Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Assembly Election 2026: বোমা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান, ভাঙড়ে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    Assembly Election 2026: বোমা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান, ভাঙড়ে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের (Assembly Election 2026) মুখে ষড়যন্ত্রের আভাস পেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সতর্ক নির্বাচন কমিশনও। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের মাঝেরহাট এলাকায় পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কাঁচা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান চালানোর জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে প্রথম দফা ভোটের মতোই নির্বিঘ্নে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। কিন্তু তা পণ্ড করার উদ্দেশে নানারকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সন্দেহ

    শনিবার কলকাতা পুলিশের একটি দল গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর কাশীপুর থানা এলাকার মাঝেরহাটের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হানা দেয়। সেখান থেকে ৭৯টি কাঁচা বোমা উদ্ধার হয়। মেলে বোমা তৈরির নানা কাঁচামাল, প্রায় ৩.৩৭ কেজি গান পাউডার, ১.৬১ কেজি সালফার, পাটের দড়ি ইত্যাদি। কয়েক জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নিষিদ্ধ জিনিসগুলো জড়ো করেছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সন্দেহ, কোনও ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা হচ্ছিল ওই স্থানে। ইতিমধ্যে এনআইএ একটি এফআইআর-ও দায়ের করেছে। রবিবার অমিত শাহের মন্ত্রকের ওই ঘটনার ‘গুরুত্ব’ বিচার করে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। নোটিসে বলা হয়েছে, অবৈধ জিনিসপত্র জড়ো করা, বিস্ফোরক তৈরি করা ইত্যাদি সাধারণ মানুষের মনে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে। তাঁদের নিরাপত্তার খাতিরে এবং ষড়যন্ত্রীদের ধরার জন্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার

    পুলিশ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। কিন্তু অভিযুক্তদের কেউ এখনও গ্রেফতার হননি। আগামী বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। রাজ্যের সাত জেলায় মোট ১৪২টি আসনে হবে ভোটগ্রহণ। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে। প্রথম দফায় কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। এই অবস্থায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্বও শান্তিপূর্ণ ভাবে করার লক্ষ্যে। দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে পুলিশকে অবিলম্বে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বলা হয়েছে, ভোটের দিন যে কোনও ভাবেই বোমা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) তদন্ত চালাচ্ছে, এমন ক্ষেত্রেও পুলিশ পদক্ষেপ করতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    পুলিশকেও পড়তে হবে শাস্তির মুখে

    রাজ্যে অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনের সময়ে বোমাবাজির অভিযোগ উঠছে। তবে গত বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২টি আসনের কোথাও বোমাবাজির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসেনি। দ্বিতীয় দফার ভোটও সেই রকমই শান্তিপূর্ণ রাখার লক্ষ্যে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বুথমুখী রাস্তাগুলিতেও থাকবে কমিশনের ‘চোখ’। এত দিন বুথের মধ্যে একটি এবং বাইরে একটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকত। এবার বুথমুখী রাস্তাতেও বসবে সিসি ক্যামেরা। কমিশন সূত্রে খবর, কলকাতার পুলিশ কমিশনার থেকে শুরু করে ডিসি, এসপি, আইসি এবং ওসি স্তর পর্যন্ত সকল পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তারা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এলাকা থেকে যদি কোনও বিস্ফোরক উদ্ধার হয় বা কেউ ভয় দেখানোর কৌশল ব্যবহার করেন, তবে সংশ্লিষ্ট ওসি বা আইসি-কে নজিরবিহীন পরিণতির মুখে পড়তে হবে। সে ক্ষেত্রে কাউকেই যে ছাড় দেওয়া হবে না, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

