Tag: Bangla khabor

Bangla khabor

  • Hindu Sammelan: নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে বিশাল হিন্দু সম্মেলন

    Hindu Sammelan: নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে বিশাল হিন্দু সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাল্যান্ডের (Nagaland) ডিমাপুরে হয়ে গেল বিশাল হিন্দু সম্মেলন (Hindu Sammelan)। ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ডিমাপুর হিন্দু সোসাইটির উদ্যোগে ডিডিএসসি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় ওই সম্মেলনের। এই সম্মেলনে যোগ দেন নাগাল্যান্ড ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে আসা হাজার পাঁচেক মানুষ। এই সম্মেলন রাষ্ট্রীয় স্বার্থ (রাষ্ট্রীয়ত)-কে সামনে রেখে সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জাতীয় দায়িত্ব নিয়ে ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

    সম্মেলনে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব (Hindu Sammelan)

    সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, আরএসএসের অখিল ভারতীয় কার্যকরিণী সদস্য মনমোহন বৈদ্য, রাষ্ট্র সেবিকা সমিতির অখিল ভারতীয় সহ-সারকার্যবাহিকা সুনীতা হালদেকর, রমেশ কুমার মুনি এবং প্রখ্যাত সমাজচিন্তক থুনবাই। তাঁদের উপস্থিতি সম্মেলনকে বৌদ্ধিক গভীরতা ও জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে সমৃদ্ধ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা সাংস্কৃতিক আত্মসচেতনতা, সামাজিক সংহতি এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বের ওপর জোর দেন, বিশেষত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রেক্ষাপটে। বক্তৃতায় বলা হয়, সনাতন মূল্যবোধ ভারতের সভ্যতাগত চেতনাকে শক্তিশালী করতে এবং বহুবিধ সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (Hindu Sammelan)।

    ভারতের প্রকৃত শক্তি

    বক্তব্যে বৈদ্য বলেন, “ভারতের প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা ও সমষ্টিগত চেতনায়।” তিনি সমাজ বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, “জাতি গঠনে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য এবং আদিবাসী ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা আজ সময়ের দাবি।” সম্মেলনে সব বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়, যা সাংস্কৃতিক পরিচয় ও জাতীয় দায়িত্ব সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান সচেতনতার প্রতিফলন। অনুষ্ঠানের শেষে সামাজিক ঐক্য, সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এবং একটি শক্তিশালী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ভারত গঠনে ইতিবাচক অবদান রাখার যৌথ সংকল্প গ্রহণ করা হয় (Nagaland)।

    ডিমাপুরে অনুষ্ঠিত এই হিন্দু সম্মেলন জাতীয় সংহতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের আদর্শকে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে এক তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই বিবেচিত হচ্ছে ওয়াকিবহাল মহলে। এটি ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতে’র বৃহত্তর ভাবনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (Hindu Sammelan)।

     

  • Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহু ধিন ধরে রাজনীতি করছি, এরকম ঔদ্ধত্য আমি আগে দেখিনি (Election Commission)।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে সদলে দিল্লি গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর বৈঠক হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের সঙ্গে। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম! (Election Commission)

    জানা গিয়েছে, বেঁচে থাকতেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে মৃত বলে চিহ্নিত এমন ৫০জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন মমতারা। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, এমন অভিযোগ থাকা আরও ৫০জনকেও দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের (Mamata Banerjee)। সেখানেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম, হয়রানি এবং মানবিক বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরে কমিশনের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করে তৃণমূল। যদিও খানিক পরে নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকের আগেই তাঁদের অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগও করেন মমতা।

    হিন্দু-মুসলমান

    তাঁর দাবি, “যাঁরা হিন্দু-মুসলমান করেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন? এখানে দু’জন মুসলিম রয়েছেন (Election Commission)। ক’জন হিন্দু?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত অসমে কেন এই প্রক্রিয়া করা হল না?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআরের নামে রাজ্যে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব করা হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছেন সীমা খন্না। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত বড় সংখ্যায় ভোটার বাদ পড়ার পরেও নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা চাইছে না।”

    প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা

    এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ওঁর বাবা-মায়ের জন্ম-কুন্ডলী বের করতে বলুন।” তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীর নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নও এক সময় উঠেছিল।” এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। বলেন, “বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যানরা উপস্থিত ছিলেন, অথচ বাইরের ক্যামেরাম্যানদের সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছে, তাই করবেন, তা তো হয় না! বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, মন্ত্রীও ছিলাম (Election Commission)। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি (Mamata Banerjee)।”

  • Indus Waters Treaty: হেগের সালিশি আদালতে শুনানি ইন্দাস জলচুক্তির, অংশ নেবে না, সাফ জানাল ভারত

    Indus Waters Treaty: হেগের সালিশি আদালতে শুনানি ইন্দাস জলচুক্তির, অংশ নেবে না, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেগের সালিশি আদালত (কোর্ট অফ আরবিট্রেশন) ইন্দাস জলচুক্তির (Indus Waters Treaty) কাঠামোর আওতায় নতুন শুনানি ও নথি তলবের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গেলেও, ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার বৈধতা তারা স্বীকার করে না এবং এতে অংশও নেবে না (India)। সাম্প্রতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হল, গত সপ্তাহে ইন্দাস জলচুক্তির (IWT) অধীনে গঠিত কোর্ট অব আরবিট্রেশন (CoA)-এর জারি করা একটি নির্দেশ। ওই নির্দেশে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির পরিচালনাসংক্রান্ত ‘পন্ডেজ লগবুক’ জমা দিতে বলা হয়েছে, যা আদালত ‘মেরিটস সংক্রান্ত দ্বিতীয় ধাপ’ বলে উল্লেখ করেছে।

