Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Protest Against Muhammad Yunus: “আপনি সন্ত্রাসবাদী, এখানে কেন এসেছেন?” নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিক্ষোভের মুখে ইউনূস

    Protest Against Muhammad Yunus: “আপনি সন্ত্রাসবাদী, এখানে কেন এসেছেন?” নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিক্ষোভের মুখে ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। বাংলাদেশি প্রবাসীদের একাংশ তাঁকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে আক্রমণ করে। তাঁদের অভিযোগ, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ইউনূসকে লক্ষ্য করে এক বিক্ষোভকারী চিৎকার করে বলছেন, “আপনি সন্ত্রাসবাদী, এখানে কেন এসেছেন? আপনি আমার দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন!” অন্য এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, “বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন।” বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনের অভিযোগ, তাঁর আমলে বহু বাংলাদেশি পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বিক্ষোভরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূসকে ‘ফিরে যান’ স্লোগান দেন।

    ইউনূসের ১৮ মাসের শাসন নিয়ে প্রশ্ন

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের বিমানে নিউইয়র্কে পৌঁছন ইউনূস। বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৮-এ পৌঁছনোর পরই একদল বাংলাদেশি প্রবাসী তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। ভিডিওয় তাঁকে হুইলচেয়ারে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ইউনূসের প্রায় ১৮ মাসের মেয়াদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, যথেচ্ছ গ্রেফতার, সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমবর্ধমান হামলা এবং আইনজীবী, রাজনীতিক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক কর্মীদের দীর্ঘদিন আটক রাখার অভিযোগ উঠেছে। ডেইলি সান-এর একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ওই সময়ে কত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কত জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং কত জনের বিচার হয়েছে, তার প্রকাশ্য নথির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক সংস্কার করা। কিন্তু সমালোচকদের দাবি, বাস্তবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পরিবর্তে অনির্বাচিত নাগরিক সমাজের ব্যক্তিত্ব, একটি প্রভাবশালী ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ এবং বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর প্রভাব বেড়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, এই ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহি যথেষ্ট ছিল না।

    রাষ্ট্রযন্ত্রের রাজনৈতিক ব্যবহার

    অন্তর্বর্তী প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা আরেকটি বড় অভিযোগ হল, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করা হয়েছে। ডেইলি সান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমালোচকদের একাংশের দাবি, ওই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) প্রশাসনের কিছু অংশ ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। সমালোচকদের মতে, প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসনের প্রত্যাশা পূরণের পরিবর্তে ওই সময়ে পৃষ্ঠপোষকতা, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি এবং দুর্নীতি নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। সব মিলিয়ে, নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ইউনূসকে ঘিরে এই বিক্ষোভ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকলাপ ও তার উত্তরাধিকার নিয়ে চলতে থাকা রাজনৈতিক বিতর্ককে ফের সামনে নিয়ে এসেছে।

  • Real Madrid vs Barcelona: নভেম্বরে কলকাতায় এল ক্লাসিকো! রিয়াল বনাম বার্সার ম্যাচ দেখতে পারে শহরবাসী

    Real Madrid vs Barcelona: নভেম্বরে কলকাতায় এল ক্লাসিকো! রিয়াল বনাম বার্সার ম্যাচ দেখতে পারে শহরবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারোদৎসবের আগেই ফুটবল উৎসবে মেতেছিল কলকাতা। গিয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোরা। ভারতের সঙ্গে ফিফা ফ্রেন্ডলিতে ম্যাচ খেলেছেন ব্রাজিল ও উরুগুয়ে দলের সদস্যরা। এরপরেই আবার চমক। শোনা যাচ্ছে, ফুটবলবিশ্বে অন্যতম সেরা দুই ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার (Real Madrid vs Barcelona) কিংবদন্তি ফুটবলারদের লড়াই দেখতে চলেছে তিলোত্তমা।

