Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Satellite Image of Green India: ‘শস্যশ্যামলাং মাতরম’ মহাকাশ থেকে ঝলমলে সবুজ ভারতের ছবি, নজর কাড়ছে বিশ্বের

    Satellite Image of Green India: ‘শস্যশ্যামলাং মাতরম’ মহাকাশ থেকে ঝলমলে সবুজ ভারতের ছবি, নজর কাড়ছে বিশ্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা…সকল দেশের সেরা’ ভারতের ছবি ধরা পড়ল রাশিয়ার উপগ্রহে। রসকসমসের (Roscosmos) ইলেকট্রো-এল হাইড্রোমেটারোলজিক্যাল স্যাটেলাইটের (Electro-L satellite) তোলা এই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। রাশিয়ার এই কৃত্রিম উপগ্রহ গোটা পৃথিবীর আবহাওয়ার হিসেব রাখে। এটি পৃথিবীর বিষুবরেখা থেকে প্রায় ৩৬,০০০ কিলোমিটার উঁচুতে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে স্থির হয়ে ভেসে থাকে এবং ঠিক পৃথিবীর আবর্তনের সমান গতিতে চলাচল করে। আর সেই উপগ্রহের তোলা ছবিতে ধরা পড়েছে সবুজ ভারতের ছবি।

    কী এই ইলেকট্রো-এল স্যাটেলাইট?

    ইলেকট্রো-এল একটি জিওস্টেশনারি কক্ষপথে অবস্থানকারী আবহাওয়া উপগ্রহ। সাবাবছর নিরবচ্ছিন্নভাবে পৃথিবীর উপর নজর রাখে এই উপগ্রহ। এই উপগ্রহে রয়েছে মাল্টিস্পেকট্রাল স্ক্যানিং ডিভাইস, যা একসঙ্গে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ধরতে পারে। এর মাধ্যমে ভারত মহাসাগর, ইউরেশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধরা পড়ে। ইলেকট্রো-এল (Electro-L) মোট ১০টি স্পেকট্রাল ব্যান্ডে ছবি তোলে। যার মধ্যে দুটি দৃশ্যমান (সবুজ ও নীল) এবং বাকি ইনফ্রারেড রেঞ্জে। ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং মেঘের গতিবিধি নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়। উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পাঠানো হয় রাশিয়ার আবহাওয়া দফতরে। এছাড়া বিশ্বের একাধিক আবহাওয়া বিভাগ এই তথ্য বিশ্লেষণ করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি ও দুর্যোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। শুধু তাই নয়, এই উপগ্রহ আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট উদ্ধার ব্যবস্থা কসপাস সারস্যাট (COSPAS-SARSAT)-এর সংকেতও রিলে করে, যা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় উদ্ধার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    সবচেয়ে ঝলমলে সবুজ ভারত

    রাশিয়ার মোট ১৫৫৯টি কৃত্রিম উপগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে বহু উপগ্রহ রুশ সেনার সিস্টেম মেনে কাজ করে। আলোচ্য উপগ্রহটি এই বছরেরর ফেব্রুয়ারিতেই উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি এর পাঠানো ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম একটি ছবি, কালো অন্তরীক্ষের প্রেক্ষাপটে নীল রঙের ঝলমলে পৃথিবী। যার মধ্যে সবচেয়ে ঝলমলে রঙিন সবুজ ভারত। মহাকাশযানের জানালা দিয়ে তোলা আরেকটি চমৎকার ছবিতে প্রশান্ত মহাসাগর ও মেঘমালার ঘূর্ণায়মান নীল ও সাদা বিন্যাসের এক উচ্চ-রেজোলিউশনে পৃথিবীকে দেখা গিয়েছে। হয়তো যা দেখে মহাকাশচারীদের মনে পড়ছিল মাত্র কয়েক দিন আগেই পেছনে ফেলে আসা নিজেদের গ্রহটাকে!

  • NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এনডিএ (NDA in Rajya Sabha)। আম আদমি পার্টি (আপ)-র সাতজন সাংসদের দলবদলের পর লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি পৌঁছল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (NDA)। তবে এখনও সেই ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ ছুঁতে শাসক জোটের ১৭টি আসন কম রয়েছে। শুক্রবার আপের সাতজন সাংসদ দল পরিবর্তন করায় রাজ্যসভায় এনডিএ-র সমর্থন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। ২৪৪ সদস্যের এই সদনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৬৩ জন সদস্যের সমর্থন।

    দুই-তৃতীয়াংশের পথে

    এনডিএ-র নেতৃত্বে থাকা ভারতীয় জনতা পার্টিও (BJP), রাজ্যসভায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ১০টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন যদি আপের সংসদীয় দলের বিজেপিতে মিশে যাওয়ার অনুমোদন দেন, তাহলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১১৩-তে পৌঁছবে (বর্তমানে ১০৬)। এছাড়া, বিজেপি সাতজন মনোনীত সদস্য এবং দুইজন নির্দল সাংসদের সমর্থন পেতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের সমর্থন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১২২—যা কার্যত অর্ধেকের সমান। সূত্রের মতে, আপের যে সাতজন সাংসদ দলত্যাগ করেছেন, তারা দলটির রাজ্যসভা সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি হওয়ায় এই মিশে যাওয়ার প্রক্রিয়া অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে লাভ

    রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান সংশোধনীসহ গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতে এনডিএ-র আর বড় বাধা থাকবে না। লোকসভাতে এনডিএ-র সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। নিম্নকক্ষে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩৬৩ জন সাংসদের সমর্থন। উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল লোকসভায় সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিল—যার মাধ্যমে ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা ৮১৬-তে বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল—এনডিএ প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় খারিজ হয়ে যায়। বর্তমান এনডিএ সরকার তাদের এই মেয়াদে প্রথম কোনও সংবিধান সংশোধনী বিল সংখ্যার অভাবে পাস করতে ব্যর্থ হয়। যদি রাজ্যসভাতে এনডিএ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায়, তাহলে তাদের আর বিল পাশ নিয়ে ভাবতে হবে না।

     

  • Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহের পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কাটিয়ে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ (Rainfall) হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি (Weather Update)

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের ওপর বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হতে পারে। বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বা কালবৈশাখীর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া দফতর। সতর্কতা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে। তবে রবিবার থেকে কলকাতাও ঝড়বৃষ্টি (Rainfall) হবে। রবিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস রয়েছে। একই ভাবে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং বীরভূমে ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। সমুদ্রের উপরে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ইতিমধ্যে বঙ্গপোসাগরে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    কলকাতার পরিস্থিতি

    কলকাতায় আকাশ আংশিক মেঘলা (Weather Update) থাকার সম্ভাবনা থাকলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। তবে বিকেলের পর শহরের কোনও কোনও অংশে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপমাত্রার পারদ সামান্য হলেও নামাতে সাহায্য করবে। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৬ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.১ ডিগ্রি বেশি। কৃষিজীবী এবং সাধারণ মানুষকে বজ্রপাতের (Rainfall) সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খোলা মাঠে কাজ করার সময় বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে দাবি করেছেন যে, ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই আসলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দুদের উত্তরসূরি। বর্তমানে আমেরিকা সফরে থাকা হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের সাংস্কৃতিক ডিএনএ এবং হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্য সংঘ শতবর্ষে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় মুসলিমদের ওরিজিন এক (RSS)

    আরএসএস-এর (RSS) সরকার্যবাহ হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারতের মাটিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের পূর্বপুরুষ একই। তাঁর মতে, ভারত একটি সাংস্কৃতিক দেশ এবং হিন্দুত্ব কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা ও জাতীয়তার পরিচয়। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমের পূর্বপুরুষ আদতে এই দেশের হিন্দু সমাজ থেকেই এসেছেন। ঐতিহাসিক কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উপাসনা পদ্ধতি পরিবর্তিত হলেও, তাঁদের উৎস এবং ডিএনএ অপরিবর্তিত রয়েছে।”