    ভাঙড় আছে ভাঙড়ে

    ভাঙড় আছে ভাঙড়ে। এই রাজ্যে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক হিংসার সাক্ষী থাকা জায়গাগুলির তালিকায় ওপরের দিকে নাম রয়েছে ভাঙড়ের। সেই ভাঙড়েই ভোটের আগেই গত ১৮ এপ্রিল তৃণমূল নেতার পরিত্যক্ত বাড়িতে থেকে দুই ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। রবিবারই ভাঙড়ে আর একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় অহিদুল ইসলাম মোল্লা নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘ দিন পলাতক থাকার পর শনিবার তাঁকে একটি গাড়িতে দেখে মারধর করেছিলেন স্থানীয় কয়েক জন। পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। গত মার্চে বিস্ফোরণে এক জনের মৃত্য এবং তিন জন জখম হওয়ার ঘটনায় ওই অভিযুক্তকে পরে এনআইএ গ্রেফতার করেছে। উল্লেখ্য, এবার ভাঙড়ে লড়াই মূলত আইএসএফের বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বনাম তৃণমূলের শওকত মোল্লার। আবার একদা তৃণমূলের ‘তরতাজা সৈনিক’ আরাবুল ইসলাম দল বদল করে আইএসএফে যোগ দিয়েছেন। আরাবুল ক্য়ানিং পূর্ব থেকে লড়ছেন। তবে ভাঙড়ের এই নেতার দলবদলে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে ওই এলাকায়। সব মিলিয়ে ভোটের আগে উত্তপ্ত ভাঙড়।

    বিরোধীদের অভিযোগ

    এই ঘটনা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে ভোটদান থেকে বিরত রাখতেই অন্ধকারের সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। এর আগে এই ভাঙড়েই বহুবার বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। ভোটের মুখে এভাবে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধীরা। এই আবহে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে কমিশন। ভাঙড়ে এবারের বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত গায়েনের দাবি, বরাবরই এই অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন সাধারণ মানুষ। আগামী ২৯ এপ্রিল যাতে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন কমিশনের কাছে সেই আর্জি রাখেন তিনি।

     

     

     

     

  • Summer Fruits: গ্রীষ্মে নিয়মিত এই চার ফল মেনুতে থাকছে তো! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    Summer Fruits: গ্রীষ্মে নিয়মিত এই চার ফল মেনুতে থাকছে তো! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। বেলা বাড়তেই রোদের দাপটে জেরবার বঙ্গবাসী। দুপুরে বাইরে থাকতে হলে, অসুস্থ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই এই তীব্র গরম থেকে বাঁচতে চার ফলেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন চার ফলেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    গরমে বাড়তে পারে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি। গরমের শরীর ঠাণ্ডা রাখা জরুরি। তবেই শরীর সুস্থ রাখা যাবে।

    তরমুজ!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে তরমুজ খুবই জরুরি। কারণ, তরমুজে ৯০ শতাংশ জল থাকে। তাই এই ফল ডিহাইড্রেশন রুখতে বিশেষ সাহায্য করে‌। শরীরের জলের ঘাটতি গরমে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। অতিরিক্ত গরম এবং ঘামের জেরে যাতে শরীরে জলের ঘাটতি না হয়, তাই এই ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তরমুজ শরীরের ক্লান্তি দূর করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরের ক্লান্তি বাড়ে। তাই তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ তরমুজ শরীরের ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে। আবার এই ফল হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়। এই আবহাওয়ায় বেশি সময় বাইরে থাকলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই ফল খেলে সেই বিপদ কিছুটা এড়ানো যাবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আম!

    গরমে বাজারে দেদার পাওয়া যায় আম। বাঙালির পছন্দের খাবারের তালিকায় চিরকাল থাকে আম।‌ আম কাঁচা হোক বা পাকা, বাঙালি নানান ভাবেই এই ফল খেতে পছন্দ করে। কখনো কাঁচা আমের সরবত আবার কখনো দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পাকা আম, নানা রকম ভাবেই আম খায়। স্বাদের পাশপাশি আম এই গরমে স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আম ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ একটি ফল। তাই এই ফল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। গরমে নানান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের দাপট বাড়তে পারে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখা জরুরি। তাই আম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আম খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। তাছাড়া কাঁচা আম শরীর ঠাণ্ডা রাখতে বিশেষ সাহায্য করে‌। যা এই গরমে খুবই জরুরি। আম অতিরিক্ত ঘাম এবং জলের ঘাটতি গরমে দ্রুত পূরণ করে। তাই এই আবহাওয়ায় আম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    শশা!

