Tag: Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee

  • Abhishek Banerjee: কুন্তলের চিঠি সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চান অভিষেক, আবেদন হাইকোর্টে

    Abhishek Banerjee: কুন্তলের চিঠি সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চান অভিষেক, আবেদন হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা সরানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে। সেই মামলা দুটি গিয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। এর একটি তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সংক্রান্ত। বিচারপতি সিনহা অভিষেককে মামলায় যুক্ত হতে বলেছিলেন। সেই মতো বৃহস্পতিবার মামলাটিতে যুক্ত হয়েছেন তৃণমূলের দু নম্বর ব্যক্তি। সেই সঙ্গে মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছেন অভিষেক।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)…

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে। তার পরেই তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। পরে কুন্তল অভিযোগ করেন, ইডি এবং সিবিআই তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলার জন্য চাপ দিচ্ছে। এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতে চিঠি দেন কুন্তল। পুলিশি হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দেন হেস্টিংস থানায়ও। সেই চিঠির বিষয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি বা সিবিআই প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেককে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, জেলবন্দি কুন্তল ঘোষের চিঠি ও অভিষেকের বক্তব্যের মধ্যে মিল রয়েছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলা হয়েছিল।

    হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এ সংক্রান্ত মামলা সরিয়ে নেওয়া হয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে। মামলা চলে যায় বিচারপতি সিনহার এজলাসে। ওই মামলায় বিচারপতি সিনহার পর্যবেক্ষণ ছিল, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। তাহলে তদন্তে সহযোগিতা করতে অভিষেকের অসুবিধা কোথায়? অভিষেকের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, এই মামলায় কীভাবে তাঁর মক্কেলের নাম জড়াল, সেটাই পরিষ্কার নয়।

    আরও পড়ুুন: মধ্যরাতেই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে মোকা, শুক্রে কমবে তাপমাত্রা

    অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগটা ঠিক কী, তাও জানা নেই। সেই বক্তব্য শুনেই বিচারপতি অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর এদিন বিচারপতি সিনহার কথা মতো মামলায় যুক্ত হন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। পরে আদালতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে এই মামলা থেকে অব্যাহতি চান। শুক্রবার হবে এই মামলার শুনানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • TMC: নবজোয়ারের আগেই বিধায়কের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দেখালেন এক ঝাঁক তৃণমূলের নেতা, কেন জানেন?

    TMC: নবজোয়ারের আগেই বিধায়কের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দেখালেন এক ঝাঁক তৃণমূলের নেতা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার কর্মসূচিতে রাজ্যের একাধিক জেলায় ব্যালট লুটের ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন রাজ্যবাসী। এবার নবজোয়ার কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই একঝাঁক তৃণমূলের (TMC) নেতাকর্মী বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পূর্বস্থলী দু’নম্বর ব্লকের ব্লক সভাপতি এবং পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। নবজোয়ার কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই একসঙ্গে শাসকদলের জনপ্রতিনিধিদের বিদ্রোহের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    কী অভিযোগ তৃণমূলের (TMC) বিক্ষুব্ধ নেতা কর্মীদের?

    আগামীকাল পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি। সেই কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ পাননি এক ঝাঁক তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। এরপর সেখানে হাজির হলে প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা রয়েছে এই জনপ্রতিনিধিদের। এমনই অভিযোগ তুলে এদিন পূর্বস্থলী দু’নম্বর ব্লকের সান ঘোষপাড়া এলাকার দলীয় পার্টি অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তৃণমূলের (TMC) বিক্ষুব্ধ একাংশ। এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ফজলুল হক মন্ডল, তাপস দে, মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান প্রতিমা দাস, পূর্বস্থলী পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায়, মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েতের সদস্য ছালেক সেখ সহ একাধিক পঞ্চায়েত সমিতি এবং পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের বক্তব্য, অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন বিধায়ক। কোনও কিছুতেই আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় না। শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সভায় গেলে আমাদের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। আমরা চাই না কোনওরকম বিতর্ক হোক। তাই নবজোয়ার কর্মসূচিতে আমরা কেউ যাব না। তবে, দলীয় কর্মসূচিতে না গেলেও বিধায়ক এবং ব্লক সভাপতির কার্য কলাপের বিরুদ্ধে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি আমরা দেব। সেই চিঠিও তাঁরা প্রকাশ্যে তুলে ধরেন।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক?

