Tag: বাংলা খবর

  • Vaibhav Sooryavanshi: সচিনের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি, ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পেলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী

    Vaibhav Sooryavanshi: সচিনের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি, ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পেলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটের উদীয়মান নক্ষত্র বৈভব সূর্যবংশীর (Vaibhav Sooryavanshi) মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক। অনূর্ধ্ব-১৯ ও এমার্জিং দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এবার বড়দের ক্রিকেটে পা রাখলেন ১৫ বছর বয়সি এই বাঁহাতি ওপেনার। আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে নজরকাড়া ব্যাটিংয়ের পুরস্কার হিসেবে তাঁকে ভারত ‘এ’ (India A Team) দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    আইপিএলের বিধ্বংসী ফর্ম ও জাতীয় দলের হাতছানি (Vaibhav Sooryavanshi)

    চলতি আইপিএলে রাজস্থানের জার্সি গায়ে বৈভবের (Vaibhav Sooryavanshi) ব্যাটে রানের বন্যা বয়ে গিয়েছে। মাত্র ১১ ম্যাচে ৪০ গড় এবং ২৩৬.৫৫-এর অবিশ্বাস্য স্ট্রাইক রেটে তিনি ৪৪০ রান সংগ্রহ করেছেন। টুর্নামেন্টে একটি শতরান (১০৩ রান) ও দুটি অর্ধশতরান করে কমলা টুপির লড়াইয়েও প্রথম সারিতে রয়েছেন তিনি। বৈভবের (India A Team) এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শৈলী দেখে বিশেষজ্ঞরা এখনই তাঁকে ভারতীয় জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ সম্পদ হিসেবে গণ্য করছেন।

    তিলক বর্মার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা সফর

    আগামী জুন মাসে শ্রীলঙ্কার মাটিতে একটি ত্রিদেশীয় এক দিনের সিরিজ খেলতে যাবে ভারত ‘এ’ দল। শ্রীলঙ্কা ও ভারতের পাশাপাশি এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে আফগানিস্তান। তিলক বর্মার নেতৃত্বাধীন ১৫ জনের এই দলে বৈভবকে (India A Team) সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৯ জুন থেকে শুরু হওয়া এই সিরিজ চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। এরপর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুটি চার দিনের ম্যাচও খেলবে ভারত, যার দল পরে ঘোষণা করা হবে।

    সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড কি বিপন্ন?

    ক্রিকেট মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, ভারত ‘এ’ দলের হয়ে এই সফরে বৈভব (Vaibhav Sooryavanshi) যদি নিজের ফর্ম বজায় রাখতে পারেন, তবে খুব দ্রুতই জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলে তাঁর অভিষেক হতে পারে। আর তেমনটা হলে কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় ক্রিকেটার (India A Team) হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদার্পণ করবেন তিনি।

    অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক

    উল্লেখ্য, চলতি বছরে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ে বৈভবের (Vaibhav Sooryavanshi) অবদান ছিল অনস্বীকার্য। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে তাঁর ১৭৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসটি ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘকাল মনে থাকবে। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এবার শ্রীলঙ্কার চ্যালেঞ্জ সামলাতে প্রস্তুত বিহারের এই তরুণ তুর্কি।

    ভারত ‘এ’ স্কোয়াড

    ভারত এ স্কোয়াড টিমে রয়েছে (India A Team) তিলক বর্মা (অধিনায়ক), রিয়ান পরাগ (সহ-অধিনায়ক), প্রিয়াংশ আর্য, বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ বদোনি, নিশান্ত সিন্ধু, হর্ষ দুবে, সূর্যাংশ শেরগে, প্রভসিমরন সিংহ (উইকেটরক্ষক), কুমার কুশাগ্র (উইকেটরক্ষক), বিপরাজ নিগম, যশ ঠাকুর, যুদ্ধবীর সিংহ, অংশুল কম্বোজ ও আরশাদ খান।

  • BJP Government: বাঙালির পাতে পাঁচ টাকায় মাছ-ভাত, নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য বিজেপির

    BJP Government: বাঙালির পাতে পাঁচ টাকায় মাছ-ভাত, নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছিল বাঙালির চিরন্তন ‘মাছ-ভাত’ (Fish and Rice Meal)। তৃণমূলের মতো বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে বিজেপি-কে ‘বাঙালি সংস্কৃতি বিরোধী’ এবং ‘নিরামিষাশী দল’ হিসেবে চিহ্নিত করার যে চেষ্টা চালানো হয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পর এক অভাবনীয় প্রকল্পের মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিল বর্তমান রাজ্য সরকার (BJP Government)। অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যি, এবার মাত্র ৫ টাকায় সাধারণ মানুষের থালায় মিলবে মাছ-ভাত। সরকারের এই ঘোষণায় খুশির হাওয়া রাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে।

    অপপ্রচারের অবসান ও পাল্টা কৌশল (BJP Government)

    রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “মা ক্যান্টিন প্রকল্পেও বড় বদল ঘটবে। এখন যেখানে ডিম-ভাত দেওয়া হয়, সেখানে ভবিষ্যতে মাছ-ভাতও দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ৫ টাকায় খাবারের সুবিধা আগের মতোই থাকবে।”

    নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছিল যে, বিজেপি (BJP Government) ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে (Fish and Rice Meal) হস্তক্ষেপ করা হবে এবং মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকি ‘বহিরাগত’ তত্ত্বকে হাতিয়ার করে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি না বোঝার অভিযোগও তোলা হয়েছিল। তবে বিজেপি নেতৃত্ব প্রথম থেকেই এই অভিযোগকে খণ্ডন করে আসছিল। নির্বাচনী লড়াই চলাকালীন অনুরাগ ঠাকুর থেকে শুরু করে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বা ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেনের মতো নেতাদের মাছ-ভাত খাওয়ার ছবি ও ভিডিও জনমানসে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছিল।

    মাছ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা ও তাপস রায়ের দাবি

    খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (BJP Government) নির্বাচনী জনসভায় দাঁড়িয়ে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের মৎস্য (Fish and Rice Meal) সংকটের বিষয়ে। তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন যে, দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও তৃণমূল সরকার মাছের মতো একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয়েছে এবং বাংলাকে ভিনরাজ্যের মাছের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে। অন্যদিকে, তাপস রায়ের মতো নেতারা দাবি করেছিলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে সাধারণ মানুষের পাতের মাছ ক্রমশ দুর্লভ হয়ে উঠেছিল।

    ৫ টাকায় মাছ-ভাত: অবিশ্বাস্য বাস্তবায়ন

    সাধারণত বাজারে এক থালা মাছ-ভাতের (Fish and Rice Meal) দাম যেখানে ৩৫ থেকে ৪০ টাকার নিচে নয়, সেখানে মাত্র ৫ টাকায় এই আহার পরিবেশন করার সিদ্ধান্তকে একটি বড় ধরনের জনকল্যাণমূলক বিপ্লব হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যও একাধিকবার তাঁর বক্তব্যে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের অধিকারকে সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সরকারের (BJP Government) এই নয়া পরিকল্পনা সেই প্রতিশ্রুতি পালনেরই এক বাস্তব প্রতিফলন।

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫ টাকায় মাছ-ভাত দেওয়ার এই পদক্ষেপ কেবল একটি কল্যাণমূলক প্রকল্প নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তাও। এর মাধ্যমে বিজেপি (BJP Government) প্রমাণ করতে চাইছে যে, তারা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রাকে আরও সহজলভ্য করতে বদ্ধপরিকর। মাছ-মাংস (Fish and Rice Meal) বন্ধ হয়ে যাবে—এমন ভ্রান্ত ধারণাকে সমূলে বিনাশ করে এই প্রকল্প এখন রাজ্যবাসীর মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

    বাঙালির রসনাতৃপ্তির এই নজিরবিহীন উদ্যোগ আগামী দিনে রাজ্যের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক মানচিত্রে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

  • Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার আবহে ভারতের কূটনৈতিক গুরুত্ব আরও একবার সামনে এল। ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে এসেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। তাঁর এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ইরান-ইজরায়েল সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব জ্বালানি বাজার, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সফর শুধু একটি বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ নয়, বরং ভারতের প্রতি ইরানের কৌশলগত বার্তা বহন করছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও মেরুকরণের আবহেও ভারত যে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ‘স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি’ বজায় রাখা পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, তা প্রকাশ্যেই প্রশংসা করেছে তেহরান।

    ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ঘনীভূত হওয়ার পর বহু দেশকে একপক্ষ বেছে নেওয়ার চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ভারত এখনও পর্যন্ত কোনও সংঘাতে সরাসরি পক্ষ না নিয়ে কূটনৈতিক সংলাপ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার নীতিতে অটল রয়েছে। ইরান এই অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে অতিরিক্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘচি ভারতকে আশ্বস্ত করেছেন যে, সামুদ্রিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলির জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল সামুদ্রিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমানো, পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত-ইরান কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী?

    বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ করিডর হল হরমুজ প্রণালী। পারস্য উপসাগর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাস পরিবহণের বড় অংশ এই সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের উল্লেখযোগ্য অংশ এই রুট দিয়েই আসে। ফলে হরমুজে কোনও অস্থিরতা দেখা দিলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে—

    আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দামে

    • ● ভারতের জ্বালানি ব্যয়ে
    • ● শিপিং খরচে
    • ● সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি স্থিতিশীলতায়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই আশ্বাস ভারতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

    চাবাহার বন্দর নিয়ে ফের জোর ভারত-ইরান সম্পর্কে

    বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল চাবাহার বন্দর প্রকল্প। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই বন্দরকে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগত বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে দেখছে।

