Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Mahalaya 2026: ঢাকের বাদ্যি, ড্রোন শো, আতশবাজি! মহালয়ায় ইডেনে ৪৫হাজার দর্শকের সমাগম, কড়া নিরাপত্তা

    Mahalaya 2026: ঢাকের বাদ্যি, ড্রোন শো, আতশবাজি! মহালয়ায় ইডেনে ৪৫হাজার দর্শকের সমাগম, কড়া নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশ্বিনের শারদ প্রাতে রেডিওয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর স্তোত্রর। জানান দেয় পুজো এসেছে। শরতের শিউলি ফোটা ভোর শোনায় মহালয়ার সুর। বেজে ওঠে পুজোর দামামা। গঙ্গায় পিতৃতর্পণ সেরে সারাদিন চলে পুজোর কেনাকাটা। তবে, এবার মহালয়ার দিনটা একটু অন্যভাবে কাটতে চলেছে তিলোত্তমার। মহালয়ার সন্ধ্যা আরও মোহময় হয়ে উঠতে চলেছে ইডেন উদ্যানে রাজ্য সরকারের আয়োজিত মা দুর্গার আবাহনের অনুষ্ঠানে। সেখানে একছন্দে বাজবে তিন হাজার ঢাক। এক হাজার উলুধ্বনিতে মুখরিত হবে বাংলার আকাশ-বাতাস। শঙ্খধ্বনির আওয়াজ জানান দেবে, মা আসছে বাংলার ঘরে ঘরে। নাচে-গানে তিন হাজার ড্রোনের রঙিন আলোয় মাতৃ আবাহনের অভাবনীয় অভিনব দৃশ্যের সাক্ষী থাকবে গোটা বিশ্ব। ঢাকের বোল এবং শঙ্খের মিলিত ধ্বনি বিশ্বরেকর্ড গড়বে।

    ৪৫ হাজার দর্শকের সমাগম

    ১০ অক্টোবর ইডেন গার্ডেন্সে মহালয়া উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। দুর্গাপুজোর সূচনা উদ্‌যাপনে এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৪৫ হাজার দর্শকের সমাগম হতে পারে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রেড রোডে শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারেন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ভিড় সামলাতে টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের সময়কার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ধাঁচেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ। স্টেডিয়াম চত্বরে দুই স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি রেড রোডে শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে আরও প্রায় ১৫ হাজার মানুষের জমায়েত হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেখানেও পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিবের নেতৃত্বে একটি সমন্বয় বৈঠক হয়। সেখানে কলকাতা পুলিশ, কলকাতা পুরসভা, রাজ্যের পূর্ত দফতর-সহ একাধিক বিভাগের আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় এবং দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, স্টেডিয়ামের আশপাশে বিশেষ বাহিনী ও কুইক রেসপন্স টিম মোতায়েন থাকবে। দর্শকদের প্রবেশ, বেরিয়ে আসা এবং গোটা সন্ধ্যায় ভিড়ের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজর রাখা হবে।

    অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ

    বাংলার সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উৎসব দুর্গাপুজোর সূচনা উপলক্ষে মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে সাজানো হবে এই অনুষ্ঠান। ঢাকের বাদ্যি, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, থ্রিডি প্রজেকশন ম্যাপিং, ড্রোন শো এবং আতশবাজির প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে। প্রায় চার ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক দর্শকের সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ১০ হাজার ঢাকি এবং এক হাজার মহিলা এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন। বাংলার বিভিন্ন জেলার নিজস্ব নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও তুলে ধরা হবে।

    রেড রোডে বিকেল ৪টেয় শোভাযাত্রা

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, রেড রোডে অনুষ্ঠান বিকেল ৪টে নাগাদ শুরু হবে। অনুষ্ঠানটি প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট চলার কথা। এরপর ইডেন গার্ডেন্সে মূল অনুষ্ঠান চলবে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা। শনিবার আলোকোজ্জ্বল রেড রোড ধরে খোলা জিপে ইডেনের উদ্দেশে রওনা হবেন মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল আর এন রবি। রাস্তার পাশে একেকটি জেলার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, শিল্পকলা ও সেখানকার সংগীত-নৃত্য তুলে ধরতে সাজানো হয়েছে স্টেজ। রেড রোড হয়ে সেই শোভাযাত্রা যাবে ইডেনে। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি থাকবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন শো থেকে থ্রি ডি প্রজেকশন ম্যাপিং শো। তাতে ফুটে উঠবে মা দুর্গার আবাহন।

    ইডেন থেকে বুর্জ খলিফায়

    এই অনুষ্ঠান ইডেন থেকে পৌঁছে যাবে প্রবাসেও। দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা, আমেরিকার বস্টন এবং নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারের একসঙ্গে এই অনুষ্ঠান দেখতে পাবেন সেখানকার মানুষও। কলকাতার মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গেই জেলায় জেলায় শুরু হয়ে যাবে উৎসব। শুক্রবার পর্যন্ত যে তালিকা রয়েছে তাতে ঠিক আছে, ইডেনে আজকের অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন শান, লগ্নজিতা, কৌশিকী চক্রবর্তী, অন্তরা মিত্র। থাকবে বাংলা ব্যান্ড দোহার এবং শান্তনু মৈত্র ও তাঁর গ্রুপ। এছাড়াও যন্ত্রসঙ্গীতে দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্যরা।

    যান চলাচলে বিধিনিষেধ

    ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ময়দান এলাকায় একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে। কিংসওয়ে দিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। রেড রোডেও একই ধরনের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। শহরের বাস পরিষেবার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করা হবে। ট্রাফিক পুলিশ চৌরঙ্গি রোড দিয়ে বাসের গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা ব্যক্তিগত গাড়ি ও ভাড়া করা গাড়ির পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। আইপিএলের ম্যাচের দিনের পার্কিং ব্যবস্থার ধাঁচে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। স্ট্র্যান্ড রোড সংলগ্ন এলাকাতেও গাড়ি রাখার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আমন্ত্রণপত্র থাকলেই ইডেনে প্রবেশ

    মহালয়া উপলক্ষে কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। রেড রোডের শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার নিজস্ব নৃত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। এই শোভাযাত্রা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে ইডেন গার্ডেন্সের মূল অনুষ্ঠানে প্রবেশের ক্ষেত্রে আমন্ত্রণপত্র বাধ্যতামূলক থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা, যান নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, শৌচাগার এবং পরিচ্ছন্নতার মতো একাধিক বিষয়ে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন।

