Tag: Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee

  • Rujira Banerjee: দুবাই যাওয়ার পথে রুজিরাকে আটকানো হল বিমানবন্দরে! কেন জানেন?

    Rujira Banerjee: দুবাই যাওয়ার পথে রুজিরাকে আটকানো হল বিমানবন্দরে! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বিমানবন্দরে অভিবাসন দফতরের বাধার মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা (Rujira Banerjee)। এদিন সকালে দুবাই যাওয়ার জন্য কলকাতা বিমানবন্দরে আসেন তিনি। সঙ্গে ছিল দুই সন্তান। কেন হঠাৎ বাধা দেওয়া হল? সূত্রের খবর, ইডির একটি মামলায় লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, তার জেরেই তাঁকে আটকেছেন অভিবাসন দফতরের কর্তারা। তাঁদের দাবি, বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ রয়েছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল অবশ্য পাল্টে দাবি করেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট অভিষেক-রুজিরাকে (Rujira Banerjee) জানিয়েছিল, বিদেশ যাত্রায় তাঁদের কোনও বাধা নেই।

    ঘটনাক্রম……

    সোমবার সকাল সাতটা নাগাদ বিমানবন্দরে হাজির হন অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা (Rujira Banerjee)। জানা গেছে, তিনি দুবাই-এর বিমান ধরার জন্য আসেন। সঙ্গে ছিল তাঁর দুই সন্তান। বিমানে ওঠার আগে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে যাওয়ার পর তাঁকে বলা হয়, তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ রয়েছে। এরপরে দীর্ঘক্ষণ অভিবাসন দফতরের ওয়েটিং রুমে বসে থাকতে দেখা যায় রুজিরাকে।

    আরও পড়ুন: ৫১ ঘণ্টা পর বালাসোরে গড়াল ট্রেনের চাকা! চোখে জল রেলমন্ত্রীর

    কী বললেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য

    বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, “আমি জানি না কেন আটকানো হল। যদি বৈধ অনুমতির পরও তাঁকে আটকানো হয়, তাহলে অন্যায়। এয়ারপোর্ট অথারিটি তা দেখবে। কিন্তু যাঁরা প্রতিহিংসার তত্ব সামনে আনছেন, তাঁদের জন্য বলি যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ জানেন প্রতিহিংসার অর্থ কী।”

    আরও পড়ুন: ট্রেন দুর্ঘটনায় বাইডেনের দুঃখ প্রকাশ! বিশ্বনেতাদের সাহায্যের আশ্বাস

    কয়লা পাচার মামলায় রুজিরাকে বেশ কয়েক দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি

    কয়লা পাচার মামলাতে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীকে দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যদিও দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দেননি রুজিরা। পরবর্তীকালে কলকাতায় তিনি হাজিরা দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Missing: পুলিশ ব্যস্ত অভিষেকের নিরাপত্তায়, নাবালিকা মেয়ের খোঁজ না পেয়ে বুক চাপড়াচ্ছে হতভাগ্য বাবা-মা

    Missing: পুলিশ ব্যস্ত অভিষেকের নিরাপত্তায়, নাবালিকা মেয়ের খোঁজ না পেয়ে বুক চাপড়াচ্ছে হতভাগ্য বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিষাদল থানা এলাকার গোপালপুর গ্রামের গণেশ অধিকারীর ১৪ বছরের নাবালিকা কন্যা নিখোঁজ (Missing)। গোপালপুর হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। কিন্তু এখন তার সন্ধান করবে কে? জেলার সব পুলিশ তো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার যাত্রায় সুরক্ষার কাজে ব্যস্ত। পুলিশ সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা না ভেবে কেবল রাজনৈতিক নেতাদের সুরক্ষা দিচ্ছে, এমনই অভিযোগ তুলছে পরিবার। এলাকায় এ নিয়ে সরগরম রাজনীতির ময়দানও।

    অভিষেকের সুরক্ষার ফলে কী ঘটেছে (Missing)?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ। ফলে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার মা-বাবা। পরিবার থানায় গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলাতে আছেন, তাই সমস্ত পুলিশ এখন তাঁর নিরাপত্তার কাজে ব্যস্ত। পুলিশ জানিয়ে দেয়, তিনি জেলা থেকে চলে গেলে তারপর খোঁজখবর (Missing) নিয়ে দেখা হবে। আর এই কথাতেই পরিবার মনে করছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ আদৌ চিন্তিত নয়। তারা চিন্তিত কেবল শাসক দলের নেতার সুরক্ষা নিয়ে। নিখোঁজ নাবালিকার সন্ধান পাওয়া নিয়ে পরিবার এখন খুবই চিন্তিত।  

