণমূলের এই আইনজীবী নেতা। তিনি বলেন, “৬ মে পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন নির্বাচিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বিশ্বস্ত আধিকারিকদের ছাড়া কীভাবে কাজ করবেন তিনি? এটা ব্যাঘাত (Calcutta High Court) ঘটানোর চেষ্টা।” উল্লেখ্য যে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা শুক্রবার (West Bengal Assembly Election)।

     

  • Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্যে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force Jawan) ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কোনো ব্যক্তির আতিথেয়তা গ্রহণ না করার যে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা ছিল, তা অমান্য করার অভিযোগে সাতজন জওয়ানকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। মুসলিম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইফতারে অংশ গ্রহণ করা মানেই অতিথি সেবা নেওয়া। ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কতটা সঠিক ভাবে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করবে তা নিয়ে সংশয় থাকে। আর এটাই নির্বাচনী বিধিনিষেধ ভঙ্গের আরোপ।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Central Force Jawan)?

    মুর্শিদাবাদ জেলায় মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর সাতজন জওয়ান সম্প্রতি একটি স্থানীয় ইফতার মজলিসে যোগ দিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যে, বাহিনীর কোনো সদস্যই স্থানীয় কারও বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা বা খাদ্য গ্রহণ করতে পারবেন না। এই নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি

    কমিশনের নির্দেশে সেনাকর্মীদের উপর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমত তদন্ত করে কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে তিনজনকে সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি’তে পাঠানো হয়েছে। দুজনকে কড়া সতর্কতা দেওয়া হয়েছে এবং বাকি দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সাতজন জওয়ানকেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে ভিন রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী

    নির্বাচন কমিশন পুনরায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ভোটের (West Bengal Elections 2026) কাজে আসা জওয়ানদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদার থাকতে হবে। স্থানীয় কোনো প্রভাব বা আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। এই কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মীদেরও সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে। যদিও আগে জওয়ানদের রুটমার্চের সময়েও কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, ভোটের কাজে এসে জওয়ানদের বিরুদ্ধে সাধারণের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার পরেও এই ঘটনা সামনে আসে।

  • IPL 2026: আইপিএল খেতাবের প্রতিশ্রুতি, কেকেআরে সংরক্ষিত আন্দ্রে রাসেলের ১২ নম্বর জার্সি

    IPL 2026: আইপিএল খেতাবের প্রতিশ্রুতি, কেকেআরে সংরক্ষিত আন্দ্রে রাসেলের ১২ নম্বর জার্সি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক চিরকালীন করে নিল কেকেআর (Andre Russell in KKR)। এতগুলো বছর নাইটদের ১২ নম্বর জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলেছেন। এবার রাসেলকে উৎসর্গ করে ১২ নম্বর জার্সির অবসর ঘোষণা করলেন কেকেআরের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। অর্থাৎ, নাইটদের এই জার্সি আর কোনওদিন অন্য কারও জন্য বরাদ্দ হবে না। চলতি বছর আইপিএল (IPL 2026) শুরুর আগে মঙ্গলবার রাতে কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে ‘কেকেআর আনপ্লাগড’ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেই ১২ নম্বর জার্সি রাসেলের হাতে তুলে দেন ভেঙ্কি মাইসোর।

    ‘পাওয়ার কোচ’ আন্দ্রে রাসেল

    ২০১৪ থেকে ২০২৫, টানা ১২ বছর নাইটদের সংসারের স্থায়ী সদস্য। এক দশকেরও বেশি সময় সুখ, দুঃখের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জামাইকান। কিন্তু আসন্ন আইপিএল থেকে আর বেগুনি জার্সিতে দেখা যাবে না ড্রে রাসকে। তবে গাঁটছড়া মোটেই ভাঙেনি। শুধু ভূমিকা বদল। গতবারও ছিলেন ক্রিকেটার, এবার ‘পাওয়ার কোচ’ আন্দ্রে রাসেল। চতুর্থবারের জন্য কলকাতা আইপিএল জিতলে তিনি সমর্থকদের উপহার দেবেন স্পেশাল ‘দ্রে রাস লাইভ শো’।

    আবেগতাড়িত আন্দ্রে রাসেল

    কেকেআরের মঞ্চে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন রাসেল। জানান, নাইটদের হয়ে খেলা তাঁর কাছে বরাবরই বিশেষ ছিল। যে দল তাঁকে এত কিছু দিয়েছে, এবার তাঁদের ফিরিয়ে দিতে চান। অবদান রাখতে চান কোচ হিসেবে। রাসেল বলেন, ‘‘এই দলের অঙ্গ হতে পেরে গর্বিত। বিশ্বকাপ জয় সবসময় স্পেশাল। আইপিএল জয় আলাদা। এবার অন্য ভূমিকায়। অন্যভাবে উপভোগ করব। এবারের আইপিএলও আমার কাছে বিশেষ। মাঠে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি। এবার এই খেলাটার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারব না। তাই নতুন ভূমিকা নিয়ে কোনও আফশোস নেই। আমাদের কোচিং স্টাফ ভালো। সবাই তরুণ এবং প্রতিভাবান। যে কেউ এই কোচিং স্টাফের অঙ্গ হতে চাইবে। সবাই মিলে কেকেআরের সাফল্যে অবদান রাখতে চাই।’’

