Tag: ABVP

ABVP

  • ABVP: উমর খালিদের বই নিয়ে আলোচনা সভা বাতিল জেএনইউতে, কী বলছে এবিভিপি?

    ABVP: উমর খালিদের বই নিয়ে আলোচনা সভা বাতিল জেএনইউতে, কী বলছে এবিভিপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের তরফে অভিযুক্ত উমর খালিদকে (Umar Khalid) নিয়ে একটি বই আলোচনা সভার আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আজ ১০ অগাস্ট বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ওই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। তবে (ABVP) অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) জেএনইউ শাখার তীব্র আপত্তি ও ধারাবাহিক প্রতিবাদের পর শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়েছে।

    খালিদের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ (ABVP)

    খালিদ ২০২০ সালের দিল্লি হিংসা মামলায় অভিযুক্ত। ২০১৬ সালে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার ঘটনায়ও তাঁর নাম জড়িয়েছিল। কাশ্মীর নিয়ে নানা সময় তাঁর করা বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। জেএনইউয়ের এবিভিপির অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে খালিদের বইকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে তাঁর পক্ষে একটি ইতিবাচক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। অনুষ্ঠানের পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পরেই সংগঠনটি এ ব্যাপারে সরব হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুষ্ঠানটি অবিলম্বে বাতিল করার দাবিও জানানো হয়।

    এবিভিপির প্রতিবাদ

    এবিভিপির পক্ষ থেকে লাগাতার প্রতিবাদ ও চাপ তৈরির পর অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়েছে বলে সংগঠনটির দাবি। একইসঙ্গে, গুরুতর দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার মামলায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে মহিমান্বিত করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের জন্য প্রাথমিকভাবে অনুমতি দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক আধিকারিকদেরও নিন্দা করেছে তারা। এবিভিপি (ABVP) জেএনইউয়ের সভাপতি ময়ঙ্ক পাঞ্চাল বলেন, “গুরুতর দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার সঙ্গে যুক্ত মামলায় অভিযুক্ত কোনও ব্যক্তিকে মহিমান্বিত করার মঞ্চ জেএনইউ চত্বর হতে পারে না। আমরা এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে সরব হয়েছি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্পষ্টভাবে আমাদের আপত্তির কথা জানিয়েছি। কর্মসূচি বাতিল হওয়া এবিভিপির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার জয়।”

    দেশবিরোধী মানসিকতার প্রতিবাদ

    এবিভিপির জেএনইউয়ের সম্পাদক প্রবীণ পীযূষ বলেন, “দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার পক্ষে এবিভিপি সবসময় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। দেশবিরোধী মানসিকতাকে স্বাভাবিক করে তোলার যে কোনও প্রচেষ্টার আমরা তীব্র বিরোধিতা করব। এবিভিপি জেএনইউ এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে আওয়াজ তুলেছিল এবং শেষ পর্যন্ত কর্মসূচিটি বাতিল হয়েছে।” প্রসঙ্গত, পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি (Umar Khalid) করা হয়, আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে অনুমতি নেওয়া (ABVP) হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ‘আদিবাসী দিবস’ পালনের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

     

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে ঘিরে অব্যাহত জট, রবিবার ফের আলোচনায় সরকার

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে ঘিরে অব্যাহত জট, রবিবার ফের আলোচনায় সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ পরীক্ষায় একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন শনিবার পড়ল ১৫ দিনে। দিনভর বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠকের পর আন্দোলনরত প্রার্থীদের সঙ্গে রবিবার ফের আলোচনায় বসার (Reforms Protest) সিদ্ধান্ত নিল হেমন্ত সোরেন সরকার। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মঞ্চ ঝাড়খণ্ড লোকসেবা কমিশন-ঝাড়খণ্ড কর্মী নির্বাচন কমিশন সংস্কার মঞ্চ সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কৌশল নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।

    অচলাবস্থা কাটেনি (Jharkhand)