    কেন পুলিশ নিখোঁজ (Missing) কন্যার সন্ধান করতে ব্যর্থ

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে নবোজোয়ার কর্মসূচি করছেন। জন্য জেলা প্রশাসনকে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করতে হয়েছে। এর কারণ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুরে সভা করতে এলে, তাঁকে চড় মেরেছিল এক যুবক। আর তারপর থেকেই তিনি এই জেলাতে এলেই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে থাকে জেলার পুলিশ প্রশাসন। যেহেতু তিনি জেলাতে আছেন, তাই প্রত্যেকটি থানার পুলিশ নিরাপত্তার কাজে ব্যস্ত। জেলা পুলিশ বর্তমানে অন্য বাকি কাজ (Missing) করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। কিন্তু নাবালিকাকে অপহরণের পর যদি কোনও অঘটন ঘটে, তাহলে কী হবে? এই প্রশ্নে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের লোকজন।

    পুলিশের বক্তব্য

    এই বিষয়ে মহিষাদল থানার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়েছে, নিখোঁজ (Missing) নাবালিকার বিষয়ে মিসিং ডায়েরি করা হয়েছে। আপাতত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করবে পুলিশ। নিখোঁজ মেয়েটিকে উদ্ধারে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kurmi: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে আদালতে যাচ্ছে কুড়মিরা

    Kurmi: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে আদালতে যাচ্ছে কুড়মিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা চালানোর ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা ঝাড়গ্রাম জেলা। ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কুড়মি (Kurmi) সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত সহ ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এবার জঙ্গলমহলে কুড়মি সমাজের সঙ্গে সংঘাত আরও চরমে উঠতে চলেছে রাজ্য সরকারের। কারণ, এবার মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা এবং দুলাল মুর্মুর বিরুদ্ধে জঙ্গলমহলের প্রতিটি থানায় এফআইআর করতে চলেছে ঘাঘর ঘেরা কেন্দ্রীয় কমিটি।

    কেন থানায় অভিযোগের সিদ্ধান্ত?

    ঝাড়গ্রামে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচির মাঝেই অভিষেকের কনভয়ের হামলার সময় ভাঙচুর করা হয় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার কনভয়। ঘটনার পর পরই কুড়মিদের আন্দোলন নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। কুড়মি (Kurmi) সমাজের নেতাদের হুমকি দিতে শোনা যায় শাসক দলের দাপুটে নেতা দুলাল মুর্মুকে। অন্যদিকে, কনভয়কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয় একের পর এক কুড়মি নেতাকে। এই আবহেই বৈঠকে বসেন ঘাঘর ঘেরা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা। একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কমিটির তরফে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি লড়াই লড়ার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সাহায্য নেওয়া হবে না। বরং জঙ্গলমহলের কুড়মি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে পাঠানো হবে কূপ। সেই কুপেই এক টাকা করে অর্থ সাহায্য নেওয়া হবে কুড়মি পরিবারের থেকে। ঘাঘর ঘেরা কমিটির অন্যতম সদস্য সুদীপ রায় মাহাত বলেন, কনভয়কাণ্ডে আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি প্রথম থেকে করে আসছি। এবার আমরা এই দাবির সমর্থনে আদালতের দ্বারস্থ হব। আর মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, বিধায়ক দুলাল মুর্মু কুড়মিদের (Kurmi) নিয়ে যে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে জঙ্গলমহলের সব থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে। আর যে সব কুড়মি নেতাদের  গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের হয়ে আইনি লড়াই আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের নব জোয়ারের ঠেলায় আরামবাগ থেকে উধাও সরকারি বাস, ভোগান্তি

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের নব জোয়ারের ঠেলায় আরামবাগ থেকে উধাও সরকারি বাস, ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার আরামবাগ ডিপো থেকে নন্দীগ্রামে যাওয়ার সরকারি বাস তুলে নেওয়া হয়েছে। মোট ২০টি বাস তুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে, কলকাতা-আরামবাগ নন-স্টপ পরিষেবা সহ বিভিন্ন রুটে সরকারি বাস পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। এমনকী আরামবাগে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার ডিপোর টিকিট কাউন্টারে কোনও বাস নেই বলে কাগজে লিখে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি বাস তুলে নেওয়ায় যাতায়াতে নাকাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বাস তুলে নেওয়ার জন্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নব জোয়ার কর্মসূচির ভূমিকা রয়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করছে।  

    কী কারণে এত বাস একসঙ্গে তুলে নেওয়া হল?

