Tag: Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee

  • Abhishek Banerjee: ইন্ডি জোটের বৈঠকের দিনই ইডির তলব অভিষেককে

    Abhishek Banerjee: ইন্ডি জোটের বৈঠকের দিনই ইডির তলব অভিষেককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) নোটিস পাঠাল ইডি। ১৩ সেপ্টেম্বর হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ওই নোটিসে। প্রসঙ্গত ১৩ সেপ্টেম্বর ইন্ডি জোটের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক রয়েছে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এই কমিটিতে রয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ এ নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) লেখেন, ‘‘১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের কো-অর্ডিনেশন কমিটির প্রথম বৈঠক। ওই কমিটির আমি একজন সদস্য। অথচ একটু আগেই আমাকে ইডির তরফে নোটিস পাঠানো হল। ওইদিনই আমাকে তলব করেছে ওরা।’’

    বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ 

    প্রসঙ্গত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও তলব করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। ধৃত কুন্তল ঘোষের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ডেকে পাঠায় ইডি। পরবর্তীকালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু। কালীঘাটের কাকুর মারফত সন্ধান মেলে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ইডি জানতে পারে এক সময় এই সংস্থার সিইও ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এই পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন তোলেন, ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) যদি ওই সংস্থার সিইও থাকেন, তাহলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি কোনও পদক্ষেপ কেন নিচ্ছে না?’’ বিচারপতি অমৃতা সিনহা সেদিন নির্দেশ দেন, এসংক্রান্ত তথ্য ১৪ সেপ্টেম্বর জমা দিতে হবে হাইকোর্টে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেরা করতে তাই ১৩ সেপ্টেম্বর ডেকে পাঠানো হল ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে।  প্রসঙ্গত, ১২ সেপ্টেম্বর স্পেন ও দুবাই সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঠিক তার পরের দিনই ডেকে পাঠানো হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে (Abhishek Banerjee) তলব করা হয়েছিল পঞ্চায়েত ভোটের আগে।

    কী বলছে বিজেপি

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Abhishek Banerjee) তলব নিয়ে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘ইডি, সিবিআই নিয়ে যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথা তৃণমূল বলছে, এসব শুনে মানুষ ক্লান্ত। তদন্তকারী সংস্থা কখন, কাকে ডাকবে, সেটা তো তাদেরই বিষয়। আর আমরা তো চাই ইন্ডি জোট আরও শক্তিশালী হোক। ভারতবর্ষের কোথায় কী জোট হচ্ছে, আমাদের জানার দরকার নেই। আমরা চাই বাংলা থেকে এই জোট আরও শক্তিশালী হোক।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ৫০০ টাকায় গ্যাস দেব, অভিষেকের মন্তব্যে বিরক্ত জোট শরিক বাম-কংগ্রেস

    Abhishek Banerjee: ৫০০ টাকায় গ্যাস দেব, অভিষেকের মন্তব্যে বিরক্ত জোট শরিক বাম-কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়া জোট জিতলেই গ্যাসের দাম হবে ৫০০ টাকা, এমন ঘোষণা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অন্যদিকে, জোটের অপর দুই শরিক কংগ্রেস এবং সিপিএম নেতারা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের (Abhishek Banerjee) একতরফা ঘোষণাকে ভালভাবে নিচ্ছেন না। উপরন্তু তাঁদের বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। চলতি মাসের ৫ তারিখে উপনির্বাচন রয়েছে ধূপগুড়িতে। সেখানে নির্বাচনী প্রচারে এমন ঘোষণা করতে শোনা যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। যা নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়েছে ইন্ডিয়া জোটের ভিতরেও। 

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) মন্তব্যে ক্ষোভ জোটের অন্দরেই