    সাংস্কৃতিক একাত্মতার বার্তা

    অনুষ্ঠানে দত্তাজী (Dattatreya Hosabale) আরও জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সামগ্রিক পরিচয় কোনও বিভেদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি সমন্বিত সংস্কৃতি। হিন্দু সমাজ সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে এবং সংঘ (RSS) সেই জাতীয় একাত্মতা প্রচারেই কাজ করে যাচ্ছে।”

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারত

    আমেরিকার বিভিন্ন প্রবাসী ভারতীয় এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)  ভারতের বর্তমান অগ্রগতি এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভূমিকার কথাকেই তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ভারতীয় চিন্তাধারা বা ‘ভারতীয়ত্ব’ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আরএসএস (RSS) নেতার এই মন্তব্য নতুন করে ভারতের জনতাত্ত্বিক ইতিহাস এবং সামাজিক কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতির পক্ষে তাঁর এই অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষকগণ।

  • Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) আবহে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং অসদাচরণের অভিযোগে ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে কমিশন (Election Commission India)। রাজনৈতিক ভাবে পক্ষপাতের জন্য হিঙলগঞ্জের ওসিকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে গতকাল । বসানো হয়েছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে পদক্ষেপ (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন (Bengal Elections 2026) চলাকালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। কমিশনের (Election Commission India) পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়মাবলী লঙ্ঘন করেছেন এবং তাঁদের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব ছিল। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:

    • কর্তব্যে গাফিলতি: কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
    • নিরপেক্ষতা: প্রতিটি পুলিশ কর্মীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
    • তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা: এই ৫ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হতে পারে।

    কমিশনের সাফ কথা, “শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনও প্রকার আপস করা হবে না। আধিকারিকদের আচরণে বিন্দুমাত্র ত্রুটি দেখা দিলে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।”

    সাসপেন্ড হওয়া আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই। এসডিপিও সজল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ ও উস্তি থানার আইসি শুভেচ্ছা বাগ।

    ২৯ এপ্রিল কোথায় কত বাহিনী?

    দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট (Bengal Elections 2026) হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২টি আসনে ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। আর এই শেষ দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে আরও কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন । কমিশন বঙ্গে অতিরক্ত ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠাবে বলে জানা গিয়েছে। ২৯৪টি আসনের জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন ৮৪ জন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দ্বিতীয় দফার জন্য ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে নিরাপত্তার দায়িত্বে। শুধু কলকাতায় থাকবে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের আগে ও পরের দিন শহরে থাকবে প্রায় ২২ হাজার আধা সামরিক বাহিনী। হিংসা মুক্ত নির্বাচন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য।

  • Ashok Lahiri: নীতি আয়োগের শীর্ষ নেতৃত্বে বঙ্গের দুই কৃতি, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী

    Ashok Lahiri: নীতি আয়োগের শীর্ষ নেতৃত্বে বঙ্গের দুই কৃতি, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা ‘নীতি আয়োগ’-এর (Niti Aayog) পুনর্গঠনে বিশেষ গুরুত্ব পেল পশ্চিমবঙ্গ। ভারত সরকারের এক সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বালুরঘাটের বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে (Ashok Lahiri) নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান (Vice Chairman) পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে, বিশিষ্ট অধ্যাপক গোবর্ধন দাসকেও এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অশোক লাহিড়ীর অবদান

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ হিসেবে অশোক লাহিড়ীর (Ashok Lahiri) কর্মজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। তিনি ইতিপূর্বে ভারত সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (CEA) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (ADB) মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে তাঁর এই নতুন দায়িত্ব উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এক নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অশোক লাহিড়ী ২০২১ সালে বালুরঘাট আসন থেকে বিজেপির বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এবার নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হননি। নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান খোদ প্রধানমন্ত্রী। পদমর্যাদার নিরিখে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর (Niti Aayog) সমকক্ষ। এবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থনীতি বিষয়ে কাজ করবেন অশোকবাবু। ভোটের মধ্যেও বঙ্গবাসীর কাছে এই সংবাদ অত্যন্ত আনন্দের।