    জেলায়-জেলায় চলছে ‘নব জোয়ার’ কর্মসূচি। পঞ্চায়েত ভোটের পূর্বে জনসংযোগে নেমে পড়েছে শাসকদল। জনসাধারণের পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দিতে দু’মাসের জন্য এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এখন পূর্ব মেদিনীপুরে রয়েছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে জনসভা রয়েছে তাঁর। আর সেখানের জনসভায় বাসে করে কর্মী নিয়ে যেতে সরকারি বাস তুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

    বাস পরিষেবা না পেয়ে কী বললেন সাধারণ মানুষ?

    বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে জানা গিয়েছে, একমাত্র ক্ষীরপাই ডিপোর একটি সরকারি বাস মুর্শিদাবাদ থেকে লালগোলার উদ্দেশে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ও সকাল ১১ টা ২০ মিনিট নাগাদ খাতরাগামী একটি বাস আরামবাগ ডিপো থেকে ছেড়েছিল। এরপর আর কোনও বাস ছাড়েনি। এই বাসগুলিই প্রথম এবং শেষ বাস ছিল। ফলে, বাসস্ট্যান্ডে এসে বাস না পেয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, সরকার যেখানে আইন তৈরি করছে, সেই আইন আবার সরকারই ভাঙছে। এ কোন রাজ্যে বসবাস  করছি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে পুড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিজেপির সম্পাদক  বিমান ঘোষ বলেন, “অভিষেক (Abhishek Banerjee) যেখানে যাচ্ছেন সেখানে লোক হচ্ছে না। সেই কারণে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন জড়ো করতে হচ্ছে। আজ নন্দীগ্রাম অভিষেকের কর্মসূচি আছে। সেখানে লোকজন নেই। তাই, বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক জড়ো করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আরামবাগ থেকে যত সরকারি বাস রয়েছে সব তুলে নেওয়া হয়েছে। কারণ, সেখানে লোক ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমাদের কাছে খবর আছে, গোটা দক্ষিণবঙ্গজুড়ে প্রায় ৩০০ বাস ওখানে যাচ্ছে।” বাস মালিক সংগঠনের সদস্য অভয় বিট বলেন, “বেসরকারি কুড়িটি বাস তুলে নেওয়া হয়েছে নন্দীগ্রামে নব জোয়ার কর্মসূচির জন্য। আরামবাগ থেকেও লোক নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: নব জোয়ারে বন্ধ ভোটদান প্রক্রিয়া, অভিষেকের সামনেই কোন্দল প্রকাশ্যে