    এ প্রসঙ্গে পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, নবজোয়ার কর্মসূচিতে দলের সকলেই যোগ দিতে পারেন। আর আমি হুমকি দিয়েছি এইরকম কোনও প্রমাণ ওরা দেখাতে পারবে? যা বলছে সবই মিথ্যে। বিধানসভা ভোটের সময় আমাকে হারানোর পরিকল্পনা করেছিল ওরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: নবজোয়ারে ভাটার টান, ক্ষুব্ধ অভিষেক কলকাতায় তলব করলেন জেলা সভাপতিকে

    Abhishek Banerjee: নবজোয়ারে ভাটার টান, ক্ষুব্ধ অভিষেক কলকাতায় তলব করলেন জেলা সভাপতিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই বিধানসভা ভোটের পর থেকে শুরু হয়েছে। বিধানসভা ভোটের বিপর্যয়ের পর দলের জেলা সভাপতি হিসাবে প্রকাশ চিক বরাইককে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর দুটি পুরসভা নির্বাচনে সাফল্য আসে। ফলে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) গুডবুকে উঠে আসেন প্রকাশ। বিজেপি থেকে আসা গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা ও বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল দলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের সুনজরে রয়েছেন। বর্তমান ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে অপর গোষ্ঠীর নেতাদের একটা দ্বন্দ্ব চলছে। এক গোষ্ঠীর নেতারা দলের কোনও কর্মসূচি করলে অপর গোষ্ঠী পাল্টা ক্ষমতা প্রদর্শনে পিছিয়ে থাকছে না। নেতৃত্বের ওই বিরোধ দলের নিচু তলাতেও প্রভাব ফেলছে। প্রভাব পড়েছে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নবজোয়ার কর্মসূচিতে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    প্রকাশ্যে বড় নেতারা মুখ না খুললেও আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালকে দলীয় কর্মসূচিতে ডাকছেন না আলিপুরদুয়ার এক ব্লকের সভাপতি পীযূষ কান্তি রায়। আবার বিধায়কের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনিও নাকি কিছুই জানতে পারছেন না দাবি পীযুষের।  এ ব্যাপারে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কাছে ও রিপোর্ট গিয়েছে। অভিষেকের সভায় লোক জড়ো করার ক্ষেত্রে একাধিক ব্লক সভাপতির গা ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছেন। তা নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে দলের জেলা নেতাদের একাংশের কাছে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন অভিষেক। নবজোয়ার কর্মসূচির আগে এপ্রিলের শুরুতে আলিপুরদুয়ারের বাবুরহাটে গ্রামীণ এলাকায় একটি সভা করেছিলেন অভিষেক। সেই সভায় জমায়েত দেখে খুশি হননি তিনি। ২৭ এপ্রিল নবজোয়ার কর্মসূচিতে জেলায় এসেছিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। জেলার তিনটি জায়গায় তিনি সভা করেন। অভিষেকের কর্মসূচি সফল করতে একাধিক ব্লক সভাপতি সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের অনেক ক্ষেত্রেই সমন্বয় হয়নি। একাধিক ব্লক সভাপতির কাজ করার ক্ষেত্রে ফাঁকফোকর ছিল। দলের ওই কর্মসূচিকে জেলার কর্মসূচি বলে ব্লক সভাপতিদের কয়েকজন দায় এড়িয়েছেন। ফলে, নবজোয়ারে তার ভাল প্রভাব পড়েছিল। আলিপুরদুয়ার শহর লাগোয়া একটি ক্লাবের মাঠে নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। সেই সভায় লোকজন ভাল ছিল না। জমায়েত দেখে অভিষেক (Abhishek Banerjee) দলের অন্দরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিষেকের নিজস্ব টিমের সদস্যরা ওই সময় জেলার সব নেতার ওপর নজরদারি চালিয়েছিলেন। তাঁদের নজরেও অসহযোগিতার বিষয়টি ধরা পড়েছে।