    শনিবার সরকার চার দফায় বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনায় অংশ নেয় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন, ঝাড়খণ্ড ছাত্র মঞ্চ এবং আদিবাসী ছাত্র সংঘ। এর আগে শুক্রবার ঝাড়খণ্ড লোকসেবা কমিশন-ঝাড়খণ্ড কর্মী নির্বাচন কমিশন সংস্কার মঞ্চের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছিল সরকার। পাঁচ দফা আলোচনার পরেও অচলাবস্থা কাটেনি। এরপর রবিবার দুপুর ১২টায় ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে ষষ্ঠ দফায় আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার সন্ধ্যায় প্রায় চার ঘণ্টা ধরে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে সরকারি প্রতিনিধিদলের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সরকারের নতুন করে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে ঝাড়খণ্ড লোকসেবা কমিশন-ঝাড়খণ্ড কর্মী নির্বাচন কমিশন সংস্কার মঞ্চ। তাদের অভিযোগ, আন্দোলনরত পড়ুয়াদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা এবং মূল দাবিগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘুরিয়ে দেওয়াই সরকারের উদ্দেশ্য। সংস্কার মঞ্চের নেতা রবীন্দ্র পাসওয়ান বলেন, “এটি সরকারের রাজনৈতিক কৌশল। সরকার ছাত্রদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে আন্দোলনের দিক থেকে মানুষের নজর সরিয়ে দিতে চাইছে। কিন্তু সরকারের জানা উচিত, সমস্ত ছাত্র একজোট।” শনিবার জয়পাল সিং মুণ্ডা স্টেডিয়ামে সাংবাদিক বৈঠকে পাসওয়ান আরও দাবি করেন, শুক্রবার রাতে পাঁচ সদস্যের সরকারি কমিটির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে সংস্কার মঞ্চ তাদের সমস্ত দাবি তুলে ধরেছে। তাঁর অভিযোগ, চলমান আন্দোলনে কোনও ভূমিকা না থাকা সংগঠনগুলির সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা করে সরকার আন্দোলনকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।

    বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আলাদা বৈঠক

    শনিবার সরকারি কমিটি প্রথমে ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চার নেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতোর নেতৃত্বাধীন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে। নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে মাহাতোর অনশন এদিন সপ্তম দিনে পড়ে (Reforms Protest)। এর পর জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন, আদিবাসী ছাত্র সংঘ এবং ঝাড়খণ্ড ছাত্র মঞ্চের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে সরকারি কমিটি। বৈঠকে প্রত্যেক সংগঠনের কাছ থেকে তাদের দাবিপত্র চাওয়া হয়। সরকারের দাবি, আলোচনার পরিবেশ ইতিবাচক ছিল। আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা যে সমস্ত উদ্বেগ ও দাবি তুলে ধরেছেন, সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিং জানান, আলোচনায় ছাত্র প্রতিনিধিদের উত্থাপিত দাবি ও উদ্বেগ সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে রবিবার দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত দফার আলোচনা হবে।” মন্ত্রী সঞ্জয় প্রসাদ যাদব জানান, ঝাড়খণ্ড লোকসেবা কমিশন এবং ঝাড়খণ্ড কর্মী নির্বাচন কমিশনে ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার আলোচনা চালিয়ে যাবে।

    ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি

    ঝাড়খণ্ড ছাত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চতুর্দশ ঝাড়খণ্ড লোকসেবা কমিশন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা বাতিলের দাবি (Jharkhand)। জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন ছ’দফা দাবি পেশ করেছে। তাদের অন্যতম দাবি, সন্দেহের আওতায় থাকা ঝাড়খণ্ড লোকসেবা কমিশন এবং ঝাড়খণ্ড কর্মী নির্বাচন কমিশনের সমস্ত পরীক্ষা ৯০ দিনের মধ্যে অপরাধ তদন্ত দফতরের মাধ্যমে তদন্ত করা। পাশাপাশি জাতীয় পরীক্ষা সংস্থার আদলে ঝাড়খণ্ডে একটি পৃথক পরীক্ষা সংস্থা গঠনের দাবিও জানিয়েছে তারা। আদিবাসী ছাত্র সংঘের নেতা কার্তিক ওরাঁও নিয়োগ পরীক্ষায় আদিবাসী ও আঞ্চলিক ভাষাগুলিকে যোগ্যতামূলক বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। যেসব পরীক্ষায় অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে, সেগুলি বাতিল করার দাবিও তুলেছে সংগঠনটি। সংস্কারের বিষয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মতামত জানতে একটি বৈদ্যুতিন ডাকের ঠিকানাও চালু করেছে সরকার। উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী সুদিব্য কুমার জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংস্কারের জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়া হচ্ছে (Reforms Protest)।

