Tag: bangla news

bangla news

  • Ramakrishna 641: “সরল মূর্খ দেখে পাছে লোকে সব ধরে পড়ে,  সরল মূর্খ পাছে সব দিয়ে ফেলে! একে কলিতে ধ্যান-জপ নাই”

    Ramakrishna 641: “সরল মূর্খ দেখে পাছে লোকে সব ধরে পড়ে,  সরল মূর্খ পাছে সব দিয়ে ফেলে! একে কলিতে ধ্যান-জপ নাই”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৫ই মার্চ
    সমাধিমন্দিরে

    পরদিন সকাল বেলা। আজ সোমবার, ৩রা চৈত্র; ১৫ই মার্চ, (১৮৮৬)। বেলা ৭টা-৮টা হইবে। ঠাকুর (Ramakrishna) একটু সামলাইয়াছেন ও ভক্তদের সহিত আস্তে আস্তে, কখনও ইশারা করিয়া কথা কহিতেছেন। কাছে নরেন্দ্র, রাখাল, মাস্টার, লাটু, সিঁথির গোপাল প্রভৃতি।

    ভক্তদের মুখে কথা নাই, ঠাকুরের পূর্বরাত্রির দেহের অবস্থা স্মরণ করিয়া তাঁহারা বিষাদগম্ভীর মুখে চুপ (Kathamrita) করিয়া বসিয়া আছেন।

    ঠাকুরের দর্শন, ঈশ্বর, জীব, জগৎ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের দিকে তাকাইয়া, ভক্তদের প্রতি) — কি দেখছি জানো? তিনি সব হয়েছেন! মানুষ আর যা জীব দেখছি, যেন চামড়ার সব তয়েরি — তার ভিতর থেকে তিনিই হাত পা মাথা নাড়ছেন! যেমন একবার দেখেছিলাম — মোমের বাড়ি, বাগান, রাস্তা, মানুষ গরু সব মোমের — সব এক জিনিসে তয়েরি।

    “দেখছি — সে-ই কামার, সে-ই বলি, সে-ই হাড়িকাট হয়েছে!”

    ঠাকুর কি বলিতেছেন, জীবের দুঃখে কাতর হইয়া তিনি নিজের শরীর জীবের মঙ্গলের জন্য বলিদান দিতেছেন?

    ঈশ্বরই কামার, বলি, হাড়িকাট হইয়াছেন। এই কথা বলিতে বলিতে ঠাকুর ভাবে বিভোর হইয়া বলিতেছেন (Kathamrita)— “আহা! আহা!”

    আবার সেই ভাববস্থা! ঠাকুর বাহ্যশূন্য হইতেছেন। ভক্তেরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইয়া চুপ করিয়া বসিয়া আছেন।

    ঠাকুর একটু প্রকৃতিস্থ হইয়া বলিতেছেন — “এখন আমার কোনও কষ্ট নাই, ঠিক পূর্বাবস্থা।”

    ঠাকুরের (Ramakrishna) এই সুখ-দুঃখের অতীত অবস্থা দেখিয়া ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া রহিয়াছেন। লাটুর দিকে তাকাইয়া আবার বলিতেছেন —

    “ওই লোটো — মাথায় হাত দিয়ে বসে রয়েছে, — তিনিই (ঈশ্বরই) মাথায় হাত দিয়ে যেন রয়েছেন!”

    ঠাকুর (Ramakrishna) ভক্তদের দেখিতেছেন ও স্নেহে যেন বিগলিত হইতেছেন। যেমন শিশুকে আদর করে, সেইরূপ রাখাল ও নরেন্দ্রকে আদর করিতেছেন! তাঁহাদের মুখে হাত বুলাইয়া আদর করিতেছেন!

    কেন লীলা সংবরণ

    কিয়ৎপরে মাস্টারকে বলিতেছেন, “শরীরটা কিছুদিন থাকত, লোকদের চৈতন্য হত।” ঠাকুর আবার চুপ করিয়া আছেন।

    ঠাকুর আবার বলিতেছেন — “তা রাখবে না।”

    ভক্তেরা ভাবিতেছেন (Kathamrita), ঠাকুর আবার কি বলিবেন। ঠাকুর আবার বলিতেছেন, “তা রাখবে না, — সরল মূর্খ দেখে পাছে লোকে সব ধরে পড়ে। সরল মূর্খ পাছে সব দিয়ে ফেলে! একে কলিতে ধ্যান-জপ নাই।”

    রাখাল (সস্নেহে) — আপনি বলুন — যাতে আপনার দেহ থাকে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — সে ঈশ্বরের ইচ্ছা।

    নরেন্দ্র — আপনার ইচ্ছা আর ঈশ্বরের ইচ্ছা এক হয়ে গেছে।

    ঠাকুর (Ramakrishna) একটু চুপ করিয়া আছেন — যেন কি ভাবিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্র, রাখালাদি ভক্তের প্রতি) — আর বললে কই হয়?