    নবজোয়ার কর্মসূচির পরই জেলা সভাপতিকে কলকাতায় তলব

    কয়েকমাস আগেই আলিপুরদুয়ার জেলায় ব্লক সভাপতিদের নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই তালিকায় কি আবার রদবদল হতে চলেছে? আপাতত জেলার রাজনৈতিক মহলে এই জল্পনাই ঘোরাফেরা করছে। যদি সত্যিই রদবদল ঘটে তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নির্দেশে হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। নবজোয়ার কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর পরই আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইককে কলকাতায় তলব করা হয়। তাঁর কলকাতায় যাওয়ায় শাসক দলের অন্দরে জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছে। এসব নিয়ে একেবারেই কিছু বলতে চাইছেন না। তিনি শুধু বলছেন, দলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য কলকাতায় এসেছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: এবার কেষ্ট গড়ে ব্যালট ছিনতাই! অভিষেক চলে যেতেই নবজোয়ারে মারপিট

    Abhishek Banerjee: এবার কেষ্ট গড়ে ব্যালট ছিনতাই! অভিষেক চলে যেতেই নবজোয়ারে মারপিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহের পর এবার অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূমে নবজোয়ার কর্মসূচিতে ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থী ঠিক করার জন্য দলের পক্ষ থেকে ভোটাভুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ব্যালট বক্স নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তৃণমূলের একটি দল। পুলিশের সামনেই দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিও শুরু হয়ে যায়। পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। পরে, তাঁরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) চলে যাওয়ার পর পরই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে মালদহের ইংরেজবাজার এলাকায় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। এবার কেষ্ট গড়ে ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এদিনের ব্যালট লুট হওয়ার দৃশ্য দেখে অনেকেই বলেন, কেষ্ট গড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন কেমন হবে তার মহড়া হয়ে গেল।

    ঠিক কী নিয়ে গণ্ডগোল?

    জনসংযোগ যাত্রায় ১৫ তম দিনে কেষ্ট গড়ে নবজোয়ার কর্মসূচির প্রথম দিনেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)  মুরারইয়ে চাতরা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন। সেই সভাতেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভারতবর্ষের কোনও রাজনৈতিক দল সাধারণ মানুষকে এমন সুযোগ দেয় না, যারা পঞ্চায়েতে প্রার্থী ঠিক করে। আমাদের দল তৃণমূল কংগ্রেস সেই সুযোগ দিয়েছে।” এমনকী, তিনি হাতে একটি ব্যালট পেপার দেখিয়ে বলেন, “আপনারা নিজেদের প্রার্থী নিজেরাই ঠিক করবেন। “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সভা শেষ করে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই শুরু হয় পঞ্চায়েতের প্রার্থী নির্বাচনের ভোটাভুটি । আর তাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা ও অশান্তি। ব্যালট নিয়ে ছুটতে থাকেন কয়েকজন তৃণমূল কর্মী। তাঁদের আবার ধরে ফেলেন অন্য কর্মীরা। ব্যালট নিয়ে রীতিমতো হাতাহাতি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা?

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, অভিষেক (Abhishek Banerjee) যে ভাবে ভোট করার কথা বলে গিয়েছেন, সেই নিয়ম মেনে সব কিছু হওয়া দরকার। এলাকার মানুষের পক্ষ থেকে যে প্রার্থীদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছিল, সেই তালিকায় নেই। ব্যালট খুলে দেখা যায়, একেবারে অন্য তালিকা রয়েছে। ষড়যন্ত্র করে এই কাজ করেছে। তাই, প্রকাশ্যে এই গণ্ডগোল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: “তদন্তে সহযোগিতা করতে অভিষেকের সমস্যা কোথায়?” প্রশ্ন হাইকোর্টের

