Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • ED At Supreme Court: রাজীবকে সাসপেন্ড করার আর্জি! “এমন কী ছিল, যা লুকোনোর জন্য তৎপর মুখ্যমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন ইডির

    ED At Supreme Court: রাজীবকে সাসপেন্ড করার আর্জি! “এমন কী ছিল, যা লুকোনোর জন্য তৎপর মুখ্যমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক মামলায় (IPAC ED Raid) কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি রাজীব কুমার (DGP Rajeev Kumar), কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বর্মা (CP Manoj Verma) এবং দক্ষিণ কলকাতার ডিসিপি প্রিয়ব্রত রায়কে সাসপেন্ড করার আবেদন জানাল ইডি। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় (IPAC ED Raid) শুনানির শুরুতেই এই আর্জি দাখিল করা হয় ইডির পক্ষ থেকে। দুর্ব্যবহার এবং অসহযোগিতার অভিযোগে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের আর্জি জানানো হল ইডি-র তরফে। একই সঙ্গে ইডি জানতে চায়, “এমন কী ছিল, একটা অফিসে, যা লুকোনোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী পুরো পুলিশবাহিনী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়লেন? ”

    সুপ্রিম দুয়ারে ইডির আর্জি

    শীর্ষ আদালতে ইডি-র দাবি, আইন মেনে তল্লাশি চালানোর সময় নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, তল্লাশিতে তুলকালাম নিয়ে আর্জিতে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তদন্তপ্রক্রিয়ায় নাক গলিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন সরকারি আধিকারিক ও সঙ্গী-সাথীরা। কেন্দ্রীয় কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতর ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতে দায়ের করা নতুন আর্জিতে জানাল ইডি। গত সপ্তাহে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটির (I-PAC) কলকাতা অফিসে ইডি তল্লাশি অভিযান চালায়। কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় (Coal Smuggle Case) চলা ওই তল্লাশির সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আইপ্যাকের অফিসে (IPAC Kolkata Office) হাজির হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের শীর্ষস্তরের নেতারা। তাঁরা ইডি অফিসারদের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। ‌সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দাখিল করা অভিযোগে ইডি বলেছে, তল্লাশির জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং কিছু ডকুমেন্ট সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সংস্থার কাজে বাধা দেওয়ার শামিল। এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি পিকে মিশ্র ও বিপুল পাঞ্চোলির এজলাসে মামলাটির শুনানি শুরু হয়েছে।

    কোনও নথি সরানো হয়নি

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। শুনানির সময় ইডি-র তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের ফ্ল্যাট কিংবা সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতর থেকে ইডি (ED Raid at IPAC) কোনও নথি বা ডিজিটাল এভিডেন্স বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর দাবি, যে কাগজপত্র ওই জায়গাগুলি থেকে সরানো হয়েছে, তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই করা হয়েছে। এই বক্তব্য শোনার পর তৃণমূলের আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, ইডি (ED) যদি অন রেকর্ড স্বীকার করে যে তারা কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি, তা হলে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) এই মামলাটি নিষ্পত্তি করতে পারে। জবাবে এসভি রাজু ফের বলেন, ইডি কোনও নথি বা ডিজিটাল প্রমাণ বাজেয়াপ্ত করেনি – এই অবস্থান তারা অন রেকর্ডেই জানাচ্ছে।

    ইডি কোনও সাধারণ সংস্থা নয়

    ইডির হয়ে সলিসিটর জেনারল মেহতার সওয়াল, “পিএমএলএ আইনের ৮ নম্বর ধারা অনুসারে, ইডি শুধু সরকারের একটি সাধারণ দফতর নয়। ইডির একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। ইডি অবৈধ ভাবে উপার্জিত সম্পত্তি চিহ্নিত করে, তা বাজেয়াপ্ত করে এবং দখলে নেয়।” সুপ্রিম কোর্টে ইডির সওয়াল, “আমাদের বিরুদ্ধে উল্টে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ মুছে দেওয়া হয়েছে।” ইডি বলে, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশের তরফে ইডির বিরুদ্ধে তিনটি এফআইআর করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে যে ইডি বেআইনি কাজ করেছে, মানুষকে ভয় দেখিয়েছে ইত্যাদি। এই এফআইআরগুলির ভিত্তিতেই না কি ইডি অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

    কী লুকোতে চান মুখ্যমন্ত্রী?

