Tag: Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee

  • CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বারাকপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়দীপ দাসের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা অভিযান চালান। জয়দীপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত। টানা প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে তাঁর বাড়িতে চলে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, সকাল ন’টায় ওই নেতার বাড়িতে আসে সিবিআই (CBI)। বিকেল তিনটে নাগাদ তাঁরা বেরিয়ে যান। তবে, সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কোনও কথা বলতে চাননি।

    কী বললেন তৃণমূলের কাউন্সিলর?

    সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা চলে যাওয়ার পর জয়দীপ দাস বলেন, ঘুম থেকে উঠেই দেখি বাড়িতে সিবিআই (CBI) এসেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সূত্র ধরেই তারা এদিন আমার বাড়িতে এসেছিল। আসলে তৃণমূল করি বলেই এসব হচ্ছে। আমি সমস্তরকমভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি। আমার বাড়িতে এবং অফিসে ওরা তল্লাশি চালায়। সমস্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। আমার দুটি ফোন আর আমার স্ত্রীর একটি ফোন তারা খতিয়ে দেখেছে। আর বাড়ি থেকে দুটি কাগজ নিয়ে গিয়েছে। তাতে পাড়ার দুজনের বায়োডেটা ছিল। এর বেশি কিছু তারা নিয়ে যায়নি।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে নিউ বারাকপুরের দক্ষিণ মাসুন্দার জগদীশ বসু রোডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক সুকান্ত আচার্যের বাড়িতেও সিবিআই (CBI) হানা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের এই হানা বলে এই সূত্রে জানা গিয়েছে। সিবিআই বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় সুকান্তবাবু বাড়িতেই ছিলেন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সুপারিশ নথি সহ বিভিন্ন কাগজপত্র সিবিআই আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন। সকাল থেকে তাঁকে ম্যারাথন জেরা করা হয়। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত সিবিআই তল্লাশি চালায়। তাঁর আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্পত্তির পরিমাণ সহ একাধিক বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য সুকান্ত আচার্যকে। এর আগেও দুর্নীতিকাণ্ডে নিজাম প্যালেসে ইডি হেফাজতে একাধিকবার জেরা করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন এই আপ্ত সহায়ককে। সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা সুকান্তবাবুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সামনে কোনও কিছু বলতে চাননি। সুকান্তবাবুর পরিবারের এক সদস্য বলেন, সিবিআইকে (CBI) সবরকম সহযোগিতা করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, কেন জানেন?

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার যাত্রায় উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায় ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এমনকী যুবরাজের সামনেও ব্যালট লুঠ হওয়ার সাক্ষী রয়েছেন উত্তরবঙ্গবাসী। তার জের কাটতে না কাটতেই এবার গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অভিষেক। তৃণমূলের প্রধান, উপপ্রধান এবং ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। কনভয় থেকে নেমে দলীয় নেতাদের অপকর্মের কথা যুবরাজকে হজম করতে হল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে ইংলিশবাজার থানার বিনোদপুর অঞ্চলের সাতটারি এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরের মধ্যেই অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় আটকে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ?

    বৃহস্পতিবার মোথাবাড়িতে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। এদিন দুপুরে ইংলিশবাজার ব্লকের সাতটারি এলাকা দিয়ে তাঁর কনভয় মোথাবাড়ির জনসভার উদ্দেশে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় সাতটারি এলাকায় অভিষেকের কনভয় আটকে এলাকাবাসীরা বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে অভিষেক (Abhishek Banerjee) গাড়ি থেকে নেমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। কী কারণে তাঁরা রাস্তায় নেমে এভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তা তিনি জানতে চান। মূলত জেলা পরিষদের সদস্যা, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি, পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে, এই অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অভিষেকের কাছে বিক্ষোভকারীরা দরবার করেন।

    কী বললেন বিক্ষোভকারীরা?

    এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখানোর সময় অভিষেক (Abhishek Banerjee) এক গ্রামবাসীর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। পরে, অভিষেক চলে যাওয়ার পর ওই গ্রামবাসী জানান, ১০০ দিনের কাজে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূলের প্রধান, উপপ্রধান, অঞ্চল সভাপতি, ব্লক সভাপতি এর সঙ্গে জড়িত। জেলা পরিষদের সদস্যা প্রতিভা সিংহ এলাকায় এসে আমাদের পুলিশের ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছেন। এলাকায় ৬ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। এলাকাবাসী কাজ করেও কোনও টাকা পাননি। এলাকায় কোনও উন্নয়ন হচ্ছে না। প্রতিভা সিংহ সহ সব পঞ্চায়েতের পদাধিকারীদের এবার টিকিট দেওয়া যাবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সব কিছু শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গেও লড়াই করব”! ময়না-কাণ্ডে সরব সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গেও লড়াই করব”! ময়না-কাণ্ডে সরব সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরাতে, ও সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গেও লড়াই করতে প্রস্তুত, বলে জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ময়নায় বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হলেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “পুলিশের অপদার্থতার কারণেই এই খুন হয়েছে। এই সব কিছুর পর পুলিশ হামলার শিকার হলে আমাদের দায়ী করতে পারবেন না।”

    নিষ্ক্রিয় পুলিশ

    ময়নায় নিহত কর্মীর বাড়িতেও গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দলের তরফে নিহত নেতার পরিবারের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের একজন বুথ সভাপতি, বড় মাপের কর্মীকে হারালাম। আমরা লড়াই ছাড়ছি না। সৌমেন মহাপাত্র, সংগ্রাম দলুই, যেই হোক না কেন, এখান থেকে বিজেপির পতাকা নামাতে পারবেন না। আমরা একজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। তাকেও গ্রেফতার দেখানো হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে জানাব, এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার জন্য।’’ সুকান্ত আরও বলেন, “পুলিশ চাইলে তিন মিনিটে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কর্মীকে বাঁচাতে পারতো। কিন্তু পুলিশ যায়নি।”

    আরও পড়ুন: ‘‘সিআরপিসি, আইপিসি-র অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র’’! দাবি শুভেন্দুর

    ভাইপো বাঁচাও কর্মসূচি

    অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূল ভাইপো বাঁচাও কর্মসূচি নিয়েছে! তবে ভাইপো বাঁচবেন কি না সন্দেহ আছে! কেননা পুরো কেস জমে ক্ষীর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাঁচার সম্ভাবনা নেই। এবার তাঁকে শাস্তি পেতে হবে।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একা পারছেন না নবজোয়ার কর্মসূচি সামলাতে। তাই তিনি আরেকজনকে ডেকে নিয়েছেন। আসলে যুবরাজের এত বাইরে ঘোরার অভ্যাস নেই তো! তৃণমূলে জোয়ার কোথায়, এখন তো ভাটা দেখতে পাচ্ছি।” সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না নবজোয়ার কর্মসূচিকে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ময়দানে নামতে হচ্ছে। তিনি বলেন, যাঁরা ব্যালট লুঠ করছেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিষ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী বাছতে অভিষেকের গণভোট সামলাচ্ছেন কারা? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী বাছতে অভিষেকের গণভোট সামলাচ্ছেন কারা? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মীদের অপব্যবহারের অভিযোগে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলের নব জোয়ার যাত্রায় সরকারি কর্মীদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন শুভেন্দু। ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে ট্যুইটারে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে, প্রাথমিকভাবে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য শুধু পুলিশ নয় সরকারি কর্মীদেরও ব্যবহার করছেন পিসি’।

    শুভেন্দুর প্রশ্ন

    বুধবার একটি তালিকা প্রকাশ করে শুভেন্দু দাবি করেন, ‘পিসি-ভাইপো’র দলের প্রাথমিক প্রার্থী নির্বাচনের জন্য সরকারি কর্মীদের কাজে লাগানো হচ্ছে। একদিকে ডিএ না পেয়ে সরকারি কর্মীরা আন্দোলন করছেন, তাঁদের বদলি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, দলের ফান অ্যান্ড গেমের জন্য সরকারি কর্মীদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে। কী আশ্চর্য সমাপতন। পঞ্চায়েত ভোটে দলের প্রার্থী বাছতে জেলায় জেলায় গণভোট করাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই ভোট সামলাচ্ছেন কারা? প্রশ্ন শুভেন্দুর।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মমতার রক্ত-পিপাসু রূপ মানুষ দেখে নিয়েছে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    শুভেন্দুর দাবি