    প্রসঙ্গত, মুম্বইয়ে বিজেপি বিরোধী জোটের সমন্বয় কমিটির সদস্য হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল অবশ্য বলছে, ‘‘কো-অর্ডিনেশন বা সমন্বয় কমিটিতে যেহেতু রয়েছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee), তাই সেই ক্ষমতাবলে নাকি তিনি এমন ঘোষণা করতেই পারেন।’’ কিন্তু কংগ্রেসের নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য অভিষেকের (Abhishek Banerjee) একতরফা ঘোষণার বিরোধ করেছেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘এটা ওর ব্যক্তিগত মতামত। মুম্বইয়ে কমিটি গঠন হয়ে গিয়েছে। তাই এই সংক্রান্ত বিষয়ে একক ভাবে কোনওরকম মতামত প্রকাশ না করাই ভাল। যে (Abhishek Banerjee) যার মত কথা বলতে শুরু করলে, তাতে ভালো বার্তা যাবে না আমার মনে হয়। সবার মত নিয়েই আলোচনা করা উচিত।’’ অন্যদিকে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) এই মন্তব্যের বিরোধ করেছে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিও। পলিটব্যুরো সদস্য হান্নান মোল্লা বলেন, ‘‘এটাতো ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে। যে যার মতো দান করে বেড়াচ্ছে। এমন উদ্ভট কথার কোনও মানে হয় না। তাই এ কথার আমি কোনও জবাব দেব না।’’ 

    জমে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি

    এই আবহে বেশ জমে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি,  রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে বাম-কংগ্রেস শিবির। তৃণমূলের সঙ্গে এক মঞ্চে বসতে দেখা গিয়েছে বাম-কংগ্রেস নেতাদের। যা নিয়ে জোটকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “বাংলায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুস্তি করবেন। আর দিল্লিতে সীতারাম ইয়েচুরি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশাপাশি বসে বৈঠক করবেন, এটা কী ধরনের ব্যাপার। এটা তো চলতে পারে না। এখানে কুস্তি, দিল্লিতে দোস্তি আর মহারাষ্ট্রে মস্তি, এটা বেশিদিন চলবে না। বাংলার মানুষ ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: অভিষেককে কেন তলব নয়? ইডির কাছে জানতে চাইল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: অভিষেককে কেন তলব নয়? ইডির কাছে জানতে চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি  নিয়ে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ইডির কাছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ নেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতির নির্দেশ, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইডিকে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি

    দিনকয়েক আগেই ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’-এর অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ কোম্পানির অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। সেখান থেকে মেলে বেশ কিছু নথি। তার পরবর্তীকালে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করে। ইডির প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ এর প্রাক্তন সিইও হিসেবে রয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। প্রসঙ্গত ইডির দাবি এই ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ সংস্থাকে কাজে লাগানো হতো নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকার সাদা করার কাজে। ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ এর কাজ অবশ্য জানা গিয়েছে, পরামর্শদানে নামে বিভিন্ন সংস্থার কাছে টাকা নেওয়া। তবে কী ধরনের পরামর্শ ঠিক দেওয়া হতো, তা অবশ্য জানা যায়নি। যে সমস্ত কোম্পানিকে পরামর্শ দানের ভিত্তিতে তারা টাকা নিয়েছে সেই কোম্পানি বা সংস্থাগুলির অস্তিত্ব আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে ইডি। অন্যদিকে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ সংস্থাটি যে তাঁরই এটা কার্যত মেনে নিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ নিজেও। সোমবার ছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস এবং এখানেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ আমার সংস্থা।  

    বিচারপতি অমৃতা সিনহার পর্যবেক্ষণ

    বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিনহার পর্যবেক্ষণ যে ইডির বিজ্ঞপ্তিতেই বলা হচ্ছে ঐ সংস্থার মারফত কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাত্র একবারই তলব করা হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয়বার তলব কেন করা হয়নি সেটাই জানতে চেয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। মামলার (Calcutta High Court)পরবর্তী শুনানি ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিনহা এদিন জানিয়েছেন যে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তের জন্য গঠিত সিবিআই-এর বিশেষ তদন্তকারী দলই তদন্ত করবে পুর নিয়োগ দুর্নীতির। পাশাপাশি আদালতের (Calcutta High Court) নজরদারিতে চলবে এই দুর্নীতির তদন্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘লোকসভায় ৩৬ আসন জেতার শপথ নিন’, বিজেপি কর্মীদের বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘লোকসভায় ৩৬ আসন জেতার শপথ নিন’, বিজেপি কর্মীদের বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিরোধী জোটের ইন্ডিয়া নামকরণ নিয়েও কটাক্ষ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তিনি বলেন, ‘‘ইন্ডিয়া লিখলেই ভারতীয় হওয়া যায় না। রাষ্ট্রবাদী হওয়া যায় না। বৃটিশরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নামে আমাদের দেশে ব্যবসা করেছে। ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন কাশ্মীরে জঙ্গিহানা করেছে। তাই পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফেরাতে নরেন্দ্র মোদির হাত শক্তিশালী করতে আগলি বার ৪০০ পার। আর লোকসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩৬ আসন তুলে দেওয়ার শপথ নিন।’’