    বিধানসভা অভিযানের হুঁশিয়ারি

    সরকারের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক হলেও আন্দোলন প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিত দেননি পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, সমস্ত দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। রবিবারের মধ্যে সরকার দাবি না মানলে ১০ অগস্ট বিধানসভা অভিযানের ডাকও দিয়েছেন তাঁরা। শনিবার আন্দোলনস্থলে আলাদা মঞ্চ তৈরি করে সর্বভারতীয় ছাত্র সমিতি। তবে সংগঠনের নেতারা স্পষ্ট করেছেন, একে পৃথক কোনও আন্দোলন হিসেবে দেখা উচিত নয়। শুক্রবার বিরসা চকে বিধানসভা অভিযানের সময় কালি ছোড়ার ঘটনায় আক্রান্ত হওয়া সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরাও শনিবার কিছু সময়ের জন্য আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি চতুর্দশ লোকসেবা কমিশন পরীক্ষা এবং কর্মী নির্বাচন কমিশনের সম্মিলিত স্নাতক স্তরের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন। সংগঠনের রাঁচি শাখার প্রধান বিজয় কুমার বলেন, “বৃহত্তর আন্দোলনের যে দাবিগুলি রয়েছে, আমাদেরও একই দাবি। ১০ অগাস্টের মিছিলে আমাদের সদস্যরা অংশ নেবেন, তবে সংগঠনের পতাকা নিয়ে নয়।”

    বিধানসভা অভিযানের ডাক এবিভিপির

    এদিকে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদও আন্দোলনে সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে তাদের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ কর্তা অজয় আর্যন জানান, ওই মিছিল থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় (Jharkhand)। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের তরফে  ১১ অগাস্ট বিধানসভা অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এদিকে, আন্দোলনের মধ্যেই শহিদ নির্মল মাহাতোর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁরা আন্দোলনস্থল থেকে আলবার্ট এক্কা চকের দিকে মিছিল করেন। নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে নিজেদের দাবিও ফের তুলে ধরেন। এদিকে ঝাড়খণ্ড লোকসেবা কমিশনের পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাক্তন কমিটি-প্রধান এল (Reforms Protest) খিয়াংতেকে ২৮ জুলাই থেকে এখনও পর্যন্ত চার দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে (Jharkhand)।

     

  • ABVP: কেরলে এবিভিপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক শুরু, শিক্ষা থেকে জাতীয় স্বার্থ আলোচনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    ABVP: কেরলে এবিভিপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক শুরু, শিক্ষা থেকে জাতীয় স্বার্থ আলোচনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলামে ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) দু’দিনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক। বৈঠকের উদ্বোধন করেন এবিভিপির (ABVP) জাতীয় সভাপতি অধ্যাপক রঘুরাজ কিশোর তিওয়ারি, জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি এবং জাতীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিস চৌহান। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবিভিপির প্রবীণ পদাধিকারী ও প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। কেরলের ঐতিহ্যবাহী পঞ্চবাদ্য বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশনা এবং প্রাণবন্ত পুলিকলি লোকনৃত্যের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের স্বাগত জানানো হয়।

    আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (ABVP)

    কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে শিক্ষা, প্রযুক্তি, পরিবেশ, সেবামূলক কার্যক্রম, খেলাধুলা, শিল্পকলা, সাংগঠনিক বিষয় এবং সমসাময়িক জাতীয় পরিস্থিতি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ২০২৬ সালের সরকারি পরীক্ষা (অসাধু পদ্ধতি প্রতিরোধ) সংশোধনী আইনে ভারতের রাষ্ট্রপতির সম্মতিকে স্বাগত জানানো হয়। এবিভিপির পক্ষ থেকে একে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে (Pharmacy Commission Bill)। এছাড়াও ২০২৬ সালের জাতীয় ফার্মেসি কমিশন বিল নিয়েও আলোচনা হয়। এই বিলের বিষয়ে এবিভিপি ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের কাছে বিস্তারিত সুপারিশ জমা দিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে গুণমানভিত্তিক, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক এবং কর্মসংস্থানমুখী ফার্মেসি শিক্ষার পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। পাশাপাশি (ABVP) প্রস্তাবিত কমিশনে শিক্ষাক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব রাখার দাবিও জানানো হয়েছে।