    ইডির আইনজীবী আরও সওয়াল করেন, “এমন কী ছিল, যা লুকোনোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী পুরো পুলিশবাহিনী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়লেন? পুলিশ অফিসারদের পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে বলার সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সেখানে প্রবেশ করেন। তাঁকে হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তা মানেননি। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। এই মামলায় সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।” ইডির সওয়াল, “ওরা বলছে আমরা না কি সেখানে গিয়েছিলাম এসআইআর-এর তথ্য সংগ্রহ করতে। কিন্তু যে কেউ বুঝবে—এসআইআর-এর তথ্য তো ওয়েবসাইটেই পাওয়া যায়। সেটা আনতে সেখানে যাওয়ার কোনও মানে নেই। এমন কাজ কোনও বোকা লোকও করবে না। অবৈধ কয়লা পাচার মামলার তদন্তে আইপ্যাক-এ তল্লাশি করতে গিয়েছিল। কয়লা কেনাবেচার টাকা নগদে লেনদেন করা হত। ইডি যে সমন পাঠিয়েছিল, তার কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। তদন্তে দেখা গিয়েছে, একটি হাওয়ালা চ্যানেল মারফত প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।” মেহতা আদালতে বলেন, “ইডি আগেই ইমেল করে রাজ্যের আধিকারিকদের জানিয়ে দিয়েছিল। আমাদের কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না।” ওই দিনের ঘটনার ছবি দেখতে চান বিচারপতি।

  • US Immigrants Visa: বাংলাদেশি-পাকিস্তানিদের ঢোকা বন্ধ আমেরিকায়! ভারতীয়দের নিয়ে আপত্তি নেই ট্রাম্প প্রশাসনের

    US Immigrants Visa: বাংলাদেশি-পাকিস্তানিদের ঢোকা বন্ধ আমেরিকায়! ভারতীয়দের নিয়ে আপত্তি নেই ট্রাম্প প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবেশ নিষিদ্ধ আমেরিকায়। ৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা (immigrant visa) প্রক্রিয়া বন্ধ করল আমেরিকা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে এই ঘোষণা করা হয়। ৭৫টি দেশের তালিকায় নাম আছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের। যদিও ভারতের নাম নেই এই তালিকায়। ভারতীয়দের ভিসা দেওয়ায় আপত্তি নেই আমেরিকার। যেসব দেশের অভিবাসী (US Immigrants Visa) “আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে অগ্রহণযোগ্য হারে কল্যাণ গ্রহণ করছে”, সেইসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হবে, বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক সোশাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছে, ‘নতুন অভিবাসীরা আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে সম্পদ বের করে নিচ্ছে না, এই বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি থাকবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, যে সব দেশ থেকে নাগরিকরা আমেরিকায় এসে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিতে পারে, সেই সমস্ত দেশের নামই তালিকায় রাখা হয়েছে। আমেরিকায় নিজেদের জীবন-যাপনে সক্ষম নন, সরকারি সাহায্যের ভরসায় যারা থাকবেন, এমন ব্যক্তিদের আমেরিকায় ঢোকা আটকাতেই ইমিগ্রান্ট বা অভিবাসী ভিসা (US Immigrants Visa) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, আমেরিকানদের পকেট থেকে টাকা নিয়ে সে দেশে বসবাস করছে অন্য দেশের নাগরিকরা। এই প্রক্রিয়া আটকাতেই ভিসা বন্ধের সিদ্ধান্ত।

    স্থগিতাদেশ শুরু কবে থেকে

    আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই স্থগিতাদেশ শুরু হতে চলেছে। কতদিন এই ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সমস্ত কনস্যুলার অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২১ জানুয়ারি থেকে এই নতুন নির্দেশ চালু হবে। তবে যারা নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা, ট্যুরিস্ট ভিসা বা বিজনেস ভিসায় আমেরিকা যেতে চাইবেন, তাদের কোনও সমস্যা হবে না।

    ৭৫টি দেশের তালিকায় কারা

    এই মর্মে ৭৫টি দেশের তালিকা আমেরিকার সরকার এখনও জনসমক্ষে নিয়ে না এলেও, ফক্স নিউজের একটি রিপোর্ট সম্ভাব্য দেশগুলির তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগা, বার্বুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামা, বার্বাডোস, বেলারুস, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া, ব্রাজিল, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্য়ামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কঙ্গো, কিউবা, ডমিনিকা, মিশর, ইরিট্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনিয়া, হাইতি, ইরান, ইরাক, আইভরি কোস্ট, জামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরঘিস্তান, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, ম্যাসিডোনিয়া, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, মরক্কো, মন্টেনেগ্রো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজিরিয়া, রিপাবলিক অব কঙ্গো, রাশিয়া, রোয়ান্ডা, সেনেগাল, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, তাইল্যান্ড, টোগো, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট।

  • NHAI Creates Record: বেঙ্গালুরু–বিজয়ওয়াড়া মহাসড়ক প্রকল্পে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের

    NHAI Creates Record: বেঙ্গালুরু–বিজয়ওয়াড়া মহাসড়ক প্রকল্পে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডর (NH-544G) নির্মাণে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এই প্রকল্পে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের (NHAI) সহযোগী সংস্থা রাজপথ ইনফ্রাকন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

