Tag: Artificial Intelligence

Artificial Intelligence

  • Artificial intelligence: আরব আমিরশাহিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে চেনেন?

    Artificial intelligence: আরব আমিরশাহিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনারা কি আয়েশার কথা শুনেছেন? তাকে ঘিরে এখন শোরগোল পড়েছে। তার কাজ আলোড়ন ফেলেছে মধ্যপ্রাচ্যে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে এই প্রথম ভার্চুয়াল কর্মচারী, যাকে দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial intelligence) মাধ্যমে কাজ করানোর কথা ভাবা হয়েছে। আইনি বিষয়ে নানান তথ্য দিয়ে পরিষেবা প্রদান করবে আয়েশা। 

    বিচার ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ (Artificial intelligence)

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিচার বিভাগকে অত্যাধুনিক মাত্রা দেবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial intelligence)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দ্বারা পরিচালিত ভার্চুয়াল কর্মচারী আয়েশাকে উপভোক্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালতে মক্কেলদের সহায়তা করার জন্য শীঘ্রই আয়শাকে মোতায়েন করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এক বছর আগে চালু করা হয়েছিল একটি অ্যাপ্লিকেশন। এবার তাকে সফল ভাবে প্রয়োগ করা হবে। এই এআই প্রযুক্তি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যেমন কাজ করছে, ঠিক তেমনি এবার বিচার ব্যবস্থায় আইনি সাহায্যেও প্রয়োগের কথা ভাবা হয়েছে।

    কীভাবে কাজ করবে আয়েশা?

    জানা গিয়েছে, আয়েশা (Artificial intelligence) ভার্চুয়ালি আদালতের প্রবেশদ্বারে অবস্থান করবে এবং মক্কলদেরকে তাদের লেনদেন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবে। মামলার ভিত্তি, লেনদেন পরিচালনা বিষয়ে প্রয়োজনীয় খসড়া এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা সম্পর্কে তথ্য জ্ঞাপন করবে। বিচার ব্যবস্থার এই উদ্যোগটি এআইকে বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে। আয়েশা, নতুন এআই সহকারী হিসেবে বিচারক, আইনজীবী এবং উপভোক্তার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক বিষয়ে তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে। আয়েশা বিচারকদের কার্যকারিতাকে বৃদ্ধি করতে পুরাতন মামলার রায় দৃষ্টান্ত হিসাবে উপস্থাপন করবে। অতীতের মামলার বিস্তৃত তথ্যকে বিশ্লেষণ করে বিচারকের দেওয়া রায়গুলিকে আয়েশা সেকেন্ডের মধ্যেই সনাক্ত করতে পারবে। মামলায় বিচারকের সিদ্ধান্ত জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরেও সহযোগিতা করবে।

    আরও পড়ুনঃ গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করবে

    আইনজীবীরা আয়েশাকে (Artificial intelligence) একটি অমূল্য সম্পদ বলে মনে করেছেন। কারণ তার বিস্তৃত ডাটাবেস, একজন সাধারণ আইনজীবীর অভিজ্ঞতার তুলনায় অনেক বেশী কার্যকরী হবে। একই ভাবে মামলার অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ পরামর্শ প্রদানের কাজও করতে পারবে। আইনি গবেষণা প্রক্রিয়াকে উল্লেখযোগ্যভাবে সুগম করবে এই আয়েশা। তবে আইন এবং বিচার বিষয়ে মানুষকে প্রতিস্থাপন করা আয়েশার মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং একে কাজকে দ্রুত ও কম সময়ে করার একটি হাতিয়ার বলা যায়। এআইকে গ্রহণ করে কাজের কার্যকারিতা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় এবং জটিলতা কমিয়ে আরও সহজ-সরল করা যায়, সেই বিষয়ের দিকেই মূলত লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hanooman Chat Bot: চ্যাট জিপিটি ও জেমিনি এআই-কে টক্কর দিতে ওয়েব দুনিয়ায় হনুমানের আত্মপ্রকাশ