    অধ্যাপক গোবর্ধন দাসের ভূমিকা

    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) সেন্টার ফর মলিকুলার মেডিসিন-এর অধ্যাপক গোবর্ধন দাসের নীতি আয়োগে অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জনস্বাস্থ্য এবং উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত গবেষণায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আয়োগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোতে বিশেষ সহায়ক হবে। কেন্দ্রীয় স্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় বাংলার দুই কৃতী ব্যক্তিত্বের নিযুক্তিতে যেমন রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয়, তেমনই জাতীয় উন্নয়নের রূপরেখা তৈরিতে বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতাদের গুরুত্বকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করল। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এই দুই ব্যক্তিত্বের মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নীতি আয়োগের (Niti Aayog) কর্মপদ্ধতি আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল হবে।

  • ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের (Assembly Election 2026) আগে ফের সক্রিয় ইডি। শনিবার সাতসকালে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় (ED Raid Habra) পৌঁছে গেল ইডি। রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার শিকড় খুঁজতে এবার এলাকার একাধিক প্রভাবশালী চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এদিন ভোররাতেই অভিযানে (Enforcement Directorate) নামেন গোয়েন্দারা, যা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় চলছে অভিযান। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় অনেকের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    দুই চাল ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ

    ইডি সূত্রে খবর, শনিবার সকালে গোয়েন্দাদের বিশেষ টিমটি প্রথম হানা দেয় হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডের বাসিন্দা সমীর চন্দের বাড়িতে। পেশায় চাল ব্যবসায়ী সমীরবাবু দীর্ঘদিন ধরেই হাবড়া চালপট্টি এলাকায় কারবার চালান। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে। এদিন সকালে যখন আধিকারিকরা তাঁর দরজায় কড়া নাড়েন, তখন বাড়ির সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন। বারবার ধাক্কা দেওয়ার পর অবশেষে দরজা খোলা হলে ভিতরে প্রবেশ করেন ইডি আধিকারিকরা। হাবড়ার আরও এক ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও চলে ইডি অভিযান। হাবড়া শ্রীনগর রোডে সাগর সাহার বাড়িতে শনিবার ভোর হতে না হতেই আসেন ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে। এদিন সকালে ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়ির বাইরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারকদের। তবে অবশেষে ভিতরে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছেন তাঁরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজনদের।

    এলাকায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিন সকালে ইডির আধিকারিকদের সঙ্গেই ময়দানে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। তাঁরা গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে।  তল্লাশি চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ব্যবসায়ীদের বাড়ির গেট ও আশপাশের এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে। বাড়ির ভেতরে ব্যবসায়ীদের নথিপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি বয়ান রেকর্ড করছেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন হাবড়ায় চার জায়গায় যায় ইডির দল। দক্ষিণ হাবড়ার সুভাষ রোডে চাল ব্যবসায়ী রাজীব সাহা ও পার্থ সাহার বাড়িতেও হানা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।

    কেন চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডি

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় মূলত অভিযোগ উঠেছিল যে রেশনের সামগ্রীর কালোবাজারি করা হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার মতো অভিযোগও উঠেছে। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে এর আগেও রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি ও সিবিআই। মূলত রেশনের সামগ্রী খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা, কালোবাজারি এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে এখন চালের উৎস এবং তার লেনদেনের গতিপ্রকৃতি। ব্যবসায়ী সমীর চন্দ অনেকদিন ধরেই চাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে ইডি সূত্রে খবর। কোথা থেকে তিনি চাল কেনেন, কী দামে কেনেন, মান্ডিতে কী দামে যায় – এই সবকিছুই খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।

