Blog

  • Cocaine Seized: “মাদক চক্রকে নির্মমভাবে গুঁড়িয়ে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার”, বললেন শাহ

    Cocaine Seized: “মাদক চক্রকে নির্মমভাবে গুঁড়িয়ে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মাদক চক্রকে (Cocaine Seized) নির্মমভাবে গুঁড়িয়ে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মুম্বইয়ে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB) ১,৭৪৫ কোটি টাকার ৩৪৯ কেজি উচ্চমানের কোকেন উদ্ধার করার পর এই মন্তব্য করেন তিনি। শাহ একে আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের বিরুদ্ধে একটি বড়সড় সাফল্য বলেই উল্লেখ করেন।

    শাহের বক্তব্য (Cocaine Seized)

    এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লিখেছেন, “আমরা মাদক চক্রকে নির্মমভাবে ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। অ্যাট দ্য রেট নার্কোটিক্সব্যুরো (@narcoticsbureau) মুম্বইয়ে ১,৭৪৫ কোটি টাকার ৩৪৯ কেজি উচ্চমানের কোকেন উদ্ধার হয়েছে। এটি একটি বড় আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। সূত্রের খবর, এটি নিচু স্তর থেকে ওপরের স্তর পর্যন্ত তদন্তের এক যুগান্তকারী উদাহরণ, যেখানে সংস্থাটি একটি ছোট চালান ধরে বিশাল নেটওয়ার্কের সন্ধান পেয়েছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য টিম এনসিবিকে অভিনন্দন।”

    মাদক পাচারকারী মোহাম্মদ সলিম দোলা

    এদিকে, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB) আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে, ‘অপারেশন গ্লোবাল-হান্টের’-এর অধীনে পলাতক মাদক পাচারকারী মোহাম্মদ সলিম দোলাকে তুরস্ক থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে সফল হয়েছে। শুক্রবার ভোরে নয়াদিল্লির আইজিআই বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর তাকে হেফাজতে নেয় এনসিবি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) মতে, “মুম্বইয়ের বাসিন্দা ৫৯ বছর বয়সি সলিম দোলার বিরুদ্ধে ভারতের অনুরোধে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ইন্টারপোল রেড নোটিস জারি করা হয়েছিল। ভারতে একাধিক মাদক পাচার মামলায় তার বিরুদ্ধে মামলা ছিল। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল (Cocaine Seized)।”

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    বিগত কয়েক বছরে দোলা মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের একাধিক দেশে বিস্তৃত একটি আন্তর্জাতিক মাদক চক্র গড়ে তুলেছে। গত দু’দশকে তার অপরাধমূলক কাজকর্মের জেরে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে হেরোইন, চরস, মেফেড্রোন, ম্যান্ড্রাক্স এবং মেথামফেটামিনের একাধিক বড় চালানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, “ভারতে সরবরাহ শৃঙ্খলের নীচের স্তরে বড় সরবরাহকারী হিসেবে দোলার নাম বারবার উঠে এসেছে। এছাড়াও এটিএস গুজরাট ও মুম্বাই পুলিশও তাকে খুঁজছিল। এর আগে ২০২৫ সালে তার ছেলে তাহিল সলিম দোলা এবং অন্য সহযোগীদের ইউএই-র প্রত্যর্পণের পর মুম্বই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এই (Amit Shah) অভিযান তুরস্ক, ইন্টারপোল ও ভারতীয় সংস্থাগুলির ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার উদাহরণ (Cocaine Seized)।”

     

  • India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর আবারও সম্পর্কের উন্নতির পথে হাঁটছে ভারত ও বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation)। মহম্মদ ইউনূসের পরবর্তী জমানায় ঢাকায় নতুন সরকারের গঠন ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দুই দেশ ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশ ভারতীয় নাগরিকদের স্বার্থে সব ধরনের ভিসা পুনরায় চালু করেছে। অন্যদিকে, ভারত সরকারও ধাপে ধাপে তাদের ভিসা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

    বাংলাদেশে ভারতীয়দের জন্য ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি চালু

    বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা দেওয়া শুরু করেছে। নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের ভিসা সেন্টারগুলো এখন পুরোপুরি কার্যকর। বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ (Riaz Hamidullah) জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর মাসে যে পরিষেবাগুলি বন্ধ হয়েছিল, সেগুলি ফেব্রুয়ারি থেকেই ধাপে ধাপে চালু হয়েছে। গত দুই মাসেই ১৩ হাজারের বেশি ভারতীয় নাগরিককে পর্যটন, ব্যবসা, চিকিৎসা এবং পারিবারিক কারণে ভিসা দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন এবং ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন থেকে ফের ভারতীয় নাগরিকেরা বাংলাদেশের ভিসা পাবেন। ভিসা ও দূতাবাস সংক্রান্ত (কনস্যুলার) অন্যান্য সুযোগসুবিধা ভারতীয়দের জন্য ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা।

    ভেবেচিন্তে এগোচ্ছে ভারতও

    বাংলাদেশ দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেও ভারত এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ বর্তমানে আগের তুলনায় মাত্র ১৫–২০ শতাংশ হারে চলছে। জরুরি ও চিকিৎসাজনিত আবেদনগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের সফরে এসে ভিসা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান (Khalilur Rahman)। এর কিছুদিন পরই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি (Vikram Misri) ঢাকায় যান। তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সূত্রের খবর, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এছাড়া নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার হিসেবে দীনেশ ত্রিবেদীর (Dinesh Trivedi) নিয়োগ এই প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে নানাবিধ অশান্তির প্রেক্ষাপটে ভারত সরকার বাংলাদেশিদের ভিসা পরিষেবায় কড়াকড়ি করেছিল। কেবল চিকিৎসার প্রয়োজন এবং ‘ডবল-এন্ট্রি’ ছাড়া বাকি সব ধরনের ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল অনির্দিষ্ট কালের জন্য। তবে এ বার সেই পরিষেবাও চালু হচ্ছে। সে দেশে অবস্থিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছেন, ভিসা পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

    ফের পর্যটনে সাড়া

    বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অন্যতম বড় বিদেশি পর্যটক উৎস। ২০২৩ সালে প্রায় ২১.২ লক্ষ বাংলাদেশি ভারতে এসেছিলেন, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়ায় ১৭.৫ লক্ষে। তবে ২০২৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা সীমাবদ্ধতার কারণে এই সংখ্যা তীব্রভাবে নেমে আসে প্রায় ৪.৭ লক্ষে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো শহরে ভারতীয় মিশনের সামনে বিক্ষোভের জেরে পরিষেবা কমানো হয়েছিল। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভিসা পরিষেবা সহজ করা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রথম ধাপ। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছে দুই দেশ। সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের সময় বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল সরবরাহ করেছে। সব মিলিয়ে, নয়াদিল্লি ও ঢাকা—দুই পক্ষই সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগোচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

  • Daily Horoscope 03 May 2026: ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয় এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 May 2026: ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয় এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

    মেষ

    ১) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ২) সন্তানের কাজে গর্ববোধ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) আধ্যাত্মিক চিন্তায় মনোনিবেশ করুন।

    মিথুন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) সখপূরণ হবে।

     

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিবাদে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ২) দাঁতের রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

     

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ২) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মীন

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026)। ভোট গণনা হবে ৪ মে, সোমবার। গণনাও বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগ করছে (Police Counting Observers) নির্বাচন কমিশন। ১৬৫ জন নতুন কাউন্টিং অবজার্ভার এবং ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। ১৬৫টি বিধানসভার গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। একাধিক গণনাকক্ষ সম্বলিত গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে তাঁদের।

    কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ (Assembly Election 2026)

