Tag: মাধ্যম

  • Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী পাক জঙ্গি (Pakistani Taliban Network) নেটওয়ার্কের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়ার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (TTP)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে গোপন অভিযান চালানো হয়েছে।

    ওয়ারেন্ট অফিসার-কে ঘিরে তদন্ত শুরু (Pakistani Taliban Network)

    তদন্তের সূত্রপাত হয় দুই মাস আগে নিখোঁজ হওয়া জনৈক ‘ওয়ারেন্ট অফিসার’-কে ঘিরে। ওই অফিসার কর্মস্থল থেকে পালিয়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি টিটিপি (TTP) আস্তানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর (Pakistani Taliban Network) হাতে ধরা পড়ার পর জেরায় তিনি বাংলাদেশে বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) ভেতরে টিটিপি-র রিক্রুটমেন্ট বা সদস্য সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন।

    গ্রেফতার ও আটক

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা, তেজগাঁও এবং চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটিতে চিরুনি তাল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে অন্তত দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার, দশ জন জুনিয়র কমিশনড অফিসার (JCO) এবং বেশ কয়েকজন বিমান সেনাকে গ্রেফতার (Pakistani Taliban Network) করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও অন্তত ডজনখানেক সদস্যকে আটক রাখা হয়েছে।

    পালিয়ে যাওয়া সদস্য

    তদন্তের আগেই অন্তত চার থেকে ছয় জন বিমান সেনা তুরস্ক, পাকিস্তান, পর্তুগাল ও নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই জহুরুল হক ঘাঁটির মসজিদের জনৈক ইমাম এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আক্রান্ত বিমান ঘাঁটিগুলোতে বেসামরিক (Bangladesh Air Force) কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি নিম্নপদস্থ কর্মীদের মোবাইল ফোন জব্দ করে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টিটিপি-র এই অনুপ্রবেশ মূলত স্পর্শকাতর ইউনিট যেমন রাডার অপারেশন এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল। কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলে টিটিপি-র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার একটি পরিকল্পনাও গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে।

    যদিও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দফতর থেকে পাকজঙ্গি (Pakistani Taliban Network) প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান বা গ্রেফতার নিয়ে কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিরাপত্তা তল্লাশি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের (Bangladesh Air Force) সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে উগ্রবাদী অনুপ্রবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

  • Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তী চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) রঘু রাই (Raghu Rai) আর নেই। রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ সকালে ৮৩ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় সংবাদচিত্র ও আলোকচিত্র জগতের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বিগত পাঁচ দশক ধরে রঘু রাই তাঁর ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাস, রাজনীতি, সাধারণ মানুষের জীবন এবং সংঘাতের মুহূর্তগুলিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া সাংবাদিক মহলে অপূরণীয় ক্ষতি।

    কর্মজীবন (Raghu Rai)

    ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঝং যা বর্তমানে পাকিস্তানে, সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন রঘু রাই (Raghu Rai)। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ঘটনাচক্রে আলোকচিত্র শিল্পী হয়ে ওঠেন। ১৯৬৬ সালে তিনি ‘দ্য স্টেটসম্যানে’ (The Statesman) চিফ ফটোগ্রাফার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী কালে তিনি কলকাতার বিখ্যাত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘সানডে’ এবং ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে পিকচার এডিটর ও ফটোগ্রাফার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে বিশ্বখ্যাত চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) অঁরি কার্তিয়ে-ব্রেসঁ (Henri Cartier-Bresson) তাঁকে বিখ্যাত ‘ম্যাগনাম ফটোস’ (Magnum Photos)-এ সদস্য হওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন।

    তাঁর ঐতিহাসিক কাজসমূহ

    রঘু রাইয়ের (Raghu Rai) লেন্স কখনও রাজনীতির চাণক্যদের বন্দি করেছে, আবার কখনও সাধারণ মানুষের চোখের জলকে তুলে এনেছে বিশ্বের দরবারে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে-

    ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা (১৯৮৪)

    তাঁর তোলা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ছবিগুলো (Legendary Photographer) বিশ্বজুড়ে শিহরণ জাগিয়েছিল এবং এই ট্র্যাজেডির ভয়াবহতা সবার সামনে ফুটিয়ে তুলেছিল।

    বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার (১৯৭১)

    মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলির ছবি তুলে তিনি (Raghu Rai) ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

    মাদার টেরেসা ও ইন্দিরা গান্ধী

    রঘু রাইয়ের তোলা মাদার তেরেসা এবং ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পোর্ট্রেটগুলি আজও অমলিন।

    শ্রদ্ধা ও সম্মান

    ১৯৭২ সালে ভারত সরকার রঘু রাই (Raghu Rai) ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করেছে ভারত সরকার। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শশী থারুর এবং অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার বিকেল ৪ টের সময় লোদি রোড শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি স্ত্রী এবং চার সন্তানকে রেখে গিয়েছেন। রঘু রাই (Legendary Photographer) বলতেন, “ক্যামেরা ছাড়া আমি আমার অভিজ্ঞতার প্রতি সৎ থাকতে পারি না।” তাঁর সেই সত্যনিষ্ঠ দৃষ্টি আজ ভারতের অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়ে গেল।

  • BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    সুশান্ত দাস

    প্রথম দফার ভোট মিটতেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শিবিরে যেন এক নতুন আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার হয়েছে। ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণের পর দলের অন্দরমহলে আশাবাদের সুর ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। এই আবহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বক্তব্য— প্রথম দফাতেই ১১০-র বেশি আসন জয়ের সম্ভাবনা— দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

    শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের ছাপ

    কলকাতায় সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। তাঁর মতে, এবারের ভোট শুধু আসনসংখ্যা বাড়ানোর লড়াই নয়, বরং ব্যবধান বাড়ানোর লড়াইও। ভোটের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে জনসমাগম দেখা গিয়েছে, সেটিকেই তিনি বিজেপির পক্ষে জনমতের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে মধ্যমগ্রামের রোড শো-এর অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা কতটা তীব্র।

    ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব’

    বিজেপির অন্দরে এই মুহূর্তে যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা হল— ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব।’ দলের নেতাদের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে শাসকবিরোধী মনোভাব বেড়েছে, আর সেই ক্ষোভই এবার ভোটে প্রতিফলিত হচ্ছে। নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার মতো ইস্যুগুলিকে সামনে রেখে বিজেপি নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে।

    “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা

    একই সঙ্গে বিজেপির প্রচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা। অমিত শাহের অভিযোগ, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে বিজেপি সমর্থকরা ভয়ের কারণে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। এবার সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে বলেই দলের বিশ্বাস। এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি একদিকে নিজেদের সমর্থকদের আরও সক্রিয় করতে চাইছে, অন্যদিকে নিরপেক্ষ ভোটারদের মধ্যেও আস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

    সংগঠন আরও মজবুত করায় নজর

    দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিজেপি এখন সংগঠন আরও মজবুত করার দিকে জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় তৃণমূলের শক্তি বেশি বলে ধরা হয়, সেখানেই বাড়তি নজর দিচ্ছে দল। দমদমের জনসভায় শাহের আক্রমণাত্মক ভাষণ সেই প্রস্তুতিরই অংশ। তিনি সরাসরি তৃণমূলকে নিশানা করে অভিযোগ করেন, ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে—আর সেই অভিযোগের জবাব দিতেই বিজেপি নেতৃত্ব আরও কড়া অবস্থান নিচ্ছে।

    ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট

    প্রচারের পাশাপাশি ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট করতে চাইছে বিজেপি। নারী সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ, কৃষকদের জন্য গবেষণা কেন্দ্র, এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত— এই প্রতিশ্রুতিগুলিকে সামনে এনে দল বোঝাতে চাইছে, তারা শুধু ক্ষমতায় আসতে চায় না, বরং প্রশাসনিক পরিবর্তন আনতেও প্রস্তুত।

    বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই…

    সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপির প্রচারে যে আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে, তা নিছক রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে গিয়ে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক লড়াইও তৈরি করছে। এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা অবশ্য নির্ভর করবে পরবর্তী দফার ভোট এবং চূড়ান্ত ফলাফলের উপর। তবে আপাতত বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই— এই লড়াইয়ে তারা পিছিয়ে নেই, বরং এগিয়ে থাকার বিশ্বাস নিয়েই পরবর্তী পর্যায়ে ঝাঁপাচ্ছে।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Bengal Elections 2026) মধ্যে রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, “হাবরার প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ১০ হাজার কোটি টাকার রেশন দুর্নীতি করেছেন। তার থেকে ৭৫ শতাংশ মমতার বাড়িতে পাঠিয়েছেন।” এই দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের একটি বিশাল অংশ সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। তাঁর নিশানায় ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ভোট আবহে রেশন দুর্নীতিতে তদন্ত

    শনিবার সকাল থেকেই সক্রিয় ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় একাধিক এলাকায় চলছে তল্লাশি অভিযান। ইডি-র কলকাতা জোনাল অফিস আজ প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট ২০০২ (পিএমএলএ) আইনকে মাথায় রেখে কলকাতা, বর্ধমান এবং হাবড়ার মোট ১৭টি ঠিকানায় তল্লাশি চালাচ্ছে। এই অভিযান নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ও অন্যান্যদের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এই এফআইআর বসিরহাট পুলিশ স্টেশনে দায়ের করেছিলেন ডেপুটি কমিশনার অফ কাস্টমস্ ঘোজাডাঙ্গা এলসিএস। তাতে বলা হয়েছিল, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম বা রেশনের গম পাচার হয়েছে। সেই নিয়েই শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলাতেই শনিবার এই অভিযান। এর মধ্যেই তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    ৭৫ শতাংশ অংশ টাকা গিয়েছে প্রভাবশালীদের কাছে (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “রেশন দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের অন্তত ৭৫ শতাংশ অংশ নির্দিষ্টভাবে প্রভাবশালী মহলে প্রেরণ করা হয়েছিল। মমতার বাড়িতে টাকা পৌঁছেছে । জেলখাটা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি সঠিক পথে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গেলেই এই আর্থিক লেনদেনের সমস্ত তথ্য জনসমক্ষে আসবে।”

    নির্বাচনী মরসুমে এই অভিযোগ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, “এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কেবল ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারেও ব্যবহার করা হয়েছে।”

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকসহ একাধিক ব্যক্তি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর রেডারে রয়েছেন। বিরোধী শিবিরের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণত এই ধরণের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবেই অভিহিত করে আসছে। তবে রেশন দুর্নীতি (Bengal Elections 2026) ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

    ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ায় প্রচার শুভেন্দুর

    অপর দিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা উপনির্বাচনকে (Bengal Elections 2026)  কেন্দ্র করে ভবানীপুর কেন্দ্রের রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়ছে। এই আবহে আজ সকালে এক ভিন্নধর্মী প্রচার কৌশলে অংশ নিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ভোরে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল চত্বরে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা ও জনসংযোগের মাধ্যমে নিজের প্রচার কর্মসূচি শুরু করেন।

    সকাল থেকেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শুভেন্দু অধিকারী সেখানে পৌঁছে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন। কোনও বড় মাপের সভা বা মিছিলের পরিবর্তে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই ছিল আজকের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

    অভাব-অভিযোগ শুনলেন শুভেন্দু

    জনসংযোগ চলাকালীন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভবানীপুর কেন্দ্রটি রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং তাঁদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ।” তিনি দাবি করেন, “এলাকার সাধারণ ভোটাররা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন চাইছেন এবং তার প্রতিফলন ভোটবাক্সে দেখা যাবে।”

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বিজেপি শিবির। শুভেন্দু অধিকারীর এই সকালের জনসংযোগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি মেনেই এই শান্ত ও সুশৃঙ্খল প্রচার চালানো হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছ।

  • Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহের পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কাটিয়ে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ (Rainfall) হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি (Weather Update)

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের ওপর বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হতে পারে। বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বা কালবৈশাখীর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া দফতর। সতর্কতা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে। তবে রবিবার থেকে কলকাতাও ঝড়বৃষ্টি (Rainfall) হবে। রবিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস রয়েছে। একই ভাবে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং বীরভূমে ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। সমুদ্রের উপরে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ইতিমধ্যে বঙ্গপোসাগরে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    কলকাতার পরিস্থিতি