    তৃণমূল-সিপিএমকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    প্রসঙ্গত, সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসার আগুন এখনও ধিক ধিক করে জ্বলছে। এখনও দুর্গাপুর সহ বেশ কিছু পুরসভায় মেয়াদ শেষের পরও নির্বাচন হয়নি। তার ওপর ভোট লুট ও কারচুপির অভিযোগে সরব বিজেপি। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। আর ওই নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৩৫ টি আসনের টার্গেট নিয়ে ময়দানে নেমেছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করতে ও জনসম্পর্ক দৃঢ় করতে আসরে নেমেছে গেরুয়া শিবির। বৃহস্পতিবার বিকালে দুর্গাপুরের কল্পতরু ময়দানে ছিল বিজেপির জনসভা। সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপি বিধায়ক তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সভায় বক্তব্যের শুরু থেকে রাজ্যের তৃণমূল ও সিপিএমকে একই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সিপিএমকে আক্রমণ করে বলেন, ‘‘২০১১ সালে সিপিএমের বিরোধী দলনেতা ছিল। বেঙ্গালুরুতে সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে ভাব, ভালবাসা, প্রীতি তৈরি হয়ে গেছে তৃণমূলের। দিল্লিতে দোস্তি আর রাজ্যে কুস্তি করা যায় না। আপনারা কিছু বললে মানুষ বিশ্বাস করে না। বিজেপি লাগাতার সংগ্রাম করছে। তাই মানুষ বিশ্বাস করে। আর তাই নিচু তলার সিপিএম কর্মীদের বলছি, চোর পিসি-ভাইপোকে তাড়াতে বিজেপিতে আসুন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিধানসভায় হাসপাতাল খুলতে বললে, বলে টাকা নেই। রাস্তা করতে টাকা নেই। আর সারাদিন চুরি করে বেড়ায়।’’

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও সংযোজন, ‘‘কয়লা চুরি করে ফাঁক করে দিয়েছে তোলামূল। বীরভুম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জেলার এসপি ৪৩ কোটি টাকা করে তুলে নিয়ে চলে গেছে। আইপিএস-রা যদি ৪৩ কোটি তোলে, তাহলে ভাইপো কত কোটি তুলেছে ভাবুন। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে কাশিকর্ন শাখায় রুজিরার অ্যাকাউন্টে লালার কত কোটি টাকা গেছে হদিশ উঠে এসেছে।’’ বৃহস্পতিবার রাজ্যের বেকারত্ব নিয়েও সরব হন তিনি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘রাজ্যে ২ কোটি বেকার। নতুন কর্মসংস্থান নেই। ৫০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক। রাজ্যে ৩০ লক্ষ রাজ্য সরকারের স্থায়ী চাকরি ফাঁকা। ১৭ সালে পিএসসির শেষবার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। পুলিশ নিয়োগ বোর্ড উঠে গেছে। পিএসসি, স্টাফ সিলেকশন বোর্ড তুলে দিয়েছে। এসএসসিকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে তুলেছে। ১২ বছরে কোনও নিয়োগ নেই। ৭০টার বেশি পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতি। রাজ্যে দুর্নীতি আর তৃণমূল সমার্থক হয়ে গেছে। তাই তোলামূলের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে মানুষকে জোট বাঁধতে হবে।’’