    কমিশন সূত্রে খবর, একাধিক গণনা কক্ষ রয়েছে, এমন গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত পুলিশ অবজার্ভারও। শান্তিপূর্ণ, ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ গণনাপ্রক্রিয়ার জন্যই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, কাউন্টিং ও পুলিশ অবজার্ভাররা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখেই কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, ভোট গণনায় কেন কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের রাখা হচ্ছে, প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল। সেখানে মুখ পোড়ানোর (নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ বহাল রাখায়) পর সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। আরও একবার মুখ পুড়িয়ে রণে ভঙ্গ দেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শীর্ষ আদালত কমিশনের ১৩ এপ্রিলের নির্দেশিকায়ই শিলমোহর দেয়। আদালত জানিয়ে দেয়, কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্টরা কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। তাঁরা যদি কমিশনের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন, তাহলে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী নাকি রাজ্য সরকারের কর্মী, তাতে কী এল, প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ (Assembly Election 2026)।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    এই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বলেন, “গণনা কেন্দ্রে সমস্ত দলের এজেন্ট থাকবে, তাহলে অসুবিধা কোথায়? কমিশনের কাছে কেন্দ্র-রাজ্য উভয় কর্মীদের মধ্যে থেকে আধিকারিক বাছার অধিকার রয়েছে। কমিশন যদি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করেন, তাতে অসুবিধা কোথায়? রাজ্যই হোক বা কেন্দ্র, এঁরা সবাই সরকারি কর্মী।” তাই এই বিভাজন আসছে কোথা থেকে, প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি পিএস নরসিংহ। ১৩ এপ্রিল যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কমিশন, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে, আলাদা করে নির্দেশ দেওয়ার কোনও প্রয়োজনই নেই বলেও জানিয়ে দেয় বেঞ্চ (Police Counting Observers)। এর পরেই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের কথা জানায় কমিশন। কী কাজ করবেন এই কাউন্টিং অবজার্ভার এবং পুলিশ অবজার্ভাররা? সূত্রের খবর, গণনা চলাকালীন পর্বে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়, গণনা প্রক্রিয়া যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তা দেখবেন অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভাররা। পুলিশ অবজার্ভাররা গণনাকক্ষে ঢুকতে পারবেন না। তাঁরা শুধু দেখবেন বাইরে কোনও গন্ডগোল হচ্ছে কিনা (Assembly Election 2026)।

     

  • Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর হিংসার জেরে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র। ভোটের ফল বের হওয়ার কথা সোমবার। তার আগেই এলাকায় তৃণমূল অশান্তি শুরু করে দিয়েছে বলে (Post Poll Violence) অভিযোগ। রাজনৈতিক সংঘাত, হামলা এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে হাসিমনগর এলাকা। বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পদ্মফুলে ভোট দেওয়ার ‘অপরাধে’ তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়ছেন তাঁরা। মারধরের পাশাপাশি খুনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই শনিবার হাসিমনগরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পদ্ম-কর্মী-সমর্থকরা। এই পরিস্থিতিতে ফলতার তৃণমূল প্রার্থীর দুই ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কমিশন। এমনকী, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ (Post Poll Violence)

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া, ভয় দেখানো, মায় জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটগ্রহণ পর্ব চুকে যাওয়ার পর সেই সন্ত্রাস আরও বেড়েছে বলেই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। তাদের দাবি, যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে মারধরও করা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই খবরের শিরোনামে ফলতা কেন্দ্র। ভোটের আগে থেকেই এই কেন্দ্রে বারবার উত্তেজনার ঘটনা সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছিলেন বিরোধীরা। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয় উত্তরপ্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে। জাহাঙ্গিরের বাড়ির সামনে গিয়ে ‘সিংহম’ নামে পরিচিত এই আধিকারিকের কড়া বার্তা তখনই আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল।

    পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সরব স্থানীয়রা

    ভোট-পর্ব শেষ হলেও বিতর্ক থামেনি। বরং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন ফলতার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, ফলতার অন্তত ২৩টি বুথে পুনর্নির্বাচন হোক। অভিযোগ, ওই বুথগুলিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি ভোট প্রক্রিয়া (Post Poll Violence)। এহেন আবহে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই হাসিমনগর এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। দোষীদের গ্রেফতারির পাশাপাশি নিরাপত্তা দেওয়ার দাবিতেও সরব হন তাঁরা। এই ঘটনায় উঠে এসেছে জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ইস্রাফুল চোকদার নাম। তাঁর নেতৃত্বেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁর গ্রেফতারির দাবিও করেন বিক্ষোভকারীরা (BJP)।

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

    আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছিলেন রানি মণ্ডলও। তিনি বলেন, “পুরো হাসিমনগর জ্বলছে৷ আমাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে৷ ঘরে তালা দিয়ে দিচ্ছে৷ ৪ তারিখে (ভোট গণনার দিন) আমাদের বাড়িতে বোমা ফেলার হুমকি দিচ্ছে। বাচ্চাদের মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দিচ্ছে। এই অত্যাচার আমরা মেনে নেব না৷ আমরা সাধারণ মানুষ। আর এটা গণতান্ত্রিক দেশ৷ তাই আমরা যাকে খুশি ভোট দিতেই পারি৷ এতদিন জোর করে আমাদের ভোট দিতে দেয়নি৷ এখন ভোট দেওয়ায় মেরে ফেলার ভয় দেখানো হচ্ছে৷ আমরা তৃণমূল সরকার চাই না৷” বিক্ষোভের খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে এলাকায় টহল দিতে দেখা যায় জওয়ানদের। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এখনও কাটেনি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় যায় (Post Poll Violence)। বিক্ষোভকারীরা রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। এক বিক্ষোভকারীর কথায়, ‘‘বাড়িতে গিয়ে মারধর করা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আমরা ইসরাফিলের (তৃণমূল নেতা) গ্রেফতারি চাই। কিন্তু রাজ্য পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। আমরা চাই ওকে গ্রেফতার করা হোক। আর চাই ফলতায় দু’টি বুথ আছে, যেখানে পুনর্নির্বাচন করা হোক (BJP)।’’