    Abhishek Banerjee: নব জোয়ারে বন্ধ ভোটদান প্রক্রিয়া, অভিষেকের সামনেই কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের কোনও নির্বাচন নয়। পঞ্চায়েত ভোটে যোগ্য প্রার্থী ঠিক করার জন্য সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নির্দেশে নব জোয়ার কর্মসূচিতে চলছে ভোটগ্রহণ। স্বাভাবিকভাবে সেখানে বিরোধী দলের কারও থাকার কথা নয়। সকলেই তৃণমূল কর্মী। কিন্তু, ভোট দিতে এসে না দিয়ে চলে গেলেন ভোটাররা। ফলে, ভোট প্রক্রিয়া বানচাল হয়ে যায়। বুধবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে চারদিনের জেলা সফরে এসেছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। বুধবার রাতে তিনি চণ্ডীপুরে পৌঁছান। তিনি চলে যাওয়ার পর পরই ক্যাম্পে নিয়ম মেনে দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে ভোটেগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু, ভোটাভুটি শুরু হওয়ার পর পরই চণ্ডীপুর বিধানসভার ১০ অঞ্চলের তৃণমূল কর্মীদের বড় অংশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। ভোট বয়কট করা তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, বুথ স্তর থেকে যে নাম ঠিক করা হয়েছিল, সেই নামের কোনও প্রার্থী তালিকায় নেই। একেবারে নতুন মুখ। প্রার্থী পরিবর্তন কারা করল? এভাবে প্রার্থী চাপিয়ে দেওয়ার ঘটনা আমরা মেনে নেব না। তাই, ভোট প্রক্রিয়া শুরু হলেও আমরা ভোট দিইনি। প্রার্থী ঠিক করা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বচসা চলে। আর ভোট না দেওয়ার কারণে চণ্ডীপুর বিধানসভার জলপাই-১, চৌখালি-২, বৃন্দাবনপুর-১, বৃন্দাবনপুর-২, ঈশ্বরপুর, ওসমানপুর, ব্রজলালচক, কুলবারি, দিবাকরপুর, নন্দপুর, বরাঘুনি সহ ১০ টি অঞ্চলের ভোট বন্ধ রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এমনিতেই এই চণ্ডীপুরে তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর অনুগামীর সঙ্গে প্রাক্তন বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্যের অনুগামীর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। এবার পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী বাছাই নিয়ে এই কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল। যদিও এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কেউ মুখ খুলতে চাননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তপনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল দলটাই দুর্নীতিগ্রস্ত। অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নব জোয়ার কর্মসূচির শুরু থেকে বিশৃঙ্খলা। দলীয় কোন্দলের জেরে ভোট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আগামীদিনে এই কোন্দলের জেরে দলটাই শেষ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: নবজোয়ারে অভিষেকের নিরাপত্তারক্ষীর ধাক্কায় জখম মন্ত্রী অখিল গিরি

    Abhishek Banerjee: নবজোয়ারে অভিষেকের নিরাপত্তারক্ষীর ধাক্কায় জখম মন্ত্রী অখিল গিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও সাধারণ মানুষ বা দলীয় কর্মী নন। তিনি তৃণমূলের ক্যাবিনেট মন্ত্রী। আর তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নবজোয়ারে যোগ দিয়ে সেই মন্ত্রীকে নিরাপত্তা রক্ষীর ধাক্কা খেতে হল। এমনকী নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে তিনি হাতে গুরুতর চোট পান। ঘটনার পর তিনি রেগে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    বুধবার উত্তর কাঁথির মুকুন্দপুরে অভিষেক আসেন। সেখানে আগে থেকেই মন্ত্রী অখিল গিরি হাজির ছিলেন। কনভয় ছেড়ে নেমে অভিষেক (Abhishek Banerjee) পদযাত্রার মাধ্যমে এলাকায় জনসংযোগ করেন। তার সঙ্গে অখিলবাবুও ছিলেন। এই কর্মসূচি শেষ করার পর চণ্ডিভেটিতে বীরেন্দ্র শাসমলের জন্মভিটেতে অভিষেকের সঙ্গে মন্ত্রীর যাওয়ার কথা ছিল। অভিষেক পদযাত্রা শেষ করে নিজের গাড়িতে উঠে পড়েন। অখিল গিরি নিজের গাড়ির দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় অভিষেকের গাড়ির পিছনে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে ধাক্কা দেন। মন্ত্রী হাতে গুরুতর চোট পান। এনিয়ে তাঁর অনুগামীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নিরাপত্তারক্ষীর হাতে ধাক্কা খেয়ে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তারক্ষীরা সাধারণ মানুষকে ঠেলেছে। আমাকে ঠেলেছে। আমি হাতে চোট পেয়েছি। এরপরই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান। তবে, অভিষেকের কনভয়ের পিছনে আর তিনি যাননি। ঘটনার পর পরই তিনি অভিষেকের কর্মসূচিতে না গিয়ে সোজা বাড়ি ফিরে যান।

    নবজোয়ারে অভিষেকের কনভয় যাওয়ার আগে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল মহিলার!