    জাতীয় সভাপতির বক্তব্য

    বৈঠকে এবিভিপির জাতীয় সভাপতি অধ্যাপক তিওয়ারি বলেন, “জগদগুরু আদি শঙ্করাচার্যের জন্মভূমি এবং সামাজিক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত কেরলে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া এবিভিপির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কেরলের এবিভিপি কর্মীরা জাতীয় স্বার্থ এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। এই বৈঠক সংগঠনের ভবিষ্যৎ দিশা ও কর্মপরিকল্পনাকে আরও শক্তিশালী করবে।” তিনি বলেন, “শিক্ষার্থী ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে এবিভিপি (ABVP) সব সময় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছে। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সমস্যার অর্থবহ সমাধান প্রয়োজন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সমস্যাকে দেশবিরোধী বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার চেষ্টা কখনও মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের শক্তিকে সব সময় দেশ গঠনের কাজে পরিচালিত করতে হবে। আগামী দু’দিনে শিক্ষা, সাংগঠনিক অগ্রাধিকার, ছাত্র সংসদ নির্বাচন, সদস্যপদ সম্প্রসারণ, জাতীয় কর্মসূচি এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এরপর আগামী কয়েক মাসের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।”

    কী বলছেন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক?

    এবিভিপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এবিভিপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান সংলাপ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের মাধ্যমে হওয়া উচিত। হিংসা, ভাঙচুর বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মসূচির মাধ্যমে নয়।” তিনি বলেন, “পরীক্ষায় অনিয়মের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের দাবি এবিভিপি ধারাবাহিকভাবে জানিয়ে এসেছে। পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন নিষ্ঠাবান ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থীরা। তাই পরীক্ষা-চক্রের সঙ্গে যুক্ত দুর্নীতির চক্র নির্মূল করতে কঠোর আইন, কার্যকর শাস্তি, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি অত্যন্ত জরুরি।” রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “২০২৬ সালের সরকারি পরীক্ষা (অসাধু পদ্ধতি প্রতিরোধ) সংশোধনী আইনে রাষ্ট্রপতির সম্মতি এই লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর ফলে সংগঠিত পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভারতের (ABVP) পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে (Pharmacy Commission Bill)।”

    জাতীয় ফার্মেসি কমিশন বিল

    জাতীয় ফার্মেসি কমিশন বিল প্রসঙ্গে সোলাঙ্কি বলেন, “ফার্মেসি শিক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংস্কারের ক্ষেত্রে এই বিল একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আইনটিকে আরও কার্যকর, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক এবং গুণমাননির্ভর করে তুলতে এবিভিপি বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছে। আমরা আশাবাদী, এই সুপারিশগুলি যথাযথ গুরুত্ব পাবে এবং এর ফলে আরও শক্তিশালী ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী ফার্মেসি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।” তিনি এও বলেন, “২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে এবিভিপি (ABVP) মানসম্মত শিক্ষা, স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।”

     

  • NEET Paper Leak: নিট-প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত এবিভিপির

    NEET Paper Leak: নিট-প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কড়া অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। সংগঠনের মতে, এই পদক্ষেপগুলি দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ছাত্রছাত্রীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী। একইসঙ্গে, কেন্দ্রের আশ্বাসের পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকেও ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে এবিভিপি। সংগঠনটি ওয়াংচুকের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে এবং জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথই সর্বাধিক ফলপ্রসূ।

    কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি

    এবিভিপির দাবি, প্রশ্নফাঁসের মতো গুরুতর সমস্যা রোধ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্থায়ী সংস্কার আনার লক্ষ্যে তারা দীর্ঘদিন ধরেই কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। সংগঠনের মতে, পরীক্ষা মাফিয়ার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন, প্রশাসনিক স্তরে পরিবর্তন এবং প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কঠোর আইন ও নীতিগত সংস্কার বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তবে এবিভিপির মতে, এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। সংগঠনটি কেন্দ্রের কাছে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি (হাই-লেভেল কমিটি) গঠনের দাবি জানিয়েছে, যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সুপারিশ পেশ করে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ছাত্রকেন্দ্রিক করে তুলতে কাজ করবে।

    উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের দাবি

    এবিভিপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ড. বিরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বলেন, “ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং পরীক্ষার সততা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এই প্রেক্ষাপটে সোনম ওয়াংচুকের অনশন প্রত্যাহার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, যা ছাত্রসমাজের স্বার্থেই হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনে এই উদ্যোগগুলিকে আরও শক্তিশালী করতে গভীর কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। এবিভিপির দাবি অনুযায়ী একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করতে হবে, যাতে দেশের প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর জন্য একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক পরীক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।”

  • ABVP at CJP Protest: সিজেপির আন্দোলনে সংঘর্ষের নিন্দা এবিভিপির, ছাত্রদের দাবি মেটাতে সংলাপ ও সংস্কারের আহ্বান