    কলকাতায় এল ক্লাসিকো

    নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ২৫ নভেম্বর কলকাতায় এল ক্লাসিকো (El-Classico) হতে পারে। খেলবে স্প্যানিশ তথা ইউরোপীয় ফুটবলের দুই মহাশক্তিধর ক্লাব রিয়াল এবং বার্সা। সন্দেহ নেই কলকাতার ফুটবল প্রেমীদের কাছে এটা বড় খবর। তবে, যেটা জানা যাচ্ছে, এই দুই ক্লাবের বর্তমান তারকা ফুটবলাররা শহরে না-ও আসতে পারেন। সেক্ষেত্রে এই দুই দলের প্রাক্তন ফুটবলাররা মাঠে নামবেন। এই ম্যাচে টিকিটের দাম যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষমতার মধ্যে থাকে, সেই দিকটা দেখা হচ্ছে এবার। কারণ, সম্প্রতি ভারত-ব্রাজিলের যে ম্যাচ কলকাতায় হয়েছিল, তার টিকিটের দাম দুর্মূল্য হওয়ায় অনেকেই দেখতে যেতে পারেননি। এদিকে, কারা এই দুই দলকে কলকাতায় আনছে, টিকিটের বন্দোবস্ত কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজ্য সরকারের শীর্ষ সূত্রে খবর, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে এই ম্যাচ হবে। তার পরেই আবার পুরসভা ভোট হওয়ার কথা। ওই পর্বে আইএসএল-এরও ম্যাচ চলবে। তার মধ্যেই শহরে আসবে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ইয়ামেলদের দল।

    রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই বিশেষ ম্যাচ

    গত বছর ডিসেম্বরে লিওনেল মেসিকে কেন্দ্র করে বিপর্যয়ের ছবি দেখেছিল যুবভারতী। যাতে সরাসরি জড়িয়ে গিয়েছিল তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল। তর পর অবশ্য পালাবদলের পরে ভারতের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল এবং উরুগুয়ে। এবার এল ক্লাসিকোর অপেক্ষা। সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই এই ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ম্যাচ নিয়ে খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে সরকারের তরফ থেকে। অতীতে এভাবেই কলকাতায় খেলে গিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখের লেজেন্ডস দল। ২০০৮ সালে অলিভার কানের বিদায়ী ম্যাচ হিসেবে কলকাতায় মোহন বাগানের বিরুদ্ধে খেলেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এমনকি এর পরেও এসেছিল বায়ার্ন।

  • Rahul Gandhi’s Petition: ভুলে ভরা…! সুপ্রিম কোর্টে করা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪টি ত্রুটি, বকেয়া ২২০ টাকা কোর্ট ফি-ও

    Rahul Gandhi’s Petition: ভুলে ভরা…! সুপ্রিম কোর্টে করা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪টি ত্রুটি, বকেয়া ২২০ টাকা কোর্ট ফি-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের দায়ের করা যৌথ আবেদনে ১৪টি ত্রুটি চিহ্নিত করল সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি। এর মধ্যে রয়েছে ২২০ টাকা কোর্ট ফি কম জমা দেওয়া, নয়জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্র না থাকা এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পরিচয়পত্রের অস্পষ্ট ফটোকপি। সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন বিরোধী ‘ইন্ডি’-জোটের একাধিক নেতা ও সমর্থক। সেই সময়ই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতে আবেদন জমা দেয় বিরোধী নেতাদের আইনজীবী দল।

    কী কী ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে?

    সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রির তরফে আবেদনে একাধিক নথিগত ও পদ্ধতিগত ত্রুটির কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কয়েকজন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় ‘ভকালতনামা’ বা আইনজীবী নিয়োগের অনুমতিপত্র না থাকা, মল্লিকার্জুন খাড়গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশ এবং কয়েকটি নথির রঙিন কপি জমা না দেওয়া। এ ছাড়াও আবেদনের কয়েকটি অংশের অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া, অস্পষ্ট বা ঝাপসা লেখা, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকা, আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা সংক্রান্ত সমস্যা এবং পৃষ্ঠার নম্বরের অসঙ্গতির মতো ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে। এই আবেদনে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, তেজস্বী প্রসাদ যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে) গোষ্ঠীর নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাঝি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির-সহ একাধিক বিরোধী নেতা আবেদনকারী হিসেবে রয়েছেন। আবেদনে প্রতিপক্ষ হিসেবে নাম রয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীর। রেজিস্ট্রির চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই আবেদনটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হতে পারে।

    আবেদনে কী কী দাবি জানিয়েছে ‘ইন্ডি’ জোট?

    আবেদনকারীদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে— এসআইআর প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও তথ্য আদালতে পেশ করার নির্দেশ। এসআইআর সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতা খতিয়ে দেখা। অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ আবেদনকারীদের অভিযোগ ও সমস্যার প্রতিকার। গোটা প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন কমিটি গঠন-সহ অন্যান্য পদক্ষেপ। বিরোধী নেতাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়ম ঘটেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা বিচারাধীন বিষয়।

    প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন খারিজ

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, কথিত ‘ভোট চুরি’ বন্ধ করা, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ব্যালট পেপারে ভোট ফেরানোর দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া। কিন্তু বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন থাকায় প্রধান বিচারপতি সাক্ষাতের অনুরোধ গ্রহণ করেননি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

  • West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বার কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলির নির্বাচনেও বিজেপির দাপট। সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং বার কাউন্সিল (West Bengal Bar Council) অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি-তিনটি পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয়ের কথা জানিয়ে ‘রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার’ বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন নির্বাচিতদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে তাঁর দাবি, রাজ্যে এখন আর তৃণমূলের কোনও অস্তিত্বই অবশিষ্ট নেই। রাজ্য বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হলেন সমীর পাল। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে পর্যূদস্ত করে বিপুল জনমত নিয়ে বিজেপি বাংলায় প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে। দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনেও বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। সেই জয়ের ধারাই ওয়েস্ট বেঙ্গল বার স্টেট কাউন্সিলের অফিস বেয়ারার নির্বাচনেও বজায় রইল। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কোন কোন পদে জয়ী

    গত মার্চে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন হয়েছিল। শুভেন্দুর দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, সেই পর্বে বিজেপি ও তাদের সমর্থক আইনজীবী সংগঠনগুলির পক্ষে মাত্র তিন জন জয়ী হয়েছিলেন। বাকি আসনগুলিতে জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল,কংগ্রেস এবং অন্যান্য শিবিরের প্রার্থীরা। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয় হয়েছে। সভাপতি পদে ১৮-৮ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সমীর পাল। সহ-সভাপতি পদে ১৭-৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন অজয় চৌবে। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শিলিগুড়ির বর্ষীয়ান আইনজীবী অরুণ সরকার। ওই পদেও ভোটের ব্যবধান ছিল ১৭-৯। এই ফলকে সামনে রেখেই আইনজীবী মহলে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধির দাবি করছে বিজেপি শিবির। পুজোর ছুটির পর বার কাউন্সিলের নতুন সদস্যদের নিয়ে বৈঠকের কথাও এদিন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এক হাজারেরও বেশি সদস্য রাজ্য বার কাউন্সিলে আছেন। কাজের পরিকল্পনা নতুন সদস্যদের নিয়ে করা হবে। সেই কথাও এদিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্যে বিরোধীদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    ফল ঘোষণার পর তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, ওরা এখন একাধিক ভাগে বিভক্ত। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো এখন ত্রিখণ্ডিত। একদল নতুন পার্টিতে জয়েন করেছেন আর একটি দল দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে। নাম, নিশান, পতাকা নেই।” বার কাউন্সিলের এই ফলকে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ফলতা, রিষড়া, নন্দীগ্রাম এবং বার কাউন্সিলের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দেখুন রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার। এখানে সব একমুখী। একদম সেম ট্রেন্ড।” বিধানসভা ভোটের ফল নিয়ে যাঁরা আগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন, কটাক্ষের সুরে তাঁদের ‘শোক রাত্রি’ পালনের পরামর্শও দিয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৃণমূল এখন নন্দীগ্রামে প্রার্থী পর্যন্ত দিতে পারে না। পাঁচ মাস আগে যে তৃণমূল প্রার্থী রেজিনগরে ৪৭ হাজার ভোট পেয়েছিলেন, এখন তিনি মাত্র ছ’হাজার ভোট পাচ্ছেন। কংগ্রেসের জেতা লোকসভা আসনও হাতছাড়া হচ্ছে। যারা একসময় ব্রিগেডে সভা করার দম্ভ দেখাত, তারা এখন ৫০০ লোক জড়ো করতে তারামণ্ডলের গলিপথ খোঁজে!

  • Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে জয়ের পর পুরসভা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, এবার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে জয়ের পর পুরসভা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, এবার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে অভাবনীয় জয়ের পর এ বার রাজ্যের পুরসভাগুলিকে (Suvendu Adhikari) পাখির চোখ করল বিজেপি। সোমবার মুরলীধর সেন লেন থেকে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত আয়োজিত বিজয় মিছিলের শেষে জনসভা থেকে আসন্ন পুরভোটের রণকৌশল স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বার্তা, এ বার পুরসভাগুলিতেও ফুটবে পদ্ম। রাজ্যে উন্নয়নের ‘ত্রিশক্তি’ সরকার গড়তে কলকাতা ও হাওড়া-সহ একাধিক পুরসভা দখলের লক্ষ্যে ঝাঁপাতে হবে দলীয় কর্মীদের (Municipal Elections)। পুজোর মরশুম শেষ হলেই কলকাতা ও হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন হওয়ার কথা। তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদে ইস্তফা দেওয়ার পর আপাতত কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কমিশনার। হাওড়াতেও একই ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা চলছে। এই পরিস্থিতিতে দুই শহরের পুরসভা দখলের ডাক দিয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের সুর বেঁধে দিলেন শুভেন্দু।

    উন্নয়নের মূলমন্ত্রে ভরসা (Suvendu Adhikari)

    ভিক্টোরিয়া হাউসের সভায় তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের মূলমন্ত্রে ভরসা রেখে আপনারা রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়েছিলেন। এ বার মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিতে আপনাদের পুরসভাগুলিতে ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা আমাদের দিতে হবে। তবেই শহরের পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে।”

    এ দিনের বিজয় মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রেজিনগরের নবনির্বাচিত বিধায়ক শাখারভ সরকার, নন্দীগ্রামের নবনির্বাচিত বিধায়ক হাসিরানী রথ-সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরে জয়

    রেজিনগরের মতো প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির জয়ের ঘটনাকে ঐতিহাসিক বলে দাবি করেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে বিরোধীদের প্রচারকে নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি ক্ষমতায় এলে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে নাগরিক অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হবে এবং বেছে বেছে বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলে বিরোধীরা প্রচার চালিয়েছিল। শুভেন্দু বলেন, “মানুষ দেখেছেন, মোদিজির নেতৃত্বে জয়ের রথ থামানো যায়নি। বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক সুরক্ষিত।”

    তিনি আরও বলেন, “সংখ্যালঘু ভাই-বোনেরা বুঝতে পেরেছেন যে মিথ্যা ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করা হয়েছে। তাই আজ তাঁরা তোষণের রাজনীতি ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গের নবনির্মাণ ও প্রগতির মূলস্রোতে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন (Suvendu Adhikari)।”

    পুরভোট ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পর বিজেপির নজর এখন রাজ্যের বকেয়া পুরভোটের দিকে। বিশেষ করে কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরের পুরসভা দখলকে সামনে রেখে দলীয় নেতৃত্বের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান রাজ্য রাজনীতিতে যোগ করেছে (Municipal Elections) নতুন মাত্রা।