    চাবাহারের মাধ্যমে ভারত—

    • ● পাকিস্তানকে বাইপাস করে আফগানিস্তানে প্রবেশাধিকার পায়
    • ● মধ্য এশিয়া ও ইউরেশিয়ার বাজারের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে পারে
    • ● আঞ্চলিক বাণিজ্য করিডর শক্তিশালী করতে পারে

    বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক জটিলতা থাকা সত্ত্বেও চাবাহার নিয়ে ভারত-ইরান সহযোগিতা অব্যাহত থাকা প্রমাণ করে যে দুই দেশ দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে আগ্রহী।

    একদিকে ইরান, অন্যদিকে ইউএই—ভারতের ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ কৌশল

    ভারত বর্তমানে শুধু ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে না, একইসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE), সৌদি আরব-সহ উপসাগরীয় শক্তিগুলির সঙ্গেও কৌশলগত ও জ্বালানি সম্পর্ক জোরদার করছে। নয়াদিল্লি খুব সচেতনভাবে এমন এক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, যেখানে কোনও এক ব্লকের উপর নির্ভরশীল না হয়ে একাধিক শক্তির সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক রক্ষা করা হচ্ছে। কূটনীতিকদের মতে, ভারতের এই বহুমুখী কৌশলের মূল লক্ষ্য—

    • ● দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
    • ● গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট সুরক্ষিত রাখা
    • ● আঞ্চলিক সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে কৌশলগত সুবিধা ধরে রাখা
    • ● ব্রিকস মঞ্চে ভারতের বাড়তি প্রভাব

    ভারত এখন স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি

    বিশ্ব রাজনীতিতে যখন আমেরিকা, চিন, রাশিয়া-সহ বড় শক্তিগুলির প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, তখন ব্রিকসের মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কৌশলগত পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক স্পষ্ট করেছে যে ভারত এখন শুধু দক্ষিণ এশিয়ার শক্তি নয়, বরং পশ্চিম এশিয়া ও ইউরেশিয়ার ভূরাজনীতিতেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে উঠে আসছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রীর এই সফর আরও একবার তুলে ধরল, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময় ভারতকে ক্রমশ একটি স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে—যে দেশ একইসঙ্গে সংলাপ, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

  • Dilip Mondal: তৃণমূলের দিলীপ মণ্ডলের ‘রাজপ্রাসাদে’ পুলিশি অভিযান, নিখোঁজ বিধায়ক, এলাকায় চাঞ্চল্য

    Dilip Mondal: তৃণমূলের দিলীপ মণ্ডলের ‘রাজপ্রাসাদে’ পুলিশি অভিযান, নিখোঁজ বিধায়ক, এলাকায় চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের প্রভাবশালী তৃণমূল (TMC MLA) বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের (Dilip Mondal) পৈলানের বিলাসবহুল বাসভবনে মঙ্গলবার সকালে এক বিশাল পুলিশ বাহিনী হানা দেয়। সামাজিক মাধ্যমে উস্কানিমূলক মন্তব্য ও হুমকির জেরে তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েও বাড়ির ভেতরে বিধায়কের হদিস পাওয়া যায়নি। তল্লাশির সময়ে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী আর সাজজ্জা দেখে স্তুম্ভিত পুলিশ। বিশাল বাগান, প্রসাদ, সুইমিং পুল থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের মূর্তি— এ যেন ফাইভ স্টার রিসর্ট।

    প্রাসাদে তল্লাশি ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাত্রা (Dilip Mondal)

    পুলিশ যখন পৈলানের সেই সুউচ্চ পাঁচিল ঘেরা বাড়িতে প্রবেশ করে, তখন বিধায়কের (Dilip Mondal) আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাত্রার এক অভূতপূর্ব চিত্র সামনে আসে। বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সেই বাসভবনটি যেন কোনও রাজপ্রাসাদ। তার ভেতরে ব্যক্তিগত সুইমিং পুল, বাহারি ফোয়ারা এবং অত্যন্ত পরিপাটি লন নজর কেড়েছে তদন্তকারীদের। বাগানের সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ ও ময়ূরের প্রমাণ সাইজ মূর্তি। বাড়ির কর্মীদের দাবি, শপথ গ্রহণের পর থেকে বিধায়ক আর এই প্রাসাদে ফেরেননি।

    অভিযানের কারণ ও আইনি প্রেক্ষাপট

    ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি তৃণমূল (TMC MLA)  বিধায়কের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তাঁকে সরাসরি হুমকি দিতে শোনা যায়। ভিডিওটিতে দিলীপ মণ্ডল (Dilip Mondal) বলেন, “অনেক সংযম দেখিয়েছি, ১৫ বছর শান্তিতে রেখেছিলাম। আর হবে না।” এই মন্তব্যকে উস্কানিমূলক হিসেবে গণ্য করে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মোট চারটি ধারায় মামলা রুজু করেছে, যার মধ্যে দুটি ধারা অত্যন্ত কঠোর ও জামিন অযোগ্য।