    ড্রোন দিয়ে আকাশপথে নজরদারি

    গঙ্গার দুই পাড়কেও উৎসবের রঙে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ রয়েছে। থাকছে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিভিন্ন শিল্পী ও ব্যান্ডের পরিবেশনার পাশাপাশি থাকছে গঙ্গা আরতি। এদিকে, ইডেনের এই মেগা অনুষ্ঠানের জন্য স্ট্যান্ড রোড-সহ একাধিক রাস্তায় পণ্যবাহী যান চলাচল বন্ধ। কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্ট্র্যান্ড রোড, সেন্ট জর্জেস গেট রোডে রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যে কোনও পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকছে। শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ জারি থাকছে। তবে জরুরি পরিষেবা দেওয়া পণ্যবাহী যানগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিটি রোড, খগেন চ্যাটার্জি রোড, কাশীপুর রোড, স্ট্র্যান্ড ব্যাঙ্ক রোড, রবীন্দ্র সরণি (কেভিভি অ্যাভিনিউ থেকে বি কে পাল অ্যাভিনিউ পর্যন্ত), শোভাবাজার স্ট্রিট, নিমতলা ঘাট স্ট্রিটও বন্ধ রাখা হচ্ছে। বাবুঘাট রুটের বাসগুলি হেয়ার স্ট্রিট এবং স্ট্র্যান্ড রোডের ক্রসিংয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। মহালয়া উপলক্ষে শহরে ১৫০০ পুলিশ মোতায়েন থাকছে। জলপথ, সড়কপথে নজরদারি চলছে। ড্রোন দিয়ে আকাশপথেও নজরদারি চলছে।

     

     

     

     

     

  • Rain in Durga Puja: মহালয়াতেও ঝড়বৃষ্টি কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যে! পুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কী বলছে হাওয়া-অফিস?

    Rain in Durga Puja: মহালয়াতেও ঝড়বৃষ্টি কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যে! পুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কী বলছে হাওয়া-অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আমেজে মেতে উঠছে বাংলা। এর মধ্যেই আবহাওয়ার মতি গতি নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। ভোরের দিকে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে পারে পরিস্থিতি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির (Rain in Durga Puja) সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। কয়েকটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। ফলে মহালয়ার দিন বাইরে বেরোনোর পরিকল্পনা থাকলে আবহাওয়ার দিকে নজর রাখা জরুরি।

    বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সম্ভাবনা

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, থাইল্যান্ড উপসাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। আগামী ১১ অক্টোবর নাগাদ আন্দামান সাগরের উপর আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে আগামী ১৩ অক্টোবর নাগাদ একটি নিম্নচাপ এলাকা তৈরি হতে পারে। এর জেরে পরবর্তী সময়ে বাংলার আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তর বাংলাদেশ ও সংলগ্ন অঞ্চলে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। পাশাপাশি পশ্চিম অসম থেকে উত্তর বাংলাদেশ, উপ-হিমালয় পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ের উপর দিয়ে তেলঙ্গানা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যদিও আপাতত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনার কথা জানানো হয়নি।

    দুর্গাপুজোতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা

    দুর্গাপুজোতেও (Durga Puja 2026) বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই মিলছে না। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিল, অষ্টমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। ভিজবে কলকাতাও। নবমী থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। দুর্গাপুজোর বিশেষ বুলেটিন শুক্রবার বিকেলে প্রকাশ করেছে হাওয়া অফিস। মহালয়া থেকে একাদশী পর্যন্ত কবে আবহাওয়া কেমন থাকবে, কোথায় কোথায় বৃষ্টি হতে পারে, বিশদ জানানো হয়েছে ওই বুলেটিনে। এ বার পুজোয় সপ্তমী দু’দিন।

    পঞ্চমী, ষষ্ঠী, প্রথম সপ্তমী (১৫ থেকে ১৭ অক্টোবর)— কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণের বাকি জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    দ্বিতীয় সপ্তমী, অষ্টমী (১৮ এবং ১৯ অক্টোবর)— দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    নবমী, দশমী, একাদশী (২০ থেকে ২২ অক্টোবর)— দক্ষিণবঙ্গে মোটের উপর শুকনো আবহাওয়া। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

     

     

     

     

     

  • Mahalaya 2026: মহালয়ার দিন পিতৃ তর্পণ করেছিলেন শ্রীরাম! জানেন দুর্গাপুজোর আগে কী মাহাত্ম্য এই বিশেষ দিনের?

    Mahalaya 2026: মহালয়ার দিন পিতৃ তর্পণ করেছিলেন শ্রীরাম! জানেন দুর্গাপুজোর আগে কী মাহাত্ম্য এই বিশেষ দিনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গেল। মহালয়ার ভোর থেকেই চলে উমার মর্তে আগমনের প্রতীক্ষা। হিন্দু ধর্মে এই দিনটি অত্যন্ত তাত্‍পর্যপূর্ণ। মহালয়াতে পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় শারদীয়া নবরাত্রি পালন। নয় রাত ধরে দেবীর নয়টি আলাদা আলাদা রূপের পুজো চলে। বাঙালিদের কাছে মহালয়ার (Mahalaya) বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মনে করা হয়, মহালয়াতেই মহিষাসুরকে বধ করার জন্য পার্বতীর কাছে প্রার্থনা করা হয়। দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনের ভোরে রেডিয়োতে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের (Birendra Krishna Bhadra) মহিষাসুরমর্দিনী শোনা বাঙালি সমাজের একটি প্রচলিত রেওয়াজ। মহিষাসুরমর্দিনী শুনেই যেন শুরু হয়ে যায় বাঙালির দুর্গোত্‍সব।

    সর্বপিতৃ অমাবস্যা, পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ

    পিতৃপক্ষের অমাবস্যায় পালিত হয় মহালয়া। এদিন প্রয়াত পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ শ্রাদ্ধ করা হয় বলে একে সর্বপিতৃ অমাবস্যাও বলা হয়। এদিন সেই সমস্ত পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে শ্রাদ্ধ করা হয় যাঁদের মৃত্যুর তিথি জানা নেই বা কোনও কারণে কোনও পূর্ব পুরুষের শ্রাদ্ধ না-করলে এই তিথিতে তাঁদের শ্রাদ্ধ করবেন। মহালয়ার দিনে শ্রাদ্ধ করলে পূর্বপুরুষরা মুক্তি লাভ করেন। বিশ্বাস করা হয় যে পিতৃপক্ষে শ্রাদ্ধ শান্তি ও তর্পণ করলে পূর্ব পুরুষেরা খুশি হন এবং আশীর্বাদ করেন। তাঁদের কৃপায় জীবনের অনেক বাধা দূর হয়। জীবনের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা থেকেও মুক্তি মেলে। পিতৃপক্ষের শ্রাদ্ধ ও তর্পণের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এজন্যেই দেবীপক্ষ শুরুর আগে পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করা হয়।

    মহালয়ার নানা আখ্যান

    দেবরাজ ইন্দ্রের অনুসারে মহালয়া: পুরাণ মতে, দেবরাজ ইন্দ্রকে ১৬ দিনের জন্য মর্তে গিয়ে তর্পণ করতে পাঠান যমরাজ। আর এই ১৬ দিনই পিতৃপক্ষ নামে পরিচিত হয় এবং সেই সময় থেকেই মহালয়ার দিন এবং তার আগে ১৫ দিন পিতৃপুরুষদের জলদান করা হয়।