    ABVP at CJP Protest: সিজেপির আন্দোলনে সংঘর্ষের নিন্দা এবিভিপির, ছাত্রদের দাবি মেটাতে সংলাপ ও সংস্কারের আহ্বান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভকে ঘিরে ছাত্র ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরএসএস-ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। বুধবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি ঘটনায় জড়িত সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে ছাত্রদের ন্যায্য দাবি শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। এবিভিপি (ABVP at CJP Protest) তাদের বিবৃতিতে জানায়, নিট ইউজি (NEET-UG) এবং শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ছাত্রদের উদ্বেগ ও ক্ষোভকে তারা সমর্থন করে। তবে যন্তর মন্তরে যে বিশৃঙ্খলা, জনজীবন ব্যাহত হওয়া এবং সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তার তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। সংগঠনের দাবি, কিছু “অসামাজিক” এবং “রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী” গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করেছে, যার ফলে ছাত্রছাত্রী এবং নিরাপত্তারক্ষী—উভয় পক্ষেরই আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

    এবিভিপির দাবি

    সংগঠনটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উচ্চপর্যায়ের সরকারি কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নফাঁসের মতো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ছাত্রদের ন্যায্য দাবি সংলাপ, সহমর্মিতা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। কোনও অবস্থাতেই ছাত্র আন্দোলনকে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি, অরাজকতা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত নয়।

    যন্তর মন্তরে কী ঘটেছিল?

    গত ২০ জুলাই নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহির দাবিতে সিজেপির (ABVP at CJP Protest) ডাকা ‘পার্লামেন্ট মার্চ’-এ হাজার হাজার ছাত্র অংশ নেন। বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে কিছু ছাত্রছাত্রীকে পুলিশের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলতে দেখা যায়। অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশ হাইকোর্টে জানিয়েছে, বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল না এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কিছু বিক্ষোভকারী পাথর ছোড়ে। পুলিশের দাবি, ভিড় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল এবং সহিংসতার আশ্রয় নেওয়া হয়। বর্তমানে সিজেপির আন্দোলন এবং জলবায়ু আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুকের অনশন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনকারীরা নিট ইউজি (NEET-UG) পুনঃপরীক্ষা, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং একাধিক ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনার দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছেন।

  • ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবনী পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণ করতে ভারতের বেসরকারি শিল্পক্ষেত্র ও উদ্যোক্তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর আহ্বান জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। ওড়িশার ভুবনেশ্বরে আয়োজিত সংগঠনের তিন দিনব্যাপী জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ (NEC) বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের সমন্বয় না ঘটলে গবেষণার প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়— এই মূল বার্তাটিই উঠে এসেছে এবিভিপি-র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা থেকে।

    জিডিপির ১ শতাংশেরও কম খরচ গবেষণায় (ABVP)

    এবিভিপি-র (ABVP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডক্টর বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বৈঠকে ভারতের বর্তমান গবেষণা ব্যবস্থার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারত তার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GDP) ১ শতাংশেরও কম অংশ গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে ব্যয় করে। সবচেয়ে বড় বিষয়, এই খরচের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যেমন— ইসরো (ISRO), ডিআরডিও (DRDO) এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় আইআইটি বা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে। বৈশ্বিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে ধরে রাখতে হলে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অবদান বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।”

    উদীয়মান প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রয়োজন

    এবিভিপির (ABVP) পক্ষ থেকে ভারতীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ প্রতিভাদের কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি যৌথ অংশীদারিত্বের (Industry-Academia Partnership) মডেল তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে সমসাময়িক এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলি হল-

    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ও কোয়ান্টাম টেকনোলজি।
    • ● সাইবার নিরাপত্তা (Cybersecurity) এবং বায়োটেকনোলজি।
    • ● পরিবেশবান্ধব বা পরিচ্ছন্ন শক্তি (Clean Energy)।

    এবিভিপি সংগঠনের মতে, এই উদীয়মান খাতগুলিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল দেশের উদ্ভাবনী ক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং গবেষণা খাতে ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ব্যয় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।