    রেশন দুর্নীতির সূত্র

    কোভিডকালে ১৭১ ট্রাক গম ধরা পড়েছিল তার রেশ ধরেই নতুন করে তদন্তে গতি এসেছে। অভিযোগ, পাচার করা হচ্ছিল ৫ হাজার টনের বেশি গম। সেই সময় শুল্ক দফতর প্রত্যেকটি ট্রাককে আটক করে। পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তভার নেয় ইডি। সূত্রের খবর, ওই সময় ধরা পড়ে প্রায় ১৬ কোটি টাকার গম। অভিযোগ এফসিআই থেকে যে গম পাঠানো হয় সেই গম হিসাবে কারচুপি করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বাংলাদেশে। ওই কেসে এক্সপোর্টার হিসাবে যাঁদের নাম উঠে এসেছিল তাতেই এই চার ব্যক্তির নাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। পুরো কাণ্ডে প্রত্যেকেই মোটা টাকা কামিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই এক্সপোর্টারদের চিহ্নিত করেই তাঁদের বাড়ি অফিস, বিভিন্ন সংস্থায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

    জ্যোতিপ্রিয়-যোগ, ১৭ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    আগামী ২৯ এপ্রিল হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানোয় আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েই এই এই গম এক্সপোর্টের জল গড়িয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। ফলে ভোটের মুখে ফের এই কেসের তদন্ত যে বিশেষভাবে তাৎপর্যন্তপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন কলকাতা এবং বর্ধমানের কিছু জায়গাতেও ইডি গিয়েছে। সব মিলিয়ে অন্তত ন’টি জায়গায় শনিবার সকাল থেকে তল্লাশি চলছে বলে খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতি মামলার সূত্রে এই তল্লাশি অভিযান। আর্থিক তছরুপের সূত্রেই চাল ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ভোরে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডি-র একাধিক দল রওনা দেয়। ৯ ব্যবসীয়র বাড়ি ছাড়াও একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অফিস, সংস্থা সহ মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

  • Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চলা তীব্র তাপপ্রবাহ (Weather Update) এবং রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের মাঝে অবশেষে স্বস্তির খবর শোনালো আবহাওয়া দফতর। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে-র সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের মূল ভূখণ্ডে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা (Early Monsoon 2026) স্বাভাবিক সময়ের কিছুটা আগেই প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের বায়ুমন্ডলীয় পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনই এই আগাম বৃষ্টির প্রধান কারণ হতে চলেছে।

    এল নিনোর বিদায় ও লা নিনার আগমন (Early Monsoon 2026)

    ২০২৫ সাল এবং ২০২৬-এর শুরুর দিকে এল নিনোর (El Niño) প্রভাবে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় শুষ্ক আবহাওয়া এবং চরম গরম লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিখ্যাত আবহাওয়াবিদ্যা (Weather Update)  সংস্থা ইসিএমডব্লুএফ (ECMWF) এবং ভারতের মৌসম ভবন (IMD) জানাচ্ছে, বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি স্তিমিত হয়ে আসছে এবং সেখানে ‘লা নিনা’ (La Niña) দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    সাধারণত লা নিনা ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) এবং তুলনামূলক শীতল আবহাওয়ার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে কৃষিপ্রধান এই দেশে খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে ভালো ফলনের আশা দেখা দিচ্ছে বলে গবেষকদের বিশেষমত।

    কেরালায় বর্ষার আগাম পদধ্বনি

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত ১ জুন কেরালায় বর্ষা (Early Monsoon 2026) প্রবেশের যে নির্ধারিত সময় থাকে, ২০২৬ সালে তা মে মাসের শেষ সপ্তাহেই অর্থাৎ সম্ভবত ২২ থেকে ২৫ মের মধ্যে ঘটে যেতে পারে। মৌসুমি বায়ু (Weather Update) যদি আন্দামান সাগরে সময়মতো সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে তার প্রভাবে মে মাসের শেষ দিকেই কেরালার উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বর্ষণ শুরু হবে।