    রামায়ণ অনুসারে মহালয়া: শাস্ত্রের নিয়মানুসারে, অকালে কোনও পুজো করলে ইষ্ট দেবতা ও প্রয়াত পিতা -মাতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তর্পণ করতে হয়। শ্রী রামচন্দ্র, দেবী দুর্গার অকাল বোধন করেছিলেন। আর নিয়ম মেনে তাঁকেও পুজোর আগে পিতৃপুরুষকে জলদান করতে হয়েছিল। কথিত আছে রামচন্দ্র, মহালয়ার দিন পিতৃ তর্পণ করেছিলেন। আর সেই থেকেই শুরু হয় এই রীতির।

    মহাভারত অনুসারে মহালয়া : কথিত আছে, স্বর্গে বসবাস করার সময় কর্ণের আত্মাকে খাবার হিসাবে শুধু সোনা ও রত্ন দেওয়া হয়। কারণ দাতা হিসাবে তিনি কখনও পিতৃপুরুষকে জল -খাবার দেননি, সকলকে সোনা -রত্ন দান করেছেন। আসলে কর্ণ, প্রথমে তাঁর পিতৃ পরিচয় জানতেন না। যুদ্ধের আগের রাতে কুন্তীর থেকে সে জানতে পারে সকল সত্যি। এরপরই ভুল সংশোধন করতে তর্পণের পরামর্শ আসে।

    প্রকৃতিতে আগমনীর সুর

    দুর্গাপুজো যেমন সব বাঙালির প্রাণের উত্‍সব, তেমনই বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে আছে মহালয়া। কারণ বাঙালিদের কাছে মহালয়া প্রয়াত পিতৃপুরুষকে জল দিয়ে তুষ্ট করার পাশাপাশি দেবীকে আবাহন করার দিন। সাধারণত মহালয়ার দিনই প্রতিমাশিল্পীরা দেবী দুর্গার চক্ষুদান করে থাকেন। এখানে উমা বাঙালির ঘরের মেয়ে, এক বছর পর তিনি বাপের বাড়ি ফিরছেন। সেই আনন্দে মেতে ওঠে সবাই। আগমনীর সুর বেজে ওঠে প্রকৃতিতেও। মহালয়া থেকে যে দেবীপক্ষের সূচনা হয়, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর মাধ্যমে তার অবসান হয়।

     

     

     

     

     

  • Nandigram-Rejinagar By-Election: রেকর্ড গড়ে নন্দীগ্রামে ১,২২, ৭৫৩ ভোটে জয়ী হাসিরানি রথ, ৭৪ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত রেজিনগরেও জিতল বিজেপি

    Nandigram-Rejinagar By-Election: রেকর্ড গড়ে নন্দীগ্রামে ১,২২, ৭৫৩ ভোটে জয়ী হাসিরানি রথ, ৭৪ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত রেজিনগরেও জিতল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা উপ নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে (Nandigram-Rejinagar By-Election) রেকর্ড মার্জিনে জয় বিজেপির। ১৫ রাউন্ড গণনার শেষে নন্দীগ্রামে ১,২২৭৫৩ ভোটে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। ১৫ রাউন্ডের শেষে রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৭৫,৭৪৮ ভোটে জয়ী হয়েছেন। উপনির্বাচনের ফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “দুই কেন্দ্রেই রাষ্ট্রবাদী শক্তি জিতেছে। সংখ্যালঘুরাও সরকারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নিয়েছেন।” নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগর, উভয় কেন্দ্রেই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের বহু যোজন পেছনে ফেলে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা।

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দুকেও পিছনে ফেললেন হাসিরানি

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর রেকর্ড ভাঙলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। উপ নির্বাচনে ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের মার্জিনে জয়ী হলেন হাসিরানি। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ৮১ হাজারের বেশি ভোটের মার্জিনে জিতেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রাম থেকেও ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। দু’টি কেন্দ্রেই জেতেন তিনি। পরে ভবানীপুর রেখে নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। রেজিনগরেও অনুরূপ ঘটনা ঘটে। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ওই কেন্দ্রের পাশাপাশি লড়েছিলেন নওদা থেকেও। নওদা নিজের হাতে রেখে তিনি রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন । ফলে নির্বাচন কমিশনকে এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের আয়োজন করতে হয়।

    রেজিনগরেও রেকর্ড

    ৭৪ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত রেজিনগরেও জিতল বিজেপি, ব্যবধান ৭৫ হাজার। গত ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই কেন্দ্রে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার উপনির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রায় ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগর কেন্দ্রে প্রায় ৭৮.৪২ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। রেজিনগরের ফল ঘোষণার পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্ন থেকে বললেন, ”রেজিনগরে এত বড় জয় আসত না, যদি সংখ্যালঘুরা আমাদের সঙ্গে না থাকতেন । সংখ্যালঘুদের নামে যে মিথ্যাচার করা হয়েছিল, তাকে আমল না দিয়ে সঙ্গে থেকেছেন সংখ্যালঘুরা । বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাঁরা”। তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ সালে কংগ্রেসের সময়ে নির্বাচনে যে দৃশ্য দেখা গেছিল , তার কোনওটাই এই নির্বাচনে দেখা যায়নি। এখন রাজ্যে এখন ভয়মুক্ত, ভরসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সংখ্যালঘুরা সরকারের সঙ্গে থাকতে চায়। তাই তাঁরা বিজেপিতে ভোট দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংখ্যালঘুদের ডিটেনশন সেন্টারের যে ভয় দেখানো হয়েছিল। তা মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর কথায়, ”বাংলার মানুষ আর পচা শামুকে পা কাটতে চান না”। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রেজিনগরের সংখ্যালঘুরা বিজেপির সঙ্গে আছেন।

    সংখ্যালঘুরা সাড়া দিয়েছেন,বললেন শুভেন্দু

    আজ যখন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে, তখন কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ফ্রেন্ডশিপ বানালিয়া’। এবিভিপি-র একটি অনুষ্ঠানে এদিন আরজি কর হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রবেশ করার সময় দুই আঙুলে জয়ের চিহ্ন দেখান তিনি। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে যেভাবে সংখ্যালঘু ভোট বিজেপির দিকে এসেছে, সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘ফ্রেন্ডশিপ বানালিয়া’, সংখ্যালঘুদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ফেলেছি। উপনির্বাচনের ভোটপ্রচারে গিয়ে সংখ্যালঘুদের বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের ফল প্রকাশ হতেই সেই বন্ধুত্বের ছবি স্পষ্ট। সংখ্যালঘুরা আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে এমনটাই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী। করজোড়ে সংখ্যালঘুদের ধন্যবাদ জানালেন তিনি। বলেন, “সরকারের বন্ধুত্বের হাত ধরেছেন সংখ্যালঘুরা, সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে বন্ধুত্ব করতে চান, আমি খুশি”।