    রাজনৈতিক জল্পনা ও বর্তমান পরিস্থিতি

    তৃণমূলের (TMC MLA) একজন গুরুত্বপূর্ণ বিধায়কের বাড়িতে পুলিশের এই সক্রিয়তা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের একাংশের মতে, আইনি পদক্ষেপ এড়াতেই তিনি বর্তমানে আত্মগোপন করেছেন। অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, অপরাধের গুরুত্ব বিচার করে আইন তার নিজের পথেই চলবে। তবে বিধায়কের বক্তব্য এলাকায় ভয় ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি করেছে তাই বিরোধী কর্মী-সমর্থকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এরপরই পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করে। অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে পৈলানের দিলীপ মণ্ডলের বিলাসবহুল বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।

    বর্তমানে দিলীপ মণ্ডলের (Dilip Mondal) পৈলানের বাড়িটি পুলিশি বেষ্টনীতে রয়েছে। নিখোঁজ বিধায়কের সন্ধানে পুলিশ রাজ্যজুড়ে তল্লাশি শুরু করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পুরো ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ও কৌতূহল বিরাজ করছে।

  • Mamata Banerjee: হাইকোর্টে মমতাকে ‘চোর চোর’ স্লোগান, ‘কৃতকর্মের ফল’ বললেন শমীক, কী প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর?

    Mamata Banerjee: হাইকোর্টে মমতাকে ‘চোর চোর’ স্লোগান, ‘কৃতকর্মের ফল’ বললেন শমীক, কী প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘চোর চোর স্লোগান শুনতে হল মমতাকে! কলকাতা হাইকোর্টের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল বৃহস্পতিবার। ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং বুলডোজার দিয়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এদিন  সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।  একেবারে আইনজীবীর কালো গাউন বা শামলা পরে।

    প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালতের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিগত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল সরকারের সময়ে চলা ভোট-পরবর্তী হিংসার সময় মমতা কোথায় ছিলেন এই প্রশ্ন তোলে বিজেপি। সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের আলোয় আসতে এই নাটক বলে তীব্র কটাক্ষ বিজেপির। উল্লেখ্য রাজ্যে বিগত সরকারের সকল দুর্নীতির মাথা স্বয়ং নেত্রী এই অভিযোগ তুলে আইনজীবীদের একাংশ চোর চোর স্লোগান দেয়। কোর্ট চত্বরে মুখ পুড়ল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর।

    এজলাসের ভেতরে বাদানুবাদ ও সওয়াল-জবাব(Mamata Banerjee)

    সকাল ১১টার কিছু আগে হাইকোর্ট (Calcutta High Court) চত্বরে পৌঁছে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আইনজীবীর বেশে হাজির হন প্রধান বিচারপতি পালের এজলাসে। সেখানে সওয়াল করেন তিনি। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে ছিল তিল ধারণের জায়গা নেই। আইনজীবী রীতঙ্কর দাস এবং শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত চত্বরে ভিড় জমতে শুরু করে। অভিযোগ ছিল, হগ মার্কেট এলাকায় জেসিবি দিয়ে ইমারত ভাঙা হয়েছে এবং ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টে অ্যাডিশনাল সলিসেটার জেনারেল অশোক চক্রবর্তী তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগকে বাস্তব ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।

    ‘‘আদালত যেন নাটকের মঞ্চে পরিণত না হয়’’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এই মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্য পেশ করতে ওঠেন, তখন এজলাসের ভেতরেই উপস্থিত আইনজীবীদের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযোগ ওঠে, সওয়াল চলাকালীন এক আইনজীবী তাঁকে উদ্দেশে মন্তব্য করেন যে, আদালত যেন নাটকের মঞ্চে পরিণত না হয়। এই পরিস্থিতিতে উপস্থিত আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রুখে দাঁড়ান এবং কড়া ভাষায় পাল্টা জবাব দেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ে এজলাসের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত থমথমে। তার পরে এজলাস থেকে বেরোনোর সময়েই তৃণমূলনেত্রী যে মামলা লড়তে গিয়েছেন, সে কথা প্রত্যাশিত ভাবেই ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছিল হাইকোর্টের আইনজীবী মহলে। এরপর রাজ্যের ঘটে যাওয়ার একাধিক দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আদালত চত্বরে ‘চোর চোর’ স্লোগান ও উত্তেজনা

    আসল নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় শুনানি শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যখন আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসছিলেন। আইনজীবীদের (Calcutta High Court)  একটি বড় অংশ তাঁকে দেখে ‘চোর চোর’ এবং ‘পিসি চোর, ভাইপো চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই ঘটনায় উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীরা রীতিমতো হিমশিম খান। উত্তেজিত আইনজীবীদের ভিড় সামলাতে গিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আদালতের মূল প্রবেশদ্বারে থাকা মেটাল ডিটেক্টর গেটটি ধাক্কাধাক্কিতে উল্টে যায়।