    হেগের পিস প্যালেসে শুনানি (Indus Waters Treaty)

    আদালত জানিয়েছে, ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি হেগের পিস প্যালেসে শুনানি হবে। একই সঙ্গে আদালত নথিভুক্ত করেছে যে, ভারত এখনও কোনও কাউন্টার-মেমোরিয়াল জমা দেয়নি এবং শুনানিতে অংশগ্রহণের কোনও ইঙ্গিতও দেয়নি। তবে নয়াদিল্লির কাছে এই পুরো প্রক্রিয়াটাই অর্থহীন। সরকারি সূত্রের খবর, ‘অবৈধভাবে গঠিত’ এই তথাকথিত কোর্ট অব আরবিট্রেশন একই সঙ্গে নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ‘সমান্তরাল শুনানি’ চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্রের ভাষায়, “আমরা যেহেতু এই আদালতের বৈধতা স্বীকার করি না, তাই তাদের কোনও যোগাযোগেরই জবাব দিই না। তাছাড়া ইন্দাস জলচুক্তি বর্তমানে স্থগিত থাকায়, ভারতের পক্ষে কোনও জবাব দেওয়াও বাধ্যতামূলক নয়। এটি পাকিস্তানের একটি কৌশল—আমাদের টেনে এনে দেখানোর চেষ্টা যে আমরা এখনও প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছি।”

    পহেলগাঁওকাণ্ড

    এই নজিরবিহীন অচলাবস্থার নেপথ্যের প্রেক্ষাপট তৈরি হয় ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল, যখন পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলায় ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। ওই ঘটনার একদিন পরেই ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্দাস জলচুক্তিকে ‘স্থগিত’ ঘোষণা করে। ১৯৬০ সালের পর এই প্রথমবার ভারত জল সহযোগিতাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করল (India)। এই সিদ্ধান্ত ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সঙ্গেও যুক্ত ছিল এবং ভারতের পাকিস্তান নীতিতে এক সুস্পষ্ট মোড় ঘোরার ইঙ্গিত দেয়। এটি জানিয়ে দেয়, শত্রুতার আবহে সহযোগিতা কখনওই চলতে পারে না। ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। পরবর্তী ন’মাসে পাকিস্তান কূটনীতিকদের তলব করেছে, বিশ্বজুড়ে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে, রাষ্ট্রসংঘে চিঠি দিয়েছে, ১০টিরও বেশি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে এবং একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন (Indus Waters Treaty) করেছে। এসব কিছুর কেন্দ্রীয় বক্তব্য একটাই, ভারত তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল দুর্বল জায়গায় আঘাত হেনেছে।

    ইন্দাস নদী

    পাকিস্তানের কৃষির প্রায় ৮০–৯০ শতাংশ ইন্দাস নদী ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। দেশটির জলাধার সক্ষমতা এক মাসের প্রবাহও ধরে রাখতে পারে না। তাদের প্রধান জলাধার, তারবেলা ও মাঙ্গলা নাকি প্রায় ‘ডেড স্টোরেজে’ পৌঁছে গিয়েছে। একসময় যা ছিল নিছক একটি প্রযুক্তিগত চুক্তি, তা এখন পরিণত হয়েছে কৌশলগত চাপের হাতিয়ারে (India)। ভারতের অবস্থান সত্ত্বেও হেগ-ভিত্তিক আদালত এমনভাবে এগোচ্ছে, যেন চুক্তির কাঠামো এখনও পুরোপুরি কার্যকর। ২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারির এক নির্দেশে আদালত ২–৩ ফেব্রুয়ারির শুনানির বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করে এবং জানায়, ভারত উপস্থিত না থাকলে পাকিস্তান একাই পিস প্যালেসে সশরীরে যুক্তি উপস্থাপন করবে। এর পাঁচ দিন পর, পাকিস্তানের অনুরোধে জারি করা আর এক নির্দেশে আদালত ভারতকে বাগলিহার ও কিষানগঙ্গা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ পরিচালন লগবুক জমা দিতে বলে। উদ্দেশ্য, ভারত ঐতিহাসিকভাবে পন্ডেজের হিসেব ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখিয়েছে কি না, তা যাচাই করা। আদালত সতর্ক করে দিয়েছে, ভারত সহযোগিতা না করলে তারা ‘প্রতিকূল অনুমান’ টানতে পারে অথবা নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তান যে নথি পাবে, তা গ্রহণ করতে পারে (Indus Waters Treaty)।

    ভারতের অবস্থান

    আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, চুক্তি স্থগিত রাখার বিষয়ে ভারতের অবস্থান তাদের বিচার করার ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করে না (India)। এটাই সেই অবস্থান, যা ভারত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইন্দাস জলচুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত মতপার্থক্য নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের কাছে যায়, আর আইনি বিরোধ যায় সালিশি আদালতে। ভারতের ধারাবাহিক দাবি, বর্তমান বিরোধগুলি নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের এক্তিয়ারভুক্ত, আর পাকিস্তানের সালিশি আদালত সক্রিয় করার চেষ্টা ‘ফোরাম শপিং’য়ের শামিল। এই ব্যাখ্যার ভিত্তিতেই কোর্ট অব আরবিট্রেশনের সঙ্গে যুক্ত হতে অস্বীকার করছে নয়াদিল্লি। শুধুমাত্র নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ প্রক্রিয়াকে স্বীকৃতি দিয়ে ভারত ইঙ্গিত দিচ্ছে, পাকিস্তানকে এই বিরোধকে বৃহত্তর আইনি ও রাজনৈতিক মঞ্চে রূপ দিতে দেওয়া হবে না (Indus Waters Treaty)। আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশগুলি দেখাচ্ছে, তারা দুটি সমান্তরাল প্রক্রিয়ার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করার চেষ্টা করছে, যাকে ভারত সম্পূর্ণ অবৈধ বলে মনে করছে (India)।