    ডিগ্রি অর্জনের ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশ গঠন

    ডক্টর সোলাঙ্কি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “এবিভিপি (ABVP) সব সময়ই বিশ্বাস করে যে শিক্ষা মানে কেবল মাত্র একটি ডিগ্রি অর্জন বা চাকরি পাওয়া নয়; শিক্ষা হল দেশ গঠন এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মূল ভিত্তি।” তিনি আরও বলেন, “শিল্পক্ষেত্রের সম্পদ ও পরিকাঠামোর সঙ্গে যদি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মেধা ও দক্ষতার সঠিক মেলবন্ধন ঘটানো যায়, তবে তা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ে তোলার জাতীয় সংকল্পকে এক অভূতপূর্ব গতি প্রদান করবে। গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অনুঘটক নয়, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।”

    জাতীয় নিরাপত্তা ও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ব্যাপক মন্থন

    ভুবনেশ্বরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই তিন দিনের জাতীয় বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ৫০০ জন ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ ও প্রতিনিধি অংশ নেন। গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রের অংশীদারিত্ব ছাড়াও এই সম্মেলনে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-র বাস্তবায়ন, ত্রি-ভাষা নীতি, ক্যাম্পাস স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নারী নিরাপত্তা এবং ‘আর্বান নকশাল’ বা শহুরে মাওবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়গুলি নিয়ে গভীর আলোচনা (NEC) হয়। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির উপস্থিতিতে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলনের আবহ তৈরি হয়েছিল, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষাঙ্গনে নতুন জাতীয়তাবাদী চিন্তার প্রসার ঘটাতে ছাত্র সমাজকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশাবাদী এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্ব।

  • ABVP: সমস্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিট খুলবে এবিভিপি, দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ডাক

    ABVP: সমস্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিট খুলবে এবিভিপি, দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে পদ্ম ফুটতেই (BJP Bengal Victory) রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) প্রদেশ কার্যালয়ে ঢল নেমেছে জেন জিদের। স্বদেশ মাতার বন্দনা, দেশের সুরক্ষা এবং দুর্নীতি মুক্ত শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিকে ছাড়ার হিড়িক দেখা দিয়েছে ছাত্র সমাজের মধ্যে। রাজনৈতিক পালা পরিবর্তনের পর এবিভিপির পক্ষ থেকে লিংড কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করার জোরালো দাবি উঠেছে। সেই সঙ্গে সংগঠনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, সমস্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিট খুলবে বিদ্যার্থী পরিষদ। বাংলার ভেঙে পড়া শিক্ষা পরিকাঠামকে পুনঃনির্মাণের দাবি তোলা হয় এই হিন্দুত্ববাদী ছাত্র সংগঠনের তরফে।

    ক্যাম্পাসে শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ (ABVP)

    অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) পর অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) তরফে সাফ দাবি করা হয়, নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে সমস্ত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্বাচন করতে হবে। ছাত্র অধিকারের দাবিতে ক্যাম্পাসে শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। স্বাভাবিক পঠনপাঠন এবং ক্যাম্পাসকে রাজনীতি মুক্ত করে এবিভিপি সকল ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করার কথা জোর দিয়ে জানিয়েছে। ভর্তিতে কাটমানি, তোলাবাজি, নেশামুক্ত ক্যাম্পাস এবং কাম্পাসে নারী সুরক্ষার বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিরাপদ করার দাবিও তুলেছে এবিভিপি। বঙ্গের কৃষ্টি-সংস্কৃতির জাগরণের আরেকবার পুনঃজাগরণের কথায় জোর দেওয়া হয়েছে।

    ২০১৬ সালের পর থেকে কোনও নির্বাচন হয়নি

    ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে থেকেই জেলা ভিত্তিক সংগঠনের কাজ সম্পন্ন করেছে এবিভিপি। ইতিমধ্যে কলকাতা, শহরতলী, উত্তর ২৪ পরগনা, বর্ধমান, মেদিনীপুর, হুগলি, শিলিগুড়ি, মালদা, কোচবিহারে এবিভিপির শক্ত সংগঠন রয়েছে। রাজ্যের তৃণমূল সরকারের আমলে গত ৮ বছর আগে ২০১৯ সালে শেষ ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছিল কেবলমাত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যায় এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে। একক ভাবে এবিভিপি (ABVP) বিশেষ ভাবে নিজেদের ভোট অঙ্কে বিরাট প্রতিফলন হয়েছিল। তবে রাজ্যের বাকি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যাম্পাসগুলিতে ২০১৬ সালের পর থেকে কোনও নির্বাচন হয়নি। একক ভাবে তৃণমূল ছাত্রপরিষদ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজেদের একাধিপত্য জোরপূর্বক দখল করে রেখে ছিল। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির (BJP Bengal Victory) ফলে ক্যাম্পাসকে ভয় মুক্ত করতে এগিয়ে আসছে বঙ্গের জেন জি সমাজ।