    প্রসঙ্গ পরিবারবাদ

    ছাপ্পা, রিগিং, সন্ত্রাস নিয়েও তৃণমূলকে একহাত নেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘কর্পোরেশন, পুরসভায় ভিভি প্যাড ছাড়া ভোট করে জেতে তৃণমূল। পঞ্চায়েত ভোটে ডাকাতি করেছে। কয়লা চোর, বালি চোর, চাকরি চোর, ব্যালট চোর মমতা ব্যানার্জির তৃণমূলকে তাড়াতে হবে।’’ দেশজুড়ে আঞ্চলিক দলগুলির পরিবাররাজের বিরুদ্ধেও সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘মুলায়ম সিংয়ের মত পরিবারকে ফুলে ফেঁপে তুলতে চাইলে সাইকেল চিহ্নে ভোট দেবেন। চারা ঘোটালা চাইলে লালু প্রসাদের হ্যারিক্যানে ভোট দেবেন। কয়লা, বালি চোর, ব্যালট চোর গরু চোর চাইলে তোলামূলকে ভোট দেবেন। আর নিজের পরিবার, নিজের সমাজের, দেশের ভালো চিন্তা করলে বিজেপিকে ভোট দেবেন। তৃতীয় বারের জন্য নরেন্দ্র মোদির হাত শক্তিশালী করবেন।’’

    মমতার ইভিএম হ্যাক তত্ত্বের উত্তর

    পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘আফগানিস্তানে যেরকম হয়েছিল ধর্ম ছাড়ো, না হয় দেশ ছাড়ো, পশ্চিমবঙ্গে সেরকম আশঙ্কা করছি। তাই পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফিরে পেতে পারি, তার লড়াই চলছে। তাই নরেন্দ্র মোদির হাত শক্তিশালী করতে আগামী লোকসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩৬ আসন তুলে দেবো। এটাই আমাদের শপথ।’’ এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আগামী লোকসভায় এনএডিএ ইভিএম হ্যাক করার পরিকল্পনা করেছে। তার পাল্টা জবাবে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) চাঁছাছোলা আক্রমণ করে বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পঞ্চায়েত ভোটে বিডিও, এসডিও, পুলিশকে দিয়ে কারচুপি করেছে, ভোট লুট করেছে। তাই এসব বলার আগে ইভিএমের সঙ্গে ভিভি প্যাড লাগিয়ে সততা প্রমাণ করুন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০ জনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলে ওন্দা (Bankura) তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে ধর্নাতে বসলেন বহুল চর্চিত তৃণমূল সমর্থক প্রতিবাদী মহিলা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক প্রতারিত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূলের দলীয় পতাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মূল অভিযোগ হল ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে’র বিরুদ্ধে।

    মূল দাবি কী (Bankura)?

    প্রতিবাদী তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই! আশিষ দে তৃণমূলের কলঙ্ক। ওন্দা (Bankura) ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বিটের সহযোগিতায় প্রতারিত প্রিয়ঙ্কা গোস্বামী, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আশিষ দে’র কাছ থেকে অর্ধেক টাকা ফেরত পেলেও বাকিরা এখনও পর্যন্ত ফেরত পাননি। তাই আজ তাঁরা ওন্দা তৃণমূল ব্লক পার্টি অফিসের সামনে টাকা ফেরত পেতে ধর্নাতে বসেছেন।

    পুলিশের কাছে আগেও অভিযোগ করেছিলেন

    প্রসঙ্গত রামসাগরের (Bankura) বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামীর অভিযোগ ছিল, বর্তমানে ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে করোনা কালে ‘বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করেন’। এ বিষয়ে তিনি পুলিশেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে গত ১২ জুলাই রামসাগরে বাজারে তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী এবং তাঁর বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক করছিলেন। আর সেই সময় আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দোলন পরামানিক সহ অন্যান্যরা তাঁদের উপর হামলা চালান। পরে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনার পর গত ১৫ জুলাই ওন্দা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দলীয় কর্মী দোলন পরামানিককে ওন্দা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক আশীষ দে ও দোলন পরামানিকের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য গত ১২ এপ্রিল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দায় এলে আর্থিক প্রতারণার বিষয়টি তাঁর নজরেও এনেছিলেন এই প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বাড়ি ঘেরাও’ কর্মসূচি! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাড়ি ঘেরাও’ কর্মসূচি! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ থেকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও-এর নিদান দিয়েছিলেন মমতা-অভিষেক। এবার এই ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় শনিবার এফআইআর করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অভিযোগপত্রে বিরোধী দলনেতার দাবি, তৃণমূলের ওই কর্মসূচিতে বিজেপি নেতাদের প্রাণহানি হতে পারে। এমনকি, তাঁরও। অভিযোগপত্রে তিনি মমতা এবং অভিষেকের বক্তৃতার অংশও তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, এই ধরনের বক্তব্য ‘ঘৃণাভাষণ’।

    হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে দুর্নীতি সামনে আসায় তাতে অনুদান বন্ধ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুতে আগামী ২ অক্টোবর দিল্লি অভিযানের কর্মসূচি ঘোষণা করেন অভিষেক। পাশাপাশি তিনি, আগামী ৫ অগাস্ট বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও-এর কথাও বলেন। তিনি বলেন, ‘‘সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করে রাখবেন! একদম গণঘেরাও! বাড়ির কেউ বয়স্ক থাকলে তাঁকে ছেড়ে দেবেন। আর কাউকে ঢুকতেও দেবেন না, বেরোতেও দেবেন না।’’ এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ওই কর্মসূচিতে সামান্য বদল করেন। তিনি বলেন, বুথে নয়, প্রতি ব্লকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও হবে। তৃণমূলের এহেন কর্মসূচিকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলও বলছে, এতে নিশ্চিতভাবে হিংসা ছড়াবে। তৈরি হবে অশান্তির বাতাবরণ।

    রবীন্দ্র সরোবর থানাতেও অভিযোগ দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

    এই ইস্য়ুতে রবীন্দ্র সরোবর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা রাজর্ষি লাহিড়ীও। রাজর্ষির অভিযোগ, ‘‘তৃণমূলের শহিদ দিবসের সভা চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ৫ অগাস্ট সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বাংলার বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের কথা বলেন। এই বক্তব্য শুধুমাত্র গণতন্ত্র বিরোধী নয়, আইনেরও লঙ্ঘন। ভারতের পবিত্র সংবিধানে দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে চলাফেরার করার মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ধরনের বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত।’’ ঘটনাক্রমে অভিষেকের ঘোষণার পরেই রাজু হালদার নামে যুবমোর্চার এক কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রাজর্ষি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: অভিষেকের ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ, ভোটকর্মীদের আটকে দেদার ‘ছাপ্পা’ তৃণমূলের!

    Panchayat Elections 2023: অভিষেকের ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ, ভোটকর্মীদের আটকে দেদার ‘ছাপ্পা’ তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শনিবার রাজ্যে এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023)। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। আর তখন থেকেই, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়ে গিয়েছে বেপরোয়া রাজনৈতিক হিংসা। একদিকে যেমন ঝরছে রক্ত, তেমন অন্যদিকে, শাসকদলের বেলাগাম ভোট-সন্ত্রাস ও লুটের ছবি উঠে আসছে। যেমনটা হয়েছে ডায়মন্ড হারবার থেকে। 

    অভিষেকের কেন্দ্রে সন্ত্রাসের অভিযোগ

    রাজ্য রাজনীতিতে ডায়মন্ড হারবার গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে ডায়মন্ড হারাবারে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছিল বিরোধীরা। এবার সেই ছবি সামনে আসায় ফের বিরোধীদের দাবি জোরালো হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) শাসক দলের বিরুদ্ধে দেদার ছাপ্পার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। অভিযোগ, ভোটকর্মীদের আটকে রেখে ও ভয় দেখিয়ে ছাপ্পা মারার খবর পাওয়া গেছে। ভোটকর্মীদের মারধরও করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: কোচবিহারে পুড়ল ব্যালট, লুট উত্তর দিনাজপুরে! শাসক-সন্ত্রাস নিয়ে সরব সুকান্ত

    ঠিক কী বলছেন স্থানীয়রা?