    Abhishek Banerjee: “তদন্তে সহযোগিতা করতে অভিষেকের সমস্যা কোথায়?” প্রশ্ন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তে সহযোগিতা করতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সমস্যা কোথায়? প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha)। তিনি বলেন, তদন্তকারী সংস্থা যে কোনও কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে, এতে অসুবিধা কীসের? তদন্তে সহযোগিতা করতে সমস্যা কোথায়? এর পাশাপাশি বিচারপতি সিনহার নির্দেশ, দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুক্ত করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, এই মামলায় তাঁর বক্তব্য জানাতে পারবেন অভিষেক। কিন্তু তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের ওপর কোনও স্থগিতাদেশ নেই। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১২ মে।

    সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)…

    ১৩ এপ্রিল নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, কুন্তল ঘোষের চিঠিতে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তার ভিত্তিতে অভিষেককে (Abhishek Banerjee) জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রয়োজনে কুন্তল ও অভিষেককে মুখোমুখি বসাতেও পারে ইডি-সিবিআই। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। পরে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে অভিষেকের মামলা সরানোর নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেই কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এই মামলা পাঠিয়ে দেন বিচারপতি সিনহার এজলাসে।

    মে মাসের প্রথম দিকে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা সরিয়ে পাঠানো হয়েছে বিচারপতি সিনহার বেঞ্চে। সৌমেন নন্দী, রমেশ মাহাতর মামলা গিয়েছে তাঁর এজলাসে। সেই মামলার শুনানিতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ উঠতে তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার বার্তা দিয়ে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। এদিন আদালতের কাছে সময় চান অভিষেকের আইনজীবী। হাইকোর্ট সময় মঞ্জুর করলেও, অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতা করতে বলেন বিচারপতি সিনহা।

    আরও পড়ুুন: চণ্ডীপুর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    সোমবার আদালতে মামলাটি উঠলে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এদিন মামলাটির শুনানি ছিল বলে তাঁর জানা ছিল না। এর পরেই বিরক্তি প্রকাশ করে অভিষেকের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, আজ মামলার শুনানি, অথচ আপনি কেন জানেন না? মামলায় যুক্ত হওয়া পর্যন্ত কি অপেক্ষা করছিলেন? তদন্তের ওপরে কেউ নন। তদন্তে সহযোগিতা করুন। এর পরেই তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তে সহযোগিতা করলে অসুবিধার কী আছে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন দলের কর্মীদের কাছে। এ ব্যাপারে বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ওরা তো টার্গেট দেয় কিন্তু পৌঁছায় কতদূর!’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপবাবু (Dilip Ghosh) মনে করিয়ে দেন যে গত লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একইভাবে ৪২ টি আসনের টার্গেট দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তারা বাইশে নেমে গিয়েছিল। ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির চমকপ্রদ উত্থানের কথাও বলেন দিলীপবাবু। স্মরণ করান, সে বছর ২ থেকে বিজেপি ১৮ তে পৌঁছায়। 

    দলীয় ভোটেই ব্যালট লুঠ….