    কী কী রেকর্ড গড়ল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ

    জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) জানিয়েছে, ৬ জানুয়ারি অন্ধ্রপ্রদেশের পুট্টাপার্থির কাছে দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়। প্রথম রেকর্ডটি হলো—২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটানা ২৮.৮৯ কিলোমিটার রাস্তা বিটুমিনাস কংক্রিট পিচ ঢালাই করা হয়েছে। যা তিন লেনের ৯.৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ জুড়ে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় রেকর্ডটি হলো—২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১০,৬৫৫ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কংক্রিট একটানা ঢালাই। ছয় লেনের জাতীয় সড়ক প্রকল্পে এই দুটি রেকর্ড। বিশ্বে প্রথমবার কোনও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এই কাজ করেছে। এরপর ১১ জানুয়ারি আরও দুটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি হয়। এর মধ্যে রয়েছে—একটানা ৫৭,৫০০ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কংক্রিট ঢালাই এবং ১৫৬ লেন-কিলোমিটার বা তিন লেনের ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে একটানা পেভিং। এর মাধ্যমে আগের বিশ্বরেকর্ড—৮৪.৪ লেন-কিলোমিটার (দুই লেনের ৪২.২ কিলোমিটার)—ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

    বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডরের গুরুত্ব

    এই রেকর্ড গড়া কাজগুলো বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডরের প্যাকেজ-২ এবং প্যাকেজ-৩ জুড়ে সম্পন্ন হয়েছে। করিডরের একটি অংশ বনাঞ্চলের মধ্য দিয়েও গিয়েছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে বেঙ্গালুরু ও বিজয়ওয়াড়ার মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব ৬৩৫ কিলোমিটার থেকে কমে ৫৩৫ কিলোমিটারে নামবে। পাশাপাশি যাত্রার সময় প্রায় চার ঘণ্টা কমে ১২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টায় নেমে আসবে বলে জানিয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI)। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে বায়ো-বিটুমিন উৎপাদন করেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী এবং কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর মধ্যে সফরের সময় কমাতে ৬ লেনের এই গ্রিনফিল্ড জাতীয় মহাসড়কটি তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি ভারতমালা ফেজ ২-র অধীনে শুরু করা হয়। যার মাধ্যমে গ্রিনফিল্ড এবং ব্রাউনফিল্ড উভয় রাস্তাই তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে এই রুটে সফরকারীরা এবার যানজটপূর্ণ শহর এবং পুরনো মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত এড়াতে পারবেন। এই রাস্তাটি গুন্টুর থেকে শুরু করে প্রকাশম, কুর্নুল এবং কাড়াপা জেলার মধ্য দিয়ে যাবে।

     

     

  • Dengue: নিপা ভাইরাসের মাঝেই রাজ্যে দাপট ডেঙ্গির! তীব্র শীতেও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    Dengue: নিপা ভাইরাসের মাঝেই রাজ্যে দাপট ডেঙ্গির! তীব্র শীতেও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিপা সংক্রমণ (Nipah Virus) নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।‌ রাজ্যের একাধিক হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মীদের শারীরিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে নিপা ভাইরাস আক্রান্ত নার্সের শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।‌ তারমধ্যেই বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে ডেঙ্গি (Dengue)। এমনটাই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, জানুয়ারি মাসে রাজ্য জুড়ে শীতের দাপট অব্যহত ছিল। কিন্তু এই আবহাওয়াতেও ডেঙ্গি তার উপস্থিতি জানান দিয়েছে। মশাবাহিত এই রোগ থেকে রাজ্যবাসীর রেহাই নেই। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    নতুন বছরে ডেঙ্গি পরিস্থিতি কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেশি হয়েছে। শুধুমাত্র কলকাতাতেই ২০২৪ সালে ১ হাজার ৩১৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত শুধুমাত্র কলকাতাতে ১ হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং হাওড়াতেও এক রকম ভাবে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেড়েছিলো। নতুন বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালের প্রথম সপ্তাহেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। গোটা রাজ্যে প্রায় শতাধিক মানুষ নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত (West Bengal Dengue Cases) হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে ডেঙ্গি থেকে রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি অন্যরকম। জানুয়ারি মাসে রাজ্যে শীতের ঝড়ো ব্যাটিং চললেও ডেঙ্গির দাপট কমেনি। কারণ রাজ্যের একাধিক জায়গায় ঠিকমতো মশানিধন প্রক্রিয়া হয়নি। তাই শীতের মরশুমেও রাজ্যবাসী মশাবাহিত রোগে কাবু হচ্ছেন।

    নিপা ভাইরাসের আবহে কেন ডেঙ্গি বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাস সংক্রমণ রাজ্যে নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। নিপা ভাইরাসের আক্রান্তের মৃত্যু হার অনেক বেশি। সুস্থ হলেও আক্রান্তের শরীরে নানান জটিলতা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গি বাড়তি বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্ত নিপা ভাইরাসে সংক্রামিত হলে তাঁর পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। আবার ডেঙ্গি আক্রান্তের শরীরে নিপা ভাইরাস সংক্রামিত হলে, ভাইরাসের প্রকৃতি পরিবর্তনও ঘটতে পারে। সেই পরিবর্তন সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ মহল একেবারেই ওয়াকিবহাল নন। ফলে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা কিংবা ডেঙ্গি, এই দুই সংক্রমণের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। ফলে চিকিৎসা খুবই জটিল। মৃত্যু আটকানোও কঠিন। তাই এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে যাতে সংক্রামক রোগ দাপট বাড়াতে না পারে‌ সেই নিয়ে সব মহলের তৎপরতা প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী বলছেন স্বাস্থ্য কর্তারা?