    Hanooman Chat Bot: চ্যাট জিপিটি ও জেমিনি এআই-কে টক্কর দিতে ওয়েব দুনিয়ায় হনুমানের আত্মপ্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববাসীকে ভারতের উপহার হনুমান চ্যাটবট (Hanooman Chat Bot) । তেলেঙ্গানা ভিত্তিক এসএমএল ইন্ডিয়া (SML India) এবং আবুধাবিভিত্তিক সংস্থা থ্রি এআই (3AI) যৌথ উদ্যোগে তৈরি করেছে হনুমান। এটি একটি জেনারেল এআই চ্যাটবট যা ইংরেজি, হিন্দি, ছাড়াও বাংলা, মারাঠি, গুজরাতি, কন্নড় সহ ৯৮ টি ভাষায় ব্যবহার করা যাবে।

    চ্যাট জিপিটি-র বিকল্প কি হতে পারবে (Hanooman Chat Bot)

    চলতি মাসেই গুগল প্লে স্টোরে (Play Store) আত্মপ্রকাশ করেছে হনুমান  চ্যাট বট (Hanooman Chat Bot) । নির্মাতা সংস্থার তরফে দাবী করা হয়েছে এই চ্যাটবট লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডিউল (LLM) সহ এআই ভিত্তিক চাটবট ইন্টিগ্রেশন সিনথেসিস ম্যাট্রিক্স এর সঙ্গে তৈরি। যার ফলে যে কোনও পরামর্শ প্রদান, কোডিং টিউটরিং সহ আরও কাজ করতে পারবে এই চাটবট (Hanooman Chat Bot)। বর্তমানে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও বছরের শেষের দিকে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। সময়ের সঙ্গে আপডেট করা হবে এই চ্যাটবট। যাতে তথ্যের প্রবাহ সঠিক থাকে। ঠিক যেভাবে প্রথমে চ্যাট জিপিটি ফ্রি থাকলেও পরে প্রিমিয়াম সার্ভিসের মাধ্যমে অতিরিক্ত পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়। চ্যাট জিপিটির থেকে হনুমান চ্যাটবটের (Hanooman Chat Bot) ইন্টারফেস একটু আলাদা। চ্যাট জিপিটি এবং জেমিনি এআইকের টক্কর দেওয়ার মত বিকল্প হিসেবে সংস্থা এটিকে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। বর্তমানের ওয়েব ভার্সন এবং অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে হনুমান ব্যবহার করা গেলেও শীঘ্রই আইওএস অর্থাৎ অ্যাপেলের মোবাইলেও এই পরিষেবা পাওয়া যাবে।

    আরো পড়ুন: নতুন মাইলফলক ইসরোর, দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা

    চ্যাটবট নির্মাতাদের বক্তব্য (Hanooman Chat Bot)

    এস এম এল সংস্থার সিইও বিষ্ণু বর্ধন জানিয়েছেন সংস্থার পরিকল্পনা রয়েছে দুই কোটি মানুষকে সাহায্য করা। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে তাঁর বর্তমান অ্যাপ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আগামীর ভবিষ্যৎ। সেই লক্ষ্যেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই অ্যাপ (Hanooman Chat Bot) তৈরি করা হয়েছে। থ্রি এআই সংস্থার প্রধান অর্জুন প্রসাদ জানিয়েছেন, “হনুমানের সমস্ত তথ্য ভারতেই থাকবে। এমনকি ভারত থেকে এই অ্যাপকে ডিজাইন করা হয়েছে এবং ভারত থেকে একে পরিচালনা করা হবে। জানা গিয়েছে এইচপি (HP) ন্যাসকম (NASSCOM) এবং আরও বেশ কয়েকটি সংস্থার বৃহৎ সংস্থার সঙ্গে ইতিমধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Artificial Intelligence: বুথ জ্যাম, ছাপ্পা রুখতে লোকসভা ভোটে নির্বাচন কমিশনের হাতিয়ার এআই প্রযুক্তি

    Artificial Intelligence: বুথ জ্যাম, ছাপ্পা রুখতে লোকসভা ভোটে নির্বাচন কমিশনের হাতিয়ার এআই প্রযুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট নিয়ে নির্বাচনে কম অভিযোগ ওঠে না। এসব রুখতে লোকসভা নির্বাচনে আসছে এআই (AI) প্রযুক্তি। যে সব বুথে ওয়েব কাস্ট হবে, সেখানে ব্যবহার করা হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence)। ইতিমধ্যেই ওয়েব কাস্টিং নিয়ে ই টেন্ডার ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে বিষয়টি নিয়ে একাধিক অভিযোগ ওঠে। এবার তাই সরাসরি AI প্রযুক্তিতে ভরসা রাখতে চলেছে কমিশন।