    রাজনীতির আখড়া গড়ে তুলেছে

    এবিভিপির দাবি, তৃণমূলের রাজত্বে গত আট বছর এ রাজ্যের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রসংসদ গঠন করা যায়নি। স্বচ্ছ ভাবে করা হয়নি ছাত্র সংসদের ভোট। বারবার তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রসংসদ নিষ্ক্রিয় করে রেখছে শাসকদল তৃণমূল। ইউনিয়ন রুমে ক্যাম্পাসের তৃণমূল নেতারা ছাত্রীদের ধর্ষণের মতো ঘটনাও ঘটেছে।  সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে এমন ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছিল সর্বত্র। অকারণে শিক্ষক, অধ্যাপক, গবেষকদের সঙ্গে অভব্য আচরণ, মারধর এবং রাজনীতির আখড়া গড়ে তুলেছে। কলজেগুলিকে লোকাল রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের প্রভাব বন্ধ করতে হবে। যাদবপুরের মতো জায়গায় স্বপ্নদীপের মতো একজন প্রথম বর্ষের ছাত্রকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছিল। ক্যাম্পাসে নামাজ, ইফতারের নামে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের কাজ করেছে তৃণমূল। তাই সার্বিক ভাবে অপসংস্কৃতির সমাপ্তি ঘটিয়ে একটি শিক্ষার পরিমণ্ডল চায় এবিভিপি।

    দুর্নীতিগ্রস্তদের সংগঠনে না

    এবিভিপি-র (ABVP) রাষ্ট্রীয় মিডিয়া সেলের সহ-আহ্বায়ক দেবাঞ্জন পাল জানিয়েছেন, “ইতিমধ্যেই গোটা রাজ্য থেকে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা এবিভিপি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে চাইছেন। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যেরা সব থেকে বেশি যোগ দিতে চাইছেন আমাদের সংগঠনে। কিন্তু নেতৃত্বের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ক্যাম্পাসের পরিবেশ যাঁরা এত দিন নষ্ট করে এসেছেন, ভাবমূর্তি খারাপ তাঁদের কোনও ভাবেই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না। ২০১৭-র পর থেকে কোথাও ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। এই ন’বছরে যাঁরা পড়াশোনা করেছেন, তাঁরা বুঝতেই পারলেন না ছাত্র রাজনীতি কী। তৃণমূল স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ধ্বংস করেছে আমরা সেটা ফিরিয়ে আনব।”

    ছাত্র সমাজের বিরাট পরিবর্তন

    রাজ্যে গত ১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনের (West Bengal Election 2026) অবসান হয়েছে। পদ্মশিবির উত্তর থেকে দক্ষিণে দিকে দিকে জয়যুক্ত হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের ঢেউ (BJP Bengal Victory) আছড়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের অলিগলিতে। লাগাম ছাড়া নারীধর্ষণ এবং প্রশাসনিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে একক ভাবে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসনে জয়যুক্ত হয়েছে। মমতার মা মাটি সরকারের লাগাম ছাড়া তোষণনীতির বিরুদ্ধে এবং হিন্দু সুরক্ষার পক্ষে জনাদেশ এসেছে। এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র-যুব সমাজের মধ্যেও বিরাট পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদ্যার্থী পরিষদ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে হিংসা মুক্ত পরিবেশ চায় এবিভিপি। এমনটাই জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফে।

  • Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা পবন খেরার (Pawan Khera) জন্য বড় ধাক্কা। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পবন খেরাকে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট যে আগাম জামিন দিয়েছিল, এবার তার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) একটি বেঞ্চ এই নির্দেশ জারি করেছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Supreme Court)

    সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পবন খেরা (Pawan Khera) অভিযোগ করেছিলেন যে, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা একাধিক দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন এবং তাঁর বিদেশে অঘোষিত সম্পত্তি রয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেন। জালিয়াতি, মানহানি এবং প্রতারণার অভিযোগে এই মামলা রুজু করা হয়।

    হাইকোর্টের রায় ও সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ (Supreme Court)