    স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোট দিতে এসে তাঁরা দেখেন, তাদের ভোট পড়ে গিয়েছে। রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা মারার অভিযোগ উঠেছে। সেখানেও ইতি উতি ব্যালট পেপার পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে বেলাগাম ছাপ্পা মেরে ব্যালট বাক্স ভরিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। সকালে ভোটকেন্দ্রে এসে ব্যালট বাক্স খুলে সব ব্যালট ফেলে দেয় উত্তেজিত জনতা।

    ভাইরাল হয়েছে একাধিক ভিডিও 

    এই মর্মে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যদিও সেই ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘তৃণমূলের ছেলেরা রাতেই ছাপ্পা মেরেছে। সরকারি কর্মী, অফিসার ও পুলিশকে মারধর করা হয়েছে। আমরা সকালে এসে সেই ব্যালট বক্স (Panchayat Election 2023) বাইরে ফেলে দিয়েছি।’’ এক পুলিশকর্মীকে কাতরভাবে বলতে শোনা যায়, ‘‘রাতে এখানে অনেক লোকজন ঢুকে পড়েছিল। বোমা-বন্দুক দেখিয়ে আমাদের খুন করার হুমকি দেওয়া হয়। আমাদের মারধর করা হয়। আমরা কোনও প্রতিরোধ করতেই পারিনি। প্রাণের ভয় রয়েছে।’’

    ভাইরাল হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে করে জ্বলছে ব্যালট পেপার। রাতে ছাপ্পা মারার অভিযোগে সেই ব্যালট পেপারগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিরোধীরা। সেখানে অনেকগুলির ব্যালটে তৃণমূলের প্রতীকের উপর ভোটের ছাপ দেখা গিয়েছে। এই ভিডিয়ো সামনে আসার পর থেকেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক কনভয়কাণ্ডে ধৃত কুড়মি নেতাদের সকলের জামিন, মুখ পুড়ল সিআইডি-র

    Abhishek Banerjee: অভিষেক কনভয়কাণ্ডে ধৃত কুড়মি নেতাদের সকলের জামিন, মুখ পুড়ল সিআইডি-র

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগের দিন বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। মুখ পুড়ল সিআইডির। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কনভয়ের হামলা কাণ্ডে কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাত সহ সকলেই জামিন পেলেন। রাজেশ মাহাত প্রার্থীদের শুভেচ্ছা জানান। নবজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলা, মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় জামিন পেলেন কুড়মি নেতারা।

    কেন কুড়মি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল?

    ২৬ মে নবজোয়ার কর্মসূচি চলাকালীন ঝাড়গ্রাম থানার গড়শালবনি এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)  কনভয়ের উপর হামলা এবং মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সুয়োমুটো মামলা রুজু করে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। ঘটনার রাতেই ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ আদিবাসী নেগাচারি কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি অনুপ মাহাত সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। তারপরের দিন ওড়িশা সীমানা লাগোয়া এলাকার নয়াগ্রাম থানা এলাকা থেকে কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত, আদিবাসী জনজাতি কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি শিবাজী মাহাত সহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মামলা তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। ঘটনা তদন্তে নেমে সিআইডি আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করে। ঘটনায় মোট গ্রেফতার হন ১১ জন। সিআইডি রাজেশ মাহাত, শিবাজী মাহাতকে একাধিকবার নিজেদের হেফাজতে চেয়েও তাদের হেফাজতে পায়নি। এই প্রভাবশালী কুড়মি নেতাদের জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির দিন গড় শালবনির ঘটনায় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি চালক এবং ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি নবু গোয়ালা ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই মামলাতে ধৃত কুড়মি নেতাদের শোন অ্যারেস্ট এর জন্য ঝাড়গ্রামের সিজেএম আদালতে আবেদন মঞ্জুর করেছিল আদালত। অপরদিকে জামবনি থানার আরও দু’টি মামলাতেও যুক্ত করা হয়েছিল কুড়মি নেতাদের। এছাড়াও খেমাশুলিতে রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনাতেও খড়গপুর লোকাল থানার মামলাতেও যুক্ত করা হয় কুড়মি নেতাদের। সিআইডি-র মামলাটি ঝাড়গ্রামের এডিজে-১ আদালতে চলছিল। কয়েকদিন আগে রাজেশ মাহাত ও শিবাজী  মাহাত ছাড়া সবাই জামিন পেয়েছিলেন।

    জামিনে ছাড়া পেয়ে কী বললেন কুড়মি নেতা?

    শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রাম বিশেষ সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পেলেন কুড়মি আন্দোলনের দুই নেতা রাজেশ মাহাত ও শিবাজী মাহাত। গত বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন তাঁরা। এর আগে ঝাড়গ্রাম জেলার ছয়টি মামলায় জেলবন্দি কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাত ও শিবাজী মাহাত জামিন পেয়েও জেল থেকে বের হতে পারেননি। কারণ, খড়্গপুর লোকাল থানার খেমাশুলিতে জাতীয় সড়ক  অবরোধের পুরানো মামলা থাকায় তাঁদেরকে জেলে থাকতে হয়েছিল। এদিন মেদিনীপুর আদালত থেকে দুই নেতার জামিনের কাগজপত্র আসে ঝাড়গ্রাম জেলে। তারপর সেই নথি খতিয়ে দেখে জেল কর্তৃপক্ষ তাঁদের ছাড়েন। শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিষেক (Abhishek Banerjee) কনভয়কাণ্ডে জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাত বলেন,’আমরা আইনের উপর বিশ্বাস ভরসা রেখেছিলাম এবং ন্যায় বিচার আমরা পেয়েছি। আমাদের আন্দোলন  শান্তিপূর্ণভাবে চলবে। নির্বাচন পরিপ্রেক্ষিতে আমি সমস্ত প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানাই। জঙ্গলমহলের শান্তি বজায় রাখার দায়িত্ব সবার। সকলে শান্তি, মৈত্রী বজায় রাখবেন।’ তারপরেই হিন্দিতে রাজেশ বলেন,’সওয়াল বনগর ফির আঙ্গুয়া/ জবাব তেয়ার রাখনা/ জেল মে বিতে হুয়ে এদিন/ বেকার নেহি জায়েগা/ ফের এক এক দিনকা হিসাব রাখনা।’ তাঁর এই কথা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ‘যুবরাজের’ রোড শো-এর ঠেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত পাণ্ডুয়ায়

    Abhishek Banerjee: ‘যুবরাজের’ রোড শো-এর ঠেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত পাণ্ডুয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার কর্মসূচিতে পাণ্ডুয়াতে আসার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। কিন্তু তখন তা বাতিল হয়। এনিয়ে ক্ষোভ ছিল স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে এদিন তাই রোডশো করতে আসেন পাণ্ডুয়াতে। তবে তাঁর এই এক ঘন্টার রোড শো’র জেরে প্রায় ৫ ঘণ্টা জনজীবন বিপর্যস্ত হল পাণ্ডুয়াবাসীর। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটায় চপারে কালনা থেকে পাণ্ডুয়া ধানকল মাঠে আসেন তিনি। এরপর বিকেলে এই মেগা রোড শো শুরু হয় পাণ্ডুয়া কল বাজার থেকে কাকলি সিনেমা তলা পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার। জিটি রোডের ওপর এই রোড শো’র জন্য কয়েক হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার ও পুলিশ কর্মী দুপুর ১২ টা থেকেই ডিউটি ধরেন বিভিন্ন পজিশনে। এই কয়েক ঘণ্টায় পাণ্ডুয়ার বিভিন্ন এলাকাতে বিক্ষিপ্তভাবে লোডশেডিং হয়। যদিও বিদ্যুৎ দফতরের এক আধিকারিকের কথা অনুযায়ী লাইনে কাজ হওয়ার দরুন বিদ্যুৎ পরিষেবা মাঝে মধ্যে বিঘ্নিত হয়। 

    কী বলছেন বিরোধীরা?

    পাণ্ডুয়ার প্রাক্তন বিধায়ক সিপিএমের আমজাদ হোসেন বলেন, ‘‘অতীতে অনেক মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন পাণ্ডুয়াতে কিন্তু এরকম অবস্থা দেখেনি পাণ্ডুয়ার মানুষ। একজন সামান্য সাংসদের জন্য পুলিশ যা করেছে রাস্তা আটকে, দোকান বন্ধ করে এর জবাব ভোটবাক্সে পড়বে।’’ প্রসঙ্গত, নবজোয়ার কর্মসূচির সময়ও যে এলাকার ওপর দিয়ে তৃণমূল সাংসদের কনভয় গিয়েছে, সেখানেই জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছিল। একজন সাংসদের নিরাপত্তায় প্রশাসন যেন অতি সক্রিয়, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। 

    কী বলছে তৃণমূল?