    প্রসঙ্গত, তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় পুলিশি ব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে আগেই সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু। রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যকে এই নিয়ে একটি দুই পাতার চিঠিও লিখেছেন তিনি। চিঠিতে শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের এই প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ার সঙ্গে ‘পাবলিক ইনটারেস্টের’ কোনও যোগ নেই। তাহলে কোন আইনে বা কোন নিয়মে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে? এই পুলিশ বাহিনী যে জনগণের সরকারি টাকায় গঠিত, সেই কথাও চিঠিতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি। বুধবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের গণভোটের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে রাজ্য সরকারেরই বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীদের। বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক ভোটাভুটির জন্য এখন শুধু পুলিশকেই নয়, সরকারি কর্মচারীদেরও ব্যবহার করছে আঞ্চলিক দল তৃণমূল।’’

    শুভেন্দু তাঁর অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে একটি হোয়াট্‌সঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিনশট এবং সেই কথোপকথনে থাকা একটি তালিকা শেয়ার করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জলপাইগুড়ি সংগঠন শীর্ষক ৪৯ জনের একটি তালিকা দিয়ে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত কর্মীদের ‘‘মাননীয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে ডিউটি করতে হবে।’’ এর সঙ্গে কোথায় কবে ঠিক ক’টার সময় ওই কর্মচারীদের ‘ডিউটি’ করতে হবে, তার বিশদও জানানো হয়েছে ওই হোয়াট্‌সঅ্যাপ বার্তায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat TMC: অভিষেক যেতেই প্রশাসনিক পদ থেকে অপসৃত তৃণমূল নেত্রী, এত সময় লাগল?

    Balurghat TMC: অভিষেক যেতেই প্রশাসনিক পদ থেকে অপসৃত তৃণমূল নেত্রী, এত সময় লাগল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডি-কাণ্ডের জেরে আগেই দলীয় পদ থেকে সরানো হয়েছিল প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে (Balurghat TMC)। এবার প্রশাসনিক পদ থেকেও সরানো হল তৃণমূল নেত্রীকে। দণ্ডি-কাণ্ডে যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, সেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানোর নোটিস দেওয়া হল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে অভিযোগকারী তিন মহিলার সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। কড়া পদক্ষেপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নোটিস দেওয়া হল। পুরসভার আইন মেনে এই পদ থেকে সরানো হয়েছে বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। ২ মে অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই এই নোটিস কার্যকর হচ্ছে।

    ঘটনাস্থলে অভিষেক

    মঙ্গলবার নিজে বালুরঘাটে গিয়ে সেই মহিলাদের সঙ্গে বসে চা খান অভিষেক। পরে তাঁদের সঙ্গে একান্তে কথাও বলেন। তাঁদের কথা শোনেন। পরে বেরিয়ে অভিষেক ব্যানার্জি জানিয়েছিলেন, দলগতভাবে ও প্রশাসনিক স্তরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন বিপ্লব মিত্র, অর্পিতা ঘোষ প্রমুখ। এই সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নোটিস নেত্রীকে (Balurghat TMC)।

    অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া গেল না

    প্রদীপ্তা চক্রবর্তী বালুরঘাট পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা ভাইস চেয়ারপার্সন (Balurghat TMC) ছিলেন। তাঁকে সরানোর কথা জেলাশাসক থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এদিনই। এই বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর।

    পদক্ষেপ নাকি সস্তা জনপ্রিয়তা?