    আন্তর্জাতিক ইস্যু বানানোর চেষ্টা

    হেগে যা ঘটছে, তা কেবল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের হিসেবনিকেশ নিয়ে আইনি বিরোধ নয়। এটি সংযমের দীর্ঘ দশকের পর কূটনৈতিকভাবে চুক্তিকে ‘হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহারের ভারতের সিদ্ধান্তের প্রথম বাস্তব পরীক্ষা। পাকিস্তানের কাছে বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক ইস্যু বানানো অস্তিত্বের প্রশ্ন। আর ভারতের কাছে সরে দাঁড়ানো একটি কৌশলগত পছন্দ। কোর্ট অব আরবিট্রেশন আদেশ জারি করতে পারে, শুনানির দিন ঠিক করতে পারে, প্রক্রিয়াগত নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু ভারতের অংশগ্রহণ ছাড়া এবং চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত থাকায়, এই কার্যক্রম একতরফা আইনি নথি হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে রয়েছে, বাধ্যতামূলক রায়ের নয় (India)।

    সাউথ ব্লকের দৃষ্টিতে, সেটাই আসলে উদ্দেশ্য। পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর থেকে ভারতের বার্তা স্পষ্ট এবং ধারাবাহিক—ভূমির বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোনও চুক্তি টিকে থাকতে পারে না। আর পাকিস্তান যতদিন না নয়াদিল্লির ভাষায় ‘অস্বাভাবিক শত্রুতা’ বন্ধ করছে, ততদিন বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত জলবণ্টন চুক্তিটিও একাধিক অর্থে স্থগিতই থাকবে (Indus Waters Treaty)।

     

  • JAMPK: পর্যটকের ভিড় উদমপুরের লাধা ধরায়, কেন জানেন?

    JAMPK: পর্যটকের ভিড় উদমপুরের লাধা ধরায়, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষারধবল বরফে ঢাকল জম্মু-কাশ্মীরের উদমপুর জেলার (JAMPK) চেনানি এলাকার লাধা ধর। এক সময় এই অঞ্চলটি ছিল দুর্গম। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় রাস্তা নির্মাণ হওয়ায়, জায়গাটি (Ladha Dhar) বর্তমানে সুগম হয়েছে। তাই এলাকাটি এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে হয়ে উঠেছে নয়া ডেস্টিনেশন। ভিড়ে ঠাসা পর্যটনকেন্দ্র থেকে দূরে, ‘খাঁটি সাদা সোনা’ খুঁজতে আসা পর্যটকদের কাছে এই অজানা গন্তব্য দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পর্যটকের চাপ কম থাকায় এখানকার তুষার এখনও একেবারে নির্মল, দূষণমুক্ত ও স্বচ্ছ। এটি বিখ্যাত পাহাড়ি স্টেশনগুলির বাণিজ্যিক ঢাল থেকে একেবারেই ভিন্ন।

    লাধা ধরের অতুলনীয় সৌন্দর্য (JAMPK)

    যাঁরা সাধারণত শ্রীনগর বা পাটনিটপে বেড়াতে যান, তাঁরাও এখন অন্যদের লাধা ধরের অতুলনীয় সৌন্দর্য উপভোগ করার আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁদের মতে, এখানকার দৃশ্য এক কথায় শ্বাসরুদ্ধকর প্রাকৃতিক শিল্পকর্ম। পর্যটকদের একজন, শ্রেয়া শর্মা সংবাদ মাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, “আমি উদমপুর জেলারই বাসিন্দা। আজ আমি উদমপুরের লাধা ধর এলাকায় এসেছি। আমার মতে এটি খুবই সুন্দর জায়গা এবং আমি এখানে এসে খুব উপভোগ করছি। এখানে আসার জন্য আমি ভীষণ উত্তেজিত ছিলাম, কারণ এখন পর্যটকরাও আসছেন। আমি ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, কারণ প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় এই রাস্তা তৈরি হয়েছে। সেই জন্যই আজ আমরা এখানে আসতে পেরেছি। আগে এখানে কোনও রাস্তা ছিল না, আসা খুব কঠিন ছিল। এখন আমরা পুরো তুষার আর বরফের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছি। এখানে এসে আমি সত্যিই খুব খুশি। যারা আমাদের দেখভাল করছেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ জানাই। সবাইকে বলতে চাই, এখানে এসে এই সুন্দর তুষারাবৃত পাহাড়গুলির শোভা উপভোগ করুন। এখানকার সৌন্দর্য অসাধারণ। আমি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে এসে খুব আনন্দ পেয়েছি (Ladha Dhar)। এখানে প্রচুর বরফ ছিল এবং তা একেবারেই পরিষ্কার—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি অন্য পর্যটকদেরও এখানে আসার অনুরোধ করছি (JAMPK)।”