    কলকাতায় আকাশ আংশিক মেঘলা (Weather Update) থাকার সম্ভাবনা থাকলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। তবে বিকেলের পর শহরের কোনও কোনও অংশে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপমাত্রার পারদ সামান্য হলেও নামাতে সাহায্য করবে। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৬ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.১ ডিগ্রি বেশি। কৃষিজীবী এবং সাধারণ মানুষকে বজ্রপাতের (Rainfall) সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খোলা মাঠে কাজ করার সময় বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে দাবি করেছেন যে, ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই আসলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দুদের উত্তরসূরি। বর্তমানে আমেরিকা সফরে থাকা হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের সাংস্কৃতিক ডিএনএ এবং হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্য সংঘ শতবর্ষে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় মুসলিমদের ওরিজিন এক (RSS)

    আরএসএস-এর (RSS) সরকার্যবাহ হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারতের মাটিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের পূর্বপুরুষ একই। তাঁর মতে, ভারত একটি সাংস্কৃতিক দেশ এবং হিন্দুত্ব কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা ও জাতীয়তার পরিচয়। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমের পূর্বপুরুষ আদতে এই দেশের হিন্দু সমাজ থেকেই এসেছেন। ঐতিহাসিক কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উপাসনা পদ্ধতি পরিবর্তিত হলেও, তাঁদের উৎস এবং ডিএনএ অপরিবর্তিত রয়েছে।”

    সাংস্কৃতিক একাত্মতার বার্তা

    অনুষ্ঠানে দত্তাজী (Dattatreya Hosabale) আরও জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সামগ্রিক পরিচয় কোনও বিভেদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি সমন্বিত সংস্কৃতি। হিন্দু সমাজ সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে এবং সংঘ (RSS) সেই জাতীয় একাত্মতা প্রচারেই কাজ করে যাচ্ছে।”

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারত

    আমেরিকার বিভিন্ন প্রবাসী ভারতীয় এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)  ভারতের বর্তমান অগ্রগতি এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভূমিকার কথাকেই তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ভারতীয় চিন্তাধারা বা ‘ভারতীয়ত্ব’ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আরএসএস (RSS) নেতার এই মন্তব্য নতুন করে ভারতের জনতাত্ত্বিক ইতিহাস এবং সামাজিক কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতির পক্ষে তাঁর এই অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষকগণ।

  • Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) আবহে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং অসদাচরণের অভিযোগে ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে কমিশন (Election Commission India)। রাজনৈতিক ভাবে পক্ষপাতের জন্য হিঙলগঞ্জের ওসিকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে গতকাল । বসানো হয়েছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে পদক্ষেপ (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন (Bengal Elections 2026) চলাকালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। কমিশনের (Election Commission India) পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়মাবলী লঙ্ঘন করেছেন এবং তাঁদের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব ছিল। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:

    • কর্তব্যে গাফিলতি: কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
    • নিরপেক্ষতা: প্রতিটি পুলিশ কর্মীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
    • তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা: এই ৫ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হতে পারে।

    কমিশনের সাফ কথা, “শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনও প্রকার আপস করা হবে না। আধিকারিকদের আচরণে বিন্দুমাত্র ত্রুটি দেখা দিলে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।”

    সাসপেন্ড হওয়া আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই। এসডিপিও সজল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ ও উস্তি থানার আইসি শুভেচ্ছা বাগ।

    ২৯ এপ্রিল কোথায় কত বাহিনী?

    দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট (Bengal Elections 2026) হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২টি আসনে ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। আর এই শেষ দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে আরও কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন । কমিশন বঙ্গে অতিরক্ত ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠাবে বলে জানা গিয়েছে। ২৯৪টি আসনের জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন ৮৪ জন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দ্বিতীয় দফার জন্য ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে নিরাপত্তার দায়িত্বে। শুধু কলকাতায় থাকবে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের আগে ও পরের দিন শহরে থাকবে প্রায় ২২ হাজার আধা সামরিক বাহিনী। হিংসা মুক্ত নির্বাচন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য।