    আদালত চত্বর ‘শুদ্ধ’ করার ডাক

    উপস্থিত আইনজীবীদের অনেকেই মোবাইলে এই ঘটনার ভিডিও করতে থাকেন। ক্ষুব্ধ এক আইনজীবী মন্তব্য করেন, “যিনি একসময় বিচারপতিদের সম্মান জানাতেন না, আজ তিনি নিজেই আদালতে আশ্রয় নিতে এসেছেন। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক।” এমনকি আদালত চত্বর ‘শুদ্ধ’ করার ডাক দিয়ে কেউ কেউ গোবর ও গঙ্গাজল ব্যবহারের দাবিও তোলেন। মোবাইল করে আইনজীবীরাই মমতার ছবি তুলতে থাকেন। গোটা পরিস্থিতির ভিডিও করতে থাকেন। আরও এক আইনজীবী বলেন, “হাইকোর্টকে আজকে গোবর, গঙ্গাজল দিয়ে শুদ্ধ করতে হবে। বিচারপতিদের সবচেয়ে বেশি অপমান করেছে তৃণমূল।”

    প্রাক্তনকে নিয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিতর্ক বা রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমানে তাঁর মূল ফোকাস রাজ্যের প্রশাসনিক কাজ এবং উন্নয়নমূলক দায়িত্ব পালনের উপরেই রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “এই বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আমাদের সামনে রাজ্যের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, তাই সেই দিকেই নজর দেওয়া প্রয়োজন।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর উপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি পরিষেবা এবং রাজ্যের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমের দিকে সমানভাবে নজর রাখতে হচ্ছে। সেই কারণেই বিতর্কিত বা রাজনৈতিক মন্তব্যে জড়াতে তিনি আগ্রহী নন। তাঁর কথায়, “এখন আমার অনেক দায়িত্ব। রাজ্যের সব দিকেই নজর দিতে হচ্ছে। তাই এ ধরনের বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই, আর আমি ব্যক্তিগতভাবেও এসব নিয়ে ভাবতে রাজি নই।”

    ‘‘এই অবস্থার জন্য দায়ী তৃণমূলই’’, বলল বিজেপি

    কোর্টে (Calcutta High Court)  মমতার (Mamata Banerjee)  এই নাটক দেখে এই ঘটনাকে তীব্র তোপ দেগে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপি আছে বলেই তৃণমূলের কর্মীরা এখনও বেঁচে আছেন, আমাদের কর্মীরাও তৃণমূলের ভাষা জানেন। তবে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে জয়ের পরেও ৩ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছে তৃণমূল। বাকি সব জায়গায় তৃণমূল বনাম তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে হত্যা হয়েছে।” শমীক জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক এই বিক্ষোভের সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এ ধরনের আচরণ বিজেপির রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। উনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং একজন মহিলা। তাঁকে দেখে রাস্তায় মানুষ ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেবে— এমন পরিস্থিতি বিজেপি তৈরি করে না। এই অবস্থার জন্য দায়ী তৃণমূলই।’’

    ‘‘কৃতকর্মের ফল একসময় ফিরে আসেই’’: শমীক

    তিনি আরও বলেন, ‘‘মানুষের কৃতকর্মের ফল একসময় ফিরে আসেই। যদিও আমরা চাই না এ ধরনের ঘটনা ঘটুক। বিজেপি সবসময় সুস্থ ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশের পক্ষেই রয়েছে। তৃণমূল অতীতে যা করেছে, বর্তমানের এই প্রতিক্রিয়া তারই ফল।’’ মমতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়েও শমীক দাবি করেন, এই বিক্ষোভ সম্পূর্ণ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তাঁরাও তৃণমূলের; আবার যাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, তাঁরাও তৃণমূলেরই অংশ। এখানে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। আসলে এটা তৃণমূলের ভিতরে সুবিধাভোগী এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব। এতদিন যারা সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বঞ্চিতরাই এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে।’’

  • Vande Mataram in Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে বাধ্যতামূলক রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Vande Mataram in Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে বাধ্যতামূলক রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্কুলে এবার বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র পাশাপাশি রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়ার নির্দেশ আসতে চলেছে। স্কুল শুরুর আগে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবেই গাওয়া হবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই জাতীয় গান। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেন, “সব বিদ্যালয়ে আগামী সোমবার থেকে প্রার্থনা সঙ্গীত হচ্ছে বন্দেমাতরম। নবান্নে (Nabanna) গিয়েই এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা জারি করব।”

    আগামী সোমবার থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের তরফে এই সংক্রান্ত বার্তা রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (ডিআই) এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলার স্কুল পরিদর্শক ও শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও নতুন নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী সোমবার থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বর্তমানে গরমের ছুটির কারণে অধিকাংশ স্কুল বন্ধ থাকলেও, প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক লক্ষ্মনা গোলে জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ মারফত নির্দেশ এসেছে। খুব দ্রুত লিখিত নির্দেশিকাও পৌঁছে যাবে স্কুলগুলিতে।