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি মোকাবিলায় জানুয়ারি মাস থেকেই নানান পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন পুরসভার সঙ্গে যৌথভাবে স্বাস্থ্যকর্মীরা নজরদারি করবেন। এলাকায় জল জমছে কিনা, অপরিচ্ছন্ন আছে কিনা সেদিকে নজরদারি চালানো‌ হবে। আবার, নিপা নিয়েও সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করা হয়েছে, যাতে খেজুর রস না খাওয়া হয়। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা কিংবা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। আবার ডেঙ্গি হচ্ছে কিনা সে নিয়েও খোঁজ রাখা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি প্রচার করা হচ্ছে।

    যদিও চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে বছরভর প্রচার কর্মসূচির কথা ঘোষণা করলেও রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি যে নিয়ন্ত্রণে নেই, তা জানান দিচ্ছে পরিসংখ্যান। তাই ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা অধিকাংশ জেলায় বেড়েছে। নতুন বছরে জানুয়ারি মাসেই আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। শুধু সচেতনতা প্রসার নয়। সংক্রামক রোগ রুখতে প্রশাসনিক সক্রিয়তাও সমানভাবে জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

  • Calcutta High Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য! হাইকোর্টে খারিজ তৃণমূলের মামলা, ইডির দাবি মানল আদালত

    Calcutta High Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য! হাইকোর্টে খারিজ তৃণমূলের মামলা, ইডির দাবি মানল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। ইডির বিরুদ্ধে করা তৃণমূলের মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তৃণমূলের যুক্তি টিকলই না আদালতে। হাইকোর্টে ইডি স্পষ্ট জানায়,কয়লা পাচার মামলার তল্লাশিতে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থার দফতর থেকে কিছুই বাজেয়াপ্ত করেনি তারা। বুধবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানিতে ইডির পক্ষে আইনজীবী তথা অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু জানান, যা নেওয়ার নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আইপ্যাক তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা৷ দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি।

    কেন মামলা খারিজ

    এদিন, অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু হাইকোর্টে যুক্তি দেন, তল্লাশি চালানো হয়েছে আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের দফতর ও বাড়িতে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়ে আদালতে এলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী। অথচ তিনি তল্লাশির সময় ছিলেন না। তাহলে যে যে তথ্য তিনি আদালতে দিয়েছেন তা কীসের উপর ভিত্তি করে দিলেন? ফলে মিথ্যের উপর দাঁড়িয়ে থেকে কোনও মামলা করা যায় না। যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে তৃণমূলের উচিত মমতার বিরুদ্ধে মামলা করা। সেক্ষেত্রে ইডির আইনজীবীরা তাঁদের সমর্থন করবেন। এরপরই এই বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মামলা খারিজ করে দেন।

    ভয় পেয়েছে তৃণমূল!

    ইডির দায়ের করা মামলা মুলতুবি করা হয়েছে হাইকোর্টে। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মিস্টার রাজু বলেছেন, তৃণমূলের কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত হয়নি। তাই বিচারপতি এই মামলা খারিজ করে দিয়েছেন।” অপরদিকে, আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, “ইডি পরিষ্কার বলেছে, তাঁরা কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করতে পারেনি কারণ তা ডাকাতি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল যে কাগজের দাবি করেছিল ইডি সেই প্রসঙ্গে বলেছেন আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পার্টি করুন। কারণ, উনি সব নথি নিয়ে চলে গিয়েছেন। এই সব কথা শুনে ম্যাটার অন্য দিকে ঘুরে যাবে দেখে তৃণমূলের তরফে বলা হয় যদি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত না করা হয়ে থাকে তাহলে মামলা পেনডিং রেখে লাভ নেই। তারপর মামলা খারিজ হয়।”

    বৃহস্পতিবার সুপ্রিম দুয়ারে শুনানি

    আইপ্যাকে ইডি তল্লাশি (IPAC ED Raid) ঘিরে আইনি টানাপড়েনের জল আগেই গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। জানা গেল, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দায়ের করা মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার হবে শীর্ষ আদালতে। আইপ্যাকে ইডি অভিযানের (IPAC ED Raid) পর আগেভাগেই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছিল রাজ্য সরকার। তার পরপরই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। বুধবারই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হবে।