    রাসেলের সঙ্গে  স্থায়ী সম্পর্ক

    ২০১৪ সাল থেকে কেকেআরের হয়ে আইপিএল খেলেছেন রাসেল। তার আগে দু’বছর দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেললেও রাসেল নিজেকে কেকেআর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করেন। তাঁর এই আবেগকে সম্মান দিল কেকেআর। রাসেল ১২ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন কেকেআরের হয়ে। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে কেকেআর সিইও বেঙ্কি মাইসোর এ বছরের ১২ নম্বর জার্সি ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাসেলের হাতে তুলে দেন। তাতে লেখা ছিল ‘দ্রে রাস’। রাসেলের হাতে জার্সি তুলে দিয়ে মাইসোর বলেন, ‘‘বেগনি এবং সোনালি রঙের ১২ নম্বর জার্সি সব সময় শুধু তোমারই থাকবে।’’

  • West Bengal Assembly Election: বিজেপিতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক, যোগ দিলেন রাজবংশী নেতাও, ভোটে বদলে যাবে উত্তরের সমীকরণ!

    West Bengal Assembly Election: বিজেপিতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক, যোগ দিলেন রাজবংশী নেতাও, ভোটে বদলে যাবে উত্তরের সমীকরণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ধস নামল তৃণমূলে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে উত্তরবঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগ দিলেন প্রাক্তন বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান। মঙ্গলবার (West Bengal Assembly Election) মেখলিগঞ্জের এই প্রাক্তন বিধায়কের সঙ্গে পদ্মশিবিরে ভিড়েছেন আরও একজন, তিনি রাংজবংশী নেতা গিরিজাশঙ্কর রায়। গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা বংশীবদন বর্মণও ঘোষণা করেছেন বিজেপিকে সমর্থনের কথা। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থন করেছিল বংশীবদনের সংগঠন। বর্তমানে বেশ কিছু ইস্যুতে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ শুরু হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই বংশীবদন এবার জানালেন বিজেপিকে সমর্থনের কথা। মঙ্গলবার তিনি গিয়েছিলেন বিজেপির কার্যালয়েও।

    তৃণমূলকে তোপ অর্ঘ্যর (West Bengal Assembly Election)

    এদিকে, পদ্মশিবিরে যোগ দেওয়ার পরেই তৃণমূলকে তোপ দাগেন অর্ঘ্য। ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের সময় ঘাসফুল আঁকা প্রতীকে দাঁড়িয়ে মেখলিগঞ্জের বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে অবশ্য তাঁকে টিকিট দেয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তার পরেও অবশ্য তৃণমূল-সঙ্গ ছাড়েননি। ছাড়লেন মঙ্গলবার এবং এদিনই তিনি যোগ দিলেন বিজেপিতে। তৃণমূল ছাড়ার কারণে দর্শাতে গিয়ে অর্ঘ্য বলেন, “আমি আর দুর্নীতিগ্রস্ত একটি দলের পাশে দাঁড়াতে পারি না। আমি আমার এলাকার মানুষের মুখোমুখি হওয়ার মতো অবস্থায় ছিলাম না।” প্রসঙ্গত, অর্ঘ্যর বাবা অমর রায় প্রধান ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা ছিলেন। তিনি তিনবার মেখলিগঞ্জের বিধায়ক হয়েছিলেন। আটবার কোচবিহারের সাংসদও হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে ছেলে অর্ঘ্যকে নিয়ে বাম-সঙ্গ ছেড়ে অমর যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। সেই অর্ঘ্যই এবার পদ্ম-শিবিরে।