    শশা ফাইবার সমৃদ্ধ ফল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শশা শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ করার পাশপাশি ফাইবারের চাহিদাও মেটায়। তাই এই গরমে নিয়মিত শশা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাছাড়া শশা হজমের জন্য খুবই উপকারি। লিভার ও অন্ত্র সুস্থ রাখতে শশা খাওয়া বিশেষ উপকারি। তাই শশা গরমে বাড়তি সাহায্য করে। কারণ, গরমে অনেক সময়েই হজমের গোলমাল হয়। তাই এমন খাবার খাওয়া জরুরি, যা অন্ত্র ও লিভার সুস্থ রাখে। তাই নিয়মিত শশা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বেল!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বেল গরমে বিশেষ উপকারি একটি ফল। এই ফলে থাকে ভালো ব্যাকটেরিয়া। তাই ডায়ারিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে ডায়ারিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই গরমে এই ফল খাওয়া জরুরি। তাছাড়া বেল হজম শক্তি বাড়ায়। গরমে হজমের গোলমাল এড়ানোর দিকে বিশেষ নজরদারি দেওয়া প্রয়োজন। তাই বেল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যকর খাওয়া প্রয়োজন। এই চার ফল সেই খাবারের তালিকায় রাখা জরুরি। এতে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। আবার শরীর সুস্থ থাকবে। তবে রাস্তার পাশের কাটা ফল না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাটা ফেলে রাখা ফলে নানান ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই ডায়রিয়া সহ নানান রোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তাই তাজা ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাড়িতে ফল কেটে সঙ্গে সঙ্গে খেলে তবেই শরীরের উপকার হবে। গরমে সুস্থ থাকা সম্ভব হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র বনাম কাজের নিরিখে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এবার প্রবেশ করল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এলন মাস্কের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এর নিজস্ব এআই চ্যাটবট ‘গ্রক’-এর (Grok) একটি উত্তর বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে তুলনামূলক এক প্রশ্নের উত্তরে মোদিকেই এগিয়ে রেখেছে গ্রকের তথ্য ভিত্তি।

    ঘটনাটি ঠিক কী (Grok)?

    সম্প্রতি একজন ব্যবহারকারী গ্রক-এর (Grok) কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ভারতের প্রগতি এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদি এবং রাহুল গান্ধীর মধ্যে কার অবদান বা গ্রহণযোগ্যতা বেশি? এর উত্তরে গ্রক (Grok) কোনও ব্যক্তিগত মতামত না দিয়ে বিভিন্ন ডেটা বা তথ্যের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে।

    Grok-এর বিশ্লেষণে যা উঠে এসেছে

    উন্নয়ন ও অর্থনীতি

    গ্রক (Grok) তার উত্তরে উল্লেখ করেছে যে, গত এক দশকে ভারতের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযান এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের সাফল্য পরিসংখ্যানগতভাবে প্রমাণিত।

    পরিবারতন্ত্র বনাম যোগ্যতা

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, গ্রক (Grok) রাহুল গান্ধীকে ‘পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির’ (Dynastic Politics) উত্তরাধিকারী হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি মোদিকে একজন ‘স্বনির্ভর’ এবং ‘ডেটা-নির্ভর’ নেতা হিসেবে তুলে ধরেছে।

    গ্রক-এর জনপ্রিয়তা ও জনমত

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগের নিরিখেও তথ্যের ভিত্তিতে মোদিকে অনেক বেশি রেটিং দিয়েছে এই এআই (AI)।

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি এই প্রতিবেদনটিকে তাদের প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির নিরপেক্ষ ডেটাও মোদিকে শ্রেষ্ঠ বলছে, সেখানে বিরোধীদের পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরণের এআই (AI) মডেলের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, অ্যালগরিদম বা ডেটা অনেক সময় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে।

    প্রযুক্তির যুগে রাজনীতির লড়াই আর কেবল জনসভায় সীমাবদ্ধ নেই, তা এখন এআই (AI)-এর ল্যাবেও পৌঁছে গেছে। এলন মাস্কের গ্রক (Grok) যেভাবে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে, তা আগামী নির্বাচনে এবং রাজনৈতিক বিতর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) প্রচার তুঙ্গে। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুর নাগরে এক জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Election Rally)। তৃণমূলের ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আজ বাংলার মা-মাটি-মানুষের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।”

    কাঁদছেন ‘মা’ (Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “তৃণমূলের শাসনে বাংলার মায়েরা সুরক্ষিত নন। সন্দেশখালি থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মা-বোনেদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তাতে আজ ‘মা’ কাঁদছেন। তৃণমূল কেবল ভোটের জন্য নারীবন্দনা করে, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ।”

    অনুপ্রবেশকারীদের দখলে ‘মাটি’