    সংখ্যালঘু ফ্যাক্টর

    উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ” ভারতীয় জনতা পার্টিকে জিতিয়েছিলেন ফলতার মানুষ। তারপর দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন ছিল। এই উপনির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে হাসিরানি রথ বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়যুক্ত হয়েছেন।” সংখ্যালঘু ভোট প্রসঙ্গে বলেন, “২০২১ সালের পর প্রথম নন্দীগ্রামের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ৬০টি বুথে ভারতীয় জনতা পার্টি লিড নিয়েছে। আমরা সরকারের সঙ্গে থেকে থেকে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল হওয়ার যে আবেদন করেছিলাম, তা গ্রহণ করেছেন। রেজিনগর কেন্দ্রেও ঠিক একইভাবে চূড়ান্ত ফল প্রায় এসে গিয়েছে। শাখারভ সরকারকে জনতা আশীর্বাদ করেছেন। আমার যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, নির্বাচন বিধি প্রত্যাহার হয়নি, তাই যেতে পারিনি। কারণ নির্বাচনী বিধি থাকলে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারি না। তাই এখান থেকে রেজিনগরের ভোটারদের প্রণাম করছি।” বাংলার যে কোনও নির্বাচনেই সংখ্যালঘু ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। ২০২৬ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বড় জয় পেয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করে, যেখানে তাদের ভোটব্যাংকে বড় ধরনের মেরুকরণ ও পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। উপনির্বাচনের আগে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে বার্তা দিয়ে তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সরকারের সঙ্গে থাকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়ন তথা ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের পক্ষ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, “সংখ্যালঘু ভোটারদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ এবং তাদের প্রধানমন্ত্রী মোদীর উন্নয়নের ধারায় সামিল হতে হবে।” তাতে সাড়াও মিলল।

     

     

     

     

  • Flydubai Terror Attack: বীরত্বের স্বীকৃতি, ইজরায়েলের সর্বোচ্চ অসামরিক সাহসিকতা পুরস্কার পাচ্ছেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছর

    Flydubai Terror Attack: বীরত্বের স্বীকৃতি, ইজরায়েলের সর্বোচ্চ অসামরিক সাহসিকতা পুরস্কার পাচ্ছেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ আকাশে বিমান ছিনতাই ও দুর্ঘটনার চেষ্টা রুখে দেওয়ার সাহসিকতার জন্য ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছরকে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করতে চলেছে ইজরায়েল। তাঁকে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ড ফর সিভিলিয়ান হিরোইজম’ বা অসামরিক বীরত্বের জন্য রাষ্ট্রপতির পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। ইজরায়েলের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন ছয় ইজরায়েলি যাত্রী। বৃহস্পতিবার তাঁদের হাতে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল ফর সিভিলিয়ান হিরোইজম’ তুলে দেন প্রেসিডেন্ট হারজগ। সেই অনুষ্ঠানেই ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছরের সাহসিকতার প্রশংসা করেন তিনি।

    ভারতীয় পাইলটের সাহসিকতার প্রশংসা

    হারজগ বলেন, ক্যাপ্টেন মাচ্ছর যাতে দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন, সেই কামনা করছেন তাঁরা। তাঁর কথায়, “ক্যাপ্টেন মাচ্ছরের অসামান্য সাহস, বীরত্ব এবং পেশাদারিত্ব এক ভয়াবহ বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে ইজরায়েলের জনগণের পক্ষ থেকে তাঁকে এই সম্মান প্রদান করা আমার কাছে গর্বের বিষয় হবে।” এই ঘটনায় সাহসিকতার পরিচয় দেওয়ার জন্য যে ছয় ইজরায়েলি নাগরিককে সম্মানিত করা হয়েছে, তাঁরা হলেন তালি মানেস, জভিকা মানেস, ইয়ানিভ হায়ুন, চিকিৎসক শোটা মুসায়েভ, আসাফ রাজুয়ান এবং অর পার্দিলভ।

    মাঝ আকাশে প্রাণঘাতী হামলা

    গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানে ঘটে যায় এক ভয়াবহ ঘটনা। অভিযোগ, বিমানের ওমানি সহ-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি ককপিটের ভিতরে ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছরের উপর কুড়ুল দিয়ে হামলা চালান। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল বিমানটিকে ভেঙে ফেলা। গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতির মোকাবিলা করেন ক্যাপ্টেন মাচ্ছর। তিনি ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এর পর যাত্রী এবং বিমানে থাকা কর্তব্যরত নন, এমন কয়েকজন ক্রু সদস্য ককপিটে ঢুকে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই সংঘর্ষের জেরে বিমানটি দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নামে বিমানটি। পরে ছিনতাই-সংক্রান্ত জরুরি সংকেত পাঠানো হয়। শেষ পর্যন্ত বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে নিয়ে গিয়ে জরুরি অবতরণ করানো হয়। বিমানে থাকা ১৮০ জন যাত্রী ও কর্মী নিরাপদে নেমে আসেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    আবুধাবির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাইলট

    বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছর। গুরুতর আঘাতের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। বুধবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, মাচ্ছরের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং চিকিৎসায় তিনি ভালো সাড়া দিচ্ছেন। তাঁর কথায়, “ক্যাপ্টেন মাচ্ছর আবুধাবির হাসপাতালে রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ভারতের দূতাবাস তাঁর পরিবার, চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।” এর আগে মঙ্গলবারও আবুধাবিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে তাঁর স্বাস্থ্যের বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ক্যাপ্টেন স্মিতের শারীরিক অবস্থার ধারাবাহিক উন্নতি হচ্ছে। তাঁর পরিবার, চিকিৎসক এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে দূতাবাস নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে।

    সাহসিকতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    মাঝ আকাশে প্রাণঘাতী হামলার মুখেও নিজের কর্তব্যে অবিচল থেকে বড়সড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছেন ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছর। তাঁর এই সাহসিকতাকে স্বীকৃতি জানিয়ে ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতির বিশেষ সম্মান প্রদানের ঘোষণা আন্তর্জাতিক মহলে তাঁর ভূমিকার গুরুত্ব আরও একবার তুলে ধরল। এখন সুস্থ হয়ে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছেন ক্যাপ্টেন মাচ্ছর। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকরা।

  • Durga Puja 2026: ষষ্ঠী থেকে দশমী শিয়ালদা-হাওড়া ডিভিশনে সারা রাত ট্রেন, বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    Durga Puja 2026: ষষ্ঠী থেকে দশমী শিয়ালদা-হাওড়া ডিভিশনে সারা রাত ট্রেন, বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোয় (Durga Puja 2026) যাঁরা রাত জেগে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য ভাল খবর নিয়ে এল পূর্ব রেল (Eastern Railway)। ষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত দর্শনার্থীদের অনায়াস যাতায়াত সুনিশ্চিত করতে এবং স্টেশনগুলির উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে একগুচ্ছ বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাওড়া ডিভিশন। শুধু দিনে বা সন্ধ্যায় নয়, রাতে ঠাকুর দেখে নিরাপদে বাড়ি ফেরার সুবিধার্থে বিশেষ নাইট লোকাল ট্রেনের পরিষেবাও রাখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি যাত্রীদের সুরক্ষার স্বার্থে স্টেশন প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা, অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার চালু করা এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত করার মতো একাধিক প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