    “এখন দেখছি এক হয়ে গেছে। ননদিনীর ভয়ে কৃষ্ণকে শ্রীমতী বললেন, ‘তুমি হৃদয়ের ভিতর থাকো’। যখন আবার ব্যাকুল হয়ে কৃষ্ণকে দর্শন করিতে চাইলেন; — এমনি ব্যাকুলতা — খেমন বেড়াল আঁচড় পাঁচড় করে, — তখন কিন্তু আর বেরয় না!”

    রাখাল (ভক্তদের প্রতি, মৃদুস্বরে) — গৌর অবতারের কথা বলছেন।

  • Mamata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগে অস্বীকার করায় বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি

    Mamata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগে অস্বীকার করায় বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এক নজিরবিহীন সাংবিধানিক সংকটের সাক্ষী থাকল রাজ্য। নির্বাচনী বিপর্যয়ের পরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) পদত্যাগে অস্বীকার করায় শেষ পর্যন্ত বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি (R N Ravi)।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের আসন সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮০-তে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন।

    অচলাবস্থার মূল কারণ (Mamata Banerjee)

    সাধারণত পরাজয়ের পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের (R N Ravi) কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন না। তাঁর অভিযোগ:

    • নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলে ‘ভোট লুট’ করেছে।
    • নির্বাচনী ফলাফলকে তিনি ‘চক্রান্ত’ এবং ‘জালিয়াতি’ বলে অভিহিত করেছেন।
    • তাঁর দাবি, জনমতকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাই নৈতিকভাবে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য নন।রাজ্যপালের কড়া পদক্ষেপ

    রাজ্য সরকারের বর্তমান মেয়াদের শেষ দিন ছিল ৭ মে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মুখ্যমন্ত্রী স্বেচ্ছায় পদ না ছাড়ায় এবং নতুন সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত না হওয়ায় সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি (R N Ravi)। বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাজ্যপালের এই পদক্ষেপের ফলে বিদায়ী মন্ত্রিসভার আইনি বৈধতা আর রইল না।

    আইনি বিশেষজ্ঞদের মত

    প্রবীণ আইনজীবীদের মতে, যখন কোনও সরকার নির্বাচনে গরিষ্ঠতা হারায় এবং মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেন, তখন রাজ্যপালের হাতে বিধানসভা ভেঙে দেওয়া ছাড়া আর কোনও বিকল্প থাকে না। পরিস্থিতি জটিল হলে পুলিশি সহায়তায় প্রশাসনিক ভবন খালি করার মতো কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি শিবির এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছে এবং দ্রুত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। অন্যদিকে, অখিলেশ যাদবের মতো বিরোধী নেতারা কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে দেখা করেছেন। রাজ্য রাজনীতির এই উত্তাল পরিস্থিতিতে এখন সবার নজর নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার দিকে।

  • Suvendu Adhikari: ‘আমি ভবানীপুরে না জিতলে চন্দ্রনাথ টার্গেট হত না’, নাম না করে তৃণমূলের দিকে সরাসরি অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘আমি ভবানীপুরে না জিতলে চন্দ্রনাথ টার্গেট হত না’, নাম না করে তৃণমূলের দিকে সরাসরি অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) না জিতলে চন্দ্রনাথকে এভাবে খুন হতে হত না। চন্দ্রনাথের মৃত্যু ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে মন্তব্য করলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “আমার সহায়ক না হলে হয়ত চন্দ্রনাথকে চলে যেতে হত না।” শুভেন্দুর দাবি, ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে, সুপারি কিলার এনে খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। শুভেন্দু বলেন, “বিরোধী দলনেতার সরকারি এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গুলি চালানো হয়েছে। ১০ বছর তিনি এয়ারফোর্সে কাজ করেছেন। এখন আমার মনে হচ্ছে, বাড়ির লোক হয়ত ভাবতেই পারেন, আমার সহায়ক না হতেন, আমি যদি ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীকে না হারাতাম, তাহলে ৩৮ বছরের যুবককে এভাবে চলে যেতে হত না। তাঁর অপরাধ ছিল, তিনি শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক।”

    চন্দ্রনাথের মৃত্যু ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’

    চন্দ্রনাথের মৃত্যুকে ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে অভিহিত করেছেন শুভেন্দু। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনি উপায়ে ফাঁসিতে ঝোলানোর আর্জি জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari PA Death) বলেন, “ঠান্ডা মাথায় রেকি করে খুন করা হল। তদন্তকারীদের কাছে আমার প্রার্থনা, এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকটা লোককে খুঁজে বার করে আইনি পথে ফাঁসিতে ঝোলানো হোক।” বুধবার রাতে আপ্তসহায়কের মৃত্যুর খবর পেয়েই মধ্যমগ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের পর দেহ বের করার সময়ও সেখানে দেখা গেল শুভেন্দুকে। সঙ্গে আরও দুই বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতো এবং অন্যান্য নেতারা।