    বাংলার ‘মাটি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “আজ বাংলার মাটি বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তৃণমূল সীমান্ত খুলে দিয়েছে, যার ফলে বাংলার জনবিন্যাস কাঠামো বদলে যাচ্ছে এবং প্রকৃত ভূমিপুত্ররা নিজেদের অধিকার হারাচ্ছেন।”

    আতঙ্কিত ‘মানুষ’

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally)  বলেন, “বাংলার সাধারণ মানুষ আজ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এখানে সিন্ডিকেট রাজ এবং তোলাবাজিই শেষ কথা। মানুষ নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু এই নির্বাচন সেই ভয়কে জয় করার নির্বাচন।”

    দুর্নীতি ও উন্নয়ন নিয়ে তোপ

    প্রধানমন্ত্রী (Bengal Elections 2026) তাঁর ভাষণে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এবং রেশন দুর্নীতির প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, “বাংলার যুবকদের ভবিষ্যৎ তৃণমূল বিক্রি করে দিয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নের টাকা এখানে দুর্নীতির পকেটে চলে যাচ্ছে।” তিনি (PM Modi Election Rally) জনগণকে আশ্বস্ত করেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলা হবে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর নির্বাচনকে (Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে বাংলার রাজনীতি এখন তপ্ত। প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিজেপি এবার দুর্নীতি এবং আইনশৃঙ্খলা—এই দুটি ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইছে। পালটা তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণকে ‘মিথ্যাচারের ঝুলি’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বহিরাগতদের নয়, নিজেদের মেয়েকেই বেছে নেবে।

  • Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী পাক জঙ্গি (Pakistani Taliban Network) নেটওয়ার্কের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়ার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (TTP)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে গোপন অভিযান চালানো হয়েছে।

    ওয়ারেন্ট অফিসার-কে ঘিরে তদন্ত শুরু (Pakistani Taliban Network)

    তদন্তের সূত্রপাত হয় দুই মাস আগে নিখোঁজ হওয়া জনৈক ‘ওয়ারেন্ট অফিসার’-কে ঘিরে। ওই অফিসার কর্মস্থল থেকে পালিয়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি টিটিপি (TTP) আস্তানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর (Pakistani Taliban Network) হাতে ধরা পড়ার পর জেরায় তিনি বাংলাদেশে বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) ভেতরে টিটিপি-র রিক্রুটমেন্ট বা সদস্য সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন।

    গ্রেফতার ও আটক

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা, তেজগাঁও এবং চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটিতে চিরুনি তাল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে অন্তত দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার, দশ জন জুনিয়র কমিশনড অফিসার (JCO) এবং বেশ কয়েকজন বিমান সেনাকে গ্রেফতার (Pakistani Taliban Network) করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও অন্তত ডজনখানেক সদস্যকে আটক রাখা হয়েছে।

    পালিয়ে যাওয়া সদস্য

    তদন্তের আগেই অন্তত চার থেকে ছয় জন বিমান সেনা তুরস্ক, পাকিস্তান, পর্তুগাল ও নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই জহুরুল হক ঘাঁটির মসজিদের জনৈক ইমাম এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আক্রান্ত বিমান ঘাঁটিগুলোতে বেসামরিক (Bangladesh Air Force) কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি নিম্নপদস্থ কর্মীদের মোবাইল ফোন জব্দ করে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টিটিপি-র এই অনুপ্রবেশ মূলত স্পর্শকাতর ইউনিট যেমন রাডার অপারেশন এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল। কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলে টিটিপি-র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার একটি পরিকল্পনাও গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে।

    যদিও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দফতর থেকে পাকজঙ্গি (Pakistani Taliban Network) প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান বা গ্রেফতার নিয়ে কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিরাপত্তা তল্লাশি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের (Bangladesh Air Force) সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে উগ্রবাদী অনুপ্রবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

  • Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তী চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) রঘু রাই (Raghu Rai) আর নেই। রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ সকালে ৮৩ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় সংবাদচিত্র ও আলোকচিত্র জগতের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বিগত পাঁচ দশক ধরে রঘু রাই তাঁর ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাস, রাজনীতি, সাধারণ মানুষের জীবন এবং সংঘাতের মুহূর্তগুলিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া সাংবাদিক মহলে অপূরণীয় ক্ষতি।

    কর্মজীবন (Raghu Rai)

    ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঝং যা বর্তমানে পাকিস্তানে, সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন রঘু রাই (Raghu Rai)। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ঘটনাচক্রে আলোকচিত্র শিল্পী হয়ে ওঠেন। ১৯৬৬ সালে তিনি ‘দ্য স্টেটসম্যানে’ (The Statesman) চিফ ফটোগ্রাফার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী কালে তিনি কলকাতার বিখ্যাত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘সানডে’ এবং ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে পিকচার এডিটর ও ফটোগ্রাফার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে বিশ্বখ্যাত চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) অঁরি কার্তিয়ে-ব্রেসঁ (Henri Cartier-Bresson) তাঁকে বিখ্যাত ‘ম্যাগনাম ফটোস’ (Magnum Photos)-এ সদস্য হওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন।

    তাঁর ঐতিহাসিক কাজসমূহ

    রঘু রাইয়ের (Raghu Rai) লেন্স কখনও রাজনীতির চাণক্যদের বন্দি করেছে, আবার কখনও সাধারণ মানুষের চোখের জলকে তুলে এনেছে বিশ্বের দরবারে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে-

    ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা (১৯৮৪)

    তাঁর তোলা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ছবিগুলো (Legendary Photographer) বিশ্বজুড়ে শিহরণ জাগিয়েছিল এবং এই ট্র্যাজেডির ভয়াবহতা সবার সামনে ফুটিয়ে তুলেছিল।

    বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার (১৯৭১)

    মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলির ছবি তুলে তিনি (Raghu Rai) ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

    মাদার টেরেসা ও ইন্দিরা গান্ধী

    রঘু রাইয়ের তোলা মাদার তেরেসা এবং ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পোর্ট্রেটগুলি আজও অমলিন।

    শ্রদ্ধা ও সম্মান

    ১৯৭২ সালে ভারত সরকার রঘু রাই (Raghu Rai) ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করেছে ভারত সরকার। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শশী থারুর এবং অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার বিকেল ৪ টের সময় লোদি রোড শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি স্ত্রী এবং চার সন্তানকে রেখে গিয়েছেন। রঘু রাই (Legendary Photographer) বলতেন, “ক্যামেরা ছাড়া আমি আমার অভিজ্ঞতার প্রতি সৎ থাকতে পারি না।” তাঁর সেই সত্যনিষ্ঠ দৃষ্টি আজ ভারতের অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়ে গেল।

  • Assembly Election 2026: “দিদির খেলা শেষ, সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব”, বর্ধমানে বিস্ফোরক ভাষণে তোপ দাগলেন শাহ

    Assembly Election 2026: “দিদির খেলা শেষ, সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব”, বর্ধমানে বিস্ফোরক ভাষণে তোপ দাগলেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের জামালপুর থেকে শাহি আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানালেন বাংলায় এবার পদ্মফুল ফুটছেই। একইসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ৪ মে বর্ধমানের সীতাভোগ খাইয়ে মিষ্টিমুখ করাবেন বলেও জানান। তিনি বলেন, ‘‘প্রথম দফায় (Assembly Election 2026) বিজেপি ১১০ আসন জিতবে দিদির খেলা শেষ করে দেবে। সব সরকারি কর্মচারীকে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় আনা হবে। মা বোনেদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। বেকার যুবকদেরও প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। মা-বোনেদের সরকারি বাসে কোনও টিকিট কাটতে হবে না। আলুর দাম কম হতে দেওয়া যাবে না। কৃষকদের ধানের দাম দেওয়া হবে। ৫ তারিখে বিজেপির সরকার বানিয়ে দিন, ৬ তারিখে সব সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব।’’

    সন্ত্রাস হয়েছে মা-বোনেদের উপর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনামলে গত ১৫ বছরে মহিলাদের ওপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শাহ। তাঁর কথায়, দেশের ২০টি রাজ্যে বিজেপি সরকার রয়েছে, কিন্তু কোথাও কোনও মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের সময় বেঁধে দেননি। শাহ বলেন, ‘‘১৫ বছরে মমতাদিদির জমানায় সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাস হয়েছে মা-বোনেদের উপর। আরজি কর, সন্দেশখালি প্রতি জায়গায় মা-বোনেদের উপর অত্যাচার হয়েছে। কিন্তু দিদি বলেন, মা-বোনেরা সন্ধ্যা ৭টা পর বাড়ি থেকে বেরোবেন না। কিন্তু আমি বলে যাচ্ছি, বিজেপি সরকার এলে মাঝরাতেও মা-বোনেরা বেরোতে পারবেন। দেশের ২০ রাজ্যে বিজেপির সরকার আছে। কোনও মুখ্যমন্ত্রী এ কথা বলেননি মহিলারা ৭টার পর ঘরের বাইরে বেরোবেন না। লজ্জা করুন দিদি, মহিলাদেরর আপনি সুরক্ষা দিতে পারেননি। কিন্তু বিজেপির সরকার এলে কোনও গুন্ডা মা-বোনেদের দিকে চোখ তুলে তাকালে জেলের হাওয়া খাওয়াব।’’