    নাইট লোকাল পরিষেবা ও যাত্রী নিরাপত্তা

    রেল সূত্রে খবর, পুজোর দিনগুলিতে রাত ১১টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন পরিষেবা পাওয়া যাবে। পুজোর দিনগুলিতে একাধিক স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণাও করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বার শিয়ালদা ডিভিশনে স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা বেড়েছে। পুজোর আগে লালগোলা ডিভিশনের জন্য স্পেশাল ট্রেন দেওয়া হয়েছে। রয়েছে আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। শিয়ালদা স্টেশনে প্রফুল্ল দ্বার, নর্থ, মেন, সেন্ট্রাল ও সাউথ গেট দিয়ে ঢোকার ও বেরনোর নির্দিষ্ট ব্যবস্থা হয়েছে। একটি বিশেষ ২৪ ঘণ্টা ওয়ার রুম চালু থাকবে। সিসিটিভি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ চলবে। গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে স্ট্যান্ডবাই ট্রেন রেক, রিজার্ভ লোকো ক্রু, মেডিক্যাল বুথ, হেল্প ডেস্ক এবং মোবাইল মেইনটেন্যান্স টিম থাকছে। শিয়ালদা, বালিগঞ্জ ও দমদম স্টেশনে অতিরিক্ত শৌচাগার ব্লক তৈরি হয়েছে। শিয়ালদা ডিভিশনের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM) রাজীব সাক্সেনা বলেন, ‘দুর্গাপুজো বাংলার সবচেয়ে বড় উৎসব। প্রত্যেক দর্শনার্থীর জন্য নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকার। পুজোর সময়ে যাত্রীদের যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয়, তার জন্য আমাদের সব ফ্রন্টলাইন টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে।’

    কখন কখন চলবে বিশেষ ট্রেন

    ১৬-২১ অক্টোবর: মোট ৫১টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। গত বছর চলেছিল ৩১টি স্পেশাল ট্রেন। এগুলির মধ্যে যাত্রীদের সুবিধার জন্য মেন, নর্থ ও সাউথ সেকশনে ৩৮টি ওভারনাইট স্পেশাল এমু পরিষেবা চলবে। সন্ধ্যার সময়ে ১৩টি স্পেশাল ট্রেন চলবে।

    ১০-১৫ অক্টোবর: শিয়ালদা–লালগোলা সেকশনে প্রি-পুজো স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। এক্ষেত্রে চারটি স্পেশাল এমু ট্রেন চালানো হবে। পুজোর দিনে দুপুর ২টোর পর শহরতলির সব মেমু ও এমু ট্রেন সব স্টেশনে দাঁড়াবে। অর্থাৎ গ্যালোপিং ট্রেন থাকছে না।

    হাওড়া ডিভিশনেও বাড়তি নাইট পরিষেবা

    পুজো চলাকালীন হাওড়া স্টেশনে প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ লক্ষ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে আগাম আঁচ করছেন আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই হাওড়া ডিভিশনের ওপর দিয়ে মোট ২৫ জোড়া পুজো স্পেশাল ট্রেন চলাচল করছে। ১৭ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত মোট সাত জোড়া বিশেষ দূরপাল্লার ট্রেন যাতায়াত করবে। এর পাশাপাশি স্থানীয় যাত্রীদের কথা ভেবে সাত জোড়া বিশেষ ইএমইউ (EMU) লোকাল ট্রেন চালুর বন্দোবস্ত করা হয়েছে। বিশেষ নাইট লোকাল ট্রেনের পরিষেবাও রাখা হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষের আশা, এই সমস্ত অতিরিক্ত ট্রেনের দৌলতে উৎসবের দিনগুলিতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানো অনেক বেশি মসৃণ ও আরামদায়ক হবে। এছাড়া, যাত্রীদের সুরক্ষার স্বার্থে স্টেশন প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা, অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার চালু করা এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত করার মতো একাধিক প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

  • Suvendu Adhikari: ভয়ঙ্কর অবস্থা ভুতনির! বন্যা-ভাঙন রোধে কেন্দ্রের কাছে ৩৩০০ কোটির প্রকল্পের প্রস্তাব শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ভয়ঙ্কর অবস্থা ভুতনির! বন্যা-ভাঙন রোধে কেন্দ্রের কাছে ৩৩০০ কোটির প্রকল্পের প্রস্তাব শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার মানিকচকের ভুতনি ও সংলগ্ন এলাকার ভয়ংকর বন্যা (Malda flood)এবং নদী ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আশ্বাস দিলেন আর এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না। ভাঙন ও বন্যা রোধে ৩৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প কেন্দ্রকে পাঠানো হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার কপ্টারে ভুতনি এবং রতুয়ার গঙ্গার ভাঙ্গন ও বন্যা পরিস্থিতির খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরে মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর বিএসএস হাইস্কুল মাঠে এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক তুলে দেন। প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী এই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন।

    ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা

    ভুতনির এই ধংসলীলা দেখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রায় ১,৪০০ মিটার বাঁধ গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। বিগত দিনে বাম ও তৃণমূল সরকার ভুতনিকে বাঁচাতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। তবে এবার দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ কাটাতে স্থায়ী সমাধানের পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মথুরাপুর বিএসএস হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক সরকারি অনুষ্ঠানে সভা মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, বন্যা ও ভাঙনে সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকদের ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্তদের ৯০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। এই আর্থিক অনুদানের পাশাপাশি আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষে দুর্গতদের নতুন পোশাক, মশারি, ত্রিপল ও ৫ দিনের রেশন সামগ্রী প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রায় ২৪২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন মানিকচক ব্লকের ভুতনি, ইংরেজবাজার ব্লকের মিল্কি, খাসকোল এবং রতুয়া ১ ব্লকের বিলাইমারি ও মহানন্দাটোলা এলাকার প্রায় ২৪,৫৯৫টি বানভাসি পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু, জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর, পুলিশ সুপার অনুপম সিং সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা।

    ভুতনি বন্যা ও ভাঙন ঠেকাতে পদক্ষেপ

    এ দিন শুভেন্দু বলেন, ‘ভুতনির প্রায় ১,৪০০ মিটার বাঁধ উড়ে গিয়েছে। যার ফলে লক্ষাধিক মানুষকে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। ইতিমধ্যে কানপুরের আইআইটি বিশেষজ্ঞরা ভুতনির বন্যা ও ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী সমাধানের জন্য তদারকি করে গিয়েছেন। আশা করছি এই সমস্যা আগামী দিনে আর হবে না।’ তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ৩৩০০ কোটি টাকার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্র ৫০০ কোটি টাকার অনুমোদন করেছে। এর পাশাপাশি রাজ্যে ১২৪৮ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে নতুন করে এক লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

  • Bhagwat-Suvendu Meeting: বর্ধমানে মোহন ভাগবতের সঙ্গে বৈঠক শুভেন্দুর, এক ঘণ্টায় নানা বিষয়ে আলোচনা