    প্রশ্ন উঠেছে, এতবড় একটা কাণ্ডে অভিযুক্তর (Balurghat TMC) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এতখানি সময় লাগলো কেন? বিরোধীরা বিষয়টিকে আদৌ ভালো চোখে দেখছে না। তাদের বক্তব্য, মূল অভিযুক্তকে প্রশাসনিক পদ থেকে সরানোর জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল? এই ঘটনাই প্রমাণ করে, এ ধরনের কত অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়া অবস্থায় পড়ে থাকে। অনেকে আবার এই ঘটনাকে সস্তায় জনপ্রিয়তা কুড়নো বলেও মনে করছেন। তাদের বক্তব্য, ‘যুবরাজ’ যখন ছুটে এসেছেন, তখন কিছু তো একটা করতেই হয়। তাই ওই পদক্ষেপ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের ‘ভোট-রঙ্গে’ বিশৃঙ্খলা, ‘বৈজ্ঞানিক’ ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির অধ্যাপক নেতা সুকান্ত  

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের ‘ভোট-রঙ্গে’ বিশৃঙ্খলা, ‘বৈজ্ঞানিক’ ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির অধ্যাপক নেতা সুকান্ত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের গা থেকে কেলেঙ্কারির ময়লা ঝেড়ে ফেলতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে নবজোয়ার যাত্রা করছেন তৃণমূল (TMC) নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর এই রাজ্য সফরে জনতার নাড়িও বুঝতে চান তৃণমূলের দু নম্বর ব্যক্তিত্ব। কর্মসূচি শুরু হয় কোচবিহার থেকে। পঞ্চায়েতে দলীয় প্রার্থী বাছাই করতে পুরোদস্তুর ভোটের ব্যবস্থা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দল। তবে কোচবিহার থেকে এখনও পর্যন্ত যেসব জায়গায় ‘ভোট-রঙ্গ’ হয়েছে, সেখানেই দেখা গিয়েছে বিশৃঙ্খলা। লুঠ হচ্ছে ব্যালট পেপার, ছিনতাই হচ্ছে ব্যালট বাক্স। যার জেরে বারংবার অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে রাজ্যের শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। কী কারণে এমনটা হচ্ছে? এ প্রশ্নের জব্বর ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, জীবন বিজ্ঞানের প্রতিবর্ত তত্ত্বের কারণেই এই গোলমাল। 

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায় অশান্তি…

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছিল ২ মে। তখন থেকে রাজ্যে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার (Abhishek Banerjee) ধর্মতলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিজেপি। এই সমাবেশেই ভাষণ দিতে গিয়ে বিজেপির অধ্যাপক নেতা বলেন, জীবন বিজ্ঞানে প্রতিবর্ত ক্রিয়া পড়ানো হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘণ্টা বাজিয়ে কোনও কুকুরকে দিনের পর দিন খেতে দেওয়ার পর ঘণ্টা না বাজালেও ওই সময় কুকুরের মুখ থেকে লালা পড়তে থাকে। তৃণমূল কর্মীদেরও একই অবস্থা। ব্যালট বাক্স দেখলেই লুঠ করতে ইচ্ছা করে। সত্যি ভোট না কি দলীয় ভোট সেই হুঁশ থাকে না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    রাজ্যের শাসক (Abhishek Banerjee) দলকে এই পরিস্থিতি থেকে বেরনোর পথও বাতলে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, অভিষেকবাবুকে বলব, দুজন কর্মীকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মতো পোশাক পরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখুন। তবে আর ব্যালট বা ব্যালট বাক্স লুঠ হবে না। তৃণমূলের কর্মীরা কেবল কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই ভয় পায়। প্রসঙ্গত, ২৫ এপ্রিল নবজোয়ার যাত্রা কর্মসূচি পালনের সূচনার দিনই ব্যালট নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর ধুন্ধুমার লড়াই হয়েছিল কোচবিহারের গোঁসানিমারি ও সাহেবগঞ্জে। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতেও ভোটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অশান্তি হয়। নেতা-কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। হাপ্তিয়াগাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের বুথে তো আবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলাতে নামানো হয় র‌্যাফ। একই ঘটনা ঘটে হরিরামপুরেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • BJP: অভিষেকের সভার আগেই তৃণমূলে ভাঙন, বিজেপিতে যোগ দিলেন বহু  কর্মী

    BJP: অভিষেকের সভার আগেই তৃণমূলে ভাঙন, বিজেপিতে যোগ দিলেন বহু কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে জেলায় তৃণমূলে ভাঙন ধরাল গেরুয়া শিবির। তৃণমূল ও বামফ্রন্ট ছেড়ে বহু কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)। সোমবার বিকেলে একটি অনুষ্ঠানে সদ্য যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী ও তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু।

    তৃণমূল ছেড়ে কতজন বিজেপিতে (BJP) যোগ দিলেন?

    পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই দলবদলের রাজনীতি চলছে দক্ষিণ দিনাজপুরে। সোমবার বিকেলে কুশমণ্ডি ব্লকের মালিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের শিকারপুরে বিজেপির (BJP) যোগদান কর্মসূচি ছিল। সেখানেই শতাধিক তৃণমূল ও সিপিএমের কর্মী-সমর্থক গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেন। যোগদানকারীদের মধ্যে অন্যতম সিপিআইএমের প্রাক্তন উপপ্রধান বৈজন্তী রায় রয়েছেন। পাশাপাশি বহু আদিবাসী পরিবারের সদস্য রয়েছেন। মঙ্গলবার জেলায় আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দণ্ডিকাণ্ডের সেই আদিবাসী গ্রামের পাশেই যুবরাজের সভা হওয়ার কথা। তার ঠিক আগের দিন বিজেপির (BJP) যোগদান কর্মসূচি রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

    দলত্যাগী কর্মীরা কী বললেন?

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে দলত্যাগী কর্মীরা বলেন, তৃণমূলে থেকে কোনওরকম সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না। এলাকায় উন্নয়নের বিষয়ে তৃণমূলের কোনও নজর নেই।  তাই নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের যজ্ঞে সামিল হতে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলাম।

    কী বললেন বিজেপি-র (BJP) জেলা সভাপতি?

    এবিষয়ে বিজেপি-র (BJP) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, তৃণমূল থেকে সাধারণ মানুষ মুখ ফেরাচ্ছে। ঘর গোছাতে অভিষেক জেলায় আসছে, তার আগেই তৃণমূলের বহু কর্মী আমাদের দলে যোগ দিলেন। আসলে এই পরিবারগুলি মঙ্গলবার অভিষেকের সভায় থাকতে চান না। এর কিছুদিন আগে জেলার তপন থানা এলাকায় প্রায় ২০০ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ছেড়ে আমাদের দলে যোগ দেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিকে যোগদান নিয়ে তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় আসছেন। এতেই ভয় পেয়েছে বিজেপি (BJP)। তাই ওরা এসব ভুলভাল বলছে। তৃণমূল থেকে কেউ বিজেপিতে যায়নি। উলটে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসছে মানুষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    Abhishek Banerjee: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের পর এবার করণদিঘিতে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, রবিবার করণদিঘিতে প্রার্থী বাছাইয়ে ভোটদান চলাকালীন দুটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তুমুল ঝামেলা বাঁধে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে। চাকুলিয়া ব্লকের হপতিয়াগজ গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোয়াগাঁও- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোট দান কক্ষে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। করণদিঘির আগে ইসলামপুর কোর্ট ময়দানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। সেই সভা শেষে ব্যালট বাক্সে প্রার্থীর নামের কুপন দিতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। যদিও পরে দলীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    করণদিঘিতে ঠিক কী হয়েছিল?

    রবিবার চোপড়ায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। পরে, সেখান থেকে তিনি ইসলামপুরে সভা করেন। সভা শেষে সেখানেও ব্যালটে ভোট দেওয়া নিয়ে গণ্ডগোল হয়। পরে, বিষয়টি মিটে যায়। সেখান থেকে যুবরাজ চাকুলিয়াতে সভা করেন। পরে, করণদিঘিতে তিনি রাতে থাকেন। করণদিঘিতে অভিষেক (Abhishek Banerjee) পৌঁছানোর পরই ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তিনি দাঁড়িয়ে থেকে ভোটদান শুরু করে সভাস্থল ছেড়ে চলে যান। এরপরই পুরানো এবং নব্য তৃণমূলের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। যে ব্যালট বাক্সে ভোটদান চলছিল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ তা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এমনিতেই অভিষেক (Abhishek Banerjee) সভা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর পরই তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে চলে যান। ভোটদান কেন্দ্রে গণ্ডগোল হচ্ছে শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। মন্ত্রী গোলাম রব্বানী, জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল ও করণদিঘির বিধায়ক গৌতম পাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার জেরে ভোটদান পর্ব বন্ধ করে দেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

    ভোটদান নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের কী বক্তব্য?