    পুনর্নির্বাচনের দাবি

    এ রাজ্যে দু’দফায় হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ২৯ এপ্রিল হয় দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। এদিনই ভোট হয় ফলতায়ও। সেদিনও দিনভর খবরের শিরোনামে ছিল ফলতা। এই বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো হয়েছিল। শুধু ওই দুই বুথ নয়, আরও কয়েকটি বুথ থেকেও নানা অভিযোগ আসতে থাকে। বিরোধীরা ফলতার ৩২টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন। তবে ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে কি না, তার স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের ভোটের জন্য কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মতো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠান বিশেষ পর্যবেক্ষক (BJP)।

    সুব্রত গুপ্তর রিপোর্ট

    সূত্রের খবর, তিনি ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচন করার কথা জানিয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন কমিশনকে (Post Poll Violence)। জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ভোটের দিন সকালে ফলতার একাধিক বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। দুপুর একটার সময় ‘টেপ রিভিউড’ বলে তথ্য দেওয়া হয় প্রিসাইডিং অফিসারের তরফে। যদিও ততক্ষণে প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছিল। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় রয়েছে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও (Post Poll Violence)।

    এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ

    এদিকে, ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, ইস্রাফুল এবং অপর এক জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ সুজাদ্দিন শেখের নামোল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে পুলিশকেই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে হবে।

  • Islamabad: পরপর খতম ৩ জঙ্গি! পাকভূমে ‘অজ্ঞাত হামলা’য় মৃত কাশ্মীরে বহু সন্ত্রাসের মাস্টারমাইন্ড সাজ্জাদ

    Islamabad: পরপর খতম ৩ জঙ্গি! পাকভূমে ‘অজ্ঞাত হামলা’য় মৃত কাশ্মীরে বহু সন্ত্রাসের মাস্টারমাইন্ড সাজ্জাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) ফের সক্রিয় অজ্ঞাত হামলাকারীদের রহস্যময় নেটওয়ার্ক। রহস্যমৃত্যু আরও এক ভারতশত্রুর। দিল্লির হিট লিস্টে থাকা হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি সাজ্জাদ আহমেদের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কোনও অজ্ঞাত আততায়ীর হামলায় মৃত্যু হয়েছে এই জঙ্গির। জানা যাচ্ছে, কাশ্মীরি এই জঙ্গি উপত্যকায় একাধিক সন্ত্রাসী হামলার মাস্টারমাইন্ড। তার মৃত্যু পাকিস্তানে সক্রিয় ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্কের জন্য বিরাট ধাক্কা।

    অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হামলা

    সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক টার্গেটেড হামলায় লস্কর ও জইশ-ই-মহম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের হত্যা করা হচ্ছে। এবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে, অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন হিজবুল মুজাহিদিনের এক কমান্ডার সাজ্জাদ আহমেদ। এ নিয়ে পাকিস্তানের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন মৃত্যুর (Death) কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তদন্ত শুরু করেছে বলে খবর। অনেকে মনে করছেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকতে পারে অভ্যন্তরীণ কোনও সংঘাত। সাজ্জাদের প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তি এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। জানা গিয়েছে, সাজ্জাদ আদতে কাশ্মীরের বাসিন্দা ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত ছিল। তার ঘনিষ্ঠদের মতে, আততায়ীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    কে এই সাজ্জাদ