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় যাবে বলে রাস্তার দুধারে দড়ি টাঙানো হয়েছিল। সেই দড়িতে লেগে এক বাইকের পিছনে থাকা মহিলা পড়ে যান। পিছন দিক দিয়ে একটি গাড়ি এসে তাঁকে ধাক্কা মারলে ওই মহিলার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে রামনগর ব্লকের কাদুয়া অঞ্চলের মাইতি মোড় এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শী স্বপন পট্টনায়েক বলেন, বাইকে করে যাওয়ার সময় দড়িতে লেগেই ওই মহিলা পড়ে যান। তারপরই পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা কমলেশ দাস বলেন, কোনও দড়ি লেগে বাইক থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়নি। আসলে ওই মহিলা বাইকের মধ্যে ঘুমিয়েছিলেন। সামনে পিকআপ ভ্যান আসতেই ভয় পেয়ে তিনি পড়ে যান। পরে, পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অসীম মিশ্র বলেন, আসলে অভিষেক কাটমানি আর চোরেদের সংগঠিত করার জন্য এসেছেন। সেই কাজ করতে এসে যখন দেখছেন তার দলের নেতার দ্বারা ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না, তখন তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে মন্ত্রীর হাত মুচড়ে দিচ্ছেন।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডের জের! বদলি করা হল মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজিকে

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডের জের! বদলি করা হল মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়গ্রামে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কনভয়ে হামলা চালানোর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত সহ ১৪ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এবার কনভয়কাণ্ডে মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজি প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে অনুপ জয়সওয়ালকে দায়িত্ব দেওয়া হল। অনুপবাবু রায়গঞ্জ রেঞ্জের দায়িত্বে ছিলেন। যদিও এটি রুটিন বদলি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ২৬ মে বিকেলে বেলপাহাড়ির ইন্দিরা চক থেকে ঝাড়গ্রাম জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচি শুরু করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বেলপাহাড়ি, জামবনি, দহিজুড়ির পর ঝাড়গ্রামে যান তিনি। ঝাড়গ্রামেও রোড শো করেন তিনি। ঝাড়গ্রাম শহরে রোড শো শেষ করে ৫ নম্বর রাজ্য সড়ক ধরে লোধাশুলি হয়ে গজাশিমুলের ক্যাম্পে আসার সময় শালবনি এলাকার গড়শালবনিতে অভিষেক এর কনভয় দেখার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন কুড়মিরা। অভিযোগ, অভিষেকের গাড়ি পার হওয়ার পর তাঁর কনভয়ের সঙ্গে থাকা গাড়িতে পাথর ছুঁড়তে শুরু করা হয়। লাঠি দিয়ে গাড়িতে ও বাইকে থাকা তৃণমূল কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পাথর ছোঁড়ার কারণে ভেঙে যায় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি। ঘটনায় জখম হন মন্ত্রীর গাড়ির চালক। ভাঙচুর চালানো হয় সংবাদমাধ্যমের গাড়িও। ঘটনায় বেশকয়েকজন তৃণমূল কর্মী এবং পথ চলতি সাধারণ মানুষ জখম হয়েছেন। তবে, যে জায়গায় বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল, সেখানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ছিল না। পুলিশ প্রশাসনের কাছে এই ধরনের বিক্ষোভের আগাম কোনও খবর ছিল না। স্বাভাবিকভাবে ঘটনার পর থেকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সকলেই প্রশ্ন তুলেছেন। এদিনের ডিআইজি বদলির মধ্য দিয়ে সেই ঘটনাকে মান্যতা দেওয়া হল বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: সরকারি স্কুলে তৃণমূলের পতাকা উড়িয়ে ‘পান্তা ভাত উৎসব’! সরব বিরোধীরা  

    Durgapur: সরকারি স্কুলে তৃণমূলের পতাকা উড়িয়ে ‘পান্তা ভাত উৎসব’! সরব বিরোধীরা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের (Durgapur) বেনাচিতি হাই স্কুল হল একটি সরকারি বিদ্যালয়। অথচ সেই স্কুলের ভিতরেই উড়ছে তৃণমূলের পতাকা, চারদিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এবং মহিলা সভানেত্রী অসীমা চক্রবর্তীর ছবিতে ছয়লাপ। এই ঘটনা দেখে বিরোধীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাসক দলের রাজনীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন।

    দুর্গাপুরে (Durgapur) কী ঘটেছে স্কুলে?