    এক তৃণমূল কর্মী বলেন, পুরানো কর্মীদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের কোনও নাম নেই। নতুন যারা এসেছে তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে। আসলে তালিকা জমা পড়ার পর তালিকায় কাটছাঁট করা হয়েছে। চোখের সামনেই এসব হচ্ছে। অন্য এক তৃণমূল কর্মী বলেন, ব্যালটে ভোট দেওয়া চলছে। সেটা প্রকাশ্যে হচ্ছে। কোনও গোপনীয়তা নেই। আর তাতেই তৃণমূল কর্মীদের বড় অংশ আপত্তি জানান। ফলে, ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই করতে অভিনব পদক্ষেপ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। জেলায় জেলায় ঘুরছেন তিনি। সব সভা থেকেই অভিষেক একটাই বার্তা দিচ্ছেন, তৃণমূল পঞ্চায়েতের প্রার্থী বাছাই করবে না। পঞ্চায়েতের প্রার্থী বাছবে মানুষ। অভিষেকের এই উদ্যোগ কার্যকরী করতে গিয়েই বাঁধছে বিপত্তি। জায়গায় জায়গায় ব্যালট বাক্স ভাঙা থেকে লুঠপাটের ঘটনা সামনে আসছে। কোচবিহার ছাড়াও জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি, পাহাড়পুর, রাজগঞ্জ থেকে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি সব জায়গাতেই ব্যালট পেপার নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এবার উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতেও একই ঘটনা ঘটল। যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিচ্ছেন শুভেন্দু, কেন জানেন?

    Suvendu Adhikari: রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিচ্ছেন শুভেন্দু, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অথচ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবারই ডিজিকে চিঠি দেবেন বলে নন্দীগ্রামে মন কি বাত কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে একথা জানান তিনি।

    রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দেওয়া নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যে যেভাবে প্রতিদিন কালিয়াচক, কালিয়াগঞ্জের মতো ঘটনা ঘটছে, তারই প্রেক্ষিতে আমি রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিয়ে জানতে চাইব, তৃণমূলের পার্টি ভোটের জন্য যে পুলিশ মোতায়েন করেছে, তাতে কত টাকা তৃণমূল ট্রেজারিতে দিয়েছে? অভিষেকের সভা থেকে ফেরার পথে গাড়ি উলটে পুলিশ কর্মীরা জখম হয়েছেন। গোটা রাজ্য থেকে পুলিশ নিয়ে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপোর সেবায় ব্যবহার করা হচ্ছে। আর রোজ রোজ রাজ্যে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। বর্ধমানে এক মাসের মধ্যে তিনজন খুন হয়েছে। রানিগঞ্জে আমাদের দলের নেতা রাজেন্দ্র সাউকে খুন করা হল। আমরা নিরাপত্তা পাই। কিন্তু, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কে দেবে?

    ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে নন্দীগ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রবিবার দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনতে কয়েক হাজার মানুষ জমায়েত হয়েছিল। গত বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) জয়ী করেছিলেন নন্দীগ্রামবাসী। স্বাভাবিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠান ঘিরে সাজ সাজ রব ছিল নন্দীগ্রাম। প্রধানমন্ত্রী নন্দীগ্রামবাসীর সঙ্গে কথাও বলেছেন। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, প্রায় ১০ হাজার মানুষ মন কি বাত অনুষ্ঠান শুনেছেন। আর মন কি বাতে নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