  • SIR in Bengal: মাইক্রো অবজারভারদের জন্য কড়া বার্তা! নজরদারিতে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি কমিশনের

    SIR in Bengal: মাইক্রো অবজারভারদের জন্য কড়া বার্তা! নজরদারিতে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইক্রো অবজারভারদের কঠোর নির্দেশ দিলেন রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার। দায়িত্বে উদাসীন হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, বলেও জানায় কমিশন। রাজ্যে প্রায় ৪,০০০ মাইক্রো অবজারভার নিযুক্ত করেছে কমিশন। এই অবজারভাররা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে আসে। সিইও অফিসের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, মাইক্রো অবজারভাররা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছেন না। তাদের কাজ হল সমস্ত শুনানি পর্যবেক্ষণ করা এবং যেকোনো ম্যানুয়াল ত্রুটি চিহ্নিত করা। এটি চূড়ান্ত নির্বাচনী তালিকাকে নিখুঁত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এর শুনানি পর্বে কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আরও প্রায় দু’হাজার মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

    মাইক্রো অবজারভারদের দায়িত্ব

    সিইও একটি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, “মাইক্রো অবজারভারদের নিযুক্তি কালে তাদের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ সিইও-এর অধীনে থাকবে। নির্বাচনী শুনানি চলাকালীন উপস্থিতির স্বাক্ষরও সঠিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে না। তাদেরকে তাদের নির্ধারিত কাজ খুবই গুরুত্ব সহকারে করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মাইক্রো অবজারভারদের বুথ লেভেল অফিসার (BLO) দ্বারা ডিজিটাল করা এন্ট্রিগুলো যাচাই করতে হবে। মৃত্যুহার ও জন্মহারের সাথে নির্বাচনী তালিকার মিল যাচাই করতে হবে। নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ERO) এবং সহকারী ইআরও (AERO)-এর নোটিশ প্রাপ্তদের কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। নির্বাচনী শুনানি পর্যবেক্ষণ করা ও ইলেক্টরদের স্বাক্ষর এবং আঙুলের ছাপসহ ছবি তুলতে হবে। দিন দুয়েক আগেই মাইক্রো অবজারভারদের কাজে সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছিল কমিশন। নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছিল, শুনানি কেন্দ্রে মাইক্রো অবজারভারেরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করছেন না। ভবিষ্যতে কাজে গাফিলতি হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে।

    অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার

    কমিশন সূত্রে খবর, আগামী বৃহস্পতিবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নবনিযুক্ত মাইক্রো অবজারভারদের। কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকায় রয়েছে ৯৪ লক্ষ। এ ছাড়াও, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় রয়েছে ৩২ লক্ষ। অর্থাৎ, এক কোটি ২৬ লক্ষ জনের শুনানি হওয়ার কথা। শুনানি পর্ব চলছে ১৫-২০ দিন। এখনও পর্যন্ত শুনানির জন্য ৭০ লক্ষ নোটিস তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪ লক্ষ নোটিস পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে শুনানির কাজ। হাতে বাকি মাত্র ২৫-২৬ দিন। তার মধ্যে গোটা কাজ শেষ করতে আরও লোকের প্রয়োজন। সেই সব বিবেচনা করেই অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের প্রয়োজন। শুধু অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ নয়, বাড়ানো হবে শুনানি কেন্দ্রও। শুনানির কাজ করছেন এইআরও-রা (সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক)। শুনানিকেন্দ্র বাড়লে এইআরও বৃদ্ধি করা হবে। সেই সব কেন্দ্রের জন্য মাইক্রো অবজারভারদের সংখ্যা বাড়বে।

  • Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata)। সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের জন্য গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীকে আইনজীবী মারফত একটি মানহানির নোটিস পাঠান তিনি। কিসের ভিত্তিতে মমতা ওই মন্তব্য করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রামাণ্য নথি চেয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার দেওয়া ওই সময়সীমা ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছে। কিন্তু সেই চিঠির উত্তর মেলেনি। এবার তাই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন শুভেন্দু।

    ‘আদালতে দেখা হবে

    সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু (Suvendu Attacks Mamata) লেখেন, “তাঁকে (মুখ্যমন্ত্রীকে) দেওয়া সময়সীমা এখন অতিক্রম হয়ে গিয়েছে, এবং মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আচরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে আমার নাম কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে তাঁর কল্পিত অভিযোগগুলির কোনও স্পষ্ট প্রমাণ নেই ওনার কাছে, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তাই বিপাকে পড়ে তিনি কোনও উত্তর দিতে পারেননি।” বিরোধী দলনেতার দাবি, কী জবাব দেবেন, তা হয়তো মুখ্যমন্ত্রী বুঝে উঠতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে তিনি আরও লেখেন, “এবার উনি আদালতে আইনি পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।”