    পর্যটকদের প্রতিক্রিয়া

    রিয়া শর্মা নামে আর এক পর্যটক বলেন, “আমি উদমপুর জেলার বাসিন্দা। আজ আমরা লাধা ধর এসেছি এর সৌন্দর্য দেখতে। পর্যটকরা এখানে আসেন, আমরাও আজ রবিবার সময় পেয়ে এসেছি। আজ ছুটি ছিল বলে ভাবলাম ঘুরে আসি। এটা আমাদের ছোট কাশ্মীর। সবাই পাটনিটপ, সানাসা আর নাথা টপে যায়, কিন্তু এখানে এলে আপনি অনেক মানুষ দেখতে পাবেন। এখানকার বরফ একেবারে সাদা আর টাটকা। চারদিকে তুষারঢাকা পাহাড় দেখা যায়। আমি সব পর্যটককে এখানে আসতে উৎসাহ দিতে চাই। এখানে এলে আরও বেশি আনন্দ ও সতেজ অনুভূতি পাওয়া যাবে।”

    এই পর্যটন প্রবাহ বৃদ্ধির পেছনে বড় ভূমিকা নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (PMGSY)। সম্প্রতি এই প্রকল্পের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায়, আগে যেখানে দুর্গম পথে হেঁটে পৌঁছতে হত, এখন সেখানে সহজেই গাড়িতে যাতায়াত করা যাচ্ছে। ফলে পরিবার ও পর্যটকেরা আরামে লাধা ধরের উচ্চভূমিতে পৌঁছে জম্মু বিভাগের অন্তরে থাকা (Ladha Dhar) এই অক্ষত, নির্মল তুষারপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন (JAMPK)।

     

  • Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ২০২৬–২৭ পেশ করে তিনি এদিন একটি বিস্তৃত স্বদেশি-প্রথম (Swadeshi First Strategy) অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরেন। এতে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে দেশীয় উৎপাদন, প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা এবং ভ্যালু-চেন সংহতকরণ। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী ছ’দফার একটি কাঠামোর কথা ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য স্বদেশি শিল্পকে প্রধান চালিকাশক্তি করে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করা। এই কাঠামোর মাধ্যমে কেবল সংযোজন বা আমদানি-বিকল্পের বাইরে গিয়ে গভীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, রফতানি প্রতিযোগিতা ও দেশীয় মেধাস্বত্ব (IP) গড়ে তোলার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ছ’টি স্তম্ভ (Nirmala Sitharaman)

    অর্থমন্ত্রী যে ছ’টি স্তম্ভের কথা বলেছেন, সেগুলি হল, সাতটি কৌশলগত ও অগ্রগামী খাতে স্বদেশি উৎপাদনের ব্যাপক সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান ও আঞ্চলিক অর্থনীতি রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী শিল্পক্ষেত্রের পুনরুজ্জীবন, লক্ষ্যভিত্তিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমে ‘চ্যাম্পিয়ন’ এমএসএমই গড়ে তোলা, পরিকাঠামোয় বড়সড় বিনিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং নগরভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রথম তিনটি স্তম্ভে স্বদেশি উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, যা প্রযুক্তিগত গভীরতা (Swadeshi First Strategy), দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল এবং কর্মসংস্থাননির্ভর বৃদ্ধির প্রতি সরকারের অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত দেয়। স্বদেশি উদ্যোগের অন্যতম বড় ঘোষণা হল ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন (ISM) ২.০, যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০,০০০ কোটি টাকা। আইএসএম ১.০–এর মাধ্যমে ভারতে সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি (Nirmala Sitharaman) ও ফ্যাব্রিকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছিল। নতুন পর্যায়ে শিল্পনির্ভর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠনের ওপর জোর দেওয়া হবে।

    সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি

    এই পর্যায়ে ভারতীয় প্রয়োজন অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। লক্ষ্য হল, পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্বভিত্তিক যন্ত্র ও উপকরণ উৎপাদন। এর মাধ্যমে কেবল অ্যাসেম্বলির সীমা ছাড়িয়ে সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু-চেনের প্রতি স্তরে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতকে বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বাজেটে বায়োফার্মা শক্তি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এ জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা (Swadeshi First Strategy)। এই উদ্যোগের আওতায় রয়েছে তিনটি নতুন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফার্মাসিউটিক্যাল  (Swadeshi First Strategy)এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (NIPER) স্থাপন, সাতটি এনআইপিইআরের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, ১,০০০টি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল কেন্দ্র গঠন এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO)–কে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা।

    ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি

    স্মার্টফোন, অটোমোবাইল ও প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম ঘোষণা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল গভীর করা এবং স্বদেশি উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো।গুরুত্বপূর্ণ খনিজের কৌশলগত প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে রেয়ার আর্থ করিডর স্থাপনের কথা (Nirmala Sitharaman) ঘোষণা করা হয়েছে। এই করিডরগুলিতে খনন, প্রক্রিয়াকরণ, গবেষণা ও স্থায়ী চুম্বক উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়া হবে, যা বৈদ্যুতিক যান, উইন্ড টারবাইন ও প্রতিরক্ষা খাতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Swadeshi First Strategy)। বিশেষায়িত ও বাল্ক কেমিক্যাল উৎপাদনে ভারতের অবস্থান মজবুত করতে তিনটি বিশেষ কেমিক্যাল পার্ক স্থাপনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শিপিং কন্টেইনার উৎপাদনের জন্য নতুন একটি প্রকল্পও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য হল, আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক স্বদেশি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো।

    উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচি

    বস্ত্র খাতে বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে (Swadeshi First Strategy)। ‘চ্যালেঞ্জ মোড’-এ বড় টেক্সটাইল পার্ক গড়ে তোলা হবে, যেখানে বেসরকারি সংস্থাগুলি দরপত্রের মাধ্যমে পার্ক নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পাবে, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ও মূল্য সংযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং বস্ত্র খাতের জন্য পাঁচ দফার সহায়তা প্যাকেজ। এগুলি হল, প্রাকৃতিক, কৃত্রিম ও আধুনিক ফাইবারে আত্মনির্ভরতা (Nirmala Sitharaman), টেক্সটাইল এক্সপ্যানশন অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট স্কিমে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষণের সুবিধা, ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্প কর্মসূচি, টেক্স-ইকো উদ্যোগে (Swadeshi First Strategy) পরিবেশবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন, সামারাথ ২.০ (SAMARTH 2.0) শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ দক্ষতা উন্নয়ন। এছাড়াও মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য খাদি, হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্পকে ব্র্যান্ডিং, বাজার সংযোগ, প্রশিক্ষণ ও মান নির্ধারণের মাধ্যমে শক্তিশালী করা।

    ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার

    আঞ্চলিক বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের সমস্যা মোকাবিলায় ২০০টি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার পুনরুজ্জীবনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। এমএসএমইদের জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার ‘চ্যাম্পিয়ন ফান্ড’, এবং দুটি হাই-টেক টুল রুম স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। মজবুত উৎপাদনের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কার্বন ক্যাপচার, ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড স্টোরেজ (CCUS) প্রযুক্তির জন্য (Nirmala Sitharaman)। বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা ও ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই স্বদেশির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ আগেই ইলেকট্রনিক্স ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজে (Swadeshi First Strategy) আমদানি নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিল (Swadeshi First Strategy)। বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা বলেন, “আত্মনির্ভরতাকে পথপ্রদর্শক হিসেবে রেখে আমরা দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কমিয়েছি।” পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্ব, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিকাঠামো, রেয়ার আর্থ প্রক্রিয়াকরণ এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্প পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর দিয়ে সরকার ভ্যালু-চেনের উচ্চ স্তরে ওঠার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

  • Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ (Swami Suryananda)। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকায়। গুরুতর জখম হন ওই হিন্দু সাধু (Suvendu Adhikari)। হিন্দু সম্মেলন চলাকালীনই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে আয়োজিত ওই হিন্দু সম্মেলনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন। তবে সমাবেশস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ গুরুতর জখম হন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে।

    হিন্দু সন্ন্যাসী আক্রান্ত (Swami Suryananda)

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামীজি একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখতে যাঁরা হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তাঁদের মতে, মহারাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। ধর্মীয় সমাবেশে কীভাবে হিংসা ছড়াল, সে বিষয়েও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন নীরব। ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে কি না, অথবা ঘটনাটিকে মারধর, দাঙ্গা নাকি হত্যার চেষ্টার মামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। হিন্দু সন্ন্যাসীর আক্রান্ত হওয়ায় খবর পেয়েই মহারাজকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন শুভেন্দু। মহারাজের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটির বিশদ বিবরণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Swami Suryananda)।

    ‘জয় শ্রী রাম’

    শুভেন্দুর দাবি, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ায় সম্মেলনের সময় ওই সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “এটি (জয় শ্রীরাম ধ্বনি) হিন্দু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রকাশমাত্র।” তাঁর দাবি, হাসপাতালের বেড থেকেই স্বামীজি তাঁকে ঘটনার ধারাবিবরণী দেন (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “বুনো জন্তুর মতো তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। স্বামীজির গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। ঘুষি, লাথি ও বুকে আঘাত করাও হয়েছে। হয়েছে মারধর করাও।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মধ্যে যাদের তিনি “জেহাদি” বলে উল্লেখ করেন, তারাও ছিল। তাঁর মতে, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার হত্যার চেষ্টা।

    “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু এই ঘটনাকে “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাতে রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মদত দিচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি নিছক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয় (Suvendu Adhikari)। এটি হিন্দু গর্ব প্রকাশের সাহস দেখানো যে কাউকে লক্ষ্য করে সংগঠিত সন্ত্রাস।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজত্বে হিন্দু সাধুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং ভক্তদের ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশকে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার একটি পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে (Swami Suryananda)।

    সভ্যতার সঙ্কট!

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু জাতপাত ও আঞ্চলিক বিভাজন ভুলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের ওপর হামলা আসলে সমগ্র হিন্দু বিশ্বাস ও পরিচয়ের ওপর আঘাত। তাঁর প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দুরা নীরবে অত্যাচার সহ্য করবে?” শুভেন্দুর মতে, ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সভ্যতার সঙ্কট।এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকেরা কড়া নজর রাখছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে (Swami Suryananda)।

     

  • Budget 2026: বাংলাদেশে অশান্তির জের, বিদেশি অনুদানে ভারত কমাল বরাদ্দ

    Budget 2026: বাংলাদেশে অশান্তির জের, বিদেশি অনুদানে ভারত কমাল বরাদ্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিরার সংসদে বাজেট (Budget 2026) পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বাজেটে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে বিদেশি দেশগুলির জন্য অনুদান বাবদ বরাদ্দ করা হয়েছে ৫,৬৮৫.৫৬ কোটি টাকা। এই তালিকায় ভুটান-ই সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পাওয়া দেশ হিসেবে (Bangladesh Aid Cut) উঠে এসেছে। তবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে বিদেশমন্ত্রক (MEA)-এর জন্য মোট ২২,১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবর্ষে বাজেট অনুমানের ২০,৫১৬ কোটি টাকা এবং সংশোধিত অনুমানের ২১,৭৪২ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। মোট বরাদ্দের মধ্যে ‘কেন্দ্রীয় ক্ষেত্রের প্রকল্প দেশগুলিকে সহায়তা’ খাতে রাখা হয়েছে ৫,৬৮৫.৫৬ কোটি টাকা।