    মতুয়াদের ভয় দেখানো হচ্ছে

    বাংলা থেকে গুন্ডা-রাজ সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে শাহ বলেন,‘‘প্রতি বার ভোটের সময় দিদির গুন্ডারা ঝামেলা করে। দিদির গুন্ডাদের তাই বলে যাচ্ছি, ২৯ তারিখে ঘরের বাইরে যেন না দেখতে পাই। যদি বার হয়, তা হলে ৫ তারিখের পর উল্টো করে ঝোলাব। দিদি আমার উপর ক্ষেপে যাচ্ছে যে, অমিত ভাই গুন্ডাদের ধমকাচ্ছেন। এখন তো শুধু ধমকাচ্ছি, শুধরে যাও। না হলে জেলে ভরব।’’ মতুয়া সমাজকে নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘দিদি মতুয়াদের ভয় দেখাচ্ছেন, যদি বিজেপি আসে তা হলে আপনাদের ভোট চলে যাবে। কিন্তু দিদি, এই মতুয়া সমাজ আমাদের প্রাণ। ওদের কেউ ছুঁতে পারবে না। মতুয়া সমাজ, নমশূদ্র সমাজের ব্যক্তিদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। সিএএ করতে দিচ্ছে না দিদি। আপনারা বিজেপির সরকার বানিয়ে দিন, ৫ তারিখের পর মতুয়া সমাজের সব ভাই-বোনদের নাগরিকত্ব দেবে বিজেপি। টিএমসি সব সময় এসসি সমাজের অপমান করেছে। আর বিজেপি সম্মান করেছে। এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করেছে। মতুয়া আর শূদ্র সমাজকে বলে দিয়ে যাচ্ছি, বিজেপির প্রাণ বাংলার মতুয়া সমাজ। বাংলায় কারও চারটে বিয়ে করা উচিত? ৫ তারিখের পর আমরা ইউসিসি (অভিন্ন দেওয়াবিধা বিধি) আনব। কেউ চারটে বিয়ে করতে পারবে না।’’

    স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের অঙ্গীকার

    স্থানীয় উন্নয়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘কেন্দ্র সরকার গরিবদের পাকাবাড়ি, পরিশ্রুত পানীয় জল, শিক্ষার জন্য টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু এই কোথায় গেল? এই সব টাকা টিএমসি-র সিন্ডিকেট আর ভাইপো-ট্যাক্সে চলে গিয়েছে। গোটা বাংলায় বেকারত্ব বাড়িয়েছে দিদির সরকার। ৭ হাজার কারখানা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমরা ২ বছরে সব কারখানা আবার বাংলায় ফিরিয়ে নিয়ে আসব। যুব সম্প্রদায়ের চাকরির রাস্তা খুলবে।’’

  • BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    সুশান্ত দাস

    প্রথম দফার ভোট মিটতেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শিবিরে যেন এক নতুন আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার হয়েছে। ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণের পর দলের অন্দরমহলে আশাবাদের সুর ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। এই আবহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বক্তব্য— প্রথম দফাতেই ১১০-র বেশি আসন জয়ের সম্ভাবনা— দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

    শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের ছাপ

    কলকাতায় সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। তাঁর মতে, এবারের ভোট শুধু আসনসংখ্যা বাড়ানোর লড়াই নয়, বরং ব্যবধান বাড়ানোর লড়াইও। ভোটের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে জনসমাগম দেখা গিয়েছে, সেটিকেই তিনি বিজেপির পক্ষে জনমতের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে মধ্যমগ্রামের রোড শো-এর অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা কতটা তীব্র।

    ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব’