    অভিষেককে নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    অভিষেক ব্যানার্জীর নবজোয়ার যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, অভিষেক ব্যানার্জীকে হরি দাস পাল ব্যানার্জী বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “পিসি ছাড়া জিরো! দু হাজার পুলিশ নিয়ে বের হয়। চার কোটি টাকার বাস। আগে বলেছিল না, অমিত শাহজি নাটক করতে খেতে যায়। কালকে কি করছিল ? নাটক করছিল ? কয়লা, বালি খাচ্ছিল?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • John Barla: অভিষেকের তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    John Barla: অভিষেকের তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল দলটাই চোর লুটেরায় ভরে গিয়েছে। মানুষ এখন হাড়ে হাড়ে তা বুঝতে পারছেন। আলিপুরদুয়ারে এসে একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা (Jhon Barla)। তিনি বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল বিধায়করা জেলে যাচ্ছেন। এখনও অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তৃণমূল এখন চোরেদের দলে পরিণত হয়েছে। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবে।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Jhon Barla) কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা (Jhon Barla) বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যতই আলিপুরদুয়ারে এসে তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগ করুক না কেন, কোনও লাভ হবে না। ওরা (তৃণমূল) বলছে টাকা নেই, আর এদিকে উৎসব চলছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে যেভাবে প্যান্ডেল করা হয়েছে, ওই টাকা যদি গরিব মানুষদের মধ্যে বিলি করা হত, তাহলে বুঝতাম যুবরাজ জনগণের মানুষ। সাধারণের বাড়িতে রাত কাটালে বুঝতাম ওদের (তৃণমূল) সঙ্গে লোক আছে। যুবরাজের তো আবার এসি লাগবে। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জন বার্লার (Jhon Barla) সমালোচনা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী কেন উচ্চ পর্যায়ের কেন্দ্রীয় কমিটি আনতে পারেননি? যদিও অভিষেকের সেই অভিযোগকে কটাক্ষ করে জন বার্লা (Jhon Barla) বলেন, রাজ্য সরকার এমনকী জেলা প্রশাসন আমাদের কোনওরকমভাবে সহযোগিতা করছে না। জেলার উন্নয়ন করতে হলে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের সমন্বয় দরকার। কেন্দ্রের ইচ্ছা থাকলেও রাজ্যের অসহযোগিতায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ এই এলাকার মানুষের জন্য করা যাচ্ছে না। অথচ অন্যান্য রাজ্যগুলো এগিয়ে আসছে। আমাদের রাজ্য এক সময় দেশের মধ্যে সব দিক থেকেই শীর্ষে ছিল, সেই রাজ্য আজকে অন্যান্য অনেক রাজ্যের থেকে পিছিয়ে পড়ছে।  

    চা শ্রমিকদের নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Jhon Barla)?

    জন বার্লা বলেন, ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আদিবাসীরা চা বাগানে রয়েছেন। কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস করলেও তারা চা বাগানের এক ইঞ্চি জমিতে বাড়ি বানাতে পারছেন না, রাজ্য সরকার জমির পাট্টা দেয়নি। আমি তো জোর করে বাড়ি বানিয়েছি। আমার চার পুরুষ ওই জমিতে বসবাস করছে, আমি কেন বাড়ি বানাতে পারবো না? আমাকে দেখে সবাই বাড়ি বানাবেন, এই জমি আমরা ছাড়তে পারবো না, পারলে আমাকে উঠিয়ে দিক। ১৫০ বছর হয়ে গেছে আমরা জমির অধিকার পাইনি। রোহিঙ্গারা এসে জমি বাড়ি পেয়ে যাবে, আমরা এই দেশের আদিবাসী বাসিন্দা হয়ে কেন জমি বাড়ি পাব না?

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শাসকদলের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিকবড়াইক বলেন, আলিপুরদুয়ারের মানুষ এতদিন তাঁকে খুঁজে পাননি। তাই নিজেকে বাঁচাতে তিনি ওইসব আবোল তাবোল বকে যাচ্ছেন। রাজ্য সরকার চা শ্রমিকদের জমির পাট্টা দিচ্ছে। চা সুন্দরীর ঘর করে দিচ্ছে। তিনি ওই সব উন্নয়নের কাজ দেখতেও পান না, শুনতেও পান না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share