    বুকের স্কেচ তৈরি করে গুলি

    বৃহস্পতিবার শুভেন্দু জানিয়েছেন, রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। ডিজি শুভেন্দুকে জানিয়েছেন, খুনে ব্যবহৃত মোটরবাইকটি ঘটনাস্থল থেকে চার কিলোমিটার দূরে পাওয়া গিয়েছে। শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, “গত ৩-৪ দিন ধরে রেইকি করে, যেভাবে পাঁচটি বুলেট তাঁর শরীরে বিদ্ধ করা হয়েছে, যেভাবে তাঁর বুকের স্কেচ তৈরি করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তাতে নিন্দা আর দুঃখপ্রকাশ করার ভাষা পাচ্ছি না।” শুভেন্দু এ-ও জানিয়েছেন যে, চন্দ্রনাথের চণ্ডীপুরের বাড়িতেও যাবেন তিনি। সেখানে পূর্ব মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ এবং বিধায়কেরা সকলে রয়েছেন বলে জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, আমার কর্তব্য হল, চন্দ্রনাথের স্ত্রী-কন্যাসন্তানকে দেখা।”

    বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন

    বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে। গাড়িচালকও গুলিবিদ্ধ হন। দু’জনকেই প্রথমে মধ্যমগ্রামের এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপর জনকে কলকাতায় বাইপাসের ধারে এক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। নিহত চন্দ্রনাথের দেহ বুধবার রাতেই নিয়ে যাওয়া হয় বারাসত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের মর্গে। চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। এই তদন্তকারী দলে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের পাশাপাশি সিআইডি-র আধিকারিকেরাও রয়েছেন।

  • Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনেই এক বছর আগে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর পর এই অভিযান চালানো হয়। ভারতের জানিয়েছিল, পাকিস্তান-সমর্থিত ও প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাই ওই হামলার সঙ্গে জড়িত।

    ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় পাকিস্তানের

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানঘাঁটির কংক্রিট হ্যাঙ্গার, এয়ারফ্রেম এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা রেডার ব্যবস্থা। ভারতীয় বাহিনীর ব্রহ্মোস ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং নির্ভুল গাইডেড গ্লাইড বোমার আঘাতে এই ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছিল। ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় রাতের আকাশ জুড়ে বিশাল অগ্নিগোলক দেখা যায়। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জঙ্গি শিবির এবং সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছিল ভারত। সেই বিস্ফোরণের ছবি আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার কেন্দ্রে আসে।

    “ভারত ক্ষমা করে না”

    বৃহস্পতিবা, রাত ১টা ৫ মিনিটে ভারতীয় বায়ুসেনা তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে অপারেশন সিঁদুরের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের একটি ভিডিও প্রকাশ করে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, গত বছরের ৭ মে রাত ১টা ৫ মিনিটেই ভারত প্রথম দফার হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানের ভিতরে জঙ্গি ও সামরিক ঘাঁটির উপর। প্রকাশিত ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কণ্ঠে শোনা যায়, “ভারত প্রতিটি জঙ্গি এবং তাদের মদতদাতাদের চিহ্নিত করবে, খুঁজে বের করবে এবং শাস্তি দেবে।” ভিডিওর সঙ্গে ভারতীয় বায়ুসেনা একটি কড়া বার্তাও পোস্ট করে। সেখানে লেখা হয়, “অপারেশন সিঁদুর। ন্যায় প্রতিষ্ঠিত। পদক্ষেপে নিখুঁত, স্মৃতিতে চিরন্তন—অপারেশন সিঁদুর অব্যাহত। ভারত কিছু ভোলে না। ভারত ক্ষমা করে না।”

    পাঁচ দশকের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ

    ভারতের সামরিক সূত্রে দাবি, গত প্রায় পাঁচ দশকের মধ্যে এটি ছিল দেশের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ অভিযান। সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসে পাকিস্তানের মদতের জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা ভারতের কৌশলগত ও নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি নিশানা করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এর মধ্যে ছিল বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর, মুরিদকেতে লস্কর-ই-তইবার ঘাঁটি, সিয়ালকোটের মেহমুনা জোয়া, মুজফফরাবাদের সাওয়াই নালা ও সৈয়দ না বিলাল, কোটলির গুলপুর ও আব্বাস, ভিম্বরের বারনালা এবং সারজাল এলাকা। ভারতীয় হামলার তীব্রতা ও কার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন গত বছরের ৯ মে বিকেলে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার দিকে এগোয় বলে দাবি করা হয়। যদিও আরও প্রায় দু’দিন সংঘর্ষ চলেছিল, তবুও ভারতের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সামরিক চাপ সহ্য করতে পাকিস্তান ব্যর্থ হয়েছিল।

  • Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও বীরত্বকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) প্রোফাইলের ডিসপ্লে ছবি পরিবর্তন করলেন। নতুন ডিসপ্লেতে স্থান পেয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রতীকী ছবি, যা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ৭ মে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor Anniversary)। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (PoJK)-এ অবস্থিত একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে নিশানা করে অভিযান চালায়। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের মোট ৯টি বড় জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ধ্বংস করা হয়। অভিযানে ১০০-রও বেশি জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে দাবি ভারতের।

    সেনাবাহিনীকে স্যালুট প্রধানমন্ত্রী মোদির

    পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে গত বছর ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। বৃহস্পতিবার তার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সেনাবাহিনীর জয়গান গাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, “সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করার সংকল্পে অটল ভারত।” বৃহস্পতিবার মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘এই অভিযানে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী অতুলনীয় সাহস, নির্ভুলতা এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রদর্শন করেছে। অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থান এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অভিযান ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব, প্রস্তুতি এবং তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তির পরিচয় দিয়েছে। গোটা দেশ সেনাবাহিনীকে স্যালুট জানায়। সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করতে করতে ভারত নিজের সংকল্পে অটল রয়েছে।”

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ

    অন্যদিকে, এদিন সকালে সেনাবাহিনীর তরফেও ভিডিও প্রকাশ করে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়। বলা হয়, “সন্ত্রাসবাদীদের রেহাই নেই। জঙ্গিদের খুঁজে খুঁজে শাস্তি দেবে ভারত।” এদিন অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “অপারেশন সিঁদুর আমাদের জাতীয় সংকল্প ও প্রস্তুতির শক্তিশালী প্রতীক। এই অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে নিখুঁত সমন্বয়, আধুনিক কৌশল ও দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের সামরিক অভিযানের জন্যও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই অভিযান আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতারও প্রমাণ বহন করে।”

  • Samik Bhattacharya: “সিংহ স্থবির বলে কেউ যদি মনে করে পদাঘাত করবে, ভুল করছে”, শুভেন্দুর পিএ খুনে প্রতিক্রিয়া শমীকের

    Samik Bhattacharya: “সিংহ স্থবির বলে কেউ যদি মনে করে পদাঘাত করবে, ভুল করছে”, শুভেন্দুর পিএ খুনে প্রতিক্রিয়া শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিংহ স্থবির বলে কেউ যদি মনে করে পদাঘাত করবে, ভুল করছে। আমরাও তৃণমূলের ভাষায় কথা বলতে জানি, কথা বলতে পারি।” শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ  খুনে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

    শমীকের প্রতিক্রিয়া (Samik Bhattacharya)

    তিনি বলেন, “আমরা জিতলাম। আর আমাদেরই ৩ জন কর্মী মারা গেলেন? আমাদের কি ক্ষমতা নেই? তাও বলছি না, বলব না। এটাই হচ্ছে আমাদের স্ট্যান্ড। কিন্তু এই যে ঘটনা ঘটল যার সঙ্গে রাজনীতির দূর দূর পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই, তিনি একজনের আপ্ত সহায়ক। একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি। একজন প্রাক্তন সেনাকর্মী। আজ তাঁকে এভাবে মারার উদ্দেশ্যটা কী? এটা সম্পূর্ণভাবেই একটা পরিকল্পিত, প্রতিহিংসাজনিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড (Suvendu Adhikari PA Murder)।” বঙ্গ বিজেপির কান্ডারি বলেন, “পুলিশ তদন্ত করছে। পরে তারা জানাবে। তবে গতকালের (বুধবার রাতের) ঘটনা প্রমাণ করে দিল পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা এই মুহূর্তে কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত প্রশাসনকে ধ্বংস করেছে। পুলিশের রাজনীতিকরণ সম্পূর্ণ করেছে। সমস্ত অপরাধীর ভয় মুক্ত করেছে। অপরাধীরা মনে করছে, এটা স্বর্গরাজ্য। বারাসত ও মধ্যমগ্রাম সীমান্ত থেকে খুব দূরে নয়। বহু ধরনের সমাজ- বিরোধী কার্যকলাপ এখানে দিনের পর দিন হয়েছে।”

    জালিয়াতির কারবার

    শমীক বলেন, “জাল আধার কার্ড তৈরি, জাল রেশনকার্ড তৈরি, জাল এপিক তৈরির কাজও এই বারাসত ও মধ্যমগ্রাম থেকে চলছে। ভারতের যে প্রান্তেই অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে, তাদের জেরা করে জানা গিয়েছে, তারা কার্ড জোগাড় করেছে এখান থেকে। সেই কারণেই এটা স্পর্শকাতর অঞ্চল।” বঙ্গ বিজেপির প্রধান বলেন, “এখানে যেভাবে (Samik Bhattacharya) এই হত্যাকাণ্ড হল, কার্যত সেটা একটাই বার্তা দেওয়ার জন্য হল? মানে এটা প্রধানমন্ত্রী ২ দিন পর আসছেন, তাঁকে বার্তা দেওয়ার জন্য? এই ধরনের উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। বিভিন্ন জায়গায় অস্থিরতা চলছে, এটা আমি অস্বীকার করছি না। আমি আমার দলের কর্মী ও প্রশাসনকে বার্তা দিয়েছি, কেউ যদি কোনও জায়গায় কোনও অশান্তি তৈরি করে, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু এটা কী হল?”