    বিজেপির অন্দরে এই মুহূর্তে যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা হল— ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব।’ দলের নেতাদের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে শাসকবিরোধী মনোভাব বেড়েছে, আর সেই ক্ষোভই এবার ভোটে প্রতিফলিত হচ্ছে। নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার মতো ইস্যুগুলিকে সামনে রেখে বিজেপি নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে।

    “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা

    একই সঙ্গে বিজেপির প্রচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা। অমিত শাহের অভিযোগ, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে বিজেপি সমর্থকরা ভয়ের কারণে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। এবার সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে বলেই দলের বিশ্বাস। এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি একদিকে নিজেদের সমর্থকদের আরও সক্রিয় করতে চাইছে, অন্যদিকে নিরপেক্ষ ভোটারদের মধ্যেও আস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

    সংগঠন আরও মজবুত করায় নজর

    দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিজেপি এখন সংগঠন আরও মজবুত করার দিকে জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় তৃণমূলের শক্তি বেশি বলে ধরা হয়, সেখানেই বাড়তি নজর দিচ্ছে দল। দমদমের জনসভায় শাহের আক্রমণাত্মক ভাষণ সেই প্রস্তুতিরই অংশ। তিনি সরাসরি তৃণমূলকে নিশানা করে অভিযোগ করেন, ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে—আর সেই অভিযোগের জবাব দিতেই বিজেপি নেতৃত্ব আরও কড়া অবস্থান নিচ্ছে।

    ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট

    প্রচারের পাশাপাশি ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট করতে চাইছে বিজেপি। নারী সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ, কৃষকদের জন্য গবেষণা কেন্দ্র, এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত— এই প্রতিশ্রুতিগুলিকে সামনে এনে দল বোঝাতে চাইছে, তারা শুধু ক্ষমতায় আসতে চায় না, বরং প্রশাসনিক পরিবর্তন আনতেও প্রস্তুত।

    বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই…

    সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপির প্রচারে যে আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে, তা নিছক রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে গিয়ে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক লড়াইও তৈরি করছে। এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা অবশ্য নির্ভর করবে পরবর্তী দফার ভোট এবং চূড়ান্ত ফলাফলের উপর। তবে আপাতত বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই— এই লড়াইয়ে তারা পিছিয়ে নেই, বরং এগিয়ে থাকার বিশ্বাস নিয়েই পরবর্তী পর্যায়ে ঝাঁপাচ্ছে।

  • Bengaluru CET Row: বেঙ্গালুরু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে ৩ শিক্ষক সাসপেন্ড

    Bengaluru CET Row: বেঙ্গালুরু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে ৩ শিক্ষক সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে সেট (Common Entrance Test) পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঁচজন ব্রাহ্মণ ছাত্রকে তাঁদের পবিত্র সুতো (যজ্ঞোপবীত বা পৈতে) খুলতে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পরীক্ষার প্রথম দিনেই। এই ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন কর্নাটকের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী এমসি সুধাকর। তদন্তের (Bengaluru CET Row) নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই কলেজের তিন অধ্যাপককে। তাতেও বিতর্কে লাগাম টানা যায়নি। এই ঘটনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলির। এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    কেন পবিত্র সুতো খুলতে হবে?

    একজন ছাত্র জানিয়েছেন, “পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার সময় আমার কানের দুল খুলতে বলা হয়, সেটা মেনে নিয়েছিলাম কারণ ধাতব জিনিস নিষিদ্ধ। কিন্তু আমাকে শরীর থেকে পবিত্র সুতো খুলতেও বাধ্য করা হয়।” পরিস্থিতির চাপে ওই ছাত্র নির্দেশ মানতে বাধ্য হয় বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, শুধু পৈতে নয়, অনেক ছাত্রের হাতে বাঁধা লাল-হলুদ ‘মৌলি’ বা ‘কলাভা’ও খুলতে বলা হয়। ঘটনার পর অভিভাবকরা পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চান। তাঁদের দাবি, পবিত্র সুতো না খুলতে পূর্বেই নির্দেশিকা জারি ছিল। উল্লেখ্য, গত বছরও একই ধরনের বিতর্ক তৈরি হলে সরকার জানিয়েছিল যে সেট পরীক্ষায় পবিত্র সুতো খুলতে হবে না।

     ঘটনাটি “দুর্ভাগ্যজনক”