  • Ashok Lahiri: নীতি আয়োগের শীর্ষ নেতৃত্বে বঙ্গের দুই কৃতি, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী

    Ashok Lahiri: নীতি আয়োগের শীর্ষ নেতৃত্বে বঙ্গের দুই কৃতি, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা ‘নীতি আয়োগ’-এর (Niti Aayog) পুনর্গঠনে বিশেষ গুরুত্ব পেল পশ্চিমবঙ্গ। ভারত সরকারের এক সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বালুরঘাটের বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে (Ashok Lahiri) নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান (Vice Chairman) পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে, বিশিষ্ট অধ্যাপক গোবর্ধন দাসকেও এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অশোক লাহিড়ীর অবদান

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ হিসেবে অশোক লাহিড়ীর (Ashok Lahiri) কর্মজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। তিনি ইতিপূর্বে ভারত সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (CEA) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (ADB) মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে তাঁর এই নতুন দায়িত্ব উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এক নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অশোক লাহিড়ী ২০২১ সালে বালুরঘাট আসন থেকে বিজেপির বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এবার নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হননি। নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান খোদ প্রধানমন্ত্রী। পদমর্যাদার নিরিখে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর (Niti Aayog) সমকক্ষ। এবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থনীতি বিষয়ে কাজ করবেন অশোকবাবু। ভোটের মধ্যেও বঙ্গবাসীর কাছে এই সংবাদ অত্যন্ত আনন্দের।

    অধ্যাপক গোবর্ধন দাসের ভূমিকা

    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) সেন্টার ফর মলিকুলার মেডিসিন-এর অধ্যাপক গোবর্ধন দাসের নীতি আয়োগে অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জনস্বাস্থ্য এবং উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত গবেষণায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আয়োগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোতে বিশেষ সহায়ক হবে। কেন্দ্রীয় স্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় বাংলার দুই কৃতী ব্যক্তিত্বের নিযুক্তিতে যেমন রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয়, তেমনই জাতীয় উন্নয়নের রূপরেখা তৈরিতে বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতাদের গুরুত্বকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করল। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এই দুই ব্যক্তিত্বের মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নীতি আয়োগের (Niti Aayog) কর্মপদ্ধতি আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল হবে।

  • Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চলা তীব্র তাপপ্রবাহ (Weather Update) এবং রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের মাঝে অবশেষে স্বস্তির খবর শোনালো আবহাওয়া দফতর। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে-র সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের মূল ভূখণ্ডে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা (Early Monsoon 2026) স্বাভাবিক সময়ের কিছুটা আগেই প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের বায়ুমন্ডলীয় পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনই এই আগাম বৃষ্টির প্রধান কারণ হতে চলেছে।

    এল নিনোর বিদায় ও লা নিনার আগমন (Early Monsoon 2026)

    ২০২৫ সাল এবং ২০২৬-এর শুরুর দিকে এল নিনোর (El Niño) প্রভাবে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় শুষ্ক আবহাওয়া এবং চরম গরম লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিখ্যাত আবহাওয়াবিদ্যা (Weather Update)  সংস্থা ইসিএমডব্লুএফ (ECMWF) এবং ভারতের মৌসম ভবন (IMD) জানাচ্ছে, বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি স্তিমিত হয়ে আসছে এবং সেখানে ‘লা নিনা’ (La Niña) দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    সাধারণত লা নিনা ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) এবং তুলনামূলক শীতল আবহাওয়ার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে কৃষিপ্রধান এই দেশে খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে ভালো ফলনের আশা দেখা দিচ্ছে বলে গবেষকদের বিশেষমত।

    কেরালায় বর্ষার আগাম পদধ্বনি

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত ১ জুন কেরালায় বর্ষা (Early Monsoon 2026) প্রবেশের যে নির্ধারিত সময় থাকে, ২০২৬ সালে তা মে মাসের শেষ সপ্তাহেই অর্থাৎ সম্ভবত ২২ থেকে ২৫ মের মধ্যে ঘটে যেতে পারে। মৌসুমি বায়ু (Weather Update) যদি আন্দামান সাগরে সময়মতো সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে তার প্রভাবে মে মাসের শেষ দিকেই কেরালার উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বর্ষণ শুরু হবে।