    কী বললেন সজল ঘোষ?

    এই ঘটনায় (Suvendu Adhikari PA Murder) কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বরানগরের সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক বিজেপির সজল ঘোষও। তিনি বলেন, “এটা কামড় হলে, এবার ওদের দাঁত ভাঙা হবে। এই খুন, আর যাই হোক, পাড়ার গুন্ডারা করেনি। এটা দক্ষিণ কলকাতার প্ল্যান। দেখলাম, ৩টে নয়, ৫টা গুলি লেগেছে। ৫ খানা গুলি লেগেছে! এটা কিছুই নয়, শুভেন্দুকে ওয়ার্নিং দেওয়া, শুভেন্দুকে চমকানো। কিছু একটা হবে। তবে আর যাই হোক, ওঁকে মারার পেছনে কোনও পাড়ার গুন্ডা থাকতে পারে না।” প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারিকের আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে (Suvendu Adhikari PA Murder)। তার জেরেই আসছে (Samik Bhattacharya) বিজেপির একের পর এক নেতার প্রতিক্রিয়া।

  • Chandranath Rath: চন্দ্রনাথকে খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত খুনিদের বাইক উদ্ধার করল পুলিশ, মিলেছে আরও চাঞ্চাল্যকর তথ্য

    Chandranath Rath: চন্দ্রনাথকে খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত খুনিদের বাইক উদ্ধার করল পুলিশ, মিলেছে আরও চাঞ্চাল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari PA) আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath) নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। চন্দ্রনাথ রথকে হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত বাইক উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে এই বাইকে করে চেপেই পালিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এ বার ওই দু’টি বাইকের মধ্যে একটি বাইক উদ্ধার করল পুলিশ। অপরটির খোঁজ এখনও চলছে। তবে বাইকটি কোন এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে জানা যায়নি। আবার এই অপরাধে ব্যবহৃত ঘাতক গাড়িটির নম্বর প্লেট এবং চেসিস নম্বর নিয়ে চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গাড়ির মালিক উইলিয়াম জোশেফ জানিয়েছেন, “গাড়িটি বিক্রির জন্য আমি ইন্টারনেটে দিয়েছিলাম।” এরপর মাটিগাড়া থানায় পুলিশরা তাঁর গাড়ির পুরো ভেরিফিকেশন করেছে।

    নম্বর প্লেট ও চেসিস নম্বরে কারসাজি (Chandranath Rath)

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, চন্দ্রনাথ (Chandranath Rath) খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটির নম্বর প্লেটটি পরিকল্পিতভাবে জালিয়াতি করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গাড়িটির পরিচয় মুছে ফেলতে বনেট, দরজা এবং অন্যান্য অংশ থেকে চেসিস নম্বর ঘষে তুলে দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কোনও পেশাদার অপরাধী গোষ্ঠী ছাড়া এত নিখুঁতভাবে গাড়ির পরিচয় গোপন করা সম্ভব নয় বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।

    গাড়ির মালিকানা নিয়ে বিভ্রান্তি

    শুভেন্দুর পিএ খুনের (Suvendu Adhikari PA) তদন্তে দেখা গিয়েছে, গাড়িটির যে নম্বর প্লেট ব্যবহার করা হয়েছিল, তা উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির বাসিন্দা উইলিয়াম জোসেফ নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত। তিনি পেশায় চা-শিল্পের কর্মী। তবে পুলিশ (Chandranath Rath)  তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন, তাঁর গাড়িটি বর্তমানে শিলিগুড়িতেই রয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট হয় যে, অপরাধীরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আসল গাড়ির মডেল ও নম্বর নকল করে এই ‘ভুয়ো’ গাড়িটি তৈরি করেছিল।

    হামলার ধরন ও নৃশংসতা

    ঘটনাটি ঘটে রাত ১০টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে, যখন চন্দ্রনাথ রথ মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তদন্তে জানা গিয়েছে যা যা তা হল–

    তিনজন এই হত্যার (Suvendu Adhikari PA) হামলায় অংশ নেয়। একজন গাড়ি চালক এবং বাকি দুইজন মোটরসাইকেলে। ঘাতক গাড়িটি চন্দ্রনাথের (Chandranath Rath) গাড়ির সামনে আড়াআড়িভাবে দাঁড়িয়ে গতিরোধ করে। এরপর মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ির জানলার কাঁচে বন্দুক ঠেকিয়ে চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত করতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়। তিনটি গুলি লাগে চন্দ্রনাথের শরীরে।