    বিজেপিকে সমর্থনের কথা ঘোষণা রাজবংশী নেতার

    গেরুয়া ঝান্ডার তলায় তাঁর চলে আসা এবং রাজবংশী নেতা বংশীবদনের বিজেপিকে সমর্থনের কথা (BJP) ঘোষণা বদলে দিতে পারে উত্তরবঙ্গের যাবতীয় সমীকরণ। গত (West Bengal Assembly Election) লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনটি বিজেপির হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল তৃণমূল। এবার সেখানেই থাবা বসাতে চাইছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ-জেপি নাড্ডার দল। বংশীবদন বলেন, “আমি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বলেছি যে আমাদের রাজবংশী ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে হবে, রক্ষা করতে হবে আমাদের অধিকার। আমি বিজেপিকে আমার পূর্ণ সমর্থন দিতে এসেছি।” প্রসঙ্গত, এর আগে উত্তরপঙ্গের নেতা অনন্ত মহারাজকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল বিজেপি। তার পর থেকে বেসুরো গাইতে থাকেন অনন্ত। এহেন পরিস্থিতিতে বংশীবদনের সমর্থনের আশ্বাস বিজেপিকে বাড়িতে অক্সিজেন জোগাবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। কারণ এবার রাজবংশীদের একটা বড় অংশের ভোটই পড়বে পদ্ম-প্রতীকে।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    বর্তমানে উত্তরবঙ্গ সফরে রয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার কলকাতায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে পদ্ম-খাতায় নাম লেখান অর্ঘ্য এবং রাংজবংশী নেতা গিরিজাশঙ্কর (West Bengal Assembly Election)। উত্তরবঙ্গের এই দুই হেভিওয়েট নেতা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় যারপরনাই খুশি পদ্মশিবির। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গে থাকাকালীন এই যোগদান তাঁকে উপহার স্বরূপ দেওয়া হল।” তিনি জানান, বংশীবদন রাজবংশী সমাজের উন্নয়নের (BJP) জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে কিছু প্রস্তাব রেখেছন। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বংশীবদন নিজে ভোটে লড়বেন না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। এদিন দলবদলের এই অনুষ্ঠানে বিজেপির ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়েছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের মেখলিগঞ্জ ব্লক সভাপতি বাপ্পা মণ্ডলও। উত্তরবঙ্গের এই তিন নেতাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “নিজেদের প্রতিষ্ঠিত জায়গা ছেড়ে, কোনও কিছু না চেয়ে, না পেয়ে ওঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন (West Bengal Assembly Election)।”

    ফ্যাক্টর যখন রাজবংশী ভোট

    উল্লেখ্য যে, উত্তরবঙ্গের কয়েকটি আসনে রাজবংশী ভোট বড় ফ্যাক্টর। এই রাজবংশী সম্প্রদায়েরই বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে লড়াই করছেন বংশীবদন। গত লোকসভা নির্বাচনে তিনি ছিলেন তৃণমূলের সঙ্গেই। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা নিয়ে তাঁর সঙ্গে বিরোধ বাঁধে মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। বংশীবদন বারবার দাবি করেছেন, মাথাভাঙা-সহ কয়েকটি বিধানসভা আসনে গত নির্বাচনগুলিতে যত ভোট পেয়েছে তৃণমূল, তা এসেছে তাঁর সংগঠনের জন্যই। তাই এবার আসন সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। দাবি করেছিলেন, রাজবংশী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং হাইস্কুলের অনুমোদনও। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর এই শর্ত পূরণ না হলে বিজেপিকে সমর্থন করবে তাঁর সংগঠন। সেই মতোই তিনি জানালেন বিজেপিকে সমর্থনের কথা। বংশীবদন বলেন, “রাজবংশী সম্প্রদায়ের আলাদা ভাষা এবং সংস্কৃতি রয়েছে (BJP)। কিন্তু রাজবংশী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন এতদিন সম্ভব হয়নি (West Bengal Assembly Election)।”

     

  • PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026)-কে সামনে রেখে রাজ্যে প্রচারের গতি বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারই অঙ্গ হিসেবে আগামী ৫ এপ্রিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে নির্বাচনী জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখলে তৎপর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মোদির সভাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনী তৎপরতা ও ভোটমুখী বাংলায় বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের আনাগোনা বাড়ছে। আলিপুরদুয়ারে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    উত্তরবঙ্গের গুরুত্ব (PM Modi)

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির (West Bengal Elections 2026) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। আসন্ন নির্বাচনে এই ধারা বজায় রাখতেই মোদির (PM Modi) এই ঝটিকা সফর। তাঁর সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যে নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে বিজেপি অনেকটাই শক্তিশালী ফলে এখানে জয় নিয়ে একশ শতাংশ আশাবাদী বিজেপি। মোদির প্রচার ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী বিজেপি।

    প্রস্তুতি তুঙ্গে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। জনসভার স্থান নির্ধারণ ও নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখতে ইতিবাচক তৎপরতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ১৪২ আসন এবং দ্বিতীয় দফায় ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হবে। তবে বিজেপির প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। প্রচার এখন তুঙ্গে।

    চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যাই হাতিয়ার

    সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হতে পারেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যা ও সম্ভাবনা তাঁর ভাষণে উঠে আসতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এই জনসভা ঘিরে জেলায় কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সাফল্যের পুনরাবৃত্তি বিধানসভা নির্বাচনেও করতে চাইছে গেরুয়া শিবির, আর মোদির এই সফর সেই লক্ষ্যেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

LinkedIn
Share