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এদিন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) রোড শো’তে আশানুরূপ লোকও হয়নি। পাণ্ডুয়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ অবশ্য সাফাই দেন, ‘‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য লোক কম হয়েছে, তবুও যা হয়েছে তাকে জনজোয়ার আখ্যা দেওয়া যেতেই পারে।’’ এদিন এই রোড শো তে অভিষেকের গাড়িতে স্থানীয় বিধায়ক রত্না দে নাগ, সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত, ধনেখালি ও চাপদানির বিধায়ক অসীমা পাত্র এবং অরিন্দম গুঁই এবং জেলার মন্ত্রী  স্নেহাশিস চক্রবর্তী হাজির  ছিলেন। যদিও কোনও স্থানীয় নেতা ওই গাড়িটিতে জায়গা পাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে বলে দিলে দিদিও গারদে যাবে! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Nadia: অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে বলে দিলে দিদিও গারদে যাবে! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া জনরঞ্জন কেন্দ্রের মাঠে বিজেপির নির্বাচনী জনসভায় মঙ্গলবার উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করার প্রার্থনা জানান তিনি। অন্যদিকে রাজের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিভিন্ন বিষয়ে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।

    অনুব্রত প্রসঙ্গে কী বললেন (Nadia)?

    শান্তিপুরে (Nadia) নির্বাচনী সভায় দলীয় প্রার্থীদের জয়লাভের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান জানান শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই আধ ঘণ্টা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। প্রথমেই দিনহাটায় বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন। শুভেন্দু বলেন, গোটা রাজ্য এখন বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। এদিন ধুপগুড়িতে একজনকে গুলি করে মারা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    বীরভূমের সভায় ফোনে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? কী জবাব দিলেন শুভেন্দু?

    উল্লেখ্য বীরভূমের একটি জনসভায় নিজে হাজির না থাকলেও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বলেন, প্রায় এগারো মাস ধরে অনুব্রত মণ্ডলকে আটকে রেখেছে সিবিআই ও ইডি। এমনকী তার মেয়েকেও আটকে রাখা হয়েছে! ওর বিরুদ্ধে যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে আদালতে প্রমাণ করুন। এটা পুরোটাই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি শান্তিপুরে (Nadia) বলেন, অনুব্রত মণ্ডল একা টাকা খায়নি, সেই টাকা পৌঁছে যেত কালীঘাটে। ২৫-৭৫ এর ভাগাভাগি ছিল তাদের মধ্যে। এখন যদি অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে সব বলে দেয়, তাহলে দিদিও গারদে যাবে। সেই কারণেই তার গুনগান গাইছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর অনুব্রতকে ক্লিনচিট দেওয়ার প্রসঙ্গে ঠিক এই ভাবেই কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ!

    অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ করেন, যে সব রাজ্যে বিজেপি শাসন করছে, সেখানে দুই হাজার টাকা কেন! অন্তত এক হাজার টাকা করে যদি দিতে পারে তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো! আর সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি শান্তিপুরে (Nadia) বলেন, ভাইপো এর আগেও একাধিকবার রাজনীতি ছেড়েছেন। উনি বলেছিলেন অর্জুন সিং জিততে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন! নন্দীগ্রামে আমি যদি জিতে যাই, তাহলেও রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। কিন্তু উনি রাজনীতি ছাড়েননি।

    সিপিএম সম্পর্কে বিস্ফোরক

    অন্যদিকে এই সভা (Nadia) থেকে সিপিএমকেও আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা। মহঃ সেলিম অভিযোগ তোলেন ১৪ বছর আগে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মাওবাদীদের সঙ্গে নিয়ে সিপিএম নেতাদের খুন করা হত। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সেলিম হচ্ছে তৃণমূলের দালাল।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share