    সাজ্জাদ আহমেদ কাশ্মীরের বারামুলার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ১৯৯৭ সালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ধীরে ধীরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে উঠে আসে সাজ্জাদ। এরপর ধীরে ধীরে হিজবুল মুজাহিদিনে সক্রিয় হয়ে ওঠে। বলা হচ্ছে, বর্তমানে সে সংগঠনে কমান্ডার স্তরের দায়িত্বে ছিল। কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে যায় সাজ্জাদ। সেখানে বসেই ভারতীয় বিরোধী সন্ত্রাসী কার্যকলাপে নামে। সূত্রের খবর, জম্মু ও কাশ্মীর-সহ ভারতের নানা প্রান্তে জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র ও তা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা ছিল এই জঙ্গির। দেশের গোয়েন্দা বিভাগের হিট লিস্টে দীর্ঘদিন ধরে নাম ছিল এই জঙ্গির। ভারতে সন্ত্রাসী হামলাগুলির অন্যতম অপারেটর হিসেবে গণ্য করা হত এই জঙ্গিকে। তার মৃত্যু দেশের নিরাপত্তা বিভাগের জন্য নিশ্চিতভাবে স্বস্তির।

    ভারত-বিরোধীদের মৃত্যু

    সাম্প্রতিক সময়ে পাকভূমে অজ্ঞাত বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যু হয়েছে একাধিক ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসীর। আড়ালে থাকা এই হামলাকারীদের হিরো হিসেবে গণ্য করছে ভারতের জনগণ। সাজ্জাদের হত্যাও এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন গত কয়েকদিনে পাকিস্তানে বেশ কয়েকজন বড় জঙ্গি নেতা রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মারা গিয়েছে।

    শেখ ইউসুফ আফ্রিদির হত্যা: সম্প্রতি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে অজ্ঞাত হামলায় মৃত্যু হয়েছিল লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার শেখ ইউসুফ আফ্রিদির। জানা যায়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে লস্করের সংগঠনের প্রধান ছিল আফ্রিদি। মূলত এখান থেকে মুজাহিদদের (আত্মঘাতী জঙ্গি) প্রশিক্ষণ দিয়ে কাশ্মীর-সহ অন্যান্য জায়গায় পাঠানোর দায়িত্ব ছিল এর উপরেই। বহুবার হাফিজ সইদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা এই আফ্রিদিকে।

    সালমান আজহারের মৃত্যু: দু’দিন আগে জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ কমান্ডারদের মধ্যে অন্যতম সালমান আজহারের মৃত্যুও আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। সালমান আজহারকে জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হত। তাকে বাহাওয়ালপুরের সুবহানআল্লাহ মরকজে কবর দেওয়া হয়েছে।

    ২০১৯ সাল থেকে চলছে রহস্যজনক হত্যার ধারা

    বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৯ সালের পর থেকে পাকিস্তানে টার্গেট কিলিংয়ের মাধ্যমে অনেক জঙ্গিকে নিশানা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি জঙ্গি অজ্ঞাত আততায়ীদের হাতে মারা গিয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হল, এই ঘটনাগুলি নিয়ে পাকিস্তান সরকার বা তাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে খুব কমই সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তদন্তের অবস্থাও স্পষ্ট নয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানে লস্কর এবং জইশের মতো সংগঠনের হাজার হাজার জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। এই সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের পঞ্জাব, গিলগিট এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) এলাকায় অনেক ট্রেনিং ক্যাম্প সক্রিয় রয়েছে, যেখানে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আসলে পাকিস্তানে হাজার হাজার জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। তাদের মৃত্যু নিয়ে তদন্ত হলে আরও সমস্যায় পড়তে পারে পাক সরকার। তাই পুরোটাই লুকিয়ে রাখার চেষ্টা হয়।

  • Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়বৃষ্টির জেরে রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গে কমেছে গরমের দাপট (Weather Forecast)। ঠান্ডা হয়েছে কলকাতাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আপাতত আরও কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে থাকতে পারে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া (South Bengal)। তবে সোমবার, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টির দাপট। তীব্র ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ শিলাবৃষ্টির ভ্রুকুটি বঙ্গে।

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি (Weather Forecast)

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ, শনিবারও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তবে, রবিবার থেকে ফের বাড়বে বৃষ্টির দাপট। ঝোড়ো হাওয়ার বেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবারও শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। যেহেতু সোমবার ঝড়বৃষ্টির দাপট থাকবে সবচেয়ে বেশি, তাই সেদিনের জন্য জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই দিনই হবে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা (Weather Forecast)। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও রয়েছে একই পূর্বাভাস।

    দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা

    পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় রবিবারও ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরেও মাঝেমধ্যে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। তাই উত্তাল সমুদ্র। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে সোমবার পর্যন্ত। ঝড়বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পঙে শনিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। জলপাইগুড়িতে ভারী বর্ষণ চলবে রবিবার পর্যন্ত। উত্তরের জেলাগুলিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সব জেলায়ই সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস (South Bengal)।

    জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জের

    গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের ওপর যে ঘূর্ণাবর্তটি ছিল, সমুদ্রতল থেকে তার উচ্চতা ১.৫ কিলোমিটার। এছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন এলাকার ওপর আর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে (Weather Forecast)। সমুদ্রতলের চেয়ে ৩.১ থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায় তার অবস্থান। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গোপসাগর থেকে এখনও জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। তাই রয়েছে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি। ঝড়বৃষ্টির কারণে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রাও এক লপ্তে কমে গিয়েছে বেশ খানিকটা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর বা দক্ষিণের কোথাও আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রসঙ্গত, বিরল মে মাস দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। এ মাসে তাপপ্রবাহের বদলে (South Bengal) দেখা যাবে শুধুই বৃষ্টির দাপট। তার জেরে এ মাসে বঙ্গবাসীকে গরমের অস্বস্তি ভোগ নাও করতে হতে পারে বলেই পূর্বাভাস হওয়া অফিসের (Weather Forecast)।

  • Assembly Election 2026: ভোট গণনা নিয়ে সতর্ক বিজেপি, কর্মীদের প্রস্তুত করতে বিশেষ কর্মশালা

    Assembly Election 2026: ভোট গণনা নিয়ে সতর্ক বিজেপি, কর্মীদের প্রস্তুত করতে বিশেষ কর্মশালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। মানুষও ঢেলে ভোট (Assembly Election 2026) দিয়েছেন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে সফল কমিশন। ৪ মে হবে ভোট গণনা। ভোট গণনার সময় যাতে কোনওরকম কারচুপি তৃণমূল না করতে পারে তাই কাউন্টিং নিয়ে সতর্ক বিজেপি। শিলিগুড়ি ও মালদায় বিশেষ বৈঠকে বসেছে গেরুয়া শিবির। শিলিগুড়ি, মালদায় এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা ও প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘‘এটা সাংগঠনিক মিটিং। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এসেছিলেন। মূলত, ভোটদান হওয়ার পর আর যে যে বিষয় নিয়ে প্রস্তুতি..কাউন্টিংয়ের প্রস্তুতি-সহ…কীভাবে আমরা সাংগঠনিক যে দায়-দায়বদ্ধতা রয়েছে সেগুলো পালন করব, মূলত এটা রেগুলার অর্গানাইজেশনাল মিটিং। যেখানে প্রাথমিক কিছু কথা বলা হয়েছে। তারপরে আমরা আমাদের যে কাজ দেওয়া হয়েছে সেগুলি করব।’’

    গণনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মশালা

    গণনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের জন্য ১০টি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের নেতৃত্বে শিলিগুড়ি ও মালদায় কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। শিলিগুড়িতে যে কর্মশালার আয়োজন করা হয় সেখানে- শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার…এই পাঁচ সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত ২৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির গণনাকর্মীরা ছিলেন। তাঁদের নিয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এখানে ভূপেন্দ্র যাদব ছাড়াও সাংসদদের মধ্যে মনোজ টিগ্গা, জয়ন্ত রায়-রা উপস্থিত ছিলেন। এরপরেই ভূপেন্দ্র যাদব চলে যান মালদায়। একইভাবে সেখানেও ২৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনাকর্মীদের নিয়ে আরও একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল।

    গণনাকর্মীদের নিয়ে দুই দিন কর্মশালা

    সার্বিকভাবে রাজ্য বিজেপির তরফে জানা যাচ্ছে, ১০টি বিভাগে এভাবেই ২৮-৩০টি করে বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হবে। গণনাকর্মীদের নিয়ে দুই দিন কর্মশালার করা হবে। সেখানে গণনা-কর্মীদের বিশেষভাবে প্রস্তুত করবে বিজেপি নেতৃত্ব। ভোট শেষ হয়ে গেছে। দুই দফায় রেকর্ড হারে ভোট পড়েছে রাজ্যজুড়ে। যা নিয়ে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের বাকি পর্বটুকু নির্বিঘ্নে শেষ করতে মরিয়া তারা। অর্থাৎ, গণনাও যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়। কিন্তু, তার আগে কলকাতা থেকে জেলা, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্ট্রংরুমকে কেন্দ্র করে নানা অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ লেগেই রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস দলীয় কর্মীদের সতর্ক করছে, অন্যদিকে সতর্ক রয়েছে অন্যান্য দলও। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটদানের পর রাজ্যে বিজেপির সরকার গড়া এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