    উপনির্বাচনের ফলকে হাতিয়ার করে পুরসভা নির্বাচনেও সাফল্যের আশা করছে গেরুয়া শিবির। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে কোন দল কতটা সুবিধা পায়, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রচার, নাগরিক পরিষেবা নিয়ে রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভোটারদের রায়ের উপর (Suvendu Adhikari)।

     

  • Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার অবসান। রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor’s Ramayana) অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত পৌরাণিক ছবি ‘রামায়ণ’-এর প্রথম পর্বের (Ramayana Release Date) মুক্তির দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলেন নির্মাতারা। আগামী ৫ নভেম্বর, ২০২৬ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ৬ নভেম্বর এবং ভারতে ৮ নভেম্বর ছবি মুক্তির সম্ভাবনার কথা শোনা গিয়েছিল। তবে এবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই দিনে ছবি মুক্তির কথা জানিয়েছেন নির্মাতারা। ছবির প্রযোজক নমিত মালহোত্রা এবং পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির এই মহাকাব্যিক প্রজেক্ট ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ। সম্প্রতি নবরাত্রির শুভ সূচনায় ছবির নির্মাতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টার প্রকাশ করে মুক্তির দিন ঘোষণা করেন। পোস্টারে দেখা গিয়েছে রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী, যশ এবং রবি দুবেকে। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ২০ অক্টোবর, বিজয়া দশমীর দিন থেকে ছবির প্রথম পর্বের অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হবে। অর্থাৎ, দুর্গাপুজোর উৎসবের আবহেই শুরু হয়ে যাবে বহু প্রতীক্ষিত এই ছবির টিকিট কাটার পালা।

    বাল্মীকি রামায়ণের আধারে তৈরি মহাকাব্যিক ছবি

    মহর্ষি বাল্মীকি রচিত রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ‘রামায়ণ’। বিশাল বাজেট, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণশৈলীর সমন্বয়ে ছবিটিকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী পৌরাণিক প্রজেক্ট হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ছবিটি দুটি পর্বে মুক্তি পাবে। নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত এই ছবির প্রযোজনায় রয়েছে নমিত মালহোত্রার প্রাইম ফোকাস স্টুডিওজ, ডিএনইজি এবং যশের মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনস। ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সুরকার হ্যান্স জিমার এবং ভারতের অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান। আইম্যাক্স প্রযুক্তিতে নির্মিত ছবিটি একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাষায় মুক্তি পাওয়ার কথা। হিন্দি, ইংরেজি, বাংলা-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম, জাপানি, ম্যান্ডারিন, বাহাসা ইন্দোনেশিয়া, থাই এবং আরবি ভাষাতেও ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর

    ছবির অভিনয়শিল্পীদের তালিকাও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। রামচন্দ্রের ভূমিকায় রণবীর কাপুর এবং সীতার ভূমিকায় সাই পল্লবীকে দেখা যাবে। যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সানি দেওল, রবি দুবে, রাকুল প্রীত সিং, অরুণ গোভিল, কাজল আগরওয়াল, বিবেক ওবেরয়, শোভনা, কুণাল কাপুর, লারা দত্ত, শিবা চাড্ডা, ইন্দিরা কৃষ্ণন, অনুপম খের-সহ একাধিক পরিচিত অভিনেতা। ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর, ২০২৬। অন্যদিকে, দ্বিতীয় পর্বটি ২০২৭ সালের দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়ার কথা। ভারতীয় মহাকাব্যকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ কতটা সাফল্য পায়, এখন সেদিকেই নজর চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি এবং দশেরায় অগ্রিম বুকিং শুরুর ঘোষণায় ‘রামায়ণ’ নিয়ে প্রত্যাশা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে চলচ্চিত্র মহল।

  • Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাথরের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়ল বীরভূম (Birbhum Stone Revenue)। পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে একদিনে ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করল প্রশাসন। শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই ৩২ কোটির বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari On Birbhum Stone Revenue)। তাঁর দাবি, রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