    নির্দেশ মানা হচ্ছে কিনা, সেই রিপোর্ট জমা করতে হবে

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শুধু ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করাই নয়, স্কুলে এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, সেই রিপোর্টও শিক্ষা দফতরে জমা দিতে হবে। অর্থাৎ, প্রার্থনার সময় রাষ্ট্রগীত গাওয়া হয়েছে কি না, তার নজরদারিও থাকবে প্রশাসনের। এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই শিক্ষা মহল এবং অভিভাবকদের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এতদিন অধিকাংশ স্কুলে প্রার্থনার সময় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ গাওয়া হত। অনেক স্কুলে আবার জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি নিজস্ব প্রার্থনা সঙ্গীতও ছিল। এর আগে পূর্বতন সরকারের আমলে বাধ্যতামূলকভাবে রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার জাতীয় সঙ্গীতের পর রাষ্ট্র গান ‘বন্দেমাতরম’ গান গাওয়া হবে।

    ‘‘জাতীয় চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ’’

    শিক্ষক সংগঠনগুলির একাংশ অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ (এবিআরএসএম)-এর নেতা অসীম দাস বলেন, “সাম্প্রদায়িকতার অজুহাতে এতদিন এই রাষ্ট্রগীতকে স্কুলে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ‘বন্দেমাতরম’ আমাদের জাতীয় চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। স্কুলে এটি চালু হওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপ।” আলিপুরদুয়ার জেলার স্কুল পরিদর্শক (প্রাথমিক) লক্ষ্মণা গোলে বলেন, ‘‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের একটা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিয়ে বিষয়টি কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।” ওই আধিকারিকের কথায়, এরপরেই ওই নির্দেশিকা বিভিন্ন স্কুল শিক্ষকদের গ্রুপে পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই সংক্রান্ত লিখিত অর্ডার হাতে আসবে। এরপরেই সমস্ত স্কুলগুলিতে তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    ‘‘বিকৃত ইতিহাস বদলের এটাই সঠিক সময়’’

    রাজনৈতিক মহলেও এই সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “বিকৃত ইতিহাস বদলের এটাই সঠিক সময়। নতুন প্রজন্মের সামনে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।” রাজ্যের নতুন সরকারের এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর থাকছে, নবান্ন থেকে জারি হওয়া চূড়ান্ত নির্দেশিকায় জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রগীত এবং স্কুলগুলির নিজস্ব প্রার্থনা সঙ্গীত নিয়ে কী স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

  • Annapurna Bhandar: নারী কল্যাণে নতুন দিগন্ত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, প্রকল্পের আবেদন পদ্ধতি ও উপভোক্তাদের যোগ্যতা কী কী জানেন?

    Annapurna Bhandar: নারী কল্যাণে নতুন দিগন্ত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, প্রকল্পের আবেদন পদ্ধতি ও উপভোক্তাদের যোগ্যতা কী কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে রাজ্যের নারীশক্তির ক্ষমতায়নে এক বড় পদক্ষেপ নিল বর্তমান বিজেপি সরকার (BJP goverment in Bengal)। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের পরিবর্তে এখন থেকে কার্যকর হতে চলেছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ (Annapurna Bhandar)। এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তার পরিমাণ দ্বিগুণ করে মাসিক ৩,০০০ টাকা করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই প্রকল্পের আবেদন পদ্ধতি ও উপভোক্তাদের যোগ্যতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

    ১ জুন থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে (Annapurna Bhandar)

    মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “সবাই পাবেন। যারা যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন, সবাই অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) পাবেন। সবই ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারে হবে। কিন্তু দেওয়ার আগে, ১ জুন…মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ১ জুন থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে। কিন্তু, তার আগে আমরা একটা অ্যানালিসিস করতে চাই, যাদের যাদের নাম কাটা গেছে তাঁরা যদি কেউ পান তাহলে তো তাঁদের পাওয়ার কথা নয়। যিনি মারা গেছেন, তাঁর পাওয়ার কথা নয়। যিনি আমাদের দেশের নাগরিক নন, তাঁর পাওয়ার কথা নয়। সুতরাং সেই অ্যানালিসিসিটা হবে, যাদের যাদের নাম কাটা গেছে তাঁদের মধ্যে কতজন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। তাঁদের নাম বাদ যাবে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে রাজ্যের প্রতিটি প্রকৃত নাগরিক যেন অত্যন্ত সহজে এই সরকারি সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। শিক্ষার স্তর যা-ই হোক না কেন, অনলাইনে আবেদন করতে কারো কোনো সমস্যা হবে না।”

    প্রকল্পের মূল খুঁটিনাটি

    • ● চালু হওয়ার তারিখ: আগামী ১লা জুন থেকেই যোগ্য উপভোক্তারা এই প্রকল্পের (Annapurna Bhandar) সুবিধা পেতে শুরু করবেন।
    • ● আবেদন পদ্ধতি: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হবে অনলাইনভিত্তিক।
    • ● সরলীকরণ: মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (BJP goverment in Bengal) জানিয়েছেন, প্রথাগত ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের পরিবর্তে এবার প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। যারা খুব বেশি শিক্ষিত নন বা প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত নন, তাদের কথা মাথায় রেখে আবেদনের পোর্টালটি অত্যন্ত সহজবোধ্য করে তৈরি করা হয়েছে।

    কারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন?