    উন্নয়ন সাহায্য (Budget 2026)

    উন্নয়ন সাহায্য হিসেবে ভুটান পেয়েছে সর্বোচ্চ ২,২৮৮ কোটি টাকা, যা ভারতের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীর প্রতি দেশের অগ্রাধিকারকে তুলে ধরে। নেপাল পেয়েছে ৮০০ কোটি টাকা, আর মলদ্বীপ এবং মরিশাস পেয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা করে। বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। এটি ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষের বাজেট অনুমানের ১২০ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম, যদিও চলতি অর্থবর্ষের সংশোধিত অনুমান ৩৪.৪৮ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং ভারতীয় কূটনৈতিক স্বার্থকে লক্ষ্য করে হওয়া বিক্ষোভের জেরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটেই এই বরাদ্দ হ্রাস করা হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Budget 2026)। সাম্প্রতিক বছরগুলির তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হল ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য এ বার কানাকড়িটিও বরাদ্দ করা হয়নি। অথচ ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা পরে সংশোধিত অনুমানে ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়।

    ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

    এই সিদ্ধান্ত এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে এবং চাবাহার প্রকল্পে ভারতের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত ওয়াশিংটনের ছাড় (waiver) অব্যাহত থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৬ এপ্রিল (Budget 2026)। ভারত ও ইরানের যৌথ উদ্যোগে গড়ে ওঠা চাবাহার বন্দরকে আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও সংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখা হয়। এটি একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক উত্তর–দক্ষিণ পরিবহণ করিডরের (INSTC) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেন্দ্রীয় বাজেটে চাবাহার বন্দরের জন্য কোনও বরাদ্দ না রাখায় কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। কংগ্রেসের এই নেতার অভিযোগ, সরকার “কারও চাপে নতি স্বীকার করছে”। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে ভারতের বিদেশি উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচির মোট পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬,৯৯৭ কোটি টাকা, যা বিদেশমন্ত্রকের মোট বরাদ্দের ৩১ শতাংশের কিছু বেশি।

    কোন দেশ কত পেল

    সরকারি আধিকারিকদের মতে, এই অর্থ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, আবাসন, সড়ক ও সেতুর মতো বৃহৎ পরিকাঠামো প্রকল্প থেকে শুরু করে তৃণমূল স্তরের সমাজ উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় করা হবে। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে শ্রীলঙ্কার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা, আর মায়ানমার পেয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। আফগানিস্তানের জন্য সাহায্যের পরিমাণ বাড়িয়ে ১৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবর্ষে ছিল ১০০ কোটি টাকা, ফলে দেশটির সঙ্গে ভারতের উন্নয়নমূলক সহযোগিতা অব্যাহত থাকছে। আফ্রিকার দেশগুলির জন্য বরাদ্দ অপরিবর্তিত রেখে ২২৫ কোটি টাকাই রাখা হয়েছে (Bangladesh Aid Cut)। আর লাতিন আমেরিকার দেশগুলির জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। বিদেশি দেশগুলিতে দুর্যোগ ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা (Budget 2026)।

     

  • Union Budget 2026: চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থই বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র, কেন জানেন?

    Union Budget 2026: চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থই বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে (Union Budget 2026) ভারত সরকার চাবাহার বন্দর (Chabahar Port) প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করেনি। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে নয়াদিল্লি ইরানের সিস্তান–বালুচিস্তান প্রদেশে অবস্থিত এই চাবাহার বন্দরের উন্নয়নের জন্য বছরে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে আসছিল। চাবাহার ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এটি একটি কানেক্টিভিটি প্রকল্প, যেখানে ভারত অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও তার বাইরের অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্য ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করতে এই বন্দরকে দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    চাবাহার ইরানের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর (Union Budget 2026)

    ওমান উপসাগরের মুখে অবস্থিত চাবাহার ইরানের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর, যা দেশটিকে সরাসরি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের সঙ্গে যুক্ত করে। ইরান–পাকিস্তান সীমান্তের পশ্চিমে অবস্থিত এই বন্দরটির অবস্থান অনেকটাই পাকিস্তানের পূর্ব সীমান্তে থাকা গ্বাদর বন্দরের প্রতিচ্ছবি। গ্বাদর বন্দরটি চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর আওতায় উন্নয়ন করেছে। ফলে চাবাহার কেবল একটি অর্থনৈতিক প্রকল্পই নয়, বরং এই অঞ্চলে চিনা প্রভাবের মোকাবিলায় ভারতের কৌশলগত পাল্টা ভারসাম্য হিসেবেও বিবেচিত হয় (Chabahar Port)। ইরানের কাছে চাবাহার পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমানোর একটি বিকল্প বাণিজ্যপথ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। ভারতের জন্য এই বন্দর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ সুগম করে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতকে স্থলপথে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করতে বাধা দিয়ে আসছে।