    ৬ ঘণ্টা ধরে রেকি

    চারচাকা গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ি মাঝরাস্তায় আটকেছিল, সেটি বুধবার বিকেল ৩টে ৫৭ মিনিট নাগাদ দোলতলা সাহারা ব্রিজের কাছে দেখা গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজে। অর্থাৎ খুনের প্রায় ৬ ঘণ্টা আগে মধ্যমগ্রাম এলাকায় ঢুকে গিয়েছিল গাড়িটি। পুলিশের অনুমান, এরপর চন্দ্রনাথের বাড়ির কাছে ওই গাড়ি নিয়ে রেকি করেছিল আততায়ীরা, কীভাবে খুন করা যায় তার পরিকল্পনা ছকে নেওয়া হয়েছিল বলে অনুমান পুলিশের। খুনের আগে পিছন থেকে এসে আচমকা চন্দ্রনাথের গাড়ির গতি আটকায় এই চারচাকা গাড়িটি।

    পুলিশের পদক্ষেপ

    রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক (ডিজি) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, বারাসাত ও মধ্যমগ্রাম এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই খুনের (Suvendu Adhikari PA) রহস্য উদ্ঘাটনে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এখন কাজ করছে। বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগীর এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং তাতে ব্যবহৃত গাড়ির পরিচয় লোপাটের এই নয়া তথ্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

  • West Bengal election: “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার”, নতুন গান ও স্লোগান রিলিজ বিজেপির, রয়েছেন মোদি, শুভেন্দু-শমীক

    West Bengal election: “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার”, নতুন গান ও স্লোগান রিলিজ বিজেপির, রয়েছেন মোদি, শুভেন্দু-শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal election) জয়ের পর ভারতীয় জনতা পার্টি (West Bengal BJP) তাদের সাফল্যের উদ্‌যাপনে নতুন গান ও স্লোগান প্রকাশ করেছে। ভোট প্রচারে স্লোগান ছিল ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’। পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পরে নতুন স্লোগান বাঁধল পদ্মশিবির। এবারের গান “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার। বাঁধল নতুন গানও।”

    স্লোগানে পরিবর্তন (West Bengal election)

    নির্বাচনের (West Bengal election) আগে বিজেপির প্রধান স্লোগান ছিল—“পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” জয়ের পর সেই স্লোগান পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে—“পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার।” ক্ষমতায় আসার পরে সেই গান এবং স্লোগান উদ্‌যাপন করতে নতুন গান প্রকাশ্যে আনল পদ্মশিবির। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেখানে প্রতিশ্রুতি পূরণের বার্তার পাশাপাশি রইল মোদির মুখে ‘জয় মা কালী’ ধ্বনি। গানের সুরে রয়েছে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও। দলের তরফে দুই মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি নতুন গান প্রকাশ করা হয়েছে। এই গানে নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের অঙ্গীকার করা হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি (West Bengal BJP) প্রসঙ্গে গানে বলা হয়েছে শিক্ষা হবে উর্ধ্বগামী সিঁড়ি। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং রাজ্যে তথাকথিত ‘দাদাগিরি’র সংস্কৃতির অবসানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষঙ্গ

    গানের ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কণ্ঠে ‘জয় মা কালী’ ধ্বনি এবং আবহ সঙ্গীতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি (West Bengal BJP) ব্যবহার করা হয়েছে, যা দলের আদর্শগত অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। শিক্ষা এ বার ‘ঊর্ধ্বগামী সিঁড়ি’তে পা রাখবে। রাজ্যে আর ‘বেকারত্ব থাকবে না’, সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে নতুন গানে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজনৈতিক ‘দাদাগিরির’ সংস্কৃতি ঘোচানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। গানের ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী মোদির পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যসহ দলের প্রথম সারির নেতাদের সাফল্যের মুহূর্তগুলো (West Bengal election) তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে নেতাকর্মীদের প্রবল পরিমাণে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে গানে।

     গানের প্রেক্ষাপট

    গত ১৭ জানুয়ারি মালদার জনসভা (West Bengal election) থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি যে স্লোগান বেঁধে দিয়েছিলেন, তা প্রচার পর্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। বিজেপি মনে করছে, মানুষের আবেগকেই জয়ের পর এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিতে এই গান ও স্লোগান বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। রাজ্যে ২০০-র গণ্ডি পেরিয়ে ক্ষমতায় আসার পর জনতাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই এখন নতুন সরকারের (West Bengal BJP) প্রধান লক্ষ্য—এই বার্তাই গানে স্পষ্ট করা হয়েছে।

  • Chandranath Rath: সিনেমার কায়দায় খুন চন্দ্রনাথকে, কীভাবে মারা হল শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে?