    কর্নাটকের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী এম সি সুধাকর ঘটনাটিকে “দুর্ভাগ্যজনক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, “প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তিনজনকে বরখাস্ত করার বিষয়ে আমাকে জানানো হয়েছে। আমি বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং ইতিমধ্যে দফতরের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “আগামী বছর থেকে এই ধরনের বিষয় সম্পর্কে আগেভাগেই স্পষ্ট নির্দেশিকা দিতে হবে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে কী শাস্তি হতে পারে, সেটাও সকলকে জানাতে হবে।”অন্যদিকে, কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, “কংগ্রেস সরকারের ‘হিন্দু-বিরোধী’ কার্যকলাপ অব্যাহত রয়েছে। গত বছরও পরীক্ষায় মঙ্গলসূত্র ও পৈতে খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল, এ বছরও সেই একই ঘটনা ঘটছে।” সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Bengal Elections 2026) মধ্যে রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, “হাবরার প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ১০ হাজার কোটি টাকার রেশন দুর্নীতি করেছেন। তার থেকে ৭৫ শতাংশ মমতার বাড়িতে পাঠিয়েছেন।” এই দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের একটি বিশাল অংশ সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। তাঁর নিশানায় ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ভোট আবহে রেশন দুর্নীতিতে তদন্ত

    শনিবার সকাল থেকেই সক্রিয় ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় একাধিক এলাকায় চলছে তল্লাশি অভিযান। ইডি-র কলকাতা জোনাল অফিস আজ প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট ২০০২ (পিএমএলএ) আইনকে মাথায় রেখে কলকাতা, বর্ধমান এবং হাবড়ার মোট ১৭টি ঠিকানায় তল্লাশি চালাচ্ছে। এই অভিযান নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ও অন্যান্যদের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এই এফআইআর বসিরহাট পুলিশ স্টেশনে দায়ের করেছিলেন ডেপুটি কমিশনার অফ কাস্টমস্ ঘোজাডাঙ্গা এলসিএস। তাতে বলা হয়েছিল, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম বা রেশনের গম পাচার হয়েছে। সেই নিয়েই শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলাতেই শনিবার এই অভিযান। এর মধ্যেই তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    ৭৫ শতাংশ অংশ টাকা গিয়েছে প্রভাবশালীদের কাছে (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “রেশন দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের অন্তত ৭৫ শতাংশ অংশ নির্দিষ্টভাবে প্রভাবশালী মহলে প্রেরণ করা হয়েছিল। মমতার বাড়িতে টাকা পৌঁছেছে । জেলখাটা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি সঠিক পথে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গেলেই এই আর্থিক লেনদেনের সমস্ত তথ্য জনসমক্ষে আসবে।”

    নির্বাচনী মরসুমে এই অভিযোগ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, “এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কেবল ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারেও ব্যবহার করা হয়েছে।”

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকসহ একাধিক ব্যক্তি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর রেডারে রয়েছেন। বিরোধী শিবিরের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণত এই ধরণের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবেই অভিহিত করে আসছে। তবে রেশন দুর্নীতি (Bengal Elections 2026) ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

    ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ায় প্রচার শুভেন্দুর

    অপর দিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা উপনির্বাচনকে (Bengal Elections 2026)  কেন্দ্র করে ভবানীপুর কেন্দ্রের রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়ছে। এই আবহে আজ সকালে এক ভিন্নধর্মী প্রচার কৌশলে অংশ নিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ভোরে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল চত্বরে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা ও জনসংযোগের মাধ্যমে নিজের প্রচার কর্মসূচি শুরু করেন।

    সকাল থেকেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শুভেন্দু অধিকারী সেখানে পৌঁছে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন। কোনও বড় মাপের সভা বা মিছিলের পরিবর্তে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই ছিল আজকের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

    অভাব-অভিযোগ শুনলেন শুভেন্দু

    জনসংযোগ চলাকালীন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভবানীপুর কেন্দ্রটি রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং তাঁদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ।” তিনি দাবি করেন, “এলাকার সাধারণ ভোটাররা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন চাইছেন এবং তার প্রতিফলন ভোটবাক্সে দেখা যাবে।”

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বিজেপি শিবির। শুভেন্দু অধিকারীর এই সকালের জনসংযোগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি মেনেই এই শান্ত ও সুশৃঙ্খল প্রচার চালানো হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছ।

LinkedIn
Share