    চাবাহারে ভারতের সম্পৃক্ততার ইতিহাস

    চাবাহারে ভারতের সম্পৃক্ততার ইতিহাস দু’দশকেরও বেশি পুরানো। ২০০২ সালে বন্দরের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়, যখন তৎকালীন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তথা বর্তমান রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রজেশ মিশ্রের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরের বছর, ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সঈদ মোহাম্মদ খাতামির ভারত সফরের সময় তিনি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী সহযোগিতার একটি রোডম্যাপে সই করেন, যেখানে চাবাহারকে অন্যতম প্রধান প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয় (Union Budget 2026)। দেশভাগের পর পাকিস্তান একটি শত্রু প্রতিবেশী হিসেবে আবির্ভূত হওয়ায় ইরান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের স্থলপথ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তী প্রায় চার দশক ধরে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল, কারণ ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতি তখন অনেকটাই স্থবির হয়ে গিয়েছিল।

    ভারত ও ইরানের সহযোগিতা

    ১৯৯৬ সালে আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখল করার পর ভারত ও ইরানের সহযোগিতা আরও গভীর হয়। পাকিস্তান-সমর্থিত এই সুন্নি ইসলামি গোষ্ঠীর বিরোধিতা করে উভয় দেশই আহমদ শাহ মাসুদের নেতৃত্বাধীন নর্দান অ্যালায়েন্সকে সমর্থন করে। পাকিস্তানের কারণে আফগানিস্তানে স্থলপথে প্রবেশাধিকার না পাওয়ায় বিকল্প যোগাযোগপথ খোঁজা ভারতের কাছে ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়ে। চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় পাকিস্তানে গ্বাদর বন্দর উন্নয়নের কাজ শুরু হওয়ার পর চাবাহারের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। নয়াদিল্লির চোখে চাবাহার শুধু অর্থনৈতিক সংযোগের মাধ্যম নয়, বরং এই অঞ্চলে চিনের প্রভাব খর্ব করার একটি কৌশলগত হাতিয়ার (Chabahar Port)। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও চাবাহার বন্দরে ভারতের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ছ’মাসের ছাড় দেয়। সেই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২৬ এপ্রিল (Union Budget 2026)।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের বক্তব্য

    গত মাসে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, চাবাহার ইস্যুতে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলির ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পরেই এই মন্তব্য ভেসে আসে। সেই প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লি নিজেদের বিকল্প পথ খতিয়ে দেখছে বলেও খবর। জয়সওয়াল বলেন, “আপনারা জানেন, ২৮ অক্টোবর মার্কিন ট্রেজারি দফতর একটি চিঠির মাধ্যমে শর্তসাপেক্ষ নিষেধাজ্ঞা ছাড় সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল, যার মেয়াদ ২৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। এই ব্যবস্থাটি কার্যকর রাখতে আমরা আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছি।”

    এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ২০১৮ সালে চাবাহার প্রকল্পের জন্য দেওয়া নিষেধাজ্ঞা ছাড় প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেও পরে ভারতকে ছ’মাসের জন্য ছাড় দেয়। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা ফের বাড়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা (Chabahar Port) দেশগুলির ওপর নতুন করে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার কথা ঘোষণা করেন (Union Budget 2026)।

     

  • Union Budget: নির্মলার বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব মহিলা উদ্যোক্তা সৃষ্টির ওপর

    Union Budget: নির্মলার বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব মহিলা উদ্যোক্তা সৃষ্টির ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন যে বাজেট (Union Budget) পেশ করেছেন, তাতে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, লাখপতি দিদি প্রকল্পের (Lakhpati Didi Scheme) সাফল্যের ভিত্তিতে সরকার মহিলাদের ঋণনির্ভর জীবিকা থেকে উদ্যোক্তায় রূপান্তরিত করতে সাহায্য করতে চায়। বাজেটে মহিলাদের জন্য স্বনির্ভর উদ্যোক্তা গোষ্ঠীকে (Self-Help Entrepreneurs) কমিউনিটি-মালিকানাধীন খুচরো বিপণন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে তৃণমূল স্তরে উদ্যোক্তা কার্যক্রম জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মহিলা-নেতৃত্বাধীন স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি স্থানীয় খুচরো বিপণন নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতে পারবেন, মহিলাদের তৈরি পণ্যের বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে এবং কমিউনিটি স্তরে স্থায়ী জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    নারী উদ্যোক্তাকেন্দ্রিক নীতিগত উদ্যোগ (Union Budget)

    গত বছরে লিঙ্গভিত্তিক বাজেট বরাদ্দে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, নারী উদ্যোক্তাকেন্দ্রিক নীতিগত উদ্যোগ এবং লাখপতি দিদি প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় অর্থমন্ত্রী ‘শি-মার্টস (She-Marts)’ চালুর কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন,
    “লাখপতি দিদি প্রকল্পের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে আমি প্রস্তাব রাখছি, যাতে নারীরা ঋণ-নির্ভর জীবিকা থেকে এক ধাপ এগিয়ে উদ্যোগের মালিক হতে পারেন। উন্নত ও উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্লাস্টার উন্নয়ন ফেডারেশনের আওতায় কমিউনিটি-মালিকানাধীন খুচরো বিপণন কেন্দ্র হিসেবে শি-মার্টস স্থাপন করা হবে (Union Budget)।” লাখপতি দিদি প্রকল্প হল কেন্দ্রের একটি উদ্যোগ, যার লক্ষ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলা। এই প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট নারীদের ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, প্রকল্পের অধীনে নেওয়া ঋণের ওপর সুদের ভর্তুকির ব্যবস্থাও রয়েছে, যাতে উপভোক্তাদের আর্থিক চাপ কমে।