    Bhagwat-Suvendu Meeting: বর্ধমানে মোহন ভাগবতের সঙ্গে বৈঠক শুভেন্দুর, এক ঘণ্টায় নানা বিষয়ে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)-এর সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পশ্চিমবঙ্গে সংগঠনকে মজবুত করতে তিন দিনের রাজ্য সফরে এসেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। বৃহস্পতিবার থেকে বর্ধমানের উল্লাসের মধ্যবঙ্গ প্রান্ত কার্যালয়ে শুরু হয়েছে সাংগঠনিক ‘একত্রীকরণ’ কর্মসূচি ও সাংগঠনিক বৈঠক। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গে আরএসএসের বিস্তার কেমন, শাখার সংখ্যা বাড়ছে কি না, মূলত সেটাই বুঝতে চাইছেন ভাগবত।

    নানা বিষয়ে আলোচনা ভাগবত-শুভেন্দুর

    বৃহস্পতিবার, রাতে বর্ধমানের আরএসএস কার্যালয়ে গিয়ে মোহন ভাগবতের সঙ্গে বৈঠক করেন শুভেন্দু। প্রায় এক ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয় দু’জনের। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের গত পাঁচ মাসের কাজকর্ম থেকে শুরু করে সাংগঠনিক বিষয়, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর গত পাঁচ মাসে কী কী গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য মোহন ভাগবতের সামনে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে পাশাপাশি, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর আরএসএস-এর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়। যাঁরা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়েও কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে বৈঠক সেরে রাত ৯টার পর বর্ধমান থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ, দুর্গাপুজো থেকে সংখ্যালঘু প্রসঙ্গ

    শুধু সাংগঠনিক বিষয় নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কলকাতার পাশাপাশি জেলার দুর্গাপুজোগুলিকেও আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। এছাড়া, রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে বলে সূত্রের খবর। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগের প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে গীতা পাঠের কর্মসূচি রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য মোহন ভাগবতকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    সেবামূলক কর্মসূচির উপর জোর

    এদিন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গেও মত বিনিময় করেন ভাগবত। সূত্রের দাবি, রাজ্যে সেবামূলক কর্মসূচির সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন মোহন ভাগবত। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে সমাজসেবামূলক কাজের উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার উল্লাসের প্রান্ত কার্যালয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পরে বিকেলে বর্ধমান মডেল স্কুলেও একটি সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নেন ভাগবত। সেখানে আরএসএসের মুখ্য শিক্ষক ও কার্যবাহীদের নিয়ে কিছু সময় শরীরচর্চা করেন এবং তাঁদের সঙ্গে সঙ্ঘের বিস্তার নিয়ে আলোচনা করেন। এখানে মূলত একত্রীকরণ কর্মসূচি’ ছিল সঙ্ঘ প্রধানের।

    ১০২তম প্রতিষ্ঠা দিবসের আগেই রাজ্যে ভাগবত

    আরএসএস সূত্রে খবর, বৈঠকে সংঘের প্রতিনিধিদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভাগবত। আরও দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে বলেছেন। ১৯২৫ সালের বিজয়া দশমীতে সংঘের প্রতিষ্ঠা। ২০২৫ সাল জুড়ে গোটা দেশে ‘শতাব্দী বর্ষ’ পালন করছিল সংঘ। তার অঙ্গ হিসেবে সামাজিক কর্মসূচি এবং জনসংযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছিল। সে সব কর্মসূচির বেশ কয়েকটি ২০২৬ সালেও চলছিল। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তেও সংঘের নানা জনসংযোগ কর্মসূচি হয়েছিল গত এক বছরে। তাতে লাভ কতটা হল, তৃণমূল স্তরে সংগঠনের কী অবস্থা, রাজ্যে সংঘের শাখা কতটা বিস্তার পেল, তার হিসাবও নিয়েছেন ভাগবত। সংঘের ১০২তম প্রতিষ্ঠা দিবসের সপ্তাহ দুয়েক আগেই তিনি রাজ্যে এসেছেন। শুক্রবার বর্ধমানের সংঘ কার্যালয়েই থাকবেন। সেখানে একাধিক সাংগঠনিক বৈঠক হওয়ার কথা।

    শাখার সংখ্যা ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার

    জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবারও একাধিক কর্মসূচি রয়েছে মোহন ভাগবতের। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বিজেপি নেতা ও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। থাকতে পারেন বিজেপি নেতা অমিতাভ চক্রবর্তীও। তাঁদের সঙ্গে সংগঠন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। রাজ্যে আরএসএসের শাখার সংখ্যা ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। ১০ অক্টোবরের মধ্যে তা করার কথা। সেই কাজ কতটা হয়েছে, সেই সব বিষয়ে বর্ধমানে সঙ্ঘের বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। সঙ্ঘের আগামী দিনের সাংগঠনিক পরিকল্পনা, সমাজের বিভিন্ন স্তরে জনসংযোগ বৃদ্ধি এবং শতবর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে চলা কর্মসূচির অগ্রগতি— ভাগবতের সফরে মূলত এই বিষয়গুলিই গুরুত্ব পাচ্ছে।

    সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কাজের হিসেব পেশ 

    এ রাজ্যে আরএসএস-এর তিনটি সাংগঠনিক প্রান্তই দশ দিনের বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল শাখার সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে। মধ্যবঙ্গে শুরু হয়েছিল ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে শুরু হয়েছিল ১ অক্টোবর থেকে। ১০ অক্টোবর মহালয়া। তার পর দিন থেকে দেবীপক্ষ শুরু, উৎসবের ঢাকে কাঠি। তাই মহালয়ার মধ্যেই শাখার বৃদ্ধির অভিযান শেষ করা হচ্ছে। অভিযান শেষ হওয়ার দু’দিন আগেই ভাগবত বর্ধমানে বৈঠক বসছেন। ফলে শাখা বৃদ্ধির চূড়ান্ত হিসাব তাঁর সামনে পেশ করা সম্ভব হবে না। তবে শাখা বৃদ্ধি অভিযানের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কাজের হিসেব হাতে নিয়েই পশ্চিমবঙ্গের আরএসএস পদাধিকারীরা সরসঙ্ঘচালকের মুখোমুখি হয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গ আরএসএস-এর প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় জানিয়েছেন, শতাব্দী বর্ষে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ‘প্রবুদ্ধ নাগরিক সম্পর্ক’ অভিযান করেছে সংঘ। কোথাও বিশিষ্ট নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখা করা হয়েছে। কোথাও তাঁদের অনেককে একসঙ্গে কোনও কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ করে আনা হয়েছে। বিভিন্ন মঠ ও মিশন বছরভর রাজ্যের নানা প্রান্তে ‘হিন্দু সম্মেলন’ আয়োজন করেছে। সবশেষে রাজ্য জুড়ে ৮০০-রও বেশি জায়গায় হয়েছে ‘যুব সম্মেলন’। বিপ্লবের কথায়, ‘‘এত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ হল,  সঙ্ঘ সম্পর্কে তাঁদের উৎসাহ বাড়ল। সে উৎসাহকে এ বার কাজে লাগানোর সময় এসেছে। যাঁদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে, তাঁদের শাখায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনেক জায়গায় সঙ্ঘের সংস্পর্শে আসা মানুষজন নিজেরাই শাখা শুরু করার আগ্রহ দেখিয়েছেন।’’ আগামিকাল, শনিবার সকালে বর্ধমানে শেষ দফার কর্মসূচি সেরে কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবেন মোহন ভাগবত।

     

     

     

     

  • Kolkata Metro on Puja: সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত সারা রাত মেট্রো, পুজোর সাত দিন কোন লাইনে কখন থেকে শুরু পরিষেবা?