    ওয়েব কাস্টিং-এর ক্ষেত্রে কার্যকর (Artificial Intelligence)

    প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সব রকম কারচুপিকে আর্টিফিশিয়ালি নিয়ন্ত্রণ করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিশেষ করে ওয়েব কাস্টিং-এর ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে কাজে লাগিয়েই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। চলতি সপ্তাহেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে এই বিষয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয়ে গিয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই ই-টেন্ডার হয়ে গিয়েছে ওয়েব কাস্টিং নিয়ে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (Artificial Intelligence) কাজে লাগিয়েই বিরোধীদের তোলা সব অভিযোগকে নস্যাৎ করতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    খুঁটিনাটি ধরা পড়বে কমিশনের সকলের চোখে (Artificial Intelligence)

    প্রযুক্তির মাধ্যমেই এবার এক নিমেষ ওয়েব কাস্টিং-এর খুঁটিনাটি ধরা পড়বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সকলের চোখে। উল্লেখ্য, এর আগে শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই অভিযোগ তুলেছিল নির্বাচন কমিশনের দিকে এই ওয়েবকাস্টিংকে নিয়ে। এতে বেশ কিছু জায়গায় খামতির অভিযোগ ছিল। কিন্তু এবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) যেভাবে কাজ করবে, তাতে আর কোনও অভিযোগ উঠবে না বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। এখন দেখার বিষয় একটাই, নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হবার আগে থাকতেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই প্রথমবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সহ যেসব পদক্ষেগুলি করছে, তাতে করে এই রাজ্যে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে কতটা সক্ষম হয় তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Deepfake AI: গোটা পৃথিবীতে চলছে AI যুগ, ডিপফেক কত বড় বিপদ ডেকে আনতে চলেছে?

    Deepfake AI: গোটা পৃথিবীতে চলছে AI যুগ, ডিপফেক কত বড় বিপদ ডেকে আনতে চলেছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান প্রযুক্তি (Deepfake AI) আশীর্বাদ না অভিশাপ? এই প্রশ্ন এখন সবার মনে। গোটা পৃথিবীতে এখন AI যুগ চলছে বলা যেতেই পারে। কিন্তু এই প্রযুক্তিই যখন মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেটিকে আশীর্বাদ না বলে কি অভিশাপ বলাটাই শ্রেয়? এক অন্য বিশেষ কারণের জন্য তৈরি কোনও প্রযুক্তিকে যখন খারাপ কাজে ব্যবহার করা হয়, তখন তা হয়ে ওঠে অতি ভয়ানক। কিছুদিন আগের ঘটনা। ‘পুষ্পা’ সিনেমা খ্যাত অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দনার একটি বিকৃত ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাঁর মুখকে অন্য কোনও অশ্লীল ভিডিও-র সাথে বসিয়ে একটি ফেক ভিডিও তৈরি করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হয়। যেটি দেখে হুবহু অভিনেত্রীকে মনে হলেও কিন্তু তিনি নন। শুধু অভিনেত্রী নয়, অন্যান্য অনেক মহিলাকে নিয়ে এভাবে আপত্তিকর ভিডিও বানিয়ে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়ে ব্লাকমেইলিং করা হয়। 

    কী এই ডিপফেক পদ্ধতি? (Deepfake AI)

    ডিপফেক পদ্ধতি এমন এক আধুনিক প্রযুক্তি, যেখানে AI কে কাজে লাগিয়ে যে কোনও অডিও বা ভিডিওতে কারচুপি করা সম্ভব। আরও সহজ ভাবে বলতে গেলে, এই ডিপফেক-এর সাহায্যে এমন ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা যায়, যেটি দেখতে একদম আসলের মতো। এই ডিপফেক-এর সাহায্যে কোনও অশ্লীল ভিডিওতে উপস্থিত মানুষের চেহারা বদল করে মানুষকে ব্লাকমেইলিংয়ের  মতো ঘটনা বরাবর ঘটে চলেছে। 

    এই ডিপফেক কোথায় ব্যবহৃত হয়?