    নব জোয়ার কর্মসূচিতে গতকালই ফুটবল খেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেখানে দেখা যায় তাঁর জুতোটা বলের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে, এখানেও কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘এখন ফুটবল খেলতে গিয়ে বলের সঙ্গে জুতো চলে যাচ্ছে, আগে ওটা অল ইন্ডিয়া পার্টি ছিল এখন তা লোকাল হয়ে গেছে।’’ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) আরও কটাক্ষ, ‘‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলে রাজ্যজুড়ে খুনোখুনি শুরু হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে কোচবিহার, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ সর্বত্র দেখা যায় যে দলীয় ভোটেই ব্যালট বাক্স লুঠ হচ্ছে।’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এটাতো হওয়ারই ছিল, মমতাও গিয়েছিলেন মালদাতে কিন্তু তিনি সামলাতে পারেননি কারণ পার্টিটা আজ আর কারও কন্ট্রোলে নেই। এমন জোয়ার আসছে যে ব্যালট বাক্স ভেসে চলে যাচ্ছে। আসলে এটা পঞ্চায়েত ভোটের প্র্যাকটিস ম্যাচ চলছে।’’ পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে তাঁর মন্তব্য যে ভোট লুঠ হলে পুলিশ তো কিছু করবে না, তাই যা করার বিজেপিকেই করতে হবে। তাঁর সংযোজন, ‘‘কেউ যদি ভোট লুঠ করতে আসে তাকে কি আমরা রসগোল্লা খাওয়াবো?’’ ডিএ আন্দোলন নিয়ে মেদিনীপুরের সাংসদের দাবি যে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধর্না দিতে পারছেন, অথচ কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্য ডিএ-এর দাবিতে আন্দোলন করতে পারেন না? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘৪২০’ বলে কেন কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    Sukanta Majumdar: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘৪২০’ বলে কেন কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ২৪০ আসন পাবে তৃণমূল। এবার নবজোয়ার কর্মসূচিতে, তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের দাবি, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ৪০টি আসন পাবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্যকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) এ বিষয়ে বলেন, স্বপ্ন দেখতে মানা নেই। স্বপ্ন তিনি দেখতেই পারেন, কিন্তু তাঁর সবকিছু ৪২০ এর আশেপাশে ঘুরছে, বিধানসভায় ২৪০ আসন জিততে হবে, এদিক ওদিক করে নিলে ওটা ৪২০ হয়ে যাবে। আবার লোকসভায় ৪০ আসন পাবেন বলছেন, ওখানে মাঝখানে একটা ২ বসালে ৪২০ হয়ে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা, প্রতারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। চিটিংবাজি বোঝাতে এখন রসিকতার সুরে অনেকেই এই ধারার উদাহরণ দেন।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    এদিন হুগলির চন্ডীতলায় বালুরঘাটে সাংসদ আরও বলেন, যে সারা রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের ভাঙন শুরু হয়েছে। মালদা এবং মুর্শিদাবাদ এই দুই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাতেও মানুষ তৃণমূল ছেড়ে, দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। কারণ মানুষ সম্মানের জন্য রাজনীতি করেন। তৃণমূলে থেকে কেউ চোর স্লোগান শুনতে চাইছে না। তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের এই হিড়িক দেখা যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গ কুড়মি আন্দোলন

    রাজ্যজুড়ে চলা কুড়মি আন্দোলনকে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি কটাক্ষ করে বলেছেন, এটি খলিস্তানপন্থী আন্দোলনের মতো। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতির মন্তব্য, তৃণমূলকে উচিত শিক্ষা দেবে এই কুড়মিরাই। কুড়মিরা তাদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছে, বলেও জানা বালুরঘাটের সাংসদ। তাঁর আরও সংযোজন, তাঁদের মধ্যে কোন বিচ্ছিন্নতাবাদী চিন্তা নেই। অন্যদিকে দীর্ঘদিন পরে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে দেখা গেছে সোনালী গুহকে। যিনি ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তাঁর প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন যে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছেন। বর্তমানে তিনি সক্রিয় বিজেপি করেন না, উনার ব্যাপারে দল আগামীতে সিদ্ধান্ত নেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক জেলা সফরে আসার আগেই তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক! জেলা জুড়ে শোরগোল

    Abhishek Banerjee: অভিষেক জেলা সফরে আসার আগেই তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক! জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনের সপ্তাহে নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তার আগেই অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক বীরভূম জেলায় একের পর এক তৃণমূল নেতা দল ছাড়ছেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে শাসক দলের একের পর এক পদাধিকারী দল ছাড়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কোন কোন নেতা তৃণমূল ছাড়লেন?