    Kolkata Metro on Puja: সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত সারা রাত মেট্রো, পুজোর সাত দিন কোন লাইনে কখন থেকে শুরু পরিষেবা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা রাত ঠাকুর দেখতে পারেন শহরবাসী। গাড়ি না থাকলেও, চিন্তা নেই চলবে মেট্রো। প্রতি বছরের মতো এবারও দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে সারা রাত মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। কলকাতা মেট্রোর তরফে বৃহস্পতিবার পুজোর বিশেষ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর, পঞ্চমী থেকে ২১ অক্টোবর, দশমী পর্যন্ত পুজোর জন্য ওই বিশেষ সূচি মেনে মেট্রো চলবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণেও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

    ব্লু লাইন (দক্ষিণেশ্বর-শহিদ ক্ষুদিরাম) মেট্রো চলবে কখন

    পঞ্চমী এবং ষষ্ঠী (১৫ অক্টোবর এবং ১৬ অক্টোবর)— সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত আপ এবং ডাউন লাইনে মোট ২৮৪টি মেট্রো চলবে। ব্যস্ত সময়ে দু’টি মেট্রোর মধ্যে ব্যবধান থাকবে ছ’মিনিটের। এই দু’দিন রাতে দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরামের শেষ মেট্রো ছাড়বে ১০টা ৪৮ মিনিটে। শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বরের শেষ মেট্রো ছাড়বে ১০টা ৫০ মিনিটে। এ ছা়ড়া, দক্ষিণেশ্বর থেকে টালিগঞ্জের শেষ মেট্রো এবং শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দমদমের শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ১১টায়।

    সপ্তমী (এ বার দু’দিন), অষ্টমী এবং নবমীতে (১৭ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর, ১৯ অক্টোবর এবং ২০ অক্টোবর)— ব্লু লাইনে সারা রাত মেট্রো চলবে। মেট্রো পরিষেবা এই চার দিন শুরু হবে বেলা ১টা থেকে। চলবে ভোর ৪টে পর্যন্ত। দমদম, দক্ষিণেশ্বর, শহিদ ক্ষুদিরাম, টালিগঞ্জ, গীতাঞ্জলি, শ্যামবাজার এবং নোয়াপাড়া থেকে বেলা ১টায় প্রথম মেট্রো ছাড়বে চার দিনই। দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরামের শেষ মেট্রো ছাড়বে ভোর ৩টে ৪৬ মিনিট নাগাদ। দক্ষিণেশ্বর থেকে ভোর ৪টেয় শেষ যে মেট্রোটি ছাড়বে, তা যাবে টালিগঞ্জ পর্যন্ত। শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বরের শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে ভোর ৩টে ৪৮ মিনিটে। শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে ভোর ৪টের মেট্রোটি দমদম পর্যন্ত যাবে।

    দশমী (২১ অক্টোবর)— মেট্রোর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকবে। শহিদ ক্ষুদিরাম, দক্ষিণেশ্বর, দমদম, নোয়াপাড়া এবং টালিগঞ্জ থেকে দশমীতে প্রথম মেট্রো ছাড়বে বেলা ১টা-১টা ৫ মিনিট নাগাদ। ওই দিন দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরামের শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে রাত ১০টা ২০ মিনিটে। টালিগঞ্জ যাওয়ার শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে রাত সাড়ে ১০টায়। শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বরের শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ১০টা ২০ মিনিটে। দমদমের শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে রাত সাড়ে ১০টায়।

    গ্রিন লাইন (হাওড়া ময়দান-সল্টলেক সেক্টর ফাইভ)-এ মেট্রোর বিশেষ সময়

    পঞ্চমী এবং ষষ্ঠী (১৫ অক্টোবর এবং ১৬ অক্টোবর)— মেট্রো চলবে সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত।

    সপ্তমী (এ বার দু’দিন), অষ্টমী এবং নবমীতে (১৭ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর, ১৯ অক্টোবর এবং ২০ অক্টোবর)— এই লাইনে বেলা দেড়টা থেকে মেট্রো চালু হবে। চলবে ভোর ৪টে পর্যন্ত। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের প্রথম মেট্রো দেড়টায় এবং শেষ মেট্রো ভোর ৩টে ৫২ মিনিটে ছাড়বে। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দানের প্রথম মেট্রো বেলা ১টা ৩৪ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো ৩টে ৫৯ মিনিটে ছাড়বে।

    দশমী (২১ অক্টোবর)— গ্রিন লাইনে মেট্রো পরিষেবা বেলা দেড়টা থেকে চালু হলেও তা সারা রাত থাকবে না। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দানের শেষ মেট্রো সে দিন ছাড়বে রাত সাড়ে ১০টায়।

    ইয়েলো লাইন (নোয়াপাড়া-জয়হিন্দ বিমানবন্দর)

    পঞ্চমী এবং ষষ্ঠী (১৫ অক্টোবর এবং ১৬ অক্টোবর)— ইয়েলো লাইনে নোয়াপাড়া থেকে জয়হিন্দ বিমানবন্দরের প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে, শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ৯টায়। বিমানবন্দরের দিক থেকে নোয়াপাড়ার প্রথম মেট্রো সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো রাত ৯টা ২০ মিনিটে পাওয়া যাবে।

    সপ্তমী (এ বার দু’দিন), অষ্টমী এবং নবমীতে (১৭ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর, ১৯ অক্টোবর এবং ২০ অক্টোবর)—এই লাইনে সারা রাত মেট্রো পাওয়া যাবে না। নোয়াপাড়া থেকে প্রথম মেট্রো বিকেল ৩টে, শেষ মেট্রো রাত সাড়ে ১০টায় ছাড়বে। জয়হিন্দ বিমানবন্দর থেকে প্রথম মেট্রো বিকেল ৩টে ২৪ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে পাওয়া যাবে।

    দশমী (২১ অক্টোবর)— বিকেল ৩টে থেকে পরিষেবা মিলবে। তবে শেষ মেট্রো ওই দিন নোয়াপাড়া থেকে ছাড়বে রাত ৯টা ১৪ মিনিটে এবং জয়হিন্দ বিমানবন্দর থেকে ছাড়বে রাত ৯টা ৩৮ মিনিটে।

    পার্পল লাইন (জোকা-মাঝেরহাট)