    এই ডিপফেক পদ্ধতি (Deepfake AI) তৈরি করা হয়েছিল সাধারণত বিনোদনের জন্য। যার উদ্দেশ্য ছিল মানুষের কাছে এমন কিছু তুলে ধরা, যা বাস্তবে ঘটেনি, কিন্তু সেটিকে এই পদ্ধতির মাধ্যমে করে দেখানো। বর্তমানে চলচ্চিত্র শিল্পে এই পদ্ধতি অনেক জায়গায় ব্যাবহার করা হয়। মৃত ব্যক্তি বা পূর্বপুরুষদের জীবন্ত ভিডিও তৈরিতেও এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু ২০১৯ এর এক রিপোর্ট অনুযায়ী অনলাইনে পাওয়া ডিপফেক ভিডিওর ৯৭ শতাংশই অশ্লীল ভিডিও। বিশেষ করে পর্নোগ্রাফিতে এই ডিপফেক পদ্ধতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মুখমণ্ডল ও চেহারা পাল্টে অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়েছে। শুধু এখানেই থেমে নেই, এই ডিপফেক এখন রাজনীতিতেও ব্যবহৃত হচ্ছে। কোনও বিরোধী পার্টিকে আক্রমণ করার জন্য সেই পার্টির কোনও ভিডিওকে এই পদ্ধতির মাধ্যমে বিকৃত করে ইন্টারনেটে পোস্ট করা হচ্ছে। এই ধরনের বহু ভিডিও আজ সোশ্যাল মিডিয়াতে পাওয়া যায়।

    ডিপফেক শনাক্ত করার উপায় কী?

    এই ডিপফেককে শনাক্ত করার জন্য বিশেষ কিছু দিকে নজর দিতে হয়। বেশিরভাগ ডিপফেক (Deepfake AI) পুরোপুরি কোনও বিষয়কে নকল করতে পারে না। যার মধ্যে কিছু জিনিস হল মানুষের চুল, নাক, কান। আবার কোনও সময় দেখা যায় অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরও চোখের পলক পড়ছে না। তাছাড়াও কনটেন্ট কালারিং বিষয়টি ভালোভাবে নজর করলে দেখা যায় সেটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আরও অনেক পদ্ধতি আছে যার সাহায্যে এই ডিপফেককে শনাক্ত করা যায়। বর্তমানে ডিপফেকের কিছু আপত্তিকর জিনিস থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সাইবার সুরক্ষার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Artificial Intelligence: চাকরিজীবীদের কাছে হুমকি হবে না কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জানালেন নারায়ণ মূর্তি

    Artificial Intelligence: চাকরিজীবীদের কাছে হুমকি হবে না কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জানালেন নারায়ণ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স চাকরিজীবীদের কাছে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে! এমনটা ভাবেন না ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এনআর নারায়ণ মূর্তি। তিনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (Artificial Intelligence) বিজ্ঞানের একটি বড় আবিষ্কার বলেই মনে করেন। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যে আগামী দিনে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি বড় জায়গা নিতে চলেছে তাও মনে করেন নারায়ণ মূর্তি। একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা বলতে শোনা যায় নারায়ণ মূর্তিকে।

    আরও পড়ুন: গাজার হাসপাতালে ইজরায়েলি সেনার প্রবেশ, হদিশ মিলল হামাসের অস্ত্রভাণ্ডারের

    সমস্যার সমাধানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স…

    দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার সমাধানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) যে একটি বড় টুল বা ইনস্টলমেন্ট হয়েছে এ কথা জানান ইনফোসিস কর্তা। চ্যাট-জিপিটি থেকে অ্যালগরিদম এসব কিছুতেই ডেটার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, মানুষের মন এবং বুদ্ধি হল সব থেকে বড় ইন্সট্রুমেন্ট যেকোনও সমস্যা সমাধানের। তিনি জানান,মানববুদ্ধির সাহায্যে যখনই আপনি চিন্তা করবেন কোনও বড় কিছুর এবং জটিল সমস্যার সমাধানের তার বিকল্প সবসময় এআই হবে না।