    দুর্গাপুর (Durgapur) শহরের ১৫ নং ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ওই ‘বিশাল পান্তা ভাত উৎসব’-এর আয়োজন করা হয়। সরকারি স্কুল ভরে যায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের আনাগোনাতে। বেনাচিতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিতর পান্তা ভাত উৎসব করে বিতর্কের শিরোনামে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল নেতৃত্ব। আর একেই হাতিয়ার করে আসরে নেমেছে বিরোধীরা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশিকায় পরিষ্কার বলা ছিল, কোনও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক রং লাগানো যাবে না। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে এই মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেই। অথচ ‘বিশাল পান্তা উৎসব’-এর আয়োজন বিদ্যালয়ের ভিতরেই। মেনুতে ছিল পান্তা ভাত, পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা, গন্ধরাজ লেবু, আলুভাজা, পেঁয়াজি, পোস্তর বড়া, মাছের কালিয়া, চাটনি, পাঁপর, সব শেষে মিষ্টি। স্কুলে কয়েকশো অতিথি আমন্ত্রিত ছিল এদিন। পান্তা উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, জেলা সভানেত্রী অসিমা চক্রবর্তী এবং ১৫ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব।

    বিরোধীদের অভিযোগ

    বেসরকারি হোটেল বা লজে না করে সরকারি বিদ্যালয়ে (Durgapur) এই উৎসব করে বিদ্যালয়কে রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই ঘটনায় এভাবেই সমালোচনায় সরব হয়েছে বিজেপি। সিপিআইএম-এর তরফ থেকে বলা হয়, এই তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষাঙ্গনগুলি রাজনীতির আঙিনায় পরিণত হয়েছে।

    জেলার (Durgapur) তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য

    বিরোধীদের সমালোচনাকে পাল্টা কটাক্ষ করে তৃণমূলের মহিলা সভানেত্রী অসীমা চক্রবর্তী বলেন, গ্রীষ্মের ছুটি চলছে। বিদ্যালয়  (Durgapur) কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তাঁরা এই অনুষ্ঠান করছেন। তিনি আরও জানান, বেসরকারি হোটেল বা লজে অনুষ্ঠান করার মতো আর্থিক ক্ষমতা নেই। আর সেজন্যই তাঁরা বিদ্যালয়ের ভিতর এই অনুষ্ঠান করেছেন। সরকারি স্কুল প্রাঙ্গণকে এভাবে রাজনৈতিক দলের কর্মক্ষেত্র কীভাবে বানানো যায়? সেই বিষয়ে শিক্ষাবিদরাও প্রশ্ন তুলছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: “কংগ্রেসের ভোটে আমি জয়ী হইনি”! তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন সাগরদিঘির বিধায়ক

    TMC: “কংগ্রেসের ভোটে আমি জয়ী হইনি”! তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন সাগরদিঘির বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাগরদিঘি উপ নির্বাচনে তৃণমূলকে (TMC) ধরাশায়ী করে কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস জয়ী হয়েছিলেন। বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট গড়েই এই বাজিমাত হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের মত। সাগরদিঘিকে রোল মডেল করেই কংগ্রেস সামনের পঞ্চায়েত, লোকসভা ভোটে হারানো জমি ফিরে পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা করছিল। উপ নির্বাচনের ফল ঘোষণার তিনমাস কাটতে না কাটতেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন সাগরদিঘির বিধায়ক কংগ্রেসের বাইরন বিশ্বাস। পশ্চিম মেদিনীপুরে অভিষেকের নবজোয়ারের দলীয় ক্যাম্পে হাজির হয়ে তিনি তৃণমূলে যোগদান করেন। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস?

    মন্ত্রী সুব্রত সাহার মৃত্যুর পর চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘিতে উপনির্বাচন হয়। আর সেই উপনির্বাচনে তৃণমূলের (TMC) প্রার্থী ছিলেন দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন বাইরন বিশ্বাস এবং বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ সাহা। ২ মার্চ ফল ঘোষণা হয়। সেই উপনির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস জয়ী হন। এদিন ঘাটালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যাম্প অফিসে গিয়ে তিনি তৃণমূলে যোগদান করেন। বাইরন বলেন, “আরও বেশি করে উন্নয়ন করতেই আমি তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছি। সাগরদিঘির মানুষের কথা ভেবেই আমি দল বদলের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বরাবরই তৃণমূলে ছিলাম। টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে গিয়েছি। আর তৃণমূলের লোকজন ভোট দিয়েছে বলেই এত বিপুল ভোটে আমি জয়ী হয়েছি।” তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, সাগরদিঘি তথা রাজ্যজুড়েই তাঁকে নিয়ে এই চর্চা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকলে সেটা সময় বলবে। আমার বিশ্বাস, পরে আবার ভোট হলে আমি বেশি ভোটে জিতব। আর কংগ্রেসে থেকে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে পারছিলাম না। আমি তো কংগ্রেসের ভোটে জয়ী হইনি। আগে মানুষের জন্য কাজ করেছি। তাঁদের ভোটে আমি জয়ী হয়েছি।”