    কেন শুভেন্দুর আইনি চিঠি

    অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata) জড়িয়ে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই এই আইনি চিঠি নন্দীগ্রামের বিধায়কের। চিঠিতে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যমে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যদিও ইডি বিবৃতি দিয়ে জানায়, কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় এই তল্লাশি চলছিল। গোটা দেশের ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছিল। তার মধ্যে ৬টি বাংলায় ও চারটি দিল্লিতে। ইডির বক্তব্য, এই তদন্তে হাওয়ালা-যোগও উঠে আসে। আর এখানেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির দাবি, ইন্ডিয়ান প্যাক কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড, অর্থাৎ আইপ্যাকের মাধ্যস্থতার হাওয়ালায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ানে এই প্রতীক জৈনের নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তল্লাশি।

  • SIR in Bengal: তথ্যে অসঙ্গতি রাজ্যের ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের! সবার কাছেই নোটিস পাঠাচ্ছে কমিশন

    SIR in Bengal: তথ্যে অসঙ্গতি রাজ্যের ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের! সবার কাছেই নোটিস পাঠাচ্ছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ায় ৯৪ লক্ষ ভোটারের দেওয়া তথ্যে ব্যাপক অসঙ্গতি। বাংলার এসআইআর পর্বে তথ্য বিভ্রাটের নজির জনসম্মুখে তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন। কারওর বাবার নাম নেই, কারওর আবার বাবাই বদলে গিয়েছে। কারওর আবার বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক মাত্রাতিরিক্ত। কমিশন সূত্রে খবর, যাঁদের তথ্যগত অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি ধরা পড়েছে, সেই ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের কাছে নোটিস পাঠানো হচ্ছে । সেই মতো কাজও করছে সিইও দফতর (CEO West Bengal)।

    কাদের কোথায় গরমিল

    কমিশনের অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, এসআইআর-এ (SIR in Bengal) অসঙ্গতিগুলি এক ধরনের নয়। তার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক সম্পর্ক, বয়সের ব্যবধান ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত তথ্যের গরমিল। হিসেব বলছে—বাবার নামের গরমিল রয়েছে ৫০ লক্ষ ৯৩ হাজার ভোটারের। মা–বাবার সঙ্গে সন্তানের বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম ৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ভোটারের। মা–বাবা ও সন্তানের বয়সের ব্যবধান ৫০ বছর বা তার বেশি ৭ লক্ষ ৮৫ হাজার ভোটারের। ঠাকুরদা ও নাতি–নাতনির বয়সের ফারাক মাত্র ৪০ বছর ২ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের। ‘প্রোজেনি ৬’ (একজন ভোটারের সঙ্গে ছয় জন উত্তরাধিকারীর নাম যুক্ত) ২৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ভোটারের। সহজ কথায়, এসআইআর তালিকায় নিজের নাম তুলতে ছয় জনের নাম ব্যবহার করেছেন এই ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের এক সূত্রের বক্তব্য, এই ২৮ লক্ষ ৪৮ হাজারের মধ্যেই রয়েছেন সেই সব ভোটার, যাঁদের বয়স ৪৫ হলেও ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই।

    লজিকাল ডিসক্রেপেন্সি মানেই নাম বাতিল নয়

    কমিশন স্পষ্ট করেছে, লজিকাল ডিসক্রেপেন্সি মানেই নাম বাতিল, এমন নয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য যাচাই না হলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের চিহ্নিত তথাকথিত ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র তালিকায় শুরুতে নাম ছিল প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের। তবে সংশোধিত তথ্য অনুযায়ী, তথ্যগত ‘অসঙ্গতি’র সংখ্যা আর ১ কোটি ৩৬ লক্ষ নেই। তা নেমে এসেছে ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজারে।

    এখনও পর্যন্ত অবৈধ কতজন

    এখনও পর্যন্ত রাজ্যের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর যে শুনানি হয়েছে, তাতে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়ছে ১১,৪৭২ জন ভোটারের নাম। এমনটাই বলছে কমিশনের সূত্র। সেই সূত্র অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ৯,৩০,৯৯৩ জন ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পরে তথ্য আপলোড করা হয়েছে। তার মধ্যে ‘অবৈধ’ বলে চিহ্নিত হয়েছেন ১১,৪৭২ জন ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, ইআরও-রা শুনানি ও নথি যাচাই করে দেখেছেন, ওই ভোটারেরা ‘অবৈধ’। ফলে তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যে শুনানি হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বেশি ‘অবৈধ’ ভোটার মিলেছে নদিয়ায়। এখনও পর্যন্ত শুনানির পরে দেখা গিয়েছে, সেখানে ‘অবৈধ’ ভোটারের সংখ্যা ৯,২২৮। এখনও পর্যন্ত যে শুনানি হয়েছে, কলকাতা দক্ষিণ এবং বাঁকুড়ায় এক জন ভোটারও ‘অবৈধ’ বলে চিহ্নিত হননি।

    ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে এসআইআর শুনানি

    এর আগে খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। কমিশন জানিয়েছিল, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় থাকা প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটারকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হবে। এ ছাড়া, আরও লক্ষাধিক ভোটারকে সন্দেহজনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁদেরও শুনানিতে হাজির হতে হবে বলে জানায় কমিশন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে দেখে কমিশন। গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুনানি শুরু হয়েছে এখনও পর্যন্ত ৯ লক্ষের উপর ভোটারের শুনানি হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, তাঁদের মধ্যে ১১,৪৭২ জন ভোটার ‘অবৈধ’। তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। নির্বাচন কমিশনের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, আনম্যাপড শুনানি পর্ব ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। এই পর্বে যাঁদের শুনানি হওয়ার কথা ছিল, সেই ৩২ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৪ লক্ষ ব্যক্তি সরাসরি শুনানি প্রক্রিয়ায় উপস্থিত হয়েছেন। তবে বাকি প্রায় ৮ লক্ষ ভোটার শুনানিতে হাজির হননি। তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি কমিশন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে এসআইআর (SIR in Bengal) শুনানি চলবে, বলে জানায় কমিশন।

    বাড়ছে মাইক্রো অবজার্ভারদের সংখ্য়া

    শুনানি-পর্ব দ্রুত সারতে  রাজ্য়ে বাড়তে চলেছে মাইক্রো অবজার্ভারদের সংখ্য়াও। কমিশন সূত্রে খবর, বর্তমানে রাজ্য়ে রয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৬০০ মাইক্রো অবজার্ভার। এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ায় গতি বাড়াতে দিল্লি থেকে আরও দু’হাজার মাইক্রো অবজার্ভার আসবেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি হবে তাঁদের প্রশিক্ষণ। ফলত, মোট মাইক্রো অবজার্ভারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৬ হাজার ৬০০ জন।

  • Jaishankar Rubio Talk: ফোনে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা জয়শঙ্কর–মার্কো রুবিওর

    Jaishankar Rubio Talk: ফোনে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা জয়শঙ্কর–মার্কো রুবিওর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুল্কযুদ্ধ এবং বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই মঙ্গলবার মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। টেলিফোনে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে একপ্রস্ত আলোচনা সারলেন তাঁরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাণিজ্য সংক্রান্ত মতপার্থক্যের কারণে ভারত–মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যেই এই কথোপকথনকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিদেশসচিব রুবিওর সঙ্গে ভাল কথোপকথন

    সমাজমাধ্যমে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর লিখেছেন, ‘‘আমেরিকার বিদেশসচিব রুবিওর সঙ্গে একটি ভাল কথোপকথন হল। বাণিজ্য, বিরল খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা এবং বিদ্যুৎক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’’ উল্লিখিত ক্ষেত্রগুলির পাশাপাশি অন্যান্য বিষয় নিয়েও দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ রাখার বিষয়ে আলোচনায় ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়শঙ্কর। এই ফোনালাপের একদিন আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত-মনোনীত সার্জিও গোর জানান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র এখনও সক্রিয়ভাবে একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে এবং মঙ্গলবারই “পরবর্তী বাণিজ্য সংক্রান্ত আলোচনা” হওয়ার কথা। অন্যদিকে, সার্জিও গোর সামাজিক মাধ্যমে বলেন, রুবিও ও জয়শঙ্করের মধ্যে “ইতিবাচক” ফোনালাপ হয়েছে এবং দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও আগামী মাসে সম্ভাব্য বৈঠকের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    উভয় দেশের কাছেই যোগাযোগ ইতিবাচক

    বিরল খনিজ (ক্রিটিকাল মিনারেলস) নিয়ে চিনের সঙ্গে লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই ভারতকে পাশে পেতে সক্রিয় হয়েছে আমেরিকা-সহ পশ্চিমি দুনিয়া। ওয়াশিংটনে জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিকে নিয়ে এ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য বিশেষ ‘ফিনান্স মিনিস্টার্স মিটিং’-এর আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ভারতকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার। সোমবার ভারতে পৌঁছে দেওয়া ভাষণে সার্জিও গোর বলেন, “প্রকৃত বন্ধু হিসেবে” ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত সব সমস্যার সমাধান করে। তিনি স্বীকার করেন, বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা সহজ কাজ নয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গোর আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র আগামী মাসে ভারতকে ‘প্যাক্স সিলিকা’ উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানাবে। এটি সেমিকন্ডাক্টর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির জন্য একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার লক্ষ্যে মার্কিন সরকারের একটি প্রধান উদ্যোগ। তারপরই জয়শঙ্কর ও রুবিও-র মধ্যে এই ফোনালাপ নিয়ে দুই দেশের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। তবে কয়েক মাস পর এই বিরল উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগকে উভয় দেশই ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।