    প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে:

    • ১> লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা: যারা আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেতেন, তারা সকলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Bhandar) জন্য বিবেচিত হবেন।
    • ২> নাগরিকত্ব যাচাই: ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হবে। তবে যারা বাংলাদেশি বা অনুপ্রবেশকারী (রোহিঙ্গা), তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
    • ৩> CAA ও ট্রাইব্যুনাল আবেদনকারী: যারা সিএএ (CAA)-এর অধীনে আবেদন করেছেন বা যাদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে না। তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন।
    • ৪> মৃত উপভোক্তা: কোনও উপভোক্তা মৃত্যুবরণ করলে স্বাভাবিকভাবেই তার পরিবার এই প্রকল্পের সুবিধা আর পাবেন না।

    আবেদন করতে যে যে তথ্য লাগবে

    • আধার কার্ডের জেরক্স কপি
    • ভোটার কার্ডের জেরক্স কপি
    • রেশন কার্ডের জেরক্স কপি
    • ব্যাঙ্কের পাসবুকে জেরক্স কপি
    • সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট মাপের একটি কালার ছবি
  • Shantanu Sinha Biswas: বারবার তলব এড়িয়ে শেষমেশ ইডি দফতরে হাজির কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস

    Shantanu Sinha Biswas: বারবার তলব এড়িয়ে শেষমেশ ইডি দফতরে হাজির কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দফতরে অবশেষে হাজির হলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (DCP) শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির অফিসে পৌঁছন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দুই আইনজীবী। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক মামলায় তাঁকে তলব করলেও হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    লুকআউট নোটিস জারি করেছিল ইডি…

    বুধবারই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের খোঁজ পেতে নিরাপত্তা অধিকর্তাকে চিঠি পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর পরেই বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর ইডি দফতরে হাজিরা ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়। উল্লেখ্য, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুকে এর আগে একাধিকবার নোটিস পাঠিয়েছিল ইডি। গত ২৮ এপ্রিলও তাঁকে তলব করা হলেও তিনি হাজির হননি বলে সূত্রের খবর। বারবার তলব এড়িয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার (LOC) জারি করে। যাতে তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যে দেশের সমস্ত বিমানবন্দর, সীমান্তবর্তী বিএসএফ আউটপোস্ট এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।

    একাধিক অভিযোগ বিদ্ধ কলকাতা পুলিশের ডিসি…

    শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্তের পরিধি একাধিক মামলাকে ঘিরে বিস্তৃত। দক্ষিণ কলকাতার গ্যাংস্টার ‘সোনা পাপ্পু’-র বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি এবং আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে তাঁর নাম উঠে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এছাড়াও এনআরআই কোটায় ভর্তি দুর্নীতি মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। পাশাপাশি বালি পাচার মামলাতেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তলব করা হয়। অন্যদিকে, আর্থিক তছরুপের অভিযোগে বেহালার নির্মাণ ব্যবসায়ী তথা সান কনস্ট্রাকশনের মালিক জয় কামদার গ্রেফতার হওয়ার পর তদন্তে নতুন তথ্য হাতে আসে বলে দাবি ইডির। সেই সূত্র ধরেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার চেষ্টা আরও জোরদার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন কলকাতা পুলিশের এই শীর্ষ কর্তা। তাঁর জিজ্ঞাসাবাদে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারী মহলের।

  • West Bengal HS Result 2026: প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুরের আদৃত পাল

    West Bengal HS Result 2026: প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুরের আদৃত পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। ৭৬ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার সকালে ফল প্রকাশ করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সাংবাদিক বৈঠক করে সংসদের দফতরে এই ফল প্রকাশ করা হল। এই বছর উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও নেওয়া হয়। আবার পুরনো বার্ষিক পদ্ধতিতেও এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়।

    পাশের হারে এগিয়ে কে?