    আইওডি (IOD) বা ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোলের প্রভাব

    কেবল লা নিনা নয়, ভারত মহাসাগরের নিজস্ব আবহাওয়া পরিবর্তন বা ‘ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল’ (IOD) পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি আইওডি ইতিবাচক থাকে, তবে তা মৌসুমি বায়ুকে (Weather Update) আরও শক্তিশালী করে তোলে। এর ফলে দেশের মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

     আইওডিও দফতরের আবহবিজ্ঞানী দেবেন্দ্র  ত্রিপাঠী বলেছেন,যখন ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশ পূর্বাঞ্চলের চেয়ে উষ্ণতর থাকে, তখন একটি ধনাত্মক আইওডি ভারতীয় উপমহাদেশের দিকে অধিক আর্দ্রতা নিয়ে আসে, যা সাধারণত মৌসুমি বায়ুকে শক্তিশালী করে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ঘটায়; অপরদিকে একটি ঋণাত্মক আইওডি মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়।

    বর্ষার আগমনের কাছাকাছি সময়ে, ভারত মহাসাগরীয় অপর প্রান্তভাগ (আইওডি) বর্ষার অনুকূলে থাকার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া তাপপ্রবাহের বিষয়টিও রয়েছে, যা মোকাবেলা করা প্রয়োজন। বছরের এই শুরুতে ভারত যে তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভব করছে, তা আসন্ন বর্ষা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    যখন তাপ উপরে ওঠে, তখন ভারত মহাসাগর থেকে আসা মৌসুমি বায়ু, যা সাধারণত আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তা আরও অনেক আগেই উপরে উঠতে পারে।

    সুতরাং, মে মাসের শেষের দিকে বায়ুমণ্ডল বা সমুদ্রে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তার কোনও পরিবর্তন না হলে, প্রায় ২৫ মে নাগাদ বর্ষা আসার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত যা মনে হচ্ছে, এ বছরও আগেভাগে বর্ষা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    দাবদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি

    এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই ভারতের একাধিক রাজ্যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশে চরম তাপপ্রবাহ বা হিটওয়েভ চলছে। কিন্তু আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের মতে, প্রাক-বর্ষার (Early Monsoon 2026)  বৃষ্টি যদি মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়, তবে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশের অধিকাংশ অংশ এই অসহনীয় গরম থেকে মুক্তি পাবে।

    কৃষি ও অর্থনীতিতে প্রভাব

    ভারতের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো বর্ষার ওপর নির্ভরশীল। আগাম বর্ষা মানেই কৃষকদের জন্য ধান এবং অন্যান্য খারিফ শস্য চাষের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া। গত বছরের ঘাটতি মেটাতে এই আগাম এবং স্বাভাবিক বৃষ্টি (Early Monsoon 2026) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। জলাধারগুলিতে জলের স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পানীয় জলের সংকটও অনেকাংশে কমবে বলে মনে কড়া হচ্ছে।

    আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস

    তবে আগাম বর্ষার খুশির খবরের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা সতর্কও করেছেন। হঠাৎ করে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে হড়পা বান বা বজ্রপাতের (Weather Update) আশঙ্কাও বেড়ে যায়। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল এবং উপকূলীয় এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় যখন গরমে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের, তখন ২০২৬ সালের এই সম্ভাব্য আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস। প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের এই যুগলবন্দী যদি সঠিক পথে চলে, তবে ভারতবাসী এ বছর এক মনোরম বর্ষাকাল (Early Monsoon 2026) উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আবহবিজ্ঞানীরা।

  • PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) পানিহাটির পর বারুইপুর থেকে জনসভা করছেন নরেন্দ্র মোদি। জোরকদমে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার। পানিহাটি থেকে আরজি করের নির্যাতিতার মাকে পাশে নিয়ে নারীসুরক্ষার বার্তা দিয়েছেন মোদি (PM Modi Election Rally)। বারুইপুরের সভা থেকেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। প্রধানমন্ত্রী পৌঁছতেই তাঁকে বারুইপুরের বিখ্যাত পেয়ারা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। মোদি বলেন, ‘‘আপনারা এত ক্ষণ রোদে অপেক্ষা করেছেন। আপনাদের এই তপস্যা বিফলে যেতে দেব না আমি। প্রতিদান দেব।’’

    সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) মোদি বলেন, ‘‘বাম্পার ভোটদান হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এমন দেখা যায়নি, যা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ করে দেখিয়েছেন। সর্বত্র এটা নিয়েই আলোচনা চলছে যে, বিজেপি কত ভোটে জিতবে। সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না। প্রথম দফা থেকে এটা নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফায় এই রেকর্ডও ভেঙে দিতে হবে। তৃণমূলের হারে সিলমোহর লাগাতে হবে।’’

    মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী তৃণমূল

    বারুইপুর থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গের পরিচিতি তছনছ করে দিয়েছে তৃণমূল। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার বাসিন্দাদের রোজগার ছিনিয়ে নিচ্ছেন। এখানকার যুবকদের নিজেদের ঘর ছেড়ে রোজগারের খোঁজে বাইরে পালাতে হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে, যখন তৃণমূল পুরোপুরি চলে যাবে আর বিজেপি আসবে।’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘সংসদে কী ভাবে তৃণমূল আর তার সঙ্গীরা মিলে মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করল, সকলে দেখেছেন। দেশ চায়, রাজনীতিতে মহিলাদের যোগদান বাড়ুক। তৃণমূল তা চায় না। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধীদের আইন সাজা দেবে। আমরা সেই সাজা দেওয়াব ক্ষমতায় এলে। তৃণমূল অপরাধীদের আড়াল করে। তৃণমূলের শাসনে মহিলারা সুরক্ষিত নন। বিজেপি সব কিছুর হিসাব নেবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

    একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally) সরব হয়েছেন সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে। তিনি বলেন,‘‘বালি, ইট, সিমেন্টে কাদের রাজত্ব চলে, তা সকলে জানেন। জমি অবৈধ ভাবে দখল করে নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট চলছে। সরকারের সহায়তা ছাড়া এটা চলতে পারে? কেউ নিজের জমিতে বাড়ি বানানোর চেষ্টা করলে তাঁদের সিন্ডিকেটের লোকজনকে টাকা দিতে হয়। এই পরিস্থিতি আমরা বদলাব।’’

    দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে যাদবপুরকে তোপ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দেওয়ালে দেশবিরোধী কথাবার্তা লেখা হচ্ছে। ছাত্রদের মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হচ্ছে। পড়াশোনা হচ্ছে না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে চাই। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকেন্দ্র বাঁচাতে পারে না, তারা রাজ্যকে কী বাঁচাবে?’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘বাংলায় বিপ্লব আসছে। তার মূলে এখানকার জনতাই রয়েছেন। ভারতের সংবিধান আপনাদের যে ভোটাধিকার দিয়েছে, তা-ই বিপ্লব আনতে সাহায্য করবে। আপনাদের সকলের কাছে তাই আমার বিনম্র আবেদন, বিজেপিকে জেতান। আপনারা আমাদের আশীর্বাদ করুন, আমরা আপনাদের স্বাধীনতা দেব। তৃণমূলের দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, নারীদের উপর অত্যাচার, বেকারত্ব থেকে স্বাধীনতা দেব।’’

    ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) উজ্জলা যোজনার গ্যাস নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন। তিনি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য তৃণমূল কিছুই করেনি। আমরা আপনাদের সেবা করব। ‘উজ্জ্বলা যোজনা’য় এই জেলায় আমরা ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি। ৩ লক্ষ গ্যাস তফসিলি জাতি, উপজাতি পেয়েছে। আরও অনেক সহায়তা করা হয়েছে। এই সম্প্রদায়ের জন্য কেন্দ্র অনেক প্রকল্প চালাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল নিজেও দলিতবিরোধী। কেন্দ্রের প্রকল্পেও বাধা দিচ্ছে। ৪ মে-র পর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। এই রাজ্যের দুর্দশাও দূর হয়ে যাবে। সকলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা পাবেন। পিএম, সিএম একsng, উন্নয়ন হবে দিনেরাতে।’’

LinkedIn
Share