    বীরভূম জেলা প্রশাসনের সাফল্য

    রাজনৈতিক পালাবদলের পর বীরভূমে বালি এবং পাথর খাদানগুলিতে পূর্বতন সরকারের নানা দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে উঠে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সেখানকার পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির হদিস নিয়ে মামলা চলছে। এমতাবস্থায় বীরভূমের পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে নয়া ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল সেখানকার জেলা প্রশাসন। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর ফেসবুকে বীরভূমে পাথরের রাজস্ব আদায়ের একটি রিপোর্ট পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, “আজ বীরভূম জেলা প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। গতকাল, নবরাত্রির প্রথম দিনেই, পাথরের ডিসিআর থেকে সর্বমোট ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা এক দিনে আদায়ের সর্বকালীন রেকর্ড।”

    আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী

    বিগত সরকারের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে, “গত বছর আগের সরকারের আমলে পুরো অক্টোবর মাসে এই খাতে আদায় হয়েছিল মাত্র ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু চলতি অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। পাথরের রাজস্ব থেকে মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আমরা এবার ছাড়িয়ে যাব বলে আমি আশাবাদী। রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধিতে এই সাফল্যের জন্য বীরভূম জেলা প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। স্বচ্ছ প্রশাসন, রাজস্ব আদায়ে শৃঙ্খলা এই আমাদের অঙ্গীকার।” বীরভূমের এই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন ওই জেলার বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কথা দিয়েছিলাম, শুধু পাথরের রাজস্ব থেকেই মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায় করে দেব। অক্টোবরে আমরা তা ছাড়িয়ে যাব। আর একবার ধন্যবাদ জেলা প্রশাসন এবং ভূমি দফতরকে একদিনে এ যাবৎকালের রেকর্ড রাজস্ব আদায় করার জন্য।”

     

     

     

  • Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ কর্মসূচির জায়গা হিসেবে যন্তর-মন্তরকে (Jantar Mantar Protest) ডি-নোটিফাই করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দিল্লিতে এই এলাকায় আর বিক্ষোভ দেখানো যাবে না। বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য তিনটি জায়গাকে চিহ্নিত করল কেন্দ্র। দিল্লির যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পরিবর্তে রাজধানীর তিনটি পৃথক এলাকায় বিক্ষোভের জন্য নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী দিনে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছর, ২৮ এপ্রিল দিল্লি পুলিশের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে প্রতিবাদস্থল হিসাবে যন্তর মন্তরকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। এ বার সেই নির্দেশিকায় বদল আনল অমিত শাহের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সরকারি দফতর। মনে করা হচ্ছে, তার আশপাশে যাতে প্রতিবাদ কর্মসূচি না হয়, তাই এই পদক্ষেপ।

    দিল্লি পুলিশের বিশেষ নির্দেশিকা

    ১১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে জারি করা এক নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন নির্ধারিত স্থানগুলি হল পুরনো দিল্লির রামলীলা ময়দান, পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড এবং উত্তর দিল্লির বুরাড়ি গ্রাউন্ড। যন্তর মন্তর থেকে এই স্থানগুলির দূরত্ব যথাক্রমে প্রায় ৩ কিলোমিটার, ১৩.৫ কিলোমিটার এবং ৪৪ কিলোমিটার। দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষরিত এই নির্দেশে ২৮ এপ্রিল, ২০২২-এর পূর্ববর্তী নির্দেশ আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। ওই নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নতুন তিনটি স্থানে বিক্ষোভ ও জমায়েত পরিচালনার জন্য সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) পরে প্রকাশ করা হবে। দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘কমিটির সুপারিশ মোতাবেক যন্তর মন্তর আর প্রতিবাদস্থল থাকছে না। প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ কর্মসূচি করার জন্য এ বার তিনটি স্থান নির্ধারিত হয়েছে— রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি মাঠ।’’ ওই তিনটি স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে হলে কী ভাবে অনুমতি নিতে হবে, বা কী কী করতে হবে, তা নিয়ে শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে নির্দেশিকা (এসওপি)।’’

    শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে সরব সিজেপি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া নিয়ে কক্‌রোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং দিল্লি পুলিশের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে এসে সিজেপি-র নেতারা বিক্ষোভের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার দাবি জানান। দলের বক্তব্য, তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে জানিয়েছিলেন এবং পুলিশ সেই বার্তা গ্রহণও করেছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভের তারিখ জানানো হয়নি। অনুমতি না দেওয়ার কারণও তাদের স্পষ্ট করে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, বিক্ষোভের তারিখ জানানোর জন্য পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর না এলে দল মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সম্প্রতি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও তুলেছেন দাস। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীদের বাসের ভিতরে মারধর করা হয়েছে। পাশাপাশি, দলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা বলতে ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এড়িয়ে গিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দাসের কথায়, “ভারত সরকার নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ চালাচ্ছে।” তবে দল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি জানান।

    কেন যন্তর মন্তর-এ সভা নয়

    অন্যদিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে INDIA জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে প্রস্তাবিত মিছিলকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের উপর বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী নেতারা। যদিও দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে বাতিল করার কারণ হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সিজেপি-র দাবির বা ইন্ডি জোটের প্রস্তাবিত মিছিলের সরাসরি যোগসূত্র নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে রাজধানীতে একের পর এক প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার আবহে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    যন্তর মন্তর বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা একটি মামলার শুনানি মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, দিল্লি হাই কোর্টে হওয়ার কথা। আবেদনকারীর আইনজীবীর যুক্তি ছিল, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ বন্ধ করা হলেও বিকল্প কোনও স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। এ ছাড়াও, ১০ ও ১১ অক্টোবর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচি সংক্রান্ত পৃথক একটি মামলাও মঙ্গলবার শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে আদালত জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিবেচনাধীন এবং শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হলফনামা চেয়েছে। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে ঘিরে আগামী দিনে আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

     

     

     

     

     

     

  • Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। মহালয়া এবং প্রতিপদে শহরের বেশ কিছু পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে ধীরে ধীরে পথে বাড়ছে মানুষের ঢল। প্যান্ডেল হপিং, সাজগোজ থেকে শুরু করে রেস্তরাঁয় জমিয়ে খাওয়া দাওয়া- দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) পাঁচদিনের প্ল্যানিং করে ফেলেছে বাঙালি। কিন্তু এই উৎসাহে জল ঢালতে প্রস্তুত আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Forecast)। বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ (Rain Forecast)। মঙ্গলবারই দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নতুন নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরফলে পুজোর দিনগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Durga Puja Weather) দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    কীভাবে দানা বাঁধছে এই নিম্নচাপ

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালীর উপর একটি ঊর্ধ্ব বায়ুমণ্ডলীয় ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯.৪ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত এবং অত্যন্ত সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘূর্ণাবর্তটি প্রবেশ করতে চলেছে আন্দামান সাগরে। এর জেরেই আগামী ১৩ অক্টোবর নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর আনুষ্ঠানিকভাবে তৈরি হতে পারে নতুন নিম্নচাপ অঞ্চলটি। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, নিম্নচাপটির অভিমুখ তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বুধবার চতুর্থী থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন হতে পারে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলা বাড়লে মেঘের আনাগোনা বাড়বে। এ দিন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়া থাকবে।

    পঞ্চমী থেকে অষ্টমীর আবহাওয়া

    পঞ্চমী: দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, দুই মেদিনীপুর জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ষষ্ঠী (১৬ অক্টোবর): এই দিন দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলির বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে।

    সপ্তমী: উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ের কোলে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।

    অষ্টমী: মহাষ্টমীর দিনে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাত হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে, উপকূল ও সংলগ্ন জেলা যেমন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

    ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ

    নবমী ও দশমীতে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে, উৎসবের দিনগুলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন এবং প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় ছাতা সঙ্গে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

  • Houthi Attack: রিয়াধ বিমানবন্দরে হুথি হামলা, মৃত বেড়ে ১৩, নিহত এক ভারতীয়ও

    Houthi Attack: রিয়াধ বিমানবন্দরে হুথি হামলা, মৃত বেড়ে ১৩, নিহত এক ভারতীয়ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় মৃতের (Houthi Attack) সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক ভারতীয় নাগরিকও। রবিবার সৌদি আরবে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস সূত্রে এও জানানো হয়েছে, জখম তিন ভারতীয় নাগরিক চিকিৎসাধীন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আহত আরও (Riyadh Airport) দুই ভারতীয় সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। বাকিদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    কী জানাল ভারতীয় দূতাবাস (Houthi Attack)

    রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে রিয়াধে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, ১০ অক্টোবরের হামলায় আহত এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মৃতদেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে দূতাবাস।

    দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, “১০ অক্টোবর রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য। জানা গিয়েছে, রিয়াধে হামলায় আহত এক ভারতীয় নাগরিকের আজ দুর্ভাগ্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছে। মৃতের পরিবারের প্রতি আমরা আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি এবং মৃতদেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেব।”

    এর পরেই দূতাবাসের আধিকারিকেরা আহত ভারতীয়দের দেখতে হাসপাতালগুলিতে যান। পরে জারি করা আরও একটি বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, তিন ভারতীয় পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকলেও তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আরও দু’জন সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। বাকি আহত ভারতীয়দের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    দূতাবাসের দ্বিতীয় বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলার বিষয়ে আরও একটি সর্বশেষ তথ্য। হামলায় আহত ভারতীয় নাগরিকেরা যে সব  হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, আমাদের দূতাবাসের আধিকারিকেরা সেই সব হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। আগেই জানানো হয়েছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তিন জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন, তবে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আরও দু’জন সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন এবং বাকিদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত ভারতীয় নাগরিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য আমরা সৌদি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁদের পরিবারগুলিকে আশ্বস্ত করছি যে দূতাবাসের তরফে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করা হবে।”

    সৌদি আরবের বক্তব্য

    এর আগে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরবের সাধারণ অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, এই হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। মৃতদের মধ্যে চার জন সৌদি নাগরিক এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশের নাগরিক এবং আমেরিকা, মিশর, জর্ডন, সিরিয়া, প্যালেস্টাইন ও সুদানের এক জন করে নাগরিক ছিলেন। পরবর্তী সময়ে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর সামনে আসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ হয়েছে (Houthi Attack)।

    সৌদি কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাধারণ অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করছে যে এই হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে চার জন সৌদি নাগরিক এবং অন্যদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশের নাগরিক, এক জন আমেরিকান, এক জন মিশরীয়, এক জন জর্ডনীয়, এক জন সিরীয়, এক জন প্যালেস্টাইনি এবং এক জন সুদানি নাগরিক রয়েছেন। হামলায় আরও ৩০৯ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

    হামলার নিন্দা অস্ট্রেলিয়ারও

    এই হামলার নিন্দা করেছে অস্ট্রেলিয়াও। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং সৌদি আরবে হামলা এবং অসামরিক পরিকাঠামোকে নিশানা করার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা করছে অস্ট্রেলিয়া। রিয়াধ বিমানবন্দরে হামলায় বহু নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। অসামরিক নাগরিক এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হুথিদের হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।”

    উল্লেখ্য, এর আগে ৬ ও ৭ অক্টোবর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই হামলাগুলিতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং আহত হয়েছিলেন ৩৬ জন।

    ১১ অক্টোবরের হামলার পর ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরীক্ষা চালানোর জন্য বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন (Riyadh Airport) কর্তৃপক্ষ।

    পরপর হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। চলছে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার চেষ্টা (Houthi Attack)।

     

LinkedIn
Share