    আরও পড়ুন: বিরসা মুন্ডার জয়ন্তীতে আদিবাসী নৃত্যে পা মেলালেন দ্রৌপদী মুর্মু, শুভেচ্ছা বার্তা মোদির

    অশুভ শক্তির হাতে যেন না ওঠে এআই

    আগামীদিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, এটাকেও স্বাগত জানিয়েছেন নারায়ণ মূর্তি। তিনি বলেন জানান, অনেক কিছু ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলিতে মানুষ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি ব্যবহার করতে পারছে। এছাড়াও রোবোটিক্স সায়েন্সের ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে বলেন নারায়ণ মূর্তি। কিন্তু এর পাশাপাশি এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি যেন কোনোভাবেই অশুভ শক্তির হাতে না পৌঁছায় সে ব্যাপারেও সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইনফোসিস কর্তা।

    আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস অধিকারী, জল্পনা তুঙ্গে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কোর্স শুরু এবার বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে

    Paschim Medinipur: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কোর্স শুরু এবার বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্বের দরবারে পথ চলা শুরু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের। আর সেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ইতিমধ্যেই কাজে লাগাতে শুরু করেছে বিশ্বের বিভিন্ন তাবড় দেশ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি সহ সরকারি, বেসরকারি কোম্পানি যাবতীয় ক্ষেত্রেই এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার শুরু হয়েছে। এবার পিছিয়ে পড়া জঙ্গলমহল অধ্যুষিত পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) শুরু হল সেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) কোর্স। মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় ৬ মাসের এই কোর্স শুরু করতে চলেছে পড়ুয়াদের জন্য।

    কীভাবে পড়ানো হবে এই কোর্স (Paschim Medinipur)?

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই কোর্সে ছাত্র-ছাত্রীসহ শিক্ষকও অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিএই (CCAE) ডিপার্টমেন্টে সান্ধ্যকালীন ক্লাসে এই কোর্স চালু হবে। কোর্সের মেয়াদ রাখা হয়েছে ছয় মাস এবং কোর্স ফি তিন হাজার টাকা। প্রথম পর্বের চল্লিশটি আসন নিয়ে এই কোর্স শুরু হবে। এরপর আস্তে আস্তে পড়ুয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এই কোর্সের আসন সংখ্যা বাড়বে বলেই জানিয়েছে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় (Paschim Medinipur)। অনলাইন এবং অফলাইনের মাধ্যমে আবেদনপত্র গৃহীত হবে। এই বছর পুজোর আগেই এই কোর্স চালু হতে চলেছে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনে। আর সেই কোর্স নিয়ে ইতিমধ্যে ফর্ম ফিলাপে এগিয়ে এসেছে পড়ুয়া সহ শিক্ষকরা। গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করলেই এই কোর্সে আবেদন করা যাবে। এই কোর্স আগামী দিনের যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলেই দাবি শিক্ষক সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    এই বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে বলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুশান্ত চক্রবর্তী। তিনি বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ব্যবহার করছে গোটা বিশ্ব। জঙ্গলমহলের (Paschim Medinipur) পিছিয়ে পড়া মানুষ যদি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জ্ঞানকে শিক্ষা হিসাবে গ্রহণ করেন, তাহলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আগামী দিনে বিশ্বের সঙ্গে তাঁরাও পায়ে পা মিলিয়ে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবেন। শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে নয়, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, পরিবেশ, বিজ্ঞান এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কোম্পানি সহ কর্পোরেট জগতেও এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা যাবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহারে কাজ হবে অত্যন্ত সহজ এবং খুব দ্রুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Artificial Intelligence: “ভবিষ্যতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে”, কেন বললেন ইসরো প্রধান?

    Artificial Intelligence: “ভবিষ্যতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে”, কেন বললেন ইসরো প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভবিষ্যতে বিভিন্ন জিনিসের উপর শাসন-নিয়ন্ত্রণ থাকবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (Artificial Intelligence)। আপনার ব্যবহার করা প্রত্যেকটি ডিভাইস প্রতিনিয়ত আপনাকে একটু একটু করে শিখে চলেছে।” এই কথাগুলি ইসরো প্রধান এস সোমনাথের। অসমের গুয়াহাটির প্রাগজ্যোতিষপুর বিশ্ববিদ্যাল্যয়ের একটি আলোচনাচক্রে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্য ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন ইসরো প্রধান (Artificial Intelligence)?