    গত ১০ এপ্রিল তেলঙ্গানা হাইকোর্ট পবন খেরাকে (Pawan Khera) এক সপ্তাহের জন্য ‘ট্রানজিট’ আগাম জামিন দিয়েছিল যাতে তিনি অসমের সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু অসম সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়। আজ শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকারের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। আদালত জানায়, মামলা যেখানে নথিভুক্ত হয়েছে (অসম), সেখানে আবেদন না করে কেন তেলঙ্গানা হাইকোর্টে যাওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা যুক্তি দেন যে এটি ‘ফোরাম শপিং’ (পছন্দমতো আদালত বেছে নেওয়া)-এর নামান্তর। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের জামিনের আদেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পবন খেরা (Pawan Khera) যদি এখন অসমের কোনও উপযুক্ত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই স্থগিতাদেশ সেই আবেদনের বিচারে কোনও বাধা হবে না। তবে আপাতত তাঁর রক্ষাকবচ সরে যাওয়ায় আইনি চাপ বাড়ল কংগ্রেস নেতার ওপর।

  • Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা এবং লখনউসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের মদতে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অপরাধে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) তিন সক্রিয় সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ-র বিশেষ আদালত। এই তিন অভিযুক্ত পাকজঙ্গি সংগঠনের (Pakistan Linked Terror) সঙ্গে সরাসরি যুক্তের প্রমাণ মিলেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Pakistan Linked Terror)

    তদন্তে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিন জঙ্গি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের (Pakistan Linked Terror) নির্দেশে ভারতের ধর্মীয় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। বিশেষ করে অযোধ্যার রাম মন্দির এবং রাজ্যের রাজধানী লখনউ ছিল তাদের মূল নিশানায়। ২০২১ সালে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) প্রথমে এই মডিউলটির (Al-Qaeda) সন্ধান পায় এবং পরে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    আদালতের রায়

    লখনউয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে জানায় যে, অভিযুক্তদের (Pakistan Linked Terror) বিরুদ্ধে আনা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারাগুলি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং আইইডি (IED) তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিল। আদালত এই অপরাধকে ‘বিরল’ হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

    পাকিস্তানি যোগসূত্র

    সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিরা (Al-Qaeda) টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে বসে থাকা আল-কায়েদার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত।

    স্লিপার সেল

    তারা উত্তরপ্রদেশে একটি বড় ‘স্লিপার সেল’ নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা করছিল এবং স্থানীয় তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার কাজ চালাচ্ছিল।

    নাশকতার পরিকল্পনা

    ভিড়ভাড় এলাকা এবং ধর্মীয় স্থানে আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি প্রেসার কুকার বোমা ব্যবহারের ছক ছিল তাদের।

    নিরাপত্তা মহলে স্বস্তি

    এই রায়ের ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় একটি বড় সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের পরবর্তী সময়ে এই ধরণের নাশকতার ছক রুখে দেওয়া এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (Al-Qaeda) দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) ত্রিপুণিতুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে এক এবিভিপি (ABVP) কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)-কে মদত দেওয়ার এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (ABVP)

    অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট ছাত্রটি (ABVP) পরীক্ষার সমস্ত নিয়মাবলী পালন করা সত্ত্বেও তাকে প্রবেশপত্র বা হল টিকিট দেওয়া হয়নি। এবিভিপি-র দাবি, ওই ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হওয়ার কারণেই তাকে নিশানা করা হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের অধ্যক্ষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসএফআই-এর হয়ে কাজ করছে এবং হিন্দুত্ববাদী ছাত্রদের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে।

    এবিভিপি-র অভিযোগ

    এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্বের দাবি, কেরলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএফআই-এর একাধিপত্য কায়েম রাখার জন্য প্রশাসনের একাংশ সাহায্য করছে। ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। তারা জানায়, ছাত্রটির উপস্থিতির হার (attendance) পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।

    অধ্যক্ষের অবস্থান ও বিতর্ক

    যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের (Kerala) পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে অভিযোগ উঠেছে যে অধ্যক্ষ ছাত্রটির সমস্যার সমাধান না করে বরং এসএফআই-এর সুবিধা করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ওই ছাত্রের পরীক্ষায় বসার অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে এবিভিপি বড়সড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    কেরলের বর্তমান পরিস্থিতি

    কেরলের (Kerala) বিভিন্ন কলেজে সম্প্রতি এসএফআই এবং এবিভিপি-র (ABVP) মধ্যে সংঘাতের খবর বারবার সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে একজন সাধারণ ছাত্রের শিক্ষাগত অধিকার রাজনৈতিক কারণে খর্ব করা নিয়ে স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যপাল বা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করার কথাও ভাবছে এবিভিপি।

LinkedIn
Share