  • Donald Trump: ট্রাম্প কি ‘মানসিকভাবে সুস্থ?’ মার্কিন আইনপ্রণেতার প্রশ্নে ক্ষিপ্ত আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    Donald Trump: ট্রাম্প কি ‘মানসিকভাবে সুস্থ?’ মার্কিন আইনপ্রণেতার প্রশ্নে ক্ষিপ্ত আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)-এর মানসিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সরব হলেন বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা। কংগ্রেসের শুনানিতে (US Congress) এই প্রশ্ন ঘিরে তীব্র বাকবিতণ্ডা দেখা যায়। প্রশ্নের মুখে পড়েন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ (Pete Hegseth)। ইরানকে কেন্দ্র করে চলা সংঘাতের আবহে ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য—বিশেষ করে “পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যাবে” এই ধরনের হুমকি—নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই প্রেক্ষিতেই কংগ্রেসে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন ডেমোক্র্যাট সাংসদ সারা জেকব্স (Sara Jacobs)। তাঁর প্রশ্ন ছিল, ট্রাম্প কি “কমান্ডার-ইন-চিফ” হওয়ার মতো মানসিকভাবে স্থিতিশীল?

    প্রেসিডেন্টকে রক্ষার চেষ্টা

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ-পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে কংগ্রেসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মানসিক স্থিতিশীলতা’ এবং তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘অসংলগ্ন’ পোস্টগুলো নিয়ে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর একটি পোস্টে এমনকি ইরানের ‘পুরো সভ্যতা’ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। ক্যাপিটল হিলে শুনানির সময় এই প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ যা বলেছেন, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সেখানে তিনি সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উত্তর না দিয়ে প্রেসিডেন্টকে রক্ষার চেষ্টা করেন।

    ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রশ্ন

    ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা সারা জেকব্স প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথকে জিজ্ঞেস করছেন, ‘কমান্ডার ইন চিফ’ হওয়ার মতো ট্রাম্প ‘মানসিকভাবে যথেষ্ট স্থিতিশীল’ কি না। সারা বলেন, “আমাদের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে এই প্রশ্নটি করতেও আমার কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে, আপনারা কি মনে করেন যে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়ক হওয়ার জন্য মানসিকভাবে যথেষ্ট স্থিতিশীল?” এ সময় অনেকটা বিরক্ত মুখে প্রতিরক্ষামন্ত্রী দ্রুত প্রেসিডেন্টের সমর্থনে এগিয়ে আসেন। তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন, ট্রাম্পের পূর্বসূরি জো বাইডেনের ক্ষেত্রেও কি চার বছর ধরে একই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। জেকব্স উত্তর দেন, জো বাইডেন এখন প্রেসিডেন্ট নন। ট্রাম্প দেড় বছর ধরে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন। রাগান্বিত হেগসেথ বলেন, ‘আপনি কমান্ডার ইন চিফকে যেভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন, আমি সেই পর্যায়ে তর্কে জড়াব না।’ পরে তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্প একজন ‘অসাধারণ কমান্ডার ইন চিফ, যিনি আমাদের সৈন্যদের স্বার্থকে সবার আগে দেখেন। জেকব্স যুক্তি দেন যে ট্রাম্পের আচরণ নিয়ে উদ্বেগ দলমত নির্বিশেষে সবার মধ্যেই রয়েছে এবং এ প্রসঙ্গে তিনি মার্জোরি টেইলর গ্রিন, ক্যান্ডেস ওয়েন্স, মেগিন কেলি, টাকার কার্লসন, অ্যালেক্স জোনস এবং স্টেফানি গ্রিশামের মতো ব্যক্তিত্বদের সমালোচনার কথা উল্লেখ করেন।