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রভাব নিয়ে কথা বলছিলেন ইসরো প্রধান। তিনি বলেন, “আজকাল আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) বা এআই-এর কথা বলছি। এই এআই আমাদের চারপাশেই রয়েছে। যে সব মোবাইল বা স্মার্টফোন ব্যবহার করি তার মধ্যে থাকা সিস্টেম, ডিভাইস, সফটওয়্যার, অ্যাপগুলি অজান্তেই আমাদের ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নিচ্ছে। যা ব্যবহার করছি সেগুলিই আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে, আপনি কে? আপনার পছন্দ কেমন? সব কিছুই কম্পিউটার আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে। আমরা যতটা নিজেকে জানি না, তার থেকে অনেক বেশি পারিমাণে কম্পিউটার আপনার ওপর নজর রাখছে। এমনকী, বন্ধু-বান্ধবরা যা জানে না তার থেকে অনেক বেশি জানে এই সিস্টেম। আগামী দিনে এমন একটি সময় আসবে যখন দেখা যাবে এই সিস্টেম এআই একাধিক বিষয়ের উপর শাসন চালাবে। এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আরও উন্নত প্রযুক্তি আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে।”

    স্যাটেলাইট তৈরির ভূমিকা নেবে এআই

    গত দুই সপ্তাহ আগেও ইসরো প্রধান জানিয়েছিলেন, মহাকাশ গবেষণায় ৫০টি সার্ভেল্যান্স স্যাটেলাইটের একটি সমূহ তৈরি করা হবে। গোটা গবেষণার কাজ করা হবে এআইকে (Artificial Intelligence) কেন্দ্র করেই। এই স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহগুলি একে অপরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। ফলে জিও-ইন্টেলিজেন্সের উপর নানান তথ্য সংগ্রহ করবে। ২০২৩ সাল থেকেই এই অভিনব প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিজ্ঞানীরা সংশয়ও প্রকাশ করেছেন। আগামী দিনে মানুষের হাতে-কলমে কাজের পরিসর অনেক কমে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lay Off: কাজে লাগানো হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ফের ছাঁটাই করতে চলেছে আইবিএম?

    Lay Off: কাজে লাগানো হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ফের ছাঁটাই করতে চলেছে আইবিএম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজার দাপাচ্ছে আর্টিফিশিয়াল (Artificial Intelligence) ইন্টেলিজেন্স। তার জেরে কর্মহীন হতে চলেছেন বহু কর্মী। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে কাজে লাগিয়ে কর্মীর অভাব পূরণ করতে চাইছে বিভিন্ন সংস্থা। জানা গিয়েছে, তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা আইবিএম (IBM) নতুন করে আর কর্মী নিয়োগ করছে না। বরং কর্মী ছাঁটাই (Lay Off) করতে চলেছে। নামী এই তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা কৃত্রিম মেধাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীর অভাব পূরণ করতে চাইছেন। অন্তত এমনই দাবি করা হয়েছে ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে। যদিও এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি ওই তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার তরফে কোনও আধিকারিক।

    কর্মী ছাঁটাই (Lay Off)…

    ওই প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, কিছু দিন আগে সংস্থার এক শীর্ষ কর্তা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁরা কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। অন্ততপক্ষে ৭ হাজার ৮০০ জনকে ছাঁটাই (Lay Off) করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা হতে পারে। মন্দার জেরে বিভিন্ন কোম্পানি কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে। সম্প্রতি অ্যামাজনও বেশ কিছু কর্মী ছাঁটাই করেছে। সেই কর্মীদের অভাব পূরণ করতে তারা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারের কথা ভাবছেন। জানা গিয়েছে, এই সব কোম্পানির পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চলেছে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা আইবিএমও। চলতি বছরের শুরুতেই সংস্থাটি জানিয়েছিল, খুব শীঘ্রই ৪ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করবে তারা।

    আরও পড়ুুন: রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা! কাঠগড়ায় ইউক্রেন