    কী বললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি?

    প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “কংগ্রেস দল বাইরন বিশ্বাসকে চিনিয়েছে। আগে তৃণমূল (TMC) তোমার কাছে যায়নি। তোমার বাজারদর তৈরি করার পর তোমাকে নিয়ে বেচাকেনা হয়েছে। তাই, তুমি কংগ্রেস ছেড়ে চলে গিয়েছ। তাতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে, কংগ্রেসকে গালিগালাজ কোরো না। আর বাইরনের মতো এই জেলা তথা রাজ্যের অনেক বিধায়ক তৃণমূলে গিয়েছে, তাতে কংগ্রেস শেষ হয়ে যায়নি। তৃণমূলের নগ্ন চেহারা আরও প্রকট হয়ে গেল। আর এতে আমাদের আরও বেশি জেদ চেপে গেল। কংগ্রেসের অবস্থা এখন অনেক ভালো। আমাদের এখন আর কেউ থামাতে পারবে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: আবাস যোজনায় ঘর না পেয়ে অভিষেকের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ

    Abhishek Banerjee: আবাস যোজনায় ঘর না পেয়ে অভিষেকের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনায় ঘর না পেয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ। রোড শো এর পরেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আবাস যোজনার বাড়ি না পেয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্থানীয়রা। যোগ্য প্রাপকদের দিকে নজর দিন, উঠল দাবি।   

    কোথায় ক্ষোভের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)?

    উল্লেখ্য, পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে, চন্দ্রকোণা রোড এলাকায় রোড শো-তে অংশ নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এরপরই স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়তে দেখা যায় তাঁকে। নিচুতলার সংগঠনের উপর জোর দিন! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনই উপদেশ দিতে দেখা যায় স্থানীয় মহিলাদের।  

    জনজোয়ার যাত্রায় কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    জনজোয়ার যাত্রায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) গাড়িকে লক্ষ্য করে স্থানীয় মানুষের দাবি, আমাদের ঘর নেই, ঘর দরকার! গাড়ি ঘিরে ধরে তাঁদের দাবি, এলাকার অনেকের ঘর ফেটে গেছে, খুব অসহায়বোধ করছি আমরা। কিছু কিছু মানুষের ঘর প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। তাই এই অবস্থায় আমাদের সরকারি সাহায্য একান্ত প্রয়োজন। এলাকার মানুষের আরও অভিযোগ, আমরা গাড়ির সামনে যেতে পারলেও নিরপত্তারক্ষীরা (Abhishek Banerjee) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে যেতে দেননি। তাঁরা বলেন, আমরা আমাদের অসুবিধার কথা বলার সময় পর্যন্তও পেলাম না। যাঁদের ঘর পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে, তাঁরাই পাচ্ছেন না। যাঁদের আছ্‌ তাঁরা আরও পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন এলাকার মহিলারা। এক স্থানীয় মাহিলার দাবি, আমি তো ভোট দিয়ে থাকি, তাহলে আমার কথা কেন শুনলেন না উনি? এখানে যাঁদের তিনতলা বাড়ি রয়েছে, তাঁরাই ঘর পাচ্ছে, আমরা কিছুই পাচ্ছি না। আমাদের কথা শোনার মতো সময় নেই নেতাদের। এলাকার মানুষের একটাই আক্ষেপ, নেতারা যদি আমাদের কথাই না শোনেন, তাহলে ভোট দিয়ে কী লাভ? পঞ্চায়েত ভোট সামনে, তাই আর কবে তৃণমূলের নেতারা এই এলাকার মানুষের কথা শুনবেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share