    আইওডি (IOD) বা ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোলের প্রভাব

    কেবল লা নিনা নয়, ভারত মহাসাগরের নিজস্ব আবহাওয়া পরিবর্তন বা ‘ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল’ (IOD) পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি আইওডি ইতিবাচক থাকে, তবে তা মৌসুমি বায়ুকে (Weather Update) আরও শক্তিশালী করে তোলে। এর ফলে দেশের মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

     আইওডিও দফতরের আবহবিজ্ঞানী দেবেন্দ্র  ত্রিপাঠী বলেছেন,যখন ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশ পূর্বাঞ্চলের চেয়ে উষ্ণতর থাকে, তখন একটি ধনাত্মক আইওডি ভারতীয় উপমহাদেশের দিকে অধিক আর্দ্রতা নিয়ে আসে, যা সাধারণত মৌসুমি বায়ুকে শক্তিশালী করে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ঘটায়; অপরদিকে একটি ঋণাত্মক আইওডি মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়।

    বর্ষার আগমনের কাছাকাছি সময়ে, ভারত মহাসাগরীয় অপর প্রান্তভাগ (আইওডি) বর্ষার অনুকূলে থাকার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া তাপপ্রবাহের বিষয়টিও রয়েছে, যা মোকাবেলা করা প্রয়োজন। বছরের এই শুরুতে ভারত যে তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভব করছে, তা আসন্ন বর্ষা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    যখন তাপ উপরে ওঠে, তখন ভারত মহাসাগর থেকে আসা মৌসুমি বায়ু, যা সাধারণত আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তা আরও অনেক আগেই উপরে উঠতে পারে।

    সুতরাং, মে মাসের শেষের দিকে বায়ুমণ্ডল বা সমুদ্রে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তার কোনও পরিবর্তন না হলে, প্রায় ২৫ মে নাগাদ বর্ষা আসার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত যা মনে হচ্ছে, এ বছরও আগেভাগে বর্ষা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    দাবদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি

    এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই ভারতের একাধিক রাজ্যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশে চরম তাপপ্রবাহ বা হিটওয়েভ চলছে। কিন্তু আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের মতে, প্রাক-বর্ষার (Early Monsoon 2026)  বৃষ্টি যদি মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়, তবে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশের অধিকাংশ অংশ এই অসহনীয় গরম থেকে মুক্তি পাবে।

    কৃষি ও অর্থনীতিতে প্রভাব

    ভারতের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো বর্ষার ওপর নির্ভরশীল। আগাম বর্ষা মানেই কৃষকদের জন্য ধান এবং অন্যান্য খারিফ শস্য চাষের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া। গত বছরের ঘাটতি মেটাতে এই আগাম এবং স্বাভাবিক বৃষ্টি (Early Monsoon 2026) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। জলাধারগুলিতে জলের স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পানীয় জলের সংকটও অনেকাংশে কমবে বলে মনে কড়া হচ্ছে।

    আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস

    তবে আগাম বর্ষার খুশির খবরের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা সতর্কও করেছেন। হঠাৎ করে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে হড়পা বান বা বজ্রপাতের (Weather Update) আশঙ্কাও বেড়ে যায়। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল এবং উপকূলীয় এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় যখন গরমে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের, তখন ২০২৬ সালের এই সম্ভাব্য আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস। প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের এই যুগলবন্দী যদি সঠিক পথে চলে, তবে ভারতবাসী এ বছর এক মনোরম বর্ষাকাল (Early Monsoon 2026) উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আবহবিজ্ঞানীরা।

  • Assembly Election 2026: ‘‘বাংলা থেকে মমতা দিদি ধুয়ে মুছে সাফ হবে’’, হিঙ্গলগঞ্জ থেকে শাহী হুঙ্কার