  • Nipah Virus: করোনার তুলনায় বেশি বিপজ্জনক নিপা ভাইরাস! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Nipah Virus: করোনার তুলনায় বেশি বিপজ্জনক নিপা ভাইরাস! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যজুড়ে নিপা ভাইরাসের চোখরাঙানি বাড়ছে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের হাসপাতালে কর্মরত দুই নার্স আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছিল ইতিমধ্যেই। গত কয়েকদিন ধরে এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি আছেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে একজনের বাড়ি নদিয়ায় ও অপরজনের বাড়ি বর্ধমানের কাটোয়ায়। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা সঙ্কটজনক। জানা যাচ্ছে, ওই নার্স কোমায় রয়েছেন। এর মধ্যেই, আক্রান্ত সন্দেহে নতুন করে আরও বর্ধমানের ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, আগে আক্রান্ত কাটোয়া নিবাসী নার্সকে যখন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, তাঁর চিকিৎসায় থাকা এক হাউসস্টাফকে এবার নিপা সন্দেহে কলকাতার বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও এক নার্সকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাই, নিপা ভাইরাস নিয়ে বাড়তি সতর্ক কেন্দ্রীয় সরকার।

    করোনা অতিমারির তুলনায় কতখানি বেশি বিপজ্জনক নিপা ভাইরাস?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাস মৃত্যু হারের নিরিখে করোনার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। তাঁদের মতে, মৃত্যু হারের নিরিখে করোনা ভাইরাসের তুলনায় নিপা ভাইরাস বেশি বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের মৃত্যুর হার ৬০ থেকে ১০০ শতাংশ। অর্থাৎ, নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে করোনা ভাইরাসের তুলনায় নিপা ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষমতা কম। তাই করোনা ভাইরাসের মতো অতো দ্রুত এই ভাইরাস ছড়াবে না। এমনটাই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সচেতনতা ও সতর্কতা জরুরি। যদি এই ভাইরাস নিজের প্রকৃতি পরিবর্তনে সক্ষম হয়, তাহলে পরিস্থিতি করোনা মহামারির তুলনায় আরও বেশি সঙ্কটজনক হয়ে উঠতে পারে।
    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা হাঁচি-কাশি এবং স্পর্শের মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তো। নিপা ভাইরাসের সেই ক্ষমতা তুলনামূলক কম। আক্রান্তের সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমেই এই রোগ একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে সংক্রামিত হচ্ছে। বিশেষত মূত্র, রক্ত কিংবা লালার মাধ্যমে এই রোগ সংক্রামিত হয়। তাই স্বাস্থ্যকর্মীদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।
    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসায় মূল প্রতিবন্ধকতা হলো, এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ এখনও নেই। তাই নানান রকম পদ্ধতিতে এই রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা করা হয়। তাই নিপা নিয়ে আতঙ্ক নয়। বরং সচেতনতা জরুরি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন এই সংক্রমণ নিয়ে কেন্দ্রের বাড়তি উদ্বেগ?

    রাজ্যে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ হতেই সক্রিয় কেন্দ্রীয় সরকার। সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় তার জন্য নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথ উদ্যোগে কাজ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। নিপা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়তি তৎপর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তার পিছনে মূল কারণ নিপার মৃত্যু হার। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিপার মৃত্যু হার অন্যান্য ভাইরাসঘটিত রোগের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। এই ভাইরাস মানুষের মস্তিষ্ককে দ্রুত অক্ষম করে দেয়। ফলে শরীরের সমস্ত স্নায়ু কাজ করা বন্ধ করে দেয়। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যায়। একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যায়। তাই এই ভাইরাস অত্যন্ত বিপজ্জনক। নিপা সংক্রমণ ছড়ালে মৃত্যু বাড়বে। প্রথম থেকেই সংক্রমণ ঠেকাতে না পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। তাছাড়া এই সংক্রমণ ঠেকানোর মূল হাতিয়ার হলো প্রাথমিক পর্বেই রোগ নির্ণয়। একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থায় সেই শারীরিক পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।

    কোন ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জ্বর আর সর্দি, গলা ব্যথার মতো উপসর্গ একেবারেই অবহেলা করা যাবে না।‌ দ্রুত শারীরিক পরীক্ষা জরুরি। প্রশাসনিক মহলে আইসোলেশন নিয়ে কড়া পদক্ষেপ জরুরি।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তাই কোনো নিপা ভাইরাস আক্রান্তের চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের আলাদা ভাবে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো ভাবেই যাতে সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পরে সেই জন্য বাড়তি নজরদারি জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাদুরের পাশপাশি শুয়োরের দেহ থেকেও এই রোগ মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই আপাতত শুয়োরের মাংস খাওয়া উচিত হবে না বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন ফল থেকেও নিপা ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কাটা ফল বা অর্ধেক খাওয়া ফল অথবা ফলে কোনো আঁচড় আছে দেখলে এই সময়ে তা কোনো ভাবেই খাওয়া উচিত নয়। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। বারবার হাত ধোয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

LinkedIn
Share