    আগামী ৯, ১০ এবং ১১ মে জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) আসছেন। জেলার একাধিক ব্লকে এই কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে। তার ঠিক আগেই রামপুরহাট ১ ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি রিয়াজুল হক শুক্রবার আচমকা পদত্যাগ করলেন। উল্লেখ্য, এই ব্লকেই বগটুই গ্রাম। এই গ্রামের প্রতি বিশেষ নজর দিতেই এলাকার বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় অনুগামী রিয়াজুলকে ব্লক সভাপতি করা হয়। এমনকী শুক্রবার মালদহ থেকে কলকাতা ফেরার পথে রামপুরহাট রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বগটুই গ্রামকে মডেল গ্রাম করার নির্দেশ দিয়ে যান।এলাকার বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী সবরকম সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বগটুই গণহত্যাকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গ্রামে দখলদারি করতে চাইছে বিজেপি ও তৃণমূল। গত ২১ মার্চ শহিদ দিবস পালনে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে আচমকা সোশ্যাল মিডিয়ায় শারীরিক কারণ দেখিয়ে ও ব্যবসার প্রসঙ্গ তুলে ধরে শুক্রবার সকালেই পদত্যাগ করেন রিয়াজুল। রিয়াজুল বলেন, পদে থেকে দলকে সময় দিতে পারছিলাম না। আর ব্যবসার কাজও ঠিকমতো করতে পারছিলাম না। তাই, সভাপতির পদ থেকে আমি পদত্যাগ করলাম। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামপুরহাটের যুব তৃণমূল নেতা সঙ্কেত সেনগুপ্ত শনিবার দল ছাড়লেন। তিনি যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রামপুরহাট শহর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এদিন দুপুরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দল ছাড়ার বিষয়টি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, পারিবারিক অসুবিধা ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে দল ছাড়লাম। আমার জায়গায় দল অন্য কাউকে দায়িত্ব দিলে ভাল হয়।

    কী বললেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি?

    এমনিতেই রিয়াজুল হক তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মির না পছন্দের তালিকায় ছিলেন। ফলে, যতদিন গিয়েছে, তত দূরত্ব বেড়েছে তাঁদের। ব্লক সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বলেন, “উনি আমার ব্লক কমিটিতে ছিলেন না। এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি।”

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বগটুই স্বজনহারা পরিবারের সদস্য ও সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া মিহিলাল শেখ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বগটুইকে মডেল গ্রাম করার প্রতিশ্রুতি ভোটের চমক ছাড়া কিছুই নয়। সংখ্যালঘু মানুষদের শুধু ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে তৃণমূল। সংখ্যালঘু মানুষ সেটা বুঝে গিয়েছে। আর কেউ ওদের পাশে থাকবে না। আর রিয়াজুল হক তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রিয়াজুল আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভার্চুয়াল মিটিংয়ে নেতাদের সামনেই  ‘চোর চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও, চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল

    TMC: ভার্চুয়াল মিটিংয়ে নেতাদের সামনেই ‘চোর চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও, চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচিতে ব্যালট লুঠ হওয়ার ঘটনার সাক্ষী রয়েছেন রাজ্যবাসী। দুদিন আগে মালদহের ইংরেজবাজারে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় আটকে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা চুরি করার অভিযোগ তোলেন তাঁরা। এই সব ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সেই নবজোয়ার কর্মসূচির ভার্চুয়াল মিটিংয়ের ভিডিও ভাইরাল হতেই চরম অস্বস্তিতে নেতৃত্ব। তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের ভার্চুয়াল মিটিং চলাকালীন জেলা ও রাজ্যের নেতাদের সামনেই ‘চোর চোর’ স্লোগান!