    আমেরিকার সামরিক বাজেট

    হাউস ও সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সদস্যরা ট্রাম্প প্রশাসনের ২০২৭ সালের সামরিক বাজেট প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই প্রস্তাবে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়ে ঐতিহাসিকভাবে ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সামনে হেগসেথ বলেন, এই রেকর্ড পরিমাণ বাজেটের অনুরোধ বছরের পর বছর ধরে চলা ‘অল্প বিনিয়োগ এবং অব্যবস্থাপনা’ দূর করে ‘আমাদের বাহিনীকে বর্তমান ও ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করবে।’ হেগসেথ বলেন, ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারের এই বাজেট নিশ্চিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সক্ষম সামরিক বাহিনী হিসেবে টিকে থাকবে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই প্রস্তাবকে মার্কিন সামরিক শক্তির একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি শিল্প সক্ষমতা, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র এবং সৈন্যদের কল্যাণে বিনিয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি তরুণ তালিকাভুক্ত কর্মীদের বেতন ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করার কথা জানিয়ে বলেন, এই বাজেটের মাধ্যমে ‘নিম্নমানের বা জরাজীর্ণ সব ব্যারাক’ নির্মূল করা হবে। হেগসেথ আরও বলেন, একটি জাতির দ্রুত ও বড় পরিসরে উদ্ভাবন করা, নির্মাণ করা এবং যোদ্ধাদের সংকটকালীন প্রয়োজনগুলো মেটানোর সক্ষমতাই হলো তার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং টিকে থাকার মূল ভিত্তি।

    ট্রাম্পের মানসিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ কেন

    ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার মধ্যে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু হুমকিমূলক এবং উত্তেজনাকর পোস্ট করেন। এর মধ্যে অনেক পোস্ট মাঝরাতে করা হয়েছে, যখন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক ঘুমিয়ে থাকেন, যা তাঁর মানসিক সুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে, এমনই অভিমত সেনেটের। একটি বিশেষ ঘটনায় ট্রাম্প পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন। তিনি ঘোষণা করেন, ইরান যদি তাঁর দাবি মেনে না নেয়, তবে ‘এক রাতে একটি আস্ত সভ্যতা ধ্বংস হবে’। ট্রাম্প এআই-প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি নিজের একটি ছবিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাঁকে যিশুখ্রিষ্টের মতো একটি ঐশ্বরিক অবয়বে দেখানো হয়েছে এবং তাঁর হাত থেকে পবিত্র আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ছবিটি সরিয়ে নেন। তবে নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘ছবিটিতে আমাকে একজন চিকিৎসক হিসেবে দেখানোর কথা ছিল, যে মানুষকে সুস্থ করার কাজ করছে।’

  • TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনা কর্মী ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের (TMC)। সেই পোড়া মুখ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবারই দেশের শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে হয় শুনানি। সেখানেও মমতার দলকে মুখ পোড়াতে হয় ফের এক দফা।

    মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট (TMC)

    প্রসঙ্গত, গণনায় কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে? কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। তারপরই সটান সুপ্রিম কোর্টে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই মামলার শুনানির জন্যই তৈরি হয় বিশেষ বেঞ্চ। মামলা শোনে বিচারপতি পিএস নরসিং ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। তৃণমূলের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলার শুরুতেই চারটি বিষয় তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, “সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না।”

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন (TMC)। অপশন যখন আছে তখন আমরা কীভাবে বলি যে এই পদক্ষেপ নির্দেশিকা-বিরোধী? সার্কুলার অনুযায়ী দুজনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে পারেন।” তিনি (Supreme Court) বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, নয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী। যদি তারা একটা পুল থেকে নেয় তাহলে কখনওই অন্যায় নয়। অন্তত একজনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতেই হবে।” পাল্টা সিব্বল বলেন, “অর্থাৎ একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী হতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কেন্দ্রই হোক বা রাজ্য দুজনকেই সরকারি কর্মচারী হতে হবে। কিন্তু সমানুপাতিক কিছু বলা হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অফিসার। তিনি রাজ্য সরকারের কর্মচারী। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকবে (TMC)। স্বাভাবিকভাবেই এদের আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক।” সওয়াল জবাব শেষে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশন ১৩ এপ্রিল যে নির্দেশ দিয়েছে (Supreme Court), সেই নির্দেশই বহাল থাকবে। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের আবেদন। প্রসঙ্গত, কমিশনের তরফে এদিন আদালতে জানানো হয়, গত ১৩ এপ্রিল তারা যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে। তাই আদালত অতিরিক্ত আর কোনও নির্দেশ দেয়নি। আপাতত আর কোনও নির্দেশের প্রয়োজনও নেই বলেই মনে করেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা (TMC)।

     

LinkedIn
Share