    Chandranath Rath: সিনেমার কায়দায় খুন চন্দ্রনাথকে, কীভাবে মারা হল শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে (Chandranath Rath)। গত আট বছর ধরে তিনি সামলাচ্ছিলেন শুভেন্দুর মিটিং-মিছিলের প্ল্যান-সহ সব কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এয়ার ফোর্সের প্রাক্তনী চন্দ্রনাথকে খুন (Suvendu Adhikari PA Murder) করে রাজ্যে ত্রাসের সঞ্চার করতে চায় তৃণমূল, অভিযোগ বিজেপির। সবেধন বাংলার গদি খুইয়ে যারপরনাই আতঙ্কিত তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার জেরেই চলছে বিজেপি নিধন যজ্ঞ, যার বলি হলেন শুভেন্দুর পিএ চন্দ্রনাথ। এই ঘটনার পরেও দলীয় কর্মীদের সংযত থাকার নির্দেশ দেন জোড়া বিধানসভা কেন্দ্র-জয়ী শুভেন্দু।

    চন্দ্রনাথ খুনে চাঞ্চল্যকর তথ্য (Chandranath Rath)

    এদিকে, চন্দ্রনাথ খুনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, আততায়ীরা মোট তিনজন ছিল। চন্দ্রনাথকে খুন করতে কাজে লাগানো হয়েছে একটি চারচাকা গাড়ি ও দুটি বাইক। বুধবার রাত সোয়া ১০টা নাগাদ বাড়ি যাওয়ার পথে মধ্যমগ্রামে খুন হন চন্দ্রনাথ। হঠাৎই পিছন থেকে একটি চারচাকা গাড়ি আড়াআড়ি ভাবে এসে দাঁড়িয়ে যায় শুভেন্দুর পিএ-র গাড়ির সামনে। এই সময় পেছন থেকে দুপাশে দ্রুত চলে আসে দুটি বাইক। শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলিবৃষ্টি। প্রথমে গাড়ির কাচে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালানো হয়। গুলির ঘায়ে কাচে গর্ত তৈরি হলে চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত করতে সেখান দিয়ে বন্দুকের নল ঢুকিয়ে গুলি ছোড়ে আততায়ীরা (Suvendu Adhikari PA Murder)। তদন্তকারীদের অনুমান, চন্দ্রনাথকে খুন করার সময়ই টার্গেট করা হয় তাঁর গাড়ির চালককেও। গুলিতে জখম হয়ে তিনি ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। গাড়ির পেছনের সিটে বসেছিলেন চন্দ্রনাথের ঘনিষ্ট একজন। তিনি অবশ্য অক্ষতই রয়েছেন।

    চালানো হয় ১০ রাউন্ড গুলি!

    তদন্তকারীদের অনুমান, সব মিলিয়ে ১০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। আরও জানা যায়, চারচাকা চালাচ্ছিল এক আততায়ী। আর দুজন এসেছিল বাইকে চড়ে। চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরেই দুটি বাইকে চেপে তিনজনে পালিয়ে যায় দুটি আলাদা দিকে। একটি বাইক চলে যায় যশোর রোডের দিকে (Chandranath Rath)। আততায়ীদের আর একটি বাইক এমন রাস্তা ধরেছিল, যেখান থেকে সহজেই চলে যাওয়া যায় মধ্যমগ্রাম চৌমাথা এবং রাজারহাটের দিকে। যে বাইকটি যশোর রোড ধরেছিল, সিসিটিভির ফুটেজে সেই গাড়ির ছবি মিললেও, আবছা উঠেছে গাড়ির নম্বর প্লেট। তাই আততায়ীরা ঠিক কোন দিকে গিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। আততায়ীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান (Chandranath Rath)।

  • Suvendu Adhikari PA Death: শুভেন্দুর পিএ মেরে কোন পথ ধরে আততায়ীরা? এসেছিল কোন দিক দিয়ে? প্রকাশ্যে এল প্ল্যান

    Suvendu Adhikari PA Death: শুভেন্দুর পিএ মেরে কোন পথ ধরে আততায়ীরা? এসেছিল কোন দিক দিয়ে? প্রকাশ্যে এল প্ল্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে হাড়হিম হত্যা! মধ্যমগ্রামে রাস্তার ওপর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে (Suvendu Adhikari PA Death)! গুলিবিদ্ধ হয়েছেন গাড়ির চালকও। পুলিশের দাবি এই খুন সুপরিকল্পিত। যে আবাসনের সামনে এই ঘটনা ঘটে সেই শুভম গার্ডেনিয়া আবাসনের সিকিউরিটি গার্ড জানান আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই আবাসনের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সবটাই।