    পঞ্চমী এবং ষষ্ঠী (১৫ অক্টোবর এবং ১৬ অক্টোবর)—পার্পল লাইনে অর্থাৎ জোকা থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত পঞ্চমী এবং ষষ্ঠীতে মেট্রো চলবে ২১ মিনিটের ব্যবধানে। জোকা থেকে প্রথম মেট্রো সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে, শেষ মেট্রো রাত ৯টা ৫ মিনিটে ছাড়বে। মাঝেরহাট থেকে প্রথম মেট্রো ৭টা ৩ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো রাত ৯টা ২৬ মিনিটে ছাড়বে।

    সপ্তমী (এ বার দু’দিন), অষ্টমী এবং নবমীতে (১৭ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর, ১৯ অক্টোবর এবং ২০ অক্টোবর)— এই লাইনে ২৫ মিনিট অন্তর মেট্রো পাওয়া যাবে। জোকা থেকে প্রথম মেট্রো বিকেল ৩টেয়, শেষ মেট্রো রাত সাড়ে ১০টায় ছাড়বে। মাঝেরহাট থেকে প্রথম মেট্রো বিকেল ৩টে ২৫ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে পাওয়া যাবে।

    অরেঞ্জ লাইন (কবি সুভাষ-বেলেঘাটা)

    পঞ্চমী এবং ষষ্ঠী (১৫ অক্টোবর এবং ১৬ অক্টোবর)—অরেঞ্জ লাইনে অর্থাৎ কবি সুভাষ থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত পঞ্চমী এবং ষষ্ঠীতে মেট্রো পাওয়া যাবে ২৫ মিনিটের ব্যবধানে। কবি সুভাষ থেকে প্রথম মেট্রো সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো রাত ৮টা ২০ মিনিটে ছাড়বে। বেলেঘাটা থেকে প্রথম মেট্রো সকাল ৮টা ১০ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ছাড়বে।

    সপ্তমী (এ বার দু’দিন), অষ্টমী এবং নবমীতে (১৭ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর, ১৯ অক্টোবর এবং ২০ অক্টোবর)—এই লাইনে সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত মেট্রো চলবে না।

  • Pak Espionage Case: সমাজমাধ্যমে বন্ধুত্ব, প্রেমের ফাঁদ, ভয় দেখিয়ে কৌশলে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া! কীভাবে পাক গোয়েন্দাদের ফাঁদে ১৬ নৌসেনাকর্মী?

    Pak Espionage Case: সমাজমাধ্যমে বন্ধুত্ব, প্রেমের ফাঁদ, ভয় দেখিয়ে কৌশলে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া! কীভাবে পাক গোয়েন্দাদের ফাঁদে ১৬ নৌসেনাকর্মী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটনার শুরু মাস ছয়েক আগে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে নৌসেনাঘাঁটির এক গাড়িচালক আন্নাম সাই ভারাপ্রসাদের কাছে সমাজমাধ্যমে এক মহিলা ‘ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট’ পাঠান। নিজেকে ওই মহিলা জাহাজ নির্মাণ সংস্থার কর্মী বলে পরিচয় দেন। পাশের রাজ্যেরই বাসিন্দা বলে দাবি করেন। তদন্তকারী সূত্রের খবর, ভারাপ্রসাদের প্রথমে একটু সন্দেহ হয়েছিল। কিন্তু সেই মহিলা ধীরে ধীরে তাঁর বিশ্বাস অর্জন করেন। শুরু হয় সমাজমাধ্যমে দু’জনের কথোপকথন। তারপর প্রেম ও যৌনতার গল্প। এভাবেই বেড়ে চলে আলাপ। তারপর শুরু হয় অন্য খেলা (Pak Espionage Case)।

    সন্দেহ দূর করতে দেখা করার প্রতিশ্রুতি

    প্রথম দিকে, ওই মহিলা ভারাপ্রসাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন। কোথায় থাকেন, কী করেন, কেন এখনও বিয়ে করছেন না ইত্যাদি। এ ছাড়াও তাঁর কাজ, বেতন, কী ধরনের গাড়ি চালান— ছোট ছোট এই তথ্যগুলি ভারাপ্রসাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেন। তদন্তকারী সূত্রে খবর, একটু ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই ওই মহিলা ভারপ্রসাদকে ইঙ্গিতপূর্ণ নানা রকম মেসেজ এবং ভিডিয়ো, ছবি পাঠানো শুরু করেন। শুধু তা-ই নয়, ভারাপ্রসাদের মনের সন্দেহ দূর করতে বিশাখাপত্তনমে তাঁর সঙ্গে দেখা করারও প্রতিশ্রুতি দেন। আলাপচারিতার সময় ভারাপ্রসাদ যখন জানিয়েছিলেন যে, তিনি নৌসেনা আধিকারিকদের গাড়ি চালান, তাঁর কাছ থেকে ওই আধিকারিকদের তথ্য কৌশলে সংগ্রহ করে নেন মহিলা।

    গ্রেফতারির ভয়, ব্ল্যাকমেল

    তার পর ভারাপ্রসাদের কাছে নৌঘাঁটি সম্পর্কে আরও কিছু জানতে চাইলে তিনি দিতে নারাজ হন। তখন ওই মহিলা ভারাপ্রসাদকে গ্রেফতারির ভয় দেখান। তাঁর সিনিয়রদের কাছে রিপোর্ট করার হুমকি দিতে থাকেন। তদন্তকারী সূত্রের খবর, এ ভাবে ক্রমাগত ব্ল্যাকমেল করে ভারাপ্রসাদের কাছ থেকে নৌসেনা সংক্রান্ত তথ্য, কোথায় রণতরী নোঙর করা, কোথায় রণতরী বানানো হচ্ছে ইত্যাদি তথ্য হাতিয়ে নেন মহিলা। নৌসেনা সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করেন ওই মহিলা। তবে যেহেতু নৌঘাঁটির অভ্যন্তরীণ বিষয় ভারাপ্রসাদের নাগালের মধ্যে ছিল না, তাই সেই তথ্য পাচার করতে পারেননি বলেই তদন্তকারীরা মনে করছেন। ভারাপ্রসাদের গতিবিধির উপর এক মাস ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল অন্ধ্রপ্রদেশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স (সিআই)।

    সমাজ মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি করে যৌনতার ফাঁদ

    তদন্তকারী সূত্রের খবর, ভারাপ্রসাদের মাধ্যমেই বাঙালি নৌসেনাকর্মী প্রদীপ মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন ওই মহিলা। তার পর ঠিক একই কৌশলে প্রদীপের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন। তাঁর কাছ থেকে বিশাখাপত্তনম এবং কোয়েম্বাটুরের নৌসেনাঘাঁটি সম্পর্কে তথ্য আদায় করেন ব্ল্যাকমেল করে। ভারাপ্রসাদ এবং প্রদীপকে ঢাল বানিয়ে ঠিক একই কৌশলে দেশের ১০ রাজ্যে ১৬ নৌসেনাকর্মীকে যৌনতার ফাঁদে ফেলেন পাক গোয়েন্দারা। তার পর তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে ভারাপ্রসাদ এবং প্রদীপকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি করে যৌনতার ফাঁদে ফেলা এবং পরে ব্ল্যাকমেলের মাধ্যমে সামরিক তথ্য সংগ্রহই ছিল এই চক্রের কৌশল।

LinkedIn
Share