    Assembly Election 2026: ‘‘বাংলা থেকে মমতা দিদি ধুয়ে মুছে সাফ হবে’’, হিঙ্গলগঞ্জ থেকে শাহী হুঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফার ১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। হিঙ্গলগঞ্জের সভায় এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সুন্দরবনের এই সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূল ও মমতাদির খেলা শেষ হতে চলেছে। কাল ভোট হয়েছে। সেই ১৫২ আসনের মধ্যে ১১০টি জিতবে বিজেপি।’’ তাঁর সাফ কথা, ‘‘এবার মমতা দিদি আর তৃণমূল দুই-ই বাংলা থেকে ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে যাবে।’’

    পশ্চিমবঙ্গে গুন্ডারাজ শেষ হবেই

    হিঙ্গলগঞ্জের সভা থেকে শাহ বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে গুন্ডারাজ শেষ হবেই। আরজি করের নির্যাতিতার মা এবং সন্দেশখালিতে অত্যাচারিত রেখা পাত্রকে আমরা টিকিট দিয়েছি। তাঁদের বিধানসভায় পাঠিয়ে গুন্ডাদের শিক্ষা দেওয়া হবে।’’ গরু পাচার নিয়ে শাহ বলেন, ‘‘ভাইপোর আশীর্বাদে সারা বাংলায় গরু পাচার বেড়ে গিয়েছে। গরু পাচারকারীরা সাবধান হয়ে যান। ৫ তারিখের পর কেউ গরু পাচারের চেষ্টা করলে জেলে ঢোকানো হবে। আর আপনাদের কাটমানির নামে ভাইপো ট্যাক্স দিতে হবে না।’’ নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বেকার যুবকদের শাহ বলেন, ‘‘মমতাদি এবং তৃণমূলের নেতারা ২৬ হাজার যুবকের নিয়োগের জন্য ২০০ কোটি টাকা খেয়েছে, তা সব ফেরত দিতে হবে।’’

    কেন্দ্রের টাকা প্রসঙ্গে শাহ

    শাহ এদিন আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের ত্রাণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘মোদিজি সুন্দরবনের মানুষের জন্য হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু কাটমানি আর তোলাবাজির চক্করে সেই টাকা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।’’ সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, ‘‘বিজেপি সরকার গড়লেই সন্দেশখালির প্রতিটি অত্যাচারের ফাইল খোলা হবে এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’’ নির্বাচনী হিংসা ও ভোটদানের অধিকার নিয়ে শাহ এদিন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারত না। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘২৯ তারিখ ভোটের দিন মানুষ বাড়ির বাইরে বেরোলে যারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে, ৫ তারিখের পর তাদের উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।’’ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় আবেগকে উস্কে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, ‘‘বাংলার পবিত্র মাটিতে কোনোভাবেই বাবরি মসজিদ হতে দেব না।’’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, এবার বাংলায় বিজেপি ইতিহাস গড়তে চলেছে এবং ১৫ বছরের ‘কুশাসনের’ অবসান ঘটিয়ে সোনার বাংলা গড়ার পথে মানুষ ইতিমধ্যেই পা বাড়িয়েছেন। শুক্রবারও পশ্চিমবঙ্গে জোড়া জনসভা রয়েছে শাহর। বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ থেকে তিনি চলে যাবেন শ্রীরামপুরে। সেখানে জনসভা করবেন শাহ। তার পরে ব্যারাকপুরে রোড শো করবেন তিনি।

  • PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) পানিহাটির পর বারুইপুর থেকে জনসভা করছেন নরেন্দ্র মোদি। জোরকদমে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার। পানিহাটি থেকে আরজি করের নির্যাতিতার মাকে পাশে নিয়ে নারীসুরক্ষার বার্তা দিয়েছেন মোদি (PM Modi Election Rally)। বারুইপুরের সভা থেকেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। প্রধানমন্ত্রী পৌঁছতেই তাঁকে বারুইপুরের বিখ্যাত পেয়ারা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। মোদি বলেন, ‘‘আপনারা এত ক্ষণ রোদে অপেক্ষা করেছেন। আপনাদের এই তপস্যা বিফলে যেতে দেব না আমি। প্রতিদান দেব।’’

    সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) মোদি বলেন, ‘‘বাম্পার ভোটদান হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এমন দেখা যায়নি, যা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ করে দেখিয়েছেন। সর্বত্র এটা নিয়েই আলোচনা চলছে যে, বিজেপি কত ভোটে জিতবে। সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না। প্রথম দফা থেকে এটা নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফায় এই রেকর্ডও ভেঙে দিতে হবে। তৃণমূলের হারে সিলমোহর লাগাতে হবে।’’

    মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী তৃণমূল

    বারুইপুর থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গের পরিচিতি তছনছ করে দিয়েছে তৃণমূল। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার বাসিন্দাদের রোজগার ছিনিয়ে নিচ্ছেন। এখানকার যুবকদের নিজেদের ঘর ছেড়ে রোজগারের খোঁজে বাইরে পালাতে হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে, যখন তৃণমূল পুরোপুরি চলে যাবে আর বিজেপি আসবে।’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘সংসদে কী ভাবে তৃণমূল আর তার সঙ্গীরা মিলে মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করল, সকলে দেখেছেন। দেশ চায়, রাজনীতিতে মহিলাদের যোগদান বাড়ুক। তৃণমূল তা চায় না। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধীদের আইন সাজা দেবে। আমরা সেই সাজা দেওয়াব ক্ষমতায় এলে। তৃণমূল অপরাধীদের আড়াল করে। তৃণমূলের শাসনে মহিলারা সুরক্ষিত নন। বিজেপি সব কিছুর হিসাব নেবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

    একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally) সরব হয়েছেন সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে। তিনি বলেন,‘‘বালি, ইট, সিমেন্টে কাদের রাজত্ব চলে, তা সকলে জানেন। জমি অবৈধ ভাবে দখল করে নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট চলছে। সরকারের সহায়তা ছাড়া এটা চলতে পারে? কেউ নিজের জমিতে বাড়ি বানানোর চেষ্টা করলে তাঁদের সিন্ডিকেটের লোকজনকে টাকা দিতে হয়। এই পরিস্থিতি আমরা বদলাব।’’

    দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে যাদবপুরকে তোপ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দেওয়ালে দেশবিরোধী কথাবার্তা লেখা হচ্ছে। ছাত্রদের মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হচ্ছে। পড়াশোনা হচ্ছে না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে চাই। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকেন্দ্র বাঁচাতে পারে না, তারা রাজ্যকে কী বাঁচাবে?’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘বাংলায় বিপ্লব আসছে। তার মূলে এখানকার জনতাই রয়েছেন। ভারতের সংবিধান আপনাদের যে ভোটাধিকার দিয়েছে, তা-ই বিপ্লব আনতে সাহায্য করবে। আপনাদের সকলের কাছে তাই আমার বিনম্র আবেদন, বিজেপিকে জেতান। আপনারা আমাদের আশীর্বাদ করুন, আমরা আপনাদের স্বাধীনতা দেব। তৃণমূলের দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, নারীদের উপর অত্যাচার, বেকারত্ব থেকে স্বাধীনতা দেব।’’

    ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) উজ্জলা যোজনার গ্যাস নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন। তিনি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য তৃণমূল কিছুই করেনি। আমরা আপনাদের সেবা করব। ‘উজ্জ্বলা যোজনা’য় এই জেলায় আমরা ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি। ৩ লক্ষ গ্যাস তফসিলি জাতি, উপজাতি পেয়েছে। আরও অনেক সহায়তা করা হয়েছে। এই সম্প্রদায়ের জন্য কেন্দ্র অনেক প্রকল্প চালাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল নিজেও দলিতবিরোধী। কেন্দ্রের প্রকল্পেও বাধা দিচ্ছে। ৪ মে-র পর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। এই রাজ্যের দুর্দশাও দূর হয়ে যাবে। সকলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা পাবেন। পিএম, সিএম একsng, উন্নয়ন হবে দিনেরাতে।’’

LinkedIn
Share