    কোন দিক দিয়ে এসেছে আততায়ীরা

    সিকিউরিটি গার্ড জানান, ১০টা থেকে ১০.১০টার মধ্যে হঠাৎই গুলি চলার আওয়াজ পান তিনি। তখন সিকিউরিটি ডেস্ক-এ বসে ছিলেন। এমন আওয়াজ শুনেই গেটের সামনে ছুটে যান তিনি। দরজা খুলে দেখতে পান কিছু একটা ঘটছে তাঁর অনতিদূরে। এরপর তড়িঘড়ি তিনি ছুটে এসে আবাসনের দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর চাঞ্চল্যকর দাবি করেন সিকিউরিটি। পুলিশের প্রাথমিক দাবি ছিল এই রাস্তা দিয়েই চলে যায় বাইক। কিন্তু ওই সুরক্ষাকর্মীর কথায়, এই রাস্তা দিয়ে দুটো বাইকের কোনও বাইকই যশোর রোডের দিকে যায়নি। সিকিউরিটির দাবি, বাইক দুটি ঢুকেছে যশোর রোড দিয়েই দোহারিয়ার দিকে। মনে করা হচ্ছে, যশোর রোড না ধরে ভিতরের ঘিঞ্জি এলাকা দিয়েই আততায়ীরা পালানোর পরিকল্পনা নেয়।

    গাড়ির দরজা খুলতেই…

    যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিহত চন্দ্রনাথের ফ্ল্যাটের খুব কাছেই। ওই এলাকার এক বিজেপি কর্মী  হত্যার প্রত্যক্ষ করেন। তিনি জানান, পথকুকুরকে খাওয়ানোর সময় তিনি গুলির আওয়াজ শুনেই ছোটেন। সুশান্ত সরকার নামে ওই বিজেপি কর্মী জানান, সেই মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল। তিনি জানান, সেখানে গিয়ে দেখেন একটি সাদা রঙের স্করপিও গাড়ির সামনে একটি ছোট গাড়ি আড়াআড়ি ভাবে দাঁড় করানো রয়েছে। ছোট গাড়ির ভিতরে কেউ ছিল না। তবে স্করপিওর ভিতরে একজন ব্যক্তি আতঙ্কিত অবস্থায় বসে কাঁদছিলেন এবং ভয়ে দরজা খুলতে সাহস পাচ্ছিলেন না। সুশান্ত জানান, তিনি সাহস জোগানোর পরে ওই ব্যক্তি গাড়ির দরজা খোলেন। এর পরেই গাড়ির ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় আরও দুই ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সুশান্তর দাবি, এমনিই রাত ৮টার পরে একটু ফাঁকা থাকে ওই এলাকা। এখান থেকে এক মিনিটও লাগে না যশোহর রোড যেতে। আততায়ীরা একেবারে ঠান্ডা মাথায় সব প্ল্যান করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি তাঁর।

    পাশ দিয়েই চলে গিয়েছিল আততায়ীরা

    পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনাটি ঘটেছে রাত ১০ থেকে ১০.১৫-র মধ্যে। জানা যাচ্ছে, হামলার সময় গাড়ির সামনের সিটে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ ও তাঁর গাড়ির চালক। কিন্তু বিস্তারিত জানতে মধ্যমগ্রাম ও ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে নজর রেখেছে পুলিশ। এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। আদিত্য নামের ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘চন্দ্রনাথদার যে গাড়িটি ছিল সেটা আমাকে ক্রস করেছিল। বারাসাতের দিকে যাচ্ছিলাম এই পথে। সেই সময় আমাকে ক্রস করেই এগিয়ে যায় গাড়িটি। আমি চন্দ্রদার গাড়ি থেকে খুব বেশি হলে ১৫০ মিটার দূরে ছিলাম। আমার গাড়ি ওই ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ছিল। ওঁর গাড়ি ৬০ এর কাছাকাছি ছিল কারণ আমার গাড়িকে ক্রস করে। হঠাৎ করেই দেখি গাড়ির গতি কমে যায়। পড়ে বুঝতে পারি সামনে একটা গাড়ি চলে আসে। এরপর একটি বাইক আমাকেও ক্রস করে ওই গাড়ির কাছে চলে যায়। ওই লোকটিই গুলি করে। একজন লোকই ফায়ার করেছিল। ওখানে আমার আর দাঁড়ানোর সাহস ছিল না। মাথায় হেলমেট ছিল বলে মুখ দেখতে পাইনি ওই বাইকারের।’

    পেয়ারাবাগানে অপেক্ষা

    তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনার পর বাইকটি দোহারিয়া শৈলেশ নগরের কাছে পেয়ারাবাগানে ওই গাড়িটির জন্য অপেক্ষা করছিল। এরপর চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি ওই এলাকায় ঢুকতেই পেয়ারাবাগান থেকে রওনা দেয় গাড়িটি। এরপর পথ আটকে গাড়ি থেকে নেমে আসে দুষ্কৃতীরা। গুলি করার ধরন দেখে তদন্তকারীদের দাবি ওই আততায়ী শার্প শ্যুটার। তাঁকে ভাড়াটে খুনি হিসেবে নিয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অলিগলি না চিনলে বা আগে থেকে রেকি না করলে এমন নির্জন জায়গা বেছে নেওয়া সম্ভব নয়।

LinkedIn
Share