    চলতি বছর পরীক্ষায় নাম নথিভুক্ত করেছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৩১ জন। পরীক্ষা দিয়েছে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫৮ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৫৫ জন। পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৪.১৯ শতাংশ)। এর পর রয়েছে হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, পুরুলিয়া, দার্জিলিং। মোট ৬৪ জন প্রথম দশের তালিকায়। প্রথম দশে ৮ জন ছাত্রী। প্রথম দশে কলকাতার ৪ জন।

    মেধাতালিকায় প্রথম কে?…

    ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের আদৃত পাল। দ্বিতীয় স্থানে তিনজন রয়েছেন পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠের জিষ্ণু কুণ্ডু, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ঋতব্রত নাথ এবং ঐতিহ‍্য পাঁচাল। তৃতীয় স্থানে ৫ জন— দেবপ্রিয় মাঝি রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ পুরুলিয়া, তণ্ময় মণ্ডল রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ পুরুলিয়া, সৌম‍্য রায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, শুভায়ন মণ্ডল সিউড়ি পাবলিক, এবং প্রীতম বল্লভ পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ। চতুর্থ স্থানে ৬ জন— অরিত্র কুমার চক্রবর্তী (হুগলি), গোলাম ফাইসল (কলকাতা), অর্কদ্যুতি ধর (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), চন্দ্রচূড় সেন (কোচবিহার), মেঘনা মজুমদার (হুগলি) এবং ত্রিদেব চক্রবর্তী (পুরুলিয়া)।

    কী ভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    • ● প্রথমে https://result.wb.gov.in/ এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
    • ● এর পরই ফলাফল দেখার পাতাটি খুলে যাবে।
    • ● সেখানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।
    • ● তা হলেই পড়ুয়ারা দেখতে পেয়ে যাবেন ফল।

    এদিন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার জানিয়েছেন, নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করতে চলেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ফল প্রত্যাশিত না হলে, চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষার্থীরা ফের পরীক্ষায় বসতে পারবেন। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই জারি করা হবে।

  • Hantavirus: হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম কী? কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই রোগ? কারা আক্রান্ত হতে পারেন?

    Hantavirus: হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম কী? কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই রোগ? কারা আক্রান্ত হতে পারেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হঠাৎ করেই শরীরের উত্তাপ বাড়তে থাকে। সঙ্গে মাথার যন্ত্রণা! কয়েক দিনের এই উপসর্গের পরেই দেখা দেয়, বমি, তীব্র শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা জরুরি। না হলেই বড় বিপদ ঘটতে পারে! সম্প্রতি, হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম (HPS) নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সম্প্রতি দুজন ভারতীয় এই বিরল ভাইরাস (Hantavirus) ঘটিত অসুখে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অযথা বিভ্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সতর্কতা জরুরি। না হলেই সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে।

    হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম কী?

    হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম একটি ভাইরাস ঘটিত অসুখ। এটা মূলত ফুসফুসে হয়। হান্টা ভাইরাস থেকে ফুসফুসের সংক্রমণ ঘটে। এই রোগ ইঁদুরের থেকে মানুষের শরীরে সংক্রামিত হয়।

    কীভাবে এই রোগ সংক্রামিত হতে পারে?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ইঁদুরের থেকেই মানুষের শরীরে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে। ইঁদুরের লালা, মল কিংবা মূত্র থেকেই এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে‌। এমনকি ইঁদুর কামড়ালেও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আক্রান্তের শরীর থেকে আরেকজনের দেহে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    কীভাবে এই রোগ চিহ্নিত করা সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নির্দিষ্ট শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম সনাক্ত করা সম্ভব। তবে, তার আগে এই রোগের উপসর্গ সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। প্রচন্ড জ্বর, মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যার মতো প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেয়। এরপরে বমি এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। কাশিও হয়। এছাড়া বুকের মধ্যে ভারি কিছু জমে থাকার অনুভূতি হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিলেই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। সাধারণত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই আক্রান্ত চিহ্নিত করা সম্ভব। তবে অনেক সময় সিটি স্ক্যান এবং বুকের এক্স রে করার প্রয়োজন হয়। রোগী দ্রুত চিহ্নিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

    কাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

    যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম ইঁদুর থেকে হয়। তাই গ্রামাঞ্চলে এই রোগের প্রকোপ বেশি হতে পারে। বিশেষত যাঁরা গম ও চালের গুদামে কাজ করেন। তাঁদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তবে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি বিদেশের একটি ক্রুজ জাহাজে ভ্রমণকালে দুই ভারতীয়র শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তাই শুধু গ্রামীণ এলাকার মানুষ নন, শহুরে ভারতীয়দের ও সতর্ক থাকা জরুরি।

    এই ভাইরাস কেন উদ্বেগ বাড়াতে পারে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম প্রাণঘাতী একটি ভাইরাসজনিত অসুখ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশ্বের একাধিক দেশের তথ্য অনুযায়ী, ১০ জন হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম আক্রান্তের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়। এই রোগে আক্রান্তের মৃত্যু হার অনেকটাই বেশি। শ্বাসকষ্ট জনিত এই অসুখে বড় জটিলতা তৈরি হয়। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে জটিলতা বেশি দেখা যায়। যাদের ফুসফুসের অসুখ রয়েছে, এই রোগ তাদের জন্য বাড়তি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। কারণ এই ভাইরাস ফুসফুসকের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। ভারতে স্বাস্থ্য বিপর্যয় হয়নি। তবে আগাম সচেতনতা জরুরি। তবেই বড় বিপদ আটকানো‌ যাবে।

LinkedIn
Share