    আইবিএমের ওই কর্তা এও বলেছিলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সংস্থার ৩০ শতাংশ কাজ করানো হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে। আইবিএমে কাজ করে ২৬ হাজার কর্মী। সেক্ষেত্রে ৭ হাজার ৮০০ জনকে সরিয়ে (Lay Off) সেই জায়গা দখল করবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। তাঁর দাবি, পরিস্থিতির কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যাক অফিস এবং এইচআরে কর্মী কমানো হবে।

    বিশেষজ্ঞদের দাবি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে এমন কিছু কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে, যেখানে কর্মচারির কোনও প্রয়োজন হবে না। যেমন, কাস্টমার কেয়ার পরিষেবা হিসেবে একাধিক সংস্থা এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করছে। টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে ওই সংস্থা কাজ করছে। কোড তৈরি করে দিচ্ছে। এসব কারণেই কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে বিভিন্ন সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Artificial Intelligence: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জের, ৫ বছরে বিশ্বে কাজ হারাতে পারেন ১.৪ কোটি!

    Artificial Intelligence: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জের, ৫ বছরে বিশ্বে কাজ হারাতে পারেন ১.৪ কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের মালিকানা ইলন মাস্কের হাতে যাওয়ার পর থেকেই সেখানে শুরু হয় একের পর এক ছাঁটাই। কাজ হারান বহু কর্মী। গুগল, মেটা, আমাজন প্রত্যেক সংস্থাই কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে এগিয়েছে বিগত এক বছর ধরে। করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দাকেই দায়ী করছেন এক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদরা। তবে আবারও নাকি বিশ্বজুড়ে চাকরি হারাতে চলেছেন অসংখ্য মানুষ। এবারে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ১ কোটির ওপর। এমনই আশঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বা ডব্লিউইএফের রিপোর্টে। সেখানে বলা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) বা এআই-এর প্রয়োগ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরফলে কর্মী সংকোচনের দিকে এগোতে পারে সংস্থাগুলি। আর শুধু এ কারণেই আগামী ৫ বছরে বিশ্ব জুড়ে কাজ হারাতে পারেন প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) আশীর্বাদ না অভিশাপ…

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) বহুল ব্যবহারের ভাল দিক যেমন আছে, তেমনই রয়েছে নেতিবাচক কিছু বিষয়। তার মধ্যে অন্যতম হল কর্মীসঙ্কোচন। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের জন্য সংস্থাগুলি যেমন কিছু কর্মী নিয়োগ করবে, তেমনই এর ব্যবহারের ফলে পুরনো অনেক কর্মীর আর প্রয়োজন বোধ করবে না সংস্থাগুলো। বিশেষত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) প্রয়োগের ফলে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর অথবা ক্যাশিয়ার পোস্টের কাজগুলোর জন্য দরকার পড়বেনা কোনও কর্মীর, এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে কাজের পরিধি বাড়বে ডেটা বিশ্লেষক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞদের। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ২০২৭ ডেটা বিশ্লেষকদের চাহিদা বাড়বে ৩০ শতাংশ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন টুল ব্যবহারের জন্য একদিকে যেমন বহু প্রশিক্ষিত কর্মীর দরকার পড়বে তেমনি কাজও হারাবেন বহু মানুষ। তাই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) আশীর্বাদ না অভিশাপ।

    সমীক্ষা….

    রবিবার প্রকাশিত হয়েছে ডব্লিউইএফের একটি সমীক্ষা। সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় ৮০০ সংস্থার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে রিপোর্ট। সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে এই সংস্থা প্রতি বছরই বিশ্বনেতাদের নিয়ে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করে। চলতি বছরের আলোচনায় উঠে এসেছিল, ২০২৭ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে ৬ কোটি ৯ লক্ষ নতুন চাকরি হবে। কিন্তু একই সঙ্গে ৮ কোটি ৩ লক্ষ মানুষ কর্মহীনও হয়ে পড়বেন। সমীক্ষা বলছে, আগামী ৬ বছর শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বহুল ব্যবহারে প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষের কাজ চলে যাবে। যা বর্তমান কর্মসংস্থানের প্রায় ২ শতাংশ প্রায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share