    নারীদের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ

    বাজেট ২০২৬-এর অধীনে উন্নীত লাখপতি দিদি প্রকল্প নারীদের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ আরও প্রসারিত করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন নারীদের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়বে, তেমনি দেশজুড়ে তাদের তৈরি পণ্য বিক্রির জন্য আরও বেশি খুচরো বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর ফলে নারীরা বাজারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে পারবেন এবং স্থায়ী রোজগারের উৎস তৈরি করতে পারবেন (Lakhpati Didi Scheme)। গ্রাম ও শহর—উভয় এলাকায়ই মহিলাদের জন্য নতুন আর্থিক সুযোগ সৃষ্টি হবে (Union Budget)।

     

  • Union Budget 2026: দেশের চার রাজ্যে পৃথক রেয়ার আর্থ করিডর গড়ার প্রস্তাব নির্মলার

    Union Budget 2026: দেশের চার রাজ্যে পৃথক রেয়ার আর্থ করিডর গড়ার প্রস্তাব নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সংসদে পেশ হল কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026)। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ও কেরালায় পৃথক রেয়ার আর্থ করিডর (Rare Earth Corridors) গঠনের প্রস্তাব দেন। এর লক্ষ্য হল, রেয়ার আর্থ উপাদান ও স্থায়ী চুম্বকের খনন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনে ভারতের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা জোরদার করা। অর্থমন্ত্রী বলেন, “খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ রাজ্যগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকার লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেবে, যাতে খনন ও পরিশোধন থেকে শুরু করে গবেষণা এবং উচ্চমানের উৎপাদন পর্যন্ত পুরো মূল্যশৃঙ্খলকে উন্নত করা যায়। এই খাতগুলি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, ইলেকট্রনিক্স, প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও ইলেকট্রিক মোবিলিটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম (Union Budget 2026)

    বাজেট ভাষণে সীতারামন বলেন, “এই বাজেটে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিমের বরাদ্দ ২২,৯৯৯ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০,০০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি আইএসএম ২.০, রেয়ার আর্থ করিডর এবং পৃথক কেমিক্যাল পার্কের মতো নতুন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।” এই প্রস্তাবটি (Union Budget 2026) ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে চালু হওয়া রেয়ার আর্থ পার্মানেন্ট ম্যাগনেট স্কিমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। সরকারের মতে, নতুন করিডরগুলি বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের বদলে খনন, প্রক্রিয়াকরণ, উদ্ভাবন ও উৎপাদনকে একসূত্রে যুক্ত করে সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে সহায়তার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। রেয়ার আর্থ উপাদান মোট ১৭টি খনিজের একটি গোষ্ঠী, যা ইলেকট্রিক যানবাহনের মোটর, বায়ু টারবাইন, স্মার্টফোন, সেমিকন্ডাক্টর, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং উচ্চ-নির্ভুল ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ভারত তার প্রয়োজনের একটি বড় অংশ আমদানি করে, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্রগুলি বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নের ঝুঁকিতে রয়েছে।

    চিনের আধিপত্য

    বিশ্বব্যাপী রেয়ার আর্থ উৎপাদন ও পরিশোধন ক্ষমতায় (Union Budget 2026) চিনের আধিপত্য রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে চিন গুরুত্বপূর্ণ খনিজের রফতানিতে কড়াকড়ি করেছে। এর ফলে ভারত-সহ বিভিন্ন উৎপাদননির্ভর অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে (Rare Earth Corridors)। প্রস্তাবিত করিডরগুলির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ক্ষেত্রে ভারতের কৌশলগত স্বনির্ভরতা গড়ে তোলা, আমদানি-নির্ভরতা কমানো এবং ভূ-রাজনৈতিক ও সরবরাহ শৃঙ্খলজনিত ধাক্কা থেকে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া হবে বলেই আশা। চিহ্নিত চারটি রাজ্যের মধ্যে তামিলনাড়ু ও কেরালায় বিস্তৃত উপকূলীয় খনিজ ভান্ডার রয়েছে, বিশেষত মনাজাইটসমৃদ্ধ বালু, যেখানে রেয়ার আর্থ উপাদান মেলে। বাজেটের এই প্রস্তাব বিনিয়োগ প্রবাহ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্প সম্প্রসারণে সম্ভাব্য প্রভাবের দিক থেকে নিবিড়ভাবে পর্যালোচিত হবে, বিশেষ করে নির্বাচনের আগে।

    ‘প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে’ মডেল

    একটি বৃহত্তর শিল্প ও সরবরাহ শৃঙ্খল কৌশলের অংশ হিসেবে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন রাজ্যগুলিকে সহায়তা দিতে একটি চ্যালেঞ্জ-ভিত্তিক প্রকল্প ঘোষণাও করেছেন, যার আওতায় তিনটি বিশেষায়িত রাসায়নিক পার্ক স্থাপন করা হবে। এই পার্কগুলি ক্লাস্টারভিত্তিক, ‘প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে’ মডেলে গড়ে তোলা হবে, যার লক্ষ্য দেশীয় রাসায়নিক উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমদানি-নির্ভরতা আরও কমানো (Union Budget 2026)। রেয়ার আর্থ করিডর ও রাসায়নিক পার্ক—এই দুই উদ্যোগ একত্রে মূলধনী পণ্য উৎপাদন জোরদার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে, এমন একটা সময়ে যখন কৌশলগত খনিজের জন্য বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা তীব্রতর হচ্ছে। এই বাজেট প্রস্তাব আগামী দশকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও উন্নত উৎপাদনের ক্ষেত্রে (Rare Earth Corridors) ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বনির্ভর কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অভিপ্রায় স্পষ্ট করে (Union Budget 2026)।

     

LinkedIn
Share