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পশ্চিম মেদিনীপুরে শুরু হতে চলেছে তৃণমূলের (TMC) নবজোয়ার কর্মসূচি। সেই কর্মসূচিকে সামনে রেখে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে বৃহস্পতিবার একটি ভার্চুয়াল মিটিং এর আয়োজন করা হয়। গুগল মিটের মাধ্যমে এই মিটিং হয়। মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি ও প্রাক্তন ছাত্র সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী, মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সৈয়দ মিলু, রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভিরূপ চক্রবর্তী এবং অন্যান্য ব্লক ও জেলা স্তরের নেতৃত্বরা। রাজ্যস্তরের নেতারা মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই মিটিং ছিল তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের কোর কমিটির মিটিং। তবে সেই মিটিং এর শুরুতেই হোঁচট। হঠাৎই স্লোগান ওঠে “চোর চোর চোরটা, অভিষেকের পিসিটা। “এমনকী মিটিং চলাকালীন একাধিক মেসেজে ভেসে আসতে থাকে ত্রিপল ও কয়লা চুরির ঘটনা। এছাড়াও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও আক্রমণ করা হয় রাজ্য তৃণমূলের আইটি সেল এর সভাপতি দেবাংশু ভট্টাচার্যকে। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করা হয় মেসেজ ও স্লোগানের মাধ্যমে। প্রশ্ন উঠছে, সামনেই পঞ্চায়েত ভোট, আর তার আগে তৃণমূলের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে এধরনের দলবিরোধী স্লোগান ভাবাচ্ছে বুথ থেকে রাজ্যস্তরের নেতৃত্বদের।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    ভার্চুয়াল মিটিং এর এই ভিডিওই রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায় নেট দুনিয়ায়। চরম অস্বস্তিতে শাসক শিবিরের ছাত্র সংগঠন। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের নেতৃত্ব জানাচ্ছে, মিটিংয়ে যারা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেছে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অরূপ দাস বলেন, এটা ওদের গোষ্ঠীকোন্দলের ফল। কর্মীদের ওপর নেতৃত্বের কোনও লাগাম নেই। তাই, মিটিংয়ের মধ্যে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসবে, এই ধরনের ঘটনা তত বাড়বে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: এবার মালদহ! অভিষেক চলে যেতেই প্রার্থী বাছাই ঘিরে তুুমুল বিশৃঙ্খলা, প্রকাশ্যে কোন্দল

    Abhishek Banerjee: এবার মালদহ! অভিষেক চলে যেতেই প্রার্থী বাছাই ঘিরে তুুমুল বিশৃঙ্খলা, প্রকাশ্যে কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের পর এবার মালদহের ইংরেজবাজার। এই জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচির শেষ দিনে ইংরেজবাজারের সুস্থানী এলাকায় ব্যালট পেপার দিয়ে প্রার্থী বাছাই-এর প্রক্রিয়া শুরু হতেই তুমুল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। পরে, তাঁরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) চলে যাওয়ার পর পরই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। এই ঘটনার আগেই বৃহস্পতিবার দুপুরে ইংরেজবাজার থানার বিনোদপুর অঞ্চলের সাতটারি এলাকায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় ঘিরে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখান। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এনে এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই প্রার্থী বাছাই নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল।

    ঠিক কী নিয়ে গণ্ডগোল?

    এদিন অভিষেক (Abhishek Banerjee) সভা করার পর ইংরেজবাজার ব্লকের সব বুথে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু হয়। যদিও এই কর্মসূচি শুরু করে দিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee) চলে যান। জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে চলছিল ভোটদান পর্ব। অভিযোগ, ইংরেজবাজার ব্লকের কাজিগ্রাম পঞ্চায়েতের নওদা বাজার এলাকার ৪৬ নম্বর বুথের সভাপতি তাহির মহালদারের নাম বুথ কমিটির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। জনসংযোগ যাত্রায় ভোট দান করতে গিয়ে অঞ্চল সভাপতি দেখেন লিস্টে বুথ সভাপতির নাম নেই। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা। ভোটদান প্রক্রিয়া বন্ধ রেখেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা চলে। পরে, হাতাহাতি হয়। জেলা নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। গণ্ডগোলের জেরে এই বুথের প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা?

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, নিয়ম মেনে সব কিছু হওয়ার দরকার। এলাকার মানুষ বুথের সভাপতিকে প্রার্থী হিসেবে চেয়েছিলেন। কিন্তু, ভোট দেওয়ার সময় দেখা যায় বুথ সভাপতির নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসলে মালদহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ প্রতিভা সিংহ ষড়যন্ত্র করে এই কাজ করেছে। এরপরই আমরা ক্ষোভে ফেটে পড়ি।

    কী বললেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ?

    যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ প্রতিভা সিংহ। তিনি বলেন, কারও নাম বাদ দেওয়া হয়নি। আর তালিকায় একাধিক নাম থাকতেই পারে। কোনও গণ্ডগোল হয়নি। আসলে যাদের সঙ্গে কোনও মানুষ নেই, তারা এই ধরনের অভিযোগ করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share